Tag: news in bengali

news in bengali

  • One Nation One Election: সোমবার লোকসভায় পেশ হবে এক দেশ, এক নির্বাচন বিল

    One Nation One Election: সোমবার লোকসভায় পেশ হবে এক দেশ, এক নির্বাচন বিল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার লোকসভায় পেশ হবে এক দেশ, এক নির্বাচন (One Nation One Election) বিল। বৃহস্পতিবারই এক দেশ, এক নির্বাচনের প্রস্তাবে সায় দিয়েছে মোদি মন্ত্রিসভা। সোমবার বিলটি লোকসভায় (Lok Sabha) পেশ করবেন আইনমন্ত্রী অর্জুন কাম মেঘওয়াল। পরে আলোচনার জন্য বিলটি পাঠানো হবে জেপিসিতে (জয়েন্ট পার্লামেন্টারি কমিটি)। দীর্ঘ আলোচনা ও ঐক্যমত তৈরির জন্য বিলটিকে জেপিসিতে পাঠাবে কেন্দ্রীয় সরকার। সংসদের দুই কক্ষে বিলটি পাশ হওয়ার পর সেটা পাঠানো হবে রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য। রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষর মিললেই বিলটি পরিণত হবে আইনে।

    এক দেশ, এক নির্বাচনের সুবিধা (One Nation One Election)

    দীর্ঘদিন ধরেই এক দেশ, এক নির্বাচনের পক্ষে সওয়াল করে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং। মোদি সরকারের যুক্তি, এক দেশ, এক নির্বাচন হলে লাগাম টানা যাবে নির্বাচনের বিপুল ব্যয়ে। একদিকে যেমন সরকারের খরচ কমবে, তেমনি অন্য দিকে ঝামেলা পোহাতে হবে না সরকারি কর্মীদের। নির্বাচন ঘোষণা হলে লাগু হয় আদর্শ আচরণবিধি। তার জেরে ব্যাহত হয় সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ। খাটুনি কমবে ভোটকর্মী ও নিরাপত্তারক্ষীদের। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, একই সঙ্গে লোকসভা ও বিধানসভার নির্বাচন হলে, বাড়তে পারে ভোট দানের হারও। বারবার ভোটপ্রচারের ঝক্কি না থাকায় রাজনৈতিক দলের নেতারা আরও বেশি করে মনোনিবেশ করতে পারবেন মানুষের কাজে।

    আরও পড়ুন: বাংলায় ঢুকেছে বাংলাদেশের দুই ‘হুত’ জঙ্গি, গড়ছে স্লিপার সেল, মডিউল! সতর্কবার্তা গোয়েন্দাদের

    খসড়া বিলের প্রস্তাব

    খসড়া বিলের প্রস্তাব অনুযায়ী, লোকসভা নির্বাচনের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি এক দেশ, এক নির্বাচনের (One Nation One Election) তারিখ নির্দিষ্ট করে বিজ্ঞপ্তি জারি করবে। এই হিসেবে ২০২৯ সালে লোকসভা নির্বাচনের পর নয়া সরকার গঠিত হলে, তার পরেই শুরু হবে প্রসেস। এর পরবর্তী পাঁচ বছর ধরে চলবে একই সঙ্গে লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি। সেক্ষেত্রে ২৯ সালের পর যে যে রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন হবে, ২০৩৪ এর লোকসভা নির্বাচনের সময় সেই সরকার ভেঙে দেওয়া হবে। ওই নির্বাচন হবে লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গেই। যদি কোনও বিধানসভা বা লোকসভা মেয়াদ শেষের আগেই (Lok Sabha) ভেঙে যায়, তাহলে অন্তর্বর্তীকালীন নির্বাচনে গঠিত সরকারের মেয়াদ থাকবে অবশিষ্ট সময়ের জন্যই (One Nation One Election)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Aadhaar: বিনামূল্যে আধার নথি আপলোড, আরও বাড়ল সময়সীমা, কবে শেষ তারিখ জেনে নিন

    Aadhaar: বিনামূল্যে আধার নথি আপলোড, আরও বাড়ল সময়সীমা, কবে শেষ তারিখ জেনে নিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও একবার আধার (Aadhaar) আপডেটের (Document Upload) সময় বাড়ল। আধারের নথি আপডেটের সময়সীমাকে বৃদ্ধি করল নরেন্দ্র মোদি সরকার। গ্রাহকদের আর্থিক সাশ্রয়ের কথা মাথায় রেখে চলতি বছরে এই নিয়ে তৃতীয়বার সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় সরকার। ইতিমধ্যে এই সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে আধার নিয়ন্ত্রক সংস্থা ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন অথিরিটি অফ ইন্ডিয়া। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, আগামী বছরের ১৪ জুন পর্যন্ত মিলবে এই সুবিধা। উপকৃত হবেন কয়েক লক্ষ আধার গ্রাহক।

    ১৪ জুন হল আবেদনের শেষ তারিখ (Aadhaar)

    চলতি বছরের ১৪ জুন নিখরচায় আধার কার্ডের (Aadhaar) অনলাইন নথি জমার শেষ তারিখ ধার্য করেছিল ইউআইডিএআই। পরে দু’দফায় তা বৃদ্ধি করে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রীয় সংস্থা। প্রথমবারে ১৪ সেপ্টেম্বর এবং পরের বার ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় বাড়ানো হয়েছিল। এইবারে তৃতীয়বারের জন্য বিনামূল্যে আধার কার্ডের নথি জমার শেষ তারিখ সম্প্রসারিত করল ইউআইডিএআই। আধারের এই পরিষেবাকে গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দিতে এক্স হ্যান্ডলে একটি বার্তা দিয়ে বলা হয়, “২০২৫ সালের ১৪ জুন পর্যন্ত বিনামূল্যে অনলাইনে আধার নথি আপডেটের (Document Upload) জন্য আমরা গ্রাহকদের উৎসাহী করছি। আধার কার্ডের জন্য তথ্য নিখরচায় বদল করতে চাইলে তা ১৪ জুনের মধ্যে করে ফেলুন।”

    কীভাবে আবেদন করবেন?

    ১>অনলাইন আধার কার্ডের (Aadhaar) নথি আপলোড করতে হলে প্রথমে মাই আধার পোর্টালে লগ ইন করুন।

    ২>এরপর আধার নম্বর ব্যবহার করে এটা করতে পারবেন গ্রাহকরা।

    ৩>লগ ইনের সময়ে লিখতে হবে ক্যাপচা।

    ৪>এরপর আধার নম্বরের সঙ্গে সংযুক্ত মোবাইল নম্বরে আসবে ওটিপি। এরপর সেই নম্বর দিলে তবেই খুলবে পোর্টাল।

    ৫>এরপর ডকুমেন্ট আপডেট সেকশনে ঢুকতে হবে। সেখানে আপলোড করা নথি এবং তথ্য দেখতে পাবেন তিনি। এর মধ্যে যে যে তথ্য বদল করতে হবে সেগুলিকে বেছে নিতে হবে।

    ৬>কী কী তথ্যগুলিকে আপলোড (Document Upload) করতে হবে তা ড্রপ বক্স থেকে জানতে পারেবেন গ্রাহক। সেই মতো নথির স্ক্যান আপলোড করতে হবে। নথি আপলোড হয়ে গেলে সেগুলির যাচাই বা ভেরিফিকেশন পর্ব শুরু করবে আধার কর্তৃপক্ষ।

    ৭>নথি জমা করার পর পোর্টাল থেকে মিলবে সার্ভিস রিকোয়েস্ট নম্বর। এই নম্বরকে গ্রাহককে লিখে রাখতে হবে। এর সাহায্যে জানা যাবে যাচাই বা ভেরিফিকেশন পর্ব কতটা হয়েছে। মাই আধারে গোটা প্রক্রিয়া জানা যাবে।

    আরও পড়ুনঃ ফের অসুস্থ লালকৃষ্ণ আডবাণী, ভর্তি করা হল দিল্লির হাসপাতালে, কেমন আছেন?

    বয়স ৫ বছরের কম হলে অন্তত দুবার আপডেট করতে হবে

    উল্লেখ্য প্রতি দশ বছর অন্তর আধারে (Aadhaar) আপডেট করার কথা বলা হয়ে থাকে। নাবালক-নাবালিকার বয়স ৫ বছরের কম হলে অন্তত দুবার আধার তথ্য আপডেট (Document Upload) করতে হবে। দ্বিতীয়বার ১৫ বছর পা দিলে ফের আধার কার্ডের তথ্য আপডেট করতে বলেছে ইউআইডিএআই। তবে কোনও অবস্থাতেই নাম, জন্ম তারিখ বা জন্ম স্থান সংক্রান্ত তথ্য আপডেট করা যাবে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lal Krishna Advani: ফের অসুস্থ লালকৃষ্ণ আডবাণী, ভর্তি করা হল দিল্লির হাসপাতালে, কেমন আছেন?

    Lal Krishna Advani: ফের অসুস্থ লালকৃষ্ণ আডবাণী, ভর্তি করা হল দিল্লির হাসপাতালে, কেমন আছেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হঠাৎই অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেন নবতিপর বিজেপি (BJP) নেতা তথা প্রাক্তন উপপ্রধানমন্ত্রী লালকৃষ্ণ আডবাণী (Lal Krishna Advani)। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে ভর্তি করা হয়েছে দিল্লির একটি হাসপাতালে। গত সাত মাসে এ নিয়ে তিনবার হাসপাতালে ভর্তি করতে হল আডবাণীকে। ২৬ জুন দিল্লি এইমসে ভর্তি করা হয়েছিল দেশের প্রাক্তন উপপ্রধানমন্ত্রীকে। কয়েকদিন পরেই ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। ৩ জুলাই ফের অসুস্থ হয়ে পড়ায় আবারও তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। সেবারও তাঁকে ভর্তি করা হয়েছিল নিউরোলজি বিভাগে।

    হাসপাতালে ভর্তি আডবাণী (Lal Krishna Advani)

    দীর্ঘদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত সমস্যায় ভুগছেন বছর ছিয়ানব্বইয়ের আডবাণী। শুক্রবার আচমকাই ফের অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। সঙ্গে সঙ্গেই তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় দিল্লির একটি বেসরকারি হাসপাতালে। সেখানে স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ বিনীত সূরির নেতৃত্বে চিকিৎসকদের একটি দল তাঁকে পর্যবেক্ষণে রেখেছে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, তাঁর শারীরিক অবস্থা আপাতত স্থিতিশীল। তবে ঠিক কী কারণে প্রাক্তন উপ-প্রধানমন্ত্রীকে এদিন হাসপাতালে ভর্তি করা হল, তা জানানো হয়নি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে।

    আডবাণীর রাজনৈতিক কেরিয়ার

    অবিভক্ত ভারতের করাচিতে জন্ম আডবাণীর, ১৯২৭ সালে। রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘের হাত ধরে শুরু হয় তাঁর রাজনৈতিক জীবন। ধীরে ধীরে ভারতীয় রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেন আডবাণী। ১৯৮০ সাল থেকে দীর্ঘদিন বিজেপির সভাপতি ছিলেন তিনি। ১৯৯৮ থেকে ২০০৪ সাল এই পর্বে তিনি ছিলেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ২০০২-২০০৪ সাল পর্যন্ত তিনি ছিলেন বাজপেয়ী মন্ত্রিসভার উপপ্রধানমন্ত্রী। ২০১৫ সালে তাঁকে পদ্মবিভূষণ দেওয়া হয়। এর ঠিক ন’বছর পরে, ২০২৪ সালে ভারতরত্ন পান আডবাণী। তিনি অবশ্য রাষ্ট্রপতি ভবনে গিয়ে পুরস্কার নেননি। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু তাঁর বাড়িতে গিয়ে হাতে তুলে দেন দেশের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান (Lal Krishna Advani)।

    আরও পড়ুন: “মাথায় তলোয়ার ঠেকিয়ে ধর্মান্তরিত করা হচ্ছে হিন্দুদের”, বাংলাদেশ নিয়ে বিস্ফোরক রাধারমণ

    আডবাণী রাম জন্মভূমি আন্দোলনের অন্যতম মুখ। তিনিই বলেছিলেন, ‘সওগন্ধ রাম কি খাতে হ্যায়, হম মন্দির ওয়হি বনায়েঙ্গে।’ যদিও শারীরিক অসুস্থতার কারণে মন্দির উদ্বোধনের দিন অযোধ্যায় উপস্থিত হতে পারেননি তিনি। শারীরিক অসুস্থতার কারণে দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতিতে সেই অর্থে সক্রিয় ছিলেন না আডবাণী। যদিও তাঁকে রাখা হয়েছিল বিজেপির (BJP) ‘মার্গদর্শক মণ্ডলে’ (Lal Krishna Advani)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।   

     

  • HuT Operatives: বাংলায় ঢুকেছে বাংলাদেশের দুই ‘হুত’ জঙ্গি, গড়ছে স্লিপার সেল, মডিউল! সতর্কবার্তা গোয়েন্দাদের

    HuT Operatives: বাংলায় ঢুকেছে বাংলাদেশের দুই ‘হুত’ জঙ্গি, গড়ছে স্লিপার সেল, মডিউল! সতর্কবার্তা গোয়েন্দাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৈধ ভিসা নিয়ে বাংলাদেশ থেকে এ রাজ্যে চলে এসেছে নিষিদ্ধ ইসলামী জঙ্গি সংগঠন হিজবুত তাহরীর (হুত) দুই সন্ত্রাসবাদী (HuT Operatives)। একজন সাব্বির আমির, অন্যজন রিদওয়ান মানুফ। গত ৩০ মে তারা ঢুকে পড়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজ্যে। গোয়েন্দাদের সন্দেহ, এই দুই হুত জঙ্গি এ রাজ্যে ঢুকে নিয়োগ করছে (Bangladeshi Islamists) ছাত্র ও তরুণদের।

    জঙ্গি মডিউল

    এর পাশাপাশি তারা পশ্চিমবঙ্গ ও পার্শ্ববর্তী রাজ্যগুলিতে প্রতিষ্ঠা করছে জঙ্গি মডিউল। ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলি এই মর্মে সতর্কতা জারি করেছে। গত কয়েক মাসে তারা পশ্চিমবঙ্গের কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলির ছোট ছোট ছাত্র সমাবেশে বক্তৃতাও দিয়েছে। নিয়োগের চেষ্টা করেছে তরুণদের। ওই দুই হুত জঙ্গিকে খুঁজে বের করতে পশ্চিমবঙ্গ, অসম, বিহার, ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশা পুলিশের পাশাপাশি রাজ্য গোয়েন্দা সংস্থা্গুলিকে নির্দেশ দিয়েছে ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো। আইবির এক প্রবীণ আধিকারিক বলেন, “তারা কীভাবে ভিসা পেল, তা উদ্বেগজনক। এর মানে হয় তাদের ব্যাকগ্রাউন্ড ঠিকঠাক পরীক্ষা করা হয়নি, নতুবা বাংলাদেশের নিরাপত্তা সংস্থাগুলি তাদের বিষয়ে যথাযথ তথ্য দেয়নি।”

    হুত-এর ব্যাকগ্রাউন্ড

    হুত একটি বৈশ্বিক জঙ্গি সংগঠন। ১৯৫৩ সালে জেরুজালেমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এর লক্ষ্য ছিল সমস্ত মুসলিম জাতিকে এক খিলাফতের অধীনে ঐক্যবদ্ধ করা। ২০০০ সালে এটি বাংলাদেশে কাজকর্ম শুরু করে। ২০০৯ সালে শেখ হাসিনার সরকার একে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। তার পরেও গোপনে জঙ্গি কার্যকলাপ চালিয়ে যেতে থাকে হুত। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, “এই দুই হুত জঙ্গি হয়তো এ বছরের মে মাসে স্থলবন্দর দিয়ে পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করেছে। তখন হুত ভারতে নিষিদ্ধ ছিল না বলে তাদের এ দেশে ঢোকাটা সহজ হয়েছিল।” ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক ১০ অক্টোবর হুতকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। এর আগে মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়, তেলঙ্গানা ও তামিলনাড়ু থেকে কয়েকজন হুত জঙ্গিকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।

    হুত অনেক বেশি বিপজ্জনক

    অন্যান্য ইসলামপন্থী জঙ্গি সংগঠনগুলির তুলনায় হুত অনেক বেশি বিপজ্জনক। শিক্ষিত মুসলিম মহলে এর প্রভাব বিস্তর। ভারতের নিরাপত্তা সংস্থাগুলির মতে, হুত ভারতে তাদের শাখা পরিচালনা করছে তাদের বাংলাদেশ শাখার কৌশলের মতোই। বাংলাদেশে হুত শিক্ষিত যুবকদের মধ্যে অসন্তোষ, বেকারত্ব, রাজনৈতিক দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি এবং রাষ্ট্রের দমনমূলক নীতিকে কাজে লাগিয়ে প্রভাব বিস্তার করেছে। যার জেরে অক্টোবর মাসে ঢাকার কিছু নামী স্কুলের ছাত্ররা কালো আইএস পতাকা হাতে খিলাফত প্রতিষ্ঠার দাবিতে মিছিল করেছিল।

    ভারতে ঘাঁটি গাড়ার কৌশল

    হুত (HuT Operatives) ভারতের কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় এবং শিক্ষিত শ্রেণিকে লক্ষ্য করে এ দেশে ঘাঁটি গাড়ার যে কৌশল নিয়েছে, তা (Bangladeshi Islamists) ভারতের নিরাপত্তা সংস্থাগুলির মধ্যে গুরুতর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। সেই কারণেই ওই দুই হুত জঙ্গির নাগাল পেতে পশ্চিমবঙ্গ ও তার পড়শি রাজ্যগুলিতে তল্লাশি চালাচ্ছেন আইবির আধিকারিকরা। এক আধিকারিক বলেন, “আমাদের কাছে রিপোর্ট আছে, এই দুই জঙ্গি শুধুমাত্র বাংলার কিছু জায়গায় ইসলাম নিয়ে সভা এবং সেমিনারের আয়োজন করেনি, কিছু কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের উগ্রপন্থী করে তোলার চেষ্টাও করেছে। হুত বাংলার বিশাল মুসলিম জনগোষ্ঠী এবং পার্শ্ববর্তী রাজ্যগুলোর শিক্ষিত মানুষ ও ছাত্রদের টার্গেট করছে।

    সভা ও সেমিনার

    এই দুই হুত জঙ্গি পরিচালিত সভা ও সেমিনারগুলোর মূল বিষয় ছিল প্যালেস্তাইন ও ভারতে মুসলমানদের অবস্থা। তিনি বলেন, “এই সেমিনার ও সভার মাধ্যমে, তারা মুসলিম কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের, পেশাজীবীদের এবং শিক্ষিত সমাজের মগজধোলাই করার চেষ্টা করছে। তাদের উগ্রপন্থী করে তোলার পাশাপাশি সরাসরি হুতে যুক্ত করা অথবা ভবিষ্যতে সংগঠনকে সহায়তা করার জন্য সহানুভূতিশীল করে তোলার চেষ্টা করছে। আমরা সন্দেহ করছি যে, তারা কিছু ছাত্রকে উগ্রপন্থী করতে পেরেছে। বাংলায় ও বিহারে প্রায় ছটি হুত মডিউল গড়ে তুলেছে।”

    কী বলছেন আইবির আধিকারিক

    জানা গিয়েছে, হুত-এর এই জঙ্গি রাষ্ট্রীয় ও কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর নজর এড়িয়ে যেতে পেরেছিল কারণ তারা নিজেদের ইসলামি পণ্ডিত হিসেবে পরিচয় দিয়েছিল। আইবির ওই আধিকারিক বলেন, “বাংলায় তাদের পৃষ্ঠপোষকেরা তাদের ইসলামি পণ্ডিত হিসেবে পরিচয় দিয়েছে। তারা খুবই কৌশলীভাবে কাজ করেছে। তারা আগ্রাসী বক্তৃতা দেয় না। খুব নরম ভাষায় ইসলাম বিপদের মুখে আছে এবং ভারতে মুসলমানরা নির্যাতিত হচ্ছে এই বিষয়টি শ্রোতাদের মাথায় ঢোকানোর চেষ্টা করে (Bangladeshi Islamists)। তারা শ্রোতাদের মধ্যে কারা তাদের বিদ্বেষমূলক এবং ‘ভিক্টিমহুডে’র বয়ান গ্রহণ করছে সেদিকে নজর রাখে। এরপর তারা ওই ব্যক্তিদের টার্গেট করে, জিহাদি মতাদর্শে পরিচিত করায় এবং শেষমেশ তাদের সংগঠনের অন্তর্ভুক্ত করে।”

    এই দুই হুত (HuT Operatives) জঙ্গি যারা সংগঠনের কৌশল এবং নিয়োগ বিভাগে কাজ করে, তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা ও অসমের মুসলিম ছাত্রদের প্রোফাইল অনুসন্ধান করছে। যারা সামান্য ইসলামি ঝোঁকও দেখায়, তাদের সঙ্গেই যোগাযোগ করে অনলাইনে উগ্রপন্থী করার চেষ্টা করছে তারা। আইবির ওই কর্তা বলেন, “পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ এমন একটি ঘটনার সূত্র ধরে এই দুই হুত কর্মীর উপস্থিতি আবিষ্কার করেছে।” প্রসঙ্গত, এই হুত-ই বাংলাদেশে হিন্দু ও ধর্মনিরপেক্ষ মুসলমানদের টার্গেট করছে এবং তাদের হত্যাও করছে।

    আরও পড়ুন: “মাথায় তলোয়ার ঠেকিয়ে ধর্মান্তরিত করা হচ্ছে হিন্দুদের”, বাংলাদেশ নিয়ে বিস্ফোরক রাধারমণ

    হুত-এর প্রধান ডেরা

    জানা গিয়েছে, ঢাকার প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি হুটির একটি প্রধান কেন্দ্র। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক ছাত্র এবং শিক্ষক, এমনকি একজন প্রাক্তন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলরও সরাসরি এই জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বাংলায় এই দুই হুত জঙ্গির উপস্থিতির জেরে ভারতীয় নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর নজর ফের পড়েছে বাংলাদেশের জঙ্গি সংগঠনগুলির দিকে। বাংলাদেশে ডামাডোলের বাজারে এই সংগঠনগুলির চাঁইরা সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢুকে প্রভাব বিস্তার করছে। গড়ে তুলছে মডিউল ও স্লিপার সেল।

    আইবির ওই আধিকারিক বলেন, “হুত (HuT Operatives) জেএমবি বা এবিটির চেয়েও ঢের বেশি বিপজ্জনক একটি জঙ্গি সংগঠন। কারণ এর নেতৃত্ব ও সদস্যরা সবাই শিক্ষিত ও বুদ্ধিমান। কীভাবে আড়ালে থেকে কাজ করতে হয়, তা তারা ভালোই জানে। শিক্ষিত ও পেশাজীবী হওয়ায় তারা সাধারণত আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর নজরে আসে না।” প্রসঙ্গত, হুতকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে পাকিস্তান, রাশিয়া, চিন, জার্মানি, ব্রিটেন, তুরস্ক, ইন্দোনেশিয়া এবং বেশ কিছু আরব দেশ।

    তোষণের রাজনীতির বিপদ

    বিরোধীদের অভিযোগ, তোষণের রাজনীতি করতে গিয়ে একটি বিশেষ সম্প্রদায়ের ভোটারদের তোল্লাই দিচ্ছে বাংলার তৃণমূল সরকার। ‘উদারীকরণে’র সেই আবহে নানা ছলে এ রাজ্যে ঢুকে পড়ছে জঙ্গিরা (HuT Operatives)। বিভিন্নভাবে (Bangladeshi Islamists) যার মাশুল গুণতে হচ্ছে দেশবাসীকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: “মাথায় তলোয়ার ঠেকিয়ে ধর্মান্তরিত করা হচ্ছে হিন্দুদের”, বাংলাদেশ নিয়ে বিস্ফোরক রাধারমণ

    Bangladesh Crisis: “মাথায় তলোয়ার ঠেকিয়ে ধর্মান্তরিত করা হচ্ছে হিন্দুদের”, বাংলাদেশ নিয়ে বিস্ফোরক রাধারমণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মাথায় তলোয়ার ঠেকিয়ে ধর্মান্তরিত করা হচ্ছে হিন্দুদের”, বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন কলকাতা ইসকন শাখার সহ-সভাপতি রাধারমণ দাস (Radharman Das)। গত ৫ অগাস্টের পর থেকে বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) প্রশাসন বিএনপি, জামাত, হিজবুল তাহরির মতো কট্টর মৌলবাদী সংগঠনের হাতে। দেশের সর্বত্র হিন্দুদের উপর ব্যাপক ভাবে নির্যাতন করা হচ্ছে। কখনও প্রকাশ্যে খুন করা হচ্ছে আবার কখনও বাড়ি-ঘর ভাঙচুর, মন্দিরে অগ্নিসংযোগ, ধর্ষণ-সহ একাধিক কর্মকাণ্ডে অস্থির গোটা বাংলাদেশের সনাতনীদের জীবন যাপন।

    “ওই মেয়েটিকে নাগরিকত্ব দিতে বলব” (Bangladesh)

    একটি সংবাদ মাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিয়ে রাধারমণ দাস (Radharman Das) বলেন, “বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এই মুহূর্তে সেই দেশের শাসকরা ক্ষমতার অপব্যবহার করছে। হুমকি দিয়ে হিন্দুদের মুসলমান করা হচ্ছে। আমাদের কাছে খবর রয়েছে তলোয়ার দেখিয়ে ভয় দেখানো হচ্ছে মুসলিম হওয়ার জন্য। এক তরুণী সাঁতরে এপারে ভারতে চলে এসেছেন। তাঁর পরিবারকে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। ইসকনের পক্ষ থেকে ওই মেয়েটিকে নাগরিকত্ব দিতে আবেদন জানানো হচ্ছে। তাঁকে এবং তাঁর পরিবারকে সুরক্ষা দেওয়া হোক। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অস্থিরতার জন্য ইসকনের পীঠ দেওয়ালে ঠেকে গিয়েছে। দেশের অন্তর্বর্তী সরকার কট্টর মৌলবাদী এবং দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।”

    অযথা বিচার প্রক্রিয়াকে বিলম্ব করা হচ্ছে

    অপর দিকে মিথ্যা মামলায় ধৃত চিন্ময়কৃষ্ণ দাসের জামিন মামলাকে অকারণে পিছিয়ে দেওয়ায় বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) বিচার ব্যবস্থায় গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা এবং সুরক্ষা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন রাধারমণ দাস (Radharman Das)। তিনি বলেন, “অযথা বিচার প্রক্রিয়াকে বিলম্ব করা হচ্ছে। আশা করব তিনি যাতে আইনি সাহায্য পান। দ্রুত তাঁকে যেন মুক্তি দেওয়া হয় ওই ব্যবস্থা কার্যকর করার আবেদন করব। আশা করব অন্তর্বর্তী সরকার যেন নিজের নিজের দায়িত্ব পালন করে সঠিক ভাবে। মানুষের জীবন এবং সম্পত্তি রক্ষার দায়িত্ব নিতে হবে।”

    আরও পড়ুনঃ সংখ্যালঘুদের কারও পদোন্নতি আটকে, কাউকে কমিশনে না রেখে সমানে চলেছে দমন-পীড়ন!

    হিন্দু নিরাপত্তা চাই

    গত ২৫ নভেম্বর বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) হিন্দু ধর্মগুরু চিন্ময় কৃষ্ণ গোস্বামীকে গ্রেফতার করেছে ওই দেশের প্রশাসন। তাঁর বিরুদ্ধে দেশের পতাকা অবমাননার মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। হাসিনাকে দেশ থেকে বিতারিত করার পর থেকে সেই দেশে হিন্দু নিধনযজ্ঞ অবিরাম গতিতে চলছে। প্রতিবাদে রংপুর, চট্টগ্রামে বড় হিন্দু ধর্মসভার আয়োজন করলে চিন্ময়কৃষ্ণকে, ইউনূস প্রশাসন টার্গেট করে। হিন্দুদের জীবন দিন দিন বাংলাদেশে সঙ্কট থেকে আরও গভীর সঙ্কটে পরিণত হচ্ছে। বিশ্বের সকল হিন্দু সংগঠনের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই আন্দোলন, বিদ্রোহ, বিক্ষোভ জানিয়ে নিরাপত্তার দাবি তোলা হয়েছে।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NAMASTE Scheme: সাফাই কর্মীদের মর্যাদা ও ক্ষমতায়ন প্রদান করতে ‘নমস্তে’ প্রকল্প, জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    NAMASTE Scheme: সাফাই কর্মীদের মর্যাদা ও ক্ষমতায়ন প্রদান করতে ‘নমস্তে’ প্রকল্প, জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ন্যাশনাল অ্যাকশন ফর মেকানাইজড স্যানিটেশন ইকোসিস্টেম প্রকল্পটি (NAMASTE Scheme) সাফাই কর্মীদের মর্যাদা দান ও তাঁদের সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে ক্ষমতায়নের উদ্দেশ্যে চালু করা হয়েছে। বুধবার রাজ্যসভায় এক প্রশ্নের উত্তরে এ কথা জানান সামাজিক ন্যায় ও ক্ষমতায়ন বিষয়ক কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী রামদাস আঠওয়ালে (Ramdas Athawale)। ২০২৩-’২৪ সালে এই প্রকল্পটি দেশের ৪৮০০-এরও বেশি শহুরে স্থানীয় সংস্থাগুলিতে বাস্তবায়নের জন্য চালু করা হয়েছিল।

    নমস্তে প্রকল্পের লক্ষ্য (NAMASTE Scheme)

    জানা গিয়েছে, নমস্তে প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য হল ভারতের সাফাই কর্মীদের সুরক্ষা ও মর্যাদা দান নিশ্চিত করা। এমন একটি সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টি করা যা সাফাই কর্মীদের স্যানিটেশন পরিকাঠামো পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণে প্রধান অবদানকারী হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন তাঁদের জীবিকা নিশ্চিত করা, তেমনি অন্যদিকে তাঁদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য দেওয়া হবে প্রশিক্ষণ এবং নিরাপত্তা সরঞ্জাম। যন্ত্রপাতির উন্নত অ্যাক্সেসের মাধ্যমে তাঁদের পেশাগত সুরক্ষাও বাড়ানো হবে।

    কী বললেন মন্ত্রী

    মন্ত্রী জানান, সাফাই কর্মীদের (NAMASTE Scheme) দুর্বলতা কমাতে বিভিন্ন অধিকার ও জীবিকার সুযোগ প্রদান ও তাঁদের আত্মনিয়োজিত করার উদ্দেশ্যে স্যানিটেশন সংশ্লিষ্ট প্রকল্পগুলোর জন্য মূলধন ভর্তুকি প্রদান করা হবে। এর মাধ্যমে তাদের সাফাই উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা হবে। পেশাগত নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ ও ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম প্যাকেজ পাওয়ার পরে দক্ষ মজুরি কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করাও প্রকল্পটির অন্যতম লক্ষ্য।

    আরও পড়ুন: তৃণমূল নেতার বাড়িতে এনআইএ অভিযান, বাজেয়াপ্ত মোটা ডায়েরি, ল্যাপটপ ব্যাগ

    নমস্তে কর্মসূচি নাগরিকদের মধ্যে সাফাই কর্মীদের প্রতি আচরণগত পরিবর্তন আনবে এবং নিরাপদ সাফাই পরিষেবার চাহিদা বাড়াবে। যাঁরা নিকাশি এবং সেপটিক ট্যাঙ্ক পরিষ্কারের পরিষেবা নেবেন, তাঁদের যোগাযোগ করতে হবে এসআরইউয়ের সঙ্গে। কোনও অপ্রাতিষ্ঠানিক কর্মীকে এই ধরনের কাজ করার অনুমতি দেওয়া হবে না।

    নিকাশি-সম্পর্কিত সমস্ত কাজের মেকানিজম হাউজিং অ্যান্ড আর্বান অ্যাফেয়ার্স মন্ত্রকের (MoHUA) আওতায় পড়ে। এই মন্ত্রকই সময়ে সময়ে নিকাশি এবং সেপটিক ট্যাঙ্ক রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সুরক্ষার পদ্ধতি, জরুরি প্রতিক্রিয়া স্যানিটেশন ইউনিট (ERSU) স্থাপন এবং যন্ত্রপাতির প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে সমস্ত (Ramdas Athawale) রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে বিস্তৃত পরামর্শ এবং নির্দেশিকা দান করেছে (NAMASTE Scheme)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Ramakrishna 219: “শরীরের ভিতর বায়ু চলছে যেন পিঁপড়ের মতো…সড়াৎ সড়াৎ, বানর যেমন  ডাল থেকে ডালে লাফায়”

    Ramakrishna 219: “শরীরের ভিতর বায়ু চলছে যেন পিঁপড়ের মতো…সড়াৎ সড়াৎ, বানর যেমন ডাল থেকে ডালে লাফায়”

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ ভক্তসঙ্গে দক্ষিণেশ্বর কালীবাড়িমধ্যে

    ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৩, ৫ই জুন

    হাজরার সঙ্গে কথা — গুরুশিষ্য-সংবাদ

    Problem of Evil and the Immortality of the Soul

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—যার যা কর্ম, তার ফল সে পাবে। কিন্তু ঈশ্বরের ইচ্ছায় সে সাধুর দেহত্যাগ হল। কবিরাজেরা বোতলের ভিতর মকরধ্বজ তৈয়ার করে। চারিদিকে মাটি দিয়ে আগুনে ফেলে রাখে। বোতলের ভিতর যে-সোনা আছে, সেই সোনা আগুনের তাতে আরও অন্য জিনিসের সঙ্গে মিশে মকরধ্বজ হয়। তখন কবিরাজ বোতলটি লয়ে আস্তে আস্তে ভেঙে, ভিতরের মকরধ্বজ রেখে দেয়। তখন বোতল থাকলেই বা কি, আর গেলেই বা কি? তেমনি লোকে ভাবে সাধুকে মেরে ফেললে, কিন্তু হয়তো তার জিনিস তৈয়ার হয়ে গিছল। ভগবানলাভের পর শরীর থাকলেই বা কি আর গেলেই (Kathamrita) বা কি?

    সাধু ও অবতারের প্রভেদ 

    “ভূকৈলাসের সাধু সমাধিস্থ ছিল। সমাধি অনেক প্রকার। হৃষীকেশের সাধুর কথার সঙ্গে আমার অবস্থা মিলে গিছল। কখন দেখি শরীরের ভিতর বায়ু চলছে যেন পিঁপড়ের মতো, কখনও বা সড়াৎ সড়াৎ করে, বানর যেমন এক ডাল থেকে আর-এক ডালে লাফায়। কখন মাছের মতো গতি। যার হয়, সেই জানে। জগৎ ভুল হয়ে যায়। মনটা একটু নামলে বলি, মা! আমায় ভাল কর, আমি কথা কব।

    “ঈশ্বরকোটি (অবতারাদি) না হলে সমাধির পর ফেরে না। জীব কেউ কেউ সাধনার জোরে সমাধিস্থ হয়, কিন্তু আর ফেরে না। তিনি যখন নিজে মানুষ হয়ে আসেন, অবতার হন, জীবের মুক্তির চাবি তাঁর হাতে থাকে, তখন সমাধির পর ফেরেন। লোকের মঙ্গলের জন্য।”

    মাস্টার (স্বগতঃ)—ঠাকুরের হাতে কি জীবের মুক্তির চাবি?

    হাজরা—ঈশ্বরকে (Ramakrishna) তুষ্ট করতে পারলেই হল। অবতার থাকুন আর না থাকুন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (হাসিয়া)—হাঁ, হাঁ। বিষ্ণুপুরে রেজিস্টারির বড় অফিস, সেখানে রেজেস্টারি করতে পাল্লে, আর গোঘাটে (Kathamrita) গোল থাকে না।

    গুরুশিষ্য-সংবাদ—শ্রীমুখ-কথিত চরিতামৃত 

    আজ মঙ্গলবার অমাবস্যা। সন্ধ্যা হইল। ঠাকুরবাড়িতে আরতি হইতেছে। দ্বাদশ শিবমন্দিরে, ৺রাধাকান্তের মন্দিরে ও ৺ভবতারিণীর মন্দিরে শঙ্খ-ঘন্টাদির মঙ্গল বাজনা হইতেছে। আরতি সমাপ্ত হইলে কিয়ৎক্ষণ পরে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ নিজের ঘর হইতে দক্ষিণের বারান্দায় আসিয়া বসিলেন। চতুর্দিকে নিবিড় আঁধার, কেবল ঠাকুরবাড়িতে স্থানে স্থানে দীপ জ্বলিতেছে। ভাগীরথীবক্ষে আকাশের কালো ছায়া পড়িয়াছে। অমাবস্যা, ঠাকুর সহজেই ভাবময়; আজ ভাব ঘনীভূত হইয়াছে। শ্রীমুখে মাঝে মাঝে প্রণব উচ্চারণ ও মার নাম করিতেছেন। গ্রীষ্মমকাল ঘরের ভিতর বড় গরম। তাই বারান্দায় আসিয়াছেন। একজন ভক্ত একটি মছলন্দের মাদুর দিয়াছেন। সেইটি বারান্দায় পাতা হইল। ঠাকুরের আহর্নিশ মার চিন্তা; শুইয়া শুইয়া মণির সঙ্গে ফিসফিস করিয়া কথা কহিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—দেখ, ঈশ্বরকে দর্শন করা যায়! অমুকের দর্শন হয়েছে, কিন্তু কারুকে বলো না। আচ্ছা, তোমার রূপ না নিরাকার ভাল লাগে?

    মণি—আজ্ঞা, এখন একটু নিরাকার (Kathamrita) ভাল লাগে। তবে একটু একটু বুঝছি যে, তিনিই এ-সব সাকার হয়েছেন।

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “আবার সেই সমাধি! আবার নিস্পন্দন দেহ, স্তিমিতি লোচন, দেহ স্থির

    আরও পড়ুনঃ দেখিয়াই ঠাকুর উচ্চহাস্য করিয়া ছোকরাদের বলিয়া উঠিলেন, “ওই রে আবার এসেছে”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Uber Moto Women: বিশ্বের প্রথম মহিলা বাইক রাইড পরিষেবা আনছে উবার, মহিলারাই মহিলাদের পৌঁছে দেবেন

    Uber Moto Women: বিশ্বের প্রথম মহিলা বাইক রাইড পরিষেবা আনছে উবার, মহিলারাই মহিলাদের পৌঁছে দেবেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহিলাদের পৌঁছে দিতে এবার মহিলারাই চালাবেন বাইক। নতুন পরিষেবা আনতে চলেছে এই উবার কোম্পানি। পরিষেবার পোশাকি নাম রাখা হয়েছে ‘উবার মোটো উইমেন’ (Uber Moto Women)। জানা গিয়েছে, এই বাইক পরিষেবা বিশ্বব্যাপী প্রথম মহিলা বাইক রাইড, মহিলারাই সম্পূর্ণ ভাবে পরিচালনা করবেন (Women Only Bike Ride Service)। অর্থাৎ, যেখানে সওয়ারি (যাত্রী) ও রাইডার (বাইক চালক) উভয়ই মহিলা (Female Riders Female Drivers)। এই বিশেষ পরিষেবার সূচনা করতে গিয়ে সংস্থা জানিয়েছে, মহিলাদের নিরাপত্তা এবং সুরক্ষার বিষয়ে বিশেষ নজর রেখেই এই পদক্ষেপ।

    যোগাযোগের তথ্যও গোপন এবং সুরক্ষিত রাখা হবে (Uber Moto Women)

    জানা গিয়েছে, উবার মহিলা বাইক রাইডিং পরিষেবা (Women Only Bike Ride Service) প্রথমে বেঙ্গালুরুতে চালু হবে। এরপর এটি শীঘ্রই দিল্লি, মুম্বই, কলকাতা, চেন্নাই, হায়দ্রাবাদ সহ দেশের বাকি শহরে চালু করা হবে। উবার মোটো উইমেন পরিষেবায় (Uber Moto Women) শুধু মাহিলা চালকদেরই শুধুমাত্র সুবিধা প্রদান করবে। একই ভাবে এই পরিষেবায় যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে একাধিক সুবিধার কথাও ভাবা হয়েছে (Female Riders Female Drivers)। এখন থেকে ৫ জন বিশ্বস্ত পরিচিতির সঙ্গে রাইডারদের বিশদ বিবরণ বিনিময় করতে পারবেন। রাইডার বুক করার পর একইভাবে যোগাযোগের তথ্য গোপন এবং সুরক্ষিত রাখা হবে। সেই সঙ্গে রাইড চেক নামক একটি ফিচার যুক্ত করা হয়েছে। যার মাধ্যমে আপনি আপনার যাত্রার সম্পূর্ণ রুট পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন। একই ভাবে প্রয়োজনীয় সুবিধার জন্য ২৪x৭ একটি হেল্পলাইন পরিষেবাও উপলব্ধ থাকবে।

    পেশায় মহিলারা যাতে বেশি করে যোগদান করেন

    কেপিএমজি তথ্য অনুযায়ী দেখা গিয়েছে, ভারতে বাইক রাইডিং (Uber Moto Women) পরিষেবা ক্রমবর্ধমান ভাবে বেড়ে চলছে। বিজ্ঞাননগরী বেঙ্গালুরুতে এই পরিষেবা ব্যাপকভাবে চলে। সেই সঙ্গে আরও জানা গিয়েছে, এখানে একমাসে প্রায় ১০ লক্ষ মানুষ বাইক রাইডিং ব্যবহার করে থাকেন। ৬০ শতাংশ শেয়ার নিয়ে র‍্যাপিডো এই ক্ষেত্রে সেরা কোম্পানি। মহিলারা যাতে এই পেশায় বেশি করে অংশ গ্রহণ করেন, তাই বিশেষ ভাবে এই পরিষেবা দেওয়ার কথা ভাবা হয়েছে (Women Only Bike Ride Service)।

    আরও পড়ুনঃ আরও শক্তিশালী বায়ুসেনা, ১২টি সুখোই-৩০ যুদ্ধবিমান কিনছে ভারত, বরাত হ্যালকে

    আটো-ট্যাক্সি কোম্পানিগুলির আপত্তি

    বাইক ট্যাক্সি (Uber Moto Women) পরিষেবাগুলি ওলা, উবার এবং র‍্যাপিডো দিয়ে থাকে। কিন্তু অনেক রাজ্যে দুচাকার বাইকগুলির বিরোধিতা করা হচ্ছে। কারণ বাইকের কারণে ট্যাক্সি, অটো পরিষেবায় ব্যাপক ক্ষতির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। বর্তমানে কেন্দ্রীয় সরকার মোটরযান আইনে একটি সংশোধনী প্রস্তাব করেছিল যাতে মোটরসাইকেলগুলিকে চুক্তির গাড়িতে অন্তর্ভুক্ত করা হয় (Women Only Bike Ride Service)। তবে বাইক রাইডারদের (Uber Moto Women) মাসিক আয় নিয়ে সামজিক মাধ্যমে ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে। অত্যন্ত লাভজনক ব্যবসা বলে ভাবা হয়। পেটিএম-এর সিইও বিজয় শেখর শর্মা বলেছেন, “একজন রাইডারের র‍্যাপিডোর মাধ্যমে আয় হয় প্রায় ৮০-৮৫ হাজার টাকা।” যদিও, এই দাবি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন বহু নেটাগরিক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • World Food Awards 2025: বিশ্বের সেরা ১০০টি খাবারের তালিকায় রয়েছে ভারতের চার, কোনগুলি জানেন?

    World Food Awards 2025: বিশ্বের সেরা ১০০টি খাবারের তালিকায় রয়েছে ভারতের চার, কোনগুলি জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের ১০০টি সেরা খাবারের (World Food Awards 2025) মধ্যে চারটি ভারতীয় খাবার তালিকায় স্থান পেয়েছে। ২০২৪-২৫ সালের বেস্ট গ্লোবাল ডিশ বা বিশ্বের সেরা খাবারের তালিকা প্রকাশ করেছে ‘টেস্ট অ্যাটলাস ওয়ার্ল্ড ফুড অ্যাওয়ার্ডস’। সেখানে প্রথম ১০০ খাবারের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে মুর্গ মাখানি, হায়দরাবাদি বিরিয়ানি সহ চারটি ভারতীয় পছন্দের খাবার। ভারতীয় খাবারের (Indian Dishes) মান যে বিশ্ব তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে, তা নিয়ে ভারতীয় ভোজন রকিসকেদের মধ্যে খুশির আবহ লক্ষ্য করা গিয়েছে।

    ভারতীয় বাটার চিকেনের জনপ্রিয়তা যথেষ্ট বেশি (World Food Awards 2025)

    খাবারের জনপ্রিয়তা এবং ভ্রমণ নির্দেশিকা নিয়ে যে সব ফুড ব্লগার এবং ভ্লগাররা বিশ্লেষণ করেন এবং তাঁদের দেওয়া রেটিং বা গুণের উপর নির্ভর করে বিশ্ব জুড়ে খাবারের (World Food Awards 2025) মানের মূল্যায়ন হয়। এরপর দেওয়া হয় পুরস্কার। এই বিচারে ভারতীয় মুর্গ মাখানি বা বাটার চিকেন (Indian Dishes) ভোজন রসিকদের মধ্যে জনপ্রিয়তা বেশি লাভ করেছে। বিশ্ব তালিকায় এই ভারতীয় খাবারকে ২৯তম স্থান দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে আরও কিছু খাবার বিশ্বের ১০০টি সেরা খাবারের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে।

     
     
     
     
     
    View this post on Instagram
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     

    A post shared by TasteAtlas (@tasteatlas)

    প্রথমস্থানে কোন দেশের খাবার?

    ভারতীয় খাবারের (Indian Dishes) মধ্যে বিশ্ব তালিকায় (World Food Awards 2025) স্থান পেয়েছে মুর্গ মাখানি (২৯তম), হায়দরাবাদি বিরিয়ানি (৩১তম), চিকেন ৬৫ (৯৭তম) এবং কিমা রয়েছে ১০০ তম স্থানে। টেস্ট অ্যাটলাস এই ভারতীয় খাবারের সঙ্গে তালিকায় আরও রেখেছে অমৃতসরি কুলচা, বাটার গার্লিক নান, মুর্গ মাখানি ইত্যাদি। তবে খাবারের বিশ্ব তালিকায় প্রথম স্থানে রয়েছে, কালম্বিয়ান ডিশ লেচোনা। এটি হলুদ মটর, সবুজ পেঁয়াজ এবং মশলা দিয়ে ভরা একটি রোস্টেড পর্ক। এই খাবার সম্পূর্ণ ভাবে বাইরে ইটের চুলায় ঘণ্টাখানেক ধরে রান্না করা হয়।

    আরও পড়ুনঃ জামিন পেলেন তেলুগু তারকা অল্লু অর্জুন, গ্রেফতারিতে কংগ্রেসকে তোপ বিজেপির

    কোন কোন দেশের খাবার তালিকায় রয়েছে?

    একই ভাবে এই খাবারের (World Food Awards 2025) তালিকায় প্রথম দশে আরও রয়েছে যে খাবারগুলি, তাতে রয়েছে— ইতালির পিৎজা নাপোলেতানা, ব্রাজিলের পিকানহা, আলজেরিয়ার রেচতা, তাইল্যান্ডের ফানেংকারি, আরজেন্টিনার আসাদো, তুরস্কের কোকার্টমে কাবাব। এছাড়া রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার রওন, তুরস্কের ক্যাগ কাবাব এবং ইথিওপিয়ার টিবস।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NIA: তৃণমূল নেতার বাড়িতে এনআইএ অভিযান, বাজেয়াপ্ত মোটা ডায়েরি, ল্যাপটপ ব্যাগ

    NIA: তৃণমূল নেতার বাড়িতে এনআইএ অভিযান, বাজেয়াপ্ত মোটা ডায়েরি, ল্যাপটপ ব্যাগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল (TMC) নেতার বাড়িতে এনআইএ (NIA) অভিযান। শুক্রবার সকালে কাঁথির তৃণমূল নেতা মানব পড়ুয়ার বাড়িতে অভিযান চালায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার ৭-৮জন আধিকারিকের একটি দল। মানব পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ। বেশ কিছুক্ষণ পরে যখন তদন্তকারীরা মানবের ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন, তখন তাঁদের হাতে সাদা কাপড়ে মোড়া বেশ কয়েকটি মোটা ডায়েরি ও একটি ল্যাপটপ ব্যাগ। রবিবার কাঁথি সমবায় ব্যাঙ্কে নির্বাচন। এই নির্বাচনে তৃণমূলের বাজি মানবই। বিজেপির দাবি, কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে তদন্ত চালাচ্ছে এনআইএ।   

    কী বললেন তৃণমূল নেতা?

    আদত বাড়ি ভূপতিনগরে হলেও, বর্তমানে কাঁথিতেই থাকেন মানব। তদন্তের পরে তিনি বলেন, “২০২২ সালে নাড়ুয়াবিলা গ্রামে বিস্ফোরণের ঘটনায় যে মামলা হয়েছিল, তার তদন্তেই এনআইএর প্রতিনিধিরা এসেছিলেন। আমি তদন্তে সব রকম সহযোগিতা করেছি। ওঁরা বাড়িতে ঢুকে তল্লাশি করেছেন। এর পর ওঁরা চলে গেলেন।” তিনি বলেন, “ওই ঘটনার সঙ্গে আমার কোনও যোগ ছিল না। তবে আগামিদিনে তদন্তকারীরা আবার আসবেন কিনা, সেটা ওঁরাই বলতে পারবেন।”

    ভয়াবহ বিস্ফোরণ

    ২০২২ সালের ২ ডিসেম্বর রাত ১১টা নাগাদ ভূপতিনগরের নাড়ুয়াবিলা গ্রামে তৃণমূলের বুথ সভাপতি রাজকুমার মান্নার বাড়িতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটেছিল। সেই বিস্ফোরণে রাজকুমার-সহ মৃত্যু হয়, তাঁর ভাই দেবকুমার মান্না ও বিশ্বজিৎ গায়েনের। অভিযোগ, তৃণমূলের বুথ সভাপতির বাড়িতে বোমা বাঁধার কাজ চলছিল। সেই ঘটনায় উচ্চ আদালতের নির্দেশে তদন্তভার যায় এনআইএর (NIA) হাতে। সেই তদন্তেই শুক্রবার কাঁথি থানার পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে মানবের বাড়িতে তল্লাশি চালান তদন্তকারীরা।

    আরও পড়ুন: ‘‘সিংহের সঙ্গে কুকুরের লড়াই হয় না”, বাংলাদেশের মৌলবাদীদের কড়া বার্তা দিলেন দিলীপ

    বিজেপি নেতা দিব্যেন্দু অধিকারী বলেন, “নাড়ুয়াবিলা বিস্ফোরণের ঘটনায় এনআইএ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। এই মামলায় এনআইএ অত্যন্ত ধীর গতিতে তদন্ত চালাচ্ছে। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতরা এখনও বাইরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আজ এনআইএ সেই ঘটনার তদন্তের জন্য একজনের বাড়িতে অভিযানে এসেছিল। এই তদন্ত দ্রুত শেষ করে অভিযুক্তদের (TMC) গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি (NIA)।”

     

      দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share