Tag: news in bengali

news in bengali

  • Darknet: ডার্কনেট কী? কেনই বা একে নিষিদ্ধ করা হয়েছে?

    Darknet: ডার্কনেট কী? কেনই বা একে নিষিদ্ধ করা হয়েছে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডার্ক নেট বা ডার্কনেট (Darknet) হল ইন্টারনেটের মধ্যে একটি ওভারলে নেটওয়ার্ক যা কেবল নির্দিষ্ট সফ্টওয়্যার, কনফিগারেশন অনুমোদনের মাধ্যমে অ্যাক্সেস করা যেতে পারে। এই প্রায়ই একটি অনন্য কাস্টমাইজড যোগাযোগ প্রোটোকল ব্যবহার করে। ২০২১ সালের জানুয়ারি মাসে জার্মান প্রশাসন ডার্কমার্কেট বন্ধ করে দেয়। ডার্কনেটের মধ্যে এটিই ছিল সম্ভবত সব চেয়ে বড় অবৈধ মার্কেটপ্লেস।

    ‘ডার্কনেট’

    ‘ডার্কনেট’ শব্দটি প্রথম চালু হয় ১৯৭০ সালে, কিছু নির্দিষ্ট নেটওয়ার্ককে আলাদা করতে। এই নেটওয়ার্কগুলির মধ্যে রয়েছে আরপানেট-ও। ডার্কনেটের (Darknet) ঠিকানাগুলি আরপানেট থেকে ডেটা গ্রহণ করবে। তবে এটি সাধারণ নেটওয়ার্কের অধীনে তালিকাভুক্ত হবে না বা কোনও পিংয়ের উত্তর দেবে না। ১৯৭০ সালে শব্দটি (Darknet) চালু হলেও, জনপ্রিয়তা লাভ করে ২০০২ সালে। মাইক্রোসফ্টের চার কর্মচারী পিটার বিডল, পল ইংল্যান্ড, মার্কাস পেইনাডো এবং ব্রায়ান উইলম্যানের একটি গবেষণাপত্র ‘দ্য ডার্কনেট অ্যান্ড দ্য ফিউচার অফ কন্টেন্ট  ডিস্ট্রিবিউশন’ প্রকাশ্যে আসার পর। তাঁদের যুক্তি, ডার্কনেট প্রযুক্তির বিকাশের পক্ষে হুমকি স্বরূপ। এটি কপিরাইট লঙ্ঘনকে অনিবার্য করে তুলেছিল। ডার্কনেটকে যে কোনও ধরনের সমান্তরাল নেটওয়ার্ক হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। এটি এনক্রিপ্ট করতে পারে। এটি অ্যাক্সেস করার জন্য ইউজারের প্রয়োজন হয় একটি নির্দিষ্ট প্রোটোকলের।

    ডার্কনেটের সুবিধা

    ডার্কনেট গণ নজরদারি থেকে নাগরিকদের গোপনীয়তার সুরক্ষা দেয়। হ্যাকিং, ফিশিং সহ নানা সাইবার ক্রাইম করতে সাহায্য করে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে ভিন্নমতাবলম্বীদের সুরক্ষা দেয়। পাবলিক ডোমেনে শ্রেণিবদ্ধ তথ্যের হুইসেলব্লোয়িং এবং খবর ফাঁসে সাহায্য করে। অবৈধ পণ্য ও পরিষেবা ক্রয়-বিক্রয় করা যায়। নেটওয়ার্ক সেন্সরশিপ, বিষয়বস্তু-ফিল্টারিং সিস্টেম ও সীমিত ফায়ারওয়াল নীতিগুলিকে বাইপাস করে।

    আর পড়ুন: “জনতা কাজ চায়, স্লোগান নয়”, লোকসভা অধিবেশনের আগে বললেন মোদি

    ডার্কনেটের সঙ্গে ডিপওয়েবের পার্থক্য রয়েছে। বিশ্বের সিংহভাগ ডিজিটাল কন্টেট ভায়া ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন অ্যাক্সেস করে না। অন্যদিকে, ডিপওয়েবে রয়েছে কলোসাল অ্যামাউন্ট অফ ইনফর্মেশন। এতে অনলাইনের প্রায় সব ধরণের কাজ করা যায়। ডিপওয়েবকে ডেইলি রুটিনের অঙ্গীভূত করা যায়। ইমেল অ্যাকাউন্ট লগইন করা, অনলাইন ব্যাঙ্কিং ডিটেইলস চেক করা কিংবা সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করা – এসবই করা যায় ডিপওয়েবে। ডিপওয়েবের উপাদানগুলি হল ডেটাবেস, সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপ, অনলাইন ব্যাঙ্কিং, ইমেল, ইন্টারনেট, ফোরাম, পেওয়াল প্রোটেকটেড কনটেন্ট। মনে রাখতে হবে, ডার্কওয়েবের অরিজিনে কেউ পিনপয়েন্ট করতে পারে না (Darknet)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nadia: শান্তিপুরে প্রশাসনিক ভবন দখল তৃণমূলের! বিডিও অফিসে বিক্ষোভ বিজেপির

    Nadia: শান্তিপুরে প্রশাসনিক ভবন দখল তৃণমূলের! বিডিও অফিসে বিক্ষোভ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রশাসনিক ভবন দখল করছে তৃণমূল পরিচালিত জেলা পরিষদ। এবার এই সরকারি ভবন ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে প্রশাসনের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক (বিডিও) দফতরকে ঘেরাও করে বিক্ষোভ করল বিজেপি পরিচালিত পঞ্চায়েত সমিতি। তৃণমূলের তরফ থেকে যদিও অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করা হয়েছে। এদিকে পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী উপস্থিত হয়েছে। ঘটনা ঘটেছে নদিয়ার শান্তিপুরে (Nadia)।

    সুকান্ত ভবন দখল করেছে তৃণমূল (Nadia)

    নদিয়ার শান্তিপুরের (Nadia) বিজেপি পরিচালিত পঞ্চায়েত সমিতির পক্ষ থেকে বলা হয় “বিডিও অফিসে অবস্থিত সুকান্ত ভবন একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান, কিন্তু বিগত কয়েক মাস ধরে নদিয়া জেলা পরিষদ সেই ভবনটিকে জোরপূর্বক দখল করে রেখেছে। যদিও ইলেকট্রিক বিল থেকে শুরু করে সমস্ত কিছু ব্যয়ের অর্থ মেটাতে হয় পঞ্চায়েত সমিতিকেই। কিন্তু শাসক দল নিজেদের কাজে ব্যবহার করছে সরকারি ভবনকে।” ঘটনায় সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক সন্দীপ ঘোষ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেছেন, “আমার কাছে একটি অভিযোগপত্র জমা পড়েছে। আমি বিষয়টি খতিয়ে দেখবো।”

    পঞ্চায়েত সমিতির বক্তব্য

    এই ভবন অবিলম্বে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে সোমবার বেলা ১১টা থেকে সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক দফতর গেটের সামনে ধর্নায় বসেছে বিজেপির পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যরা। এই অবস্থান বিক্ষোভে নেতৃত্ব দেন শান্তিপুর (Nadia) পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি চঞ্চল চক্রবর্তী। তিনি বলেন, “অবিলম্বে যদি এই ভবন পঞ্চায়েত সমিতির তত্ত্বাবধানে না ফিরিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে লাগাতার এই আন্দোলন চলবে। আমরা হাতে গুনে সাত দিন সময় দিলাম, আগামী সাত দিনের মধ্যে এই ভবন যদি ফিরিয়ে দেওয়া না হয়, তাহলে জোরপূর্বক দখল করার রাস্তা বেছে নেবো।” অন্যদিকে আন্দোলন চলাকালীন ঘটনাস্থলে পৌঁছায় শান্তিপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। যদিও ঘন্টাখানেক ধরে চলে এই অবস্থান বিক্ষোভ।

    আরও পড়ুনঃ দিঘার সৌন্দর্যকে ধরে রাখতে শুরু অবৈধ হকার উচ্ছেদ, জানাল প্রশাসন

    তৃণমূলের বক্তব্য

    অন্যদিকে এই যদিও এ প্রসঙ্গে তৃণমূল পরিচালিত নদিয়া (Nadia) জেলা পরিষদের বর্তমান সদস্য এবং প্রাক্তন সভাধিপতি রিক্তা কুন্ডু বলেছেন, “সুকান্ত ভবন সংস্কারের জন্য এখনও কাজ চলছে, নির্বাচন ঘোষণা হওয়ার কারণে কাজ বন্ধ ছিল, এখন নির্বাচন শেষ হয়েছে ভবনটি সংস্কারের পরে আবার নতুন করে মানুষ পরিষেবা পাবেন। বিজেপি পরিচালিত পঞ্চায়েত সমিতি যে অভিযোগ করছেন সেটি সম্পন্ন ভিত্তিহীন, এখানে রাজনৈতিক রং লাগানোর চেষ্টা ছাড়া আর কিছুই করছে না বিজেপি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Maoist Surrender: গড়চিরৌলিতে মাওবাদ শেষের পথে, মাওবাদি দম্পতির আত্মসমর্পণ  

    Maoist Surrender: গড়চিরৌলিতে মাওবাদ শেষের পথে, মাওবাদি দম্পতির আত্মসমর্পণ  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্রিশগড়ের সীমান্ত সংলগ্ন মহারাষ্ট্রের গড়চিরৌলি এলাকায় দুই কুখ্যাত মাওবাদি (Maoist Surrender) আত্মসমর্পণ করলেন। ধৃতরা দীর্ঘদিন ধরে ছত্রিশগড় এবং মহারাষ্ট্রে জঙ্গী কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। মনকু তুমরেটি ওরফে গিরিধর এবং তার স্ত্রী সঙ্গীতা ওরফে ললিতা চেন সমাজের মূলস্রোতে ফিরে আসায় ওই এলাকায় মাওবাদিদের মনোবল ভেঙে পড়েছে বলে পুলিশের দাবি। গিরিধরের উপর ২৫ লক্ষ এবং সঙ্গীতার উপরে ১৬ লাখ টাকা লক্ষ টাকার পুরস্কার ছিল।

    মূলস্রোতে ফিরে আসায় অর্থসাহায্য করবে সরকার (Maoist Surrender)

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে গিরিধরের স্ত্রী সঙ্গীতা উপরে ১৭ টি মামলা রয়েছে। ১৯৯৬ সাল থেকে ওই দম্পতি মাওবাদি কার্যকলাপের সঙ্গে ছিল। ধৃতরা সমাজের মূলধারায় Maoist Surrender) ফিরে আসায় তাঁদের ধন্যবাদ জানান মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিস। জানা গেছে সমাজের মূলস্রোতে ফিরে আসার জন্য পুনর্বাসন যোজনার অন্তর্গত কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারের তরফ থেকে গিরিধর মোট ১৫ লক্ষ টাকা এবং ললিতা সাড়ে আট লক্ষ টাকা পাবেন।

    মাওবাদি আন্দোলনের কোমর ভেঙেছে

    এদিন আত্মসমর্পণ পর্ব শেষে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিস বলেন গিরিধর (Maoist Surrender) আত্মসমর্পণ করার পর গড়চিরৌলি এলাকায় মাওবাদি আন্দোলনের কোমর ভেঙে গিয়েছে। সরকার মাওবাদি সমস্যা শেষ করার জন্য বদ্ধপরিকর। এর জন্য মাওবাদিদের সমাজের মুখ্য ধারায় ফিরিয়ে আনার কথা ভাবা হচ্ছে। যারা অস্ত্রের পথ ত্যাগ করবেন তাঁদের সমাজে স্বাগত জানানো হবে।” আরও জানা গিয়েছে এর আগে ২৮ মে গণেশ এক মাওবাদী যার মাথায় ছয় লক্ষ টাকার পুরস্কার ছিল তিনি আত্মসমর্পণ করেছিলেন। তাঁর পুরো নাম গণেশ গাট্টা পুণেম বলে জানা যায়।

    আরও পড়ুন: ‘কোবরা’র ট্রাকে আইইডি বিস্ফোরণ মাওবাদীদের, হত ২ জওয়ান

    ২০১৭ সাল থেকে তিনি মাওবাদী কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। গণেশ মাওবাদি দলের সহকারী কমান্ডার ছিলেন। ২০১৭ এবং ২০২২ সালে বিজাপুর এলাকায় বাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াইয়ের নেতৃত্ব দিয়েছিল এই গণেশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sonakshi Sinha: পরনে লাল বেনারসী, সিঁথিতে সিঁদুর, হাতে লাল আলতা! রিসেপশনে সাবেক সাজে সোনাক্ষী

    Sonakshi Sinha: পরনে লাল বেনারসী, সিঁথিতে সিঁদুর, হাতে লাল আলতা! রিসেপশনে সাবেক সাজে সোনাক্ষী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে এক হল চার হাত। তবে হিন্দুমতে মালাবদল-সিঁদুরদান বা মুসলিম মতে নিকাহ কোনোটাই হয়নি। রেজিস্ট্রি করে বিয়ে সারলেন বলিউড তারকা সোনাক্ষী সিনহা (Sonakshi Sinha) এবং জাহির ইকবাল। রবিবার ছিল তাদের রিসেপশন। সেখানেই একেবারে বাঙালি লুকে (Reception Look) লাল শাড়িতে সেজেছিলেন সোনাক্ষী। আর জাহিরের পরনে ছিল সাদা রঙের শেরওয়ানি।  

    কেমন ছিল সোনাক্ষীর রিসেপশনের সাজ? (Sonakshi Sinha)  

    পরনে লাল বেনারসী, সিঁথিতে সিঁদুর, হাতে লাল আলতা। রিসেপশনে এমন সাবেক সাজেই (Reception Look) নিজেকে সাজিয়ে তুলেছিলেন সদ্য বিবাহিত সোনাক্ষী। রিসেপশন পার্টিতে লেহেঙ্গা ছেড়ে শাড়িতে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তিনি। সাধারণত বলিউড সেলেব্রিটিরা নিজেদের বিয়েতে হাতে মেহেন্দি পড়েন, কিন্তু সোনাক্ষী তার রিসেপশন লুকে সে সাজল লাল আলতায়। 
    ২৩ জুন, আজ থেকে ৭ বছর আগে এইদিনেই একে অপরকে মনের কথা জানিয়েছিলেন তাঁরা। অর্থাৎ ২০১৭ এর ২৩ জুন থেকে জাহিরের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক সোনাক্ষীর। দীর্ঘ সাত বছরের প্রেম পরিণতি পেল রবিবাসরীয় সন্ধ্যায়। বাবা শত্রুঘ্ন সিনহার হাত জড়িয়ে জাহিরের সঙ্গে নতুন পথ চলা শুরু করলেন বলিউড অভিনেত্রী। সাদা টুইনিংয়ে নজর কেড়েছিলেন নবদম্পতি।  

    মায়ের শাড়িতেই সাজলেন সোনাক্ষী

    রিসেপশনে ডিজাইনার লাল শাড়িতে সাজলেও (Reception Look), বিকেলের অনুষ্ঠানের জন্য সোনাক্ষী (Sonakshi Sinha) বেছে নিয়েছিলেন তাঁর মা, পুণম সিংহের শাড়ি। আইভরি শাড়ি, মাথার ফুলে অপরূপা সোনাক্ষী। একই রঙের পোশাক পরেছিলেন জাকিরও। মায়ের শাড়ির সঙ্গে পরার জন্য, মায়ের কালেকশন থেকেই গয়না বেছে নিয়েছিলেন অভিনেত্রী। আইভরি সাজে সোনাক্ষীর স্নিগ্ধতা যেন মন ছুঁয়ে গিয়েছে নেটপাড়ার। বর-বধূর পোশাকের সঙ্গে মানানসই ছিল এদিনের অনুষ্ঠানের থিমও। 

    আরও পড়ুন: চিন-পাকিস্তান যোগসাজশ! কাশ্মীরে জঙ্গিদের থেকে উদ্ধার চিনা টেলিকম সরঞ্জাম

    মেয়ের রিসেপশনে হাজির শত্রুঘ্ন এবং পুনম সিনহা

    বিয়েতে মেয়ের পাশেই ছিলেন শত্রুঘ্ন সিনহা এবং পুনম সিনহা। রিসেপশনে হাত ধরেই ঢোকেন তাঁরা। জাহিরের গোটা পরিবারও হাজির ছিল বিয়ে এবং রিসেপশনে। রেড কার্পেটে একসঙ্গে ধরা দেন জাহিরের মা-বাবা। ২৩ জুন সকাল থেকেই জাহির-সোনাক্ষীর (Sonakshi Sinha) বিয়ে সংক্রান্ত নানা মুহূর্ত ধরা পড়ছিল সেলেব পাপারাৎজ্জিদের ক্যামেরায়। যা সমাজমাধ্যমের পাতায় মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ছিল। এরপর সন্ধ্যেয় সোনাক্ষী নিজে তাঁর অফিসিয়াল পেজে বিয়ের ছবি পোস্ট করেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Digha: দিঘার সৌন্দর্যকে ধরে রাখতে শুরু অবৈধ হকার উচ্ছেদ, জানাল প্রশাসন

    Digha: দিঘার সৌন্দর্যকে ধরে রাখতে শুরু অবৈধ হকার উচ্ছেদ, জানাল প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদ দীর্ঘ দিন ধরেই সৈকত নগরী দিঘার (Digha) সৌন্দর্যকে ধরে রাখতে উদ্যোগী হয়েছে। এবার সমুদ্র সৈকতের অবৈধ হকার উচ্ছেদে বিশেষ অভিযান শুরু করেছে এই পর্ষদ। রাস্তার পাশে থাকা ঝুপড়ি, অস্থায়ী দোকানঘর উচ্ছেদে কড়া অবস্থান নিয়েছে। যদিও আগে থেকে প্রশাসনের তরফ থেকে উচ্ছেদ করার নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। সোমবার এই উচ্ছেদের সময় পর্ষদের আধিকারিকদের সঙ্গে ছিল দিঘা থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী।

    দিঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদের বক্তব্য (Digha)

    দিঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদের পক্ষ থেকে হেড ক্লার্ক চন্দন কুমার জানিয়েছেন, “সমুদ্র সৈকতে বা বিচে আর কোনও অস্থায়ী দোকান রাখা যাবে না। তাই দিঘার (Digha) বিচ বরাবর হকারদের তুলে দেওয়া হচ্ছে। বেঞ্চে করে যারা ডাব বিক্রি করে, তাদের আজ সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসন এবং পর্ষদ থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে বিচের মধ্যে আর কাউকে বসতে দেওয়া হবে না।”

    আরও পড়ুনঃ তানিয়ার পর মহম্মদ হাবিবুল্লা, কাঁকসা থেকে জঙ্গি সন্দেহে গ্রেফতার!

    একাধিক পেশার মানুষ প্রভাবিত হবেন (Digha)

    সৈকত নগরীকে সুন্দর করে ঢেলে সাজাতে উদ্যোগী হয়েছে প্রশাসন। দিঘায় (Digha) তৈরি হচ্ছে পুরীর আদলে জগন্নাথদেবের মন্দির। মন্দিরের উদ্বোধন হলে দর্শনার্থী এবং সমুদ্রে পর্যটকদের সংখ্যা দ্বিগুণ বেড়ে যাবে। দিঘার মুকুটে নতুন পালক যুক্ত হবে এই মন্দির। নিউ দিঘা ও ওল্ড দিঘা পর্যন্ত সমুদ্র সৈকত এবং রাস্তার দুই ধারে অবৈধ দখল সরাতে প্রশাসন এই কাজে নেমেছে। যদিও এখন সারা বছরই এই দিঘায় প্রচুর দর্শনার্থী থাকে। পরিবেশের ভারসাম্য এবং বাস্তুতন্ত্র ঠিক রাখতে এই কাজের প্রতি নজর দিয়েছে প্রশাসন। তবে এই বর্ষায় পর্যটকের প্রচুর ভিড় বাড়তে শুরু করেছে দিঘায়। সমুদ্রের বিচে চা, মাছ ভাজা, শঙ্খের জিনিস ও ডাবের দোকান সহ একাধিক পেশার মানুষকে রোজগার করতে দেখা যায়। কিন্তু এই উচ্ছেদের ফলে অনেক মানুষ দারুণ ভাবে প্রভাবিত হবেন বলে মনে করা হচ্ছে। তবে প্রশাসনের এই পদক্ষেপে হকারদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 56: হনুমান বললে, “ভাই, আমি বার তিথি নক্ষত্র—এসব কিছুই জানি না, আমি এক ‘রাম’ চিন্তা করি”

    Ramakrishna 56: হনুমান বললে, “ভাই, আমি বার তিথি নক্ষত্র—এসব কিছুই জানি না, আমি এক ‘রাম’ চিন্তা করি”

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বরে নরেন্দ্রাদি অন্তরঙ্গ ও অন্যান্য ভক্তসঙ্গে

    তৃতীয় পরিচ্ছেদ

    গুরুশিষ্য-সংবাদ—গুহ্য কথা

    সাত্ত্বিক ও রাজসিক জ্ঞান

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—ঈশ্বরলাভ করলে তাঁর বাহিরের ঐশ্বর্য, তাঁর জগতের ঐশ্বর্য ভুল হয়ে যায়; তাঁকে দেখলে তাঁর ঐশ্বর্য মনে থাকে না। ঈশ্বরের আনন্দ মগ্ন হলে ভক্তের আর হিসাব থাকে না। নরেন্দ্রকে দেখলে, তোর নাম কি; তোর বাড়ি কোথা—এ-সব জিজ্ঞাসা করার দরকার হয় না। জিজ্ঞাসা করবার অবসর কই? হনুমানকে একজন জিজ্ঞাসা করেছিল, আজ কি তিথি? হনুমান বললে, “ভাই, আমি বার তিথি নক্ষত্র—এ-সব কিছুই জানি না, আমি এক ‘রাম’ চিন্তা করি।”

    চতুর্থ পরিচ্ছেদ

    পূর্বকথা—শ্রীরামকৃষ্ণের প্রথম প্রেমোন্মাদ কথা—১৮৫৮

    কৃষ্ণকিশোর এঁড়েদার সাধু, হলধারী, যতীন্দ্র, জয় মুখুজ্জে, রাসমাণি

    আজ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) মহানন্দে আছেন। দক্ষিণেশ্বর কালীবাড়িতে নরেন্দ্র আসিয়াছেন। আরও কয়েকটি অন্তরঙ্গ আছেন। নরেন্দ্র ঠাকুরবাড়িতে আসিয়া স্নান করিয়া প্রসাদ পাইয়াছেন।

    আজ (৩১ শে) আশ্বিন, শুক্লা চতুর্থী তিথি; ১৬ অক্টোবর ১৮৮২, সোমবার। আগামী বৃহস্পতিবার। সপ্তমী তিথিতে শ্রীশ্রীদুর্গাপূজা।

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের কাছে রাখাল, রামলাল ও হাজরা আছেন। নরেন্দ্রের সঙ্গে আরও দুই একটি ব্রহ্মজ্ঞানী ছোকরা আসিয়াছেন। আজ মাস্টার আসিয়েছেন।

    নরেন্দ্র ঠাকুরের কাছেই আহার করিলেন। আহারান্তে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ তাঁহার ঘরের মেঝেতে বিছানা করিয়া দিতে বলিলেন, নরেন্দ্র আদি ভক্তেরা বিশেষতঃ নরেন্দ্র বিশ্রাম করিবেন। মাদুরের উপর লেপ ও বালিশ পাতা হইয়াছে। ঠাকুরও বালকের ন্যায় নরেন্দ্রের কাছে বিছানায় বসিলেন। ভক্তদের সহিত, বিশেষতঃ নরেন্দ্রের দিকে মুখ করিয়া হাসিমুখে মহা আনন্দে কথা কহিতেছেন। নিজের অবস্থা, নিজের চরিত্র, গল্পচ্ছলে বলিতেছেন।

    আরও পড়ুনঃ “পশ্চিমে বিবাহের সময় বরের হাতে ছুরি থাকে, বাংলাদেশে জাঁতি থাকে”

    আরও পড়ুনঃ “সচ্চিদানন্দলাভ হলে সমাধি হয়, তখন কর্মত্যাগ হয়ে যায়”

    আরও পড়ুনঃ “তিনি দাঁড়াইলে ঠাকুর বলিলেন, বলরাম! তুমি? এত রাত্রে?”

    আরও পড়ুনঃ “পাপ করলে তার ফল পেতে হবে! লঙ্কা খেলে তার ঝাল লাগবে না?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jaishankar UAE Visit: সংযুক্ত আরব আমিরশাহি সফরে জয়শঙ্কর, প্রথমেই গেলেন মন্দিরে

    Jaishankar UAE Visit: সংযুক্ত আরব আমিরশাহি সফরে জয়শঙ্কর, প্রথমেই গেলেন মন্দিরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংযুক্ত আরব আমিরশাহি (Jaishankar UAE Visit) সফরে গিয়েছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী ডঃ এস জয়শঙ্কর। সে দেশের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় বসেছেন তিনি। আমিরাতের বিদেশ মন্ত্রী আব্দুল্লাহ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান জানিয়েছেন দ্বিপাক্ষিক বিষয় ছাড়াও তাঁদের কথা হয়েছে গাজার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও।

    বৈঠকের আগে মন্দিরে বিদেশমন্ত্রী

    দ্বিপাক্ষিক কথার আগে সেদেশে নেমে প্রথমেই জয়শঙ্কর (Jaishankar UAE Visit) পৌঁছে গিয়েছিলেন আরব দুনিয়ার সর্ববৃহৎ মন্দিরে। ব্যাপস মন্দির নামে পরিচিত বিশাল অক্ষর পুরুষোত্তম স্বামীনারায়ণ মন্দির উদ্বোধন হয়েছিল চলতি বছর ফেব্রুয়ারি মাসে। পুরোহিতদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। মন্দির পরিদর্শন করে তিনি এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, “আবুধাবিতে অবস্থিত ব্যাপস হিন্দু মন্দির পরিদর্শন করেছি। এটি ভারত এবং আমিরশাহির দ্বিপাক্ষিক বন্ধুত্ব সহ দুনিয়ার জন্য সাংস্কৃতিক যোগাযোগের নিদর্শন। এই মন্দিরের মাধ্যমে গোটা পৃথিবীতে একটি সকারাত্মক বার্তা পৌঁছেছে।” প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই মন্দিরের উদ্বোধন করেছিলেন ছলতি বছর ১৪ ফেব্রুয়ারি। একই বছরে ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীর এই মন্দির পরিদর্শন।

    সরকার গঠনের পর প্রথম বিদেশ সফর জয়শঙ্করের (Jaishankar UAE Visit)

    প্রসঙ্গত আমিরশাহির বিদেশমন্ত্রী আব্দুল্লাহ বিন জাহিদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে আবুধাবিতে বৈঠক করেছেন জয়শঙ্কর। সেখানে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক কূটনীতি, পারস্পরিক সহযোগিতা, পরিকাঠামোগত উন্নয়ন সহ বিভিন্ন প্রসঙ্গে আলোচনা হয়েছে। গাজার সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি ভারতের অবস্থান জানিয়েছেন  জয়শঙ্কর। সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে প্রচুর প্রবাসী ভারতীয় বাস করেন। প্রায় ৩৫ লক্ষ ভারতীয়কে নিয়ে সেখানে গড়ে উঠেছে দেশের বৃহত্তম প্রবাসী গোষ্ঠী। গত কয়েক বছরের দেশটির সঙ্গে ভারতের সম্পর্কে অনেকটাই উন্নতি হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: হিজাব নিষিদ্ধ হয়ে গেল মুসলিম দেশ তাজিকিস্তানে!

    ২০১৫ সালে প্রথম সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে সেই সফরে গিয়েছিলেন মোদি। ২০২২ সালে দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। মোদি ৩.০ সরকারে বিদেশমন্ত্রী জয়শংকরের এই প্রথম কোন বিদেশ সফর।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • S Jaishankar: “সন্ত্রাসবাদ কখনওই সমর্থনযোগ্য নয়”, ‘কনিষ্কে’ হামলার বর্ষপূর্তিতে বললেন জয়শঙ্কর

    S Jaishankar: “সন্ত্রাসবাদ কখনওই সমর্থনযোগ্য নয়”, ‘কনিষ্কে’ হামলার বর্ষপূর্তিতে বললেন জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সন্ত্রাসবাদ কখনওই সমর্থন করা উচিত নয়।” যাত্রিবাহী বিমান ‘কনিষ্কে’র ওপর হামলার ৩৯তম বর্ষ পূর্তি উপলক্ষে কথাগুলি বললেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। দিনটিকে ইতিহাসে জঘন্যতম দিন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

    কনিষ্কে বিস্ফোরণ (S Jaishankar)

    ১৯৮৫ সালের ২৩ জুন লন্ডনের হিথরো বিমানবন্দরে অবতরণের মিনিট পঁয়তাল্লিশ আগে বিস্ফোরণ ঘটে কনিষ্কে। বিমানে থাকা ৩২৯ জনেরই মৃত্যু হয়। এঁদের সিংহভাগই ছিলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত কানাডিয়ান। অভিযোগ, এয়ার ইন্ডিয়ার যাত্রিবাহী ওই বিমানে হামলা চালিয়েছিল খালিস্তানপন্থীরা। ‘অপারেশন ব্লুস্টারে’র প্রতিবাদেই তারা এই হামলা চালিয়েছিল (S Jaishankar)। রবিবার এই ঘটনাকেই জয়শঙ্কর সন্ত্রাসবাদের জঘন্যতম দিন বলে উল্লেখ করেন।

    জঘন্যতম দিন

    কানাডার মাটিতে ধীরে ধীরে ঘাঁটি গাড়ছে খালিস্তানপন্থীরা। তা নিয়ে নানা সময় প্রতিবাদও জানিয়েছে ভারত। তার পরেও খালিস্তানপন্থীদের আনাগোনা বন্ধ হয়নি কানাডায়। সম্প্রতি কানাডার সংসদে খালিস্তানপন্থী জঙ্গি হরদীপ সিং নিজ্জরের স্মৃতিতে নীরবতা পালন করা হয়। তারও প্রতিবাদ করেছে ভারত। এহেন আবহে জয়শঙ্করের মন্তব্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। রবিবার এক্স হ্যান্ডেলে জয়শঙ্কর লিখেছেন, “কেন সন্ত্রাসবাদ সহ্য করা যায় না, এই বিস্ফোরণের ঘটনাই (কনিষ্কে বিস্ফোরণ) তা মনে করিয়ে দেয়।” তিনি লিখেছেন, “ইতিহাসে সন্ত্রাসবাদের জঘন্যতম দিনের ৩৯তম বর্ষপূর্তি আজ। এআই ১৮২ কনিষ্কর ৩২৯ জন মৃতের প্রতিই শ্রদ্ধা জানাই। ১৯৮৫ সালে এঁদের হত্যা করা হয়েছিল। মননে আমি সর্বদাই তাঁদের পরিবারের পাশে রয়েছি।”

    আর পড়ুন: হিজাব নিষিদ্ধ হয়ে গেল মুসলিম দেশ তাজিকিস্তানে!

    প্রসঙ্গত, গত বছরের জুন মাসে কানাডায় দুষ্কৃতীদের গুলিতে খুন হয় জঙ্গি নিজ্জর। তার পরে পরেই সে দেশের প্রধানমন্ত্রী সংসদে দাবি করেছিলেন খুনের নেপথ্যে রয়েছে ভারতের হাত। অভিযোগ অস্বীকার করে ভারত। ট্রুডোর দাবির স্বপক্ষে প্রমাণও চায় নয়াদিল্লি। এখনও সে প্রমাণ দিতে পারেনি কানাডা সরকার। নিজ্জর খুনের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে কানাডার সংসদে এক মিনিটের নীরবতা পালন করা হয়। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সংসদে সংখ্যালঘু ট্রুডো সরকার চলছে খালিস্তানপন্থী কয়েকজন শিখ সাংসদের সমর্থনে। তাই নিজের গদি বাঁচাতে ট্রুডোর সামনে এছাড়া আর অন্য কোনও পথ ছিল না। তবে ঘটনাটিকে মোটেই ভালো চোখে দেখছে না ভারত। সন্ত্রাসবাদে লাগাম না টেনে কানাডা সরকার যেভাবে বিষবৃক্ষের গোড়ায় জল দিচ্ছে, তাতে বিস্মিত ভারতের পাশাপাশি বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশও (S Jaishankar)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Terrorist in Bengal: তানিয়ার পর মহম্মদ হাবিবুল্লা, কাঁকসা থেকে জঙ্গি সন্দেহে গ্রেফতার!

    Terrorist in Bengal: তানিয়ার পর মহম্মদ হাবিবুল্লা, কাঁকসা থেকে জঙ্গি সন্দেহে গ্রেফতার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তানিয়ার পারভিনের পর এবার মহম্মদ হাবিবুল্লার নাম। তাঁকে জঙ্গি (Terrorist in Bengal) সন্দেহে গ্রেফতার করা হয়েছে। দুজনের ক্ষেত্রেই সাধারণ বিষয় হল, উভয়েই মেধাবী পড়ুয়া। কিন্তু এই কীভাবে এই মেধাবী পড়ুয়ারা জঙ্গিদের জালে ধরা পড়ছে? কেন এই জঙ্গিদের জাল কেটে বের হতে পারছে না, এই বিষয়ে উঠছে প্রশ্ন। তারা প্রত্যেক কাজের মধ্যে দিয়ে নিজেকে যেমন বিপদে ফেলছে, ঠিক একইভাবে ফেলেছে দেশ-সমাজ-রাষ্ট্রকেও। যেখানে মেধাবী পড়ুয়াদের মেধা দেশের উন্নতি-প্রগতির জন্য ব্যবহার করা উচিত, সেখানে এই মেধা ধ্বংসের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। এই নিয়ে উঠছে বিস্তর প্রশ্ন।

    দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র হবিবুল্লা (Terrorist in Bengal)

    হাবিবুল্লা পূর্ব বর্ধমানের বুদবুদ থানার মানকর কলেজের কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। বাংলাদেশে সক্রিয় জঙ্গি সংগঠনের (Terrorist in Bengal) মধ্যে হল আনসার-আল-ইসলাম এবং শাহদাত। তদন্তকারী সংস্থা এসটিএফ জানিয়েছে, হাবিবুল্লা আনসার-আল-ইসলামের সঙ্গে সংযুক্ত থাকার সূত্র মিলেছে। ওই জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে সামাজিক মাধ্যমে নানান তথ্যের আদান-প্রদান চলত বলে জানা গিয়েছে। এই নিয়ে আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের অন্তর্গত কাঁকসা থানায় মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, হাবিবুল্লার ভাই অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রকেও গ্রেফতার করা হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃমুসলমান পরিচয় গোপন রেখে বাংলাদেশি যুবক পড়েছেন নন্দীগ্রামের মাদ্রাসায়! চাঞ্চল্যকর তথ্য

    আগেও জঙ্গি গ্রেফতার হেয়েছে

    আগে উত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়া থেকে স্থানীয় কলেজের দ্বিতীয়বর্ষের ছাত্রী তানিয়া পারভিনকে গ্রেফতার করেছিল রাজ্য পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স। জঙ্গিযোগের (Terrorist in Bengal) সন্দেহে তাকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। তদন্তে নেমে এনআইএ জানতে পেরেছিল, নিয়মিত পাকিস্তানের লস্কর কমান্ড্যারের সঙ্গে যোগরেখে চলত তানিয়া। বাদুড়িয়ায় বসেই জঙ্গি মডিউল তৈরি করেছিল সে। এনআইএ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, কাশ্মীরের বন্দিপোরার বাসিন্দা আলতাফ নামে স্কুলের শিক্ষকদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল তানিয়ার। এই আলতাফ বাদুড়িয়া থেকে পাকিস্তানের সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দিয়েছিল। আরও জানা গিয়েছে আলতাফ কম বয়সী যুবক-যুবতীদের টার্গেট করে জঙ্গি সংগঠনের সদস্যপদ পাইয়ে দেওয়ার কাজ করত। তানিয়ার সঙ্গে আলতাফের সামাজিক মাধ্যমে যোগাযোগ হয়। এরপর লস্ক-ই-তৈবা নামক পাকিস্তানের জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হয় তানিয়া। কীভাবে তানিয়া ও হাবিবুল্লার (Terrorist in Bengal) মতো যুবক-যুবতীরা এই ভাবে নাশকতা মূলক কাজে যুক্ত হয়, তাই নিয়ে ভাবাচ্ছে সাধারণ মানুষকে।    

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • China-Pakistan nexus: চিন-পাকিস্তান যোগসাজশ! কাশ্মীরে জঙ্গিদের থেকে উদ্ধার চিনা টেলিকম সরঞ্জাম

    China-Pakistan nexus: চিন-পাকিস্তান যোগসাজশ! কাশ্মীরে জঙ্গিদের থেকে উদ্ধার চিনা টেলিকম সরঞ্জাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি জম্মু-কাশ্মীরে নিরাপত্তা বাহিনীর এনকাউন্টারে জঙ্গি মৃত্যুর পর সেখান থেকে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে চিনা টেলিকম সরঞ্জাম-“আল্ট্রা সেট” (Chinese telecom gear)। স্বাভাবিকভাবেই এই ঘটনার পর প্রশ্ন উঠছে যে, জঙ্গিদের কাছে কীভাবে এই চিনা টেলিকম যন্ত্র গুলি এল? তবে কী সন্ত্রাসবাদে এই জঙ্গিদের সঙ্গে চিনের কোনও যোগসাজশ (China-Pakistan nexus) রয়েছে! এই সবকিছু মিলিয়ে তৈরি হচ্ছে ধোঁয়াশা। 

    জঙ্গিদের কাছ থেকে বাজেয়াপ্ত চীনা সরঞ্জাম 

    এ প্রসঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর আধিকারিকরা জানিয়েছেন, জঙ্গিদের দ্বারা ব্যবহৃত এই মোবাইল হ্যান্ডসেটগুলি, প্রাথমিকভাবে পাকিস্তান এবং পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর থেকে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ফলে এটা পরিষ্কার ইঙ্গিত (China-Pakistan nexus) করছে যে জঙ্গি গোষ্ঠীগুলি পাকিস্তান থেকেই অস্ত্র এবং গোলাবারুদ সম্পর্কে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, নিরাপত্তা বাহিনী জম্মু ও কাশ্মীরে দুটি পৃথক এনকাউন্টারে জঙ্গিদের কাছ থেকে এই চিনা সরঞ্জাম বাজেয়াপ্ত করেছে। এই বিশেষ হ্যান্ডসেটগুলি পাকিস্তান সেনাবাহিনীর জন্য শুধুমাত্র চিনা কোম্পানি দ্বারা কাস্টমাইজ করা হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।    

    আরও পড়ুন: শেষ মুহূর্তের গোলে কোনও মতে মানরক্ষা জার্মানির! আর অন্যদিকে ইউরো থেকে ছুটি হল স্কটল্যান্ডের

    কীভাবে ব্যবহৃত হয় এই টেলিকম যন্ত্রগুলি? (Chinese telecom gear) 

    জানা গিয়েছে বাজেয়াপ্ত হওয়া টেলিকম যন্ত্রগুলি একটি বিশেষ রেডিও সরঞ্জামের সঙ্গে সেল ফোনের ক্ষমতাকে একত্রিত করে যা গ্লোবাল সিস্টেম ফর মোবাইল (GSM) বা কোড-ডিভিশন মাল্টিপল অ্যাক্সেস (CDMA) এর মতো প্রথাগত মোবাইল প্রযুক্তির উপর নির্ভর করে না। এ প্রসঙ্গে কর্মকর্তারা বলেছেন যে, ডিভাইসটি বার্তা প্রেরণ এবং অভ্যর্থনার জন্য রেডিও তরঙ্গে কাজ করে। প্রতিটি “আল্ট্রা সেট” (Chinese telecom gear) সীমান্তের ওপারে অবস্থিত একটি স্টেশনের সাথে সংযুক্ত। তবে দুটি “আল্ট্রা সেট” একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে পারে না। এছাড়াও জানা গিয়েছে যে চীনা স্যাটেলাইটগুলি মূলত নিজেদের মধ্যে বার্তাগুলি বহন করার জন্যই ব্যবহার করা হয়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share