Tag: news in bengali

news in bengali

  • Bengal Governor: ‘‘ডিভিসি নয়, কংসাবতীর জলেই বন্যা’’, মমতার তত্ত্ব খারিজ করে দাবি রাজ্যপালের

    Bengal Governor: ‘‘ডিভিসি নয়, কংসাবতীর জলেই বন্যা’’, মমতার তত্ত্ব খারিজ করে দাবি রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ডিভিসি তত্ত্বের বিরোধিতা করলেন রাজ্যপাল (Bengal Governor)। তাঁর দাবি, ডিভিসি (দামোদর ভ্যালি কর্পোরেশন) নয়, রাজ্যের বন্যার জন্য দায়ী রাজ্য নিজেই। এর ব্যাখ্যাও করেন সিভি আনন্দ বোস। রাজ্যের নিয়ন্ত্রণাধীন কংসাবতী বাঁধের জল ছাড়ার কারণেই এই বন্যা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। এখানেই থেমে থাকেননি রাজ্যপাল। এবিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠিও দিয়েছেন বোস (Bengal Governor)। 

    ডিভিসির ওপর দায় না চাপিয়ে বন্যা মোকাবিলা করুন, মন্তব্য রাজ্যপালের (Bengal Governor)

    আনন্দ বোসের মতে, কোনও বাঁধই বন্যা পুরোপুরি আটকাতে পারে না, যদি জমা জলের পরিমাণ ক্রমশ বাড়তে থাকে। রাজ্যপাল (Bengal Governor) চিঠিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সাফ জানিয়েছেন যে, কংসাবতী, শিলাবতী ও দ্বারকেশ্বর নদী এলাকায় প্রচুর বৃষ্টিপাত এবং কংসাবতী নদীর ওপর মুকুটমণিপুর বাঁধ থেকে জল ছাড়ার ফলে এইসব জায়গা প্লাবিত হয়েছে। রাজ্যপালের মতে, বাঁকুড়া, বীরভূম, মেদিনীপুরের মতো জেলাগুলি কোনওভাবেই ডিভিসি-এর আওতাভুক্ত নয়। ডিভিসির ওপর দায় না চাপিয়ে বন্যা মোকাবিলা করুন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের অভিযোগ, রাজ্যকে না জানিয়ে জল ছাড়া হয়েছে। যদিও কেন্দ্রীয় সরকার মুখ্যমন্ত্রীর সেই দাবিকে নস্যাৎ করেছে। 

    ডিভিসি (DVC) ইস্যুতে মমতাকে তোপ শুভেন্দুর

    বন্যা পরিস্থিতি পরিদর্শন করার সময় ডিভিসির (DVC) সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। মমতার মন্তব্যে পাল্টা তোপ দেগেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। বিজেপি নেতা বলেন, ‘‘উনি কি জানেন যে পশ্চিম বাংলার পশ্চিমাঞ্চলের ৭ থেকে ৮টি জেলায় আলো জ্বলে, কারখানা চলে, ট্রেন যায় ডিভিসির বিদ্যুতে। একটা পাওয়ার প্ল্যান্ট করতে পারেননি, এক ইউনিট বিদ্যুৎ নতুন করে জেনারেট করতে পারেননি, ডিভিসির ওপর নির্ভর করেন, আবার ডিভিসির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করবেন বলেছেন, আমি আপনাকে চ্যালেঞ্জ করছি। আপনার যদি সাহস থাকে তাহলে ডিভিসির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে দেখান। রাজ্যের ৮টা জেলা অন্ধকারে ডুববে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ। 

  • Junior Doctors: রাজ্যের বন্যা দুর্গতদের পাশে জুনিয়র ডাক্তাররা, বিলি করা হল ত্রাণ

    Junior Doctors: রাজ্যের বন্যা দুর্গতদের পাশে জুনিয়র ডাক্তাররা, বিলি করা হল ত্রাণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ শুক্রবার থেকে আংশিক কর্মবিরতি উঠছে জুনিয়র ডাক্তারদের। এরই মধ্যে এদিন সকাল থেকে ত্রাণ নিয়ে বন্যা কবলিত বিভিন্ন জায়গায় পৌঁছে গেলেন জুনিয়র ডাক্তাররা (Junior Doctors)। জুনিয়র ডাক্তারদের এমন কর্মসূচিকে কুর্নিশ জানাচ্ছেন রাজ্যের নাগরিক সমাজের বড় অংশ। বন্যা দুর্গত মানুষদের ত্রাণের পাশাপাশি ওষুধ ও চিকিৎসা পরিষেবাও এদিন পৌঁছে দেন তাঁরা। প্রসঙ্গত, এমন কর্মসূচির কথা আগেই ঘোষণা করেছিল জুনিয়র ডাক্তাররা।

    বন্যায় ভাসছে রাজ্যের চার জেলার বিস্তীর্ণ অংশ

    সেপ্টেম্বর মাসে বন্যায় ভাসছে রাজ্যের একাধিক জেলা। পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়া, হুগলির আরামবাগ, খানাকুল, হাওড়ার আমতা, উদয়নারায়ণপুরের বিস্তীর্ণ গ্রাম রয়েছে জলের তলায়। এমন পরিস্থিতি যে, অসুস্থ হলে হাসপাতালে পর্যন্ত পৌঁছতে পারছেন না বন্যা কবলিত এলাকার মানুষজন। এই আবহে আজ থেকে দুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে পথে নামলেন জুনিয়র ডাক্তাররা।

    নিত্য প্রয়োজনীয় (Junior Doctors) সামগ্রীর বিতরণের সঙ্গে খোলা হয় অভয়া ক্লিনিকও

    শুক্রবার সকালেই বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজের জুনিয়র চিকিৎসকদের একটি টিম ম্যাটাডোরে করে পাঁশকুড়ার পথে রওনা দেন। চাল, ডাল, আলু, মুসুর ডাল, বিস্কুট, সয়াবিন, চিঁড়ে, চিনি, ভোজ্য তেল ছাড়াও জুনিয়র চিকিৎসকরা এদিন বন্যা কবলিত এলাকায় পৌঁছে দেন পর্যাপ্ত ওষুধ। এর পাশাপাশি অভয়া ক্লিনিকের (Abhaya Clinic) মাধ্যমে জরুরি ওষুধও দেওয়া হয় বিনামূল্যে ৷

    আন্দোলনস্থলের সামগ্রীও তাঁরা (Junior Doctors) পৌঁছে দেন  বন্যা কবলিত এলাকায়

    প্রসঙ্গত, এগারো দিনে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে জুনিয়র ডাক্তারদের (Junior Doctors) বিভিন্ন সামগ্রী দিয়ে সাহায্য করেছিল জনগণ। তাঁদের আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়ে পাশে দাঁড়ান অনেকজনই। তাঁদের মধ্যে কেউ ত্রিপল, কেউ চৌকি, জামা-কাপড়, পানীয় জল, শুকনো খাবার-সহ নানা সামগ্রী দিয়ে সাহায্য করেছেন। সেই সমস্ত ত্রিপল, চৌকি ও বেঁচে যাওয়া পানীয় জল, শুকনো খাবারও রাজ্যের বন্যা কবলিত এলাকার মানুষদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Darivit Incident: দাড়িভিট কাণ্ডের ৬ বছর, শহীদ স্মরণে একাধিক অনুষ্ঠান এবিভিপির

    Darivit Incident: দাড়িভিট কাণ্ডের ৬ বছর, শহীদ স্মরণে একাধিক অনুষ্ঠান এবিভিপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ শুক্রবার ২০ সেপ্টেম্বর দাড়িভিট কাণ্ডের ৬ বছর পূর্তি হল। প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের এই দিনেই বাংলা ভাষার শিক্ষকের দাবিতে আন্দোলনে নামে দাড়িভিট স্কুলের পড়ুয়ারা। সেই আন্দোলনেই (Darivit Incident) পুলিশ গুলি চালায় বলে অভিযোগ। গুলিতে নিহত হন দুই ছাত্র নেতা রাজেশ সরকার ও তাপস বর্মন। বর্বরোচিত সেই ঘটনার ৬ বছর পূর্তিতে শহীদ রাজেশ-তাপসের স্মরণে এদিন একাধিক অনুষ্ঠান হয় দাড়িভিটে। মিছিল, জনসভা, সন্ধ্যায় প্রদীপ প্রজ্জ্বলন, প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ, স্বাস্থ্য পরীক্ষা শিবিরের মাধ্যমে দিনভর দিনটি পালন করে এবিভিপি (Abvp)।

    কারা হাজির ছিলেন? (Darivit Incident) 

    সংগঠনের (Darivit Incident) দুই কর্মীর স্মরণ সভায় এদিন এবিভিপি নেতৃত্ব যেমন হাজির ছিলেন, তেমনই রাজেশ-তাপসের পরিবারের সদস্যরাও সামিল হন অনুষ্ঠানগুলিতে। মূল অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় এদিন সকালে। দাড়িভিট হাইস্কুল থেকে শহীদ রাজেশ-তাপসের সমাধিস্থল পর্যন্ত মিছিল করে এবিভিপি (Abvp)। এই মিছিলে অসংখ্য সাধারণ মানুষকেও সামিল হতে দেখা যায়। এদিনের শহীদ স্মরণ অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন এবিভিপির সর্বভারতীয় সহ সংগঠন সম্পাদক গোবিন্দ নায়েক, রায়গঞ্জ লোকসভার সাংসদ কার্তিক পাল, এবিভিপির উত্তরবঙ্গ প্রান্তের সভাপতি ডঃ বিশ্বজিৎ রায়, সংগঠনের জাতীয় কমিটির সদস্য শুভব্রত অধিকারী, এবিভিপির প্রাক্তন রাজ্য নেতা রাতুল বর্মন প্রমুখ।

    কী বলছেন এবিভিপি নেতৃত্ব? 

    বেলা একটা নাগাদ রাজেশ-তাপসের সমাধিস্থলে (Darivit Incident) শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদনের অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। এরপরে সমাধিস্থল থেকে কিছুটা দূরেই অনুষ্ঠিত হয় স্মরণসভা। এই সভায় এবিভিপির নেতা গোবিন্দ নায়ক বলেন, ‘‘রাজেশ-তাপস বিচার পাবেই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সঠিক পথেই এগোচ্ছে এবং আমরা আশাবাদী খুব তাড়াতাড়ি দুই শহীদ বিচার পাবে ও দোষীদের শাস্তি হবে।’’ প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের মে মাসেই কলকাতা হাইকোর্ট দাড়িভিট কাণ্ডে (Darivit Incident) এনআইএ তদন্তের নির্দেশ দেয়। এবিভিপির প্রাক্তন রাজ্য নেতা রাতুল বর্মন মাধ্যমকে ফোনে বলেন, ‘‘আজকের দিনেই পশ্চিমবঙ্গের ভাষা শহীদ রাজেশ-তাপস দেখিয়ে দিয়েছিলেন মাতৃভাষার জন্য আন্দোলন কীভাবে করতে হয়! নিজেদের প্রাণ বিসর্জন দিয়ে তাঁরা যুব সমাজের কাছে মাতৃভাষা রক্ষার লড়াইয়ের এক উদাহরণ স্থাপন করতে পেরেছেন।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ISRO: ২০২৪ সালের শেষেই মানব মহাকাশযান ‘গগনযান’-এর উৎক্ষেপণ হবে, জানালেন ইসরো প্রধান

    ISRO: ২০২৪ সালের শেষেই মানব মহাকাশযান ‘গগনযান’-এর উৎক্ষেপণ হবে, জানালেন ইসরো প্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের প্রথম ‘মানব মহাকাশযান প্রোগ্রাম’ হিসেবে ‘গগনযান’ এবছরের শেষে উৎক্ষেপণ হতে পারে বলে জানিয়েছেন ইসরো (ISRO) প্রধান ডক্টর এস সোমনাথ। ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজেশনের (ইসরো) চেয়ারম্যান বলেন, “২০২৪ সালের শেষ নাগাদ ভারতের প্রথম মানব মহাকাশযান মিশন গগনযান চালু করার চেষ্টা করা হচ্ছে।” একই সঙ্গে চন্দ্রযান-৪ নিয়ে ইতিবাচক মন্তব্য করেন তিনি। উল্লেখ্য, ভারতের চন্দ্রযান-৩ অভিযানে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণ করে বিশ্ববাসীর নজর কেড়ে নিয়েছিল ভারত। এবার এই গগনযান নিয়েও ইসরো ব্যাপক আশাবাদী।

    মানুষকে নিম্ন আর্থ অরবিটে (LEO) পাঠানো হবে (ISRO)

    কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুতে স্পেস এক্সপোতে ভাষণ দেওয়ার সময় সোমনাথ (ISRO) বলেন, “গগনযান উৎক্ষেপণের জন্য প্রস্তুতি আমাদের চূড়ান্ত পর্যায়ে। সব ঠিকঠাক থাকলে আমরা এই বছরের শেষেই অভিযানের জন্য পরিকল্পনা করেছি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা গগনযান প্রোগ্রাম সম্প্রসারণের অনুমোদন দিয়েছে। সেই সঙ্গে ভারতীয় মহাকাশ স্টেশনের উন্নয়ন সম্পর্কিত একাধিক প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।” যদিও ভারত সরকা ডিসেম্বর, ২০১৮ সালে গগনযান অভিযান অনুমোদন করেছিল। এটি ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ ছিল। এই কর্মসূচির অধীনে, মানুষকে নিম্ন আর্থ অরবিটে (LEO) পাঠানো হবে। একই ভাবে ভবিষ্যতে আরও মানব মহাকাশযান তৈরি করা হবে। মিশনটি কেবল মহাকাশে পৌঁছানোর চেষ্টাই করবে না, বরং আরও ব্যাপক ভাবে অনুসন্ধানের জন্য ভিত্তি তৈরির কাজ করবে বলে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ ১০ বছরে ভারতে তিনটি আন্তর্জাতিক হাব গড়ে উঠবে, প্রত্যয়ী জ্যোতিরাদিত্য

    চন্দ্রযান-৪ মিশন নিয়ে কী বললেন?

    চন্দ্রযান-৩ মিশনে যে চ্যালেঞ্জগুলি মোকাবিলা করা হয়েছিল, সেগুলির বিষয়েও ইসরোর (ISRO) মতামত বিনিময় করেছেন ইসরো প্রধান। তিনি বলেন, “মিশনের যন্ত্রাংশ ইসরো তৈরি করেছে। সামগ্রিক ভাবে চন্দ্রযান-৪ উপগ্রহের আকার প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। এখন পাঁচটি মডিউলের প্রয়োজন এবং এই জটিল অপারেশনের জন্য দুটি উৎক্ষেপণের প্রয়োজন হবে। গত ১৮ সেপ্টেম্বর চন্দ্রযান-৪ মিশনের অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্র। এই মিশনের মাধ্যমে ইসরো এমন প্রযুক্তি ব্যবহার করবে, যা কার্যত চাঁদে সফল অবতরণ করার পরে পৃথিবীতে ফিরে আসার জন্য সক্ষম হবে। মিশনের সময় পৃথিবীতে চাঁদের নমুনা সংগ্রহ করে আনবে। এরপর পরীক্ষাও করা হবে। মিশনের ফোকাস হবে ঝুঁকি না নিয়ে মানুষকে চন্দ্রে অবতরণ করা। সেই সঙ্গে পৃথিবীতে নিরাপদে ফিরে আসার জন্য মৌলিক প্রযুক্তি থাকবে সেখানে। বৈশ্বিক মহাকাশ শক্তির তালিকায় ভারতের স্থান আরও পাকাপাকি করতে কেন্দ্রীয় সরকার উচ্চাভিলাষী দৃষ্টিভঙ্গির প্রকাশ করেছে। এই পরিকল্পনায় ২০৩৫ সালের মধ্যে ভারতীয় মহাকাশ স্টেশন স্থাপন করা হবে এবং ২০৪০ সালের মধ্যে একজন ভারতীয় মানুষকে চাঁদে অবতরণ করা হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jyotiraditya Scindia: ১০ বছরে ভারতে তিনটি আন্তর্জাতিক হাব গড়ে উঠবে, প্রত্যয়ী জ্যোতিরাদিত্য

    Jyotiraditya Scindia: ১০ বছরে ভারতে তিনটি আন্তর্জাতিক হাব গড়ে উঠবে, প্রত্যয়ী জ্যোতিরাদিত্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী এক দশকের মধ্যে ভারতে অন্তত তিনটি আন্তর্জাতিক ব্যবসা কেন্দ্র (International Business Centres) গড়ে উঠবে। এমনটাই জানালেন কেন্দ্রীয় যোগাযোগ ও উন্নয়ন মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া (Jyotiraditya Scindia)। সম্প্রতি, নয়াদিল্লিতে ‘ভারতের আরোহণ: বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা’ থিমের উপর ৫১তম জাতীয় ব্যবস্থাপনার কনভেনশনে যোগ দিয়েছলেন তিনি। সেখানেই দেশের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলিতে দ্রুত আর্থিক বৃদ্ধির উপর জোর দিয়ে মত প্রকাশ করেছেন। 

    ১৫৯টি বিমানবন্দর নির্মাণ করতে পেরেছি (Jyotiraditya Scindia)

    সিন্ধিয়া (Jyotiraditya Scindia) জোর দিয়ে বলেন, “আমি নিশ্চিত যে আগামী এক দশকে, ভারত একটি আন্তর্জাতিক হাব নয়, ভারতে অন্তত তিনটি আন্তর্জাতিক হাব তৈরি হতে দেখব। ভারত আজ বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মোবাইল ফোন উৎপাদনকারী দেশ (International business cente)। আমরা প্রতিদিন হাইওয়ে নির্মাণের কিলোমিটারের সংখ্যা তিনগুণ বাড়িয়ে ১১ থেকে ৩৩ কিলোমিটার করেছি। আমার অতীতের প্রেক্ষিতে ২০১৪ সালে ভারতের ৭৪টি বিমানবন্দর ছিল। বর্তমানে সেখান ২০২৪ সালের শেষ গণনাতে ১৫৯টি বিমানবন্দর নির্মাণ করতে পেরেছি। আজ আমাদের দিল্লি, বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ক্ষমতাসম্পন্ন বিমানবন্দরে উত্তীর্ণ করতে সক্ষম হয়েছে। আমাদের পূর্ব এবং পশ্চিমের প্রতিবেশী দেশগুলিকে এখন তাদের বিমান চলাচলের আন্তর্জাতিক রুটকে ভারত কেন্দ্রিক করার উপর জোর দিতে হবে।”

    আরও পড়ুনঃ ভেঙে পড়া নৌসেনার সি-গার্ডিয়ান ড্রোন প্রতিস্থাপন করবে মার্কিন সংস্থা

    ১১৯ কোটি মোবাইল গ্রাহকে উন্নীত

    সম্মেলনে ভাষণ দিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সিন্ধিয়া (Jyotiraditya Scindia) আরও বলেন, “আয়ুষ্মান ভারত যোজনার অধীনে, আজ সাড়ে ২৮ কোটি লোকের বার্ষিক পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত স্বাস্থ্য বীমা দেওয়া হয়েছে। আমাদের ১০ কোটি মা-বোনেদের উজ্জ্বলা যোজনার আওতায় আনা হয়েছে। উল্লেখ্য এসব দেশে গত ৭৫ বছরে ঘটেনি। এই সবই ভারতের অগ্রগতির গত এক দশকে সম্পন্ন হয়েছে। দেশের ব্রডব্যান্ড ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৬ কোটি থেকে ৯৪ কোটিতে পৌঁছে গিয়েছে। শুধুমাত্র গত এক দশকে ৩০ লাখ কিলোমিটার অপটিক্যাল ফাইবার স্থাপন করা হয়েছে। বর্তমানে আমরা ১১৯ কোটির মোবাইল গ্রাহক সংখ্যায় উন্নীত হয়েছি। ভারতে ডিজিটাল বিপ্লবও ব্যাপক ভাবে সফল হয়েছে। মোবাইল ইন্টারনেট সংযোগ ২৫ কোটি থেকে ৯৪ কোটিতে পৌঁছে গিয়েছে। প্রতি জিবি ডেটার খরচ আজ ২৮০ টাকা থেকে ১২.৮ টাকায় নেমে এসেছে, মোট খরচ প্রায় ৯৫ শতাংশ কমেছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: ‘৫ লক্ষ টাকা দাও, না হলে প্রাণনাশ’! বাংলাদেশের দুর্গাপুজো কমিটিগুলিকে হুমকি মৌলবাদীদের

    Bangladesh: ‘৫ লক্ষ টাকা দাও, না হলে প্রাণনাশ’! বাংলাদেশের দুর্গাপুজো কমিটিগুলিকে হুমকি মৌলবাদীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) ইসলামি মৌলবাদীরা, দুর্গাপুজোর (Durga Puja) জন্য হিন্দু সংখ্যালঘুদের কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা দাবি করেছে। দুর্গাপুজো যতই ঘনিয়ে আসছে, বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর উগ্র ধর্মান্ধগোষ্ঠীগুলির হুমকি এবং জুলুমবাজি ক্রমেই ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। গত ৫ অগাস্ট, ছাত্র আন্দোলনের নামে চক্রান্ত করে ওই দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশ ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছিল। দেশে মহম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার এবং সেনার শাসন কায়েম হলেও সংখ্যালঘু হিন্দুদের জনজীবন এবং সম্পত্তি রক্ষা অত্যন্ত দুষ্কর হয়ে উঠেছে।

    চাঁদা না দিলে হামলা হবে (Bangladesh)

    সম্পত্তি লুট, বাড়ি-ঘর ভাঙচুরের পর উগ্র মুসলমানরা এখন বাংলাদেশের (Bangladesh) দুর্গাপুজোর (Durga Puja) উৎসবকে টার্গেট করেছে। দেশের প্রতিটি দুর্গাপুজো কমিটিকে চাঁদাবাজির শিকার করা হচ্ছে। এই বছর দুর্গাপুজো করতে ইচ্ছুক যে কোনও পুজো কমিটিকে ৫ লাখ টাকা দিতে হবে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পুজো কমিটির এক সদস্য জানান, মোটরসাইকেলে করে কয়েকজন ছেলে এসে চাঁদার চিঠি দিয়ে গিয়েছে আমাদের ‘বীনাপানি’ নামক দুর্গাপুজো কমিটিকে। এমন চিঠি আরও বেশ কয়েকটি পুজো কমিটিও পেয়েছে। স্পষ্ট ভাবে বাংলায় লেখা, পুজো কমিটিগুলি যদি চাঁদা না দিয়ে অনুষ্ঠান করে, তাহলে হামলার শিকার হতে হবে। বাংলাদেশের সুপরিচিত হিন্দু সম্প্রদায়ের ফেসবুক পেজ ‘অগ্নিবীর’-এও চাঁদাবাজির হুমকির কথা স্বীকার করেছে। চাঁদার টাকা না দিলে সরকার, পুলিশ এমনকী সেনাবাহিনীর কাছ থেকেও নিরাপত্তাও মিলবে না। শুধু তাই নয়। চিঠিতে পুজো কমিটির সদস্যদের পরিবারকেও হত্যার হুমকি দিয়েছে মৌলবাদীরা।

    উগ্র মুসলমানরা আক্রমণ চালাচ্ছে

    হিন্দু সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বাংলাদেশে (Bangladesh) কার্যত জামাত শিবির, বিএনপি এবং জেএমবি-সহ একাধিক জেহাদি সংগঠনের দ্বারা সংঘটিত হামলা ক্রমাগত অব্যাহত রয়েছে। কোটা বিরোধী আন্দোলনের আড়ালে শেখ হাসিনা সরকারকে উৎখাতের এক গভীর ষড়যন্ত্র হয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। গণতান্ত্রিক সরকার এবং পুলিশ প্রশাসন না থাকায় বাংলাদেশের হিন্দু সংস্কৃতি, ধর্ম, পুজো এবং সম্পত্তির উপর উগ্র মুসলমানরা আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে। সামনেই দুর্গাপুজো (Durga Puja) তাই মন্দির, মানুষ, পরিবার, ব্যবসা, সম্পত্তি এবং মূর্তিকে টার্গেট করছে দুষ্কৃতীরা। ফলে, গভীর উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন পদ্মাপারের সমগ্র হিন্দু সমাজ।

    আরও পড়ুনঃ হিজবুল্লা প্রধানের হুমকির মধ্য়েই লেবাননে এয়ারস্ট্রাইক ইজরায়েলের

    রাত জেগে মন্দির পাহারা দিতে হয়

    উল্লেখ্য, বাংলাদেশে (Bangladesh) সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য পুজো করা আরও কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। উগ্র মুসলমানরা প্রতি বছর দুর্গাপুজোর সময় হিন্দু মন্দির এবং দুর্গা পুজোর প্যান্ডেল ভাঙচুরের কাজ করে থাকে। হিন্দুদের রাত জেগে মন্দির পাহারা দিতে হয়। শেখ হাসিনার শাসনামলেও হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার অসংখ্য ঘটনা ঘটেছিল। হিন্দুরা ন্যায় বিচার কোনও সময় সেই দেশে পায়নি। তবে প্রতিবেশী এই দেশে সাম্প্রতি ক্ষমতার লড়াই এবং জামাতের মতো উগ্র ইসলামপন্থীদের উত্থান, হিন্দু জনগোষ্ঠীর জন্য অত্যন্ত ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গোটা হিন্দু সম্প্রদায় এখন আতঙ্কিত। যদিও চট্টগ্রাম, ঢাকা, রংপুর, সিলেট, গোপালগঞ্জ সহ একাধিক জায়গায় হিন্দুরা প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 139: “বালক যেমন খেলাঘর করে, ভাঙে, গড়ে—তিনিও সেইরূপ সৃষ্টি, স্থিতি, প্রলয় কচ্ছেন”

    Ramakrishna 139: “বালক যেমন খেলাঘর করে, ভাঙে, গড়ে—তিনিও সেইরূপ সৃষ্টি, স্থিতি, প্রলয় কচ্ছেন”

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে শ্রীযুক্ত রাখাল, প্রাণকৃষ্ণ, কেদার প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে

    দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৩, ১লা জানুয়ারি

    ভক্তির অবতার কেন? রামের ইচ্ছা 

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—আর তোমাকেই বা কেন জিজ্ঞাসা করি। এর ভিতরে কে একটা আছে। সেই আমাকে নিয়ে এইরূপ কচ্ছে। মাঝে মাঝে দেবভাব প্রায় হত,—আমি পুজো না করলে শান্ত হতুম না।

    আমি যন্ত্র, তিনি যন্ত্রী। তিনি যেমন করান, তেমনি করি। যেমন বলান (Kathamrita), তেমনি বলি।

    প্রসাদ বলে ভবসাগরে, বসে আছি ভাসিয়ে ভেলা।
    জোয়ার এলে উজিয়ে যাব, ভাটিয়ে যাব ভাটার বেলা ॥

    ঝড়ের এঁটো পাতা কখনও উড়ে ভাল জায়গায় গিয়ে পড়ল, কখন বা ঝড়ে নর্দমায় গিয়ে পড়ল—ঝড় যেদিকে লয়ে যায়।

    তাঁতী বললে, রামের ইচ্ছায় ডাকাতি হল, রামের ইচ্ছায় আমাকে পুলিসে ধরলে—আবার রামের ইচ্ছায় ছেড়ে দিলে।

    হনুমান বলেছিল, হে রাম, শরণাগত, শরণাগত;—এই আশীর্বাদ কর যেন তোমার পাদপদ্মে শুদ্ধাভক্তি হয়। আর যেন তোমার ভুবনমোহিনী মায়ায় (Ramakrishna) মুগ্ধ না হই।

    কোলা ব্যাঙ মুমূর্ষ অবস্থায় বললে, রাম, যখন সাপে ধরে তখন ‘রাম রক্ষা কর’ বলে চিৎকার করি। কিন্তু এখন রামের ধনুক বিঁধে মরে যাচ্ছি, তাই চুপ করে আছি।

    আগে প্রত্যক্ষ দর্শন হতো—এই চক্ষু দিয়ে—যেমন তোমায় দেখছি। এখন ভাবাস্থায় দর্শন হয়।

    ঈশ্বরলাভ হলে বালকের স্বভাব হয়। যে যাকে চিন্তা করে তার সত্তা পায়। ঈশ্বরের (Ramakrishna) স্বভাব বালকের ন্যায়। বালক যেমন খেলাঘর করে, ভাঙে গড়ে—তিনিও সেইরূপ সৃষ্টি, স্থিতি, প্রলয় কচ্ছেন। বালক যেমন কোনও গুণের বশ নয়—তিনিও তেমনি সত্ত্ব, রজঃ, তমঃ তিন গুণের অতীত।

    তাই পরমহংসেরা দশ-পাঁচজন বালক সঙ্গে রাখে, স্বভাব আরোপের জন্য।

    আগরপাড়া হইতে একটি বিশ-বাইশ বছরের ছোকরা আসিয়াছেন। ছেলেটি যখন আসেন ঠাকুরকে ইশারা করিয়া নির্জনে লইয়া যান ও চুপি চুপি মনের কথা কন। তিনি নূতন যাতায়াত করিতেছেন। আজ ছেলেটি কাছে আসিয়া মেঝেতে বসিয়াছেন।

    প্রকৃতিভাব ও কামজয়—সরলতা ও ঈশ্বরলাভ 

    শ্রীরামকৃষ্ণ (ছেলেটির প্রতি)—আরোপ করলে ভাব বদলে যায়। প্রকৃতিভাব আরোপ করলে ক্রমে কামাদি রিপু নষ্ট হয়ে যায়। ঠিক মেয়েদের মতন ব্যবহার হয়ে দাঁড়ায়। যাত্রাতে যারা মেয়ে সাজে তাদের নাইবার সময় দেখেছি—মেয়েদের মতো দাঁত মাজে, কথা কয়।

    তুমি একদিন শনি-মঙ্গলবারে এস।

    (প্রাণকৃষ্ণের প্রতি)—ব্রহ্ম ও শক্তি অভেদ। শক্তি না মানলে জগৎ মিথ্যা হয়ে যায়, আমি-তুমি, ঘরবাড়ি, পরিবার—সব মিথ্যা। ওই আদ্যাশক্তি আছেন বলে জগৎ দাঁড়িয়ে আছে। কাঠামোর খুঁটি না থাকলে কাঠামোই হয় না—সুন্দর দুর্গা ঠাকুর-প্রতিমা হয় না।

    বিষয়বুদ্ধি ত্যাগ না করলে চৈতন্যই হয় না—ভগবানলাভ হয় না—বিষয়বুদ্ধি থাকলেই কপটতা হয়। সরল না হলে তাঁকে পাওয়া যায় না—

    এইসি ভক্তি কর ঘট ভিতর ছোড় কপট চতুরাই।
    সেবা বন্দি আউর অধীনতা সহজে মিলি রঘুরাই ॥

    যারা বিষয়কর্ম করে—অফিসের কাজ কি ব্যবসা—তাদেরও সত্যেতে থাকা উচিত। সত্যকথা কলির তপস্যা।

    প্রাণকৃষ্ণ—অস্মিন্‌ ধর্মে মহেশি স্যাৎ সত্যবাদী জিতেন্দ্রিয়ঃ।
    পরোপকারনিরতো নির্বিকারঃ সদাশয়ঃ ॥

    মহানির্বাণতন্ত্রে এরূপ আছে (Kathamrita)।

    শ্রীরামকৃষ্ণ(Ramakrishna)—হাঁ, ওইগুলি ধারণা করতে হয়।

    আরও পড়ুনঃ “ভাব-ভক্তির দ্বারা তাঁর সেই অতুলনীয় রূপ দর্শন করা যায়, মা নানারূপে দর্শন দেন”

    আরও পড়ুনঃ “একটা ঢোঁড়ায় ব্যাঙটাকে ধরেছে, ছাড়তেও পাচ্ছে না—গিলতেও পাচ্ছে না…”

    আরও পড়ুনঃ “বিবেক, বৈরাগ্যরূপ হলুদ মাখলে তারা আর তোমাকে ছোঁবে না”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: উড়ে গেল আরজি কর মামলার ভিডিও, সুপ্রিম কোর্টের ইউটিউব চ্যানেল হ্যাক্‌ড!

    Supreme Court: উড়ে গেল আরজি কর মামলার ভিডিও, সুপ্রিম কোর্টের ইউটিউব চ্যানেল হ্যাক্‌ড!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) ইউটিউব চ্যানেল হ্যাক্‌ড! শুক্রবার সকাল থেকেই সুপ্রিম কোর্টের ইউটিউব চ্যানেলে সমস্যা দেখা দেয়। শুধু তাই নয়, শীর্ষ আদালতের ইউটিউব চ্যানেল থেকে ‘উধাও’ হয়ে গিয়েছে আরজি কর (RG Kar) মামলার শুনানির ভিডিও পর্যন্ত। এনিয়ে রীতিমতো চাঞ্চল্য পড়ে গিয়েছে। এই ঘটনাকে স্বাভাবিক বলে মানতে নারাজ অনেকেই।

    ঘটনা পরিকল্পিত হতে পারে বলে অনেকেই মনে করছেন 

    কেউ কেউ বলছেন, ‘‘এটা ছোটখোটো ঘটনা নয়, হতে পারে পরিকল্পিত। কারণ আরজি কর কাণ্ডের (RG Kar) আবহেই এমন ঘটনা ঘটল। শুধু তাই নয়, আরজি করের শুনানির (Supreme Court) ভিডিও পর্যন্ত উধাও হয়ে গেল।’’ প্রসঙ্গত, সুপ্রিম কোর্টে আরজি করের শেষ শুনানির দিন লাইভ স্ট্রিমিং নিয়ে রাজ্য আগেই আপত্তি জানানো হয়েছিল রাজ্যের তরফে। কিন্তু সেই আবেদন খারিজ করে দেন প্রধান বিচারপতি। প্রধান বিচারপতি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আইনজীবীকে সেই সময় বলেন, ‘‘আমরা শুনানির সরাসরি সম্প্রচার বন্ধ করতে বলতে পারব না। এটি জনস্বার্থ মামলা। ‘ওপেন কোর্ট’-এ শুনানি হচ্ছে। আপনাদের বিষয়টি আমরা দেখব।’’ এই আবহে ভিডিও গায়েব হয়ে গেল আরজি করে শুনানির।

    খতিয়ে দেখা হচ্ছে কোন চক্র এর সঙ্গে জড়িত (Supreme Court)

    দেশের সর্বোচ্চ আদালতের (Supreme Court) বিচার প্রক্রিয়া যেখানে লাইভ স্ট্রিমিং হয়, সেই চ্যানেলই হ্যাক হওয়ায়, তা নিরাপত্তায় বড়সড় ত্রুটি হিসাবেই দেখা হচ্ছে। খতিয়ে দেখা হচ্ছে কোন চক্র এর সঙ্গে জড়িত। জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকালেই সুপ্রিম কোর্টের ইউটিউব চ্যানেল হ্যাক হয়ে গিয়েছে। শীর্ষ আদালতের বিচার প্রক্রিয়ার লাইভ স্ট্রিমিংয়ের বদলে উল্টো-পাল্টা নানা ভিডিও সেখানে দেখা যাচ্ছে। কখনও ক্রিপ্টো কারেন্সি সংক্রান্ত ভিডিও দেখা যাচ্ছে। কেউ আবার সার্চ করেও সুপ্রিম কোর্টের চ্যানেলটিই খুঁজে পাচ্ছেন না। শীর্ষ আদালতের ইউটিউব চ্যানেলের লিঙ্ক আপাপতত নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টে আরজি কর মামলার শুনানির যে ভিডিও রেকর্ডিং ছিল, তা হ্যাকাররা প্রাইভেট করে দিয়েছে। ওই সংক্রান্ত ভিডিও সার্চ করলেই, তার বদলে আসছে ‘Brad Garlinghouse: Ripple Responds To The SEC’s $2 Billion Fine! XRP PRICE PREDICTION’ নামক ক্রিপ্টোকারেন্সি সংক্রান্ত একটি লাইভ ভিডিও। এখানেই বাড়ছে সন্দেহ…।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Manipur: মণিপুরে নাশকতার বড় ছক ফাঁস, সেনা-পুলিশ যৌথ অভিযানে উদ্ধার ২৮ কেজি আইইডি

    Manipur: মণিপুরে নাশকতার বড় ছক ফাঁস, সেনা-পুলিশ যৌথ অভিযানে উদ্ধার ২৮ কেজি আইইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মণিপুরে (Manipur) সেনাবাহিনী এবং পুলিশের (Army Police) যৌথ অভিযানে ২৮.৫ কেজি ওজনের সাতটি ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস সংক্ষেপে আইইডি (IED) উদ্ধার হল। এক বিবৃতিতে এই কথা জানিয়েছে সেনা। বাহিনীর পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে আইইডিগুলিকে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। গত তিন মাসে মণিপুরে (Manipur) এটি ছিল দ্বিতীয় বড় আইইডি উদ্ধারের ঘটনা। 

    ইম্ফল পূর্ব জেলা থেকে উদ্ধার বিস্ফোরক (Manipur)

    সেনাবাহিনীর তরফ থেকে বলা হয়েছে, ‘‘ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস বিস্ফোরকগুলিকে, স্নিফার ডগের সাহায্যে অভিযান চালিয়ে ইম্ফল পূর্ব জেলার বোংজাং এবং ইথাম গ্রামের নিকটবর্তী পাহাড়ী এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। ফলে বড় রকমের নাশকতামূলক চক্রান্তকে ফাঁস সম্ভব হয়েছে। ভয়াবহ ষড়যন্ত্রের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তাকে প্রতিরোধ করে মূল্যবান জীবন এবং সম্পত্তির রক্ষা করা গিয়েছে।’’ এর আগে, গত ২০ জুলাই ইম্ফল পূর্ব জেলার সাইচাং এর পাহাড়ি এলাকায় ৩৩ কেজি আইইডি উদ্ধার ও নিষ্ক্রিয় করেছিল সেনা। বাহিনী জানিয়েছে,  ‘‘মণিপুর পুলিশের সঙ্গে সেনার সমন্বয়ের ফলে এই সাফল্য এসেছে। এই যৌথ অভিযানটি এলাকার নিরাপত্তাকে নিশ্চিত করেছে এবং একই ভাবে দেশবিরোধী জঙ্গি সংগঠনের বিরুদ্ধে কড়া বার্তাও দেওয়া হয়েছে।’’

    আরও পড়ুনঃ আর্থিক তছরুপ রুখতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা, ভারতের প্রশংসায় পঞ্চমুখ এফএটিএফ

    অনুপ্রবেশের অভিযোগে সতর্ক পুলিশ

    আবার পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মায়ানমার থেকে অনুপ্রবেশের বিষয়ে থৌবাল জেলার সিনিয়র অফিসারদের কাছে বিশেষ প্রশাসনিক বার্তা এসেছে। তাতে যে কোনও ধরনের হামলা এড়াতে নিরাপত্তা বাহিনীকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, মণিপুরে (Manipur) কুকি উপজাতি এবং মেইতিদের মধ্যে ২০২৩ সালের মে থেকে জমির অধিকার এবং রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব সহ একাধিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সংঘর্ষ চলছে। মণিপুরের হিংসায় ইতিমধ্যে ২২০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। আহতের সংখ্যা কয়েক হাজার। এছাড়া, প্রায় ৫০ হাজার মানুষ গৃহহীন হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। মণিপুর সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, বহিরাগত শক্তি অত্যন্ত সক্রিয় ভাবে নানা ষড়যন্ত্র করছে, কিন্তু প্রশাসন নিরাপত্তা এবং শান্তি শৃঙ্খলা বিষয়ে অত্যন্ত সর্তকতা অবলম্বন করছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • FATF: আর্থিক তছরুপ রুখতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা, ভারতের প্রশংসায় পঞ্চমুখ এফএটিএফ

    FATF: আর্থিক তছরুপ রুখতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা, ভারতের প্রশংসায় পঞ্চমুখ এফএটিএফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন ও অর্থ পাচার (Money Laundering) বিরোধী ব্যবস্থার বিষয়ে ভারতের মূল্যায়ন সম্পর্কিত রিপোর্ট প্রকাশ করেছে ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্স, সংক্ষেপে এফএটিএফ (FATF)। ফ্রান্সে স্থিত সন্ত্রাসবিরোধী নজরদারি এই সংস্থা জানিয়েছে, ভারত অপরাধ থেকে অর্থ পাচারের গন্তব্য নয়।

    এফএটিএফ (FATF)

    সংস্থা এও প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, প্রতি তিন বছর অন্তর একবার করে হবে ভারতের ঝুঁকি মূল্যায়ন। বিশ্বের আর্থিক তছরুপ ও জঙ্গি সংগঠনের আর্থিক লেনদেনের ওপর নজরদারি চালায় এফএটিএফ। এই প্রতিষ্ঠানের সদর দফতর প্যারিসে। বৃহস্পতিবার ভারত সম্পর্কে মূল্যায়ন রিপোর্ট প্রকাশ করেছে এই সংস্থা। সেই রিপোর্টে মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়নের হুমকি মোকাবিলায় ভারতের সিস্টেমের প্রশংসা করা হয়েছে। আর্থিক জালিয়াতি মামলায় বিচার ত্বরান্বিত করতে ভারতকে আহ্বানও জানিয়েছে প্যারিস-ভিত্তিক এই সংস্থা।

    এফএটিএফের মূল্যায়ন রিপোর্ট

    মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়নের বিরুদ্ধে ভারতের পদক্ষেপের পূর্ববর্তী মূল্যায়ন রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছিল ২০১০ সালে। পরবর্তী মূল্যায়ন রিপোর্ট প্রকাশিত হবে ২০৩১ সালে। এফএটিএফের (FATF) প্রকাশিত মূল্যায়ন রিপোর্টে স্বীকার করা হয়েছে, ভারত অ্যান্টি মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসবাদের অর্থায়ন স্ট্রাকচারের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য অনেক ক্ষেত্রেই কার্যকরী উন্নয়ন করেছে।

    রিপোর্টে বলা হয়েছে, ভারত সন্ত্রাসবাদ ও সন্ত্রাসে অর্থায়নের ক্ষেত্রে গুরুতর হুমকির মুখোমুখি। এর মধ্যে রয়েছে আইএসআইএল (ইসলামিক স্টেট অফ ইরাক অ্যান্ড দ্য লেভান্ট) বা আল কায়েদার মতো সংগঠনগুলিও। যারা জম্মু-কাশ্মীর ও তার আশপাশে সক্রিয় রয়েছে। সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধে ভারতের উল্লেখযোগ্য ভূমিকারও প্রশংসা করা হয়েছে। জটিল আর্থিক তদন্ত পরিচালনা করার ক্ষেত্রে নয়াদিল্লির দক্ষতার প্রশংশাও করেছে সন্ত্রাসবিরোধী নজরদারি এই সংস্থা। সন্ত্রাসে যারা অর্থায়ন করছে, তাদের বিরুদ্ধে মামলার নিষ্পত্তি ও শাস্তি দেওয়ায় আরও মনোযোগ দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার দিকেও ইঙ্গিত করেছে এফএটিএফের এই প্রতিবেদন (FATF)। সন্ত্রাসে অর্থায়নে ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতন করতে প্রচারাভিযানও চালিয়েছে ভারত। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে (Money Laundering), সন্ত্রাসী অর্থায়নের জন্য অলাভজনক খাতের অপব্যবহার রোধেও ভারত সক্রিয়।

    আরও পড়ুন: “পাকিস্তান আর কংগ্রেসের অ্যাজেন্ডা একই”, কাটরার সভায় সরব মোদি

    রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, ফিনান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্সের সুন্দর ব্যবহার করা হয়েছে। কার্যকর করা হয়েছে সহযোগিতাও। মানি লন্ডারিং প্রসিকিউশান এবং সন্ত্রাসে অর্থায়ন বন্ধের ক্ষেত্রকে শক্তিশালী করতে বড় ধরণের ইমপ্রুভমেন্টের প্রয়োজন বলেও দাবি করা হয়েছে এফএটিএফ-এর ওই প্রতিবেদনে।

    রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, ভারতের মূল অর্থ পাচারের উৎসগুলি দেশের অভ্যন্তরে সংঘটিত অবৈধ কার্যকলাপ থেকে উদ্ভূত হয়। এই সব কালো অর্থ সাদা করা হতে পারে ভারতে কিংবা বিদেশে। বিদেশে সাদা করে ভারতে ফিরে মিলিয়ে যেতে পারে বৈধ অর্থনীতির স্রোতে। এনআরএ-র ফল অনুযায়ী, ভারতের সবচেয়ে বড় অর্থ পাচারের ঝুঁকিগুলি প্রতারণার সঙ্গে সম্পর্কিত। এর মধ্যে রয়েছে সাইবার সক্ষমতাসম্পন্ন প্রতারণা, দুর্নীতি ও মাদক পাচারে অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলিও।

    ওই রিপোর্টেই বলা হয়েছে, ওই জঙ্গি সংগঠনের তরফে ভারতে হামলা চালানো হতে পারে, এমন আশঙ্কা রয়েছে। উত্তর-পূর্ব ভারত ও উত্তর-পূর্ব ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন ও মাওবাদীদের হামলার আশঙ্কাও রয়েছে ভারতে।

    ওই রিপোর্টেই দাবি করা হয়েছে, প্রতিটি জঙ্গি সংগঠনের ক্ষেত্রে ঝুঁকির মাত্রা সমান নয়। একে আলাদা ছটি ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে আইসিস বা জম্মু-কাশ্মীর ও সংলগ্ন এলাকায় সক্রিয় আল কায়েদার সঙ্গে যোগসূত্র থাকা জঙ্গি গোষ্ঠী। প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে হামলার আশঙ্কা রয়েছে বলেও জানানো হয়েছে ওই রিপোর্টে। এই তালিকায় উত্তর-পূর্ব ভারত ও উত্তর ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন ও মাওবাদীরাও রয়েছে। ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্সের রিপোর্টে জানানো হয়েছে, সরকার ফেলে দেওয়ার চেষ্টাও করতে পারে মাওবাদীরা (FATF)।

    আরও পড়ুন: মেডিক্যাল কলেজে কায়েম ‘থ্রেট কালচার’, জানুন এই সংস্কৃতি সম্পর্কে

    ওই রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, গত পাঁচ বছরে অর্থ পাচারের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার সংখ্যা কনস্টিটিউশনাল চ্যালেঞ্জের একটি সিরিজ। ২০২২ সালে সমাধান হয়েছে। যদিও মামলা ও দোষী সাব্যস্ত হওয়ার সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। তবুও মুলতুবি মামলার বিরাট সংখ্যাও রয়ে গিয়েছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, মূল্যায়নের পর ভারতকে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ বিভাগে রাখা হয়েছে এবং নিয়ম অনুযায়ী তিন বছরের মধ্যে প্লেনারিতে রিপোর্ট করবে। জানা গিয়েছে, ভারত, ইতালি, ফ্রান্স এবং ব্রিটেন হল মাত্র চারটি দেশ, যাদের নিয়মিত (Money Laundering) পর্যবেক্ষণ বিভাগে রাখা হয়েছে (FATF)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share