Tag: news in bengali

news in bengali

  • Ramakrishna 213: “গুরুর কৃপা হলে আর কোন ভয় নাই! তিনি জানিয়ে দেবেন, তুমি কে, তোমার স্বরূপ কি”

    Ramakrishna 213: “গুরুর কৃপা হলে আর কোন ভয় নাই! তিনি জানিয়ে দেবেন, তুমি কে, তোমার স্বরূপ কি”

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ ভক্তসঙ্গে দক্ষিণেশ্বর কালীবাড়িমধ্যে

    তৃতীয় পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৩, ৪ঠা জুন

    মণিলাল প্রভৃতি সঙ্গে — ঠাকুর “অহেতুক কৃপাসিন্ধু”

    গুরুকৃপায় মুক্তি ও স্বরূপদর্শন—ঠাকুরের অভয়দান 

    এইবার ঠাকুর ভক্তদের অভয় (Kathamrita) দিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) (মাস্টারের প্রতি)—কেউ কেউ মনে করে, আমার বুঝি জ্ঞানভক্তি হবে না, আমি বুঝি বদ্ধজীব। গুরুর কৃপা হলে কিছুই ভয় নাই। একটা ছাগলের পালে বাঘ পড়েছিল। লাফ দিতে গিয়ে, বাঘের প্রসব হয়ে ছানা হয়ে গেল। বাঘটা মরে গেল, ছানাটি ছাগলের সঙ্গে মানুষ হতে লাগল। তারাও ঘাস খায়, বাঘের ছানাও ঘাস খায়। তারাও “ভ্যা ভ্যা” করে, সেও “ভ্যা ভ্যা” করে। ক্রমে ছানাটা খুব বড় হল। একদিন ওই ছাগলের পালে আর-একটা বাঘ এসে পড়ল। সে ঘাসখেকো বাঘটাকে দেখে অবাক্‌! তখন দৌড়ে এসে তাকে ধরলে। সেটাও “ভ্যা ভ্যা” করতে লাগলে। তাকে টেনে হিঁচড়ে জলের কাছে নিয়ে গেল। বললে, “দেখ, জলের ভিতর তোর মুখ দেখ—ঠিক আমার মতো দেখ। আর এই নে খানিকটা মাংস—এইটে খা।” এই বলে তাকে জোর করে খাওয়াতে লাগল। সে কোন মতে খাবে না—“ভ্যা ভ্যা” করছিল। রক্তের আস্বাদ পেয়ে খেতে আরম্ভ করলে। নূতন বাঘটা বললে, “এখন বুঝিছিস, আমিও যা তুইও তা; এখন আয় আমার সঙ্গে বনে চলে আয়।”

    “তাই গুরুর কৃপা হলে আর কোন ভয় নাই! তিনি জানিয়ে দেবেন, তুমি কে, তোমার (Ramakrishna) স্বরূপ কি।

    “একটু সাধন করলেই গুরু বুঝিয়ে দেন, এই এই। তখন সে নিজেই বুঝতে পারবে, কোন্‌টা সৎ, কোন্‌টা অসৎ। ঈশ্বরই সত্য, এ-সংসার অনিত্য।”

    কপট সাধনাও ভাল—জীবন্মুক্ত সংসারে থাকতে পারে 

    “এক জেলে রাত্রে এক বাগানে জাল ফেলে মাছ চুরি করছিল। গৃহস্থ জানতে পেরে, তাকে লোকজন দিয়ে ঘিরে ফেললে। মশাল-টশাল নিয়ে চোরকে খুঁজতে এল। এদিকে জেলেটা খানিকটা ছাই মেখে, একটা গাছতলায় সাধু হয়ে বসে আছে। ওরা অনেক খুঁজে দেখে, জেলে-টেলে কেউ নেই, কেবল গাছতলায় একটি সাধু ভস্মমাখা ধ্যানস্থ। পরদিন পাড়ায় খবর হল, একজন ভারী সাধু ওদের বাগানে এসেছে। এই যত লোক ফল ফুল সন্দেশ মিষ্টান্ন দিয়ে সাধুকে প্রণাম করতে এল। অনেক টাকা-পয়সাও সাধুর সামনে পড়তে লাগল। জেলেটা ভাবল কি অশ্চর্য! আমি সত্যকার সাধু নই, তবু আমার উপর লোকের এত ভক্তি। তবে সত্যকার সাধু হলে নিশ্চয়ই ভগবানকে পাব, সন্দেহ নাই।

    “কপট সাধনাতেই এতদূর চৈতন্য হল। সত্য সাধন হলে তো কথাই নাই। কোন্‌টা সৎ কোন্‌টা অসৎ বুঝতে (Kathamrita) পারবে। ঈশ্বরই সত্য, সংসার অনিত্য।”

    একজন ভক্ত ভাবিতেছেন, সংসার অনিত্য? জেলেটো তো সংসারত্যাগ করে গেল। তবে যারা সংসারে আছে, তাদের কি হবে? তাদের কি ত্যাগ করতে হবে? শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)  অহেতুক কৃপাসিন্ধু—অমনি বলিতেছেন (Kathamrita), “যদি কেরানিকে জেলে দেয়, সে জেল খাটে বটে, কিন্তু যখন জেল থেকে তাকে ছেড়ে দেয়, তখন সে কি রাস্তায় এসে ধেই ধেই করে নেচে বেড়াবে? সে আবার কেরানিগিরি জুটিয়ে লেয়, সেই আগেকার কাজই করে। গুরুর কৃপায় জ্ঞানলাভের পরেও সংসারে জীবনন্মুক্ত হয়ে থাকা যায়।”

    এই বলিয়া ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) সংসারী লোকদের অভয় দিলেন।

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “আবার সেই সমাধি! আবার নিস্পন্দন দেহ, স্তিমিতি লোচন, দেহ স্থির

    আরও পড়ুনঃ দেখিয়াই ঠাকুর উচ্চহাস্য করিয়া ছোকরাদের বলিয়া উঠিলেন, “ওই রে আবার এসেছে”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: শুধু রাজনীতির ময়দানেই নয়, র‍্যাম্পে হেঁটে নজর কাড়লেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: শুধু রাজনীতির ময়দানেই নয়, র‍্যাম্পে হেঁটে নজর কাড়লেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজনীতির ময়দানে বিরোধীদের সব সময়েই প্রশ্নবাণে কাত করে থাকেন তিনি, এবার হাঁটছেন র‍্যাম্পে (Ramp Walking)! কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) র‍্যাম্পে হেঁটে নজর কেড়ে নিলেন দর্শকদের। কোনও প্রফেশনাল মডেল না হয়েও এদিন তাঁর হাঁটা এক অনন্য মাত্রা যোগ করেছে। প্রসঙ্গত তাঁর সঙ্গে ছিলেন আরেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপির সাংসদ জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। দুই মন্ত্রী উত্তর-পূর্ব ভারতের ঐতিহ্য এবং স্টাইলিশ জ্যাকেট পরে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বস্ত্রশিল্প এবং জিআই ট্যাগপ্রাপ্ত পণ্যগুলিকে প্রদর্শনের জন্য এই আয়োজন করা হয়েছিল এদিন।

    সাদা রঙের ব্লেজার (Sukanta Majumdar)

    রাজ্যের সাংসদ তথা দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) এখন রাজনীতির আঙ্গিনায় এক বিশেষ চরিত্র। তৃণমূলের দুর্নীতি থেকে তোষণ, সব অপকর্মের তীব্র সমালোচক তিনি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিত্ব এবং সেই সঙ্গে রাজ্য বিজেপির সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে তাঁর কর্মজীবন দারুণ ভাবে ব্যস্তময়। শনিবার নতুন দিল্লির ভারত মণ্ডপমে আয়োজিত অষ্টলক্ষ্মী মহোৎসবে ফ্যাশন শো (Ramp Walking)-তেই দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী র‍্যাম্পে হাঁটলেন। সুকান্তর এদিন পরনে পোশাক ছিল হালকা সাদা রঙের ব্লেজার, উপরে রুপলি সুতোর কাজ, গলায় লম্বা স্কার্ফ।

    “সুকান্তবাবুর সঙ্গে অনুষ্ঠানে যোগদান করতে পেরে গর্বিত”

    ভারতের ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতিকে তুলে ধরতে এই ফ্যাশন শোয়ের (Ramp Walking) আয়োজন করা হয়েছিল। এই অনুষ্ঠানে সামিল এবং র‍্যাম্পে হাঁটার অভিজ্ঞতার কথা বলে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য (Sukanta Majumdar) সিন্ধিয়া বলেন, “সত্যই এই শো ভারতীয় সংস্কৃতি এবং উদ্ভাবনের একটি আদর্শ বিনিময়ের মাধ্যম। উত্তর-পূর্ব ভারতের পরম্পরাকে তুলে ধরতে ফ্যাশনের মাধ্যমে তুলে ধরতে দারুণ সময় কাটল। প্রত্যেক রাজ্যের নিজেস্ব শিল্পকে শিল্পীরা নিজের মতো করে তুলে ধরেছেন। আমার সহকর্মী সুকান্তবাবুর সঙ্গে অনুষ্ঠানে যোগদান করতে পেরে গর্বিত।” বিশ্বের দরবারে ভারতের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, কারুশিল্প তুলে ধরার প্রয়াস ছিল এই উৎসব। অসম, অরুণাচল প্রদেশ, মেঘালয়, মণিপুর, নাগাল্যান্ড, মিজ়োরাম, ত্রিপুরা এবং সিকিমের সৌন্দর্য ও বৈচিত্রকে প্রদর্শিত করা হয়েছিল।

    আরও পড়ুনঃ সাগরে সৃষ্টি হয়েছে নিম্নচাপ, রাজ্যে শীত উধাও হওয়ার পথে, ফের বৃষ্টির ইঙ্গিত

    উদ্বোধনী ভাষণ দেন মোদি

    নরেন্দ্র মোদি এদিন অনুষ্ঠানের উদ্বোধনের ভাষণ দিতে গিয়ে বলেন, “গত এক দশকে আমরা উত্তর-পূর্বে ভারতের উন্নয়নের যাত্রা দ্রুত লক্ষ্য করেছি। তবে এই যাত্রা খুব সহজ ছিল না। রাজ্যগুলিকে ভারতের উন্নয়নে সামিল করার জন্য আমরা সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়েছি। আমার বিশ্বাস আগামী দিনে মুম্বই, বেঙ্গালুরু, চেন্নাই এবং হায়দরাবাদের মতো উত্তর-পূর্ব ভারতের গুয়াহাটি, শিলং, ইম্ফল, ইটানগর এবং আইজলেও উন্নয়নের মডেল প্রতিফলিত হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indian Railways: কংগ্রেস আমলের থেকে মোদি জমানায় রেল দুর্ঘটনা অনেক কমেছে, তথ্য দিয়ে দাবি রেল মন্ত্রকের

    Indian Railways: কংগ্রেস আমলের থেকে মোদি জমানায় রেল দুর্ঘটনা অনেক কমেছে, তথ্য দিয়ে দাবি রেল মন্ত্রকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি সরকারের আমলে রেল (Indian Railways) দুর্ঘটনা ৬০ শতাংশ কমেছে। রাজ্যসভায় এই মর্মে বিশেষ রিপোর্ট জমা পড়েছে। সংসদের উচ্চকক্ষে রেল মন্ত্রক জানিয়েছে, দুর্ঘটনা (Accident) রুখতে গত ১০ বছরে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। ২০১৪ সাল থেকে ক্ষমতায় রয়েছে বিজেপি পরিচালিত এনডিএ সরকার। গত কয়েক দশকের কংগ্রেস শাসিত সরকারের তুলনায় নরেন্দ্র মোদি পরিচালিত সরকার রেলের যে অভূতপূর্ব বিকাশ ঘটিয়েছে, তা রাজনীতির অধিকাংশ মানুষ মনে করছেন।

    ২০২১ সালের এপ্রিল থেকে এখনও পর্যন্ত মৃত ৩৬২ জন(Indian Railways)

    রাজ্যসভায় রেল দুর্ঘটনার (Accident) বিস্তৃত জবাব দিয়েছে ভারতীয় রেল মন্ত্রক (Indian Railways)। সেখানে মন্ত্রকের পক্ষ থেকে বলা হয়, ২০২১ সালের এপ্রিল মাস থেকে এখনও পর্যন্ত সারা ভারতে মোট ১৫২টি গুরুতর রেল দুর্ঘটনা ঘটেছে। এই সব দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে মোট ৩৬২ জনের এবং মোট আহতদের সংখ্যা ৯৫৮ জন। নিহতদের মধ্যে রেল বিভাগের মোট কর্মচারী রয়েছেন ১১ জন। এই সব দুর্ঘটনাকে মাথায় রেখে রেলের তরফ থেকে একাধিক অত্যাধুনিক ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। ফলে আগের থেকে রেল দুর্ঘটনা অনেক পরিমাণে কমে গিয়েছে।

    ২০২৩-২৪ আর্থিক বর্ষে মোট দুর্ঘটনার সংখ্যা ৪০টি

    একই সঙ্গে তথ্য দিয়ে রেল মন্ত্রক (Indian Railways) জানিয়েছে, ২০১৪-১৫ আর্থিক বছরে সারা দেশে রেল বিপত্তির ঘটনা নথিভুক্ত করা হয়েছে ১৩৫টি। অপর দিকে ২০২৩-২৪ আর্থিক বর্ষে মোট রেল দুর্ঘটনা নথিভুক্ত করা হয়েছে মাত্র ৪০টি। একই ভাবে রেলের ব্যবস্থা যে ঢেলে সাজানো হচ্ছে সেই বিষয়ও জানানো হচ্ছে। তার মধ্যে রয়েছে, রেললাইন, রেলের কামরায় নানা সমস্যার কথা, অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি ইত্যাদি।

    আরও পড়ুনঃ সশস্ত্র বাহিনীর বীরত্ব ও দেশপ্রেমের প্রতি শ্রদ্ধা, পতাকা দিবস তহবিলে দান করার আবেদন শাহের

    নিরাপদ যাত্রায় রেল বদ্ধপরিকর

    প্রসঙ্গত, রেলের (Indian Railways) গত কয়েক মাসে রেল দুর্ঘটনার (Accident) পিছনে যে রেল জেহাদিদের একটা ষড়যন্ত্রের কৌশল রয়েছে, তা উপেক্ষার নয়। উত্তরপ্রদেশ, হরিয়ানা, পাঞ্জাব, দিল্লি, কর্ণাটক, মধ্যপ্রদেশ, উত্তরপূর্ব ভারতে নানা সময় পাথর, ইট, লোহা, গ্যাসের সিলিন্ডার, লাইনের তার-সহ একাধিক উপাদান দিয়ে বড়সড় নাশকতার ছক বাঞ্চালের তথ্য উঠে এসেছে। ঠিক এই পরিস্থিতিকে কাটিয়ে বন্দে ভারত, বন্দে ভারত স্লিপার, কবচ ৫.০, হাই স্পিড ট্রেন, বুলেট, হাইড্রোজেন চালিত ট্রেন-সহ আধুনিক ট্রেনের খবর প্রতিনিয়ত আসছে। অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করা হচ্ছে। ফলে সময় ও দূরত্বকে কমিয়ে রেলকে আরও অত্যাধুনিক এবং নিরাপদ যাত্রার পরিষেবা দিতে ভারত সরকার যে বদ্ধপরিকর, সেই বিষয়েও জানানো হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: “ভারতকে টুকরো টুকরো করব, মানচিত্র বদলে দেবো”, মিছিল করে ঢাকায় বেলাগাম স্লোগান

    Bangladesh: “ভারতকে টুকরো টুকরো করব, মানচিত্র বদলে দেবো”, মিছিল করে ঢাকায় বেলাগাম স্লোগান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কলকাতা দখল করব, ভারতকে টুকরো করে মানচিত্র বদলে দেবো।” এই ভাবেই ভয়ঙ্কর হুঁশিয়ারি দেওয়া হল বাংলাদেশ (Bangladesh) থেকে। গত ৫ অগাস্ট হাসিনার সরকারকে ছাত্র আন্দোলনের নামে উৎখাত করে কট্টর মৌলবাদীদের দাপাদাপি এখন চরম সীমায় পৌঁছে গিয়েছে। ওই দেশের সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর লাগাতার জেহাদি আক্রমণ চলছে। খুন, ধর্ষণ, হত্যা, বাড়ি-ঘর, দোকান লুটপাট চলছে অনবরত। সেসব থামার  কোনও লক্ষণ নেই, পাল্টা কলকাতাকে দখল করার হুমকি দিল উগ্র মুসলমানারা।

    ভারতীয় ভূখণ্ডে আমরা কলমা আঁকা পতাকা ওড়াবো(Bangladesh)

    বাংলাদেশে (Bangladesh) যখন প্রতিদিন হিন্দুদের উপর বর্বর আক্রমণ করা হচ্ছে, সেই সময় বাংলাদেশ তিসরাই ইনসাফ পার্টি পুলিশের নিরাপত্তায় ঢাকায় মিছিল করেছে। উল্লেখ্য অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ইউনূস যেখানে হিন্দুদের জীবন এবং সম্পত্তি রক্ষায় ব্যর্থ, সেখানে কট্টরপন্থীদের নিরাপত্তা দিতে ব্যস্ত। এদিন মিছিল থেকে সংগঠনের প্রধান নেতা মিনাজ প্রধানের হুমকি, ভারতের মানচিত্র বদলে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, “আমরা ভারতের কলকাতা, আগরতলা এবং সেভেন সিস্টার্স দখল করে নেবো। বাংলাদেশ এবং ভারতের মানচিত্রকে নতুন করে আঁকব। তোমরা যদি বাংলাদেশের দিকে তাকাও তাহলে ভয়ঙ্কর পরিণতি হবে। সেই কথা মাথায় রেখে কাজ করো। প্রয়োজনে আমরা ভারতকে টুকরো টুকরো করব। ভারতীয় ভূখণ্ডে আমরা কলমা আঁকা পতাকা ওড়াবো। আমরাই ভারত শাসন করব। একই ভাবে ঢাকার বাইতুল মসজিদের কাছে মিনাজ প্রধান হুমকি দিয়ে আরও বলেন, “হিন্দুদের উচিত সনাতনী পরিচয় ত্যাগ করা। শুধু মাত্র উচিত বাংলাদেশি হিসেবে পরিচয় দেওয়া।”

    আরও পড়ুনঃ সিরিয়ার রাজধানী দখলের পথে সশস্ত্র বিদ্রোহীরা, দেশ ছাড়তে বিমানে উঠেছেন প্রেসিডেন্ট আসাদ!

    ভারতের চেয়ে অতি শক্তিধর দেশ বাংলাদেশ

    অপর দিকে ঢাকার রাস্তায় এদিন মিছিল করেন বাংলাদেশ (Bangladesh) সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত অফিসার ও জওয়ানেরা। তাঁরা ভারতের বিরুদ্ধে হুংকার দিয়ে বলেন, “কালকাতা থেকে আগরতলা সব কেড়ে নেওয়া হবে। ভারতের চেয়ে অতি শক্তিধর দেশ বাংলাদেশ। আমাদের ক্ষমতা ভারতের চেয়ে অনেক বেশি। ৭১ সালের সেনা আর বাংলাদেশে নেই।” উল্লেখ্য সোমবার ভারতের বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রি ঢাকায় যাবেন। দ্বিপাক্ষিক বিষয় নিয়ে ফরেন অফিস কনসাল্টেশনের বৈঠকে যোগদান করবেন। ওইদিনেই ভারতীয় দূতাবাসকে উদ্দেশ্য করে বিএনপি পল্টন থেকে মিছিলের ডাক দিয়েছে। যদিও ইউনূস প্রশাসন কোনও নিষেধাজ্ঞা জারি করেনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Syria War: সিরিয়ার রাজধানী দখলের পথে সশস্ত্র বিদ্রোহীরা, দেশ ছাড়তে বিমানে উঠেছেন প্রেসিডেন্ট আসাদ!

    Syria War: সিরিয়ার রাজধানী দখলের পথে সশস্ত্র বিদ্রোহীরা, দেশ ছাড়তে বিমানে উঠেছেন প্রেসিডেন্ট আসাদ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিরিয়ায় (Syria War) বিদ্রোহীরা বেশ কয়েকটি শহর দখল করে রাজধানী দামাস্কাসের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। জানা গিয়েছে, শনিবার আসাদের বাহিনী হোমস শহর থেকে পালিয়ে গিয়েছে। এরপর হোমসের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে বিদ্রোহীরা। বর্তমানে আসাদ বিমানে উঠে অন্যত্র রওনা দিয়েছেন। তবে কোথায় যাচ্ছেন, প্রকাশ করা হয়নি। ওই দেশের তৃতীয় বৃহত্তম শহর হোমস দখল হওয়া প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের (President Bashar al-Assad) জন্য একটি বড় ধাক্কা। বিদ্রোহীরা যে তাঁকে ক্ষমতাচ্যুত করার ইঙ্গিত দিচ্ছেন, এই ঘটনা থেকে তা আরও স্পষ্ট হয়েছে। বোঝা যাচ্ছে, ওই দেশের সরকার পতনের মুখে।

    অপর দিকে সিরিয়ার রাজনৈতিক পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে ওই দেশে বসবাসকারী ভারতীয়দের জন্য নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। সুযোগ থাকলে দ্রুত দেশে ফেরার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন ছাড়া বাড়ি থেকে বের হতেও নিষেধ করা হয়েছে।

    ‘হায়াত তাহরির আল-শাম’ ও ‘জইশ আল-ইজ্জা’র যৌথ অভিযান (Syria War)

    জানা গিয়েছে, সিরিয়ার (Syria War) প্রেসিডেন্টকে (President Bashar al-Assad) ক্ষমতা থেকে সরাতে গত সপ্তাহ থেকেই হামলা শুরু করা হয়েছে। সিরিয়ার দুই বিদ্রোহী সশস্ত্র গোষ্ঠী ‘হায়াত তাহরির আল-শাম’ (এইচটিএস) এবং তাদের সহযোগী ‘জইশ আল-ইজ্জা’-র যৌথবাহিনী অভিযান শুরু করেছে। বিদ্রোহীরা অভ্যুথানের চেষ্টা করছে। প্রথমে তারা আলেপ্পা দখল করে, এরপর দ্রুত অগ্রসর হয়। উল্লেখ্য আগেও বিদ্রোহীরা বেশ কিছু এলাকা দখল করেছিল, কিন্তু সেই সময় আসাদের সরকার দমন করেছিল। হোমস শহর হল সিরিয়ার রাজধানী দামস্কাকে ভুমধ্যসাগরের উপকূলের সঙ্গে সংযোগকারী একটি গুরুত্বপূর্ণ চৌরাস্তা। এখন এই জায়গায় সম্পূর্ণ ভাবে বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণে। ব্রিটেনের সিরিয়া পর্যবেক্ষণাগার থেকে জানানো হয়েছে, সে দেশের বিমানবন্দর থেকে নিরাপত্তাবাহিনী এবং সেনা সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বিদ্রোহীদের চাপে সকলে গা ঢাকা দিয়েছে।

    ১৩ বছর ধরে গৃহযুদ্ধ চলছে!

    বিদ্রোহীদের তাণ্ডবে সিরিয়ায় (Syria War) ব্যাপক আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। সংবাদ সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, দামাস্কাসে রবিবার সকাল থেকে ব্যাপক গোলাগুলির আওয়াজ শোনা যাচ্ছে। এলাকার বাসিন্দার কেউ বাড়ি থেকে বের হতে পারছেন না। আসাদের সমর্থকরা ইতিমধ্যে রাজধানী ছেড়ে পালাতে শুরু করেছে। সিরিয়াতে গত ১৩ বছর ধরে গৃহযুদ্ধ চলছে। ২০১১ সালে প্রেসিডেন্ট আসাদের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলিকে মদত দিয়েছিল আমেরিকা। পরবর্তী সময়ে আইএসের বাড়বাড়ন্ত রুখতে নেটো বাহিনীও হামলা চালিয়েছিল।

    আরও পড়ুনঃ ‘‘দ্রুত ফিরে আসুন, থাকলেও বেশি বাইরে বেরোবেন না”, সিরিয়ার ভারতীয়দের বার্তা নয়াদিল্লির

    রাশিয়া-ইরানের সহযোগিতা পেতে পারেন

    সামরিক বিশেজ্ঞদের একাংশ বলছে, বেশ কয়েক মাসে ইজারায়েলি বিমান হানায় আসাদ বাহিনীর অবস্থা এখন বেশ সঙ্কটজনক। এই পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে দামাস্কার দিকে অগ্রসর হয়েছে বিদ্রোহীরা। তবে আসাদের কাছে রাশিয়া এবং ইরানের সহযোগিতা রয়েছে। ইরাক থেকে শিয়া মিলিশিয়া বাহিনীও সিরিয়া (Syria War) সেনার সাহায্যে সীমান্ত পেরিয়েছে বলে বেশ কিছু সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে। কিন্তু আসাদ (President Bashar al-Assad) নিজের রাজধানী রক্ষা করতে না পেরে পালাতে বাধ্য হয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: সাগরে সৃষ্টি হয়েছে নিম্নচাপ, রাজ্যে শীত উধাও হওয়ার পথে, ফের বৃষ্টির ইঙ্গিত

    Weather Update: সাগরে সৃষ্টি হয়েছে নিম্নচাপ, রাজ্যে শীত উধাও হওয়ার পথে, ফের বৃষ্টির ইঙ্গিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের শীতের (Weather Update) আমেজে থাবা বাসাতে পারে নিম্নচাপ (Low Pressure)। সপ্তাহের শেষে বেশ কিছু জেলায় বৃষ্টি হওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। সেই সঙ্গে দার্জিলিংয়ে হতে পারে তুষারপাত। আলিপুর আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, সোমবার দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পশ্চিমের জেলাগুলিতেও রয়েছে বৃষ্টির পূর্বাভাস। এর সঙ্গে উত্তর থেকে দক্ষিণের বেশ কিছু জেলা ঢেকে যেতে পারে ঘন কুয়াশার আস্তরণে।

    ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি হবে (Weather Update)

    আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার রাজ্যের উত্তর থেকে দক্ষিণে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা (Weather Update) ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পাবে। এদিন উত্তরবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একদিকে দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরের উপর নিম্নচাপ অঞ্চল তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে পশ্চিমি ঝঞ্ঝা (Low Pressure) তৈরি হয়েছে উত্তর-পশ্চিম ভারতে। এই জোড়া ফলায় রাজ্যে আবহাওয়া পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে। পূর্বাভাস দিয়ে বলা হয়েছে, এই নিম্নচাপ শক্তি বৃদ্ধি করবে এবং পশ্চিম, উত্তর-পশ্চিম দিকে এগিয়ে যাবে। তবে তার অভিমুখ থাকবে তামিলনাড়ুর দিকে। এই নিম্নচাপের প্রভাব রাজ্যে পড়বে, জলীয় বাষ্পের কারণে বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়বে। সেই সঙ্গে শীতের আমেজে বাধা সৃষ্টি হবে।

    দক্ষিণবঙ্গে কেমন থাকবে আবহাওয়া?

    দক্ষিণবঙ্গে রবিবার দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমানে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার (Weather Update) সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার থেকে মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, দুই বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়ায় রয়েছে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা। মঙ্গলবার থেকে দক্ষিণের সব জেলায় আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

    উত্তরবঙ্গের আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত হালকা বৃষ্টির (Low Pressure) পূর্বাভাস রয়েছে। একই ভাবে সঙ্গে তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। রবিবার কালিম্পং, উত্তর দিনাজপুরে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একইভাবে এই জেল গুলিতে রয়েছে কুয়াশার সম্ভাবনা। ইতিমধ্যে কুয়াশার জন্য হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সোমবার জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, দুই দিনাজপুর, মালদায় ঘন কুয়াশার জন্য জারি করা হয়েছে হলুদ সতর্কতা। তবে দৃশ্যমানতা স্বাভাবিক থাকবে।

    কোন জেলায় তাপমাত্রা কত?

    রবিবার কলকাতার তাপমাত্রা (Weather Update) নামল ১৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। পশ্চিমাঞ্চলেও জমজমাট ঠান্ডা। পুরুলিয়ার পারদ নামল ৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। শ্রীনিকেতনে ১১.৮ ডিগ্রি, বাঁকুড়ায় ১৪.৪ ডিগ্রি। দমদমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে সোমবার থেকে ফের চড়বে পারদ। ঝঞ্ঝার প্রভাবে (Low Pressure) ২-৩ ডিগ্রি তাপমাত্রা বাড়তে পারে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ফের প্রাণনাশের হুমকি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে

    PM Modi: ফের প্রাণনাশের হুমকি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্যবধান মাত্র এগারো দিনের। ফের প্রাণনাশের হুমকি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi)। বোমা বিস্ফোরণে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীকে খুনের হুমকি বার্তা (Death Threat) পেল পুলিশ। সূত্রের খবর, প্রধানমন্ত্রীকে খুনের হুমকি দিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ পেয়েছে মুম্বই পুলিশ। প্রসঙ্গত, এর আগে ২৭ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকি দিয়ে ফোন এসেছিল মুম্বই পুলিশের কাছে। 

    কী বলছে পুলিশ? (PM Modi)

    পুলিশ সূত্রে খবর, এদিন যে নম্বরটি থেকে হোয়াটসঅ্যাপ বার্তাটি এসেছে, সেটি রাজস্থানের আজমিরের। যার নম্বর থেকে হুমকি এসেছে, তাকে ধরতে পুলিশের একটি দল রওনা দিয়েছে আজমিরের উদ্দেশে। জানা গিয়েছে, এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে খুনের হুমকি বার্তায় দুজন আইএসআই এজেন্টের কথা জানানো হয়। আরও জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রী মোদিকে নিশানা করে বোমা বিস্ফোরণের ছক কষা হচ্ছে। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তদন্তকারীদের অনুমান, এই মেসেজ যে পাঠিয়েছে, হয় সে মানসিকভাবে অসুস্থ, আর নয়তো সে মদ্যপ অবস্থায় এই মেসেজ পাঠিয়েছে।

    হুমকি এসেছিল আগেও

    গত ২৭ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রীকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে ফোন এসেছিল মুম্বই পুলিশের প্রধান কন্ট্রোল রুমে। পরের দিনই বছর চৌত্রিশের এক মহিলাকে আটক করে পুলিশ। ফোন কলারের লোকেশন ট্র্যাক করে এক মহিলাকে আটক করে পুলিশ। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পারে, নিছক মজার ছলেই সে এই হুমকি ফোন করেছিল। তার পর এল এদিনের (PM Modi) ফোন।

    আরও পড়ুন: হিন্দু বিক্ষোভের জের, অন্তর্বাস থেকে ভগবান গণেশের ছবি সরাল ওয়ালমার্ট

    বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর লাগাতার হামলা ও নির্যাতনের আবহে এই হুমকিবার্তাকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে দেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলি। প্রসঙ্গত, কয়েক দিন ধরে আজমিরের খাজা মইনুদ্দিন চিস্তির মুঘল আমলের দরগা শিবমন্দির ছিল বলে বিতর্ক ছড়িয়েছে। বিষয়টি গড়িয়েছে আদালত পর্যন্ত। তার পরেও নেই হুমকি ফোন আসার বিরাম। প্রসঙ্গত, মুম্বই ট্রাফিক পুলিশের কাছেই আগে এসেছিল এক (Death Threat) বিমানে ও বিমানবন্দরে বোমা রাখার মেসেজ এসেছিল (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: ভারতে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে, তোপ বিজেপির

    BJP: ভারতে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে, তোপ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একদল ইনভেস্টিগেটিভ সাংবাদিক ও বিরোধী নেতা রাহুল গান্ধীর সঙ্গে মিলে ভারতে অস্থিরতা সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে। এমনই অভিযোগ করছে বিজেপি (BJP)। তারা এই অভিযোগ তুলেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট এবং সেখানে সক্রিয় ডিপ স্টেট উপাদানগুলির বিরুদ্ধে। গত দুদশকে নয়াদিল্লি ও ওয়াশিংটন একটি শক্তিশালী সম্পর্ক গড়ে তুলেছে। দুই দেশই কিছু মতভেদ ও বিধোধ থাকা সত্ত্বেও (Adani Indictment) সম্পর্ক আরও মজবুত করার অঙ্গীকার করার করেছে। এমতাবস্থায় উঠেছে অভিযোগ।

    বিজেপির দাবি (BJP)

    বিজেপির দাবি, রাহুল গান্ধীর দল কংগ্রেস অর্গানাইজড ক্রাইম অ্যান্ড কোরাপশন রিপোর্টিং প্রজেক্ট (ওসিসিআরপি) এর প্রতিবেদনগুলি ব্যবহার করেছে যা আদানি গ্রুপের ওপর এককভাবে দৃষ্টি নিবদ্ধ করে এবং মোদীকে দুর্বল করতে সরকারের সাথে তার কথিত ঘনিষ্ঠতার কথা বলে বেড়াচ্ছে। ২৬৫ মিলিয়ন ডলারের একটি প্রকল্পে ভারতীয় কর্মকর্তাদের ঘুষ দেওয়ার অভিযোগে গত মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিযুক্ত করা হয়েছে গ্রুপের চেয়ারম্যান গৌতম আদানি এবং আরও সাতজনকে। গ্রুপের দাবি, অভিযোগ, ভিত্তিহীন।

    ওসিসিআরপির প্রতিবেদন

    ওসিসিআরপির প্রতিবেদনে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, ভারতের রাষ্ট্র-পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত হ্যাকাররা ইসরায়েলের তৈরি পেগাসাস স্পাইওয়্যার ব্যবহার করে সরকার-বিরোধীদের লক্ষ্যবস্তু করেছে। উভয় অভিযোগই অস্বীকার করেছে কেন্দ্রের শাসক দল। বিজেপি আগেই রাহুল গান্ধী এবং ওসিসিআরপি এবং নবতিপর কোটিপতি আর্থিক সহায়তাকারী ও সমাজসেবী জর্জ সোরোসের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ করার অভিযোগ এনেছিল।

    আরও পড়ুন: এবার ঢাকার ইসকন মন্দিরে আগুন লাগাল মৌলবাদীরা, পুড়ল লক্ষ্মী-নারায়ণের মূর্তি

    বৃহস্পতিবার বিজেপি একটি ফরাসি সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট উল্লেখ করেছে। তাতে বলা হয়েছে, ওসিসিআরপি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এজেন্সি ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট এবং অন্য গভীর রাষ্ট্রের ব্যক্তিত্ব যেমন সোরোসের দ্বারা অর্থায়িত। এক্স হ্যান্ডেলে বিজেপি (BJP) বলেছে, ওই রাষ্ট্রের স্পষ্ট উদ্দেশ্য ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে টার্গেট করে ভারতকে অস্থিতিশীল করা। পদ্ম পার্টির দাবি,  এটি সবসময়ই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের পিছনে থাকা একটি অ্যাজেন্ডা ছিল… ওসিসিআরপি রাষ্ট্রের অ্যাজেন্ডা পরিচালনার জন্য একটি সংবাদমাধ্যমের হাতিয়ার হিসেবে কাজ করেছে।

    মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের এক মুখপাত্র বলেন, “মার্কিন সরকার সাংবাদিকদের পেশাগত উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য সহায়তা প্রদান করে। তবে এটি এই সংগঠনগুলির (Adani Indictment) সম্পাদকীয় সিদ্ধান্ত বা দিকনির্দেশকে প্রভাবিত করে না (BJP)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: উপাসনাস্থল আইনের বৈধতা খতিয়ে দেখতে বিশেষ বেঞ্চ সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: উপাসনাস্থল আইনের বৈধতা খতিয়ে দেখতে বিশেষ বেঞ্চ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯৯১ সালের উপাসনাস্থল (বিশেষ বিধান) আইনটির বৈধতার বিরুদ্ধে দায়ের করা সব রিট পিটিশন শুনানির জন্য (Places Of Worship Act) বিশেষ বেঞ্চ গঠন করলেন ভারতের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খন্না (Supreme Court)। এই আইন অনুযায়ী, ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্টের আগে যেসব ধর্মীয় স্থানের চরিত্র এবং পরিচয় যেমন ছিল, তা রক্ষা করে।

    বেঞ্চ গঠন (Supreme Court)

    তিন বিচারপতির বেঞ্চটি প্রধান বিচারপতি খন্নার নেতৃত্বে গঠিত। বেঞ্চে রয়েছেন বিচারপতি সঞ্জয় কুমার এবং কেভি বিশ্বনাথনও। এই মামলার পরবর্তী শুনানি ১২ ডিসেম্বর, দুপুর সাড়ে তিনটায়। মামলাটি ১৯৯১ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে পিটিশনগুচ্ছের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি মামলা। পিটিশনগুলির মধ্যে রয়েছেন আইনজীবী অশ্বিনী কুমার উপাধ্যায়ও। তাঁদের অভিযোগ,  ১৯৯১ সালের আইনটি হিন্দু, জৈন, বৌদ্ধ এবং শিখদের আদালতে তাদের উপাসনাস্থল রি-ক্লেইমের সুযোগ দেয়নি। এই উপাসনাস্থলগুলি মৌলবাদী বর্বর আক্রমণকারীরা অধিগ্রহণ করেছিল।

    মুসলিম সংগঠনের বিরোধিতা

    এই আবেদনগুলির বিরোধিতা করেছে বিভিন্ন মুসলিম সংগঠন। এর মধ্যে অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড এবং জামিয়াত উলামা-ই-হিন্দ-ও। তাদের যুক্তি হল, জনস্বার্থ মামলার ছদ্মবেশে এই আবেদনগুলো এমন একটি কেন্দ্রীয় আইনকে চ্যালেঞ্জ করতে পারে না, যা ভ্রাতৃত্ব এবং ধর্মনিরপেক্ষতার চেতনা, সংবিধানের প্রস্তাবনার মূল্যবোধ এবং মৌলিক কাঠামোর অংশগুলো রক্ষার মাধ্যমে ধর্মীয় স্থানগুলোর ধর্মীয় চরিত্র সংরক্ষণ করেছে।

    আরও পড়ুন: বধ্যভূমি বাংলাদেশ! নেত্রকোনায় হামলা কালী মন্দিরে, রাজশাহীতে হিন্দুর জমি জবরদখল

    অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড এও উল্লেখ করেছে যে, অযোধ্যা রায়ে ১৯৯১ সালের আইনের গুরুত্ব স্বীকৃত হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে (Supreme Court), এই আইন আমাদের ইতিহাস এবং জাতির ভবিষ্যতের সঙ্গে সম্পর্কিত জনসাধারণের উপাসনার স্থানগুলোর চরিত্র সংরক্ষণে, সংসদ সুস্পষ্ট ভাষায় নির্দেশ দিয়েছে যে ইতিহাস এবং তার ভুলগুলো বর্তমান এবং ভবিষ্যতকে দমন করার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হবে না।

    জ্ঞানবাপী মসজিদের পরিচালনা কর্তৃপক্ষও মামলায় হস্তক্ষেপ করার আবেদন জানিয়েছে। জ্ঞানবাপী মসজিদের প্রতিনিধিত্বকারী আনজুমান ইন্তেজামিয়া মসজিদ বারাণসী যুক্তি দিয়েছে যে, মুঘল আমলের শাসকদের কারণে সৃষ্ট কথিত অভিযোগ ও অভিযোগপূর্ণ দাবি আইন প্রণয়ন, যেমন উপাসনাস্থল (বিশেষ বিধান) আইনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করার ভিত্তি হতে পারে না।

    প্রসঙ্গত, জ্ঞানবাপী মসজিদটি কয়েকটি দেওয়ানি মামলার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে, যেখানে হিন্দু মামলাকারীরা মসজিদের নীচে মন্দিরের অস্তিত্ব দাবি করছেন (Places Of Worship Act) এবং সেখানে পুজোর অধিকার দাবি করেছেন (Supreme Court)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • JNU: ম্যালেরিয়া-কোভিড ১৯ চিকিৎসায় পরিবর্তন আনতে নয়া আবিষ্কার জেএনইউ বিজ্ঞানীদের

    JNU: ম্যালেরিয়া-কোভিড ১৯ চিকিৎসায় পরিবর্তন আনতে নয়া আবিষ্কার জেএনইউ বিজ্ঞানীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বড় আবিষ্কার জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের (JNU) বিজ্ঞানীদের। ম্যালেরিয়া ও কোভিড ১৯ চিকিৎসায় পরিবর্তন আনতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে এই আবিষ্কার। জেএনইউয়ের (Big Discovery) স্পেশাল সেন্টার ফর মলিকিউলার মেডিসিনের দলটি একটি মানব প্রোটিন, ‘এইচএসপি ৭০’-কে চিহ্নিত করেছে।

    একাধিক সংক্রমণ রুখবে (JNU)

    এই প্রোটিনটি ম্যালেরিয়া ও কোভিড-১৯ এর মতো রোগ ছড়ানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই বিজ্ঞানীরা রাশিয়া ও ভারতের গবেষকদের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে কাজ করে এইচএসপি ৭০ এর একটি ছোট মলিকিউল ইনহিবিটর তৈরি করেছেন, যা একাধিক সংক্রমণের জন্য একটি বিস্তৃত-স্পেকট্রাম চিকিৎসা হিসাবে কাজ করতে পারে। এই গবেষণার নেতৃত্বে ছিলেন জেএনইউয়ের স্পেশাল সেন্টার ফর মলিকিউলার মেডিসিনের অধ্যাপক আনন্দ রঙ্গনাথন এবং শৈলজা সিং। গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, এইচএসপি ৭০-কে টার্গেট করা হলে ওষুধ প্রতিরোধ আটকানো যেতে পারে, যা সংক্রমণের চিকিৎসায় একটি ক্রমবর্ধমান সমস্যা। ভারতীয় বিজ্ঞানীদের এই আবিষ্কারটি প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক জার্নাল ফর বায়োলজিকাল ম্যাক্রোমলিকিউলসে।

    এইচএসপি ৭০ টার্গেট

    গবেষণায় দেখা গিয়েছে (JNU), এইচএসপি ৭০ সার্স-কোভ-২ ভাইরাসের স্পাইক প্রোটিন এবং মানুষের এসিই২ রিসেপ্টরের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে, যা ভাইরাসকে কোষে প্রবেশ করতে সাহায্য করে। বিজ্ঞানীদের অনুমান, জ্বরের সময় এইচএসপি ৭০ এর মাত্রা বাড়ে এবং এই সংযোগকে স্থিতিশীল করে। ফলে ভাইরাসটি কোষে সহজেই প্রবেশ করতে পারে। এইচএসপি ৭০ ইনহিবিট করে তারা ল্যাব পরীক্ষায় ভাইরাসের প্রতিলিপি সম্পূর্ণরূপে থামাতে সক্ষম হন। অধ্যাপক শৈলজা সিং বলেন, “ম্যালেরিয়া পরজীবী বা সার্স-কোভ২ এর মতো রোগজীবাণু হোস্টের মেকানিজম ব্যবহার করে বেঁচে থাকে। এইচএসপি ৭০ টার্গেট করে আমরা তাদের প্রতিলিপি তৈরি করার ক্ষমতা এবং প্রতিরোধ ব্যবস্থার সঙ্গে (Big Discovery) লড়াই করার ক্ষমতা ব্যাহত করতে পারি।”

    আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে বাড়িতে ঢুকে হিন্দু মহিলাকে খুন! ছেঁড়া হয় তুলিসীর মালা, চলে দেদার লুটপাট

    আবিষ্কারের গুরুত্ব প্রসঙ্গে অধ্যাপক রঙ্গনাথন বলেন, “বিশ্ব হয়ত কোভিড ১৯-কে পেছনে ফেলেছে। কিন্তু বিজ্ঞানী হিসেবে আমাদের সজাগ থাকতে হবে। আমাদের আবিষ্কার ভবিষ্যৎ মহামারির জন্য প্রস্তুতি নিতে সাহায্য করতে পারে।” এইমসের ড. প্রমোদ গর্গ এবং পিএইচডি স্কলার প্রেরণা জোশি-সহ গবেষণার অন্যান্য অংশগ্রহণকারীরা বলেন, “এই গবেষণা বিশ্ব স্বাস্থ্য সমস্যার সমাধানে একটি সর্বজনীন পদ্ধতি প্রদান করতে পারে (JNU)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share