Tag: news in bengali

news in bengali

  • Sukhbir Singh Badal: স্বর্ণমন্দিরে অকালি প্রধান সুখবীর সিং বাদলকে লক্ষ্য করে চলল গুলি, ধৃত হামলাকারী

    Sukhbir Singh Badal: স্বর্ণমন্দিরে অকালি প্রধান সুখবীর সিং বাদলকে লক্ষ্য করে চলল গুলি, ধৃত হামলাকারী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার সাত সকালে গুলির শব্দে কেঁপে উঠল পঞ্জাবের স্বর্ণমন্দির চত্বর। গুলি ছোড়া হল শিরোমণি অকালি দলের প্রধান সুখবীর সিং বাদলকে (Sukhbir Singh Badal) লক্ষ্য করে। যদিও বরাত জোরে বেঁচে গিয়েছেন সুখবীর। গুলি লাগেনি তাঁর গায়ে।

    আততায়ী ধৃত (Sukhbir Singh Badal)

    মন্দিরে উপস্থিত লোকজন ধরে ফেলেন হামলাকারীকে। তাঁকে তুলে দেওয়া হয় পুলিশের হাতে। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে তাঁর পিস্তলটি। জানা গিয়েছে, এদিন সকালে স্বর্ণমন্দিরে ঢুকছিলেন সুখবীর। সেই সময় ধীর পায়ে তাঁর দিকে এগিয়ে আসেন ওই প্রৌঢ়। তার পরেই পোশাকের নীচে লুকিয়ে রাখা পিস্তলটি বের করে গুলি ছোড়েন সুখবীরকে লক্ষ্য করে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত প্রৌঢ়ের নাম নারায়ণ সিং চৌরা। তিনি গুরুদাসপুর জেলার বাসিন্দা। কী কারণে পঞ্জাবের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে ওই ব্যক্তি গুলি ছুড়লেন, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    সেবাদারের কাজ করতে গিয়েছিলেন মন্দিরে

    বছর বাষট্টির সুখবীর ‘সেবাদারে’র কাজ করতে এদিন গিয়েছিলেন স্বর্ণমন্দিরে। তিনি যখন পঞ্জাবের উপমুখ্যমন্ত্রী ছিলেন, তখন কিছু ‘ভুল’ করেছিলেন। সেই ‘ভুলে’র কারণে তাঁকে ‘তঙ্খা’ (ধর্মীয় শাস্তি) দেওয়া হয়। শাস্তি হিসেবে তাঁকে সেবাদারের ভূমিকা পালন করার নিদান দেয় শিখদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় সংগঠন অকাল তখত। সেই নিদান মেনেই এদিন তিনি (Sukhbir Singh Badal) হুইল চেয়ারে বসে সেবাদারের কাজ করতে গিয়েছিলেন মন্দিরে। তখনই হামলা চালান ওই প্রৌঢ়। সূত্রের খবর, হামলাকারী বাব্বর খালসার সঙ্গে যুক্ত। ১৯৮৪ সালে তিনি পাকিস্তানে গিয়েছিলেন। পঞ্জাবে অস্ত্র ও বিস্ফোরক চোরাচালানেও তিনি যুক্ত ছিল বলে অভিযোগ। গেরিলা যুদ্ধ এবং রাষ্ট্রদ্রোহী সাহিত্যের ওপর তিনি একটা বইও লিখেছেন বলে জানা গিয়েছে। বুড়াইল জেল ভাঙার মামলার আসামিও ছিলেন তিনি। এজন্য একবার জেলও খেটেছেন ওই প্রৌঢ়।

    আরও পড়ুন: মহারাষ্ট্রের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী ফড়ণবীশ, উপমুখ্যমন্ত্রী শিন্ডের ছেলে?

    শিরোমণি অকালি দলের প্রাক্তন সাংসদ নরেশ গুজরাল বলেন, “আমাদের দল বার বার বলে এসেছে পঞ্জাবের আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে। দেখতেই পাচ্ছেন স্বর্ণমন্দিরে কীভাবে হামলা চালানো হয়েছে! ঈশ্বরকে ধন্যবাদ সুখবীর (Sukhbir Singh Badal) সিং বাদলের কোনও ক্ষতি হয়নি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Devendra Fadnavis: মহারাষ্ট্রের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী ফড়ণবীশ, উপমুখ্যমন্ত্রী শিন্ডের ছেলে?

    Devendra Fadnavis: মহারাষ্ট্রের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী ফড়ণবীশ, উপমুখ্যমন্ত্রী শিন্ডের ছেলে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন বিজেপির দেবেন্দ্র ফড়ণবীশ (Devendra Fadnavis)। বিজেপি সূত্রে খবর, মুখ্যমন্ত্রী পদে তাঁর নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে। উপমুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন শিবসেনার একনাথ শিন্ডের (Eknath Shinde) ছেলে। মহারাষ্ট্রের নয়া সরকার শপথ নেবে ৫ ডিসেম্বর। তার আগে হবে বৈঠক। গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, এই বৈঠকেই বিধানসভা দলের নেতা হিসেবে নির্বাচিত হবেন ফড়ণবীশ।

    চালকের আসনে ফড়ণবীশ! (Devendra Fadnavis)

    মহারাষ্ট্র বিধানসভার আসন সংখ্যা ২৮৮। তার মধ্যে বিজেপি একাই জেতে ১৩২টি আসনে। বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএর (মহারাষ্ট্রে এই জোট মহাযুতি নামে পরিচিত) দুই শরিক শিবসেনার একনাথ শিন্ডের শিবির এবং এনসিপির অজিত পাওয়া গোষ্ঠী পেয়েছে যথাক্রমে ৫৭ ও ৪১টি আসন। যেহেতু বিজেপি এককভাবে সব চেয়ে বেশি আসন পেয়েছে, তাই মুখ্যমন্ত্রিত্বের দাবিদার পদ্ম-পার্টিই। তবে ওই পদের দাবি জানাচ্ছিলেন শিন্ডের অনুগামীরা। পরে বিজেপিকে নিঃশর্ত সমর্থন জানান শিন্ডে। তার পরেই ফড়ণবীশকে মুখ্যমন্ত্রী পদে বসানোর সিদ্ধান্ত হয় বলে বিজেপির একটি অসমর্থিত সূত্রের খবর। একনাথ বলেন, আমি আগেই বলেছি, মুখ্যমন্ত্রীর পদ নিয়ে বিজেপি নেতৃত্ব যে সিদ্ধান্ত নেবে, তা আমার ও শিবসেনার জন্য গ্রহণযোগ্য হবে এবং তাকে আমি পূর্ণ সমর্থন জানাব। শিন্ডের ছেলে শ্রীকান্ত যে উপমুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন খবর ছড়িয়েছে, তাকে গুজব বলে উড়িয়ে দিয়েছেন শ্রীকান্ত স্বয়ং।

    আরও পড়ুন: “চিন-ভারত সম্পর্কের উন্নতি হয়েছে”, বললেন জয়শঙ্কর

    উপমুখ্যমন্ত্রী কে?

    জানা গিয়েছে (Devendra Fadnavis), উপমুখ্যমন্ত্রী হতে রাজি হয়েছেন শিন্ডে। তাঁর একাধিক মন্ত্রক পাওয়ার দাবি মেনে নিয়েছে বিজেপি। নয়া ফর্মুলা অনুযায়ী, ফড়ণবীশের সঙ্গেই ৫ ডিসেম্বর উপমুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেবেন শিন্ডে এবং অজিত পাওয়ার। একটি সূত্রের খবর, বিজেপির হাতে থাকবে ২২টি মন্ত্রক। শিন্ডে সেনা পাবে ১২টি মন্ত্রক। বিধান পরিষদের চেয়ারম্যানের পদও পাবে তারা। বিধানসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান-সহ ৯ থেকে ১০টি মন্ত্রক পাবে এনসিপির অজিত গোষ্ঠী। ৫ ডিসেম্বর সন্ধেয় আজাদ ময়দানে শপথ নেবে মহারাষ্ট্রের নয়া সরকার। প্রসঙ্গত, ফড়ণবীশ (Devendra Fadnavis) মুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন বলে (Eknath Shinde) আগেই জানিয়েছিল মাধ্যম

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu Kashmir: কাশ্মীরের জঙ্গলে বাহিনীর রাতভর অভিযানে খতম ১ জঙ্গি, বাকিদের খোঁজে চলছে তল্লাশি

    Jammu Kashmir: কাশ্মীরের জঙ্গলে বাহিনীর রাতভর অভিযানে খতম ১ জঙ্গি, বাকিদের খোঁজে চলছে তল্লাশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রীনগরে (Jammu Kashmir) কাছে ডাচিগামের জঙ্গলে নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে জঙ্গিদের ব্যাপক সংঘর্ষ চলছে। গুলির লড়াইয়ে এক জঙ্গি খতম (Terrorist Killed) হয়েছে। ইতিমধ্যে দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বাকিদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।

    জঙ্গলে চলছে চিরুনি তল্লাশি

    সোমবার রাতে একদল সশস্ত্র জঙ্গিকে ডাচিগাম জঙ্গলে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরি করতে দেখতে পান স্থানীয়রা (Jammu Kashmir)। খবর পেয়েই সেনার চিনার কোরের কাছে সেই বার্তা পৌঁছে দেয় পুলিশ। এরপর রাত থেকেই শুরু হয় অভিযান। পুলিশ এবং সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে এলাকায় শুরু হয় ব্যাপক তল্লাশি। বাহিনীকে দেখেই তাঁদের লক্ষ্য করে এলোপাথারি গুলি চালাতে শুরু করে জঙ্গিরা। পাল্টা জবাব দেয় বাহিনী। খবর পেয়ে অতিরিক্ত বাহিনী এসে পৌঁছায় ঘটনাস্থলে। জঙ্গলে শুরু হয় চিরুনি তল্লাশি। দুই পক্ষের মধ্যে গুলি বিনিময়ে এক জঙ্গি খতম (Terrorist Killed)  হয়। বাকিদের খোঁজে তল্লাশি চলছে। তবে অন্ধকার থাকায় ঠিক কতজন জঙ্গি ছিল, তা এখনও নিশ্চিত হয়ে বলতে পারেনি পুলিশ।

    আরও পড়ুনঃ “জীবন বাঁচাতে পরিচয় গোপন করুন”, বাংলাদেশে নির্যাতিত হিন্দু সন্ন্যাসীদের পরামর্শ ইসকনের

    ২৩ নভেম্বর উদ্ধার হয়েছে অস্ত্র-বিস্ফোরক

    এর আগে, নভেম্বর মাসেও একাধিক জঙ্গিকে নিকেশ করেছে বাহিনী। ৬ নভেম্বর বান্দিপোরায় অপারেশন কাইটসানে এক সন্ত্রাসবাদীকে এনকাউন্টার করা হয়। ২ নভেম্বরে অনন্তনাগ জেলায় (Jammu Kashmir)  আরও এক অভিযানে ২ জন সন্ত্রাসী নিহত (Terrorist Killed)  হয়েছিল। গত ৯ নভেম্বরে রাজপুর, সোপোর এবং বারামুল্লা এলাকায় যৌথ অভিযান হয়েছিল। ২৩ নভেম্বর বারামুলার কুনজের এলাকায় জঙ্গিদের একটি গোপন ডেরায় হদিস পেয়েছিল পুলিশ। সেখানে সেনা এবং পুলিশ অভিযান চালিয়ে প্রচুর স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র, বিস্ফোরক উদ্ধার করে। কিন্তু ওই অভিযানে কোনও জঙ্গির খোঁজ মেলেনি।

    উল্লেখ্য সম্প্রতি জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu Kashmir) বিধানসভা নির্বাচন শেষ হয়েছে। সরকার গড়ছে ইন্ডি জোটের শরিকরা। মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন ওমর আবদুল্লা। কিন্তু জঙ্গিদের উৎপাত সাধারণ জনমনে ভয়ের বাতাবরণ সৃষ্টি করছে। ধারা ৩৭০ বাতিল হওয়ার পর এই প্রথম সরকার গঠন হয়েছে এই রাজ্যে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • INDI Block Rift: ফের প্রকাশ্যে ‘ইন্ডি’ জোটের ফাটল, কংগ্রেসের প্রতিবাদ কর্মসূচিতে গরহাজির তৃণমূল, সপা

    INDI Block Rift: ফের প্রকাশ্যে ‘ইন্ডি’ জোটের ফাটল, কংগ্রেসের প্রতিবাদ কর্মসূচিতে গরহাজির তৃণমূল, সপা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ইন্ডি’ জোটের (INDI Block Rift) বৈঠকে গরহাজির ছিল তৃণমূল। একবার নয়, দু’দু’বার। তখনই বোঝা গিয়েছিল ফের ফাটল ধরেছে ইন্ডি জোটে। আদানি ঘুষকাণ্ডে ফের একবার প্রকাশ্যে এল ইন্ডি জোটের অন্দরের কোন্দল। আদানি ঘুষকাণ্ডে মঙ্গলবার কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন যৌথ প্রতিবাদে যোগ দিল না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল এবং অখিলেশ যাদবের সমাজবাদী পার্টি (TMC SP Skip)।

    বিজেপির কটাক্ষ (INDI Block Rift)

    এদিন ঘুষকাণ্ডের প্রতিবাদে সংসদ চত্বরে বিক্ষোভ দেখায় কংগ্রেস এবং ইন্ডি জোটের বিভিন্ন শরিকদল। এই কর্মসূচিতে সামনের সারিতে ছিলেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী। তবে এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে শামিল হয়নি তৃণমূল এবং সমাজবাদী পার্টি। ইন্ডি জোটের কোন্দল প্রকাশ্যে চলে আসায় হাতে অস্ত্র পেয়ে গিয়েছে বিজেপি। কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন প্রতিবাদ কর্মসূচিতে তৃণমূল এবং সমাজবাদী পার্টির অনুপস্থিতিকে বিরোধী জোটে ফাটল (INDI Block Rift) বলে দাবি করেছে পদ্ম পার্টি। রাজ্যসভার সাংসদ বিজেপির শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “কংগ্রেস যেখানেই যায়, মানুষ তাদের প্রত্যাখ্যান করে।” ইন্ডি জোটের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, “আপনারা অবস্থাটা দেখুন। কখনও তৃণমূল থাকে না, তো কখনও আবার আম আদমি পার্টি থাকে না।”

    তৃণমূলের সাফাই

    ইন্ডি জোটের প্রতিবাদ সভায় গরহাজির থাকার (INDI Block Rift) প্রশ্নের উত্তরে তৃণমূল সাংসদ তথা লোকসভার উপদলনেতা কাকলি ঘোষদস্তিদারের সাফাই, “আমাদের দল সাধারণ মানুষের সমস্যাগুলি সংসদে তুলে ধরবে।” তিনি জানান, তৃণমূল চায় মসৃণভাবে সংসদের কাজ পরিচালিত হোক। কাকলি বলেন, “আমরা সংসদ অচল করতে চাই না। বিভিন্ন বিষয়ে ব্যর্থতার জন্য আমরা এই সরকারের জবাব চাই।”

    প্রসঙ্গত, সোমবার সংসদে কক্ষ সমন্বয় নিয়ে ইন্ডি জোটের বৈঠকেও যায়নি তৃণমূল। তার আগে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের বাসভবনে আয়োজিত ইন্ডি জোটের বৈঠকেও গরহাজির ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। মঙ্গলবারের কর্মসূচিতে শামিল হল না অখিলেশের দলও (INDI Block Rift)। এদিকে, সমাজবাদী পার্টির সাংসদরা এদিন দেখা করেছেন লোকসভার স্পিকারের সঙ্গে। সাম্ভাল ইস্যুতে আলোচনার (TMC SP Skip) জন্য অনুরোধও করেছেন। সমাজবাদী পার্টির নেতাদের মতে, আদানির বিষয়টি সাম্ভালের মতো বড় নয়। সাংসদ সমাজবাদী পার্টির ধর্মেন্দ্র যাদব বলেন, “আমাদের কাছে আদানির চেয়ে কৃষকরা একটি বড় সমস্যা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Monk: “জীবন বাঁচাতে পরিচয় গোপন করুন”, বাংলাদেশে নির্যাতিত হিন্দু সন্ন্যাসীদের পরামর্শ ইসকনের

    Bangladesh Monk: “জীবন বাঁচাতে পরিচয় গোপন করুন”, বাংলাদেশে নির্যাতিত হিন্দু সন্ন্যাসীদের পরামর্শ ইসকনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘শান্তিতে’ নোবেল পেয়ে এখন ‘অশান্তির’ জন্য কুখ্যাত হয়ে উঠেছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস। গত ৫ অগাস্টের পর থেকেই সংখ্যালঘু হিন্দুরা (Bangladesh Monk) নিপীড়নের শিকার হয়ে চলেছেন ওই দেশে। মঠ, মন্দির, মূর্তি, হিন্দুদের বাড়ি-ঘর, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে প্রতিদিন আক্রমণ করছে কট্টর মুসলিম জেহাদিরা। ওই দেশে হিন্দুদের সুরক্ষার দাবিতে পথে নেমে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন হিন্দু ধর্মগুরু চিন্ময় কৃষ্ণ দাস।

    অত্যাচার, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, ধর্ষণ-খুনের সবরকম সীমা অতিক্রম করে গিয়েছে মৌলবাদীরা। কার্যত হিন্দু শূন্য করার ভয়াবহ চক্রান্ত চলেছে ওই দেশে। এই অবস্থায় কলকাতা ইসকনের (ISKCON) সহ সভাপতি রাধারমণ দাস বলেছেন, “জীবন বাঁচাতে আপনারা হিন্দু পরিচয় গোপন করুন। সন্ন্যাসীরা জীবন রক্ষা করতে পরিচয় আত্মগোপন করুন।” ফলে প্রশ্ন উঠছে এ কোন বাংলাদেশে পরিণত হল? বিপ্লবী মাস্টার দা সূর্যসেন, প্রীতিলতা, কালীপদ মুখোপাধ্যায়, বিনয়-বাদল-দীনেশের জন্মভূমিতে আজ কারা রাজত্ব করছে?

    সন্ন্যাসীদের টার্গেট করে আক্রমণ করা হচ্ছে (Bangladesh Monk)

    কলকাতা ইসকনের (ISKCON) পক্ষ থেকে রাধারমণ দাস বলেছেন, “বাংলাদেশে ইসকন সন্ন্যাসীদের (Bangladesh Monk) এখন থেকে ধর্মীয় পরিচয়কে আত্মগোপন করে, এমন পোশাকই পরার কথা পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। গৈরিক পোশাক ব্যবহার না করাই শ্রেয়। এখন থেকে গলার তুলসীর মালা লুকিয়ে রাখতে হবে। কপালে তিলক কাটা যাবে না। চন্দন কাঠের তিলক মুছে ফেলতে হবে। টাক মাথা এবং টিকি ঢাকতে মাথায় টুপি পরতে হবে। ভিক্ষা করতে গেলে বা প্রার্থনা করতে গেলে জপের মালা যেন প্রকাশ্যে না ব্যবহার করেন, সেই দিকে নজর দিতে হবে। মন্দিরের বাইরে গেলে হিন্দু পরিচয় জ্ঞাপক সব পরিচয়কে আত্মগোপন করতে হবে। মঠ থেকে বাইরে বের হলে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। বাংলাদেশে বিপজ্জনক পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। সন্ন্যাসীদের টার্গেট করে আক্রমণ করা হচ্ছে।”

    আরও পড়ুনঃ আইনজীবী আইসিইউতে, ‘ভয়ে’ দাঁড়ালেন না অন্য কেউ, আরও ১ মাস জেলে চিন্ময় প্রভু

    পুণ্ডরীক ধামকে টার্গেট করছে মুসলিমরা

    বাংলাদেশে হিন্দু নিধনের বিরুদ্ধে সরব হয়ে চট্টগ্রাম এবং রংপুরে লক্ষ লক্ষ হিন্দুরা আট দফা দাবি নিয়ে রাজপথে নেমেছিল। তার মুখ্য নেতৃত্বে ছিলেন সনাতনী গুরু চিন্ময় কৃষ্ণ (Bangladesh Monk)। ইউনূস প্রশাসন আন্দোলনকে ভয় পেয়ে দ্রুত দমন করতে এই হিন্দু সন্ন্য়াসীকে গ্রেফতার করে। এরপর লাগাতার চট্টগ্রাম সহ নানা জেলায় হিন্দু নিধনের যজ্ঞ শুরু করে মুসলিম দুষ্কৃতীরা। মিথ্যা মামলা যেমন দেওয়া হচ্ছে, ঠিক তেমনি হিন্দুদের হয়ে আইনজীবীরা পাশে দাঁড়ালে প্রাণঘাতী হামলাও চলছে প্রকাশ্যে। জেলে বন্দি চিন্ময় কৃষ্ণের জন্য খাবার নিয়ে গেলে দুই আরও সন্ন্যাসীকে গ্রেফতার করে ইউনূস প্রশাসন। এমনকী, চট্টগ্রামের পুণ্ডরীক ধামকে টার্গেট করে নানা ভাবে মিথ্যা মামলা দিয়ে প্রতিহিংসার রাজনীতি করছে অন্তর্বর্তী সরকার। ঢাকা সহ একাধিক জেলার হিন্দু যুবকদের নির্বিচারে গ্রেফতার চলছে এবং মোবাইল নিয়ে গিয়ে সনাতনী জাগরণ জোটের সঙ্গে যুক্ত কিনা তা দেখা হচ্ছে। প্রচুর পরিমাণে মিথ্যা মামলা দিয়ে হিন্দুদের জনজীবনে অত্যাচার চালানো হচ্ছে। দেশে আইন শৃঙ্খলা এবং শাসন বলে কিছু নেই।

    ইসলাম সংখ্যা গরিষ্ঠ রাষ্ট্র নিরাপদ নয়!

    মঙ্গলবার আদালতে চিন্ময় কৃষ্ণের (Bangladesh Monk) জামিনের শুনানি ছিল। কিন্তু তার ঠিক একদিন আগেই এই তাঁর আইনজীবী রমেন রায়কে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। মৌলবাদী মুসলমানদের আঘাতে গুরুতর জখম হলে ওই আইনজীবীকে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। হামলার পাশাপাশি বাড়িতে আক্রমণও করা হয় বাড়িতে। অপর দিকে ভয়ে দ্বিতীয় কোনও আইনজীবী প্রভুর পক্ষে আদালতে হাজির হননি। মামলা পিছিয়ে গিয়েছে ১ মাস। ইসলাম সংখ্যা গরিষ্ঠ রাষ্ট্রে এই ভাবে হিন্দুদের উপর অত্যাচারের ঘটনায় কলকাতা ইসকনের (ISKCON) পক্ষ থেকে ওই দেশের সন্ন্যাসী এবং হিন্দুদের নিয়ে অত্যন্ত চিন্তা-উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 208: “আলাপ কল্লে আমরা কি শেষে দ্বিচারিণী হব! আমাদের পীতধড়া, মোহনচূড়া-পরা সেই প্রাণবল্লভ কোথায়!”

    Ramakrishna 208: “আলাপ কল্লে আমরা কি শেষে দ্বিচারিণী হব! আমাদের পীতধড়া, মোহনচূড়া-পরা সেই প্রাণবল্লভ কোথায়!”

    ভক্তসঙ্গে শ্রীরামকৃষ্ণ

    দশম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৩, ২রা জুন

    মুক্তি ও ভক্তি—গোপীপ্রেম—গোপীরা মুক্তি চান নাই 

    “এই প্রেমাভক্তিতে দুটি জিনিস আছে। ‘অহংতা’ আর ‘মমতা’। যশোদা ভাবতেন, আমি না দেখলে গোপালকে কে দেখবে, তাহলে গোপালের অসুখ করবে। কৃষ্ণকে (Ramakrishna) ভগবান বলে যশোদার বোধ ছিল না। আর ‘মমতা’—আমার জ্ঞান, আমার গোপাল। উদ্ধব বললেন, ‘মা! তোমার কৃষ্ণ সাক্ষাৎ ভগবান, তিনি জগৎ চিন্তামণি। তিনি সামান্য নন।’ যশোদা বললেন (Kathamrita), ‘ওরে, তোদের চিন্তামণি নয়, আমার গোপাল কেমন আছে জিজ্ঞাসা করছি।—চিন্তামণি না, আমার গোপাল।’

    “গোপীদের কি নিষ্ঠা! মথুরায় দ্বারীকে অনেক কাকুতি-মিনতি করে সভায় ঢুকল। দ্বারী কৃষ্ণের কাছে তাদের লয়ে গেল। কিন্তু পাগড়ি-বাঁধা শ্রীকৃষ্ণকে দেখে তারা হেঁটমুখ হয়ে রইল। পরস্পর বলতে লাগল, ‘এ পাগড়ি-বাঁধা আবার কে! এঁর সঙ্গে আলাপ কল্লে আমরা কি শেষে দ্বিচারিণী হব! আমাদের পীতধড়া, মোহনচূড়া-পরা সেই প্রাণবল্লভ (Ramakrishna) কোথায়!’

    “দেখেছ, এদের কি নিষ্ঠা! বৃন্দাবনের ভাবই আলাদা। শুনেছি, দ্বারকার কাছে লোকেরা অর্জুনের কৃষ্ণকে পূজা করে। তারা রাধা চায় না।”

    গোপীদের নিষ্ঠা—জ্ঞানভক্তি ও প্রেমাভক্তি 

    ভক্ত—কোন্‌টি ভাল, জ্ঞানমিশ্রিতা ভক্তি, না প্রেমাভক্তি?

    শ্রীরামকৃষ্ণ—ঈশ্বরে খুব ভালবাসা না হলে প্রেমাভক্তি হয় না। আর ‘আমার’ জ্ঞান। তিন বন্ধু বন দিয়ে যাচ্ছে, বাঘ এসে উপস্থিত। একজন বললে, “ভাই! আমরা সব মারা গেলুম!” একজন বললে, “কেন? মারা যাব কেন? এর ঈশ্বরকে ডাকি।” আর-একজন বললে (Kathamrita), “না, তাঁকে আর কষ্ট দিয়ে কি হবে? এস, এই গাছে উঠে পড়ি।”

    “যে লোকটি বললে, ‘আমরা মারা গেলুম’, সে জানে না যে ঈশ্বর রক্ষাকর্তা আছেন। যে বললে, ‘এস, আমার ঈশ্বরকে (Ramakrishna) ডাকি’, সে জ্ঞানী; তার বোধ আছে যে, ইশ্বর সৃষ্টি-স্থিতি-প্রলয় সব করেছেন। আর যে বললে (Kathamrita), ‘তাঁকে কষ্ট দিয়ে কি হবে, এস, গাছে উঠি,’ তার ভিতরে প্রেম জন্মেছে, ভালবাসা জন্মেছে। তা প্রেমের স্বভাবই এই—আপনাকে বড় মনে করে, আর প্রেমের পাত্রকে ছোট মনে করে। পাছে তার কষ্ট হয়। কেবল এই ইচ্ছা যে, যাকে সে ভালবাসে তার পায়ে কাঁটাটি পর্যন্ত না ফোটে।”

    ঠাকুর (Ramakrishna) ও ভক্তদিগকে রাম উপরে লইয়া গিয়া নানাবিধ মিষ্টান্ন দিয়া সেবা করিলেন। ভক্তেরাও মহানন্দে প্রসাদ পাইলেন।

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “আবার সেই সমাধি! আবার নিস্পন্দন দেহ, স্তিমিতি লোচন, দেহ স্থির

    আরও পড়ুনঃ দেখিয়াই ঠাকুর উচ্চহাস্য করিয়া ছোকরাদের বলিয়া উঠিলেন, “ওই রে আবার এসেছে”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • JPC Chief Attacks Mamata: “কেবল সংখ্যালঘু তোষণের চেষ্টা”, ওয়াকফ বিল নিয়ে তৃণমূলকে নিশানা জগদম্বিকার

    JPC Chief Attacks Mamata: “কেবল সংখ্যালঘু তোষণের চেষ্টা”, ওয়াকফ বিল নিয়ে তৃণমূলকে নিশানা জগদম্বিকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “তৃণমূল সরকার কেবল মুসলিম সম্প্রদায়ের কাছে এই বার্তা দিতে প্রস্তাব আনছে যে তারা পাশে রয়েছে। এটি সংখ্যালঘু তোষণের চেষ্টার বেশি কিছু নয়।” সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে এমনই অভিযোগ করলেন ওয়াকফ (সংশোধনী) বিলের (Waqf Bill) প্রস্তাবিত সংস্কার নিয়ে যৌথ সংসদীয় কমিটির (জেপিসি) চেয়ারম্যান জগদম্বিকা পাল (JPC Chief Attacks Mamata)।

    মমতা সরকারকে তোপ জগদম্বিকার

    মমতা সরকারের বিরুদ্ধে তিনি সংসদীয় গণতন্ত্রকে ‘অবজ্ঞা ও উপহাস’ করার অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, “এটি অত্যন্ত আপত্তিকর পদক্ষেপ এবং গণতন্ত্রের বৃহত্তম মন্দিরের (সংসদ) কর্তৃত্বকে ছোট করার শামিল।” জেপিসি চেয়ারম্যান (JPC Chief Attacks Mamata) বলেন, “যখন জেপিসি ওয়াকফ বিল নিয়ে আলোচনা করছে, তখন মমতা সরকার এর বিরুদ্ধে প্রস্তাব আনছে। তারা এর মাধ্যমে কী প্রমাণ করতে চায়? তাদের কি সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রতি কোনও শ্রদ্ধা নেই?” প্রসঙ্গত, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় ওয়াকফ (সংশোধনী) বিলের বিরুদ্ধে প্রস্তাব আনতে চলেছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও বিলটি নিয়ে তাঁর মতামত দেওয়ার কথা রয়েছে। বর্তমানে বিলটি জেপিসির বিবেচনাধীন। এই প্রস্তাব নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

    কটাক্ষ কল্যাণকেও

    জেপিসি চেয়ারম্যান জগদম্বিকা (JPC Chief Attacks Mamata) তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কেও কটাক্ষ করেন। উসকানিমূলক ও সাম্প্রদায়িক মন্তব্যের জন্য কল্যাণকে আক্রমণ শানান তিনি। বলেন, “কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন যে, যেখানে মুসলিম সম্প্রদায় নামাজ পড়বে, সেই জমি ওয়াকফ বোর্ডের (Waqf Bill) সম্পত্তি হয়ে যাবে। জনসমক্ষে বড় বড় কথা বলার পরিবর্তে তাঁর উচিত ছিল জেপিসি সভায় প্রস্তাব দেওয়া।”  

    আরও পড়ুন: চিন্ময় প্রভুর আইনজীবীর ওপর প্রাণঘাতী হামলা বাংলাদেশে, মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন রমেন রায়

    এদিকে, জেপিসি রাজ্য সরকারগুলিকে নির্দেশ দিয়েছে, তারা যেন ওয়াকফ বোর্ডের ৪০ নম্বর ধারা ব্যবহার করে দাবি করা সম্পত্তির বিবরণ সরবরাহ করে তাদের। উল্লেখ্য, কোনও সম্পত্তি তাদের অধিকারভুক্ত কিনা, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা ওয়াকফ বোর্ডকে দেয় ওয়াকফ আইনের ৪০ নম্বর ধারা। এ প্রসঙ্গে জগদম্বিকা (JPC Chief Attacks Mamata) বলেন, “আমরা রাজ্য সরকারগুলিকে বিস্তারিত তথ্য দিতে বলেছি। প্রয়োজনে আমরা সংশ্লিষ্ট রাজ্যের মুখ্য সচিব বা সংখ্যালঘু বিভাগের সচিবকে তলব করব (Waqf Bill)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • The Sabarmati Report: বিক্রান্ত মৈসী অভিনীত ‘দ্য সবরমতি রিপোর্ট’ ছবি দেখলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    The Sabarmati Report: বিক্রান্ত মৈসী অভিনীত ‘দ্য সবরমতি রিপোর্ট’ ছবি দেখলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিক্রান্ত মৈসী অভিনীত ‘দ্য সবরমতি রিপোর্ট’ (The Sabarmati Report) সিনেমা দেখেলেন প্রধান নরেন্দ্র মোদি (Prime Minister Modi)। ২০০২ সালের গোধরা স্টেশনে সবরমতি ট্রেনে আগুন লাগিয়ে করসেবকদের পুড়িয়ে হত্যাকাণ্ডের ঘটনার উপর নির্মিত এই সিনেমার প্রশংসা গত মাসেই করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। মিথ্যাচার, অসত্য কথন এবং বিভ্রান্তির গুজবের বিরুদ্ধে সত্য প্রকাশিত হবে বলে মন্তব্য করেছিলেন তিনি। একই ভাবে সিনেমার পরিচালক, প্রযোজক এবং অভিনেতাদের ভালো কাজ বলে মূল্যায়ন করেছিলেন।

    ৫৯ জনকে পুড়িয়ে মেরেছিল মুসলিম দুষ্কৃতীরা (The Sabarmati Report)

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Prime Minister Modi) সোমবার বিকাল ৪টায় সংসদ কমপ্লেক্সের লাইব্রেরিতে ‘দ্য সবরমতি রিপোর্ট’ দেখেছেন। এই সিনেমার মূল বিষয় হল, ২০০২ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি, যেদিন গুজরাটের গোধরা স্টেশনে সবরমতি এক্সপ্রেস ট্রেনের মধ্যে ৫৯ জন শিশু, মহিলা এবং পুরুষদের নৃশংস ভাবে পুড়িয়ে মেরেছিল মুসলিম দুষ্কৃতীরা। পরিকল্পনা করে ষড়যন্ত্র করে যে করা হয়েছিল, সেই সময়ে মূল ধারার সংবাদমাধ্যম তুলে ধরেনি। তাই সংবাদ মাধ্যমের ভূমিকা এবং সত্যকে চাপা দেওয়া বিষয়ের বিরুদ্ধে নির্মাণ করা হয়েছে সিনেমায়। এদিন মোদির সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জগত প্রকাশ নাড্ডা সহ আরও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পরিষদের আরও অনেক নেতারা। এই সিনেমার প্রযোজক হলেন একতা কাপুর, পরিচালক ধীরাজ সারনা এবং মুখ্য চরিত্রে রয়েছেন বিক্রান্ত মৈসী, ঋদ্ধি ডোগরা।

    “মিথ্যা কথন বেশি দিন চলে না”

    এদিন সিনেমা দেখে মোদি নিজের এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে মোদি বলেন, “এনডিএ জোটের সাংসদদের নিয়ে দ্য সবরমতি রিপোর্ট দেখালাম। আমি চলচ্চিত্র (The Sabarmati Report) নির্মাতাদের এই প্রচেষ্টার জন্য সাধুবাদ জানাই। মিথ্যা কথন বেশি দিন চলে না, সত্যকে সাময়িক চাপা দেওয়া যায়, কিন্তু একদিন না একদিন উঠে আসবেই।” একই ভাবে অভিনেতা বিক্রান্ত মৈসী নিজের একটি সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিনেমা দেখার বিষয়টি অত্যন্ত ভিন্ন মাত্রা পেয়েছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ওখানে উপস্থিত ছিলেন। আমি কতটা আনন্দিত, ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না। আমার জীবনে মোদিজির সঙ্গে সিনেমা দেখার সুযোগ একটি বিরাট পাওনা। আমার ক্যারিয়ারের সব থেকে বড় প্রাপ্তি।” উল্লেখ্য গত ১৫ নেভেম্বর মুক্তি পেয়েছে সিনেমা। ইতিমধ্যে উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, গুজরাট, ওড়িশা, হরিয়ানা, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থানে কর মুক্ত করা হয়েছে।

     
     
     
     
     
    View this post on Instagram
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     

    A post shared by Vikrant Massey (@vikrantmassey)

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Sheikh Hasina: “বাংলাদেশে গণহত্যা ও হিন্দুদের টার্গেট করার মূল পরিকল্পনাকারী ইউনূস’’, তোপ হাসিনার

    Sheikh Hasina: “বাংলাদেশে গণহত্যা ও হিন্দুদের টার্গেট করার মূল পরিকল্পনাকারী ইউনূস’’, তোপ হাসিনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “দেশজুড়ে গণহত্যা ও বিশেষত সংখ্যালঘু, বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়কে লক্ষ্যবস্তু করার মূল পরিকল্পনাকারী মহম্মদ ইউনূস (Muhammad Yunus)।” অন্তত এমনই অভিযোগ করলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। মঙ্গলবার ভার্চুয়ালি নিউইয়র্কে আওয়ামি লিগের একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছিলেন তিনি। সেই সময়ই তিনি নিশানা করেন বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান ইউনূসকে। মন্দির, গির্জা এবং ইসকনের ওপর হামলার জন্য তিনি কাঠগড়ায় তোলেন ইউনূসকে।

    কী বললেন হাসিনা? (Sheikh Hasina)

    বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর দাবি, ইউনূস ছাত্র সমন্বয়কারীদের নিয়ে একটি সূক্ষ্ম পরিকল্পনার মাধ্যমে গণহত্যায় লিপ্ত হয়েছেন। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, হাসিনার এহেন মন্তব্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ হিন্দু সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের গ্রেফতারিকে কেন্দ্র করে নতুন করে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে বাংলাদেশে। সেই সময় তিনি নিশানা করলেন ইউনূসকে। গত ৫ অগাস্ট বাংলাদেশ ছেড়ে চলে যান হাসিনা (Sheikh Hasina)। আশ্রয় নেন ভারতে। বলেন, “আজ আমায় গণহত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে। বাস্তবে, মহম্মদ ইউনূসই ছাত্র সমন্বয়কারীদের নিয়ে সূক্ষ্ম পরিকল্পনার মাধ্যমে গণহত্যায় লিপ্ত হয়েছেন।”

    গণহত্যা চাইনি

    তিনি বলেন, “আমার কট্টর বিরোধী এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রধান খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমান লন্ডন থেকে বলেছেন যে, যদি মৃত্যুর ঘটনা চলতে থাকে তবে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বেশি দিন টিকবে না।” হাসিনা বলেন, “আমি কোনও গণহত্যা চাইনি। আমি যদি ক্ষমতা ধরে রাখতে চাইতাম, তাহলে তা ঘটতে পারত।” তিনি বলেন, “যখন মানুষ নির্বিচারে মারা যাচ্ছিল, তখন আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, আমি চলে যাব, ক্ষমতায় থাকার প্রয়োজন নেই। যদি নিরাপত্তা কর্মীরা গুলি চালাত, তাহলে গণভবনে অনেক মানুষ মারা যেত। আমি তা চাইনি।”

    আরও পড়ুন: চিন্ময় প্রভুর আইনজীবীর ওপর প্রাণঘাতী হামলা বাংলাদেশে, মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন রমেন রায়

    প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বলেন, “একদল সশস্ত্র লোক গণভবনে এসেছিল। আমাকে হত্যা করার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। যেভাবে আমার বাবা ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করা হয়েছিল, ঠিক সেভাবেই।” তিনি (Sheikh Hasina) বলেন, “২৫-৩০ মিনিটের মধ্যেই আমি দেশ ছেড়েছিলাম। আমার নিরাপত্তা কর্মীদের বলেছিলাম গুলি চালাবেন না (Muhammad Yunus)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Mamata Banerjee: বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন, প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি করলেন মমতা

    Mamata Banerjee: বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন, প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি করলেন মমতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত কয়েক মাস ধরে বাংলাদেশে নিপীড়িত হচ্ছেন হিন্দুরা। রাজনৈতিক মহলের মতে, যেহেতু একটি মুসলিম অধ্যুষিত রাষ্ট্রের ঘটনা, তাই মুসলিম ভোটব্যাঙ্ক অটুট রাখতে এতদিন মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।

    বিধানসভা নির্বাচন (Mamata Banerjee)

    তবে ‘২৬ সালে রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। তাই বাংলাদেশে যারা সংখ্যালঘু, বাংলায় তারাই সংখ্যাগুরু, এবং তাদের ভোট প্রয়োজন, তাই শেষমেশ মুখ খুললেন তিনি। এবং দাবি করলেন প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ। বাংলাদেশে রাষ্ট্রসংঘের শান্তিরক্ষা বাহিনী মোতায়েনের আহ্বানও জানান তিনি। ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ব্যক্তিগত হস্তক্ষেপও দাবি করেন তিনি।

    মৌনব্রত ভঙ্গ

    গত ৫ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। তার পর থেকে সে দেশে হিন্দু নির্যাতন উঠেছে তুঙ্গে। সম্প্রতি ইসকনের তিন সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে বাংলাদেশে। তার পরেই মৌনব্রত ভঙ্গ করেছেন তৃণমূল নেত্রী। তিনি বলেন, “আমাদের পরিবার…সম্পত্তি… এবং প্রিয়জনেরা বাংলাদেশে রয়েছে। এই বিষয়ে ভারত সরকারের যে কোনও অবস্থান আমরা মেনে নিই… কিন্তু আমরা পৃথিবীর যে কোনও জায়গায় ধর্মীয় ভিত্তিতে হওয়া নির্যাতনের নিন্দা করি এবং কেন্দ্রীয় সরকার ও প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তক্ষেপ করার আবেদন জানাই।”

    আরও পড়ুন: “আমরা জামিন দিই, আর আপনি মন্ত্রী হয়ে যান” মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের

    এদিন বিধানসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মমতা বলেন, “আমি ইসকনের কলকাতা ইউনিটের প্রধানের সঙ্গে কথা বলেছি। তাঁকে সহানুভূতি ও সমর্থন জানিয়েছি।” তিনি বলেন, “যদি বাংলাদেশে ভারতীয়দের ওপর আক্রমণ করা হয়, তাহলে আমরা তা সহ্য করব না। আমরা আমাদের মানুষদের ফিরিয়ে আনতে পারি… ভারত সরকার এই বিষয়টি জাতিসংঘের কাছে তুলে ধরতে পারে… যাতে একটি শান্তিরক্ষা বাহিনী পাঠানো যায়।”

    মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee) বলেন, “আমি অন্য একটি দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে চাই না।” তিনি বলেন, “যখন বাংলাদেশি মৎস্যজীবীরা ভুলবশতঃ ভারতীয় জলসীমায় প্রবেশ করেছেন, বা যখন একটি বাংলাদেশি ট্রলার ডুবে গিয়েছিল, তখন আমার সরকার তাঁদের উদ্ধার করেছে এবং ভালোভাবে তাঁদের যত্ন নিয়েছে (Mamata Banerjee)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     
     
LinkedIn
Share