Tag: news in bengali

news in bengali

  • RG Kar Case: সন্দীপ-অভিজিতের পর কি বিনীত গোয়েল? সিবিআই এবার এগচ্ছে মাথার দিকে

    RG Kar Case: সন্দীপ-অভিজিতের পর কি বিনীত গোয়েল? সিবিআই এবার এগচ্ছে মাথার দিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর-হত্যাকাণ্ডে (RG Kar Case) এখনও পর্যন্ত গ্রেফতারের সংখ্যা ৩। শনিবার রাতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা গ্রেফতার করেছে ওঁই হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ এবং টালা থানার তৎকালীন ওসি অভিজিৎ মণ্ডলকে। তাঁদের গ্রেফতারের বিরুদ্ধে আগেই সরব হয়েছিল রাজ্যের বিরোধী দল বিজেপি। অপরাধের মূল মাথাকে সন্ধান করতে তৃণমূলের প্রভাবশালী নেতা-মন্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদের দাবি তোলা হয়েছিল। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, মুখ্যমন্ত্রী তথা স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং পুলিশমন্ত্রী মমতাকে গ্রেফতার করার কথাও বলেছিলেন। অপর দিকে বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য, নিজের এক্স হ্যান্ডেলে সিপি বিনীত গোয়েল (Vineet Goyal) এবং মমতাকে নিশানা করে তথ্য লোপাটের অভিযোগ তুলেছেন। অবিলম্বে তাঁদেরকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদের দাবি তুলেছেন তিনি। আবার সূত্রের খবর, আগামী মঙ্গলবার, সুপ্রিম কোর্টের শুনানির পর সিপি বিনীত গোয়েলকে জিজ্ঞাসাবাদ করার সম্ভাবনা রয়েছে। ইতিমধ্যে তদন্তকারী অফিসাররা তার প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন।

    পুলিশ কমিশনার ধামাচাপা দিয়েছেন (RG Kar Case)?

    বিজেপি নেতা অমিত মালব্য বলেন, “টালা থানার ওসিকে গ্রেফতারের পর আরও স্পষ্ট হল, ধর্ষণ করে খুনের ঘটনার ক্রাইম সিনকে সম্পূর্ণ ভাবে পরিবর্তন করে দেওয়া হয়েছে। সমস্ত তথ্য লোপাট করে দেওয়া হয়েছে। দোষীদের বাঁচাতে প্রত্যক্ষ মদত করছে পুলিশ।” একই সঙ্গে সামাজিক মাধ্যমে কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলকে আক্রমণ করে তিনি আরও বলেন, “অভিজিৎ মণ্ডল সেই ব্যক্তি যাকে বাঁচাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। গ্রেফতারকে উপেক্ষা করতে হাসপাতালে ভর্তির চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু চিত্রনাট্যের বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। হাসপাতালের এক প্রমোটারকে ফোন করে ধমক দিয়েছিলেন মমতা। আন্দোলনরত জুনিয়র ডাক্তাররা দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছেন, নৃশংস অপরাধটি প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির ফল। কার্যত পশ্চিমবঙ্গের জনস্বাস্থ্যকে ধ্বংস করেছে। কলকাতা পুলিশের কমিশনারও (Vineet Goyal) মৃত ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ করতে এবং অপরাধ ধামাচাপা দিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন।”

    আরও পড়ুনঃ সিজিও থেকে বের করতেই টালা থানার সেই ‘করিতকর্মা’ ওসিকে জুতো দেখিয়ে বিক্ষোভ

    ওসিকে প্রশ্ন, কার নির্দেশ ছিল?

    সূত্রের খবর, ধৃত ওসি অভিজিৎ মণ্ডলকে (RG Kar Case) জেরা করে বক্তব্যে অনেক অসঙ্গতি পাওয়া গিয়েছে। তদন্তকারী অফিসাররা মনে করছেন, ইচ্ছাকৃত ভাবে কর্তব্যে গাফিলতি রয়েছে। গোটা তদন্তকে ভুল পথে পরিচালনা করেছেন ওসি। কিন্তু অভিজিৎ কেন করলেন? কার নির্দেশ? ইতিমধ্যে ডিসি ডিডি স্পেশাল, ডিসি নর্থকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। পুলিশের প্রধান হিসেবে বিনীত গোয়েলের ভূমিকা তাই প্রশ্নের মুখে।

    জুনিয়র ডাক্তাররা গত ৯ অগাস্ট থেকে ন্যায় বিচারের (RG Kar Case) জন্য টানা রাজপথে আন্দোলন করছেন। সন্দীপ-অভিজিৎ গ্রেফতারের পর তাঁরা বলেন, “আমাদের বোন অভয়ার মৃত্যু একটি সংগঠিত প্রাতিষ্ঠানিক অপরাধ। সন্দীপ ঘোষ অত্যন্ত দুর্নীতিগ্রস্ত লোক। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে কুর্নিশ জানাই। কান ধরা পড়েছে এবার মাথাও সমানে আসবে। যতক্ষুণ ন্যায় বিচার না পাব, আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Case: সিজিও থেকে বের করতেই টালা থানার সেই ‘করিতকর্মা’ ওসিকে জুতো দেখিয়ে বিক্ষোভ

    RG Kar Case: সিজিও থেকে বের করতেই টালা থানার সেই ‘করিতকর্মা’ ওসিকে জুতো দেখিয়ে বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হাসপাতালে চিকিৎসক তরুণীকে ধর্ষণ করে হত্যা মামলায় শনিবার রাতে প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ এবং টালা থানার পুর্বতন ওসি অভিজিৎ মণ্ডলকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। সুপ্রিম কোর্টে এই টালা থানার ওসির (Tala police) প্রসঙ্গ উঠেছিল। রবিবার সিজিও থেকে তাঁকে বের করার সময় ক্ষুব্ধ জনতা স্লোগান দিয়ে জুতো দেখিয়েছে। তথ্যপ্রমাণ লোপাটের অভিযোগে উত্তেজিত জনতা ওসিকে দেখা মাত্রই নিজেদের রাগ প্রকাশ করে ক্ষোভে ফেটে পড়ে। সেই সঙ্গে স্লোগান ওঠে ‘তিলোত্তমার বিচার চাই’। নিরাপত্তা কর্মীরা তড়িঘড়ি গাড়িতে তোলে ওসিকে। উত্তেজিত জনতা গাড়ির পিছনে পিছনেও ছুটতে শুরু করে। উল্লেখ্য, এখনও পর্যন্ত অভয়ার হত্যাকাণ্ডে গ্রেফতারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩। 

    ক্রাইম সিন সম্পূর্ণ পাল্টে দেওয়া হয়েছে (RG Kar Case)!

    নির্যাতিতা চিকিৎসক তরুণীর মামলা (RG Kar Case) সুপ্রিম কোর্টে উঠলে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তাদের রিপোর্টে রাজ্য পুলিশের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে। ধর্ষণ-হত্যাকাণ্ডে টালা থানায় এফএইআরের সময়, ময়নাতদন্তের সময় এবং তথ্যপ্রমাণ লোপাটের গুরুতর অভিযোগ রয়েছে বলে দাবি করা হয়। একই ভাবে ঘটনাস্থলের পরিবেশকে বিকৃত করা হয়েছে বলে আদালতে প্রশ্ন তুলেছে সিবিআই। তাদের অভিযোগ, ক্রাইম সিনকে সম্পূর্ণ পাল্টে দেওয়া হয়েছে। অপর দিকে গত টানা ৩৬ দিন ধরে জুনিয়র ডাক্তার থেকে শুরু করে বিভিন্ন সামজিক সংগঠন এবং রাজনৈতিক দলগুলি ধর্না, বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছে। ন্যায়বিচার এবং দোষীদের শাস্তির দাবিতে অনড় আপামর জনসাধারণ। তাই টালা থানার ওসি (Tala police) গ্রেফতার হতেই তাঁকে বের করে নিয়ে যাওয়ার সময় ক্ষুব্ধ জনতা জুতো দেখিয়ে নিজেদের ক্ষোভ প্রকাশ করে।

    আরও পড়ুনঃ “মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি থেকে কার্যত ঘাড়ধাক্কা দিয়ে ফেরানো হয়েছে”, অভিযোগ জুনিয়র ডাক্তারদের

    আদালত চত্বরে কড়া নিরাপত্তা

    ওসি অভিজিৎ মণ্ডলকে চিকিৎসক হত্যা মামলায় (RG Kar Case) শিয়ালদা আদালতে হাজির করার আগে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য বি আর সিং হাসপাতলে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর তাঁকে সেখান থেকে সোজা আদালতে তোলা হবে। উল্লেখ্য, প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে আগে আদালতে তোলার সময় উত্তেজিত জনতা চড় মেরেছিল। সেই সঙ্গে আদালত চত্বরে ব্যাপক বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। তাই এবার কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি যাতে না ঘটে, পুলিশ সেই দিকে কড়া নজর রেখেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Metal Object On Railway: এবার সেবকে রেললাইন থেকে উদ্ধার ধাতব পাত, ধৃত ১

    Metal Object On Railway: এবার সেবকে রেললাইন থেকে উদ্ধার ধাতব পাত, ধৃত ১

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের কানপুরের পর এবার পশ্চিমবঙ্গের সেবক (Metal Object On Railway)। চালকের তৎপরতায় এবার রক্ষা পেল ডাউন কামাখ্যা আনন্দবিহার টার্মিনাল স্পেশাল এক্সপ্রেস। কানপুরে যেমন রেল লাইনে রাখা হয়েছিল আস্ত একটি গ্যাস সিলিন্ডার। সেবকে রেল লাইনের ওপর পড়ে ছিল আস্ত একটি নির্মাণ সামগ্রী। চালকের নজরে পড়তেই ব্রেক কষেন তিনি। ট্রেন থেমে যায়। রক্ষা পান ওই ট্রেনের যাত্রীরা। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে চলে আসেন রেলকর্মী এবং আধিকারিকরা। তার পরেই লাইন থেকে সরানো হয় ওই নির্মাণ সামগ্রী। তদন্ত শুরু করেছে রেল পুলিশ।

    সেবকে লাইনে নির্মাণ সামগ্রী (Metal Object On Railway)

    রেল সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার সেবকের ৩২/৪ সিগন্যাল পোস্টের কাছে রেলের লাইনে কে বা কারা ফেলে রাখে নির্মাণ সামগ্রী। বিকেল ৩টে ৩১ মিনিট নাগাদ ওই লাইনে চলে আসে ডাউন আনন্দ বিহার এক্সপ্রেস। ট্রেনটি শিলিগুড়ির দিকে যাচ্ছিল। রুংটুং এলাকায় লাইনে নির্মাণ সামগ্রী পড় থাকতে দেখে ট্রেন থামিয়ে দেন চালক। ওই ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করেছে রেলপুলিশ। অভিযুক্তকে নিয়ে বেশ কয়েক জায়গায় অভিযানও চালায় রেলপুলিশ। ঘটনায় আরও তিন-চারজন জড়িত রয়েছে বলে খবর। তাদের খোঁজে শুরু হয়েছে জোরদার তল্লাশি।

    কী বলছে রেল

    উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কপিঞ্জল কিশোর শর্মা বলেন, “একটি দুষ্কৃতীর দল একাজ করেছে। ওই এলাকায় রেলের খুঁটি বসানোর কাজ চলছিল। সেই কাজেই ব্যবহার করা সামগ্রী চুরি করতে চেয়েছিল অভিযুক্তরা। তারাই লোহার ড্রামগুলি লাইনে রেখেছিল, যাতে ট্রেন গেলে সেগুলি ছোট ছোট টুকরো হয়ে যায়। এতে চুরি করতে সুবিধা হবে।” ইতিমধ্যেই আমরা একজনকে গ্রেফতার করেছি। এই ঘটনার সঙ্গে আরও অনেকে যুক্ত। তাদের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

    কানপুরে লাইনে মিলল আর কী কী

    বাংলায় (Metal Object On Railway) যদি লাইনে নির্মাণ সামগ্রী রাখা চোরেদের কাজ হয়, কানপুরের ঘটনার নেপথ্যে জঙ্গিরা রয়েছে বলেই ধারণা সংশ্লিষ্ট মহলের। কানপুরে অবশ্য রেললাইনে নির্মাণ সামগ্রী রাখা হয়নি, রাখা হয়েছিল আস্ত গ্যাস সিলিন্ডার। রবিবার কানপুরের শিবরাজপুরের কাছে রেললাইনের ওপর থেকে উদ্ধার হয় রান্নার গ্যাসের ওই সিলিন্ডার (Metal Object On Railway)। অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছিল কালিন্দি এক্সপ্রেস। সিলিন্ডারটি উদ্ধার করার পাশাপাশি আরও কিছু সন্দেহজনক জিনিসও উদ্ধার করেছিলেন তদন্তকারীরা। রেল লাইনে যে জায়গা থেকে সিলিন্ডারটি উদ্ধার হয়েছে, সেখান থেকে বোতল ভর্তি একটি হলুদ রংয়ের পদার্থও পাওয়া গিয়েছে। লাইনের ওপর থেকে উদ্ধার হয়েছে একাধিক পেট্রল ভরা বোতল ও দেশলাই। ট্র্যাকে ভারী কিছু লোহার জিনিস ঘষার চিহ্নও দেখা গিয়েছে। তদন্তকারীরা একটি ব্যাগও উদ্ধার করেছিলেন (Metal Object On Railway)।

    গ্রেফতার শাহরুখ

    এই ঘটনার ঠিক পরের দিনই রাজস্থানের আজমের মালবাহী করিডরের রেললাইন থেকে উদ্ধার হয় প্রায় ৭০ কেজি ওজনের দুটি ব্লক। কানপুরের ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করেছে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের অ্যান্টি-টেররিজম স্কোয়াড। ধৃতের নাম শাহরুখ খান। ওই ঘটনায় ইতিমধ্যেই জেরা করা হয়েছে সন্দেহভাজন ছজনকে। তাদের ছেড়ে দেওয়া হলেও, গ্রেফতার করা হয় শাহরুখকে। উত্তরপ্রদেশের ঘটনার নেপথ্যে জঙ্গি যোগ রয়েছে বলে খবর। এ সংক্রান্ত তথ্যপ্রমাণও জোগাড় করেছিলেন তদন্তকারীরা। জঙ্গিরা প্রয়াগরাজ-ভিওয়ানি কালিন্দি এক্সপ্রেস উল্টে দেওয়ার ছক কষেছিল বলে খবর। তদন্তকারীদের অনুমান, যে এই ষড়যন্ত্রের চাঁই, সে স্ব-উগ্রপন্থী। সে আইসিসের খোরাসান মডিউলের সঙ্গে জড়িত বলে অনুমান তদন্তকারীদের।

    ঘটনাপ্রবাহ

    কেবল এই তিনটি ঘটনাই (Metal Object On Railway) নয়, এমন ঘটনা আগও ঘটেছে। মোদি সরকারকে জনমানসে হেয় করতে রেললাইনের ওপর ফেলে রাখা হয়েছিল আস্ত গাছের গুঁড়ি। গত জুনে ঘটনাটি ঘটে ওড়িশার ভদ্রকে। ওই বছরেরই অক্টোবরে ছত্তিশগড় ও রাজস্থানের মধ্যে সংযোগকারী রেললাইনে ফেলে রাখা হয়েছিল পাথর। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে তামিলনাড়ুতে বন্দে ভারত লক্ষ্য করে পাথর ছোড়ে দুষ্কৃতীরা। পশ্চিমবঙ্গের মালদায় সিগন্যাল টেম্পারিং করা হয়।

    পশ্চিমবঙ্গেরই বীরভূমে ভাঙচুর করা হয় লোকাল ট্রেনে। উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে আবার রেললাইনের ওপর ফেলে রাখা হয় গ্যাস সিলিন্ডার, হাতুড়ি। এরই কিছুদিন পরেই ফের এই এলাকায় রেললাইনে ফেলে রাখা হয় গ্যাস সিলিন্ডার এবং সাইকেল। রেললাইনের ওপর আস্ত বাইক রেখে চলে গিয়েছিল দুষ্কৃতীরা। এবারও অকুস্থল সেই প্রয়াগরাজ। তেলঙ্গনায় আবার রেললাইনের ওপর ফেলে রাখা হয়েছিল লোহার ইয়া বড় রড। বারংবার একই ঘটনা ঘটায়। এসব ক্ষেত্রেই জঙ্গিদের হাত রয়েছে বলে অনুমান তদন্তকারীদের একাংশের। তবে আসল সত্য জানতে শাহরুখকে জেরা করা চলছে। এখন দেখার কেঁচো খুঁড়তে কেউটে বের হয় কিনা (Metal Object On Railway)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

  • Ramakrishna 133: “দেশলাইয়ের কাঠি যদি ভিজে থাকে হাজার ঘষো, কোনরকমেই জ্বলবে না”

    Ramakrishna 133: “দেশলাইয়ের কাঠি যদি ভিজে থাকে হাজার ঘষো, কোনরকমেই জ্বলবে না”

    শ্রীযুক্ত বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামী ও অন্যান্য ভক্তের প্রতি ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের উপদেশ

    সপ্তম পরিচ্ছেদ

    ক্লেশোঽধিকতরস্তেষামব্যক্তাসক্তচেতসাম্‌ ৷
    অব্যক্তা হি গর্তিদুঃখং দেহবদ্ভিরবাপ্যতে ॥
         (গীতা — ১২।৫)

    যাঁর কাঁচা ভক্তি, সে ঈশ্বরের (Ramakrishna) কথা, উপদেশ, ধারণা করতে পারে না। পাকা ভক্তি হলে ধারণা করতে পারে। ফটোগ্রাফের কাচে যদি কালি (Silver Nitrate) মাখানো থাকে, তাহলে যা ছবি পড়ে তা রয়ে যায়। কিন্তু শুধু কাচের উপর হাজার ছবি পড়ুক একটাও থাকেনা—একটু সরে গেলেই, যেমন কাচ তেমনি কাচ। ঈশ্বরের উপর ভালবাসা না থাকলে উপদেশ ধারণা হয় না।

    বিজয়—মহাশয়, ঈশ্বরকে লাভ করতে গেলে, তাঁকে দর্শন করতে গেলে ভক্তি হলেই হয়?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—হাঁ, ভক্তি দ্বারাই তাঁকে দর্শন হয়, কিন্তু পাকা ভক্তি, প্রেমাভক্তি, রাগভক্তি চাই। সেই ভক্তি এলেই তাঁর উপর ভালবাসা আসে। যেমন ছেলের মার উপর ভালবাসা, মার ছেলের উপর ভালবাসা, স্ত্রীর স্বামীর উপর ভালবাসা।

    এ-ভালবাসা, এ-রাগভক্তি এলে স্ত্রী-পুত্র, আত্মীয়-কুটুম্বের উপর সে মায়ার টান থাকে না। দয়া থাকে। সংসার বিদেশ বোধ হয়, একটি কর্মভূমি মাত্র বোধ হয়। যেমন পাড়াগাঁয়ে বাড়ি কিন্তু কলকাতা কর্মভূমি; কলকাতায় বাসা করে থাকতে হয়, কর্ম করবার জন্য। ঈশ্বরে ভালবাসা এলে সংসারাসক্তি—বিষয়বুদ্ধি—একেবারে যাবে।

    বিষয়বুদ্ধির (Kathamrita) লেশমাত্র থাকলে তাঁকে দর্শন হয় না। দেশলাইয়ের কাঠি যদি ভিজে থাকে হাজার ঘষো, কোনরকমেই জ্বলবে না—কেবল একরাশ কাঠি লোকসান হয়। বিষয়াসক্ত মন ভিজে দেশলাই।

    শ্রীমতী (রাধিকা) যখন বললেন, আমি কৃষ্ণময় দেখছি, সখীরা বললে, কই আমরা তো তাঁকে দেখতে পাচ্ছি না। তুমি কি প্রলাপ বোকচো? শ্রীমতী বললেন, সখি! অনুরাগ-অঞ্জন চক্ষে মাখো, তাঁকে দেখতে পাবে। (বিজয়ের প্রতি) তোমাদের ব্রাহ্মসমাজেরই গানে আছে:

    প্রভু বিনে অনুরাগ, করে যজ্ঞযাগ, তোমারে কি যায় জানা।

    এই অনুরাগ, এই প্রেম, এই পাকা ভক্তি, এই ভালবাসা যদি একবার হয়, তাহলে সাকার-নিরাকার দুই সাক্ষাৎকার হয়।

    ঈশ্বরদর্শন—তাঁর কৃপা না হলে হয় না 

    বিজয়—ঈশ্বরদর্শন কেমন করে হয়?

    শ্রীরামকৃষ্ণ—চিত্তশুদ্ধি না হলে হয় না। কামিনী-কাঞ্চনে মন মলিন হয়ে আছে, মনে ময়লা পড়ে আছে। ছুঁচ কাদা দিয়ে ঢাকা থাকলে আর চুম্বক টানে না। মাটি কাদা ধুয়ে ফেললে তখন চুম্বক টানে। মনের ময়লা তেমনি চোখের জলে ধুয়ে ফেলা যায়। হে ঈশ্বর, আর অমন কাজ করব না বলে যদি কেউ অনুতাপে (Kathamrita) কাঁদে, তাহলে ময়লাটা ধুয়ে যায়। তখন ঈশ্বররূপ চুম্বক পাথর মনরূপ ছুঁচকে টেনে লন। তখন সমাধি হয়, ঈশ্বরদর্শন হয়।

    আরও পড়ুনঃ “একটা ঢোঁড়ায় ব্যাঙটাকে ধরেছে, ছাড়তেও পাচ্ছে না—গিলতেও পাচ্ছে না…”

    আরও পড়ুনঃ “বিবেক, বৈরাগ্যরূপ হলুদ মাখলে তারা আর তোমাকে ছোঁবে না”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dehradun: দু’দিন পরে প্রাণ পেল দেরাদুনের ক্লক টাওয়ার! ফের কীভাবে চলল জানেন?

    Dehradun: দু’দিন পরে প্রাণ পেল দেরাদুনের ক্লক টাওয়ার! ফের কীভাবে চলল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেরাদুনের (Dehradun) আইকনিক ক্লক টাওয়ার ২ দিন প্রাণহীন থাকার পর আবার টিকটিক শব্দে চলতে শুরু করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, টাওয়ারে বসানো ঘড়ির ছয়টি সুইচের মধ্যে তিনটির তার কেটে ফেলেছিল কেউ বা কারা। তাই ঘড়িটি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। ঘটনায় রাজ্যে ব্যাপক শোরগোল পড়ে। অবশেষে ঘড়ি বন্ধের কারণ জানাল পুলিশ। 

    পুলিশের বক্তব্য (Dehradun)

    কোতোয়ালি থানার (Dehradun) এসএইচও চন্দ্রভান সিং ঘটনাস্থল পরিদর্শন করার পরে সাংবাদিকদের বলেন, “ক্লক টাওয়ারে স্থাপিত ঘড়ির ছয়টি সুইচের মধ্যে তিনটির তার কেটে ফেলা হয়েছিল। পরে তারগুলিকে আবার সংযুক্ত করা হয়েছে এবং বর্তমানে সেটি আবার কাজ করছে। ঘড়ি এখন স্থির নয়, টিকটিক শব্দে প্রবহমান।” তবে এই ক্লক টাওয়ারে চুরি হয়নি বলেই দাবি তাঁর। তিনি বলেন, “কাটা তার ছাড়া ব্যাটারি, ইনভার্টার ও অ্যামপ্লিফায়ারসহ সব কিছুই অক্ষত ছিল। কেউ চাবি দিয়ে এর একটি গেটের তালা খুলে টাওয়ারে প্রবেশ করেছিল। এরপর ভিতরের যন্ত্রাংশের তারগুলিকে কেটে দেওয়া হয়। এটি এমন একজনের কাজ বলে মনে হচ্ছে যার কাছে হয়তো টাওয়ারের চাবি ছিল। আমরা ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছি।” স্থানীয় সার্কেল অফিসার নীরজ সেমওয়াল বলেন, “ক্লক টাওয়ার পরিদর্শনের সময় জোরপূর্বক প্রবেশের কোনও চিহ্ন বা ছাপ পাওয়া যায়নি। সেখানে কাটা তারগুলোর অংশ বিশেষ পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছে। কোনও কিছুই ভেঙে করা হয়নি। ভিতরের যন্ত্রগুলি অক্ষত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে।”

    আরও পড়ুনঃ বর্ধমান মেডিক্যালে অভীক গ্যাং-এর ‘দাদাগিরি’! হুমকি-ফোন জুনিয়র ডাক্তারদেরকে

    শহরের কেন্দ্রস্থলে ল্যান্ডমার্ক ঘড়ি

    ঘটনার কথা জানাজানি হতেই দেরাদুন (Dehradun) মিউনিসিপ্যাল ​​কর্পোরেশনের তরফে এফআইআর দায়ের করা হয়। পুলিশ তদন্তে নেমেছে। ক্লক টাওয়ার বা এই ঘন্টা ঘরটি শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত এবং এর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ল্যান্ডমার্ক হিসেবে কাজ করে। গত সোমবার এলাকার মানুষ, এই ঘড়ির কাঁটা নড়ছে না দেখে প্রথমে ডিএমসিতে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। পরে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে অপরাধীকে ধরতে তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • llegal Mosque: শিমলার সেই মসজিদের অংশ ভাঙা হবে, জানালেন মুসলমানেরা

    llegal Mosque: শিমলার সেই মসজিদের অংশ ভাঙা হবে, জানালেন মুসলমানেরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিমলার (Shimla) সেই মসজিদের অবৈধ অংশ (Illegal Mosque) ভেঙে ফেলা হবে। শিমলা পুরসভার কমিশনার ভূপেন্দ্র কুমার আত্তারিকে এ কথা জানালেন সনজৌলির মুসলমানরা। ১২ সেপ্টেম্বর এ ব্যাপারে কমিশনারকে একটি স্মারকলিপিও দেন তাঁরা। মসজিদের অবৈধ অংশ সিল করে দেওয়ার অনুরোধও করেন তাঁরা।

    কমিশনারকে স্মারকলিপি (llegal Mosque)

    এদিন যে প্রতিনিধি দল স্মারকলিপি দিতে গিয়েছিল, তাঁদের মধ্যে ছিলেন মসজিদটির ইমাম, ওয়াকফ বোর্ডের সদস্য এবং মসজিদ পরিচালনা কমিটির সদস্যরা। তাঁরা জানান, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী কল্যাণ কমিটি নিজেরাই মসজিদের অবৈধ অংশ ভেঙে ফেলবে। প্রতিনিধি দলের সদস্যরা (Illegal Mosque) জানান, তাঁরা হিমাচলপ্রদেশের স্থায়ী বাসিন্দা। এলাকায় সম্প্রীতি ও সৌভ্রাতৃত্ব বোধ বজায় রাখতে পদক্ষেপ করবেন তাঁরা। কল্যাণ কমিটির তরফে মুফতি মহম্মদ শফি কাসমি বলেন, “আমরা সনজৌলিতে অবস্থিত অন-অনুমোদিত অংশটি ভেঙে ফেলার জন্য শিমলা পুর কমিশনারের অনুমতি চেয়েছি।”

    কী বলছেন ইমাম

    সনজৌলি মসজিদের ইমাম বলেন, “আমাদের ওপর কোনও চাপ নেই। আমরা এখানে কয়েক দশক ধরে বসবাস করছি। এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে হিমাচলবাসী হিসেবে। আমরা শান্তিতে থাকতে চাই। এলাকায় সৌভ্রাতৃত্বের বাতাবরণ বজায় থাকা উচিত।” দেবভূমি সংগ্রাম কমিটির (এই কমিটির ব্যানারেই হচ্ছিল আন্দোলন) সদস্যরা স্থানীয় মুসলমানদের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন। কমিটির সদস্য বিজয় শর্মা বলেন, মুসলমান সম্প্রদায়ের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানাই। বৃহত্তর স্বার্থে এই উদ্যোগ নেওয়ার জন্য আমরা প্রথমে তাঁদের আলিঙ্গন করতে চাই।

    আরও পড়ুন: গালওয়ান-সহ পূর্ব লাদাখের চার এলাকা থেকে সরেছে লালফৌজ, জানাল বেজিং

    সনজৌলিতে দীর্ঘদিন ধরে একটি মসজিদ রয়েছে। একতলার ওই মসজিদটিতেই স্থানীয়রা নমাজ আদায় করেন। সম্প্রতি মসজিদটিতে অবৈধ নির্মাণ হচ্ছে বলে অভিযোগ ওঠে। প্রতিবাদে পথে নামেন স্থানীয়রা। তাঁরা মসদিদের অবৈধভাবে  অংশটি ভেঙে ফেলার আবেদনও জানান (Shimla)। তার প্রেক্ষিতেই এদিনের পদক্ষেপ বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহেলর (Illegal Mosque)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Kalia Scheme Scandal: ‘কালিয়া’ প্রকল্পে ব্যাপক কেলেঙ্কারি, কাঠগড়ায় নবীন

    Kalia Scheme Scandal: ‘কালিয়া’ প্রকল্পে ব্যাপক কেলেঙ্কারি, কাঠগড়ায় নবীন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিরাট আর্থিক কেলেঙ্কারির অভিযোগ ওড়িশার নবীন পট্টনায়েক সরকারের বিরুদ্ধে। চলতি বছর বিধানসভা নির্বাচনে পতন ঘটে নবীন সরকারের। তারপরেই প্রকাশ্যে বিপুল পরিমাণ কেলেঙ্কারির (Kalia Scheme Scandal) অভিযোগ। ক্যাগের রিপোর্টে (CAG Report) প্রকাশ, নবীন পট্টনায়েকের নেতৃত্বাধীন সরকারের অধীনে কৃষক সহায়তা কর্মসূচি, সংক্ষেপে কালিয়া-এর আওতায় ৭৮২ কোটিরও বেশি টাকা বিলি করা হয়েছে অযোগ্য সুবিধাভোগীদের মধ্যে।

    ক্যাগের রিপোর্ট (Kalia Scheme Scandal)

    ক্যাগের রিপোর্টটি বিধান পরিষদে উপস্থাপন করেছেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন মাজি। সেখানেই জোরালো প্রমাণ মিলেছে কেলেঙ্কারির অভিযোগের স্বপক্ষে। কালিয়ার ডেটাবেসের অডিট বিশ্লেষণে আরও কয়েকটি ডেটাবেসের তুলনা করে আরও ২.৯৬ লাখ অযোগ্য সুবিধাভোগীর হদিশ মিলেছে। যার ফলে মোট অযোগ্য সুবিধাভোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২.৭২ লাখ। এঁদের মধ্যেই বিলি করা হয়েছে ৭৮২.২৬ কোটি টাকা।ক্যাগের রিপোর্টে বলা হয়েছে, অযোগ্য সুবিধাভোগীদের যে টাকা স্থানান্তর করা হয়েছে, তা পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা খুবই কম।

    অযোগ্য সুবিধাভোগী শনাক্ত

    রিপোর্টে এও বলা হয়েছে (Kalia Scheme Scandal), ২০১৯-২১ এই সময়সীমার মধ্যে বিভাগটি ৬৫.৬৪ লাখ সুবিধাভোগীকে কালিয়া সুবিধার সহায়তা বিলি করেছে। ৪১.৬৪ লাখ সুবিধাভোগীকে তিনবার, ৮.০৯ লাখ সুবিধাভোগীকে দুবার এবং ১৫.৯১ লাখ সুবিধাভোগীকে একবার করে কিস্তি দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করার সময় ৯.৭৬ লাখ অযোগ্য সুবিধাভোগীকে শনাক্তও করা হয়েছে।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১.২৮ লাখ অ্যাকাউন্ট হোল্ডারের অ্যাকাউন্টে ১০৭.৬৪ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। এই টাকাও গিয়েছে অযোগ্য সুবিধাভোগীদের অ্যাকাউন্টে। ক্যাগের রিপোর্ট থেকেই জানা গিয়েছে, ১৪.০৪ লাখ ভূমিহীন কৃষিশ্রমিককে তিনটি কিস্তিতে টাকা দেওয়া হয়েছে। যদিও সেই টাকা দেওয়া হয়েছে তাদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা বৃদ্ধি না করেই। যা আদতে ব্যর্থ করেছে এই প্রকল্পের উদ্দেশ্যকে।

    আরও পড়ুন: আরজি কাণ্ডের প্রতিবাদ! নিজের রক্ত দিয়ে বিচারের দাবি লিখলেন বিজেপির চিকিৎসক-নেতা

    রিপোর্ট অনুযায়ী, বিভাগটির অপর্যাপ্ত পরিকল্পনা ও প্রস্তুতির অভাবে কালিয়া প্রকল্পের ঠিকঠাক বাস্তবায়ন করা যায়নি। তাই ২০১৮ থেকে ২১ সালের মধ্যে ছটি কম্পোনেন্টের মধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে মাত্র দুটি (CAG Report)। একটি হল, চাষিদের চাষের জন্য সহায়তা এবং ভূমিহীন কৃষি পরিবারের জন্য জীবিকা সহায়তা (Kalia Scheme Scandal)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

      

  • India China Relation: গালওয়ান-সহ পূর্ব লাদাখের চার এলাকা থেকে সরেছে লালফৌজ, জানাল বেজিং

    India China Relation: গালওয়ান-সহ পূর্ব লাদাখের চার এলাকা থেকে সরেছে লালফৌজ, জানাল বেজিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গালওয়ান উপত্যকা-সহ পূর্ব লাদাখের চার এলাকা থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে লালফৌজ। শুক্রবার চিনের বিদেশমন্ত্রকের তরফেই এ খবর (S Jaishankar) জানানো হয়েছে (India China Relation)। বিবৃতিতে এও বলা হয়েছে, ভারত-চিন সীমান্ত পরিস্থিতি স্থিতিকর ও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। চিনা বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র মাও নিং জানান, রাশিয়ায় ভারত ও চিন কর্তৃপক্ষের বৈঠকে স্থির হয়েছে দুই দেশই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভিত মজবুত করতে পদক্ষেপ করবে।

    কী বলছে চিন? (India China Relation)

    আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের দাবিকে মান্যতা দিয়েই পূর্ব লাদাখের চার এলাকা মুক্ত করে দিয়েছে চিন। চিনা বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র বলেন, “১২ সেপ্টেম্বর রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গে চিনা বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই-র সঙ্গে আলোচনা করেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল। সেই আলোচনায় দুই দেশই পারস্পরিক সমঝোতা বজায় রেখে চলার বিষয়ে সহমত পোষণ করেছে। ন্যূনতম বোঝাপড়া কায়েম করার ব্যাপারেও একমত হয়েছে। এর মধ্যে সীমান্ত ইস্যু নিয়েও কথা হয়েছে দুপক্ষে।”

    সেনা প্রত্যাহার

    তিনি (India China Relation) বলেন, “সাম্প্রতিক অতীতে চিন-ভারত সীমান্ত এলাকার চারটি এলাকা থেকে সেনা প্রত্যাহার করার বিষয়ে দুই দেশই বাস্তবিক পরিস্থিতি বুঝতে পেরেছে। সেই হিসেবে এখন চিন-ভারত সীমান্ত পরিস্থিতি সুস্থিতিকর ও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।” প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবারই বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর জানিয়েছিলেন, দুদেশের মধ্যে থাকা সীমান্ত সমস্যার ৭৫ শতাংশ সমাধান হয়ে গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: জালনোটের ‘কিংপিন’ থেকে খুন! দিল্লি থেকে গ্রেফতার ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ মালদার তৃণমূল নেতা

    চিনা বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, উভয় পক্ষই বিশ্বাস করে চিন-ভারত সম্পর্কের স্থিতিশীলতা দুই দেশের জনগণের মৌলিক ও দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থে এবং আঞ্চলিক শান্তি ও উন্নয়নের জন্য সহায়ক। দুই দেশই রাজি রয়েছে, উভয় দেশের প্রধানদের মধ্যে অর্জিত ঐক্যমত বাস্তবায়ন করবে, পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং বিশ্বাস বাড়াবে, নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখবে এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নত করবে। এর পরেই চিনা মুখপাত্র বলেন, “গালওয়ান-সহ চারটি এলাকা দখলমুক্ত করতে সম্মত হয়েছে চিন ও ভারতীয় সেনা। সেই মতো দখল করা চারটি এলাকা থেকেই সরে গিয়েছে (S Jaishankar) চিনা ফৌজ (India China Relation)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Case: ১৪ অগাস্টের পর এক মাস পার, শনিবার ফের ‘রাত দখলের’ ডাক জুনিয়র ডাক্তারদের

    RG Kar Case: ১৪ অগাস্টের পর এক মাস পার, শনিবার ফের ‘রাত দখলের’ ডাক জুনিয়র ডাক্তারদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হাসপাতালে (RG Kar Case) ধর্ষণ করে মহিলা ডাক্তারকে হত্যার এক মাসের বেশি সময় অতিক্রান্ত, এখনও বিচার অধরা। ন্যায়ের দাবিতে আন্দোলনে অনড় প্রতিবাদীরাও। গত পাঁচ দিন ধরে স্বাস্থ্য ভবনের সামনে জুনিয়র ডাক্তাররা ধর্নায় বসেছেন। তাঁদের ৫ দফা দাবি নিয়ে চলছে লাগাতার আন্দোলন। অভয়ার উপর নির্মম অত্যাচারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সামজিক সংগঠন এবং রাজনৈতিক দলগুলি ক্রমাগত আন্দোলন করে চলেছেন। তাঁদের সঙ্গে যোগদান করেছেন সমাজে নানা বর্গের মানুষ। এই অবস্থায় ফের একবার রাত দখলের (Night protes) আহ্বান জানানো হল। আজ শনিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, রাতে রাজপথে নামার ডাক দিয়েছেন আন্দোলনকারী জুনিয়র চিকিৎসকরা।

    রাত দখলের দিনে হামলা হয়েছিল (RG Kar Case)

    অভয়ার হত্যাকাণ্ডের (RG Kar Case) বিরুদ্ধে ন্যায় বিচারের দাবিতে গত ১৪ অগাস্ট প্রথম মেয়েদের রাত দখলের ডাক (Night protest) দিয়েছিলেন আন্দোলনকারীরা। তাতে কলকাতা সহ জেলার প্রায় সব ছোট-বড় শহরে প্রতিবাদী মানুষের ঢল নামতে দেখা গিয়েছিল। হাজার হাজার মহিলা, পুরুষ, ছাত্র-ছাত্রী, ডাক্তার, উকিল, ইঞ্জিনিয়র সকল স্তরের মানুষ রাত দখল করে বিক্ষোভ দেখান। কোথাও মশাল আবার কোথাও মোমবাতি হাতে ছিল। কেউ আবার শঙ্খ বাজিয়ে, মোবাইলের আলো জ্বালিয়ে প্রতিবাদ করেন। কিন্তু ওই সময়ই আরজি কর হাসপাতালে বহিরাগত দুষ্কৃতীরা ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। আন্দোলনরত জুনিয়র ডাক্তারদের প্রতিবাদ মঞ্চকে ভেঙে দিয়েছিল। এমনকী জরুরী বিভাগ সহ একাধিক বিভাগে কার্যত তাণ্ডব চালানো হয়। পুলিশের সামনে কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল। দোষীদের আড়াল করতে এবং তথ্যপ্রমাণ লোপাট করতেই এই ভাবে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়েছিল বলে জুনিয়র ডাক্তাররা অভিযোগ করেছিলেন। সেই ঘটনার এক মাস পর ১৪ সেপ্টেম্বর রাত দখলের ডাক দিলেন জুনিয়র ডাক্তাররা। 

    আরও পড়ুনঃ বর্ধমান মেডিক্যালে অভীক গ্যাং-এর ‘দাদাগিরি’! হুমকি-ফোন জুনিয়র ডাক্তারদেরকে

    ন্যায় বিচারের জন্য সকলে পথে নামুন

    আন্দোলনরত জুনিয়র ডাক্তারদের পক্ষ থেকে এদিন বলা হয়েছে, “এক মাস পেরিয়ে গেলেও প্রশাসনের ভূমিকায় আমরা অত্যন্ত হতাশ। ১৪ সেপ্টেম্বর মহিলাদের রাত দখলের সময় আরজিকর হাসপাতালে (RG Kar Case) ভাঙচুর হয়। পুলিশ কার্যত দোষীদের আড়াল করতে কাজ করেছে। প্রশাসন নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। তাই আমরা পুলিশ কমিশনারের পদত্যাগ দাবি জানিয়েছি, স্বাস্থ্য অধিকর্তাদেরও পদত্যাগ দাবি করেছি। আমাদের ৫ দফা দাবিকে সামনে রেখে ন্যায় বিচারের জন্য সকলে পথে নামুন। গান, কবিতা, ছবি আঁকার মাধ্যমে আমাদের সমর্থন করুন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Retail Inflation: অনেকটাই কমল খুচরো মুদ্রাস্ফীতির হার, ছাপিয়ে গেল রিজার্ভ ব্যাঙ্কের আভাসকেও

    Retail Inflation: অনেকটাই কমল খুচরো মুদ্রাস্ফীতির হার, ছাপিয়ে গেল রিজার্ভ ব্যাঙ্কের আভাসকেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের অগাস্ট মাসে ভারতে খুচরো মুদ্রাস্ফীতির (Retail Inflation) হার ছিল ৩.৬৫ শতাংশ। সম্প্রতি এ তথ্য প্রকাশ করেছে অল ইন্ডিয়া কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স। গ্রামীণ (RBI) ও শহরের সমষ্টিগত মুদ্রাস্ফীতি অগাস্টে নেমে এসেছে ৩.৬৫ শতাংশে। গত বছর অগাস্টে এই হার ছিল ৬.৮৩ শতাংশ। তবে আগের মাসের ৩.৫৪ শতাংশের তুলনায় এটি বেড়েছে ১১০ বেসিস পয়েন্ট।

    খুচরো মুদ্রাস্ফীতির হার (Retail Inflation)

    রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার টার্গেট ছিল খুচরো মুদ্রাস্ফীতির হার হবে ৪ শতাংশ। যদিও এই হার ছিল এর অনেক নীচে। ফলে, বলা যেতেই পারে, শীর্ষ ব্যাঙ্কের করা পূর্বাভাসকে ছাপিয়ে গিয়েছে মুদ্রাস্ফীতির হারের পতন। এ নিয়ে গত পাঁচ বছরে দ্বিতীয়বার খুচরো মুদ্রাস্ফীতির হার রইল দেশের শীর্ষ ব্যাঙ্কের লক্ষ্যমাত্রার নীচে। জানা গিয়েছে, চলতি বছর অগাস্টে শহুরে খুচরো মুদ্রাস্ফীতির হার ছিল ৩.১৪ শতাংশ। ২০২৩ সালের অগাস্ট মাসে এই হার ছিল ৬.৫৯ শতাংশ। এই অগাস্টে গ্রামীণ মুদ্রাস্ফীতির হার ৪.১৬ শতাংশ। গতবার এই হার ছিল ৭.০২ শতাংশ।

    কনজিউমার ফুড প্রাইস ইনডেক্স

    সমষ্টিগত কনজিউমার ফুড প্রাইস ইনডেক্স থেকে জানা যায়, ২০২৪ সালের অগাস্টে খাদ্য মুদ্রাস্ফীতির হার ছিল ৫.৬৬ শতাংশ। গত অগাস্টে এই হার ছিল ৯.৯৪ শতাংশ। গত বছর অগাস্টে শহরাঞ্চলে খাদ্য মুদ্রাস্ফীতির ছিল ১০.৪২ শতাংশ। এই অগাস্টে এটাই হয়েছে ৪.৯৯ শতাংশ। চলতি বছর অগাস্টে গ্রামীণ খাদ্য মুদ্রাস্ফীতির হার ছিল ৬.০২ শতাংশ। গত বছর অগাস্টে এই হার ছিল ৯.৬৭ শতাংশ। বছরের সর্বনিম্ন মুদ্রাস্ফীতি দেখা গিয়েছে টোমাটোর ক্ষেত্রে। এর হার ছিল -৪৭.৯১ শতাংশ।

    আরও পড়ুন: আরজি কাণ্ডের প্রতিবাদ! নিজের রক্ত দিয়ে বিচারের দাবি লিখলেন বিজেপির চিকিৎসক-নেতা

    অগাস্টে (Retail Inflation) মসলা, মাংস, মাছ, ডাল ও অন্যান্য পণ্যের ক্ষেত্রেও মুদ্রাস্ফীতির হার কমেছে। চলতি বছরের অগাস্টের ফুড ইনফ্লেশন জুন ২০২৩ এর পর দ্বিতীয় সর্বনিম্ন। ভারতের সব রাজ্যের চেয়ে সমষ্টিগত মুদ্রাস্ফীতির হার এবার বেশি ছিল বিহারে। অগাস্টে এই হার ছিল ৬.৬২ শতাংশ। তার পরে ছিল ওড়িশা। সে রাজ্যে এই হার ৫.৬৩ শতাংশ। অসমে এই হার আরও কম। সেখানে এর হার ৫.০৩ শতাংশ (Retail Inflation)।

    এদিকে, স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার রিপোর্টে বলা হয়েছে, মুদ্রাস্ফীতিতে রাশ টানতে আমেরিকা, জার্মানি এবং ফ্রান্সের চেয়ে বেশি সফল হয়েছে ভারত। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ভারতে মুদ্রাস্ফীতি হ্রাসের কারণ একটি গতিশীল আর্থিক ব্যবস্থা, যেখানে আরবিআই, সরকার এবং ব্যাঙ্কগুলো বাজার সংস্কার আনার ক্ষেত্রে একযোগে কাজ করেছে (RBI)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share