Tag: news in bengali

news in bengali

  • Red Fort Blast: দিল্লি বিস্ফোরণ তদন্তে বড় সাফল্য! জালে আই-২০ গাড়ির বর্তমান মালিক উমর-ঘনিষ্ঠ রশিদ

    Red Fort Blast: দিল্লি বিস্ফোরণ তদন্তে বড় সাফল্য! জালে আই-২০ গাড়ির বর্তমান মালিক উমর-ঘনিষ্ঠ রশিদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লালকেল্লার কাছে বিস্ফোরণের (Red Fort Blast) ঘটনায় জোড়া সাফল্য। একদিকে, তদন্তাকারীদের জালে বিস্ফোরণে ব্যবহৃত গাড়ির বর্তমান মালিক তথা উমর ঘনিষ্ঠ আমির রশিদ আলি। অন্যদিকে, আর এক মহিলা চিকিৎসককে আটক করল জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ।

    পুলিশের জালে আই২০ গাড়ির বর্তমান মালিক

    দিল্লিতে লালকেল্লায় বিস্ফোরণের পর থেকেই তদন্তকারীদের স্ক্যানারে নাম এসেছিল উমর নবি ঘনিষ্ঠ আমির রশিদ আলির। এবার এনআইএ-র জালে ধরা পড়েছে আমির রশিদও। তদন্তকারীদের সূত্রে জানা যাচ্ছে, এই ধৃত আমির রশিদ আলির নামে দিল্লির লালকেল্লার সামনে বিস্ফোরণ হওয়া গাড়িটি রেজিস্টার্ড রয়েছে। জম্মু ও কাশ্মীরের সাম্বোরার পোম্পোরার বাসিন্দা আমির রশিদ। জানা যাচ্ছে, যে গাড়িটি দিল্লি বিস্ফোরণে ব্যবহার হয়েছে আমির দিল্লিতে এসেছিল ওই গাড়িটি কিনতে। এনআইএ-র সঙ্গে একযোগে ফরিদাবাদ বিস্ফোরক উদ্ধার কাণ্ডে তদন্ত করছে দিল্লি পুলিশ, হরিয়ানা পুলিশ, জম্মু ও কাশ্মীরের পুলিশ, উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। দিল্লি পুলিশ যে ইউএপিএ ধারায় মামলা দায়ের করেছিল, তা জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-র হাতে হস্তান্তর করা হয়েছে।

    আদিলকে জেরা করে প্রিয়ঙ্কার নাম

    অন্যদিকে, ফরিদাবাদকাণ্ডে ধৃত আদিলের সূত্র ধরে হরিয়ানার রোহতকের বাসিন্দা, কাশ্মীরের অনন্তনাগের সরকারি মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসক প্রিয়ঙ্কা শর্মাকে আটক করা হয়েছে। এই মুহূর্তে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে তাকে। কাশ্মীরের অনন্তনাগ থেকে তাকে আটক করা হয়।  আদিলকে জিজ্ঞাসাবাদ করে প্রিয়ঙ্কার নাম উঠে আসে। নাশকতাচক্রে আরও বেশ কয়েক জন যুক্ত রয়েছে, কেউ লজিস্টিক্যাল সাপোর্ট জোগায়, কেউ আবার অর্থনৈতিক, এমনটা তদন্তকারীদের জানায় আদিল। এর পর কল রেকর্ড চেক করে প্রিয়ঙ্কার নাম হাতে পান তদন্তকারীরা। অনন্তনাগে প্রিয়ঙ্কা যেখানে থাকে, সেখানে হানা দিয়ে একটি মোবাইল ফোন এবং একটি সিম কার্ড উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ফরেন্সিকদের একটি দলও পৌঁছেছে সেখানে। প্রিয়ঙ্কার ব্যাকগ্রাউন্ড খতিয়ে দেখতে হরিয়ানার রোহতকেও তদন্তকারীদের একটি দল পৌঁছচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।

    ২০০ কাশ্মীরি ডাক্তারি পড়ুয়ার উপর নজর

    কাশ্মীরের (Jammu Kashmir) পাশাপাশি, উত্তরপ্রদেশেও ইতিমধ্যে চিরুনি তল্লাশি শুরু হয়েছে। সেখানে প্রায় ২০০ কাশ্মীরি ডাক্তারি পড়ুয়ার উপর নজর রয়েছে বলে খবর। সন্ত্রাসদমন শাখার তরফে কানপুর, লখনউ, মেরঠ, সাহারনপুর-সহ বিভিন্ন শহরের কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে কাশ্মীরি পড়ুয়াদের খবর নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি আল-ফালাহ্ ইউনিভার্সিটির আরও দুই চিকিৎসহ-সহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। ওই দুই চিকিৎসকের নাম মহম্মদ ও মুস্তাকিন, তারা উমর নবীর পরিচিত। লালকেল্লা বিস্ফোরণে ব্যবহৃত আই-২০ গাড়িটি চালাচ্ছিল উমর। মহম্মদ ও মুস্তাকিনের সঙ্গে চিকিৎসক মুজাম্মিলেরও যোগাযোগ ছিল। যাকে আগেই গ্রেফতার করা হয়েছে।

    নজরে সার ও চা বিক্রেতা

    দীনেশ ওরফে ডাব্বু নামের হরিয়ানার আর এক বাসিন্দাকে আটক করেছেন তদন্তকারীরা। দীনেশ বেআইনি ভাবে সার বিক্রি করত বলে অভিযোগ। বিস্ফোরক কেনার জন্য ষড়যন্ত্রকারীদের কাছে হাওয়ালা মাধ্যমে ২৬ লক্ষ টাকা এসেছিল বলে জানা যাচ্ছে। এর মধ্যে এনপিকে সার কিনতে খরচ করা হয় ৩ লক্ষ টাকা। দীনেশ ওই সার সরবরাহ করেছিল কি না, বেআইনি কারবারের বাইরে বৃহত্তর ষড়যন্ত্রে সে যুক্ত ছিল কি না, খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ওয়াজিরপুর শিল্পতালুকে এক চা বিক্রেতাকেও জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। বিস্ফোরণ ঘটানোর আগে সেখানে নেমেছিল উমর। ১৪০টি মসজিদে গিয়েছেন তদন্তকারীরা। ৪০টি সার ও বীজের দোকানে তল্লাশি চালানো হয়। ২০০ গেস্টহাউসেও তল্লাশি চলে। উপত্যকায় ৫০০ জনের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে।

  • Mother of Satan TATP: বিস্ফোরণ ঘটাতে ‘শয়তানের মা’ টিএটিপি ব্যবহার উমরদের! কতটা শক্তিশালী এই বিস্ফোরক?

    Mother of Satan TATP: বিস্ফোরণ ঘটাতে ‘শয়তানের মা’ টিএটিপি ব্যবহার উমরদের! কতটা শক্তিশালী এই বিস্ফোরক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ১০ নভেম্বর লালকেল্লার সামনে গাড়িতে বিস্ফোরণে ১৩ জনের মৃত্যু হয়। ২০ জনের বেশি জখম হন। বিস্ফোরণের তীব্রতায় কেঁপে উঠেছিল ওই এলাকা। ঘটনার এক সপ্তাহ কেটে গিয়েছে। এখনও জোরকদমে এগোচ্ছে তদন্ত৷ আটক করা হচ্ছে ফরিদাবাদ ‘ডক্টর্স মডিউল’-এর (Doctors Module) সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত ব্যক্তিদের৷ এবার দিল্লি বিস্ফোরণে ব্যবহৃত বিস্ফোরক নিয়ে সামনে এল ভয়ঙ্কর তথ্য৷ লালকেল্লায় বিস্ফোরণ (Delhi Red Fort Blast) ঘটাতে ‘শয়তানের মা’-কে (Mother of Satan TATP) ব্যবহার করেছিল জঙ্গিরা! এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এল তদন্তে। এখনও গোটা বিষয়টি ফরেন্সিক পরীক্ষার আওতায় রয়েছে তবে, তদন্তকারীদের অনুমান, বিস্ফোরণের ঘটনায় ব্যবহৃত হয়েছিল অত্যন্ত ভয়ঙ্কর বিস্ফোরক ট্রাইঅ্যাসিটোন ট্রাইপারঅক্সাইড বা টিএটিপি (TATP), যা ‘মাদার অফ স্যাটান’ নামেও কুখ্যাত।

    কী এই ‘মাদার অফ স্যাটান’ টিএটিপি?

    ট্রাইঅ্যাসিটোন ট্রাইপারঅক্সাইড (Triacetone Triperoxide) বা টিএটিপি আদতে এটি একটি ভয়ঙ্কর রকমের স্পর্শকাতর রাসায়নিক, যা অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটের সঙ্গে বিক্রিয়ায় প্রবল বিস্ফোরণ ঘটাতে পারে৷ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিশ্বজুড়ে সন্ত্রাসবাদী হামলায় এখন জঙ্গিরা বোমা তৈরিতে এই বিস্ফোরক ব্যবহার করে। ট্রাইঅ্যাসিটোন ট্রাইপারঅক্সাইড (Mother of Satan TATP) কেবল তাপের কারণে ফেটে যেতে পারে। এর জন্য কোনও ডেটোনেটর প্রয়োজন পড়ে না। শুধুমাত্র ঝাঁকুনি কিংবা সূর্যের উত্তাপেই ঘটতে পারে বিস্ফোরণ। টিএটিপি দিয়ে শক্তিশালী আইইডি বানানো যেতে পারে। ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা এখন এই বিষয়ে নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করছেন। চলছে নানা ফরেন্সিক পরীক্ষা।

    জইশের পছন্দের বিস্ফোরক টিএটিপি?

    বিশেষজ্ঞদের ভাষায়, টিএটিপি-র (TATP) সামান্য ঘর্ষণ, চাপ, তাপমাত্রার বদল, যে কোনও কিছুতেই ট্রাইমার অস্থিতিশীল হয়ে মারাত্মক বিস্ফোরণ ঘটাতে পারে। যে কারণে, উচ্চক্ষমতাশীল এই বিস্ফোরক জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদের বিশেষ পছন্দের। ২০১৫ সালে প্যারিস, ২০১৬ সালে বার্সেলোনা ও ব্রাসেলস, এবং ২০১৭ সালে ম্যাঞ্চেস্টার বিস্ফোরণে টিএটিপি (Mother of Satan TATP) ব্যবহৃত হয়েছিল। তদন্তকারীদের একাংশের অনুমান, উমর সম্ভবত এই টিএটিপি-র বিষয়ে জানতেন না। গাড়িতে টিএটিপি ঠাসা অবস্থায় তাঁকে লালকেল্লার কাছে পৌঁছতে বলে মডিউলের মাথারা। অস্থির প্রকৃতির বিস্ফোরক হওয়ায় সামান্য ঝাঁকুনিতেই বিস্ফোরণ ঘটে। আবার আরও একটি তত্ত্বের মতে, উমর আগে থেকেই জানত এই রাসায়নিক কতটা অস্থির। তা সত্ত্বেও সে ওই গাড়ি নিয়ে ঢুকেছিল চাঁদনি চকের পাশের সেই জনবহুল এলাকায়।

    উমরের হাতে টিএটিপি এল কী করে?

    অত্যন্ত জটিল এই বিস্ফোরক (Mother of Satan TATP) কোথা থেকে হাতে পেলেন উমর, তা ভাবাচ্ছে গোয়েন্দাদের। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, টিএটিপি তৈরি করতে লাগে একাধিক উপাদান। সেগুলো উমর কোথা থেকে সংগ্রহ করল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। তাহলে কি বড় কোনও মডিউল তাকে সাহায্য করছিল? রাসায়নিক মেশানোর কাজে আরও কেউ কি যুক্ত ছিল (Delhi Red Fort Blast)? উমরের ডিজিটাল ট্রেইল, ফোন রেকর্ড, চলাচলের নথি সব খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

  • Bangladesh Crisis: জ্বলছে বাংলাদেশ, ককটেল বোমা, গাড়িতে আগুন! আজ হাসিনার রায় ঘোষণা

    Bangladesh Crisis: জ্বলছে বাংলাদেশ, ককটেল বোমা, গাড়িতে আগুন! আজ হাসিনার রায় ঘোষণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমেই উত্তপ্ত হচ্ছে বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis)। আজ, সোমবার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার (Sheikh Hasina) বিরুদ্ধে জুলাই গণহত্যা মামলায় রায় ঘোষিত হবে। রায় শোনাবে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। তার আগের রাতে দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়াচ্ছে বাংলাদেশে। রবিবার রাতে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের এক উপদেষ্টার বাড়ির কাছে ককটেল বিস্ফোরণ হয়েছে। বিস্ফোরণ হয়েছে ঢাকায় জাতীয় নাগরিক পার্টি -র কার্যালয়ের সামনেও।কে বা কারা এই ককটেল হামলা চালিয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

    বাংলাদেশ জুড়ে ‘লকডাউন’ কর্মসূচি

    রবিবার থেকে দু’দিন ব্যাপী বাংলাদেশ জুড়ে ‘লকডাউন’ কর্মসূচি ডেকেছে হাসিনার দল আওয়ামি লীগ। বর্তমানে এই দলটির রাজনৈতিক কার্যক্রম বাংলাদেশে নিষিদ্ধ। শুরু হয়েছে ধরপাকড়ও। এরই মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন জায়গায় ককটেল বোমা বিস্ফোরণ ঘটতে শুরু করেছে। দফায় দফায় অশান্তির খবর আসছে বাং। ঢাকা-সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে গাড়ি, বাস, সরকারি প্রতিষ্ঠানের সামনে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠছে বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে। এমনকি, অ্যাম্বুল্যান্সেও ককটেল হামলার খবর মিলেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে রবিবার সন্ধ্যায় দেখামাত্র গুলির নির্দেশ দিয়েছে ঢাকা পুলিশ। বলা হয়েছে, কোথাও কাউকে মানুষ, গাড়ি বা পুলিশের উপর অগ্নিসংযোগ বা ককটেল ছুড়তে দেখলেই গুলি করতে হবে। কিন্তু তার পরেও একাধিক জায়গা থেকে এই ধরনের হামলার খবর এসেছে।

    সকাল ১১টা থেকে রায়দান প্রক্রিয়া শুরু

    গত বছর ৫ অগাস্ট হাসিনা গণঅভ্যুত্থানের চাপে পড়ে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন। ইস্তফা দেন প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকেও। সেই থেকে তিনি ভারতে রয়েছেন। জুলাই মাসে বাংলাদেশের ছাত্রযুবদের আন্দোলনের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ রয়েছে হাসিনার বিরুদ্ধে। অভিযোগ, তিনি আন্দোলনকারীদের হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন। এই সংক্রান্ত মামলায় বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের তরফে আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর সর্বোচ্চ শাস্তি অর্থাৎ, মৃত্যুদণ্ডের আবেদন জানানো হয়েছে। বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদার, বিচারপতি মহম্মদ শফিউল আলম মাহমুদ এবং বিচারক মহম্মদ মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সোমবার হাসিনার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলির রায় ঘোষণা করবেন। আজ প্রথম মামলার রায়দান। সকাল ১১টা থেকে রায়দান প্রক্রিয়া শুরু হবে। গোটা বাংলাদেশ জুড়ে সরকারি ও বেসরকারি সংবাদমাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে হাসিনার বিরুদ্ধে রায়দান।

    রায়দানের বিরোধিতা বাংলাদেশ জুড়ে

    শুধু শেখ হাসিনা নন, এই মামলায় বাকি দুইজন অভিযুক্ত হলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান এবং বাংলাদেশ পুলিশের প্রাক্তন আইজি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। যদিও প্রাক্তন পুলিশকর্তা এই মামলায় রাজসাক্ষী হয়েছেন। বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান এই মামলায় প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের মৃত্যুদণ্ডের সাজার দাবি করেছিলেন। বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছিল দেশ ছাড়ার পরই। আজ আদালত কী রায় দেয়, তার দিকেই নজর। তবে তার আগে থেকেই জ্বলছে বাংলাদেশ। রবিবার, রাতভর বিক্ষোভ, হামলা চলে। এমনকী বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের বাড়ির সামনেও ককটেল বোমা ছোড়া হয়। শ্যামপুর, গাবতলী, মহাখালী সহ একাধিক জায়গায় ককটেল বোমা ছোড়া হয়েছে। তবে বিশেষ ক্ষয়ক্ষতির খবর নেই। ককটেল বোমায় আহত হয়েছেন কয়েকজন।

    গুলি চালানোর নির্দেশ ইউনূসের

    রোষ আছড়ে পড়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্ট মহম্মদ ইউনূসের তৈরি করা গ্রামীণ ব্যাঙ্কের উপরও। একাধিক গ্রামীণ ব্যাঙ্কে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। গাছ কেটে রাস্তা অবরোধও করা হয়। ছাত্রলিগও রাস্তায় নেমে মশাল মিছিল করেছে ঢাকা-বরিশালে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঢাকা, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর ও মাদারীপুরে মোতায়েন করা হয়েছে বিজিবি। পুলিশ ও সেনাও পথে নামানো হয়েছে। যদি সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর করা হয় বা সরকারি দফতরে হামলা করা হয়, তাহলে গুলি চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

     

     

     

  • Winter Season: শীতে আরাম পেতে ঘন ঘন কফি খাচ্ছেন? বাড়াতে পারে বিপদ, দাবি পুষ্টিবিদদের

    Winter Season: শীতে আরাম পেতে ঘন ঘন কফি খাচ্ছেন? বাড়াতে পারে বিপদ, দাবি পুষ্টিবিদদের

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    দরজায় কড়া নাড়ছে শীত! ভোরে কমছে তাপমাত্রার পারদ। আর এই আবহাওয়ায় অনেকেই বাড়তি আরাম পেতে সকাল-সন্ধ্যে ঘনঘন কফিতে চুমুক দিচ্ছেন। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, এতেই বাড়তে পারে বিপদ। তাঁদের পরামর্শ, ঘন ঘন কফি শরীরে একাধিক জটিলতা তৈরি করতে পারে। বরং কফিতে বদলে চুমুক দেওয়া হোক বিকল্প ঘরোয়া পানীয়তে। বিশেষত ডায়াবেটিস কিংবা হৃদরোগের সমস্যা থাকলে কফি বাড়তি বিপদ তৈরি করতে পারে।

    কেন ঘনঘন কফি বাড়তি বিপদ তৈরি করতে পারে?

    হার্ট অ্যাটাকের কারণ হয়ে উঠতে পারে!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতে সাময়িক আরামের জন্য দিনে চার-পাঁচ বার কফি খেলে হৃদরোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাঁরা জানাচ্ছেন, কফিতে থাকা ক্যাফিন হৃদস্পন্দন অনিয়মিত করতে পারে। তাই যারা উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভোগেন, তাদের বিপদ আরও বাড়ে। তাই বারবার কফি হার্ট অ্যাটাকের কারণ হয়ে উঠতে পারে।

    হজমের সমস্যা তৈরি করতে পারে!

    খালি পেটে কফি খাওয়ার অভ্যাস খুব বিপজ্জনক। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, খালি পেটে কফি খেলে পেট ও বুক জ্বালা করতে পারে। শরীরে ক্ষতিকারক অ্যাসিড তৈরি করে। এর ফলে অন্ত্র, পাকস্থলী ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

    অনিদ্রা একাধিক সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, বারবার কফি খেলে অনিদ্রার সমস্যা দেখা দিতে পারে। কফিতে থাকা ক্যাফেইন স্নায়ুকে উত্তেজিত করে রাখে। তাই কফি খেলে ঘুম পায় না।‌ এতে অনিদ্রার ঝুঁকি তৈরি হয়। যার জেরে মানসিক চাপ বাড়ে। শরীর বেশি ক্লান্ত বোধ করে।

    কফির বিকল্প কোন পানীয়তে ভরসা রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল?

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, কফির বিকল্প কিছু ঘরোয়া পানীয় শীতের আবহাওয়ায় আরামদায়ক। আবার তাতে শরীরে ক্ষতিকর প্রভাব কম হয়। তাঁদের পরামর্শ বারবার কফির পরিবর্তে খাওয়া যেতে পারে তুলসী ও পুদিনার সরবৎ। তাঁরা জানাচ্ছেন, গরম জলে সামান্য পরিমাণ মধু মিশিয়ে তুলসী পাতা এবং পুদিনা মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে। পানীয় হিসাবে এটা স্বাস্থ্যকর। আবার পুদিনা সুন্দর গন্ধ দেওয়ার পাশপাশি হজম শক্তি বাড়ায়। শীতে অনেকেই হজমের সমস্যায় ভোগেন। তাঁদের জন্য পুদিনা খুব উপকারি। তাছাড়া সর্দি-কাশি মোকাবিলায় তুলসী পাতার বিশেষ গুণ রয়েছে। তাই তুলসী পাতা নিয়মিত খেলে শীতের অন্যান্য ভোগান্তিও কমবে।

    টমেটোর স্যুপ শীতে খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ভিটামিন সমৃদ্ধ টমেটো‌ শরীরের জন্য বিশেষ উপকারি। তাই টমেটো স্যুপ খেলে শরীর ভালো থাকবে। আবার গরম স্যুপ শরীরে আরাম দেবে। পাশপাশি গরম জলে আদা, দারচিনি আর এলাচ ফুটিয়ে তারপরে লেবু মিশিয়ে খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, আদা, দারচিনি এবং এলাচ শরীরে নানান ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগের ঝুঁকি কমায়। আবার লেবুতে থাকে ভিটামিন সি এবং ক্যালসিয়াম। যা শরীরের জন্য বিশেষ উপকারি। তাই এই মিশ্রণ খেলে শরীর সুস্থ থাকবে।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Ramakrishna 511: “ঠাকুর কর্তাভজাদের সম্বন্ধে অনেক কথা বলিলেন,—রূপ, স্বরূপ, রজঃ, বীজ, পাকপ্রণালী ইত্যাদি”

    Ramakrishna 511: “ঠাকুর কর্তাভজাদের সম্বন্ধে অনেক কথা বলিলেন,—রূপ, স্বরূপ, রজঃ, বীজ, পাকপ্রণালী ইত্যাদি”

    ৪৯ শ্রীশ্রীরথযাত্রা বলরাম-মন্দিরে

    দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১৩ই জুলাই
    কামিনী-কাঞ্চনত্যাগ ও পূর্ণাদি

    তেজচন্দ্রের সংসারত্যাগের প্রস্তাব 

    ঠাকুর তেজচন্দ্রের সহিত কথা কহিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (তেজচন্দ্রের প্রতি) — তোকে এত ডেকে পাঠাই, — আসিস না কেন? আচ্ছা, ধ্যান-ট্যান করিস, তা হলেই আমি সুখী হব। আমি তোকে আপনার বলে জানি, তাই ডাকি।

    তেজচন্দ্র — আজ্ঞা, আপিস যেতে হয়, — কাজের ভিড়।

    মাস্টার (সহাস্যে) — বাড়িতে বিয়ে, দশদিন আপিসের ছুটি নিয়েছিলেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—তবে!— অবসর নাই, অবসর নাই! এই বললি সংসারত্যাগ করবি।

    নারাণ—মাস্টার মহাশয় একদিনে বলেছিলেন—wilderness of this world — সংসার অরণ্য।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (মাস্টারের প্রতি)—তুমি ওই গল্পটা বল তো, এদের উপকার হবে। শিষ্য ঔষধ খেয়ে অজ্ঞান হয়ে আছে। গুরু এসে বললেন, এর প্রাণ বাঁচতে পারে, যদি এই বড়ি কেউ খায়। এ বাঁচবে কিন্তু বড়ি যে খাবে সে মরে যাবে।

    “আর ওটাও বল—খ্যাঁচা ম্যাঁচা। সেই হঠযোগী যে মনে করেছিল যে পরিবারাদি — এরাই আমার আপনার লোক।”

    মধ্যাহ্নে ঠাকুর শ্রীশ্রীজগন্নাথদেবের প্রসাদ পাইলেন (Kathamrita)। বলরামের জগন্নাথদেবের সেবা আছে। তাই ঠাকুর বলেন, ‘বলরামের শুদ্ধ অন্ন।’ আহারান্তে কিঞ্চিৎ বিশ্রাম করিলেন।

    বৈকাল হইয়াছে। ঠাকুর ভক্তসঙ্গে (Kathamrita) সেই ঘরে বসিয়া আছেন। কর্তাভজা চন্দ্রবাবু ও রসিক ব্রাহ্মণটিও আছেন। ব্রাহ্মণটির স্বভাব একরকম ভাঁড়ের ন্যায়,—এক-একটি কথা কন আর সকলে হাসে।

    ঠাকুর কর্তাভজাদের সম্বন্ধে অনেক কথা বলিলেন,—রূপ, স্বরূপ, রজঃ, বীজ, পাকপ্রণালী ইত্যাদি।

    ঠাকুরের ভাবাবস্থা—শ্রীযুক্ত অতুল ও তেজচন্দ্রের ভ্রাতা

    ছটা বাজে। গিরিশের ভ্রাতা অতুল, ও তেজচন্দ্রের ভ্রাতা আসিয়াছেন। ঠাকুর ভাবসমাধিস্থ হইয়াছেন। কিয়ৎক্ষণ পরে ভাবে বলিতেছেন, “চৈতন্যকে ভেবে কি অচৈতন্য হয়? — ঈশ্বরকে চিন্তা করে কেউ কি বেহেড হয়?—তিনি যে বোধস্বরূপ!”

    আগন্তুকদের ভিতর কেউ কি মনে করিতেছিলেন যে, বেশি ঈশ্বরচিন্তা করিয়া ঠাকুরের মাথা খারাপ হইয়া গিয়াছে?

    এগিয়ে পড়’—কৃষ্ণধনের সামান্য রসিকতা

    ঠাকুর কৃষ্ণধন (Ramakrishna) নামক ওই রসিক ব্রাহ্মণকে বলিতেছেন — “কি সামান্য ঐহিক বিষয় নিয়ে তুমি রাতদিন ফষ্টিনাষ্টি করে সময় কাটাচ্ছ। ওইটি ঈশ্বরের দিকে মোড় ফিরিয়ে দাও। যে নুনের হিসাব করতে পারে, সে মিছরির হিসাবও করতে পারে।”

  • Hindus Under Attack: ঘরে-বাইরে অব্যাহত হিন্দু নির্যাতন, দেখুন এ সপ্তাহের ছবি

    Hindus Under Attack: ঘরে-বাইরে অব্যাহত হিন্দু নির্যাতন, দেখুন এ সপ্তাহের ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত, বাংলাদেশ এবং বিশ্বের আরও কয়েকটি দেশে এখনও চলছে হিন্দু এবং হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ (Hindus Under Attack)। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে এই নিপীড়ন ধীরে ধীরে এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে। দশকের পর দশক ধরে তামাম বিশ্ব এই আক্রমণগুলির গভীরতা ও ব্যাপ্তি উপেক্ষা করেছে (Roundup Week)। কারণ এর পেছনে রয়েছে ভয়াবহ হিন্দু-বিদ্বেষমূলক মানসিকতা। খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, ধর্মীয় উৎসবের ওপর আক্রমণ, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, বিদ্বেষমূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত সব ক্ষেত্রেই হিন্দুরা এখন তাদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ ও অভূতপূর্ব হিন্দু-বিদ্বেষের মুখোমুখি। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক, গত ৯ নভেম্বর থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত কী কী ঘটনা ঘটেছে দেশ-বিদেশে।

    ভারতের ছবি (Hindus Under Attack)

    এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক ভারতের ছবিটা। কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃতভাবে জাতীয় সঙ্গীত বন্দে মাতরমের পরিবর্তন করার অভিযোগে সোচ্চার হয়েছে বিজেপি। পদ্ম-পার্টির মুখপাত্র সিআর কেশবনের অভিযোগ, কংগ্রেস ইচ্ছাকৃতভাবে জাতীয় সঙ্গীত বন্দে মাতরমের পরিবর্তন করেছিল। তিনি দাবি করেন, ১৯৩৭ সালে জওহরলাল নেহরুর নেতৃত্বে বাদ দেওয়া হয়েছিল ওই সঙ্গীতে থাকা দেবী দুর্গার প্রশংসাসূচক স্তবকগুলি। গুজরাটের গির সোমনাথে দরগা ভাঙার সময় নারী ও শিশু-সহ একদল মুসলিম জনতা আধিকারিকদের লক্ষ্য করে পাথর ছোড়ে। ওই দরগাটি অবৈধভাবে নির্মাণ করা হয়েছিল। এই হিংসার ঘটনায় প্রায় ১০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।এদিকে, জনপ্রতিনিধি, হিন্দু সংগঠন এবং সমাজের অন্যান্য স্তরের ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে রামগুণ্ডম পুরসভা কর্তৃপক্ষ ভাঙা দাড়ি মাইসাম্মা মন্দিরগুলি পুনর্নির্মাণের কাজ শুরু করেছে। সম্প্রতি আধিকারিকরা গোদাবরিখানি শহরের বিভিন্ন সড়কে অবস্থিত ৪৬টি মাইসাম্মা মন্দির সরিয়ে দিয়েছিলেন (Hindus Under Attack)।

    বাংলাদেশের ছবি

    এবার তাকানো যাক পড়শি বাংলাদেশের দিকে। সেখানে হিন্দুদের ওপর অব্যাহত হামলা। হামলাকারীদের উদ্দেশ্যই হল, ধীরে ধীরে এই ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে দেশ থেকে নির্মূল করা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের গবেষণা অনুযায়ী, রাষ্ট্রীয়ভাবে পৃষ্ঠপোষকতাপ্রাপ্ত নির্যাতন ও নিপীড়নের কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে আর কোনও হিন্দুই অবশিষ্ট থাকবে না। তাঁর মেত, মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্মীয় অবমাননার অভিযোগ তুলে হামলা, ধর্ষণ বা জোর করে ধর্মান্তর, এবং ঘৃণাসূচক বক্তব্য এসবই হামলাকারীরা ব্যবহার করছে হিন্দুদের ভয় দেখিয়ে দেশছাড়া করার হাতিয়ার হিসেবে (Roundup Week)। দিন কয়েক আগে বরগুনার আমতলিতে গণধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন এক সংখ্যালঘু নারী। দুটি পৃথক ঘটনায় গণধর্ষণ করা হয় তাঁকে। সম্প্রতি বাড়িতে ফিরে এসেছেন তিনি। উপজেলা এক্সিকিউটিভ আধিকারিক (ইউএনও), পুলিশের ওসি এবং জেলা ও উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের নেতারা তাঁর বাড়িতে গিয়ে দেখা করে এসেছেন। তাঁরা জানিয়েছেন, পরিবারটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থাই নেওয়া হয়েছে (Hindus Under Attack)।

    কিশোরী অপহৃত

    বছর সতেরোর এক সংখ্যালঘু কিশোরীকে প্রকাশ্যে তুলে নিয়ে গিয়েছে দুষ্কৃতীরা। এই ঘটনায় বাকেরগঞ্জ উপজেলার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে তীব্র আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। ওই কিশোরীর পরিবার মামলা দায়ের করেছে। প্রশাসনের কাছেও আবেদন-নিবেদন করেছে একাধিকবার। তার পর সপ্তাহ পার হয়ে গেলেও, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মেয়েটিকে উদ্ধার করতে পারেনি। গ্রেফতার করা হয়নি কোনও অভিযুক্তকেই। পুলিশ-প্রশাসনের এই নিষ্ক্রিয়তায় ব্যাপক উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে সংখ্যালঘুদের মধ্যে। জানা গিয়েছে, অপহৃত হওয়ার দিন ওই কিশোরী তার মায়ের সঙ্গে কলেজে যাচ্ছিল। মহম্মদ সান মাঝি ও তার সহযোগীরা তাদের পথরোধ করে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তারা জোর করে ওই কিশোরীকে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে পালায়। তার মা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেও, ব্যর্থ হন (Hindus Under Attack)।

    প্রতিবাদ মিছিলের

    এদিকে, ভগবান বিষ্ণু সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য করায় সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি গাভাইয়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিলের আয়োজন করেন বিশ্বের কয়েকটি দেশে বসবাসরত ভারতীয় বংশোদ্ভূতরা। সেপ্টেম্বর মাসে মধ্যপ্রদেশের জাওরি মন্দিরে সাত ফুট উচ্চতার মূর্তি পুনঃস্থাপনের আবেদন জানিয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন এক ব্যক্তি। প্রধান বিচারপতি তাঁকে ভর্ৎসনা করেন। তিনি আবেদনকারীকে বলেন, এরকম আবেদন করার পরিবর্তে শ্রী হরিমুখে বিষ্ণুর প্রার্থনা করতে (Roundup Week)।

    প্রসঙ্গত, বেশিরভাগ ঘৃণাজনিত অপরাধের মূল কারণ হল নির্দিষ্ট কিছু ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শে নিহিত হিন্দুবিরোধী বিদ্বেষ। ইসলামি দেশগুলিতে হিন্দুবিদ্বেষ প্রকাশ্যে হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলির প্রতিষ্ঠান এবং গণপরিসরের মধ্যেও একটি সূক্ষ্ম হিন্দুবিরোধী মনোভাব বর্তমান, যা উৎসাহিত করে হিন্দুফোবিয়া ও ঘৃণাজনিত অপরাধকে। তার জেরেই ঘটতে থাকে একের পর এক হিন্দু নির্যাতনের ঘটনা (Hindus Under Attack)।

  • India Vs South Africa: ‘‘ইডেনের পিচ বিপজ্জনক ছিল না, আমরা পারিনি’’ দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হারের পর মানলেন গম্ভীর

    India Vs South Africa: ‘‘ইডেনের পিচ বিপজ্জনক ছিল না, আমরা পারিনি’’ দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হারের পর মানলেন গম্ভীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টেস্টে অপরাজিত রইল বাভুমার নেতৃত্বাধীন দক্ষিণ আফ্রিকা (India Vs South Africa)। ভারতের মাটিতে ১৫ বছর পর টেস্ট ম্যাচে জয় পেল প্রোটিয়ারা। দ্বিতীয় ইনিংসে ১২৪ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে ৯৩ রানে অলআউট হয়ে গেল ভারতীয় দল। ইডেন গার্ডেন্সে ৩০ রানে জয়ী দক্ষিণ আফ্রিকা। ম্যাচ শেষে দলের ব্যর্থতা মেনে নিলেন কোচ গৌতম গম্ভীর। জানালেন, পিচ নিয়ে কোনও ক্ষোভ নেই তাঁর। ভারতীয় দলের হেড কোচের কথায়, ‘আমরা এই পিচই চেয়েছিলাম। আমরা যে পিচ চেয়েছি সেই পিচই পেয়েছি। এখানকার কিউরেটর আমাদের অনেক সাহায্য করেছেন। আমার মনে হয় না এই উইকেটে ব্যাটিং করা কঠিন ছিল। এই উইকেট মানসিক কাঠিন্যের পরীক্ষা নেয়। যারা ভালোভাবে রক্ষণাত্মক ব্যাটিং করতে পেরেছে, তারা রান করেছে।’

    পিচ নয়, দল পারেনি মানলেন গম্ভীর

    শনিবার খেলার শেষে পুজারা বলেছিলেন, ইডেন গার্ডেন্সের এই পিচে চতুর্থ ইনিংসে ১২০ রান তাড়া করাও কঠিন হতে পারে। তাঁর কথা অক্ষরে অক্ষরে মিলিয়ে দিলেন ঋষভ পন্থেরা। দক্ষিণ আফ্রিকার দ্বিতীয় ইনিংস ১৫৩ রানে শেষ হওয়ায় ভারতের লক্ষ্য দাঁড়ায় ১২৪ রান। সেই রান তুলতেই কেঁপে গেল শুভমন গিলহীন ভারতীয় ব্যাটিং লাইন আপ। ৯৩ রানে শেষ হয়ে গেল ভারতের দ্বিতীয় ইনিংস। নিজেদের পছন্দের পিচে ৩০ রানে হেরে গেল গৌতম গম্ভীরের দল। পিচ নিয়ে তিন দিন ধরে নানা কথা হলেও গম্ভীর ম্যাচ হেরে কোনও অভিযোগ করলেন না। বরং নিজেদের ব্যর্থতা মেনে নিলেন। গম্ভীর মানতে চাননি ইডেনের ২২ গজ স্পিন সহায়ক ছিল। জোরে বোলারদের বেশি উইকেট পাওয়ার তথ্যকে ঢাল হিসাবে ব্যবহার করেছেন। রবিবার সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে গম্ভীর বলেছেন, ‘‘ইডেনের পিচ বিপজ্জনক ছিল না। খেলার উপযোগী ছিল। টেম্বা বাভুমা তো রান করল। ওয়াশিংটন সুন্দরও ভাল ব্যাট করল। অক্ষরও তো খেলল। খেলা যাবে না, এমন উইকেট তো ছিল না। জানি না কেন বার বার স্পিন সহায়ক পিচ বলা হচ্ছে! জোরে বোলারেরাই বেশি উইকেট পেয়েছে এই টেস্টে। ব্যাটারদের টেকনিক, মানসিক শক্তি এবং ধৈর্য্যের পরীক্ষা দিতে হয় এ রকম পিচে। আমরা পারিনি।’’

    ভারতের কাঁটা বাভুমা

    ভারতের (India Vs South Africa) লক্ষ্য ‘কঠিন’ করে দিলেন টেম্বা বাভুমা। দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ককে আউট করতেই পারলেন না জসপ্রীত বুমরা, মহম্মদ সিরাজ, রবীন্দ্র জাদেজারা। ৫৫ রানের অপরাজিত ইনিংস খেললেন চোট সারিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরা ব্যাটার। ম্যাচের প্রথম দিনই ইডেনের ২২ ব্যাটারদের বধ্যভূমি হিসাবে চিহ্নিত হয়ে গিয়েছিল। সেই পিচেই অপ্রতিরোধ্য দেখাল বাভুমাকে। ১৩৬ বলের ইনিংসে নিজের দলকে লড়াই করার জায়গায় পৌঁছে দিলেন বাভুমা। একমাত্র ব্যাটার হিসাবে ইডেন টেস্টে অর্ধশতরান করলেন। ৫০ রান করতেই ইডেনের দর্শকেরা দাঁড়িয়ে অভিনন্দন জানালেন তাঁকে। বাভুমার লড়াই ছাড়া রবিবার দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ভাল ব্যাট করলেন করবিন বসও (২৫)। তিনি আউট হওয়ার পর অবশ্য ভারতকে বেশি বেগ পেতে হয়নি দক্ষিণ আফ্রিকাকে অল আউট করতে। ভারতীয় বোলারদের মধ্যে সফলতম জাদেজা ৫০ রানে ৪ উইকেট নেন। ২ রানে ২ উইকেট সিরাজের। ৩০ রানে ২ উইকেট কুলদীপ যাদবের। ১টি করে উইকেট নেন অক্ষর এবং বুমরা।

    কেমন খেলল ভারত

    ওয়াশিংটন সুন্দর (৩১) ছাড়া ভারতের আর কারও মধ্যে বাভুমাসুলভ লড়াই দেখা গেল না। প্রথম ওভারেই মার্কো জানসেনের বলে আউট হয়ে যান যশস্বী জয়সওয়াল (০)। তৃতীয় ওভারে জানসেন তুলে নেন লোকেশ রাহুলের (১) উইকেট। ১ রানে ২ উইকেট হারানো দলের ইনিংস মেরামত করার চেষ্টা করেন ওয়াশিংটন এবং ধ্রুব জুরেল। উইকেটে থিতু হয়ে যাওয়ার পর সাইমন হারমারকে অযথা ছক্কা মারতে গিয়ে উইকেট ছুড়ে দিলেন জুরেল (১৩)। এর পর হারমারের বলে তাঁর হাতেই ক্যাচ দিয়ে দলকে খাদের কিনারায় পৌঁছে দেন পন্থ (২)। লাভ হয়নি জাদেজার (১৮) আগ্রাসী ব্যাটিংয়েও। ২২ গজের এক প্রান্তে দাঁড়িয়ে চেষ্টা করে গেলেন ওয়াশিংটন। তাঁকে প্রয়োজনীয় সাহায্য করতে পারলেন না কেউ। অক্ষর শেষবেলায় আগ্রাসী ব্যাটিং করে চেষ্টা করেছিলেন একটা। কিন্তু হারমারের বলে ছক্কা মারতে গিয়ে আউট হয়ে গেলেন ২৬ রান করে। বাউন্ডারির দিকে মুখ করে দৌড়ে দুরন্ত ক্যাচ নিলেন বাভুমা। তাঁর ওই ক্যাচই ১৫ বছর পর ভারতের মাটিতে দক্ষিণ আফ্রিকার টেস্ট জয় নিশ্চিত করে দেয়। স্পিন সহায়ক উইকেটে সাইমন হারমারের বল খেলতে সমস্যা পড়লেন ভারতীয়েরা। প্রথম ইনিংসের পর দ্বিতীয় ইনিংসেও ৪ উইকেট নিলেন। খরচ করলেন ২১ রান। ১৫ রানে ২ উইকেট মার্কো জানসেনের। ৩৭ রানে ২ উইকেট কেশব মহারাজের।

    লজ্জার রেকর্ড

    দেশের মাটিতে টেস্টের চতুর্থ ইনিংসে এটি ভারতের (India Vs South Africa) সর্বনিম্ন স্কোর। এর আগে ২০০৬ সালে মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে চতুর্থ ইনিংসে ১০০ রানে অল আউট হয়েছিল ভারত। সেই রেকর্ড এ দিন ভেঙে গেল। সব মিলিয়ে টেস্টে এটি ভারতের দ্বিতীয় সর্বনিম্ন রান তাড়া করতে গিয়ে হার। ১৯৯৭ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে বার্বাডোজে ১২০ রান তাড়া করতে পারেনি ভারত। দেশের মাটিতে এটিই ভারতের সর্বনিম্ন রান তাড়া করতে গিয়ে হার। গত বছর স্পিন সহায়ক উইকেটে খেলতে গিয়ে নিউ জ়িল্যান্ডের কাছে ০-৩ ব্যবধানে টেস্ট সিরিজ় হেরেছিল গম্ভীরের ভারত। এ বার হার দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে। একই ভাবে। দু’টেস্টের সিরিজ় জেতার আর সুযোগ নেই ভারতের সামনে। গুয়াহাটিতে জিতে খুব বেশি হলে ড্র করতে পারেন শুভমনেরা।

  • Bihar Cabinet: বিহারে মুখ্যমন্ত্রী পদে ফের নীতীশই, বিজেপির মন্ত্রী হতে পারেন ১৬ জন

    Bihar Cabinet: বিহারে মুখ্যমন্ত্রী পদে ফের নীতীশই, বিজেপির মন্ত্রী হতে পারেন ১৬ জন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহার বিধানসভা নির্বাচনে হইহই করে জিতে গিয়েছে বিজেপি (Bihar Cabinet) নেতৃত্বাধীন এনডিএ (NDA)। একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল বিজেপি। তাই প্রত্যাশিতভাবেই এবার বিহার মন্ত্রিসভায় আরও বেশি প্রতিনিধিত্ব থাকার সম্ভাবনা রয়েছে বিজেপির। যদিও মুখ্যমন্ত্রী থাকছেন জনতা দল ইউনাইটেড সুপ্রিমো নীতীশ কুমারই। রবিবার এমনই খবর মিলেছে বিজেপি সূত্রে। এদিন বিহার বিধানসভার ফল নিয়ে বৈঠকে বসেছিলেন এনডিএ নেতারা। বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

    মন্ত্রিসভায় বিজেপির ১৬ (Bihar Cabinet)

    এই বৈঠকেই গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিজেপি থেকে এবার বিহার মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পেতে চলেছেন ১৫-১৬ জন। আর নীতীশের দল থেকে মন্ত্রী হতে পারেন ১৪ জন। সূত্রের খবর, ছ’জন বিধায়ক পিছু একটি করে মন্ত্রিত্বের পদ দেওয়া হবে বলেও সিদ্ধান্ত হয়েছে এদিনের বৈঠকে। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হতে পারে চলতি মাসের ১৯ বা ২০ তারিখে। মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পেতে চলেছেন এনডিএর শরিক দল লোকজন শক্তি (রাম বিলাস)-ও। তারা পেয়েছে ১৯টি আসন। জিতন রাম মাঝির হিন্দুস্তানি আওয়াম মোর্চা (সেক্যুলার) পেয়েছে পাঁচটি আসন। উপেন্দ্র কুশওয়াহার রাষ্ট্রীয় লোক মোর্চা জয়ী হয়েছে চারটি কেন্দ্রে। মন্ত্রিসভায় তারা প্রত্যেকে একটি করে পদ পেতে পারে।

    বিপুল জয় এনডিএর

    বিহার বিধানসভার আসন সংখ্যা ২৪৩টি। নির্বাচন হয় দু’দফায়। ফল ঘোষণা হয় শুক্রবার। ২০২টি আসনে জয়ী হয়েছে এনডিএ। বিজেপির সাফল্যের হার প্রায় ৯৫ শতাংশ। একক বৃহত্তম দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে পদ্ম-পার্টি (Bihar Cabinet)। মহাগঠবন্ধন, যার মূল ভিত্তি হল আরজেডি, কংগ্রেস এবং তিনটি বামপন্থী দল ৩৫টির ঘর পার করেছে। ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোরের জন সুরাজ পার্টি ২৩৮টি আসনে লড়াই করেও, খালি হাতে ফিরেছে। অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলেমিন (এআইএমআইএম) পাঁচটি আসনে জিতেছে।

    বিরোধী জোটের এই লজ্জাজনক হারের পর কংগ্রেস নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। দায়ী করেছে তড়িঘড়ি (NDA) করে করা এসআইআরকে। যদিও বিজেপির দাবি, এনডিএ জমানায় বিহারবাসীকে যে সুশাসন উপহার দেওয়া হয়েছিল, তারই সুফল মিলেছে (Bihar Cabinet)।

  • Pakistan: ফের বালুচিস্তান থেকে লোপাট হয়ে যাচ্ছেন আস্ত মানুষ, প্রতিবাদ

    Pakistan: ফের বালুচিস্তান থেকে লোপাট হয়ে যাচ্ছেন আস্ত মানুষ, প্রতিবাদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের বালুচিস্তান (Balochistan) থেকে লোপাট হয়ে যাচ্ছেন আস্ত মানুষ। স্থানীয়দের অভিযোগ, পাকিস্তানের (Pakistan) নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা তাঁদের জোর করে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাচ্ছে। তার পর থেকে আর খোঁজ মিলছে না তাঁদের। ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ প্রদর্শন করছেন স্থানীয়রা। জোরালো হচ্ছে প্রিয়জনদের ফিরে পাওয়ার দাবিও।

    নিখোঁজ একই পরিবারের ২ (Pakistan)

    ‘দ্য বালুচিস্তান পোস্টে’র একটি রিপোর্টে বলা হয়েছে, পাকিস্তানি নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা কেচ জেলার বুলেদা তহসিলের মেনাজ এলাকায় এক বাড়িতে গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে দুই ভাইকে আটক করে নিয়ে গিয়েছিল। তার পর আর খোঁজ মেলেনি তাঁদের। নিখোঁজ দু’জনের একজন জহির, অন্যজন ওয়াসিম। তাঁরা স্থানীয় বাসিন্দা রহিম জানের ছেলে। স্থানীয়রা জানান, তাঁরা দু’জনেই পেশায় কৃষক, কোনও ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত নন। তাঁদের পরিবার অবিলম্বে ওই দুই ভাইয়ের মুক্তির দাবি জানিয়েছে। আর একটি ঘটনায়, পাক সেনাবাহিনী ব্রাহুই ভাষার কবি আতা অঞ্জুমকে মাস্তুংয়ে তাঁর বাসভবন থেকে তুলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ। তাঁরও খোঁজ মিলছে না। বালুচ নিখোঁজ ব্যক্তিদের সংগঠন ভয়েস ফর বালুচ মিসিং পারসন্স ঘটনাটিকে সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘন বলে আখ্যা দিয়ে সরকারের হস্তক্ষেপ দাবি করেছে (Pakistan)।

    নিখোঁজ চাঙ্গেজ ইমামও

    তুরবতেও ঘটেছে আরও একটি ঘটনা। সেখানে গত তিন দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন চাঙ্গেজ ইমাম নামের এক ব্যক্তি। তিনি তুরবত কেন্দ্রীয় কারাগারের ওয়ার্ডার। তাঁর পরিবার জানিয়েছে, ১১ নভেম্বর দুপুর ১টার দিকে তুরবতে নিজের বাড়ি থেকে কাজে যাওয়ার জন্য বের হয়েছিলেন তিনি। আর ফিরে আসেননি। তাঁর মোটরসাইকেলটিও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ঘটনার প্রতিবাদে পুরো প্রদেশে অব্যাহত প্রতিবাদ। খুজদারে ৫ নভেম্বর নাল এলাকা থেকেও অপহৃত হন একজন। হুজাইফা গফ্ফার নামের ওই ব্যক্তির স্বজনরা বেশ কয়েক ঘণ্টা ধরে নাল সিপেক রোড অবরোধ করেন। প্রতিবাদকারীরা তাঁর নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের দাবি জানান। তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দেয় বালুচ ইয়কজেহতি কমিটি।

    ইউনিয়ন কাউন্সিল কিল্লি কোচা বুলেদার ভাইস চেয়ারম্যান পাজির নাসির প্লিজাই ৮ নভেম্বর দ্বিতীয়বারের (Balochistan) মতো নিখোঁজ হন। গত ৪ ফেব্রুয়ারি আটক করা হয়েছিল তাঁকে। কয়েক মাসের আন্দোলনের পর মুক্তি দেওয়া হয়েছিল। ফের নিখোঁজ হয়েছেন তিনি। ঘটনার প্রতিবাদে অবস্থান ধর্মঘট করে হক দো তেহরিক বালুচিস্তান (Pakistan)।

  • BBC: ট্রাম্পের কাছে ক্ষমা চাইল বিবিসি, তার পরেও আদালতে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট!

    BBC: ট্রাম্পের কাছে ক্ষমা চাইল বিবিসি, তার পরেও আদালতে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) কাছে ক্ষমা চাইল বিবিসি (BBC)। এই সংবাদ সংস্থার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করার হুমকি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। তার পরেই ক্ষমা চেয়ে নেন বিবিসি কর্তৃপক্ষ। অবশ্য ভুল স্বীকার করে নিলেও, ট্রাম্পকে ক্ষতিপূরণ দিতে অস্বীকার করেছে বিবিসি। ব্রিটিশ এই সংবাদ সংস্থার দাবি, এই মানহানি মামলার কোনও ভিত্তি নেই। ট্রাম্প প্রশাসনকে লেখা একটি চিঠিতে সংস্থার তরফে চেয়ারম্যান সামির শাহ লিখেছেন, “সেই ভুল সিদ্ধান্তের জন্য বিবিসি ক্ষমাপ্রার্থী।” তাঁর দাবি, সংস্থাটি সাংবাদিকতা, ন্যায়পরায়ণতা এবং নিরপেক্ষতার ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত।

    মানহানি মামলার হুঁশিয়ারি (BBC)

    ১৩ নভেম্বর বিবিসি তাদের কারেকশন অ্যান্ড ক্ল্যারিফিকেশন বিভাগে জানিয়েছে, প্যানোরামা অনুষ্ঠানটি সমালোচনার পর ফের পরীক্ষা করা হয়েছে। কারণ এতে ট্রাম্পের বক্তব্য বিকৃতভাবে উপস্থাপিত হয়েছিল। বিবিসির তরফে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে,  “আমরা স্বীকার করি যে আমাদের সম্পাদনা অনিচ্ছাকৃতভাবে এমন ধারণা তৈরি করেছে যে আমরা বক্তৃতার একটি একটানা অংশ দেখাচ্ছি, অথচ বাস্তবে তা ছিল বক্তৃতার বিভিন্ন অংশ থেকে নেওয়া উদ্ধৃতি। এর ফলে ভুল ধারণা সৃষ্টি হয়েছে যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সরাসরি হিংসাত্মক কাজের আহ্বান জানিয়েছিলেন।” বিবিসির তরফে ক্ষমা চাওয়ার কারণ ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যে, তিনি এক মিলিয়ন ডলারের মানহানির মামলা করবেন।

    ‘ফাইট লাইক হেল’

    প্রসঙ্গত, প্যানোরামায় ট্রাম্পের ২০২১ সালের জানুয়ারি মাসের বক্তৃতার বিভিন্ন অংশ জোড়া দিয়ে এমনভাবে দেখানো হয়েছিল যেন তিনি (Donald Trump) তাঁর সমর্থকদের ‘ফাইট লাইক হেল’ এবং তাঁর সঙ্গে ক্যাপিটল ভবনের দিকে মিছিল করতে উৎসাহিত করছেন (BBC)। ওই অনুষ্ঠানে ট্রাম্পকে বলতে শোনা গিয়েছে, “আমরা ক্যাপিটল ভবনের দিকে হাঁটব…আমি তোমাদের সঙ্গে থাকব। এবং আমরা লড়ব। আমরা ভীষণভাবে লড়ব।” এর পরেই ট্রাম্পের হুমকি এবং তার পর বিবিসি কর্তৃপক্ষের তরফে ক্ষমা চাওয়া হয়। ব্রিটিশ এই সংবাদ সংস্থা এও স্বীকার করেছে যে, প্যানোরামার অনুষ্ঠানটি এমন ভুল ধারণা দিয়েছিল যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সরাসরি হিংসার আহ্বান জানিয়েছিলেন। আর কখনওই ওই অনুষ্ঠানটি প্রচার করা হবে না বলেও আশ্বাস দিয়েছে বিবিসি।

    ক্যাপিটল হিলে হামলা

    প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর হামলা হয় ওয়াশিংটনের ক্যাপিটল হিলে। অভিযোগ, সেখানে হামলা চালিয়েছিল উত্তেজিত জনতা। যদিও অভিযোগের আঙুল উঠেছিল ওই নির্বাচনে পরাজিত প্রার্থী তথা প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দিকে। বিবিসির তরফে ট্রাম্পকে নিয়ে যে তথ্যচিত্র সম্প্রচার করা হয়, তাতে ক্যাপিটল হিলে হামলার ঘটনায় ট্রাম্পকে কার্যত কাঠগড়ায় তোলা হয় বলে অভিযোগ (BBC)। নির্বাচনী প্রচারে ট্রাম্প যেসব বক্তৃতা দিয়েছিলেন (Donald Trump), সেগুলি এমনভাবে সম্পাদনা করা হয়েছিল, যাতে মনে হয় ওই হামলায় প্রত্যক্ষভাবে উসকানি দিয়েছিলেন তিনি। আর এখানেই আপত্তি হোয়াইট হাউসের। প্রেস সচিবের দাবি, এভাবে মার্কিন প্রেসিডেন্টের ভাবমূর্তি কালিমালিপ্ত করা হয়েছে।

    প্রবল বিতর্ক

    বিবিসির ওই অনুষ্ঠান সম্প্রচারিত হতেই শুরু হয় প্রবল বিতর্ক। ঘটনার দায় ঘাড়ে নিয়ে সপ্তাহের প্রথমেই ইস্তফা দেন সংস্থার ডিরেক্টর জেনারেল টিম ডেভি ও খবর সম্প্রচার বিভাগের প্রধান ডেবোনার টারনেস। পরে ওয়াশিংটনের চাপে পড়ে দফায় দফায় ক্ষমাও চেয়েছে ব্রিটিশ এই সংবাদ সংস্থা। যদিও তারা সাফ জানিয়ে দিয়েছে, মানহানির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণের শর্ত মানতে রাজি নয়।

    কী বললেন ট্রাম্প

    এর পরেই ট্রাম্প জানিয়ে দেন মামলা করার কথা (Donald Trump)। তিনি বলেন, “আমরা ১ বিলিয়ন থেকে ৫ বিলিয়ন ডলারের মামলা করব। সম্ভবত আগামী সপ্তাহের কোনও এক সময়। আমার মনে হয়, আমাকে এটা করতেই হবে। ওরা প্রতারণা করেছে, সেটা মেনে নিয়েও নিয়েছে। আমার মুখ থেকে বের হওয়া কথাগুলি বদলে দিয়েছে। ভুয়ো খবর কথাটা দারুন চালু। কিন্তু এ ক্ষেত্রে তা যথেষ্ট নয়। এটি তো ভুয়োর চেয়েও বেশি, এটি দুর্নীতি বিষয়ক। ওরা প্রায় এক ঘণ্টার ব্যবধানে বক্তৃতার দু’টি অংশ এক সঙ্গে কেটে নিয়েছিল। একটায় আমাকে খারাপ লোক বানিয়ে দিচ্ছিল, আর অন্যটা ছিল অত্যন্ত শান্ত একটি বক্তব্য।” ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “আপনি ভাবতে পারেন, বিবিসি ভুয়ো খবর প্রচার করে! এই ঘটনায় ব্রিটেনের মানুষও খুব রেগে গিয়েছে।” তিনি বলেন, “এই কেলেঙ্কারিতে স্যার কিয়ার স্টারমার খুবই লজ্জিত। এ নিয়ে আমি কথা বলব তাঁর সঙ্গে (BBC)।” ট্রাম্প বলেন, “তারা (বিবিসি) আমায় একটি সুন্দর চিঠি লিখেছে। বলেছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। কিন্তু আপনি যদি বলেন এটি অনিচ্ছাকৃত, তবে আমি মনে করি অনিচ্ছাকৃত হলে ক্ষমা করতে হয় না।”

LinkedIn
Share