Tag: news in bengali

news in bengali

  • Weather Update: ঝঞ্ঝায় দক্ষিণে বাড়তে পারে পারদ, বৃষ্টি-বরফের সম্ভাবনা উত্তরে, পূর্বাভাস হাওয়া অফিসের

    Weather Update: ঝঞ্ঝায় দক্ষিণে বাড়তে পারে পারদ, বৃষ্টি-বরফের সম্ভাবনা উত্তরে, পূর্বাভাস হাওয়া অফিসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবছরের শীত (Weather Update) যেন একেবারে লুকোচুরি খেলছে। মাঝে মাঝে শীতের দেখা মিললেও আবার কখনও কখনও দারুণ ভাবে উধাও হয়ে যাচ্ছে। গত দুই দিন ধরে জাঁকিয়ে শীত পড়েছে। তাপমাত্রা হু হু করে কমে গিয়েছে। শীতপ্রেমী বাঙালিরা বেশ ঠান্ডার মজা নিচ্ছিলেন। খুশিতেই বছরের শেষ এবং শুরুর দিনগুলি কাটছিল। শুক্রবার, আলিপুর আবহাওয়া দফতর (Alipur Meteorological Department) জানিয়েছে, রবিবার থেকে ফের তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করবে। পারদ তিন-চার ডিগ্রি চড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। ঠিক এর মাঝেই দার্জিলিঙে বরফ পড়ার আশার কথা শোনাল আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

    ৩ থেকে ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা

    আবহাওয়া দফতরের (Alipur Meteorological Department) পূর্বাভাস রয়েছে, সামনেই নতুন ঝঞ্ঝার (Weather Update) খবর রয়েছে। ফলে এবার তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাবে। পৌষ মাসের শেষে গোটা বাংলাজুড়ে শীত প্রভাবিত হওয়ার শঙ্কা তৈরি হলেও শীত একেবারে শেষ হয়ে যাবে না। শুক্রবার কলকাতা শহরের তাপমাত্রা ছিল ১৩.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    আলিপুরের পূর্বাভাস, আগামী রবিবার থেকে চার ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়বে তাপমাত্রা। ৩ থেকে ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত কলকাতায় সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জায়গায় শুষ্ক হাওয়া বইবে। একইভাবে, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদে ব্যাপক কুয়াশা থাকবে। বাকি জেলাগুলিতে কুয়াশার প্রভাব থাকবে। সকালের দিকে বিক্ষিপ্ত হালকা কুয়াশা থাকবে। নতুন ঝঞ্ঝার ফলে উত্তরের হাওয়ার দাপট কমে যাবে। ফলে শীত তুলনায় কম অনুভূত হবে।

    আরও পড়ুনঃ ফের খারিজ জামিন, চিন্ময় কৃষ্ণকে জেলেই মারতে চাইছে ইউনূস প্রশাসন! কীসের ভয়?

    বরফ পড়লে পাহাড়ে পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয় হবে

    বাতাসে জলীয় বাষ্পের (Weather Update) পরিমাণ বাড়বে। সেই সঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হবে। তবে একই ভাবে দার্জিলিঙে বরফ পড়ার অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। জানা গিয়েছে, চলতি সপ্তাহ বা আগামী সপ্তাহে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে পাহাড়ে পর্যটকদের জন্য আকর্ষনীয় সময় হতে চলেছে। একই ভাবে সমগ্র উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, দার্জিলিঙে বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টির (Alipur Meteorological Department) একটা সম্ভাবনা রয়েছে।

    একইভাবে সারা দেশের তুলনায়, উত্তর ভারত জুড়ে ঘন কুয়াশার দাপট ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে। দিল্লির পালামে শূন্যের নিচে নেমে গিয়েছে দৃশ্যমানতা। দিল্লির সফদরজংয়ে দৃশ্যমানতা মাত্র ৫০ মিটারে পৌঁছে গিয়েছে। আবার আগরা, গোয়ালিয়র, চণ্ডীগড়, শ্রীনগর, কুশিনগর, গোরক্ষপুর, অমৃতসর, পাঠানকোট এলাকায়ও দৃশ্যমানতা শূন্যে পৌঁছে গিয়েছে। রাস্তায় একদম গাড়ি চলাচল করছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sambhal: ‘হিন্দু মন্দিরের চিহ্ন মুছতে কাঠামো বদলেছিল মুসলমানরা’! আদালতে সম্ভলকাণ্ডের রিপোর্ট পেশ

    Sambhal: ‘হিন্দু মন্দিরের চিহ্ন মুছতে কাঠামো বদলেছিল মুসলমানরা’! আদালতে সম্ভলকাণ্ডের রিপোর্ট পেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২ জানুয়ারিতে উত্তরপ্রদেশের সম্ভলের (Sambhal) শাহি জামা মসজিদের ওপর একটি সমীক্ষা রিপোর্ট কোর্ট কমিশনার রমেশ রাঘব একটি সিল করা খামে চান্দৌসি আদালতে জমা দিয়েছেন। এই রিপোর্টে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। হিন্দু মন্দিরের (Hindu Temple) একাধিক চিহ্নকে নির্মূল করতে কাঠামোকে বদলে দিয়েছিল তৎকালীন মুসলমান শাসকরা। একটি মুখ বন্ধ খামে ৪০-৪৫ পৃষ্ঠার একটি প্রতিবেদন পেশ করেছেন তিনি। ফলে এই প্রতিবেদনে হিন্দু পক্ষের দাবি আরও জোরদার যে হয়েছে তা মনে করছেন অনেকেই।

    করা হয় চার ঘন্টার একটি ভিডিওগ্রাফি (Sambhal)

    সূত্রে জানা গিয়েছে, সিনিয়ার ডিভিশনের নিথিটি সিভিল জজ আদিত্য সিংয়ের এজলাসে পেশ হওয়া রিপোর্টে বলা হয়েছে যে, মসজিদ কাঠামোর মধ্যে প্রাচীন মন্দিরের (Sambhal) নানা অবশেষ রয়েছে। তথ্য অনুযায়ী, মসজিদের সামনে দুটি বটগাছ আছে যা সাধারণত হিন্দু মন্দিরের (Hindu Temple) সামনে থাকে এবং গাছগুলিকে পুজো করা হত। এবার এই জায়গায় একটি কূপ রয়েছে যার এক অংশ মসজিদ কাঠামোর মধ্যে এবং অপর আরেক অংশ বাইরে রয়েছে। ওই কূপের বাইরের অংশ ঢাকা ছিল। সম্পূর্ণ এলাকায় সাড়ে চার ঘণ্টার একটি ভিডিওগ্রাফি করা হয়েছে। মোট ১২০০টি ছবি তোলা হয়েছিল মসজিদের।

    আরও পড়ুনঃ মহাকুম্ভের কয়েক দিন বাকি, প্রয়াগরাজে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি

    প্লাস্টার দিয়ে প্রলেপ দেওয়া হয় মন্দির কাঠামোতে

    গত ১৯ নভেম্বর জরিপের প্রাথমিক দিনে প্রায় দেড় ঘণ্টা ভিডিওগ্রাফি সম্পন্ন হয়েছিল এবং ২৪ নভেম্বর আরও তিন ঘণ্টার ভিডিওগ্রাফি হয়েছিল। জামা মসজিদের ভেতরে পঞ্চাশটিরও বেশি ফুলের নিদর্শন চিহ্নিত করা হয়েছে। বেশি করে নতুন সংযোজনের পাশাপাশি মূল কাঠামোর পরিবর্তনগুলি চিহ্নিত করা গিয়েছিল। মন্দিরের আসল রূপটির উপর থেকে প্লাস্টার দিয়ে প্রলেপ এবং রং করে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। ফলে মসজিদটিতে পুরাতন ঐতিহাসিক যুগের মন্দির ও হিন্দু স্থানের প্রতীক চিহ্নগুলি রয়েছে। মন্দিরের মূল স্থাপত্যটির দরজা, জানালা এবং দেয়ালে রূপ পাল্টে মন্দির (Hindu Temple) কাঠামোটিকে (Sambha) ঢেকে দেওয়া হয়েছে।

    মসজিদটি মূলত হরিহর মন্দির ছিল

    কোর্ট কমিশনার রমেশ সিং রাঘব (Sambha) বলেন, “শাহি জামা মসজিদটি মূলত হরিহর মন্দির (Hindu Temple) ছিল বলে দাবি করে একটি পিটিশন ১৯ নভেম্বর সিভিল জজের (সিনিয়র ডিভিশন) এজলাসে দায়ের করা হয়েছিল। একই দিনে মসজিদের জরিপ চালানো হয়। কিন্তু এটিকে সম্পূর্ণ করা যায়নি বলে, কোর্ট কমিশনার ২৪ নভেম্বর পুনরায় মসজিদ পরিদর্শন শুরু করেন এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (ডিএম), পুলিশ সুপার (এসপি) সকলে উপস্থিত থেকে সমীক্ষা চালান।

    তিনি আরও বলেন, “এই সমীক্ষার সময় উগ্র মুসলমানরা হিংসা ছড়ায়। সরকারি কাজে বাধা প্রদান করে ইট-পাথর এবং অস্ত্র নিয়ে আক্রমণ করেছিল। ফলে প্রায় চারজনের মৃত্যুও হয়েছিল।  প্রতিবেদনটি প্রাথমিকভাবে ৯ ডিসেম্বর আদালতে পেশ করার কথা ছিল, কিন্তু আদালত (Sambhal) কমিশনার স্বাস্থ্য সমস্যা উল্লেখ করে অতিরিক্ত ১৫ দিন সময় চেয়েছিলেন। আজ, প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনটি আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে। তবে সমীক্ষার পরে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছিল। কট্টর মৌলবাদীরা হিংসার বাতাবরণ এবং এলাকায় ভয়ের পরিবেশ তৈরি করে রেখেছিল।”

    মোট ৪৭ জনকে গ্রেফতার

    তবে এই হিংসার কাজে উসকানি এবং প্ররোচনা দেওয়ার কাজ যারা করেছিল তাদের বিরুদ্ধে যোগী সরকার কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে। হিংসার কাজের সঙ্গে যুক্ত এখনও পর্যন্ত মোট ৪৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অশান্তি ছড়ানোর কাজে জড়িত অন্যদের আটক করতে পুলিশের টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। হিংসা সম্পর্কিত মোট ১১টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    এই শাহি জামা মসজিদ (Sambhal) হল মুঘল আমালের একটি মসজিদ। এই মসজিদ কাঠামোটি সম্ভলের গারভি এলাকায় অবস্থিত। এই মসজিদের নিচে ছিল প্রাচীন হরিহর মন্দির। তাকে ধ্বংস করে মীর বাকে ১৫২৯ সালে সম্রাট বাববের নির্দেশে মসজিদ কাঠামো নির্মাণ করেছিলেন। হিন্দু মন্দিরকে (Hindu Temple) মসজিদ করার জন্য হিন্দু পক্ষ এখন মন্দিরকে পুনরুদ্ধার করার জন্য সবরকম ভাবে চেষ্টা করে যাচ্ছেন। উল্লেখ্য, এই এলাকার অপর আরেক জায়গায় অবৈধ বিদ্যুৎ চুরির অভিযান চালাতে গিয়ে পুলিশ মাটির নিচে পুঁতে রাখা শিব এবং হনুমান মন্দির উদ্ধার করেছিল। ওই ঘটনাতেও ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছিল। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • SSC Recruitment Case: এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বাজেয়াপ্ত আরও ৮ কোটি টাকার সম্পত্তি, জানাল ইডি

    SSC Recruitment Case: এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বাজেয়াপ্ত আরও ৮ কোটি টাকার সম্পত্তি, জানাল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি (SSC Recruitment Case) নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বাজেয়াপ্ত আরও ৮ কোটি টাকার সম্পত্তি। পশ্চিমবঙ্গের মালদা এবং উত্তরপ্রদেশের নয়ডা থেকে মোট ৮ কোটি ২০ লক্ষ টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, এই সম্পত্তি নীলান্দ্রি দাস এবং আবদুল খালেকের সঙ্গে সম্পর্কিত। তাঁদের বিরুদ্ধে উত্তরপত্রে নম্বর বিকৃত করার অভিযোগ রয়েছে। 

    উত্তরপত্র বিকৃত করার কাজ করেছিলেন নীলাদ্রি (SSC Recruitment Case)

    রাজ্যের শিক্ষক দুর্নীতি মামলায় ইডি (ED) এবং সিবিআই তদন্ত (SSC Recruitment Case) করছে। এই আবদুল নিয়োগ মামলায় অন্যতম এজেন্ট বলে সন্দেহ করা হয়েছে। পাশাপাশি ‘নাইসা’ নামে এক সংস্থার কর্ণধার ছিলেন নীলাদ্রি। নিয়োগ সংক্রান্ত পরীক্ষার দায়িত্ব ছিল এই সংস্থার উপরই। তাঁর বিরুদ্ধে নিয়োগ সংক্রান্ত পরীক্ষায় নম্বর বদল করার অভিযোগ উঠেছে। সংস্থার পক্ষ থেকে তিনি নিজে ওএমআর শিট অর্থাৎ উত্তরপত্র বিকৃত করার কাজ করেছিলেন। তবে তদন্তকারী অফিসারদের দাবি, ২০১৫ সাল থেকে নিয়োগ দুর্নীতিতে লিপ্ত ছিলেন তিনি। নাইসার আধিকারিক পোস্টে থেকেই নীলাদ্রি ২০১৫ সালেই উত্তরপ্রদেশের নয়ডা এনডি ইনফো সিস্টেম প্রাইভেট লিমিটেড নামে অন্য সংস্থা খুলেছিলেন। ওই সংস্থার মাধ্যমেই এই নিয়োগ পরীক্ষার উত্তরপত্রের নম্বর বিকৃত করা হত।

    আরও পড়ুনঃ ‘‘ছাব্বিশে হবে হিন্দু সরকার’’, নন্দীগ্রামে হুঙ্কার শুভেন্দুর

    এখনও পর্যন্ত মোট উদ্ধারকৃত সম্পত্তি ২৩৮ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা

    এবার এই আবদুল এবং নীলাদ্রির সঙ্গে সম্পর্কিত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ইডি জানিয়েছে, এসএসসির (SSC Recruitment Case) তৎকালীন আধিকারিকদের সঙ্গে যোগসাজশে উত্তরপত্রে নম্বরের গোলমালের পিছনে তাঁর বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। একই ভাবে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত শান্তি প্রসাদ সিন‍্‍হা এবং অন্যদের সঙ্গে মিলে বেআইনি সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকে প্রচুর টাকা তুলে দিয়েছিলেন তিনি। তাই শিক্ষক নিয়োগে বিরাট পরিমাণে টাকা নিয়ে চাকরি দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছে তদন্তকারী সংস্থা (ED)। মামলায় এখনও পর্যন্ত জানা গিয়েছে, আগেই ২৩০ কোটি ৬০ লক্ষ টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এখন সব মিলিয়ে মোট উদ্ধারকৃত সম্পত্তির মূল্য ২৩৮ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Shubhman Gill: চিটফান্ড কেলেঙ্কারিতে নাম জড়াল শুভমান গিল সহ ৪ ক্রিকেটারের, তলব গুজরাট সিআইডি-র

    Shubhman Gill: চিটফান্ড কেলেঙ্কারিতে নাম জড়াল শুভমান গিল সহ ৪ ক্রিকেটারের, তলব গুজরাট সিআইডি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বড়সড় কেলেঙ্কারিতে নাম জড়াল চার ভারতীয় ক্রিকেটারের। ৪৫০ কোটি টাকার চিটফান্ড কেলেঙ্কারিতে (Chit Fund Case) নাম জড়িয়েছে ক্রিকেটার শুভমান গিল (Shubhman Gill)-সহ চারজন। এঁদের প্রত্যেককেই সমন পাঠাতে চলেছে গুজরাট সিআইডি। এই চিটফান্ডের অন্যতম কিংপিনকে ইতিমধ্যেই আটক করা হয়েছে বলে খবর। শুভমান ছাড়া বাকি তিন অভিযুক্ত হলেন মোহিত শর্মা, সাই সুদর্শন ও রাহুল তেওয়াটিয়া। সকলেই আইপিএল ফ্রাঞ্চাইজি গুজরাট টাইটান্সে খেলেন।

    সিডনি ম্যাচের আগেই বিপত্তি (Shubhman Gill)

    রাত পোহালেই সিডনিতে শুরু হবে ভারত বনাম অস্ট্রেলিয়ার পঞ্চম টেস্ট ম্যাচ। সেই ম্যাচে টিম ইন্ডিয়ায় শুভমান ফিরতে চলেছেন বলে জল্পনা। এহেন আবহে প্রকাশ্যে এল চিটফান্ড কেলেঙ্কারির (Chit Fund Case) খবর। প্রত্যাশিতভাবেই প্রশ্নের মুখে পড়ে গেল শুভমানের (Shubhman Gill) ভারতীয় একাদশে ঠাঁই পাওয়ার সম্ভাবনার বিষয়টি। দীর্ঘদিন ধরেই বড় রান পাচ্ছিলেন না শুভমান। সেই কারণে বাদ পড়েছিলেন মেলবোর্ন টেস্ট থেকে। সিডনি ম্যাচে ফেরা নিয়ে জল্পনাও চলছিল। সেই জল্পনায় জল ঢেলে দেওয়া হয় কিনা, এখন সেটাই দেখার।

    প্রতারণা চক্রের চাঁই

    জানা গিয়েছে, এই প্রতারণা চক্রের চাঁই ভূপেন্দ্র সিং জালা। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পরেই প্রকাশ্যে আসে গোটা বিষয়টি। জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত চার ক্রিকেটারই আইপিএলে গুজরাট টাইটান্স ফ্র্যাঞ্চাইজির সঙ্গে যুক্ত। শুভমান (Shubhman Gill) এই স্কিমে ১.৯৫ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেন। বাকিরাও (Shubhman Gill) মোটা অঙ্কের টাকা বিনিয়োগ করেন। গুজরাট সিআইডির আধিকারিকরা ভূপেন্দ্রর অ্যাকাউন্ট দেখভাল করেন যিনি, সেই রুশিক মেহতাকে গ্রেফতার করেছেন।

    আরও পড়ুন: ফের খারিজ জামিন, চিন্ময় কৃষ্ণকে জেলেই মারতে চাইছে ইউনূস প্রশাসন! কীসের ভয়?

    সিআইডি প্রথমে এই চিটফান্ডে (Chit Fund Case) ৬ হাজার কোটি টাকা নয়ছয় হয়েছে বলে জানিয়েছিল। পরে অর্থের পরিমাণ কমে দাঁড়ায় ৪৫০ কোটি টাকায়। তদন্ত এগোলে এই অর্থের পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলেই খবর। এই চিটফান্ড কেলেঙ্কারির কিংপিন জালার বাড়ি হিম্মতনগর শহরে। ২০২০ থেকে ২০২৪ এই চার বছরে তিনি তৈরি করেছেন ১৭টি অফিস। এই অফিসগুলির মাধ্যমে ১১ হাজার বিনিয়োগকারীর কাছ থেকে তিনি সংগ্রহ করেছেন ৪৫০ কোটি টাকা। গিল (Shubhman Gill) এবং অন্য তিন ক্রিকেটার সেই ১১ হাজারের মধ্যে রয়েছেন বলে খবর। সেই কারণেই তাঁদের তলব করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর (Chit Fund Case)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Chinmoy Krishna Das: ফের খারিজ জামিন, চিন্ময় কৃষ্ণকে জেলেই মারতে চাইছে ইউনূস প্রশাসন! কীসের ভয়?

    Chinmoy Krishna Das: ফের খারিজ জামিন, চিন্ময় কৃষ্ণকে জেলেই মারতে চাইছে ইউনূস প্রশাসন! কীসের ভয়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে (Chinmoy Krishna Das) কি জেলেই পচিয়ে মারতে চাইছে বাংলাদেশের (Bangladesh) ইউনূস প্রশাসন? বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের মহানগর দায়রা আদালতে তাঁর জামিন খারিজ হয়ে যাওয়ার পর এই প্রশ্নটাই উঠল। এদিন প্রায় আধ ঘণ্টা ধরে শুনানি চলে। চিন্ময়ের জামিনের সওয়াল করে আইনজীবী অপূর্বকুমার ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের ১১ জন আইনজীবীর একটি দল।

    জামিনের আবেদন খারিজ (Chinmoy Krishna Das)

    গ্রেফতারি এড়াতে দীর্ঘদিন আত্মগোপন করে রয়েছেন চিন্ময়ের প্রথম আইনজীবী শুভাশিস শর্মা। বুকে ব্যথা নিয়ে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আর এক আইনজীবী রবীন্দ্র দাস। তাঁদের পরিবর্তে এদিন ওই আইনজীবীরা লড়াই করেন চিন্ময়ের হয়ে। শুনানি শেষে সরকারি আইনজীবী মফিজুর হক ভুঁইয়ার আবেদন মেনে দায়রা বিচারক মহম্মদ সফিকুল ইসলাম চিন্ময়ের জামিনের আবেদন খারিজ করে দেন। বিচারক জানান, রাষ্ট্রদ্রোহের মামলায় গ্রেফতার চিন্ময়ের বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণিত হলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা হতে পারে। তাই জামিন দেওয়া সম্ভব নয়।

    আরও পড়ুন: মাও ‘দমনে’ বিরাট সাফল্য, আত্মসমর্পণ কিষেনজির ভাইবউ বিমলা-সহ ১১ মাওবাদীর

    ইউনূসের স্বজাতি প্রেম!

    বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূসের স্বজাতি প্রেমের কথা কারও অজানা নয়। দিন কয়েক আগেই জামিন পেয়েছে ২০০৪ সালের গ্রেনেড হত্যা মামলার ফাঁসির আসামী বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুস সালাম পিন্টু। তার আগে এই একই মামলায় জামিন পেয়েছেন প্রাক্তন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শুধু তাই নয়, ইউনূসের আমলে ফাঁসির সাজা মকুব হয় খোদ উলফা প্রধান জঙ্গি পরেশ বড়ুয়ার। ব্লগার রাজীব হায়দার খুনের মামলায় জামিন পায় আনসারুল্লা বাংলা টিমের চাঁই জসিমউদ্দিন রহমানি। অথচ হিন্দু সন্ন্যাসীকে গারদে রাখা হয়েছে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ তুলে!

    চিন্ময় বাংলাদেশের সংখ্যালঘু সংগঠন (Chinmoy Krishna Das) সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের অন্যতম নেতা। চিন্ময় ওই সংগঠনেরই মুখপাত্র। এদিকে, এদিন আদালত চত্বরে জামাতপন্থী আইনজীবীরা চিন্ময়ের জামিন না দেওয়ার দাবিতে স্লোগান দেন। চট্টগ্রামের পুণ্ডরীক ধামের অধ্যক্ষ চিন্ময়কে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে ২৫ নভেম্বর গ্রেফতার করে ইউনূস প্রশাসন। ২৬ নভেম্বর চট্টগ্রাম (Bangladesh) আদালতে খারিজ হয়ে যায় তাঁর জামিনের আবেদন। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে আদালত চত্বর (Chinmoy Krishna Das)।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • RSS: চলতি বছর বিজয়া দশমীতে শতবর্ষে পা দেবে আরএসএস, তুঙ্গে প্রস্তুতি

    RSS: চলতি বছর বিজয়া দশমীতে শতবর্ষে পা দেবে আরএসএস, তুঙ্গে প্রস্তুতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছর শতবর্ষে (Centenary Year) পদার্পণ করবে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS)। এ বছর তাদের সংগঠনের নেটওয়ার্ক আরও প্রসারিত করতে প্রস্তুত তারা। বিজয়া দশমীর দিন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল আরএসএস। প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ডঃ কেশব বালিরাম হেডগেওয়ার। আরএসএসের প্রথম শাখা খোলা হয়েছিল নাগপুরে, একদল যুবককে সঙ্গে নিয়ে।

    আরএসএসের প্রভাব (RSS)

    গত ৯৯ বছরে দেশজুড়ে আরএসএস তাদের প্রভাব ব্যাপকভাবে বিস্তার করেছে। ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে আরএসএস কর্তাদের একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর জানা গিয়েছিল দেশের প্রতিটি কোণায় পৌঁছে গিয়েছে আরএসএস। জানা গিয়েছে, বর্তমানে দেশের ৪৫ হাজার ৪১১টি জায়গায় পরিচালিত হচ্ছে ৭২ হাজার ৩৫৪টি শাখা। গত এক বছরে ৩ হাজার ৬২৬টি নতুন জায়গায় ৬ হাজার ৬৪৫টি নতুন শাখা যোগ হয়েছে। শতবর্ষপূর্তি উদযাপনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই তৈরি হয়েছে এই শাখাগুলি। আরএসএসের স্বেচ্ছাসেবকরা প্রতি সপ্তাহে এক ঘণ্টার জন্য কোনও একটি জায়গায় একত্রিত হন। একে বলে সাপ্তাহিক শাখা। বর্তমানে এমন শাখার সংখ্যা ২৯ হাজার ৩৬৯টি। ২০২৪ সালে সাপ্তাহিক শাখার সংখ্যা বেড়েছে ৩ হাজার ১৪৭টি। 

    ‘সংঘ মণ্ডলী’

    এখনও দেশের এমন কিছু এলাকা রয়েছে যেখানে আরএসএস (RSS) মনে করে আরও সক্রিয়ভাবে পৌঁছানো প্রয়োজন। যেসব জায়গায় প্রতিদিনের শাখা এখনও চালু হয়নি, সেখানে মাসিক মিলন মেলার আয়োজন করা হয়। এভাবেই প্রতিদিনের শাখা চালুর জন্য মাটি প্রস্তুত করার কাজ শুরু হয়েছে। বর্তমানে, এমন মাসিক সভা হয় ১১ হাজার ৩৮২টি জায়গায়। ২০২৪ সালে এমন ৭৫০টি নতুন জায়গা যোগ হয়েছে যেখানে এই মাসিক সভা হয়। আরএসএসের পরিভাষায় এই মাসিক সভার দলগুলোকে বলা হয় ‘সংঘ মণ্ডলী’ (Centenary Year)। ২০২৪ সালে আরএসএস সরাসরি ১ লাখ ১৩ হাজার ১০৫টি জায়গায় তার কাজকর্ম বিস্তার করেছে। এর সঙ্গে আরএসএস-প্রাণিত প্রায় ৩৬টি সংস্থার কার্যক্রম যোগ করলে দেখা যাবে আরএসএস স্বয়ংসেবকদের বিপুল প্রচার দিন দিন অতুলনীয় হয়ে উঠছে।

    দেশবাসীর পাশে আরএসএস

    প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় বারংবার ভারতবাসীর পাশে দাঁড়িয়েছে আরএসএস। বছরভর সংঘের স্বেচ্ছাসেবকরা ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ত্রাণ দেওয়ার কাজে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। পশ্চিমবঙ্গে তারকেশ্বরী নদীর বন্যার সময় ত্রাণ শিবির খুলে ২৫ হাজারেরও বেশি মানুষকে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র দেওয়া হয়েছে আরএসএসের তরফে। ওড়িশার ভয়াবহ বন্যার সময় ৪ হাজার মানুষকে স্বাস্থ্য পরিষেবা, খাবার ও পানীয় জল দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কেরলের ওয়েনাড়ে বিধ্বংসী ভূমিধসের পর দুর্গতদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন আরএসএসের এক হাজার স্বেচ্ছাসেবক। তাঁদের ত্রাণ ও পুনর্বাসন দেওয়া হয় আরএসএসের তরফে। গুজরাটের ভাদোদারা, জামনগর এবং দ্বারকা অঞ্চলে ভয়াবহ বন্যার সময়ও দুর্গতদের পাশে দাঁড়িয়েছেন আরএসএসের স্বয়ংসেবকরা (Centenary Year)। এর পাশাপাশি সংঘ স্বয়ংসেবকরা বিভিন্ন দুর্যোগে প্রাণ হারানো ৬০০-এরও বেশি মানুষের শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা (RSS) পালন করেছেন। মৃতদের প্রত্যেকের ধর্মীয় রীতি-নীতি মেনেই শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হয়েছে।

    শতবর্ষ পূর্তি

    আরএসএসের শতবর্ষ পূর্তি হবে চলতি বছরের বিজয়া দশমীর দিন। তখনই শুরু হবে শতবর্ষপূর্তি উৎসব। এ বছরের প্রথম দশ মাস ধরে শতবর্ষ উদযাপনের প্রস্তুতি নেবেন আরএসএসের স্বেচ্ছাসেবকরা। এই প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আরএসএস দুটি প্রধান ক্ষেত্রে মনোযোগ দিয়েছে। প্রথমত, সাংগঠনিক দিক। আরএসএস আরও বেশি করে পূর্ণ সময়ের কর্মী সংগ্রহের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে। এর লক্ষ্য হল দেশের প্রতিটি গ্রাম, শহর ও নগরে আরএসএসের উপস্থিতি নিশ্চিত করা। আরএসএসের কাছে কোনও কিছু উদযাপন মানে চকচকে ইভেন্ট বা জাঁকজমকপূর্ণ সমাবেশের আয়োজন করা নয়। আরএসএস উদযাপন করে তার সংগঠন সম্প্রসারণের জন্য বড় লক্ষ্য গ্রহণ করে এবং বর্তমানে যে নেটওয়ার্ক রয়েছে, তাকে আরও শক্তিশালী করার মাধ্যমে। এর আগের কিছু সরসংঘচালকের শতবার্ষিকীও ঠিক এভাবেই উদযাপন করেছিল তারা। ২০২৫ সালে আরএসএসের আর একটি লক্ষ্য হল যুবসমাজকে (RSS) বেশি করে কাছে টানা। যাতে তারা কেবল তাদের সাংস্কৃতিক শিকড়ের সঙ্গেই যুক্ত হয় না, তারা যাতে সমাজের সেবাও করতে পারে, তার দিকেও বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: মাও ‘দমনে’ বিরাট সাফল্য, আত্মসমর্পণ কিষেনজির ভাইবউ বিমলা-সহ ১১ মাওবাদীর

    সামাজিক রূপান্তর

    দ্বিতীয় যে ক্ষেত্রটিতে আরএসএস নতুন করে জোর দিচ্ছে, তা হল সামাজিক রূপান্তর। এই কাজের আদর্শ কাঠামো তৈরি করা হয়েছিল ২০২৪ সালে। নাম দেওয়া হয়েছিল “পঞ্চ পরিবর্তন” উদ্যোগ – পাঁচটি রূপান্তরকারী ধারণার একটি সেট। আরএসএস কর্মীরা সাধারণ মানুষের সঙ্গে এই ধারণাগুলি নিয়ে যোগাযোগ করবেন। এগুলি বাস্তবায়নের জন্যও কাজ করবেন তাঁরা। এই পাঁচটি ধারণার মূল ফোকাসের ক্ষেত্রগুলি হল- ব্যক্তিগত উন্নয়ন: “স্বরাজ” (স্বনির্ভরতা এবং আত্মসচেতনতা)-কে কেন্দ্র করে জীবনধারার প্রচার। সামাজিক সম্প্রীতি: সমাজে ঐক্যের সম্পর্ক গড়ে তোলা। পারিবারিক মূল্যবোধ: শক্তিশালী পারিবারিক বন্ধন ও ঐতিহ্যবাহী মূল্যবোধকে গুরুত্ব দেওয়া। পরিবেশ সংরক্ষণ: পরিবেশ রক্ষা ও সংরক্ষণের প্রচার। এবং নাগরিক দায়িত্ব: নাগরিক দায়িত্ববোধ ও সমাজে সক্রিয় অংশগ্রহণের প্রচার (RSS)।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও রাজনীতিবিদরা যখন আরএসএসের সঙ্গে বিজেপির সম্পর্ক এবং এর নির্বাচনী প্রভাব বিশ্লেষণ করতে ব্যস্ত থাকেন, তখন আরএসএস তার সাংগঠনিক সম্প্রসারণে মনোনিবেশ করে। আরএসএস নির্বাচনী রাজনীতির বিষয়ে খুব কমই চিন্তা করে। ২০২৫ সালেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে, যেমনটা রয়েছে গত ৯৯ বছর ধরে (Centenary Year)। এটাই আরএসএসের প্রকৃত শক্তি (RSS)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

      

     

  • Kishenji: মাও ‘দমনে’ বিরাট সাফল্য, আত্মসমর্পণ কিষেনজির ভাইবউ বিমলা-সহ ১১ মাওবাদীর

    Kishenji: মাও ‘দমনে’ বিরাট সাফল্য, আত্মসমর্পণ কিষেনজির ভাইবউ বিমলা-সহ ১১ মাওবাদীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাও ‘দমনে’ মিলল বড় সাফল্য। আত্মসমর্পণ করলেন কিষেনজির (Kishenji) ভাইবউ। বুধবার মহারাষ্ট্রের গঢ়ছিরৌলিতে বিদর্ভ অঞ্চলের যে ১১ জন মাওবাদী (CPI Maoist) নেতানেত্রী সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন, সেই তালিকায় প্রথম নাম বিমলা চন্দ সিদাম ওরফে তারাক্কার। তিনি পিপলস লিবারেশন গেরিলা আর্মির কমান্ডার তথা দণ্ডকারণ্য জোনাল কমিটির নেত্রী। তাঁর স্বামী মাল্লোজুলা বেণুগোপাল রাও ওরফে ভূপতি ওরফে বিবেক ওরফে সোনু সিপিআই (মাওবাদী)-র কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য। এই বিমলাই সম্পর্কে কিষেনজির ভাইবউ।

    কিষেনজির ভাইবউ (Kishenji)

    গত ৩৮ বছর ধরে নকশালপন্থী কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বিমলা। ১৯৮৩ সালে সিপিআইএমএল (পিডব্লিউজি)-র হাত ধরে সশস্ত্র বিপ্লবে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। দ্রুত তিনি হয়ে ওঠেন কিষেনজির আস্থাভাজন। বছর পনের আগে পশ্চিমবাংলার ঝাড়গ্রামের বুড়িশোলের জঙ্গলে যৌথবাহিনীর গুলিতে মৃত্যু হয়েছিল কিষেনজির। তার আগেই অবশ্য বিমলার স্বামী বেণুগোপালও সংগঠনের প্রথম সারির নেতা হয়ে গিয়েছিলেন। বিমলার বিরুদ্ধে গঢ়ছিরৌলিতে একটি পুলিশ ফাঁড়িতে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ১৮ জনকে খুন করার অভিযোগ রয়েছে। বিমলার সঙ্গেই এদিন আত্মসমর্পণ করেছেন আরও ১০ জন মাওবাদী।

    মাওবাদীদের মাথার দাম

    এঁদের সম্মিলিত মাথার দাম এক কোটি তিন লাখ টাকা। মুখ্যমন্ত্রী ফড়ণবীশের হাত থেকে ভারতীয় সংবিধান হাতে নিয়ে আত্মসমর্পণ করেন এই ১১ জন মাওবাদী। এঁদের মধ্যে রয়েছেন সিপিআই মাওবাদীর গঢ়ছিরৌলি ডিভিশনের নাংশু তুমরেতি ওরফে গিরিধর ও তাঁর স্ত্রী সঙ্গীতা উসেন্দি ওরফে ললিতাও। গিরিধর ১৭০টি ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত। তাঁর মাথার দাম ছিল ২৫ লাখ টাকা (CPI Maoist)। মহারাষ্ট্র পুলিশের দাবি, গঢ়ছিরৌলি-সহ বিদর্ভের বিভিন্ন জেলার পাশাপাশি ছত্তীশগড়েও একাধিক নাশকতার ঘটনায় জড়িত বিমলা-সহ আত্মসমর্পণকারী ১১ জন মাওবাদী নেতানেত্রী।

    কিষেনজির স্ত্রী

    ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে পুলিশের জালে ধরা পড়েছিলেন কিষেনজির স্ত্রী পোথুলা কল্পনা ওরফে সুজাতা। তেলঙ্গানা পুলিশের স্পেশাল ইন্টেলিজেন্স ব্রাঞ্চ সূত্র মারফত খবর পেয়ে গোপন ডেরা থেকে গ্রেফতার করেছিল কিষেনজির স্ত্রীকে। পুলিশ সূত্রে খবর, কিষেনজির স্ত্রী সাউথ সাব জোনাল ব্যুরোর ইনচার্জ হয়ে কাজ সামলাচ্ছিলেন। কিষেনজির মৃত্যুর পর নানা রাজ্যে গা ঢাকা দিয়েছিলেন সুজাতা। তাঁর আদত বাড়ি তেলঙ্গনার জগুলাম্বা গাড়োয়াল জেলার পেঞ্চিকালপেট গ্রামে। কিষেনজির স্ত্রীকে গ্রেফতার করা হলেও, আত্মসমর্পণ করলেন তাঁর (CPI Maoist) ভাইবউ (Kishenji)।

    আরও পড়ুন: জেএমবি-র সদস্যরাই এখন এবিটি-তে সক্রিয়, কবুল করল মুর্শিদাবাদে ধৃত বাংলাদেশি জঙ্গিরা

    মাওবাদী আত্মসমর্পণ

    এ নিয়ে গত তিন সপ্তাহে তিন বার বিদর্ভ এলাকায় মাওবাদী আত্মসমর্পণের ঘটনা ঘটল। ২৭ ডিসেম্বর মলাজখণ্ড দলাম ও ৯ নম্বর পামেড় প্লাটুনের কমান্ডার দেব ওরফে অর্জুন ওরফে রাকেশ সুমদো মুদাম গোন্ডিয়া আত্মসমর্পণ করেছিলেন জেলা পুলিশ সুপারের কাছে। তাঁর মাথার দাম ছিল ৭ লাখ টাকা। ডিসেম্বরেই গঢ়ছিরৌলি জেলায় পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছিলেন দুই মাওবাদী কমান্ডার রামাসু পয়াম ওরফে নরসিং এবং রমেশ কুঞ্জম ওরফে গোবিন্দ। রামাসুর মাথার দাম ছিল ৬ লাখ টাকা, রমেশের ২ লাখ। বুধবার আত্মসমর্পণ কর্মসূচিতে মুখ্যমন্ত্রী ফড়ণবীশ বলেন, “আমাদের রাজ্যে মাওবাদীদের শেষের শুরু হয়ে গিয়েছে। মহারাষ্ট্র শীঘ্রই মাওবাদী মুক্ত হবে।” তাঁর দাবি, উত্তর গঢ়ছিরৌলি ইতিমধ্যেই মাওবাদী মুক্ত হয়েছে। 

    বড় সাফল্য

    শুধু মহারাষ্ট্র নয়, দেশজুড়ে মাওবাদী বিরোধী অভিযানের প্রেক্ষিতেও বিমলার আত্মসমর্পণ সাম্প্রতিক কালের সব চেয়ে বড় সাফল্য বলে মনে করা হচ্ছে। গত অক্টোবরেই বস্তারে নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে মৃত্যু হয়েছিল ২৮ জন মাওবাদীর। নারায়ণপুর-দান্তেওয়াড়া আন্তঃজেলা সীমানায় আবুঝমাডে থুলথুলি ও নেন্দুর গ্রামের মাঝে জঙ্গলে দুপক্ষে গুলি বিনিময় শুরু হয়। নিহত হন ২৮ জন মাওবাদী। মৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছিল একে ৪৭ রাইফেল এবং সেল্ফ লোডিং রাইফেল। গত ১৬ এপ্রিল কাঁকের জেলায় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে নিহত হন ২৯ জন মাওবাদী। এঁদের মধ্যে ওয়ান্টেড মাওবাদীও ছিলেন কয়েকজন।

    শাহের বক্তব্য

    প্রসঙ্গত, গত অগাস্টের শেষ দিকে ছত্তিশগড়ের রায়পুরে মাওবাদী (Kishenji) দমন নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেই সময় তিনি বলেছিলেন, “২০০৪ সাল থেকে ২০১৪-এর মধ্যে সারা দেশে যত মাওবাদী হামলার ঘটনা ঘটেছিল, সেই তুলনায় ২০১৪ সাল থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে মাওবাদী হামলার ঘটনা কমে গিয়েছে ৫৩ শতাংশ।” তিনি বলেছিলেন, “এবার কঠোর পরিকল্পনার মাধ্যমে মাওবাদী সন্ত্রাসের সমস্যা মোকাবিলার জন্য চূড়ান্ত আঘাত হানার সময় এসে গিয়েছে। আমাদের বিশ্বাস, ২০২৬ সালের মার্চের মধ্যে দেশকে মাওবাদী সন্ত্রাসের কবল থেকে মুক্ত করতে পারব।”

    দিন কয়েক আগে এসএসবির একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বাংলায় এসেছিলেন শাহ। ওই অনুষ্ঠানে তিনি বলেছিলেন, “মাওবাদী দমন অভিযানগুলিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে এসএসবির। তারা সিআরপিএফ এবং স্থানীয় পুলিশ বাহিনীর সঙ্গে যৌথ অভিযানে শামিল হয়। চার দশক পর বিহার ও ঝাড়খণ্ড এখন মাওবাদীমুক্ত হয়েছে। ছত্তিশগড়ের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এসএসবি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে (CPI Maoist)। এবার ওই রাজ্য থেকেও মাওবাদীদের অবলুপ্তি ঘটবে (Kishenji)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: হাসপাতালে ভর্তি রবীন্দ্র ঘোষ, চিন্ময় কৃষ্ণের হয়ে লড়বেন কে?

    Bangladesh Crisis: হাসপাতালে ভর্তি রবীন্দ্র ঘোষ, চিন্ময় কৃষ্ণের হয়ে লড়বেন কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই আদালতে উঠবে বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) জেলবন্দি হিন্দু সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের মামলা। তাঁর হয়ে লড়াই করার কথা ছিল যাঁর, সেই প্রবীণ আইনজীবী রবীন্দ্র ঘোষকে (Rabindra Ghosh) ভর্তি করা হয় কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বুকে ব্যথা অনুভব করায় কার্ডিওলজি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে চিন্ময় কৃষ্ণের আইনজীবীকে। ২ জানুয়ারি চট্টগ্রাম আদালতে চিন্ময় দাসের জামিন মামলার শুনানিতে বর্ষীয়ান ওই আইনজীবী উপস্থিত থাকতে পারবেন কিনা, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

    রবীন্দ্রকে গ্রেফতারির ছক?

    রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে চিন্ময় কৃষ্ণকে। বাংলাদেশের চট্টগ্রাম আদালতে চলছে মামলা। তাঁর হয়ে মামলা লড়ছেন রবীন্দ্র। চিকিৎসা করাতে ভারতে এসেছিলেন তিনি। উঠেছেন ব্যারাকপুরে ছেলের বাড়িতে। ভারতে এসে তিনি বলেন, “চট্টগ্রাম আদালতের এজলাসে উপস্থিত আইনজীবীদের একাংশের আচরণ সন্ত্রাসবাদীদের মতো।” মামলা লড়তে গিয়ে রীতিমতো আঘাতও পেতে হয়েছে তাঁকে। তাই চিকিৎসা করাতে এসেছেন ভারতে। তিনি বলেছিলেন, “ফিরে গিয়ে ফের সওয়াল করব চিন্ময় কৃষ্ণের হয়ে।” আচমকাই অসুস্থ হয়ে পড়ায় বৃহস্পতিবার তিনি আদালতে উপস্থিত হতে পারবেন না বলেই খবর। তবে বাংলাদেশে পৌঁছলেই যে রবীন্দ্র মামলা লড়তে পারবেন, এমন কথা নিশ্চিত করে বলা যায় না। কারণ হিন্দু সন্ন্যাসীর হয়ে মামলা লড়ার অপরাধে একাধিকবার খুনের হুমকি পেয়েছেন তিনি। অসমর্থিত একটি সূত্রের খবর, প্রবীণ ওই আইনজীবী বাংলাদেশে পৌঁছলেই তাঁকে গ্রেফতার করবে মহম্মদ ইউনূসের পুলিশ। চিন্ময় কৃষ্ণকে যাতে বেশি দিন গারদে আটকে রাখা যায়, তাই এই ছক।

    আরও পড়ুন: জেএমবি-র সদস্যরাই এখন এবিটি-তে সক্রিয়, কবুল করল মুর্শিদাবাদে ধৃত বাংলাদেশি জঙ্গিরা

    কী বলছেন প্রবীণ আইনজীবী?

    রবীন্দ্র বলেন, “বুধবারই দেশে ফেরার কথা ছিল আমার। কিন্তু বৃহস্পতিবারের মধ্যে দেশে ফিরতে পারব কিনা, নিশ্চিত নই। তবে (Bangladesh Crisis) আমি ২০ জন আইনজীবী দিয়েছি।” তিনি বলেন, “আমার দুজন জুনিয়র আইনজীবী এবং আরও ১৮ জন দাসের পক্ষে আগামিকাল আদালতে উপস্থিত থাকবেন। আমি তাঁদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি। আমি শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাব (Rabindra Ghosh)। সুস্থ হয়ে উঠলে আমি বাংলাদেশে ফিরে আসব।” বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের অধিকার রক্ষার জন্য তাঁর লড়াই চলবে বলেও জানান তিনি (Bangladesh Crisis)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Ramakrishna 237: “ভাল কর্ম করলে সুফল, মন্দ কর্ম করলে কুফল; লঙ্কা খেলে ঝাল লাগবে না? এ-সব তাঁর লীলা-খেলা”

    Ramakrishna 237: “ভাল কর্ম করলে সুফল, মন্দ কর্ম করলে কুফল; লঙ্কা খেলে ঝাল লাগবে না? এ-সব তাঁর লীলা-খেলা”

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ ভক্তসঙ্গে দক্ষিণেশ্বর কালীবাড়িমধ্যে

    চতুর্দশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৩, ১৭ই জুন

    শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বরে ভক্তসঙ্গে

    তান্ত্রিকভক্ত ও সংসার—নির্লিপ্তেরও ভয়

    তান্ত্রিকভক্ত—আজ্ঞা হাঁ, পাহাড়ের উপর দেখা যায় গোলাপের ক্ষেত। যতদূর চক্ষু যায় কেবল গোলাপের ক্ষেত।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—পরমহংস দেখে, এ-সব তাঁর মায়ার ঐশ্বর্য। সৎ-অসৎ, ভাল-মন্দ, পাপ-পুণ্য। সব বড় দূরের কথা। সে অবস্থায় দল টল থাকে না।

    তান্ত্রিকভক্ত ও কর্মফল, পাপ-পুণ্য—Sin and Responsibility

    তান্ত্রিকভক্ত—তবে কর্মফল আছে?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—তাও আছে। ভাল কর্ম করলে সুফল, মন্দ কর্ম করলে কুফল; লঙ্কা খেলে ঝাল লাগবে না? এ-সব তাঁর লীলা-খেলা।

    তান্ত্রিকভক্ত—আমাদের উপায় কি? কর্মের ফল তো আছে?

    শ্রীরামকৃষ্ণ—থাকলেই বা। তাঁর ভক্তের আলাদা কথা।

    এই বলিয়া (Kathamrita) গান গাইতেছেন:

    মন রে কৃষি কাজ জানো না।
    এমন মানব-জমিন রইল পতিত, আবাদ করলে ফলত সোনা।
    কালীনামে দাওরে বেড়া, ফললে তছরূপ হবে না।
    সে যে মুক্তকেশীর শক্ত বেড়া, তার কাছেতে যম ঘেঁসে না ॥
    গুরুদত্ত বীজ রোপণ করে, ভক্তিবারি সেঁচে দেনা ৷
    একা যদি না পারিস মন, রামপ্রসাদকে সঙ্গে নেনা ॥

    আবার গান গাইতেছেন:

    শমন আসবার পথ ঘুচেছে, আমার মনের সন্দ ঘুচে গেছে।
    ওরে আমার ঘরের নবদ্বারে চারি শিব চৌকি রয়েছে ॥
    এক খুঁটিতে ঘর রয়েছে, তিন রজ্জুতে বাঁধা আছে।
    সহস্রদল কমলে শ্রীনাথ অভয় দিয়ে বসে আছে ॥

    “কাশীতে ব্রাহ্মণই মরুক আর বেশ্যাই মরুক শিব হবে।

    “যখন হরিনামে, কালীনামে, রামনামে, চক্ষে জল আসে তখনই সন্ধ্যা-কবচাদির কিছুই প্রয়োজন নাই। কর্মত্যাগ হয়ে যায়। কর্মের ফল (Kathamrita) তার কাছে যায় না।”

    ঠাকুর (Ramakrishna) আবার গান গাইতেছেন:

    ভাবিলে ভাবের উদয় হয়।
    যেমন ভাব, তেমনি লাভ, মূল সে প্রত্যয়।
    কালীপদ সুধাহ্রদে চিত্ত যদি রয় (যদি চিত্ত ডুবে রয়)।
    তবে পূজা-হোম যাগযজ্ঞ কিছু নয়।

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “আবার সেই সমাধি! আবার নিস্পন্দন দেহ, স্তিমিতি লোচন, দেহ স্থির

    আরও পড়ুনঃ দেখিয়াই ঠাকুর উচ্চহাস্য করিয়া ছোকরাদের বলিয়া উঠিলেন, “ওই রে আবার এসেছে”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 238: “হাবাতেগুলোর বিশ্বাস হয় না! সর্বদাই সংশয়! আত্মার সাক্ষাৎকার না হলে সব সংশয় যায় না”

    Ramakrishna 238: “হাবাতেগুলোর বিশ্বাস হয় না! সর্বদাই সংশয়! আত্মার সাক্ষাৎকার না হলে সব সংশয় যায় না”

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ ভক্তসঙ্গে দক্ষিণেশ্বর কালীবাড়িমধ্যে

    চতুর্দশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৩, ১৭ই জুন

    শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বরে ভক্তসঙ্গে

    তান্ত্রিকভক্ত ও সংসার—নির্লিপ্তেরও ভয়

    ঠাকুর (Ramakrishna) আবার গান গাহিতেছেন:

    ত্রিসন্ধ্যা যে বলে কালী, পূজা সন্ধ্যা সে কি চায় ৷
    সন্ধ্যা তার সন্ধ্যানে ফিরে, কভু সন্ধি নাহি পায় ॥
    গয়া গঙ্গা প্রভাসাদি কাশী কাঞ্চী কেবা চায় ৷
    কালী কালী কালী বলে আমার অজপা যদি ফুরায় ॥

    “তাঁতে মগ্ন হলে আর অসদ্বুদ্ধি, পাপবুদ্ধি থাকে না।”

    তান্ত্রিকভক্ত—আপনি যা বলেছেন “বিদ্যার আমি” থাকে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—বিদ্যার আমি, ভক্তের আমি। দাস আমি, ভাল আমি থাকে। বজ্জাত আমি চলে যায়। (হাস্য)

    তান্ত্রিকভক্ত—আজ্ঞা, আমাদের অনেক সংশয় চলে গেল।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—আত্মার সাক্ষাৎকার হলে সব সন্দেহ ভঞ্জন হয়।

    তান্ত্রিকভক্ত ও ভক্তির তমঃ—হাবাতের সংশয়—অষ্টসিদ্ধি 

    “ভক্তির তমঃ আন। বল, কি! রাম বলেছি (Ramakrishna), কালী বলেছি, আমার আবার বন্ধন; আমার আবার কর্মফল।”

    ঠাকুর (Ramakrishna) আবার গান গাহিতেছেন:

      আমি দুর্গা দুর্গা বলে মা যদি মরি
    আখেরে এ-দীনে না তারো কেমনে, জানা যাবে গো শংকরী।
    নাশি গো ব্রাহ্মণ, হত্যা করি ভ্রূণ, সুরাপান আদি বিনাশী নারী;
       এ-সব পাতক না ভাবি তিলেক (ও মা) ব্রহ্মপদ নিতে পারি।

    শ্রীরামকৃষ্ণ আবার বলিতেছেন—বিশ্বাস! বিশ্বাস! বিশ্বাস! গুরু বলে দিয়েছেন, রামই সব হয়ে রয়েছেন; ‘ওহি রাম ঘট্‌ ঘট্‌মে লেটা!’ কুকুর রুটি খেয়ে যাচ্ছে। ভক্ত বলছে, ‘রাম! দাঁড়াও, দাঁড়াও রুটিতে ঘি মেখে দিই’ এমনি গুরুবাক্যে বিশ্বাস।

    “হাবাতেগুলোর বিশ্বাস হয় না! সর্বদাই সংশয়! আত্মার সাক্ষাৎকার না হলে সব সংশয় যায় না।

    “শুদ্ধাভক্তি—কোন কামনা থাকবে না, সেই ভক্তি দ্বারা তাঁকে শীঘ্র পাওয়া যায়।

    “অণিমাদি সিদ্ধি—এ-সব কামনা। কৃষ্ণ অর্জুনকে বলেছিলেন, ভাই, অণিমাদি সিদ্ধাই, একটিও থাকলে ঈশ্বরলাভ হয় না; একটু শক্তি বাড়তে পারে।”

    “তান্ত্রিকভক্ত—আজ্ঞে, তান্ত্রিক ক্রিয়া আজকাল কেন ফলে না?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—সর্বাঙ্গীণ হয় না, আর ভক্তিপূর্বক হয় না—তাই ফলে না।

    এইবার ঠাকুর কথা সাঙ্গ করিতেছেন। বলিতেছেন (Ramakrishna), ভক্তিই সার; ঠিক ভক্তের কোন ভয় ভাবনা নাই। মা সব জানে। বিড়াল ইঁদুরকে ধরে একরকম করে, কিন্তু নিজের ছানাকে আর-একরকম করে ধরে।

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “আবার সেই সমাধি! আবার নিস্পন্দন দেহ, স্তিমিতি লোচন, দেহ স্থির

    আরও পড়ুনঃ দেখিয়াই ঠাকুর উচ্চহাস্য করিয়া ছোকরাদের বলিয়া উঠিলেন, “ওই রে আবার এসেছে”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share