Tag: news in bengali

news in bengali

  • Daily Horoscope 31 January 2026: মনের মতো স্থানে ভ্রমণের জন্য আনন্দ লাভ হবে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 31 January 2026: মনের মতো স্থানে ভ্রমণের জন্য আনন্দ লাভ হবে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) মনের মতো পরিবেশ পেতে পারেন।

    ২) দাম্পত্য জীবন খুব ভালো কাটতে পারে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    বৃষ

    ১) সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলুন।

    ২) ব্যবসায় ভালো লাভের সময়।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    মিথুন

    ১) মনের মতো স্থানে ভ্রমণের জন্য আনন্দ লাভ।

    ২) মিথ্যা বদনাম থেকে সাবধান।

    ৩) সতর্কভাবে চলাফেরা করুন।

    কর্কট

    ১) অভিনয়ের প্রতি অনুরাগ বাড়তে পারে।

    ২) আয়ের দিক থেকে দিনটি ভালো।

    ৩) ব্যবসায় লাভ।

    সিংহ

    ১) কোনও ভাল কাজ না হওয়ায় মনঃকষ্ট।

    ২) নতুন চাকরির চেষ্টা করতে পারেন।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    কন্যা

    ১) রাজনীতির লোকেদের জন্য ভালো খবর আসতে পারে।

    ২) সারা দিন ব্যস্ত থাকতে হবে।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    তুলা

    ১) কাজ নিয়ে ক্ষোভ বাড়তে পারে।

    ২) পাওনা আদায় নিয়ে বিবাদ হতে পারে।

    ৩) নিজের বাক্যে সংযম রাখুন।

    বৃশ্চিক

    ১) কীটপতঙ্গ থেকে একটু সাবধান থাকুন।

    ২) সংসারে ব্যয় কমানোর আলোচনা।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    ধনু

    ১) সকালের দিকে শরীরে আঘাত লাগতে পারে।

    ২) প্রেমের ব্যাপারে শান্তি পেতে পারেন।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    মকর

    ১) কোনও আশা ভঙ্গ হতে পারে।

    ২) দূরে কোথাও ভ্রমণের আলোচনা হতে পারে।

    ৩) হতাশ হবেন না কোনওভাবে।

    কুম্ভ

    ১) অতিরিক্ত কথায় বাড়িতে বিবাদ।

    ২) শরীরে কষ্ট বাড়তে পারে।

    ৩) সাবধানে চলাফেরা করুন।

    মীন

    ১) শরীরে যন্ত্রণা হতে পারে।

    ২) প্রেমে বিরহ দেখা দিতে পারে।

    ৩) ধৈর্য্য ধরতে শিখুন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 570: “মা হৃদয়ে থাকুন! সুরেন্দ্র মা মা করিয়া পরমেশ্বরীর উদ্দেশে কত কথা কহিতে লাগিলেন”

    Ramakrishna 570: “মা হৃদয়ে থাকুন! সুরেন্দ্র মা মা করিয়া পরমেশ্বরীর উদ্দেশে কত কথা কহিতে লাগিলেন”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    প্রথম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১৮ই অক্টোবর
    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ শ্যামপুকুরের বাটীতে ভক্তসঙ্গে

    শ্রীশ্রীবিজয়া দশমী। ১৮ই অক্টোবর, ১৮৮৫ খ্রীষ্টাব্দ (৩রা কার্তিক, ১২৯২, রবিবার)। ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) শ্যামপুকুরের বাটীতে আছেন। শরীর অসুস্থ — কলিকাতায় চিকিৎসা করিতে আসিয়াছেন। ভক্তেরা সর্বদাই থাকেন, ঠাকুরের সেবা করেন। ভক্তদের মধ্যে এখন কেহ সংসারত্যাগ করেন নাই—তাঁহারা নিজেদের বাটী (Kathamrita) হইতে যাতায়াত করেন।

    সুরেন্দ্রের ভক্তি—‘মা হৃদয়ে থাকুন’

    শীতকাল সকাল বেলা ৮টা। ঠাকুর অসুস্থ, বিছানায় বসিয়া আছেন। কিন্তু পঞ্চমবর্ষীয় বালকের মতো, মা বই কিছু জানেন না। সুরেন্দ্র আসিয়া বসিলেন। নবগোপাল, মাস্টার ও আরও কেহ কেহ উপস্থিত আছেন। সুরেন্দ্রের বাটিতে ৺দুর্গাপূজা হইয়াছিল। ঠাকুর যাইতে পারেন নাই, ভক্তদের প্রতিমা দর্শন করিতে পাঠাইয়াছিলেন (Kathamrita)। আজ বিজয়া, তাই সুরেন্দ্রের মন খারাপ হইয়াছে।

    সুরেন্দ্র—বাড়ি থেকে পালিয়ে এলাম।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) (মাস্টারকে)—তাহলেই বা। মা হৃদয়ে থাকুন!

    সুরেন্দ্র মা মা করিয়া পরমেশ্বরীর উদ্দেশে কত কথা কহিতে লাগিলেন।

    ঠাকুর সুরেন্দ্রকে দেখিতে দেখিতে অশ্রু বির্সজন করিতেছেন। মাস্টারের দিকে তাকাইয়া গদ্‌গদস্বরে বলিতেছেন (Kathamrita), কি ভক্তি! আহা, এর যা ভক্তি আছে!

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—কাল ৭টা-৭৷৷টার সময় ভাবে দেখলাম, তোমাদের দালান। ঠাকুর প্রতিমা রহিয়াছেন, দেখলাম সব জ্যোতির্ময়। এখানে-ওখানে এক হয়ে আছে। যেন একটা আলোর স্রোত দু-জায়গার মাঝে বইছে!—এবাড়ি আর তোমাদের সেই বাড়ি!

  • India Remittances: রেমিট্যান্স প্রাপ্তির নিরিখে বিশ্বের শীর্ষে ভারত, বলছে অর্থনৈতিক সমীক্ষা

    India Remittances: রেমিট্যান্স প্রাপ্তির নিরিখে বিশ্বের শীর্ষে ভারত, বলছে অর্থনৈতিক সমীক্ষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেমিট্যান্স (India Remittances) বা প্রবাসী আয়ের ক্ষেত্রে বিশ্বে শীর্ষস্থানে রয়েছে ভারত (India)। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত ২০২৫–২৬ অর্থনৈতিক সমীক্ষায় (Economic Survey) এই তথ্য সামনে এসেছে। ২০২৪–২৫ অর্থবর্ষে দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ পৌঁছেছে ১৩৫.৪ বিলিয়ন ডলারে, যা দেশের বৈদেশিক হিসেবের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন সংসদে পেশ করা সমীক্ষায় জানিয়েছেন, উন্নত দেশগুলি থেকে রেমিট্যান্সের (India Remittances) অংশ বেড়েছে। এর মাধ্যমে বোঝা যায়, দক্ষ ও পেশাদার কর্মীদের অবদান ক্রমেই বাড়ছে। রফতানিতে ভারতের প্রতিযোগিতা ক্ষমতা বাড়াতে উৎপাদন খরচ কমানোর লক্ষ্যে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া জরুরি বলেও উল্লেখ করা হয়েছে ওই সমীক্ষায়।

    উৎপাদনভিত্তিক রফতানি (India)

    সমীক্ষায় আরও বলা হয়েছে, উৎপাদনভিত্তিক রফতানি ক্ষমতা বাড়ানো গেলে দীর্ঘমেয়াদে বৈদেশিক স্থিতিশীলতা এবং মুদ্রার বিশ্বাসযোগ্যতা আরও শক্তিশালী হবে। এ জন্য প্রয়োজন শৃঙ্খলাবদ্ধ ও উৎপাদনশীলতাভিত্তিক শিল্পনীতি, ভ্যালু চেইনজুড়ে কাঁচামাল ও উপকরণ ব্যয়ের সতর্ক ব্যবস্থাপনা এবং উচ্চ-মূল্য সংযোজিত পরিষেবা খাতের সমান্তরাল বৃদ্ধি। বিশ্বজুড়ে আর্থিক পরিস্থিতি কড়াকড়ি হলেও ভারত ধারাবাহিকভাবে বড় অঙ্কের মোট বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে পেরেছে। ২০২৪–২৫ অর্থবর্ষে মোট বিনিয়োগ প্রবাহ জিডিপির হার পৌঁছেছে ১৮.৫ শতাংশে। রাষ্ট্রসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থা (UNCTAD)-এর তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ায় মোট বৈদেশিক প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ (FDI) গ্রহণে ভারত শীর্ষস্থানে (India Remittances) রয়েছে এবং ইন্দোনেশিয়া ও ভিয়েতনামের মতো বড় এশীয় অর্থনীতিকেও ছাড়িয়ে গিয়েছে (India)।

    গ্রিনফিল্ড বিনিয়োগ

    ২০২৪ সালে গ্রিনফিল্ড বিনিয়োগ ঘোষণার ক্ষেত্রে বিশ্বে ভারত চতুর্থ স্থানে ছিল। ওই বছরে এক হাজারের বেশি প্রকল্পের কথা ঘোষণা করা হয়। পাশাপাশি, ২০২০–২৪ সময়কালে গ্রিনফিল্ড ডিজিটাল বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ভারত বিশ্বের বৃহত্তম গন্তব্যে পরিণত হয়েছে, যেখানে মোট ১১৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিয়োগ এসেছে। ২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে নভেম্বর – এই পর্বে মোট এফডিআই প্রবাহ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৪.৭ বিলিয়ন ডলারে, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৫৫.৮ বিলিয়ন ডলার। সমীক্ষায় বলা হয়েছে, “ভারতে বৈদেশিক পোর্টফোলিও বিনিয়োগ (FPI) বারবার প্রবাহ ও বহিঃপ্রবাহের চক্রের মধ্য দিয়ে যায়। এই ওঠানামা অনেক সময় বৈশ্বিক আর্থিক পরিবর্তনের সঙ্গে যুক্ত। চলতি অর্থবর্ষে ছ’মাস নিট বহিঃপ্রবাহ এবং তিন মাস নিট প্রবাহ দেখা গেছে, যার ফলে সামগ্রিকভাবে নিট অবস্থান তুলনামূলকভাবে সীমিত রয়েছে।”

    বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ

    এছাড়া, ভারতের বৈদেশিক মুদ্রার (India Forex) রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭০১.৪ বিলিয়ন ডলারে (১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত), যা মার্চের শেষে ছিল ৬৬৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। রিজার্ভের পর্যাপ্ততার দিক থেকে বলা হয়েছে, এই সঞ্চয় প্রায় ১১ মাসের পণ্য আমদানি এবং ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসের শেষে থাকা মোট বৈদেশিক ঋণের প্রায় ৯৪ শতাংশ মেটাতে সক্ষম। ফলে এটি একটি স্বস্তিদায়ক বাফার হিসেবে কাজ করছে (India)। অর্থনৈতিক সমীক্ষায় (Economic Survey) আরও উল্লেখ করা হয়েছে, একটি দেশের মুদ্রার কার্যকারিতা নির্ভর করে অভ্যন্তরীণ সঞ্চয় সৃষ্টি, বৈদেশিক ভারসাম্য রক্ষা, স্থিতিশীল এফডিআই আকর্ষণ এবং উদ্ভাবন, উৎপাদনশীলতা ও গুণগত মানের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা রফতানি প্রতিযোগিতার ক্ষমতার ওপর (India Remittances)। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরের শেষে ভারতের মোট বৈদেশিক ঋণ দাঁড়িয়েছে ৭৪৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে, যা মার্চ ২০২৫ শেষে ছিল ৭৩৬.৩ বিলিয়ন ডলার। একই সময়ে বৈদেশিক ঋণ-জিডিপির অনুপাত ছিল ১৯.২ শতাংশ। তবে সমীক্ষায় উল্লেখ করা হয়েছে, ভারতের মোট ঋণের তুলনায় বৈদেশিক ঋণের অংশ ৫ শতাংশেরও কম। এর ফলে বৈদেশিক খাতজনিত ঝুঁকি অনেকটাই সীমিত রয়েছে ।

     

  • India–EU FTA: ভারত-ইউরোপীয় ইউনিয়ন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি থেকে কার কী প্রাপ্তি হল? কে কী সুবিধা পাবে? বিশ্লেষণ

    India–EU FTA: ভারত-ইউরোপীয় ইউনিয়ন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি থেকে কার কী প্রাপ্তি হল? কে কী সুবিধা পাবে? বিশ্লেষণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছে এক ঐতিহাসিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (Free Trade Agreement), সংক্ষেপে এফটিএ (FTA), যাকে উভয় পক্ষই আখ্যা দিয়েছে “মাদার অফ অল ডিলস” বা ‘সবচেয়ে বড় বাণিজ্য চুক্তি’ হিসেবে।

    মঙ্গলবার ঘোষিত এই চুক্তিটি প্রায় দুই দশকের টালবাহানা করা আলোচনার পর বাস্তব রূপ পেয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাণিজ্য যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট বৈশ্বিক ভূ-অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যেই এই চুক্তি চূড়ান্ত হয়েছে। ভারত ও ২৭ দেশের ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে এই চুক্তি কার্যকর হলে প্রায় ২০০ কোটি মানুষের বাজার এক ছাতার নিচে আসবে। এর সম্মিলিত বাজারের পরিমাণ প্রায় ২৭ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বিশ্বের জিডিপির প্রায় ২৫ শতাংশ।

    ২০ বছর আগে যেখানে আলোচনা ভেঙে গিয়েছিল, সেখানে এখন ভারতের সক্ষমতা অনেক বেড়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ২০১৩ সালে ভারত তার অটোমোবাইল খাত খুলতে অনিচ্ছুক হওয়ায় আলোচনা থমকে যায়। তবে নতুন চুক্তির আওতায় ভারত ইউরোপীয় গাড়ির জন্য নিজস্ব বাজার খুলে দিয়েছে। ইউরোপ থেকে আমদানি হওয়া অধিকাংশ গাড়ির ওপর শুল্ক ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশে নামানো হবে এবং ধাপে ধাপে তা ১০ শতাংশে নামিয়ে আনা হবে।

    চুক্তিতে কী কী অন্তর্ভুক্ত?

    এটি ভারতের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ও ব্যাপক বাণিজ্য চুক্তি যা পণ্য, পরিষেবা এবং বিনিয়োগ— তিন ক্ষেত্রকেই অন্তর্ভুক্ত করছে। ২০২৩ সালে ইইউ ভারতের জন্য জিএসপি (Generalised Scheme of Preferences) সুবিধা প্রত্যাহার করে নিয়েছিল, যার ফলে ভারতীয় রফতানিকারকদের ওপর বাড়তি শুল্কের বোঝা পড়েছিল। এখন নতুন চুক্তিতে ভারতের জন্য বস্ত্র, ওষুধ, যন্ত্রপাতি, ইস্পাত, পেট্রোলিয়াম পণ্য ও বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম খাতে বড় সুবিধা এনে দেবে। ইইউ ভারতকে ১৪৪টি পরিষেবা উপখাতে প্রবেশাধিকার দেবে, আর ভারত ইইউকে ১০২টি উপখাতে সুযোগ দেবে, যার মধ্যে আর্থিক পরিষেবা, সামুদ্রিক পরিবহণ ও টেলিযোগাযোগ খাত উল্লেখযোগ্য।

    বর্তমানে ভারত-ইইউ বাণিজ্যের চিত্র

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এখনো ভারত ও ইইউ—উভয়েরই সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার। তবে গত এক দশকে ভারত-ইইউ পণ্য বাণিজ্য দ্রুত বেড়েছে। ২০২০ সালে যেখানে এর পরিমাণ ছিল প্রায় ৭৪ বিলিয়ন ডলার, সেখানে ২০২৪-২৫ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩৬ বিলিয়ন ডলারে। ফলে ইইউ এখন ভারতের সবচেয়ে বড় পণ্য বাণিজ্য অংশীদার।

    বর্তমানে ভারতের ইইউ-র সঙ্গে প্রায় ১৫ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য উদ্বৃত্ত রয়েছে। ভারত ইইউতে রফতানি করে প্রায় ৭৫.৮৫ বিলিয়ন ডলারের পণ্য, যেখানে আমদানি করে ৬০.৬৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য। ইইউ মূলত যন্ত্রপাতি, পরিবহণ সরঞ্জাম ও রাসায়নিক পণ্য রফতানি করে। আর ভারত রফতানি করে রাসায়নিক, ধাতু, খনিজ পণ্য ও বস্ত্র। দুই পক্ষই ২০৩০ সালের মধ্যে এই বাণিজ্য ২০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়েছে।

    ২০১৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে পরিষেবা বাণিজ্যও বেড়েছে। ভারতীয় পরিষেবা রফতানি ২২.৫ বিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে হয়েছে ৪৪ বিলিয়ন ডলার এবং ইইউ-র রফতানি বেড়েছে ১৭ বিলিয়ন থেকে ৩৪ বিলিয়ন ডলারে। মূলত ব্যবসায়িক পরামর্শ ও আইটি পরিষেবায় এই লেনদেন বেশি। বর্তমানে ইইউ-র মোট বাণিজ্যের মধ্যে ভারতের অংশ ২.৪ শতাংশ, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের অংশ ১৭.৩ শতাংশ এবং চিনের ১৪.৬ শতাংশ। ২০২৪ সাল পর্যন্ত প্রায় ৯.৩ লাখ ভারতীয় নাগরিক ইইউ দেশগুলোতে বসবাস করছেন। ইইউ জানিয়েছে, প্রায় ৬,০০০ ইউরোপীয় সংস্থা ভারতে কাজ করছে এবং প্রায় ১,৫০০ ভারতীয় সংস্থার উপস্থিতি রয়েছে ইউরোপে।

    ভারতের কী লাভ হবে?

    • ● ইইউ ভারতের ৯০ শতাংশ পণ্যের ওপর শুল্ক পুরোপুরি তুলে নেবে এবং সাত বছরের মধ্যে তা ৯৩ শতাংশে পৌঁছাবে।
    • ● তাৎক্ষণিকভাবে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে সামুদ্রিক খাদ্য (চিংড়ি ও হিমায়িত মাছ), রাসায়নিক, প্লাস্টিক ও রাবার, চামড়া ও জুতো, বস্ত্র ও পোশাক, ধাতু, রত্ন ও গয়না শিল্প।
    • ● প্রায় ৬ শতাংশ পণ্যের ক্ষেত্রে আংশিক শুল্কছাড় ও কোটা প্রযোজ্য হবে। এতে ইইউ-র গড় শুল্কহার ৩.৮ শতাংশ থেকে নেমে আসবে ০.১ শতাংশে।
    • ● মোটের ওপর দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের ৯৯.৫ শতাংশ কোনো না কোনোভাবে শুল্কছাড়ের সুবিধা পাবে।
    • ● তবে, ভারত এখনও ইস্পাত রফতানির কোটা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা চালাচ্ছে। বর্তমানে ইইউ ভারতকে বছরে ১৬ লাখ টন ইস্পাত শুল্কমুক্ত রফতানির অনুমতি দেবে, যা ভারতের বর্তমান রফতানির প্রায় অর্ধেক।

    ইইউ কী সুবিধা পাবে?

    • ● ভারত তাৎক্ষণিকভাবে ইইউ থেকে আমদানি হওয়া ৩০ শতাংশ পণ্যের ওপর শুল্ক তুলে নেবে। মোটের ওপর ইইউ-র ৯৬.৬ শতাংশ পণ্যের শুল্ক কমানো বা পুরোপুরি তুলে নেওয়া হবে। এতে ইউরোপীয় সংস্থাগুলির বছরে প্রায় ৪ বিলিয়ন ইউরো সাশ্রয় হবে।
    • ● গাড়ি ছাড়াও যন্ত্রপাতি, রাসায়নিক ও ওষুধের ওপর ভারতের বিদ্যমান উচ্চ শুল্ক প্রায় পুরোপুরি তুলে নেওয়া হবে। বিমান ও মহাকাশ প্রযুক্তির পণ্যের ওপর শুল্ক প্রায় সম্পূর্ণভাবে বাতিল করা হবে।
    • ● ইইউ থেকে আমদানি হওয়া ওয়াইন ও মদের ওপর বর্তমান ১৫০ শতাংশ শুল্ক কমিয়ে ২০–৩০ শতাংশ (ওয়াইন), ৪০ শতাংশ (স্পিরিটস) এবং ৫০ শতাংশ (বিয়ার) করা হবে।
    • ● এছাড়া আর্থিক ও সামুদ্রিক পরিষেবায় ইউরোপীয় সংস্থাগুলিকে আরও বেশি প্রবেশাধিকার দেওয়া হবে। শুল্ক প্রক্রিয়া সহজ করা হবে এবং মেধাস্বত্ব (Intellectual Property) সুরক্ষা আরও জোরদার করা হবে।
    • ● বিশেষজ্ঞদের মতে, এই চুক্তি শুধু বাণিজ্য নয়, ভারত ও ইউরোপের কৌশলগত অংশীদারিত্বকেও নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।
  • World Leprosy Day 2026: উদ্বেগ বাড়াচ্ছে শিশু কুষ্ঠ রোগী! রাজ্যের জন্য কেন বাড়তি দুশ্চিন্তা?

    World Leprosy Day 2026: উদ্বেগ বাড়াচ্ছে শিশু কুষ্ঠ রোগী! রাজ্যের জন্য কেন বাড়তি দুশ্চিন্তা?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    রোগ নিরাময় সম্ভব। কিন্তু রোগীর সামাজিক হেনস্থা হয়ে উঠছে মূল চ্যালেঞ্জ। ৩০ জানুয়ারি বিশ্ব কুষ্ঠ রোগ সচেতনতা দিবসে (World Leprosy Day 2026) তাই রোগ ও রোগ সংক্রান্ত ভ্রান্ত ধারণা রোধেই জোর দিচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারতে কুষ্ঠ রোগ শুধুই স্বাস্থ্য সমস্যা নয়। এই রোগ সামাজিক জটিলতাও তৈরি করে। তাই রোগ সম্পর্কে সচেতনতা তৈরির পাশাপাশি কুষ্ঠ নিয়ে যে সমস্ত ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে, সে সম্পর্কেও আরও বেশি আলোচনা জরুরি। যাতে ভুল ধারণা নষ্ট হয়। রোগীর সামাজিক হেনস্থা বন্ধ হয়। ভারতে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে শিশু কুষ্ঠ রোগী। সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal Child Leprosy Cases) সহ একাধিক রাজ্যে শিশুদের কুষ্ঠ রোগে আক্রান্তের খবর পাওয়া যাচ্ছে। যা এই রোগের প্রবল উপস্থিতির জানান দিচ্ছে।

    কী বলছে সাম্প্রতিক তথ্য?

    কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, ভারত কুষ্ঠ মুক্ত হওয়ার পথে। তবে শিশুদের মধ্যে কুষ্ঠ রোগের উপস্থিতি বাড়তি উদ্বেগজনক। তথ্য অনুযায়ী, ভারতে নতুন করে কুষ্ঠ রোগে আক্রান্তদের মধ্যে ৪.৬৮ শতাংশ শিশু। যদি তুলনামূলক ভাবে শিশু আক্রান্তের সংখ্যা ২০১৪-১৫ সালের তুলনায় কম। তবুও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শিশু কুষ্ঠ রোগীর পরিসংখ্যান স্পষ্ট করে সমাজে এই রোগের গভীর উপস্থিতি। তাই এ নিয়ে বাড়তি উদ্বেগ তৈরি হয়।

    রাজ্যের জন্য কেন বাড়তি দুশ্চিন্তা?

    কেন্দ্রের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, ভারতের সাতটি রাজ্যে কুষ্ঠ রোগের প্রকোপ সবচেয়ে বেশি। আর সেই তালিকায় রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। তাই এই রাজ্য নিয়ে বাড়তি উদ্বেগ তৈরি হয়েছে (West Bengal Child Leprosy Cases)। তথ্য অনুযায়ী, ভারতের মোট কুষ্ঠ আক্রান্তের ৭৩ শতাংশ রোগীই ভারতের এই সাত রাজ্যে থাকে। যাকে ‘উচ্চ প্রাদুর্ভাব’ রাজ্য হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, ঝাড়খণ্ড, ছত্তিশগড়, মহারাষ্ট্রে কুষ্ঠ রোগের প্রকোপ এখনো উদ্বেগজনক। রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া সহ রাজ্যের একাধিক জেলায় কুষ্ঠ রোগ যথেষ্ট উদ্বেগজনক পরিস্থিতি।‌ বিশেষত সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, পশ্চিম মেদিনীপুরের কুষ্ঠ রোগে আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি (West Bengal Child Leprosy Cases)। শুধু মাত্র পশ্চিম মেদিনীপুরে প্রতি বছর কমবেশি ৫৫০ জন নতুন করে কুষ্ঠ রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। যার মধ্যে ৩০ জন শিশু। এছাড়াও ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়ার পরিস্থিতিও উদ্বেগজনক বলেই জানাচ্ছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

    কীভাবে রোগ প্রতিরোধ সম্ভব?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কুষ্ঠ রোগ প্রকোপ কমানোর মূল হাতিয়ার সম্পূর্ণ চিকিৎসা করানো। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, সরকারি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এই রোগের চিকিৎসা করানো হয়। মাল্টি ড্রাগ থেরাপির মাধ্যমে এই রোগের সম্পূর্ণ নিরাময় সম্ভব। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে রোগী সম্পূর্ণ চিকিৎসা করান না। সমস্যা নিয়ন্ত্রণে থাকলেই অধিকাংশ ক্ষেত্রে রোগী চিকিৎসা বন্ধ করে দেন। এর ফলে জীবাণু সক্রিয় থাকে। সংক্রমণের ঝুঁকিও বজায় থাকে। চিকিৎসা সম্পূর্ণ করালে রোগ নির্মূল হওয়া সম্ভব। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, শিশুদের কুষ্ঠ রোগ সম্পর্কে বাড়তি সতর্কতা জরুরি। শিশুর ত্বকে কোনও বিশেষ‌ দাগ থাকলে, কোনও নির্দিষ্ট অংশে অনুভূতিহীন হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। তাড়াতাড়ি রোগ নির্ণয় হলে তবেই চিকিৎসা সম্ভব। দ্রুত স্বাভাবিক জীবন যাপন সম্ভব।

    কুষ্ঠ নিরাময়ে কোন দিকে বাড়তি নজর দেওয়া হচ্ছে?

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, কুষ্ঠ রোগের মূল চ্যালেঞ্জ সামাজিক হেনস্থা বন্ধ করা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, রোগ সম্পর্কে সচেতনতা (World Leprosy Day 2026) বৃদ্ধি জরুরি। পাশপাশি রোগীর সামাজিক হেনস্থা বন্ধ হওয়া প্রয়োজন। যাতে রোগী রোগ লুকিয়ে না রাখেন।‌ বিশেষত শিশুরা আক্রান্ত হলে , পরবর্তীতে যাতে তাদের কোনো রকম সামাজিক হেনস্থার সম্মুখীন না হতে হয়, সে দিকে প্রশাসনের নজরদারি জরুরি। কুষ্ঠ ব্যাকটেরিয়া ঘটিত অসুখ। এই রোগ কোনও বংশানুক্রমিক রোগ নয়। কোনো পাপের ফল কুষ্ঠ নয় (West Bengal Child Leprosy Cases)। জীবাণু সংক্রমণের দ্বারা এই রোগ হয়। অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে থাকলে এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। সেই সম্পর্কে আরও বেশি সচেতনতা কর্মসূচি জরুরি বলেই মত বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

  • Daily Horoscope 30 January 2026: কর্মে বদলির সম্ভাবনা রয়েছে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 30 January 2026: কর্মে বদলির সম্ভাবনা রয়েছে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) সকালের দিকে অতিরিক্ত রাগের কারণে কারও সঙ্গে হাতাহাতি ও রক্তপাতের সম্ভাবনা।

    ২) ব্যবসায় সুখবর প্রাপ্তিতে আনন্দ।

    ৩) প্রতিকূল দিন।

    বৃষ

    ১) কাজের ব্যাপারে সুখবর আসার পথে বাধা পড়তে পারে।

    ২) শত্রুর চক্রান্তে একটু বিভ্রান্ত হবেন।

    ৩) গুরুজনের পরামর্শ মেনে চলুন।

    মিথুন

    ১) কর্মে বদলির সম্ভাবনা রয়েছে।

    ২) আয় ও ব্যয়ের ভারসাম্য রক্ষা করা মুশকিল হবে।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    কর্কট

    ১) বন্ধুদের সঙ্গে বিবাদ অনেক দূর গড়াতে পারে।

    ২) প্রবাসী কারও বাড়ি ফেরার খবরে আনন্দ লাভ।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    সিংহ

    ১) মেরুদণ্ডের রোগের জন্য কষ্ট বাড়তে পারে।

    ২) বাড়িতে হঠাৎ করে প্রচুর অতিথির আগমনে আনন্দ লাভ।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    কন্যা

    ১) আধ্যাত্মিক আলোচনা থেকে মানসিক পরিবর্তন হতে পারে।

    ২) অযথা ব্যয়বৃদ্ধি নিয়ে দুশ্চিন্তা।

    ৩) ধৈর্য্য ধরতে হবে খুব বেশি।

    তুলা

    ১) নতুন সম্পর্ক গড়ার আগে ভালো করে চিন্তা করুন।

    ২) সারা দিন নানা দিক থেকে আয়ের সুযোগ আসতে পারে।

    ৩) বিবাদে জড়াবেন না কারও সঙ্গে।

    বৃশ্চিক

    ১) কর্মস্থানে একটু সাবধানে কাজ করুন, আঘাত লাগতে পারে।

    ২) আধ্যাত্মিক কাজে কিছু দান করতে হতে পারে।

    ৩) ভেবেচিন্তে কথাবার্তা বলুন।

    ধনু

    ১) অপরের কথায় অশান্তি বাধতে পারে।

    ২) পুরনো কোনও আশা পূরণের চেষ্টা করতে পারেন।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    মকর

    ১) চিকিৎসার খরচ বাড়তে পারে।

    ২) বন্ধুদের কথায় চললে আপনার ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) ধর্মস্থানে যেতে পারেন।

    কুম্ভ

    ১) ব্যবসায় কর্মচারীদের নিয়ে বিবাদ বাধতে পারে।

    ২) কোনও উচ্চপদস্থ ব্যক্তির সঙ্গে দেখা হওয়ায় উপকার পাবেন।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    মীন

    ১) চাকরিজীবীদের জন্য খুব খরচের সময়।

    ২) কাউকে বেশি আপন ভাবলে কষ্ট পেতে হবে।

    ৩) বন্ধুদের কাছে সুনাম অর্জন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 569: “গৌর নিতাই সাঙ্গোপাঙ্গ লইয়া নবদ্বীপে সংকীর্তন করছেন”

    Ramakrishna 569: “গৌর নিতাই সাঙ্গোপাঙ্গ লইয়া নবদ্বীপে সংকীর্তন করছেন”

    ৫১ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে

    দ্বাদশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২০শে ও ২৪শে সেপ্টেম্বর

                                                              অসুস্থ শ্রীরামকৃষ্ণ ও ডাক্তার রাখাল—ভক্তসঙ্গে নৃত্য

    শ্রীরামকৃষ্ণের রোগ কেন?

    মাস্টারের প্রতি আত্মজ্ঞানের উপদেশ—‘দেহটা খোলমাত্র’

    বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর পূর্ণিমার দিন রাত্রে শ্রীরামকৃষ্ণ তাঁহার ঘরের ছোট খাটটির উপর বসিয়া আছেন। গলার অসুখের জন্য কাতর হইয়াছেন। মাস্টার প্রভৃতি ভক্তেরা মেঝেতে বসিয়া আছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) (মাস্টারের প্রতি)—এক-একবার ভাবি দেহটা খোল মাত্র; সেই অখণ্ড (সচ্চিদানন্দ) বই আর কিছু নাই।

    “ভাবাবেশ হলে গলার অসুখটা একপাশে পড়ে থাকে। এখন ওই ভাবটা একটু একটু হচ্ছে, আর হাসি পাচ্ছে।”

    দ্বিজর ভগিনী ও ছোট দিদিমা ঠাকুরের অসুখ শুনিয়া দেখিতে আসিয়াছেন; তাঁহারা প্রণাম করিয়া ঘরের একপাশে বসিলেন। দ্বিজর দিদিমাকে দেখিয়া ঠাকুর বলিতেছেন, “ইনি কে?— যিনি দ্বিজকে মানুষ করেছেন? আচ্ছা দ্বিজ এমন এমন (একতারা) কিনেছে (Kathamrita) কেন?”

    মাস্টার—আজ্ঞা, তাতে দুইতার আছে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—একে ওর বাবা বিরুদ্ধ; সব্বাই কি বলবে? ওর পক্ষে গোপনে (ঈশ্বরকে) ডাকাই ভাল।

    শ্রীরামকৃষ্ণের ঘরে দেয়ালে টাঙ্গানো গৌর নিতাইয়ের ছবি একখানা বেশি ছিল; গৌর নিতাই সাঙ্গোপাঙ্গ লইয়া নবদ্বীপে সংকীর্তন করছেন এই ছবি।

    রামলাল (শ্রীরামকৃষ্ণের প্রতি)—তাহলে, ছবিখানা এঁকেই (মাস্টারকে) দিলাম।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—আচ্ছা; তা বেশ।

    শ্রীরামকৃষ্ণ ও হরিশের সেবা

    ঠাকুর কয়েকদিন প্রতাপের ঔষধ খাইতেছেন। গভীর রাত্রে উঠিয়া পড়িয়াছেন, প্রাণ আই-ঢাই করিতেছে। হরিশ সেবা করেন, ওই ঘরেই ছিলেন; রাখালও আছেন; শ্রীযুক্ত রামলাল বাহিরে বারান্দায় শুইয়া আছেন। ঠাকুর পরে বলিলেন (Kathamrita), “প্রাণ আই-ঢাই করাতে হরিশকে জড়াতে ইচ্ছা হল; মধ্যম নারায়ণ তেল দেওয়াতে ভাল হলাম, তখন আবার নাচতে লাগলাম।”

  • Economic Survey: ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে জিডিপি বৃদ্ধির হার থাকতে পারে ৬.৮ থেকে ৭.২ শতাংশের মধ্যে, বলছে অর্থনৈতিক সমীক্ষা

    Economic Survey: ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে জিডিপি বৃদ্ধির হার থাকতে পারে ৬.৮ থেকে ৭.২ শতাংশের মধ্যে, বলছে অর্থনৈতিক সমীক্ষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদে অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫–২৬ (Economic Survey) পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। বৃহস্পতিবার সংসদে পেশ করা ওই সমীক্ষায় তুলে ধরা হয়েছে বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা অব্যাহত থাকা সত্ত্বেও ভারতের অর্থনীতির একটি আশাব্যঞ্জক ছবি । সমীক্ষা অনুযায়ী, ভারত এখনও বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল (India Growth Rate) প্রধান অর্থনীতির দেশ। ২০২৫–২৬ অর্থবর্ষে যেখানে প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধি হার ৭.৪ শতাংশ হবে, সেখানে  বলে অনুমান করা হয়েছে, জিভিএ বৃদ্ধির হার ধরা হয়েছে ৭.৩ শতাংশ। ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে, ভারতের সম্ভাব্য প্রবৃদ্ধির হার প্রায় ৭ শতাংশ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ২০২৬–২৭ অর্থবর্ষে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হার ৬.৮ থেকে ৭.২ শতাংশের মধ্যে থাকতে পারে বলেও পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

    আন্তর্জাতিক প্রতিকূলতা 

    ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা ও বৈশ্বিক বাণিজ্য বিঘ্নের মতো আন্তর্জাতিক প্রতিকূলতা থাকা সত্ত্বেও সমীক্ষায় (Economic Survey) বলা হয়েছে, শক্তিশালী অভ্যন্তরীণ চাহিদা, স্থিতিশীল কর্মসংস্থান এবং নিয়ন্ত্রিত মূল্যস্ফীতির কারণে ভারতের অর্থনৈতিক পারফরম্যান্স আলাদা করে নজর কেড়েছে। কম মূল্যস্ফীতি ও ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধির ফলে গৃহস্থালি ব্যয় দৃঢ় রয়েছে এবং গ্রামীণ ও শহুরে – উভয় ক্ষেত্রেই ভোগব্যয়ে ধারাবাহিক উন্নতি লক্ষ্য করা গিয়েছে। সমীক্ষায় বিনিয়োগ পরিস্থিতির উন্নতির কথাও তুলে ধরা হয়েছে। পুঁজি গঠন ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং সরকারি ব্যয় পরিকাঠামো সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। উৎপাদন খাতে গতি সঞ্চার হয়েছে এবং পুনরুদ্ধারের স্পষ্ট লক্ষণ দেখা যাচ্ছে (Economic Survey) । পরিষেবা খাত এখনও প্রবৃদ্ধির সবচেয়ে বড় চালিকাশক্তি, যা ভারতের জিডিপির অর্ধেকেরও বেশি অবদান রাখছে। ভারতের রাজস্ব অবস্থানেও উন্নতি হয়েছে। ২০২৪–২৫ অর্থবর্ষে কেন্দ্রের রাজস্ব আদায় জিডিপির ৯.২ শতাংশে পৌঁছেছে। উন্নত কর ব্যবস্থা ও প্রযুক্তিনির্ভর সংস্কারের ফলে করদাতার পরিসরও বিস্তৃত হয়েছে। ২০২০ সালের পর থেকে সরকারি ঋণের পরিমাণ কমেছে, যদিও সরকারি বিনিয়োগ উচ্চ পর্যায়ে বজায় রয়েছে (India Growth Rate)।

    বড় ধরনের পরিবর্তন

    সমীক্ষা (Economic Survey) অনুযায়ী, ব্যাঙ্কিং খাতেও বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর নাগাদ খেলাপি ঋণের হার নেমে এসেছে ২.২ শতাংশে, যা বহু দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন। আর্থিক অন্তর্ভুক্তি আরও গভীর হয়েছে। এ পর্যন্ত ৫৫ কোটিরও বেশি জনধন অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে। একই সঙ্গে খুচরো বিনিয়োগকারীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে, যাদের প্রায় এক-চতুর্থাংশই মহিলা। বৈদেশিক ক্ষেত্রে ভারতের রফতানি রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে, যার প্রধান চালক পরিষেবা খাত। ভারত বিশ্বের বৃহত্তম রেমিট্যান্স গ্রহণকারী দেশ হিসেবে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছে। পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৭০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি হয়েছে, যা বৈশ্বিক ধাক্কার বিরুদ্ধে শক্তিশালী সুরক্ষা বলয় তৈরি করেছে (India Growth Rate)। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত গড় মূল্যস্ফীতি ছিল মাত্র ১.৭ শতাংশ, যা ভোক্তা মূল্যসূচক (সিপিআই) চালু হওয়ার পর থেকে সর্বনিম্ন (Global Headwinds)। ভালো বর্ষার ফলে কৃষিক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে এবং খাদ্যশস্য উৎপাদন রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে।

    উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি

    সমীক্ষায় (Economic Survey) পরিকাঠামো, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, ডিজিটাল সংযোগ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির কথাও বলা হয়েছে। ভারত এখন বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অভ্যন্তরীণ বিমান চলাচল বাজার। নবায়নযোগ্য জ্বালানির ক্ষেত্রেও দেশটি বৈশ্বিক নেতৃত্বদানকারী দেশগুলির মধ্যে রয়েছে। একই সঙ্গে দারিদ্র্য, মাতৃমৃত্যু ও শিশু মৃত্যুর হার কমানোর ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য সাফল্য এসেছে (Indias Growth Rate)।সারসংক্ষেপে অর্থনৈতিক সমীক্ষায় বলা হয়েছে, সংস্কার, পরিকাঠামো উন্নয়ন ও স্থিতিশীল সামষ্টিক অর্থনৈতিক কাঠামোর জোরে ভারত ধীরে ধীরে পুনরুদ্ধার থেকে টেকসই প্রবৃদ্ধির পথে এগিয়ে চলেছে। শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভিত্তি ও ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক আস্থার ফলে ২০৪৭ সালের মধ্যে একটি উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যের দিকে এগোতে ভারত সুদৃঢ় অবস্থানে রয়েছে।

  • India Canada Relation: সেতুবন্ধনে ‘ইন্ডিয়া এনার্জি উইকে’র মঞ্চ, জ্বালানি নিয়ে আলোচনা শুরু ভারত-কানাডার

    India Canada Relation: সেতুবন্ধনে ‘ইন্ডিয়া এনার্জি উইকে’র মঞ্চ, জ্বালানি নিয়ে আলোচনা শুরু ভারত-কানাডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোয়ায় অনুষ্ঠিত ইন্ডিয়া এনার্জি উইক (IEW) ২০২৬-এর মঞ্চে ফের আনুষ্ঠানিকভাবে মন্ত্রী পর্যায়ের জ্বালানি সংক্রান্ত আলোচনা শুরু করেছে ভারত-কানাডা। কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসমন্ত্রী হরদীপ সিং পুরি এবং কানাডার জ্বালানি (Energy Dialogue) ও প্রাকৃতিক সম্পদমন্ত্রী টিমোথি হজসন যৌথভাবে অপরিশোধিত তেল, এলএনজি (LNG) এবং জ্বালানি রূপান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ খনিজের দীর্ঘমেয়াদি বাণিজ্যের একটি রোডম্যাপ ঘোষণা করেন (India Canada Relation)। এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকটি আট বছরের মধ্যে প্রথম মন্ত্রী পর্যায়ের যোগাযোগ। এটি জুন ২০২৫-এ কানানাস্কিসে জি-৭ সম্মেলনের ফাঁকে ভারত ও কানাডার প্রধানমন্ত্রীদের বৈঠকের ধারাবাহিকতার মধ্যেই অনুষ্ঠিত হয়।

    কী বললেন হরদীপ সিং পুরি (India Canada Relation)

    মন্ত্রী বলেন, “উত্তর আমেরিকার দেশ কানাডা তার বিপুল প্রাকৃতিক সম্পদের কারণে ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অংশীদার হিসেবে রয়ে গিয়েছে। কানাডার কাছে সম্ভবত ১০০ বছরেরও বেশি সময়ের অপরিশোধিত তেল মজুত রয়েছে।” পুরি জানান, সরবরাহ শৃঙ্খল ও দ্বিপাক্ষিক কাঠামো নিয়ে আলোচনা করতে এটি ছিল মন্ত্রী হজসনের সঙ্গে তাঁর তৃতীয় বৈঠক। যৌথ বিবৃতি অনুযায়ী, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের মূল ক্ষেত্রগুলি হবে, জ্বালানি রফতানি, কানাডা থেকে ভারতে অপরিশোধিত তেল, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (LNG) এবং তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (LPG)-এর সরবরাহ বাড়ানো, এশীয় বাজারে অপরিশোধিত তেল রফতানি বাড়াতে ট্রান্স মাউন্টেন এক্সপ্যানশন (TMX) পাইপলাইনের ব্যবহার, ভারতের উচ্চ পরিশোধন ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে ভারত থেকে কানাডায় পরিশোধিত পেট্রোলিয়াম পণ্যের সরবরাহ (India Canada Relation)।

    বৈঠকের গুরুত্বপূর্ণ দিক

    এই বৈঠকের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল বৈদ্যুতিক যান এবং নবায়নযোগ্য শক্তি পরিকাঠামোর জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া। রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা অয়েল ইন্ডিয়া লিমিটেড (OIL)-কে কানাডায় গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ অনুসন্ধান ও অধিগ্রহণের জন্য একটি কনসর্টিয়ামের নেতৃত্ব দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী বলেন, “অয়েল ইন্ডিয়া লিথিয়াম, কোবাল্ট এবং রেয়ার আর্থ খনিজ পদার্থের খনি অনুসন্ধানের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে পারে।” অয়েল ইন্ডিয়ার সিএমডি রঞ্জিত রাঠ বলেন, “অয়েল ইন্ডিয়া বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ও রেয়ার আর্থ এলিমেন্টস অনুসন্ধানের দিকে নজর দেবে। বৈদ্যুতিক যান উৎপাদনের জন্য অত্যাবশ্যক লিথিয়াম, কোবাল্ট এবং রেয়ার আর্থ এলিমেন্টস সুরক্ষিত করাই আমাদের লক্ষ্য।” দুই দেশ পারস্পরিক বিনিয়োগের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখবে। ভারত তার সম্পূর্ণ জ্বালানি মূল্য শৃঙ্খলে প্রায় ৫০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের সুযোগের কথা তুলে ধরে। অন্যদিকে, কানাডা জানায় যে বর্তমানে তাদের দেশে প্রায় ১১৬ বিলিয়ন ডলার মূল্যের জ্বালানি প্রকল্পে উন্নয়ন চলছে।

    এই বৈঠকে গ্রিন হাইড্রোজেন, বায়োফুয়েল এবং কার্বন ক্যাপচার প্রযুক্তি ক্ষেত্রেও সহযোগিতার রূপরেখা দেওয়া হয়েছে। দুই (Energy Dialogue) দেশের মন্ত্রীরাই বলেন, “বৈশ্বিক সরবরাহ কিছু নির্দিষ্ট অঞ্চলে কেন্দ্রীভূত থাকায় যে ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে, তা কমাতে গুরুত্বপূর্ণ খনিজের সরবরাহ শৃঙ্খল বহুমুখীকরণ এখন অগ্রাধিকারের তালিকায়।” প্রসঙ্গত, পরবর্তী উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ২০২৬ সালের মার্চ মাসে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হতে পারে, কানাডার একটি নির্ধারিত বাণিজ্য মিশনের সময় (India Canada Relation)।

     

  • PM Modi: “কেন্দ্রীয় বাজেট ও সংস্কারের ওপরই মনোনিবেশ করুন”, সাংসদদের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: “কেন্দ্রীয় বাজেট ও সংস্কারের ওপরই মনোনিবেশ করুন”, সাংসদদের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সাংসদরা যেন কেন্দ্রীয় বাজেট ও সংস্কারের ওপরই মনোনিবেশ করেন”, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি এমনই আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি রাষ্ট্রপতির ভাষণকে জাতীয় আত্মবিশ্বাসের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরেন এবং ভারতের প্রবৃদ্ধি-লক্ষ্যমাত্রাকে ভারত এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির সঙ্গে যুক্ত করেন, যাকে তিনি সবচেয়ে (Budget Session) বড় চুক্তি বা সব চুক্তির জননী বলে অভিহিত করেন। নয়াদিল্লিতে বাজেট অধিবেশনের সূচনায় ভাষণ দিতে গিয়ে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের একটি ঐতিহাসিক মাইলফলকের কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। ১ ফেব্রুয়ারি তিনি ২০২৬–২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করতে চলেছেন, যা হবে তাঁর টানা নবম বাজেট পেশ।

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য (PM Modi)

    রাষ্ট্রপতির ভাষণ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “রাষ্ট্রপতির ভাষণ ১৪০ কোটি নাগরিকের আত্মবিশ্বাসের প্রকাশ এবং যুবসমাজের আকাঙ্ক্ষার রূপরেখা তুলে ধরে।” সংস্কার ও সংসদের ভূমিকা নিয়ে তিনি বলেন, “সংসদ সদস্যদের উচিত সংস্কারের গতিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে অবদান রাখা এবং তা সমর্থন করা।” ভারতের সংস্কারযাত্রা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দীর্ঘদিনের সমস্যার যুগ থেকে বেরিয়ে এসে আমরা এখন দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের পথে এগোচ্ছি।” প্রযুক্তি ও শাসনব্যবস্থা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমাদের প্রযুক্তিগত সংস্কার মানুষের প্রয়োজনকে কেন্দ্র করে গড়ে তোলা দরকার।” বিশ্বে ভারতের অবস্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “ভারতের গণতন্ত্র ও জনসংখ্যাগত শক্তি বিশ্বশক্তির বড় স্তম্ভ।” ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আগামী দিনে আমরা পরবর্তী প্রজন্মের সংস্কারের পথে এগিয়ে যাব।” ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে তিনি বলেন, “ভারত-ইইউ এফটিএ একটি আত্মবিশ্বাসী ও প্রতিযোগিতামূলক ভারতের দিকে বড় পদক্ষেপ (PM Modi)।”

    সবচেয়ে বড় চুক্তি

    উৎপাদন ও রফতানি প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে এই চুক্তিকে ‘সবচেয়ে বড় চুক্তি’ বলে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এটি ভারতীয় উৎপাদকদের জন্য একটি বিশাল বাজার খুলে দেবে।” একই সঙ্গে তিনি পণ্যের গুণগত মানের ওপরও জোর দেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ইউরোপীয় ইউনিয়নে যেন সর্বোচ্চ মানের পণ্যই যায়, তা নিশ্চিত করতে হবে। গুণগত মানই আগামী কয়েক দশক ধরে স্থায়ী প্রভাব ফেলবে এবং ইউরোপে ‘ইন্ডিয়া ব্র্যান্ড’ প্রতিষ্ঠা করবে।” বাজেট অধিবেশনের প্রধান লক্ষ্য কী, এদিন তাও জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। বলেন, “দেশের জন্য বাজেটের ওপর মনোযোগ দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংস্কার, কার্যকর করা বা বাস্তবায়ন ও রূপান্তর—এই তিনটি লক্ষ্যই আমাদের প্রধান উদ্দেশ্য (Budget Session)।” এদিনই অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সংসদে অর্থনৈতিক সমীক্ষা পেশ করার কথা। এতে ২০২৬–২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেটের আগে ভারতের অর্থনীতির বিস্তারিত মূল্যায়ন তুলে ধরা হবে। ১ ফেব্রুয়ারি পেশ হবে বাজেট। প্রসঙ্গত, এই বাজেটটি হবে নির্মলা সীতারামনের টানা নবম কেন্দ্রীয় বাজেট। এর মাধ্যমে (Budget Session) তিনি দেশের প্রথম অর্থমন্ত্রী এবং প্রথম মহিলা হিসেবে এই নজির তৈরি করতে চলেছেন (PM Modi)।

     

LinkedIn
Share