Tag: news in bengali

news in bengali

  • NDA: বিহার উপনির্বাচনে এনডিএ জোট চারে চার, শূন্য ‘ইন্ডি’, যোগীরাজ্যেও জয় ৭টিতে

    NDA: বিহার উপনির্বাচনে এনডিএ জোট চারে চার, শূন্য ‘ইন্ডি’, যোগীরাজ্যেও জয় ৭টিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশজুড়ে উপনির্বাচনে বিজেপির জয়জয়কার। উত্তরপ্রদেশ থেকে বিহার (Bihar)- সর্বত্র উপনির্বাচনে দেখা গিয়েছে গেরুয়া ঝড়। বিহারে চারটি বিধানসভা আসনে উপনির্বাচন হয়েছিল। চারে চার দখল করল এনডিএ জোট। চারটি আসনের মধ্যে বিজেপি জয়লাভ করেছে দুটি আসন। অন্যদিকে বাকি দুটি আসনের মধ্যে একটি পেয়েছে নীতীশ কুমারের জনতা দল ইউনাইটেড (জেডিইউ)। আরেকটি জিতন রাম মাঞ্জির হিন্দুস্তানি আওয়ামি মোর্চা (হাম)।

    বিহারের তারারি আসনে  (NDA) জয়ী বিজেপি

    বিহারের তারারি আসনে বিজেপির বিশাল প্রশান্ত ৭৮,৭৫৫ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী-লেনিনবাদী)-এর রাজু যাদব পেয়েছেন ৬৮,১৪৩ ভোট। ওই একই আসনে প্রশান্ত কিশোরের জন সুরজ পার্টির (জেএসপি) প্রার্থী কিরণ সিং ৫,৬২২ ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছেন।

    রামগড়ে জয়ী  (NDA) বিজেপি

    রামগড় আসনে বিজেপির অশোক কুমার সিং ১,৩৬২ ভোটে বহুজন সমাজ পার্টির (বিএসপি) সতীশ কুমার সিং যাদবকে পরাজিত করেছেন। বিজেরি ঝুলিতে গিয়েছে ৬২,২৫৭ ভোট এবং বহুজন সমাজ পার্টির সতীশ সিং পেয়েছেন ৬০,৮৯৫ ভোট।

    বেলাগঞ্জে জনতা দল (ইউনাইটেড)

    বেলাগঞ্জ আসনে জনতা দল (ইউনাইটেড) এর মনোরমা দেবী ২১,৩৯১ ভোটে জয়ী হয়েছেন (NDA)। এই আসনে আরজেডির প্রার্থী ছিলেন বিশ্বনাথ কুমার সিং। তিনি পেয়েছেন ৫১,৯৪৩ ভোট।

    ইমামগঞ্জ আসনে (Bihar) জয়ী হিন্দুস্তানী আওয়ামী মোর্চা

    ইমামগঞ্জ আসনে (NDA) হিন্দুস্তানি আওয়ামি মোর্চার দীপা কুমারী ৫৩,৪৩৫ ভোট পেয়েছেন এবং তাঁর প্রতিদ্বন্দী আরজেডির রৌশন কুমারকে ৫,৯৪৫ ভোটে পরাজিত করেছেন। দীপা কুমারী হলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতন রাম মাঞ্জির পুত্রবধূ।

    উত্তরপ্রদেশের উপনির্বাচনেও ভালো ফল বিজেপির

    উত্তরপ্রদেশে বিধানসভা উপনির্বাচনেও এনডিএ জয়জয়কার। ৯টি আসনের মধ্যে জোট জিতেছে ৭টিতে। এর মধ্যে বিজেপি জিতেছে ৬টি আসন, শরিক আরএলডি জিতেছে একটিতে। বিজেপির (NDA) ভালো ফলের জন্য খুশি ব্যক্ত করলেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। শনিবার যোগী আদিত্যনাথ নিজের এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, ‘‘উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা উপনির্বাচনে বিজেপি-এনডিএ-এর এই জয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফল নেতৃত্ব ও নির্দেশনার প্রতি মানুষের অটল বিশ্বাসের প্রমাণ।’’ যোগী আদিত্যনাথ আরও লিখেছেন, ‘‘এই জয় ডাবল ইঞ্জিন সরকারের সুরক্ষা, সুশাসন ও জনকল্যাণমূলক নীতি এবং নিবেদিতপ্রাণ কর্মীদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফল। আমি উত্তর প্রদেশের ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি, যারা উত্তর প্রদেশের সুশাসন ও উন্নয়নের জন্য ভোট দিয়েছেন এবং সমস্ত জয়ী প্রার্থীদের আন্তরিক অভিনন্দন জানাই! বাটেঙ্গে তো কাটেঙ্গে। এক রেহেঙ্গে-সেফ রেহেঙ্গে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Maharashtra Assembly Elections: মাত্র ছ’মাসেই মহারাষ্ট্রে ঘুরে দাঁড়াল বিজেপি, কোন মন্ত্রবলে জানেন?

    Maharashtra Assembly Elections: মাত্র ছ’মাসেই মহারাষ্ট্রে ঘুরে দাঁড়াল বিজেপি, কোন মন্ত্রবলে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্যবধান মাত্রই ছ’মাসের। এপ্রিলে লোকসভা নির্বাচনে যে রাজ্যে পদ্মের হাল (Mahayuti) মলিন হয়ে গিয়েছিল, মাত্র ছ’মাস পরেই সেই রাজ্যই পদ্মময়। মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনে মহা বিকাশ অঘাড়ী জোটকে ধরাশায়ী করে জয়ডঙ্কা বাজাচ্ছে বিজেপি। এ রাজ্যে গেরুয়া শিবির বলে বলে গোল দিয়েছে বিরোধীদের। লোকসভা নির্বাচনের পর মহারাষ্ট্রের কুর্সি দখলের যে স্বপ্ন বিরোধীরা দেখেছিলেন, সেই স্বপ্নই বিধানসভা নির্বাচনে খড়কুটোর মতো ভেসে গেল আরব সাগরের জলে। প্রশ্ন হল, কোন মন্ত্রবলে বিজেপির এই ঘুরে দাঁড়ানো আর বিরোধীদের অধঃপতন? আসছি সেই আলোচনায়ই।

    নিশ্চুপে মেরামত করে চলেছে ভাঙা নৌকার হাল (Maharashtra Assembly Elections)

    বিজেপি সূত্রে খবর, লোকসভা নির্বাচনের পর হাতে যে ছ’মাস ছিল, সেই সময় নিজেকে গড়েপিটে নিয়েছে মহারাষ্ট্র বিজেপি। শত্রুর ঘরে (পড়ুন বিরোধী শিবিরে) যখন নিত্য বয়ে গিয়েছে অশান্তির চোরাস্রোত, তখন বিজেপি নিশ্চুপে মেরামত করে চলেছে ভাঙা নৌকার হাল। যারই সুফল গেরুয়া শিবির কুড়িয়েছে বিধানসভা নির্বাচনে। গত ছ’মাসে একের পর এক সাহসী এবং জনকল্যাণকর পদক্ষেপ নিয়েছেন গৈরিক নেতারা।

    জনকল্যাণমুখী পদক্ষেপ

    নীতিগত সংশোধনের পদক্ষেপের পাশাপাশি কৃষক, নারী ও অনগ্রসর শ্রেণির জন্যও বিভিন্ন জনহিতকর কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে মহরাষ্ট্র সরকার। রাজনৈতিক মহলের মতে, মহাযুতি সরকারের এসব পদক্ষেপই ফলপ্রসূ হয়েছে। মহাযুতি সরকারের তিন শরিক— বিজেপি, শিবসেনা এবং ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি। লোকসভা নির্বাচনে বিপর্যয়ের পরে পরিস্থিতি পাল্টাতে সক্ষম হয়েছে এই জোট। মহারাষ্ট্রে লোকসভা আসন রয়েছে ৪৮টি। তার মধ্যে (Maharashtra Assembly Elections) বিজেপি পেয়েছিল মাত্র ১৭টি আসন (Mahayuti)। বাকি কেন্দ্রের রাশ গিয়েছে মহা বিকাশ অঘাড়ী (MVA) জোটের ঝুলিতে। শনিবার বিধানসভা নির্বাচনের ফল বের হওয়া শুরু হতেই চওড়া হতে থাকে বিজেপি নেতাদের মুখের হাসি। এদিন দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ১২৪টি আসনে জয় পেয়েছে পদ্ম শিবির। বিভিন্ন আসনে এগিয়ে রয়েছে মহাযুতি সরকারের জোট শরিকরা।

    আরও পড়ুন: মহারাষ্ট্রে জয় নিশ্চিত ‘মহাযুতি’ জোটের, ভোটারদের ধন্যবাদ একনাথ শিন্ডের

    দুয়ারে জনকল্যাণকর বিভিন্ন পরিষেবা

    মহারাষ্ট্রবাসীর দুয়ারে জনকল্যাণকর বিভিন্ন পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার সুফল যেমন বিজেপি কুড়িয়েছে, তেমনি আরএসএসের প্রচারও গৈরিক শিবিরের ঘরে তুলে দিয়েছে লাভের কড়ি। মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনে আদাজল খেয়ে ময়দানে নেমে পড়েছিল আরএসএস। বিজেপি এবং রাজ্যের শাসক জোটের হয়ে ব্যাপক প্রচারও করেছে তারা। যার জেরে হতাশা কাটিয়ে উঠে বিজেপির পক্ষে ভোট দিয়েছেন ভোটারদের একটা বড় অংশ। বিজেপিও তাদের কঠোর হিন্দুত্ববাদী অবস্থান জোরালো করে তোলে। বিজেপির স্লোগানের মধ্যে ছিল ‘এক হো তো সেফ হো’, ‘বাটেঙ্গে তো কাটেঙ্গে’ (ভাগ হলেই পতন)-এর মতো ঝাঁঝালো স্লোগান। এগুলোও ভোটারদের মনে গভীর ছাপ ফেলেছিল। এসবই জুগিয়েছে বিজেপির পালে হাওয়া। বিজেপি এবং আরএসএসের যুগলবন্দির মোকাবিলা করতে পারেনি মহা বিকাশ অঘাড়ী জোট। যার জেরে মহারাষ্ট্রে পানি পায়নি এই মহাজোট।

    ওবিসি সম্প্রদায়

    মারাঠা আন্দোলন (Maharashtra Assembly Elections) ওবিসি সম্প্রদায়গুলিকে মেরুকরণ করবে বলে আশা করা হয়েছিল। বিজেপি তার জনসংযোগ পরিকল্পনার মাধ্যমে বিচ্ছিন্ন ৩৫৩টি সম্প্রদায়কে ঐক্যবদ্ধ করার লক্ষ্যে নেমেছিল। মহারাষ্ট্র নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব এবং রাজ্যের শীর্ষ নেতারা অঞ্চলভিত্তিকভাবে ওবিসি সম্প্রদায়ের সঙ্গে বিজেপির সংযোগ স্থাপনের জন্য সুপরিকল্পিতভাবে কাজ করেছিলেন। বিজেপি কেন্দ্রীয় ওবিসি তালিকায় সাতটি জাতি বা উপজাতিকে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাবও রেখেছিল ওবিসি কমিশনের কাছে। ওবিসি সম্প্রদায়ের এই সূক্ষ্ম ব্যবস্থাপনা মহাযুতির পক্ষে মাঠ পর্যায়ে কার্যকর প্রমাণিত হয়। মহারাষ্ট্র বিধানসভার আসন সংখ্যা ২৮৮টি। এর মধ্যে ১৭৫টি আসনে নির্ণায়ক শক্তি ওবিসি সম্প্রদায়। তার একটা বড় অংশই এবার গিয়েছে গেরুয়া ঝুলিতে। যার জেরে আরব সাগরের তীরের লোনা মাটিতেও ফুটেছে পদ্ম।

    ‘কৃষি আমাদের ভিত্তি’

    মহারাষ্ট্রের জনসংখ্যার ৬৫ শতাংশই কৃষির ওপর নির্ভরশীল। তাই লোকসভা নির্বাচনে পরাস্ত হওয়ার পর কৃষকদের ভোট পদ্ম-ঝুলিতে টানতে একাধিক পদক্ষেপ করে মহারাষ্ট্রের মহাযুতি সরকার। এর মধ্যে ছিল রাজ্য বাজেটে সরকার ৭.৫ হর্সপাওয়ার পর্যন্ত কৃষি পাম্প ব্যবহারকারী কৃষকদের জন্য বিনামূল্যে বিদ্যুৎ সরবরাহের ঘোষণা। নির্বাচনী ইশতেহারে, মহাযুতি ফসল ঋণ মকুবের প্রতিশ্রুতিও দেয় সরকার। ‘ভাবান্তর যোজনা’র মাধ্যমে এমএসপি এবং প্রকৃত ক্রয়মূল্যের পার্থক্য পরিশোধ করার প্রতিশ্রুতিও দেয় সরকার। এছাড়াও গুচ্ছ জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি হাতে নেয় সরকার। বিধানসভা নির্বাচনে এসবই ডিভিডেন্ট দিয়েছে বিজেপিকে। তার জেরেই আরব সাগরের তীর হয়েছে (Mahayuti) পদ্মময়। মহারাষ্ট্রের কুর্সির রং হয়েছে গেরুয়া (Maharashtra Assembly Elections)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Pakistani Pilgrims: পাকিস্তানের হজযাত্রীদের দিতে হবে মুচলেকা! ভিক্ষাবৃত্তি রোধে কড়া পদক্ষেপ সৌদির

    Pakistani Pilgrims: পাকিস্তানের হজযাত্রীদের দিতে হবে মুচলেকা! ভিক্ষাবৃত্তি রোধে কড়া পদক্ষেপ সৌদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভিক্ষাবৃত্তি রোধ করতে সৌদি আরব (Saudi-Arabia) এবার পাকিস্তানি তীর্থযাত্রীদের (Pakistani Pilgrims) কাছ থেকে মুচলেকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বহিরাগত ভিখারিদের বিরুদ্ধে জিরো-টলারেন্স নীতির অংশ হিসেবে ইসিএল তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। যার মধ্যে ভিখারিদের মোট সংখ্যা রয়েছে ৪৩০০। সৌদি সরকারের পক্ষ থেকে তাদের বিতাড়িত করা হবে বলে জানানো হয়েছে। একই ভাবে ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে পাকিস্তান প্রশাসন। ইতিমধ্যে অবৈধভাবে ভিসা দেওয়ায় ট্রাভেল এজেন্সির বিরুদ্ধে ধরপাকড়ের মতো পদক্ষেপও দেখা গিয়েছে। মুসলমান রাষ্ট্রে এক নতুন মাত্রা সংযোজন করেছে পাকিস্তান। নিন্দার ঝড় বিশ্বজুড়ে।

    ভিক্ষাবৃত্তির বাণিজ্যিকরণ রুখতে পদক্ষেপ (Pakistani Pilgrims)?

    সৌদি আরবের (Saudi-Arabia) ইসলামিক ধর্মীয় তীর্থস্থানে পাকিস্তানি (Pakistani Pilgrims) ভিখারিদের বিরাট রমরমা! সৌদি সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে উমরাহ্ তীর্থযাত্রীদের ছদ্মবেশে পবিত্র ধর্মীয় স্থানে এই ভিখারিদের বিরাট আধিপত্য বৃদ্ধি পেয়ছে। স্থানীয় জনবিন্যাস এবং ভিক্ষাবৃত্তির বাণিজ্যিকরণ রুখতে প্রশাসন এবার বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যদিও পাক প্রশাসন উমরাহ্ আইন আনার কথা জানিয়েছে। 

    বিরাট পরিমাণে ভিখারিদের সংখ্যা বৃদ্ধি

    গত সেপ্টেম্বরে সৌদি সরকার (Saudi-Arabia) রিয়াদ উমরাহ্ এবং হজ ভিসার অধীনযুক্ত অঞ্চলে বিরাট পরিমাণে পাকিস্তানি ভিখারিদের (Pakistani Pilgrims সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে তথ্য সমানে এসেছে। সেই সময়ের বন্যায় এই ভিখারিরা ব্যাপক ভাবে সমস্যার সৃষ্টি করেছে। তাই এই ভিখারিদের বিরুদ্ধে পাকিস্তান সরকার জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা গ্রহণ করুক তা জানিয়ে নোটিশ জারি করেছিল সৌদি প্রশাসন। একই ভাবে বলা হয়, এই ধরনের ভিখারিদের ভিক্ষার উদ্দেশ্যকে মাথায় রেখে ভিসা প্রদানকে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। সৌদির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “পাকিস্তানি ভিখারিদের প্রতি জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হবে। ৪৩০০ জনের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। অবিলম্বে তাঁদের ফেরত পাঠানো হবে।”

    আরও পড়ুনঃ নিজ্জর খুনের ঘটনা জানতেন না মোদি-জয়শঙ্কর-ডোভাল, দিল্লির চাপে ‘ঢোঁক গিলল’ ট্রুডো সরকার

    মুচলেকা দিতে হবে পাক হজ যাত্রীদের

    একই ভাবে সমস্যার কথা মাথায় রেখে, বেশ কিছু নিয়ম জারি করেছে সৌদি প্রশাসন। তাতে বলা হয়েছে—

    এক) সৌদি আরবে আগত হজযাত্রীদের ভিক্ষাবৃত্তি গ্রহণ না করার বিশেষ প্রতিশ্রুতি দিয়ে মুচলেকা দিতে হবে। আর যদি অন্যথা করেন তাহলে তীর্থযাত্রীদের (Pakistani Pilgrims) বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জরিমানা সহ পাকিস্তানে বিতাড়িত করা হবে। 

     দুই) তীর্থযাত্রীদের শুধুমাত্র ভ্রমণের জন্য গ্রুপ করে বা দলবদ্ধভাবে ভ্রমণ করতে হবে। দল ছুট হলে ভিক্ষা বৃত্তির সম্ভাবনা বেড়ে যায়, তাই সকল দর্শনার্থীদের একসঙ্গে দলগত ভাবে ভ্রমণ করতে হবে। এই শর্ত অনিবার্য। আর যদি এই ভাবে ভ্রমণ না করে তাহালে তীর্থযাত্রীদের ভিসা বাতিল করা হবে। দেশে ফেরত পাঠানো হবে। 

     তিন) একই ভাবে যে সব ট্যুরিষ্টরা ট্র্যাভেল এজেন্সির মাধ্যমে ভ্রমণ করতে যাবে, তাদের কাছ থেকেও মুচলেকা নেওয়া হবে। শর্ত না মানলে ট্র্যাভেল এজেন্সির বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। কোনও ভাবেই অসৎ উদ্দেশে ধর্মস্থলে ভিক্ষা করা যাবে না। 

    পাকিস্তানে ট্রাভেল এজেন্সির বিরুদ্ধে ধরপাকড় শুরু

    জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের (Pakistani Pilgrims) ফেডারেল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এফআইএ) ইতিমধ্যে অবৈধভাবে উমরাহ্ ভিসাকে সহজ করতে গিয়ে নানা বেআইনি কাজ করেছে। ইতিমধ্যে সন্দেহভাজন কয়েকটি সংস্থার বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করার কাজ শুরু করেছে পাক প্রশাসন। জানা গিয়েছে, সম্প্রতি পাকিস্তানে চারটি ট্রাভেল এজেন্সির মালিককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তারা নানা সময়ে অবৈধ কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকত। ফলে বিশ্বের কাছে পাকিস্তান আরও অসম্মানজনক অবস্থায় পৌঁছে গিয়েছে বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল।

    মোটা টাকা নিয়ে দেশে ফেরে ভিখারিরা

    প্রতিবছর হজের সময় ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশের মতো দেশগুলি থেকে বহু তীর্থযাত্রী হজে যায়। তাদের মধ্যেই লুকিয়ে থাকে এইসব ভিখারিরা। সৌদিতে নেমে হারিয়ে যায় মানুষের ভিড়ে। তারপর তারা ভিক্ষাবৃত্তি শুরু করে দেয়। ফেরার সময় মোটা টাকা ঘরে নিয়ে আসে। এতে সমস্যায় পড়ে সৌদি প্রশাসন। উল্লেখ্য সৌদির বক্তব্যের পরিপ্রক্ষিতে পাকিস্তানের তরফে বলা হয়েছে, ভিখারিদের সমস্যা মেটাতে একটি উমরাহ আইন নামে একটি আইন আনা হবে দেশে। এতে যেসব উমরাহ এজেন্সিগুলি মানুষজনকে হজে নিয়ে যায় তাদের উপরে নজর রাখা হবে ও তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nayab Saini: ২৮ নভেম্বর থেকে কুরুক্ষেত্রের পূণ্যভূমিতে শুরু আন্তর্জাতিক গীতা মহোৎসব

    Nayab Saini: ২৮ নভেম্বর থেকে কুরুক্ষেত্রের পূণ্যভূমিতে শুরু আন্তর্জাতিক গীতা মহোৎসব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হরিয়ানার কুরুক্ষেত্রের ময়দানে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে দিয়েছিলেন গীতার উপদেশ। অর্থাৎ, ভগবদ্গীতা রচিত হয়েছিল কুরুক্ষেত্রে। আর সেই কুরুক্ষেত্রের পূণ্যভূমিতেই ২০২৪ সালে আন্তর্জাতিক গীতা মহোৎসবের (International Gita Mahotsav) আয়োজন হতে চলেছে। চলতি মাসের ২৮ নভেম্বর শুরু হচ্ছে আন্তর্জাতিক গীতা মহোৎসব। চলবে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত। হরিয়ানায় ফের ক্ষমতায় ফিরেছে বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন নয়াব সাইনি (Nayab Saini)। তিনি সাংবাদিক সম্মেলনে শুক্রবার আন্তর্জাতিক গীতা মহোৎসবের কথা জানিয়েছেন। তাঁর মতে, এই অনুষ্ঠান হতে চলেছে আধ্যাত্মিকতা ও সংস্কৃতির মেলবন্ধন। হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, চলতি বছরে তানজানিয়া অন্যতম সহযোগী দেশ হিসেবে থাকবে আন্তর্জাতিক গীতা মহোৎসবে। অন্যদিকে, ওড়িশা থাকবে সহযোগী রাজ্য হিসেবে। 

    সনাতন ধর্মের ঐতিহ্য এবং পরম্পরা প্রতিফলিত হবে 

    দেশের অঙ্গরাজ্য ওড়িশা সম্পর্কে বলতে গিয়ে হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী (Nayab Saini) বলেন যে প্রচুর ভক্তের গন্তব্য হল পুরীধাম। এছাড়া কোনারকের সূর্য মন্দির, লিঙ্গরাজ মন্দিরও যথেষ্ঠ বিখ্যাত। সনাতন ধর্মের ঐতিহ্য এবং পরম্পরা প্রতিফলিত হবে গীতা মহোৎসবে, এমনটাই জানিয়েছেন হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী। হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী (Nayab Saini) আরও জানিয়েছেন, তানজানিয়াকে আফ্রিকার গেট বলা হয়। ভারতের সঙ্গে গীতা মহোৎসবে তানজানিয়া সামিল হওয়াতে-দুই দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক সম্পর্কের উন্নতি হবে বলেই তিনি জানিয়েছেন।

    তানজানিয়ার একাধিক মন্ত্রীরও থাকার কথা রয়েছে গীতা মহোৎসবে 

    প্রসঙ্গত, তানজানিয়ার একাধিক মন্ত্রীরও থাকার কথা রয়েছে গীতা মহোৎসবে। আন্তর্জাতিক গীতা মহোৎসব, ২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত হয়েছিল হরিয়ানাতে। সে কথা স্মরণ করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, লক্ষাধিক মানুষ ভারত এবং বিদেশ থেকে সেই গীতা মহোৎসবের সামিল হন। এবারের মহোৎসবের ভক্ত সমাগম ৪৫ থেকে ৫০ লাখ হবে। তিনি (Nayab Saini) আরও জানিয়েছেন, ২০১৯ সালে আন্তর্জাতিক গীতা মহোৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছিল লন্ডনে। ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে আন্তর্জাতিক গীতা মহোৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছিল কানাডাতে। ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে গীতা মহোৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছিল অস্ট্রেলিয়াতে এবং চলতি বছরের শ্রীলঙ্কা এবং ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হচ্ছে গীতা মহোৎসব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Maharashtra Election Results 2024: মহারাষ্ট্রে জয় নিশ্চিত ‘মহাযুতি’ জোটের, ভোটারদের ধন্যবাদ একনাথ শিন্ডের

    Maharashtra Election Results 2024: মহারাষ্ট্রে জয় নিশ্চিত ‘মহাযুতি’ জোটের, ভোটারদের ধন্যবাদ একনাথ শিন্ডের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনে (Maharashtra Election Results 2024) বিজয়ের পথে ‘মহাযুতি’। রাজ্যের ভোটারদের ধন্যবাদ জানালেন মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে (Eknath Shinde)। ইতিমধ্যেই বিজেপি, শিবসেনা ও এনসিপির মহাযুতি জোট সংখ্যাগরিষ্ঠতার বিচারে অনেক এগিয়ে গিয়েছে। মহাযুতি নেতা থেকে শুরু করে সকল কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গিয়েছে।

    ৫৮,৮৭৯ ভোটে এগিয়ে একনাথ (Maharashtra Election Results 2024)

    বিধানসভা নির্বাচনের ফল গণনার শেষ পাওয়া তথ্য সূত্রে জানা গিয়েছে, শিবসেনা নেতা একনাথ শিন্ডে (Eknath Shinde) কোপরি-পাচপাখাদি থেকে ৫৮৮৭৯ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন। তিনি নির্বাচনী ফলকে ঘিরে বলেন, “আমি রাজ্যের সমস্ত ভোটার নাগরিকদের ধন্যবাদ জানাই। আমাদেরকে বিপুল জয়ের দিকে অগ্রসর করার জন্য সকলকে অভিনন্দন জানাই। আমি আগেই বলেছিলাম আমরা নির্বাচনী ফলাফলে সংখ্যা গরিষ্ঠতা পাবো। ‘লাডলি বেহেন’ (Ladli Bahin) প্রকল্প ব্যাপক ভাবে জনমনকে জয় করেছে। আমাদের প্রত্যাশা এবং অনুমানকে ব্যাপক ভাবে সাফল্যের দিকে নিয়ে গিয়েছে। এই ফলাফল (Maharashtra Election Results 2024) আমাদের গত আড়াই বছর কাজের উন্নয়নের প্রতিফল। আমরা আমাদের কাজের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের দুয়ারে দুয়ারে যেতে সক্ষম হয়েছি। আমাদের প্রকল্প এবং জনমুখী পরিকল্পনাগুলি মানুষের আস্থা, বিশ্বাস এবং ভরসা জয় করতে সক্ষম হয়েছি। সঠিক ভাবে নীতিগুলিভাবে যাতে বাস্তবায়িত হয় সেই উদ্দেশে কাজ করেছি আমরা।”

    জয় মানুষের জয়

    মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনের (Maharashtra Election Results 2024) ফলাফলকে সামনে রেখে একনাথ শিন্ডে (Eknath Shinde) আরও বলেছেন, “আমরা এখন চূড়ান্ত ঘোষণার অপেক্ষায় রয়েছি মাত্র। ফলপ্রকাশের পর আমরা মহাযুতি জোটের পক্ষ থেকে বিজেপি, শিবসেনা, এনসিপির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে কথা বলে সর্বসম্মতভাবে সিদ্ধান্ত নেব।” অপর দিকে জয় (Maharashtra Election Results 2024) সুনিশ্চিত বুঝতে পেরে একনাথ শিন্ডের ছেলে শ্রীকান্ত শিন্ডে দলের কর্মী-সমর্থকদের মিলে উচ্ছ্বাসে মেতেছেন। তিনি বলেন, “আমরা প্রত্যাশা অনুযায়ী আসন পাওয়ার দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। এই জয় মানুষের জয়।”

    আরও পড়ুনঃ রাহুল, খাড়্গে-সহ কংগ্রেসের তিন নেতাকে মানহানির নোটিশ পাঠাল বিজেপি

    বিজেপি ১০০ আসন অতিক্রম করবে

    আবার বিজেপি নেতা বিকাশ পাঠক ফলাফল (Maharashtra Election Results 2024) সম্পর্কে বলেছেন, “আমরা মহাযুতির জন্য ১৬০ টিরও বেশি আসন আশা করেছিলাম এবং ঠিক এভাবেই এটি প্রকাশ পাচ্ছে। এটি বিজেপির জন্য একটি উল্লেখযোগ্য বছর হবে। শক্তি বৃদ্ধি করে বিজেপি ১০০ আসনের সংখ্যা অতিক্রম করছে। শীঘ্রই একজন মহাযুতি মুখ্যমন্ত্রী শপথ নেবেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Manipur Clash: অশান্ত মণিপুরে আসছে আরও ৯০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, উদ্ধার ৩ হাজার অস্ত্রশস্ত্র

    Manipur Clash: অশান্ত মণিপুরে আসছে আরও ৯০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, উদ্ধার ৩ হাজার অস্ত্রশস্ত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের অশান্তির আগুনে পুড়ছে মণিপুর (Manipur Clash)। উত্তর-পূর্বের এই পাহাড়ি রাজ্যে শান্তি ফেরাতে আরও ৯০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Forces) পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। ৯০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীতে জওয়ান রয়েছেন প্রায় ১০ হাজার ৮০০ জন। সব মিলিয়ে মণিপুরে মোতায়েন করা হচ্ছে ২৮৮ কোম্পানি জওয়ান। মণিপুর সরকারের প্রধান নিরাপত্তা উপদেষ্টা কুলদীপ সিং বলেন, “অতিরিক্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে ঝুঁকিপূর্ণ, সংবেদনশীল, সীমান্তবর্তী এবং মিশ্র জনসংখ্যার এলাকাগুলিতে।”

    অশান্ত জিরিবাম (Manipur Clash)

    ৭ নভেম্বর থেকে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে মণিপুর। সব চেয়ে বেশি অশান্তি হচ্ছে জিরিবাম জেলায়। এই দফার গোষ্ঠী সংঘর্ষে এই জেলায় মৃত্যু হয়েছে ২০ জনের। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ১৪ নভেম্বর ফের লাগু হয়েছে আফস্পা। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ১৮ নভেম্বর সেখানে ৫০ কোম্পানি আধাসেনা মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কেন্দ্র। এবার পাঠানো হচ্ছে আরও ৯০ কোম্পানি সেনা (Manipur Clash)।

    কী বলছেন মণিপুরের নিরাপত্তা উপদেষ্টা?

    মণিপুরের নিরাপত্তা উপদেষ্টা কুলদীপ সিং জানান, এই জওয়ানরা এলাকার বাসিন্দাদের জীবন ও সম্পত্তি রক্ষা করবেন। প্রত্যেক জেলায় আলাদা করে কন্ট্রোল রুম ও কো-অর্ডিনেশন সেল খোলা হচ্ছে। আধাসেনার তালিকায় রয়েছে সিআরপিএফের পাশাপাশি থাকবে বিএসএফ, সেনা, অসম রাইফেলস, আইটিবিপি এবং সশস্ত্র সীমাবল। জানা গিয়েছে, যেসব অস্ত্রশস্ত্র লুট করা হয়েছিল, তার মধ্যে এ পর্যন্ত প্রায় ৩ হাজার অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। মায়ানমার সীমান্তের পাশাপাশি বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালাবে নিরাপত্তাবাহিনী। কড়া হাতে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বাহিনীকে।

    আরও পড়ুন: মহারাষ্ট্র-ঝাড়খণ্ডে শুরু ভোট গণনা, দুই রাজ্যেই এগিয়ে বিজেপি জোট

    এর আগে প্রবীণ এক পুলিশ কর্তা বলেছিলেন, গত বছরের ৩ মে থেকে মণিপুর অশান্ত হওয়ার পর থেকে সব মিলিয়ে লুঠ হয়েছিল ৫ হাজার ৬৬৯টি উন্নতমানের অস্ত্র এবং লক্ষাধিক রাউন্ড বিভিন্ন ধরনের (Central Forces) গুলি। প্রধান নিরাপত্তা উপদেষ্টা জানান, জাতীয় তদন্ত সংস্থা এনআইএ তাদের কাছে হস্তান্তরিত সমস্ত মামলার তদন্ত শুরু করেছে (Manipur Clash)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Worlds Tallest Temple: প্রবল ঝড়-ভূকম্পে থাকবে অক্ষত, বিশ্বের উচ্চতম মন্দির নির্মিত হচ্ছে মথুরায়

    Worlds Tallest Temple: প্রবল ঝড়-ভূকম্পে থাকবে অক্ষত, বিশ্বের উচ্চতম মন্দির নির্মিত হচ্ছে মথুরায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের ২২ তারিখ উদ্বোধন হয়েছে রাম মন্দিরের। তবে উত্তরপ্রদেশে মন্দির নির্মাণের পর্ব চলছেই। খুব দ্রুতগতিতে কাজ এগোচ্ছে কৃষ্ণ জন্মভূমি বলে পরিচিত মথুরার চন্দ্রোদয় মন্দিরের নির্মাণের কাজ। এই মন্দির পৃথিবীর উচ্চতম মন্দির (Worlds Tallest Temple) হতে চলেছে। দেশ-বিদেশের প্রচুর ভক্ত সারা বছরব্যাপী মথুরায় পা রাখেন। তাঁদের বিশ্বাস ভগবান শ্রীকৃষ্ণ পবিত্র মথুরা মাটিতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। মথুরার (Mathura) পাশেই যমজ শহর বৃন্দাবন। সেখানেও অগণিত ভিড় করেন। শ্রী কৃষ্ণের লীলাক্ষেত্র বলে পরিচিতি হল বৃন্দাবন।

    ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন (Worlds Tallest Temple) করেছিলেন প্রয়াত রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায় 

    বিশেষজ্ঞ মহলের ধারণা, মন্দির নির্মাণের (Worlds Tallest Temple) পরেই মথুরার আকর্ষণ সারা বিশ্বের কাছে আরও বেড়ে যাবে। দুবাইয়ের বুর্জ খলিফার সঙ্গেও এর তুলনা টানা হচ্ছে। মন্দির নির্মাণ হচ্ছে ইসকনের তত্ত্বাবধানে। জানা গিয়েছে, মন্দির নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে ২০১৪ সালের ১৬ নভেম্বর থেকে। তৎকালীন দেশের রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায় মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করেছিলেন। মথুরার (Mathura) এই মন্দিরে থাকছে মোট ১৬৬ তলা, পৃথিবীতে আর কোনও মন্দিরে এতগুলি তলা নেই। প্রসঙ্গত, চন্দ্রোদয় মন্দিরের উচ্চতা হতে চলেছে ৭০০ ফুট। পৃথিবীর এই উচ্চতম মন্দির দিল্লির কুতুব মিনারের চেয়ে তিনগুণ তিনগুণ বেশি উচ্চ হতে চলেছে। এমনকী, দুবাইয়ের বুর্জ খলিফার থেকেও উঁচু হবে এই মন্দির।

    ঝড়-ভূমিকম্পে থাকবে অক্ষত

    পুরো মন্দিরটি তৈরি হচ্ছে একদম পিরামিডের ধাঁচে। মন্দিরের (Worlds Tallest Temple) সর্বোচ্চ তলার নাম দেওয়া হয়েছে ব্রজ মণ্ডল দর্শন। জানা গিয়েছে, সম্পূর্ণ মন্দির নির্মাণে খরচ হচ্ছে ৭০০ কোটি টাকা। এই মন্দির রিখটার স্কেলের ৮ মাত্রা পর্যন্ত ভূকম্পন থেকেও নিজেকে রক্ষা করতে সক্ষম। সেভাবেই তৈরি করা হয়েছে। আবার ১৭০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বইলেও মন্দির অক্ষত থাকবে। মন্দিরটি ৭০ একর জায়গা জুড়ে অবস্থিত। মন্দির তৈরি হয়েছে ৫১১টি পিলারের মাধ্যমে। সম্পূর্ণ মন্দিরের ওজন পাঁচ লাখ টনেরও বেশি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cash For Vote: রাহুল, খাড়্গে-সহ কংগ্রেসের তিন নেতাকে মানহানির নোটিশ পাঠাল বিজেপি

    Cash For Vote: রাহুল, খাড়্গে-সহ কংগ্রেসের তিন নেতাকে মানহানির নোটিশ পাঠাল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেসের তিন নেতার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা ঠুকে দেওয়ার (Cash For Vote) হুমকি দিলেন বিজেপির (BJP) জাতীয় সাধারণ সম্পাদক বিনোদ তাওড়ে। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে, লোকসভার বিরোধী দলনেতা কংগ্রেসের রাহুল গান্ধী এবং কংগ্রেসের মুখপাত্র সুপ্রিয়া শ্রীনেটকে মানহানির নোটিশ পাঠিয়েছেন তিনি। তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাঁরা তাওড়ের বিরুদ্ধে ভোটারদের টাকা বিলি করার অভিযোগ তুলেছেন।

    ১০০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ দাবি (Cash For Vote)

    আইনি নোটিশে তাঁদের নিঃশর্তে তাওড়ের কাছে ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছে। অন্যথায় তিনি তাঁদের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ দাবি করে দেওয়ানি মানহানির মামলা এবং ফৌজদারি মানহানির মামলা করবেন। সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তাওড়ে বলেন, “কংগ্রেস নেতারা আমাকে ও আমার দলের মানহানির জন্য নির্বাচনের আগে মিথ্যা অভিযোগ করেছেন।”

    কী বলেছিলেন খাড়্গেরা?

    তিনি বলেন, “মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে, ১৯ নভেম্বর, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে, কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী এবং দলের মুখপাত্র সুপ্রিয়া বলেছিলেন যে বিনোদ তাওড়েকে ভোটারদের মধ্যে ৫ কোটি টাকা বিলি করার সময় হাতে-নাতে ধরা হয়েছে। তাঁরা কেবল (Cash For Vote) আমাকে ও আমার দলের মানহানি করতে চেয়েছিল।”

    বিজেপির এই নেতা বলেন, “আমি অত্যন্ত আঘাত পেয়েছি। আমি একটি সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ। গত ৪০ বছর ধরে রাজনীতিতে আছি। আমি কখনওই এমন কিছু করিনি। কংগ্রেস নেতারা আমাকে, আমার দল ও আমার নেতাদের মানহানি করতে চেয়েছিলেন। তাই তাঁরা ইচ্ছাকৃতভাবে সংবাদমাধ্যম ও জনগণের কাছে এই মিথ্যা কথা বলেছিলেন। তাই আমি তাঁদের বিরুদ্ধে আদালতের নোটিশ পাঠিয়েছি যে তারা যেন প্রকাশ্যে ক্ষমা চান, অন্যথায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    আরও পড়ুন: নিজ্জর খুনের ঘটনা জানতেন না মোদি-জয়শঙ্কর-ডোভাল, দিল্লির চাপে ‘ঢোঁক গিলল’ ট্রুডো সরকার

    তাওড়ের বিরুদ্ধে টাকা বিলির অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে বিজেপি। পদ্ম-সাংসদ সম্বিত পাত্র বলেন, “এগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন অভিযোগ। আমাদের সাধারণ সম্পাদক বিনোদ তাওড়ে স্পষ্টভাবে রাহুলকে চ্যালেঞ্জ করেছেন যে তিনি এসে (BJP) সিসিটিভির ফুটেজ দেখুন, নিজেই দেখুন এবং বলুন কোথায় অর্থ রয়েছে (Cash For Vote), কে বিতরণ করছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: নিজ্জর খুনের ঘটনা জানতেন না মোদি-জয়শঙ্কর-ডোভাল, দিল্লির চাপে ‘ঢোঁক গিলল’ ট্রুডো সরকার

    PM Modi: নিজ্জর খুনের ঘটনা জানতেন না মোদি-জয়শঙ্কর-ডোভাল, দিল্লির চাপে ‘ঢোঁক গিলল’ ট্রুডো সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খালিস্তানপন্থী জঙ্গি নিজ্জর খুনের ঘটনায় কানাডার (Canada) সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয় যে জঙ্গি হত্যার ষড়যন্ত্রের কথা নাকি জানতেন খোদ প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi)। এবার চাপে পড়ে সংবাদমাধ্যমের প্রকাশিত রিপোর্টকে খারিজ করল সে দেশের সরকার। প্রসঙ্গত, কানাডার সংবাদমাধ্যমে এমন খবর সামনে আসতেই নয়া দিল্লির তরফে প্রবলভাবে বিরোধ করা হয়। ঠিক এই পরিস্থিতিতে, শুক্রবারে জাস্টিন ট্রুডো সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে বিবৃতি দিয়েছে। শুক্রবার ট্রুডো সরকার বলেছে, ‘‘খালিস্তানি সন্ত্রাসবাদী হরদীপ সিংহ নিজ্জর হত্যা-সহ কানাডায় কোনও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) বা তার সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তাদের যুক্ত করার কোনও প্রমাণ নেই।’’

    ১৩ অক্টোবর কানাডার বিবৃতিতে বলা হয় নিজ্জর হত্যাকাণ্ডে জড়িত রয়েছেন কূটনীতিক সঞ্জয় কুমার বর্মা

    প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত ১৩ অক্টোবর কানাডা সরকারের তরফ থেকে একটি বিবৃতি জারি করা হয় এবং সেখানে জানানো হয়, নিজ্জর হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন সে দেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার সঞ্জয় কুমার বর্মা। এর পরে সঞ্জয় সহ কয়েকজনকে দেশে ফিরিয়ে আনে ভারত সরকার। একই সঙ্গে কানাডার কয়েকজন কূটনীতিককে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে বহিষ্কার করে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক। এর পাশাপাশি কানাডার আসন্ন পার্লামেন্ট নির্বাচনে খালিস্তানি গোষ্ঠীগুলির সমর্থন পাওয়ার জন্য জাস্টিন ট্রুডোর সরকার এমন বিতর্ক তৈরি করছে বলেও জানা কেন্দ্র।

    দ্য গ্লোব অ্যান্ড মেল’-এর প্রতিবেদনে

    খালিস্তানি জঙ্গি হরদীপ সিং নিজ্জরকে হত্যা নিয়ে চলতি সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নাম জড়ানোর চেষ্টা হয়। কানাডার সংবাদপত্র ‘দ্য গ্লোব অ্যান্ড মেল’-এর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, নিজ্জরকে খুনের পরিকল্পনার কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) সবটাই জানতেন। এর পাশাপাশি ষড়যন্ত্রের কথা জানতেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালও। তবে এর স্বপক্ষে কোনও যুক্তি অবশ্য দিতে পারেনি কানাডার ওই সংবাদমাধ্যম।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Assembly Election 2024: মহারাষ্ট্র-ঝাড়খণ্ডে শুরু ভোট গণনা, দুই রাজ্যেই এগিয়ে বিজেপি জোট

    Assembly Election 2024: মহারাষ্ট্র-ঝাড়খণ্ডে শুরু ভোট গণনা, দুই রাজ্যেই এগিয়ে বিজেপি জোট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অধিকাংশ সমীক্ষাতেই উঠে এসেছে যে ঝাড়খণ্ড এবং মহারাষ্ট্র- এই দুই রাজ্যে সরকার গঠন করবে বিজেপি। সকাল থেকেই দুই রাজ্যেই এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। লোকসভা নির্বাচনের ছয় মাসের মাথাতে ভোট হচ্ছে দুই রাজ্যে। আজ শনিবার সকাল আটটা থেকে ঝাড়খণ্ড ও মহারাষ্ট্রে (Assembly Election 2024) শুরু হয়েছে ভোট গণনা। এর পাশাপাশি গণনা চলছে বাংলার ছটি কেন্দ্রে (Election Results)। যেগুলিতে উপনির্বাচন হচ্ছে। অন্যদিকে, উপনির্বাচন হচ্ছে ২ রাজ্যের ২ লোকসভা কেন্দ্রেও। মহারাষ্ট্রের নান্দেড় লোকসভার পাশাপাশি সেই তালিকায় রয়েছে কেরলের ওয়েনাড়। সেখানেও গণনা চলছে। মোট ১৪টি রাজ্যের ৪৮টি বিধানসভা এবং দু’টি লোকসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন চলছে। রাজ্যগুলি হল- অসম, বিহার, ছত্তিশগড়, গুজরাট, কর্নাটক, কেরল, মধ্যপ্রদেশ, মেঘালয়, পাঞ্জাব, রাজস্থান, সিকিম, উত্তরাখণ্ড, উত্তরপ্রদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গ।

    পশ্চিমবঙ্গের ৬ কেন্দ্র সমেত গণনা ঝাড়খণ্ডেও (Assembly Election 2024)

    গণনা চলছে পশ্চিমবঙ্গের ছ’টি বিধানসভা কেন্দ্রে (Election Results)। এগুলি হল-কোচবিহারের সিতাই, আলিপুরদুয়ারের মাদারিহাট, উত্তর ২৪ পরগনার হাড়োয়া ও নৈহাটি, বাঁকুড়ার তালড্যাংরা এবং পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার মেদিনীপুর। যেখানে কংগ্রেসের প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। বাংলার পাশাপাশি উত্তরপ্রদেশের ন’টি বিধানসভার উপনির্বাচনের ফলাফলও বের হবে আজ শনিবার। বাংলার পড়শি রাজ্য ঝাড়খণ্ডে (Assembly Election 2024) মোট ৮১টি আসনের মধ্যে ৪৩টিতে ভোট হয়েছিল প্রথম দফায়, গত ১৩ নভেম্বর। বাকি ৩৮টিতে দ্বিতীয় দফায়, ২০ নভেম্বর। মহারাষ্ট্রের ২৮৮ আসনেই ২০ নভেম্বর এক দফায় ভোট হয়েছিল। 

    মহারাষ্ট্রের ভোট গণনা

    মহারাষ্ট্রে মূল লড়াই বিজেপি-শিবসেনা (একনাথ শিন্ডে), এনসিপি (অজিত)-এর জোট ‘মহাযুতি’ এবং কংগ্রেস-শিবসেনা (ইউবিটি)-এনসিপি (শরদ)-এর ‘মহাবিকাশ আঘাড়ী’র মধ্যে। এ ছাড়া ভোটের ময়দানে রয়েছে রাজ ঠাকরের মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনাও, বাবাসাহেব আম্বেদকরের পুত্র তথা প্রাক্তন সাংসদ প্রকাশ আম্বেদকর ‘বঞ্চিত বহুজন আঘাড়ী’ দলের হয়ে লড়ছেন। মহারাষ্ট্রে ক্ষমতাসীন ‘মহাযুতি’র গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী (Assembly Election 2024) তথা শিবসেনা প্রধান একনাথ শিন্ডে (কোপরি-পাচপাখাড়ি), দুই উপমুখ্যমন্ত্রী, এনসিপির অজিত পওয়ার (বারামতী) এবং বিজেপির দেবেন্দ্র ফড়ণবীস (নাগপুর দক্ষিণ-পশ্চিম)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share