Tag: news in bengali

news in bengali

  • Oranges: শীত মানেই কমলালেবু! এই ফল নিয়মিত বেশি খেলে কি কোনও বিপদ হতে পারে?

    Oranges: শীত মানেই কমলালেবু! এই ফল নিয়মিত বেশি খেলে কি কোনও বিপদ হতে পারে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    তাপমাত্রার পারদ কমছে। শীতের (Winter) আমেজ শহর থেকে জেলা সর্বত্র! আর বাঙালির শীতের সঙ্গে ওতোপ্রোতভাবে জড়িয়ে থাকে কমলালেবু। শীতকাল আর কমলালেবু একে অপরের পরিপূরক। শীত পড়তেই অনেকেই নিয়মিত কমলালেবু খান। এই ফলের পুষ্টিগুণ একাধিক রয়েছে। কিন্তু নিয়মিত কমলালেবু (Oranges) খেলে শরীরে নানান সমস্যাও দেখা দিতে পারে। এমনটাই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল। তাঁদের মতে, কমলালেবুতে থাকে প্রচুর পরিমাণে আয়রন, সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ভিটামিন সি-র মতো উপাদান। এর ফলে শরীরে ভিটামিন এবং ক্যালসিয়ামের চাহিদা সহজেই পূরণ হয়। আবার শীতে সর্দি-কাশির ভোগান্তি কমাতে কিংবা ত্বকের শুষ্কতার সমস্যা মেটাতেও কমলালেবু বিশেষ সাহায্য করে। তাই কমলালেবুর একাধিক গুণ রয়েছে, একথা ঠিক। তবে, অতিরিক্ত কমলালেবু নিয়মিত খেলে নানান সমস্যা দেখা দিতে পারে। এবার দেখে নেওয়া যাক, কমলালেবু কোন সমস্যা বাড়াতে পারে?

    আর্থ্রাইটিসের সমস্যা বাড়ায় (Oranges)

    কমলালেবু ঠান্ডা ফল। তাই এই ফল নিয়মিত খেলে শরীরে ব্যথা বাড়তে পারে। বিশেষ করে জয়েন্টের ব্যথা বেশি ভোগাতে পারে। যাঁরা বাতের সমস্যায় কাবু কিংবা আর্থ্রাইটিসের সমস্যায় ভোগেন, তাঁদের জন্য বাড়তি ক্ষতিকারক এই ফল। অনেক সময়েই অতিরিক্ত কমলালেবু খেলে হাত-পায়ের বিভিন্ন অংশ ফুলে যায়।

    শরীরে অ্যাসিডের পরিমাণ বাড়ায়, দেখা দেয় হার্ট বার্ন

    কমলালেবু টক জাতীয় ফল। এতে শরীরে অ্যাসিডের পরিমাণ বেড়ে যায়। তাই কমলালেবু অতিরিক্ত খেলে শরীরে নানান প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। বিশেষ করে বুক জ্বালা বা হার্ট বার্নের মতো সমস্যা হয়‌।

    ডায়ারিয়ার ঝুঁকি বাড়ায় 

    কমলালেবুতে (Oranges) থাকে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার। তাই অতিরিক্ত খেলে পেটের সমস্যা হতে পারে। এমনকী ডায়ারিয়ার মতো জটিল পরিস্থিতিও তৈরি করতে পারে কমলালেবু। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, দিনে দু’টোর বেশি কমলালেবু খেলে এই ধরনের সমস্যা বেশি দেখা যেতে পারে।

    কিডনির ঝুঁকি বাড়ায় (Oranges)

    অনেকেই কিডনির রোগে ভুগছেন। কমলালেবু তাঁদের জন্য বাড়তি বিপজ্জনক। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, কমলালেবুতে নানান অ্যাসিড থাকে। এর ফলে কিডনির সমস্যা আরও বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। তাই কিডনির সমস্যায় আক্রান্তদের কমলালেবু খাওয়ার সময় পরিমাণ নিয়ে বাড়তি সতর্কতা জরুরি।

    দাঁতের এনামেলের জন্য ক্ষতিকারক

    কমলালেবু দাঁতের এনামেলের জন্য ক্ষতিকারক হতে পারে। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, কমলালেবুতে অ্যাসিড থাকে। তাই অতিরিক্ত কমলালেবু খেলে দাঁতের নানান ক্ষতি দেখা যেতে পারে। বিশেষত ক্যাভেটিসের সমস্যা থাকলে কমলালেবু বাড়তি বিপদ তৈরি করতে পারে।

    বদহজম এবং গ্যাসের সমস্যা তৈরি করতে পারে

    কমলালেবু (Oranges) বদহজম এবং গ্যাসের সমস্যা তৈরি করতে পারে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই ফলের জেরে গ্যাস্ট্রোইজোফেসিয়াল রিফ্ল্যাক্স হতে পারে। ফলে গ্যাস এবং বদহজমের মতো শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। 

    পুষ্টিবিদদের একাংশের পরামর্শ, কমলালেবুর পুষ্টিগুণ প্রচুর। তাই নিয়মিত কমলালেবু শীতে খেলে শরীরে যথেষ্ট উপকার হবে। তবে পরিমাণে অবশ্যই নজর রাখতে হবে। একদিনে একাধিক কমলালেবু খাওয়া কখনই উচিত নয় বলেই জানাচ্ছেন‌ বিশেষজ্ঞ মহল।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chhattisgarh: রাজ্যে ঘাঁটি গেড়ে থাকা ৮৫০ অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে তাড়িয়ে দিল ছত্তিশগড় সরকার

    Chhattisgarh: রাজ্যে ঘাঁটি গেড়ে থাকা ৮৫০ অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে তাড়িয়ে দিল ছত্তিশগড় সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) বস্তার থেকে ৫০০ এবং কাওয়ার্ধা থেকে ৩৫০ জন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে (Bangladeshi Infiltrators) ফেরত পাঠানো হয়েছে। একথা জানিয়েছেন রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিজয় শর্মা। অবৈধ জবরদখল প্রবণতার জন্য বাংলাদেশি মুসলমানদের বিরুদ্ধে বেশ কিছু দিন ধরে তোলপাড় চলছে ছত্তিশগড়ে। ২০২৪ সালের অগাস্ট মাসে আদিবাসী অধ্যুষিত জেলায় অবৈধ বাংলাদেশি অনিয়ন্ত্রিত অনুপ্রবেশের কারণে বন্‌ধ পালিত হয়েছিল। যা বিরাট প্রভাব ফেলেছিল এই রাজ্যের রাজনীতিতে।

    সরকার দুর্বল মনোভাব দেখাবে না (Chhattisgarh)

    ৯ ডিসেম্বর ভিলাইতে একটি বিশেষ জনসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিজয় শর্মা বলেন, “রাজ্য থেকে প্রায় ৮৫০ জন অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের (Bangladeshi Infiltrators) বিতাড়িত করেছি। কোন্ডাগাঁও থেকে ৪৬ জন অনুপ্রবেশকারী বর্তমানে আটক করা হয়েছে। তাদেরকে দ্রুত ফেরত পাঠানো হবে। আরও অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের দ্রুত চিহ্নিত করতে সরকার ব্যাপক ভাবে কাজ করছে। দুষ্কৃতীদের মুক্তাঞ্চলগুলির সঙ্গে কোনও রকম সরকার দুর্বল মনোভাব দেখাবে না।”

    আদিবাসী সামজের বন্‌ধ

    ছত্তিশগড়ে (Chhattisgarh) বেশ কয়েকমাস ধরে বাংলাদেশি মুসলমানদের অবৈধ অনুপ্রবেশ (Bangladeshi Infiltrators) এবং এলাকা দখলের বিরুদ্ধে তীব্র ভাবে সরব হয়েছে স্থানীয় জনজাতিরা। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকবার বন্‌ধ ডেকেছিল স্থানীয় আদিবাসীরা। সেখানে দোকান, বাজার, স্কুল, কলেজ সব বন্ধ রাখা হয়েছিল। কেবলমাত্র জরুরি পরিষেবা চালু রাখা হয়েছিল। এখানকার আদিবাসী সমাজের বক্তব্য হল, “বাংলাদেশে অস্থিরতার কারণে চোরা পথে ভারতে ঢুকে ওরা (বাংলাদেশি) এখানকার জায়গা দখল করছে। শহর, গ্রামের সর্বত্র তারা নিজেদের বসতি গড়ে আমাদের জামি জায়গা দখল করে নিচ্ছে। অবিলম্বে তাদের ভারত থেকে বিতাড়িত করতে হবে। এই অঞ্চলের সাংস্কৃতিক ও জনবিন্যাসকে বদলে ফেলার চেষ্টা করা হচ্ছে।”

    অপর দিকে, মাওবাদীদের বিরুদ্ধে ছত্তিশগড়ে ব্যাপক অভিযান চলছে। বস্তার আইজি সুন্দর রাজ পি-এর মতে, বস্তার এবং কোন্ডাগাঁও উভয় জেলাকেই কয়েক দশকের বিদ্রোহের পর মাওবাদীমুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি একটি বিবৃতিতে বলেছিলেন, “রাজ্যের অভ্যন্তরীণ উন্নয়ন প্রচেষ্টা, তীব্র নিরাপত্তা অভিযান এক সঙ্গে চলছে। এই অঞ্চলে মাওবাদীদের কার্যকলাপকে উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বল করে দেওয়া হয়েছে, যা একটি ঐতিহাসিক দিক।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • World Meditation Day: ২১ ডিসেম্বর বিশ্ব ধ্যান দিবস, ভারতের প্রাচীন আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যকে স্বীকৃতি রাষ্ট্রসঙ্ঘের

    World Meditation Day: ২১ ডিসেম্বর বিশ্ব ধ্যান দিবস, ভারতের প্রাচীন আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যকে স্বীকৃতি রাষ্ট্রসঙ্ঘের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের প্রচীন জ্ঞান এবং আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য এখন বিশ্বব্যাপী আলোচ্য এবং চর্চিত বিষয়। তাকে স্বীকৃতি দিয়ে রাষ্ট্রসঙ্ঘের (United Nations) তরফে ২১ ডিসেম্বরকে বিশ্ব ধ্যান দিবস (World Meditation Day) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাচীনকাল থেকেই ভারত কতটা জ্ঞান সমৃদ্ধ ছিল এই ঘোষণা তারই প্রমাণ। বিশ্বব্যাপী সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হতে গেলে ধ্যানের প্রয়োজনীয়তা একান্ত আবশ্যক। প্রাচীন মুনি-ঋষিদের দীর্ঘায়ুর প্রধান কারণ ছিল এই ধ্যান এবং যোগ সাধনা। রাষ্ট্রসঙ্ঘের ঘোষণায় বিশ্বের দরবারে ভারতের প্রচীন জ্ঞান এবং আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের গৌরব যে আরও বৃদ্ধি পেল তা প্রত্যেক ভারতীয় এখন আরও বেশি মনে প্রাণে বিশ্বাস করছেন।

    যুদ্ধ-অস্থিরতার বিরুদ্ধে শান্তি আনবে ধ্যান (World Meditation Day)

    সংযুক্ত রাষ্ট্রসঙ্ঘের (United Nations) সাধারণ সভায় ২১ ডিসেম্বরকে বিশ্ব ধ্যান দিবস (World Meditation Day) হিসেবে ঘোষণা করার প্রস্তাব পেশ করে লিচেনস্টাইন। সেই প্রস্তাবে সমর্থন জানায় শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মেক্সিকো, অ্যান্ডোরা এবং ভারত। একই ভাবে পূর্ণ সমর্থন দেয় বাংলাদেশ, বুলগেরিয়া, মরিশাস, মোনাকো এবং আইসল্যান্ড-এর মতো দেশগুলি। তাতে বলা হয়, এই ধ্যান হল এমন এক বিষয় যা গোটা বিশ্বকে ক্রমবর্ধমান, যুদ্ধ, অস্থিরতার বিরুদ্ধে শান্তি এনে দিতে পারে। ধ্যানের গুরুত্ব মানব জীবনে অতুলনীয়। এর পরই প্রস্তাব গৃহীত হয় ওই সভায়।

    বিশ্ব একটি পরিবার

    রাষ্ট্রসঙ্ঘ (United Nations) ভারতের স্থায়ী রাষ্ট্রদূত পাারভাথানেনি হরিশ এই প্রস্তাবের জন্য বিশেষ ভাবে গর্ব অনুভব করেন। একই সঙ্গে বিশ্বের দরবারে এই ধ্যানের গুরুত্ব সম্পর্কে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “মানব সমাজের সুস্থতার জন্য এই পদক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই উদ্যোগ (World Meditation Day) ভারতের জন্য বসুধৈব কুটুম্বকম অর্থাৎ বিশ্ব একটি পরিবার এই ভাবনার প্রকাশ দেখা গিয়েছে। বিশ্ব জুড়ে শান্তি এবং সম্প্রীতির জন্য এই ভাবনা একান্ত ভাবে আবশ্যক। সকলের জন্য মঙ্গল কামনা হল এর প্রধান উদ্দেশ্য।”

    আরও পড়ুনঃ উদ্যোগী এনডিএ, ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ বিল পেশ শীতকালীন অধিবেশনেই?

    যোগদিবসের পরিপূরক

    এই শীতকালের ২১ ডিসেম্বরকে দিন ঠিক করার কারণ হল, এই সময় শীতকালীন অয়নকালের (Winter Solstice) সঙ্গে মিলে যায়, সূর্যের উত্তরায়ণের সূচনাকে চিহ্নিত করা যায়। সেই সঙ্গে মানুষের অভ্যন্তরীণ স্তরে আধ্যাত্মিক ভাবে শারীরিক, মানসিক ভাবনার রূপান্তরকে প্রভাবিত করবে বলে জানানো হয়। ২১ জুন, গ্রীষ্মকালীন অয়নকালের (Summer Solstice) সময় পালিত হয় বিশ্ব যোগ দিবস। ফলে তাকে মাথায় রেখে পরিপূরক হিসেবে ২১ ডিসেম্বর (World Meditation Day) ঠিক করা হয়েছে। উল্লেখ্য ভারতের প্রাচীন যোগ, ধ্যান, বিজ্ঞান চর্চা, শিল্প স্থাপাত্য, ভাস্কর্য, চারুকলা-সহ নানা প্রাচীন জ্ঞান পরম্পরায় যে মানব জীবনের মোক্ষের ধারণা লুকিয়ে রয়েছে তা বিশ্ববাসীর কাছে ক্রমে ক্রমেই প্রকট হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 214: “কুবীর বলত সাকার আমার মা, নিরাকার আমার বাপ, কাকো নিন্দো, কাকো বন্দো, দোনো পাল্লা ভারী!”

    Ramakrishna 214: “কুবীর বলত সাকার আমার মা, নিরাকার আমার বাপ, কাকো নিন্দো, কাকো বন্দো, দোনো পাল্লা ভারী!”

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ ভক্তসঙ্গে দক্ষিণেশ্বর কালীবাড়িমধ্যে

    চতুর্থ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৩, ৪ঠা জুন

    মণিলাল প্রভৃতি সঙ্গে শ্রীরামকৃষ্ণ ও নিরাকারবাদ

    মণিলাল (শ্রীরামকৃষ্ণের প্রতি)—আহ্নিক করবার সময় তাঁকে কোন্‌খানে ধ্যান করব?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—হৃদয় তো বেশ ডঙ্কামারা জায়গা, সেইখানে ধ্যান করো।

    বিশ্বাসেই সব—হলধারীর নিরাকারে বিশ্বাস—শম্ভুর বিশ্বাস 

    মণিলাল ব্রহ্মজ্ঞানী, নিরাকারবাদী। ঠাকুর তাঁহাকে লক্ষ্য করিয়া বলিতেছেন (Kathamrita), “কুবীর বলত, সাকার আমার মা, নিরাকার আমার বাপ। কাকো নিন্দো, কাকো বন্দো, দোনো পাল্লা ভারী!

    “হলধারী দিনে সাকারে, আর রাতে নিরাকারে থাকত। তা যে ভাবই আশ্রয় কর, ঠিক বিশ্বাস হলেই হল। সাকারেতেই বিশ্বাস কর, আর নিরাকারেই বিশ্বাস কর, কিন্তু ঠিক ঠিক হওয়া চাই।”

    পূর্বকথা—প্রথম উন্মাদ—ঈশ্বর কর্তা না কাকতালীয় 

    “শম্ভু মল্লিক বাগবাজার থেকে হেঁটে নিজের বাগানে আসত। কেউ বলেছিল, ‘অত রাস্তা, কেন গাড়ি করে আস না, বিপদ হতে পারে।’ তখন শম্ভু মুখ লাল করে বলে উঠেছিল, ‘কি, তাঁর নাম করে বেরিয়েছি আবার বিপদ!’ বিশ্বাসেতেই সব হয়! আমি বলতুম (Kathamrita), অমুককে যদি দেখি, তবে বলি সত্য। অমুক খাজাঞ্চী যদি আমার সঙ্গে কথা কয়! তা যেটা মনে করতুম, সেইটেই মিলে যেত!”

    মাস্টার ইংরেজী ন্যায়শাস্ত্র পড়িয়াছিলেন। সকাল বেলার স্বপন মিলিয়া যায় (coincidence of dreams with actual events) এটি কুসংস্কার হইতে উৎপন্ন, এ-কথা পড়িয়াছিলেন (Chapter on Fallacies) তাই তিনি জিজ্ঞাসা করিতেছেন —

    মাস্টার—আচ্ছা, কোন কোন ঘটনা মেলে নাই, এমন কি হয়েছে?

    শ্রীরামকৃষ্ণ(Ramakrishna)—না, সে-সময় সব মিলত। সে-সময় তাঁর নাম করে যা বিশ্বাস করতুম, তাই মিলে যেত! (মণিলালকে) তবে কি জানো, সরল উদার না হলে এ বিশ্বাস হয় না।

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “আবার সেই সমাধি! আবার নিস্পন্দন দেহ, স্তিমিতি লোচন, দেহ স্থির

    আরও পড়ুনঃ দেখিয়াই ঠাকুর উচ্চহাস্য করিয়া ছোকরাদের বলিয়া উঠিলেন, “ওই রে আবার এসেছে”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: কাঁথি সমবায় ব্যাঙ্কের ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: কাঁথি সমবায় ব্যাঙ্কের ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাঁথি সমবায় ব্যাঙ্কের (Kanthi Cooperative Bank) ভোট এবার করাতে হবে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে। ভোটের কারচুপি রুখতে এমনটাই নির্দেশ দিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত (Supreme Court)। প্রতিটি বুথে বুথে বাসানো হবে সিসিটিভি। রাজ্য সরকার ও সমবায় ইলেকশন কমিশনকে কড়া নিরাপত্তা এবং সবরকম সুবিধার মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য এই রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল যে ভোট লুট করে সেই বিষয়ে বিজেপির পক্ষ থেকে একাধিকবার অভিযোগ করা হয়েছিল। গত দু’বারের উপনির্বাচনে তৃণমূল সরকার প্রশাসনকে কাজে লাগিয়ে ব্যাপক ভাবে ভোট লুট করেছে বলে সরব হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। 

    পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক হিংসার চিত্র ভয়াবহ (Supreme Court)!

    সাধারণত লোকসভা বা বিধানসভা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করানো হয়। এই জায়গায় দাঁড়িয়ে একটি সমবায় ব্যাঙ্কের ভোট হবে কেন্দ্রীয় বাহিনী দ্বারা, ফলে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) এই নির্দেশ সত্যই রাজ্য সরকারের আইন শৃঙ্খলা এবং শান্তিপূর্ণ ভোট গ্রহণের পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। অতীতেও পঞ্চায়েত, লোকসভা, বিধানসভা ভোটে মনোনয়ন, ভোট গ্রহণ এবং নির্বাচন উত্তর রাজনৈতিক হিংসার চিত্র কতটা ভয়বহ রূপ নিয়েছিল, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। সব ক্ষেত্রেই বিরোধীদের অভিযোগের আঙুল ছিল তৃণমূলের দিকে। 

    কেন সুপ্রিমকোর্টে (Supreme Court) নির্দেশ?

    আগামী ১৫ ডিসেম্বর কাঁথি সমবায় ব্যাঙ্কের (Kanthi Cooperative Bank) ১০৮টি আসনে প্রতিনিধি নির্বাচন। প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছেন ৪৩০ জন প্রার্থী। কিন্তু সর্বভারতীয় স্তরের একটি পরীক্ষা আছে বলে ভোট গ্রহণ এবং গণনার জন্য স্কুলে জায়গা দিতে কর্তৃপক্ষ রাজি হননি। শেষমুহূর্তে কয়েকটি ভোট গ্রহণের কেন্দ্র বদল হয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েই সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) মামলা করেছিলেন এগরার প্রাক্তন পুরপ্রধান শঙ্কর বেরা। সোমবার ওই মামলার শুনানি ছিল। শঙ্কর বলেন, “আমাদের আইনজীবীদের কাছে খবর পেলাম ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।” তবে আইন শৃঙ্খলার অবনতির আশঙ্কা থাকায় মোটপাঁচটি ভোট কেন্দ্রে বিচারপতি সূর্যকান্ত এবং বিচারপতি উজ্জ্বল ভুঁইয়ার বেঞ্চ এই সিদ্ধান্ত দেন।

    আরও পড়ুনঃ ‘‘বাংলায় ৯০ হাজার জাল নোট উদ্ধার হয়েছে’’, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তথ্য দিয়ে মমতাকে আক্রমণ অমিত মালব্যর

    শুভেন্দু বনাম তৃণমূল

    উল্লেখ্য দীর্ঘ দিন ধরে কাঁথি সমবায় ব্যাঙ্কের (Kanthi Cooperative Bank) চেয়ারম্যান ছিলেন শুভেন্দু। তিনি বর্তমানে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। প্রায় তিন বছর ধরে কাঁথি সমবায় ব্যাঙ্ক পরিচালন কমিটি নেই। স্পেশ্যাল অফিসার নিয়োগ করেই ব্যাঙ্ক চলছিল। ওই ব্যাঙ্কের পরিচালন কমিটি গঠনের জন্য ভোটের দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টের মামলা দায়ের হয়েছিল। সেই মতো ১৫ ডিসেম্বর ভোট করানোর দিন স্থির করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: ‘ভারত শত্রুরাষ্ট্র’! লিফলেট বিলি ঢাকায়, আওয়ামি লিগ নেতার বাড়ির ২ সদস্যাকে পুড়িয়ে হত্যা

    Bangladesh: ‘ভারত শত্রুরাষ্ট্র’! লিফলেট বিলি ঢাকায়, আওয়ামি লিগ নেতার বাড়ির ২ সদস্যাকে পুড়িয়ে হত্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতকে ‘শত্রুরাষ্ট্র’ বলে প্রচার চলছে খোদ ঢাকাতেই। এরপরও বাংলাদেশের (Bangladesh) অন্তর্বর্তী সরকাররের প্রধান মহম্মদ ইউনূসের টনক নড়ছে না। ধর্মকে হাতিয়ার করে ভারত বিরোধিতা এবং হিন্দু নির্যাতনের কুকর্ম অবিরাম ঘটে চলেছে। অপর দিকে হাসিনাকে চক্রান্ত করে দেশ থেকে বিতারিত করার পর, মৌলবী বাজারে আরও এক আওয়ামি লিগ (Awami League) নেতার মা-কাকিমাকে পুড়িয়ে মারার অভিযোগ উঠেছে। বাংলাদেশের পরিস্থিতি অত্যন্ত সঙ্কটজনক।

    জঙ্গি সংগঠন হিজবুত তাহেরির প্রচার ভারত শত্রুরাষ্ট্র (Bangladesh)

    বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতনের বিরুদ্ধে পশ্চিবঙ্গের একাধিক হিন্দু সংগঠনের পক্ষ থেকে ভারতকে ওই দেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিন্ন করার দাবি তোলা হয়েছে। যেখানে ভারতের থেকে পণ্যের উপর অনেকটাই নির্ভর করতে হয় বাংলাদেশকে। ফলে এই দিকে বিচার না করে ভারতকে ‘শত্রুরাষ্ট্র’ ঘোষণার কথা বলে রীতিমতো লিফলেট বিলি করা হচ্ছে ঢাকার অলিগলিতে। তবে এই কাজে নেমেছে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন হিজবুত তাহেরির। দুই পাতার একটি প্রচার পুস্তিকা তৈরি করা হয়েছে। তাতেই মুসলমান সমাজকে একত্র হতে আহ্বান করা হয়েছে। উল্লেখ্য আজ সোমবার ঢাকায় যাচ্ছেন বিদেশ সচিব বিক্রম মিসরি। তার মধ্যে এই ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    মা-কাকিমাকে পুড়িয়ে হত্যা করে কট্টর মৌলবাদীরা

    মহম্মদ ইউনূস অন্তর্বর্তী সরকারের (Bangladesh) প্রধান হওয়ার পর থেকেই বাংলাদেশে হিন্দু নিধন এবং আওয়ামি লিগের (Awami League) কর্মীদের নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে। মৌলবী বাজার সদর উপজেলার ১১ নম্বর মোস্তফাপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রাক্তন চেয়ারম্যান তথা জেলা যুব লিগের সহ-সভাপতি শেখ রুমেল আহমদের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় চরমপন্থীরা। তখন বাড়িতে ছিল রুমেলের মা এবং কাকিমা। তাঁরা ঘরের বাইরে বের হওয়ার সুযোগ পাননি। বাড়িটি আগুনে সম্পূর্ণ দগ্ধ হয়ে যায়। একই ভাবে এই জেলার আরেক ছাত্র লিগের নেতা হালালের বাড়িতেও আগুন ধরিয়ে দেয় কট্টরপন্থী মুসলমানরা। তবে সেখানে কেউ হতাহতের খবর মেলেনি। ক্রম বর্ধমান হিংসার আগুনে যে গোটা দেশ এখন চরম বিশৃঙ্খলার মধ্যে রয়েছে সে কথা অনেকেই মনে করছেন।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: ইসকনকে ক্যান্সারের সঙ্গে তুলনা! বাংলাদেশে চরম বিদ্বেষ ছড়াচ্ছে জেহাদিরা, ইউনূস চুপ

    Bangladesh: ইসকনকে ক্যান্সারের সঙ্গে তুলনা! বাংলাদেশে চরম বিদ্বেষ ছড়াচ্ছে জেহাদিরা, ইউনূস চুপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ইসকন (ISKCON) ক্যান্সারের মতো উপড়ে ফেলতে হবে”, ভয়ঙ্কর গুজব ছড়িয়ে বাংলাদেশে (Bangladesh) ব্যাপক উস্কানি দিচ্ছে জামাতপন্থী কট্টর মোল্লা-মৌলবীরা। ইসকনের মতো আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনায় মানবসেবায়রত একটি ধর্মীয় সংগঠন সম্পর্কে অপপ্রচারের নেমেছে কট্টর ইসলামি জেহাদিরা। একটাই রাগ, মুসলমান শাসিত বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর নির্যাতন হলে ইসকন কেন পাশে দাঁড়ায়? ইসকনের কৃষ্ণমূর্তি পুজো এবং হিন্দু রীতিতে পুজো করা জেহাদিদের কাছে সেরকি। শারিয়া শাসন ইসালাম ব্যাতিত অন্য কোনও ধর্ম-বর্ণের মানুষকে কাফের মনে করে। তাই তো দাবি উঠেছে সারা বাংলাদেশে ইসকনের সকল মঠ-মন্দির, উপাসনাকেন্দ্রকে ভেঙে দিতে হবে। যদিও ইসকন সম্পর্কে কট্টর মুসলমানদের এই ভাবনার তীব্র সমালোচনা করেছে বিশ্বের বহুদেশ।

    বিদ্বেষ এবং হিংসাত্মক ভিডিও মৌলবাদীদের (Bangladesh)

    গত নভেম্বর মাসের শেষে হিন্দু ধর্মগুরু চিন্ময়কৃষ্ণ দাসকে মিথ্যা মামলা দিয়ে বাংলাদেশের (Bangladesh) অন্তর্বর্তী সরকার গ্রেফতার করেছে। তাঁর আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য আইনজীবীদের উপর ব্যাপক হামলা করা হয়। শুনানির দিন আদালত চত্বরে প্রবেশ করতে পারেনি কোনও হিন্দু আইনজীবী। এই বিষয়ে সরব হয়েছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অথচ ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এবং ভারতীয় সেনার অবদানকে অস্বীকার করে ভারতের বিরুদ্ধে ভয়ঙ্কর হুঁশিয়ারি দিচ্ছে ইসলামি মৌলবাদীরা। শুধু এখানেই শেষ নয়, ওইদেশে মুসলমানদের একাধিক ধর্মীয় সভা বা ওয়াজ মেহফিলে চূড়ান্ত হিন্দু (ISKCON) বিদ্বেষী মনোভাব নিয়ে উস্কানি দেওয়া হচ্ছে। কখনও বলছে, ‘হিন্দু দোকান থেকে মিষ্টি কেনা পাপ’, ‘ইসকন সামাজিক ক্যান্সার’, আবার বলা হচ্ছে ‘তলোয়ার দিয়ে কোপাতে হবে’। ইসকনকে ক্যান্সারের সঙ্গে তুলনা করে বলা হচ্ছে, ‘‘শরীরের কোথাও ক্যান্সার হলে যেমন অঙ্গ কেটে বাদ দিতে হয়, ঠিক একইভাবে বাংলাদেশের শেকড় থেকে ইসকনকে উপড়ে ফেলতে হবে। আর যদি এই কাজে কেউ বাধা দেয় তাহলে তাদেরসঙ্গেও একই আচরণ কড়া হবে। ইসকনের সব আস্তানা ভেঙে ফেলতে হবে। অবিলম্বে ইসকনকে নিষিদ্ধ করতে হবে।’’ এই রকম নানা বিদ্বেষ এবং হিংসাত্মক কথা কীভাবে বাংলাদেশের আমজনতার সামনে তুলে ধরা হচ্ছে, এই সম্পর্কিত একটি ভিডিও পোস্ট করেন কলকাতা ইসকনের ভাইস প্রেসিডেন্ট রাধারমণ দাস। হিন্দুধর্মাবলম্বীরা কতটা অসুরক্ষিত তা আরও একবার প্রমাণিত হল বাংলাদেশে।

    ভেঙে দিতে হবে মুছে দিতে হবে ইসকনকে!

    এই প্রকাশিত ভিডিও-র বক্তব্য শুনলে যে কোনও মানুষের ঘুম ছুটে যাবে। উগ্র মুসলমানরা কীভাবে বাংলাদেশের (Bangladesh) জনমানসের মনে মিথ্যাকথা বলে উস্কানি দেয় তার কথাই এই ভিডিওগুলিতে শোনা যাচ্ছে। এম সাব্বির বিন লোকমান নামক এক বক্তা প্রকাশ্য মাইকে বলছেন, “আমি আসতে আসতে রাস্তায় অনেক পোস্টার এবং মন্দির দেখেছি। ইসকনকে (ISKCON) সারা বাংলাদেশে নিষিদ্ধ করতে হবে। সারা বাংলাদেশে এদের যেখানে আস্তানা রয়েছে ভেঙে দিতে হবে। যারা এদের দোসর হবে, যারা এদের রক্ষক হবে, তাদেরকেও চিরতরে মুছে দিতে হবে। এরা সমাজে ক্যান্সারের মতো। ক্যান্সারের কোনও উত্তর নেই, যেখানে ক্যান্সার হয়, সেই অঙ্গ কেটে বাদ দিতে হয়, নইলে সারা দেহে ছড়িয়ে যায়। ইসকন কেও শেষ করতে হবে।”

    ইসকনকে কোপাতে হবে!

    আবার বাংলাদেশের (Bangladesh) আরেক মৌলবাদী নেতা রফিকুল ইসলাম মাদানি বলেন, “এখন হাসিনার সময় নেই, রাজনীতি করার সময় নেই, আমাদের ঠান্ডা মাথায় কথা বলা সম্ভব নয়, তলোয়ারের ভাষায় কথা হবে। আগামী ২ এক দিনের মধ্যে ইসকনকে বন্ধ করতে হবে। হাসিনার প্রেতাত্মারা ইসকনের উপর ভর দিয়ে শাসনে ফিরতে চায়। মাহফিলে থাকার সময় নেই। ইসকনের (ISKCON) পান্ডারা আইনজীবী সাইফুল ইসলামকে যে ভাবে কুপিয়ে মেরেছে, ওদেরকেও কোপাতে হবে। জেহাদের এটাই আসল সময়। প্রত্যেক মুসলমানকে হাতে অস্ত্র তুলে নিতে হবে। বিধর্মীদের যেখানে পাবে কুপিয়ে মারতে হবে।” এই মন্তব্য অত্যন্ত বিদ্বেষ মূলক।

    আরও পড়ুনঃ চিন্ময় প্রভুর মুক্তির দাবি জানিয়ে ইউনূসকে চিঠি দিল বাংলাদেশের রামকৃষ্ণ মঠ-মিশন

    হিন্দুদের নিরাপত্তা দেওয়া হোক

    কলকাতা ইসকনের ভাইস প্রেসিডেন্ট রাধারমণ দাস বলেন, “আমি বাংলাদেশ (Bangladesh) থেকে এই ভিডিওগুলি পেয়েছি। বাংলাদেশে মৌলবাদী জেহাদিরা এই ভাবে উস্কানি দিচ্ছে। ইতিমধ্যে ব্রিটেনের ৩ জন সাংসদ ব্যাপক ভাবে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বাংলাদেশের রামকৃষ্ণ মিশন শাখা চিঠি লিখে চিন্ময়কৃষ্ণ প্রভুর মুক্তি চেয়েছেন। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আমাদের করজোরে নিবেদন যে, হিন্দুদের নিরাপত্তা দেওয়া হোক। ওই দেশের সংখ্যালঘুরাও দেশভক্ত। মৌলবাদীরা ঘুরে ঘুরে উত্তেজক ভাষণ এবং হিংসা ছড়াচ্ছে। অত্যন্ত উদ্বেগের কারণ এটা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “শাড়ি পুড়িয়ে কী হবে? ভারত থেকে হার্টে লাগানো রিং খুলে বের করো”, বিএনপি নেতাকে তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “শাড়ি পুড়িয়ে কী হবে? ভারত থেকে হার্টে লাগানো রিং খুলে বের করো”, বিএনপি নেতাকে তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “শাড়ি পুড়িয়ে কী হবে? ভারত থেকে হার্টে লাগানো রিং খুলে বের করো”, ঠিক এই ভাবে বাংলাদেশের (Bangladesh) বিএনপি নেতাকে তুলোধনা করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। নিজের স্ত্রীর (পুরনো) শাড়ি পুড়িয়ে প্রতিবাদ করেছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভি। সেই সঙ্গে ভারতে আক্রমণ করে টুকরো টুকরো করার হুমকিও দিয়েছিলেন এই নেতা। রবিবার, কাঁথিতে বাংলাদেশের হিন্দুদের ওপর অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সভা করেছিল একাধিক হিন্দু সংগঠন। তাতে যোগদান করে অন্তর্বর্তী সরকার এবং জামাত-বিএনপিকে তীব্র আক্রমণ করেন শুভেন্দু।

    আমরা বাংলাদেশের উপরে নির্ভর করি না (Suvendu Adhikari)

    এদিন বাংলাদেশ (Bangladesh) থেকে ভারতের বিরুদ্ধে হুমকি দেওয়া মৌলবাদী রাজনৈতিক নেতাদের নিশানা করে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “এক বেয়াদব বিএনপি নেতা তার বউয়ের শাড়ি পোড়াচ্ছিল। ওই মোল্লা রিজভিকে আমি বলতে চাই, তুমি কয়েকদিন আগে কলকাতায় এসেছিলে। তোমার হার্টে একটা রিং বসিয়ে নিয়ে গিয়েছ। ওটা ভারতে তৈরি। ওটা খুলে বের করে দাও। বউয়ের শাড়িটা পরে পোড়াবে। বাংলাদেশ আমাদের উপরে নির্ভর করে। আমরা বাংলাদেশের উপরে নির্ভর করি না।” উল্লেখ্য বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর অত্যাচার নিয়ে নয়াদিল্লির তরফে কড়া বিবৃতি দেওয়ার পর থেকেই সেই দেশ থেকে ভারত-বিরোধী নানা গরম গরম বক্তৃতা উঠে আসছে। কেউ বলেছে ইসলামের কালমা পতাকা তুলবে ভারতে, কলকাতা-আগরতলা দখল করবে মাত্র ৪ দিনে, ভারতকে চার টুকরো করে ভাগ করবে ইত্যাদি।

    ঠিক কী বলেছিলেন বিএনপি নেতা

    ভারতের বিরোধিতা করে বিএনপি নেতা রুহুল কবীর বলেছিলেন, “ভারত চট্টগ্রামকে ভারতের অংশ বলে দাবি করবে বলেছে। তাদের এত ঔদ্ধত্য হয়েছে। আমাদের মিলিত শক্তি, তারুণ্যের শক্তি নিয়ে আমরা এটাই বলব যে ঠিক আছে, তোমরা কী কারণে চট্টগ্রাম দাবি করবে? তোমরা ভারত যদি ওটা দাবি করতে পারো, তাহলে আমরাও দাবি করব, আমাদের নবাব সিরাজদৌল্লার বাংলা, বিহার, ওড়িশা ফেরত দাও।”

    আরও পড়ুনঃ ‘কলকাতা দখল! একটা রাফালই যথেষ্ট’, বাংলাদেশের সাম্প্রতিক মন্তব্যের জবাব শুভেন্দুর

    হিন্দু নিপীড়নে চুপ মহম্মদ ইউনূস

    বাংলাদেশের (Bangladesh) হিন্দু ধর্মগুরু চিন্ময়কৃষ্ণ দাসকে গ্রেফতার করার পর থেকেই ভারত সরকারের বিদেশ মন্ত্রকের বক্তব্য এবং হিন্দু সমাজের বিরোধিতায় ওই দেশের মৌলবাদীরা ব্যাপকভাবে দাপাদাপি করছে। চট্টগ্রাম, রংপুর, নেত্রকোনা, রাজশাহীতে চলছে ব্যাপক হিন্দু নির্যাতন। রবিবার ঢাকার পল্টন ময়দান থেকে ভারতীয় দূতাবাসে অভিযানের লক্ষ্য নিয়ে বিরাট মিছিল করে। এই মিছিলেও ভারত-বিরোধী নানা স্লোগানও ওঠে। অথচ অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস চুপ হয়ে পরোক্ষ ভাবে ভারত বিরোধিতার মদত দিচ্ছেন বলে মনে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP TMC Clash: তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে তপ্ত নন্দীগ্রাম, বোমাবাজি, গুলি

    BJP TMC Clash: তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে তপ্ত নন্দীগ্রাম, বোমাবাজি, গুলি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমবায় নির্বাচনে চলল গুলি। হল বোমাবাজিও। বাদ যায়নি অগ্নিসংযোগও। রবিবার নির্বাচন ছিল তমলুকের এগ্রিকালচার সোসাইটির। ভোট গ্রহণকে কেন্দ্র করে এদিন বেলার দিকে সংঘর্ষ (BJP TMC Clash) বাঁধে নন্দীগ্রাম ১ নম্বর ব্লকের কাঞ্চননগর গ্রামে। খবর পেয়ে এলাকায় যায় পুলিশ।

    পুলিশের সামনেই হয় বোমাবাজি (BJP TMC Clash)

    পুলিশের সামনেই হয় বোমাবাজি। চলে গুলিও। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান তমলুকের প্রাক্তন সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী। পুলিশের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন তাঁরা। তপ্ত পরিস্থিতির জেরে কিছুক্ষণের জন্য বন্ধ হয়ে যায় ভোটগ্রহণ। ঘটনার জেরে ভীত সন্ত্রস্ত্র হয়ে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। ভয়ে ভোট দিতে যাননি বহু ভোটার। বিজেপির তমলুক সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক মেঘনাদ পাল বলেন, “শনিবার থেকেই বুথ এলাকায় জারি করা হয়েছিল ১৪৪ ধারা। ১০০ মিটারের বাইরে ক্যাম্প করার কথা বলা হয়েছিল। অথচ সেখানে রীতিমতো প্রহসন চালিয়েছে তৃণমূল। পুলিশের সামনেই ব্যাপক বোমাবাজি করেছে ওরা। আমাদের এক নেতার মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়েছে।” তিনি বলেন (BJP TMC Clash), “এই ঘটনার জেরে আমি নিজেও আমার ভোটটা দিতে পারিনি। নন্দীগ্রামের ভোটারদের ওপর তৃণমূলের আস্থা নেই বলেই এমন বোমাবাজি করছে।”

    আরও পড়ুন: হিন্দু নির্যাতনের মাশুল! বাংলাদেশিদের জন্য বন্ধ ত্রিপুরার হোটেলের দ্বার

    ভীত স্থানীয় বাসিন্দারা

    এদিন সকাল আটটা থেকে কাঞ্চননগর হাইস্কুলে শুরু হয় কৃষি সমবায়ের ভোটগ্রহণ। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন ২২ জন। নির্বাচন শুরুর দিকে নির্বিঘ্নে ভোট হলেও, বেলা বাড়তেই শুরু হয় উত্তেজনা। সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে তৃণমূল ও বিজেপির নেতা-কর্মীরা। তার পরেই শুরু হয় বোমাবাজি, চলে গুলিও। দেবপ্রসাদ মাইতি নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “আমার বাড়ি এখানেই। বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলাম। হঠাৎই দেখি, কয়েকজন এসে বোমাবাজি করে পালিয়ে যায়। আমরা খুব আতঙ্কে রয়েছি (BJP TMC Clash)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: “কলকাতা দখল কি হাতের মোয়া? পৃথিবীর চতুর্থ বৃহত্তম সেনা ভারতে”, মৌলবাদীদের তোপ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: “কলকাতা দখল কি হাতের মোয়া? পৃথিবীর চতুর্থ বৃহত্তম সেনা ভারতে”, মৌলবাদীদের তোপ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শান্তিতে নোবেল প্রাপক মহম্মদ ইউনূসের রাজত্বে সাড়া বাংলাদেশ (Bangladesh) এখন অশান্তির বাতাবরণে আচ্ছন্ন। প্রতিদিন সেখানে হিন্দুদের ওপর নিপীড়ন—অত্যাচার, লুট, মন্দির ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, ধর্ষণ, খুন, দোকান লুটের ঘটনা ঘটেই চলেছে। অন্তর্বর্তী সরকারের আইনের কোনও শাসন নেই। পুলিশ এবং সেনা হিন্দুদের জীবন-সম্পত্তি রক্ষায় সম্পূর্ণ ব্যর্থ। পাল্টা ভারতের মানুষ হিন্দু নির্যাতনের বিরুদ্ধে সরব হলে বাংলাদেশের মৌলবাদী জেহাদিরা ভারতের উপর আক্রমণ করার হুমকি দিতে শুরু করে। গোটা বাংলাদেশে কট্টরপন্থী জেহাদিরা যেমন দাপাদাপি করছে, সেই সঙ্গে আগামী চার দিনের মধ্যে ভারত দখল করার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে। এই পরিপ্রেক্ষিতে বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) তীব্র তোপ দেগেছেন মৌলবাদীদের। তিনি ভারতীয় সেনার ব্যাপক প্রশংসা করে পাল্টা হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন।

    যারা হুমকি দিচ্ছে তারা কোনও সরকারি পদে নেই (Sukanta Majumdar)?

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বাংলাদেশের হিন্দু নিধন নিয়ে আগেও সরব হয়েছিলেন। মহম্মদ ইউনূস যে পাকিস্তানের সুরে কথা বলেন তা প্রথমেই বলেছেন। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের (Bangladesh) হিন্দুদের পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়ঙ্কর। যে পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশি হিন্দুরা যাচ্ছে সেটা আমাদের জন্য হৃদয় বিদারক। তবে বাংলাদেশ থেকে যারা হুমকি দিচ্ছে তারা কোনও সরকারি পদে নেই। ফলে তাদের কোনও ক্ষমতাও নেই। চারদিনে কলকাতা দখল করার কথা বলছে! এটা কি হাতের মোয়া? কিছুই বোঝে না ওরা। বাংলাদেশ সেনার জন্য কলকাতার সিভিক ভলান্টিয়াররাই যথেষ্ট। তারাই আটকে দেবে ওদের।”

    ইসলামের ধর্মান্ধতা কোন জায়গায় পৌঁছাতে পারে, উদাহরণ বাংলাদেশ

    একইভাবে ভারতীয় সেনারা যথেষ্ট সক্ষম, তাই বাংলাদেশের (Bangladesh) মৌলবাদীদের পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে সুকান্ত আরও (Sukanta Majumdar) বলেন, “ভারতের সৈন্যশক্তি সম্পর্কে ওদের কোনও আইডিয়া নেই। পৃথিবীর চতুর্থ বৃহত্তম সেনা রয়েছে ভারতের হাতে। তবে ইসলামের ধর্মান্ধতা কোন জায়গায় পৌঁছাতে পারে তার উদাহরণ বাংলাদেশ। পশ্চিমবঙ্গের মানুষেরও সচেতন হওয়া দরকার।” উল্লেখ্য, শনিবার ঢাকায় বাংলাদেশ তিসরাই ইনসাফ পার্টির নেতা মিনাজ ভারত দখলের স্লোগান দিয়ে বলেছিলেন, “আমরা ইন্ডিয়ার কলকাতা, আগরতলা এবং সেভেন সিস্টার্স দখল করব। আমরা ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ দু’ দেশের মানচিত্রই নতুন করে আঁকব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share