Tag: NDA

NDA

  • Assam Assembly Election: অসমে হ্যাট্রিকের পথে এনডিএ, টানা তৃতীয়বার সরকার গড়তে চলেছে বিজেপি জোট

    Assam Assembly Election: অসমে হ্যাট্রিকের পথে এনডিএ, টানা তৃতীয়বার সরকার গড়তে চলেছে বিজেপি জোট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসম বিধানসভা নির্বাচনের (Assam Assembly Election) ফলাফল স্পষ্ট হতেই দেখা যাচ্ছে, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের এই গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যে ফের একবার গেরুয়া ঝড় অব্যাহত। সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে টানা তৃতীয়বারের জন্য দিসপুরের মসনদে বসতে চলেছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ (NDA) জোট। এই ঐতিহাসিক জয়ের মাধ্যমে আসামের রাজনীতিতে এক নতুন নজির গড়ল এনডিএ।

    বিপুল জনসমর্থন (Assam Assembly Election)

    অসমে ভোট গণনার (Assam Assembly Election) শুরু থেকেই বিজেপি এবং তার সহযোগী দলগুলি—অসম গণ পরিষদ (AGP) ও ইউনাইটেড পিপলস পার্টি লিবারেল (UPPL)—প্রতিদ্বন্দ্বী কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন মহাজোটের থেকে অনেকটাই এগিয়ে ছিল। গ্রামীণ থেকে শহুরে, প্রায় সব অঞ্চলেই এনডিএ-র (NDA) পক্ষে জনসমর্থনের জোয়ার দেখা গেছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত জানা গিয়েছে, জালুকবাড়ি আসনে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা ৪০,০০০-এর বেশি ভোটে এগিয়ে ছিলেন, অন্যদিকে জোরহাটে রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি গৌরব গগৈ তাঁর বিজেপি প্রতিদ্বন্দ্বী হিতেন্দ্রনাথ গোস্বামীর থেকে ১৯,০০০-এর বেশি ভোটে পিছিয়ে ছিলেন।

    উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার জয়

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, হিমন্ত বিশ্ব শর্মার নেতৃত্বাধীন সরকারের গত কয়েক বছরের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড (Assam Assembly Election), পরিকাঠামো নির্মাণ এবং সামাজিক প্রকল্পগুলির সফল রূপায়নই এই জয়ের মূল চাবিকাঠি। পাশাপাশি, রাজ্যে শান্তি বজায় রাখা এবং অনুপ্রবেশ ইস্যু নিয়ে এনডিএ-র (NDA) কঠোর অবস্থানও ভোটারদের আকৃষ্ট করেছে। মন্ত্রী রনোজ পেগু, পীযূষ হাজারিকা, অশোক সিংঘল, প্রশান্ত ফুকন, বিমল বোরাহ এবং চন্দ্রমোহন পাটোয়ারিও ধেমাজি, জাগিরোড, ঢেকিয়াজুলি, ডিব্রুগড়, টিংখং এবং তিহুতে তাদের নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় অনেক এগিয়ে রয়ছেন।

    বিরোধী শিবিরের ব্যর্থতা

    অন্যদিকে, কংগ্রেস এবং তাদের সহযোগীরা প্রচারে যথেষ্ট সক্রিয় থাকলেও আসন সংখ্যায় তা প্রতিফলিত হয়নি। বিরোধী জোটের ঐক্যবদ্ধ লড়াই সত্ত্বেও এনডিএ-র (NDA) শক্তিশালী সাংগঠনিক কাঠামোর কাছে তাদের পরাজয় স্বীকার করতে হয়েছে।

    বিজয় উল্লাস

    অসমে জয়ের (Assam Assembly Election) খবর নিশ্চিত হতেই গুয়াহাটিসহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিজেপি কর্মীদের মধ্যে বিজয় উল্লাস শুরু হয়েছে। আবির খেলা এবং মিষ্টিমুখের মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক সাফল্য উদযাপন করছেন কর্মী-সমর্থকরা। এই জয়ের ফলে আসামে এনডিএ-র (NDA) আধিপত্য আরও সুদৃঢ় হলো, যা আগামী দিনে উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজনীতিতে বিশেষ প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে।

  • NDA in Rajya Sabha: মাত্র ১৭ আসন দূরে, রাজ্যসভায় দুই-তৃতীয়াংশের পথে এগোল এনডিএ

    NDA in Rajya Sabha: মাত্র ১৭ আসন দূরে, রাজ্যসভায় দুই-তৃতীয়াংশের পথে এগোল এনডিএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যসভায় দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথে এনডিএ (NDA in Rajya Sabha)। আম আদমি পার্টি (আপ)-র সাতজন সাংসদের দলবদলের পর লক্ষ্যের আরও কাছাকাছি পৌঁছল ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স (NDA)। তবে এখনও সেই ‘ম্যাজিক সংখ্যা’ ছুঁতে শাসক জোটের ১৭টি আসন কম রয়েছে। শুক্রবার আপের সাতজন সাংসদ দল পরিবর্তন করায় রাজ্যসভায় এনডিএ-র সমর্থন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪৫ জনে। ২৪৪ সদস্যের এই সদনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ১৬৩ জন সদস্যের সমর্থন।

    দুই-তৃতীয়াংশের পথে

    এনডিএ-র নেতৃত্বে থাকা ভারতীয় জনতা পার্টিও (BJP), রাজ্যসভায় সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে ১০টি আসন পিছিয়ে রয়েছে। সূত্রের খবর, রাজ্যসভার চেয়ারম্যান সি পি রাধাকৃষ্ণন যদি আপের সংসদীয় দলের বিজেপিতে মিশে যাওয়ার অনুমোদন দেন, তাহলে বিজেপির সদস্য সংখ্যা বেড়ে ১১৩-তে পৌঁছবে (বর্তমানে ১০৬)। এছাড়া, বিজেপি সাতজন মনোনীত সদস্য এবং দুইজন নির্দল সাংসদের সমর্থন পেতে পারে বলেও জানা যাচ্ছে। সেক্ষেত্রে তাদের সমর্থন সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে ১২২—যা কার্যত অর্ধেকের সমান। সূত্রের মতে, আপের যে সাতজন সাংসদ দলত্যাগ করেছেন, তারা দলটির রাজ্যসভা সংসদীয় দলের দুই-তৃতীয়াংশের বেশি হওয়ায় এই মিশে যাওয়ার প্রক্রিয়া অনুমোদন পাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।

    সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকলে লাভ

    রাজ্যসভায় দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে সংবিধান সংশোধনীসহ গুরুত্বপূর্ণ বিল পাশ করাতে এনডিএ-র আর বড় বাধা থাকবে না। লোকসভাতে এনডিএ-র সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। নিম্নকক্ষে বিশেষ সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ৩৬৩ জন সাংসদের সমর্থন। উল্লেখ্য, গত ১৭ এপ্রিল লোকসভায় সংবিধানের ১৩১তম সংশোধনী বিল—যার মাধ্যমে ২০২৯ সাল থেকে আইনসভায় ৩৩% মহিলা সংরক্ষণ এবং লোকসভার আসন সংখ্যা ৮১৬-তে বাড়ানোর প্রস্তাব ছিল—এনডিএ প্রয়োজনীয় সমর্থন না পাওয়ায় খারিজ হয়ে যায়। বর্তমান এনডিএ সরকার তাদের এই মেয়াদে প্রথম কোনও সংবিধান সংশোধনী বিল সংখ্যার অভাবে পাস করতে ব্যর্থ হয়। যদি রাজ্যসভাতে এনডিএ দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে যায়, তাহলে তাদের আর বিল পাশ নিয়ে ভাবতে হবে না।

     

  • Nitish Kumar: মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা নীতীশের, বিহারের নয়া কান্ডারি বিজেপির সম্রাট

    Nitish Kumar: মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা নীতীশের, বিহারের নয়া কান্ডারি বিজেপির সম্রাট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একটি বড় রাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটে গেল বিহারে। মঙ্গলবার বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার (Nitish Kumar) ইস্তফা দিলেন। নীতীশের এই পদক্ষেপের ফলে বিজেপির নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠনের পথ প্রশস্ত হল, যা রাজ্যের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। দিনটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনায় ভরপুর ছিল। এদিন নীতীশের শেষ সরকারি কর্মসূচি দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়ে শেষ হয় সরকার পরিবর্তনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ায় (Samrat Choudhary)।

    আম্বেদকরের মূর্তিতে শ্রদ্ধা (Nitish Kumar)

    এদিন সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ আম্বেদকরের মূর্তিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন নীতীশ। সকাল ১১টায় করেন প্রধান সচিবালয়ে শেষ মন্ত্রিসভার বৈঠক। দুপুর ৩টে নাগাদ রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপাল সঈদ আটা হাসনিয়ানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে পদত্যাগপত্র জমা দেন। পরে তিনি যোগ দেন বিজেপি বিধায়ক দলের বৈঠকে। এখানে পর্যবেক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিবরাজ সিং চৌধুরী। বিকেল ৪টেতে বিহার বিধানসভার সেন্ট্রাল হলে এনডিএ বিধায়ক দলের বৈঠক। এখানেই অনুমোদন দেওয়া হয় নতুন মুখ্যমন্ত্রীকে। এরপর রাজ্যপালের কাছে সরকার গঠনের দাবি জানানো হয়। ১৫ এপ্রিল সকাল ১১টায় রাজভবনে শপথ নেবেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যরা।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের বক্তব্য

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নীতীশ কুমারের পদত্যাগ বিহারের রাজনীতিতে এক গুরুত্বপূর্ণ মোড় নির্দেশ করছে। প্রায় দু’দশক ধরে একাধিক মেয়াদে রাজ্য পরিচালনা করার পর তিনি সম্প্রতি রাজ্যসভায় নির্বাচিত হন। তাঁর এই পদক্ষেপ এবং বিধান পরিষদের সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দেওয়া রাজ্য রাজনীতি থেকে সরে যাওয়ার ইঙ্গিত (Nitish Kumar)। সম্প্রতি রেকর্ড সংখ্যক মেয়াদে শপথ নেওয়ার পর তাঁর এই পদত্যাগ অপ্রত্যাশিত এবং রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ (Samrat Choudhary)। নীতীশের নেতৃত্ব এনডিএ জোটকে বিহারে শক্তিশালী করেছে, বিশেষ করে পিছিয়ে পড়া জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে সমর্থন গড়ে তোলার মাধ্যমে।

    বিহারের নয়া মুখ্যমন্ত্রী

    বিজেপি (এতদিন জোটের প্রধান অংশীদার ছিল) এবার প্রথমবারের মতো নিজের দলের মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে সরকার গঠন করতে চলেছে বলেই খবর। প্রশ্ন হল, বিহারের নয়া মুখ্যমন্ত্রী কে? মঙ্গলবার দুপুরে ওই পদের জন্য নাম ঘোষণা করা হয় সম্রাট চৌধুরীর (Nitish Kumar)।কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিত্যানন্দ রাইয়ের নামও আলোচনায় ছিল। যদিও শেষমেশ বিজেপি নেতৃত্ব বেছে নেন সম্রাটকেই। এদিকে, নীতীশ কুমারের ছেলে নিশান্ত কুমার সম্প্রতি জেডিইউতে যোগ দিয়ে সক্রিয় রাজনীতিতে প্রবেশ করেছেন, যা ভবিষ্যতের রাজনৈতিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের (Samrat Choudhary)। প্রসঙ্গত, বিহার এখন তার প্রথম বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকারের জন্য প্রস্তুত, যা এক নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা করবে (Nitish Kumar)।

     

  • PM Modi: জোরকদমে ভোট চলছে কেরল-অসম-পুদুচেরিতে, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    PM Modi: জোরকদমে ভোট চলছে কেরল-অসম-পুদুচেরিতে, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জোরকদমে ভোটগ্রহণ চলছে কেরল, অসম এবং পুদুচেরি বিধানসভায় (Assembly Elections)। আজ, ৯ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া বিধানসভা নির্বাচনে ভোটারদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) আহ্বান, তাঁরা যেন বিপুল সংখ্যায় অংশগ্রহণ করেন। তিনি বিশেষভাবে যুবসমাজ এবং মহিলাদের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী? (PM Modi)

    এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কেরলের জনগণকে বিপুল সংখ্যায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। রেকর্ড অংশগ্রহণ কেরলের গণতান্ত্রিক চেতনায় নতুন উদ্দীপনা যোগ করবে। বিশেষ করে রাজ্যের যুবক-যুবতী এবং মহিলাদের আমি অনুরোধ করছি, তাঁরা যেন এগিয়ে এসে অধিক সংখ্যায় ভোট দেন।” কেরলে ২.৬ কোটিরও বেশি ভোটার রয়েছেন। রাজ্যের ১৪০টি বিধানসভা আসনে ৮৮৩ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারিত হবে। এই নির্বাচনে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে শাসক বাম গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট (LDF), কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট (UDF) এবং বিজেপির নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক অ্যালায়েন্স (NDA)-এর মধ্যে।

    অসমবাসীর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

    অসম সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “২০২৬ সালের অসম বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমি অসমের জনগণকে বৃহৎ সংখ্যায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানাই। আশা করি, রাজ্যের যুবসমাজ এবং মহিলা ভোটাররাও উৎসাহের সঙ্গে অংশগ্রহণ করবেন এবং এই নির্বাচনকে গণতন্ত্রের উৎসবে পরিণত করবেন (PM Modi)।” অসমে ২.৫ কোটিরও বেশি ভোটার ১২৬ সদস্যের বিধানসভা গঠনের জন্য ভোট দেবেন। প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৭২২ জন। ভোট হচ্ছে পুদুচেরিতেও। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “পুদুচেরি বিধানসভা নির্বাচন শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমি প্রতিটি ভোটারকে অনুরোধ করছি যেন তাঁরা রেকর্ড সংখ্যায় অংশগ্রহণ করেন। বিশেষ করে যুবসমাজ এবং মহিলা ভোটারদের প্রতি আমার আবেদন, তাঁরা যেন গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে এগিয়ে আসেন। প্রতিটি ভোট পুদুচেরির ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ (Assembly Elections)।” পুদুচেরিতে ভোটার রয়েছেন ১০,১৪,০৭০ জন। এঁদের মধ্যে ৫,৩৯,১২৫ জন মহিলা, ৪,৭৪,৭৮৮ জন পুরুষ এবং ১৫৭ জন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার। ১৮-১৯ বছর বয়সী ভোটারের সংখ্যা ২৪,১৫৬ এবং ৮৫ বছর বা তার বেশি বয়সী প্রবীণ ভোটার রয়েছেন ৬,০৩৪ জন।

    সকাল থেকেই দীর্ঘ লাইন

    এদিকে, এদিন সকাল থেকেই দীর্ঘ লাইন পড়ছে অসম, কেরল এবং পুদুচেরির বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে। কেরলের ১৪০টি, অসমের ১২৬টি এবং পুদুচেরির ৩০টি আসনে নির্বাচন হচ্ছে এক দফায়ই। শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় আধাসামরিক বাহিনী এবং রাজ্য পুলিশ মোতায়েন করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে (PM Modi)। অসমে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার নেতৃত্বাধীন শাসক দল বিজেপি টানা তৃতীয়বার ক্ষমতায় ফেরার লক্ষ্যে লড়ছে। আর কংগ্রেস ২০১৬ সালে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর ফের ক্ষমতায় ফিরতে চাইছে। উল্লেখযোগ্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির হিমন্ত বিশ্ব শর্মা, কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি গৌরব গগৈ, বিধানসভার স্পিকার বিশ্বজিৎ দৈমারি, বিরোধী দলনেতা দেবব্রত শইকিয়া, এআইইউডিএফ প্রধান বদরুদ্দিন আজমল, রাইজর দলের সভাপতি অখিল গগৈ এবং অসম জাতীয় পরিষদের প্রধান লুরিঞ্জ্যোতি গগৈ (Assembly Elections)।

    লড়াইয়ের ময়দানে রয়েছেন যাঁরা

    শাসক জোট এনডিএর প্রধান দলগুলি হল বিজেপি, অসম গণ পরিষদ (AGP) এবং বডো পিপলস ফ্রন্ট (BPF)। বিরোধী জোটে রয়েছে কংগ্রেস, রাইজর দল, অসম জাতীয় পরিষদ, সিপিআই(এম), এপিএইচএলসি এবং সিপিআই(এমএল)। কেরলে মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের নেতৃত্বাধীন লেফট ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট তৃতীয়বার ক্ষমতায় ফেরার লক্ষ্যে লড়ছে। কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী। এখানে তৃতীয় শক্তি বিজেপি। কেন্দ্রশাসিত পুদুচেরিতে ভোটার রয়েছেন ৯.৫০ লাখ। পুদুচেরিতে ২৩টি, কারাইকালে ৫টি এবং মাহে ও ইয়ানামে ১টি করে বিধানসভা আসন রয়েছে। এআইএনআরসি নেতৃত্বাধীন এনডিএ এবং কংগ্রেস, ডিএমকে ও ভিসিকের জোট প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী। অভিনেতা-রাজনীতিক বিজয়ের (Assembly Elections) দল টিভিকের অংশগ্রহণ বড় প্রত্যাশা সৃষ্টি করেছে (PM Modi)।

  • Kerala Polls: কেরলে ফের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিজেপির, নাম ঘোষণা ১১ জনের

    Kerala Polls: কেরলে ফের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিজেপির, নাম ঘোষণা ১১ জনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরল বিধানসভা নির্বাচনের (Kerala Polls) প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে দিল বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ। বিজেপির রাজ্য সভাপতি রাজীব চন্দ্রশেখর (Rajeev Chandrashekhar) বলেন, “এই প্রক্রিয়া স্বচ্ছতা ও স্পষ্টতার প্রতিফলন, যা প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলির তুলনায় ভিন্ন”।

    কী বললেন চন্দ্রশেখর (Kerala Polls)

    রবিবার সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে চন্দ্রশেখর বলেন, “আপনি স্পষ্টভাবেই দেখতে পাবেন, আমাদের আসন বণ্টন কীভাবে হয়েছে এবং সবকিছু কতটা খোলামেলা ও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন হয়েছে, দলের ভেতরে তো বটেই, এনডিএর শরিকদের সঙ্গেও আলোচনা হয়েছে। এর পাশাপাশি জাতীয় কংগ্রেস এবং সিপিআই (মার্ক্সবাদী)-এ যে বিভ্রান্তি ও বিশৃঙ্খলা দেখা যাচ্ছে, তা একেবারেই ভিন্ন ছবি।” তিনি জানান, এই পদ্ধতি রাজ্যে শাসন পরিচালনার ক্ষেত্রে জোটের উদ্দেশ্যকে তুলে ধরে। চন্দ্রশেখর বলেন, “এটি কেরলের মানুষকে বোঝাবে আমাদের উদ্দেশ্য কী, আমরা কীভাবে একসঙ্গে রাজ্যে পরিবর্তন আনতে চাই, এবং এটি এনডিএর প্রতিটি কর্মীর লক্ষ্য, আকাঙ্ক্ষা ও সংকল্প।”

    কোন কেন্দ্রে কে দাঁড়াচ্ছেন?

    প্রসঙ্গত, শনিবার (Kerala Polls) বিজেপি আরও ১১ জন প্রার্থীর নামের তালিকা প্রকাশ করে। তার পরেই এমন মন্তব্য করা হয়, যা ১৪০ আসন বিশিষ্ট কেরল বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যায়। নয়া ঘোষিত প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন, ভি রথীশ (পিরুমেদে), রাভীন্দ্রনাথ বাকাথানাম (পুথুপল্লি), আজিমন (মাভেলিক্কারা), পাণ্ডালাম প্রতাপান (আদুর), কে আর রাজেশ (চাভারা), আর এস অর্জুন রাজ (চাডায়ামঙ্গলাম), বি এস অনুপ (চিরায়িনকীঝু), করামানা জয়ন (তিরুবনন্তপুরম), বিবেক গোপন (আরুভিক্কারা), টিএন সুরেশ (কোভালাম) এবং এস রাজশেখরন নায়ার (নেয়্যাত্তিনকারা)।

    এর আগে ৮৬টি আসনের জন্য দু’দফায় তালিকা প্রকাশ করা হয়েছিল পদ্মশিবিরের তরফে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জর্জ কুরিয়েন, ভি মুরলীধরন, কে সুরেন্দ্রন এবং নব্যা হারিদাস-সহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতা গুরুত্বপূর্ণ প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রয়েছেন। মুরলীধরন কাজাকুট্টম কেন্দ্র থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন, আর চন্দ্রশেখর নেমম থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন (Rajeev Chandrashekhar)। কেরল বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হবে ৯ এপ্রিল এক দফায়। ভোটগণনা হবে ৪ মে। বর্তমান বিধানসভার মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ২৩ মে (Kerala Polls)।

     

  • Assam Assembly Elections 2026: অসম বিধানসভায় বিজেপি একাই লড়বে ৮৯ আসনে, বাকি কেন্দ্রে এনডিএ শরিকরা

    Assam Assembly Elections 2026: অসম বিধানসভায় বিজেপি একাই লড়বে ৮৯ আসনে, বাকি কেন্দ্রে এনডিএ শরিকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসম বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে এনডিএর আসন-বণ্টন সূত্র প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। মঙ্গলবার তিনি জানান, বিজেপি ৮৯টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে, তাদের জোট সঙ্গী এজিপি লড়বে ২৬টি আসনে এবং বিপিএফ লড়বে ১১টি আসনে।

    কী বললেন হিমন্ত বিশ্বশর্মা (Assam Assembly Elections 2026) 

    নয়াদিল্লিতে বিজেপির একটি প্রাথমিক বৈঠকে অংশগ্রহণের পর এই ঘোষণা করেন হিমন্ত। তিনি জানান, চূড়ান্ত চুক্তি স্থির করতে বুধবার সংসদীয় বোর্ডের বৈঠক হবে। বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী জানান, অসম বিধানসভা নির্বাচনের জন্য বিজেপি তাদের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করতে পারে বুধবার গভীর রাতে বা বৃহস্পতিবার সকালে। তিনি বলেন, “আজ আমরা আমাদের দলের তালিকা নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা করেছি। বুধবার সংসদীয় বোর্ডের বৈঠক আছে। আমার ধারণা, তালিকা হয় বুধবার গভীর রাতে, নয়তো পরদিন সকালে প্রকাশ করা হবে।”

    একুশের নির্বাচনের ফল

    নগাঁও থেকে নির্বাচিত কংগ্রেস সাংসদ প্রত্যুৎ বরদলৈ বিজেপিতে যোগ দিয়ে টিকিট পেতে পারেন, এমন জল্পনা প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী জানান, তাঁর সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে কোনও যোগাযোগ নেই। তবে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব তাঁর সঙ্গে আলোচনা করতে পারেন। তিনি বলেন, “প্রদ্যুৎ বরদলৈয়ের সঙ্গে আমার যোগাযোগ নেই। যদি তিনি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতেন, আমি জানতাম। আমার মনে হয় এখনও তিনি বিজেপির কোনও নেতার সঙ্গে কথা বলেননি। তবে ভবিষ্যতে যোগাযোগ হতে পারে।” ২০২১ সালের অসম বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ৯৩টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল। জয়ী হয়েছিল ৬০টি আসনে।
    এজিপিকে ২৫টি আসন দেওয়া হলেও,  তারা লড়ে ২৯টি আসনে। জয়ী হয় ৯টি আসনে।

    এনডিএর আর এক শরিক ইউপিপিএল ৮টি আসন পেয়েও প্রার্থী দিয়েছিল ১১টি আসনে। ৬টি আসনে জয়ী হয় তারা। সব মিলিয়ে এনডিএ সেবার ১২৬ সদস্যের অসম বিধানসভায় ৭৫টি আসনে জয়ী হয়েছিল। ২০২১ সালের নির্বাচনে জোটসঙ্গীদের মধ্যে কয়েকটি আসনে ‘বন্ধুত্বপূর্ণ লড়াই’ দেখা গিয়েছিল। বিজেপি এবং এজিপি পরস্পরের বিরুদ্ধে লড়েছিল লখিমপুর,  নাহারকাটিয়া, পাঠারকান্দি এবং আলগাপুর কেন্দ্রে। বিজেপি এবং ইউপিপিএল মুখোমুখি লড়াই হয়েছিল বিজনি, কালাইগাঁও এবং মাজবাট আসনে।

     

  • Rajya Sabha: একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার দিকে এগোচ্ছে বিজেপি! রাজ্যসভায় ৩৭ আসনে নির্বাচনে ভালো জায়গায় এনডিএ

    Rajya Sabha: একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার দিকে এগোচ্ছে বিজেপি! রাজ্যসভায় ৩৭ আসনে নির্বাচনে ভালো জায়গায় এনডিএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ১৬ মার্চ ১০টি রাজ্যে রাজ্যসভার ৩৭টি (Rajya Sabha) আসনে নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ তুঙ্গে। প্রাথমিক সমীকরণ বলছে, ভারতীয় জনতা পার্টি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট উচ্চকক্ষে আরও মজবুত জায়গায় যেতে চলেছে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে—মহারাষ্ট্র, বিহার ও পশ্চিমবঙ্গসহ একাধিক রাজ্যে নিজেদের মধ্যে টানাপোড়েন সামাল দিতে প্রায় ব্যর্থ ‘ইন্ডিয়া’ জোট। বর্তমানে ২৪৫ সদস্যের রাজ্যসভায় বিজেপির সদস্য সংখ্যা ১০৩—দলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। মিত্রদল মিলিয়ে এনডিএর শক্তি প্রায় ১৩৩, যা সংখ্যাগরিষ্ঠতার (১২২) থেকে অনেকটাই বেশি। দলীয় সূত্রের দাবি, চলতি বছরে ধাপে ধাপে নির্বাচন শেষে এই সংখ্যা আরও বাড়বে। অভ্যন্তরীণ হিসেবে এনডিএ অন্তত ২১টি আসন জিততে পারে বলেই আশা। সারা বছরে মোট ৭১টি আসনে ভোট হওয়ার কথা, সেখানে ৪০-এর গণ্ডি পার করাই লক্ষ্য জোটের।

    মহারাষ্ট্র ও বিহার: এনডিএর বড় ভরসা

    মহারাষ্ট্র ও বিহার—এই দুই রাজ্যেই এনডিএর সমীকরণ খুব ভালো। মহারাষ্ট্র বিধানসভায় ২৮৮টির মধ্যে বিজেপির ১৩১ জন বিধায়ক, আর বিহারে ২৪৩ আসনের মধ্যে ৮৯ জন বিজেপি বিধায়ক। এই সংখ্যা রাজ্যসভায় বাড়তি আসনে রূপান্তরিত হতে পারে বলেই মনে করছে শিবির। মহারাষ্ট্রে শাসক জোট ‘মহাযুতি’র শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টন গুরুত্বপূর্ণ। একনাথ শিন্ডে নেতৃত্বাধীন শিবসেনা এবং সুনেত্রা পাওয়ার ঘনিষ্ঠ এনসিপি শিবিরের সঙ্গে আলোচনা ফল নির্ধারণে প্রভাব ফেলবে। বিহারে চিরাগ পাসোয়ানের ক্রমবর্ধমান প্রভাবও সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ। বিরোধী শিবিরের জন্য মহারাষ্ট্রে লড়াই কঠিন। শারদ পাওয়ার, ফৌজিয়া খান, প্রিয়ঙ্কা চতুর্বেদী ও রজনী পাতিলদের মতো নেতাদের নাম ঘুরছে। তবে নিশ্চিতভাবে জেতার মতো আসন মাত্র একটি—ফলে প্রতিযোগিতা তীব্র। শরদ পওয়ার আগে না লড়ার ইঙ্গিত দিলেও, নতুন করে প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনার জল্পনা রয়েছে। বিহারেও বিরোধীদের জন্য চিত্র কঠিন। সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে খারাপ ফলের জেরে সেখানে দুটি আসন হারানোর আশঙ্কা বাড়ছে।

    অন্য রাজ্যেও এগিয়ে এনডিএ

    আসামে তিনটি ও ওড়িশায় চারটি আসনে ভোট—দুই রাজ্যেই বিজেপির সুবিধা স্পষ্ট। এছাড়া হরিয়ানা ও ছত্তিশগড়ে দুটি করে আসনে এনডিএ এগিয়ে। পশ্চিমবঙ্গে অন্তত একটি আসন পেতে পারে বিজেপি। তামিলনাড়ু-তে বর্তমান শক্তির ভারসাম্য বজায় থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তামিলনাড়ু ও পশ্চিমবঙ্গ থেকেই কিছুটা স্বস্তি পেতে পারে বিরোধীরা। তামিলনাড়ুতে ছয়টির মধ্যে চারটি আসন, পশ্চিমবঙ্গে পাঁচটির মধ্যে চারটি পেতে পারে বিরোধীরা। জাতীয় কংগ্রেস তেলেঙ্গানায় দুটি, ছত্তিশগড় ও হরিয়ানায় একটি করে এবং হিমাচল প্রদেশে একমাত্র আসন ধরে রাখতে পারে। বর্তমানে বিরোধীদের মোট ৭৯ জন সদস্য রয়েছেন উচ্চকক্ষে। সমীকরণ অনুযায়ী সর্বোচ্চ ১৪ জন ‘ইন্ডিয়া’ জোট-এর প্রার্থী জিততে পারেন।

    উচ্চকক্ষে বড় নাম ও জল্পনা

    বিজেপির অন্দরে নতুন রাজ্য সভাপতি নীতিন নবীনকে রাজ্যসভায় পাঠানোর জল্পনা রয়েছে। তবে সূত্রের দাবি, আপাতত তিনি বিহার বিধানসভাতেই থাকতে পারেন—আগে নীতিন গড়কড়ী ও অমিত শাহ দলীয় সভাপতির সময় এমন নজির রয়েছে। এ বছর অবসর নিচ্ছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রামদাস আতওয়ালে ও রামনাথ ঠাকুর—দু’জনেরই পুনরাগমনের সম্ভাবনা। উপ-সভাপতি হরিবংশ নারায়নের মেয়াদও এপ্রিলেই শেষ হচ্ছে। তাঁকে পুনর্নিযুক্ত না করা হলে নতুন উপ-সভাপতি নির্বাচনের প্রয়োজন হতে পারে। জুন, জুলাই ও নভেম্বর পর্যন্ত একাধিক ধাপে ভোট হবে। রাজনৈতিক বার্তা ও সামাজিক-আঞ্চলিক সমীকরণ মাথায় রেখে প্রার্থী বাছাইয়ের মাধ্যমে অসম ও পশ্চিমবঙ্গের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যে বার্তা দিতে চায় বিজেপি। সব মিলিয়ে, জোট-সমীকরণ ও রাজ্যভিত্তিক অঙ্কই চূড়ান্ত ফল নির্ধারণ করবে। তবে আপাতত দিকনির্দেশ স্পষ্ট—রাজ্যসভায় নিজেদের দখল আরও মজবুত করতে এগিয়ে রয়েছে এনডিএ। একই সঙ্গে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার দিকেও ধীরে ধীরে এগোচ্ছে বিজেপি।

  • Manipur CM: রাষ্ট্রপতি শাসনের অবসান, নয়া মুখ্যমন্ত্রী পেল মণিপুর

    Manipur CM: রাষ্ট্রপতি শাসনের অবসান, নয়া মুখ্যমন্ত্রী পেল মণিপুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছরখানেক ধরে রাষ্ট্রপতি শাসনে থাকার পর শেষমেশ মুখ্যমন্ত্রী পেল মণিপুর (Manipur CM)। মঙ্গলবার বিজেপি (BJP) বিধায়ক যুমনাম খেমচন্দ সিংকে বিজেপি বিধানসভা দলের নেতা হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। দিল্লিতে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে বিজেপি নেতৃত্ব মণিপুরের বিজেপি বিধায়কদের পাশাপাশি জাতীয় গণতান্ত্রিক জোট (এনডিএ)-র শরিক দলগুলির নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেয়।

    মণিপুরে শপথ নয়া মুখ্যমন্ত্রীর (Manipur CM)

    এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির মণিপুরের কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক তরুণ চুঘ এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা সম্বিত পাত্র। আজ, বুধবার সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ শপথ নেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী। লোকভবনে তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান রাজ্যপাল অজয় ভাল্লা। জানা গিয়েছে, বিজেপি নেত্রী নেমচা কিপগেন এবং নাগা পিপলস ফ্রন্ট (এনপিএফ)-এর নেতা লোসি ডিখো উপমুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন। রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে গোবিন্দাস কন্থৌজামকে। মণিপুর বিধানসভায় মোট সদস্য সংখ্যা ৬০ জন। এর মধ্যে বিজেপির রয়েছেন ৩৭ জন বিধায়ক। ২০২২ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা ছিল ৩২। পরবর্তী কালে জনতা দল (ইউনাইটেড)-এর পাঁচজন বিধায়ক বিজেপিতে যোগ দেন। এছাড়াও বিধানসভায় রয়েছেন ন্যাশনাল পিপলস পার্টির ৬ বিধায়ক, নাগা পিপলস ফ্রন্টের ৫ বিধায়ক, কংগ্রেসের ৫ জন, কুকি পিপলস অ্যালায়েন্সের ২ জন, জনতা দল (ইউনাইটেড)-এর ১ জন এবং ৩ নির্দল বিধায়ক।

    যুমনাম খেমচন্দ সিং

    এক বিধায়কের মৃত্যুতে বর্তমানে একটি আসন শূন্য রয়েছে (Manipur CM)। গত বছরের ১৩ ফেব্রুয়ারি জাতিগত হিংসার প্রেক্ষিতে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংয়ের পদত্যাগের পর থেকেই মণিপুরে জারি করা হয় রাষ্ট্রপতি শাসন। প্রশ্ন হল, কে এই যুমনাম খেমচন্দ সিং? মেইতেই সম্প্রদায়ের সদস্য যুমনাম খেমচন্দ সিং মণিপুরের সিঞ্জামেই বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক। ২০১৭ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত তিনি মণিপুর বিধানসভার স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ২০২২ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত তিনি গ্রামীণ উন্নয়ন, পঞ্চায়েতি রাজ এবং শিক্ষা দফতরেরও মন্ত্রী ছিলেন। রাজনৈতিক জীবনের পাশাপাশি খেলাধুলোর সঙ্গেও যুক্ত খেমচন্দ সিং। মার্শাল আর্ট তায়কোয়ান্দোর প্রসারেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে তাঁর। ২০২৫ সালে তিনি প্রথম ভারতীয় হিসেবে (BJP) ঐতিহ্যবাহী তায়কোয়ান্দোয় পঞ্চম ড্যান ব্ল্যাক বেল্ট অর্জন করেন। দক্ষিণ কোরিয়ার সিওলে অবস্থিত গ্লোবাল ট্র্যাডিশনাল তায়কোয়ান্দো ফেডারেশন তাঁকে এই সম্মান দেয় (Manipur CM)।

     

     

  • Arunachal Pradesh: অরুণাচল প্রদেশের নির্বাচনে বিজেপির বিপুল জয়,  প্রধানমন্ত্রী মোদির অভিনন্দন

    Arunachal Pradesh: অরুণাচল প্রদেশের নির্বাচনে বিজেপির বিপুল জয়, প্রধানমন্ত্রী মোদির অভিনন্দন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অরুণাচল প্রদেশের (Arunachal Pradesh) জেলা পরিষদ এবং গ্রাম পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপির জয় জয়কার। রবিবারই প্রকাশিত হয়েছে এই নির্বাচনের ফল। সেখানে জেলা পরিষদ এবং গ্রাম পঞ্চায়েতের সিংহভাগ আসনই জিতেছে বিজেপি। আর এই নির্বাচনে কার্যত পাত্তা পায়নি কংগ্রেস। মোট আসনের ৯৭ শতাংশেরও বেশি জিতে রাজ্যে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে বিজেপি-নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট। এই ফলাফল রাজ্যের উন্নয়নে ‘ডাবল ইঞ্জিন’ সরকারের ওপর জনগণের আস্থারই প্রতিফলন বলে দাবি বিজেপির। নির্বাচনী জয়কে সুশাসনের প্রতি জনগণের বিশ্বাস হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    বিজেপির জয়-জয়কার

    অরুণাচল প্রদেশের (Arunachal Pradesh) নির্বাচন কমিশনের অফিস সূত্রে খবর, সেখানকার জেলা পরিষদের ২৪৫টি আসনের মধ্যে ১৭০টিতেই জয়ী হয়েছে বিজেপি। এর মধ্যে ৫৯টি আসনে বিনা-প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতেছে বিজেপি। অন্য দিকে, জেলা পরিষদের ২৮টি আসনে জিতেছে পিপলস পার্টি অফ অরুণাচল। সেখানে জেলা পরিষদের মাত্র ৭টি আসন এসেছে কংগ্রেসের দখলে। ন্যাশনাল পিপলস পার্টি ৫টি আসনে এবং নির্দল ও অন্যান্যরা জিতেছে ২৩টি আসনে। একই ভাবে গ্রাম পঞ্চায়েত নির্বাচনেও বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে বিজেপি। গ্রাম পঞ্চায়েতের ৮২০৮টি আসনের মধ্যে বিজেপি জিতেছে ৬০৮৫টি আসনে। এর মধ্যে ৫২১১ আসনেই বিনা-প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতেছে বিজেপি। অন্য দিকে কংগ্রেস জিতেছে মাত্র ২১৬টি আসনে। এর মধ্যে ১১১টি আসনে কোনও প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়া জয় পেয়েছে কংগ্রেস।

    প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

    প্রধানমন্ত্রী মোদি বিজেপির এই সাফল্যে বলেন, “অরুণাচল প্রদেশের মানুষ সুশাসনের রাজনীতির প্রতি অটল সমর্থন দেখিয়েছেন। বিজেপির প্রতি যে ভালোবাসা তাঁরা দেখিয়েছেন, তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। এতে রাজ্যের রূপান্তরের লক্ষ্যে আমাদের সংকল্প আরও দৃঢ় হলো। তৃণমূল স্তরে অক্লান্ত পরিশ্রম করা বিজেপি কার্যকর্তাদেরও সাধুবাদ জানাই।” মুখ্যমন্ত্রী পেমা খান্ডুও রাজ্যের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “ভারতীয় জনতা পার্টির প্রতি মানুষের অভূতপূর্ব সমর্থন ও বিশ্বাসের জন্য আমি কৃতজ্ঞ।” তিনি দলের কর্মী ও নেতাদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, তাঁদের নিরলস পরিশ্রমেই এই ঐতিহাসিক সাফল্য এসেছে। প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্ব ও দিশানির্দেশে অরুণাচলকে আরও শক্তিশালী, সমৃদ্ধ ও আত্মনির্ভরশীল করে তুলতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

    উন্নয়নের পক্ষে স্পষ্ট ম্যান্ডেট

    আর এক দিকে, ইটানগর পুরসভার ২০টি আসনের মধ্যে ১৪টিতে জিতেছে বিজেপি। পাসিঘাট পুরসভার নির্বাচনে পিপলস পার্টি অফ অরুণাচল জিতেছে ৫টি আসনে। সেখানে বিজেপি দু’টি আসনে এবং নির্দল জিতেছে একটি আসনে। এই দু’টি পুরসভাতে খাতাই খুলতে পারেনি কংগ্রেস। বিজেপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই রায় উন্নয়নের পক্ষে স্পষ্ট ম্যান্ডেট। দলের কথা, “জেলা পরিষদ থেকে গ্রাম পঞ্চায়েত—সব স্তরেই বার্তা পরিষ্কার: শান্তি, অগ্রগতি ও কর্মদক্ষতার পক্ষে অরুণাচল; নেতৃত্বে এনডিএ।”

  • Kerala Local Body Polls: ভেঙে পড়ল চার দশকের বামদূর্গ! তিরুঅনন্তপুরমে বিপুল জয় বিজেপির, ধন্যবাদ মোদির

    Kerala Local Body Polls: ভেঙে পড়ল চার দশকের বামদূর্গ! তিরুঅনন্তপুরমে বিপুল জয় বিজেপির, ধন্যবাদ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণে জয়-পতাকা উড়ল বিজেপির। কেরলের স্থানীয় নির্বাচনে (Kerala Local Body Polls) তিরুঅনন্তপুরমে ঐতিহাসিক জয় পেল এনডিএ। পাঁচ দশকের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে ওই পুরনিগমে ক্ষমতা দখল করল বিজেপি। তিরুঅনন্তপুরম কর্পোরেশনের মোট ১০১টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৫১টি ওয়ার্ড গিয়েছে এনডিএ জোটের থলিতে। বামফ্রন্ট এগিয়ে রয়েছে ২৯টি ওয়ার্ডে। কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ-এর থলিতে গিয়েছে ১৯টি ওয়ার্ড। দু’টি ওয়ার্ডে জিতেছে দু’জন নির্দলীয় প্রার্থী। বাকি একটি ওয়ার্ডে নির্বাচন হয়নি।

    দলের জয়ে শুভেচ্ছা মোদির

    কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুরের কেন্দ্র, কেরলের রাজধানী তিরুঅনন্তপুরমের পুরসভায় কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ এবং সিপিএম নিয়ন্ত্রিত এলডিএফ জোটকে পিছনে ফেলে জয় ছিনিয়ে নিল বিজেপি। এই জয়ের জন্য ইতিমধ্যে তিরুঅনন্তপুরমের বাসিন্দাদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এই আঞ্চলিক নির্বাচনে দিবারাত্রি পরিশ্রম করা কার্যকর্তাদেরও। আমি এটাও নিশ্চিত ওই রাজ্যের উন্নয়ন ও বিকাশ নিয়ে মানুষের মনে যে চাহিদা তৈরি হয়েছে, তা আমাদের দলই পূরণ করতে পারবে।’কার্যকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা এতদিন যে পরিশ্রম করলেন, আজ সেগুলির স্মৃতিচারণের দিন। আমি প্রতিটি বিজেপি কার্যকর্তাকে শুভেচ্ছা জানাই। এই সাফল্য সেই পরিশ্রমেরই ফলাফল।’

    বামেদের দুর্গে ফাটল ধরাল বিজেপি

    এর আগে কেরলের ত্রিশূরের লোকসভা নির্বাচনে জিতেছে বিজেপি। তিরুঅনন্তপুরমে লোকসভায় আগের বার দ্বিতীয় স্থানে উঠেছিল গেরুয়া শিবির। এবার পুরনিগম দখল। গেরুয়া শিবির স্বপ্ন দেখছে এবার হয়তো তাদের জন্য কেরল এবং দক্ষিণের রাস্তা খুলবে। তিরুঅনন্তপুরম পুরসভায় বামেদেরই ছিল একচ্ছত্র আধিপত্য। বিরোধী হিসাবে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করত কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ। তবে এ বারের নির্বাচন ছিল ত্রিমুখী। ইউডিএফ, এলডিএফ আর বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ। শনিবার সকালে ভোট গণনা শুরুর পরে প্রাথমিক ট্রেন্ডে এগিয়ে গিয়েছিল বিজেপি। বেলা গড়াতেই দেওয়াল লিখন স্পষ্ট হয়ে যায়। ১০১ আসনের তিরুঅনন্তপুরম পুরসভার ৫১টিতে জয় হাসিল করে নেয় এনডিএ। একই সঙ্গে টানা ৪৫ বছর পরে লেফট ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট জমানার অবসান ঘটল। ক্ষমতাসীন এলডিএফ জিতেছে মাত্র ২৯টি আসনে। পাশাপাশি এলডিএফের হাত থেকে ত্রিপুনিথুরা পুরসভাও ছিনিয়ে নিয়েছে বিজেপি জোট।

LinkedIn
Share