Tag: news in bengali

news in bengali

  • Ramakrishna 206: “কত শবদেহ জ্বলিতেছে, কত ভস্মাবশেষ…সেই অন্ধকার রজনীতে শ্মশান কি ভয়ঙ্কর হইয়াছে”

    Ramakrishna 206: “কত শবদেহ জ্বলিতেছে, কত ভস্মাবশেষ…সেই অন্ধকার রজনীতে শ্মশান কি ভয়ঙ্কর হইয়াছে”

    ভক্তসঙ্গে শ্রীরামকৃষ্ণ

    দশম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৩, ২রা জুন

    রাজা হরিশ্চন্দ্রের কথা ও ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ (Kathamrita) 

    রাজা হরিশ্চন্দ্রের কথা (Kathamrita) চলিতে লাগিল। বিশ্বামিত্র বলিলেন, “মহারাজ! আমাকে সসাগরা পৃথিবী দান করিয়াছ, অতএব ইহার ভিতর তোমার স্থান নাই। তবে ৺কাশীধামে তুমি থাকিতে পার। সে মহাদেবের স্থান। চল, তোমাকে, তোমার সহধর্মিণী শৈব্যা ও তোমার পুত্র সহিত সেখানে পৌঁছাইয়া দিই। সেইখানে গিয়া তুমি দক্ষিণা যোগাড় করিয়া দিবে।” এই বলিয়া রাজাকে লইয়া ভগবান (Ramakrishna) বিশ্বামিত্র ৺কাশীধাম অভিমুখে যাত্রা করিলেন। কাশীতে পৌঁছিয়া সকলে ৺বিশ্বেশ্বর-দর্শন করিলেন।

    ৺বিশ্বেশ্বর-দর্শন কথা হইবামাত্র, ঠাকুর একেবারে ভাবাবিষ্ট; ‘শিব’ ‘শিব’ এই কথা অস্পষ্ট উচ্চারণ করিতেছেন।

    রাজা হরিশ্চন্দ্র দক্ষিণা দিতে পারিলেন না—কাজে কাজেই শৈব্যাকে বিক্রয় করিলেন। পুত্র রোহিতাশ্ব শৈব্যার সঙ্গে রহিলেন। কথকঠাকুর শৈব্যার প্রভু ব্রাহ্মণের বাড়ি রোহিতাশ্বের পুষ্পচয়ন কথা ও সর্পদংশন কথাও বলিলেন। সেই তমসাচ্ছন্ন কালরাত্রে সন্তানের মৃত্যু হইল। সৎকার করিবার কেহ নাই। বৃদ্ধ ব্রাহ্মণ প্রভু শয্যা ত্যাগ করিয়া উঠিলেন না—শৈব্যা একাকী পুত্রের শবদেহ ক্রোড়ে করিয়া শ্মশানাভিমুখে আসিতে (Kathamrita) লাগিলেন। মাঝে মাঝে মেঘগর্জন ও অশনিপাত—নিবিড় অন্ধকার যেন বিদীর্ণ করিয়া এক-একবার বিদ্যুৎ খেলেতেছিল। শৈব্যা ভয়াকুলা শোকাকুলা,—রোদন করিতে করিতে আসিতেছেন।

    হরিশ্চন্দ্র দক্ষিণার টাকা সমস্ত হয় নাই বলিয়া চণ্ডালের কাছে নিজেকে বিক্রয় করিয়াছেন। তিনি শ্মশানে চণ্ডাল হইয়া বসিয়া আছেন। কড়ি লইয়া সৎকার কার্য সম্পাদন করিবেন। কত শবদেহ জ্বলিতেছে, কত ভস্মাবশেষ হইয়াছে। সেই অন্ধকার রজনীতে শ্মশান কি ভয়ঙ্কর হইয়াছে। শৈব্যা সেই স্থানে আসিয়া রোদন করিতেছেন—সে ক্রন্দন-বর্ণনা শুনিলে কাহার না হৃদয় বিদীর্ণ হয়, কোন্‌ দেহধারী জীবের হৃদয় বিগলিত না হয়? সমবেত শ্রোতাগণ হাহাকার করিয়া কাঁদিতেছেন।

    ঠাকুর (Kathamrita) কি করিতেছেন? স্থির হইয়া শুনিতেছেন—একেবারে স্থির—একবার মাত্র চক্ষের কোণে একটি বারিবিন্দু উদ্‌গত হইল, সেইটি মুছিয়া ফেলিলেন। অস্থির হইয়া হাহাকার করিলেন না কেন?

    শেষে বিশ্বামিত্রের আগমন, রোহিতাশ্বের জীবনদান, সকলে ৺বিশ্বেশ্বর-দর্শন ও হরিশ্চন্দ্রের পুনরায় রাজ্যপ্রাপ্তি বর্ণনা করিয়া, কথকঠাকুর কথা সাঙ্গ করিলেন। ঠাকুর বেদীর সম্মুখে বসিয়া অনেকক্ষণ হরিকথা শ্রবণ করিলেন। কথা সাঙ্গ হইলে তিনি বাহিরের ঘরে গিয়া বসিলেন। চতুর্দিকে ভক্তমণ্ডলী, কথকঠাকুরও (Ramakrishna) কাছে আসিয়া বসিলেন। ঠাকুর কথককে বলিতেছেন, “কিছু উদ্ধব-সংবাদ বল।”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “আবার সেই সমাধি! আবার নিস্পন্দন দেহ, স্তিমিতি লোচন, দেহ স্থির

    আরও পড়ুনঃ দেখিয়াই ঠাকুর উচ্চহাস্য করিয়া ছোকরাদের বলিয়া উঠিলেন, “ওই রে আবার এসেছে”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chhattisgarh Odisha: ছত্তিশগড়ে গ্রেফতার ১৩ মাওবাদী, ওড়িশায় আটক কুখ্যাত নেত্রী অ্যান্টি মাদভি

    Chhattisgarh Odisha: ছত্তিশগড়ে গ্রেফতার ১৩ মাওবাদী, ওড়িশায় আটক কুখ্যাত নেত্রী অ্যান্টি মাদভি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিশগড়ে (Chhattisgarh Odisha) কেন্দ্রীয় বাহিনীর উদ্যোগে বিশেষ অভিযান। গ্রেফতার ১৩ মাওবাদী (Maoists)। ধৃত এই মাওবাদীদের মধ্যে রয়েছেন কুখ্যাত কোসা পুনমে ওরফে হাডমা। তাঁর মাথার দাম ঘোষণা করা হয়েছিল ২ লাখ টাকা। এদিকে, ওড়িশার মালকানগিরি থেকে কুখ্যাত মাওবাদী ক্যাডার অ্যান্টি মাদভিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাঁর মাথার দামও ঘোষণা করা হয়েছিল ২ লক্ষ টাকা। দুই রাজ্যের বিজেপি সরকার যে মাওবাদী দমনে আরও কড়া মনোভাব পোষণ করেছে, এই দুটি ঘটনাই তার প্রমাণ। 

    মাও দমনে অভিযান (Chhattisgarh-Odisha)

    গত ২৯ নভেম্বর ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh Odisha) বীজাপুর এলাকায় গোপন সূত্র মারফত খবর পেয়ে অভিযানে নামে কেন্দ্রীয় বাহিনী। এখনেই লুকিয়ে ছিল নিষিদ্ধ সংগঠন কমিউনিস্ট পার্টি অফ ইন্ডিয়ার (মাওবাদী Maoists) জাগারগুণ্ডা এলাকার নেত্রী হাডমা। গত কয়েক বছর ধরে ফেরার ছিলেন তিনি। অভিযানে বীজাপুরের তারেম থানা থেকে ৩ জন, আওয়াপল্লি থেকে ৫ জন এবং জংলা থানা এলাকা থেকে ৫ জনকে আটক করা হয়েছে। এই অভিযানে অংশ নিয়েছেন ডিআরজি, স্পেশাল টাস্ক ফোর্স, সিআরপিএফ, কোবরা বাহিনী। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতার হওয়া অধিকাংশ মাওবাদীর বয়স ১৯ থেকে ৪০-এর মধ্যে। তাঁরা প্রত্যেকে সক্রিয় ভাবে নাশকতামূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। গ্রেফতারির সঙ্গে সঙ্গে তাদের কাছ থেকে টিফিন বোমা, বিস্ফোরক যন্ত্র, বিস্ফোরক দড়ি, গুলি, অস্ত্র ইত্যাদি উদ্ধার হয়েছে।

    হাডমা কে?

    হাডমা (Maoists) হলেন বস্তার (Chhattisgarh Odisha) এলাকার একজন ভয়ঙ্কর মাওবাদী নেতা। বেশ কিছু নাশকতামূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। জাগারগুন্ডা এলাকায় তিনিই নেতৃত্ব দিয়ে নাশকতামূলক কাজকর্ম চালাতেন। একাধিকবার নিরাপত্তা বাহিনী এবং সামরিক বাহিনীর উপর হামলার পরিকল্পনা এবং বাস্তবায়নের কাজে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।

    আরও পড়ুন: ‘পরিবারের যত্ন নিন’, ওড়িশায় দলীয় বৈঠকে কর্মীদের ‘পরামর্শ’ প্রধানমন্ত্রীর

    অ্যান্টি মাদভি কে?

    অন্যদিকে, পুলিশ অ্যান্টি মাদভিকে (Maoists) জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। তাতে জানা গিয়েছে, তিনি ওড়িশা, অন্ধ্রপ্রদেশ, ছত্তিশগড়ে মাওবাদী কার্যকলাপের নেতৃত্ব দিতেন। তিনি লেকি নামেও পরিচিত। তাঁর বাড়ি পুলহার গ্রামে। ছত্তিগড়ের বীজাপুর জেলা জংলা সীমান্তে সক্রিয় ভাবে কাজ করতেন তিনি। পশ্চিম বাস্তারের ১২ নম্বর প্লাটুনের ডেপুটি কমান্ডার সুক্রমের নেতৃত্বে ২০১৭ সালে মাওবাদী দলে যোগদান করে ছিলেন তিনি।

    উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগে ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh Odisha) মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাই বলেছিলেন, “গত ১১ মাসে ২১০জনেরও বেশি মাওবাদীকে নিকেশ করা গিয়েছে। নাগরিক জীবনকে নিরাপদ এবং সুরক্ষিত করাই বিজেপি সরকারের প্রাথমিক লক্ষ্য। ২০২৬ সালের মধ্যেই রাজ্যে লাল সন্ত্রাসকে সমূলে উৎখাত করা হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: ব্যাপক অত্যাচার, বাংলাদেশ কি হিন্দু শূন্য হয়ে যাবে?

    Bangladesh Crisis: ব্যাপক অত্যাচার, বাংলাদেশ কি হিন্দু শূন্য হয়ে যাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis) কি হিন্দ শূন্য হয়ে যাবে? সম্প্রতি দেশটিতে যেভাবে (ISKCON) হিন্দুদের ওপর অত্যাচার করা হচ্ছে, যেভাবে হিন্দু সন্ন্যাসীদের (ISKCON) মিথ্যে অভিযোগে গ্রেফতার করা হচ্ছে, তার পরে স্বভাবিকভাবেই উঠছে এই প্রশ্ন। দিন কয়েক আগে গ্রেফতার করা হয়েছে বিশিষ্ট হিন্দু নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাস মহারাজকে। রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে। ন্যায় বিচারের দাবিতে হিন্দু সম্প্রদায় সমাবেশ করছে। তবে তারাও নির্মম দমন-পীড়ন ও হামলার মুখোমুখি হচ্ছে।

    চিন্ময় মহারাজ (Bangladesh Crisis)

    জানা গিয়েছে, শনিবার সকাল পর্যন্তও চিন্ময় মহারাজকে আটকে রাখা হয়েছে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে। সেখানে তাঁকে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও সনাতনী খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে না। তাঁর আইনজীবীরা উচ্চ আদালতে জামিনের আবেদন করতে গিয়েও বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছেন বলে অভিযোগ। চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছে বিভিন্ন ইসলামী জঙ্গি সংগঠন যেমন হিজবুত তাহরির, জামাআতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ, হরকা তুল জিহাদ (হুজি), আনসার আল ইসলাম এবং হেফাজতে ইসলাম (হেই)-এর মতো উগ্রপন্থী ইসলামী গোষ্ঠীর সাজাপ্রাপ্ত জিহাদিরা। এই পরিস্থিতিতে চিন্ময় মহারাজের প্রাণ সংশয় হতে পারে বলে আশঙ্কা সনাতনীদের। চিন্ময় মহারাজ সম্মিলিত সনাতন জাগরণ জোটের নেতা। তাঁর বিরুদ্ধে যিনি রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ করেছেন, তিনি বিএনপির নেতা। ২৫ নভেম্বর গ্রেফতার করার পর পরের দিনই তাঁকে পাঠিয়ে দেওয়া হয় কারাগারে।

    হিন্দু আন্দোলনের মেরুদণ্ড ভেঙে ফেলার চেষ্টা

    চিন্ময় মহারাজ ছিলেন বাংলাদেশে নিপীড়িত হিন্দুদের মুখ। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, তাঁকে গ্রেফতার করে হিন্দু আন্দোলনের মেরুদণ্ডটাই ভেঙে দিতে চেয়েছে বাংলাদেশের মৌলবাদীরা। সোশ্যাল মিডিয়ার রিপোর্ট অনুযায়ী, ইসলামপন্থী ও হিন্দু-বিরোধী এলিমেন্টরা চট্টগ্রাম ও পার্শ্ববর্তী জেলাগুলিতে হিন্দুদের বাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও মন্দিরে হামলা চালাচ্ছে। ২৭ নভেম্বর ভোরের দিকে চট্টগ্রাম শহরের মেথরপট্টি এলাকায় মনসা মায়ের মন্দিরে দুষ্কৃতীরা আগুন লাগিয়ে দেয়। হজারিগলিতে কালী মন্দিরেও আগুন লাগিয়ে দেয় ইসলামপন্থী জনতা। হরিজন সম্প্রদায়ের মালিকানাধীন বহু হিন্দু বাড়িতেও আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। জানা গিয়েছে, উগ্রপন্থীরা সোশ্যাল মিডিয়ায় মুসলমানদের “ছুরি ধারালো করার” আহ্বান (ISKCON) জানাচ্ছে। তারা যাতে ইসকনের সদস্যদের হত্যা করতে পারে, তাই ছুরি ধারালো করার আহ্বান। চট্টগ্রাম শহরের হিন্দুরা এক অসহনীয় অবস্থার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন বলে খবর (Bangladesh Crisis)। এবারের অত্যাচার ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি দখলদার বাহিনী ও তাদের স্থানীয় সহযোগীদের দ্বারা সংঘটিত নির্যাতনের কথা মনে করিয়ে দেয়।

    আরও পড়ুন: “মোদি অনেক ভালো কাজ করেছেন”, বললেন আন্তর্জাতিক লগ্নিকারী জিম রজার্স

    চরমে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, মহম্মদ ইউনূসের তদারকি সরকার যদি এই হিংসা বন্ধ করতে না পারে, তাহলে বহু হিন্দু খুন হতে পারেন। শারীরিক নির্যাতনের শিকার হতে পারেন হিন্দু মহিলারা। চলতি বছরের অগাস্ট মাস থেকে (পড়ুন প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পর) বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার তুঙ্গে। নির্বিচারে ভাঙচুর করা হচ্ছে হিন্দুদের বাড়ি এবং মন্দির। লুটতরাজ চালানো হচ্ছে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে। হামলা চালনো হচ্ছে হিন্দুদের বাড়িতে। রাতের অন্ধকারে লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে আগুনও। স্থানীয় মিডিয়াকে এই ঘটনাগুলো প্রচার করতে বাধা দেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক মিডিয়ার বেশিরভাগই কোনও এক অজানা কারণে নৃশংসতার এই ছবি তুলে ধরা থেকে বিরত থেকেছে।

    বিহারিদের অত্যাচার!

    ‘স্ট্র্যান্ডেড পাকিস্তানিজ’ কমিউনিটির সদস্যরা, যারা বিহারি নামেও পরিচিত, তারাও হিন্দুদের বিরুদ্ধে এই হিংসাত্মক কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে। এই অপরাধগুলো গুরুতর হওয়া সত্ত্বেও, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এবং হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মতো মানবাধিকার সংগঠনগুলি অদ্ভুতভাবে নীরব রয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, এর কারণ সম্ভবত ইউনূসের প্রভাব এবং বাইডেন প্রশাসনের সঙ্গে তাঁর কানেকশনের কারণে (ISKCON)।

    ক্লিন্টনের কারবার

    দেশে লাগাতার হিন্দু নিধন যজ্ঞ চললেও, চলতি বছরের ২৬ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দেওয়ার জন্য আমেরিকা সফরের সময় ইউনূসকে ক্লিনটন গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ দ্বারা সম্মানিত করা হয়। ওই অনুষ্ঠানে, বিল ক্লিনটন নিষিদ্ধ ইসলামপন্থী সংগঠন হিজব-উত-তাহরির-এর নেতা মাহফুজ আলমের প্রশংসা করেন। এই সংগঠন খিলাফত প্রতিষ্ঠার পক্ষে কাজ করে। সেই সংগঠনেরই হয়ে সাফাই গাইতে দেখা যায় বিল ক্লিনটনকে। হিন্দুদের (Bangladesh Crisis) পীড়ন করার পাশাপাশি বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করাও শুরু করে দিয়েছে ইউনূস সরকার। অক্টোবরে আওয়ামি লিগের ছাত্র সংগঠনের গায়ে জঙ্গি সংগঠনের তকমা সেঁটে দিয়ে তাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। রিপোর্টে বলা হচ্ছে যে, সরকার আওয়ামি লিগকে রাজনৈতিক কার্যক্রম থেকে পুরোপুরি নিষিদ্ধ করার কথা ভাবছে।

    এতে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে প্রতিষ্ঠিত হবে ইসলামি শক্তির আধিপত্য। হিন্দু ও খ্রিষ্টান-সহ ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের জন্য তেমন কোনও প্রতিনিধিত্ব থাকবে না। তাই সমালোচনাও হবে না। মৌলবাদীদের পাশাপাশি করেকম্মে (ISKCON) খাবে জঙ্গিরাও (Bangladesh Crisis)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Mahakumbh 2025: মহাকুম্ভে স্নানের ঘাটে ভক্তদের জন্য ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা থাকবে, জানালো যোগী সরকার

    Mahakumbh 2025: মহাকুম্ভে স্নানের ঘাটে ভক্তদের জন্য ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা থাকবে, জানালো যোগী সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে হিন্দু সংস্কৃতির মহামিলন ক্ষেত্র হল মহাকুম্ভ মেলা (Mahakumbh 2025)। দেশের সব প্রান্তের সাধুসন্তরা এই আনন্দধামে যোগদান করেন। এইবারের মেলা অনুষ্ঠিত হবে উত্তর প্রদেশের (UP Government) প্রয়াগরাজের গঙ্গা, যমুনা এবং সরস্বতী নদীর ত্রিবেণী সঙ্গমে। পুরাণে কথিত রয়েছে, এখানেই সমুদ্র মন্থনে নিঃসৃত অমৃতের ফোঁটা পড়েছিল। তাই স্নান করলে মোক্ষ প্রাপ্তি হয়। এইবারের এই মেলায় যোগী সরকার ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তার (3 Tier Security) প্রস্তুতি নিচ্ছে। সুষ্ঠ ভাবে পুণ্য স্নানের দিকে নজর রেখেছে প্রশাসন। এতে ব্যাপক ভাবে তীর্থযাত্রীদের সুবিধা দেওয়া হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    সরস্বতী ঘাট থেকে সঙ্গম ঘাট পর্যন্ত উন্নত নিরাপত্তা (Mahakumbh 2025)

    মহাকুম্ভ ২০২৫-এ আনুমানিক ৪৫ কোটি ভক্তের সমাগম হওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের (UP Government) নেতৃত্বে উত্তর প্রদেশ সরকার, এই মহাকুম্ভের মিলন সঙ্গমে তীর্থযাত্রীদের জন্য মসৃণ সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য একটি বিস্তৃত পরিকল্পনা তৈরি করেছে। আর তাই তাকে কার্যকর করতে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় জোর কদমে প্রস্তুতি চলছে। তীর্থযাত্রীদের নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিয়ে একটি শক্তিশালী ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা (3 Tier Security) ব্যবস্থা কার্যকর করা হয়েছে। ভিআইপি চলাচলের জন্য ঠিক করা হয়েছে কিলা ঘাট। সেখানে বিশেষ বাহিনী (Mahakumbh 2025) মোতায়েন করা হয়েছে, দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক— উভয় ভক্তদের জন্য এখানে বিশেষ ব্যবস্থা থাকবে। আবার সরস্বতী ঘাট থেকে সঙ্গম ঘাট পর্যন্ত উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে, যার মধ্যে গভীর ব্যারিকেডিং এবং ব্যাপক নিরাপত্তা বেষ্টনী রয়েছে, যা প্রায় শেষের দিকে।

    নৌকায় বিশেষ নজরদারি

    পুলিশ ওয়াটার ইউনিটের ইনচার্জ জনার্দন প্রসাদ সাহনি (UP Government) বলেছেন, “মহাকুম্ভের (Mahakumbh 2025) আগে প্রতিটি নৌকা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরিদর্শন করা হচ্ছে। এই উদ্দেশ্যে একটি পরীক্ষক নৌকা ব্যবস্থা করা হয়েছে, এবং প্রতিটি নৌকা পরীক্ষা করার জন্য এটি ব্যবহার করা হবে। পুঙ্খানুপুঙ্খ পরিদর্শন ও অনুমোদনের পরই যে কোনও নৌকাকে জলে নামতে দেওয়া হবে। সঙ্গম নোজ ​​থেকে কিলা ঘাট পর্যন্ত ব্যাপক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ভক্তদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পিএসি (PAC), এডডিআরএফ (SDRF) এবং এনডিআরএফ (NDRF)-এর কর্মীরা একসঙ্গে কাজ করবেন। একই ভাবে তীর্থযাত্রীদের ডুব দেওয়ার পরে ফেরার সময় সময় যাতে কোনও অসুবিধা না হয় তা নিশ্চিত করার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা (3 Tier Security) চালু করা হয়েছে। তীর্থযাত্রীদের সতর্ক করার জন্য নৌকাগুলিতে একটি বিশেষ লাল স্ট্রিপ বসানো হবে।”

    আগত ভক্তদের (Mahakumbh 2025) স্নানের জন্য আড়াইল, ঘুসি, ফাফামাউ এবং সোমেশ্বর ঘাটেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানোর কাজ জোর কদমে চলছে। রসুলাবাদ থেকে কিলা ঘাট ও কাখেরা ঘাট পর্যন্ত স্নানের জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। মেলাকে সুশৃঙ্খল করতে প্রশাসন এখন থেকেই অত্যন্ত তৎপর হয়ে কাজ করছে বলে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশে আক্রান্ত হিন্দুদের পাশে ইসকন, সুরক্ষার দবিতে রবিবার বিশ্বজুড়ে প্রার্থনাসভার ডাক

    ঘাটে মোতায়েন থাকবে নৌ পুলিশ

    মুখ্যমন্ত্রী যোগী (Yogi Adityanath) বলেছেন, “মহাকুম্ভে (Mahakumbh 2025) উপস্থিত কোনও ভক্তকে কোনও অসুবিধার সম্মুখীন হতে হবে না।” তাই ত্রিস্তরের নিরাপত্তা (3 Tier Security) ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করে তীর্থযাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করেছে উত্তর প্রদেশের নৌ পুলিশ। প্রথম দলটি ঘাটের বাইরে ভিড় পরিচালনা করবে এবং অতিরিক্ত ভিড়ের ক্ষেত্রে তীর্থযাত্রীদের বিকল্প রাস্তায় সরিয়ে দেবে। সুবিধা নিশ্চিত করতে এবং জরুরি পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক সহায়তা প্রদানের জন্য স্নান প্রক্রিয়া চলাকালীন দ্বিতীয় স্তরটি নৌকায় স্থাপন করা হবে (UP Government)। আর শেষ বা তৃতীয় স্তরে তীর্থযাত্রীদের স্নানের পরে নিরাপদ বেরিয়ে যেতে সুবিধা করে দেবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ISKCON: বাংলাদেশে আক্রান্ত হিন্দুদের পাশে ইসকন, সুরক্ষার দবিতে রবিবার বিশ্বজুড়ে প্রার্থনাসভার ডাক

    ISKCON: বাংলাদেশে আক্রান্ত হিন্দুদের পাশে ইসকন, সুরক্ষার দবিতে রবিবার বিশ্বজুড়ে প্রার্থনাসভার ডাক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ৫ অগাস্ট থেকেই বাংলাদেশে লাগাতার হিন্দু ধর্মের মানুষের উপর ব্যাপক অত্যাচার করছে ওই দেশের উগ্র মুসলিম এবং ইউনূস প্রশাসন। এবার হিন্দুদের নিরাপত্তা চেয়ে ১ ডিসেম্বর, রবিবার বিশ্ব জুড়ে ইসকনের (ISKCON) পক্ষ থেকে শান্তি এবং সুরক্ষার দবিতে কীর্তন করে প্রতিবাদের ডাক দিয়েছেন কলকাতা ইসকন কার্যালয়ের মুখপাত্র রাধারমণ দাস। তিনি নিজের এক্স হ্যান্ডলে এই বার্তা দিয়ে প্রতিবাদ কর্মসূচির কথা ঘোষণা করেছেন। উল্লেখ্য হিন্দু সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে মিথ্যা মামলা দিয়ে গ্রেফতার করেছে ইউনূস প্রশাসন। এরপর থেকে ভারত সহ সারা বিশ্বে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। আন্তর্জাতিক বিশ্বে মুখ পুড়েছে নোবেল জয়ী ইউনূসের।

    ১৫০টিরও বেশি দেশের অগুনিত শহরে ধর্ম সভা (ISKCON)

    এদিন ইসকনের পক্ষ থেকে বলা হয়, “সারা বিশ্বজুড়ে ১৫০টিরও বেশি দেশের অগুনিত শহরে লক্ষ লক্ষ ইসকন ভক্ত এই প্রতিবাদ প্রার্থনা সভায় যোগদান করবেন। এই সভার একটাই দাবি, বাংলাদেশের হিন্দুদের ধর্ম পালনের নিরাপত্তা চাই। তাই সকল ভক্তদের আবেদন করা হচ্ছে সকলে আসুন। নিজ নিজ ইসকন (ISKCON) মন্দিরে বা ধর্মসভায় যোগদান করে সম্মিলিত ভাবে সংকীর্তনে যোগদান করুন।” আবার ইসকন সম্প্রতি মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার চিন্ময় কৃষ্ণ দাস সম্পর্কে বলেছে, “বাংলাদেশে হিন্দুদের অধিকার এবং তাঁদের ধর্মীয় স্থানগুলি রক্ষার জন্য চিন্ময় কৃষ্ণের প্রচেষ্টাকে ইসকন সমর্থন করে। তাঁর থেকে দূরত্ব তৈরি করা হয়নি।”

    আরও পড়ুনঃ ১১৫ বছরের কলেজ ওয়াকফ সম্পত্তি! বারাণসীতে উত্তেজনা, বসল পুলিশ ক্যাম্প

    শুক্রবার ৩টি মন্দির ভেঙেছে জামাত-বিএনপি

    অপরদিকে, শুক্রবারও বাংলাদেশের চট্টগ্রামে তিনটি হিন্দু মন্দির ভাঙচুর করা হয়। এরপর আতঙ্কিত হিন্দুরা বাড়ি-ঘর ছেড়ে অন্যত্র পালাতে শুরু করেন। শুধু মন্দির নয়, একই ভাবে হিন্দু জনতার দোকান এবং ব্যবসায়িক ক্ষেত্রগুলিকেও ভাঙচুর করা হয়। স্থানীয় হিন্দু জনতার অভিযোগ, জামাতে-ইসলামি এবং বিএনপির মিছিল থেকে আচমকা মন্দিরে হামলা চালানো হয়। ইসকনকে (ISKCON) নিষিদ্ধ করার জন্য দাবিও তোলা হয় ওই মিছিলে। এই এলাকায় প্রায় ৯০ শতাংশ হিন্দু। হিন্দু জনতাকে ভয় দেখিয়ে এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অনেকেই প্রাণের ভয়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ayodhya Ram Mandir: রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার প্রথম বর্ষপূর্তি পালিত হবে ১১ জানুয়ারি, ঘোষণা ট্রাস্টের

    Ayodhya Ram Mandir: রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার প্রথম বর্ষপূর্তি পালিত হবে ১১ জানুয়ারি, ঘোষণা ট্রাস্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যায় প্রভু রামলালার (Ayodhya Ram Mandir) প্রাণ প্রতিষ্ঠার (Prana Pratishtha Anniversary) প্রথম বর্ষপূর্তি পালিত হবে ধুমধাম করেই। হিন্দু গণনা পদ্ধতিতে বা ক্যালেন্ডার মতে, কুর্ম দ্বাদশীর দিনেই পড়েছে ওই শুভ মুহূর্ত। শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্টের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী বছরের ১১ জানুয়ারি রামলালার প্রথম প্রাণ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করা হবে। এখন এই বিরাট আয়োজন এবং উৎসবকে পালন করতে অযোধ্যা নগরী আবার সেজে উঠবে। এই ঘোষণার পরই দেশ জুড়ে রামভক্তদের মধ্যে তীব্র উচ্ছ্বাসের বাতাবরণ তৈরি হয়েছে।

    প্রভু রামলালার ৫১ ইঞ্চি মূর্তির প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয়েছিল (Ayodhya Ram Mandir)

    রাম মন্দির উদ্বোধনের প্রথম বর্ষপূর্তিতে শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট ঘোষণা করে বলেছে, “প্রভু রামলালার (Ayodhya Ram Mandir) ৫১ ইঞ্চি মূর্তির প্রাণ প্রতিষ্ঠার প্রথম বার্ষিকী (Prana Pratishtha Anniversary) পালিত হবে আগামী বছরের ১১ জানিয়ারি। পৌষ শুক্ল দ্বাদশী (কুর্ম দ্বাদশী) হিসেবে পালন করা হবে। হিন্দু ঐতিহ্য, আচার এবং পরম্পরা মতে এই দিনটি পালিত হবে।” উল্লেখ্য এদিন অযোধ্যার মণি রাম দাস সেনানিবাসে ট্রাস্টের একটি বিশেষ বৈঠক থেকে এই ঘোষণা করা হয়।

    প্রত্যকে রামভক্তের কাছে দিনটি স্মরণীয়

    উল্লেখ্য গত ২২ জানুয়ারি রামমন্দিরের গর্ভগৃহে প্রভু শ্রী রামলালার মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। প্রাণ প্রতিষ্ঠার পর মন্দির ভক্ত এবং জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। সেই সময়ও শুভ মুহূর্ত চয়ন করা হয়েছিল ভারতীয় গণনা পদ্ধতি এবং হিন্দু শাস্ত্রের বিধি-বিধান অনুসারেই। ট্রাস্টের (Ayodhya Ram Mandir) সাধারণ সম্পাদক, চম্পত রাই বলেছেন, “ভারতীয় পঞ্জিকা এবং হিন্দু রীতির উপর নির্ভর করে সব দিক বিবেচনা করে সামঞ্জস্য রেখে এবং বিস্তৃত আলোচনা করে এই দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। এদিন রামলালার মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠার প্রথম বর্ষ (Prana Pratishtha Anniversary) পালন করা হবে। প্রাচীন ঐতিহ্যকে সম্মান এবং আমাদের সংস্কৃতির শিকড়ের সঙ্গে ভক্তদের সংযুক্ত করবে এই উদযাপন কর্মকাণ্ড। আমরা চাই প্রত্যকে রামভক্তের কাছে দিনটি স্মরণীয় হয়ে থাকুক।” উল্লেখ্য, বৈঠক সম্পন্ন হয় রামমন্দিরের মহন্ত নিত্য গোপাল দাসের সভাপতিত্বে। মন্দিরের একাধিক উন্নয়ন প্রকল্প নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। ভারত সরকারের বিশেষ সচিব প্রকাশ লোখান্ডেও উপস্থিত ছিলেন বৈঠকে।

    তীর্থযাত্রীদের স্থায়ী সুবিধা

    রামমন্দির (Ayodhya Ram Mandir) দর্শন করতে লক্ষ লক্ষ মানুষ আসছেন। ভক্তদের দর্শনকে আরও নিরাপদ এবং সুন্দর করতে ৯ মিটার চওড়া এবং ৬০০ মিটার দৈর্ঘ্য স্থায়ী আচ্ছাদন নির্মাণ করা হবে। সারা বছরের রোদ, তাপ, ঝড় এবং বৃষ্টির মতো দুর্যোগ থেকে মানুষকে রক্ষা করবে। এই নির্মাণটি উত্তর প্রদেশের স্টেট কনস্ট্রাকশন কর্পোরেশন এবং লারসেন অ্যান্ড টুব্রো (এল অ্যান্ড টি) দ্বারা পরিচালিত হবে। সম্প্রতি, মন্দিরের দক্ষিণ কোণে একটি বড় অডিটোরিয়াম, গেস্ট হাউস ও ট্রাস্টেের নতুন দফতরের উদ্বোধন করেন প্রধান পুরোহিত মহন্ত নৃত্য গোপাল দাস।

    আরও পড়ুনঃ রান্নার গ্যাস থেকে ক্রেডিট কার্ড, ১ ডিসেম্বর থেকে একাধিক নিয়মে বদল, আগে জেনে নিন

    স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র

    মন্দিরে আগত দর্শনার্থীদের স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে ৩০০০ বর্গ মিটার জুড়ে একটি অত্যাধুনিক স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। এই কেন্দ্র আলট্রাসাউন্ড পরিষেবা সহ আধুনিক সুযোগ-সুবিধা দিয়ে সজ্জিত করা থাকবে। স্থানীয় জনতা এবং দেশ-বিদেশ থেকে আগত তীর্থ যাত্রীরা সুযোগ-সুবিধা পাবেন। তবে সপ্ত মন্ডল মন্দির (Ayodhya Ram Mandir), মন্দির কমপ্লেক্সের একটি মূল উপাদান। এটি মার্চ ২০২৫ সালের মধ্যে নির্মিত হবে বলে জানা গিয়েছে। 

    পণ্ডিতদের প্রশিক্ষণ

    রাম মন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir) পণ্ডিতদের জন্য একটি ছয়মাসের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছিল। তাও সম্প্রতি শেষ হয়েছে। বৈদিক আচার, বিধি-বিধান মতে কিভাবে কাজ করা হবে সেই বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় পণ্ডিতদের। নিযুক্ত পণ্ডিতদের সকলকে রোটেশন পদ্ধতিতে কাজ কারানো হবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jim Rogers: “মোদি অনেক ভালো কাজ করেছেন”, বললেন আন্তর্জাতিক লগ্নিকারী জিম রজার্স

    Jim Rogers: “মোদি অনেক ভালো কাজ করেছেন”, বললেন আন্তর্জাতিক লগ্নিকারী জিম রজার্স

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মোদি (PM Modi) সাহেব অনেক ভালো কথা বলেছেন এবং তিনি কিছু ভালো কাজ করেছেন।” কথাগুলি বললেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ভিত্তিক অভিজ্ঞ আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারী জিম রজার্স (Jim Rogers)। গ্লোবাল বাজার বিশ্লেষণে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিভঙ্গির জন্যও পরিচিত তিনি। তিনি ভারতের প্রবৃদ্ধি এবং গত দশ বছরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে দেশের উন্নতির বিষয়ে তাঁর দক্ষতা এবং কৌশলগত অন্তর্দৃষ্টির জন্যও সুপরিচিত।

    আশাবাদী রজার্স (Jim Rogers)

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ভারতের অর্থনৈতিক গতিপথ নিয়ে আশা প্রকাশ করেন রজার্স। গত দশকে সরকারের প্রচেষ্টার ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি। ভারতের অর্থনৈতিক শাসনব্যবস্থা সম্পর্কে ধারণা পরিবর্তনের ইঙ্গিতও দিয়েছেন তিনি। রজার্স বলেন, “অনেক দশক ধরে দিল্লি অনেক ভালো বিষয় নিয়ে কথা বলেছে। কিন্তু তারা সত্যিই তা বাস্তবে প্রয়োগ করেনি। আমার কখনও মনে হয়নি যে দিল্লি অর্থনীতি বুঝেছে এবং কী হওয়া উচিত, তা উপলব্ধি করেছে।”

    কী বললেন রজার্স?

    রজার্স বর্তমান সরকারের অধীনে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি (Jim Rogers) বলেন, ‘‘এখন, জীবনে প্রথম বারের মতো আমি মনে হচ্ছে যে, দিল্লি এটা (অর্থনীতি) বুঝছে এবং তারা সত্যিই এটি বাস্তবায়ন করতে চায়, এবং পরিস্থিতি আরও ভালো হবে।’’ তিনি ভারতের অর্থনৈতিক সংস্কার ও প্রবৃদ্ধি কৌশল সম্পর্কে নতুন করে আশার আলোর কথা শোনান। প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে মোদি সরকার বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সংস্কার বাস্তবায়ন করেছে। এর মধ্যে রয়েছে পণ্য ও পরিষেবা কর, দেউলিয়া ও দেউলিয়া আইন, এবং ব্যবসা পরিচালনা উন্নত করার লক্ষ্যে নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ।

    আরও পড়ুন: ‘পরিবারের যত্ন নিন’, ওড়িশায় দলীয় বৈঠকে কর্মীদের ‘পরামর্শ’ প্রধানমন্ত্রীর

    মোদি সরকারের এই সব পদক্ষেপের সুফলও ফলেছে। ২০১৪ সালের আগে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় ১০ নম্বরে ছিল ভারত। মোদি জমানায় সেই দেশই উঠে এসেছে পাঁচ নম্বরে। দীর্ঘকাল এই জায়গাটা ধরে রেখেছিল ব্রিটেন। সেই রাজার দেশকে নীচে নামিয়ে পঞ্চম স্থানটি দখল করেছে মোদির (PM Modi) ভারত। বিশেষজ্ঞদের মতে, অচিরেই ভারত উঠে আসবে ওই তালিকার তিন নম্বরে (Jim Rogers)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 205: “মহারাজ! আমাকে সসাগরা পৃথিবী দান করিয়াছ, অতএব ইহার ভিতর তোমার স্থান নাই”

    Ramakrishna 205: “মহারাজ! আমাকে সসাগরা পৃথিবী দান করিয়াছ, অতএব ইহার ভিতর তোমার স্থান নাই”

    ভক্তসঙ্গে শ্রীরামকৃষ্ণ

    দশম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৩, ২রা জুন

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ কলিকাতায় ভক্তমন্দিরে — শ্রীযুক্ত রামচন্দ্র দত্তের বাড়ি কীর্তনানন্দে

    ঠাকুর (Ramakrishna) অধরের বাড়ি হইতে কলহান্তরিতা কীর্তন শ্রবণ করিয়া রামের বাড়ি আসিয়াছেন। সিমুলিয়া মধু রায়ের গলি।

    রামচন্দ্র ডাক্তারী শিক্ষা করিয়া ক্রমে মেডিক্যাল কলেজে সহকারী কেমিক্যাল এক্‌জামিনার হইয়াছিলেন ও Science Association-এ রসায়নশাস্ত্রের অধ্যাপক ছিলেন। তিনি স্বোপার্জিত অর্থে বাড়িটি নির্মাণ করিয়াছেন। এ-স্থানে ঠাকুর কয়েকবার শুভাগমন করিয়াছিলেন, তাই ভক্তদের কাছে এটি আজ মহাতীর্থস্থান। রামচন্দ্র শ্রীগুরুর করুণাবলে বিদ্যার সংসার করিতে চেষ্টা করিতেন। ঠাকুর (Ramakrishna) দশমুখে রামের সুখ্যাতি করিতেন—বলিতেন (Kathamrita), রাম বাড়িতে ভক্তদের স্থান দেয়, কত সেবা করে, তাদের বাড়ি ভক্তদের একটি আড্ডা। নিত্যগোপাল, লাটু, তারক (শিবানন্দ), রামচন্দ্রের একরকম বাড়ির লোক হইয়া গিয়াছিলেন। তাঁহার সহিত অনেকদিন একসঙ্গে বাস করিয়াছিলেন। আর বাড়িতে ৺নারায়ণের নিত্য সেবা।

    রাম ঠাকুরকে (Ramakrishna) বৈশাখী পূর্ণিমার দিন—ফুলদোলের দিন—এই ভদ্রাসন বাটীতে পূজার্থে প্রথম লইয়া আসিবেন। প্রায় প্রতিবর্ষে ওই দিনে ঠাকুরকে লইয়া গিয়া ভক্তদের লইয়া মহোৎসব করিতেন। রামচন্দ্রের সন্তানপ্রতিম শিষ্যেরা এখনও অনেকে ওই দিনে উৎসব করেন।

    আজ রামের বাড়ি উৎসব! প্রভু আসিবেন। রাম শ্রীমদ্‌ভাগবত-কথামৃত তাঁহাকে শুনাইবার আয়োজন করিয়াছেন। ছোট উঠান কিন্তু তাহার ভিতরই কত পরিপাটি। বেদী রচনা হইয়াছে, তাহার উপর কথকঠাকুর উপবিষ্ট। রাজা হরিশ্চন্দ্রের কথা হইতেছে, এমন সময় বলরাম ও অধরের বাড়ি হইয়া ঠাকুর আসিয়া উপস্থিত। রামচন্দ্র আগুয়ান হইয়া ঠাকুরের পদধূলি মস্তকে গ্রহণ করিলেন (Kathamrita) ও তাঁহার সঙ্গে সঙ্গে আসিয়া বেদীর সম্মুখে তাঁহার পূর্ব হইতে নির্দিষ্ট আসনে বসাইলেন। চতুর্দিকে ভক্তেরা। কাছে মাস্টার।

    রাজা হরিশ্চন্দ্রের কথা ও ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ 

    রাজা হরিশ্চন্দ্রের কথা চলিতে লাগিল (Kathamrita)। বিশ্বামিত্র বলিলেন, “মহারাজ! আমাকে সসাগরা পৃথিবী দান করিয়াছ, অতএব ইহার ভিতর তোমার স্থান নাই। তবে ৺কাশীধামে তুমি থাকিতে পার। সে মহাদেবের স্থান। চল, তোমাকে, তোমার সহধর্মিণী শৈব্যা ও তোমার পুত্র সহিত সেখানে পৌঁছাইয়া দিই। সেইখানে গিয়া তুমি দক্ষিণা যোগাড় করিয়া দিবে।” এই বলিয়া রাজাকে লইয়া ভগবান বিশ্বামিত্র ৺কাশীধাম অভিমুখে যাত্রা করিলেন। কাশীতে পৌঁছিয়া সকলে ৺বিশ্বেশ্বর-দর্শন করিলেন।

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “আবার সেই সমাধি! আবার নিস্পন্দন দেহ, স্তিমিতি লোচন, দেহ স্থির

    আরও পড়ুনঃ দেখিয়াই ঠাকুর উচ্চহাস্য করিয়া ছোকরাদের বলিয়া উঠিলেন, “ওই রে আবার এসেছে”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar case: আরজি কর আর্থিক দুর্নীতি মামলায় চার্জশিট জমা দিল সিবিআই, অভিযুক্ত সন্দীপ ঘোষ-সহ ৫

    RG Kar case: আরজি কর আর্থিক দুর্নীতি মামলায় চার্জশিট জমা দিল সিবিআই, অভিযুক্ত সন্দীপ ঘোষ-সহ ৫

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর্থিক দুর্নীতি মামলায় আরজি কর (RG Kar case) হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ-সহ ৫ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। চিকিৎসক তরুণীকে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনা ঘটেছিল গত ৯ অগাস্ট। এবার আর্থিক দুর্নীতির মামলায় ৮৭ দিনের মাথায় তদন্তকারী অফিসারেরা আলিপুর বিশেষ সিবিআই আদালতে চার্জশিট জমা দিয়েছেন। মোট ১২৫ পাতার চার্জশিট ছিল। তার সঙ্গে আরও ৫০০ পাতার অতিরিক্ত নথি জমা করেছে তদন্তকারী সংস্থা। ফলে আরও বিপাকে সন্দীপ ঘোষ।

    আর্থিক অভিযোগ করেছিলেন সহকর্মীরা (RG Kar case)

    সূত্রে জানা গিয়েছে, সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে হাসপাতালে (RG Kar case) আর্থিক নয়-ছয়ের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন ওই হাসাপাতলের সহকর্মীরাই। এদিন দুপুর ২টো ১৫ নাগাদ আদলাতে আসেন সিবিআইয়ের অফিসাররা। সন্দীপ ঘোষ নিজের প্রভাব খাটিয়ে হাসপাতালে সবরকম বেআইনি কাজ করতেন। নিজের পছন্দের লোকজনকে টেন্ডার পাইয়ে দিতেন। ওষুধ, জৈব উপাদান-সহ নানা বিষয়ে তিনি বেআইনি কাজ করতেন। ল্যাপটপ, হার্ড ডিস্ক, মোবাইল, মেমরি কার্ড-সহ অন্তত ১৮টি ডিজিটাল ডিভাইসের ‘ক্লোনিং’ করা হয়েছে বলে দাবি সিবিআই-এর। সেগুলি খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারী অফিসাররা। সমস্ত দুর্নীতির তথ্য এদিন তদন্তকারী অফিসাররা জমা করেন। সন্দীপের সঙ্গে আর বাকি যারা অভিযুক্ত তারা হল, সুমন হাজরা, বিপ্লব সিং, আফসার আলি, আশিস পান্ডে।

    ২ সেপ্টেম্বর সন্দীপকে গ্রেফতার করেছিল সিবিআই

    চিকিৎসক তরুণীর মৃত দেহ উদ্ধারের পর থেকেই সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল উঠতে শুরু করে। তাঁকে ওই হাসপাতাল (RG Kar case) থেকে সরিয়ে মমতা সরকার ন্যাশেনাল মেডিক্যাল কেলেজে অধ্যক্ষ নিযুক্ত করলে সেখানকার জুনিয়র ডাক্তাররা ব্যাপক বিক্ষোভ দেখান। পরে সরকার সিদ্ধান্ত বদল করতে বাধ্য হয়। গত ২ সেপ্টেম্বর সন্দীপকে গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। এরপর চিকিৎসক তরুণীকে হত্যার প্রমাণ লোপাটের গুরুতর অভিযোগে গ্রেফতার করে সিবিআই। ফলে তাঁর বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতি মামলায় চার্জশিট জমা পড়ায় বিরাট চাপের মুখে মমতা ঘনিষ্ঠ এই ডাক্তার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Unrest: ২ বছর ধরে বাংলাদেশে হিন্দু-বিরোধী চক্রান্তের জাল বুনেছে ইসলামি ছাত্র শিবির, আইএসআই!

    Bangladesh Unrest: ২ বছর ধরে বাংলাদেশে হিন্দু-বিরোধী চক্রান্তের জাল বুনেছে ইসলামি ছাত্র শিবির, আইএসআই!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানের কবল থেকে ভারতের প্রত্যক্ষ মদতে স্বাধীনতা লাভ করেছিল বাংলাদেশ (Bangladesh)। ৫২ বছর পর সেই বাংলাদেশে ভিড়ল পাকিস্তানের জাহাজ। পাকিস্তানের সেই জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছয়। জাহাজে কী ছিল? জানা যায়নি স্পষ্ট করে। কিন্তু এরমধ্যে হাসিনার গণতান্ত্রিক সরকারকে ফেলে দিয়ে লুট হয়েছে গণভবন (Bangladesh Unrest)। আওয়ামি লিগকে বিতাড়িত করে, পেছনের দরজা দিয়ে গদিতে বসেছেন মহম্মদ ইউনূস (Muhammed Yunus)। দেশ এখন সম্পূর্ণ ভাবে জামাত-ই-ইসলামি এবং বিএনপি-র মতো কট্টর মৌলবাদী জেহাদিদের হাতে। বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর অকথ্য অত্যাচার চলছে (Anti Hindu Conspiracy)। একই ভাবে ভারতের জাতীয় পতাকা এবং সম্মানকে ক্ষুণ্ণ করার দৃষ্টান্ত নজরে এসেছে সামজিক মাধ্যমে। কীভাবে উপকারীর অপকার করতে হয় তার হয়ত উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে ইউনূস প্রশাসন। তবে, এটা আচমকা শুরু হয়নি। গত ২ বছর ধরে ধীরে ধীরে বাংলাদেশে হিন্দু-বিরোধী (Anti Hindu Conspiracy) ও ভারত-বিরোধী চক্রান্তের জাল বুনে চলেছে কট্টর মৌলবাদী ইসলামি ছাত্র শিবির (Islami Chhatra Shibir) এবং পাকিস্তানের আইএসআই (Pak ISI)। আসুন জেনে নিই কীভাবে এতকাণ্ড ঘটল।

    ষড়যন্ত্র শুরু হয় ২০২২ সালে

    বাংলাদেশে (Bangladesh Unrest) গভীর ষড়যন্ত্রের প্রথম শুরু হয় ২০২২ সালের একেবারে গোড়ায়। ইসলামিক ছাত্র শিবিরের (Islami Chhatra Shibir) নেতারা তখন ঘনঘন পাকিস্তান সফরে গিয়েছিলেন। পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডিতে লাগাতার বৈঠক হয়। সেখানেই আন্দোলন এবং পরিকল্পনার রোডম্যাপ তৈরি করা হয়। তবে তারা এক দিনের আন্দোলন নয়, দীর্ঘ দিনের আন্দোলনের বিষয় স্থির করেছিল। যার প্রথম ধাপে ছিল বিপুল পরিমাণ মানুষকে ক্ষিপ্ত করে রাস্তায় নামানো (Bangladesh Unrest)। এরপর শেখ হাসিনাকে পদত্যাগ করানো। তারপর দ্বিতীয় ধাপে মহম্মদ ইউনূসকে তত্ত্বাবোধায়ক সরকার গঠনে নেতৃত্ব দেওয়া। কারণ ইউনূস এমন ব্যক্তি যিনি ইসালামি আগ্রাসী মনোভাব নিয়েই কাজ করবেন। আইএসআই স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছিল, বাংলাদেশে ইসলামকে সর্বাত্মক কার্যকর করতে হবে। কোনও সংখ্যালঘু (Anti Hindu Conspiracy) যেন আর না থাকে। অত্যাচার, নিপীড়ন, লুট, ধর্ষণ, খুনের বিরাট টার্গেট স্থির করা হয়। পাকিস্তানের মতো যেন বাংলাদেশ হিন্দু শূন্য হয়, এটাই পরিকল্পনা স্থির হয়েছিল। 

    আইএসআই-এর বিরাট ষড়যন্ত্র! (Anti Hindu Conspiracy)

    কার্যত এই পরিকল্পনার স্পষ্ট বাস্তবায়ন আমরা দেখেছি গত ৫ অগাস্টের পর থেকে। একে একে রংপুর, কুমিল্লা, ঢাকা, রাজশাহী, বরিশাল, চট্টগ্রামে হিন্দু মন্দির এবং বাড়ি-ঘরে কীভাবে হামলা হয়েছে (Bangladesh Unrest)। তবে আইএসআই ছাত্র শিবিরকে আশ্বাস দিয়েছিল, আন্দোলনে শোরগোল ফেলতে আরও বেশি কর্মীর প্রয়োজন হবে। তরুণ মুসলমান যুবকদের ভারত বিরোধী (Anti India Campaign) মগজ ধোলাই করতে সামজিক মাধ্যমে নানা উপকরণ ছড়িয়ে দেওয়া হয়। বিকৃত তথ্য এবং বিভ্রান্ত খবরের জোগান দিয়ে যুব সমাজের মনকে আকর্ষণ করা হয়। প্রথমে সামজিক মাধ্যমে আবহকে উত্তপ্ত করা হয় এবং এরপর মাঠে-ময়দানে, রাস্তায়  ধাপে ধাপে পরিকল্পনা করে নামানো হয় জনগণকে।

    ছাত্রদের মুখ করতে হবে

    আইএসআই খুব স্পষ্ট ভাবে নির্দেশ দিয়েছিল এই আন্দোলন যেন দেখতে সম্পূর্ণ ভাবে ছাত্র আন্দোলন হয়। ছাত্রদের সামনে রাখলে তবেই আন্দোলন বাস্তবায়ন হবে। উদ্দেশ্য সফল হবে। যে ছাত্র সমাজ কোটা-বিরোধী আন্দোলনে (Bangladesh Unrest) যোগদান করেছিল, তাদের একটা বড় অংশ আসল উদ্দেশ্য সম্পর্কে অন্ধকারে ছিল (Anti Hindu Conspiracy)। বিএনপি এই বিষয়ের সঙ্গে যুক্ত হয়ে রাজনৈতিক রং দেয়। বিশ্বের ইতিহাস দেখলে দেখা যাবে ছাত্র আন্দোলনের নামে যে কোনও স্বার্থকে খুব সহজেই আদায় করা যায়। জামাত শিবির, ইসলামিক ছাত্র শিবির (Islami Chhatra Shibir) এবং আইএসআই তাই এই বৃহৎ পরিকল্পনা করেছিল (Islami Chhatra Shibir Pak ISI Nexus)।

    আরও পড়ুনঃ ‘‘লুট করা হচ্ছে হিন্দুদের দোকান-বাড়ি’’, বাংলাদেশ ইস্যুতে সংসদে বিবৃতি জয়শঙ্করের

    প্রাতিষ্ঠানিক পরিকল্পনা (Bangladesh Unrest)

    প্রায় দুই বছর ধরে ইসালামিক ছাত্র শিবির (Islami Chhatra Shibir) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এবং জাহাঙ্গির নগর বিশ্ববিদ্যালয় সহ একাধিক জায়গায় ছাত্র সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে ধীরে ধীরে প্রভাব বিস্তার শুরু করে। জামাতের এই ছাত্র সংগঠনের অনেক সদস্য পাকিস্তানের আইএসআই-এর দ্বারা প্রশিক্ষিত হয়। তবে তারা নিজেরা রাস্তায় না নামলেও পরিকল্পিত ভাবে সাধারণ ছাত্র-জনতাকে রাস্তায় নামতে যুক্তি, কারণ এবং তথ্য প্রদানের কাজ করেছে। ফলে, আজকে বাংলাদেশের যা পরিস্থিতি, তার জন্য আইএসআই ভীষণ ভাবে দায়ী। 

    ভারত বিদ্বেষী প্রচার 

    আইএসআই-এর কাছে হাসিনার সরকারকে টার্গেট করার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ঠিক হয় ভারত বিদ্বেষী (Anti India Campaign) ভাবনার ব্যাপক প্রচার-প্রসার। হাসিনার আমলে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ৬.৩ শতাংশ আর্থিক বৃদ্ধি হয়েছিল। ভারতের সঙ্গেও সম্পর্ক ছিল অত্যন্ত মিত্রতার। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের (Bangladesh Unrest) বাণিজ্য ২০২১ সালে রেকর্ড স্তর ১৪ বিলিয়ন ডালারে পৌঁছে গিয়েছিল। কিন্তু রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে ২০২৩ সালে ১১.৩ বিলিয়ন ডলারে পরিণত হয়েছে। অপর দিকে নতুন ইউনূস সরকার জানিয়েছে, দুই দেশের বাণিজ্যে প্রভাব পড়বে না। যদিও বাংলাদেশের থেকে আদানি পাওয়ার সংস্থার ৮০ কোটি ডলার পাওনা রয়েছে। এখন এই পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য হল ভারতের সঙ্গে যাতে বাংলাদেশের সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যায়।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share