Tag: NDA

NDA

  • Lok Sabha Election 2024: এনডিএ-তে যোগ দিচ্ছে টিডিপি! বৈঠকে শাহ-নায়ডু, দক্ষিণে জমি শক্ত বিজেপির

    Lok Sabha Election 2024: এনডিএ-তে যোগ দিচ্ছে টিডিপি! বৈঠকে শাহ-নায়ডু, দক্ষিণে জমি শক্ত বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের (Lok Sabha Election 2024) আগে দক্ষিণে জমি শক্ত করল বিজেপি। বুধবার মধ্যরাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকেরে পর তেলেগু দেশম পার্টির প্রধান তথা অন্ধ্রপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নাইডু জানিয়ে দেন এনডিএ-তে যোগ দিচ্ছে টিডিপি। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে টিডিপি এনডিএ-র সঙ্গে জোট বেঁধেই লড়াই করবে তা এক প্রকার নিশ্চিত। 

    টিডিপি-এনডিএ যোগ

    প্রায় ছ’বছর পরে অন্ধ্রপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নায়ডুর দল তেলুগু দেশম পার্টি (টিডিপি) আবার বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ-তে ফিরতে চলেছে। টিডিপি সূত্রে খবর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে জোটের প্রতিটি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। আগামী এপ্রিল-মে মাসে লোকসভা ভোটের সঙ্গেই অন্ধ্রে বিধানসভা ভোট হওয়ার সম্ভাবনা। সেখানে ক্ষমতাসীন ওয়াইএসআর কংগ্রেসকে হারানোর উদ্দেশে বিজেপি, টিডিপি ছাড়াও তেলুগু অভিনেতা-রাজনীতিক পবন কল্যাণের দল জনসেনা পার্টি এনডিএ-তে শামিল হতে পারে বলে খবর। বিজেপি সূত্রে খবর, তারা প্রতিটি রাজ্যে দলের প্রসার করতে চায়। জোটের শর্ত সঠিক হলে এবং পর্যাপ্ত প্রতিনিধিত্ব পেলে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন। ২০১৪ সালের লোকসভা ভোটে বিজেপির সঙ্গে জোটে ছিলেন চন্দ্রবাবু। কিন্তু অন্ধ্রের বিশেষ মর্যাদার দাবিতে ২০১৮ সালে এনডিএ ছাড়ে টিডিপি। ফের ২০২৪ লোকসভা ভোটের আগে পুরনো জোটে ফিরল টিডিপি।  

    আরও পড়ুন: মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিলেই তীব্র প্রতিবাদ, রাজ্য বাজেটের আগে হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    দক্ষিণে বিশেষ নজর

    লোকসভা ভোটে (Lok Sabha Election 2024) লক্ষ্য ‘মিশন ৪০০’। তাই দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলিতে বিশেষ নজর দিচ্ছেন নরেন্দ্র মোদি-অমিত শাহেরা। বুধবার দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, রাজীব চন্দ্রশেখর এবং এল মুরুগানের উপস্থিতিতে বিজেপিতে যোগ দিলেন এডিএমকে ১৫ জন প্রাক্তন বিধায়ক। সেই সঙ্গে প্রয়াত জয়ললিতার দলের এক প্রাক্তন সাংসদও পদ্ম-শিবিরে শামিল হয়েছেন। বিজেপিতে যোগদানকারী নেতাদের মধ্যে রয়েছেন, কে ভেদিভেল, এমভি রত্নম, আর চিন্নাস্বামী এবং পিএস কান্দস্বামীর মতো দ্রাবিড় রাজনীতির পরিচিত মুখেরা। সোমবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন এবারের লোকসভা নির্বাচনে এনডিএ চারশোর বেশি আসন পাবে, তার মধ্যে বিজেপি পাবে ৩৭০-এর বেশি আসন। এই আসন সংখ্যায় পৌঁছতে গেলে দক্ষিণের রাজ্যগুলিতে বিজেপিকে বেশি আসন পেতেই হবে। যদিও আসন বেশি পাওয়া প্রসঙ্গে নিশ্চিত পদ্ম শিবির।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nitish Kumar: পদ্ম শিবিরে ফিরছেন নীতীশ, মন্ত্রিসভায় কারা?

    Nitish Kumar: পদ্ম শিবিরে ফিরছেন নীতীশ, মন্ত্রিসভায় কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাগটবন্ধন সরকারের ঘাটের জল খেয়ে ফের বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএতে ভিড়তে চলেছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)। রবিবার সকালের মধ্যেই ভোল বদলাতে পারেন নীতীশ। ইতিমধ্যেই সরকার থেকে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালু প্রসাদ যাদবের দল আরজেডির মন্ত্রীদের সরিয়ে বিজেপির কাদের মন্ত্রী করা হবে, তা চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে বলে সূত্রের খবর।

    ইন্ডি জোট দুরমুশ

    নীতীশের সঙ্গে পদ্ম শিবিরে যোগ দিতে পারেন বেশ কয়েকজন কংগ্রেস বিধায়কও। যদি তা হয়, তাহলে বিহারে যে নির্বাচনের আগেই ইন্ডি জোট দুরমুশ হয়ে যাবে, তা বলাই বাহুল্য। তাঁরা যে নীতীশের (Nitish Kumar) পক্ষেই, তা জানিয়ে ইতিমধ্যেই চিঠি দিয়েছেন বিহারের বিজেপি বিধায়করা। ২০২২ সালের অগাস্টে বিজেপি-সঙ্গ ছেড়ে নীতি নির্বাসনে দিয়ে নীতীশ যোগ দিয়েছিলেন মহাগটবন্ধনে। লোকসভা নির্বাচনের আগে তিনি আবারও ফিরছেন এনডিএ শিবিরে।

    ধরলেন না সোনিয়ার ফোন!

    নীতীশের দলবদল এই প্রথম নয়। ২০১৩ সাল থেকে বারে বারে তিনি দল বদলেছেন পোশাক বদলের মতো। রাজনৈতিক মহলে তিনি ‘বদলুরাম’ নামে পরিচিত। রবিবার নীতীশ দলীয় বিধায়কদের নিয়ে বৈঠকে বসছেন। তার পরেই ঘোষণা করতে পারেন দলবদলের বিষয়টি। দল বদলের বিষয়ে বছর বাহাত্তরের মুখ্যমন্ত্রী সরাসরি কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে। বিজেপিকে পরাস্ত করতে পদ্ম-বিরোধী দলগুলিকে নিয়ে ইন্ডি জোট গড়ার অন্যতম কারিগর নীতীশই। সেই নীতীশই যখন এনডিএ শিবিরে ফিরছেন বলে খবর ছড়ায়, তখনই তড়িঘড়ি তাঁকে ফোন করেন কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী। সূত্রের খবর, সোনিয়ার সেই ফোন ধরেননি বিহারের মুখ্যমন্ত্রী।

    আরও পড়ুুন: দোরগোড়ায় লোকসভা ভোট, ইলেকশন ইন-চার্জ ঘোষণা নাড্ডার, বাংলার দায়িত্বে কে?

    সূত্রের খবর, রবিবারই নবম বারের মতো মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিতে পারেন নীতীশ। উপমুখ্যমন্ত্রী করা হতে পারে বিজেপির সুশীল মোদিকে। নীতীশ নতুন করে শপথ নিলে মন্ত্রী হতে পারেন হাওড়ার বধূ রেণু দেবী। বেতিয়ার এই বিজেপি নেত্রী বিবাহ সূত্রে দীর্ঘদিন ছিলেন হাওড়ায়। স্বামী মারা যাওয়ার পর ফিরে যান বেতিয়ায়। সূত্রের খবর, ২০২৫ সাল পর্যন্ত নীতীশকে মুখ্যমন্ত্রী পদে রেখে দিতে চায় বিজেপি। ওই বছরের শেষের দিকে বিহার বিধানসভা নির্বাচন হওয়ার কথা। সে পর্যন্ত নীতীশেই আস্থা রাখছে বিজেপি (Nitish Kumar)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nitish Kumar: মোদির হাত ধরেই ফিরবেন? নীতীশের এনডিএ-যোগ নিয়ে জল্পনা তীব্র

    Nitish Kumar: মোদির হাত ধরেই ফিরবেন? নীতীশের এনডিএ-যোগ নিয়ে জল্পনা তীব্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের আগে ফের এনডিএতেই যোগ দিচ্ছেন নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)। রাজনৈতিক মহলে এমনই গুঞ্জন।  সূত্রের খবর, ইতিমধ্যে নাকি আসনরফাও হয়ে গিয়েছে বিজেপি এবং নীতীশের জনতা দল ইউনাইটেড (জেডিইউ)-এর। যোগদান এখন সময়ের অপেক্ষা। সূত্রের খবর, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)-র সঙ্গে এক মঞ্চে দেখা যেতে পারে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারকে। আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি বিহারের বেতিয়ায় প্রচার র‌্যালি রয়েছে প্রধানমন্ত্রী মোদির। সেখানেই তাঁর সঙ্গে দেখা যেতে পারে নীতীশ কুমারকে। সেখান থেকেই হয়তো ফের শিবির বদলের ঘোষণা করতে পারেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী।

    ইন্ডি জোট ছাড়ছেন নীতিশ

    তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং আপ প্রধান অরবিন্দ কেজরীওয়াল ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন, আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে বাংলা এবং পাঞ্জাবে একাই লড়বে তাঁদের দল। এমতাবস্থায় ইন্ডি জোট ছাড়ার পথে নীতীশও (Nitish Kumar)। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যে পাটনায় নিজের দলের সকল বিধায়ককে ডেকে পাঠিয়েছেন নীতীশ (JDU-NDA  Alliance)। সেখানে বসেই পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করতে পারেন। নীতীশ এনডিএতে যোগ দিলে দু’টি সম্ভাবনা খোলা থাকবে। এক, বিধানসভা ভেঙে লোকসভা ভোটের সঙ্গেই বিহারে আবারও বিধানসভা নির্বাচন করানো। নয়তো, নীতীশকেই মুখ্যমন্ত্রী পদে রেখে দেওয়া। বিহারে বিধানসভায় মোট আসন সংখ্যা ২৪৩। ম্যাজিক ফিগার ১২২। আরজেডির রয়েছে ৭৯টি আসন। জেডিইউয়ের হাতে রয়েছে ৪৫টি আসন। বিজেপির রয়েছে ৮২টি আসন। বিজেপির হাত ধরলে অনায়াসেই ম্যাজিক ফিগারে পৌঁছে যেতে পারে নীতীশের দল।

    আরও পড়ুন: ইউপিআই কী? ‘চায়ে পে চর্চা’য় মাক্রঁকে বোঝালেন মোদি

    ফের এনডিএ-তে যোগ

    ২০১৩ সাল থেকে এই নিয়ে পাঁচ বার শিবির বদলালেন ৭২ বছরের নীতীশ (Nitish Kumar)। শেষ বার, ২০২২ সালে এনডিএ ছেড়ে মহাজোটে যোগ দেন তিনি। লালুর দল আরজেডির সঙ্গে সরকার গড়েন। তার দু’বছর আগেই মহাজোট ছেড়ে এনডিএ-তে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। এ বার ফের মহাজোট ছেড়ে এনডিএ-তে। বিজেপি সূত্রে খবর, বিহারের বিজেপির রাজ্য সভাপতি সম্রাট চৌধুরীকে দিল্লিতে তলব করা হয়েছে। সুশীল মোদি ও সম্রাট চৌধুরী বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করতে পারেন। তারপরই হয়তো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • AIADMK: এনডিএ শিবির ছাড়ল জয়ললিতার দল এআইএডিএমকে, কেন জানেন?

    AIADMK: এনডিএ শিবির ছাড়ল জয়ললিতার দল এআইএডিএমকে, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট ছাড়ল এআইএডিএমকে (AIADMK)। বিজেপির তামিলনাড়ু নেতৃত্বের প্রতি বিষোদ্গার করে এনডিএ ছাড়ল জয়ললিতার দল। কংগ্রেস-ডিএমকে জোটকে হারাতে এনডিএ শিবিরে ভিড়েছিলেন এআইএডিএমকে নেতৃত্ব।

    কী বলছেন এআইএডিএমকে নেতৃত্ব?

    বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যের মসনদে বসে কংগ্রেস-ডিএমকে জোট। লোকসভা নির্বাচনের আগে এনডিএতে বিশেষ সুবিধা হবে না আঁচ করেই জয়ললিতার দল এনডিএ ছাড়ল বলে ধারণা রাজনৈতিক মহলের। সোমবার দলের ডেপুটি কো-অর্ডিনেটর কেপি মুনুসামি বলেন, “এআইএডিএমকের সভায় সর্ব সম্মতিক্রমে একটি প্রস্তাব পাশ হয়েছে। এআইএডিএমকে আজ থেকে বিজেপি এবং এনডিএ জোটের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করছে।”

    মানহানিকর বিবৃতির প্রতিবাদ!

    তিনি বলেন, “বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব গত এক বছর ধরে আমাদের প্রাক্তন নেতা, আমাদের সাধারণ সম্পাদক ইপিএস এবং আমাদের কর্মীদের সম্পর্কে ক্রমাগত অপ্রয়োজনীয় মন্তব্য করে চলেছেন।” দলীয় নেতৃত্বের দাবি, এই পদক্ষেপটি এক বছরেরও বেশি সময় ধরে এআইএডিএমকে ও তাদের নেতাদের ওপর বিজেপির আক্রমণ ও মানহানিকর বিবৃতির প্রতিবাদ।

    দিন কয়েক আগে সনাতন ধর্ম নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন ডিএমকে নেতা তথা তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিনের পুত্র উদয়নিধি। তিনিও মন্ত্রিসভার সদস্য। উদয়নিধির মন্তব্যের প্রতিবাদ করে বিজেপি। এই আবহে তামিলনাড়ুর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা দ্রাবিড়ীয় আইকন সিএন আন্নাদুরাই সম্পর্কে  বিজেপির তামিলনাড়ু নেতৃত্ব বিতর্কিত মন্তব্য করেন বলেন অভিযোগ। কী ডিএমকে, কী এআইএডিএমকে (AIADMK) তামিলনাড়ুর কোনও রাজনৈতিক দলই আন্নাদুরাই সম্পর্কে কটু কথা শুনতে রাজি নয়। তাছাড়া লোকসভা নির্বাচন নিয়ে আসন ভাগাভাগি নিয়েও এনডিএর সঙ্গে এআইএডিএমকের অশান্তি হচ্ছিল বলে খবর। সেই কারণেও বাড়ছিল দূরত্ব।

    সর্বোপরি, গত লোকসভা নির্বাচন এবং একুশের বিধানসভা নির্বাচনে এনডিএর সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে বিশেষ সুবিধা করতে পারেনি জয়ললিতার দল। তার জেরে এনডিএ থেকে বেরিয়ে আসার চাপ তৈরি হচ্ছিল দলের নিচুতলায়। রাজনৈতিক মহলের মতে, সেই কারণেই এনডিএ শিবির ছাড়তে বাধ্য হল জয়ললিতার দল।

    আরও পড়ুুন: “কিছু শহুরে মাওবাদী এখন কংগ্রেস চালাচ্ছে”, ভোপালের জনসভায় তোপ প্রধানমন্ত্রীর

    প্রসঙ্গত, এই প্রথম নয়, এর আগেও আখের গুছোতে বিজেপির হাত ধরেছিল জয়ললিতার দল। ১৯৯৮, ২০০৪ এবং ২০১৯ সালে বিজেপির সঙ্গে জোট গঠন করে লড়াইয়ের ময়দানে নামে এআইএডিএমকে (AIADMK)। ’৯৮ সালে লোকসভা নির্বাচনের পর বছর ঘুরতে না ঘুরতেই অটল বিহারী বাজপেয়ী সরকারের ওপর থেকে সমর্থন তুলে নেন জয়ললিতা। তার জেরে পতন হয় বাজপেয়ী সরকারের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • JD(S): লোকসভা নির্বাচনের আগে ‘রামধাক্কা’!  তৃণমূলকে নিরাশ করে এনডিএ শিবিরে ভিড়ল কুমারস্বামীর দল

    JD(S): লোকসভা নির্বাচনের আগে ‘রামধাক্কা’!  তৃণমূলকে নিরাশ করে এনডিএ শিবিরে ভিড়ল কুমারস্বামীর দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল সুপ্রিমোর হাত ফসকালেন এইচডি কুমারস্বামী! লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির বিরুদ্ধে একজোট হয়ে লড়বেন বলে কালীঘাটে এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কথা দিয়ে গিয়েছিলেন জনতা দল সেকুলার (JD(S)) প্রধান কুমারস্বামী। পরে বিজেপিকে পরাস্ত করতে যে ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট ‘ইন্ডিয়া’ গড়ে উঠেছে, তাতে অবশ্য যোগ দেয়নি কুমারস্বামীর দল। শেষমেশ শুক্রবার দুপুরে তারা যোগ দিল এনডিএ শিবিরে। যার জেরে লোকসভা নির্বাচনের আগে খানিকটা হলেও ধাক্কা খেল বিরোধীদের ইন্ডি জোট। নিশ্চয়ই হতাশ হলেন তৃণমল নেত্রীও!

    বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে সাক্ষাৎ কুমারস্বামীর

    এদিন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করে এনডিএতে যোগ দেওয়ার কথা ঘোষণা করলেন কুমারস্বামী। উনিশের লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের সঙ্গে জোট গড়ে রণাঙ্গনে নেমেছিল কুমারস্বামীর দল (JD(S))। কর্নাটকে ২৮টি লোকসভা আসন রয়েছে। এর ২১টিতে দাঁড়িয়েছিল কংগ্রেস। বাকিগুলিতে প্রার্থী দিয়েছিল জনতা দল সেক্যুলার। সেবার মাত্র একটি আসনে জয় পেয়েছিল কুমারস্বামীর দল। কর্নাটকে বিজেপি লড়েছিল ২৭টি আসনে। এর মধ্যে পদ্ম প্রার্থীরা জিতেছেন ২৫টি আসনে।

    কর্নাটককে কংগ্রেস মুক্ত করার ডাক

    কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচনেও কংগ্রেস ঝড়ে উড়ে গিয়েছে জনতা দল সেক্যুলার। রাজনৈতিক মহলের মতে, সেই কারণে কংগ্রেসকে উচিত শিক্ষা দিতে বিজেপি শিবিরে ভিড়ল কুমারস্বামীর দল। তার পরেই লোকসভা নির্বাচনে কর্নাটককে কংগ্রেস মুক্ত করার ডাক দিলেন কুমারস্বামী। এদিন দুপুরে নয়াদিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করেন কর্নাটকের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কুমারস্বামী। উপস্থিত ছিলেন গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্তও। এনডিএ শিবিরে যোগ দেওয়ার পর ট্যুইট করেন জেপি নাড্ডা।

    তিনি লিখেছেন, “কর্নাটকের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা জেডিএস (JD(S)) নেতা কুমারস্বামীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হল। উপস্থিত ছিলেন প্রবীণ নেতা তথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এনডিএ শিবিরে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় আমি খুশি। আমরা তাঁদের আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাচ্ছি। এতে এনডিএ আরও শক্তিশালী হবে। পূর্ণ হবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির স্বপ্ন, ‘নয়া ভারত, শক্তিশালী ভারত’।”

    আরও পড়ুুন: মহিলা সংরক্ষণ বিল পাশে “মা-বোনেদের স্বপ্নপূরণ’’, মহিলাদের প্রণাম প্রধানমন্ত্রীর

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Narendra Modi: মহিলা সংরক্ষণ বিল মোদির ‘মাস্টারস্ট্রোক’, এক সিদ্ধান্তেই দিশেহারা বিরোধী-জোট

    PM Narendra Modi: মহিলা সংরক্ষণ বিল মোদির ‘মাস্টারস্ট্রোক’, এক সিদ্ধান্তেই দিশেহারা বিরোধী-জোট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহিলা সংরক্ষণ বিল (Womens Reservation Bill) পেশ করে কি এক ঢিলে দুই পাখি মারলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)? দুই পাখির একটি হল ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির মহিলা ভোটব্যাঙ্ক নিশ্চিত করা। দ্বিতীয় পাখি হল— বিরোধী-ঐক্যকে বা বলা ভাল, অধুনা ‘ইন্ডি’ জোটের ঐক্যকে খান-খান করা। নরেন্দ্র মোদির এই এক সিদ্ধান্তেই বিরোধীদের ‘রাতের ঘুম’ যে উড়ে গিয়েছে, সে বিষয়ে সন্দেহ নেই। অন্তত এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    মঙ্গলবার, গণেশ চতুর্থীর পুণ্য-লগ্নে নতুন সংসদ ভবনের প্রথম অধিবেশনেই ‘মাস্টারস্ট্রোক’ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Narendra Modi)। প্রথমেই মহিলা সংরক্ষণ বিল (নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম বিল, ২০২৩) লোকসভায় পেশ করে মোদি সরকার। দেশের সংসদ ও রাজ্যগুলির বিধানসভায় মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষণের সংস্থান রয়েছে এই বিলে। মহিলা সংরক্ষণ ইস্যুকে হাতিয়ার করে মোদি সরকারকে চাপে ফেলার কৌশল অবলম্বন করার কথা ভেবে আসছিল সাম্প্রতিককালে-গঠিত বিরোধীদের ‘ইন্ডি’ জোট। 

    ইস্যু হারিয়ে দিশাহীন ইন্ডি-জোট!

    কিন্তু, গত সপ্তাহে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা মহিলা সংরক্ষণ বিলে অনুমোদন দেওয়ায় বিরোধীদের মুখের গ্রাস সেখানেই কেড়ে নেন নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। এদিকে, ইস্যু হাত ফস্কে বেরিয়ে যাওয়ায় সেই থেকেই বিরোধীরা কার্যত দিশেহারা হয়ে পড়ে। ইন্ডি-জোট যেখানে ভেবেছিল, মোদিকে কোণঠাসা করবে, সেখানে দেখা যায়, উল্টে তারাই চাপে পড়ে গিয়েছে। কারণ, এখন মহিলা সংরক্ষণ বিলের স্বপক্ষেই যাওয়া ছাড়া তাদের কাছে অন্য কোনও পথ নেই। বিরোধীরা ভালমতোই বুঝতে পারছে, তারা যদি এখন সরকারের বিরুদ্ধাচরণ করার স্বার্থে মহিলা বিলকে (Womens Reservation Bill) সমর্থন না করে, তাহলে, দেশবাসীর সামনে তাদের আসল চেহারা বেরিয়ে পড়বে। অন্যদিকে, সমর্থন করলেও আখেরে লাভ হবে বিজেপি তথা এনডিএ-র। আগামী লোকসভা নির্বাচনে এর পুরো ফায়দা যে বিজেপির ঘরেই উঠবে, তাতে কোনও সন্দেহ নেই। এই নিয়ে ইন্ডি-জোট উভয় সঙ্কটে। যে কারণে, তারা এখন কৃতিত্বের দাবি করে বেড়াচ্ছে সব জায়গায়।

    অতীতে বিরোধিতা, এখন সমর্থন বিরোধীদের!

    নরেন্দ্র মোদি সরকারের আনা এই বিলকে সমর্থন জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিরোধী-জোটের ‘হেড অফ দ্য ফ্যামিলি’ কংগ্রেস। সমর্থনের কথা জানানো হয়েছে বিরোধী জোট-শরিক সমাজবাদী পার্টি, রাষ্ট্রীয় জনতা দল ও বহুজন সমাজ পার্টির তরফে। এমনকি, সমর্থন জানাতে সম্মত হয়েছে বিজেপির একসময়ের শরিক তথা বর্তমানে বিরোধী ধরের সদস্য নীতীশ কুমারের জেডিইউ। এখানে বিশেষ করে উল্লেখ করতে হবে প্রথম তিন শরিক দলের। কারণ, এই দলগুলিই এক সময় সংসদে পেশ হওয়া মহিলা সংরক্ষণ বিল (Womens Reservation Bill) নাকচ করেছিল। সেই ইতিহাসের সাক্ষী রয়েছে সদ্য-প্রাক্তন হওয়া সংসদ ভবন। এখন এই দলগুলির সামনের সারিতে একাধিক মহিলা মুখ আসায়, মনোভাবও পাল্টাতে বাধ্য হচ্ছে তারা।

    মহিলা ভোটাররাই বিজেপির শক্তি

    পাশাপাশি, আরেকটা চিন্তা যা বিরোধীদের রাতের ঘুম উড়িয়ে দিয়েছে তা হল ভোট ব্যাঙ্ক হাতছাড়া হওয়ার ভয়। বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই বিল সংসদে পাশ হয়ে গেলে ভোটে সবচেয়ে লাভবান হবে বিজেপি। তাঁদের মতে, বিজেপির মহিলা ভোট ব্যাঙ্ক বিপুলভাবে ফুলে উঠবে। পরিসংখ্যান বলছে, ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে পুরুষদের তুলনায় এক শতাংশ ভোট বেশি ছিল মহিলাদের। আবার মহিলা ভোটারদের বেশিরভাগ পছন্দ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Narendra Modi)। লোকসভা নির্বাচনে মহিলাদের ভোটদানের হার ছিল ৬৭ শতাংশ। এর মধ্যে বিজেপি পেয়েছিল ৩৬ শতাংশ আর কংগ্রেস পেয়েছিল ২০ শতাংশ মহিলা ভোট। পাঁচ বছর আগে, ২০১৪ সালে বিজেপিকে ভোট দিয়েছিলেন ২৯ শতাংশ মহিলা। অর্থাৎ, পাঁচ বছরে বিজেপির মহিলা ভোটব্যাঙ্ক অনেকটাই বেড়েছে। 

    নরেন্দ্র মোদির ‘গেম-চেঞ্জার’ সিদ্ধান্ত!

    আরেকটি পরিসংখ্যান বলছে, ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে ১২টি এমন রাজ্য ছিল যেখানে পুরুষদের থেকে বেশি সংখ্যক মহিলা ভোট দিয়েছিলেন। ২টো রাজ্য বাদ দিয়ে বাকি ১০টিতে বিপুল সাফল্য পেয়েছিল বিজেপি। এই বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে গেরুয়া শিবির মহিলাদের জন্য একাধিক পদক্ষেপ করেছে। সেই তালিকার অন্যতম ছিল তিল তালাক নিষিদ্ধ করা। এর পাশাপাশি, উজ্জ্বলা যোজনা, মহিলাদের মুদ্রা ঋণ, পোষণ প্রকল্প, বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও-এর মতো কর্মসূচি বিপুল জনপ্রিয় হয়েছে। এবার, মহিলা সংরক্ষণ বিল (Womens Reservation Bill) পাশ হলে আগামী লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির পক্ষে এই শতাংশের হার আরও বৃদ্ধি পাবে। আর ঠিক এই জন্যই, রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা নরেন্দ্র মোদির (PM Narendra Modi) এই সিদ্ধান্তকে ‘গেম-চেঞ্জার’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election: দুরমুশ ‘ইন্ডিয়া’, ক্ষমতায় ফিরছে এনডিএ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিই, বলছে সমীক্ষা  

    Lok Sabha Election: দুরমুশ ‘ইন্ডিয়া’, ক্ষমতায় ফিরছে এনডিএ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিই, বলছে সমীক্ষা  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Election)। কে আসবে ক্ষমতায় নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে এনডিএ নাকি ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট ‘ইন্ডিয়া’? আপাতত এই প্রশ্নেরই চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে অহরহ। এহেন আবহে পূর্বাভাস দিতে মাঠে নেমে পড়েছে বিভিন্ন সমীক্ষক দলও। তাদের সমীক্ষায় উঠে এসেছে পূর্বাভাস।

    ক্ষমতায় ফিরবে এনডিএ

    সমীক্ষা চালিয়েছিল ‘দ্য টাইমস নাও ইটিজি’। এদের সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, এখনই নির্বাচন হলে ক্ষমতায় ফিরবে এনডিএ। সেক্ষেত্রে বিজেপি পেতে পারে ৩০০টিরও বেশি আসন। ‘ইন্ডিয়া’ পেতে পারে ১৬০ থেকে ১৯০টি আসন। রিপোর্ট অনুযায়ী, এনডিএ পেতে পারে ২৯৬-৩২৬টি আসন। প্রসঙ্গত, গত লোকসভা নির্বাচনে এনডিএ পেয়েছিল ৩৫৩টি আসন। সমীক্ষায় (Lok Sabha Election) জানা গিয়েছে, হিন্দি বলয়ে অব্যাহত থাকবে এনডিএর জয়যাত্রা। গুজরাট, মধ্যপ্রদেশ এবং রাজস্থান এই তিন রাজ্য থেকে ৭০-৮০টি আসন পেতে পারে এনডিএ। এই তিন রাজ্যে শতাংশের হিসেবে সাফল্যের হার ৮০।

    জোর টক্কর এনডিএ বনাম ‘ইন্ডিয়া’ 

    দক্ষিণের তিন রাজ্য কর্নাটক, কেরালা এবং তামিলনাড়ুতে ‘ইন্ডিয়া’ ভাল ফল করতে পারে বলে প্রকাশ সমীক্ষায়। এখনই নির্বাচন হলে তামিলনাড়ুতে ‘ইন্ডিয়া’ পেতে পারে ৩০-৩৪টি আসন। এ রাজ্যে এনডিএ পেতে পারে ৪-৮টি আসন। কর্নাটকে ‘ইন্ডিয়া’ পেতে পারে ৮-১০টি আসন। এ রাজ্যে এনডিএ পেতে পারে ১৮-২০টি আসন। এই সমীক্ষা থেকেই জানা গিয়েছে, মহারাষ্ট্র ও বিহারে এনডিএকে ভালই টক্কর দেবে ‘ইন্ডিয়া’। পশ্চিমবঙ্গে ভাল ফল করবে তৃণমূল, তবে কমবে জয়ের ব্যবধান।

    আরও পড়ুুন: “২০১৪ সালের পর দেশে দুর্নীতি বন্ধ হয়েছে”, মধ্যপ্রদেশে বললেন মোদি

    গত ১৮ জুলাই থেকে ১৯ অগাস্ট পর্যন্ত একটি সমীক্ষা চালিয়েছিল এবিপি নিউজ-সি ভোটার-ও। সমীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন ৭ হাজার ৬৭৯ জন। এই সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের (Lok Sabha Election) মধ্যে ৬২ শতাংশই প্রধানমন্ত্রী পদে দেখতে চেয়েছেন নরেন্দ্র মোদিকে। রাহুল গান্ধীকে প্রধানমন্ত্রী পদে দেখতে চেয়েছেন মাত্র ২০ শতাংশ মানুষ। এর পরেই রয়েছেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তাঁর পক্ষে ভোট পড়েছে ৬ শতাংশ। যোগী আদিত্যনাথকে প্রধানমন্ত্রী পদে দেখতে চেয়েছেন তিন শতাংশ মানুষ। ৯ শতাংশ মানুষ চেয়েছেন অন্যদের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে। এই অন্যদের তালিকায় রয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Manipur: বিক্ষিপ্ত অশান্তি চিত্রাঙ্গদার দেশে, মণিপুর সহ আট রাজ্যের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন মোদি

    Manipur: বিক্ষিপ্ত অশান্তি চিত্রাঙ্গদার দেশে, মণিপুর সহ আট রাজ্যের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমেই ছন্দে ফিরছে মণিপুর (Manipur)। তবে উত্তর-পূর্বের এই পাহাড়ি রাজ্যের বিভিন্ন পকেটে বিক্ষিপ্তভাবে জ্বলছে অশান্তির আগুন। গোয়েন্দা রিপোর্টে স্পষ্ট, চিত্রঙ্গদার দেশে অশান্তির নেপথ্যে রয়েছে ভারতের দুই প্রতিবেশী দেশ চিন ও পাকিস্তানের হাত। নেপালকে ভায়া করে মণিপুরে তারা নিত্য বুনছে অশান্তির বীজ।

    বৈঠকে বসছেন মোদি

    যার জেরে মাঝেমধ্যেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে ছবির মতো সাজানো এই রাজ্যটি। অশান্তির আগুনে জল ঢালতে আজ, সোমবার নয়াদিল্লিতে মণিপুর সহ উত্তর-পূর্বের আট রাজ্যের সাংসদদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। লোকসভা নির্বাচনে আরও বেশি করে আসন নিয়ে ফিরতে ৩১ জুলাই থেকে বিভিন্ন রাজ্যের এনডিএর সদস্য দলগুলির সাংসদদের নিয়ে বৈঠক করছেন প্রধানমন্ত্রী। সোমবার তিনি বৈঠকে বসবেন অসম, মিজোরাম, মণিপুর, নাগাল্যান্ড, মেঘালয়, অরুণাচল প্রদেশ, ত্রিপুরা এবং সিকিমের সাংসদদের সঙ্গে।

    বিক্ষিপ্ত অশান্তি 

    এদিকে, রবিবারই মণিপুরের (Manipur) বিজেপি সরকারের ওপর থেকে সমর্থন প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করেছে কুকি পিপলস অ্যালায়েন্স। মুখ্যমন্ত্রী বীরেন সিংহের প্রশাসনে এই দলের দুই বিধায়ক ছিলেন। রাজ্যপাল অনুসূয়া উইকেকে চিঠি লিখে সমর্থন প্রত্যাহারের কথা জানিয়ে দিয়েছে কুকি পিপলস অ্যালায়েন্স। মেইতেই ও কুকিদের সঙ্গে সংঘর্ষের জেরে গত ৩ মে থেকে অশান্ত হয়ে ছিল মণিপুর। পরে অশান্তি দমনে কোমর কষে নামে কেন্দ্র। তার পরেও অবশ্য বিরাম নেই বিক্ষিপ্ত অশান্তির। শুক্র ও শনিবার দুই সম্প্রদায়ের সংঘর্ষের জেরে নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে অন্তত ছ জনকে। এমতাবস্থায় এদিন উত্তর-পূর্বের আট রাজ্যের এনডিএর সদস্য দলগুলির সাংসদদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী। ওই সাংসদরা ছাড়াও এদিনের বৈঠকে উপস্থিত থাকার কথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল, কিরেন রিজিজু এবং নীতিন গড়করিরও।

    আরও পড়ুুন: “নিয়োগ সংক্রান্ত রিপোর্ট যেত মুখ্যমন্ত্রীর কাছে”! আদালতে বোমা ফাটালেন পার্থ

    এদিকে, মণিপুরে (Manipur) বিক্ষিপ্ত অশান্তিতে রাশ টানতে আরও ৯০০ কোম্পানি আধাসামরিক জওয়ান পাঠিয়েছে কেন্দ্র। ইতিমধ্যেই মণিপুরে ৪০ হাজারেরও বেশি সেনা ও আধাসেনা মোতায়েন করা হয়েছে। এবার ফের পাঠানো হয়েছে আরও ৯০০ কোম্পানি। অন্যদিকে, গত ৪ মে দুই তরুণীকে নগ্ন করে ঘোরানো ও গণধর্ষণের ঘটনায় নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগে সাসপেন্ড করা হয়েছে নঙ্গপোক সেকমেই থানার ইনচার্জ সহ পাঁচ পুলিশ কর্মীকে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • PM Modi: “ইন্ডিয়া নয়, বিরোধী জোটকে ডাকুন ঘমন্ডিয়া নামে”, এনডিএ সাংসদদের বৈঠকে পরামর্শ মোদির

    PM Modi: “ইন্ডিয়া নয়, বিরোধী জোটকে ডাকুন ঘমন্ডিয়া নামে”, এনডিএ সাংসদদের বৈঠকে পরামর্শ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ইন্ডিয়া নয়, বিরোধীদের জোটকে ডাকুন ঘমন্ডিয়া নামে।” সম্প্রতি এই ভাষায়ই বিরোধীদের জোটকে নিশানা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বৃহস্পতিবার এনডিএর সহযোগী দলগুলির সাংসদদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই বিরোধীদের মোকাবিলা কীভাবে করতে হবে, তার পথ বাতলে দেন তিনি। সম্প্রতি বিজেপি বিরোধী ২৬টি দলের জোটকে বিভিন্ন সময় নিশানা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। বিশেষত, কংগ্রেসকে।

    ইউপিএ নাম বদলের কারণ

    তাঁর মতে, অতীতের কেলেঙ্কারি মুছে ফেলতেই ইউপিএ নাম বদলে হোয়াইটওয়াশ করতে চাইছে কংগ্রেস। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “তারা ইউপিএ নাম বদলে ‘ইন্ডিয়া’ করেছে। তাদের এই নাম দেশপ্রেম দেখাতে নয়, দেশের সম্পদ লুঠ করতেই এটা করেছে তারা।” লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিকে মাত দিতে জোট বেঁধেছে বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দল। সম্প্রতি বেঙ্গালুরুতে বৈঠকে বসেছিল তারা। সেখানেই ইউপিএর বদলে জোটের (PM Modi) নয়া নাম হয় ‘ইন্ডিয়া’। তাদের দাবি, যেহেতু তারা ‘ইন্ডিয়া’র ভাবাদর্শের জন্য লড়াই করছে, তাই জোটের নাম দেওয়া হয়েছে ‘ইন্ডিয়া’।

    প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ

    জোটের নয়া নামকরণের পর সাংবাদিক বৈঠকে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী বলেছিলেন, “এই লড়াই এনডিএর সঙ্গে ইন্ডিয়ার, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইন্ডিয়ার, বিজেপির আদর্শের সঙ্গে ইন্ডিয়ার।” বিজেপির সহযোগী রাজনৈতিক দলগুলির সাংসদদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তাঁদের জাতভিত্তিক রাজনীতির ঊর্ধ্বে ওঠার পরামর্শ দেন। বলেন, “গোটা সমাজের নেতা হয়ে উঠুন।” এদিনের বৈঠকে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের প্রসঙ্গও টানেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “বিহারের দিকে তাকান। নীতীশ কুমারকে দেখুন। অল্প কিছু আসন নিয়ে তিনি মুখ্যমন্ত্রী হতে পারতেন না। কিন্তু বিজেপি তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী করেছিল। এটাই এনডিএর ত্যাগ ভাবনা।”

    আরও পড়ুুন: বাফার জোন টপকে এলোপাথাড়ি গুলি মণিপুরে, সংঘর্ষে মৃত ৩, পুড়ে খাক ঘরবাড়ি

    প্রসঙ্গত, বছরখানেক আগে বিজেপির সঙ্গ ছেড়ে আরজেডির হাত ধরেন নীতীশ। প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “সরকারি যেসব প্রকল্প কার্যকর হয়েছে, সেগুলিকে এনডিএ সরকারের প্রকল্প বলে প্রচার করুন। আর বলুন, একমাত্র এনডিএ-ই পারে দেশকে একটা স্থায়ী সরকার দিতে। দেশে এনডিএ সরকারের অবদান তুলে ধরতে সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পকে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ারও করুন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “বিরোধীদের প্ররোচনায় পা দেবেন না”, এনডিএর সাংসদদের সঙ্গে বৈঠকে বার্তা মোদির

    PM Modi: “বিরোধীদের প্ররোচনায় পা দেবেন না”, এনডিএর সাংসদদের সঙ্গে বৈঠকে বার্তা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বিরোধীরা হতাশাগ্রস্ত। তাঁরা আপনাদের ফাঁদে ফেলতে চাইবে। কিন্তু কোনও অবস্থায়ই বিরোধীদের প্ররোচনায় পা দেওয়া যাবে না।” বুধবার এনডিএর (NDA) সদস্য দলগুলির সাংসদদের সঙ্গে বৈঠকে বসে সাফ জানিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। লোকসভা নির্বাচনের আগে বিতর্কিত বিষয় ও মন্তব্য থেকে তাঁদের দূরে থাকার পরামর্শও দেন প্রধানমন্ত্রী।

    সাংসদদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী

    লোকসভা নির্বাচনে গতবারের চেয়েও বেশি আসন পেয়ে ক্ষমতায় ফিরতে চাইছে বিজেপি। তাই এনডিএর সদস্য ১১টি দলের সাংসদদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন তিনি। লোকসভা ও রাজ্যসভা মিলিয়ে প্রধানমন্ত্রী বৈঠক করবেন ৪৩০ জন সাংসদের সঙ্গে। প্রথম বৈঠকটি হয়েছে ৩১ জুলাই। চলবে ১০ অগাস্ট পর্যন্ত। প্রথম দিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাংলা, ওড়িশা ও ঝাড়খণ্ডের সাংসদরা। আর বুধবারের বৈঠকে (PM Modi) উপস্থিত ছিলেন অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলঙ্গনা, তামিলনাড়ু, কর্নাটক, কেরালা, পুদুচেরি, আন্দামান ও নিকোবরের সাংসদরা।

    বিদ্বেষমূলক মন্তব্যের অভিযোগ

    গত কয়েক বছরে বিজেপির কয়েকজন নেতা-মন্ত্রীর বিরুদ্ধে প্ররোচনা ও বিদ্বেষমূলক মন্তব্যের অভিযোগ উঠেছে। তার জেরে বিপাকে পড়তে হয়েছে দলকে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না ঘটে, তাই আগেভাগে সাংসদদের সতর্ক করে দিলেন মোদি। বিজেপি এবং এনডিএর সদস্য দলগুলির সাংসদদের সঙ্গে বৈঠকে বসে প্রচারের সুরও বেঁধে দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। প্রথম দিনের বৈঠকেই তিনি সাংসদদের জানিয়েছিলেন, কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা রদ কিংবা রাম জন্মভূমির মতো জাতীয় বিষয় নিয়ে প্রচার করতে হবে না। প্রচারের মূল সুর হবে জনগণের মানোন্নয়নে বিভিন্ন রাজ্যে মোদি সরকার কী কী কাজ করেছে, তার ফিরিস্তি। এর পাশাপাশি করতে হবে বিরোধীদের শানিত আক্রমণ। বিজেপি বিরোধী ২৬ দলের জোট ‘ইন্ডিয়া’র বিরুদ্ধে প্রচারের হাতিয়ার কী হবে, তাও বলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

    আরও পড়ুুন: “সংখ্যালঘুরা তৃণমূলের পাশে নেই, তাই ইমাম ভাতা বাড়াতে পারেন মমতা”, তোপ শুভেন্দুর

    প্রথম বৈঠকে তিন তালাক বাতিলের প্রসঙ্গটিকে প্রচারের হাতিয়ার করতে বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। পরের বৈঠক হয়েছে ১ অগাস্ট। এই বৈঠকে ‘ইন্ডিয়া’র মোকাবিলায় ইউপিএ সরকারের আমলের দুর্নীতিগুলিকে হাতিয়ার করার পরামর্শ দিয়েছিলেন মোদি। এর পরের বৈঠক হবে ৮ অগাস্ট। সেদিন উপস্থিত থাকবেন মহারাষ্ট্র, রাজস্থান ও গোয়ার ৭৬ জন সাংসদ। তার পরের দু দিন প্রধানমন্ত্রী বৈঠক করবেন গুজরাট, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়, দমন-দিউ এবং উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলির সাংসদদের সঙ্গে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share