Tag: news in bengali

news in bengali

  • Indian Coast Guard: আন্দামান জলসীমায় বিরাট সাফল্য উপকূলরক্ষী বাহিনীর, উদ্ধার ৫ হাজার কেজি মাদক

    Indian Coast Guard: আন্দামান জলসীমায় বিরাট সাফল্য উপকূলরক্ষী বাহিনীর, উদ্ধার ৫ হাজার কেজি মাদক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাদক চোরাচালান রুখতে ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনীর (Indian Coast Guard) বড়সড় সাফল্য। আন্দামান সমুদ্র (Andaman water) সীমায় ৫ টন বা ৫ হাজার কিলোগ্রাম মাদক আটক করেছে উপকূলরক্ষী বাহিনী। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফ থেকে বলা হয়েছে, একটি মাছ ভর্তি নৌকায় করে এই মাদক পাচারের চক্র ফাঁদা হয়েছিল। অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়েছে। ইতিমধ্যে এই সাফল্যে বিরাট চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    চোরাকারবারকে আটক করতে সক্ষম (Indian Coast Guard)

    ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনীর তরফে বলা হয়েছে, “এই বিশেষ অভিযানে আন্দামান জলসীমার (Andaman water) কাছ থেকে একটি মাছ ধরার নৌকায় প্রায় ৫ টনের বেশি একটি বিরাট চোরাকারবারকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, এদিনেি এই অভিযান ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনীর (Indian Coast Guard) ইতিহাসে সম্ভবত সবচেয়ে বড় মাদক উদ্ধারের ঘটনা। ঘটনার সম্পূর্ণ তদন্ত করতে ইতিমধ্যে তল্লাশি চলাচ্ছে বাহিনী। সন্দেহজনক নানা সূত্র ধরে সবরকম তল্লাশি শুরু করেছে তদন্তকারী অফিসাররা।”

    আরও পড়ুনঃ ‘‘এঁরাই সংসদে হাঙ্গামা বাধাচ্ছেন’’, অধিবেশন শুরুর আগে তোপ মোদির, নিশানায় কারা?

    ৭০০ কিলোগ্রাম মেথামফেটামিন বাজেয়াপ্ত হয়েছিল

    সমুদ্রপথে (Andaman water) মাদক দ্রব্যপাচারের সঙ্গে যুক্ত একাধিক এজেন্সিগুলির চোরাচালানে এইবারের অভিযানে বিরাট ধাক্কা খেয়েছে বলে মনে করছেন নিরাপত্তা এবং সুরক্ষা বিশেজ্ঞরা (Indian Coast Guard)। উল্লেখ্য এই মাসের শুরুর দিকে একটি বিশাল মাদকদ্রব্য পাচাররোধের অভিযান চালিয়েছিল নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো। সেই সময় এই অভিযানে ৭০০ কিলোগ্রাম মেথামফেটামিন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। মূলত গুজরাট উপকূল থেকে ভারতীয় আঞ্চলিক জলসীমা বরাবার এলাকা থেকে ৮ জন ইরানি নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়েছিল। সাগর মন্থন-৪ কোডনামে হওয়া ওই অভিযানে গোয়েন্দাদের গোপন তথ্যের উপর নির্ভর করে চালানো হয়েছিল। একই ভাবে এনসিবি একটি বিবৃতি দিয়ে স্পষ্ট ভাবে জানিয়েছে, এই জাহাজগুলিকে এখন থেকে সমুদ্রে বিশেষ নজরদারিতে রাখার নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে সন্দেহজনক জাহাজগুলিকে এখন থেকে জিজ্ঞাসাবাদ এবং তল্লাশি করা হবে।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • World War III: “অফিসিয়ালি শুরু হয়ে গিয়েছে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ”, দাবি ইউক্রেনের প্রাক্তন কমান্ডারের

    World War III: “অফিসিয়ালি শুরু হয়ে গিয়েছে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ”, দাবি ইউক্রেনের প্রাক্তন কমান্ডারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “অফিসিয়ালি শুরু হয়ে গিয়েছে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ (World War III)!” অন্তত এমনই দাবি ইউক্রেনের (Ukraine) প্রাক্তন কমান্ডার ভ্যালেরি জালুঝনির। তাঁর মতে, রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি ইউক্রেন যুদ্ধের সঙ্গে জড়িত হয়ে যাওয়াই এর প্রমাণ।

    সীমান্তের বেড়া ছাড়িয়ে গিয়েছে উত্তেজনা (World War III)

    তিনি বলেন, “বর্তমানে উত্তেজনা সীমান্তের বেড়া ছাড়িয়ে গিয়েছে। এতে উত্তর কোরিয়া, ইরান এবং চিনের মতো বৈশ্বিক খেলোয়াড়রা যুক্ত হয়েছে।” জালুঝনি বলেন, “আমি বিশ্বাস করি যে ২০২৪ সালে আমরা পুরোপুরি বিশ্বাস করতে পারি যে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ (World War III) শুরু হয়ে গিয়েছে। উত্তর কোরিয়ার সৈন্যদের অংশগ্রহণ, সাধারণ মানুষকে ইচ্ছাকৃতভাবে লক্ষ্যবস্তু করার জন্য ব্যবহৃত ইরানি ড্রোন এবং সংঘাতে উত্তর কোরিয়া ও চিনের অস্ত্র সরবরাহের মতো বিষয়গুলো এই যুদ্ধের বৃহত্তর আন্তর্জাতিক পরিসরের স্পষ্ট ইঙ্গিত।” ইউক্রেনের প্রাক্তন এই সেনা আধিকারিক বলেন, “২০২৪ সালে, ইউক্রেন আর রাশিয়ার মুখোমুখি নয়। উত্তর কোরিয়ার সৈন্যরা এখন ইউক্রেনের সামনে দাঁড়িয়ে আছে।” তিনি বলেন, “ইতিমধ্যেই ইরানের ‘শাহেদি’ ড্রোন প্রকাশ্যে ইউক্রেনে সাধারণ মানুষকে হত্যা করছে। এদের কোনও লজ্জা নেই।”

    আরও পড়ুন: যোগীরাজ্যে ৬৫ শতাংশ মুসলিম অধ্যুষিত আসনে লক্ষাধিক ভোটে জয়ী বিজেপির হিন্দু প্রার্থী

    বৈশ্বিক সংঘাত

    বৃহস্পতিবারই রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছিলেন, “ইউক্রেন যুদ্ধ  একটি বৈশ্বিক সংঘাতের (World War III) দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।” আমেরিকা ও ব্রিটেনের কাছ থেকে পাওয়া অস্ত্র দিয়ে ইউক্রেনের হামলার পরেই পশ্চিমি বিশ্বকে সতর্ক করেছে রাশিয়া। বর্তমানে ইউক্রেনের দূত হিসেবে ব্রিটেনে দায়িত্ব পালন করছেন জালুঝনি। তাঁর দাবি, রাশিয়ার বন্ধু দেশগুলির যুদ্ধে সরাসরি জড়িয়ে পড়ার কারণেই যুদ্ধের পরিধি বেড়ে গিয়েছে। জালুঝনি বলেন, “উত্তর কোরিয়ার সৈন্যরা ইউক্রেনের সামনে দাঁড়িয়ে রয়েছে।”

    ইউক্রেনের বিরুদ্ধে ইরানি ড্রোন ও অন্যান্য উন্নত অস্ত্র ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও খবর। উত্তর কোরিয়ার সেনার পাশাপাশি অস্ত্র পাঠিয়ে চিনও সংঘাতে সরাসরি যুক্ত হয়ে পড়েছে বলেও মনে করে জালুঝনি। তিনি বলেন, “ইউক্রেনের ভূখণ্ডে এখনই এই সংঘর্ষ বন্ধ করা সম্ভব। কিন্তু কিছু কারণে আমাদের অংশীদাররা এটি বুঝতে চায় না। এ থেকে একটা বিষয় স্পষ্ট যে, ইউক্রেনের (Ukraine) মধ্যেই অনেক শত্রু রয়েছে (World War III)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     
     
  • PM Modi: ‘‘এঁরাই সংসদে হাঙ্গামা বাধাচ্ছেন’’, অধিবেশন শুরুর আগে তোপ মোদির, নিশানায় কারা?

    PM Modi: ‘‘এঁরাই সংসদে হাঙ্গামা বাধাচ্ছেন’’, অধিবেশন শুরুর আগে তোপ মোদির, নিশানায় কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার লোকসভার শীতকালীন অধিবেশন শুরুর আগে বিরোধী দলগুলিকে একহাত নিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি বলেন, ‘‘সংসদে সাংসদদের বলার অধিকার কেড়ে নিচ্ছেন কয়েক জন। এঁরাই সংসদে হাঙ্গামা বাধাচ্ছেন (Parliament Winter Session)। ফলে বলার সুযোগ পাচ্ছেন না নতুন সাংসদরা। সংসদের নিয়ন্ত্রণ এই সাংসদরা হাতে নেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন।’’

    মানুষ তাঁদের (বিরোধীদের) বার বার প্রত্যাখ্যান করছেন (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) আরও বলেন, ‘‘সংসদে জনগণের স্বার্থে কিছু বলেন না বিরোধীরা। মানুষ তাদের (বিরোধীদের) বার বার প্রত্যাখ্যান করছেন। গণতন্ত্রের শর্তই হল আমরা মানুষের সিদ্ধান্তকে সম্মান জানাব এবং তাদের প্রত্যাশা পূরণের জন্য দিনরাত কঠোর পরিশ্রম করব।” প্রধানমন্ত্রী মোদির মতে, “বিরোধী সাংসদদের কেউ কেউ সংসদে দায়িত্বশীল আচরণ করেন। তাঁরা চান সংসদের কাজ মসৃণভাবে পরিচালিত হোক। কিন্তু যাঁরা মানুষের দ্বারা বার বার প্রত্যাখ্যাত, তারা সঙ্গীদের বক্তব্যও উপেক্ষা করে।’’ কেন্দ্রীয় সরকার সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত চলতি লোকসভার অধিবেশনে ১৫টি বিল আনা হতে পারে এবং তার মধ্যে উল্লেখযোগ্যভাবে রয়েছে ওয়াকফ আইন সংশোধনী বিল।

    বিশ্ববাসী তাকিয়ে ভারতের দিকে

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, ‘‘বিশ্ব আজ অনেক আশা নিয়ে ভারতের দিকে তাকিয়ে। ভারতের প্রতি যে সম্মান বেড়েছে, গুরুত্ব বেড়েছে, তা আরও বাড়ানোর জন্য সেই অনুরূপ আচরণ করা উচিত। বিশ্বের কাছে এই বার্তা যাওয়া উচিত যে জনগণের ভাবনার গুরুত্ব দেওয়া হয় সংসদে। যা সময় নষ্ট হয়েছে, তা নিয়ে অনুতাপ করে, আরও ভালোভাবে সমস্ত বিষয় নিয়ে সংসদে তুলে ধরি এবং আলোচনা করি। আগামী প্রজন্ম এর থেকে অনুপ্রেরণা নেবে।’’

    প্রসঙ্গ হরিয়ানা ও মারাঠাভূমে বিরাট জয়

    হরিয়ানা ও মারাঠাভূমে বিরাট জয়ের কথাও উঠে আসে এদিন প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যে। তিনি (PM Modi) বলেন, ‘‘২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের পর কয়েকটি রাজ্যে নির্বাচন হয়েছে। রাজ্যগুলি আরও শক্তি দিয়েছে, সমর্থন জানিয়েছে। আমরা জনতা-জনাদর্নের আশা-আকাঙ্খাকে পূরণ করার জন্য পরিশ্রম করি। আমি বারবার বিরোধীদের অনুরোধ করেছি। কিছু বিরোধীরা শালীন আচরণ করেন, তাদেরও ইচ্ছা যে সংসদে কাজ হোক। কিন্তু কয়েকজন তাদের সঙ্গীদের কথাও শোনে না। আশা করি, সকল দলের নতুন সাংসদদের সুযোগ দেওয়া হবে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: যোগীরাজ্যে ৬৫ শতাংশ মুসলিম অধ্যুষিত আসনে লক্ষাধিক ভোটে জয়ী বিজেপির হিন্দু প্রার্থী

    BJP: যোগীরাজ্যে ৬৫ শতাংশ মুসলিম অধ্যুষিত আসনে লক্ষাধিক ভোটে জয়ী বিজেপির হিন্দু প্রার্থী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সদ্য সমাপ্ত উপ নির্বাচনে উত্তরপ্রদেশের কুন্দারকি বিধানসভা আসনে বিজেপির জয় এক নয়া নজির তৈরি করেছে। এই কেন্দ্র থেকে জয়লাভ করেছেন বিজেপির (BJP) রামবীর সিং ঠাকুর (Ramveer Singh)। তিনি পরাস্ত করেছেন ১১ জন প্রতিদ্বন্দ্বীকে, যাঁরা প্রত্যেকেই মুসলমান। সবচেয়ে বড় কথা কুন্দারকি কেন্দ্রে ৬৫ শতাংশ ভোটারই হলেন মুসলমান। এই কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী রামবীর সিং ঠাকুর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীকে পরাস্ত করেছেন ১ লাখের থেকেও বেশি ভোটে। প্রসঙ্গত, এখানে বিজেপির (BJP) মোকাবিলায় অখিলেশ যাদবের দল প্রার্থী করে হাজি রিজওয়ানকে, যিনি একজন তুর্কি মুসলমান বলে পরিচিত। এর পাশাপাশি তিনি বর্তমানে সাংসদও রয়েছেন।

    ভোটে হারতেই ইভিএমে কারচুপির অভিযোগ অখিলেশের দলের 

    ভোটে হারতেই প্রতিবারের মতো এবারও অখিলেশ যাদবের দল ইভিএমে কারচুপির অভিযোগ করেছে। কিন্তু স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রামবীর সিং ঠাকুরের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স এবং একেবারে মাটির সঙ্গে যোগাযোগই তাঁকে এমন সাফল্য এনে দিয়েছে। কুন্দারকি কেন্দ্রে  বিজেপি (BJP) প্রার্থীর এই জয় ইতিমধ্যে গোটা উত্তরপ্রদেশে আলোচনার বিষয়বস্তু হয়ে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে, হাজি রিজওয়ানকে নিয়ে মুসলিম জনগোষ্ঠীর বড় অংশের একাধিক আপত্তির কারণও ছিল।

    রামবীর সিংয়ের ব্যক্তিগত ইমেজ (BJP)

    হাজি রিজওয়ানের পরাজয়ের অন্যতম কারণ হল, তিনি ভোটের মাঝেই বিতর্কিত দাবি করেন যে, নির্বাচন বন্ধ করতে হবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে এমন আজব দাবির কারণেই রামবীর সিং ঠাকুর (Ramveer Singh) অনেকটাই এগিয়ে যান। এমন দাবিকে সমর্থন করতে পারেনি মুসলিম জনগোষ্ঠীর বড় অংশ। অন্যদিকে, সেখানকার স্থানীয় মুসলিমদের রামবীর সিংকে বেছে নেওয়ার অন্যতম কারণ হল, তাঁর ব্যক্তিগত ইমেজ। তাঁকে স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়র নেতারাও খুব ভরসা করেন। ঠিক এই কারণেই রামবীর সিংয়ের আশ্বাসগুলিকে মেনে নেন সংখ্যালঘু সম্প্রদায় মানুষজন। উপনির্বাচনে তাই আসে বিপুল জয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Atul Limaye: আরএসএস প্রচারক অতুল লিমায়ে, পর্দার আড়ালে মহারাষ্ট্র জয়ের কারিগর

    Atul Limaye: আরএসএস প্রচারক অতুল লিমায়ে, পর্দার আড়ালে মহারাষ্ট্র জয়ের কারিগর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রে বিপুল জয় পেয়েছে বিজেপি। পরপর তিনবার বিজেপির নেতৃত্বে এনডিএ সরকার গঠিত হতে চলেছে সেখানে। এই জয়ের অন্যতম কারিগর হিসেবে উঠে আসছে ৫৪ বছর বয়সি এক ইঞ্জিনিয়ারের নাম। তিনি রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের প্রচারক অতুল লিমায়ে। আদতে নাসিকের বাসিন্দা অতুল লিমায়ে (Atul Limaye) রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘে যোগদান করেন তিন দশক আগেই। প্রচারক হিসেবে যোগদান করার পর আরএসএসের বিভিন্ন দায়িত্ব তিনি সামলেছেন তিনি। জানা যায়, তাঁর আগে এক বহুজাতিক সংস্থায় তিনি কাজ করতেন। এরপরেই ধীরে ধীরে সংগঠনের ওপরে উঠতে থাকেন তিনি। দায়িত্ব পান পশ্চিম মহারাষ্ট্রের প্রান্ত প্রচারকের। এরপর মহারাষ্ট্র, গুজরাট ও গোয়া প্রান্ত নিয়ে গঠিত রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের পশ্চিম ক্ষেত্রের ক্ষেত্রের ক্ষেত্রীয় প্রচারকের দায়িত্ব সামলান তিনি। জানা যায়, সংগঠনের শ্রী বৃদ্ধি করতে বিভিন্ন থিঙ্ক ট্যাঙ্কদের কাজে লাগাতে শুরু করেন তিনি। চালান সমীক্ষা। তাঁর তৈরি গবেষকদের দল মুসলিম ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মধ্যেও কাজ শুরু করে।

    শিবশক্তি সঙ্গমের সূচনা (Atul Limaye)

    ২০১৭ সালের মারাঠা সংরক্ষণ আন্দোলন এবং ২০১৮ সালের ছদ্ম মাওবাদী ইস্যু- এই দুটির মোকাবিলাতে তাঁর তৈরি ন্যারেটিভ দারুণ কাজে দেয় বলে খবর। একই সঙ্গে অতুল লিমায়ের রয়েছে ভূমিস্তরেও যোগাযোগ। হিন্দুভোটকে সংগঠিত করতে ২০১৬-১৭ সালে ছত্রপতি শিবাজী মহারাজকে স্মরণ করতে শিবশক্তি উৎসবের সূচনা করেন তিনি। মহারাষ্ট্রে ষাট হাজারেরও বেশি রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) স্বয়ং সেবকরা এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বলে জানা যায়। শিবশক্তির সঙ্গমের মধ্যে দিয়ে হিন্দু জাতীয়তাবোধের ব্যাপক জাগরণ শুরু হয়।

    ‘সজাগ রহো’ কর্মসূচি (Atul Limaye)

    প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ ‘সজাগ রহো’ কর্মসূচি গ্রহণ করে। অর্থাৎ সতর্ক থাকুন। এটিও আদতে ছিল অতুল লিমায়ের (Atul Limaye) মস্তিস্ক প্রসূত। কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রত্যেক স্বয়ংসেবক রাজ্যের প্রতিটি বাড়িতে পৌঁছে যান। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) স্বয়ংসেবকরা সেখানকার তেলি, মালি, সুতার, বানজারা প্রভৃতি সম্প্রদায়ের মধ্যে পৌঁছে যান। যার ফল মিলল ভোটে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Maharashtra: উদ্ধব বা রাজ নয়! বালাসাহেবের রাজনৈতিক ‘উত্তরাধিকার’ রইল শিন্ডের হাতে

    Maharashtra: উদ্ধব বা রাজ নয়! বালাসাহেবের রাজনৈতিক ‘উত্তরাধিকার’ রইল শিন্ডের হাতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত বালাসাহেব ঠাকরের ‘উত্তরাধিকার’ রইল না ঠাকরে পরিবারের হাতে। ২০২৪ সালের বিধানসভা ভোটের ফলাফল স্পষ্ট করে দিল গুরু বালাসাহের ‘রাজনৈতিক উত্তরসূরি’ এখন একনাথ শিন্ডে। মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) মুখ্যমন্ত্রিত্ব, অবিভক্ত শিবসেনার নির্বাচনী প্রতীক ‘তির-ধনুক’ থেকে নাম সবটাই ঠাকরে পরিবারের হাত থেকে নিয়ে নিয়েছিলেন একনাথ শিন্ডে। এবার মারাঠি ভোটব্যাঙ্কও গেল শিন্ডের কাছেই। ২৮৮ আসনের মহারাষ্ট্র বিধানসভায় বিজেপির নেতৃত্বাধীন জোট এনডিএ-র সহযোগী হিসাবে ৮১টি আসনে লড়ে ৫৬টিতে জিততে চলছে শিন্ডেসেনা। তাদের ঝুলিতে গিয়েছে প্রায় ১৩ শতাংশ ভোট। অন্য দিকে, কংগ্রেসের সহযোগী উদ্ধবসেনা ২০-র বেশি আসনে জিততে পারেনি। অন্যদিকে রাজ ঠাকরের দল একটিও আসন পায়নি। বালাসাহেবের ব্যাটন তাই এখন শিন্ডের হাতে বলাই যায়।

    পরাস্ত উদ্ধব ঘনিষ্ঠরা

    উদ্ধব-পুত্র আদিত্য জিতেছেন মুম্বইয়ের ওরলিতে এবং তাঁর তুতো তাই বরুণ সরদেশাই বান্দ্রা পূর্ব আসনে জিতেছেন। তবে বাদবাকি সব হেভিওয়েটই ধরাশায়ী হয়েছেন মারাঠাভূমে (Maharashtra)। রাজন বিচারে, সুনীল প্রভুর মতো ঠাকরে পরিবারের বিশ্বস্ত সহযোগীরা হেরেছেন। শিন্ডে নিজে ঠাণে জেলায় তাঁর আসন কোপরি-পাচপাখাড়িতে হারিয়েছেন নিজের রাজনৈতিক গুরু প্রয়াত আনন্দ দিঘের ভাইপো কেদারকে। দীপক কেশরকর (সাওয়ন্তওয়াড়ি), উদয় সাওয়ন্ত (রত্নগিরি), সঞ্জয় রাঠৌরের (দিগরস) মতো একনাথ শিন্ডের ঘনিষ্ঠেরাও জিতেছেন। কংগ্রেস ছেড়ে আসা সঞ্জয় নিরুপম জিতেছেন দিন্দোসি কেন্দ্র থেকে।

    শিন্ডের উত্থানকাহিনি (Maharashtra)

    মহারাষ্ট্রে ২০১৯ সালে শেষ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ও অবিভক্ত শিবসেনা জোট করেই লড়েছিল। শিবসেনা-বিজেপি জোট ভাঙে ভোটের পরে। বিজেপির সঙ্গ ছেড়ে ভিন্ন মতাদর্শের শরদ পাওয়ারের এনসিপি এবং কংগ্রেসের সঙ্গে হাত মেলান উদ্ধব। এরপর এনসিপি বিধায়ক এবং শরদ পাওয়ারের ভাইপো অজিত পওয়ারের সমর্থনে মুখ্যমন্ত্রী হন বিজেপির দেবেন্দ্র ফড়ণবীস। তবে সরকার পড়ে যায় দুদিন পরেই। এর পরে শিবসেনা, এনসিপি এবং কংগ্রেসের জোট সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হন উদ্ধব ঠাকরে। শিন্ডে হন (Eknath Shinde) নগরোন্নয়ন ও পূর্ত দফতরের মন্ত্রী।

    শিন্ডে কীভাবে হলেন মুখ্যমন্ত্রী?

    ২০২২ সালের ২০ জুন একদল শিবসেনা বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে নিখোঁজ হন শিন্ডে। গুজরাত-অসম-গোয়ায় তিনি বিক্ষুব্ধ বিধায়কদের নিয়ে ঘুরতে থাকেন। বোঝা যায়, শিবসেনার (Maharashtra) অধিকাংশ বিধায়কই শিন্ডের সঙ্গে রয়েছেন। এরপরে নিরুপায় উদ্ধব ঠাকরে ইস্তফা দেন। ৩০ জুন বিজেপিকে সঙ্গে নিয়ে নতুন সরকার গড়েন শিন্ডে। উপমুখ্যমন্ত্রী হন বিজেপির ফডণবীস। এর পরে ২০২৩ সালের জুলাই মাসে এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ারের ভাইপো অজিতও কাকার দলের অধিকাংশ বিধায়ককে নিয়ে এনডিএ-তে শামিল হন। পান উপমুখ্যমন্ত্রী পদ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Jyotiraditya Scindia: ২০২৭ সালের মধ্যেই ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশে উন্নীত হবে, বললেন জ্যোতিরাদিত্য

    Jyotiraditya Scindia: ২০২৭ সালের মধ্যেই ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশে উন্নীত হবে, বললেন জ্যোতিরাদিত্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বে ২০২৭ সালের মধ্যেই ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির (Largest Economy) দেশে উন্নীত হবে। ভারত ও জার্মানি-দুই দেশের বন্ধনকে আরও নিবিড় করতে স্টুটগার্ট শহরে আয়োজিত হয়ে হয়েছিল বিশেষ অনুষ্ঠান। এই অনুষ্ঠানের প্রথম দিনে ভারত-জার্মানির দৃঢ় বন্ধনের কথা তুলে ধরেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া (Jyotiraditya Scindia)।

    ঠিক কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (Largest Economy)?

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া (Jyotiraditya Scindia) এদিন মোদি সরকারের কাজের কথা তুলে ধরে বলেন, “গত দশ বছরে এক বিরাট পরিবর্তন (Largest Economy) এসেছে দেশ জুড়ে। ভারত এক অদ্ভূত পরিবর্তনের দিকে এগিয়ে গিয়েছে। গোটা বিশ্ব এখন সেই স্বীকৃতি দিতে বাধ্য হয়েছে। এই রূপান্তর ভারতের চাহিদার অন্যতম কারণ হিসেবে বলা যায়। মোদির নির্দেশনায় ভারত এক নতুন উচ্চতা শিখরে পৌঁছে গিয়েছে। দেশ যে কেবল নিজের পরিবর্তনের জন্য এগিয়ে গিয়েছে তা নয়, উন্নয়নের নিরিখে ১৮০ ডিগ্রি রূপান্তর ঘটেছে ভারতের। উন্নয়ন কেবলমাত্র সংখ্যাতত্ত্বের বিচার নয়। আদতে লক্ষ্য এমন হওয়া উচিত যেখানে প্রকল্প, সুবিধা, পরিষেবাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। দেশকে দিশা দেখাতে এই ভাবনার একান্ত প্রয়োজন।”

    আর কি বললেন?

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া (Jyotiraditya Scindia) আরও বলেন, “গত ১০ বছরে আমরা ১০ মিলিয়ন বাড়ি তৈরি করেছি। একই সময়ে সারা দেশে ১২০ মিলিয়নেরও বেশি শৌচালয় তৈরি করা হয়েছে, এই উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলোকে একটি ডিজিটাল সিস্টেমে স্থানান্তরিত করাও হয়েছে। আজ ভারতীয় কোম্পানি, ভারতের নামীদামি বহুজাতিক সংস্থাগুলো নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আর তার ফল চেইন সিস্টেমে বিস্তৃত হচ্ছে দেশে। দেশের বাজার এবং বহিঃদেশীয় বাজারে বিরাট প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে ভারত। খুব দ্রুত চতুর্থ অর্থনীতির (Largest Economy) দেশে পরিণত হবে ভারত এবং আগামী ২০২৭ সালের মধ্যে বিশ্বের তৃতীয় অর্থনীতির দেশে পরিণত হবে।”

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebook, TwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Vastu Shastra: বাস্তুমতে বাড়ির কোনদিকে করা উচিত শৌচাগার?

    Vastu Shastra: বাস্তুমতে বাড়ির কোনদিকে করা উচিত শৌচাগার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাড়ি তৈরির সময় বাস্তু মেনেই অনেকে তৈরি করেন রান্নাঘর, ঠাকুরঘর, পড়াশোনার কক্ষ বা শয়নকক্ষ ইত্যাদি। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, বাস্তুর নিয়ম অনুযায়ী সঠিক স্থানে শৌচালয় (Toilet) তৈরি করাও জরুরি। শৌচালয়ের কোমোড কোন দিকে রাখবেন! সেটাও তৈরি করা উচিত বাস্তুর নিয়ম মেনে। বাস্তুশাস্ত্রবিদরা (Vastu Shastra) জানাচ্ছেন, ভুল দিকে নির্মিত শৌচালয় আর্থিক লোকসান, স্বাস্থ্য সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। কী ভাবে ও কোন দিকে শৌচালয় তৈরি করবেন, সেনিয়েই আজকে আমাদের প্রতিবেদনে আলোচনা করব।

    উত্তর-পশ্চিম দিকে করা উচিত শৌচালয় (Vastu Shastra)

    বাস্তু অনুযায়ী, বাড়ির উত্তর-পশ্চিম বা উত্তর দিকে ডাস্টবিন রাখা উচিত। তাই এই দিকেই শৌচালয় তৈরি করতে বলছেন বাস্তুবিদরা। এর ফলে পরিবারে নেতিবাচক শক্তি ধ্বংস হবে এবং শুভ শক্তি বিস্তার লাভ করবে।

    কোন দিকে শৌচালয় বানাবেন না?

    বাস্তুবিদরা (Vastu Shastra) জানাচ্ছেন, পূর্ব অথবা উত্তর পূর্ব দিকে ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক কাজ করা হয়ে থাকে। তাই বাড়ির এই অংশে কখনও শৌচালয় তৈরি করতে নেই। মনে করা হয়, এর ফলে পারিবারিক সুখ-সমৃদ্ধিতে ব্যাপক প্রতিকূল প্রভাব পড়ে। পরিবারের সদস্যদেরও সুখ-সৌভাগ্য প্রভাবিত হয়।

    কোথায় রাখবেন কোমোড?

    শৌচালয়ের (Toilet) মধ্যে কোমোড কোথায় রাখবেন? এনিয়ে বাস্তুশাস্ত্রবিদরা জানাচ্ছেন, কোমোড সব সময় এমন দিকে রাখা উচিত, যাতে তা ব্যবহারের সময় ব্যক্তির মুখ বাড়ির উত্তর বা দক্ষিণ দিকে থাকে। এর ফলে পরিবারের সদস্যদের স্বাস্থ্য ভালো থাকে।

    বাড়ির মাঝখানে শৌচালয়ে বানাবেন না

    বাড়ির কেন্দ্র স্থানে অধিক শক্তি বিদ্যমান থাকে বলে মনে করা হয় বাস্তুশাস্ত্রে। একে ব্রহ্মস্থানও বলা হয়। বাস্তুশাস্ত্রবিদরা তাই বাড়ির মধ্য অংশে শৌচালয় বানাতে নিষেধ করছেন। এর ফলে পরিবার ও পরিবারের সদস্যদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে বলে মনে করা হয়। শুধু বাড়িই নয়, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানেও এমন করতে নেই।

    বাথরুমের দরজা কী দিয়ে তৈরি করবেন?

    বাস্তুবিদরা জানাচ্ছেন, শৌচালয়ের দরজা কোনও ধাতু দিয়ে তৈরি হলে, সেখান থেকে নেতিবাচক শক্তি বৈঠকখানায় এসে পৌঁছয়, যা ইতিবাচক শক্তির ওপর প্রভাব বিস্তার করে। তাই নিজের বাথরুমে কাঠের দরজা লাগাতেই পরামর্শ দিচ্ছেন বাস্তুবিদরা। এর ফলে শৌচালয় থেকে নির্গত নেতিবাচক শক্তির প্রভাব অনেকখানি কম করা যাবে। পূর্ব দিক ধর্মীয় অনুষ্ঠানের জন্য শুভ মনে করা হয়। তাই বাথরুমের মুখোমুখি ঠাকুরঘর বানাতে নিষেধ করছেন বাস্তুবিদরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Bihar by poll: বিহারের উপনির্বাচনে ভোটকুশলী পিকের কৌশলই ব্যর্থ! চার আসনেই ক্লিন বোল্ড

    Bihar by poll: বিহারের উপনির্বাচনে ভোটকুশলী পিকের কৌশলই ব্যর্থ! চার আসনেই ক্লিন বোল্ড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহারে (Bihar by poll) ভোটকুশলী পিকের (Prashant Kishor) কৌশল খাটল না। চার আসনে লড়ে চারটি আসনেই জামানত জব্দ তাঁর নতুন দলের। বিহারের ইমামগঞ্জে জিতেন্দ্র পাসোয়ান, বেলাগঞ্জে মহম্মদ আমজাদ, রামগড়ে সুশীলকুমার সিং-কে প্রার্থী করেছিল ‘জন সুরাজ’। তাহলে কি ভোট কারবারির কোনও কৌশল খাটল না? প্রথম ম্যাচেই ফেল?

    নিতীশকে চ্যালেঞ্জ (Bihar by poll)!

    গত ২ অক্টোবর পিকের জন সুরাজ দলের আত্মপ্রকাশ হয়েছিল বিহারে (Bihar by poll)। ওই দিন তিনি দাবি করেছিলেন জন সুরাজ ভোটের ময়দানে নামলে নীতীশ কুমারের জনতা দল ইউনাইটেড বা জেডিইউ ২০টির বেশি আসন পাবে না। প্রশান্ত কিশোর (Prashant Kishor) অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী ছিলেন। তিনি এটাও বলেছিলেন, অন্যকে জেতাতে পারা গেলেও নিজে জেতাটা খুব মুশকিল। এখন উপনির্বাচনের ফলাফলের পর দেখা গিয়েছে চারটি কেন্দ্রে ফলাফল ঘোষণার পর অত্যন্ত খারাপ ভাবে হারের শিকার হয়েছেন পিকে। একটি আসনেও দ্বিতীয়স্থানে আসতে পারেননি।

    প্রথম ম্যাচে পিকে ক্লিন বোল্ড

    বিহারের (Bihar by poll) বেলাগঞ্জে মহম্মদ আজাদ পেয়েছেন ১৭,২৮৫ ভোট। এই আসনে জয়ী জেডিইউ প্রার্থী মনোরমা দেবী পেয়েছেন ৭৩,৩৩৪ ভোট। ইমামগঞ্জে জিতেন্দ্রকে প্রার্থী করেছিলেন প্রশান্ত। তিনি ৩৭,১০৩ ভোট পেয়ে তৃতীয় হয়েছেন। এই আসনে জয়ী হয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতনরাম মাঝির পুত্রবধূ দীপা মাঝি। তিনি ভোট পেয়েছেন ৫৩,৪৩৫। রামগড়ে জন সুরাজের সুশীলকুমার ৬,৫১৩ ভোট পেয়ে চতুর্থ হয়েছেন। বিজেপির অশোককুমার সিংহ ৬২,২৫৭ ভোট পেয়েছেন এই আসনে। আবার তারারি আসনে জন সুরাজের কিরণ পেয়েছেন ৫,৫৯২ ভোট। এই আসনে বিজেপির বিশাল প্রশান্ত ৭৮,৫৬৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। ফলে প্রথম ম্যাচে পিকে ক্লিন বোল্ড।

    টাকা নিয়ে কৌশল দিয়েছেন

    প্রশান্ত কিশোর ১০ দশ বছর ধরে একাধিক রাজ্যের একাধিক রাজনৈতিক দলের ভোট জয়ের নানা কৌশল দিয়েছেন টাকার বিনিময়ে। গত দুই বছর ধরে বিহারে (Bihar by poll) নানা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন তিনি। ২০২২ সালের গান্ধী জন্ম জয়ন্তী থেকে শুরু হয়েছিল জন সুরাজের প্রাথমিক পর্যায়ের যাত্রা। রাজনৈতিক কুশলীরা যে এভাবে পরাজিত হতে পারেন সেই দৃষ্টান্ত এই উপনির্বাচনে আরও একবার প্রমাণিত হল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Uttar Pradesh: সম্ভলের শাহী জামা মসজিদ জরিপের কাজে বাধা, ইট-পাথর বর্ষণ দুষ্কৃতীদের

    Uttar Pradesh: সম্ভলের শাহী জামা মসজিদ জরিপের কাজে বাধা, ইট-পাথর বর্ষণ দুষ্কৃতীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) সম্ভ্লের শাহী জামা মসজিদ জরিপ করতে গেলে ব্যাপক ভাবে পাথর বর্ষণ করল মুসলিম (Muslim) সম্প্রদায়ের একাংশ। শান্তিপূর্ণ ভাবে এই জরিপের কাজে গেলে সরকারি আধিকারিকদের উপর আচমকা হামলা করে দুষ্কৃতীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নামানো হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। কাঁদানে গ্যাসের শেলও ফাটানো হয়। পুলিশ জানিয়েছে “সরকারি কাজে বাধা এবং সরকারি কর্মীদের ব্যাপক ভাবে আঘাত করা হয়।”

    পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে (Uttar Pradesh)

    সম্ভলে (Uttar Pradesh) মজসিদের জমি নিয়ে বিবাদ দেখা দিলে সরকার পক্ষ  সম্পূর্ণ মসজিদকে জরিপ করতে যায়। উত্তরপ্রদেশ পুলিশের ডিজিপি প্রশান্ত কুমার বলেছেন, “পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে। আদালতের নির্দেশে সম্বলে একটি মসজিদে সমীক্ষা চলছিল। কিন্তু স্থানীয় মুসলমান সম্প্রদায়ের বেশ কিছু দুষ্কৃতী কাজে বাধা দেয় এবং লাগাতার পাথর-ইট বর্ষণ শুরু করে। যারা এই কাজের নেতৃত্ব দিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে সরকার অবিলম্বে ব্যবস্থা গ্রহণের কাজ শুরু করেছে। বেশ কিছু সরকারি কর্মী ঘটনায় মারাত্মক আহত হয়েছেন। তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।”

    মসজিদ পূর্বে মন্দির ছিল!

    এই প্রসঙ্গে সিনিয়র আইনজীবী বিষ্ণু শঙ্কর জৈনের দায়ের করা একটি পিটিশনে দেখা গিয়েছে এই সমীক্ষা একটি আইনি প্রক্রিয়ার অংশ ছিল। মসজিদ মূলত পূর্বে মন্দির (Uttar Pradesh) ছিল। মন্দির ভেঙে সেই জায়গায় মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে। যদিও গত ১৯ নভেম্বরে স্থানীয় পুলিশ, মসজিদ (Muslim) কমিটির সহযোগে জরিপের কাজে তদারকি শুরু হয়েছিল। যদিও স্থানীয় মানুষের কাছে কোনও রকমের কাজে বাধা এবং কোনও রকম প্ররোচনা থেকে দূরে থাকার আবেদন করা হয়েছিল। কিন্তু তারপরেও রবিবার সকালে দুষ্কৃতীরা আক্রমণ করে। এলাকার শান্তিশৃঙ্খলাকে বিঘ্নিত করে। ইতিমধ্যেই অভিযুক্তদের (Muslim) চিহ্নিত করে ধরপাকড় শুরু করেছে।  

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share