Tag: news in bengali

news in bengali

  • Vice Chancellor: শিক্ষা জগতের বাইরের বিশিষ্টরাও হতে পারবেন উপাচার্য, নয়া বিধি আনছে কেন্দ্র

    Vice Chancellor: শিক্ষা জগতের বাইরের বিশিষ্টরাও হতে পারবেন উপাচার্য, নয়া বিধি আনছে কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উপাচার্য (Vice Chancellor) হওয়ার যোগ্যতা মানে বড়সড় পরিবর্তন আনতে চলেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন। নয়া বিধিতে বলা হয়েছে, সমাজের যে কোনও পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিই হতে পারবেন উপাচার্য। একই সঙ্গে নয়া বিধি অনুযায়ী, উপাচার্য নিয়োগে ক্ষমতাও বাড়ানো হচ্ছে আচার্যদের। নতুন বিধি অনুসারে, সার্চ কমিটির তৈরি প্যানেল থেকে একজনকে বেছে নিতে পারবেন আচার্যরা। মানে অন্য কোনও পক্ষের মতামত দেওয়ার সুযোগ থাকবে না। এছাড়া, অধ্যাপক, চুক্তিভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগের নিয়মেও গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে চলেছে ইউজিসি। সেই সংক্রান্ত খসড়াও প্রকাশ করা হয়েছে।

    রাজ্যপাল ছাড়া অন্যান্যরাও হতে পারেন উপাচার্য (Vice Chancellor) 

    নতুন বিধিতে সাফভাবে জানানো হয়েছে, আচার্য বলতে শুধুমাত্র রাজ্যপালদেরই বিবেচনা করা হবে না। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়েও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের আচার্য করা যেতে পারে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, উপাচার্য (Vice Chancellor) পদে পশ্চিমবঙ্গে বর্তমানে রবীন্দ্রভারতী এবং আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা জগতের বাইরের মানুষ রয়েছেন। রবীন্দ্রভারতীর উপাচার্য হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি। আলিয়ার উপাচার্য একজন অবসরপ্রাপ্ত পুলিশকর্তা। পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস তাঁর বিশেষ ক্ষমতাবলে ওই দুই উপাচার্যকে নিয়োগ করেছেন বলে জানা গিয়েছে।

    মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষমতা জাহির করতে বিল পেশ বিধানসভায় (Vice Chancellor)

    সাধারণভাবে রাজ্যপালই রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্যের ভূমিকা পালন করে থাকেন। এই আবহে বিশ্ববিদ্যালয়ের (Education) রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তারের আশায়, রাজ্যপালের পরিবর্তে মুখ্যমন্ত্রীকে উপাচার্য করার বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বিলও পেশ করেছে শাসক দল। যদিও রাজ্যপাল বিলটিতে সম্মতি না দেওয়ায় সেটি কার্যকর করা যায়নি। এরই মধ্যে কেন্দ্রের এই নয় খসড়া বিধি সামনে এল। সমাজের নানা পেশার গুণিজনদের উপাচার্য করার প্রস্তাবটি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ামক সংস্থা জানিয়েছে, এরফলে উচ্চশিক্ষার সঙ্গে সমাজের সব অংশের সম্পৃক্ততা বাড়বে। নতুন নতুন ধারণায় সমৃদ্ধ হবে উচ্চশিক্ষা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Makar Sankranti 2025: মকর সংক্রান্তির সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে নানা পৌরাণিক কাহিনি, কেন স্নান গুরুত্বপূর্ণ জানেন?

    Makar Sankranti 2025: মকর সংক্রান্তির সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে নানা পৌরাণিক কাহিনি, কেন স্নান গুরুত্বপূর্ণ জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মকর সংক্রান্তির (Makar Sankranti 2025) সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে নানা পৌরাণিক কাহিনি। বলা হয়, এদিন থেকেই সূর্য দক্ষিণায়ন থেকে উত্তরায়ণের দিকে ক্রমে ক্রমে সরে যায়। ফলে দিন বড় হতে শুরু করে এবং রাত ছোট হয়। হিন্দুশাস্ত্র মতে এইদিনে স্নান করলে সমস্ত দুঃখ-কষ্ট দূর হয়ে যায়। একই ভাবে স্নানের পর জল সূর্য দেবতার উদ্দেশে নিবেদন করলে দুঃখ কষ্ট দূর হয়ে যায়। এ দিনের মাহাত্ম্যকথা সম্পর্কে একাধিক গল্প পাওয়া যায়। এই দিনটি সূর্য উপাসনা, উপবাস, শ্রীকৃষ্ণ ও মাতা যশোদার সঙ্গে জড়িত। মহাভারতের (Mythological Stories) পিতামহ ভীষ্ম নিজের দেহ ত্যাগের জন্য এই মকর সংক্রান্তির জন্য দিনকে বেছে নিয়েছিলেন। আসুন এবার যেনে নিই এই বিশেষ দিনের গুরুত্ব কী।

    পিঠে, পুলি, পায়েস রান্না হয় মকর সংক্রান্তিতে (Makar Sankranti 2025)

    মকর সংক্রান্তি (Makar Sankranti 2025) হিন্দু ক্যালেন্ডার মতে প্রতি বছর পৌষ মাসের সংক্রান্তির (শেষ) দিনে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। ইংরেজি মতে, তা ১৪ বা ১৫ জানুয়ারি তারিখ হয়ে থাকে। এ বছর মকর সংক্রান্তি পড়েছে ১৪ জানুয়রি। সারা ভারতে মকর সংক্রান্তি পালিত হয়। তবে দেশের এক এক রাজ্যে এক এক নামে এই উৎসবের নামকরণ করা হয়েছে। যেমন-দক্ষিণ ভারতের কেরল, তামিলনাড়ুতে এই উৎসবের নাম হয়েছে ‘পোঙ্গল’, কর্নাটকে নাম হয়েছে ‘সংক্রান্তি’, হারিয়ানায় নাম হয়েছে ‘মাঘি’, গুজরাট, উত্তরাখণ্ডে নাম হয়েছে ‘উত্তরায়ণ’, উত্তর প্রদেশ, বিহারে নাম হয়েছে ‘খিচড়ি’। তবে মকর নামেই সারাদেশে ব্যাপক ভাবে পরিচিত হয়েছে। বাংলায় নাম হয়েছে মকর সংক্রান্তি। হিন্দু বাঙালির ঘরে ঘরে এদিন পিঠে, পুলি, পায়েস রান্না হয়। রাধাকৃষ্ণের পুজো এবং বাড়িতে গরু বা গো-মাতার পুজো করা হয়। মেয়েরা ব্রত কথা পাঠ করে, গ্রামে-গঞ্জে বসে লোকগীতি, বাউল ও নাম কীর্তনের আসর। সব চেয়ে বড় মেলা বসে গঙ্গাসাগরের কপিলমুনির আশ্রমে এবং বীরভূমের কেন্দুলিতে জয়দেবের মেলা। পুরাণ অনুযায়ী, মকর সংক্রান্তির দিন গঙ্গা ভগীরথকে অনুসরণ করে সাগরে কপিল মুনির আশ্রমে মিলিত হয়েছিলেন।

    সূর্য পুজোর একটা বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে

    এই মকর সংক্রান্তির (Makar Sankranti 2025) সঙ্গে সূর্য পুজোর একটা বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। জ্যোতিষশাস্ত্র মতে সূর্য হল শক্তির প্রতীক। যাদের রাশিতে সূর্যের অবস্থান ঠিক থাকে না তাদের সূর্য নারায়ণকে নমস্কার করে জল তর্পণ করতে হয়। সূর্যের চলনের উপর নির্ভর করে সকল নিয়ম কানুনকে মেনে চলতে হয়। জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, সংক্রান্তি মানে সূর্যের রাশি পরিবর্তন। মকর সংক্রান্তিতে, সূর্য দেবতা উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে ধনু রাশি থেকে বের হয়ে মকর রাশিতে প্রবেশ করে। তাই এই দিনটিকে উত্তরায়ণ বলা হয়। শাস্ত্রে উত্তরায়ণের দিনটিকে অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়েছে। এই দিনে পবিত্র নদীতে স্নান, দান ও পুজো করলে শুভ ফল পাওয়া যায়। মনে করা হয় উত্তরায়ণে এদিন প্রাণ উৎসর্গ বা দেহ ত্যাগ করলে সরাসরি মোক্ষ লাভ পাওয়া যায় বলে বিশ্বাস।

    আরও পড়ুনঃ পান্নুনের সংগঠনের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল কেন্দ্র, সিদ্ধান্ত বহাল রাখল ট্রাইব্যুনাল

    যশোদা শ্রীকৃষ্ণকে পুত্ররূপে পেতে উপবাস করেছিলেন

    মকর সংক্রান্তি (Makar Sankranti 2025) এবং সূর্যদেবের উপাসনার সঙ্গে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ এবং যশোদার সঙ্গে জড়িত। পৌরাণিক কাহিনী (Mythological Stories) অনুযায়ী, যশোদা শ্রীকৃষ্ণকে পুত্ররূপে পাওয়ার জন্য মকর সংক্রান্তির দিন উপবাস করেছিলেন। সাধারণত শ্রীরাম ত্রেতাযুগে বনবাস থেকে ফিরে আসার পর, কৈকেয়ী তাঁকে বলেছিলেন যে, পরবর্তী জীবনে আমার গর্ভে যেন জন্মগ্রহণ করেন। আমি যেন আপনার মা হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করতে পারি। সেই সময়ে ভগবান মাতা কৈকেয়ীর সকল মনোবাসনা পূর্ণ করেন। রাণীমার আশীর্বাদে রামচন্দ্র জানিয়েছেন, মা তুমি কষ্ট পেয় না। কৈকেয়ীর অনুরোধে তাঁর গর্ভেই জন্মগ্রহণ করবে। পুত্র হিসেবে তিনি ডাকতে পারবেন। এই কারণেই দ্বাপরে ভগবান রাম, মা দেবকীর গর্ভে জন্মগ্রহণ করেন। কিন্তু ঘটনাক্রমে দেবকির গর্ভে জন্ম নিলেও যশোদার কাছে মানুষ হন কৃষ্ণ। তাই শ্রীকৃষ্ণকে যশোদা নন্দনও বলা হয়।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kumbh Mela 2025: সাধুর ভিড়ে মহাকুম্ভে হানা দিতে পারে জঙ্গিরা, কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা

    Kumbh Mela 2025: সাধুর ভিড়ে মহাকুম্ভে হানা দিতে পারে জঙ্গিরা, কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আঁটসাঁট করা হচ্ছে প্রয়াগরাজের কুম্ভমেলা (Kumbh Mela 2025)। মেলায় (Prayag) হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছেন কানাডাবাসী খালিস্তানপন্থী জঙ্গি নেতা গুরুপতবন্ত সিংহ পান্নুন। গোয়েন্দা রিপোর্ট অনুযায়ী, কয়েকটি ইসলামি জঙ্গি সংগঠনের নিশানায়ও রয়েছে এই মহাকুম্ভ। তাই মহাকুম্ভের নিরাপত্তায় এনএসজি কমান্ডো বাহিনী ও স্নাইপার প্লাটুন মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিল উত্তরপ্রদেশের যোগী আদিত্যনাথের সরকার। কুম্ভমেলার ইতিহাসে এই প্রথম বার এমন আঁটসাঁট নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

    নাশকতা দমন টিম (Kumbh Mela 2025)

    জানা গিয়েছে, এবার মহাকুম্ভে মোতায়েন করা হচ্ছে মোট ২৬টি নাশকতা দমন টিম। উত্তরপ্রদেশ পুলিশের কমান্ডো বাহিনী ও কেন্দ্রীয় আধাসেনার স্পেশাল ফোর্সের পাশাপাশি এই তালিকায় রয়েছে উত্তরাখণ্ড পুলিশের দুটি বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ইউনিট। ড্রোনের সাহায্যে নজরদারির ব্যবস্থাও থাকবে। থাকবে বুলেটপ্রুফ আউটপোস্টও। বিশেষভাবে নজরদারির ব্যবস্থা করা হচ্ছে শাহি স্নানের জায়গা, মন্দির এবং গাড়ির পার্কিং লটগুলিতে। কুম্ভমেলায় ব্যাপক ভিড় হয় সাধুদের। সেই সাধুর ছদ্মবেশে জঙ্গিরা যাতে হামলা চালাতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে আখড়া-সন্ন্যাসীদের আধারকার্ড সঙ্গে রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

    শাহি স্নান

    কুম্ভে বিশেষ পুণ্যতিথির স্নানকে শাহি স্নান বলে। এবার মেলা শুরু হবে ১৩ জানুয়ারি, চলবে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এই ৪৪ দিনের মধ্যে শাহি স্নানের দিন রয়েছে ৬টি। এর মধ্যে সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মৌনি অমাবস্যার শাহি স্নান। এই শাহি স্নানের দিনগুলিতে ব্যাপক ভিড় হবে বলে আশা উত্তরপ্রদেশ প্রশাসনের (Kumbh Mela 2025)। সেই ভিড়ের সুযোগ নিয়ে হানা দিতে পারে অশুভ শক্তি। তাই আঁটসাঁট করা হচ্ছে মেলা চত্বর।

    আরও পড়ুন: “দিল্লিকে বিকশিত ভারতের রাজধানী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    প্রয়াগরাজের মেলাস্থলের আয়তন ৩২ বর্গ কিলোমিটারেরও বেশি। রয়েছে গঙ্গা, যমুনা ও সরস্বতীর সঙ্গমের বিস্তীর্ণ জলরাশি। সেখানে নিরাপত্তার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে জল পুলিশের বিশেষ বাহিনীকে। প্রসঙ্গত, প্রতি ১২ বছর অন্তর হয় পূর্ণকুম্ভ। ৬ বছর অন্তর হয় অর্ধকুম্ভ। আর ১৪৪ বছর পর হয় মহাকুম্ভ। ২০১৩ সালে হয়েছে পূর্ণকুম্ভ। ২০১৯ সালে হয়েছে অর্ধকুম্ভ। এবার হতে চলেছে মহাকুম্ভ মেলা (Prayag)। সেই কারণেই নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থা (Kumbh Mela 2025)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Jagannath Temple: পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের মাথায় রহস্যময় ড্রোনের চক্কর, চাঞ্চল্য

    Jagannath Temple: পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের মাথায় রহস্যময় ড্রোনের চক্কর, চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জায়গাটা ‘নো-ফ্লাইং’ জোন। তাই এরোপ্লেনও ওড়ে না। আর সেখানেই কিনা শীতের ভোর রাতে আধ ঘণ্টা ধরে চক্কর কাটল রহস্যময় ড্রোন (Drone)! কথা হচ্ছিল পুরীর জগন্নাথ মন্দির (Jagannath Temple) নিয়ে। রবিবার ভোর রাতে ওই মন্দিরের ওপরই চক্কর কাটল ড্রোন। ড্রোন ওড়ানোর নেপথ্যে কে বা কারা, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এই ঘটনায় কড়া পদক্ষেপ করার ইঙ্গিত দিয়েছে ওড়িশার বিজেপি সরকার।

    কী বলছেন আইনমন্ত্রী? (Jagannath Temple)

    পুরীর পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে শুরু হয়েছে তদন্তও। রাজ্যের আইনমন্ত্রী পৃথ্বীরাজ হরিচন্দন বলেন, “মন্দিরে ড্রোন ওড়ানো নিষিদ্ধ। যাঁরা মন্দিরের নিরাপত্তা ভঙ্গ করলেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ করা হবে।” তিনি বলেন, “মনে হচ্ছে, ভ্লগাররা মন্দিরে ড্রোন উড়িয়েছেন। কিন্তু এর নেপথ্যে কোনও খারাপ উদ্দেশ্য থাকার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না।” মন্ত্রী বলেন, “পুরীর এসপি তদন্তকারী দল গঠন করেছেন। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছেন। আমি আশা করি, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হবে এবং ড্রোনটি বাজেয়াপ্ত করা হবে।”

    প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি

    প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, এদিন ভোর ৪টে ১০ মিনিট নাগাদ ড্রোনটি জগন্নাথ মন্দিরের ওপর চক্কর কাটতে থাকে। তড়িঘড়ি খবর দেওয়া হয় পুলিশকে। আধ ঘণ্টা পরে আর ড্রোনটির খোঁজ মেলেনি (Jagannath Temple)। মন্ত্রী জানান, পুরীর পুলিশ সুপারকে গোটা ঘটনাটি তদন্ত করে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে যাতে এই ধরনের ঘটনা না ঘটে, তাই মন্দির চত্বরে ওয়াচ টাওয়ারে সর্বক্ষণের জন্য পুলিশ মোতায়েন রাখার কথা জানান তিনি।

    আরও পড়ুন: মহাকাশে ফলবে বরবটি! অঙ্কুরোদ্গম করে বিশ্বকে তাক লাগাল ইসরো

    ড্রোন বিধিমালা, ২০২১ এর অধীনে ওড়িশার জগন্নাথ মন্দিরকে নো ফ্লাইং জোন হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। এই নো ফ্লাইং জোন মন্দির চত্বরে ড্রোন উড়তে দেখে জগন্নাথ মন্দিরের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মন্দির কর্তৃপক্ষ (Jagannath Temple)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

      

  • Pannun: পান্নুনের সংগঠনের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল কেন্দ্র, সিদ্ধান্ত বহাল রাখল ট্রাইব্যুনাল

    Pannun: পান্নুনের সংগঠনের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল কেন্দ্র, সিদ্ধান্ত বহাল রাখল ট্রাইব্যুনাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খালিস্তানপন্থী জঙ্গি নেতা পান্নুনের (Pannun) ‘শিখ ফর জাস্টিস’ সংগঠনকে নিষিদ্ধ করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। গত ৩ জানুয়ারি কেন্দ্রের সেই সিদ্ধান্তকেই বহাল রাখল বেআইনি কার্যকলাপ আইন মামলা সম্পর্কিত ট্রাইব্যুনাল (UAPA Tribunal)। দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি অনুপ কুমার মেনদিরাত্তা কেন্দ্রীয় সরকারের এই সিদ্ধান্ত বহাল রাখেন। প্রসঙ্গত, শিখ ফর জাস্টিস সংগঠনকে প্রথমবারের জন্য বেআইনি ঘোষণা করা হয় ২০১৯ সালে। তার কারণ, সেই সময় এই সংগঠনের বিরুদ্ধে অজস্র অভিযোগ দায়ের হয়েছিল বেআইনি কার্যকলাপের বিভিন্ন ধারায়। সেই সময়ে কেন্দ্রীয় সরকারের অতিরিক্ত সলিসিটার জেনারেল এইচডি সঞ্জয় এবং আইনজীবী রজত নায়ার এই সংগঠনের বিরুদ্ধে আরও অনেক অভিযোগ সামনে আনেন।

    কী জানালেন বিচারপতি 

    বিচারপতি অনুপ কুমার মেনদিরাত্তা নিজের পর্যবেক্ষণে জানিয়েছেন, শিখ ফর জাস্টিস সংগঠনের (Pannun) বিরুদ্ধে যথেষ্ট এবং পর্যাপ্ত প্রমাণ রয়েছে যে তারা একটি সন্ত্রাসবাদী সংগঠন এবং তারা বিচ্ছিন্নতাবাদের প্রচার চালায়। শুধুমাত্র তাই নয়, বিচারপতি নিজের পর্যবেক্ষণ আরও জানিয়েছেন, শিখ ফর জাস্টিস সংগঠন পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের সঙ্গেও যোগসূত্র রেখে চলে। এর পাশাপাশি তারা পাঞ্জাবে জঙ্গি কার্যকলাপও চালায়।

    প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকেও খুনের হুমকি 

    শুধুমাত্র তাই নয়, বিচারপতি নিজের পর্যবেক্ষণে আরও জানান যে, এই সংগঠন আন্তর্জাতিকভাবে পাচার চক্রের সঙ্গে যুক্ত। তারা বেআইনি অস্ত্র পাচার করে। একইসঙ্গে এই সংগঠন প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে খুন করার হুমকিও দিয়েছে। শিখ বিদ্রোহের জন্য উস্কানিও (Pannun) দিয়েছে এই সংগঠন। জাতি দাঙ্গা বাধানোর উস্কানি দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে এই  সংগঠনের বিরুদ্ধে।

    কেন্দ্রীয় সরকারের দফতরগুলিতেও হামলা চালানোর হুমকি

    নিজের পর্যবেক্ষণে ট্রাইব্যুনালের (UAPA Tribunal) বিচারপতি আরও জানিয়েছেন, এই সংগঠনের বিরুদ্ধে প্রমাণ মিলেছে যে তারা দেশের তেরঙ্গা পতাকা পোড়ানোর উস্কানি জুগিয়েছে শিখ সমাজকে। একইসঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন দফতর তথা রেলওয়েতে হামলা চালানোরও হুমকি (Pannun)  দিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “দিল্লিকে বিকশিত ভারতের রাজধানী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “দিল্লিকে বিকশিত ভারতের রাজধানী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “গত দশ বছরে দিল্লি যে সরকার দেখেছে, তা বিপর্যয়ের (AAP) চেয়ে কম কিছু নয়।” রবিবার দিল্লির রোহিণীর জাপানিজ পার্কে ‘পরিবর্তন র‍্যালি’-তে ভাষণ দিতে গিয়ে কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এই সভায় বিজেপিকে একটা সুযোগ দেওয়ার আবেদনও জানান তিনি।

    বিকশিত ভারতের রাজধানী (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা দিল্লিকে বিকশিত ভারতের রাজধানী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। আমি দিল্লির জনগণের কাছে আবেদন করছি যে দিল্লির উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য বিজেপিকে একটি সুযোগ দিন। দিল্লিকে উন্নত করতে পারে কেবল বিজেপি।” এর পরেই তিনি বলেন, “গত দশ বছরে দিল্লি যে সরকার দেখেছে, তা বিপর্যয়ের চেয়ে কম কিছু নয়। এখন দিল্লিতে শুধু শোনা যায়, ‘আপ-দা’ (বিপর্যয়) নয় সহ্য করব, বদলে দেব। দিল্লি উন্নয়ন চায় এবং দিল্লির জনগণ বিজেপির ওপর আস্থা রাখে।”

    দিল্লির অবদান অপরিহার্য

    প্রধানমন্ত্রী জানান, তিনি হাজার হাজার কোটি টাকার উন্নয়নমূলক কাজ উদ্বোধন করার পরে এই জনসভায় বক্তব্য রাখতে এসেছেন। আগামী পঁচিশ বছর সমগ্র দেশের ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এবং বিকশিত ভারত মিশনে দিল্লির অবদান অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। তিনি বলেন, “আমি এখানে হাজার হাজার কোটি টাকার দিল্লির উন্নয়ন প্রকল্পগুলির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং উদ্বোধন করার পরেই এসেছি। আমরা এখন ২০২৫ সালে আছি। আগামী ২৫ বছর দিল্লি এবং পুরো দেশের ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ২৫ বছর ভারত একটি বিকশিত ভারত (Viksit Bharat) হিসেবে গড়ে তোলার সাক্ষী হবে। আমরা এর অংশ হব। এই বছরগুলি ভারতকে আধুনিকায়নের নতুন যুগে নিয়ে যাবে। শীঘ্রই সেই সময় আসছে যখন ভারত বিশ্বের তৃতীয় অর্থনৈতিক শক্তি হয়ে উঠবে, এবং দিল্লির অবদান এর জন্য অপরিহার্য।”

    আরও পড়ুন: মহাত্মা গান্ধীকে নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য, গায়ক অভিজিৎকে আইনি নোটিশ

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “মানুষ বিজেপিকে বিশ্বাস করে। কারণ এটি এমন একটি দল যা সুশাসনে বিশ্বাস করে। বিজেপি প্রতিটি নাগরিকের উন্নয়ন ও কল্যাণের জন্য নিবেদিত।” তিনি বলেন, “দিল্লিতে এখন কেবল একটাই আওয়াজ প্রতিধ্বনিত হচ্ছে। ‘আপনি অন্যায় সহ্য করবেন না, পরিবর্তন অবশ্যম্ভাবী।’ এখন (AAP) দিল্লি উন্নয়নের জমি চায় এবং আমি আনন্দিত যে দিল্লি বিজেপির ওপর আস্থা রাখে (PM Modi)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

      

  • Tirupati Temple: ২০২৪ সালে তিরুপতি দর্শন করেছেন  ২ কোটি ৫৫ লক্ষ ভক্ত, চুল দান করেছেন ৯৯ লক্ষ

    Tirupati Temple: ২০২৪ সালে তিরুপতি দর্শন করেছেন ২ কোটি ৫৫ লক্ষ ভক্ত, চুল দান করেছেন ৯৯ লক্ষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৪ সালে তিরুপতি (Tirupati Temple) দর্শন করতে গিয়েছেন ২ কোটি ৫৫ লক্ষ ভক্ত। তিরুপতির মন্দিরে প্রণামী হিসেবে এক বছরে ১৩৬৫ কোটি টাকার সামগ্রী জমা পড়েছে। জানা গিয়েছে, ২০২৩ সালে হুণ্ডিতে নগদ টাকা, সোনাদানা মিলিয়ে সেখানে ১৩৯১ টাকা মিলেছিল। ২০২৪ সালে সেই অঙ্ক কমে দাঁড়িয়েছে ১৩৬৫ কোটি টাকায়। উল্লেখ্য ২০২২ সালে ১২৯১.৬৯ কোটি টাকা নগদ এবং সোনা, রূপো জমা পড়েছিল হুণ্ডিতে।

    ৬ কোটি ৩০ লক্ষ মানুষ অন্নপ্রসাদ পেয়েছেন (Tirupati Temple)

    এই তিরুপতি মন্দিরে (Tirupati Temple) প্রতিদিন ভক্তেরা হুণ্ডি বা প্রণামী বাক্সে ভেঙ্কটেশ্বরকে নগদ, সোনা, রূপো, বিদেশি মুদ্রা দেন। সেই প্রণামী বাক্স নতুন পরাকামণি মন্দিরে নিয়ে আসা হয়। সেখানেই গণনা করা হয় ভক্তদের দান। সোনা, রূপা সব মূল্যবান ধাতু আলাদা করে বিশেষ লকারে রেখে দেওয়া হয়। প্রতিমাসে লকার থেকে সে সব সোনারূপো একবার করে টিটিডির কোষাগারে পাঠানো হয়। একটি পরিসংখ্যান বলছে, ভক্তদের মধ্যে ৯৯ লক্ষ জন চুল (99 Lakh Donated Hair) দান করেছেন। ১২ কোটি ১৪ লক্ষ লাড্ডু বিক্রি করা হয়েছে। ৬ কোটি ৩০ লক্ষ মানুষ অন্নপ্রসাদ পেয়েছেন।

    আরও পড়ুনঃ মহাত্মা গান্ধীকে নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য, গায়ক অভিজিৎকে আইনি নোটিশ

    অন্ধ্রপ্রদেশ সরকারের তহবিল থেকে দেওয়া হয়েছে ৫০ কোটি টাকা

    জানা গিয়েছে, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে টিটিডি তিরুপতি মন্দিরের (Tirupati Temple) বাজেটে ৫১৪১.৭৪ কোটি টাকা অর্থ বরাদ্দ করেছিল। কর্মীদের বেতন, ভাতা দেওয়ার জন্য বরাদ্দ করা হয়েছিল ১৭৭৩ কোটি টাকা। মন্দিরের পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য প্রকল্পের জন্য ১০৮.৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। টিটিডির অধীনে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলির জন্য বরাদ্দের পরিমাণ ছিল ১১৩.৫০ কোটি টাকা। অন্ধ্রপ্রদেশ সরকারের তহবিল থেকে মন্দিরের জন্য দেওয়া হয়েছে ৫০ কোটি টাকা। রাজ্য সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগে পাশে থাকার জন্য এই টাকা দিয়েছিল মন্দির ট্রাস্ট।

    জানা গিয়েছে ব্যাঙ্কে টিটিডি মোট ১১ হাজার ৩২৯ কেজি সোনা জমা রেখেছে। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে তারা ১,০৩১ কেজি সোনা জমা করেছিল। টিটিডি আধিকারিকদের সূত্রে জানা গিয়েছে এখনও পর্যন্ত ৩ বছরে চার হাজার কেজি সোনা ব্যাঙ্কে জমা করা হয়েছে।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ISRO: মহাকাশে ফলবে বরবটি! অঙ্কুরোদ্গম করে বিশ্বকে তাক লাগাল ইসরো

    ISRO: মহাকাশে ফলবে বরবটি! অঙ্কুরোদ্গম করে বিশ্বকে তাক লাগাল ইসরো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকাশে ফলবে বরবটি (Cowpea Seeds Germinate)! অন্তত এমনই আশা ইসরোর (ISRO) বিজ্ঞানীদের। আশার কারণ, অঙ্কুরিত হয়েছে বরবটির বীজ। দিন কয়েকের মধ্যে গজাবে নতুন পাতাও। তাতেই আশার আলো দেখছেন বিজ্ঞানীরা। মহাকাশে প্রাণের সন্ধান চলছে বহু দিন ধরেই। মহাকাশে কীভাবে উদ্ভিদ ও প্রাণীরা বেঁচে থাকতে পারে, তার অনুকূল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টাও চলছে। সেই চেষ্টায়ই মিলল সাফল্য। অঙ্কুরোদ্গম হল বরবটির বীজে।

    মহাকাশে বরবটির বীজ (ISRO)

    জানা গিয়েছে, গত ৩০ ডিসেম্বর পিএসএলভি সি-৬০ রকেটে করে স্পেডেক্স মহাকাশযানের সঙ্গে আটটি বরবটির বীজ মহাকাশে পাঠিয়েছিলেন ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর বিজ্ঞানীরা। সেই বীজই অঙ্কুরিত হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় বিবৃতি দিয়ে ইসরো জানিয়েছে, বরবটির বীজ অঙ্কুরিত হতে চার দিন সময় লাগে। সেই হিসেবে শনিবার অঙ্কুর বেরিয়েছে ওই বীজগুলির। শীঘ্রই কচি পাতাও ফুটবে বলে আশা করছেন বিজ্ঞানীরা। তাঁরা জানিয়েছেন, সংস্থার এই সাফল্য তাঁদের কমপ্যাক্ট রিসার্চ মডিউল ফর অরবাইটাল প্ল্যান্ট স্টাডিজ মিশনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তাঁদের আশা, এর ফলে মহাকাশের মাইক্রোগ্র্যাভিটি পরিস্থিতিতে উদ্ভিদের অঙ্কুরোদ্গম ও বৃদ্ধি সংক্রান্ত গবেষণা আরও সমৃদ্ধ হবে।

    ইসরোর সাফল্য

    জানা গিয়েছে, বরবটির বীজ (ISRO) পাঠানোর পর থেকে প্রতি মুহূর্তের পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হচ্ছিল। হাই রেজলিউশন সম্পন্ন ক্যামেরা লাগানো হয়েছিল নজরদারির জন্য। অক্সিজেনের মাত্রা, কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ এবং তাপমাত্রার ওঠাপড়ার হিসেব রাখতেও পেলোডে বসানো হয়েছিল অত্যাধুনিক প্রযুক্তি। তাতেই দেখা গিয়েছে বীজের অঙ্কুরোদ্গম। 

    আরও পড়ুন: “গ্রামীণ ভারতে নতুন শক্তি জোগাচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকারের নীতি”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    ইসরোর এই সাফল্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পৃথিবীর বাইরে অন্যত্র উপনিবেশ গড়ার ক্ষেত্রে এটি যেমন সহায়ক হবে, তেমনি দীর্ঘমেয়াদি অভিযানের ক্ষেত্রে খাদ্যের জোগান অব্যাহত রাখার ক্ষেত্রেও এই গবেষণা ফলদায়ক হয়ে উঠবে। মহাকাশ অভিযানে আমেরিকা, রাশিয়া, চিনের মতো দেশকে ভারত যে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে গোল দিতে পারে, তা আরও একবার প্রমাণ করে দিল ইসরো। প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে (Cowpea Seeds Germinate) মহাকাশ যান পাঠিয়ে তামাম বিশ্বকে চমকে দিয়েছিল ইসরো (ISRO)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: পশ্চিমি ঝঞ্ঝায় আটকে গেল শীত, বাড়ছে তাপমাত্রা, উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা

    Weather Update: পশ্চিমি ঝঞ্ঝায় আটকে গেল শীত, বাড়ছে তাপমাত্রা, উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার তাপমাত্রা (Weather Update) বাড়ছে রাজ্যে। পশ্চিমি ঝঞ্ঝায় বাধা পড়েছে শীতের পারদে। অপর দিকে উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এদিন দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের চেয়ে দুই ডিগ্রি বেশি। পুরুলিয়া জেলা ছাড়া দক্ষিণের আর বাকি কোনও জেলায় তাপমাত্রা (Rising Temperatur) ১০ ডিগ্রির নিচে নামেনি। ফলে তাপমাত্রার পারদ আরও বাড়তে শুরু করেছে।

    জাঁকিয়ে শীত পড়ার বিষয়টা আর থাকছে না(Weather Update)

    আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী তিনদিন আরও তাপমাত্রা (Weather Update) বাড়বে। জাঁকিয়ে শীত পড়ার বিষয়টা আর থাকছে না। হাড় কাঁপানো শীতের আমেজ থাকবে না। মোটামুটি ২ থেকে চার ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে তাপমাত্রা। তারপর আবার পারদের কিছুটা মান নামবে বলে মনে করা হচ্ছে। রবিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা শনিবারের থেকে দুই ডিগ্রি বেড়ে গিয়েছে। এদিন কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৩.৪ ডিগ্রি পর্যন্ত। মূলত পশ্চিমি ঝঞ্ঝার কারণে রাজ্যের উত্তর থেকে দক্ষিণে এই ভাবে তাপমাত্রা (Rising Temperatur) বেড়ে যাচ্ছে। আগামী ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত পশ্চিমি ঝঞ্ঝার এই প্রভাব থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    উল্লেখ্য, দক্ষিণবঙ্গে এই সময় জেলাগুলিতে আপাতত শুকনো আবহাওয়া থাকবে। সকালের দিকে কুয়াশার কারণে সমস্যা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়া জেলায় ব্যাপক কুয়াশা নিয়ে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ ২০২৫ সালে প্রখর তাপের সম্মুখীন হতে হবে বিশ্ববাসীকে, চরম সতর্কতা

    উত্তরে তুষারপাতের সম্ভাবনা

    একই ভাবে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে রবিবার হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা (Weather Update) থাকবে। মঙ্গলবারে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে মঙ্গলবার বিক্ষিপ্ত ভাবে হালকা বৃষ্টি হতে পারে। দার্জিলিংয়ে তুষারপাতের সম্ভাবনাও রয়েছে। তিন দিন পর উত্তারের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা নতুন করে দুই ডিগ্রি (Rising Temperatur) কমতে পারে। সিকিমের উপরের অংশে তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

    তাপমাত্রা কোথায় কত?

    রবিবার দক্ষিণবঙ্গের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা (Weather Update) ছিল পুরুলিয়ায়, ৮.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কালিম্পঙের তাপমাত্রাও ছিল পুরুলিয়ার চেয়ে বেশি ৯.৫ ডিগ্রি। পুরুলিয়া ছাড়া দক্ষিণের আর কোথাও তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নীচে ছিল না। সব জায়গাতেই ১১ থেকে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে পারদ (Rising Temperatur)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Singer Abhijeet Bhattacharya: মহাত্মা গান্ধীকে নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য, গায়ক অভিজিৎকে আইনি নোটিশ

    Singer Abhijeet Bhattacharya: মহাত্মা গান্ধীকে নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য, গায়ক অভিজিৎকে আইনি নোটিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নানা সময় বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে খবরের শিরোনামে এসেছেন গায়ক অভিজিৎ ভট্টাচার্য (Singer Abhijeet Bhattacharya)। ফের খবরের হেডলাইন তিনি। কারণ, মহাত্মা গান্ধীকে ‘পাকিস্তানের জনক’ বলেছেন তিনি। গায়কের এহেন মন্তব্যে বেজায় ক্ষিপ্ত (Mahatma Gandhi Remark) আইনজীবী অসীম সারোডে। গান্ধীকে নিয়ে এমন মন্তব্যের কারণে ক্ষমা চাইতে হবে বলিউডের গায়ককে। এই দাবি জানিয়েই বাঙালি গায়ককে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন অসীম।

    কী বললেন সঙ্গীত শিল্পী? (Singer Abhijeet Bhattacharya)

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বাংলার এই সঙ্গীত শিল্পী বলেন, “সুরকার আরডি বর্মন মহাত্মা গান্ধীর চেয়েও বড় ছিলেন। মহাত্মা গান্ধী যেমন জাতির জনক, তেমনই আরডি বর্মন ছিলেন সঙ্গীত জগতের জনক।” এর পরেই বেফাঁস মন্তব্য করে বসেন বাঙালি গায়ক। বলেন, “মহাত্মা গান্ধী পাকিস্তানের জনক ছিলেন, ভারতের নয়। ভারতবর্ষের অস্তিত্ব তো ছিলই, পাকিস্তান পরে তৈরি হয়েছে।” তিনি বলেন, “ভুল করেই ভারতে গান্ধীকে জাতির জনক বলা হয়। পাকিস্তানের অস্তিত্বের জন্য তিনিই দায়ী।”

    আইনীজীব সারোডে

    এতেই চটেছেন আইনীজীব সারোডে। লিখিতভাবে ক্ষমা না চাইলে, ফৌজদারি মামলার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন পুণের এই আইনজীবী। আইনি নোটিশ পাঠিয়ে তিনি বলেন, “এই ধরনের মন্তব্য একেবারেই মেনে নেওয়া যায় না। এটি দেশের সম্মানকে চ্যালেঞ্জ করা। মহাত্মা গান্ধী একজন জাতির জনক। তাঁর প্রতি এমন অবমাননাকর মন্তব্য সহ্য করা হবে না।” পুণের ওই আইনজীবী বলেন, “যদি অভিজিৎ এই মন্তব্যের জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা না চান, তবে আমরা তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের করতে বাধ্য হব।” তাঁর দাবি, এমন মন্তব্য দেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতির প্রতি অত্যন্ত অবমাননাকর (Singer Abhijeet Bhattacharya)।

    আরও পড়ুন: “গ্রামীণ ভারতে নতুন শক্তি জোগাচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকারের নীতি”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    অভিজিতের মন্তব্যে আপত্তি জানিয়েছেন সঙ্গীত জগতেরও অনেকে। গান্ধীজি সম্পর্কে এহেন মন্তব্য দেশের ঐতিহ্যকে ছোট করার সমান। বিশেষত, জাতির জনক সম্পর্কে এমন আপত্তিকর মন্তব্য গ্রহণযোগ্য নয় বলেই দাবি গায়ক সমাজের। প্রসঙ্গত, অভিজিতের এহেন মন্তব্য একেবারেই নতুন নয়। নানা সময় বিতর্কিত মন্তব্য করে খবরের শিরোনামে উঠে এসেছেন তিনি। শাহরুখ খান, সলমন খান, রণবীর কাপুর সহ অনেক বলিউড (Mahatma Gandhi Remark) তারকার বিরুদ্ধে আগেও বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন তিনি (Singer Abhijeet Bhattacharya)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share