Tag: news in bengali

news in bengali

  • Jyotipriya Mallick: পদত্যাগে নারাজ! উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সচিব পদ থেকে সরানো হল জ্যোতিপ্রিয়ের কন্যাকে

    Jyotipriya Mallick: পদত্যাগে নারাজ! উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সচিব পদ থেকে সরানো হল জ্যোতিপ্রিয়ের কন্যাকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে পালাবদলের পর এবার পদ গেল বালু-কন্যার। তৃণমূল আমলে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের গুরুত্বপূর্ণ পদ সামলেছেন প্রাক্তন মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের কন্যা প্রিয়দর্শিনী। বৃহস্পতিবার উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সচিব পদ থেকে সরানো হল প্রিয়দর্শিনী মল্লিককে। স্কুল শিক্ষা দফতরের জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, অবিলম্বে কার্যকরী সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাঁকে ওয়েস্ট বেঙ্গল কাউন্সিল অফ হায়ার সেকেন্ডারি এডুকেশনের সচিব পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হচ্ছে।

    কী বলা হল সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে

    সূত্রের খবর, সাম্প্রতিক প্রশাসনিক রদবদলের পর তাঁকে পদত্যাগের পরামর্শ দেওয়া হলেও তিনি তাতে রাজি হননি। এরপরই শিক্ষা দফতর সরাসরি তাঁকে পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বলে প্রশাসনিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার জারি হওয়া বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক দফতরের প্রশাসনিক পুনর্গঠন সংক্রান্ত নির্দেশিকার ভিত্তিতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, প্রিয়দর্শিনীকে তাঁর মূল পদ অর্থাৎ কলকাতার আশুতোষ কলেজের সহকারী অধ্যাপক পদে যোগ দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা দফতরের ডেপুটি সেক্রেটারির স্বাক্ষরিত ওই নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, এই সিদ্ধান্তে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন রয়েছে। পাশাপাশি কমিশনার অফ স্কুল এডুকেশন, ডিপিআই এবং উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতিকেও বিষয়টি জানানো হয়েছে।

    রেশন দুর্নীতিতেও জড়িয়েছিল প্রিয়দর্শিনীর নাম

    বৃহস্পতিবার সকালে উচ্চ মাধ্যমিকের ফল প্রকাশের সময়ও তাঁকে স্বমহিমায় দেখা গিয়েছে সাংবাদিক বৈঠকে। আর এদিন বিকেলেই উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সচিব পদ থেকে সরানো হল প্রিয়দর্শিনীকে। জানা গিয়েছে বৃহস্পতিবার বিকেল ৩ টের সময় তাঁকে তলব করা হয়েছিল বিকাশ ভবনে। সেখানেই তাঁকে জানিয়ে দেওয়া হয়। ২০২৩ সালে রেশন দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার হন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। সেই সময় বাবার সঙ্গে দেখা করতে যেতেন প্রিয়দর্শিনী। পরে ইডি-র তদন্তে প্রিয়দর্শিনীর নামও সামনে আসতে শুরু করে। ইডি দাবি করে, যে সব ভুয়ো সংস্থায় লেনদেন হয়েছে বলে প্রমাণ মিলেছে, তার মধ্যে বেশ কয়েকটিতে ডিরেক্টর হিসেবে নাম ছিল প্রিয়দর্শিনীর। যদিও তল্লাশি চালানোর সময় ওই বিষয়ে কিছু জানেন না বলেই উল্লেখ করেছিলেন তিনি। রেশন দুর্নীতিতে ইডি যে তদন্ত শুরু করে, তার সূত্র ধরেই বিরোধীরা প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছিল, টিউশন পড়িয়ে কীভাবে ৩.৩৭ কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক হলেন প্রিয়দর্শিনী। তাঁকে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদে সচিব পদে বসানো নিয়েও প্রশ্ন ওঠে সেই সময়ও। আর এবার পদ থেকে সরানো হল তাঁকে।

  • Hypertension: ৪০-এর আগেই শরীরে বাসা বাঁধছে ‘নীরব ঘাতক’, প্রতি ৩ জনে ১ জন ভারতীয় আক্রান্ত এই বিপদে!

    Hypertension: ৪০-এর আগেই শরীরে বাসা বাঁধছে ‘নীরব ঘাতক’, প্রতি ৩ জনে ১ জন ভারতীয় আক্রান্ত এই বিপদে!

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বয়স চল্লিশের চৌকাঠে পৌঁছনোর আগেই নিঃশব্দে শরীরে প্রবেশ করছে। গড়ে প্রতি ৩ জন ভারতীয়দের মধ্যে ১ জন এই সমস্যায় আক্রান্ত। আবার বহু মানুষ জানতেও পারেন না, তার শরীরে নিরবে এই সমস্যা বাসা বেঁধেছে। তাই সতর্কতাও অবলম্বন করতে পারেন না। ভারতীয়দের অন্যতম বড় স্বাস্থ্য সঙ্কট হয়ে উঠছে হাইপারটেনশন (High Blood Pressure)। ১৭ মে ওয়ার্ল্ড হাইপারটেনশন ডে (World Hypertension Day)। ভারতীয় স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা হাইপারটেনশনকে ভারতীয়দের ‘নিরব ঘাতক’ বলেছেন। তাঁরা জানাচ্ছেন, খুব কম বয়স থেকেই ভারতীয়রা এই সমস্যায় আক্রান্ত হচ্ছেন। আর হৃদরোগ, স্ট্রোক সহ একাধিক জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। শরীরের রোগ প্রতিরোধ শক্তি কমিয়ে দেয়। তাই হাইপারটেনশন (Hypertension) ভারতের অন্যতম বড় স্বাস্থ্য সমস্যা হয়ে উঠছে।

    কোন বয়সে বিপদ বাড়ছে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, সাধারণত পঞ্চাশ বছরের পরে হাইপারটেনশনের সমস্যা বেশি দেখা যায়। কিন্তু ভারতের চল্লিশের আশপাশেই এই সমস্যা বাড়ছে। ভারতীয়দের জীবন যাপনের ধরনের জন্য এই সমস্যা বেশি দেখা দিচ্ছে। নিয়মিত অতিরিক্ত পরিমাণ নুন এবং তেল খাওয়া, বাড়তি ওজন এবং অনিদ্রা সমস্যা বাড়াচ্ছে। এছাড়াও হাইপারটেনশনের অন্যতম কারণ হলো মানসিক চাপ এবং অবসাদ। তরুণ প্রজন্মের ভারতীয়দের মধ্যে প্রচন্ড মানসিক চাপ এবং অবসাদের সমস্যা দেখা দিচ্ছে। এর ফলে অনিদ্রা এবং হাইপারটেনশনের সমস্যা দেখা দিচ্ছে।

    ভারতের এই স্বাস্থ্য সঙ্কটের প্রকোপ বৃদ্ধির কারণ কী?

    অতিরিক্ত ওজন, ডায়াবেটিস এবং মানসিক চাপ

    ভারতের এই স্বাস্থ্য সঙ্কটের অন্যতম কারণ অতিরিক্ত ওজন, ডায়াবেটিস এবং মানসিক চাপ। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই সবকিছুই জীবন যাপনের ধরনের সঙ্গে যুক্ত। তাঁরা জানাচ্ছেন, ভারতের অধিকাংশ মানুষের খাদ্যাভাস অস্বাস্থ্যকর। বিশেষত তরুণ প্রজন্মের একাংশ অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার খায়। এই খাবারে একাধিক ক্ষতিকারক রাসায়নিকের পাশাপাশি থাকছে অতিরিক্ত নুন। একাধিক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ভারতীয়রা গড়ে প্রতিদিন ৫ গ্রাম অতিরিক্ত নুন খায়। এই বাড়তি নুন হাইপারটেনশনের সমস্যাকে বাড়িয়ে দিচ্ছে। এছাড়া ভারতীয়দের একাংশ অতিরিক্ত চটজলদি খাবার খাচ্ছে। প্রয়োজনীয় শারীরিক কসরত করছে না। তাই দেহের ওজন বাড়ছে। এই অতিরিক্ত ওজনের জেরে ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশনের মতো রোগের প্রকোপ বাড়ছে।

    অনিদ্রা, জীবনে জটিলতা, মদ্যপান এবং ধূমপান

    এছাড়া ভারতীয়দের বড় অংশ অনিদ্রার সমস্যায় ভুগছেন। তাই হাইপারটেনশনের সমস্যায় আক্রান্ত হচ্ছেন। ঠিকমতো ঘুম না হলে শরীরে রক্তচাপের ভারসাম্য বজায় থাকে না। তাই হাইপারটেনশনের অন্যতম কারণ অনিদ্রা। এছাড়াও পেশাগত জীবনের অতিরিক্ত প্রতিযোগিতা এবং ব্যক্তিগত জীবনে জটিলতা বাড়ছে। এর ফলেও হাইপারটেনশনের সমস্যা বাড়ছে। তরুণ প্রজন্মের একাংশ মদ্যপান এবং ধূমপানে আসক্ত হয়ে যাচ্ছেন। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এই অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস ক্যান্সার এবং একাধিক সংক্রামক রোগের কারণ হওয়ার পাশপাশি হাইপারটেনশনে আক্রান্ত হওয়ার কারণ। তাই এই অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস ত্যাগ করা জরুরি।

    কেন হাইপারটেনশন উদ্বেগজনক সমস্যা? কেন একে নিরব ঘাতক বলা হয়?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অধিকাংশ ভারতীয় জানেন না তিনি হাইপারটেনশন আক্রান্ত কিনা। নিয়মিত অধিকাংশ ভারতীয় রক্তচাপ মাপেন না। এর ফলে শরীরে এই সমস্যা রয়েছে কিনা, সে সম্পর্কেও ওয়াকিবহাল থাকেন না। তাই এই রোগকে নিরব ঘাতক বলা যেতে পারে। এই সমস্যা থাকলে স্ট্রোক এবং হৃদরোগের জটিলতা বাড়তে পারে। ভারতে হঠাৎ মৃত্যুর অন্যতম কারণ হার্ট অ্যাটাক। আর এই হার্ট অ্যাটাকের নেপথ্যে রয়েছে হাইপারটেনশন। রক্তচাপের ভারসাম্য না থাকলে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। কম বয়সি ভারতীয়দের মধ্যে স্ট্রোকের দাপট দেখা দিচ্ছে। স্ট্রোকের ফলে স্বাভাবিক জীবন যাপন ব্যহত হচ্ছে। কর্ম ক্ষমতা কমছে। আবার প্রাণ সংশয় হচ্ছে। তাই এই রোগ রুখতে হাইপারটেনশনের মতো সমস্যা কমানো দরকার। হাইপারটেনশন বন্ধ্যাত্ব এবং অন্যান্য হরমোন ঘটিত সমস্যা তৈরি করে।

    কী পরামর্শ চিকিৎসকদের?

    এই বিপদ কমাতে চিকিৎসকদের পরামর্শ, অতিরিক্ত নুন খাওয়া কমানো জরুরি। প্রক্রিয়াজাত খাবার এবং চটজলদি খাওয়া কমালেই বাড়তি নুন খাওয়ার প্রবণতা কমবে। তাছাড়া নিয়মিত শরীরিক কসরত করলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকবে এবং মানসিক চাপ কমবে। এগুলো হাইপারটেনশন রুখতে সাহায্য করে। ঘুম নিয়েও সচেতনতা জরুরি। পর্যাপ্ত ঘুম একাধিক রোগ রুখতে সাহায্য করে। অনিদ্রা হাইপারটেনশনের নেপথ্যে কাজ করে। তাই অনিদ্রার সমস্যা কমলে হাইপারটেনশনের ঝুঁকিও কমবে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Ramakrishna 647: “কখন মীনবৎ — মাছ যেমন জলের ভিতরে সড়াৎ সড়াৎ করে যায় আর সুখে বেড়ায়, তেমনি মহাবায়ু দেহের ভিতর চলতে থাকে আর সমাধি হয়”

    Ramakrishna 647: “কখন মীনবৎ — মাছ যেমন জলের ভিতরে সড়াৎ সড়াৎ করে যায় আর সুখে বেড়ায়, তেমনি মহাবায়ু দেহের ভিতর চলতে থাকে আর সমাধি হয়”

    ৫৩ কাশীপুর বাগানে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    দশম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৬, ৯ই এপ্রিল

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ কাশীপুরের বাগানে নরেন্দ্রাদি ভক্তসঙ্গে
    বুদ্ধদেব ও ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    নরেন্দ্র — যেমন মাংস খাই, — তেমনি (মাংসত্যাগ করে) শুধু ভাতও খেতে পারি — লুন না দিয়েও শুধু ভাত খেতে পারি।

    কিয়ৎক্ষণ পরে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ কথা কহিতেছেন। আবার বুদ্ধদেবের কথা ইঙ্গিত করিয়া জিজ্ঞাসা করিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) — (বুদ্ধদেবের) কি, মাথায় ঝুঁটি?

    নরেন্দ্র — আজ্ঞা না, রুদ্রাক্ষের মালা অনেক জড় করলে যা হয়, সেই রকম মাথায়।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — চক্ষু?

    নরেন্দ্র — চক্ষু সমাধিস্থ।

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের প্রত্যক্ষ দর্শন — “আমিই সেই”

    ঠাকুর চুপ করিয়া আছেন (Kathamrita)। নরেন্দ্র ও অন্যান্য ভক্তেরা তাঁহাকে একদৃষ্টে দেখিতেছেন। হঠাৎ তিনি ঈষৎ হাস্য করিয়া আবার নরেন্দ্রের সঙ্গে কথা আরম্ভ করিলেন। মণি হাওয়া করিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (নরেন্দ্রের প্রতি) — আচ্ছা, — এখানে সব আছে, না? — নাগাদ মুসুর ডাল, ছোলার ডাল, তেঁতুল পর্যন্ত।

    নরেন্দ্র — আপনি ও-সব অবস্থা ভোগ করে, নিচে রয়েছেন! —

    মণি (স্বগত) — সব অবস্থা ভোগ করে, ভক্তের অবস্থায়! —

    শ্রীরামকৃষ্ণ — কে যেন নিচে টেনে রেখেছে!

    এই বলিয়া ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ মণির হাত হইতে পাখাখানি লইলেন এবং আবার কথা কহিতে লাগিলেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) — এই পাখা যেমন দেখছি, সামনে — প্রত্যক্ষ — ঠিক অমনি আমি (ঈশ্বরকে দেখেছি! আর দেখলাম —

    এই বলিয়া ঠাকুর নিজের হৃদয়ে হাত দিয়া ইঙ্গিত করিতেছেন, আর নরেন্দ্রকে বলিতেছেন, “কি বললুম বল দেখি?”

    নরেন্দ্র — বুঝেছি।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — বল দেখি?

    নরেন্দ্র ভাল শুনিনি।

    শ্রীরামকৃষ্ণ আবার ইঙ্গিত করিতেছেন (Kathamrita), — দেখলাম, তিনি (ঈশ্বর) আর হৃদয় মধ্যে যিনি আছেন এক ব্যক্তি।

    নরেন্দ্র — হাঁ, হাঁ, সোঽহম্‌।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — তবে একটি রেখামাত্র আছে — (‘ভক্তের আমি’ আছে) সম্ভোগের জন্য।

    নরেন্দ্র (মাস্টারকে) — মহাপুরুষ নিজে উদ্ধার হয়ে গিয়ে জীবের উদ্ধারের জন্য থাকেন, — অহঙ্কার নিয়ে থাকেন — দেহের সুখ-দুঃখ নিয়ে থাকেন।

    “যেমন মুটেগিরি, আমাদের মুটেগিরি on compulsion (কারে পড়ে)। মহাপুরুষ মুটেগিরি করেন সখ করে।”

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ ও গুরুকৃপা

    আবার সকলে চুপ করিয়া আছেন। অহেতুক-কৃপাসিন্ধু ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ আবার কথা কহিতেছেন। আপনি কে, এই তত্ত্ব নরেন্দ্রাদি ভক্তগণকে আবার বুঝাইতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) নরেন্দ্রাদি ভক্তের প্রতি — ছাদ তো দেখা যায়! — কিন্তু ছাদে উঠা বড় শক্ত!

    নরেন্দ্র — আজ্ঞে হাঁ।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — তবে যদি কেউ উঠে থাকে, দড়ি ফেলে দিলে আর-একজনকে তুলে নিতে পারে।

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের পাঁচপ্রকার সমাধি

    “হৃষীকেশের সাধু এসেছিল। সে (আমাকে) বললে, কি আশ্চর্য! তোমাতে পাঁচপ্রকার সমাধি দেখলাম!

    “কখন কপিবৎ — দেহবৃক্ষে বানরের ন্যায় মহাবায়ু যেন এ-ডাল থেকে ও-ডালে একেবারে লাফ দিয়ে উঠে, আর সমাধি হয়।

    “কখন মীনবৎ — মাছ যেমন জলের ভিতরে সড়াৎ সড়াৎ করে যায় আর সুখে বেড়ায়, তেমনি মহাবায়ু দেহের ভিতর চলতে থাকে আর সমাধি হয়।

    “কখন বা পক্ষীবৎ — দেহবৃক্ষে পাখির ন্যায় কখনও এডালে কখনও ও-ডালে (Kathamrita)।

    “কখন পিপীলিকাবৎ — মহাবায়ু পিঁপড়ের মতো একটু একটু করে ভিতরে উঠতে থাকে, তারপর সহস্রারে বায়ু উঠলে সমাধি হয়। কখন বা তির্যক্‌বৎ — অর্থাৎ মাহবায়ুর গতি সর্পের ন্যায় আঁকা-ব্যাঁকা; তারপর সহস্রারে গিয়ে সমাধি।”

    রাখাল (ভক্তদের প্রতি) — থাক আর কথায়, — অনেক কথা হয়ে গেল; — অসুখ করবে।

  • BRICS Meet 2026:  দিল্লিতে মোদি-লাভরভ-আরাঘচি সাক্ষাৎ, যুদ্ধের আবহে ব্রিকস মঞ্চে বাড়ছে ভারতের গুরুত্ব

    BRICS Meet 2026: দিল্লিতে মোদি-লাভরভ-আরাঘচি সাক্ষাৎ, যুদ্ধের আবহে ব্রিকস মঞ্চে বাড়ছে ভারতের গুরুত্ব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকা-ইরান সংঘাতের আবহেই দিল্লিতে শুরু হলো ব্রিকস (BRICS Meet 2026) গোষ্ঠীভুক্ত রাষ্ট্রগুলির দুই দিনের বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক। তবে সব ছাপিয়ে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে হয়ে উঠল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Narendra Modi) সঙ্গে রুশ বিদেশমন্ত্রী সের্গেই লেভরভ এবং ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির হাই-প্রোফাইল সাক্ষাৎ (PM Modi meets Araghchi and Lavrov)। ইরান যুদ্ধ শুরুর পর এই প্রথম দুই শক্তিশালী বন্ধু দেশের শীর্ষ প্রতিনিধিদের সঙ্গে মোদির এই বৈঠক আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতিতে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে, এই দুই দেশের সঙ্গেই ‘আদায়-কাঁচকলায়’ সম্পর্ক আমেরিকার।

    লাভরভের সঙ্গে পৃথক বৈঠক মোদির

    চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ব্রিকসের (BRICS Meet 2026)  সভাপতিত্ব গ্রহণ করেছে ভারত। এর আগে ২০১২, ২০১৬ এবং ২০২১ সালে ভারত ব্রিকসের নেতৃত্ব দিয়েছিল। ২০২৬ সালের ব্রিকস সভাপতিত্বের রূপরেখা তৈরি এবং সম্প্রসারিত ব্রিকস গোষ্ঠীর মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদার করতেই এই বৈঠককে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রী সের্গেই লাভরভের সঙ্গেও পৃথক বৈঠক করেন। বৈঠকে ইউক্রেন যুদ্ধ এবং পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয় বলে জানা গিয়েছে। বৈঠকের পরে এক্স হ্যান্ডলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের “বিশেষ ও কৌশলগত অংশীদারিত্ব”-এর বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি ইউক্রেন এবং পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় হয়েছে। শান্তিপূর্ণ উপায়ে সংঘাতের সমাধানের পক্ষে ভারতের অবস্থানও তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।

    ইরান-সহ অন্যান্য দেশের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত

    ইরানের বিদেশমন্ত্রী বুধবার গভীর রাতে দিল্লি পৌঁছানোর পর বৃহস্পতিবার মোদির সঙ্গে দেখা করেন। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এটাই ভারতের সঙ্গে প্রথম উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক বৈঠক ইরানের।চলতি বছর ব্রিকস গোষ্ঠীর সভাপতিত্ব করছে ভারত। ১৪ ও ১৫ মে নয়া দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ব্রিকস দেশগুলির বিদেশমন্ত্রীদের সম্মেলন। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই মেগা ইভেন্টে যোগ দিতেই রাশিয়া, ইরান, দক্ষিণ আফ্রিকা, ব্রাজিল এবং ইন্দোনেশিয়ার বিদেশমন্ত্রীরা ভারতে এসেছেন। এদিন রুশ ও ইরান ছাড়াও অন্য দেশগুলির বিদেশমন্ত্রীদের সঙ্গে সমবেতভাবে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি ব্রিকস সদস্য ও অংশীদার দেশগুলির প্রতিনিধিদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক ‘ব্রিকস ফ্যামিলি ফোটো’-তেও অংশ নেন।

    আমেরিকার বিরুদ্ধে কার্যত যুদ্ধ ঘোষণা

    বৃহস্পতিবার সম্মেলনের (BRICS Meet 2026) প্রথম দিনেই নিজের ভাষণে আমেরিকার বিরুদ্ধে কার্যত যুদ্ধ ঘোষণা করেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। আন্তর্জাতিক মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি মার্কিন নীতিকে ‘গুন্ডামি’ বলে অভিহিত করেন। আরাঘচি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “মার্কিন আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আমাদের প্রতিরোধ বিশ্ববাসীর অজানা নয়। এই কক্ষে উপস্থিত অনেকেই একইভাবে ঘৃণ্য জবরদস্তির শিকার হয়েছেন।” অন্যান্য দেশের প্রতি তাঁর আহ্বান, একজোট হয়ে মার্কিন আগ্রাসনের যোগ্য জবাব দেওয়ার সময় এসেছে। আরাঘচির কথায়, “এখনই সময় আমাদের একসঙ্গে এগিয়ে এসে স্পষ্ট বার্তা দেওয়ার যে, এই ধরনের নীতি ইতিহাসের আবর্জনার স্তূপেই জায়গা পাবে।” পশ্চিম এশিয়ায় বাড়তে থাকা অস্থিরতা নিয়েও সতর্কবার্তা দেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী। তিনি বলেন, কিছু দেশ হয়ত মনে করে বেপরোয়া সামরিক বা রাজনৈতিক পদক্ষেপ তাদের ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থকে এগিয়ে নিয়ে যায়। কিন্তু বাস্তবে আঞ্চলিক অস্থিরতা শেষ পর্যন্ত সকল পক্ষের জন্যই ক্ষতিকর।

    আঞ্চলিক অস্থিরতা সবার জন্যই ক্ষতির

    আরাঘচি বলেন, “যাঁরা বেপরোয়া অভিযানে নামছেন, তাঁরা হয়তো ভাবছেন এতে তাঁদের ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষা হচ্ছে। কিন্তু বিশ্বজুড়ে সাধারণ মানুষ এবং সরকারগুলি এখন বুঝতে পারছে যে, আঞ্চলিক অস্থিরতা সবার জন্যই ক্ষতির— এমনকি আগ্রাসনকারীদের জন্যও।”আরও এক তীব্র মন্তব্যে তিনি বলেন, ইতিহাস দেখিয়েছে পতনের মুখে থাকা সাম্রাজ্যগুলি নিজেদের প্রভাব ধরে রাখতে মরিয়া হয়ে ওঠে। তাঁর ভাষায়, “ইতিহাস সাক্ষী, পতনশীল সাম্রাজ্য নিজেদের অনিবার্য পরিণতি ঠেকাতে সবকিছু করতে পারে। আহত পশু যেমন শেষ মুহূর্তে মরিয়া হয়ে থাবা মারে ও গর্জন করে, তেমনই আচরণ করে তারা।” যদিও ব্রিকস এখনও এই যুদ্ধ নিয়ে সরাসরি কোনও কড়া বার্তা দেয়নি, তবে তেহরান চাইছে এই জোট যেন পশ্চিমী আধিপত্যের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান নেয়।

    দিল্লি মস্কো ও তেহরানের মধ্যে সুপ্রাচীন সম্পর্ক

    ব্রিকসের (BRICS Summit 2026) মূল অনুষ্ঠানের ফাঁকে মোদি, রুশ ও ইরানি প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলাদাভাবে আলোচনা করেন। ভারতের এই সক্রিয় কূটনৈতিক ভূমিকা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, পশ্চিমী চাপ থাকা সত্ত্বেও দিল্লি মস্কো ও তেহরানের সঙ্গে তার সুপ্রাচীন সম্পর্ক রক্ষায় অনড়। যুদ্ধের অস্থিরতার মাঝে দিল্লিতে এই মেগা বৈঠক প্রমাণ করে দিচ্ছে যে, বিশ্ব রাজনীতিতে ভারতের মধ্যস্থতাকারী ভূমিকা আরও জোরালো হচ্ছে। একদিকে আমেরিকার সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারিত্ব, অন্যদিকে ইরান-রাশিয়ার সঙ্গে বন্ধুত্ব— এই দুইয়ের ভারসাম্যে ভারত নিজের জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করে চলাই শ্রেয় বলে মনে করছে, অভিমত কূটনীতিকদের। ব্রিকস বৈঠকে সদস্য দেশগুলির শীর্ষ কূটনীতিকরা আঞ্চলিক নিরাপত্তা, আন্তর্জাতিক উত্তেজনা এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করছেন।

  • Vaibhav Sooryavanshi: সচিনের রেকর্ড ভাঙার হাতছানি, ভারত ‘এ’ দলে সুযোগ পেলেন ১৫ বছরের বৈভব সূর্যবংশী

    Vaibhav Sooryavanshi: সচিনের রেকর্ড ভাঙার হাতছানি, ভারত ‘এ’ দলে সুযোগ পেলেন ১৫ বছরের বৈভব সূর্যবংশী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় ক্রিকেটের উদীয়মান নক্ষত্র বৈভব সূর্যবংশীর (Vaibhav Sooryavanshi) মুকুটে যুক্ত হল নতুন পালক। অনূর্ধ্ব-১৯ ও এমার্জিং দলের হয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর এবার বড়দের ক্রিকেটে পা রাখলেন ১৫ বছর বয়সি এই বাঁহাতি ওপেনার। আইপিএলে রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে নজরকাড়া ব্যাটিংয়ের পুরস্কার হিসেবে তাঁকে ভারত ‘এ’ (India A Team) দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

    আইপিএলের বিধ্বংসী ফর্ম ও জাতীয় দলের হাতছানি (Vaibhav Sooryavanshi)

    চলতি আইপিএলে রাজস্থানের জার্সি গায়ে বৈভবের (Vaibhav Sooryavanshi) ব্যাটে রানের বন্যা বয়ে গিয়েছে। মাত্র ১১ ম্যাচে ৪০ গড় এবং ২৩৬.৫৫-এর অবিশ্বাস্য স্ট্রাইক রেটে তিনি ৪৪০ রান সংগ্রহ করেছেন। টুর্নামেন্টে একটি শতরান (১০৩ রান) ও দুটি অর্ধশতরান করে কমলা টুপির লড়াইয়েও প্রথম সারিতে রয়েছেন তিনি। বৈভবের (India A Team) এই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং শৈলী দেখে বিশেষজ্ঞরা এখনই তাঁকে ভারতীয় জাতীয় দলের ভবিষ্যৎ সম্পদ হিসেবে গণ্য করছেন।

    তিলক বর্মার নেতৃত্বে শ্রীলঙ্কা সফর

    আগামী জুন মাসে শ্রীলঙ্কার মাটিতে একটি ত্রিদেশীয় এক দিনের সিরিজ খেলতে যাবে ভারত ‘এ’ দল। শ্রীলঙ্কা ও ভারতের পাশাপাশি এই টুর্নামেন্টে অংশ নেবে আফগানিস্তান। তিলক বর্মার নেতৃত্বাধীন ১৫ জনের এই দলে বৈভবকে (India A Team) সুযোগ দেওয়া হয়েছে। আগামী ৯ জুন থেকে শুরু হওয়া এই সিরিজ চলবে ২১ জুন পর্যন্ত। এরপর শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে দুটি চার দিনের ম্যাচও খেলবে ভারত, যার দল পরে ঘোষণা করা হবে।

    সচিন তেন্ডুলকরের রেকর্ড কি বিপন্ন?

    ক্রিকেট মহলে গুঞ্জন শুরু হয়েছে, ভারত ‘এ’ দলের হয়ে এই সফরে বৈভব (Vaibhav Sooryavanshi) যদি নিজের ফর্ম বজায় রাখতে পারেন, তবে খুব দ্রুতই জাতীয় টি-টোয়েন্টি দলে তাঁর অভিষেক হতে পারে। আর তেমনটা হলে কিংবদন্তি সচিন তেন্ডুলকরের রেকর্ড ভেঙে সর্বকনিষ্ঠ ভারতীয় ক্রিকেটার (India A Team) হিসেবে আন্তর্জাতিক মঞ্চে পদার্পণ করবেন তিনি।

    অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জয়ের নায়ক

    উল্লেখ্য, চলতি বছরে ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জয়ে বৈভবের (Vaibhav Sooryavanshi) অবদান ছিল অনস্বীকার্য। বিশেষ করে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ফাইনালে তাঁর ১৭৫ রানের মহাকাব্যিক ইনিংসটি ক্রিকেটপ্রেমীদের দীর্ঘকাল মনে থাকবে। সেই আত্মবিশ্বাসকে সঙ্গী করেই এবার শ্রীলঙ্কার চ্যালেঞ্জ সামলাতে প্রস্তুত বিহারের এই তরুণ তুর্কি।

    ভারত ‘এ’ স্কোয়াড

    ভারত এ স্কোয়াড টিমে রয়েছে (India A Team) তিলক বর্মা (অধিনায়ক), রিয়ান পরাগ (সহ-অধিনায়ক), প্রিয়াংশ আর্য, বৈভব সূর্যবংশী, আয়ুষ বদোনি, নিশান্ত সিন্ধু, হর্ষ দুবে, সূর্যাংশ শেরগে, প্রভসিমরন সিংহ (উইকেটরক্ষক), কুমার কুশাগ্র (উইকেটরক্ষক), বিপরাজ নিগম, যশ ঠাকুর, যুদ্ধবীর সিংহ, অংশুল কম্বোজ ও আরশাদ খান।

  • BJP Government: বাঙালির পাতে পাঁচ টাকায় মাছ-ভাত, নজিরবিহীন সিদ্ধান্তে মাস্টারস্ট্রোক রাজ্য বিজেপির

    BJP Government: বাঙালির পাতে পাঁচ টাকায় মাছ-ভাত, নজিরবিহীন সিদ্ধান্তে মাস্টারস্ট্রোক রাজ্য বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছিল বাঙালির চিরন্তন ‘মাছ-ভাত’ (Fish and Rice Meal)। তৃণমূলের মতো বিরোধী শিবিরের পক্ষ থেকে বিজেপি-কে ‘বাঙালি সংস্কৃতি বিরোধী’ এবং ‘নিরামিষাশী দল’ হিসেবে চিহ্নিত করার যে চেষ্টা চালানো হয়েছিল, ক্ষমতায় আসার পর এক অভাবনীয় প্রকল্পের মাধ্যমে তার যোগ্য জবাব দিল বর্তমান রাজ্য সরকার (BJP Government)। অবিশ্বাস্য শোনালেও সত্যি, এবার মাত্র ৫ টাকায় সাধারণ মানুষের থালায় মিলবে মাছ-ভাত। সরকারের এই ঘোষণায় খুশির হাওয়া রাজ্যের সাধারণ মানুষের মধ্যে।

    অপপ্রচারের অবসান ও পাল্টা কৌশল (BJP Government)

    রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ বলেন, “মা ক্যান্টিন প্রকল্পেও বড় বদল ঘটবে। এখন যেখানে ডিম-ভাত দেওয়া হয়, সেখানে ভবিষ্যতে মাছ-ভাতও দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে ৫ টাকায় খাবারের সুবিধা আগের মতোই থাকবে।”

    নির্বাচনী প্রচারে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বারবার দাবি করা হয়েছিল যে, বিজেপি (BJP Government) ক্ষমতায় এলে বাঙালির খাদ্যাভ্যাসে (Fish and Rice Meal) হস্তক্ষেপ করা হবে এবং মাছ-মাংস খাওয়া বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এমনকি ‘বহিরাগত’ তত্ত্বকে হাতিয়ার করে বাংলার কৃষ্টি ও সংস্কৃতি না বোঝার অভিযোগও তোলা হয়েছিল। তবে বিজেপি নেতৃত্ব প্রথম থেকেই এই অভিযোগকে খণ্ডন করে আসছিল। নির্বাচনী লড়াই চলাকালীন অনুরাগ ঠাকুর থেকে শুরু করে হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বা ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী চম্পাই সোরেনের মতো নেতাদের মাছ-ভাত খাওয়ার ছবি ও ভিডিও জনমানসে একটি ইতিবাচক বার্তা দিয়েছিল।

    মাছ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা ও তাপস রায়ের দাবি

    খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (BJP Government) নির্বাচনী জনসভায় দাঁড়িয়ে সরব হয়েছিলেন রাজ্যের মৎস্য (Fish and Rice Meal) সংকটের বিষয়ে। তিনি অভিযোগ তুলেছিলেন যে, দীর্ঘ ১৫ বছর ক্ষমতায় থেকেও তৃণমূল সরকার মাছের মতো একটি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহে ব্যর্থ হয়েছে এবং বাংলাকে ভিনরাজ্যের মাছের ওপর নির্ভরশীল করে তুলেছে। অন্যদিকে, তাপস রায়ের মতো নেতারা দাবি করেছিলেন যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের আমলে সাধারণ মানুষের পাতের মাছ ক্রমশ দুর্লভ হয়ে উঠেছিল।

    ৫ টাকায় মাছ-ভাত: অবিশ্বাস্য বাস্তবায়ন

    সাধারণত বাজারে এক থালা মাছ-ভাতের (Fish and Rice Meal) দাম যেখানে ৩৫ থেকে ৪০ টাকার নিচে নয়, সেখানে মাত্র ৫ টাকায় এই আহার পরিবেশন করার সিদ্ধান্তকে একটি বড় ধরনের জনকল্যাণমূলক বিপ্লব হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্যও একাধিকবার তাঁর বক্তব্যে বাঙালির খাদ্যাভ্যাসের অধিকারকে সুরক্ষিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সরকারের (BJP Government) এই নয়া পরিকল্পনা সেই প্রতিশ্রুতি পালনেরই এক বাস্তব প্রতিফলন।

    রাজনৈতিক গুরুত্ব

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ৫ টাকায় মাছ-ভাত দেওয়ার এই পদক্ষেপ কেবল একটি কল্যাণমূলক প্রকল্প নয়, বরং এটি একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক বার্তাও। এর মাধ্যমে বিজেপি (BJP Government) প্রমাণ করতে চাইছে যে, তারা বাঙালির ঐতিহ্যবাহী জীবনযাত্রাকে আরও সহজলভ্য করতে বদ্ধপরিকর। মাছ-মাংস (Fish and Rice Meal) বন্ধ হয়ে যাবে—এমন ভ্রান্ত ধারণাকে সমূলে বিনাশ করে এই প্রকল্প এখন রাজ্যবাসীর মুখে হাসি ফুটিয়েছে।

    বাঙালির রসনাতৃপ্তির এই নজিরবিহীন উদ্যোগ আগামী দিনে রাজ্যের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক মানচিত্রে কী প্রভাব ফেলে, এখন সেটাই দেখার।

  • Speaker in Bengal Assembly: শুক্রবার নির্বাচন! দলের স্পিকার পদপ্রার্থী হিসেবে রথীন্দ্রনাথ বসুকে বেছে নিল বিজেপি

    Speaker in Bengal Assembly: শুক্রবার নির্বাচন! দলের স্পিকার পদপ্রার্থী হিসেবে রথীন্দ্রনাথ বসুকে বেছে নিল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধানসভার স্পিকার হচ্ছেন কোচবিহার দক্ষিণ কেন্দ্রের বিধায়ক রথীন্দ্র বসু (Rathindra Bose)। রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকারের প্রথম স্পিকার (Speaker in Bengal Assembly) হচ্ছেন তিনি। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তাঁর নাম জানান। এ দিন বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘রাজ্য সভাপতি-সহ বিধায়ক দলের সকলের সঙ্গে পরামর্শ করে জাতীয় সভাপতির অনুমোদন নিয়ে আমরা দলের অত্যন্ত বলিষ্ঠ, নিষ্ঠাবান নেতা রথীন্দ্র বসুকে স্পিকার পদের জন্য মনোনীত করেছি। এই পদ চালানোর জন্য রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও উচ্চ শিক্ষার দরকার। তিনি একজন চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট। আগামিকাল সকাল ১১টায় স্পিকার নির্বাচন হবে।’

    শুক্রবার বিধানসভায় স্পিকার নির্বাচন

    শুক্রবার বিধানসভায় স্পিকার (Speaker in Bengal Assembly) নির্বাচন হবে। বিরোধী দলগুলি এই নির্বাচনে অংশ নেবে কি না, তা স্পষ্ট নয়। তবে সংখ্যার নিরিখে স্পিকার নির্বাচনে বিজেপির জয় কার্যত নিশ্চিত। সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, অষ্টাদশ বিধানসভার অধ্যক্ষ বা স্পিকার পদপ্রার্থী হিসাবে রথীন্দ্র বসুকে মনোনীত করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, “আমার স্থির বিশ্বাস, তিনি (রথীন্দ্র) সর্বসম্মতিক্রমে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার মাননীয় অধ্যক্ষ হিসাবে নির্বাচিত হবেন।” বিজেপির স্পিকার পদপ্রার্থী হিসাবে মনোনীত হওয়ার পর রথীন্দ্র বলেন, “দল যা দায়িত্ব দিয়েছে, তা পালন করব। প্রয়োজনে বিধানসভার অভিজ্ঞ সদস্যদের পরামর্শ নেব।” বৃহস্পতিবার দুপুরে মুখ্যমন্ত্রী এবং অন্য বিজেপি বিধায়কদের উপস্থিতিতে মনোনয়নপত্র জমা দেন রথীন্দ্র। মনে করা হচ্ছে, দীর্ঘদিন রাজ্যে সংগঠনের ভরকেন্দ্র উত্তরবঙ্গের কথা মাথায় রেখেই স্পিকার বেছে নিল বিজেপি।

    প্রথা ভাঙছে বিজেপি

    প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, রথীন্দ্র (Rathindra Bose) পেশায় চাটার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট। দীর্ঘ দিন তিনি রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (আরএসএস)-এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরে সক্রিয় রাজনীতিতে আসেন। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কোচবিহার দক্ষিণ কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী অভিজিৎ দে ভৌমিককে ২৩ হাজারেরও বেশি ভোটে পরাজিত করেছেন তিনি। রথীন্দ্র প্রথম বারের বিধায়ক। তৃণমূল আমলে রাজ্য বিধানসভার স্পিকার ছিলেন বারুইপুর পশ্চিম কেন্দ্রের তৃণমূল বিধায়ক বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। এ বারও ওই কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। বাম আমলে বিধানসভার স্পিকার হয়েছিলেন যথাক্রমে সৈয়দ আব্দুল মনসুর হবিবুল্লাহ এবং হাসিম আব্দুল হালিম। সাধারণত স্পিকার হিসাবে আইনজ্ঞ বা পেশায় আইনজীবী কাউকেই মনোনীত করে রাজনৈতিক দলগুলি। সেই হিসাবে এ বার অলিখিত এই প্রথা ভাঙতে চলেছে। সব কিছু ঠিক থাকলে স্পিকার নির্বাচিত হতে চলেছেন চাটার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট রথীন্দ্রই।

  • Araghchi in India: হরমুজ থেকে চাবাহার, ব্রিকস বৈঠকে ভারতের গুরুত্ব বাড়াল ইরানের বিশেষ বার্তা

    Araghchi in India: হরমুজ থেকে চাবাহার, ব্রিকস বৈঠকে ভারতের গুরুত্ব বাড়াল ইরানের বিশেষ বার্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান অস্থিরতার আবহে ভারতের কূটনৈতিক গুরুত্ব আরও একবার সামনে এল। ব্রিকস বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠকে অংশ নিতে ভারতে এসেছেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাঘচি। তাঁর এই সফর এমন এক সময়ে হচ্ছে, যখন ইরান-ইজরায়েল সংঘাত ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি দ্রুত বদলাচ্ছে এবং তার সরাসরি প্রভাব পড়ছে বিশ্ব জ্বালানি বাজার, সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে। কূটনৈতিক মহলের মতে, এই সফর শুধু একটি বহুপাক্ষিক বৈঠকে অংশগ্রহণ নয়, বরং ভারতের প্রতি ইরানের কৌশলগত বার্তা বহন করছে। আন্তর্জাতিক চাপ ও মেরুকরণের আবহেও ভারত যে তুলনামূলকভাবে নিরপেক্ষ, ভারসাম্যপূর্ণ এবং ‘স্ট্র্যাটেজিক অটোনমি’ বজায় রাখা পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করছে, তা প্রকাশ্যেই প্রশংসা করেছে তেহরান।

    ভারতের নিরপেক্ষ অবস্থানকে গুরুত্ব দিচ্ছে ইরান

    পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাত ঘনীভূত হওয়ার পর বহু দেশকে একপক্ষ বেছে নেওয়ার চাপের মুখে পড়তে হয়েছে। কিন্তু ভারত এখনও পর্যন্ত কোনও সংঘাতে সরাসরি পক্ষ না নিয়ে কূটনৈতিক সংলাপ, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং বাণিজ্যিক স্বার্থ রক্ষার নীতিতে অটল রয়েছে। ইরান এই অবস্থানকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে অতিরিক্ত ভারতীয় জাহাজের নিরাপদ যাতায়াতের ইঙ্গিত দিয়েছে ইরান। ইরানের বিদেশমন্ত্রী আরাঘচি ভারতকে আশ্বস্ত করেছেন যে, সামুদ্রিক উত্তেজনা ও নিরাপত্তা বিধিনিষেধ থাকা সত্ত্বেও ভারতীয় বাণিজ্যিক জাহাজগুলির জন্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াতে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। এই পদক্ষেপের লক্ষ্য হল সামুদ্রিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ কমানো, পাশাপাশি আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যেও ভারত-ইরান কূটনৈতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করা।

    কেন ভারতের জন্য এত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী?

    বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহণ করিডর হল হরমুজ প্রণালী। পারস্য উপসাগর থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে তেল ও গ্যাস পরিবহণের বড় অংশ এই সংকীর্ণ জলপথের মাধ্যমে হয়। ভারতের ক্ষেত্রেও এর গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। দেশের আমদানিকৃত অপরিশোধিত তেলের উল্লেখযোগ্য অংশ এই রুট দিয়েই আসে। ফলে হরমুজে কোনও অস্থিরতা দেখা দিলে তার সরাসরি প্রভাব পড়ে—

    আন্তর্জাতিক অপরিশোধিত তেলের দামে

    • ● ভারতের জ্বালানি ব্যয়ে
    • ● শিপিং খরচে
    • ● সামগ্রিক আমদানি-রপ্তানি স্থিতিশীলতায়

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানের এই আশ্বাস ভারতের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত বাড়লে জ্বালানি সরবরাহ শৃঙ্খল ভেঙে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।

    চাবাহার বন্দর নিয়ে ফের জোর ভারত-ইরান সম্পর্কে

    বৈঠকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয় ছিল চাবাহার বন্দর প্রকল্প। ইরানের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত এই বন্দরকে ভারত দীর্ঘদিন ধরেই কৌশলগত বিনিয়োগের কেন্দ্র হিসেবে দেখছে।

    চাবাহারের মাধ্যমে ভারত—

    • ● পাকিস্তানকে বাইপাস করে আফগানিস্তানে প্রবেশাধিকার পায়
    • ● মধ্য এশিয়া ও ইউরেশিয়ার বাজারের সঙ্গে সংযোগ বাড়াতে পারে
    • ● আঞ্চলিক বাণিজ্য করিডর শক্তিশালী করতে পারে

    বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা ও ভূরাজনৈতিক জটিলতা থাকা সত্ত্বেও চাবাহার নিয়ে ভারত-ইরান সহযোগিতা অব্যাহত থাকা প্রমাণ করে যে দুই দেশ দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত অংশীদারিত্ব বজায় রাখতে আগ্রহী।

    একদিকে ইরান, অন্যদিকে ইউএই—ভারতের ‘মাল্টি-অ্যালাইনমেন্ট’ কৌশল

    ভারত বর্তমানে শুধু ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখছে না, একইসঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরশাহী (UAE), সৌদি আরব-সহ উপসাগরীয় শক্তিগুলির সঙ্গেও কৌশলগত ও জ্বালানি সম্পর্ক জোরদার করছে। নয়াদিল্লি খুব সচেতনভাবে এমন এক পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করছে, যেখানে কোনও এক ব্লকের উপর নির্ভরশীল না হয়ে একাধিক শক্তির সঙ্গে সমান্তরাল সম্পর্ক রক্ষা করা হচ্ছে। কূটনীতিকদের মতে, ভারতের এই বহুমুখী কৌশলের মূল লক্ষ্য—

    • ● দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা
    • ● গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য রুট সুরক্ষিত রাখা
    • ● আঞ্চলিক সংঘাতে সরাসরি জড়িয়ে না পড়ে কৌশলগত সুবিধা ধরে রাখা
    • ● ব্রিকস মঞ্চে ভারতের বাড়তি প্রভাব

    ভারত এখন স্থিতিশীলতা রক্ষাকারী কূটনৈতিক শক্তি

    বিশ্ব রাজনীতিতে যখন আমেরিকা, চিন, রাশিয়া-সহ বড় শক্তিগুলির প্রতিযোগিতা তীব্র হচ্ছে, তখন ব্রিকসের মতো বহুপাক্ষিক মঞ্চে ভারতের ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। কৌশলগত পর্যবেক্ষকদের মতে, এই বৈঠক স্পষ্ট করেছে যে ভারত এখন শুধু দক্ষিণ এশিয়ার শক্তি নয়, বরং পশ্চিম এশিয়া ও ইউরেশিয়ার ভূরাজনীতিতেও এক গুরুত্বপূর্ণ ভারসাম্য রক্ষাকারী শক্তি হিসেবে উঠে আসছে। ইরানের বিদেশমন্ত্রীর এই সফর আরও একবার তুলে ধরল, আন্তর্জাতিক অস্থিরতার সময় ভারতকে ক্রমশ একটি স্থিতিশীলতা রক্ষাকারী কূটনৈতিক শক্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে—যে দেশ একইসঙ্গে সংলাপ, অর্থনৈতিক স্বার্থ ও আঞ্চলিক ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করছে।

  • Dilip Mondal: তৃণমূলের দিলীপ মণ্ডলের ‘রাজপ্রাসাদে’ পুলিশি অভিযান, নিখোঁজ বিধায়ক, এলাকায় চাঞ্চল্য

    Dilip Mondal: তৃণমূলের দিলীপ মণ্ডলের ‘রাজপ্রাসাদে’ পুলিশি অভিযান, নিখোঁজ বিধায়ক, এলাকায় চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুরের প্রভাবশালী তৃণমূল (TMC MLA) বিধায়ক দিলীপ মণ্ডলের (Dilip Mondal) পৈলানের বিলাসবহুল বাসভবনে মঙ্গলবার সকালে এক বিশাল পুলিশ বাহিনী হানা দেয়। সামাজিক মাধ্যমে উস্কানিমূলক মন্তব্য ও হুমকির জেরে তাঁর বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু হওয়ার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। তবে দীর্ঘক্ষণ তল্লাশি চালিয়েও বাড়ির ভেতরে বিধায়কের হদিস পাওয়া যায়নি। তল্লাশির সময়ে উদ্ধার হওয়া সামগ্রী আর সাজজ্জা দেখে স্তুম্ভিত পুলিশ। বিশাল বাগান, প্রসাদ, সুইমিং পুল থেকে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের মূর্তি— এ যেন ফাইভ স্টার রিসর্ট।

    প্রাসাদে তল্লাশি ও আড়ম্বরপূর্ণ জীবনযাত্রা (Dilip Mondal)

    পুলিশ যখন পৈলানের সেই সুউচ্চ পাঁচিল ঘেরা বাড়িতে প্রবেশ করে, তখন বিধায়কের (Dilip Mondal) আড়ম্বরপূর্ণ জীবনযাত্রার এক অভূতপূর্ব চিত্র সামনে আসে। বিশাল এলাকা জুড়ে বিস্তৃত সেই বাসভবনটি যেন কোনও রাজপ্রাসাদ। তার ভেতরে ব্যক্তিগত সুইমিং পুল, বাহারি ফোয়ারা এবং অত্যন্ত পরিপাটি লন নজর কেড়েছে তদন্তকারীদের। বাগানের সাজসজ্জায় ব্যবহার করা হয়েছে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার, হরিণ ও ময়ূরের প্রমাণ সাইজ মূর্তি। বাড়ির কর্মীদের দাবি, শপথ গ্রহণের পর থেকে বিধায়ক আর এই প্রাসাদে ফেরেননি।

    অভিযানের কারণ ও আইনি প্রেক্ষাপট

    ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সম্প্রতি তৃণমূল (TMC MLA)  বিধায়কের একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়, যেখানে তাঁকে সরাসরি হুমকি দিতে শোনা যায়। ভিডিওটিতে দিলীপ মণ্ডল (Dilip Mondal) বলেন, “অনেক সংযম দেখিয়েছি, ১৫ বছর শান্তিতে রেখেছিলাম। আর হবে না।” এই মন্তব্যকে উস্কানিমূলক হিসেবে গণ্য করে পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে মোট চারটি ধারায় মামলা রুজু করেছে, যার মধ্যে দুটি ধারা অত্যন্ত কঠোর ও জামিন অযোগ্য।

    রাজনৈতিক জল্পনা ও বর্তমান পরিস্থিতি

    তৃণমূলের (TMC MLA) একজন গুরুত্বপূর্ণ বিধায়কের বাড়িতে পুলিশের এই সক্রিয়তা রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিরোধীদের একাংশের মতে, আইনি পদক্ষেপ এড়াতেই তিনি বর্তমানে আত্মগোপন করেছেন। অন্যদিকে, ডায়মন্ড হারবার পুলিশ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, অপরাধের গুরুত্ব বিচার করে আইন তার নিজের পথেই চলবে। তবে বিধায়কের বক্তব্য এলাকায় ভয় ও উত্তেজনার পরিবেশ তৈরি করেছে তাই বিরোধী কর্মী-সমর্থকদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে। এরপরই পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখা শুরু করে। অভিযোগের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার সকালে পৈলানের দিলীপ মণ্ডলের বিলাসবহুল বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালানো হয়।

    বর্তমানে দিলীপ মণ্ডলের (Dilip Mondal) পৈলানের বাড়িটি পুলিশি বেষ্টনীতে রয়েছে। নিখোঁজ বিধায়কের সন্ধানে পুলিশ রাজ্যজুড়ে তল্লাশি শুরু করতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। পুরো ঘটনায় এলাকা জুড়ে ব্যাপক উত্তেজনা ও কৌতূহল বিরাজ করছে।

  • Mamata Banerjee: হাইকোর্টে মমতাকে ‘চোর চোর’ স্লোগান, ‘কৃতকর্মের ফল’ বললেন শমীক, কী প্রতিক্রিয়া মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর?

    Mamata Banerjee: হাইকোর্টে মমতাকে ‘চোর চোর’ স্লোগান, ‘কৃতকর্মের ফল’ বললেন শমীক, কী প্রতিক্রিয়া মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘চোর চোর স্লোগান শুনতে হল মমতাকে! কলকাতা হাইকোর্টের ইতিহাসে এক নজিরবিহীন ও উত্তপ্ত পরিস্থিতির সাক্ষী থাকল বৃহস্পতিবার। ভোট-পরবর্তী হিংসা এবং বুলডোজার দিয়ে বেআইনি নির্মাণ ভাঙার মতো স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে দায়ের করা জনস্বার্থ মামলার শুনানিতে এদিন  সশরীরে উপস্থিত হয়েছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।  একেবারে আইনজীবীর কালো গাউন বা শামলা পরে।

    প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথী সেনের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি চলাকালীন আদালতের ভেতরে ও বাইরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিগত ১৫ বছর ধরে তৃণমূল সরকারের সময়ে চলা ভোট-পরবর্তী হিংসার সময় মমতা কোথায় ছিলেন এই প্রশ্ন তোলে বিজেপি। সংবাদ মাধ্যমে প্রচারের আলোয় আসতে এই নাটক বলে তীব্র কটাক্ষ বিজেপির। উল্লেখ্য রাজ্যে বিগত সরকারের সকল দুর্নীতির মাথা স্বয়ং নেত্রী এই অভিযোগ তুলে আইনজীবীদের একাংশ চোর চোর স্লোগান দেয়। কোর্ট চত্বরে মুখ পুড়ল প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর।

    এজলাসের ভেতরে বাদানুবাদ ও সওয়াল-জবাব(Mamata Banerjee)

    সকাল ১১টার কিছু আগে হাইকোর্ট (Calcutta High Court) চত্বরে পৌঁছে যান তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। আইনজীবীর বেশে হাজির হন প্রধান বিচারপতি পালের এজলাসে। সেখানে সওয়াল করেন তিনি। এদিন হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির এজলাসে ছিল তিল ধারণের জায়গা নেই। আইনজীবী রীতঙ্কর দাস এবং শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়ের দায়ের করা পৃথক দুটি মামলার শুনানিকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই আদালত চত্বরে ভিড় জমতে শুরু করে। অভিযোগ ছিল, হগ মার্কেট এলাকায় জেসিবি দিয়ে ইমারত ভাঙা হয়েছে এবং ভোট-পরবর্তী পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে। পাল্টা কলকাতা হাইকোর্টে অ্যাডিশনাল সলিসেটার জেনারেল অশোক চক্রবর্তী তৃণমূলনেত্রীর অভিযোগকে বাস্তব ভিত্তিহীন বলে মন্তব্য করেন।

    ‘‘আদালত যেন নাটকের মঞ্চে পরিণত না হয়’’

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন এই মামলাগুলোর প্রেক্ষিতে নিজের বক্তব্য পেশ করতে ওঠেন, তখন এজলাসের ভেতরেই উপস্থিত আইনজীবীদের একাংশ তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। অভিযোগ ওঠে, সওয়াল চলাকালীন এক আইনজীবী তাঁকে উদ্দেশে মন্তব্য করেন যে, আদালত যেন নাটকের মঞ্চে পরিণত না হয়। এই পরিস্থিতিতে উপস্থিত আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় রুখে দাঁড়ান এবং কড়া ভাষায় পাল্টা জবাব দেন। দীর্ঘক্ষণ ধরে চলা এই আইনি লড়াইয়ে এজলাসের পরিবেশ ছিল অত্যন্ত থমথমে। তার পরে এজলাস থেকে বেরোনোর সময়েই তৃণমূলনেত্রী যে মামলা লড়তে গিয়েছেন, সে কথা প্রত্যাশিত ভাবেই ততক্ষণে ছড়িয়ে পড়েছিল হাইকোর্টের আইনজীবী মহলে। এরপর রাজ্যের ঘটে যাওয়ার একাধিক দুর্নীতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

    আদালত চত্বরে ‘চোর চোর’ স্লোগান ও উত্তেজনা

    আসল নাটকীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় শুনানি শেষে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) যখন আদালত কক্ষ থেকে বেরিয়ে আসছিলেন। আইনজীবীদের (Calcutta High Court)  একটি বড় অংশ তাঁকে দেখে ‘চোর চোর’ এবং ‘পিসি চোর, ভাইপো চোর’ স্লোগান দিতে শুরু করেন। এই ঘটনায় উপস্থিত নিরাপত্তারক্ষীরা রীতিমতো হিমশিম খান। উত্তেজিত আইনজীবীদের ভিড় সামলাতে গিয়ে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, আদালতের মূল প্রবেশদ্বারে থাকা মেটাল ডিটেক্টর গেটটি ধাক্কাধাক্কিতে উল্টে যায়।

    আদালত চত্বর ‘শুদ্ধ’ করার ডাক

    উপস্থিত আইনজীবীদের অনেকেই মোবাইলে এই ঘটনার ভিডিও করতে থাকেন। ক্ষুব্ধ এক আইনজীবী মন্তব্য করেন, “যিনি একসময় বিচারপতিদের সম্মান জানাতেন না, আজ তিনি নিজেই আদালতে আশ্রয় নিতে এসেছেন। এটি অত্যন্ত লজ্জাজনক।” এমনকি আদালত চত্বর ‘শুদ্ধ’ করার ডাক দিয়ে কেউ কেউ গোবর ও গঙ্গাজল ব্যবহারের দাবিও তোলেন। মোবাইল করে আইনজীবীরাই মমতার ছবি তুলতে থাকেন। গোটা পরিস্থিতির ভিডিও করতে থাকেন। আরও এক আইনজীবী বলেন, “হাইকোর্টকে আজকে গোবর, গঙ্গাজল দিয়ে শুদ্ধ করতে হবে। বিচারপতিদের সবচেয়ে বেশি অপমান করেছে তৃণমূল।”

    প্রাক্তনকে নিয়ে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া

    রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এই বিতর্ক বা রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় তিনি স্পষ্ট করে দেন, বর্তমানে তাঁর মূল ফোকাস রাজ্যের প্রশাসনিক কাজ এবং উন্নয়নমূলক দায়িত্ব পালনের উপরেই রয়েছে। তাঁর বক্তব্য, “এই বিষয়ে আমি কোনও মন্তব্য করতে চাই না। আমাদের সামনে রাজ্যের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ রয়েছে, তাই সেই দিকেই নজর দেওয়া প্রয়োজন।” মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে তাঁর উপর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক দায়িত্ব রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা, উন্নয়ন প্রকল্প, সরকারি পরিষেবা এবং রাজ্যের সামগ্রিক প্রশাসনিক কার্যক্রমের দিকে সমানভাবে নজর রাখতে হচ্ছে। সেই কারণেই বিতর্কিত বা রাজনৈতিক মন্তব্যে জড়াতে তিনি আগ্রহী নন। তাঁর কথায়, “এখন আমার অনেক দায়িত্ব। রাজ্যের সব দিকেই নজর দিতে হচ্ছে। তাই এ ধরনের বিষয় নিয়ে সময় নষ্ট করার সুযোগ নেই, আর আমি ব্যক্তিগতভাবেও এসব নিয়ে ভাবতে রাজি নই।”

    ‘‘এই অবস্থার জন্য দায়ী তৃণমূলই’’, বলল বিজেপি

    কোর্টে (Calcutta High Court)  মমতার (Mamata Banerjee)  এই নাটক দেখে এই ঘটনাকে তীব্র তোপ দেগে বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “বিজেপি আছে বলেই তৃণমূলের কর্মীরা এখনও বেঁচে আছেন, আমাদের কর্মীরাও তৃণমূলের ভাষা জানেন। তবে এখনও পর্যন্ত রাজ্যে জয়ের পরেও ৩ জন বিজেপি কর্মীকে হত্যা করেছে তৃণমূল। বাকি সব জায়গায় তৃণমূল বনাম তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলে হত্যা হয়েছে।” শমীক জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক এই বিক্ষোভের সঙ্গে বিজেপির কোনও যোগ নেই। তাঁর বক্তব্য, ‘‘এ ধরনের আচরণ বিজেপির রাজনৈতিক সংস্কৃতির অংশ নয়। উনি রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এবং একজন মহিলা। তাঁকে দেখে রাস্তায় মানুষ ‘চোর-চোর’ স্লোগান দেবে— এমন পরিস্থিতি বিজেপি তৈরি করে না। এই অবস্থার জন্য দায়ী তৃণমূলই।’’

    ‘‘কৃতকর্মের ফল একসময় ফিরে আসেই’’: শমীক

    তিনি আরও বলেন, ‘‘মানুষের কৃতকর্মের ফল একসময় ফিরে আসেই। যদিও আমরা চাই না এ ধরনের ঘটনা ঘটুক। বিজেপি সবসময় সুস্থ ও স্বাভাবিক রাজনৈতিক পরিবেশের পক্ষেই রয়েছে। তৃণমূল অতীতে যা করেছে, বর্তমানের এই প্রতিক্রিয়া তারই ফল।’’ মমতাকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া পরিস্থিতি নিয়েও শমীক দাবি করেন, এই বিক্ষোভ সম্পূর্ণ তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তাঁর কথায়, ‘‘যাঁরা প্রতিবাদ করছেন, তাঁরাও তৃণমূলের; আবার যাঁদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, তাঁরাও তৃণমূলেরই অংশ। এখানে বিজেপির কোনও ভূমিকা নেই। আসলে এটা তৃণমূলের ভিতরে সুবিধাভোগী এবং বঞ্চিত গোষ্ঠীর দ্বন্দ্ব। এতদিন যারা সুযোগ-সুবিধা পেয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে বঞ্চিতরাই এখন মুখ খুলতে শুরু করেছে।’’

LinkedIn
Share