Tag: news in bengali

news in bengali

  • Ramakrishna 478: “মেয়ে-মানুষের কি মোহিনী শক্তি, অবিদ্যারূপিণী মেয়েদের, পুরুষগুলোকে যেন বোকা অপদার্থ করে রেখে দেয়”

    Ramakrishna 478: “মেয়ে-মানুষের কি মোহিনী শক্তি, অবিদ্যারূপিণী মেয়েদের, পুরুষগুলোকে যেন বোকা অপদার্থ করে রেখে দেয়”

    ৪৪ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ বলরাম-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে

    দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১২ই এপ্রিল

    পূর্বকথা—শ্রীরামকৃষ্ণের মহাভাব—ব্রাহ্মণীর সেবা

    “কামিনী-কাঞ্চনই সংসার—ঈশ্বরকে ভুলিয়ে দেয়।”

    গিরিশ—কামিনী-কাঞ্চন ছাড়ে কই?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—তাঁকে ব্যাকুল হয়ে প্রার্থনা কর, বিবেকের জন্য প্রার্থনা কর। ঈশ্বরই সত্য আর সব অনিত্য—এরই নাম বিবেক! জল-ছাঁকা দিয়ে জল ছেঁকে নিতে হয়। ময়লাটা একদিকে পড়ে-ভাল জল একদিকে পড়ে, বিবেকরূপ জল-ছাঁকা আরোপ করো। তোমরা তাঁকে জেনে সংসার করো। এরই নাম বিদ্যার সংসার।

    “দেখ না, মেয়ে-মানুষের কি মোহিনী শক্তি, অবিদ্যারূপিণী মেয়েদের। পুরুষগুলোকে যেন বোকা অপদার্থ করে রেখে দেয়। যখনই দেখি স্ত্রী-পুরুষ একসঙ্গে বসে আছে, তখন বলি (Kathamrita), আহা! এরা গেছে। (মাস্টারের দিকে তাকাইয়া)—হারু এমন সুন্দর ছেলে, তাকে পেতনীতে পেয়েছে! — ‘ওরে হারু কোথা গেল’, ‘ওরে হারু কোথা গেল’। সব্বাই গিয়ে দেখে হারু বটতলায় চুপ করে বসে আছে। সে রূপ নাই, সে তেজ নাই, সে আনন্দ নাই! বটগাছের পেতনীতে হারুকে পেয়েছে।

    “স্ত্রী যদি বলে ‘যাও তো একবার’—অমনি উঠে দাঁড়ায়, ‘বসো তো’—আমনি বসে পড়ে।

    “একজন উমেদার বড়বাবুর কাছে আনাগোনা করে হায়রান হয়েছে। কর্ম আর হয় না। আফিসের বড়বাবু। তিনি বলেন, এখন খালি নাই, মাঝে মাঝে এসে দেখা করো। এইরূপে কতকাল কেটে গেল-উমেদার হতাশ হয়ে গেল। সে একজন বন্ধুর কাছে দুঃখ করছে। বন্ধু বললে তোর যেমন বুদ্ধি।—ওটার কাছে আনাগোনা করে পায়ের বাঁধন ছেঁড়া কেন? তুই গোলাপকে ধর, কালই তোর কর্ম হবে। উমেদার বললে, বটে!—আমি এক্ষণি চললুম। গোলাপ বড়বাবুর রাঁড়। উমেদার দেখা করে বললে, মা, তুমি এটি না করলে হবে না—আমি মহাবিপদে পড়েছি। ব্রাহ্মণের ছেলে (Kathamrita) আর কোথায় যাই! মা, অনেকদিন কাজকর্ম নাই, ছেলেপুলে না খেতে পেয়ে মারা যায়। তুমি একটি কথা বলে দিলেই আমার একটি কাজ হয়। গোলাপ ব্রাহ্মণের ছেলেকে বললে, বাছা, কাকে বললে হয়? আর ভাবতে লাগল, আহা, ব্রাহ্মণের ছেলে বড় কষ্ট পাচ্ছে! উমেদার বললে, বড়বাবুকে একটি কথা বললে আমার নিশ্চয় একটা কর্ম হয়। গোলাপ বললে, আমি আজই বড়বাবুকে বলে ঠিক করে রাখব। তার পরদিন সকালে উমেদারের কাছে একটি লোক গিয়ে উপস্থিত; সে বললে, তুমি আজ থেকেই বড়বাবুর আফিসে বেরুবে। বড়বাবু সাহেবকে বললে, ‘এ ব্যক্তি বড় উপযুক্ত লোক। একে নিযুক্ত করা হয়েছে, এর দ্বারা আফিসের বিশেষ উপকার হবে।’

    “এই কামিনী-কাঞ্চন নিয়ে সকলে ভুলে আছে। আমার কিন্তু ও-সব ভাল লাগে না—মাইরি বলছি, ঈশ্বর (Ramakrishna) বই আর কিছুই জানি না।”

  • Karnataka: নেতৃত্বের প্রশ্নে ফের অশান্তি শুরু কর্নাটক কংগ্রেসে

    Karnataka: নেতৃত্বের প্রশ্নে ফের অশান্তি শুরু কর্নাটক কংগ্রেসে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেতৃত্বের প্রশ্নে ফের অশান্তি শুরু হয়েছে কর্নাটক (Karnataka) কংগ্রেসে। মাত্র চার মাসের মধ্যে মাণ্ড্য জেলার এক প্রাক্তন সাংসদ ও তিনজন বর্তমান বিধায়ক-সহ দলের চার নেতাকে প্রকাশ্যে উপমুখ্যমন্ত্রী ডিকে শিবকুমারকে পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে সমর্থন করার জন্য নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

    নোটিশে অভিযোগ (Karnataka)

    দলের শৃঙ্খলা কমিটির পাঠানো ওই নোটিশে অভিযোগ করা হয়েছে যে, তাঁরা দলকে বিব্রত করেছেন এবং কংগ্রেসের হাইকমান্ডের নির্দেশের বিরুদ্ধে গিয়েছেন। প্রসঙ্গত, গত জুলাই মাস থেকে প্রতি মাসেই অন্তত একজন বা দু’জন কংগ্রেস সাংসদ প্রকাশ্যে বলেছেন যে, সিদ্দারামাইয়ার বদলে শিবকুমারকে মুখ্যমন্ত্রী করা হোক, অথবা বছরের শেষের আগে তাঁকে সেই পদে উন্নীত করা হবে। এতে দলীয় ঐক্যে ফাটল চওড়া হয়েছে। যদিও সিদ্দারামাইয়া ও শিবকুমার নিজেরাই বারবার কোনও ক্ষমতা ভাগাভাগির চুক্তি থাকার কথা অস্বীকার করেছেন।

    শাস্তিমূলক ব্যবস্থার মুখে

    জানা গিয়েছে, এই ঘটনায় যাঁরা শাস্তিমূলক ব্যবস্থার মুখে পড়েছেন, তাঁরা হলেন কুনিগালের বিধায়ক এইচডি রঙ্গনাথ এবং মাণ্ড্যর প্রাক্তন সাংসদ এলআর শিবরাম গৌড়া। এর আগেও মাত্র কয়েক মাস আগে চন্নাগিরির বিধায়ক শিবগঙ্গা ভি বাসবরাজ এবং রামনগরার বিধায়ক ইকবাল হুসেনকে একই ধরনের মন্তব্য করার জন্য নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। ১ জুলাই শিবকুমারের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও রামনগরার কংগ্রেস বিধায়ক ইকবাল হুসেন প্রকাশ্যে বলেছিলেন, সিদ্দারামাইয়া ইতিমধ্যেই পাঁচ বছর এবং আরও আড়াই বছর – মোট সাড়ে সাত বছর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে যথেষ্ট সুযোগ পেয়েছেন। তিনি বলেন, “ডিকে শিবকুমার দলের জন্য কঠোর পরিশ্রম করেছেন এবং দলকে ১৪০টি আসন এনে দিয়েছেন। ২০২৮ সালে কংগ্রেসকে ফের ক্ষমতায় আনার জন্য তাঁকে একটা সুযোগ দেওয়া প্রয়োজন।” তিনি কবুল করেন, দলের হাইকমান্ড প্রকাশ্যে নেতৃত্ব পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা না করার নির্দেশ দিলেও তিনি এই মতামত কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক রণদীপ সিং সুরজেওয়ালাকে জানিয়েছেন (Karnataka)।

    বাসবরাজের ভবিষ্যদ্বাণী

    বাসবরাজ এবারই প্রথম বিধায়ক হয়েছেন। অগাস্ট মাসে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন যে ডিসেম্বরের মধ্যে ক্ষমতা হস্তান্তর হতে যাচ্ছে এবং শিবকুমার মুখ্যমন্ত্রী হবেন। তাঁর এই মন্তব্য শিবকুমার সঙ্গে সঙ্গেই খারিজ করে দেন। যাঁরা দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে এই ধরনের মন্তব্য করছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জানা গিয়েছে, রঙ্গনাথ শিবকুমারকে তাঁর রাজনৈতিক গুরু বলে উল্লেখ করেন এবং ২০২৩ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের জয়ের কৃতিত্ব দেন তাঁকেই। তিনি শিবকুমারকে উদীয়মান তারকা এবং সারা ভারতের নেতা বলেও অভিহিত করেন। তিনি বলেন, একদিন তিনি মুখ্যমন্ত্রী হবেন। তিনি এই পদে বসার যোগ্য।

    কোন্দল ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা

    সিদ্দারামাইয়া ও শিবকুমার দুজনেই এই অভ্যন্তরীণ কোন্দল ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। সংবাদমাধ্যমে কথা বলতে গিয়ে শিবকুমার বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর পদ ভাগাভাগি নিয়ে আলোচনার কোনও প্রয়োজন নেই। মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া এবং আমি একসঙ্গে কাজ করছি। আমরা হাইকমান্ডের নির্দেশ মেনে চলছি।” তিনি আরও জানান, তিনি কর্নাটক প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির কার্যনির্বাহী সভাপতি জিসি চন্দ্রশেখরকে এই বিষয়ে মন্তব্য করা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, “বিজেপি যা বলছে, তার প্রতি আমাদের কোনও প্রতিক্রিয়া জানানোর প্রয়োজন নেই (Karnataka)।” মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়াও বারবার স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে তিনি তাঁর পাঁচ বছরের মেয়াদ সম্পূর্ণ করবেন। মাঝপথে পদত্যাগের কোনও প্রশ্নই নেই। দশেরা উদ্‌যাপনের সময়ও তিনি ফের বলেছিলেন, “কংগ্রেস সরকার ব্যক্তিগত অনুমানের ভিত্তিতে নয়, বরং দলের হাইকমান্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরিচালিত হবে।”

    দলীয় দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে

    এই প্রথম নয় যে কর্নাটক কংগ্রেসের দলীয় দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে চলে এসেছে। চলতি বছরের এপ্রিল মাসে সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদন থেকে জানা গিয়েছে, জাতিগত সমীক্ষা রিপোর্টকে ঘিরে দলটির মধ্যে বড় ধরনের বিভাজন তৈরি হয়েছিল। ওই সমীক্ষায় কর্নাটকের জাতি অনুযায়ী প্রকৃত জনসংখ্যার তথ্য প্রকাশ পায়, যা লিঙ্গায়ত, ভোক্কালিগা এবং কিছু মুসলিম গোষ্ঠীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করে। তারা আশঙ্কা করেছিল, এই তথ্য রাজ্যের সংরক্ষণ রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে (Karnataka)।

    সিদ্দারামাইয়া ও শিবকুমারের ঘনিষ্ঠ বেশ কয়েকজন কংগ্রেস নেতা প্রকাশ্যে এই সমীক্ষার ফল এবং এর রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে তর্কেও জড়িয়ে পড়েছিলেন। এই ঘটনাটি দেখিয়ে দিয়েছিল যে জাতি, সম্প্রদায় ও নেতৃত্বের আকাঙ্ক্ষার ভারসাম্য রক্ষার ক্ষেত্রে কংগ্রেস কতটা বিভক্ত। এখন মুখ্যমন্ত্রীর পদ নিয়ে সর্বশেষ অভ্যন্তরীণ বিবাদের প্রেক্ষিতে দলটি আবারও ঐক্য ও শৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েছে, যখন দলটি সরকারে একটি স্থিতিশীল ভাবমূর্তি তুলে ধরার চেষ্টা করছে, সেই সময় (Karnataka)।

  • Ladakh: বিশ্বের সর্বোচ্চ মোটরচালিত সড়ক নির্মাণে নিজেরই গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড ভেঙে ইতিহাস তৈরি করল বিআরও

    Ladakh: বিশ্বের সর্বোচ্চ মোটরচালিত সড়ক নির্মাণে নিজেরই গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড ভেঙে ইতিহাস তৈরি করল বিআরও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশনের (বিআরও) ‘প্রজেক্ট হিমাংক’ আবারও ইতিহাস সৃষ্টি করল। বিশ্বের সর্বোচ্চ মোটরচালিত সড়ক নির্মাণে নিজেরই গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড (Guinness World Record) ভেঙে তৈরি করেছে এই ইতিহাস (Ladakh)। সংস্থার বিবৃতি অনুযায়ী, লেহ জেলার লিকারু-মিগ লা-ফুকচে সড়কপথে ১৯ হাজার ৪০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত মিগ লা পাসে সফলভাবে পৌঁছেছে বিআরওর দল, যা এর আগে উমলিং লা-এ থাকা ১৯ হাজার ০২৪ ফুটের রেকর্ড ছাড়িয়ে গিয়েছে।

    মিগ লা পাসে উড়ল তিরঙ্গা (Ladakh)

    উল্লেখ্য, স্থানীয় লাদাখি ভাষায় ‘লা’ শব্দের অর্থ ‘পাহাড়ি গিরিপথ’। লাদাখের প্রেক্ষাপটে “লা” শব্দটি তিব্বতি ভাষা থেকে এসেছে, যা স্থানীয় লাদাখিদের মধ্যে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। “লাদাখ” নামটিও এসেছে এই “লা” (গিরিপথ) এবং “দাখ” (দেশ বা ভূমি)-এর সংমিশ্রণ থেকে, যার অর্থ দাঁড়ায় “উচ্চ গিরিপথের দেশ”। এই ঐতিহাসিক সাফল্যের খবর এল বুধবার, যখন প্রজেক্ট হিমাংকের চিফ ইঞ্জিনিয়ার ব্রিগেডিয়ার বিশাল শ্রীবাস্তবের নেতৃত্বাধীন বিআরও দল মিগ লা পাসে পৌঁছে জাতীয় পতাকা এবং বিআরওর পতাকা উত্তোলন করেন।

    কৌশলগত দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ

    লিকারু থেকে মিগ লা পাস হয়ে ফুকচে গ্রাম পর্যন্ত এই সংযোগ কৌশলগত ও পরিকাঠামোগত দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি হানলে সেক্টর থেকে ইন্দো-চিন সীমান্তের কাছাকাছি অবস্থিত ফুকচে সীমান্ত গ্রাম পর্যন্ত তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ সড়কপথ হিসেবে কাজ করবে (Ladakh)। উল্লেখ্য, হানলে এমন একটি জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক গবেষণাগার যেখানে নানান বৈজ্ঞানিক গবেষণা পরিচালিত হয়। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন কিছুদিন আগে এটি পরিদর্শন করেছিলেন।

    বিআরও বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতগিরিপথগুলির মধ্যে বেশ কয়েকটিকে সংযুক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। বিশ্বের ১৪টি সর্বোচ্চ মোটরচালিত গিরিপথের মধ্যে ১১টিই তাদের দ্বারা নির্মিত হয়েছে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।

    কৌশলগত গুরুত্বের বাইরে মিগ লা গিরিপথ লাদাখের পর্যটনে বড় ধরনের উন্নতি সাধন করবে বলেই আশা কর্তৃপক্ষের। বিআরও জানিয়েছে, সিন্ধু উপত্যকার মনোমুগ্ধকর দৃশ্যপট ও পাস পর্যন্ত রোমাঞ্চকর যাত্রা ভ্রমণপিপাসুদের জন্য অনন্য এক অভিজ্ঞতার প্রতিশ্রুতি দেয়। যদিও এই পথ ভ্রমণকারীদের জন্য ভয়াবহ (Guinness World Record) চ্যালেঞ্জও সৃষ্টি করে। এটি একইসঙ্গে অতুলনীয় প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও দুঃসাহসিক অভিযানের অভিজ্ঞতা দেয় (Ladakh)।

  • Pakistan Police: পাক অধিকৃত কাশ্মীরে হিংসার প্রতিবাদ করায় ইসলামাবাদে সাংবাদিকদের ওপর হামলা পুলিশের, নিন্দার ঝড়

    Pakistan Police: পাক অধিকৃত কাশ্মীরে হিংসার প্রতিবাদ করায় ইসলামাবাদে সাংবাদিকদের ওপর হামলা পুলিশের, নিন্দার ঝড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় প্রেস ক্লাবে হানা দিয়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালাল ইসলামাবাদ পুলিশ (Pakistan Police)। পাক অধিকৃত কাশ্মীরে হিংসার জেরে বন্ধ ইন্টারনেট। মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগেও তপ্ত পাকিস্তান। এহেন আবহে জাতীয় প্রেস ক্লাবের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দার ঝড় বিশ্বজুড়ে।

    সাংবাদিকদের ওপর পুলিশের হামলা (Pakistan Police)

    পাক সংবাদমাধ্যমের খবর, রাজধানী ইসলামাবাদের কেন্দ্রে অবস্থিত এই প্রেস ক্লাবে কাশ্মীরি সাংবাদিকদের গ্রেফতারের উদ্দেশ্যে পুলিশ অভিযান চালায়। ওই সাংবাদিকরা আজাদ জম্মু ও কাশ্মীর জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটির (JAAC) ডাকা প্রতিবাদ কর্মসূচি কভার করছিলেন। এই জেএএসি-ই শাহবাজ শরিফ সরকারের বিরুদ্ধে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে প্রতিবাদের ডাক দিয়েছিল। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, লাঠি হাতে পুলিশ কর্মীরা প্রেস ক্লাবের ক্যাফেটেরিয়ার ভেতরে প্রবেশ করছে এবং সেখানে বসা লোকজনের ওপর হামলা চালাচ্ছে। আরও কিছু ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, কয়েকজন পুলিশকর্মী কিছু প্রতিবাদকারীকে বাইরে টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যাচ্ছে।

    কী বলছেন সাংবাদিকরা

    আর একটি ভাইরাল হওয়া ছবিতে দেখা গিয়েছে, এক সাংবাদিক এক হাতে তাঁর ক্যামেরা ধরে রয়েছেন। আর অন্য হাতে একজন পুলিশ কর্মকর্তার আঁকড়ে ধরা কলার থেকে নিজেকে ছাড়ানোর চেষ্টা করে চলেছেন (Pakistan Police)। এশিয়া ওয়ান টিভি চ্যানেলে কর্মরত সাংবাদিক আনাস মালিক সংবাদপত্রকে জানান, পুলিশ ক্লাবে এসেছিল কাশ্মীর থেকে আসা সেই সাংবাদিকদের গ্রেফতার করতে, যারা জেএএসির প্রতিবাদের ডাক কভার করছিলেন। তিনি বলেন, “পুলিশ কর্মীরা গুণ্ডাদের মতো আচরণ করছিল।”

    আর এক সাংবাদিক হামিদ মির জানান, পুলিশ জেএএসি সদস্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা করছিল এবং ক্যাফেটেরিয়ায় উপস্থিত সাংবাদিকদের টার্গেটে পরিণত করেছিল। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার এই অভিযান চালানো হয় যখন পাক অধিকৃত থেকে আসা লোকজন প্রেস ক্লাবের বাইরে ওই নির্যাতনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন। সাংবাদিকদের ওপর বলপ্রয়োগের নিন্দা করে ঘটনার তদন্তের দাবি জানিয়েছে পাকিস্তান হিউম্যান রাইটস কমিশন (এইচআরসিপি)।

    পুলিশি অভিযানের ঘটনায় পাকিস্তান জুড়ে তীব্র নিন্দা শুরু হওয়ার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভি ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দেন। সরকারের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে নকভি জানান, তিনি এই দুঃখজনক ঘটনার বিষয়ে অবগত হয়েছেন এবং ইসলামাবাদের ইনসপেক্টর জেনারেল অফ পুলিশের কাছ থেকে রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছেন (Pakistan Police)।

  • Operation Sindoor: ‘‘শল্যচিকিৎসার মতো নিখুঁত আঘাত’’! ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ ১০টি পাক বিমান ধ্বংস হয়েছে, ফের জানালেন বায়ুসেনা প্রধান

    Operation Sindoor: ‘‘শল্যচিকিৎসার মতো নিখুঁত আঘাত’’! ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ ১০টি পাক বিমান ধ্বংস হয়েছে, ফের জানালেন বায়ুসেনা প্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত মে মাসে ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর (Operation Sindoor) সময় পাক বিমানবাহিনীর ৮-১০টি সামরিক বিমান ধ্বংস করেছে ভারতীয় বায়ুসেনা। এমনটাই ফের একবার ব্যক্ত করলেন এয়ার চিফ মার্শাল অমর প্রীত সিং (ACM Amar Preet Singh)। কয়েকদিন আগে, রাষ্ট্রসংঘের সভায় ভারতের সামরিক অভিযান নিয়ে বিকৃত তথ্য পরিবেশন করে এসেছিলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ (Pak PM Shehbaz Sharif)। শুক্রবার, তারই জবাব দিয়ে ফের একবার পাকিস্তানকে সত্যিটা মনে করালেন ভারতীয় বায়ুসেনার প্রধান।

    কী বললেন বায়ুসেনা প্রধান?

    আগামী ৮ অক্টোবর, ৯৩তম প্রতিষ্ঠা দিবস (IAF Raising Day) উদযাপন করতে চলেছে ভারতীয় বায়ুসেনা। তার আগে, শুক্রবার একটি সাংবাদিক বৈঠক করেন অমরপ্রীত। সেখানেই বায়ুসেনা প্রধান (ACM Amar Preet Singh) বলেন, ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ (Operation Sindoor) পাকিস্তানের চার-পাঁচটি এফ-১৬ ও জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান এবং একটি নজরদারি বিমান মাঝ-আকাশে ধ্বংস করেছে ভারত। এছাড়া, পাকিস্তানের বায়ুসেনা ঘাঁটিতে থাকা আরও ৪-৫টি এফ-১৬ যুদ্ধবিমানও ধ্বংস হয়েছে। এয়ার চিফ মার্শাল অমর প্রীত সিং আরও জানান, শুধু যুদ্ধবিমান নয়, পাকিস্তানের ১১টি সামরিক ঘাঁটিতে ভারতীয় ক্ষেপণাস্ত্রের নিখুঁত প্রত্যাঘাতে ওদের (পাকিস্তান) এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম, রেডার সিস্টেম, কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার, রানওয়ে ও হ্যাঙ্গারও বিধ্বস্ত হয়ে গিয়েছিল।

    ‘‘অপারেশন সিঁদুর ইতিহাসে স্থান পাবে’’

    অমরপ্রীত সিংয়ের (ACM Amar Preet Singh) দাবি, এই অভিযানে (Operation Sindoor) সবচেয়ে বড় ভূমিকা নেয় দীর্ঘ পাল্লার সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল সিস্টেম। সবচেয়ে দূরের লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করা হয়েছিল ৩০০ কিমিরও বেশি গভীরে। তিনি বলেন, ‘‘আমাদের শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাই পরিস্থিতি পাল্টে দেয়।’’ তাঁর কথায়, অপারেশন সিঁদুর ছিল শল্যচিকিৎসার মতো নিখুঁত আঘাত, ন্যূনতম ক্ষয়ক্ষতি। বায়ুসেনা প্রধান আরও বলেন, ‘‘আমরা নিখুঁত ভাবে নিশানা করতে পেরেছি, অপারেশন সিঁদুরের এক রাতেই ওদের কাবু করতে পেরেছি। আমাদের তরফে হতাহতের সংখ্যা ছিল ন্যূনতম। সব মিলিয়ে এটি ছিল ১৯৭১-এর পর প্রথম প্রকাশ্যে আসা সর্ববৃহৎ অভিযান। অপারেশন সিঁদুর (Operation Sindoor) ইতিহাসে স্থান পাবে।’’

    পাকিস্তানের ‘‘মনোহর কাহানিয়া’’-কে কটাক্ষ

    অন্যদিকে, ভারতীয় যুদ্ধবিমান ভূপতিত করার মিথ্যা দাবির জন্য তিনি পাকিস্তানকে উপহাস করেন এবং সেগুলিকে ‘‘মনোহর কাহানিয়া’’ বা রম্য রচনা বলে অভিহিত করেছেন। পাকিস্তানের দাবিকে ব্যঙ্গ করে বায়ুসেনার প্রধান (ACM Amar Preet Singh) বলেন, ‘‘যদি ওরা মনে করে যে আমাদের ১৫টি যুদ্ধবিমান ভূপতিত করেছে, আমি আশা করি তারা এ ব্যাপারে নিশ্চিত এবং যখন তারা আবার যুদ্ধ করতে আসবে তখন তারা আমার তালিকা থেকে ১৫টি কম বিমানের ব্যবস্থা করবে।’’

  • Rajnath Warns Pakistan: ‘‘ইতিহাস ও ভূগোল দুই-ই বদলে দেবে ভারত’’, স্যর ক্রিক নিয়ে পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি রাজনাথের

    Rajnath Warns Pakistan: ‘‘ইতিহাস ও ভূগোল দুই-ই বদলে দেবে ভারত’’, স্যর ক্রিক নিয়ে পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি রাজনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার স্যর ক্রিক (Sir Creek) নিয়ে পাকিস্তানকে সরাসরি কড়া হুঁশিয়ারি (Rajnath Warns Pakistan) দিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। বললেন, ‘স্যর ক্রিক এলাকায় পাকিস্তানের যে কোনও আগ্রাসনের যোগ্য দেওয়া হবে যা ইতিহাস এবং ভূগোল দুটোই বদলে দিতে পারে ভারত।’

    কী বললেন রাজনাথ?

    বৃহস্পতিবার দশেরার দিনে গুজরাটের ভুজ সীমান্ত ঘাঁটিতে সেনাদের সঙ্গে অস্ত্রপুজো করে তিনি বলেন, “ভারতীয় সেনাবাহিনী এবং বিএসএফ যৌথভাবে এবং সজাগভাবে ভারতের সীমান্ত রক্ষা করছে। যদি পাকিস্তান স্যর ক্রিক (Sir Creek) এলাকায় আগ্রাসন দেখানোর চেষ্টা করে বা কোনও প্রকার দুঃসাহসিক প্রচেষ্টা করে, তবে এমন জবাব দেওয়া হবে যা ইতিহাস ও ভূগোল দুই-ই বদলে দেবে ভারত।’’ এই প্রসঙ্গে তিনি ইসলামাবাদকে স্মরণ (Rajnath Warns Pakistan) করিয়ে বলেন, ‘‘১৯৬৫ সালের যুদ্ধে ভারতীয় সেনাবাহিনী লাহোরে পৌঁছনোর ক্ষমতা প্রদর্শন করেছিল। ২০২৫ সালে এসে পাকিস্তানের মনে রাখা উচিত যে করাচি যাওয়ার একটি পথ এই প্রণালীর মধ্যে দিয়ে গিয়েছে।’’ রাজনাথ স্পষ্ট করে দেন, লেহ হোক বা স্যর ক্রিক— ভারতের প্রতিরক্ষা শক্তি ভাঙার চেষ্টা করা হলে, ভারতীয় সেনা পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে পুরোপুরি অক্ষম করে দেবে।

    কী এই স্যর ক্রিক?

    স্যর ক্রিক (Sir Creek) হল গুজরাটের কচ্ছের রণ এবং পাকিস্তানের মধ্যে প্রায় ৯৬ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি প্রণালী। সিন্ধু নদের ব-দ্বীপে তৈরি হয়েছে এই খাঁড়ি। দুই দেশের মধ্যে সমুদ্র সীমান্ত হিসেবে এই এলাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই স্যর ক্রিককে ঘিরে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিনের সীমান্ত বিরোধ। ১৯৯৯ সালে স্যর ক্রিক এলাকাতেই অনুপ্রবেশকারী পাক নজরদার বিমানকে ধ্বংস করেছিল ভারতীয় বায়ুসেনা। ওই ঘটনায় ১৬ জন পাক সেনা নিহত হয়েছিলেন।

    স্যর ক্রিক অঞ্চলে নির্মাণ পাক সেনার

    সম্প্রতি স্যর ক্রিক (Sir Creek) অঞ্চলে পাকিস্তানি সেনার বেশ কিছু নির্মাণ লক্ষ্য করা গিয়েছে। স্যর ক্রিক সংলগ্ন এলাকায় পাকিস্তানি সেনা বেশ কিছু সামরিক অবকাঠামো নির্মাণ করেছে। যে ব্যাপারে লক্ষ্য রাখছে ভারতীয় সেনা। যা নিয়ে শুরু বিতর্ক। এই অঞ্চলে নজরদারির দায়িত্বে রয়েছে বিএসএফের বিশেষ বাহিনী ‘ক্রিক ক্রোকোডাইল’। রাজনাথ বলেন, ‘‘স্বাধীনতার ৭৮ বছর পরেও, স্যর ক্রিক এলাকায় সীমান্ত নিয়ে বিরোধ চলছে। ভারত আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের জন্য বেশ কয়েকবার চেষ্টা করেছে, কিন্তু পাকিস্তানের উদ্দেশ্যের মধ্যে ত্রুটি রয়েছে (Rajnath Warns Pakistan)। ওদের অভিপ্রায় স্পষ্ট নয়। সম্প্রতি পাকিস্তান সেনাবাহিনী স্যর ক্রিক সংলগ্ন এলাকায় যেভাবে সামরিক পরিকাঠামো সম্প্রসারণ করেছে, তাতে তাদের উদ্দেশ্য স্পষ্ট হয়ে ওঠে।’’

  • Putin Supports PM Modi: ‘‘অপমান মেনে নেবে না ভারত’’, মার্কিন শুল্ক-যুদ্ধে ‘বন্ধু’ মোদিকে সমর্থন পুতিনের

    Putin Supports PM Modi: ‘‘অপমান মেনে নেবে না ভারত’’, মার্কিন শুল্ক-যুদ্ধে ‘বন্ধু’ মোদিকে সমর্থন পুতিনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়ান তেল কেনায় ভারতের ওপর মার্কিন চাপের বিরুদ্ধে (Russia Attacks US Tariff) সরব হলেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তাঁর স্পষ্ট কথা, নয়াদিল্লি কখনওই এই ধরণের চাপের কাছে মাথা নত করবে না (Putin Supports PM Modi) এবং নিজেকে কারও সামনে অপমানিত হতে দেবে না।

    ‘‘অপমান মেনে নেবে না ভারত’’

    রাশিয়া থেকে তেল কেনা নিয়ে ভারতের উপর চাপ বাড়াচ্ছে আমেরিকা। একই সঙ্গে চাপ বাড়ছে চিনের উপরেও। সেই সময়েই এই ইস্যুতে আমেরিকাকে নিশানা করলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট। বৃহস্পতিবার, কৃষ্ণ সাগরের রিসোর্ট শহর সোচিতে ভালদাই ডিসকাশন গ্রুপে বক্তব্য রাখছিলেন পুতিন। আলোচনাসভায় উপস্থিত ছিলেন ভারত-সহ ১৪০টি দেশের নিরাপত্তা এবং ভূরাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। সেখানেই পুতিন বলেন, ‘‘ভারতের মতো একটি দেশ কারও সামনে কখনই অপমান মেনে নেবে না। আমি প্রধানমন্ত্রী মোদিকে চিনি। মোদি আমার বন্ধু। আমি জানি, তিনি কখনও দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত নেবেন না। তিনি নিজেও এ ধরনের কোনও পদক্ষেপ করবেন না।’’ পুতিনের মতে, যদি ভারত রাশিয়া থেকে জ্বালানি কেনা বন্ধ করে, তবে দেশের ক্ষতি হবে আনুমানিক ৯ থেকে ১০ বিলিয়ন ডলার। তাঁর কথায়, “ভারতের মানুষ খুব মনোযোগ দিয়ে দেখবেন তাঁদের নেতারা কী সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন, আর তাঁরা কখনও অপমান সহ্য করবেন না।”

    মস্কো এবং নয়াদিল্লির মধ্যে ‘‘বিশেষ’’ সম্পর্ক

    রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রশংসা করেছেন। তাঁকে ‘‘ভারসাম্যপূর্ণ এবং জ্ঞানী নেতা’’ হিসাবে অভিহিত করেছেন। পুতিন জোর দিয়ে দাবি করেছেন, মস্কো এবং নয়াদিল্লির মধ্যে ‘‘বিশেষ’’ সম্পর্ক রয়েছে। বন্ধু মোদির পাশে থাকার অঙ্গীকার আলাদা করে করেন পুতিন। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, মার্কিন শুল্কের জন্য ভারতের যা ক্ষতি হবে, তা বাণিজ্য দিয়ে পুষিয়ে দেবে রাশিয়া। তাঁর কথায়, ‘‘আমেরিকার শুল্কের কারণে ভারতের যা ক্ষতি হচ্ছে, তা আমাদের খনিজ তেল আমদানির মাধ্যমে পুষিয়ে যাবে। পাশাপাশি, ভারত থেকে আরও কৃষিজাত পণ্য কেনা যেতে পারে। ওষধি পণ্যের জন্যেও আমাদের দিক থেকে কিছু পদক্ষেপ করা হতে পারে, যাতে বাণিজ্যের ভারসাম্য বজায় থাকে।’’

    ট্রাম্পকে তুলোধনা পুতিনের

    দ্বিচারিতা নিয়ে ট্রাম্পকে তুলোধনা করেন পুতিন। তিনি মনে করিয়ে দেন, রাশিয়ার সঙ্গে জ্বালানি বাণিজ্য কমাতে ভারতকে বাধ্য করা “অর্থনৈতিকভাবে অর্থহীন” এবং এতে ক্ষতিগ্রস্ত হবে আমেরিকারই অর্থনীতি। রাশিয়ার জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ করা হলে বিশ্ব অর্থনীতি গভীর সংকটে পড়বে এবং অপরিশোধিত তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ১০০ ডলারের উপরে পৌঁছাবে। ইউক্রেনের সঙ্গে ইউরেনিয়াম কেনা নিয়ে চুক্তি করেছে আমেরিকা। এই নিয়েও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনা করেন পুতিন। তাঁর দাবি, ওয়াশিংটন নিজেই রাশিয়ার কাছ থেকে ভালো মানেই ইউরেনিয়াম কিনছে। আর তারাই আবার অন্য দেশকে রাশিয়ার জ্বালানি কিনতে বাধা দিচ্ছে।

  • Daily Horoscope 03 October 2025: ধৈর্য ধরতে হবে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 03 October 2025: ধৈর্য ধরতে হবে এই রাশির জাতকদের

    মেষ

    ১) নম্র স্বভাবের জন্য কর্মস্থলে পদোন্নতি।

    ২) বাসস্থান পরিবর্তন নিয়ে খরচ বৃদ্ধি।

    ৩) পুরনো বন্ধুর সঙ্গে দেখা হতে পারে।

    বৃষ

    ১) কোনও প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ না করাই ভালো হবে।

    ২) ভ্রমণে সমস্যা বাড়তে পারে, একটু সাবধান থাকুন।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    মিথুন

    ১) অতিরিক্ত বিলাসিতার জন্য খরচ বাড়তে পারে।

    ২) গুরুজনদের সদুপদেশে কর্মে উন্নতি।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    কর্কট

    ১) ব্যবসায় দারুণ অর্থপ্রাপ্তির যোগ রয়েছে।

    ২) নিজের ভুল সংশোধন করার ফলে ব্যবসায় উন্নতি।

    ৩) ধৈর্য ধরতে হবে।

    সিংহ

    ১) কাজের চাপ বাড়তে পারে।

    ২) বন্ধুদের সহায়তায় ব্যবসায় উন্নতি।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    কন্যা

    ১) সহকর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করায় মানসিক চাপ বাড়বে।

    ২) প্রেমে কষ্ট বাড়তে পারে।

    ৩) দুশ্চিন্তা বাড়বে।

    তুলা

    ১) সব কাজেই সুনাম পেতে পারেন।

    ২) ব্যবসায় সহকর্মীর দ্বারা ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    বৃশ্চিক

    ১) দাম্পত্য সমস্যার কারণে মন চঞ্চল হতে পারে।

    ২) কোনও ঝুঁকিপ্রবণ কাজ করতে হতে পরে।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    ধনু

    ১) প্রিয়জনের সঙ্গে বিবাদ নিয়ে চিন্তা হতে পারে।

    ২) গরিব মানুষের জন্য কিছু করার চেষ্টা করুন।

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    মকর

    ১) শত্রুভয় কাটিয়ে উঠতে পারবেন।

    ২) ব্যবসা নিয়ে চিন্তা থাকবে।

    ৩) আধ্যাত্মিকতায় মনোনিবেশ করুন।

    কুম্ভ

    ১) কর্মক্ষেত্রে প্রচুর চিন্তা থাকবে।

    ২) ব্যবসার ব্যাপারে খুব সতর্ক থাকুন, বুদ্ধিভ্রংশ হতে পারে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    মীন

    ১) বাড়িতে অশান্তির  সম্ভাবনা ও সেই কারণে মানহানি হতে পারে।

    ২) আপনার বক্তব্য সকলের মন জয় করতে সক্ষম হবে।

    ৩) ভেবেচিন্তে কথা বলুন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 477: “মহাভাব ঈশ্বরের ভাব এই দেহ-মনকে তোলপাড় করে দেয়”

    Ramakrishna 477: “মহাভাব ঈশ্বরের ভাব এই দেহ-মনকে তোলপাড় করে দেয়”

    ৪৪ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ বলরাম-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে

    দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১২ই এপ্রিল

    পূর্বকথা—শ্রীরামকৃষ্ণের মহাভাব—ব্রাহ্মণীর সেবা

    গিরিশ, মাস্টার প্রভৃতিকে সম্বোধন করিয়া ঠাকুর নিজের মহাভাবের অবস্থা বর্ণনা করিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) ভক্তদের প্রতি—সে অবস্থার পরে আনন্দও যেমন, আগে যন্ত্রণাও তেমনি। মহাভাব ঈশ্বরের ভাব (Kathamrita)— এই দেহ-মনকে তোলপাড় করে দেয়! যেন একটা বড় হাতি কুঁড়ে ঘরে ঢুকেছে। ঘর তোলপাড়! হয়তো ভেঙেচুড়ে যায়!

    “ঈশ্বরের বিরহ-অগ্নি সামান্য নয়। রূপসনাতন যে গাছের তলায় বসে থাকতেন ওই অবস্থা হলে এইরকম আছে যে, গাছের পাতা ঝলসা-পোড়া হয়ে যেত! আমি এই অবস্থায় তিনদিন অজ্ঞান হয়ে ছিলাম। নড়তে-চড়তে পারতাম না, এক জায়গায় পড়েছিলাম। হুঁশ হলে বামনী আমায় ঘরে স্নান করাতে নিয়ে গেল। কিন্তু হাত দিয়ে গা ছোঁবার জো ছিল না। গা মোটা চাদর দিয়ে ঢাকা। বামনী সেই চাদরের উপর হাত দিয়ে আমায় ধরে নিয়ে গিছল। গায়ে যে সব মাটি লেগেছিল, পুড়ে গিছল!

    “যখন সেই অবস্থা আসত শিরদাঁড়ার ভিতর দিয়ে যেন ফাল চালিয়ে যেত! ‘প্রাণ যায়, প্রাণ যায়’ এই করতাম। কিন্তু তারপরে খুব আনন্দ!”

    ভক্তেরা এই মহাভাবের অবস্থা বর্ণনা অবাক্‌ হইয়া শুনিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (গিরিশের প্রতি)—এতদূর তোমাদের দরকার নাই। আমার ভাব কেবল নজিরের জন্য। তোমরা পাঁচটা নিয়ে আছ, আমি একটা নিয়ে আছি। আমার ঈশ্বর বই কিছু ভাল লাগে না। তাঁর ইচ্ছে। (সহাস্যে) একডেলে গাছও আছে আবার পাঁচডেলে গাছও আছে। (সহলের হাস্য)

    “আমার অবস্থা নজিরের জন্য। তোমরা সংসার করো, অনাসক্ত হয়ে। গায়ে কাদা লাগবে কিন্তু ঝেড়ে ফেলবে, পাঁকাল মাছের মতো। কলঙ্কসাগরে সাঁতার দেবে—তবু গায়ে কলঙ্ক লাগবে না।”

    গিরিশ (সহাস্যে)—আপনারও তো বিয়ে আছে। (হাস্য)

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) সহাস্য—সংস্কারের জন্য বিয়ে করতে হয়, কিন্তু সংসার আর কেমন করে হবে! গলায় পৈতে পরিয়ে দেয় আবার খুলে খুলে পড়ে যায় — সামলাতে পারি নাই। একমতে আছে, শুকদেবের বিয়ে হয়েছিল (Kathamrita)— সংস্কারের জন্য। একটি কন্যাও নাকি হয়েছিল। (সকলের হাস্য)

  • Durga Puja 2025: দশমীর দিন সিঁদুর খেলায় মেতে ওঠেন হিন্দু বধূরা, কবে শুরু হয়েছিল এই রীতি?

    Durga Puja 2025: দশমীর দিন সিঁদুর খেলায় মেতে ওঠেন হিন্দু বধূরা, কবে শুরু হয়েছিল এই রীতি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সারা বছর অপেক্ষার পর মহালয়া শুরু হলেই চারদিকে পুজো পুজো (Durga Puja 2025) গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। আনন্দে মেতে ওঠে মন। আর দশমী আসা মানেই মন বিষাদে পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে। দশমী মানেই বিজয়া। এবার মাকে বিদায় দেওয়ার পালা। সিঁদুরে রাঙা মায়ের মুখখানি যে বড়ই প্রিয় আম বাঙালির। মিষ্টিমুখ করিয়ে ঘরের মেয়ে উমাকে এবার কৈলাসে পাঠানোর শুরু হয় তোড়জোড়। আর এই সূত্র ধরেই সিঁদুর খেলায় (Sindoor Khela) মেতে ওঠেন বাড়ির বধূরা। বিজয়া দশমীর একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হল সিঁদুর খেলা। হিন্দু বিবাহ রীতিতে সিঁদুরদান একট লৌকিক আচার। স্বামীর মঙ্গল কামনায় সিঁদূর পরেন বিবাহিত মহিলারা। দুর্গা বিবাহিত হওয়ায় তাঁকে সিঁদুর লাগিয়ে, মিষ্টি মুখ করিয়ে বিদায় জানানো হয়।

    সিঁদুর খেলার প্রচলন কবে? (Durga Puja 2025)

    সিঁদুর খেলার (Sindoor Khela) প্রচলন ঠিক কবে থেকে, তার সঠিক কোনও তথ্যপ্রমাণ নেই। ইতিহাসবিদ ও শাস্ত্রজ্ঞ পণ্ডিতদের কেউ কেউ বলেন, দুশো বছর আগে সিঁদুর খেলার প্রচলন হয়েছিল। তখন বর্ধিষ্ণু জমিদার পরিবারগুলিতে দশমীর দিন প্রতিমা বিসর্জনের আগে বাড়ির মহিলারা একে অপরকে সিঁদুরে রাঙিয়ে স্বামী ও পরিবার পরিজনদের মঙ্গল কামনা করতেন। আবার অন্য একটি মত অনুযায়ী, সিঁদুর খেলার ঐতিহ্য চারশো বছরের পুরনো। অন্য কোনও কারণ নয়, শুধুমাত্র খেলার ছলেই এই প্রথার চল হয়। মায়ের বিসর্জনের দিন সকলের মনই ভারাক্রান্ত থাকে। তাই ওইদিন একটু আনন্দ-উল্লাসের জন্যই সিঁদুর (Durga Puja 2025) খেলার প্রবর্তন হয়। সেই ঐতিহ্যই সমান ভাবে চলছে আজও।

    পুরাণ মতে সিঁদুর খেলা

    পুরাণ মতে, ৯ দিন ৯ রাত্রি মহিষাসুরের সঙ্গে যুদ্ধ হয় দশভূজা দুর্গার। দশমীর দিনে মহিষাসুর বধ করেন দুর্গা। অধর্মের ওপর ধর্ম ও অসত্যের ওপর সত্যের জয়ের দিন এটি। সেই জয়কে চিহ্নিত করতেই দশমীর আগে বিজয়া শব্দটি ব্যবহৃত হয়। দশমীর দিনে এই জয়লাভ বলে দিনটিকে বিজয়া দশমী বলা হয়। পুরাণ মতে সিঁদুর ব্রহ্মের প্রতীক। বিবাহিত রমণীরা সেই ব্রহ্মস্বরূপ সিঁদুর সিঁথিতে ধারণ করে থাকেন স্বামী ও পরিবারের মঙ্গলকামনায়। শ্রীমদ্ভগবত অনুসারে, গোপিনীরা কাত্যায়নী ব্রত পালন করতেন। যমুনা নদীর তীরে মাতার মাটির মূর্তি স্থাপন করে, ধূপ-ধুনো জ্বালিয়ে এই ব্রত পালিত হত। এরপর গোপীনিরা নাকি সিঁদুর খেলায় মেতে উঠতেন। একে অপরকে সিঁদুর পরিয়ে তাঁরা আসলে শ্রীকৃষ্ণের মঙ্গল কামনা করতেন বলেই কথিত রয়েছে।

    সিঁদুর খেলায় (Sindoor Khela) মেতে ওঠেন সকলে

    বারোয়ারি মণ্ডপ (Durga Puja 2025) হোক অথবা বাড়ির পুজো, শাড়ি পরে মাতৃ জাতিকে সিঁদুর খেলতে দেখা যায়। শুধুমাত্র বিবাহিত বা প্রচলিত ভাষায় সধবা মহিলারা নন, এখন অবিবাহিত মহিলারা, প্রচলিত ভাষায় যাদের কুমারী মেয়ে বলা হয়, তাঁদেরকেও দেখা যায় সিঁদুর খেলায় মেতে উঠতে। কথিত আছে যে এই সিঁদুর লাগালে বিবাহিতরা সৌভাগ্যবতী হওয়ার বর পান। বাঙালি মহিলাদের মধ্যে সিঁদুর খেলার সাথে ধুনুচি নাচও দেখা যায়। মনে করা হয় মা দুর্গা ধুনুচি নাচে খুশি হন। প্রাচীনকালে লাল সিঁদুরকে ভারতীয় নারীরা বেছে নিয়েছিলেন তাঁদের অন্যতম প্রসাধনী হিসেবে। গালে সিঁদুর মেখে, হাতে প্রসাদের রেকাবি নিয়ে সেলফি তুলে তা সোশ্যাল মিডিয়াতে আপলোড করাটাও এখন রীতি হয়ে গিয়েছে। পুজো মানে তো প্রেমের মরসুম। মণ্ডপের পুষ্পাঞ্জলিতে শাড়ি-পাঞ্জাবিতে প্রেমিক-প্রেমিকাদের উপস্থিতিও চোখে পড়ে। দশমীর দিন তাই প্রেমিকের হাতে সিঁদুরের ছোঁয়া (Sindoor Khela) না পেলে প্রেমটাও ঠিক জমে না।

LinkedIn
Share