Tag: NDA

NDA

  • UCC: “২০২৯-এর আগে বিজেপি-এনডিএ শাসিত সব রাজ্যেই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি”, বললেন শাহ

    UCC: “২০২৯-এর আগে বিজেপি-এনডিএ শাসিত সব রাজ্যেই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি”, বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৯ সালের আগে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ-শাসিত ২১টি রাজ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (ইউসিসি) চালু করা হবে বলে দাবি করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। রবিবার মুম্বইয়ে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের গত ১২ বছরের বিভিন্ন সাফল্য এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে (UCC) বিজেপির ২৫ বছরের যাত্রার কথাও তুলে ধরেন।

    মুম্বইয়ে ৩০ দিনের ‘সেবা সংকল্প অভিযানে’র সূচনা করতে এসেছিলেন শাহ। ২০৪৭ সালের মধ্যে উন্নত ভারত গড়ার সরকারের লক্ষ্যে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ বাড়ানোই এই অভিযানের উদ্দেশ্য বলে জানান তিনি।

    অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (UCC)

    শাহ বলেন, ইতিমধ্যেই একাধিক রাজ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করা হয়েছে। ২০২৯ সালের আগে এনডিএ-শাসিত সব রাজ্যই এই আইন কার্যকর করবে বলে তিনি আশাবাদী। উত্তরাখণ্ড ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রথম রাজ্য হিসেবে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি আইন পাস করে এবং ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে তা পুরোপুরি কার্যকর হয়। গত বছর গুজরাটেও এই আইন পাস হয়। ২০২৬ সালের মে মাসে অসম উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রথম রাজ্য হিসেবে অভিন্ন দেওয়ানি বিধির বিল পাস করে। সর্বশেষ এই তালিকায় যোগ দিয়েছে মধ্যপ্রদেশও। জুলাই মাসে বিশেষ বৈঠকে রাজ্য মন্ত্রিসভা সর্বসম্মতভাবে এই বিধি অনুমোদন করে।

    তবে গুজরাট, অসম ও মধ্যপ্রদেশের অভিন্ন দেওয়ানি বিধি এখনও রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। এদিকে, মহারাষ্ট্র, পশ্চিমবঙ্গ ও ছত্তিশগড়ে এই বিধির খসড়া তৈরির জন্য কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    শাহ বলেন, “তিন তালাক প্রথা বিলোপ করা হয়েছে, ফলে মুসলিম মহিলারা সমান অধিকার পেয়েছেন। একাধিক রাজ্যে আমরা অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করেছি। আমি আত্মবিশ্বাসী যে বিজেপি-এনডিএ শাসিত ২১টি রাজ্যে ২০২৯ সালের আগেই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করা হবে।” উল্লেখ্য, পরবর্তী লোকসভা নির্বাচন ২০২৯ সালে হওয়ার কথা।

    দেশের ফৌজদারি বিচারব্যবস্থা নিয়েও বক্তব্য রাখেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার মাধ্যমে দেশের ফৌজদারি বিচারব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা হয়েছে বলে দাবি করেন (UCC) তিনি। তাঁর বক্তব্য, এক বছরে বেশ কয়েকটি রাজ্যে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার হার ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে।

    তিন বছরের মধ্যে বিচারপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য একটি ব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে বলেও জানান শাহ।

    জাতীয় নিরাপত্তা প্রসঙ্গে শাহের বক্তব্য

    জাতীয় নিরাপত্তা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ৩৭০ এবং ৩৫এ ধারা বাতিলের সময় একটি গুলিও চালাতে হয়নি বা এক ফোঁটা রক্তও ঝরেনি। তাঁর দাবি, কাশ্মীর এখন সম্পূর্ণভাবে ভারতের সঙ্গে একীভূত।

    উত্তর-পূর্ব ভারত ও নকশাল সমস্যা নিয়েও সরকারের সাফল্যের কথা তুলে ধরেন শাহ। তাঁর দাবি, পাঁচ দশকের নকশালবাদের অবসান ঘটানো হয়েছে। পাশাপাশি উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ১৪টিরও বেশি শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। শাহ বলেন, “৯ হাজারেরও বেশি মানুষ আত্মসমর্পণ করেছেন এবং আজ আমরা উত্তর-পূর্ব ভারতকে উন্নয়নের পথে নিয়ে গিয়েছি।”

    সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সরকারের নীতির কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, সার্জিক্যাল স্ট্রাইক, বিমান হামলা এবং ‘অপারেশন সিঁদুরে’র মাধ্যমে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্সে’র নীতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

    মণিপুরে জাতীয় নাগরিকপঞ্জি কার্যকর করার ক্ষেত্রে ১৯৫১ সালের ভিত্তিবর্ষ ব্যবহার করা হবে কি না, সেই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে শাহ জানান, বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার তাদের শরিক দল এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করছে।

    তিনি বলেন, “আমরা আমাদের শরিকদের সঙ্গে এবং মণিপুরের রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গেও এই বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা করছি। যে সিদ্ধান্তই নেওয়া হোক না কেন, আমরা আপনাদের তা জানাব।”

    বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের শনাক্ত

    মুম্বইয়ের মতো শহরে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের শনাক্ত করার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে শাহ বলেন, তাঁদের চিহ্নিত করার জন্য সরকার যে পদ্ধতি বা উপায় ব্যবহার করছে, তা প্রকাশ্যে জানানো হবে না। রসিকতার সুরে তিনি বলেন, “আপনারা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে জানতে চাইছেন, কী কী উপায়ে তাঁদের শনাক্ত করা হবে তা প্রকাশ করে দিতে। তা হলে আমরা তাঁদের ধরব কী করে? তাঁরাও তো বিষয়টি জেনে যাবেন।”

    দেশ থেকে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে বহিষ্কারের বিষয়ে সরকারের অবস্থানও ফের স্পষ্ট করেন শাহ। তিনি বলেন, “আমি আবারও আমাদের সংকল্পের কথা বলছি—এই দেশের প্রতিটি অবৈধ অনুপ্রবেশকারীকে একে একে চিহ্নিত করে দেশ থেকে বের করে দেওয়া হবে।”

    মাদকবিরোধী অভিযান

    মাদকবিরোধী অভিযান প্রসঙ্গেও বক্তব্য রাখেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জানান, সম্প্রতি ‘নেশামুক্ত ভারত অভিযান’ শুরু করেছেন এবং এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেশের প্রতিটি রাজ্যে যাবেন। আগের দিনই এক মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে বলে জানান তিনি। কর্মসূচিটি দেশের তৃণমূল স্তরে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে পুরো দিন ধরে একটি বৈঠকও হবে বলে জানান শাহ (Amit Shah)। তাঁর কথায়, “এই অভিযান অবশ্যই তৃণমূল স্তরে পৌঁছবে এবং (UCC) ভারত মাদকের বিরুদ্ধে জয়লাভ করবে।”

     

  • Shamik Bhattacharya: একক লড়াইয়েই কলকাতা-হাওড়া দখলের লক্ষ্যে বিজেপি, পুরভোটের প্রস্তুতি শুরু নির্বাচন কমিশনের

    Shamik Bhattacharya: একক লড়াইয়েই কলকাতা-হাওড়া দখলের লক্ষ্যে বিজেপি, পুরভোটের প্রস্তুতি শুরু নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে আসন্ন পুরসভা নির্বাচনকে ঘিরে ক্রমশ চড়তে শুরু করেছে রাজনীতির পারদ। একদিকে যেমন পুরভোটের (Kolkata Municipal Election 2026) রণকৌশল ঠিক করতে ব্যস্ত রাজনৈতিক দলগুলি, অন্যদিকে তেমনই নির্বাচনের প্রশাসনিক প্রস্তুতিও ধীরে ধীরে গতি পাচ্ছে (Shamik Bhattacharya)। এই পরিস্থিতিতে সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে কলকাতা ও হাওড়া কর্পোরেশন দখলের লক্ষ্যে বিজেপি যে একক শক্তিতেই লড়াই করবে, তা স্পষ্ট করে দিলেন দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ক্ষেত্রে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সমীকরণ থাকলেও পুরভোটে বিজেপি কোনও জোটের উপর নির্ভর করতে চাইছে না বলেই তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট।

    সম্প্রতি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শমীক এনডিএর শরিকদের সঙ্গে সমীকরণ, দলের অভ্যন্তরের ক্ষোভ-বিক্ষোভ, বাংলার প্রাকৃতিক ও খনিজ সম্পদ, প্রবাসীদের বিনিয়োগ-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন। পুরভোটের লড়াই নিয়ে তাঁর বক্তব্য, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি নিজের শক্তিতেই নির্বাচনে লড়াই করতে সক্ষম। তাঁর কথায়, “বিজেপি একার শক্তিতে পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনে লড়াই করে ক্ষমতায় এসেছে। কারওর দয়ায় নয়, কারওর আশীর্বাদে নয়, কোনও মতাদর্শের ডাইলিউশন করে নয়।”

    জোট নয়, নিজেদের শক্তিতেই পুরভোটে বিজেপি (Shamik Bhattacharya)

    এনডিএর কয়েকটি শরিক দল এবং নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সেই প্রসঙ্গে শমীক জানান, এনসিপি বা অন্য কোনও শরিক দল দেশের অন্য রাজ্যে কিংবা কেন্দ্রীয় স্তরে এনডিএর অংশ হতে পারে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের পুরভোটের সমীকরণ সম্পূর্ণ আলাদা। কলকাতা ও হাওড়া কর্পোরেশন দখলের জন্য রাজ্য বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরাই যথেষ্ট বলে দাবি তাঁর।

    রাজনীতি সম্ভাবনার শিল্প—এই প্রচলিত কথাটিও স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তবে সেই সম্ভাবনার রাজনীতির মধ্যেও পুরভোটে এককভাবে লড়াই করার পক্ষেই তিনি জোরালো সওয়াল করেছেন। তাঁর দাবি, পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির কর্মীরা নিজেদের সাংগঠনিক শক্তির উপর ভর করেই কলকাতা ও হাওড়া কর্পোরেশন দখলের লড়াইয়ে নামতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত।

    দলের অন্দরের ক্ষোভ নিয়ে কী বললেন শমীক?

    বিজেপির অন্দরে কয়েকজন বিধায়কের প্রকাশ্য ক্ষোভ এবং মন্তব্য নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে অস্বস্তি তৈরি হয়েছিল। বিশেষ করে জিতেন তিওয়ারি এবং অমরনাথ শাখার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিধায়কদের প্রকাশ্য বক্তব্য নিয়ে দলের অন্দরে প্রশ্ন উঠেছিল। যদিও বিষয়টিকে বড় ধরনের বিদ্রোহ বা সাংগঠনিক সংকট হিসেবে দেখতে নারাজ শমীক।

    তাঁর মতে, কোনও ব্যবস্থাই সম্পূর্ণ ত্রুটিমুক্ত নয়। ফলে কোথাও কোথাও সামান্য বিচ্যুতি থাকতেই পারে। তবে গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের প্রকাশ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করা ঠিক হয়নি বলেই মনে করেন তিনি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নেতাদের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলার কথাও জানিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তাঁর দাবি, দলের ভিতরে কোনও বড় ধরনের অসন্তোষ তৈরি হয়নি।

    বাংলার খনিজ সম্পদ নিয়ে বড় সম্ভাবনার দাবি

    রাজনৈতিক প্রসঙ্গের পাশাপাশি বাংলার অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন এবং প্রাকৃতিক সম্পদের সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেন শমীক (Shamik Bhattacharya)। তাঁর দাবি, বহু বছর আগেই পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম এবং মেদিনীপুরের একাংশে বিপুল পরিমাণ ম্যাঙ্গানিজ ও রেয়ার আর্থের সন্ধান মিলেছিল। কিন্তু তৎকালীন বামফ্রন্ট সরকার সেই সম্পদকে কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করেনি বলেই অভিযোগ তাঁর (Kolkata Municipal Election 2026)।

    ২০১৮ সালে অশোকনগরে গ্যাসের সন্ধান পাওয়ার পর রানাঘাটেও প্রাকৃতিক গ্যাসের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান তিনি। একই সঙ্গে কালিম্পং ও বাঁকুড়ায় সোনার সন্ধানও চলছে বলে দাবি করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তাঁর বক্তব্য, বাংলার প্রাকৃতিক সম্পদ ও সুজলা-সুফলা ভূপ্রকৃতিকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে রাজ্যের অর্থনীতিকে নতুন গতি দেওয়া সম্ভব।

    প্রবাসীদের বাংলায় বিনিয়োগের আগ্রহ

    সম্প্রতি বিদেশ সফরের অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন শমীক। নেদারল্যান্ডসে ‘বিদেশস্থ বিজেপির বন্ধু’ সংগঠনের বৈঠকে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি বহু প্রবাসী ভারতীয়ের সঙ্গে তাঁর আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি। শমীকের দাবি, বাংলার উন্নয়ন ও বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে প্রবাসীদের মধ্যে যথেষ্ট আগ্রহ রয়েছে।

    পুরুলিয়ার রামকৃষ্ণ মিশনের প্রাক্তনী এবং বিশ্বখ্যাত এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) বিশেষজ্ঞ ইন্দ্রনীল বন্দ্যোপাধ্যায় এবং লর্ড বাগড়ির পরিবারের মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিরা বাংলায় নতুন করে বিনিয়োগ ও কাজ করার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বলেও জানান তিনি। রাজ্যে শিল্প, কর্মসংস্থান ও প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়াতে প্রবাসীদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে বলেও মনে করছে বিজেপি।

    জিডিপি বৃদ্ধি নিয়ে মোদি সরকারের সাফল্যের দাবি

    দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং জিডিপি বৃদ্ধির প্রসঙ্গেও কেন্দ্রীয় সরকারের সাফল্যের কথা তুলে ধরেন শমীক। তাঁর বক্তব্য, বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ পরিস্থিতি, অর্থনৈতিক মন্দা এবং মূল্যবৃদ্ধির মতো একাধিক প্রতিকূলতার মধ্যেও ভারত কোভিড পরিস্থিতির ধাক্কা সামলে অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।

    তাঁর দাবি, দেশের বিপুল সংখ্যক মানুষকে বিনামূল্যে টিকা এবং বিনামূল্যে রেশন দেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্পের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। ভারতের অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে দেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী হওয়ায় গোটা বিশ্ব বিস্মিত হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি (Shamik Bhattacharya)।

    পুরভোটের প্রস্তুতিতে বৈঠকে নির্বাচন কমিশন

    এদিকে, পশ্চিমবঙ্গের কয়েকটি জেলায় পুরভোট হওয়ার সম্ভাবনাকে সামনে রেখে প্রশাসনিক প্রস্তুতিও শুরু করে দিয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। বুধবার এ নিয়ে একটি পর্যালোচনা বৈঠক হয়। বৈঠকে নেতৃত্ব দেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার কৃষ্ণা গুপ্ত। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসকেরা (Kolkata Municipal Election 2026)।

    পুরভোটে ভোটার তালিকা নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বেশ কিছু ভোটারের নাম বাদ পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। কমিশন সূত্রে খবর, ১ জুলাই প্রকাশিত ভোটার তালিকার ভিত্তিতেই পুরভোটের ভোটার তালিকা তৈরি করা হবে। পাশাপাশি পুর এলাকার সীমানা নির্ধারণ, আসন সংরক্ষণ, বৈদ্যুতিন ভোটযন্ত্রের ব্যবস্থাপনা, ভোটগ্রহণ কেন্দ্র এবং অন্যান্য নির্বাচনী প্রস্তুতি নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

    কমিশন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, আগামী সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে আসন সংরক্ষণের খসড়া তালিকা প্রকাশ করা হতে পারে। সেই তালিকা নিয়ে বিভিন্ন আপত্তি ও দাবি খতিয়ে দেখার পর অক্টোবরের শেষদিকে চূড়ান্ত সংরক্ষণ তালিকা প্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে।

    ১৫ পুরসভায় নেই নির্বাচিত বোর্ড

    বর্তমানে রাজ্যের ১২টি জেলার মোট ১৫টি পুরসভায় নির্বাচিত পুরবোর্ড নেই। সেখানে প্রশাসক নিয়োগ করেই পুর পরিষেবা পরিচালনা করা হচ্ছে। এই তালিকায় সবচেয়ে বেশি নজরে রয়েছে হাওড়া পুরসভা। সেখানে গত ১৩ বছর ধরে নির্বাচন হয়নি।

    মন্ত্রিসভা গঠনের পর হাওড়া পুরসভা-সহ পুর নির্বাচন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। দীর্ঘদিন নির্বাচন হয়নি এমন পুরসভাগুলির মধ্যে রয়েছে দুর্গাপুর, মুর্শিদাবাদের ডোমকল, উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জ, দক্ষিণ দিনাজপুরের বুনিয়াদপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনার পূজালি, দার্জিলিং জেলার কার্শিয়াং ও মিরিক, কালিম্পং, পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়া ও হলদিয়া, নদিয়ার কুপার্স ক্যাম্প, বীরভূমের নলহাটি, হাওড়ার বালি এবং জলপাইগুড়ির ধূপগুড়ি পুরসভা (Shamik Bhattacharya)।

    প্রশাসনিক সূত্রের খবর, এই পুরসভাগুলির অধিকাংশেরই শেষ নির্বাচন হয়েছিল ২০১৭ সালে। ফলে দীর্ঘদিন ধরে নির্বাচিত পুরবোর্ড না থাকা পুরসভাগুলিতে ভোট আয়োজন নিয়ে এবার রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক—দুই মহলেই তৎপরতা বাড়ছে। একদিকে বিজেপি একক শক্তিতে পুরভোটে লড়াইয়ের বার্তা দিয়েছে, অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনও ভোটার তালিকা থেকে শুরু করে আসন সংরক্ষণ ও ভোটগ্রহণ পরিকাঠামো প্রস্তুতির কাজ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। ফলে আসন্ন পুরভোটকে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আগামী দিনে আরও (Kolkata Municipal Election 2026) উত্তপ্ত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের (Shamik Bhattacharya)।

     

  • One Nation One Election: ভাবনায় ‘ওয়ান নেশন, ওয়ান ইলেকশন’! ২০২৯ লোকসভার সঙ্গেই ২২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিধানসভা নির্বাচন?

    One Nation One Election: ভাবনায় ‘ওয়ান নেশন, ওয়ান ইলেকশন’! ২০২৯ লোকসভার সঙ্গেই ২২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিধানসভা নির্বাচন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গেই ২২টি এনডিএ-শাসিত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিধানসভা নির্বাচন করার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে কেন্দ্রীয় সরকার। এই পরিকল্পনা কার্যকর হলে ‘ওয়ান নেশন, ওয়ান ইলেকশন’-এর প্রথম ধাপ ২০৩৪-এর পরিবর্তে ২০২৯ সালেই শুরু হতে পারে বলে সূত্রের খবর। এ ক্ষেত্রে কয়েকটি রাজ্যের বিধানসভার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই তা ভেঙে দিয়ে লোকসভা নির্বাচনের সময়ের সঙ্গে ভোটের সময়সূচি মিলিয়ে দেওয়া হতে পারে। বর্তমানে ‘ওয়ান নেশন, ওয়ান ইলেকশন’ (One Nation One Election) সংক্রান্ত সংবিধান সংশোধনী বিল নিয়ে যৌথ সংসদীয় কমিটি (JPC) বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, বিধায়ক, সরকারি আধিকারিক এবং অন্যান্য অংশীদারদের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে। একই সঙ্গে একসঙ্গে নির্বাচন করাতে কী ধরনের সাংবিধানিক ও প্রশাসনিক পরিবর্তন প্রয়োজন, তা-ও খতিয়ে দেখছে কমিটি।

    কীভাবে ২২টি রাজ্যকে ২০২৯-এর ভোটচক্রে আনা হতে পারে?

    বিবেচনায় থাকা ২২টি এনডিএ-শাসিত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মধ্যে ১১টিতে ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগের দুই বছরের মধ্যে বিধানসভা ভোট হওয়ার কথা। অন্যদিকে অন্ধ্রপ্রদেশ, অরুণাচলপ্রদেশ, সিকিম এবং ওড়িশায় লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গেই বিধানসভা নির্বাচন হয়। প্রস্তাবটি কার্যকর করতে হলে বাকি কয়েকটি রাজ্যের বিধানসভা স্বাভাবিক মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই ভেঙে দিতে হতে পারে। সংশ্লিষ্ট রাজ্যে এনডিএ সরকার ক্ষমতায় থাকলে এবং তারা এই পরিকল্পনায় সম্মতি দিলে ২০২৯ সালের জানুয়ারির মধ্যেই বিধানসভা ভেঙে দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সংবিধানের ১৭৪(২)(বি) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাজ্যপাল বিধানসভা ভেঙে দিতে পারেন। সাধারণত মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভার পরামর্শেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিধানসভা ভেঙে গেলে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে নতুন নির্বাচন করতে হয়। এর ফলে কয়েকটি রাজ্যে বর্তমান বিধানসভার মেয়াদ কয়েক বছর পর্যন্ত কমে যেতে পারে। যেমন গোয়া, গুজরাট, মণিপুর, উত্তরপ্রদেশ ও উত্তরাখণ্ডে প্রায় তিন বছর পর্যন্ত মেয়াদ কমার সম্ভাবনা রয়েছে। ছত্তিশগড়, মধ্যপ্রদেশ, মেঘালয়, নাগাল্যান্ড, রাজস্থান ও ত্রিপুরায় এই মেয়াদ কমার পরিমাণ প্রায় চার বছর হতে পারে।

    একসঙ্গে নির্বাচনের পক্ষে কয়েক এনডিএ মুখ্যমন্ত্রী

    এই পরিকল্পনার প্রতি ইতিমধ্যেই কয়েকটি এনডিএ-শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সমর্থন জানিয়েছেন। গোয়া, উত্তরাখণ্ড, হরিয়ানা এবং দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীরা সংসদীয় কমিটির সঙ্গে আলোচনায় নির্বাচনগুলির সময়সূচি সমন্বয়ের পক্ষে মত দিয়েছেন। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা জানিয়েছেন, জাতীয় স্বার্থে প্রয়োজন হলে বিধানসভার মেয়াদে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করতে দিল্লি সরকার প্রস্তুত। তাঁর বক্তব্য, জাতীয় স্তরে নির্বাচনের সময়সূচি এক করার জন্য দিল্লির মেয়াদে উপযুক্ত সমন্বয় প্রয়োজন হলে সরকার ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে তা বিবেচনা করবে। ২০২৯ সালের লোকসভা ভোটের সঙ্গে দিল্লির বিধানসভা নির্বাচন করতে হলে বর্তমান বিধানসভার মেয়াদ প্রায় এক বছর কমাতে হতে পারে। যৌথ সংসদীয় কমিটি ইতিমধ্যে মহারাষ্ট্র, উত্তরাখণ্ড, হরিয়ানা, পঞ্জাব, হিমাচলপ্রদেশ, কর্নাটক, গুজরাট, দিল্লি, গোয়া এবং উত্তরপ্রদেশ-সহ একাধিক রাজ্যে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলির সঙ্গে আলোচনা করেছে। বিধানসভা আগাম ভেঙে দেওয়া, মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে নির্বাচন এবং নির্বাচনী সময়সূচি সমন্বয়ের সাংবিধানিক প্রভাব নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

    বিরোধীদের আপত্তি: গণতন্ত্র ও যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো নিয়ে প্রশ্ন

    বিধানসভাগুলির মেয়াদ আগাম শেষ করার সম্ভাবনা সামনে আসায় ‘ওয়ান নেশন, ওয়ান ইলেকশন’ নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র হতে পারে। বিরোধীদের অভিযোগ, নির্বাচিত রাজ্য সরকারের মেয়াদ কমিয়ে দিলে যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো এবং গণতান্ত্রিক জবাবদিহি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক জয়রাম রমেশ জানিয়েছেন, দলের অবস্থানের কোনও পরিবর্তন হয়নি। কংগ্রেস ‘ওয়ান নেশন, ওয়ান ইলেকশন’-এর বিরোধী। তাঁর দাবি, এই প্রস্তাব অসাংবিধানিক, অগণতান্ত্রিক এবং জবাবদিহির পরিপন্থী। কংগ্রেস ও ডিএমকে-র সাংসদরা ২০২৪ সালে সংসদে বিলগুলি পেশ করার সময়ই আপত্তি জানিয়েছিলেন। কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমারও যৌথ সংসদীয় কমিটি-র সামনে হাজির হয়ে এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করেন। পাঞ্জাব, হিমাচলপ্রদেশ, কর্নাটক, মিজোরাম এবং তেলঙ্গানার মতো বিরোধী-শাসিত রাজ্যগুলিতেও ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে বিধানসভা ভোট হওয়ার কথা। তবে এনডিএ-শাসিত রাজ্যগুলির মতো এই রাজ্যগুলির সরকারগুলি স্বেচ্ছায় বিধানসভার মেয়াদ কমাতে আগ্রহী হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

    কী রয়েছে ‘ওয়ান নেশন, ওয়ান ইলেকশন’ বিলের প্রস্তাবে?

    ‘ওয়ান নেশন, ওয়ান ইলেকশন’ ব্যবস্থার জন্য ২০২৪ সালে সংবিধান (১২৯তম সংশোধনী) বিল এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল আইন (সংশোধনী) বিল আনা হয়। তৎকালীন আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল ২০২৪ সালের ১৭ ডিসেম্বর লোকসভায় সংবিধান সংশোধনী বিলটি পেশ করেন। পরে ২৬৯ জন সাংসদ বিলটি যৌথ সংসদীয় কমিটিতে পাঠানোর পক্ষে ভোট দেন এবং ১৯৬ জন এর বিরোধিতা করেন। প্রস্তাবিত সংবিধান সংশোধনীতে ৮২, ৮৩, ১৭২ এবং ৩২৭ নম্বর অনুচ্ছেদে পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছে। এর লক্ষ্য হল লোকসভা ও রাজ্য বিধানসভাগুলির নির্বাচনকে একটি নির্দিষ্ট সময়চক্রে নিয়ে আসা। প্রস্তাব অনুযায়ী, কোনও সাধারণ নির্বাচনের পর লোকসভার প্রথম বৈঠকের পর যে বিধানসভাগুলি নির্বাচিত হবে, তাদের মেয়াদ প্রয়োজন অনুযায়ী সামঞ্জস্য করা যেতে পারে, যাতে পরবর্তী সময়ে লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গেই ওই বিধানসভাগুলির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই পরিকল্পনার ভিত্তি মূলত প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের নেতৃত্বাধীন উচ্চপর্যায়ের কমিটির সুপারিশ। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে ওই কমিটি গঠিত হয়েছিল। বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা ও গবেষণার পর কমিটি রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে রিপোর্ট জমা দেয়। তবে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। যৌথ সংসদীয় কমিটি-র মেয়াদ সম্প্রতি শীতকালীন অধিবেশন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। ফলে আরও আলোচনা ও পরামর্শের পরই ‘ওয়ান নেশন, ওয়ান ইলেকশন’ নিয়ে চূড়ান্ত সুপারিশ সামনে আসবে। ২০২৯ সালেই একসঙ্গে লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচন হবে কি না, এখন সেই প্রশ্নই জাতীয় রাজনীতিতে ক্রমশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

  • NDA: ছাত্র আন্দোলন নিয়ে অযথা সংসদ অচল করছেন রাহুল, অভিযোগ এনডিএ সাংসদদের

    NDA: ছাত্র আন্দোলন নিয়ে অযথা সংসদ অচল করছেন রাহুল, অভিযোগ এনডিএ সাংসদদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিরোধীদের লাগাতার অচলাবস্থার প্রতিবাদে মঙ্গলবার সংসদের দিকে মিছিল করলেন এনডিএ (NDA) সাংসদরা। তাঁদের হাতে ছিল বিভিন্ন স্লোগান লেখা প্ল্যাকার্ড। সেখানে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে ছাত্র আন্দোলন নিয়ে সংসদে বিতর্ক এড়িয়ে (Jharkhand) যাওয়ার অভিযোগও তোলা হয়।

    এনডিএর বিক্ষোভ (NDA)

    সাম্প্রতিক ছাত্র আন্দোলন এবং ঝাড়খণ্ডে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশের পদক্ষেপ ঘিরে সরকার ও বিরোধীদের মধ্যে টানাপোড়েনের মধ্যেই এই বিক্ষোভ হল। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বারবার সংসদের অধিবেশন ব্যাহত হয়েছে। বিরোধীরা পুলিশের পদক্ষেপের ব্যাখ্যা দাবি করছে। এদিকে, রাহুল গান্ধী কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের জবাবদিহি করেছেন। সরকার অবশ্য এই বিষয়ে সংসদে আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছে এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জবাব দেওয়ার কথা রয়েছে।সোমবার ঝাড়খণ্ডে ঝাড়খণ্ড পাবলিক সার্ভিস কমিশন ও ঝাড়খণ্ড স্টাফ সিলেকশন কমিশনের পরীক্ষার্থীদের বিক্ষোভে পুলিশের লাঠিচার্জ এবং জলকামান ব্যবহারের ঘটনায়ও রাহুলের কাছে জবাব চেয়েছেন এনডিএ সাংসদরা। বিজেপি সাংসদ কঙ্গনা রানাউত বলেন, “এখন ওরা আলোচনা করতে অস্বীকার করছে। এর আগে ওরাই আলোচনার দাবি জানিয়েছিল—যে পদক্ষেপকে স্বাগত জানানো হয়েছিল। কিন্তু পরে ওরা পিছিয়ে গেল। ওরা দেশকে বিভ্রান্ত করছে। সংসদ চলতে দিচ্ছে না।”

    কী বলছে বিজেপি

    বিজেপি নেতা তরুণ চুঘ রাহুলের বিরুদ্ধে দ্বিচারিতার অভিযোগ তুলে বলেন, “এটি দ্বিচারিতার ঘটনা। ঝাড়খণ্ডে ছাত্রদের ওপর লাঠিচার্জের ঘটনায় রাহুল গান্ধী সংসদ থেকে পালিয়ে যাচ্ছেন এবং নীরব রয়েছেন। গোটা দেশ সব কিছু দেখছে (NDA)।” বিজেপি সাংসদ সাক্ষী মহারাজ বলেন, “পুরো বিরোধী দল কোনও ধরনের আলোচনাই চায় না। ছাত্রদের বিষয়টির ক্ষেত্রে তাদের নীতি এক এক জায়গায় এক এক রকম, এবং ঝাড়খণ্ডের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ আলাদা।” বিজেপি সাংসদ সঞ্জয় জয়সওয়াল বলেন, “আমরা আলোচনার জন্য প্রস্তুত, কিন্তু রাহুল গান্ধী প্রস্তুত নন। তিনিই লোকসভাকে অচল করে রেখেছেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জবাব দিতে প্রস্তুত।” বিজেপি সাংসদ মনোজ তিওয়ারি বলেন, “অমিত শাহজি জবাব দেবেন, রাহুল গান্ধী পালাবেন না… রাহুল গান্ধী লজ্জা করুন, ঝাড়খণ্ডে ছাত্রদের উপর এতটা বর্বরতা হয়েছে…”  অন্যদিকে, জাতীয়তাবাদী কংগ্রেস পার্টির সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “সবাই তাঁদের (বিরোধীদের) কাছে জবাব চাইছে। তাঁদের জবাব দিতেই হবে।”

    গুলি চালানোর নির্দেশ কে দিয়েছিল

    এর আগে সোমবার রাহুল জানিয়েছিলেন, বিরোধীরা অমিত শাহের মতামত শুনতে আগ্রহী নয়। বরং পুলিশের দমন-পীড়নের নির্দেশ কে দিয়েছিলেন, তা জানতে চান বিরোধীরা। রাহুল বলেন, “অমিত শাহের সংসদে এসে আমাদের সামনে দাঁড়ানোর সাহস নেই। গত ১৫ দিনে তাঁরা সেটাই দেখিয়েছেন। নরেন্দ্র মোদি কিংবা অমিত শাহ—কারও সাহস নেই… তাঁর মতামত নিয়ে কারও আগ্রহ নেই। আমরা শুধু জানতে চাই, গুলি চালানোর নির্দেশ কে দিয়েছিল। তিনি যদি নির্দেশ না দিয়ে থাকেন, তাহলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের কে সেই নির্দেশ দিয়েছিলেন? আমরা জানতে চাই, এর দায় কার, নাকি এটি অদক্ষতার ফল?” টানা কয়েক দিন ধরে সরকার ও বিরোধী দলগুলির মধ্যে এই সংঘাতের জেরে (Jharkhand) সংসদের অধিবেশন ব্যাহত হওয়ার পর সরকার ফের জানিয়েছে, তারা সংসদে বিষয়টি নিয়ে আলোচনায় প্রস্তুত। অন্যদিকে, বিরোধীরা পুলিশের পদক্ষেপের নির্দেশদাতা এবং তার দায়বদ্ধতা নিয়ে সরাসরি জবাব দাবি করছে (NDA)।

     

  • Lok Sabha Speaker: লোকসভায় বড় ভাঙন, শিন্ডে শিবিরে যোগ উদ্ধব শিবিরের ছয় শিবসেনা সাংসদের, আলাদা আসন তৃণমূলের ২০ বিদ্রোহীকেও

    Lok Sabha Speaker: লোকসভায় বড় ভাঙন, শিন্ডে শিবিরে যোগ উদ্ধব শিবিরের ছয় শিবসেনা সাংসদের, আলাদা আসন তৃণমূলের ২০ বিদ্রোহীকেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদের বাদল অধিবেশন শুরুর ঠিক দু’দিন আগে দেশের রাজনীতিতে ঘটল বড় ধরনের পালাবদল। লোকসভার স্পিকার (Lok Sabha Speaker) ওম বিড়লা আনুষ্ঠানিকভাবে শিবসেনা (ইউবিটি)-র ছয় লোকসভা সাংসদের একনাথ শিন্ডে নেতৃত্বাধীন শিবসেনায় (Shiv Sena UBT) যোগদানের অনুমোদন দিয়েছেন। এর ফলে লোকসভায় শিন্ডে নেতৃত্বাধীন শিবসেনার সাংসদ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৩।

    শক্তি বাড়ল এনডিএর (Lok Sabha Speaker)

    লোকসভা সচিবালয়ের জারি করা সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে অষ্টাদশ লোকসভায় বিভিন্ন দলের সংশোধিত অবস্থান প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে উদ্ধব ঠাকরের শিবসেনা (ইউবিটি) থেকে ওই ছয় সাংসদের দলবদলের বিষয়টি নথিভুক্ত করা হয়েছে। এই ঘটনাকে মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পুনর্বিন্যাস হিসেবে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে লোকসভায় বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএর শক্তিও আরও বৃদ্ধি পেল। এদিকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে আসা ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদের জন্যও লোকসভায় পৃথক আসন বিন্যাসের অনুমতি দিয়েছেন স্পিকার। বর্ষীয়ান নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন এই গোষ্ঠী ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অব ইন্ডিয়ার সঙ্গে একীভূত হওয়ার আবেদন জানিয়েছে। যদিও ওই দলভুক্তিকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। সাংবিধানিক ও আইনি দিকগুলি বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    বৈঠকে আমন্ত্রণ তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের 

    অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু ইতিমধ্যেই তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের সরকারের ডাকা সর্বদলীয় ফ্লোর লিডারদের বৈঠকে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, বাদল অধিবেশন শুরুর আগেই আরও কিছু রাজনৈতিক পুনর্বিন্যাসের ইঙ্গিত মিলছে। ২০ জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে সংসদের বাদল অধিবেশন। তার আগে এই রাজনৈতিক পরিবর্তনের ফলে এনডিএর সাংসদ সংখ্যা আরও বেড়েছে। তৃণমূলের বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সমর্থন এবং শিবসেনা (ইউবিটি)-র ছয় সাংসদের শিন্ডে শিবিরে যোগদানের ফলে সরকার গুরুত্বপূর্ণ আইন পাস করানোর ক্ষেত্রে বাড়তি সুবিধা পেতে পারে বলেই শুরু হয়েছে জল্পনা (Lok Sabha Speaker)।

    বিল পাসে আশাবাদী সরকার

    রাজনৈতিক মহলের ধারণা, লোকসভায় সীমানা পুনর্নির্ধারণ বিল এবং মহিলাদের সংরক্ষণ সংক্রান্ত ১৩১তম সংবিধান সংশোধনী বিল পাস করানোর ক্ষেত্রে সরকার নতুন করে আশাবাদী। শরদ পওয়ার নেতৃত্বাধীন এনসিপি এবং দ্রাবিড় মুন্নেত্র কাঝগমের সমর্থন মিলতে পারে বলেও জল্পনা রয়েছে। এই ধরনের সংবিধান সংশোধনী বিল পাস করাতে লোকসভায় মোট সদস্যের দুই-তৃতীয়াংশের সমর্থন প্রয়োজন। সেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকায় চলতি বছরের এপ্রিল মাসে বিলটি পাস করানো সম্ভব হয়নি।

    ‘অন্যায়’ আবদার তৃণমূল-উদ্ধব ঠাকরের দলের

    এদিকে, তামিলনাড়ুতে কংগ্রেস জোট ভেঙে টিভিকে-কে সমর্থন করার পর দ্রাবিড় মুন্নেত্র কাঝগমও লোকসভায় কংগ্রেসের থেকে আলাদা আসন বিন্যাসের আবেদন করেছে। যদিও স্পিকার এখনও এ বিষয়ে তাঁর সিদ্ধান্ত জানাননি। তবে তা অনুমোদিত হতে পারে বলেই জল্পনা রাজনৈতিক মহলে। শিবসেনা (ইউবিটি) এবং তৃণমূল কংগ্রেস—দুই দলই তাদের বিদ্রোহী সাংসদদের অযোগ্য ঘোষণা করার দাবি জানিয়েছে। তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, বিদ্রোহী গোষ্ঠীর (Shiv Sena UBT) সদস্যসংখ্যা দলত্যাগ-বিরোধী আইনের বিধান লঙ্ঘন না করায় স্পিকারের পক্ষে তাঁদের অযোগ্য ঘোষণা করার সম্ভাবনা খুবই কম (Lok Sabha Speaker)।

     

  • Jharkhand: ঝাড়খণ্ড রাজ্যসভা নির্বাচনে জয়ী এনডিএ-সমর্থিত নির্দল প্রার্থী, ক্রস-ভোটিং ঘিরে জোর চর্চা

    Jharkhand: ঝাড়খণ্ড রাজ্যসভা নির্বাচনে জয়ী এনডিএ-সমর্থিত নির্দল প্রার্থী, ক্রস-ভোটিং ঘিরে জোর চর্চা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) দু’টি রাজ্যসভা আসনের নির্বাচনের ফল বেরল। একটি আসনে জয়ী হয়েছেন এনডিএ-সমর্থিত নির্দল প্রার্থী পরিমল নাথওয়ানি। অন্য আসনটি দখল করেছে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা (জেএমএম)। জয়ী হয়েছেন বৈদ্যনাথ রাম। ভোটগ্রহণে ক্রস-ভোটিংয়ের (Cross Voting) অভিযোগ সামনে আসায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

    পরাজিত কংগ্রেস (Jharkhand)

    পরিমল কংগ্রেস প্রার্থী প্রণব ঝাকে পরাজিত করেছেন। আর বৈদ্যনাথ জয়ী হয়েছেন নির্ধারিত আসনে। নির্বাচনের ফল বেরলে দেখা যায়, পরিমল মোট ২৮টি ভোট পেয়েছেন। অথচ ঝাড়খণ্ড বিধানসভায় এনডিএর মোট বিধায়কের সংখ্যা ২৪। এই অতিরিক্ত চারটি ভোট কোথা থেকে এল, তা নিয়েই শুরু হয়েছে ক্রস-ভোটিংয়ের জল্পনা। পরিমলের কাছে হেরে গিয়েছেন কংগ্রেসের প্রার্থী প্রণব। তিনি পেয়েছেন মাত্র ২০টি ভোট। অন্য আসনে জেএমএম প্রার্থী বৈদ্যনাথ নির্বাচিত হয়েছে ৩০টি ভোট পেয়ে। নির্বাচন পরিচালনাকারী এক আধিকারিকের তথ্য অনুযায়ী, বিজেপির দুই এবং কংগ্রেসের এক বিধায়কের ভোট অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

    ভোটের অঙ্ক

    ঝাড়খণ্ড বিধানসভায় এনডিএর মোট ২৪ জন বিধায়ক রয়েছেন। এর মধ্যে বিজেপির ২১ জন, এবং এলজেপি (রামবিলাস), আজসু পার্টি এবং জেডিইউয়ের একজন করে বিধায়ক রয়েছেন। আর, ইন্ডিয়া জোটের মোট ৫৬ জন বিধায়কের মধ্যে জেএমএমের ৩৪, কংগ্রেসের ১৬, আরজেডির ৪ এবং সিপিআই (এমএল) লিবারেশনের ২ জন সদস্য রয়েছেন। ভোটের আগে এনডিএ তাদের বিধায়কদের রাঁচির একটি হোটেলে রাখায় রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছিল। বিরোধী শিবিরের তরফে বিধায়ক ভাঙানোর আশঙ্কার কথাও উঠে এসেছিল। যদিও বিজেপি নেতৃত্ব শুরু থেকেই দাবি করেছিলেন, এনডিএ সমর্থিত প্রার্থীই জয়ী হবেন (Jharkhand)।

    ক্রস-ভোটিং!

    ঝাড়খণ্ডে এ বার প্রার্থীদের জিততে হলে প্রয়োজন ছিল ২৮ জন করে বিধায়কের সমর্থন। এর মধ্যে ‘ইন্ডি’ জোটের পক্ষে ছিল ৫৬ জনের সমর্থন। যার মধ্যে রয়েছেন জেএমএমের ৩৪ জন, কংগ্রেসের ১৬ জন, আরজেডির ৪ জন, এবং সিপিআই (এমএল)-এর ২জন বিধায়ক। নির্বাচনে জেএমএমের বৈদ্যনাথ পেয়েছেন ৩০টি প্রথম পছন্দের ভোট। তাদের সহযোগী কংগ্রেসের প্রণব পেয়েছেন ২০টি। অথচ ‘ইন্ডি’ জোটের ৫৬ জন বিধায়ক ছিলেন। সেই হিসেবে জেএমএমের প্রার্থী ৩০টি ভোট পেলে, কংগ্রেস প্রার্থীর পাওয়ার কথা ছিল ২৬টি। উল্লেখ্য (Cross Voting), জেএমএমের সহ-প্রতিষ্ঠাতা শিবু সোরেনের মৃত্যুর কারণে রাজ্যসভার একটি আসন শূন্য হয়েছিল। আর, বিজেপি সাংসদ দীপক প্রকাশের মেয়াদ শেষ হবে ২১ জুন। তাই নির্বাচন হয়েছে সেই আসনেও (Jharkhand)।

     

  • Divyanshi Singh: দেশের সামরিক ইতিহাসে নজির দিব্যাংশীর! এনডিএ থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে বায়ুসেনায় যোগ

    Divyanshi Singh: দেশের সামরিক ইতিহাসে নজির দিব্যাংশীর! এনডিএ থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে বায়ুসেনায় যোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের সামরিক ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করলেন ফ্লাইট ক্যাডেট দিব্যাংশী সিং (Divyanshi Singh)। তিনি ন্যাশনাল ডিফেন্স অ্যাকাডেমি (NDA) থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রথম মহিলা ক্যাডেট হিসেবে ভারতীয় বায়ুসেনার গ্রাউন্ড ডিউটি শাখায় কমিশন লাভ করলেন। হায়দ্রাবাদের ডুন্ডিগালে অবস্থিত এয়ার ফোর্স অ্যাকাডেমিতে (এএফএ) অনুষ্ঠিত ২১৭তম কোর্সের কম্বাইন্ড গ্র্যাজুয়েশন প্যারেডে দিব্যাংশীর হাতে প্রেসিডেন্টস কমিশন তুলে দেওয়া হয়। তাঁর সঙ্গে আরও ২৩১ জন ফ্লাইট ক্যাডেট কমিশন পান, যাঁদের মধ্যে ছিলেন ১৯৪ জন পুরুষ এবং ৩৬ জন মহিলা ক্যাডেট।

    এনডিএ-তে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রথম মহিলা অফিসার

    বিশেষ তাৎপর্যের বিষয় হল, এই ব্যাচেই ছিলেন এনডিএ-তে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রথম মহিলা অফিসারদের দল। ২০২১ সালে সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায়ের পর ২০২২ সালে প্রথমবারের মতো মহিলাদের জন্য এনডিএ-র দরজা খুলে দেওয়া হয়। সেই প্রথম ব্যাচের অন্যতম সদস্য ছিলেন দিব্যাংশী সিং। পুনের খড়গওয়াসলায় অবস্থিত ত্রি-সেনা প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান এনডিএ-তে তিন বছরের কঠোর সামরিক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করার পর তিনি বিশেষ প্রশিক্ষণের জন্য ডুন্ডিগালের এয়ার ফোর্স অ্যাকাডেমিতে যোগ দেন। এনডিএ-তে প্রশিক্ষণকালীন সময়েই দিব্যাংশী ‘ক্যাডেট কোয়ার্টার মাস্টার সার্জেন্ট’-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বের দায়িত্ব পালন করেন। সামরিক শৃঙ্খলা, শারীরিক সক্ষমতা, নেতৃত্বের গুণাবলি এবং দলগত কাজের মতো বিষয়গুলিতে তিনি পুরুষ সহপাঠীদের সমানভাবে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।

    নারীশক্তির ক্রমবর্ধমান ভূমিকা

    ২০২৫ সালের মার্চ মাসে এনডিএ-র প্রথম মহিলা ক্যাডেট ব্যাচ প্রশিক্ষণ সম্পূর্ণ করে। এরপর তাঁরা নিজ নিজ বাহিনীর বিশেষ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে যোগ দেন এবং চূড়ান্ত প্রশিক্ষণ শেষে কমিশন লাভ করেন। এদিনের প্যারেড পরিদর্শন করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। তিনি স্নাতক ক্যাডেটদের হাতে প্রেসিডেন্টস কমিশন তুলে দেন। দিব্যাংশী সিংয়ের এই সাফল্য শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং ভারতীয় সেনাবাহিনীতে নারীশক্তির ক্রমবর্ধমান ভূমিকার এক শক্তিশালী প্রতীক। তাঁর এই কৃতিত্ব দেশের অসংখ্য তরুণীকে ইউনিফর্ম পরে দেশের সেবায় আত্মনিয়োগের স্বপ্ন দেখতে অনুপ্রাণিত করবে।

  • Trinamool Crisis: অমিত সকাশে তৃণমূলের সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, বুয়া-সঙ্গ ছাড়লেন মানস ভুঁইয়া, কোন দিকে গড়াচ্ছে বঙ্গ রাজনীতির জল?

    Trinamool Crisis: অমিত সকাশে তৃণমূলের সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, বুয়া-সঙ্গ ছাড়লেন মানস ভুঁইয়া, কোন দিকে গড়াচ্ছে বঙ্গ রাজনীতির জল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়াদিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) সঙ্গে বৈঠক করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের (Trinamool Crisis) বর্ষীয়ান সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার শাসক এবং শাসিত দুই দলের এই দুই প্রতিনিধির এই বৈঠক ঘিরে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। শনিবার এই বৈঠকের আগে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন সুদীপ। সেই বৈঠকে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়।

    তৃণমূলে ফের ‘রামধাক্কা’ (Trinamool Crisis)

    সুদীপের এই বৈঠকের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তৃণমূলে লাগে আরও এক ‘রামধাক্কা’। তৃণমূলের প্রবীণ নেতা তথা প্রাক্তন মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া দল ছাড়েন। বছর চুয়াত্তরের মানস জানান, বর্তমানে দলে যে সঙ্কট চলছে, তাতে তিনি অসন্তুষ্ট। তাই দল ছেড়েছেন তিনি। তবে ভবিষ্যতে কোন রাজনৈতিক পথে বাঁক নেবেন তিনি, তা স্পষ্ট করেননি পোড়খাওয়া এই রাজনীতিক। এদিকে, সোমবার লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে বৈঠকে বসতে চলেছেন তৃণমূলের ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদ। সেখানে তাঁরা পৃথক সংসদীয় গোষ্ঠীর স্বীকৃতি এবং আলাদা আসন বিন্যাসের দাবি জানাবেন বলে খবর।

    বিদ্রোহ চারিদিকে

    বিদ্রোহী শিবিরের সাংসদ জগদীশ চন্দ্র বর্মা বসুনিয়ার দাবি, তৃণমূলের ২৮ জন লোকসভা সাংসদের মধ্যে ইতিমধ্যেই ১৯ জন তাঁদের পাশে রয়েছেন। সুদীপ তাঁদের সঙ্গে যোগ দিলে সংখ্যাটা বেড়ে হবে ২০। বিদ্রোহী শিবিরের নেত্রী কাকলি ঘোষ দস্তিদার জানিয়েছেন, পৃথক গোষ্ঠী হিসেবে স্বীকৃতি পেলে তাঁরা সংসদে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকারকে সমর্থন করবেন। এহেন পরিস্থিতিতে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ সুদীপের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তাঁর অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সুদীপকে সম্মান ও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিলেও, তিনি সেই বিশ্বাসের মর্যাদা রাখেননি। কুণালের দাবি, ক্ষমতা ও পদলাভের লোভ থেকেই সুদীপ দলীয় নেতাদের দূরে সরিয়ে দিয়েছেন। তাই বহু গুরুত্বপূর্ণ নেতা দল ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।

    কুণালের নিশানায়

    তিনি আরও (Trinamool Crisis) দাবি করেন, সম্প্রতি মমতার বাসভবনে সিআইডি অভিযানের সময় সুদীপ তাঁকে ফোন করে তাঁর অবস্থান জানতে চেয়েছিলেন এবং জানিয়েছিলেন যে তাঁর স্ত্রী নয়না সেখানে আসবেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সুদীপ আসেননি। কুণাল বলেন, “দিদির বাড়িতে না গিয়ে সুদীপদা এখন বিজেপির দরজায় পৌঁছে গিয়েছেন (Amit Shah)।” সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে “বিশ্বাসঘাতক” বলেও আক্রমণ করেন কুণাল। তাঁর অভিযোগ, তিনি শুধু দলের নেতৃত্বকেই নয়, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে যাঁরা তাঁর হয়ে কাজ করেছেন এবং তাঁকে ভোট দিয়েছেন, তাঁদের সঙ্গেও বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। তৃণমূলের বর্ষীয়ান সাংসদ সৌগত রায় জানান, কয়েকদিন আগেও সুদীপ দল ছাড়ছেন না বলে আশ্বস্ত করেছিলেন তাঁকে। পরে ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে সুদীপকে বৈঠক করতে দেখে তিনি অত্যন্ত মর্মাহত বলে জানান সৌগত।

    ডামাডোলের বাজারে সংগঠন সাজাচ্ছেন মমতা!  

    এদিকে, দলের এই ডামাডোলের বাজারের মধ্যেই সাংগঠনিক স্তরে একাধিক পরিবর্তনের কথা ঘোষণা করেছে তৃণমূল। সায়নী ঘোষের পরিবর্তে অর্ণব বন্দ্যোপাধ্যায়কে যুব সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে (Trinamool Crisis)। মহিলা সংগঠনের নতুন সভানেত্রী হয়েছেন আলিফা আহমেদ। উত্তর কলকাতা সাংগঠনিক জেলার সভাপতি পদ থেকে সুদীপকে সরিয়ে সেখানকার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কুণালকে। সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি হয়েছেন মুসারফ হোসেন। এরই মধ্যে রাজ্য বিধানসভায়ও সামনে চলে এল তৃণমূলে বড় ভাঙনের ছবি। দলের ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে ৬৪ জন আলাদা গোষ্ঠী গঠন করে স্পিকারের স্বীকৃতি পেয়েছেন। সেই গোষ্ঠীর নেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা ঘোষণা করা হয়েছে। যদিও এই স্বীকৃতিকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছে মমতার নেতৃত্বাধীন তৃণমূল শিবির (Trinamool Crisis)।

    কোথাকার জল কতদূর গড়ায়, এখন সেটাই দেখার (Amit Shah)।

     

  • Rebel TMC MPs: তৃণমূলে বড় ভাঙনের ইঙ্গিত! ১৯ সাংসদের সমর্থন নিয়ে সোমে স্পিকারের দোরে যাওয়ার পরিকল্পনা ‘বিদ্রোহী’ শিবিরের

    Rebel TMC MPs: তৃণমূলে বড় ভাঙনের ইঙ্গিত! ১৯ সাংসদের সমর্থন নিয়ে সোমে স্পিকারের দোরে যাওয়ার পরিকল্পনা ‘বিদ্রোহী’ শিবিরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও প্রবল হল তৃণমূল কংগ্রেসে (Rebel TMC MPs) বড়সড় ভাঙনের জল্পনা। দলের ২৮ লোকসভা সাংসদের মধ্যে ১৯ জনের সমর্থন পাওয়ার দাবি করে বিদ্রোহী শিবির জানিয়েছে, তারা সোমবারই লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার (Om Birla) সঙ্গে দেখা করে নিজেদের আলাদা গোষ্ঠী হিসেবে স্বীকৃতি চাইবে। তারা নিজেদের ‘আসল তৃণমূল কংগ্রেস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার আবেদনও জানাবে।

    বিদ্রোহীদের বক্তব্য (Rebel TMC MPs)

    বিদ্রোহী সাংসদদের অন্যতম জগদীশ চন্দ্র বর্মা বসুনিয়ার দাবি, তাঁদের গোষ্ঠী কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে লোকসভায় নেতা এবং শতাব্দী রায়কে উপনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানাবে। তাঁর বক্তব্য, রবিবার দিল্লিতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতে বিদ্রোহী সাংসদদের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বসুনিয়ার দাবি, এখনও পর্যন্ত ১৯ জন সাংসদ তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন এবং আরও কেউ যোগ দিতে চাইলে, দরজা খোলা রয়েছে। তাঁদের লক্ষ্য, এনডিএর অংশ হয়ে সংসদে শাসক জোটের পাশে বসা এবং উন্নয়নের স্বার্থে কেন্দ্রের পাশে থাকা নিশ্চিত করা।

    অভিষেকের জন্যই দল গাড্ডায়!

    তাঁর অভিযোগ, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর থেকেই তৃণমূলের অভ্যন্তরে অসন্তোষ বাড়তে থাকে। বসুনিয়ার কথায়, “আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে সব কিছু ঠিকঠাক চলছিল। পরে দল কর্পোরেট সংস্থার মতো পরিচালিত হতে শুরু করে এবং নেতা-কর্মীদের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়।” এই কারণেই বহু নেতা ও সাংসদ ক্ষুব্ধ বলেও দাবি (Rebel TMC MPs) তাঁর। তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরের বক্তব্য, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় এসেছে এবং কেন্দ্রে বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার রয়েছে। ফলে নিজেদের লোকসভা কেন্দ্রের উন্নয়নের জন্য কেন্দ্রের সহযোগিতা পাওয়া জরুরি বলেই তাঁরা এনডিএর পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বসুনিয়া এও (Om Birla) জানান, প্রথমে স্পিকারের কাছে আলাদা ব্লক হিসেবে স্বীকৃতি চাওয়া হবে। এরপর প্রয়োজনে নির্বাচন কমিশনের কাছেও ‘আসল তৃণমূল’ হিসেবে স্বীকৃতির দাবি জানানো হবে (Rebel TMC MPs)।

    বিদ্রোহ চারিদিকে!

    এদিকে তৃণমূলের অন্দরে অস্বস্তি আরও বেড়েছে। প্রবীণ তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় শুক্রবার কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বৈঠকে অনুপস্থিত ছিলেন। এর আগেই তিনি প্রকাশ্যে মন্তব্য করেছিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত নেতাদের মধ্যে একজনকে বেছে নিতে হবে। তৃণমূলের আর এক বর্ষীয়ান নেতা অনুব্রত মণ্ডলও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বের সমালোচনা করেছেন। ছাব্বিশের নির্বাচনে দলের ভরাডুবির জন্য রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাককেও দায়ী করেছেন (Om Birla) তিনি। উল্লেখ্য, বিদ্রোহী শিবিরের তরফে এসব দাবি করা হলেও (Rebel TMC MPs), শনিবার দুপুর পর্যন্তও এ বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া প্রকাশ্যে আসেনি তৃণমূলের পক্ষ থেকে।

     

  • Rajya Sabha: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাজ্যসভার ১৯টি আসনে জয় এনডিএ-র, শক্তি বাড়ল উচ্চকক্ষে

    Rajya Sabha: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাজ্যসভার ১৯টি আসনে জয় এনডিএ-র, শক্তি বাড়ল উচ্চকক্ষে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যসভা নির্বাচনে বড় সাফল্য পেল বিজেপি নেতৃত্বাধীন জাতীয় গণতান্ত্রিক জোট (এনডিএ)। বৃহস্পতিবার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ১৯টি আসনে জয়ী হয়েছে বিজেপি ও তার সহযোগী দলগুলি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিরোধী শিবিরে, বিশেষ করে কংগ্রেসের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে প্রধান বিরোধী দল। এবারের নির্বাচনে মোট ২৪টি আসনে কোনও ভোটগ্রহণ ছাড়াই প্রার্থীরা নির্বাচিত হয়েছেন। এর মধ্যে ১৬টি আসন ছিল এনডিএ-র দখলে, আর বাকি ৮টি আসন বিরোধী শিবিরের হাতে ছিল।

    কোথায় কার কত আসন

    আন্ধ্রপ্রদেশে চারটি আসনের সবকটিই জিতেছে এনডিএ। এর মধ্যে তিনটি আসন পেয়েছে তেলুগু দেশম পার্টি (টিডিপি) এবং একটি আসন গেছে জনসেনা পার্টির ঝুলিতে। গুজরাটেও চারটি আসনের সবকটিতে জয় পেয়েছে বিজেপি। এর ফলে কংগ্রেসের দখলে থাকা একটি আসনও বিজেপি পুনর্দখল করতে সক্ষম হয়েছে। রাজস্থানে বিজেপির সতীশ পুনিয়া ও অলকা গুর্জর এবং কংগ্রেসের নীরজ ডাঙ্গি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। ফলে সেখানে রাজনৈতিক সমীকরণে বড় কোনও পরিবর্তন ঘটেনি। উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিতেও শাসক দলগুলির প্রভাব স্পষ্ট হয়েছে। মিজোরামে শাসক জোরাম পিপলস মুভমেন্ট (জেডপিএম) একটি আসন জয়ের পথে রয়েছে। অন্যদিকে, মেঘালয়ে ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) এবং অরুণাচল প্রদেশে বিজেপি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আসন নিশ্চিত করেছে।

    মধ্যপ্রদেশ-ঝাড়খণ্ডে বিতর্ক

    সবচেয়ে বেশি বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে মধ্যপ্রদেশে। সেখানে রাজ্যসভার তিনটি আসনের মধ্যে কংগ্রেস প্রার্থী মীনাক্ষী নটরাজনের মনোনয়নপত্র পুনর্বহাল করা হয়নি। রিটার্নিং অফিসারের এই সিদ্ধান্তকে ‘পরিকল্পিত’ ও ‘অন্যায়’ বলে অভিযোগ করেছে কংগ্রেস। দলের দাবি, যে আইনি নোটিশের ভিত্তিতে মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে, তা কোনও সরকারি এফআইআর ছিল না। ঝাড়খণ্ডের দুটি আসন নিয়ে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। সেখানে নির্দল প্রার্থী পরিমল নাথওয়ানির মনোনয়নকে চ্যালেঞ্জ করেছে কংগ্রেস। তাদের অভিযোগ, নাথওয়ানির বিজেপির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে এবং তাঁর মনোনয়নপত্রে একাধিক অসঙ্গতি রয়েছে। বিরোধীরা না মানলেও, রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এবারের রাজ্যসভা নির্বাচন একদিকে এনডিএ-র সাংগঠনিক শক্তির পরিচয় তুলে ধরেছে।

LinkedIn
Share