Tag: news in bengali

news in bengali

  • Wayanad: মদ, টাকা বিলিয়ে ওয়েনাড়ের ভোটারদের প্রলোভন! প্রিয়াঙ্কাকে তোপ বিজেপি প্রার্থী নব্যা হরিদাসের

    Wayanad: মদ, টাকা বিলিয়ে ওয়েনাড়ের ভোটারদের প্রলোভন! প্রিয়াঙ্কাকে তোপ বিজেপি প্রার্থী নব্যা হরিদাসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মদ, টাকা বিলিয়ে ওয়েনাড়ের (Wayanad) ভোটারদের প্রলোভন! প্রিয়াঙ্কাকে তোপ বিজেপি প্রার্থী নব্যা হরিদাসের। পাল্টা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কংগ্রেস প্রার্থী। এই ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়ছে দেশ জুড়ে। উল্লেখ্য, কেরলের এই আসনে ২০২৪ সালের ভোটে জয়ী হয়েছিলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। এবার আসনে লড়বেন তাঁর বোন।

    অপর দিকে বিজেপির প্রার্থী নব্যা হরিদাস। তিনি মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার। কেরলের কোঝিকোড পুরসভার ২ বারের কাউন্সিলর ছিলেন। সেই সঙ্গে বিজেপি মহিলা মোর্চার রাজ্য সাধারণ সম্পাদকের পদের দায়িত্বও পালন করেছিলেন।

    কংগ্রেস নির্বাচনে হার বুঝতে পেরে ভয় পেয়ে গিয়েছে (Wayanad)

    মঙ্গলবার এই নির্বাচনকে (Wayanad) ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। বিজেপি প্রার্থী সকাল থেকেই বুথ পরিদর্শন করছিলেন। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “কংগ্রেস ভোটারদের প্রলোভন দিচ্ছে। টাকা, মদ উপহার বিলি করে নির্বাচনকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। আসলে কংগ্রেস নির্বাচনে হার বুঝতে পেরে ভয় পেয়ে গিয়েছে। এখানে এমন একজন জনপ্রতিনিধি প্রয়োজন, যিনি এলাকার মানুষের সঙ্গে থেকে কাজ করবেন, এখানকার স্থানীয় সমস্যার কথা প্রতিদিন শুনবেন এবং সংসদে গিয়ে বক্তব্যকে তুলে ধরতে পারবেন।”

    আরও পড়ুনঃ ফের কেলেঙ্কারি, সরকারি তালিকায় নাম নেই, অথচ রিষড়ার সংস্থা থেকে ৬০ লক্ষ টাকার ওষুধ আরজি করে

    কী বললেন প্রিয়াঙ্কা?

    অন্যদিকে ভোটদানের পর্ব শুরুর আগেই সামজিক মাধ্যমে সকলকে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের কথা জানিয়ে ওয়েনাড়ের (Wayanad) কংগ্রেস প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বলেন, “আমার প্রিয় ভাই-বোনেরা, আপনারা নির্ভয়ে নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করুন। আজ আপনাদের মতপ্রকাশের দিন। নিজেরা নিজেদের পছন্দের প্রার্থীদের বেছে নিন। সংবিধান আপনাদের যে অধিকার দিয়েছে তা প্রয়োগ করুন। চলুন আমরা একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • VHP: ৩০০-র বেশি হিন্দু ও তাঁদের মন্দিরে হামলা গত ২২ মাসে, তালিকা প্রকাশ ভিএইচপি’র

    VHP: ৩০০-র বেশি হিন্দু ও তাঁদের মন্দিরে হামলা গত ২২ মাসে, তালিকা প্রকাশ ভিএইচপি’র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশটা বাংলাদেশ নয়। পাকিস্তানও নয়। দেশের নাম ভারত। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই দেশেই গত ২২ মাসে হিন্দু ও তাঁদের শ’তিনেক উপাসনালয়ে হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ। সেই হামলার অভিযোগের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ।

    তিনশোর বেশি হামলা (VHP)

    এই তালিকায় ৩০০টিরও বেশি ঘটনার উল্লেখ রয়েছে। তারা জানিয়েছে, এই আক্রমণগুলি জানুয়ারি ২০২৩ থেকে ৭ নভেম্বর ২০২৪-এর মধ্যে সংঘটিত হয়েছে। পরিষদের দাবি, এই তালিকা ওই সময়কালের মোট আক্রমণের মাত্র এক-দশমাংশ। তাদের মতে, সমাজের একটি নির্দিষ্ট অংশ লাভ জিহাদ থেকে স্পিট জিহাদ এবং ইউরিন জিহাদে উন্নীত হয়েছে। ভিএইচপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুরেন্দ্র জৈন বলেন, “এই আক্রমণগুলির বর্বরতা ও নিষ্ঠুরতা অমানবিক। আক্রমণের ধরনগুলি মানুষের কল্পনার বাইরে। সারা বিশ্ব ইতিমধ্যেই টেরর জিহাদ, লাভ জিহাদ, ল্যান্ড জিহাদ, জনসংখ্যা জিহাদ নিয়ে উদ্বিগ্ন। এখন অ-মুসলিমদের প্রতি তাদের ঘৃণা স্পিট জিহাদ, ইউরিন জিহাদ, ট্রেন জিহাদ, মাইনর জিহাদ ইত্যাদির মাধ্যমে প্রকাশ পাচ্ছে।”

    ক্ষমতার লোভে কুকাজ!

    তিনি বলেন (VHP), “ক্ষমতার লোভে কিছু ধর্মনিরপেক্ষ দল এই জিহাদিদের উসকে দিচ্ছে। তারা দেশকে গৃহযুদ্ধের দিকে নিয়ে যেতে প্ররোচিত করছে। জিহাদিদের শিক্ষা দেওয়া প্রয়োজন।” জৈন বলেন, “সংবিধান, আইন, বিচার ব্যবস্থা এবং জাতীয় সভ্যতা, সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যের প্রতি সম্মান জানানো প্রত্যেক নাগরিকের জন্য বাধ্যতামূলক।” বিশ্ব হিন্দু পরিষদের এই কর্তা বলেন, “এটি একটি বৈশ্বিক বিষয় হয়ে উঠেছে। হামাসের আক্রমণ হোক বা বাংলাদেশি জিহাদিদের কার্যক্রম, কাশ্মীরে হিন্দুদের গণহত্যা হোক… নিষ্ঠুরতা এবং কামনার নির্মম নৃত্য এগুলিতে স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান… সারা বিশ্বে কোথাও ইসলামফোবিয়া নেই এবং… জিহাদিরাই ‘কাফেরফোবিয়া’য় ভুগছে।”

    আরও পড়ুন: জি২০ সম্মেলনে যোগ দিতে ব্রাজিলে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, যাবেন নাইজিরিয়া, গায়নায়ও

    অত্যাচার সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছে বলেও দাবি করেন জৈন। তিনি বলেন, “অত্যাচার সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছে। সংগঠিত ও শক্তিশালী হিন্দু সমাজ এই দেশদ্রোহী ও হিন্দুবিরোধী ষড়যন্ত্রগুলিকে থামানোর ক্ষমতা রাখে (VHP)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ। 

      

  • Sheikh-Hasina: হাসিনাকে নিয়ে ইন্টারপোলে অতিসক্রিয় অন্তর্বর্তী ইউনূস সরকার, এবার আবেদন গ্রেফতারের

    Sheikh-Hasina: হাসিনাকে নিয়ে ইন্টারপোলে অতিসক্রিয় অন্তর্বর্তী ইউনূস সরকার, এবার আবেদন গ্রেফতারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অতিসক্রিয় হয়ে উঠেছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস (Yunus Government)। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে (Sheikh-Hasina) হাতে পেতে এবার ইন্টারপোলে আবেদন বাংলাদেশ ট্রাইব্যুনালের। উল্লেখ্য, গত ৫ অগাস্ট ওই দেশে অস্থির রাজনৈতিক জটিলতার কারণে হাসিনাকে দেশ ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছিল। যদিও আন্তর্জাতিক গবেষকদের মতে, এই ‘কোটা’ বা ‘ছাত্র আন্দোলন’-এর পিছনে জামাত শিবির এবং বিএনপির গভীর চক্রান্ত ছিল। সূত্রে জানা গিয়েছে, কোটা সংস্কার আন্দোলনপর্বে গণহত্যা এবং মানবতা বিরোধী অপরাধ-এর অভিযোগে দায়ের হওয়া দুটি মামলার প্রেক্ষিতে হাসিনা-সহ ৪৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিল আইসিটি।

    শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ‘রেড অ্যালার্ট’(Sheikh-Hasina)!

    উল্লেখ্য, আগেই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল। এবার বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার (Sheikh-Hasina) বিরুদ্ধে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি করার জন্য আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোলকে আবেদন জানাল ওই দেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি)। বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম ‘প্রথম আলো’ জানিয়েছে, আওয়ামী লীগের সভানেত্রীকে গ্রেফতারের জন্যই অন্তর্বর্তী সরকারের নির্দেশে ইন্টারপোলকে আবেদন করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, “গত রবিবার ইন্টারপোলের কাছে হাসিনার বিরুদ্ধে নোটিস জারির জন্য আবেদন করা হয়েছে। শেখ হাসিনা যেহেতু মানবতা-বিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত, তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা আটকে আছে। কিন্তু বাংলাদেশের জুরিসডিকশনের (Yunus Government) বাইরে তিনি চলে গিয়েছেন। সে কারণে আন্তর্জাতিক পুলিশি সংস্থা হিসাবে ইন্টারপোল যাতে তাঁকে গ্রেফতার করার ব্যবস্থা নেয় এবং অন্তত রেড অ্যালার্ট জারি করে, সেই বিষয়ে আমরা অনুরোধ পাঠিয়েছি।”

    হাসিনার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয় ১৭ অক্টোবর 

    বাংলাদেশের আইটিসি কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময়ে গণহত্যা এবং মানবতা বিরোধী অপরাধ-এর অভিযোগ দায়ের হওয়া দুটি মামলার প্রেক্ষিতে ১৭ অক্টোবর হাসিনা (Sheikh-Hasina) এবং তাঁর দল আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওয়াবদুর কাদের সহ-৪৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিল। দু’টি মামলার মধ্যে একটি ছিল আন্দোলনে নিহত ছাত্র মহম্মদ মেহেদীর বাবা মহম্মদ সানাউল্লাহ-এর। অপর মামলাটি ছিল নিহত আরিফ আহমেদ সিয়ামের বাবা মহম্মদ বুলবুল কবির।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Yogi Adityanath: “রাজাকারদের লাগানো আগুনেই মৃত্যু হয়েছিল মা-বোনের”, খাড়্গেকে মনে করিয়ে দিলেন যোগী

    Yogi Adityanath: “রাজাকারদের লাগানো আগুনেই মৃত্যু হয়েছিল মা-বোনের”, খাড়্গেকে মনে করিয়ে দিলেন যোগী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমি একজন যোগী।  আমার কাছে দেশ সবার আগে। কিন্তু মল্লিকার্জুন খাড়্গের (Mallikarjun Kharge) কাছে তুষ্টিকরণের রাজনীতি সবার আগে।” মঙ্গলবার এই ভাষায়ই কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath)।

    কী বললেন যোগী? (Yogi Adityanath)

    তিনি বলেন, “ভোটের জন্য খাড়্গে তাঁর পরিবারের আত্মত্যাগের কথা ভুলে গিয়েছেন।” খাড়্গের শৈশবের দুঃখজনক ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে এনে যোগী বলেন, “১৯৪৮ সালে হায়দরাবাদের নিজামের রজাকাররা তাঁর গ্রাম পুড়িয়ে দিয়েছিল। যার ফলে মৃত্যু হয়েছিল তাঁর মা ও বোনের।” সোমবার ভোটমুখী মহারাষ্ট্রের আচলপুরে এক জনসভায় বক্তব্য রাখছিলেন খাড়্গে। সেখানে তিনি বলেছিলেন, “বাটেঙ্গে তো কাটেঙ্গে” (বিভাজিত হলে আমরা ধ্বংস হব)। কংগ্রেস সভাপতির এই স্লোগানেরই জবাব দেন যোগী। তিনি বলেন, “আমি একজন যোগী।  আমার কাছে দেশ সবার আগে। কিন্তু মল্লিকার্জুন খাড়গের কাছে তুষ্টিকরণের রাজনীতি সবার আগে।”

    স্মৃতির সরণী বেয়ে

    এরপর যোগী খাড়্গের শৈশবের মর্মান্তিক ঘটনার প্রসঙ্গে ফিরে যান। বলেন, “খাড়্গেজি, আমার ওপর রাগ করবেন না… যদি রাগ করতে চান, তাহলে হায়দরাবাদের নিজামের ওপর রাগ করুন। হায়দরাবাদের নিজামের রাজাকার বাহিনী আপনার গ্রাম পুড়িয়ে দিয়েছিল। হিন্দুদের নৃশংসভাবে হত্যা করেছিল। আপনার সম্মানিত মা, বোন ও পরিবারের সদস্যদের ওপর নির্যাতন চালিয়েছিল। দেশের সামনে এই সত্য প্রকাশ করুন যে যখনই তারা বিভক্ত হবে, তারা একই নির্মম উপায়ে বিভক্ত হবে।”

    আরও পড়ুন: জি২০ সম্মেলনে যোগ দিতে ব্রাজিলে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, যাবেন নাইজিরিয়া, গায়নায়ও

    উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “খাড়্গে এই সত্যটি প্রকাশ্যে স্বীকার করতে চাইবেন না। কারণ তিনি মনে করেন এটি মুসলিম ভোটারদের প্রতি তাঁর আবেদন কার্যকর করতে নাও পারে।” মহা বিকাশ আগাড়ি (এমভিএ) জোটকেও নিশানা করেছেন যোগী (Yogi Adityanath)। তিনি বলেন, “এমভিএ মহারাষ্ট্রকে ‘লাভ জিহাদ’ ও ‘ল্যান্ড জিহাদের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করেছে। তারা এমন একটি জোট যা জাতীয় ঐক্যকে দুর্বল করে।”

    প্রসঙ্গত, সোমবার এক সমাবেশে খাড়্গে বলেন, “অনেক নেতা গেরুয়া পোশাক পরেন, মাথা মুড়িয়ে থাকেন। এমনকি কেউ কেউ মুখ্যমন্ত্রীও হয়ে যান। যদি আপনি সন্ন্যাসী (Mallikarjun Kharge) হন, তবে গেরুয়া পরুন, রাজনীতি থেকে দূরে থাকুন।” এদিন তারই জবাব দিলেন যোগী (Yogi Adityanath)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।   

  • PM Modi: জি২০ সম্মেলনে যোগ দিতে ব্রাজিলে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, যাবেন নাইজিরিয়া, গায়নায়ও

    PM Modi: জি২০ সম্মেলনে যোগ দিতে ব্রাজিলে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, যাবেন নাইজিরিয়া, গায়নায়ও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার জি২০ (G20) শীর্ষ বৈঠক হবে ব্রাজিলে। এই বৈঠকে যোগ দিতে দু’দিনের ব্রাজিল সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ব্রাজিলই এবার জি২০-র আয়োজক দেশ। মঙ্গলবার বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে ১৮-১৯ নভেম্বর ব্রাজিলে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। তার আগে দু’দিন ধরে সফর করবেন নাইজিরিয়ায়। জি২০ শীর্ষ বৈঠক সেরে তিনি যাবেন দক্ষিণ আমেরিকার আর এক দেশ গায়নায়।

    জি২০-র বৈঠক (PM Modi)

    প্রতি বছর এক একটি দেশে আয়োজিত হয় জি২০-র বৈঠক। গত বছর আয়োজক দেশ ছিল ভারত। সেখানেই সম্মেলন শেষে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভার হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে সভাপতিত্বের ‘গাভেল’ তুলে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানেই হচ্ছে জি২০-র বৈঠক। শীর্ষ বৈঠকটি হবে ব্রাজিলের রিও ডি জেনেইরোয়। বাণিজ্য ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধির পাশাপাশি ইউক্রেন ও পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হতে পারে জি২০-র শীর্ষ বৈঠকে। আর দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যেই প্রধানমন্ত্রী যাবেন নাইজিরিয়া ও গায়নায়।

    জি২০-র সদস্য দেশ

    জি২০-র সদস্য দেশগুলি হল আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, কানাডা, চিন, ফ্রান্স, জার্মানি, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ইতালি, জাপান, কোরিয়া প্রজাতন্ত্র, মেক্সিকো, রাশিয়া, সৌদি আরব, দক্ষিণ আফ্রিকা, তুরস্ক, আমেরিকা, ব্রিটেন এবং ইউরোপিয়া ইউনিয়ন। সূত্রের খবর, জি২০ শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে পার্শ্ববৈঠক হতে পারে মোদির (PM Modi)। সে ক্ষেত্রে এক মাসের মধ্যে ফের মুখোমুখি হবেন মোদি ও জিনপিং। গত ২২ অক্টোবর রাশিয়ার কাজানে ব্রিকস গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলির শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে গিয়ে চিনা প্রেসিডেন্টের সঙ্গে পার্শ্ববৈঠক করেছিলেন মোদি। সেখানেই লাদাখ-সহ বিভিন্ন সীমান্তের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয় মোদি ও জিনিপিংয়ের।

    আরও পড়ুন: “মহা বিকাশ আগাড়ি দুর্নীতির সব চেয়ে বড় খেলোয়াড়”, তোপ মোদির

    জি২০ বৈঠকে যোগ দেওয়ার আগে নাইজিরিয়ায় যাবেন প্রধানমন্ত্রী। প্রায় ১৭ বছর পরে কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নাইজিরিয়ায় যাচ্ছেন। আর ১৯৬৮ সালের পর এই প্রথম কোনও প্রধানমন্ত্রী যাচ্ছেন গায়না সফরে। জানা গিয়েছে, নাইজিরিয়ার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন, সেখানে বাণিজ্য, বিদ্যুৎ এবং প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে সহযোগিতার (G20) বিষয়টি গুরুত্ব পাবে বলেই বিদেশমন্ত্রক সূত্রে খবর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।   

     

  • PM Modi: “মহা বিকাশ আগাড়ি দুর্নীতির সব চেয়ে বড় খেলোয়াড়”, তোপ মোদির

    PM Modi: “মহা বিকাশ আগাড়ি দুর্নীতির সব চেয়ে বড় খেলোয়াড়”, তোপ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মহা বিকাশ আগাড়ি (এমভিএ) দুর্নীতির সব চেয়ে বড় খেলোয়াড়।” ভোটমুখী মহারাষ্ট্রে ঠিক এই ভাষায়ই মহা বিকাশ আগাড়িকে (MVA) আক্রমণ শানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি বলেন, “এমভিএ উন্নয়ন প্রকল্পগুলিকে ঝুলিয়ে রাখা এবং বিলম্বিত করার বিষয়ে পিএইচডি করেছে।”

    এমভিএকে আক্রমণ মোদির (PM Modi)

    মঙ্গলবার চন্দ্রপুরের চিমুরে এক নির্বাচনী সমাবেশে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “মহারাষ্ট্রের দ্রুত উন্নয়ন আগাড়ি দলের ক্ষমতার বাইরে। এমভিএ শুধু কাজ থামানোর ওপর পিএইচডি করেছে। কাজগুলো আটকে রাখা, ঝুলিয়ে রাখা আর বিভ্রান্ত করা – এই কাজে তারা ওস্তাদ।” এদিন প্রধানমন্ত্রী নিশানা করেন কংগ্রেসকেও। তিনি বলেন, “এই দল ডবল পিএইচডি করেছে এবং উন্নয়নমূলক কাজগুলিতে বাধা দেওয়ার বিষয়ে এক্সপার্ট। এই কংগ্রেসিরা তো এতে বিশেষজ্ঞ, আড়াই বছরে তারা প্রতিটি উন্নয়নমূলক প্রকল্প থামানোর চেষ্টা করেছে।” এর পরেই তিনি বলেন, “আগাড়ি দল হল দুর্নীতির সবচেয়ে বড় খেলোয়াড়।”

    মোদির প্রশ্নবাণ

    জনতার উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্ন, “চিমুরের জনগণ কি এমভিএকে শহরের উন্নয়নে বাধা দিতে দেবে? আপনারা কি আবার এদের লুটপাটের লাইসেন্স দেবেন? লুট করতে দেবেন? রাজ্যের ভান্ডার ভরতে দেবেন? মহারাষ্ট্রের উন্নয়নে এমভিএ কি বাধা দেবে?” তিনি বলেন, “কীভাবে এই আগাড়ি দলগুলো উন্নয়নে বাধা দেয়, তার সব চেয়ে বড় সাক্ষী চন্দ্রপুরের জনগণ।” প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “মহাজোট সরকার কত দ্রুত গতিতে কাজ করে এবং এই আগাড়িরা কীভাবে কাজ বন্ধ করে দেয়, তা চন্দ্রপুরের মানুষের চেয়ে ভালো আর কে জানে? এখানে মানুষ দীর্ঘদিন ধরে রেল সংযোগের দাবি জানিয়ে আসছেন। কিন্তু কংগ্রেস এবং আগাড়িরা এই কাজ করতে দেয়নি।”

    আরও পড়ুন: একজন মাত্র বিজেপি বিধায়ক থাকলেও মুসলিম সংরক্ষণে ‘না’, কংগ্রেসকে হুঁশিয়ারি অমিত শাহের

    এদিন প্রধানমন্ত্রীর বক্তৃতায় উঠে এসেছে বিজেপির ইশতেহারের প্রসঙ্গও। তিনি জানান, এই ইশতেহারে মহারাষ্ট্রবাসীর জন্য প্রয়োজনীয় ২৫টি প্রতিশ্রুতি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিজেপির এই ইশতেহার আগামী পাঁচ বছরে মহারাষ্ট্রের জন্য ‘বিকাশের গ্যারান্টি’  হয়ে উঠবে।” তিনি বলেন, “মহাজোটের সঙ্গে কেন্দ্রে এনডিএ সরকার মানে মহারাষ্ট্রে ডাবল ইঞ্জিন সরকার, অর্থাৎ উন্নয়নের গতি হবে দ্বিগুণ।” তিনি বলেন, “আজ আমি মহারাষ্ট্র বিজেপিকে অভিনন্দন জানাতে চাই, যারা একটি চমৎকার ইশতেহার প্রকাশ করেছে। এতে আমাদের কন্যা ও বোনদের জন্য, কৃষকদের জন্য, দেশের যুব শক্তির জন্য এবং মহারাষ্ট্রের উন্নয়নের জন্য অনেক (MVA) চমৎকার সব সংকল্প গ্রহণ করা হয়েছে (PM Modi)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 191: “মা-কালী, মা-দুর্গার পূজা করে, ‘মা’ ‘মা’ বলে কত ডাকে কত ভালবাসে.. মূর্তি না-ই বা মানলে”

    Ramakrishna 191: “মা-কালী, মা-দুর্গার পূজা করে, ‘মা’ ‘মা’ বলে কত ডাকে কত ভালবাসে.. মূর্তি না-ই বা মানলে”

    ভক্তসঙ্গে শ্রীরামকৃষ্ণ

    চতুর্থ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৩, ২২শে এপ্রিল

    শ্রীরামকৃষ্ণ সিঁথির ব্রাহ্মসমাজে ব্রাহ্মভক্তসঙ্গে

    ব্রাহ্মভক্ত ও ভোগান্ত—বিদ্যারূপিণী স্ত্রীর লক্ষণ—বৈরাগ্য কখন হয় 

    “আবার আছে খোসাটি আছে বলে (Kathamrita) তবে আমটি বাড়ে ও পাকে। আমটি তয়ের হয়ে গেলে তবে খোসা ফেলে দিতে হয়! মায়ারূপ ছালটি থাকলে তবেই ক্রমে ব্রহ্মজ্ঞান হয়। বিদ্যা-মায়া, অবিদ্যা-মায়া আমের খোসার ন্যায়; দুই-ই দরকার।”

    ব্রাহ্মভক্ত—আচ্ছা, সাকারপূজা, মাটিতে গড়া ঠাকুরপূজা—এ-সব কি ভাল?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—তোমরা সাকার মান না, তা বেশ; তোমাদের পক্ষে মূর্তি নয়, ভাব। তোমরা টানটুকু নেবে, যেমন কৃষ্ণের উপর রাধার টান, ভালবাসা। সাকারবাদীরা যেমন মা-কালী, মা-দুর্গার পূজা করে, ‘মা’ ‘মা’ বলে কত ডাকে কত ভালবাসে—সেই ভাবটিকে তোমরা লবে, মূর্তি না-ই বা মানলে।

    ব্রাহ্মভক্ত—বৈরাগ্য কি করে হয়? আর সকলের হয় না কেন?

    শ্রীরামকৃষ্ণ—ভোগের শান্তি না হলে বৈরাগ্য হয় না। ছোট ছেলেকে খাবার আর পুতুল দিয়ে বেশ ভুলানো যায়। কিন্তু যখন খাওয়া হয়ে গেল, আর পুতুল নিয়ে খেলা হয়ে গেল, তখন “মা যাব” বলে (Kathamrita)। মার কাছে নিয়ে না গেলে পুতুল ছুঁড়ে ফেলে দেয়, আর চিৎকার করে কাঁদে।

    সচ্চিদানন্দই গুরু—ঈশ্বরলাভের পর সন্ধ্যাদি কর্মত্যাগ 

    ব্রাহ্মভক্তেরা গুরুবাদের বিরোধী। তাই ব্রাহ্মভক্তটি এ-সম্বন্ধে কথা কহিতেছেন।

    ব্রাহ্মভক্ত—মহাশয়, গুরু না হলে কি জ্ঞান হবে না?

    শ্রীরামকৃষ্ণ(Ramakrishna)—সচ্চিদানন্দই গুরু; যদি মানুষ গুরুরূপে চৈতন্য করে তো জানবে যে, সচ্চিদানন্দই ওই রূপ ধারণ করেছেন। গুরু যেমন সেথো; হাত ধরে নিয়ে যান। ভগবানদর্শন হলে আর গুরুশিষ্য বোধ থাকে না। ‘সে বড় কঠিন ঠাঁই, গুরুশিষ্যে দেখা নাই!’ তাই জনক শুকদেবকে বললেন, ‘যদি ব্রহ্মজ্ঞান চাও আগে দক্ষিণা দাও।’ কেননা, ব্রহ্মজ্ঞান হলে আর শিষ্য ভেদবুদ্ধি থাকবে না। যতক্ষণ ঈশ্বরদর্শন না হয়, ততদিনই গুরুশিষ্য সম্বন্ধ।

    ক্রমে সন্ধ্যা হইল। ব্রাহ্মভক্তেরা কেহ কেহ ঠাকুরকে বলিতেছেন, “আপনার বোধহয় এখন সন্ধ্যা করতে হবে।”

    শ্রীরামকৃষ্ণ(Ramakrishna)—না, সেরকম নয়। ও-সব প্রথম প্রথম এক-একবার করে নিতে হয়। তারপর আর কোশাকুশি বা নিয়মাদি দরকার হয় না।

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “আবার সেই সমাধি! আবার নিস্পন্দন দেহ, স্তিমিতি লোচন, দেহ স্থির

    আরও পড়ুনঃ দেখিয়াই ঠাকুর উচ্চহাস্য করিয়া ছোকরাদের বলিয়া উঠিলেন, “ওই রে আবার এসেছে”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: একজন মাত্র বিজেপি বিধায়ক থাকলেও মুসলিম সংরক্ষণে ‘না’, কংগ্রেসকে হুঁশিয়ারি অমিত শাহের

    Amit Shah: একজন মাত্র বিজেপি বিধায়ক থাকলেও মুসলিম সংরক্ষণে ‘না’, কংগ্রেসকে হুঁশিয়ারি অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “যতদিন পর্যন্ত একজন বিজেপি বিধায়ক থাকবেন, আমরা মুসলমানদের জন্য সংরক্ষণের অনুমতি দেব না।” কার্যত এই ভাবেই ঝাড়খণ্ডের নির্বাচনী প্রচারে ইন্ডি জোটকে আক্রমণ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা প্রবীণ বিজেপি নেতা অমিত শাহ (Amit Shah)। একইভাবে সংরক্ষণ নীতির ইস্যুতে কংগ্রেসকে (Congress) তোপ দাগেন তিনি। উল্লেখ্য, বুধবার, ১৪ নভেম্বর এই রাজ্যে প্রথম দফায় নির্বাচন এবং ২০ নভেম্বর  দ্বিতীয় দফায় নির্বাচন। ভোটের গণনা ২৩ নভেম্বর। নির্বাচনী প্রচারে ব্যাপক জমজমাট।

    চোরেরা ভেবেছিল টাকা নিয়ে পালিয়ে যাবে (Amit Shah)!

    ঝাড়খণ্ড বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে বিজেপি নেতা অমিত শাহ (Amit Shah) ভাষণ দিয়ে বলেন, “দেশের বিরোধী দল কংগ্রেস (Congress) একটি সংরক্ষণ বিরোধী দল। তারা মুসলমান সমাজকে সংরক্ষণ দেওয়ার জন্য ভারতের হিন্দু সমাজের অনগ্রসর শ্রেণির সংরক্ষণ ব্যবস্থাকে অবলুপ্ত করতে চায়। কিন্তু এই আশা কোনও দিনই বাস্তবে পূরণ হবে না। যতক্ষণ পর্যন্ত বিজেপির একজন বিধায়কও থাকবেন, ততক্ষুণ পর্যন্ত মুসলমানদের জন্য সংরক্ষণ নীতিকে তাঁরা অনুমতি দেবেন না। ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার মন্ত্রী আলমগীর আলমের বাড়ি থেকে ৩৫ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত হয়েছে। একই ভাবে একজন কংগ্রেস সাংসদের বাড়ি থেকে ৩৫০ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এই বিপুল পরিমাণ টাকা কার? এই টাকা ধানবানদের, দরিদ্র যুবক-যুবতী এবং গরিব মায়েদের কাছ থেকে লুট করা হয়েছে। চোরেরা ভেবেছিল, টাকা নিয়ে পালিয়ে যাবে! এখানে বিজেপির সরকার গড়ুন, আমরা দুর্নীতিগ্রস্থদের সোজা করে দেবো।”

    আরও পড়ুনঃ নিমেষে ধ্বংস হবে হাজার কিমি দূরের যুদ্ধজাহাজ, ডিআরডিও-র নয়া মিসাইলের পরীক্ষা শীঘ্রই

    কৃষকদের ধান প্রতি কুইন্টাল ৩১০০ টাকায় কেনা হবে

    একইভাবে ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন এবং কংগ্রেসকে (Congress) আক্রমণ করে আমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, “মনরেগা প্রকল্পে জেএমএম সরকারের প্রধান ১০০০ কোটি টাকার আর্থিক কেলেঙ্কারি করেছেন। একই সঙ্গে খনিজ সম্পদে কেলেঙ্কারি, জমি কেলেঙ্কারি-সহ একাধিক দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত। এই রাজ্যে দুর্নীতিমুক্ত সরকার গঠন করা মোদির গ্যারান্টি। মহিলাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ২১০০ করে টাকা দেওয়া হবে। ৫০০ টাকায় গ্যাস দেওয়া হবে। দীপাবলি এবং রাখীবন্ধনে বিনামূল্যে গ্যাস সিলিন্ডারের ব্যবস্থা করে দেবো আমরা। রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠন হলে যুবকরা ২০০০ করে টাকা পাবেন। কৃষকদের ধান প্রতি কুইন্টাল ৩১০০ টাকায় কেনা হবে। প্রতিবন্ধী এবং বিধবাদের জন্য পেনশেন ২৫০০ টাকা বৃদ্ধি করা হবে।”

    আদিবাসী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবে

    এই প্রসঙ্গে রাজ্যের অনুপ্রবেশকারীদের সমস্যা নিয়ে সরব হয়েছেন অমিত শাহ (Amit Shah)। তিনি আরও বলেন, “রাজ্যের মানুষের অধিকারকে কেড়ে নিচ্ছে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা। আদিবাসী সমাজের মহিলাদের প্রলোভন দিয়ে বিয়ে করছে। এরপর আদিবাসীদের সম্পত্তির উপর আধিপত্য বিস্তার করে সুকৌশলে হাতিয়ে নিচ্ছে। বিজেপি ক্ষমতায় এলে সকল অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে ফেরৎ পাঠানো হবে। স্থানীয় ভূমিপুত্রদের অধিকারকে কোনও রকম ভাবেও খর্ব করা যাবে না। আদিবাসী সমাজের উন্নয়নের জন্য কাজ করবে বিজেপি।”   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mallikarjun Kharge: ‘গেরুয়াধারীদের রাজনীতি ছাড়া উচিত’! খাড়্গের মন্তব্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সন্তসমাজের

    Mallikarjun Kharge: ‘গেরুয়াধারীদের রাজনীতি ছাড়া উচিত’! খাড়্গের মন্তব্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সন্তসমাজের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে (Mallikarjun Kharge) মন্তব্য করেছিলেন যে, গেরুয়া পরা লোকেদের রাজনীতি ছেড়ে দেওয়া উচিত। প্রসঙ্গত, কংগ্রেস সভাপতি খাড়্গের এই কথার ইঙ্গিত ছিল উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের দিকেই। কংগ্রেস নেতার এহেন মন্তব্যে দেশ জুড়ে নিন্দার ঝড় শুরু হয়। সাধু-সন্ত-সন্ন্যাসীরাও তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন কংগ্রেস সভাপতির এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে। কংগ্রেসের সভাপতি খাড়্গের এই মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা জানিয়েছেন প্রাক্তন কংগ্রেস নেতা তথা সন্ত আচার্য প্রমোদ কৃষ্ণম। তিনি খাড়্গের ধর্ম নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। অন্যদিকে, সন্ন্যাসী জগৎ গুরু রামভদ্রাচার্যের প্রশ্ন, গেরুয়াধারীরা বাদ যাবে, তবে কি গুন্ডারা রাজনীতি করবে? একইসঙ্গে রামভদ্রাচার্য জানিয়েছেন, গেরুয়া হল আসলে ভগবানের রঙ।

    কোথায় লেখা আছে যে গেরুয়াধারীদের রাজনীতি করা যাবে না?

    জগৎ গুরু রামভদ্রাচার্য (Mallikarjun Kharge) সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে খাড়্গের মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেন। তিনি (Spiritual Leaders) বলেন, ‘‘এটা কোথায় লেখা আছে যে গেরুয়াধারীরা রাজনীতি করতে পারবেন না? তবে কি গুন্ডাদের রাজনীতি করা উচিত? লোফারদের রাজনীতি করা উচিত? গেরুয়াধারীদের রাজনীতি করতে হবে কারণ গেরুয়া হল ভগবানের রঙ।’’  ইতিহাস থেকে শিবাজী মহারাজের উদাহরণ টেনে এনে তিনি আরও বলেন, ‘‘রাজা শিবাজী গেরুয়া পতাকা উত্তোলন করেছিলেন এবং সমগ্র জাতি ও মহারাষ্ট্রকে একত্রিত করেছিলেন। তাই গেরুয়াধারীদের রাজনীতি করাই উচিত। স্যুট-বুটের পলিটিক্স ভারত থেকে বন্ধ হোক।’’

    কী বলেছিলেন মল্লিকার্জুন খাড়্গে (Mallikarjun Kharge)?

    সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ মন্তব্য করেছিলেন, ‘বাটেঙ্গে তো কাটেঙ্গে’ অর্থাৎ বিভক্ত হলেই আমরা ধ্বংস হয়ে যাব। হিন্দু ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে এমন কথা বলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। এই স্লোগানের সমালোচনা করে মল্লিকার্জুন খাড়্গে (Mallikarjun Kharge) মুম্বইতে বলেছিলেন, ‘‘অনেক নেতাই সাধুদের ছদ্মবেশে বসবাস করে বর্তমানে রাজনীতিবিদ হয়েছেন। কেউ কেউ মুখ্যমন্ত্রীও হয়েছেন। তাঁরা গেরুয়া পোশাক পরেন, তাঁদের মাথায় চুল নেই। আমি বিজেপিকে বলব হয় সাদা পোশাক পরুন নয়ত আপনি সন্ন্যাসী হয়ে গেরুয়া পোশাক পরলে রাজনীতি ছেড়ে দিন।’’

    ‘বাটেঙ্গে তো কাটেঙ্গে’ স্লোগান যোগীর, সমর্থন জগৎগুরু রামভদ্রাচার্যের 

    জগৎ গুরু রামভদ্রাচার্য অবশ্য যোগী আদিত্যনাথের ‘বাটেঙ্গে তো কাটেঙ্গে’ স্লোগানকে (Spiritual Leaders) সম্পূর্ণভাবে সমর্থন করেছেন এবং বলেন, ‘‘সম্প্রদায় আলাদা আলাদা হলেও আমাদের সকল হিন্দুদের ঐক্যবদ্ধ থাকা উচিত। আমরা এক হলে কেউ আমাদের ক্ষতি করতে পারবে না। এক একটি আঙুল এককভাবে দুর্বল কিন্তু একটি মুষ্টি শক্তিশালী।’’

    নিজের ধর্ম প্রকাশ করুন খাড়্গে

    অন্যদিকে, আচার্য প্রমোদ কৃষ্ণম মল্লিকার্জুন খাড়্গের ধর্ম নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন এবং তিনি বলেছেন, ‘‘কোনও হিন্দুই অন্ততপক্ষে সাধু-সন্ত এবং মহাত্মাদের অপমান করতে পারেন না।’’ সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রমোদ কৃষ্ণমের আরও দাবি, অবিলম্বে খাড়্গের উচিত, তাঁর নিজের ধর্ম কী? এনিয়ে সবাইকে জানানো। 

    সনাতন ধর্মের যাঁরা বিরুদ্ধে, তাঁরা আসলে ভারত-বিরোধী

    আচার্য প্রমোদ কৃষ্ণমের মতে, যে ধরনের বিবৃতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে দিয়েছেন, তা সন্ন্যাসীদের পক্ষে খুবই অপমানজনক। এএনআই-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আচার্য প্রমোদ কৃষ্ণম বলেন, ‘‘তাঁর নাম দেখে মনে হচ্ছে তিনি হিন্দু। কিন্তু তাঁর কাজ দেখে কখনও মনে হচ্ছে না, তিনি হিন্দু। তাঁর প্রথমে উচিত যে সবার সামনে প্রকাশ করা নিজের পরিচয়। তিনি হিন্দু বটেন কিনা!’’ মল্লিকার্জুন খাড়্গের বিরুদ্ধে আচার্য প্রমোদ কৃষ্ণম আরও বলেন, ‘‘সনাতন ধর্মের যাঁরা বিরুদ্ধে, তাঁরা আসলে ভারত-বিরোধী।’’ তিনি আরও দাবি করেন, ‘‘ভারতবর্ষ ঋষি প্রধান দেশ এবং সেই দেশে এ ধরনের মন্তব্য মানায় না।’’

    সনাতন ধর্মকে অপমান করছেন খাড়্গে

    প্রমোদ কৃষ্ণমের মতে, ‘‘নিঃসন্দেহে তিনি (খাড়গে) একজন সিনিয়র নেতা কিন্তু তিনি হিন্দু সন্ন্যাসীদের অপমান করছেন। সনাতন ধর্মকে অপমান করছেন। গেরুয়া রঙকে অপমান করছেন। এ ধরনের ব্যবহার তাঁর করা উচিত নয়। কোনও হিন্দুরই উচিত নয়, হিন্দু সন্ন্যাসীদের অপমান করা। যোগী আদিত্যনাথ সম্পর্কে এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য করা কখনও উচিত হয়নি মল্লিকার্জুন খাড়্গের।’’ প্রসঙ্গত, ‘বাটেঙ্গে তো কাটেঙ্গে’ স্লোগানটি যোগী আদিত্যনাথ প্রথম ব্যবহার করেন। হিন্দু ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে এই স্লোগান দিয়ে মহারাষ্ট্র এবং ঝাড়খণ্ডে নির্বাচনী প্রচারও করেন তিনি। অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও মহারাষ্ট্রে নির্বাচনের প্রচারে গিয়ে বলেন, ‘‘আমরা এক থাকলেই নিরাপদ।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Maha Kumbh 2025: মহাকুম্ভে ৪০ কোটি ভক্ত-সমাগমের সম্ভাবনা, কর্মসংস্থান হতে পারে ১.২৫ লক্ষ মহিলার

    Maha Kumbh 2025: মহাকুম্ভে ৪০ কোটি ভক্ত-সমাগমের সম্ভাবনা, কর্মসংস্থান হতে পারে ১.২৫ লক্ষ মহিলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের সর্ববৃহৎ হিন্দু ধর্মের মহামিলন দেখা যাবে উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজের মহাকুম্ভ মেলায় (Maha Kumbh 2025)। এই মেলাকে ঘিরে উত্তরপ্রদেশের রাজ্য প্রশাসন এবং মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ ভীষণভাবে তৎপর। গত ২ বছর ধরে এই মেলার প্রস্তুতি চলছে। ত্রিবেণী সঙ্গমে সুবিশাল নগর বসানো হবে। দেশ-বিদেশ থেকে আনুমানিক ৪০ কোটি ভক্তদের সমাগম হবে মেলায়। একই ভাবে মেলার আয়োজন এবং প্রাচুর্যকে ঘিরে অভ্যন্তরীণ কর্মসংস্থানের বিরাট সুযোগ রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মোট ৭ রাজ্য থেকে ১ লক্ষ ২৫ হাজার মহিলা কাজের (Employment) সুযোগ পাবেন।

    ১৪ হাজার স্বনির্ভর গোষ্ঠীর কাজ (Maha Kumbh 2025)

    ১২ বছর অন্তর বসে পূর্ণ কুম্ভমেলা। ১২টি পূর্ণকুম্ভ হলে একটি মহাকুম্ভ হয়। অর্থাৎ, প্রতি ১৪৪ বছরে একবার মহাকুম্ভের আয়োজন হয়। এই মহাযোগে ত্রিবেণীর ঘাটে স্নান করলে মেলে পুণ্য। আবার শাস্ত্র মতে, মানব জীবনের মুক্তির বাসনাও পূর্ণ হয় এই মহাকুম্ভে। জানা গিয়েছে, মেলার আয়োজনে পাতার প্লেট, কুলহার, পাটের ব্যাগ, কাপড়ের ব্যাগ, মাটির কাপ তৈরির বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিহার, মধ্যপ্রদেশ, ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড, ছত্তিশগড়, উত্তরাখণ্ড এবং উত্তরপ্রদেশ সহ মোট ২৮টি জেলার মহিলাদের। উৎপাদিত পণ্য এই রাজ্যগুলির মোট ৮৬টি জেলার গ্রুপ দ্বারা প্রস্তুত করার কাজ করানো হয়েছে। মোট ১৪ হাজার স্বনির্ভর গোষ্ঠীর কাজে ১ লক্ষ ২৫ হাজার মহিলা প্রস্তুতির কাজে (Employment) নিযুক্ত হয়েছেন। এই বিরাট পরিমাণ কাজের ব্যবস্থা সত্যিই অভাবনীয় বলে অনেকে মনে করছেন।

    ৬০ কোটির বেশি প্লেট ও বাটি প্রস্তুত হবে

    জানা গিয়েছে, এই মহাকুম্ভ মেলায় (Maha Kumbh 2025) ৪০ কোটি সনাতনী দেশি-বিদেশি ভক্তদের সমাগম হবে। তাই ৬০ কোটির বেশি প্লেট এবং বাটি প্রস্তুত করার কাজ চলছে। জোর কদমে কাজ করছে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে মেলা কমিটিও। কাজ তদারকি করার জন্য দুই আইএএস অফিসার এবং ছয় পিসিএস অফিসারকে মোতায়েন করা হয়েছে। এই মহাকুম্ভের স্পেশাল এক্সিকিউটিভ অফিসার আকাঙ্ক্ষা রানা এবং সিডিও গৌরব কুমারকে নোডাল অফিসার করা হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ ‘মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড’ বেসরকারি সংস্থা, সরানো হোক ‘বোর্ড’ শব্দ, দাবি বিজেপি নেতার

    ২৫০টি দোকান খোলা হবে মেলায়

    তবে এবার মহাকুম্ভ মেলার (Maha Kumbh 2025) আখড়া, ভান্ডার এবং খাবারের এলাকায় কোনও রকম প্লাস্টিক জাতীয় জিনিসের ব্যবহার করতে নিষেধ করা হয়েছে। এই সমস্ত জায়গায় ন্যায্য মূল্যে পাতার প্লেট এবং কুলহার (মাটির ভাঁড়) সরবরাহ করা হবে। এ জন্য প্রত্যকে ক্ষেত্রে ১০টি করে দোকান খোলা হবে। মোট ২৫টি এলাকায় ২৫০টি দোকান খোলা হবে। সেই সঙ্গে স্পেশাল দোকানের সংখ্যা হবে ৫০টি। মেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রত্যেক জায়গায় গাড়িতে করে এই উপকরণগুলি পাঠানো হবে।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share