Tag: news in bengali

news in bengali

  • Weather Update: রাজ্যে শুরু ‘সুপার এল নিনো’-র দাপট! ৪২ পেরিয়ে গেল পশ্চিমাঞ্চলের তাপমাত্রা

    Weather Update: রাজ্যে শুরু ‘সুপার এল নিনো’-র দাপট! ৪২ পেরিয়ে গেল পশ্চিমাঞ্চলের তাপমাত্রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের উত্তাপের সঙ্গেই শহর কলকাতায় পাল্লা দিয়ে বাড়ছে তাপমাত্রার (Weather Update) পারদ। ভ্যাপসা গরমে নাকাল শহরবাসী। বেলা বাড়লেই বইছে গরম হাওয়া। ভোটের মুখে তাপপ্রবাহের (Heat Wave) আঁচ বাংলা। অন্তত প্রথম দফার ভোটে রীতিমতো ঘর্মাক্ত অবস্থা হবে বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে বৃষ্টির পরশ পেতে পারে দক্ষিণবঙ্গ। তার আগে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হলেও অস্বস্তি কমার কোনও আশা নেই। আগামী ২৬ এপ্রিল দক্ষিণবঙ্গে ঝড়-বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

    কলকাতার তাপমাত্রা হতে পারে ৫০ ডিগ্রি

    আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস (Weather Update) বলছে, পশ্চিমাঞ্চলে পারদ ক্রমশ চড়ছে। ইতিমধ্যেই তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি পেরিয়ে গিয়েছে। আসানসোলের পারদ পৌঁছেছে ৪২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। মঙ্গলবার ও বুধবার পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান সহ পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি হয়েছে। এই বছরের দ্বিতীয়ভাগে আসছে ‘সুপার এল নিনো’ (Super El Nino Alert)। এর প্রভাবে প্রচণ্ড গরম পড়তে চলেছে। তাপপ্রবাহ হবে। কমে যাবে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ। কলকাতায় যেখানে চড়া গ্রীষ্মে তাপমাত্রা ৪০ থেকে ৪৫ ডিগ্রির ঘরে পৌঁছয়, এবার তা রেকর্ড ভেঙে ৫০ ডিগ্রিও হতে পারে, এমনটাই সতর্ক করছেন আবহাওয়াবিদরা।

    কবে আসবে বৃষ্টি

    আবহাওয়া দফতর (Weather Update) সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় দক্ষিণবঙ্গের সমস্ত জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে। এরপর পরবর্তী ৭২ ঘণ্টায় তাপমাত্রায় বড় কোনও পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। গরমের পাশাপাশি আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তিও বাড়বে। ২১ থেকে ২৭ তারিখ পর্যন্ত এই অস্বস্তি চলবে বলে পূর্বাভাস (Weather in Bengal)। ইতিমধ্যেই দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় এই কারণে হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের পরিস্থিতি একেবারেই আলাদা। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদা জেলায় ঝেঁপে বৃষ্টি (Rain Forecast) চলবে। সঙ্গে থাকবে বজ্রবিদ্যুৎও। দক্ষিণে আবহাওয়া ঘুরতে আরও দিন পাঁচেক সময় লাগবে। আগামী রবিবার দক্ষিণের ৭ জেলায় কালবৈশাখীর হলুদ সতর্কতা জারি থাকছে।

  • Assembly Elections 2026: আইন ভাঙলে কড়া পদক্ষেপ! পুলিশকে হুঁশিয়ারি, সিভিক ভলান্টিয়রদের কী বলল কমিশন?

    Assembly Elections 2026: আইন ভাঙলে কড়া পদক্ষেপ! পুলিশকে হুঁশিয়ারি, সিভিক ভলান্টিয়রদের কী বলল কমিশন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে শান্তিপূর্ণ ও অবাধ নির্বাচন (Assembly Elections 2026) করতে বদ্ধপরিকর কমিশন। ভোটের আগে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের তরফ থেকে একগুচ্ছ কড়া নির্দেশিকা জারি করা হল। রাজ্যের সিভিক ভলান্টিয়র, ভিলেজ পুলিশ এবং গ্রিন পুলিশদের নিয়ে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করছে কমিশন (Election Commission)। নির্বাচন কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশ, ভোটের তিন দিন আগেই এই কর্মীদের ‘রিজার্ভ লাইনে’ পাঠিয়ে দিতে হবে। নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় যাতে তাঁদের কোনওভাবেই ব্যবহার করা না হয়, তা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনকে কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    কেন সরানো হচ্ছে সিভিকদের

    কমিশনের (Election Commission) আশঙ্কা, এই কর্মীরা যদি ভোটের দিন ইউনিফর্ম পরে কর্তব্যরত থাকেন, তবে তাঁরা ভোটারদের প্রভাবিত করতে পারেন বা পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ উঠতে পারে। তাই শুধু রিজার্ভ লাইনে পাঠানোই নয়, স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, ভোটের দিনগুলোতে (Assembly Elections 2026)যদি বিশেষ প্রয়োজনে তাঁদের মোতায়েন করতেই হয়, তবে কোনওভাবেই পুলিশের পোশাক বা ইউনিফর্ম পরা যাবে না। তাঁদের সাধারণ পোশাকে থাকতে হবে। ভোটের কয়েকদিন আগে এই নির্দেশিকা জারি করে কমিশন বার্তা দিল, কোনও অবস্থাতেই যাতে ভোটারদের ওপর কোনো প্রকার প্রভাব বিস্তার না করা হয়।

    পুলিশ আধিকারিকদের বার্তা

    রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (সিইও) দফতর সূত্রে খবর, বিভানসভা ভোটপর্ব (Assembly Elections 2026) শুরুর আগে নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের একাংশের তরফে বিভিন্ন থানার ওসি এবং মহকুমা পুলিশ আধিকারিক (এসডিপিও)-দের কড়া হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের কঠোর সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে যে, ভোট-সংক্রান্ত অশান্তির ক্ষেত্রে কোনও রকম সহনশীলতা দেখানো হবে না। কোনও ধরনের গন্ডগোল ঘটলে সংশ্লিষ্ট থানার ওসি এবং এসডিপিও দায়ী থাকবেন। কর্তব্যে অবহেলার জন্য সংশ্লিষ্ট পুলিশকর্তার বিরুদ্ধে কড়া শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করবে বলে বার্তা দিয়ে কমিশনের (Election Commission) হুঁশিয়ারি— আইন ভাঙার ঘটনায় জড়িত থাকলে সংশ্লিষ্ট ওসি বা এসডিপিও-কে বরখাস্ত করা হতে পারে। ভোটের সময় বোমা বা আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হবে বলে জানিয়ে কমিশন বার্তা দিয়েছে, গুরুতর অশান্তির ঘটনা ঘটলে সংশ্লিষ্ট থানার ওসি-কে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হতে পারে! অর্থাৎ ভোটে অশান্তির ঘটনা ঘটলে তার মূল দায় নিতে হবে সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিককে।

  • Rajnath Singh in Germany: জার্মানি সফরে রাজনাথ, ১ লক্ষ কোটি টাকার সাবমেরিন চুক্তি কি এবার পাকা?

    Rajnath Singh in Germany: জার্মানি সফরে রাজনাথ, ১ লক্ষ কোটি টাকার সাবমেরিন চুক্তি কি এবার পাকা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও জার্মানি-র মধ্যে কৌশলগত প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী করতে মঙ্গলবার থেকে তিন দিনের সরকারি সফরে জার্মানি যাচ্ছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সি (Rajnath Singh)। এই সফরে তিনি জার্মানির প্রতিরক্ষামন্ত্রী বরিস পিস্টোরিয়াস (Boris Pistorius)-সহ সে দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেবেন। সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, আলোচনার অন্যতম প্রধান বিষয় হতে পারে ভারত–জার্মানি সাবমেরিন চুক্তি। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সফর ভারতের ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ উদ্যোগকে আরও গতি দেবে এবং দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে যৌথ উন্নয়ন ও উৎপাদনের নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে।

    ‘প্রজেক্ট ৭৫আই’ প্রকল্প কী

    ভারত–জার্মানি সাবমেরিন চুক্তি ‘প্রজেক্ট ৭৫আই’ (P-75I)-এর অধীনে ভারতে ছয়টি অত্যাধুনিক প্রচলিত সাবমেরিন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এই প্রকল্পের সম্ভাব্য ব্যয় প্রায় ৭০ হাজার কোটি থেকে ৯৯ হাজার কোটি টাকা (প্রায় ৮–১২ বিলিয়ন ডলার)। এই সাবমেরিনগুলি জার্মান প্রতিরক্ষা সংস্থা থাইসিনক্রাপ মেরিন সিস্টেমের (Thyssenkrupp Marine Systems) সহযোগিতায় নির্মিত হওয়ার কথা। এর ফলে ভারতের সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা শক্তি আরও বাড়বে। এর আগে জার্মানি থেকে শিশুমার শ্রেণির ৪টি ডিজেল-বিদ্যুৎ ডুবোজাহাজ কিনেছিল ভারতীয় নৌসেনা। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রের খবর, এ বারও জার্মানির সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ডিজেল-বিদ্যুৎ ডুবোজাহাজ তৈরি হবে মুম্বইয়ের ‘মাঝগাঁও ডক শিপবিল্ডার্স লিমিটেড’-এ (Mazagon Dock Shipbuilders Limited) তৈরি হবে ডুবোজাহাজগুলি।

    বাড়বে সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা শক্তি

    প্রজেক্ট-৭৫আই হল ভারতীয় নৌবাহিনীর (Indian Navy) একটি বড় উদ্যোগ, যার লক্ষ্য দেশের সাবমেরিন শক্তিকে আধুনিকীকরণ করা। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ছয়টি অত্যাধুনিক ডিজেল-ইলেকট্রিক সাবমেরিন নির্মাণ করা হবে। এই সাবমেরিনগুলির সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হল এয়ার ইন্ডিপেন্ডেন্ট প্রোপালশন (AIP) প্রযুক্তি। এই প্রযুক্তির ফলে সাবমেরিনগুলো কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত জলের নিচে ভেসে থাকতে পারবে, যেখানে সাধারণ ডিজেল-ইলেকট্রিক সাবমেরিনকে ১-২ দিন অন্তর উপরে উঠতে হয়। এছাড়া, এই সাবমেরিনগুলোতে আধুনিক টর্পেডো এবং ব্রহ্মস (BrahMos)-এর মতো অ্যান্টি-শিপ ক্রুজ মিসাইল বসানো হবে, যা শত্রু জাহাজ এবং স্থলভাগে নির্ভুল আঘাত হানতে সক্ষম।

    চিনের সঙ্গে পাল্লা

    এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ভারতীয় নৌবাহিনীর শক্তি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। বিশেষ করে ভারত মহাসাগরে চিনের বাড়তে থাকা প্রভাব মোকাবিলায় এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। একইসঙ্গে, জার্মানির কাছ থেকে এআইপি প্রযুক্তি পাওয়ার ফলে ভবিষ্যতে ভারত নিজস্ব উন্নত সাবমেরিন তৈরির ক্ষেত্রেও বড় সাফল্য পাবে। প্রসঙ্গত, প্রায় দেড় দশক আগে ফরাসি সংস্থা ডিসিএনএস-এর সঙ্গে নকশা ও প্রযুক্তিগত সহায়তা চুক্তির ভিত্তিতে ৬টি কলভরী শ্রেণিক স্করপিন ডুবোজাহাজ বানানো শুরু করেছিল ভারত। সেই প্রকল্পের নাম ছিল ‘প্রজেক্ট ৭৫’। ওই গোত্রের প্রথম স্টেলথ ডুবোজাহাজ আইএনএস কলভরীকে ২০১৫ সালের অক্টোবরে নৌবাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল। ২০২০-র নভেম্বরে এই গোত্রের শেষ ডুবোজাহাজটি হাতে পেয়েছিল নৌসেনা। এবার সামগ্রিকভাবে, প্রজেক্ট-৭৫আই ভারতের সামুদ্রিক নিরাপত্তা, নজরদারি এবং প্রতিরক্ষা সক্ষমতাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

    এই সফরে কী কী নিয়ে আলোচনা

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই সফরে দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা শিল্প সহযোগিতা বৃদ্ধি, সামরিক স্তরে পারস্পরিক যোগাযোগ জোরদার এবং সাইবার নিরাপত্তা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ও ড্রোন প্রযুক্তির মতো নতুন ক্ষেত্রগুলিতে সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হবে। এছাড়াও, দুই দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর উপস্থিতিতে প্রতিরক্ষা শিল্প সহযোগিতার একটি রোডম্যাপ এবং রাষ্ট্রসংঘ শান্তিরক্ষা অভিযানে যৌথ প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, দীর্ঘ সাত বছর পর কোনও ভারতীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী জার্মানি সফর যাচ্ছেন। এর আগে ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে তৎকালীন প্রতিরক্ষামন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman) জার্মানি সফর করেছিলেন। অন্যদিকে, বরিস ২০২৩ সালের জুনে ভারতে এসে রাজনাথ সিং-এর সঙ্গে ভারত-জার্মান প্রতিরক্ষা চুক্তি সংক্রান্ত বিস্তৃত আলোচনা করেন।

    সমুদ্র-পথে প্রস্তুত ভারত

    সম্প্রতি রাজনাথ জানান, বর্তমানে অস্থির বিশ্বে জলপথেও প্রতিরক্ষা শক্তি বাড়িয়ে নিজেদের প্রস্তুত রাখতে চায় দিল্লি।  পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের পরিস্থিতি নিয়ে এক্স হ্যান্ডেলে করা এক পোস্টে রাজনাথ বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় সরকার সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে। তিনি ‘ভারত মেরিটাইম ইন্স্যুরেন্স পুল’ গঠনের জন্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার অনুমোদনের বিষয়টি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন। ১২,৯৮০ কোটি টাকার সার্বভৌম গ্যারান্টি সহ এই প্রকল্প ভারতীয় সামুদ্রিক বাণিজ্যের জন্য ধারাবাহিক ও সাশ্রয়ী বিমা সুবিধা নিশ্চিত করবে। অস্থির সামুদ্রিক করিডর দিয়ে যাতায়াতের ক্ষেত্রেও ভারতীয় বাণিজ্য যাতে ব্যাহত না হয়, সে বিষয়ে এই সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি জানান। পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের পরিস্থিতি এখনও অনিশ্চিত ও অস্থির। তিনি বলেন, “পরিস্থিতি শান্ত হলেও বা পুনরায় উত্তেজনা বাড়লেও— উভয় অবস্থার জন্যই ভারতকে প্রস্তুত থাকতে হবে”।

  • Mohan Bhagwat: “সংস্কৃত ভাষা আমাদের ভারতকে বুঝতে সাহায্য করে”, বললেন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: “সংস্কৃত ভাষা আমাদের ভারতকে বুঝতে সাহায্য করে”, বললেন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সংস্কৃত (Sanskrit) ভাষা জানা আমাদের ভারতকে বুঝতে সাহায্য করে”, বললেন আরএসএসের সরসংঘচালক মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। আজ, ২০ এপ্রিল ২০২৬-এ ডিডিইউ মার্গে সংস্কৃত ভারতীর কার্যালয় ‘প্রণবে’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কথাগুলি বলেন তিনি। ভাগবত বলেন, “‘প্রণব’ নামে নতুন কার্যালয়ের এই উদ্বোধন একটি শুভ মুহূর্তে হচ্ছে। এটি আমাদের সবার জন্য আনন্দ ও উৎসাহের বিষয়। বিশ্বাস করা হয় যে অক্ষয় তৃতীয়ায় শুরু করা যে কোনও কাজ স্থায়ী ও সফল হয়।”

    সংস্কৃত ভারতের প্রাণশক্তি (Mohan Bhagwat)

    তিনি বলেন, “সংস্কৃত ভারতের প্রাণশক্তি, কারণ চিন্তা, জীবন ও সংস্কৃতির প্রাচীনতম জীবন্ত ঐতিহ্য এখনও এর মাধ্যমে বিদ্যমান। ভারতের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এমন এক ধারার প্রতিনিধিত্ব করে যা জীবিত ও জড়—সমগ্র বিশ্বব্রহ্মাণ্ডকে ধারণ করে। এই কর্তব্য পালন করতে হলে ভারতকে জানতে, গ্রহণ করতে এবং নিজেকে ভারতের অংশ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।” সমবেত শ্রোতাদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ভাগবত বলেন, “সংস্কৃত একটি ভাষা হলেও, এটি শুধু ভাষা নয়। আপনি যদি সংস্কৃত জানেন, তবে যে কোনও ভারতীয় ভাষা বোঝা সম্ভব। ভারতে সংস্কৃত জাতির আত্মা, কারণ এটি চিন্তা, জীবন ও সংস্কৃতির প্রাচীনতম ঐতিহ্য, যা আজও জীবন্ত (Sanskrit)।”

    ভারত একটি জীবন্ত ঐতিহ্য

    তিনি ভারতের দার্শনিক ধারণা ব্যাখ্যা করে বলেন, “ভারতের অস্তিত্ব শুধু ভৌগোলিক নয়, এটি কেবল রাজনৈতিক বা অর্থনৈতিক সত্তাও নয়। ভারত একটি জীবন্ত ঐতিহ্য, যার ওপর জীবনের ধারাবাহিকতা নির্ভর করে।” সরসংঘচালক বলেন, “শৈশবে স্কুলে সংস্কৃত শেখা কঠিন মনে হত। পাঠ্যক্রমে ‘শ্লোক’ মুখস্থ করতে হত, যা ভাষাটিকে কঠিন বলেই মনে করাত। কিন্তু বাড়িতে যখন সেই একই শ্লোক শুনতাম, তখন তা আর কঠিন বলে মনে হত না।” আরএসএস কর্তা বলেন, “আজও এই সমস্যাটি রয়ে গিয়েছে। শিক্ষার্থীরা সংস্কৃতকে কঠিন মনে করে। কিন্তু প্রশ্ন হল, কেন? বাস্তবে ভাষা শেখার সবচেয়ে সহজ ও কার্যকর উপায় হল কথোপকথন, বই নয় (Sanskrit)।”

    কথোপকথনই ভাষা শেখার সেরা উপায়

    তিনি বলেন, “কথোপকথনই ভাষা শেখার সেরা উপায়, ব্যাকরণ নয়। আমি যখন ভারতের বিভিন্ন স্থানে ভ্রমণ করি, স্থানীয় ভাষার সব শব্দ না জানলেও মূল ভাব বুঝতে পারি। নিয়মিত শোনা ও বলার মাধ্যমে ভাষা স্বাভাবিকভাবে শেখা যায়। তাই ভাষা শেখার সর্বোত্তম উপায় হল সেই ভাষাভাষীদের মধ্যে থাকা, তাদের কথা শোনা এবং নিজেও বলা (Mohan Bhagwat)।” সংস্কৃত ভারতীর প্রশংসা করে ভাগবত বলেন, “এই সংগঠন অল্প সময়ের মধ্যে সারা দেশে সংস্কৃতের প্রতি আগ্রহ বাড়াতে সক্ষম হয়েছে এবং কথোপকথন পদ্ধতিতে ভাষাটিকে জনপ্রিয় করেছে।” তিনি আরও বলেন, “গত ১৫ বছরে সমাজে সংস্কৃতের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গির বড় পরিবর্তন দেখা গিয়েছে। পরিবর্তিত পরিস্থিতি মানুষকে তাদের সাংস্কৃতিক শেকড়ের সঙ্গে ফের যুক্ত করছে, ফলে সংস্কৃত শেখা ও বোঝার সুযোগ তৈরি করা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।” তিনি বলেন, “নতুন কার্যালয় নির্মাণ অবশ্যই আনন্দের বিষয়। তবে মনে রাখতে হবে, কার্যালয় কাজের কারণ নয়, বরং কাজের বিস্তারের ফল।”

    সংস্কৃত সংরক্ষণ

    এই উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, “অক্ষয় তৃতীয়ার পবিত্র দিবসে ‘প্রণব’ নামে সংস্কৃত ভারতীর নতুন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের উদ্বোধনের খবর জেনে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। এটি ভারতের জ্ঞান, সংস্কৃতি ও আধ্যাত্মিকতার পুনর্জাগরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ (Mohan Bhagwat)।” তিনি এও বলেন, “সংস্কৃত আমাদের প্রাচীন ও সমৃদ্ধ ঐতিহ্যের বাহক। এর মধ্যে বিজ্ঞান, দর্শন-সহ নানা জ্ঞানের ধারাবাহিক প্রবাহ রয়েছে, যা মানবতার পক্ষে আশীর্বাদস্বরূপ। সংস্কৃতের (Sanskrit) মহিমা অসীম।” প্রধানমন্ত্রী মনে করিয়ে দেন, গত ১১ বছরে সংস্কৃত সংরক্ষণ ও প্রচারে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং নতুন শিক্ষা নীতিতে ভারতীয় ভাষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

    সংস্কৃত ভবিষ্যতেরও ভাষা

    তিনি বলেন, “সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে আমি ‘সুভাষিত’ শেয়ার করে শাস্ত্রের জ্ঞান মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছি। তরুণদের মধ্যে এ বিষয়ে আগ্রহ বাড়ছে। সংস্কৃত শুধু অতীতের ভাষা নয়, বর্তমান এবং ভবিষ্যতেরও ভাষা।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভাষার শিক্ষা ও প্রসারের মাধ্যমে ভারতের সাংস্কৃতিক (Sanskrit) আত্মা নতুন শক্তি লাভ করবে। সংস্কৃত ভারতীর সকল কর্মীদের নিষ্ঠা এবং সংস্কৃত ভাষার উন্নয়নে তাঁদের প্রচেষ্টা প্রশংসনীয় (Mohan Bhagwat)।” তাঁর আশা, ‘প্রণব’ কার্যালয়ের উদ্বোধন এই যাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হবে।

     

  • Liver Health: অভ্যাসেই ঝুঁকি বাড়ছে লিভারের! কোন চার অভ্যাসে রাশ টানলেই লিভার সুস্থ থাকবে?

    Liver Health: অভ্যাসেই ঝুঁকি বাড়ছে লিভারের! কোন চার অভ্যাসে রাশ টানলেই লিভার সুস্থ থাকবে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    দেশ জুড়ে চিন্তা বাড়াচ্ছে লিভারের অসুখ। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, গত কয়েক দশকে এ দেশে উল্লেখযোগ্য ভাবে লিভারের রোগের দাপট বেড়েছে। লিভারের রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর হারও উদ্বেগজনক। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারতে সবচেয়ে বেশি দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে উঠছে শিশুদের লিভারের সমস্যা। তাঁরা জানাচ্ছেন, ভারতীয়দের কয়েকটি অভ্যাস লিভারের সমস্যা তৈরি করছে। লিভারের অসুখ দীর্ঘমেয়াদি ভোগান্তির কারণ হয়ে উঠছে।

    ভারতে কতখানি লিভারের রোগের দাপট বেড়েছে? কী বলছে সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান?

    ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, এ দেশে লিভারের অসুখ উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়েছে। ১৯৯০ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে এদেশে লিভারের রোগের হার বেড়েছে ২৫ শতাংশ। বর্তমানে এ দেশের ৫৩ শতাংশ মানুষ লিভারের সমস্যায় ভুগছেন। প্রতি ৩ জনে ১ জন ভারতীয় লিভারের অসুখে ভুগছেন। ভারতীয়দের মধ্যে নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভারের (NAFL) রোগ উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। শিশুদের মধ্যেও এই রোগের প্রকোপ বাড়ছে। এ দেশের প্রায় ৩৫ শতাংশ শিশু ফ্যাটি লিভারে আক্রান্ত। পরিসংখ্যান জানাচ্ছে, শহুরে ভারতীয়দের মধ্যে লিভারের অসুখের দাপট বেশি। লিভারের অসুখে মৃত্যুর হারও এ দেশে উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়েছে। ভারতে যেসমস্ত রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর ঘটনা সবচেয়ে বেশি হয়, তার প্রথম সারিতেই রয়েছে লিভারের অসুখ। প্রতি বছর কয়েক লাখ ভারতীয় লিভারের অসুখে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।

    কোন চার অভ্যাস লিভারের অসুখের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে?

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারতীয়দের জীবন যাপনের চার অভ্যাস লিভারের অসুখের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে‌। প্রথম থেকেই এই অভ্যাসে রাশ টানলে বড় বিপদ এড়ানো সহজ‌ হয়।

    অতিরিক্ত ওজনে নিয়ন্ত্রণ!

    অতিরিক্ত ওজন ভারতীয়দের সবচেয়ে বড় স্বাস্থ্য সমস্যা হয়ে উঠেছে। প্রয়োজনের অতিরিক্ত ফ্যাট এবং প্রোটিন জাতীয় খাবার নিয়মিত খাওয়া এবং অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়ার জেরেই এই অতিরিক্ত ওজনের সমস্যা বাড়ছে। ভারতীয় শিশুদের লিভারের সমস্যার নেপথ্যে রয়েছে এই অতিরিক্ত ওজনের সমস্যা। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, অতিরিক্ত ওজন বিশেষত পেটে জমা চর্বি লিভারের রোগের অন্যতম কারণ। তাই খাবার নিয়ে সচেতনতা জরুরি। প্রয়োজনের অতিরিক্ত খাবার নয়। ওজন যাতে নিয়ন্ত্রণে থাকে, সেদিকে বিশেষ নজরদারি জরুরি।

    অতিরিক্ত মিষ্টি খাওয়ার অভ্যাস!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারতীয়দের অতিরিক্ত মিষ্টি খাওয়ার অভ্যাস লিভারের বিপদ বাড়াচ্ছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, বড়দের পাশাপাশি ভারতীয় শিশুরাও অতিরিক্ত মিষ্টি খাওয়ায় অভ্যস্ত হয়। নানান রকমের মিষ্টি, কেক, পেস্ট্রি অনেকের নিয়মিত খাবারের তালিকায় থাকে। চিনি জাতীয় খাবার অতিরিক্ত খাওয়ার জেরে লিভারের কার্যক্ষমতা নষ্ট হয়। অতিরিক্ত মিষ্টি শরীরের জন্য বিপজ্জনক। এই অভ্যাস ভারতীয়দের লিভারের রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে।

    ডায়াবেটিসের দাপট লিভারের অসুখের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারত ডায়াবেটিস রোগের রাজধানীতে পরিণত হয়েছে। মহামারির মতো ডায়াবেটিস ছড়িয়ে পড়েছে। বাদ নেই শিশুরাও।‌ অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস এবং জিনগত কারণে এদেশে ডায়াবেটিসের দাপট আরও বাড়ছে। আর এই রোগ একাধিক রোগের কারণ হয়ে উঠছে। লিভারের অসুখের নেপথ্যেও থাকে ডায়াবেটিস। রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে গেলে লিভারের ক্ষমতা কমতে থাকে। এ দেশে শিশুদের মধ্যেও টাইট টু ডায়াবেটিসের প্রকোপ দেখা দিচ্ছে। তাই শিশুরাও লিভারের অসুখে আক্রান্ত হচ্ছেন।

    মদ্যপানে না!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, তরুণ প্রজন্মের মধ্যে মদ্যপানের প্রবণতা বাড়ছে। যা সুস্থ জীবনের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। বিশেষত লিভারের অসুখের ঝুঁকি কমাতে মদ্যপান সম্পূর্ণ বর্জন জরুরি। বন্ধুদের জন্মদিন হোক কিংবা নতুন বছরের উদযাপন, যেকোনও উৎসবেই সঙ্গী হয় মদ্যপান। কিন্তু এই অভ্যাস বিপজ্জনক। লিভারের ক্যান্সার থেকে সিরোসিস, একাধিক রোগের কারণ মদ্যপানের অভ্যাস। তাই এই অভ্যাসে রাশ জরুরি। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, সুস্থ দীর্ঘমেয়াদি জীবন যাপনের জন্য লিভারের সুস্থ থাকা জরুরি। লিভারের কার্যক্ষমতা ঠিক না থাকলে সুস্থ জীবন সম্ভব নয়। তাই নিয়মিত শারীরিক কসরত করা জরুরি। পাশপাশি স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার অভ্যাস করাও প্রয়োজন। শিশুদের খাবারে বিশেষ নজরদারিও জরুরি।

     

  • Ramakrishna 628: “প্রেমে পাগল হয়ে হাসিব কাঁদিব সচ্চিদানন্দ সাগরে ভাসিব, আপনি মাতিয়ে সকলে মাতাব, হরিপদে নিত্য করিব বিহার”

    Ramakrishna 628: “প্রেমে পাগল হয়ে হাসিব কাঁদিব সচ্চিদানন্দ সাগরে ভাসিব, আপনি মাতিয়ে সকলে মাতাব, হরিপদে নিত্য করিব বিহার”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    ষড়্‌বিংশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৭শে অক্টোবর
    শ্রীরামকৃষ্ণ—নরেন্দ্র, গিরিশ, সরকার প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে
    ভজনানন্দে—সমাধিমন্দিরে

    ডাক্তার আবার বসিলেন। তখন নরেন্দ্র মধুরকণ্ঠে গান করিতেছেন। তৎসঙ্গে তানপুরা ও মৃদঙ্গ ঘন ঘন বাজিতেছে। গাহিতেছেন (Kathamrita):

    (১)     চমৎকার অপার জগৎ রচনা তোমার,
    শোভার আগার বিশ্ব সংসার।
    অযুত তারকা চমকে রতন-কাঞ্চন-হার
    কত চন্দ্র কত সূর্য নাহি অন্ত তার।
    শোভে বসুন্ধরা ধনধান্যময়, হায় পূর্ণ তোমার ভাণ্ডার
    হে মহেশ, অগণনলোক গায় ধন্য ধন্য এ গীতি অনিবার।

    নিবিড় আঁধারে মা তোর চমকে ও রূপরাশি।
    তাই যোগী ধ্যান ধরে হয়ে গিরি-গুহাবাসী।
    অনন্ত আঁধার কোলে, মহানির্বাণ হিল্লোলে,
    চিরশান্তি পরিমল, অবিরল যায় ভাসি।
    মহাকাল রূপ ধরি, আঁধার বসন পরি,
    সমাধিমন্দিরে ও মা কে তুমি গো একা বসি;
    অভয়-পদ-কমলে, প্রেমের বিজলী জ্বলে
    চিন্ময় মুখমণ্ডলে শোভে অট্ট অট্ট হাসি।

    ডাক্তার মাস্টারকে বলিলেন, “It is dangerous to him!”

    এ-গান ঠাকুরের পক্ষে ভাল নয়, ভাব হইলে অনর্থ ঘটিতে পারে)।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) মাস্টারকে জিজ্ঞাসা করিলেন, “কি বলছে?” তিনি উত্তর করিলেন, “ডাক্তার ভয় করছেন, পাছে আপনার ভাবসমাধি হয়।” বলিতে বলিতে শ্রীরামকৃষ্ণ একটু ভাবস্থ হইয়াছেন; ডাক্তারের মুখপানে তাকাইয়া করজোড়ে বলিতেছেন, “না, না, কেন ভাব হবে?” কিন্তু বলিতে বলিতে তিনি গভীর ভাব-সমাধিতে মগ্ন হইলেন। শরীর স্পন্দহীন, নয়ন স্থির! অবাক্‌! কাষ্ঠপুত্তলিকার (Kathamrita) ন্যায় উপবিষ্ট! বাহ্যশূন্য! মন বুদ্ধি অহংকার চিত্ত সমস্তই অন্তর্মুখ। আর সে মানুষ নয়। নরেন্দ্রের মধুরকণ্ঠে মধুর গান চলিতেছে:

    এ কি এ সুন্দর শোভা, কি মুখ হেরি এ!
    আজি মোর ঘরে আইল হৃদয়নাথ, প্রেম উৎস উথলিল আজি —
    বল হে প্রেমময় হৃদয়ের স্বামী, কি ধন তোমারে দিব উপহার?
    হৃদয় প্রাণ লহ লহ তুমি, কি বলিব;
    যাহা কিছু আছে মম, সকলি লও হে নাথ।

    গান   —   কি সুখ জীবনে মম ওহে নাথ দয়াময় হে
    যদি চরণ-সরোজে পরাণ-মধুপ চিরমগন না রয় হে।
    অগণন ধনরাশি তায় কিবা ফলোদয় হে
    যদি লভিয়ে সে ধনে, পরম রতনে যতন না করয় হে।
    সুকুমার কুমার মুখ দেখিতে না চাই হে
    যদি সে চাঁদবয়ানে তব প্রেমমুখে দেখিতে না পাই হে।
    কি ছার শশাঙ্কজ্যোতিঃ, দেখি আঁধারময় হে;
    যদি সে চাঁদ প্রকাশে তব প্রেম চাঁদ নাহি হয় উদয় হে।
    সতীর পবিত্র প্রেম তাও মলিনতাময় হে,
    যদি সে প্রেমকনকে, তব প্রেমমণি নাহি জড়িত রয় হে।
    তীক্ষ্ণ বিষা ব্যালী সম সতত দংশয় হে,
    যদি মোহ পরমাদে নাথ তোমাতে ঘটায় সংশয় হে।
    কি আর বলিব নাথ, বলিব তোমায় হে;
    তুমি আমার হৃদয়রতন মণি, আনন্দনিলয় হে।

    “সতির পবিত্র প্রেম” গানের এই অংশ শুনিতে শুনিতে ডাক্তার অশ্রুপূর্ণলোচনে বলিয়া উঠিলেন, আহা! আহা!

    নরেন্দ্র গাহিলেন:

    কতদিনে হবে সে প্রেম সঞ্চার।
    হয়ে পূর্ণকাম বলব হরিনাম, নয়নে বহিবে প্রেম অশ্রুধার ॥
    কবে হবে আমার শুদ্ধ প্রাণমন, কবে যাব আমি প্রেমের বৃন্দাবন,
    সংসার বন্ধন হইবে মোচন, জ্ঞানাঞ্জনে যাবে লোচন আঁধার ॥
    কবে পরশমণি করি পরশন লৌহময় দেহ হইবে কাঞ্চন
    হরিময় বিশ্ব করিব দর্শন, লুটিব ভক্তিপথে অনিবার ॥
    (হায়) কবে যাবে আমার ধরম করম, কবে যাবে জাতি কুলের ভরম,
    কবে যাবে ভয় ভাবনা সরম, পরিহরি অভিমান লোকাচার ॥
    মাখি সর্ব অঙ্গে ভক্তপদধূলি, কাঁধে লয়ে চির বৈরাগ্যের ঝুলি,
    পিব প্রেমবারি দুই হাতে তুলি, অঞ্জলি অঞ্জলি প্রেমযমুনার ॥
    প্রেমে পাগল হয়ে হাসিব কাঁদিব সচ্চিদানন্দ সাগরে ভাসিব,
    আপনি মাতিয়ে সকলে মাতাব, হরিপদে নিত্য করিব বিহার।

  • School Jihad: মুম্বইয়ে এবার ‘স্কুল জেহাদ’, পরিচালনায় মুসলিম ‘ল্যান্ড মাফিয়া’

    School Jihad: মুম্বইয়ে এবার ‘স্কুল জেহাদ’, পরিচালনায় মুসলিম ‘ল্যান্ড মাফিয়া’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুম্বইয়ে কথিত ‘স্কুল জেহাদ’ (School Jihad) নিয়ে যে বিতর্ক চলছে, সেটি রাজনৈতিক ও সামাজিক আলোচনায় এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে। বৃহন্মুবই মিউসিপাল কর্পোরেশন (BMC)-এর প্রস্তুত করা একটি তালিকার (Muslim Land Mafia) উল্লেখ করে কিরীট সোমাইয়ার দাবি, বর্তমানে শহরে ১৬৪টি অবৈধ স্কুল চালু রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১৫০টি স্কুল এক মুসলিম ‘ল্যান্ড মাফিয়া’ দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে বলে অনুমান। এই স্কুলগুলি সরকারি স্বীকৃতি বা অনুমতি ছাড়াই চলছে। আরও অভিযোগ, এগুলির উদ্দেশ্য দ্বিমুখী—একদিকে জমি দখল, অন্যদিকে একটি নির্দিষ্ট মতাদর্শের প্রচার।

    সোমাইয়ার বক্তব্য (School Jihad)

    পরিসংখ্যান দেখিয়ে সোমাইয়া বলেন, “মুম্বইয়ে আগে ‘ল্যান্ড জেহাদ’, ‘কর্পোরেট জেহাদ’, ‘লাভ জেহাদ’ এবং ‘কোচিং জেহাদ’ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এই তালিকায় নবতম সংযোজন ‘স্কুল জেহাদ’। সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ থেকে ২০ বছর ধরে এই কার্যকলাপ চলছে এবং গোবিন্দি, মালাড ও কুর্লা এলাকার বহু স্কুল এতে জড়িত। সাধারণত প্রথমে একটি জমি দখল করা হয়। তারপর রাতারাতি সেখানে স্কুল বা অন্য কোনও প্রতিষ্ঠান তৈরি করে অবৈধ দখলকে স্থায়ী করা হয়। সোমাইয়ার মতে, পুরো প্রক্রিয়াটি একটি সুপরিকল্পিত কৌশলের অংশ। তাঁর অভিযোগ, ল্যান্ড মাফিয়া প্রথমে বেআইনিভাবে জমি দখল করে এবং পরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আড়ালে ধীরে ধীরে নির্মাণকাজ শুরু করে। এতে একদিকে যেমন অবৈধ দখলকে বৈধতার ছাপ দেওয়া হয়, অন্যদিকে তেমনি কঠিন হয়ে পড়ে প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া। তাঁর আরও অভিযোগ, অনেক ক্ষেত্রে এই স্কুলগুলির ভেতরে বা আশপাশে মসজিদও নির্মাণ করা হয়েছে (School Jihad)।

    এই ঘটনা অবৈধ অভিবাসনের সঙ্গেও যুক্ত!

    এই জাতীয় ঘটনার প্রেক্ষিতে সোমাইয়া কর্পোরেশনের কার্যকারিতা নিয়েও গুরুতর প্রশ্ন তোলেন। তাঁর মতে, গত দুই দশকে এই ধরনের বেআইনি কার্যকলাপ বেড়ে যাওয়ার মূল কারণ হল দুর্নীতি ও প্রশাসনিক অবহেলা। সময়মতো ব্যবস্থা নেওয়া হলে এত অবৈধ স্কুল গড়ে উঠত না (Muslim Land Mafia)। সোমাইয়া এই ঘটনাকে অবৈধ অভিবাসনের সঙ্গেও যুক্ত করেছেন। তাঁর অভিযোগ, এই স্কুলগুলির মাধ্যমে মুম্বইয়ে অবৈধ বাংলাদেশিদের বসবাসের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তিনি জানান, এ বিষয়ে তিনি রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দফতর ও কর্পোরেশনের কর্তাদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছেন। তাঁর দাবি, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস পাওয়া গেছে এবং খুব শিগগিরই তা কার্যকর হবে।

    ‘জেহাদ’ শব্দের ব্যাখ্যা

    এই বিতর্কের আবহে ‘জেহাদ’ শব্দটির ব্যাখ্যা নিয়েও জোরদার আলোচনা শুরু হয়েছে। ইসলামি পণ্ডিতদের মতে, ‘জেহাদ’ মূলত সংগ্রাম বা আত্মসংযমের প্রতীক—নিজেকে উন্নত করা এবং নিজের দোষত্রুটির বিরুদ্ধে লড়াই করা। এটি সাধারণত দুই ভাগে বিভক্ত: ‘জেহাদ-আল-আকবর’ (অভ্যন্তরীণ সংগ্রাম) এবং ‘জেহাদ-আল-আসগর’ (বাহ্যিক সংগ্রাম)। অধিকাংশ পণ্ডিত অভ্যন্তরীণ সংগ্রামকেই বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন এবং শব্দটির সঙ্গে হিংসার সম্পর্ককে ভুল ব্যাখ্যা বলে মনে করেন। তবে কিছু লেখক এবং গবেষক ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে ভিন্ন ব্যাখ্যাও তুলে ধরেন (School Jihad)। কিছু লেখকের মতে, ইতিহাসে জেহাদ শুধু আধ্যাত্মিক ধারণা হিসেবে নয়, রাজনৈতিক ও সামরিক সম্প্রসারণের মাধ্যম হিসেবেও ব্যবহৃত হয়েছে। তাঁদের দাবি, ইসলামের বিস্তারের জন্য বিভিন্ন উপায় (হিংসা-সহ) ব্যবহৃত হয়েছে (Muslim Land Mafia)।

    জেহাদের ইতিহাস

    অ্যানড্রিউ জি বস্টম তাঁর বই ‘দ্য লিগেসি অফ জেহাদে’ লিখেছেন, জেহাদের ইতিহাস কেবল আধ্যাত্মিক সংগ্রামে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি রাজনৈতিক ও সামরিক সম্প্রসারণের একটি সংগঠিত প্রক্রিয়ার অংশ ছিল। রবার্ট স্পেনসার তাঁর বই ‘দ্য পলিটিক্যালি ইনকারেক্ট গাইড টু ইসলামে’ বলেন, ইসলামের প্রাথমিক বিস্তার অনেকাংশে সামরিক অভিযানের মাধ্যমে ঘটেছিল। এমএ খান তাঁর লেখায় উল্লেখ করেন, ইতিহাসের বিভিন্ন সময়ে জেহাদ রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার ও সামাজিক নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত হয়েছে। ব্যাট ইয়র তাঁর বই ‘দ্য ধিম্মি’তে লিখেছেন, অ-মুসলিমদের ওপর সামাজিক ও অর্থনৈতিক চাপের ফলে অনেকেই ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন (School Jihad)। ভারতীয় ইতিহাসের ক্ষেত্রেও কিছু গবেষণার উল্লেখ করা হয়। সীতারাম গোয়েল তাঁর গ্রন্থে মধ্যযুগে মন্দির ধ্বংসের পেছনে ধর্মীয় উদ্দেশ্যের কথা উল্লেখ করেছেন। কেএস লালের মতে, মধ্যযুগীয় যুদ্ধে বন্দিদের দাসে পরিণত করে ধর্মান্তরিত করা হত। মাইকেল বোনের জেহাদকে একটি সামাজিক-রাজনৈতিক প্রক্রিয়া হিসেবে বর্ণনা করেছেন। মাজিদ খাদুরি ইসলামি আইনে জেহাদকে রাষ্ট্র বিস্তারের একটি উপায় হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন (Muslim Land Mafia)। সব মিলিয়ে, মুম্বইয়ে ‘স্কুল জেহাদ’ নিয়ে ওঠা অভিযোগ নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। অভিযোগ, এই স্কুলগুলি অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসীদের বসতি স্থাপনের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে। প্রশাসন কী করে, এখন সেটাই (School Jihad) দেখার।

     

  • India South Korea: ভারতের সঙ্গে এআই-সহ ১৫টি ক্ষেত্রে চুক্তি স্বাক্ষর করল দক্ষিণ কোরিয়া

    India South Korea: ভারতের সঙ্গে এআই-সহ ১৫টি ক্ষেত্রে চুক্তি স্বাক্ষর করল দক্ষিণ কোরিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্তমানে ভারত সফরে রয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জেই মাইয়াং (India South Korea)। সোমবার তিনি জানান, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ২০৩০ সালের মধ্যে ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে। তিনি অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার জন্য একটি রূপরেখাও তুলে ধরেন।

    ১৫টি চুক্তিতে স্বাক্ষর (India South Korea)

    ভারত ও দক্ষিণ কোরিয়া মোট ১৫টি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে। বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জাহাজ নির্মাণ এবং এআই (AI)-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্যেই স্বাক্ষরিত হয়েছে এই চুক্তিগুলি। অর্থনৈতিক সহযোগিতার জন্য মন্ত্রিস্তরের একটি শিল্প সহযোগিতা কমিটিও গঠন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট বলেন, “বর্তমানে বার্ষিক ২৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বাণিজ্যকে আমরা ২০৩০ সালের মধ্যে প্রায় ৫০ বিলিয়ন ডলারে নিয়ে যেতে চাই।” দুই দেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সম্পর্কের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, “এখন এই বিশেষ কৌশলগত অংশীদারিত্ব নতুন এক দশকে প্রবেশ করছে।” দুই নেতা বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বাড়ানো এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিষয় নিয়েও আলোচনা করেছেন।

    ভারত ‘গ্লোবাল সাউথে’র নেতা

    দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ভারতকে ‘গ্লোবাল সাউথে’র নেতা হিসেবে বর্ণনা করেন (India South Korea)। “বিকশিত ভারত ২০৪৭” ভিশনের অধীনে দেশের দ্রুত উন্নয়নের প্রশংসাও করেন তিনি। অভ্যর্থনার জন্য ভারতকে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, “আমায় এবং আমার প্রতিনিধিদলকে যে উষ্ণ আতিথেয়তা দেওয়া হয়েছে, তার জন্য আমি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই (India South Korea)।” প্রেসিডেন্ট বলেন, “ভারত বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র এবং দ্রুততম বর্ধনশীল অর্থনীতিগুলির একটি দেশ। আট বছর পর এই প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে আসতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।”

    প্রেসিডেন্টের বক্তব্য

    তিনি বলেন, “আমরা একটি শিল্প সহযোগিতা কমিটি গঠন করব, যা আমাদের দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতার প্রথম মন্ত্রিস্তরের প্ল্যাটফর্ম হবে।” এই কমিটি বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং গুরুত্বপূর্ণ খাতে সম্পর্ক শক্তিশালী করার ওপর জোর দেবে (India South Korea)। প্রেসিডেন্ট লি এও বলেন, “আমরা গুরুত্বপূর্ণ খাত যেমন— গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, পারমাণবিক শক্তি এবং ক্লিয়ার এনার্জিতে সহযোগিতা বাড়াব।” এই খাতগুলি দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ও মজবুত উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বব্যাপী অনিশ্চয়তা, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে জ্বালানি নিরাপত্তাও আলোচনায় গুরুত্ব পেয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা জ্বালানি সম্পদ ও ন্যাফথার মতো গুরুত্বপূর্ণ পণ্যের সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে সহযোগিতা অব্যাহত রাখব।”

    প্রেসিডেন্ট বলেন, “আমরা সিইপিএ (CEPA) চুক্তি আপগ্রেড করার আলোচনা দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যেতে রাজি হয়েছি, যাতে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের জন্য আরও অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয় (India South Korea)।” ছোট ও মাঝারি ব্যবসার সহায়তাও একটি গুরুত্বপূর্ণ (India South Korea) দিক। তিনি বলেন, “আমরা এসএমই খাতে সহযোগিতার জন্য এমওইউ সংশোধন করব।” বক্তৃতার একেবারে শেষে তিনি আবারও বলেন, “এই সব প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা ২০৩০ সালের মধ্যে বাণিজ্য ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করতে চাই (India South Korea)।”

     

  • Sona Pappu-Joy Kamdar Nexus: চার মাসে ৫০০ কোটি টাকা নগদ জমা! সোনা পাপ্পু-জয় কামদারের দুর্নীতির জালে টান ইডির, ২৫টি ভুয়ো সংস্থার সন্ধান

    Sona Pappu-Joy Kamdar Nexus: চার মাসে ৫০০ কোটি টাকা নগদ জমা! সোনা পাপ্পু-জয় কামদারের দুর্নীতির জালে টান ইডির, ২৫টি ভুয়ো সংস্থার সন্ধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার বেআইনি আর্থিক লেনদেনের অভিযোগে বিল্ডার তথা ব্যবসায়ী জয় কামদারকে (Joy Kamdar) গ্রেফতার করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate) বা ইডি। নির্মাণ সংস্থা ‘সান এন্টারপ্রাইজ’-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর হিসেবে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। তদন্তকারীদের দাবি, দক্ষিণ কলকাতার কুখ্যাত সমাজবিরোধী বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পুর সম্পর্কের শিকড় অনেক গভীরে। দুজনের এই ‘অশুভ আঁতাত’ এখন কেন্দ্রীয় তদন্তকারীদের আতস কাচের নীচে।

    সোনা পাপ্পুর স্ত্রীর বিদেশি পিস্তল-রহস্য

    সম্প্রতি, জমি দখল ও বেআইনি নির্মাণ সংক্রাম্ত মামলায় তল্লাশি অভিযানের সময় সোনা পাপ্পুর (Sona Pappu) বাড়িতে উদ্ধার হওয়া বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্রের উৎস খুঁজতে গিয়ে বড়সড় আর্থিক দুর্নীতির হদিস পায় ইডি (ED)। ১ এপ্রিল বালিগঞ্জে সোনা পাপ্পুর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে গড়িয়াহাট থানার পুলিশ একটি ৭ এমএম বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করে, যার গায়ে ‘মেড ইন ইউএসএ’ লেখা ছিল। তদন্তে জানা যায়, ১৫ জানুয়ারি ওই অস্ত্রটি সোনা পাপ্পুর স্ত্রী সোমা পোদ্দারের নামে কেনা হয়েছিল। তদন্তকারীদের দাবি, আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি কেনা হয়েছিল জয়ের সংস্থা থেকে। তদন্তে উঠে আসে, বেহালার প্রোমোটার জয় কামদারের সংস্থার মাধ্যমেই অস্ত্রটি কেনা হয়েছিল। অশ্বিনী দত্ত রোডে জয়ের অফিস থেকেই এই কেনাবেচা হয় বলে অভিযোগ। যদিও সোমা পোদ্দার দাবি করেছেন, তিনি এই কেনাকাটা বা তাঁর নামে কোনও ব্যবসা সম্পর্কে কিছুই জানেন না।

    সোনা পাপ্পুর স্ত্রী-র নামে সংস্থা, অথচ তিনিই জানেন না!

    পাশাপাশি, সোনা পাপ্পু ও জয়ের মধ্যে প্রায় দেড় কোটি টাকার আর্থিক লেনদেনের তথ্যও সামনে এসেছে। ইডির তদন্তে আরও জানা যায়, জয়ের সংস্থার সঙ্গে সোনা পাপ্পু ও তাঁর স্ত্রীর নামে থাকা একাধিক সংস্থার সঙ্গে বিপুল টাকার লেনদেন হয়েছে। ‘সুপ্রিম ক্রেডিট কর্পোরেশন লিমিটেড’ নামের সংস্থায় ডিরেক্টর হিসেবে নাম রয়েছে জয়ের। এছাড়া ‘এসপি কনস্ট্রাকশন’ নামে আর একটি সংস্থা সোনা পাপ্পুর নামে রয়েছে। এসব সংস্থার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখে প্রায় দেড় কোটি টাকার লেনদেনের তথ্য মিলেছে। পাশাপাশি, ‘হেভেন ভ্যালি’ নামে সোমা পোদ্দারের সংস্থার সঙ্গেও আর্থিক লেনদেনের প্রমাণ পেয়েছে ইডি—যদিও তিনি সবকিছুই অস্বীকার করেছেন।

    ৪ মাসে ৫০০ কোটি নগদ জমা, মোট লেনদেন ১১০০ কোটি!

    তদন্তে সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য, জয়ের বিরুদ্ধে প্রায় ১১০০ কোটি টাকার বেআইনি লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। তাঁর ডিজিটাল ডিভাইস থেকে ভুয়ো সংস্থার মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের লেনদেনের প্রমাণ মিলেছে বলে দাবি ইডির। ‘ক্যালকাটা গুজরাতি এডুকেশন সোসাইটি’-র অ্যাকাউন্ট থেকে ৪০ কোটি টাকা জয়ের ভুয়ো কোম্পানিতে স্থানান্তরের তথ্যও সামনে এসেছে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, মাত্র চার মাসে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা নগদ জমা হয়েছে জয়ের বিভিন্ন অ্যাকাউন্টে। তাঁর সঙ্গে যুক্ত অন্তত ২৫টি ভুয়ো সংস্থার খোঁজ মিলেছে। বর্তমানে ইডি জয়ের হেফাজত চেয়ে আদালতে আবেদন জানিয়েছে। সংস্থার আইনজীবীর কথায়, “তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যপ্রমাণ মিলেছে এবং অন্যান্য সন্দেহভাজনের সঙ্গেও অভিযুক্তের যোগ রয়েছে।”

    রবিবার দীর্ঘ জেরার পর বিকেল ৫টা নাগাদ জয় কামদারকে গ্রেফতার করে ইডি। কিন্তু গ্রেফতারির পরপরই তিনি অসুস্থ বোধ করায় তাঁকে প্রথমে সল্টলেকের সেবা হাসপাতাল ও পরে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকদের কাছ থেকে ‘ফিট সার্টিফিকেট’ পাওয়ার পর সোমবার দুপুরে তাঁকে ব্যাঙ্কশাল আদালতে তোলা হলে জয়কে আগামী ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক।

  • Strait of Hormuz: মাইন আতঙ্ক, গুলির হামলা! হরমুজে ভারতীয় জাহাজ চলাচলে নতুন নিয়ম

    Strait of Hormuz: মাইন আতঙ্ক, গুলির হামলা! হরমুজে ভারতীয় জাহাজ চলাচলে নতুন নিয়ম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হরমুজ প্রণালীর কাছে সাম্প্রতিক উত্তেজনার প্রেক্ষিতে, পারস্য উপসাগরে থাকা ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজগুলির জন্য নতুন নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। জাহাজগুলিকে লারক দ্বীপ থেকে দূরে থাকতে এবং শুধুমাত্র নৌবাহিনীর অনুমতি পেলে হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz)অতিক্রম করতে বলা হয়েছে, যাতে ঝুঁকি কমানো যায়। গত ১৮ এপ্রিল ইরানি গার্ডরা দুটি ভারতীয় জাহাজে গুলি চালায়। এর পর ভারতীয় সেনা নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কড়া করেছে। সূত্রের খবর, বর্তমানে হরমুজ প্রণালী পারাপারের অপেক্ষায় থাকা সমস্ত ভারতীয় জাহাজের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে ভারতীয় সেনা।

    নৌবাহিনীর নির্দেশ পেলে তবে যাত্রা

    ইরান ও আমেরিাকর মধ্যে সাম্প্রতিক যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ইতিমধ্যেই ১১টি ভারতীয় জাহাজ হরমুজ প্রণালী পেরিয়েছে। শেষ ট্যাঙ্কার ‘দেশ গরিমা’ ১৮ এপ্রিল পার হয়। একই দিনে ‘জগ অর্ণব’ ও ‘সানমার হেরাল্ড’ নামের দুটি জাহাজ ইরানি গার্ডদের গুলির মুখে পড়ে ফিরে যেতে বাধ্য হয়। হরমুজ পার হওয়ার পর ‘দেশ গরিমা’ এখন আরব সাগর-এ ভারতীয় নৌবাহিনীর সুরক্ষায় রয়েছে এবং ২২ এপ্রিল মুম্বই পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। এই মুহূর্তে পারস্য উপসাগরে ১৪টি ভারতীয় জাহাজ প্রণালী পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে। ভারতীয় সেনা তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে এবং নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত এগোতে বারণ করেছে। পাশাপাশি, পারস্য উপসাগরের কাছাকাছি এলাকায় ভারতীয় নৌবাহিনীর ৭টি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন রয়েছে, যারা হরমুজ পার হওয়ার পর ভারতীয় জাহাজগুলিকে নিরাপত্তা দিয়ে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

    লারক দ্বীপ-এর গুরুত্ব

    লারক দ্বীপ প্রণালীর সবচেয়ে সংকীর্ণ অংশে অবস্থিত এবং এটি ইরানের তেল পরিকাঠামোর একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। ফলে এই অঞ্চলে কড়া নজরদারি চালানো হয়—রাডার ও অন্যান্য প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণ করা হয়। লারক দ্বীপ হরমুজ প্রণালীর দক্ষিণে অবস্থিত এবং প্রণালীর প্রায় ৩৩ কিলোমিটার প্রশস্ত অংশ জুড়ে বিস্তৃত। ইরান-আমেরিকা উত্তেজনার আগে বিশ্বের প্রায় ২০% তেল পরিবহণ এই পথ দিয়েই হতো। এলাকায় একাধিক ইরানি ঘাঁটি রয়েছে, যেখান থেকে দ্রুতগতির ছোট নৌযান ব্যবহার করে হামলা চালানো সম্ভব। বর্তমানে তুলনামূলক নিরাপদ হিসেবে হরমুজ ও লারক দ্বীপের মাঝের রুট ব্যবহার করা হলেও, ওমান উপকূলের কাছাকাছি দক্ষিণ দিকের পুরনো পথটি মাইন থাকার আশঙ্কায় এড়িয়ে চলা হচ্ছে। ভারতীয় জাহাজগুলিকে লারক দ্বীপের কাছাকাছি যেতে নিষেধ করা হয়েছে। ফলে নৌবাহিনীর অনুমতি ছাড়া কোনও জাহাজের হরমুজ প্রণালী পার হওয়া এখন অনিশ্চিত।

LinkedIn
Share