Tag: news in bengali

news in bengali

  • Kedarnath temple: দিল্লিতে কেদারনাথ মন্দির তৈরি হবে, ধাম নয়! জানালেন কেদারনাথ ধাম ট্রাস্টের সভাপতি

    Kedarnath temple: দিল্লিতে কেদারনাথ মন্দির তৈরি হবে, ধাম নয়! জানালেন কেদারনাথ ধাম ট্রাস্টের সভাপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে খাড়াই-বন্ধুর পথ অতিক্রম করে উত্তরাখণ্ডের কেদারনাথ (Kedarnath temple) যান ভক্তরা। তবে এবার থেকে আর মহাদেবের দর্শনের জন্য কেদারনাথ পাড়ি দিতে হবেনা, কারন এবার দিল্লিতেই দর্শন হবে কেদারনাথের। গত বুধবার উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামী ঘোষণা করেছেন, এবার দেশের রাজধানীতেই কেদারনাথ দর্শন সম্পন্ন হবে। দিল্লির বুরারিতে ৩ একর জমির ওপর মন্দির তৈরি করছে কেদারনাথ দিল্লি ধাম ট্রাস্ট। ধামীর মতে, দিল্লির কেদারনাথ মন্দির ভক্তদের মনোবাঞ্ছা পূরণ করবে। 

    দিল্লিতে কেদারনাথ মন্দির তৈরি হবে, ধাম নয়

    এ প্রসঙ্গে রবিবার কেদারনাথ ধাম ট্রাস্টের সভাপতি সুরিন্দর রাউতেলা বলেছেন, ”দিল্লিতে তৈরি করা কেদারনাথ মন্দিরটি (Kedarnath temple) একটি মন্দির হিসেবে তৈরি হবে, এটি কোনও ধাম নয় এবং এর সাথে উত্তরাখণ্ড সরকারের কোনও সম্পর্ক নেই। পুষ্কর সিং ধামী এই মন্দিরের ভূমি পুজোর জন্য আমাদের অনুরোধে দিল্লি এসেছিলেন। এ বিষয়ে সরকারের কিছু করার নেই। মন্দিরটি ট্রাস্টিদের সহায়তায় নির্মিত হচ্ছে। উল্লেখ্য এই ট্রাস্টিদের মধ্যে অনেকেই উত্তরাখণ্ডের বাসিন্দা।”   
    এছাড়াও তিনি বলেন, “দেশের বিভিন্ন শহরে বিখ্যাত ধামের নামে ইতিমধ্যেই অনেক মন্দির তৈরি করা হয়েছে, তা ইন্দোরের কেদারনাথ মন্দির হোক বা মুম্বইয়ের বদ্রিনাথ মন্দির। এই মন্দিরগুলিও উদ্বোধন করেছিলেন উত্তরাখণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হরিশ রাওয়াত।”

    আরও পড়ুন: মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরেই প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী ট্রাম্প! নিজেই ঘোষণা করলেন ভাইস প্রেসিডেন্টের নাম

    সুরিন্দর রাউতেলার বার্তা 

    উল্লেখ্য, ১০ জুলাই, উত্তর-পশ্চিম দিল্লির বুরারির কাছে হিরাঙ্কি পাড়ায় এই মন্দিরের ভূমি পূজায় অংশ নিয়েছিলেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামী। ওইদিন সেখানে নতুন কেদারনাথ মন্দির নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। এরপর থেকেই শুরু হয় বিতর্ক। নয়া এই মন্দির নির্মাণ নিয়ে তীব্র বিরোধিতা করেন উত্তরাখণ্ডের কেদারনাথ মন্দিরের (Kedarnath temple) পুরোহিতরা। এ প্রসঙ্গে  সুরিন্দর রাউতেলা বলেছেন, “দিল্লিতে নির্মিত মন্দিরের নাম শ্রী কেদারনাথ ধাম রাখার বিষয়ে ইতিমধ্যেই যে রাজনৈতিক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে, তা এড়ানো উচিত। কিছু নেতা তাদের রাজনৈতিক প্রয়োজন মেটানোর জন্য বিতর্ক সৃষ্টি করছেন। উত্তরাখণ্ডের কেদারনাথ ধাম ১২টি জ্যোতির্লিঙ্গের একটি। আমরা শুধু দিল্লিতে একটি মন্দির তৈরি করছি। এর আগে ভারতের বিভিন্ন শহরে এরকম বিভিন্ন মন্দির তৈরি রয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: ইউরোপের উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এলব্রুস জয়, ভারতীয় হিসেবে নজির গড়লেন হুগলির শুভম

    Hooghly: ইউরোপের উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এলব্রুস জয়, ভারতীয় হিসেবে নজির গড়লেন হুগলির শুভম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউরোপের সবচেয়ে দুর্গম এবং উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এলব্রুস জয় করে ভারতীয় হিসেবে নজির গড়েছেন হুগলির (Hooghly) ছেলে শুভম চট্টোপাধ্যায়। তাঁর এই জয়ে উজ্জ্বল হয়েছে বাংলার মান। তিনিই প্রথম ভারতীয় বাঙালি যুবক, যিনি এই পর্বত আরোহণ করেছেন। আগেও মাউন্ট কিলিমাঞ্জার জয় করেছেন তিনি, পরবর্তী মিশন ওশিয়ানিয়া।

    ৫৬৪২ মিটার উচ্চতায় পর্বত শৃঙ্গ জয় (Hooghly)

    ইউরোপের এই সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট এলব্রুস হল রাশিয়ায় অবস্থিত। শুভম এই পর্বতশৃঙ্গ জয় করতে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন গত জুলাই মাসে। শুভমের বাড়ি হুগলির (Hooghly) হিন্দমোটর এলাকায়। টানা ৯ দিনের কঠিন পথকে অতিক্রম করে ৫৬৪২ মিটার উচ্চতায় পর্বতশৃঙ্গ জয় করেছেন তিনি। তবে এই পর্বত আরোহণের পথ অত্যন্ত কষ্টকর ছিল। নানা সমস্যা এবং প্রতিকূলতার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছিল তাঁকে। একদিকে তুষার ঝড় অপর দিকে বরফে ঢাকা পাহাড়ে বড় বড় গর্ত। এই সব কিছুকে অতিক্রম করে ভারতের পতাকা উড়িয়ে ছিলেন শুভম। তবে তুষার ঝড়ের তাপে মুখের চামড়া পুড়ে গিয়েছিল। কিন্তু তবুও নিজের লক্ষ্যে অবিচল ছিলেন তিনি। তাঁর জয়ে রাজ্য সহ গোটা দেশ কুর্নিশ জানিয়েছে। পরিবারে উচ্ছ্বাস এবং খুশির আবহ।

    বাঙালি হিসেবে প্রথম এই সাফল্য

    এই পর্বতশৃঙ্গ জয়ের পর শুভম (Hooghly) বলেছেন, “মাউন্ট এলব্রুস একটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল, সমস্ত বাধাকে অতিক্রম করে সফল হতে পেরে খুব আনন্দিত আমি। ভারতীয় হিসেবে আমি প্রথম এই দুর্গম পর্বতশৃঙ্গের উত্তর দিক থেকে উঠে আবার উত্তর দিক ধরেই নামতে পেরেছি। তবে আমার সঙ্গে আরও একজন ভারতীয় ছিলেন। তিনি অবশ্য উত্তর দিক থেকে উঠে আবার দক্ষিণ দিকে অবতরণ করেছেন। ফলে বাঙালি হিসেবে প্রথম এই সাফল্যে অত্যন্ত গর্ব অনুভব হচ্ছে। তবে অভিযানে ভাষার একটা বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। সকলে সকলকে সহযোগিতা করায় অভিযান সফল হয়েছে।”

    আরও পড়ুনঃ “তৃণমূলে মুষল পর্ব শুরু হয়েছে, এবারেই ধ্বংস হয়ে যাবে”, উল্টোরথে হাওড়ায় তোপ সুকান্তর

    পরিবারের বক্তব্য

    শুভমের মা তাঁর এই সাফল্যে বলেছেন, “ছেলের কর্মের জন্য আজ আমার বেশ গর্ব হচ্ছে, তবে অনেক ভয়ের মধ্যে ছিলাম। কখনও কখনও সাত-আট দিন পর্যন্ত কথা হতো না। খুব উদ্বেগের মধ্যে থাকতে হতো। তবে ছেলে প্রতি বছর কোথাও না কোথাও আরোহণ করে থাকে। আবার বাড়ি (Hooghly) ফিরেই প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। ওর স্বপ্ন পূরণ হোক এই কামনা করি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Hasina: তিস্তা প্রকল্প রূপায়ণ করুক ভারত, চাইছেন হাসিনা, জানালেন কারণও

    Sheikh Hasina: তিস্তা প্রকল্প রূপায়ণ করুক ভারত, চাইছেন হাসিনা, জানালেন কারণও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিস্তা প্রজেক্ট (Teesta Project) করুক ভারত। চান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। এই প্রকল্পটি করতে চেয়েছিল চিনও। এগিয়েছিল ভারতও। এহেন আবহে দিন কয়েক আগে চিন সফরে যান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। তার আগেই ভারত সফর সেরে গিয়েছেন তিনি।

    কী বলছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী? (Sheikh Hasina)

    কমিউনিস্ট শাসিত শি জিনপিংয়ের দেশ থেকে ফিরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দিলেন, তিনি চান তিস্তা প্রকল্পটি করুক ভারত। কী জন্য এই প্রকল্প রূপায়ণে তিনি ভারতকে চান, তাও ব্যাখ্যা করেছেন আওয়ামি লিগের সর্বময় কর্ত্রী। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে হাসিনা বলেন, “ভারতের পাশাপাশি এই প্রকল্পে আগ্রহ প্রকাশ করেছে চিন-ও। তবে সব দিক বিবেচনা করে আমি চাই তিস্তা প্রকল্পটি রূপায়ণ করুক ভারত।” তিনি বলেন, “তিস্তার জল ভারতের নিয়ন্ত্রণে। তাই তারা এই প্রজেক্ট করুক। তারা যদি এই প্রকল্পটি রূপায়ণ করতে চায়, তাহলে সর্বোতভাবে সাহায্য করা হবে।”

    তিস্তার জলবণ্টন চুক্তি

    তিস্তার জলবণ্টন চুক্তিকে ঘিরে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্কে জটিলতা তৈরি হয়েছে। ভারত থেকে নদীটি গিয়ে ঢুকেছে বাংলাদেশে। তাই তিস্তার জলের ন্যায্য দাবিদার বাংলাদেশও। তবে বাংলাদেশকে দেওয়ার মতো যথেষ্ট পরিমাণ জল নেই বলে তিস্তা চুক্তিতে সায় দেননি পশ্চিমবাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিস্তা চুক্তি প্রসঙ্গে কেন্দ্রকে নিশানা করেছিলেন (Sheikh Hasina) তিনি। বলেছিলেন, “ওরা কীভাবে তিস্তার জল দিতে পারে? সিকিম ১৪টি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প তৈরি করেছে। সিকিমের প্রজেক্ট তৈরির সময় খেয়াল রাখা উচিত ছিল কেন্দ্রের। সব জল সিকিম নিয়ে যাচ্ছে…।” মমতার দাবি, বাংলাদেশকে তিস্তার জল দিলে সমস্যায় পড়বেন পশ্চিমবঙ্গের উত্তর প্রান্তের বাসিন্দারা।

    আরও পড়ুন: নিশানায় ছিল অমরনাথ! সীমান্তে ফের অনুপ্রবেশ রুখল সেনা, খতম তিন জঙ্গি

    প্রসঙ্গত, তিস্তার অববাহিকায় বিরাট জলাধার নির্মাণ করে বৃষ্টির জল ধরে রাখার পরিকল্পনা করেছে বাংলাদেশ। এই প্রকল্পই রূপায়ণ করতে চায় শি জিনপিংয়ের দেশ। আগ্রহী নরেন্দ্র মোদির ভারতও। টানটান করা (Teesta Project) স্নায়ুর লড়াইয়ে যে শেষ হাসি হাসল ভারতই, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর (Sheikh Hasina) কথায়ই তা স্পষ্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Sukanta Majumdar: “তৃণমূলে মুষল পর্ব শুরু হয়েছে, এবারেই ধ্বংস হয়ে যাবে”, উল্টোরথে হাওড়ায় তোপ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: “তৃণমূলে মুষল পর্ব শুরু হয়েছে, এবারেই ধ্বংস হয়ে যাবে”, উল্টোরথে হাওড়ায় তোপ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার উল্টোরথের অনুষ্ঠানে যোগদান করে তৃণমূলকে আক্রমণ করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। হাওড়ার সাঁকরাইলের নবঘরায় তিনি বলেছেন, “তৃণমূলে মুষল পর্ব শুরু হয়েছে, এবারেই ধ্বংস হয়ে যাবে।” তবে তাঁর এই ভাষণের সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। 

    ঠিক কী বললেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)?

    রথযাত্রার দিনেই রাজ্যে তৃণমূলের (TMC) চলা সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে তীব্র কটাক্ষ করেন বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। এরপর একাধিক বিষয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মন্তব্য করেন। তিনি বলেছেন, “যদু বংশ ধ্বংসের সময় মুষল পর্ব শুরু হয়েছিল। তৃণমূলেও তাই শুরু হয়েছে। এই ভাবেই তাঁদের দল শেষ হয়ে যাবে।” শুধু তাই নয় এই বর্ষায় সবজির দাম বৃদ্ধি নিয়ে মমতার সরকারে সমালোচনা করেছেন তিনি। তিনি আরও বলেছেন, “দেশের বিভিন্ন রাজ্য পেট্রোপণ্যের দাম কমিয়েছে। আর বাংলায় তৃণমূল সরকার অতিরিক্ত কর বসিয়েছে। গ্রাম থেকে সবজি, আনাজ, ফল গাড়িতে করে শহরে আসে। ফলে জ্বালানির দাম না কমালে সবজির দাম কমবে না, লোক দেখানো টাস্ক ফোর্স দিয়েও কমবে না।”

    আরও পড়ুনঃ রথে চড়ে তারাপীঠ ঘুরলেন মা-তারা, কেন মন্দিরের বাইরে বের হন দেবী?

    উপনির্বাচনে ব্যাপক রিগিং করেছে তৃণমূল!

    এদিন এই সভা থেকে রাজ্যে চার আসনের উপনির্বাচনের ফলাফল নিয়ে সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেছেন, “তৃণমূল (TMC) উপনির্বাচনে ব্যাপক ভাবে রিগিং করেছে। মাত্র এক মাস আগেই লোকসভার ভোটে যে কেন্দ্রগুলিকে বিজেপি এগিয়ে ছিল, সেখানে তৃণমূল কোন কাজ করল যে মানুষ এতো পরিমাণে ভোট দিল! এটা সম্পূর্ণ ভাবে রিগিং এবং ছাপ্পার ফলাফল। আগে হুগলির আরামবাগে সিপিএম নেতা অনিল বসু তিন-চার লাখ ভোটে জিতে মমতাকে পশ্চাৎদেশ দেখিয়ে ছিলেন। আজ সেই অনিল বসু এবং সিপিএমকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তৃণমূলের অবস্থা আরও খারাপ হবে। না হলে এক একটি বুথে বিজেপি মাত্র ২-৩টি করে ভোট পায়? আগে সিপিএম যা করেছে, তৃণমূল এখন তাই করছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Donald Trump: মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরেই প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী ট্রাম্প! নিজেই ঘোষণা করলেন ভাইস প্রেসিডেন্টের নাম

    Donald Trump: মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরেই প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী ট্রাম্প! নিজেই ঘোষণা করলেন ভাইস প্রেসিডেন্টের নাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মৃত্যুর দোরগোড়া থেকে ফিরে ফের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। দিনদুয়েক আগেই নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে ‘গুলিবিদ্ধ’ হয়েছিলেন। এবার সরকারিভাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান পদপ্রার্থী হলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ডোনাল্ড ট্রাম্পই প্রথম ব্যক্তি যিনি যুক্তরাষ্ট্রে তিনবার প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হচ্ছেন। সেই সঙ্গে তিনি বেছে নিলেন নয়া রানিং মেট, অর্থাৎ ভাইস প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থীকে। তিনি নিজেই সেই নাম প্রস্তাব করেন। ট্রাম্পের সহাকারী হওয়ার জন্য নির্বাচনে লড়বেন ৩৯ বছর বয়সি জেডি ভ্যান্স। 

    আনুষ্ঠানিক ভাবে সিলমোহর 

    চলতি বছরের শেষেই আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন (US President Election 2024) রয়েছে। তবে ট্রাম্পই (Donald Trump) যে আসন্ন নির্বাচনে তাঁর দল রিপাবলিকান পার্টির প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী, তা এক প্রকার নিশ্চিতই ছিল। সোমবার সেই খবরেই সিলমোহর পড়ল। এদিন মিলাউকিতে ছিল রিপাবলিকানদের সম্মেলন। সেখানে কার্যত নায়কের মতো করে বরণ করে স্বাগত জানানো হয় মৃত্যুমুখ থেকে ফিরে আসা ট্রাম্পকে। রিপাবলিকান পার্টির এই জাতীয় সম্মেলনেই আনুষ্ঠানিক ভাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকেই প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হিসাবে মনোনীত করা হয়। সম্মেলনে ভোটাভুটিতে প্রায় আড়াই হাজার প্রতিনিধির সবকটি ভোটই পেয়েছেন ট্রাম্প। কোনও প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকলেও ১ হাজার ২১৫টি ভোটের (US President Election 2024) দরকার ছিলো ট্রাম্পের। নিজের ছেলে এরিক ট্রাম্প যখন ফ্লোরিডার প্রতিনিধিদের ভোটের ফলাফল ঘোষণা করেন তখনই চূড়ান্ত হয়ে যায় ট্রাম্পের প্রার্থিতা। তুমুল করতালি, হর্ষধ্বনি ও বাদ্য বাজিয়ে ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানান সকলে।

    আরও পড়ুন: জগন্নাথদেবের রত্নভাণ্ডারের ভিতরে নাগ দেবতা! দরজা খুলে কী দেখা গেল?

    ট্রাম্প বিরোধী ভ্যান্স এবার ‘বন্ধুর’ ভূমিকায়  

    এর আগেও একাধিক বার সংবাদের শিরোনামে উঠে এসেছেন ওহাইওর সেনেটর জেডি ভ্যান্স। পেশায় আইনজীবী ভ্যান্স ২০২৩ সালে ওহাইওর সেনেটর হিসাবে নির্বাচিত হন। একটা সময় তাঁকে ট্রাম্পের (Donald Trump) সবচেয়ে বড় সমালোচক বলে মনে করা হত। এমনকি ট্রাম্পকে ‘আমেরিকার হিটলার’ বলেও অভিহিত করেছিলেন ভ্যান্স। তবে ২০২১ সাল থেকে ভ্যান্স এবং ট্রাম্পের মধ্যে বরফ গলতে শুরু করে। ফলে একসময় ট্রাম্পের ঘোরতর বিরোধী ভ্যান্স এবার ‘বন্ধুর’ ভূমিকায় থাকবেন। 

    সমাজমাধ্যমে পোস্ট ট্রাম্পের (Donald Trump)

    এ প্রসঙ্গে সমাজমাধ্যমে ট্রাম্প একটি পোস্ট করে লেখেন, ‘‘ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসাবে জেডি আমাদের সংবিধানের জন্য লড়াই চালিয়ে যাবেন। আমাদের সেনাবিহিনীর পাশে দাঁড়াবেন। আমেরিকাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে আমার পাশে থাকবেন।’’

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Price Hike: বাজারে টাস্ক ফোর্সের হানা, কাজ হচ্ছে কিছু, নাকি পুরোটাই ‘আইওয়াশ’?

    Price Hike: বাজারে টাস্ক ফোর্সের হানা, কাজ হচ্ছে কিছু, নাকি পুরোটাই ‘আইওয়াশ’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ যেন অনেকটা চোর-পুলিশ খেলার মতো! সবজির দাম কমাতে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে রাজ্যের বিভিন্ন বাজারে হানা (Price Hike) দিচ্ছেন টাস্ক ফোর্সের (Task Force) সদস্যরা। অভিযোগ, এই হানার পর সাময়িক কমছে আনাজপাতির দাম। টাস্ক ফোর্স উধাও হলেই, পরিস্থিতি দাঁড়াচ্ছে যথা পূর্বং, তথা পরং। অতএব, মুখমন্ত্রীর নির্দেশে টাস্ক ফোর্সের অভিযান চললেও, তা যে নিতান্তই ‘আইওয়াশ’, তা বুঝতে বাকি নেই বঙ্গবাসীর।

    কী বলছেন ক্রেতারা? (Price Hike)

    ক্রেতাদের একটা বড় অংশের দাবি, যখন যে বাজারে অভিযান চলছে, সেখানে কাঁচা আনাজের দাম কমছে ৫-১০ টাকা। পরের দিনই ফের সবজি কিনতে গিয়ে দামের আঁচে হাত পোড়ার জোগাড় মধ্যবিত্তের। টাস্ক ফোর্সের অভিযানের পরেও রাজ্যের বিভিন্ন বাজারে আলু বিকোচ্ছে ৩৫-৩৬ টাকা কেজি দরে। পেঁয়াজ ৪০ টাকা কেজি। অন্যান্য সবজির দাম ৬০ এর নীচে নামেনি। মাগ্গিগন্ডার এই বাজারে ‘সস্তা’ বলতে কেবল পটল। খেয়ে খেয়ে গা এলিয়ে যাওয়া এই সবজির দাম ৪০ টাকা কেজি। অগ্নিমূল্য দর কাঁচালঙ্কার। ১৫ থেকে ২০ টাকা শ’দরে বিকোচ্ছে এই আনাজ। রসুনের দাম ৩০০ এর আশপাশে। আদার দামও বেশ চড়া।

    আরও পড়ুন: নয়া প্রধানমন্ত্রী ওলি, কোন খাতে বইবে ভারত-নেপাল সম্পর্কের জল?

    কেন বাড়ছে দাম?

    কী কারণে দাম বাড়ছে আনাজের? খুচরো বিক্রেতাদের দাবি, তাঁরা চড়া দরে কিনছেন। তাই বিক্রি করতে হচ্ছে লাভের কড়ি হাতে রেখে। পাইকারি বিক্রেতাদের আবার দাবি, চাষিদের কাছ থেকে সবজি কিনতে হচ্ছে চড়া দরে (Price Hike)। তাই বাড়ছে দাম। আর চাষিরা দোহাই দিচ্ছেন, গরমের। তাঁদের বক্তব্য, তীব্র গরমে পচে যাচ্ছে সবজি। স্বাভাবিকভাবেই ফারাক হচ্ছে চাহিদা ও জোগানের। সেই কারণেই চড়ছে দাম। রাজনীতির কারবারিদের একাংশের ব্যাখ্যা অবশ্য অন্যরকম। তাঁদের বক্তব্য, রাজ্য সরকারের উদাসীনতায় মাথাচাড়া দিয়েছে ফড়েরাজ। লাভের গুড় খেয়ে যাচ্ছে তারাই। বিরোধীদের একটা অংশের আবার দাবি, অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনের সময় মোটা অঙ্কের চাঁদা দিতে হয়েছে রাজ্যের শাসক দলকে। ঘুরপথে তারই শোধ তুলছেন ব্যবসায়ীরা। তার জেরেই চড়চড়িয়ে বাড়ছে আনাজের দাম।

    ‘লক্ষ্মীর ভান্ডারে’র জেরে রাজ্যে অলক্ষ্মীর প্রবেশ!

    লোকসভা নির্বাচনের আগে ভোটের ঝুলি ভরতে ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’ প্রকল্পে একলপ্তে ৫০০ টাকা বাড়িয়ে দেয় তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকার। তার সুফলও কুড়োয় ঘাসফুল শিবির। এ রাজ্যে আসন কমে বিজেপির। আগের ফর্মে ফিরে যায় তৃণমূল। লক্ষ্মীর ভান্ডারে ৫০০ টাকা বাড়িয়ে যে ভোট ‘কেনা’ হয়েছিল, সবজি কিনতে গিয়ে তার চেয়ে ঢের বেশি অর্থ খরচ হয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ প্রান্তিক মানুষের। লক্ষ্মীর ভান্ডারে টাকা বাড়ানো, আবার মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে রাজ্য (Task Force) সরকারের উদাসীনতা, সবই কি ভোটের রাজনীতি? কেবল ক্ষমতায় টিকে থাকতেই যত (Price Hike) ফিকির! আইওয়াশ!

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

            

  • India Nepal Relation: নয়া প্রধানমন্ত্রী ওলি, কোন খাতে বইবে ভারত-নেপাল সম্পর্কের জল?

    India Nepal Relation: নয়া প্রধানমন্ত্রী ওলি, কোন খাতে বইবে ভারত-নেপাল সম্পর্কের জল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের নেপালের প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন কেপি শর্মা ওলি (KP Sharma  Oli)। ১৫ জুলাই, সোমবার সে দেশের রাষ্ট্রপতি ভবন ‘শীতল নিবাসে’ গিয়ে শপথবাক্য পাঠ করেন ওলি। নয়া (India Nepal Relation) প্রধানমন্ত্রীকে শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি রামচন্দ্র পৌডেল। এ নিয়ে চতুর্থবার নেপালের প্রধানমন্ত্রী পদে বসলেন বছর বাহাত্তরের ওলি। তাঁর নয়া মন্ত্রিসভায় ঠাঁই হয়েছে বাইশজনের।

    প্রচণ্ডের পরাজয় (India Nepal Relation)

    শুক্রবারই আস্থা ভোটে পরাজিত হয়েছিলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী পুষ্প কুমার দহল ওরফে প্রচণ্ড। নেপালের সংসদে তাঁর পক্ষে পড়ে মাত্র ৬৩ জন সাংসদের ভোট। যদিও সরকার বাঁচানোর জন্য প্রয়োজন ছিল ১৩৮ জনের সমর্থন। নেপালি সংসদের আসন সংখ্যা ২৭৫। আস্থা ভোটে হেরে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেন প্রচণ্ড। এক সময় ভারত-বিরোধী কঠোর অবস্থান নিয়েছিলেন ওলি। তারপর থেকেই ভাঁটা পড়ে ভারত-নেপাল সম্পর্কে। চিনের কমিউনিস্ট সরকারের সঙ্গে হাত মেলান কমিউনিস্ট ওলি। তার জেরেই ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভে’র অধীনে বিভিন্ন প্রকল্পে বেজিংয়ের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে নেপাল।

    ভারত-নেপাল সম্পর্ক কোন পথে

    ২০১৫ সালের ভারত-বিরোধী (India Nepal Relation) অবস্থান নিয়েছিলেন ওলি। গত ন’বছরে পৃথিবীর ওপর দিয়ে বয়ে গিয়েছে সময়ের স্রোত। নয়া ওলি সরকার চাইছে, ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে। ওলির দলের তরফে বলা হয়েছে, নেপাল এবার তার অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য ভারতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব গড়ে তুলবে। সে দেশের মাটিতে আর ভারত-বিরোধী কোনও শক্তিকে মাথা তুলতে দেবে না। ওলির দলের এক প্রবীণ নেতা বলেন, “ওলি জানিয়েছেন তাঁর এই দফার মেয়াদে ভারত-নেপাল সম্পর্ককে এক নয়া উচ্চতায় নিয়ে যেতে চান তিনি।”

    আরও পড়ুন: নিষিদ্ধ করা হবে ইমরানের দলকে, ঘোষণা পাক সরকারের, অথঃ কিম?

    এদিকে প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পর ওলিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি যে তাঁর সঙ্গে কাজ করতে মুখিয়ে রয়েছেন, তাও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ভারত-নেপালের মধ্যে যে দীর্ঘ দিন ধরে সুসম্পর্ক বজায় রয়েছে, সেই সম্পর্ক যাতে বজায় থাকে, সে ব্যাপারেও তাঁর আগ্রহের কথা ওলিকে (KP Sharma  Oli) জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী (India Nepal Relation)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Hooghly: ক্ষমতা দখলে তৃণমূলে কোন্দল চরমে, মাথা ফাটল পঞ্চায়েত সমিতির মহিলা সভাপতির!

    Hooghly: ক্ষমতা দখলে তৃণমূলে কোন্দল চরমে, মাথা ফাটল পঞ্চায়েত সমিতির মহিলা সভাপতির!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত সমিতির দখলকে ঘিরে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ধুন্ধুমার খানাকুল (Hooghly) ১ পঞ্চায়েত সমিতিতে। দলের এক গোষ্ঠীর মারে পঞ্চায়েত সমিতির মহিলা সভাপতির মাথা ফেটেছে। একই সঙ্গে বেশ কিছু কর্মী মারের আঘাতে আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে হাতে লাঠি নিয়ে ময়দানে নামে পুলিশ। ঘটনায় তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষে কোন্দল চরম আকার নিয়েছে।

    কীভাবে ঘটল ঘটনা (Hooghly)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, খানাকুল (Hooghly) ১ পঞ্চায়েত সমিতির বোর্ডগঠন তৃণমূল (TMC) করার পর থেকেই পঞ্চায়েত সমিতির পুর্ত কর্মাধ্যক্ষ নইমুল হক ওরফে রাঙার গোষ্ঠীর সঙ্গে খানাকুল ১ ব্লক তৃণমূল সভাপতি দিপেন মাইতি গোষ্ঠীর মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হয়। দিপেনের অনুগামীরা কর্মাধ্যক্ষ এবং পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য পদত্যাগের ইচ্ছা প্রকাশ করে, পঞ্চায়েত সামিতির সভাপতি শম্পা মাইতির কাছে পদত্যাগপত্র জমা করেন। এরপর পঞ্চায়েত সমিতির স্থায়ী কমিটি ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়। অপর দিকে পঞ্চায়েত সমিতিতে নিজের একাধিপত্য ধরে রাখতে অতি সক্রিয় হয়ে পড়েন নইমুল হক ওরফে রাঙা। এরপর এই পরিস্থিতিতে রক্ষা পেতে একটি বৈঠক ডাকা হয়। বৈঠকে তীব্র উত্তেজনা শুরু হয়। পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শম্পা মাইতির মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়। অপর দিকে মিটিংয়ের বাইরে দুই পক্ষের শতাধিক লোক জমায়েত হন। শুরু হয় মারামারি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিশাল পুলিশ বাহিনী এবং র‍্যাফ নামানো হয়। সমিতির অফিসে চলে দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক ভাঙচুর।

    আরও পড়ুনঃ দুষ্কৃতী ধরতে গিয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি! আটক দুই মহিলা, শোরগোল কুলতলিতে

    রাঙা তোলা তুলত এখানে!

    তৃণমূলের (TMC) নইমুল হক গোষ্ঠীর দুষ্কৃতীদের হাতে আক্রান্ত হয়ে তাপস ঘোষ বলেছেন, “আমাকে মেরে পোশাক ছিঁড়ে দিয়েছে। পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শম্পা ম্যাডামের মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়েছে। পনেরো বছর ধরে এই রাঙা এখানে তোলা তুলে খাচ্ছে। আজকের এই হামলার নায়ক এই নেতা।” অপর দিকে হুগলি (Hooghly) গ্রামীণ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কৃশানু রায়, আরামবাগ এসডিপিও সুপ্রভাত চক্রবর্তী, আইসি রাকেশ সিং এবং বিশাল পুলিশ বাহিনী নামানো হয়েছে। তবে দুই গোষ্ঠীকে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: রাজ্যের অভিযোগ অস্বীকার, রাজভবনে একটিও বিল আটকে নেই, বললেন রাজ্যপাল

    CV Ananda Bose: রাজ্যের অভিযোগ অস্বীকার, রাজভবনে একটিও বিল আটকে নেই, বললেন রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের পাঠানো বিল আটকে রাখার অভিযোগ অস্বীকার করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। রাজ্যের একাধিক বিল আটকে রেখেছেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। সম্প্রতি  এই ইস্যুতে রাজ্যপালের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য। সোমবার রাজ্যের অভিযোগের পালটা মুখ খুললেন রাজ্যপাল। বললেন, ”রাজভবনে একটিও বিল নেই, এই অভিযোগ ভুল।” 

    সরকারের অভিযোগ

    রাজ্য সরকারের অভিযোগ ছিল, বিধানসভায় পাশ করা আটটি বিল দীর্ঘদিন ধরে আটকে রেখেছেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)। সম্প্রতি এই অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করেছিল রাজ্য সরকার। রাজ্যের তরফে আদালতে রাজভবনে (Raj Bhavan) বিল আটকে রাখা নিয়ে একটি রিট পিটিশন দায়ের করা হয়েছে। আইনজীবী আস্থা শর্মা এই পিটিশন দায়ের করেছেন। তিনি অভিযোগ তুলেছেন, রাজ্যপাল ওই বিলগুলি আটকে রেখে সংবিধানের ২০০ নম্বর বিধি ভঙ্গ করছেন। এটা সংবিধান বিরোধী। 

    রাজ্যপালের মন্তব্য (CV Ananda Bose)

    রাজ্যের এই অভিযোগের পরেই এ প্রসঙ্গে রাজ্যপাল বলেন, ”রাজ্য সরকারের পাঠানো ৮টি মধ্যে ৬ টি রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে বিবেচনার জন্য পাঠানো হয়েছে। তাঁর কাছে সেই বিলগুলি এখনও রয়েছে। একটি এখনও বিবেচনা করা হচ্ছে, আর অষ্টম বিলটিতে বেশ কিছু অস্পষ্টতা রয়েছে। তার জন্য রাজ্য সরকারের প্রতিনিধিকে তিনি ডেকে পাঠিয়েছিলেন। তা সত্ত্বেও রাজ্যের তরফে কোনও প্রতিনিধি রাজ্যপালের সঙ্গে যোগাযোগ করেনি। আমার বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ ভুল। কারণ রাজভবনে (Raj Bhavan) একটিও বিল আটকে নেই।”

    আরও পড়ুন: গ্যাসের কালোবাজারি রুখতে এবার আধারে বায়োমেট্রিক যোগ!

    প্রসঙ্গত, যে ৮টি বিল রাজ্যপালের কাছে পড়ে রয়েছে সেগুলি হল- পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য বিজ্ঞান সংক্রান্ত বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত আইন (সংশোধনী) বিল, পশ্চিমবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় আইন (সংশোধনী) বিল, পশ্চিমবঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত আইন (দ্বিতীয় সংশোধনী) বিল, পশ্চিমবঙ্গ পশু এবং মৎসবিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত আইন (সংশোধনী) বিল, পশ্চিমবঙ্গ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত আইন (সংশোধনী) বিল। এছাড়াও, পশ্চিমবঙ্গ আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত আইন(সংশোধনী) বিল, পশ্চিমবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত আইন(সংশোধনী) বিল এবং পশ্চিমবঙ্গ নগর পরিকল্পনা এবং নগরোন্নয়ন বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত আইন (সংশোধনী) বিল। এই সমস্ত বিলের মধ্যে জগদীপ ধনখড় রাজ্যপাল থাকাকালীন ৬টি পাশ হয়েছিল রাজ্য বিধানসভায়। আর বাকি দুটি বিল সিভি আনন্দের (CV Ananda Bose) সময়ে পাশ হয়েছে। তবে উল্লেখ্য, রাজ্যের দায়ের করা পিটিশন নিয়ে এতদিন চুপ ছিলেন রাজ্যপাল। কিন্তু এদিন তিনি সমস্ত অভিযোগের জবাব দেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PTI Banned In Pakistan: নিষিদ্ধ করা হবে ইমরানের দলকে, ঘোষণা পাক সরকারের, অথঃ কিম?

    PTI Banned In Pakistan: নিষিদ্ধ করা হবে ইমরানের দলকে, ঘোষণা পাক সরকারের, অথঃ কিম?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হতে পারে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের পার্টি পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফকে (PTI Banned In Pakistan)। যার জেরে আরও গাড্ডায় পড়বেন পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। বছর একাত্তরের ইমরান পিটিআই গঠন করেছিলেন ১৯৯৬ সালে। ২০১৮ সালে পাকিস্তানের (Shahbaz Government) মসনদে বসে পিটিআই সরকার, যার নেতৃত্ব দেন ক্রিকেটার-রাজনীতিক ইমরান স্বয়ং।

    ইমরানের দলের বিরুদ্ধে অভিযোগ (PTI Banned In Pakistan)

    ইমরানের সরকারের বিরুদ্ধে আনা অনাস্থা প্রস্তাবে হারের জেরে প্রধানমন্ত্রীর কুর্সি খোয়াতে হয় ইমরানকে। ২০২২ সালের এপ্রিল মাসে পতন ঘটে ইমরান সরকারের। তার পরেই তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হয় একাধিক মামলা। যার জেরে এখনও বন্দিদশা কাটাচ্ছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। বর্তমানে তিনি রয়েছেন রাওয়ালপিন্ডি কারাগারে। ইমরানের দলকে যে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হতে পারে, তার আঁচ মিলেছিল গত বছরই, মে মাসে। সেই সময়ই পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আশিস জানিয়েছিলেন, পাক সরকার ইমরানের পার্টি তেহরিক-ই-ইনসাফকে নিষিদ্ধ করার কথা ভাবনাচিন্তা করছে। তিনি এ-ও বলেছিলেন, ৯ই মে (২০২৩) পিটিআই সমর্থকরা দেশে যে ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে, তারপর তাদের রাজনৈতিক দলের স্বীকৃতি থাকতে পারে না।

    কেন নিষিদ্ধ করা হবে পিটিআইকে?

    পিটিআইকে নিষিদ্ধ ঘোষণার (PTI Banned In Pakistan) সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে পাকিস্তানের তথ্য বিষয়ক মন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার জানান, গত মে মাসের ওই ঘটনায়  প্রাক্তন ক্ষমতাসীন দলের জড়িত থাকার অভিযোগ এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সঙ্গে পাকিস্তানের চুক্তিতে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ানোয় পিটিআইয়ের প্রাক্তন বা বর্তমান নেতাদের প্রচেষ্টার প্রেক্ষিতে এই দলকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। পাকিস্তানের অর্থনীতির হাঁড়ির হাল। এহেন আবহে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হাত পেতেছে শাহবাজ খানের সরকার। তারপরেও সাহায্য মেলেনি।

    আরও পড়ুন: বাড়িতে তৃণমূলের ঝান্ডা পুঁতে বিজেপি কর্মীদের সামাজিক বয়কটের ডাক! শোরগোল

    পরিস্থিতি সামাল দিতে ফের একবার আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভান্ডারের সঙ্গে চুক্তি করতে চলেছে পাকিস্তানের সরকার। সেই প্রক্রিয়ায় পিটিআই নেতারা বাগড়া দিচ্ছে বলে অভিযোগ। তার জেরেই ইমরানের দলকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হতে পারে বলে ধারণা পাক রাজনৈতিক মহলের। তারার জানান, ফেডারেল গভর্নমেন্ট পিটিআইকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টে জানাবে।প্রসঙ্গত, এই মুহূর্তে পাকিস্তানের ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে সবচেয়ে বড় দল ইমরানের পার্টি তেহরিক-ই-ইনসাফই। পাক সুপ্রিম কোর্টেরও সাম্প্রতিক (Shahbaz Government) একাধিক নির্দেশ গিয়েছে পিটিআইয়ের (PTI Banned In Pakistan) ফেভারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

LinkedIn
Share