Tag: news in bengali

news in bengali

  • Jayalalithaa: জয়ললিতার সব সম্পত্তি তুলে দেওয়া হল তামিলনাড়ু সরকারের হাতে, কী কী ছিল জানেন?

    Jayalalithaa: জয়ললিতার সব সম্পত্তি তুলে দেওয়া হল তামিলনাড়ু সরকারের হাতে, কী কী ছিল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তামিলনাড়ুর (Tamil Nadu) প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতার (Jayalalithaa) স্থাবর-অস্থাবর সমস্ত সম্পত্তি তুলে দেওয়া হল সরকারের হাতে। এর মধ্যে রয়েছে বেশ কয়েক কেজি সোনা ও রুপোর গয়নাও।

    আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যবিহীন সম্পত্তি (Jayalalithaa)

    ২০১৪ সালে তামিলনাড়ুর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা এআইএডিএমকে সুপ্রিমো জয়ললিতাকে আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যবিহীন সম্পত্তি থাকার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে বিশেষ আদালত। সেই সময়ই বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল তাঁর বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি। গ্রেফতারও করা হয়েছিল তাঁকে। ২০১৫ সালে বন্দিদশা ঘোঁচে তামিলনাড়ুর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। সেই সময় তাঁর স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ছিল কর্নাটক সরকারের কোষাগারে। ২০১৬ সালে মৃত্যু হয় তাঁর। এর পরেই তাঁর আত্মীয়রা সম্পত্তি দাবি করে আদালতের দ্বারস্থ হন। আদালত সেই দাবি খারিজ করে দেয়। শনিবার আদালতের নির্দেশে সেই সম্পত্তি বিশেষ আদালতের তরফে তুলে দেওয়া হয় তামিলনাড়ু সরকারের হাতে।

    জয়ললিতার সম্পত্তির পরিমাণ

    সিনে দুনিয়ার দাপুটে অভিনেত্রী তথা রাজনীতিবিদ জয়ললিতার (Jayalalithaa) সম্পত্তির পরিমাণ শুনলে চোখ কপালে উঠবে। তাঁর বিভিন্ন ধরনের সোনার গয়নার পরিমাণ ২৭ কেজি। এর মধ্যে রয়েছে সোনার মুকুট, তরোয়াল, হাতঘড়ি, পেন এবং এক হাজার ৬০৬টি মূল্যবান গয়না। বিশেষ সরকারি আইনজীবী বলেন, “আদালতের নির্দেশ মেনে ২৭ কেজি ওজনের সোনার নানারকম গয়না-সামগ্রী তামিলনাড়ু সরকারের কাছে ফেরত দেওয়া হয়েছে। সামগ্রীগুলি পরীক্ষা করে দেখেছেন তামিলনাড়ুর ভিজিল্যান্স আধিকারিকরা। এর সঙ্গে ১ হাজার ৫২৬ একর জমির আইনি কাগজপত্রও তুলে দেওয়া হয়েছে তামিলনাড়ু সরকারের হাতে।” তিনি বলেন, “পুলিশের শীর্ষ কর্তাদের উপস্থিতিতে ছটি ট্রাঙ্ক বোঝাই সম্পত্তি কড়া নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে তামিলনাড়ু পৌঁছচ্ছে।” প্রসঙ্গত, এর আগে জয়ললিতার বাজেয়াপ্ত হওয়া শাড়িগুলি ফেরত দেওয়া হয়েছে।

    এদিন জয়ললিতার যে সম্পত্তি তামিলনাড়ু সরকারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে ৪৬৮ রকমের সোনা ও হিরেখচিত গয়না। এর ওজন ৭ হাজার ৪০ গ্রাম। রুপোর গয়না রয়েছে ৭০০ কেজির ৭৪০টি দামি চটি, ১১ হাজার ৩৪৪টি সিল্কের শাড়ি, ২৫০টি শাল, ১২টি ফ্রিজ, ১০টি টিভি সেট, ৪টি ভিসিআর, একটি ভিডিও ক্যামেরা, ৪টি সিডি প্লেয়ার, দুটি অডিও ডেক, ২৪টি টু-ইন-ওয়ান টেপ রেকর্ডার (Tamil Nadu), ১ হাজার ৪০টি ভিডিও ক্যাসেট, ৩টি আয়রন লকার, নগদ ১ লাখ ৯৩ হাজার ২০২ টাকা এবং আরও অন্যান্য সামগ্রী (Jayalalithaa)।

  • Ramakrishna 271: “‘নারকেলের বেল্লো আপনা-আপনি খসে গেছে, জ্ঞান হলে উপাধি আপনি খসে পড়ে”

    Ramakrishna 271: “‘নারকেলের বেল্লো আপনা-আপনি খসে গেছে, জ্ঞান হলে উপাধি আপনি খসে পড়ে”

    শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বরে ও ভক্তগৃহে

    দ্বাদশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৪, ১৯শে সেপ্টেম্বর

    “ও-দেশে যখন হৃদের বাড়িতে (কামারপুকুরের নিকট, সিওড়ে) ছিলাম। তখন শ্যামবাজারে নিয়ে গেল। বুঝলাম (Kathamrita) গৌরাঙ্গভক্ত। গাঁয়ে ঢোকবার আগে দেখিয়ে দিলে। দেখলাম গৌরাঙ্গ! এমনি আকর্ষণ—সাতদিন সাতরাত লোকের ভিড়! কেবল কীর্তন আর নৃত্য। পাঁচিলে লোক! গাছে লোক!

    “নটবর (Ramakrishna) গোস্বামির বাড়িতে ছিলাম। সেখানে রাতদিন ভিড়। আমি আবার পালিয়ে গিয়ে এক তাঁতীর ঘরে সকালে গিয়ে বসতাম। সেখানে আবার দেখি, খানিক পরে সব গিয়েছে। সব খোল-করতাল নিয়ে গেছে!—আবার ‘তাকুটী! তাকুটী!’ করছে। খাওয়া দাওয়া বেলা তিনটার সময় হতো!

    “রব উঠে গেল—সাতবার মরে, সাতবার বাঁচে, এমন এক লোক এসেছে! পাছে আমার সর্দিগর্মি হয়, হৃদে মাঠে টেনে নিয়ে যেতো;—সেখানে আবার পিঁপড়ের সার! আবার খোল-করতাল।—তাকুটী! তাকুটী! হৃদে বকলে, আর বললে, ‘আমরা কি কখনও কীর্তন শুনি নাই?’

    “সেখানকার গোঁসাইরা ঝগড়া করতে এসেছিল। মনে করেছিল, আমরা বুঝি তাদের পাওনাগণ্ডা নিতে এসেছি। দেখলে, আমি একখানা কাপড় কি একগাছা সুতাও লই নাই। কে বলেছিল ‘ব্রহ্মজ্ঞানী’। তাই গোঁসাইরা বিড়তে এসেছিল। একজন জিজ্ঞাসা (Kathamrita) করলে, ‘এঁর মালা তিলক, নাই কেন?’ তারাই একজন বললে, ‘নারকেলের বেল্লো আপনা-আপনি খসে গেছে’। ‘নারকেলের বেল্লো’ ও কথাটি ওইখানেই শিখেছি। জ্ঞান হলে উপাধি আপনি খসে পড়ে যায়।

    “দূর গাঁ থেকে লোক এসে জমা হতো (Kathamrita)। তারা রাত্রে থাকত। যে বাড়িতে ছিলাম, তার উঠানে রাত্রে মাগীরা অনেক সব শুয়ে আছে। হৃদে প্রস্রাব করতে রাতে বাহিরে যাচ্ছিল, তা বলে, ‘এইখানেই (উঠানে) করো।’

    “আকর্ষণ কাকে বলে, ওইখানেই (শ্যামবাজারে) বুঝলাম। হরিলীলায় (Ramakrishna)  যোগমায়ার সাহায্যে আকর্ষণ হয়, যেন ভেলকি লেগে যায়!”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “আবার সেই সমাধি! আবার নিস্পন্দন দেহ, স্তিমিতি লোচন, দেহ স্থির

    আরও পড়ুনঃ দেখিয়াই ঠাকুর উচ্চহাস্য করিয়া ছোকরাদের বলিয়া উঠিলেন, “ওই রে আবার এসেছে”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

  • Dowry: দাবি মতো পণ না পেয়ে তরুণীকে এইচআইভি ইনজেকশন, কাঠগড়ায় শ্বশুরবাড়ির লোকজন

    Dowry: দাবি মতো পণ না পেয়ে তরুণীকে এইচআইভি ইনজেকশন, কাঠগড়ায় শ্বশুরবাড়ির লোকজন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দাবি মতো পণের (Dowry) টাকা ও গাড়ি না পেয়ে এক মহিলাকে এইচআইভি (এডস রোগ) (HIV) ইনজেকশন দেওয়ার অভিযোগ শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। ভয়াবহ এই ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) সাহারানপুরে। স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন নির্যাতিতার বাবা। মামলা দায়ের করা হয়েছে গাঙ্গোহ থানায়। জেলা পুলিশ সুপার সাগর জৈন জানান, আদালতের নির্দেশে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

    মোটা অঙ্কের পণের দাবি (Dowry)

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে হরিদ্বারের এক যুবকের সঙ্গে মেয়ের বিয়ে দিয়েছিলেন গাঙ্গোহ এলাকার এক ব্যক্তি। পণ বাবদ দিয়েছিলেন একটি গাড়ি, নগদ ১৫ লাখ টাকা এবং বেশ কয়েক লাখ টাকার গয়না। এতে অবশ্য সন্তুষ্ট হয়নি ওই ব্যক্তির মেয়ের শ্বশুরবাড়ির লোকজন। তারা একটি স্করপিও গাড়ি এবং নগদ ২৫ লাখ টাকা দাবি করেছিলেন বলে অভিযোগ।

    তরুণীকে এইচআইভি ইনজেকশন

    পণ বাবদ এত দাবি আর মেটাতে পারবেন না বলে মেয়ের শ্বশুরবাড়ির লোকজনকে সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন ওই তরুণীর বাবা। অভিযোগ, এর পরেই শুরু হয় ওই তরুণীর ওপর নিত্য অত্যাচার। প্রতিদিন মারধর করার পাশাপাশি একদিন ওই তরুণীকে বাড়ি থেকে বেরও করে দেওয়া হয়। নির্যাতিতার পরিবারের দাবি, স্থানীয় পঞ্চায়েত ও গ্রামের লোকজন বসে সমস্যা মিটিয়ে দেন। বিষয়টি তখনকার মতো ধামাচাপা পড়ে যায়। অভিযোগ, এর পরেই ওই তরুণীকে তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকজন এইচআইভি ইনজেকশন দিয়ে দেয়। নির্যাতিতাকে জোর করে কিছু ওষুধও খাওয়ানো হয়। ওষুধ এবং ইনজেকশনের চোটে অসুস্থ হয়ে পড়েন ওই বধূ।

    ঘটনাটি জানতে পেরে মেয়েকে নিয়ে হাসপাতালে ছোটেন ওই তরুণীর পরিবার (Dowry)। সেখানেই ধরা পড়ে নির্যাতিতার এইচআইভি সংক্রমণ। পরীক্ষা করা হয় ওই তরুণীর স্বামীকেও। রিপোর্ট আসে নেগেটিভ। এর পরেই আদালতের দ্বারস্থ হন নির্যাতিতার পরিবার। আদালতের নির্দেশে, গাঙ্গোহ থানা (Uttar Pradesh) সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করে শুরু করেছে তদন্ত (Dowry)।

  • Ramakrishna 272: “‘নেকো আমের গাছে নেকো আমই হয়, খারাপ আম হয় না, মাটির গুণে একটু ছোট বড় হয়”

    Ramakrishna 272: “‘নেকো আমের গাছে নেকো আমই হয়, খারাপ আম হয় না, মাটির গুণে একটু ছোট বড় হয়”

    শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বরে ও ভক্তগৃহে

    ত্রয়োদশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৪, ১৯শে সেপ্টেম্বর

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ ও শ্রীযুক্ত রাধিকা গোস্বামী

    মুখুজ্জে ভ্রাতৃদ্বয় প্রভৃতি ভক্তগণের সহিত কথা কহিতে কহিতে বেলা প্রায় তিনটা বাজিয়াছে। শ্রীযুক্ত রাধিকা গোস্বামী আসিয়া প্রণাম করিলেন। তিনি ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণকে এই প্রথম দর্শন করলেন। বয়স আন্দাজ ত্রিশের মধ্যে। গোস্বামী আসন গ্রহণ করিলেন (Kathamrita)।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—আপনারা কি অদ্বৈতবংশ?

    গোস্বামী—আজ্ঞা, হাঁ।

    ঠাকুর অদ্বৈতবংশ শুনিয়া গোস্বামীকে হাতজোড় করিয়া প্রণাম করিতেছেন।

    গোস্বামী বংশ ও ব্রাহ্মণ পূজনীয়—মহাপুরুষের বংশে জন্ম

    শ্রীরামকৃষ্ণ—অদ্বৈতগোস্বামী বংশ,—আকরের গুণ আছেই!

    “নেকো আমের গাছে নেকো আমই হয়। (ভক্তদের হাস্য) খারাপ আম হয় না। তবে মাটির গুণে একটু ছোট বড় হয়। আপনি কি বলেন (Kathamrita)?”

    গোস্বামী (বিনীতভাবে)—আজ্ঞে, আমি কি জানি।

    শ্রীরামকৃষ্ণ(Ramakrishna)—তুমি যাই বল,—অন্য লোকে ছাড়বে কেন?

    “ব্রাহ্মণ, হাজার দোষ থাকুক—তবু ভরদ্বাজ গোত্র, শাণ্ডিল্য গোত্র বলে সকলের পূজনীয়। (মাস্টারের প্রতি) শঙ্খচিলের কথাটি বল তো!”

    মাস্টার চুপ করিয়া আছেন দেখিয়া ঠাকুর আবার কথা কহিতেছেন—

    শ্রীরামকৃষ্ণ(Ramakrishna)—বংশে মহাপুরুষ যদি জন্মে থাকেন তিনিই টেনে নেবেন—হাজার দোষ থাকুক। যখন গন্ধর্ব কৌরবদের বন্দী করলে যুধিষ্ঠির গিয়ে তাদের মুক্ত করলেন। যে দুর্যোধন এত শত্রুতা করেছে, যার জন্য যুধিষ্ঠিরের বনবাস হয়েছে তাকেই গিয়ে মুক্ত করলেন(Kathamrita)!

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “আবার সেই সমাধি! আবার নিস্পন্দন দেহ, স্তিমিতি লোচন, দেহ স্থির

    আরও পড়ুনঃ দেখিয়াই ঠাকুর উচ্চহাস্য করিয়া ছোকরাদের বলিয়া উঠিলেন, “ওই রে আবার এসেছে”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

  • PM Modi: বিশ্বের বহু সমস্যার সমাধান করতে পারে বুদ্ধের দর্শন, বললেন মোদি

    PM Modi: বিশ্বের বহু সমস্যার সমাধান করতে পারে বুদ্ধের দর্শন, বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বুদ্ধের মধ্যম পথ অনুসরণের শিক্ষা এবং চরমপন্থা পরিহার করার দর্শন বিশ্বব্যাপী বহু সমস্যার সমাধান করতে পারে।” শুক্রবার কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি বলেন, “বিশ্বের অনেক সংঘাতের মূল কারণ হল চরমপন্থী অবস্থান গ্রহণ করা। এর পরিবর্তে উচিত একটি ভারসাম্যপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করা।”

    বুদ্ধের শরণ (Samvad Programme)

    বর্তমানে দুদিনের (Samvad Programme) সফরে আমেরিকায় রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখান থেকেই থাইল্যান্ডে আয়োজিত সংঘাত পরিহারের লক্ষ্যে বৈশ্বিক হিন্দু-বৌদ্ধ উদ্যোগ ‘সংবাদ’-এর চতুর্থ সংস্করণের ভিডিও ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই তিনি ফের শরণ নিলেন বুদ্ধের। তিনি বলেন, “এশিয়ার ধম্ম-ভিত্তিক ঐতিহ্য পরিবেশগত সংকটের সমাধান দিতে পারে যা বর্তমানে বিশ্বকে বিপর্যস্ত করছে। হিন্দুধর্ম, বৌদ্ধধর্ম, শিন্তোবাদ এবং অন্যান্য এশীয় ঐতিহ্য মানুষকে প্রকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে বসবাস করতে শেখায়। এগুলি নিজেকে প্রকৃতি থেকে আলাদা কিছু মনে করে না, বরং প্রকৃতিরই অংশ হিসেবে দেখে।”

    থাইল্যান্ড প্রশস্তি

    থাইল্যান্ডের আতিথেয়তা, সমৃদ্ধ সংস্কৃতি, ইতিহাস ও ঐতিহ্যের প্রশংসা করে মোদি (PM Modi) বলেন, “এটি এশিয়ার যৌথ দার্শনিক ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের এক সুন্দর উদাহরণ।” ভারত ও থাইল্যান্ডের দুহাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে বিদ্যমান গভীর সাংস্কৃতিক সম্পর্কের কথার উল্লেখ করে তিনি বলেন, “রামায়ণ ও রামাকিয়েন উভয় দেশকে সংযুক্ত করে এবং ভগবান বুদ্ধের প্রতি তাদের সম্মিলিত শ্রদ্ধা তাদের একত্রিত করে।”

    বুদ্ধের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সংযমের নীতি আজও প্রাসঙ্গিক, যা বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দিকনির্দেশনা দেয়।” তিনি দুই দেশের মধ্যে বহুমুখী খাতে প্রাণবন্ত অংশীদারিত্বের কথার উল্লেখ করেন। বলেন, “ভারতের ‘অ্যাক্ট ইস্ট’ নীতি ও থাইল্যান্ডের ‘অ্যাক্ট ওয়েস্ট’ নীতি পরস্পরের পরিপূরক।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সংঘাতের আর একটি কারণ হল অন্যদের মৌলিকভাবে ভিন্ন হিসেবে দেখা। এই পার্থক্য দূরত্ব সৃষ্টি করে। আর এই দূরত্ব বিভেদের রূপ নিতে পারে। এর প্রতিকারে, তিনি ধম্মপদ থেকে একটি শ্লোক উদ্ধৃত করেন, যেখানে বলা হয়েছে যে সবাই যন্ত্রণা ও মৃত্যুকে ভয় (Samvad Programme) পায়।” তিনি বলেন, “ভগবান বুদ্ধের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা ভারত সরকারের নীতিগুলির প্রতিফলনে দেখা যায় (PM Modi)।”

  • Donald Trump: ‘বন্ধু’ মোদিতেই ভরসা ট্রাম্পের, বাংলাদেশের বিষয় ছাড়লেন নরেন্দ্রর ওপর

    Donald Trump: ‘বন্ধু’ মোদিতেই ভরসা ট্রাম্পের, বাংলাদেশের বিষয় ছাড়লেন নরেন্দ্রর ওপর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমেই বিশ্বনেতা হয়ে উঠছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি! বন্ধু মোদির (PM Modi) ওপর নির্ভরতাও বাড়ছে ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump)। তার প্রমাণ মিলল মোদি-ট্রাম্পের বৈঠকে। প্রত্যাশিতভাবেই ওই বৈঠকে উঠেছে বাংলাদেশের পরিস্থিতি। পড়শি দেশের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তার পরেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানিয়ে দেন, বাংলাদেশের বিষয়টি তিনি ছাড়ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ওপরেই। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতিতে যে আমেরিকার কোনও গোপন ভূমিকা নেই, তাও জানিয়ে দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

    আমেরিকা সফরে মোদি (Donald Trump)

    ফ্রান্স সফর সেরে দুদিনের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফরে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টে নাগাদ হোয়াইট হাউসে আসেন মোদি (Donald Trump)। সেখানেই হয় দ্বিপাক্ষিক বৈঠক। প্রত্যাশিতভাবেই সেই বৈঠকে ওঠে বাংলাদেশের প্রসঙ্গ। ওই বৈঠকেই ট্রাম্প বলেন, “দীর্ঘ দিন ধরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী এই সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করছেন। বহু বছর ধরে এই চেষ্টা চলছে। আমি এ সংক্রান্ত খবরাখবর পড়ছি। তবে বাংলাদেশের ব্যাপারটা আমি মোদির ওপরই ছাড়তে চাই।”

    কী বললেন ভারতের বিদেশ সচিব

    মোদি-ট্রাম্প বৈঠক প্রসঙ্গে ভারতের বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্রি বলেন, “বাংলাদেশ নিয়ে মোদি ও ট্রাম্পের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে ভারতের দৃষ্টিভঙ্গী, অবস্থান ট্রাম্পকে জানিয়েছেন মোদি। নিজের উদ্বেগও ব্যক্ত করেছেন। আমরা আশা করছি, বাংলাদেশে পরিস্থিতির উন্নতি হবে। আমরা ওদের সঙ্গে গঠনমূলক এবং স্থিতিশীল আলোচনা করতে পারব। কিন্তু আপাতত ওখানকার পরিস্থিতিতে আমরা উদ্বিগ্ন। ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী সে বিষয়ে কথা বলছেন।”

    গত ৫ অগাস্ট বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে ভারতে চলে আসেন আওয়ামি লিগ সুপ্রিমো শেখ হাসিনা। তার পর বাংলাদেশের ক্ষমতায় আসে মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। তারা হাসিনার প্রত্যর্পণ চেয়ে চিঠি দিয়েছে নয়াদিল্লিকে। হাসিনা সংক্রান্ত নথিপত্রও ঢাকা থেকে পাঠানো হয়েছে ভারতে। এর পরেই বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার বেড়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ। দিন কয়েক আগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ৩২ ধানমন্ডির বাড়ির বেশ খানিকটা অংশ ভেঙে দেয় উন্মত্ত জনতা। আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় ধানমন্ডিতে হাসিনার সুধা সদনেও। হাসিনার কাকার বাড়িতেও হামলা চালায় জনতার একাংশ। ইউনূস ও তাঁর সরকারের উপদেষ্টারা অবশ্য বারবার দাবি করছেন, বাংলাদেশের পরিস্থিতি শান্ত। কয়েকটা জায়গায় অশান্তি হলেও, আইনশৃঙ্খলারক্ষী বাহিনী পরিস্থিতি সমাল দিচ্ছে। ভারতের উদ্বেগপ্রকাশকে অনভিপ্রেত বলছে ঢাকা। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ নিয়ে সিদ্ধান্তের ভার মোদির (PM Modi) ওপরই ছাড়লেন ট্রাম্প (Donald Trump)।

  • Manipur: অশান্ত মণিপুরে বিদেশি ইন্ধন, ঠান্ডা করতেই জারি হল রাষ্ট্রপতি শাসন!

    Manipur: অশান্ত মণিপুরে বিদেশি ইন্ধন, ঠান্ডা করতেই জারি হল রাষ্ট্রপতি শাসন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্ত মণিপুরকে (Manipur) ঠান্ডা করতে শেষমেশ জারি হল রাষ্ট্রপতি শাসন। দিন কয়েক আগেই মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়েছেন এন বীরেন সিং। তার পরেই সিদ্ধান্ত হয় উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে জারি করা হবে রাষ্ট্রপতি শাসন (Presidents Rule)। সেই মতো বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হয় চিত্রাঙ্গদার দেশে।

    রাষ্ট্রপতি শাসন জারি (Manipur)

    বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে জারি করা একটি সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় মণিপুরে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির কথা। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর বয়ানে লেখা হয়েছে, ‘আমি মণিপুরের রাজ্যপালের থেকে রিপোর্ট পেয়েছি। ওই রিপোর্ট দেখে ও অন্য তথ্যগুলির ভিত্তিতে আমার মনে হয়েছে, সংবিধান অনুসারে সেখানে সরকার চালানো সম্ভব হচ্ছে না।’

    উত্তপ্ত মণিপুর

    গত দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে উত্তপ্ত মণিপুর। ২০২৩ সালে মে মাসে প্রথম মেইতেই ও কুকি-জো সম্প্রদায়ের মধ্যে হিংসাকে ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে সে রাজ্যের পরিস্থিতি। মাঝে কিছুদিনের জন্যে শান্ত ছিল উত্তর-পূর্বের এই রাজ্য। গত সেপ্টেম্বর মাসে মেইতেই ও কুকি জনগোষ্ঠীর মধ্যে (Manipur) নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হয়। জ্বালিয়ে দেওয়া হয় অসংখ্য ঘরবাড়ি। দফায় দফায় সংঘর্ষ হয় মণিপুরের বিস্তীর্ণ এলাকায়। মুখ্যমন্ত্রী বীরেন সিং এবং রাজ্যের বেশ কয়েকজন বিধায়কের বাড়িতেও হামলা চালায় উন্মত্ত জনতা।

    পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মণিপুরের বেশ কয়েকটি জেলায় কার্ফু জারি করা হয়। বন্ধ করে দেওয়া হয় ইন্টারনেট পরিষেবাও। বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সূত্রের খবর, মণিপুরে এ পর্যন্ত কয়েকশো মানুষের মৃত্যু হয়েছে। গৃহহীন আরও অনেকে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মণিপুরের দুই সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তার পরে সাময়িক বিরতি হয় অশান্তিতে। কিছুদিন পরেই ফের তপ্ত হয়ে ওঠে মণিপুর। রাজ্যবাসীকে সংযত হওয়ার অনুরোধও করেন মুখ্যমন্ত্রী। উদ্ভূত পরিস্থিতির জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমাও চেয়েছিলেন তিনি। আশ্বাস দিয়েছিলেন, ২০২৫ সালের মধ্যে স্বাভাবিকতা ফিরে আসবে রাজ্যে। তার পরেও (Presidents Rule) অশান্তির আগুনে পুড়েছে রাজ্য।

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, মণিপুরে লাগাতার অশান্তি জিইয়ে রাখতে সেখানকার বিভিন্ন জনগোষ্ঠীকে ইন্ধন জোগাচ্ছিল বিদেশি শক্তি। নির্বাচিত সরকার থাকলে ওই বিদ্রোহীদের দমন করা যায় না। সেই কারণেই রাষ্ট্রপতি শাসন (Manipur) জারি করে মণিপুরের রাশ হাতে নিতে চাইল সরকার।

  • Manipur: অশান্ত মণিপুরকে ঠান্ডা করতে জারি হল রাষ্ট্রপতি শাসন

    Manipur: অশান্ত মণিপুরকে ঠান্ডা করতে জারি হল রাষ্ট্রপতি শাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্ত মণিপুরকে (Manipur) ঠান্ডা করতে শেষমেশ জারি হল রাষ্ট্রপতি শাসন। দিন কয়েক আগেই মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়েছেন এন বীরেন সিং। তার পরেই সিদ্ধান্ত হয় উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে জারি করা হবে রাষ্ট্রপতি শাসন (Presidents Rule)। সেই মতো বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হয় চিত্রাঙ্গদার দেশে।

    মণিপুরে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি (Manipur)

    বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে জারি করা একটি সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় মণিপুরে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির কথা। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর বয়ানে লেখা হয়েছে, ‘আমি মণিপুরের রাজ্যপালের থেকে রিপোর্ট পেয়েছি। ওই রিপোর্ট দেখে ও অন্য তথ্যগুলির ভিত্তিতে আমার মনে হয়েছে, সংবিধান অনুসারে সেখানে সরকার চালানো সম্ভব হচ্ছে না।’

    মণিপুরের পরিস্থিতি

    গত দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে উতপ্ত মণিপুর। ২০২৩ সালে মে মাসে প্রথম মেইতেই ও কুকি-জো সম্প্রদায়ের মধ্যে হিংসাকে ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে সে রাজ্যের পরিস্থিতি। মাঝে কিছুদিনের জন্যে শান্ত ছিল উত্তর-পূর্বের এই রাজ্য। গত সেপ্টেম্বর মাসে মেইতেই ও কুকি জনগোষ্ঠীর মধ্যে (Manipur) নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হয়। জ্বালিয়ে দেওয়া হয় অসংখ্য ঘরবাড়ি। দফায় দফায় সংঘর্ষ হয় মণিপুরের বিস্তীর্ণ এলাকায়। মুখ্যমন্ত্রী বীরেন সিং এবং রাজ্যের বেশ কয়েকজন বিধায়কের বাড়িতেও হামলা চালায় উন্মত্ত জনতা।

    পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মণিপুরের বেশ কয়েকটি জেলায় কার্ফু জারি করা হয়। বন্ধ করে দেওয়া হয় ইন্টারনেট পরিষেবাও। বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সূত্রের খবর, মণিপুরে এ পর্যন্ত কয়েকশো মানুষের মৃত্যু হয়েছে। গৃহহীন আরও অনেকে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মণিপুরের দুই সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তার পরে সাময়িক বিরতি হয় অশান্তিতে। কিছুদিন পরেই ফের তপ্ত হয়ে ওঠে মণিপুর। রাজ্যবাসীকে সংযত হওয়ার অনুরোধও করেন মুখ্যমন্ত্রী। উদ্ভূত পরিস্থিতির জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমাও চেয়েছিলেন তিনি। আশ্বাস দিয়েছিলেন, ২০২৫ সালের মধ্যে স্বাভাবিকতা ফিরে আসবে রাজ্যে। তার পরেও (Presidents Rule) অশান্তির আগুনে পুড়েছে রাজ্য। তার জেরেই জারি হল রাষ্ট্রপতি শাসন (Manipur)।

  • Ramakrishna 270: “দেখলাম গৌরাঙ্গ! এমনি আকর্ষণ—সাতদিন সাতরাত লোকের ভিড়! কেবল কীর্তন আর নৃত্য”

    Ramakrishna 270: “দেখলাম গৌরাঙ্গ! এমনি আকর্ষণ—সাতদিন সাতরাত লোকের ভিড়! কেবল কীর্তন আর নৃত্য”

    শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বরে ও ভক্তগৃহে

    দ্বাদশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৪, ১৯শে সেপ্টেম্বর

    শ্রীমুখ-কথিত চরিতামৃত — ঠাকুরের নানা সাধ

    পূর্বকথা—প্রথম কলিকাতায় নাথের বাগানে—গঙ্গাস্নান 

    ওদের বর্তমানের সাধন—মানুষ নিয়ে সাধন। মানুষকে মনে করে শ্রীকৃষ্ণ। ওরা বলে ‘রাগকৃষ্ণ’ (Ramakrishna)। গুরু জিজ্ঞাসা করে, ‘রাগকৃষ্ণ পেয়েছিস?’ সে বলে ‘হাঁ, পেয়েছি।

    “সেদিন সে মাগী এসেছিল। তার চাহুনির রকম দেখলাম, বড় ভাল নয়। তারি ভাবে বললাম (Kathamrita), ‘হরিপদকে নিয়ে যেমন কচ্চো কর—কিন্তু অন্যায় ভাব এনো না।’

    “ছোকরাদের সাধনার অবস্থা। এখন কেবল ত্যাগ। সন্ন্যাসী স্ত্রীলোকের চিত্রপট পর্যন্ত দেখবে না। আমি ওদের বলি, মেয়েমানুষ ভক্ত হলেও তাদের সঙ্গে বসে কথা কবে না; দাঁড়িয়ে একটু কথা কবে। সিদ্ধ হলেও এইরূপ করতে হয়—নিজের সাবধানের জন্য,—আর লোকশিক্ষার জন্য। আমিও মেয়েরা এলে একটু পরে বলি, তোমরা ঠাকুর দেখগে। তাতে যদি না উঠে, নিজে উঠে পড়ি। আমার দেখে আবার সবাই শিখবে।

    পূর্বকথা—ফুলুই শ্যামবাজার দর্শন ১৮৮০—অবতারের আকর্ষণ 

    “আচ্ছা, এই যে সব ছেলেরা আসছে, আর তোমরা সব আসছো, এর মানে কি? এর (অর্থাৎ আমার) ভিতরে অবশ্য কিছু আছে, তা না হলে টান হয় কেমন করে—কেন আকর্ষণ হয় (Kathamrita)?

    “ও-দেশে যখন হৃদের বাড়িতে (কামারপুকুরের নিকট, সিওড়ে) ছিলাম। তখন শ্যামবাজারে নিয়ে গেল। বুঝলাম গৌরাঙ্গভক্ত (Ramakrishna)। গাঁয়ে ঢোকবার আগে দেখিয়ে দিলে। দেখলাম গৌরাঙ্গ! এমনি আকর্ষণ—সাতদিন সাতরাত লোকের ভিড়! কেবল কীর্তন আর নৃত্য। পাঁচিলে লোক! গাছে লোক!

    “নটবর গোস্বামির বাড়িতে ছিলাম। সেখানে রাতদিন ভিড়। আমি আবার পালিয়ে গিয়ে এক তাঁতীর ঘরে সকালে গিয়ে বসতাম। সেখানে আবার দেখি(Kathamrita), খানিক পরে সব গিয়েছে। সব খোল-করতাল নিয়ে গেছে!—আবার ‘তাকুটী! তাকুটী!’ করছে। খাওয়া দাওয়া বেলা তিনটার সময় হতো!

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “আবার সেই সমাধি! আবার নিস্পন্দন দেহ, স্তিমিতি লোচন, দেহ স্থির

    আরও পড়ুনঃ দেখিয়াই ঠাকুর উচ্চহাস্য করিয়া ছোকরাদের বলিয়া উঠিলেন, “ওই রে আবার এসেছে”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

  • Hearing: শ্রবণশক্তি হারাচ্ছেন অধিকাংশ ভারতীয়! কী বলছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট?

    Hearing: শ্রবণশক্তি হারাচ্ছেন অধিকাংশ ভারতীয়! কী বলছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ‌বেড়েছে শব্দের দাপট। যে কোনও উৎসব উদযাপনে তীব্র শব্দের দাপট এখন অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে থাকে।‌ কালীপুজোর রাত হোক বা নতুন বছর শুরুর উদযাপন, বিকট জোরে গান বাজানো কিংবা শব্দবাজির তীব্র আওয়াজ এখন রেওয়াজ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর এই রেওয়াজেই বাড়ছে বিপদ। ভারতীয়দের মধ্যে বাড়ছে শ্রবণশক্তির (Hearing) সমস্যা। তীব্র হচ্ছে ‘চিরবধির’ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি। আর সবচেয়ে বেশি‌ দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে শিশুদের সমস্যা। এমনটাই জানাচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাম্প্রতিক রিপোর্ট।

    কী বলছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট? (Hearing)

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (World Health Organization) তরফে জানানো হয়েছে, ভারতে শ্রবণশক্তির সমস্যা বাড়ছে। অধিকাংশ মানুষের শ্রবণ ক্ষমতা হ্রাস পাচ্ছে। সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ভারতের ৬৩ মিলিয়ন মানুষ শ্রবণযন্ত্রের গুরুতর সমস্যার ভুগছেন।‌ যার প্রভাবে তাদের শ্রবণ ক্ষমতা কমেছে। বাদ নেই শিশুরাও। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, সদ্যোজাত থেকে ছ’বছর বয়সি শিশুদের ২৩ শতাংশের শ্রবণ সমস্যা রয়েছে। আর সদ্যোজাত থেকে ১৯ বছর বয়সি ছেলেমেয়েদের ২০ শতাংশ শ্রবণ অক্ষমতার শিকার। এই পরিসংখ্যান‌ যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    কেন শ্রবণ সমস্যা বাড়ছে?

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারতে শ্রবণ সমস্যা বাড়ার প্রধান‌ কারণ অসচেতনতা।‌ তাঁরা জানাচ্ছেন, অধিকাংশ মানুষ শ্রবণযন্ত্রের যত্ন সম্পর্কে একেবারেই ধারণা রাখেন না। তীব্র শব্দ যে কতখানি গভীর প্রভাব ফেলতে পারে, সে সম্পর্কে অধিকাংশ মানুষের সচেতনতা খুবই কম। তাঁরা জানাচ্ছেন, প্রতি বছর দীপাবলির পরে ভারতের একাধিক হাসপাতালে শ্রবণ সমস্যায় ভুক্তভোগীর সংখ্যা বাড়ে। তারপরেও‌ সচেতনতা তলানিতে। যে কোনও উৎসবে শব্দবাজির দাপট অব্যাহত। এর ফলে কানের পর্দায় মারাত্মক চাপ পড়ছে। অনেক সময়েই ভিতরে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। যা বোঝা যাচ্ছে না। আর সেই আঘাত থেকেই অকাল বধির হয়ে যাচ্ছেন। আর এর প্রভাব‌ শিশুদের উপরেই সবচেয়ে বেশি‌ পড়ছে। শিশুদের শ্রবণযন্ত্র আরও বেশি স্পর্শকাতর হয়। ফলে লাগাতার তীব্র আওয়াজে তাদের আরও বেশি ক্ষতি হচ্ছে।‌ যার জেরেই শিশুদের মধ্যে শ্রবণ সমস্যা (Hearing) বাড়ছে।
    শব্দ দূষণের পাশাপাশি পরিবেশ দূষণ ও ভাইরাসের দাপট বেড়ে‌ যাওয়ার জেরেও শ্রবণ সমস্যা দেখা‌ দিচ্ছে বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, গত এক দশকে পৃথিবী জুড়ে‌ নানান ভাইরাসঘটতি অসুখের দাপট বেড়েছে। এর ফলে শরীরের নানান অঙ্গে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। ভাইরাসঘটিত অসুখ সেরে গেলেও, তার প্রভাব শরীরের নানান অঙ্গে থেকে যাচ্ছে। সেই অঙ্গের কার্যশক্তি কমছে। শ্রবণ শক্তি হ্রাসের পিছনেও অনেক সময় এই কারণ দেখা যাচ্ছে।‌

    কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল? (Hearing)

    শ্রবণ সমস্যা নিয়ে সচেতনতা জরুরি বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, শ্রবণ ক্ষমতা অনেকের ধীরে ধীরে কমে। কিন্তু সচেতনতার অভাবে রোগ চিহ্নিত করতে অনেক দেরি হয়ে যায়। তখন চিকিৎসার বিশেষ সুযোগ থাকে না। তাই তাঁদের পরামর্শ, শ্রবণ শক্তি হ্রাস পাচ্ছে কিনা, সে নিয়ে সচেতনতা জরুরি।‌ বিশেষত শিশু ঠিকমতো শুনতে পাচ্ছে কিনা, শব্দের খেয়াল করতে পারছে কিনা, সে দিকে অভিভাবকদের নজরদারি জরুরি। তাহলে সমস্যা দেখা দিলে প্রথম থেকেই সতর্ক হওয়া যাবে। প্রয়োজনীয় চিকিৎসার মাধ্যমে সমাধান‌ করার চেষ্টা করা যাবে।
    পাশপাশি শ্রবণ সমস্যার এই বাড়বাড়ন্ত ঠেকাতে একমাত্র হাতিয়ার সচেতনতা এবং প্রশাসনিক তৎপরতা বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, সাধারণ মানুষকে শব্দ দূষণ নিয়ে সচেতন করতে হবে। দরকার হলে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে স্কুল স্তর থেকেই নানান কর্মশালার আয়োজন করতে হবে।‌ পাশপাশি শব্দ দূষণ করলে তার আইনানুগ শাস্তি জরুরি। প্রশাসনকে সেই ব্যাপারে তৎপর হতে হবে। তবেই এই সমস্যা মোকাবিলা সম্ভব বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

LinkedIn
Share