Tag: news in bengali

news in bengali

  • China Nuclear Leaks: আমেরিকার কাছে পারমাণবিক তথ্য পাচার চিনা সেনাকর্তার! তদন্তের নির্দেশ জিনপিংয়ের

    China Nuclear Leaks: আমেরিকার কাছে পারমাণবিক তথ্য পাচার চিনা সেনাকর্তার! তদন্তের নির্দেশ জিনপিংয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের গভীর অস্থিরতার মুখে চিনের (China Nuclear Leaks) সামরিক নেতৃত্ব। দেশটির অন্যতম শীর্ষ সেনা আধিকারিক এবং প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের (Xi Jinping) দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী জেনারেল ঝাং ইউশিয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতি এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে স্পর্শকাতর পারমাণবিক তথ্য পাচারের অভিযোগে তদন্ত শুরু হয়েছে। পঁচাত্তর বছর বয়সি ঝাং, সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশনের (সিএমসি) প্রথম-ক্রমিক ভাইস চেয়ারম্যান। ‘দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিনি চিনের পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগত তথ্য মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর কাছে সরবরাহ করেছেন বলে অভিযোগ।

    চিনা গণমাধ্যমের দাবি

    চিনা গণমাধ্যম জানিয়েছে, শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করা হয় এবং এর আগেই চলতি সপ্তাহে সামরিক দুর্নীতিবিরোধী কর্তৃপক্ষ তাঁকে আটক করেছে বলে অনুমান। তদন্তের অংশ হিসেবে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং উত্তর-পূর্ব চিনের শেনইয়াং শহরে একটি বিশেষ টাস্ক ফোর্স পাঠিয়েছেন বলেও খবর (China Nuclear Leaks)। ঝাং অতীতে সেখানে দায়িত্ব পালন করেছিলেন এবং এখনও সেখানে তাঁর শক্তিশালী নেটওয়ার্ক রয়েছে বলে অনুমান। অভ্যন্তরীণ হস্তক্ষেপ এড়াতে ওই টাস্ক ফোর্স সামরিক কাঠামোর বদলে অসামরিক হোটেলে থেকে কাজ করছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগ, গোয়েন্দা তথ্য ফাঁসের পাশাপাশি ঝাং পিপলস লিবারেশন আর্মির (পিএলএ) ভেতরে পদোন্নতির বিনিময়ে ঘুষ নিয়েছেন এবং পরে ব্যক্তিগত লাভের জন্য গোপন পারমাণবিক তথ্য শেয়ার করেছেন।

    কমিউনিস্ট পার্টির সর্বময় নেতৃত্বকে হুমকি

    চিনা রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের অভিযোগ, ঝাং এবং পিএলএর আর এক জেনারেল লিউ ঝেনলি কমিউনিস্ট পার্টির সর্বময় নেতৃত্বকে হুমকির মুখে ফেলেছেন এবং প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের হাতে ন্যস্ত চূড়ান্ত দায়বদ্ধতার ব্যবস্থাকে দুর্বল করার চেষ্টা করেছেন (Xi Jinping)। ঝাংয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগটি বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ প্রেসিডেন্ট শির সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। পিএলএর প্রবীণ আধিকারিক এবং ‘রেড প্রিন্সলিং’ হিসেবে পরিচিত ঝাং একটি বিপ্লবী পরিবার থেকে উঠে এসেছেন, যার সঙ্গে চিনা গৃহযুদ্ধের সময় থেকেই শি জিনপিংয়ের বাবার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। দীর্ঘদিন ধরেই তাঁকে প্রেসিডেন্টের সবচেয়ে বিশ্বস্ত সামরিক সহযোগীদের একজন হিসেবে দেখা হত(China Nuclear Leaks)।

    এই তদন্ত শুরু হয়েছে এমন একটা সময়ে, যখন পিএলএর রকেট ফোর্স, যা চিনের পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডারের দায়িত্বে রয়েছে, গত এক বছরে একের পর এক শুদ্ধি অভিযানের কারণে মারাত্মক অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক এই পদক্ষেপ সামরিক বাহিনীর সর্বোচ্চ স্তরে আনুগত্য ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেতৃত্বের গভীর উদ্বেগের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বর্তমান এই কঠোর অভিযানকে ১৯৭১ সালের পরে সবচেয়ে বড় সামরিক রদবদল হিসেবে বর্ণনা করা হচ্ছে। ওই বছর তৎকালীন কমিউনিস্ট পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান লিন বিয়াওয়ের বিরুদ্ধে চেয়ারম্যান মাও সে-তুংয়ের বিরুদ্ধে অভ্যুত্থানের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়েছিল (Xi Jinping)।

     

  • Abu Dhabi: শেখ নাহিয়ানের ৩-ঘণ্টার ভারত সফরের পরই  ইসলামাবাদ বিমানবন্দরে পরিচালনার পরিকল্পনা বাতিল আবু ধাবির

    Abu Dhabi: শেখ নাহিয়ানের ৩-ঘণ্টার ভারত সফরের পরই ইসলামাবাদ বিমানবন্দরে পরিচালনার পরিকল্পনা বাতিল আবু ধাবির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংযুক্ত আরব আমিরশাহি (ইউএই)-র প্রেসিডেন্ট শেখ মহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের আকস্মিক ভারত সফর দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণে আলোড়ন ফেলেছে (Abu Dhabi)। এর পরোক্ষ নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে পাকিস্তানের ওপর (Pakistan)। শেখ নাহিয়ানের তিন ঘণ্টার সফরের অল্প সময়ের মধ্যেই আবু ধাবি ইসলামাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পরিচালনার পরিকল্পনা বাতিল করে দেয়। অথচ এই চুক্তিটি নিয়ে ২০২৫ সালের অগাস্ট মাস থেকে আলোচনা চলছিল দুই দেশের মধ্যে।

    প্রকল্পটিতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে ইউএই (Abu Dhabi)

    পাক সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ইউএই প্রকল্পটিতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলার পাশাপাশি পরিচালনার জন্য কোনও স্থানীয় অংশীদার না পাওয়ায় এই পরিকল্পনা বাতিল করা হয়েছে। যদিও পাকিস্তানের এই সংবাদমাধ্যম চুক্তি বাতিলের পেছনে কোনও রাজনৈতিক কারণের সরাসরি উল্লেখ করেনি, তবে এই ঘটনা এমন একটা সময়ে ঘটল, যখন ইউএই এবং সৌদি আরবের মধ্যে দূরত্ব বাড়ছে। একসময় উপসাগরীয় অঞ্চলের ঘনিষ্ঠ মিত্র এই দুই দেশ বর্তমানে ইয়েমেনে প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠীগুলিকে সমর্থন করা নিয়ে প্রকাশ্যে বিরোধে জড়িয়ে পড়েছে। ইসলামাবাদ যেখানে রিয়াধের সঙ্গে একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে এবং সৌদি আরব ও তুরস্ককে নিয়ে তথাকথিত একটি “ইসলামিক ন্যাটো” গঠনের আগ্রহ প্রকাশ করেছে, সেখানে ইউএই ভারতের সঙ্গে নতুন প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। একই সঙ্গে সৌদি আরব পাকিস্তানের সামরিক দক্ষতার ওপর নির্ভরতা বাড়াচ্ছে, আর ইউএই কৌশলগতভাবে ভারতের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার করছে।

    রেমিট্যান্সের প্রধান উৎস

    প্রায় চার দশক আগে ইউএই ছিল পাকিস্তানের অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্যিক অংশীদার এবং রেমিট্যান্সের প্রধান উৎস। বিভিন্ন খাতে কর্মরত হাজার হাজার পাকিস্তানি ইউএইতে কাজ করতেন। প্রতিরক্ষা, জ্বালানি ও বিনিয়োগ প্রকল্পেও দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা ছিল। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগ, লাইসেন্স সংক্রান্ত বিতর্ক এবং পাকিস্তানের পুরনো পরিকাঠামোর কারণে সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে (Abu Dhabi)। সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের ফলে দুর্বল প্রশাসন ও অব্যবস্থাপনার কারণে পাকিস্তানের রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলি বিপুল ক্ষতির মুখে পড়ছে। পরে সেগুলি নামমাত্র দামে বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে। গত বছর ইসলামাবাদ পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্স (পিআইএ) বেসরকারিকরণ করেছে (Pakistan)। চ্যালেঞ্জিং পরিবেশে, এমনকি আফগানিস্তানেও, বিমানবন্দর পরিচালনার অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও ইসলামাবাদ বিমানবন্দর পরিচলনা থেকে সরে দাঁড়ানোর ইউএইর সিদ্ধান্ত দেশটির ওপর অনাস্থার ছবিটাই তুলে ধরেছে। গত সপ্তাহে দিল্লি সফরের পর ইউএই নেতা ৯০০ ভারতীয় বন্দিকে মুক্তি দেওয়ার অনুমোদন দিয়েছেন, যা নয়াদিল্লির প্রতি সদিচ্ছার এক বড় বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    কৌশলগত অংশীদারিত্ব

    ইউএই নেতার সফরকালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার সম্পূর্ণ ক্ষেত্র পর্যালোচনা করেন এবং একমত হন যে ভারত-ইউএই সামগ্রিক কৌশলগত অংশীদারিত্ব কেবল পরিপক্বই নয়, বরং এখন আরও উচ্চাভিলাষী ও বহুমাত্রিক পর্যায়ে প্রবেশ করছে। বৈঠকের পর প্রকাশিত যৌথ বিবৃতিটি দীর্ঘমেয়াদি ভূ-রাজনৈতিক ও ভূ-অর্থনৈতিক সমন্বয়ের একটি রূপরেখার মতো। রাজনৈতিকভাবে সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত ছিল একটি পূর্ণাঙ্গ কৌশলগত প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্বের দিকে অগ্রসর হওয়া। সফরের সময় একটি ‘লেটার অব ইনটেন্ট’ স্বাক্ষরিত হয়, যা প্রতিরক্ষা সহযোগিতার জন্য (Pakistan) একটি কাঠামোগত চুক্তির পথ প্রশস্ত করবে (Abu Dhabi)।

  • Republic Day 2026: ২৯টি বিমানের বর্ণাঢ্য ফ্লাইপাস্ট, ১৭টি রাজ্যের মোট ৩০টি ট্যাবলো,  সাধারণতন্ত্র দিবসে ঝলমলে কর্তব্যপথ

    Republic Day 2026: ২৯টি বিমানের বর্ণাঢ্য ফ্লাইপাস্ট, ১৭টি রাজ্যের মোট ৩০টি ট্যাবলো, সাধারণতন্ত্র দিবসে ঝলমলে কর্তব্যপথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়াদিল্লির কর্তব্য পথে (Kartvya Path) জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হল ভারতের ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবস (Republic Day 2026)। এদিন সকালে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু জাতীয় পতাকা তেরঙ্গা উত্তোলন করেন। জাতীয় সঙ্গীতের তালে তালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, উপরাষ্ট্রপতি সি পি রাধাকৃষ্ণণ এবং উপস্থিত সমস্ত বিশিষ্ট ব্যক্তি জাতীয় পতাকাকে অভিবাদন জানান। এর মধ্য দিয়েই শুরু হয় ভারতের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য, ঐক্য, অগ্রগতি ও সামরিক শক্তির মহা প্রদর্শনী। চলতি বছরের প্রজাতন্ত্র দিবস অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউরোপীয় কাউন্সিলের সভাপতি আন্তোনিও কস্তা এবং ইউরোপীয় কমিশনের সভাপতি উরসুলা ভন ডের লেইন।

    সব ক্ষেত্রে শক্তিশালী ভারতের বার্তা

    কর্তব্য পথে (Kartvya Path) অনুষ্ঠিত এবারের প্রজাতন্ত্র দিবস কুচকাওয়াজের থিম ছিল “বন্দে মাতরমের ১৫০ বছর”। এর আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জাতীয় যুদ্ধ স্মৃতিসৌধে গিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন, যার মাধ্যমে দেশজুড়ে প্রজাতন্ত্র দিবস উদ্‌যাপনের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। অনুষ্ঠানে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল অনিল চৌহান এবং তিন বাহিনীর প্রধানরাও উপস্থিত ছিলেন। এ বছর একটি নতুন উদ্যোগ হিসেবে কর্তব্য রেখা বরাবর দর্শক গ্যালারিগুলির নামকরণ করা হয়েছে ভারতের বিভিন্ন নদীর নামে। বিমানচালনা, প্রতিরক্ষা ও মহাকাশ বিজ্ঞানে আগ্রহী অগণিত তরুণ-তরুণীর কাছে এই মুহূর্ত এক শক্তিশালী বার্তা—আজকের সাহস আর শুধু স্থল, জল বা আকাশেই সীমাবদ্ধ নয়, তা পৌঁছে গেছে কক্ষপথেরও অনেক দূরে।

    “আত্মনির্ভর ভারত”-এর চেতনা

    গত বছরের ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পর এই প্রথম প্রজাতন্ত্র দিবস কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হওয়ায় এবারের অনুষ্ঠানের গুরুত্ব ছিল বিশেষ। কুচকাওয়াজের অন্যতম আকর্ষণ ছিল ২৯টি বিমানের বর্ণাঢ্য ফ্লাইপাস্ট। এতে রাফায়েল, সুখোই-৩০, পি-৮আই, সি-২৯৫, মিগ-২৯, অ্যাপাচি, এলইউএইচ, এএলএইচ এবং এমআই-১৭ হেলিকপ্টার বিভিন্ন ফর্মেশনে আকাশে শক্তি প্রদর্শন করে। ভারতীয় বিমান বাহিনীর ছয়টি রাফায়েল যুদ্ধবিমান ঘণ্টায় প্রায় ৯০০ কিলোমিটার গতিতে একযোগে উড়ে দর্শকদের মুগ্ধ করে। পাশাপাশি একটি সি-১৩০ এবং দুটি সি-২৯৫ বিমানও আকাশে দেখা যায়। কুচকাওয়াজে প্রায় ২,৫০০ শিল্পী সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপস্থাপন করেন, যেখানে “বন্দে মাতরম” এবং “আত্মনির্ভর ভারত”-এর চেতনা তুলে ধরা হয়। প্রায় ১০,০০০ বিশেষ অতিথি এই কুচকাওয়াজ প্রত্যক্ষ করেন। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের মতে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, উদ্ভাবন, গবেষণা, স্টার্টআপ, স্বনির্ভর গোষ্ঠী ও সরকারি প্রকল্পে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখা ব্যক্তিদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।

    নারী শক্তির প্রদর্শন

    প্রজাতন্ত্র দিবসে (Republic Day 2026) এ বছরের কুচকাওয়াজে প্রথমবারের মতো দেশীয় হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শিত হয়, যা ভারতের প্রতিরক্ষা সক্ষমতার এক নতুন দিক তুলে ধরে। পাকিস্তান সীমান্তে মোতায়েন ব্যাক্ট্রিয়ান উটও কুচকাওয়াজে অংশ নেয়। ১৭টি রাজ্যের মোট ৩০টি ট্যাবলো কুচকাওয়াজে অংশগ্রহণ করে। ভৈরব ব্যাটালিয়ন প্রথমবারের মতো তাদের সাহসিকতার প্রদর্শন করে, আর মহিলা অগ্নিবীররা বিমান বাহিনীর মার্চিং ব্যান্ডে অংশ নিয়ে বিশেষ নজর কাড়েন। ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনীর মহিলা সদস্যদের ট্যাবলোও ছিল অন্যতম আকর্ষণ। সহকারী কমান্ড্যান্ট নিশি শর্মা, অপূর্ব গৌতম হোরে, লক্ষিতা এবং হার্দিকের নেতৃত্বে এই ট্যাবলোতে নারী শক্তির দৃঢ় উপস্থিতি তুলে ধরা হয়।

  • Republic Day 2026 : কঠিন পরিস্থিতি, জটিল সিদ্ধান্ত! প্রতিকূল পরিবেশেও স্থির, সাধারণতন্ত্র দিবসে শুভাংশুকে অশোক চক্র প্রদান রাষ্ট্রপতির

    Republic Day 2026 : কঠিন পরিস্থিতি, জটিল সিদ্ধান্ত! প্রতিকূল পরিবেশেও স্থির, সাধারণতন্ত্র দিবসে শুভাংশুকে অশোক চক্র প্রদান রাষ্ট্রপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের বাইরে প্রদর্শিত বিরল সাহসিকতার স্বীকৃতিস্বরূপ, ভারতীয় বায়ুসেনার গ্রুপ ক্যাপ্টেন শুভাংশু শুক্লাকে (Shubhanshu Shukla) প্রজাতন্ত্র দিবসে দেশের সর্বোচ্চ শান্তিকালীন বীরত্ব সম্মান অশোক চক্র প্রদান করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবসে (Republic Day 2026) এই সম্মান শুধু এক সৈনিকের কৃতিত্বের স্বীকৃতি নয়, বরং ভারতের মহাকাশ অভিযাত্রায় এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞ মহল। পুরস্কারের ঘোষণাপত্রে উল্লেখ করা হয়, চরম প্রতিকূল পরিবেশে অসাধারণ সাহস, মানসিক দৃঢ়তা এবং মিশনের সাফল্যের প্রতি অটল নিষ্ঠার পরিচয় দিয়েছেন শুভাংশু শুক্লা—যেখানে সামান্য ভুলও প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে।

    শুভাংশুকে কেন অশোক চক্র

    কর্তব্যপথে প্রজাতন্ত্র দিবসের (Republic Day 2026) মহামঞ্চে সোমবার নজির গড়লেন ভারতীয় বায়ুসেনার গ্রুপ ক্যাপ্টেন শুভাংশু শুক্লা (Shubhanshu Shukla)। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর হাত থেকে পেলেন দেশের সর্বোচ্চ শান্তিকালীন বীরত্ব সম্মান ‘অশোক চক্র’। সাধারণত সন্ত্রাস দমন, দুর্যোগ মোকাবিলা কিংবা জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বীরত্বের জন্য অশোক চক্র প্রদান করা হয়। মহাকাশ অভিযানের জন্য একজন কর্মরত বায়ুসেনা অফিসারকে এই সম্মান প্রদান ভারতের জাতীয় পরিষেবার ধারণার বিবর্তনকেই তুলে ধরছে, বিশেষ করে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও কৌশলগত সক্ষমতার নতুন দিগন্তে দেশ যখন এগিয়ে চলেছে।

    শুভাংশুর সাহসিকতা ও পেশাদারিত্বের প্রশংসা

    একজন দক্ষ পরীক্ষামূলক পাইলট ও ভারতের অন্যতম শীর্ষ মহাকাশচারী হিসেবে পরিচিত শুভাংশু শুক্লা (Shubhanshu Shukla) দেশের মানব মহাকাশ কর্মসূচির অগ্রভাগে রয়েছেন। মাইক্রোগ্র্যাভিটি ও সীমিত কক্ষপথের পরিবেশে কাজ করার জন্য প্রশিক্ষিত শুক্লার এই মিশনে প্রযুক্তিগত দক্ষতার পাশাপাশি প্রয়োজন হয়েছিল চরম মানসিক স্থিতি ও মুহূর্তের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা। অভিযানের সময় কক্ষপথে জটিল কার্যক্রম পরিচালনা করতে গিয়ে অপ্রত্যাশিত চ্যালেঞ্জের মুখেও তিনি অসাধারণ নেতৃত্ব ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতা প্রদর্শন করেন, যার ফলে ক্রুদের নিরাপত্তা ও মিশনের লক্ষ্য সফলভাবে পূরণ হয়। পুরস্কার প্রদানকালে রাষ্ট্রপতি শুভাংশু শুক্লার সাহসিকতা ও পেশাদারিত্বের প্রশংসা করেন এবং বলেন, ব্যক্তিগত ঝুঁকি গ্রহণে প্রস্তুত এমন মানুষদের হাত ধরেই ভারতের মহাকাশযাত্রা এগিয়ে চলেছে।

    তরুণ প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণা শুভাংশু

    ২০২৫ সালে অ্যাক্সিয়ম (Axiom 4) মিশনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে পাড়ি দিয়েছিলেন শুক্লা। উইং কমান্ডার রাকেশ শর্মার পর দ্বিতীয় ভারতীয় হিসেবে মহাকাশে পা রেখে ইতিহাস গড়েন তিনি। কঠিন পরিস্থিতি, জটিল সিদ্ধান্ত ও প্রতিকূল পরিবেশেও তাঁর নির্ভুল নেতৃত্ব, শান্ত মস্তিষ্ক ও কর্তব্যবোধ এই সম্মানের উপযুক্ত বলে বিবেচিত হয়েছে। মহাকাশে অবস্থানের সময় বহু বৈজ্ঞানিক গবেষণা সম্পন্ন করেন শুক্লা। কৃষিক্ষেত্রেও অনন্য পরীক্ষা চালিয়ে সফলভাবে মেথি ও মুগ ডালের চাষ করেন শূন্য মহাকর্ষে যা ভবিষ্যতের মহাকাশ কৃষি গবেষণার সম্ভাবনাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, তাঁর সাহসিকতা ও অবদান শুধু ভারত নয়, বিশ্ব মহাকাশ গবেষণায়ও এক নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে। তরুণ প্রজন্মের কাছে তাঁর কীর্তি অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

     

     

     

     

     

  • Unsung Heroes: সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রের ৪৫ ‘আনসাং হিরোজ’ পাচ্ছেন পদ্ম-সম্মান, চেনেন এঁদের?

    Unsung Heroes: সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রের ৪৫ ‘আনসাং হিরোজ’ পাচ্ছেন পদ্ম-সম্মান, চেনেন এঁদের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চণ্ডীগড়ের রাস্তায় সাইকেল-ভ্যানে করে আবর্জনা সংগ্রহ করা বছর অষ্টাশির অবসরপ্রাপ্ত এক আইপিএস আধিকারিক, বিশ্বের বৃহত্তম মুক্ত গ্রন্থাগার প্রতিষ্ঠাকারী এক বাস কন্ডাক্টর, ২,০০০-এরও বেশি নার্সকে প্রশিক্ষণ দেওয়া ব্যক্তি (Republic Day 2026), এশিয়ার প্রথম মানব দুগ্ধ ব্যাঙ্ক গড়ে তোলা এক শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ, এবং ছত্তিশগড়ের নকশাল-প্রভাবিত এলাকায় স্কুল প্রতিষ্ঠা করা বুড়রি ঠাটি—এই চারজন-সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পর্দার আড়ালে থাকা সমাজের ৪৫ জন নায়ককে (Unsung Heroes) প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে ‘আনসাং হিরোজ’ বিভাগে পদ্মশ্রী (Padma Awards) পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে।

    পরিচ্ছন্নতা অভিযান 

    অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস আধিকারিক ইন্দরজিৎ সিং সিধু (Unsung Heroes) চণ্ডীগড়ে দীর্ঘদিন ধরে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালাচ্ছেন। তিনি সাইকেল-ভ্যানে করে শহরের রাস্তাঘাট থেকে নিজে হাতে আবর্জনা সংগ্রহ করেন। কর্নাটকের অঙ্কে গৌড়া পেশায় ছিলেন বাস কন্ডাক্টর। তবে বইয়ের প্রতি তাঁর ভালোবাসাই ‘পুস্তকমানে’র ভিত্তি তৈরি করে। বর্তমানে এটি ভারতের অন্যতম বৃহৎ বিনামূল্যে উন্মুক্ত গ্রন্থাগার, যেখানে ২০টিরও বেশি ভাষায় ২০ লাখেরও বেশি বই রয়েছে। এই গ্রন্থাগারে দুর্লভ পাণ্ডুলিপি, সাময়িকী ও অভিধানও সংরক্ষিত রয়েছে। এই অবদানের জন্য তাঁকেও পদ্মশ্রী দেওয়া হচ্ছে। এই তালিকায় রয়েছেন বুড়রি ঠাটি (Unsung Heroes), যিনি ছত্তিশগড়ের নকশাল-প্রভাবিত দুর্গম এলাকায় স্কুল প্রতিষ্ঠা করেছেন। রাস্তা ও বিদ্যুতের অভাব এবং লাগাতার হুমকির মধ্যেও ‘বড়ি দিদি’ নামে পরিচিত ঠাটি একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে নারী ও শিশুদের জীবন বদলে দিয়েছেন (Republic Day 2026)।

    কারা পাচ্ছেন পদ্ম পুরস্কার

    মুম্বইয়ের বিশিষ্ট নবজাতক বিশেষজ্ঞ ডা. আরমিদা ফার্নান্দেজকেও পদ্মশ্রী সম্মানে (Padma Awards) ভূষিত করা হচ্ছে। এশিয়ার প্রথম মানব দুগ্ধ ব্যাঙ্ক স্থাপনকারী এই শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ভারতের দরিদ্র শহুরে এলাকায় মা ও শিশুর স্বাস্থ্যের উন্নতিতে আজীবন কাজ করেছেন (Unsung Heroes) । তিনি ২,০০০-এরও বেশি নার্স ও চিকিৎসককে প্রশিক্ষণ দিয়েছেন। ফার্নান্দেজ লোকমান্য তিলক মিউনিসিপ্যাল জেনারেল (এলটিএমজি) হাসপাতাল, সায়ন-এর নিওনাটোলজি বিভাগের প্রাক্তন অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান এবং অবসরপ্রাপ্ত ডিন (Padma)। এক সরকারি আধিকারিক বলেন, “এই প্রত্যেক পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তিই অত্যন্ত সাধারণ পটভূমি থেকে উঠে আসা অনুপ্রেরণামূলক গল্পের নায়ক। ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডি ও কঠিন পরিস্থিতি অতিক্রম করে তাঁরা শুধু নিজেদের কর্মক্ষেত্রেই কৃতিত্ব অর্জন করেননি, সমাজের বৃহত্তর স্বার্থেও কাজ করেছেন।”

    রোগনির্ণয়ের জন্য সাশ্রয়ী ‘কে-৩৯’ র‍্যাপিড টেস্ট উদ্ভাবন

    উত্তরপ্রদেশের শ্যাম সুন্দরকে (Unsung Heroes) চিকিৎসাবিজ্ঞানে যুগান্তকারী অবদানের জন্য পদ্মশ্রী দেওয়া হচ্ছে। কালাজ্বর বিষয়ে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন এই বিশেষজ্ঞ দ্রুত রোগনির্ণয়ের জন্য সাশ্রয়ী ‘কে-৩৯’ র‍্যাপিড টেস্ট উদ্ভাবন করেন এবং মিল্টেফোসিনের মুখে খাওয়ার চিকিৎসা পদ্ধতির পথপ্রদর্শক। এর ফলে ভারতে এই প্রাণঘাতী রোগের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বড় সাফল্য এসেছে (Republic Day 2026)।এই তালিকায় রয়েছেন, তামিলনাড়ুর ডা. পুনিয়ামূর্তি নাটেসান, যিনি বৈজ্ঞানিক এথনো-ভেটেরিনারি মেডিসিনে পথিকৃৎ,  লাদাখের ডা. পদ্মা গুরমেত, প্রাচীন হিমালয়ান চিকিৎসা পদ্ধতি সোয়া-রিগপায় অসামান্য কাজের জন্য, এবং জম্মু ও কাশ্মীরের ব্রিজ লাল ভাট, তাঁর বহুমুখী সমাজসেবার জন্য। মহারাষ্ট্রের ভিখল্যা লাডাকিয়া ধিন্দাকে বিরল তারপা বাদ্যযন্ত্রের ঐতিহ্য সংরক্ষণের জন্য পদ্মশ্রী দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি মধ্যপ্রদেশের ভগবানদাস রাইকোয়ারকে বুন্দেলখণ্ডের ঐতিহ্যবাহী বুন্দেলি ওয়ার আর্ট সংরক্ষণে আজীবন অবদানের জন্য এই সম্মানে ভূষিত করা হচ্ছে (Padma Awards)।

    পদ্ম সম্মান প্রাপকদের তালিকা

    এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, এবার কারা পাচ্ছেন ‘আনসাং হিরোজ’ (Unsung Heroes) বিভাগে পদ্ম সম্মান। সমাজকর্মে পুরস্কার পাচ্ছেন ব্রিজলাল ভাট, হ্যালি ওয়ার, ইন্দরজিৎ সিং সিধু, তেচি গুবিন, এস জি সুসিলাম্মা, নিলেশ মাণ্ডেলওয়ালা, শিল্পকলায় পাচ্ছেন, ধর্মিকলাল, কে পাজানিভেল, চিরঞ্জি লাল যাদব, ইউম্নাম যাত্রা সিং, বিশ্ববন্ধু, থিরুভারুর ভক্তবৎসলম, টাগা রাম ভীল, সিমাঞ্চল পাত্র, রাজস্তাপাথি কালিয়াপ্পা গাউন্ডার, রঘুবীর খেদকর, আর কৃষ্ণন, পোখিলা লেখথেপি, ওথুভার থিরুথানি স্বামিনাথন, নুরউদ্দিন আহমেদ, মির হাজিভাই কাসম্ভাই, খেম রাজ সুন্দরিয়াল। চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যক্ষেত্রে পাচ্ছেন ডা. শ্যাম সুন্দর, ডা. পুন্নিয়ামূর্তি নাটেসান (তামিলনাড়ু), আর্মিদা ফার্নান্দেজ (মহারাষ্ট্র), ডা. কুমারস্বামী থানগরাজ (তেলঙ্গানা), ডা. পদ্মা গুরমেট (জম্মু ও কাশ্মীর), সুরেশ হানাগাভাড়ি, রামচন্দ্র গদবোলে ও সুনীতা গদবোলে। ক্রীড়াক্ষেত্রে পাচ্ছেন ভগবান দাস রায়খওয়ার, ভিকল্যা লাডাক্যা ধিন্ডা, কৃষি ও পরিবেশ ক্ষেত্রে পাচ্ছেন শিররাং দেবাবা লাড, কোল্লাকাল দেবকী আম্মা। প্রাণিসম্পদ ক্ষেত্রে পাচ্ছেন রামা রেড্ডি। এই তালিকায় রয়েছেন পশুচিকিৎসা বিজ্ঞান, জিনতত্ত্ব, দেশীয় চিকিৎসা পদ্ধতি এবং বনসৃজন ক্ষেত্রে কাজ করা বিভিন্ন ব্যক্তিত্ব।

    পুরস্কারপ্রাপকদের কাজ তুলে ধরতে ভিডিও

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক এই পুরস্কারপ্রাপকদের কাজ তুলে ধরতে ভিডিও প্রকাশ করতে শুরু করেছে। ওই সব ভিডিওয় স্বাস্থ্য, শিক্ষা, স্যানিটেশন, স্থায়িত্ব, জীবিকা সৃষ্টির পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণে তাঁদের দীর্ঘদিনের অবদানের কথা তুলে ধরা হয়েছে।অনেক পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তি প্রান্তিক সমাজ থেকে উঠে এসেছেন (Unsung Heroes)। এঁদের মধ্যে রয়েছেন পিছিয়ে পড়া ও দলিত সম্প্রদায়, আদিবাসী জনগোষ্ঠী এবং দুর্গম ও প্রত্যন্ত এলাকার বাসিন্দারাও (Padma Awards)। পুরস্কারপ্রাপকদের কাজের ক্ষেত্র অত্যন্ত বিস্তৃত। এর মধ্যে রয়েছেন হিমোফিলিয়ার মতো স্থানীয় স্বাস্থ্যসমস্যা মোকাবিলায় কাজ করা চিকিৎসকরা, নবজাতকদের চিকিৎসকরা, যাঁরা ভারতে প্রথম মানব দুধ ব্যাঙ্ক প্রতিষ্ঠা করেন, সমাজকর্মী, যাঁরা দিব্যাঙ্গজন, নারী, শিশু, দলিত ও আদিবাসীদের নিয়ে কাজ করছেন, আদিবাসী ভাষা, দেশীয় মার্শাল আর্ট ও সীমান্ত (Republic Day 2026) রাজ্যগুলিতে জাতীয় সংহতি রক্ষায় কাজ করা কর্মীরা এবং লুপ্তপ্রায় শিল্পকলা ও বস্ত্র-ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং পরিবেশগত সম্পদ রক্ষায় নিয়োজিত ব্যক্তিরা।

     

  • India: নজরে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি! ইউরোপ থেকে আমদানি করা গাড়ির ওপর শুল্ক ব্যাপক কমানোর পথে ভারত?

    India: নজরে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি! ইউরোপ থেকে আমদানি করা গাড়ির ওপর শুল্ক ব্যাপক কমানোর পথে ভারত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) (EU) থেকে আমদানি করা গাড়ির ওপর উল্লেখযোগ্যভাবে শুল্ক কমাতে পারে ভারত (India)। প্রস্তাবিত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) অনুযায়ী, বর্তমানে সর্বোচ্চ ১১০ শতাংশ আমদানি শুল্ক কমিয়ে তা ৪০ শতাংশে নামানো হতে পারে। একাধিক সূত্রের খবর, এই চুক্তি মঙ্গলবারের মধ্যেই চূড়ান্ত হতে পারে। সূত্র অনুযায়ী, সরকার অবিলম্বে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশ থেকে সীমিত সংখ্যক গাড়ির ওপর শুল্ক কমাতে রাজি হয়েছে, তবে শর্ত হল, গাড়িগুলির আমদানি মূল্য প্রায় ১৬.৩ লাখ টাকা বা তারও বেশি হতে হবে। পর্যায়ক্রমে এই গাড়িগুলির ওপর শুল্ক আরও কমিয়ে ১০ শতাংশে নামিয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

    সবচেয়ে বড় উদারীকরণ (India)

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের নীতির ফলে সৃষ্ট অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত বৈশ্বিক উদ্বেগের আবহে এই সিদ্ধান্তকে ভারতের কড়া সুরক্ষিত অটোমোবাইল বাজারে এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে বড় উদারীকরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে চলা ভারত–ইইউ বাণিজ্য আলোচনার চূড়ান্ত পর্যায়ে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ছাড় হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে শুল্ক হ্রাসের ফলে ফোক্সভাগেন, মার্সিডিজ-বেঞ্জ ও বিএমডব্লিউর মতো ইউরোপীয় গাড়ি নির্মাতাদের জন্য ভারতীয় বাজারে প্রবেশ আরও সহজ হবে। উল্লেখ্য, এই সংস্থাগুলি দীর্ঘদিন ধরেই আমদানি শুল্ক কমানোর দাবি জানিয়ে আসছিল। তবে এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রক বা ইউরোপীয় কমিশনের পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করা হয়নি।

    ভারতের উদ্দেশ্য

    বর্তমানে সম্পূর্ণভাবে নির্মিত গাড়ির ওপর বিশ্বের সর্বোচ্চ আমদানি শুল্কগুলির মধ্যে পড়ে ভারতও। এর উদ্দেশ্য, দেশীয় গাড়ি নির্মাতাদের সুরক্ষা দেওয়া এবং দেশে উৎপাদনকে উৎসাহিত করা। ফলে শুল্কে বড় ধরনের কাটছাঁট হলে অটোমোবাইল শিল্প, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্ক এবং ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ প্রবাহে সুদূরপ্রসারী প্রভাব পড়তে পারে বলেই অনুমান বিশেষজ্ঞদের (India)। এই ঘটনাপ্রবাহ এমন একটা সময়ে সামনে এল, যখন ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন চার দিনের সফরে ভারতে রয়েছেন। এই সফরের উদ্দেশ্য ভারত–ইইউ সম্পর্ককে উল্লেখযোগ্যভাবে সম্প্রসারণে একাধিক বড় উদ্যোগ চূড়ান্ত করা। ভন ডার লেয়েন এবং ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও কোস্তা প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে এবং বাণিজ্য আলোচনার জন্য ভারতে এসেছেন। মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তাঁদের শীর্ষ বৈঠক হওয়ার কথা।

    ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন এই বৈঠকেই বহু প্রতীক্ষিত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির সমাপ্তি ঘোষণা করবে বলেই আশা। পাশাপাশি একটি কৌশলগত প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্ব এবং ভারতীয় পেশাদারদের চলাচল সহজ (EU) করতে একটি কাঠামোও ঘোষণা করা হতে পারে (India)।

  • Republic Day 2026: প্রজাতন্ত্র দিবসে বিস্ফোরণের ছক! নাগৌরে উদ্ধার ৯,৫৫০ কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট

    Republic Day 2026: প্রজাতন্ত্র দিবসে বিস্ফোরণের ছক! নাগৌরে উদ্ধার ৯,৫৫০ কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজস্থানের নাগৌর জেলায় বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার রাজস্থান পুলিশ জানিয়েছে, একটি অভিযানে ৯,৫৫০ কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটসহ বিপুল বিস্ফোরক সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এই ঘটনায় ৫৮ বছর বয়সি এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শনিবার গভীর রাতে নাগৌর জেলার হারসৌর গ্রামের একটি মাঠে বিশেষ অভিযান চালায় পুলিশ। অভিযানে ১৮৭টি বস্তায় রাখা মোট ৯,৫৫০ কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক সরঞ্জামও পাওয়া যায়।

    নাগৌরে বিপুল বিস্ফোরক উদ্ধার

    নাগৌরের পুলিশ সুপার মৃদুল কচ্ছাওয়া জানান, দীর্ঘদিন ধরেই জেলায় বিস্ফোরক কেনাবেচা ও মজুতের বিষয়ে গোয়েন্দা তথ্য পাওয়া যাচ্ছিল। সেই সূত্র ধরেই এই বড়সড় অভিযান চালানো হয়। তিনি বলেন, “এই অভিযানে সুলেমান খান নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিস্ফোরক আইন ও সংগঠিত অপরাধ সংক্রান্ত ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। রাজ্যে বিস্ফোরক আইনের আওতায় এটি সম্ভবত সবচেয়ে বড় অভিযান।” পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর মধ্যে ছিল ডিটোনেটরের ৯টি কার্টন, নীল ফিউজ তারের ১৫টি বান্ডিল এবং লাল ফিউজ তারের ৯টি বান্ডিল। অভিযুক্ত সুলেমান খান হারসৌর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি নিজের ফার্মহাউসে এই বিস্ফোরক মজুত করে রেখেছিলেন। তার বিরুদ্ধে এর আগেও বিস্ফোরক আইনে তিনটি মামলা রয়েছে, যার মধ্যে একটিতে তিনি খালাস পেয়েছিলেন।

    বেআইনি খননের যোগসূত্র

    পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জেরায় উঠে এসেছে যে অভিযুক্ত ব্যক্তি বৈধ ও অবৈধ—উভয় ধরনের খননকারীদের কাছে বিস্ফোরক সরবরাহ করতেন। তার বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা এবং বিস্ফোরক আইন, ১৮৮৪-র সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়াও আরও বিস্ফোরক সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে নীল ফিউজ তারের ১২টি কার্টন ও ১৫টি বান্ডিল এবং লাল ফিউজ তারের ১২টি কার্টন ও ৫টি বান্ডিল। পুলিশ জানিয়েছে, অতীতে একাধিক বড় বিস্ফোরণের ঘটনায় অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ব্যবহৃত হয়েছে, যার মধ্যে ২০২৫ সালের নভেম্বরে দিল্লির লাল কেল্লার কাছে ঘটে যাওয়া বিস্ফোরণের ঘটনাও রয়েছে। পুলিশ সুপার জানান, এই ঘটনার বিষয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলিকে অবহিত করা হয়েছে এবং তারা শীঘ্রই অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে। উল্লেখ্য, গত ২ ডিসেম্বর নাথদ্বারার শ্রীনাথজি এলাকায় একটি পিকআপ ভ্যান থেকে বিপুল পরিমাণ অবৈধ বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়। যা প্রায় ১০ কিলোমিটার ব্যাসার্ধে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটাতে সক্ষম ছিল।

  • Republic Day 2026: ২৬ জানুয়ারি হয় পতাকা ‘উন্মোচন’ আর ১৫ অগাস্টের দিন ‘উত্তোলন’, পার্থক্য জানেন কি?

    Republic Day 2026: ২৬ জানুয়ারি হয় পতাকা ‘উন্মোচন’ আর ১৫ অগাস্টের দিন ‘উত্তোলন’, পার্থক্য জানেন কি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৬ জানুয়ারি এবং ১৫ অগাস্ট। এই দু’টি দিনই ভারতের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ (Flag Hoisting and Unfurling)। ২৬ জানুয়ারি পালিত হয় প্রজাতন্ত্র দিবস এবং ১৫ অগাস্ট পালিত হয় স্বাধীনতা দিবস। এই দুই দিনেই জাতীয় পতাকার প্রতি সম্মানজ্ঞাপন করা হয়। জাতীয় পতাকা ভারতবর্ষের (India) অস্মিতার প্রতীক। গর্বের প্রতীক। জাতীয়তাবোধের প্রতীক। ভারতের সার্বভৌমত্বের প্রতীক। এক কথায় ভারত রাষ্ট্রকে বিশ্বের সামনে প্রতিনিধিত্ব করে জাতীয় পতাকা। জাতীয় পতাকার সঙ্গে ভারতবাসীর এক আবেগ মিশে আছে। যে কোনও জায়গায় জাতীয় পতাকা উত্তোলিত হতে দেখলেই আমাদের মধ্যে এক অন্য অনুভূতি জেগে ওঠে। ভারতীয় হিসেবে গর্বিত ভাব স্পন্দিত হয়। জাতীয় পতাকা নিয়ে উৎসবে দেশবাসী মেতে ওঠে দুটি দিনে ১৫ অগাস্ট এবং ২৬ জানুয়ারি। একথা সকলেরই জানা। ১৯৪৭ সালের ১৫ অগাস্ট দেশ স্বাধীন (Flag Hoisting and Unfurling) হয়েছিল। আত্মপ্রকাশ করেছিল এক সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে। অন্যদিকে, ২৬ জানুয়ারি ১৯৫০ সালে কার্যকর হয় ভারতবর্ষের সংবিধান। সেদিনটি পালন করা হয় প্রজাতন্ত্র দিবস হিসেবে। এই দুইদিনে জাতীয় পতাকা নিয়ে উৎসব দেখা যায়।

    ‘উত্তোলন’ এবং ‘উন্মোচন’ (Flag Hoisting and Unfurling)

    কিন্তু এই দু’টি দিনেই জাতীয় পতাকার প্রতি সম্মান দেখানোর পদ্ধতির পার্থক্য আছে। ১৫ অগাস্ট স্বাধীনতা দিবসের দিন পতাকা নীচে থেকে ওপর পর্যন্ত তোলা হয়। একে বলা হয় উত্তোলন আর ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন পতাকা ওপরেই বাঁধা থাকে ভাঁজ করা অবস্থায়, সেখান থেকে পতাকাকে মুক্ত করা হয়। একে বলে উন্মোচন। ইংরেজি অনুযায়ী প্রথমটিকে বলা হয় ‘Hoist’, আর দ্বিতীয় পদ্ধতিটিকে ‘Unfurl’। বাংলা করে হবে ‘উত্তোলন’ এবং ‘উন্মোচন’।

    ‘উত্তোলন’ এবং ‘উন্মোচন’-এর ব্যাখা (Flag Hoisting and Unfurling)

    ১৯৪৭ সালের ১৫ অগাস্ট ভারত স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে আত্মপ্রকাশ করেছিল। জানা যায়, এই কারণে স্বাধীনতা দিবসে নীচে থেকে পতাকা উত্তোলন করা হয়। পরবর্তীকালে ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি ছিল প্রজাতন্ত্র দিবস। তত দিন ভারত স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েই গিয়েছিল। তাই জাতীয় পতাকা প্রজাতন্ত্র দিবসে ওপরেই বাঁধা থাকে। জানা যায়, ২৬ জানুয়ারি পতাকার উন্মোচন করা হয় গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ভারতের ডানা মেলার প্রতীক হিসেবে। ১৫ অগাস্ট ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রী জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন ঐতিহাসিক লালকেল্লায়। ১৫ অগাস্ট স্বাধীনতা দিবসের উৎসব ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামকে মর্যাদা দিতে এবং ঔপনিবেশিক শাসনের হাত থেকে ভারতের মুক্তিলাভের দিনকে স্মরণ করতেই পালন করা হয় (Flag Hoisting and Unfurling)। এই সময়ে পতাকা, দণ্ডের নিচ থেকে ওপর পর্যন্ত টেনে তোলা হয়।

    ১৫ অগাস্ট…

    প্রসঙ্গত, স্বাধীনতা দিবসে পতাকা উত্তোলনের পদ্ধতি ১৯৪৭ সাল থেকেই দেখা যায়, কারণ ওই বছরেই ভারত সার্বভৌমত্ব লাভ করেছিল এবং ভারত একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। স্বাধীনতা দিবসের পতাকা উত্তোলনের সঙ্গে সঙ্গে বেজে ওঠে জাতীয় সঙ্গীত ‘জনগণ মন অধিনায়ক জয় হে…’। এই সময়ে জাতীয় পতাকার মধ্যে থাকা পুষ্প ঝরতে থাকে। পতাকা সংযুক্ত করা থাকে একটি দড়ির সঙ্গে। পরবর্তীকালে ওই দড়ি টেনে পতাকাকে নিচে থেকে ওপরে তোলা হয়। পতাকা উত্তোলন হল দেশের মর্যাদার প্রতীক। পরবর্তীকালে পতাকা যখন ওপরে যায়, তখন সেটিকে উন্মোচিত করা হয় এবং তার মধ্যে থাকা পুষ্প ঝরে পড়ে।

    ২৬ জানুয়ারি…

    অন্যদিকে, প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন পতাকা (Flag Hoisting and Unfurling) কিন্তু নিচ থেকে ওপর পর্যন্ত টেনে তোলা হয় না। পতাকা ওপরেই বাঁধা থাকে। সেই পতাকাকেই উন্মোচিত করা হয়। পতাকার মধ্যে থাকা পুষ্প ঝরে পড়ে। তার কারণ হল, ভারতবর্ষ প্রজাতন্ত্র দিবসের আগেই স্বাধীনতা পেয়েছে। ২৬ জানুয়ারি ভারত আত্মপ্রকাশ করে প্রজাতন্ত্র রাষ্ট্র হিসেবে। তাই সেই প্রতীক হিসেবেই পতাকা হয়। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ১৯৫০ সালে ২৬ জানুয়ারি ভারতীয় সংবিধানকে গ্রহণ করা হয়েছিল। এই দিনে ভারতবর্ষ একটি প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। এই দিনেই ভারতের রাষ্ট্রপতি কর্তব্যপথে পতাকাকে উন্মোচিত করেন।

    ১৫ অগাস্ট ও ২৬ জানুয়ারির পার্থক্য

    এক কথায় বলতে গেলে, ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসের দিনেই তৈরি হয়েছিল দেশের গণতান্ত্রিক পরিকাঠামো এবং সংবিধান। তাই পতাকা উন্মোচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে ভারতের যে আত্মপ্রকাশ, সেটাকেই প্রচার করা হয়। রাষ্ট্রপতি জাতীয় পতাকাকে উন্মোচিত করেন। এর মাধ্যমেই ডানা মেলে ভারতের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, ভারতের অগ্রগতি, ভারতের গণতন্ত্র এবং দেশের সেনাবাহিনী সাফল্য।

    ২৬ জানুয়ারি পতাকা একেবারে ওপরেই বাঁধা থাকে। এই পতাকাকে পরবর্তীকালে উন্মোচিত করেন। রাষ্ট্রপতি যখনই দড়িতে টান দেন পতাকা উন্মোচিত হয়। তার মধ্যে থাকা পুষ্প ঝরে পড়ে। সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় সংগীত বেজে ওঠে। এর পরেই সম্পন্ন হয় প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠান।

    পার্থক্যগুলি যদি আমরা এবার ভালোমতো দেখি তাহলে দেখব—

    • ● স্বাধীনতা দিবসে পতাকা উত্তোলন করা হয় ১৫ অগাস্ট
    • ● প্রজাতন্ত্র দিবসে পতাকা উন্মোচন করা হয় ২৬ জানুয়ারি
    • ● নিচে থেকে ওপর পর্যন্ত পতাকা টেনে তোলা হয় ১৫ অগাস্ট। অন্যদিকে, ২৬ জানুয়ারি পতাকাকে উন্মোচন করা হয়।
    • ● স্বাধীনতা দিবসে পতাকা উত্তোলন করা হয় ঔপনিবেশিক শাসনের হাত থেকে ভারত রাষ্ট্রের মুক্তির প্রতীক হিসেবে। ২৬ জানুয়ারি পতাকা উন্মোচন করা হয় সংবিধান গ্রহণের দিবস হিসেবে।
    • ● ১৫ অগাস্টের উৎসব পালন করা হয় দিল্লির লালকেল্লায়। ২৬ জানুয়ার জানুয়ারি উৎসব পালন করা হয়, দিল্লির কর্তব্যপথে।
    • ● ১৫ অগাস্ট পতাকা উত্তোলন করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। ২৬ জানুয়ারি পতাকা উন্মোচন করেন ভারতের রাষ্ট্রপতি।

    প্রসঙ্গত, পতাকা উত্তোলন এবং উন্মোচন। এই পার্থক্য পরিলক্ষিত হয় ভারতের স্বাধীনতা দিবস এবং প্রজাতন্ত্র দিবসে। কিন্তু দুটি উৎসবই সাক্ষী থাকে ভারতের জাতীয় অগ্রগতি এবং সার্বভৌমত্বের। আলাদাভাবেই দুই দিবসকে পালন করা হয়। স্বাধীনতা দিবসে জোর দেওয়া হয় ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনকে। প্রজাতন্ত্র দিবসে জোর দেওয়া হয় ভারতের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ওপর।

    অঙ্গরাজ্যগুলি ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতেও অনুষ্ঠিত হয় এই দুটি দিন

    প্রসঙ্গত, নয়াদিল্লিতে কেন্দ্রীয়ভাবে অনুষ্ঠান হয়। একইসঙ্গে ভারতবর্ষের অঙ্গরাজ্যগুলি ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতেও এই কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে প্রজাতন্ত্র দিবসে পতাকা উন্মোচন করা হয়। স্বাধীনতা দিবসে পতাকা উত্তোলন করা হয়। কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এই কাজ করেন রাজ্যপাল। অন্যদিকে, রাজ্যের ক্ষেত্রে এই কাজ করেন সংশ্লিষ্ট রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী।

    কেন্দ্রের নির্দেশিকা

    এর বাইরে দেশের নাগরিকরাও এই দুই দিনেই জাতীয় পতাকা নিয়ে উৎসবে মেতে ওঠেন। কেন্দ্রের তরফে এক নির্দেশিকা সামনে আসে প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে। সেখানে বলা হয়, প্রজাতন্ত্র দিবসে জাতীয়, সাংস্কৃতিক, খেলার বিভিন্ন ইভেন্টে কেউ যাতে কাগজের তৈরি পতাকাগুলি যত্রতত্র ফেলে না দেয় সেই বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে সরকারকে। জাতীয় পতাকাকে কী ভাবে সম্মানের সঙ্গে রাখতে হবে, তার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মন্ত্রকের তরফে। নির্দেশ বলা হয়েছে, ইভেন্ট মেটার পর জাতীয় পতাকাকে যাতে সম্মানের সঙ্গে সরিয়ে ফেলা হয় সেই বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়াও জনগণের মধ্যে এনিয়ে সচেতনতার প্রচার চালাতে হবে। প্রয়োজনে বৈদ্যুতিন ও মুদ্রণ মাধ্যমেও এনিয়ে জনগণকে সচেতন করতে হবে।

  • Republic Day 2026: আজ ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবস পালন করছে দেশ, জানেন এই দিনটির তাৎপর্য?

    Republic Day 2026: আজ ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবস পালন করছে দেশ, জানেন এই দিনটির তাৎপর্য?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৬ জানুয়ারি (Republic Day 2026) মানেই রাজধানীর রাজপথে কুচকাওয়াজ, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা। দিল্লির পাশাপাশি কলকাতার রেড রোডেও সেই আড়ম্বর চোখে পড়ে। প্রজাতন্ত্র দিবসের আগের দিন সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন দেশের রাষ্ট্রপতি। ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি ভারতীয় সংবিধান গৃহীত হওয়ার দিনটিকে স্মরণ করে প্রতি বছর প্রজাতন্ত্র দিবস পালিত হয়। আজ, ভারত প্রজাতন্ত্র দিবস (77th Republic Day) উদযাপন করছে।

    প্রজাতন্ত্র দিবস কী?

    প্রজাতন্ত্র দিবস (Republic Day 2026) হল সেই দিন, যেদিন ভারত নিজের সংবিধান অনুসারে পরিচালিত হতে শুরু করে। এটি ভারতের সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র এবং নাগরিকদের সমান অধিকারের প্রতীক। এদিন দেশের রাষ্ট্রপতি শপথ নেন সংবিধান রক্ষা করার, এবং দেশের সকল নাগরিকরা নিজেদের গণতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধা জানায়। উৎসবের মূল আকর্ষণ অবশ্যই নয়াদিল্লির কর্তব্য পথে দর্শনীয় কুচকাওয়াজ। রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে ইন্ডিয়া গেট পর্যন্ত বিস্তৃত এই কুচকাওয়াজে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী এবং আধাসামরিক বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেবেন। এতে বিভিন্ন রাজ্যের ট্যাবলোও অন্তর্ভুক্ত থাকবে, যা দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে তুলে ধরবে।

    প্রথম প্রজাতন্ত্র দিবস

    প্রথম প্রজাতন্ত্র দিবস পালিত হয় ২৬ জানুয়ারি, ১৯৫০ সালে। এ বছর সংবিধান গৃহীত হওয়ার ৭৭ বছর পূর্ণ হচ্ছে, যা ভারতবর্ষের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। অর্থাৎ ২০২৬ সালের ২৬ জানুয়ারি ভারত ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবস (77th Republic Day) উদযাপন করবে। অনেকেই ১৯৪৯ সাল থেকে গণনা শুরু করেন এবং ভাবেন যে সংবিধান সেই দিনেই কার্যকর হয়েছিল, কিন্তু বাস্তবে তা নয়। ১৯৫০ সালে দেশে সংবিধান কার্যকর করা হয় এবং সে বছরের ২৬ জানুয়ারি প্রথম প্রজাতন্ত্র দিবস পালিত হয়। ফলে, এ বছর ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবস (Republic Day 2026) পালিত হচ্ছে। অর্থাৎ, ২০২৬ সালে ভারত প্রজাতন্ত্রে রূপান্তরিত হওয়ার ৭৭তম বার্ষিকী উদযাপন করছে।

    প্রজাতন্ত্র দিবসের গুরুত্ব

    ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট বিদায় নেয় ব্রিটিশরা। ২০০ বছরের কালিমা মুছে স্বাধীনতার সূর্যোদয় হয় ভারতের আকাশে। দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হন জওহরলাল নেহরু। যদিও তখনও ভারতের সংবিধান কার্যকর হয়নি। ১৯৪৭-এর ২৯ অগাস্ট একটি খসড়া কমিটি তৈরি করে প্রথম সরকার। উদ্দেশ্য সংবিধান রচনা ও কার্যকর। সেই কমিটির নেতৃত্বে ছিলেন বাবাসাহেব বিআর আম্বেদকর। ১৯৪৭ সালের ৪ নভেম্বর ওই কমিটি সংবিধানের একটি আনুষ্ঠানিক খসড়া পেশ করে গণপরিষদে। এর তিন বছর পর ১৯৫০ সালের ২৪ জানুয়ারি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয় প্রস্তাবিত সংবিধান। যা আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয় ২৬ জানুয়ারি।

    সংবিধানের শাসন কার্যকর

    স্বাধীনতা দিবসের সমান গুরুত্বপূর্ণ এই দিন। সেই কারণেই বিশ্বের সপ্তম বৃহত্তম রাষ্ট্রের পোশাকি নাম ‘ভারতীয় সাধারণতন্ত্র’ (Republic Day 2026)। যে প্রজাতন্ত্রের গণতান্ত্রিক, সমতাবাদী এবং ন্যায়পরায়ণ সমাজের কাঠামো হল সংবিধান। প্রজাতন্ত্র দিবস স্মরণ করে স্বাধীন ভারতের চেতনাকে। ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি (77th Republic Day) থেকেই সদ্য স্বাধীন দেশটির রাষ্ট্র পরিচয় প্রতিষ্ঠিত হয়। সংবিধানের শাসন কার্যকর হয় আসমুদ্রহিমাচলে। ২৬ জানুয়ারি সকালে বর্ণাঢ্য সামরিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পর জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন ভারতের রাষ্ট্রপতি। এদিন দেশের বাছাই করা নাগরিকদের পদ্ম পুরস্কারে ভূষিত করেন তিনি। এছাড়াও সেনাকর্মীদের পরমবীর চক্র, অশোক চক্র ও বীর চক্রে ভূষিত করেন রাষ্ট্রপতি।

    প্রজাতন্ত্র দিবসের থিম

    এবছর প্রজাতন্ত্র দিবসের (Republic Day 2026) থিম হল “স্বাধীনতার মন্ত্র: বন্দে মাতরম” এবং “সমৃদ্ধির মন্ত্র: আত্মনির্ভর ভারত”। এই বিস্তৃত থিমের অধীনে ট্যাবলোগুলোতে জাতীয় সঙ্গীত বন্দে মাতরমের ১৫০ বছর এবং বিভিন্ন খাতে ক্রমবর্ধমান আত্মনির্ভরশীলতার ওপর ভিত্তি করে জাতির দ্রুত অগ্রগতির এক অনন্য মিশ্রণ তুলে ধরা হবে, যা ভারতের সমৃদ্ধ ও প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যে সিক্ত। ২০২৬ সালের ২৬শে জানুয়ারি ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে নতুন দিল্লির কর্তব্য পথে রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ১৭টি এবং বিভিন্ন মন্ত্রক/বিভাগ/সার্ভিসের ১৩টি-সহ মোট ৩০টি ট্যাবলো প্রদর্শিত হবে।

  • Ramakrishna 564: “তুমি ভক্তিনদীতে ডুবে যাবে কি করে? ডুবে গেলে, চিকের ভিতর যারা আছে তাদের কি হবে”

    Ramakrishna 564: “তুমি ভক্তিনদীতে ডুবে যাবে কি করে? ডুবে গেলে, চিকের ভিতর যারা আছে তাদের কি হবে”

    ৫১ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে

    দশম পরিচ্ছেদ

           ১৮৮৫, ১লা সেপ্টেম্বর

                                                            জন্মাষ্টমীদিবসে নরেন্দ্র, রাম, গিরিশ প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে

    গিরিশ ঘোষ—গুরুই ইষ্ট—দ্বিবিধ ভক্ত 

    পূর্বকথা—কেশব সেনকে উপদেশ ‘এগিয়ে পড়ো’ 

    “যত এগোবে, দেখবে, চন্দন কাঠের পরও আছে,—রূপার খনি,—সোনার খনি,—হীরে মাণিক! তাই এগিয়ে পড়।

    “আর ‘এগিয়ে পড়’ এ-কথাই বা বলি কেমন করে!—সংসারী লোকদের বেশি এগোতে গেলে সংসার-টংসার ফক্কা হয়ে যায়! কেশব সেন উপাসনা কচ্ছিল, — বলে, ‘হে ঈশ্বর, তোমার ভক্তিনদীতে (Ramakrishna) যেন ডুবে যাই।’ সব হয়ে গেলে আমি কেশবকে বললাম, ওগো, তুমি ভক্তিনদীতে ডুবে যাবে কি করে? ডুবে গেলে, চিকের ভিতর যারা আছে তাদের কি হবে। তবে এককর্ম করো — মাঝে মাঝে ডুব দিও, আর এক-একবার আড়ায় উঠো।” (সকলের হাস্য)

    বৈষ্ণবের ‘কলকলানি’—‘ধারণা করো’! সত্যকথা তপস্যা

    কাটোয়ার বৈষ্ণব তর্ক করিতেছিলেন। ঠাকুর তাঁহাকে বলিতেছেন (Kathamrita), “তুমি কলকলানি ছাড়। ঘি কাঁচা থাকলেই কলকল করে।

    “একবার তাঁর আনন্দ পেলে বিচারবুদ্ধি পালিয়ে যায়। মধুপানের আনন্দ পেলে আর ভনভনানি থাকে না।

    “বই পড়ে কতকগুলো কথা বলতে পারলে কি হবে? পণ্ডিতেরা কত শ্লোক বলে — ‘শীর্ণা গোকুলমণ্ডলী!’ — এই সব।

    “সিদ্ধি সিদ্ধি মুখে বললে কি হবে? কুলকুচো করলেও কিছু হবে না। পেটে ঢুকুতে হবে! তবে নেশা হবে। ঈশ্বরকে নির্জনে গোপনে ব্যাকুল হয়ে না ডাকলে, এ-সব কথা ধারণা হয় না।”

    ডাক্তার রাখাল ঠাকুরকে দেখিতে আসিয়াছেন। তিনি ব্যস্ত হইয়া বলিতেছেন — “এসো গো বসো।” বৈষ্ণবের সহিত কথা চলিতে লাগিল।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— মানুষ আর মানহুঁশ। যার চৈতন্য হয়েছে, সেই মানহুঁশ। চৈতন্য না হলে বৃথা মানুষ জন্ম!

    পূর্বকথা — কামারপুকুরে ধার্মিক সত্যবাদী দ্বারা সালিসী

    “আমাদের দেশে পেটমোটা গোঁফওয়ালা অনেক লোক আছে। তবু দশ ক্রোশ দূর থেকে ভাল লোককে পালকি করে আনে কেন — ধার্মিক সত্যবাদী দেখে। তারা বিবাদ মিটাবে। শুধু যারা পণ্ডিত, তাদের আনে না।

    ঠাকুর বালকের মতো ডাক্তারকে বলিতেছেন (Kathamrita)— “বাবু আমার এটা ভাল করে দাও।”

    ডাক্তার — আমি ভাল করব?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (সহাস্যে) — ডাক্তার নারায়ণ। আমি সব মানি।

    Reconciliation of Free Will and God’s Will — of Liberty and Necessity — ঈশ্বরই মাহুত নারায়ণ 

    “যদি বলো সব নারায়ণ, তবে চুপ করে থাকলেই হয়, তা আমি মাহুত নারায়ণও মানি।

    “শুদ্ধমন আর শুদ্ধ-আত্মা একই! শুদ্ধমনে যা উঠে, সে তাঁরই কথা। তিনিই ‘মাহুত নারায়ণ।’

    “তাঁর কথা শুনব না কেন? তিনিই কর্তা। ‘আমি’ যতক্ষণ রেখেছেন, তাঁর আদেশ শুনে কাজ করব।”

    ঠাকুরের গলার অসুখ এইবার ডাক্তার দেখিবেন। ঠাকুর বলিতেছেন — “মহেন্দ্র সরকার জিব টিপেছিল, যেমন গরুর জিবকে টিপে।”

    ঠাকুর আবার বালকের ন্যায় ডাক্তারের জামায় বারংবার হাত দিয়ে বলিতেছেন, “বাবু! বাবু! তুমি এইটে ভাল করে দাও!”

    Laryngoscope দেখিয়া ঠাকুর হাসিতে হাসিতে বলিতেছেন — “বুঝেছি, এতে ছায়া পড়বে।”

    নরেন্দ্র গান (Ramakrishna) গাইলেন। ঠাকুরের অসুখ বলিয়া বেশি গান হইল না।

LinkedIn
Share