Tag: news in bengali

news in bengali

  • Ramakrishna 200: “তুমি সন্ধ্যা তুমি গায়ত্রী, তুমি জগধাত্রী, গো মা, তুমি অকুলের ত্রাণকর্ত্রী, সদাশিবের মনোরমা”

    Ramakrishna 200: “তুমি সন্ধ্যা তুমি গায়ত্রী, তুমি জগধাত্রী, গো মা, তুমি অকুলের ত্রাণকর্ত্রী, সদাশিবের মনোরমা”

    ভক্তসঙ্গে শ্রীরামকৃষ্ণ

    অষ্টম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৩, ২৭শে মে

    দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে শ্রীরামকৃষ্ণ

    জগন্মাতার পূজা ও আত্মপূজা—‘বিপদনাশিনী’ মন্ত্র ও নৃত্য 

    ঠাকুর (Ramakrishna) গঙ্গাস্নান করিয়া কালীঘরে গিয়াছেন। সঙ্গে মাস্টার। ঠাকুর পূজার আসনে উপবিষ্ট হইয়া, মার পাদপদ্মে ফুল দিতেছেন, মাঝে মাঝে নিজের মাথায়ও দিতেছেন ও ধ্যান করিতেছেন।

    অনেকক্ষণ পরে ঠাকুর আসন হইতে উঠিলেন। ভাবে বিভোর, নৃত্য করিতেছেন। আর মুখে মার নাম করিতেছেন। বলিতেছেন, “মা বিপদনাশিনী গো, বিপদনাশিনী!” দেহধারণ করলেই দুঃখ বিপদ, তাই বুঝি জীবকে শিখাইতেছেন তাঁহাকে ‘বিপদনাশিনী’ এই মহামন্ত্র উচ্চারণ (Kathamrita) করিয়া কাতর হইয়া ডাকিতে।

    পূর্বকথা—শ্রীরামকৃষ্ণ ও ঝামাপুকুরের নকুড় বাবাজী 

    এইবার ঠাকুর (Ramakrishna) নিজের ঘরের পশ্চিম বারান্দায় আসিয়া উপবিষ্ট হইয়াছেন। এখনও ভাবাবেশ রহিয়াছে। কাছে রাখাল, মাস্টার, নকুড়, বৈষ্ণব প্রভৃতি। নকুড় বৈষ্ণবকে ঠাকুর ২৮/২৯ বৎসর ধরিয়া জানেন। যখন তিনি প্রথম কলিকাতায় আসিয়া ঝামাপুকুরে ছিলেন ও বাড়ি বাড়ি পূজা করিয়া বেড়াইতেন, তখন নকুড় বৈষ্ণবের দোকানে আসিয়া মাঝে মাঝে বসিতেন ও আনন্দ (Kathamrita) করিতেন। পেনেটীতে রাঘব পণ্ডিতের মহোৎসবে উপলক্ষে নকুড় বাবাজী ইদানীং ঠাকুরকে প্রায় বর্ষে বর্ষে দর্শন করিতেন। নকুড় ভক্ত বৈষ্ণব, মাঝে মাঝে তিনিও মহোৎসব দিতেন। নকুড় মাস্টারের প্রতিবেশী। ঠাকুর ঝামাপুকুরে যখন ছিলেন, গোবিন্দ চাটুজ্যের বাড়িতে থাকিতেন। সেই পুরাতন বাটী নকুড় মাস্টারকে দেখাইয়াছিলেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ জগন্মাতার নামকীর্তনানন্দে 

    ঠাকুর ভাবাবেশে গান গাইতেছেন:

    কীর্তন

    (১)।        সদানন্দময়ী কালী, মহাকালের মনোমোহিনী ৷
    তুমি আপন সুখে আপনি নাচ, আপনি দাও মা করতালি ৷৷
    আদিভূতা সনাতনী, শূন্যরূপা শশিভালি ৷
    ব্রহ্মাণ্ড ছিল না যখন (তুই) মুণ্ডমালা কোথায় পেলি ৷৷
    সবে মাত্র তুমি যন্ত্রী, আমরা তোমার তন্ত্রে চলি ৷
    যেমন করাও তেমনি করি মা, যেমন বলাও তেমনি বলি ৷৷
    নির্গুণে কমলাকান্ত দিয়ে বলে মা গালাগালি ৷
    সর্বনাশী ধরে অসি ধর্মাধর্ম দুটো খেলি ৷৷

    (২)।       আমার মা ত্বং হি তারা
    তুমি ত্রিগুণধরা পরাৎপরা।
    আমি জানি মা ও দীন-দয়াময়ী, তুমি দুর্গমেতে দুখহরা ৷
    তুমি সন্ধ্যা তুমি গায়ত্রী, তুমি জগধাত্রী, গো মা
    তুমি অকুলের ত্রাণকর্ত্রী, সদাশিবের মনোরমা ৷
    তুমি জলে, তুমি স্থলে, তুমি আদ্যমূলে গো মা
    আছ সর্বঘটে অর্ঘ্যপুটে সাকার আকার নিরাকারা।

    (৩)।       গোলমালে মাল রয়েছে, গোল ছেড়ে মাল বেছে নাও।

    (৪)।       মন চল যাই, আর কাজ নাই, তারাও ও তালুকে রে!

    (৫)।       পড়িয়ে ভবসাগরে, ডোবে মা তনুর তরী;
    মায়া-ঝড় মোহ-তুফান ক্রমে বাড়ে গো শঙ্করী।

    (৬)।       মায়ে পোয়ে দুটো দুখের কথা কি।
    কারুর হাতির উপর ছি, কারু চিঁড়ের উপর খাসা দই ৷

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “আবার সেই সমাধি! আবার নিস্পন্দন দেহ, স্তিমিতি লোচন, দেহ স্থির

    আরও পড়ুনঃ দেখিয়াই ঠাকুর উচ্চহাস্য করিয়া ছোকরাদের বলিয়া উঠিলেন, “ওই রে আবার এসেছে”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 199: “গোপীদের এমনি নিষ্ঠা বৃন্দাবনের মোহনচূড়া, পীতধড়াপরা রাখালকৃষ্ণ ছাড়া আর কিছু ভালবাসবে না”

    Ramakrishna 199: “গোপীদের এমনি নিষ্ঠা বৃন্দাবনের মোহনচূড়া, পীতধড়াপরা রাখালকৃষ্ণ ছাড়া আর কিছু ভালবাসবে না”

    ভক্তসঙ্গে শ্রীরামকৃষ্ণ

    অষ্টম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৩, ২৭শে মে

    দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে শ্রীরামকৃষ্ণ

    ঠাকুর (Ramakrishna) শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে নিজের ঘরে দাঁড়াইয়া আছেন ও ভক্তসঙ্গে কথা কহিতেছেন (Kathamrita)। আজ রবিবার, ১৪ই জ্যৈষ্ঠ, কৃষ্ণা পঞ্চমী; ২৭শে মে, ১৮৮৩ খ্রীষ্টাব্দ। বেলা ৯টা হইবে। ভক্তেরা ক্রমে ক্রমে আসিয়া জুটিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (মাস্টার প্রভৃতি ভক্তদের প্রতি)—বিদ্বেষভাব ভাল নয়, শাক্ত, বৈষ্ণব, বৈদান্তিক এরা ঝগড়া করে, সেটা ভাল নয়। পদ্মলোচন বর্ধমানের সভাপণ্ডিত ছিল; সভায় বিচার হচ্ছিল,—শিব বড় না ব্রহ্মা বড়। পদ্মলোচন বেশ বলেছিল—আমি জানি না, আমার সঙ্গে শিবেরও আলাপ নেই, ব্রহ্মারও আলাপ নেই। (সকলের হাস্য)

    “ব্যাকুলতা থাকলে সব পথ দিয়েই তাঁকে পাওয়া যায়। তবে নিষ্ঠা থাকা ভাল। নিষ্ঠাভক্তির আর-একটি নাম অব্যভিচারিণী ভক্তি। যেমন এক ডেলে গাছ, সোজা উঠেছে। ব্যভিচারিণী ভক্তি যেমন পাঁচ ডেলে গাছ। গোপীদের এমনি নিষ্ঠা যে, বৃন্দাবনের মোহনচূড়া, পীতধড়াপরা রাখালকৃষ্ণ ছাড়া আর কিছু ভালবাসবে না। মথুরায় যখন রাজবেশ, পাগড়ি মাথায় কৃষ্ণকে (Ramakrishna) দর্শন করলে তখন তারা ঘোমটা দিলে। আর বললে, ইনি আবার কে? এঁর সঙ্গে আলাপ করে আমরা কি দ্বিচারিণী হব?

    “স্ত্রী যে স্বামীর সেবা করে সেও নিষ্ঠাভক্তি, দেবর ভাসুরকে খাওয়ায়, পা ধোয়ার জল দেয়, কিন্তু স্বামীর সঙ্গে অন্য সম্বন্ধ। সেইরূপ নিজের ধর্মতেও নিষ্ঠা হতে পারে। তা বলে অন্য ধর্মকে ঘৃণা (Kathamrita) করবে না। বরং তাদের সঙ্গে মিষ্ট ব্যবহার করবে।”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “আবার সেই সমাধি! আবার নিস্পন্দন দেহ, স্তিমিতি লোচন, দেহ স্থির

    আরও পড়ুনঃ দেখিয়াই ঠাকুর উচ্চহাস্য করিয়া ছোকরাদের বলিয়া উঠিলেন, “ওই রে আবার এসেছে”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indian Coast Guard: আন্দামান জলসীমায় ভারতীয় নৌবাহিনীর বড়সড় সাফল্য, ৫ টন মাদক উদ্ধার

    Indian Coast Guard: আন্দামান জলসীমায় ভারতীয় নৌবাহিনীর বড়সড় সাফল্য, ৫ টন মাদক উদ্ধার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাদক চোরাচালান রুখতে ভারতীয় নৌসেনার (Indian Coast Guard) বড়সড় সাফল্য। আন্দামান সমুদ্র (Andaman water) সীমায় ৫ টন মাদক আটক করেছে ভারতীয় নৌসেনা। প্রতিরক্ষা বাহিনীর তরফ থেকে বলা হয়েছে, একটি মাছ ভর্তি নৌকায় করে এই মাদক পাচারের চক্র ফাঁদা হয়েছিল। অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা গিয়েছে। ইতিমধ্যে এই সাফল্যে বিরাট চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    চোরাকারবারকে আটক করতে সক্ষম (Indian Coast Guard)

    ভারতীয় নৌসেনার (Indian Coast Guard) প্রতিরক্ষা দফতর সূত্রে বলা হয়েছে, “ভারতীয় উপকূল বাহিনীর বিশেষ অভিযানে আন্দামান জলসীমার (Andaman water) কাছ থেকে একটি মাছ ধরার নৌকায় প্রায় ৫ টনের বেশি একটি বিরাট চোরাকারবারকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে। তবে এই অভিযান ভারতীয় উপকূল রক্ষীর কাছে সব থেকে বড় মাদক পাচার চক্র ফাঁসের ঘটনা। ঘটনার সম্পূর্ণ তদন্ত করতে ইতিমধ্যে তল্লাশি চলাচ্ছে বাহিনী। সন্দেহজনক নানা সূত্র ধরে সবরকম তল্লাশি শুরু করেছে তদন্তকারী অফিসারেরা।”

    ৭০০ কিলোগ্রাম মেথামফেটামিন বাজেয়াপ্ত হয়েছিল

    সমুদ্রপথে (Andaman water) মাদক দ্রব্যপাচারের সঙ্গে যুক্ত একাধিক এজেন্সিগুলির চোরাচালানে এইবারের অভিযানে বিরাট ধাক্কা খেয়েছে বলে মনে করছেন নিরাপত্তা এবং সুরক্ষা বিশেজ্ঞরা। উল্লেখ্য এই মাসের শুরুর দিকে একটি বিশাল মাদকদ্রব্য পাচারের অভিযান চালিয়েছিল নিরাপত্তা রক্ষীরা (Indian Coast Guard)। সেই সময় এই অভিযানে ৭০০ কিলোগ্রাম মেথামফেটামিন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। মূলত গুজরাট উপকূল থেকে ভারতীয় আঞ্চলিক জলসীমা বরাবার এলাকা থেকে ৮ জন ইরানি নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়েছিল। কোডনাম সাগর মন্থন-৪ গোয়েন্দাদের গোপন তথ্যের উপর নির্ভর করে এই অভিযান চালানো হয়েছিল। একই ভাবে এনসিবি একটি বিবৃতি দিয়ে স্পষ্ট ভাবে জানিয়েছে, এই জাহাজগুলিকে এখন থেকে সমুদ্রে বিশেষ নজরদারিতে রাখার নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে সন্দেহজনক জাহাজগুলিকে এখন থেকে জিজ্ঞাসাবাদ এবং তল্লাশি করা হবে।    

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Vastu Shastra: বাস্তুমতে বাড়ির কোনদিকে করা উচিত শৌচাগার?

    Vastu Shastra: বাস্তুমতে বাড়ির কোনদিকে করা উচিত শৌচাগার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাড়ি তৈরির সময় বাস্তু মেনেই অনেকে তৈরি করেন রান্নাঘর, ঠাকুরঘর, পড়াশোনার কক্ষ বা শয়নকক্ষ ইত্যাদি। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, বাস্তুর নিয়ম অনুযায়ী সঠিক স্থানে শৌচালয় (Toilet) তৈরি করাও জরুরি। শৌচালয়ের কোমোড কোন দিকে রাখবেন! সেটাও তৈরি করা উচিত বাস্তুর নিয়ম মেনে। বাস্তুশাস্ত্রবিদরা (Vastu Shastra) জানাচ্ছেন, ভুল দিকে নির্মিত শৌচালয় আর্থিক লোকসান, স্বাস্থ্য সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। কী ভাবে ও কোন দিকে শৌচালয় তৈরি করবেন, সেনিয়েই আজকে আমাদের প্রতিবেদনে আলোচনা করব।

    উত্তর-পশ্চিম দিকে করা উচিত শৌচালয় (Vastu Shastra)

    বাস্তু অনুযায়ী, বাড়ির উত্তর-পশ্চিম বা উত্তর দিকে ডাস্টবিন রাখা উচিত। তাই এই দিকেই শৌচালয় তৈরি করতে বলছেন বাস্তুবিদরা। এর ফলে পরিবারে নেতিবাচক শক্তি ধ্বংস হবে এবং শুভ শক্তি বিস্তার লাভ করবে।

    কোন দিকে শৌচালয় বানাবেন না?

    বাস্তুবিদরা (Vastu Shastra) জানাচ্ছেন, পূর্ব অথবা উত্তর পূর্ব দিকে ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক কাজ করা হয়ে থাকে। তাই বাড়ির এই অংশে কখনও শৌচালয় তৈরি করতে নেই। মনে করা হয়, এর ফলে পারিবারিক সুখ-সমৃদ্ধিতে ব্যাপক প্রতিকূল প্রভাব পড়ে। পরিবারের সদস্যদেরও সুখ-সৌভাগ্য প্রভাবিত হয়।

    কোথায় রাখবেন কোমোড?

    শৌচালয়ের (Toilet) মধ্যে কোমোড কোথায় রাখবেন? এনিয়ে বাস্তুশাস্ত্রবিদরা জানাচ্ছেন, কোমোড সব সময় এমন দিকে রাখা উচিত, যাতে তা ব্যবহারের সময় ব্যক্তির মুখ বাড়ির উত্তর বা দক্ষিণ দিকে থাকে। এর ফলে পরিবারের সদস্যদের স্বাস্থ্য ভালো থাকে।

    বাড়ির মাঝখানে শৌচালয়ে বানাবেন না

    বাড়ির কেন্দ্র স্থানে অধিক শক্তি বিদ্যমান থাকে বলে মনে করা হয় বাস্তুশাস্ত্রে। একে ব্রহ্মস্থানও বলা হয়। বাস্তুশাস্ত্রবিদরা তাই বাড়ির মধ্য অংশে শৌচালয় বানাতে নিষেধ করছেন। এর ফলে পরিবার ও পরিবারের সদস্যদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে বলে মনে করা হয়। শুধু বাড়িই নয়, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানেও এমন করতে নেই।

    বাথরুমের দরজা কী দিয়ে তৈরি করবেন?

    বাস্তুবিদরা জানাচ্ছেন, শৌচালয়ের দরজা কোনও ধাতু দিয়ে তৈরি হলে, সেখান থেকে নেতিবাচক শক্তি বৈঠকখানায় এসে পৌঁছয়, যা ইতিবাচক শক্তির ওপর প্রভাব বিস্তার করে। তাই নিজের বাথরুমে কাঠের দরজা লাগাতেই পরামর্শ দিচ্ছেন বাস্তুবিদরা। এর ফলে শৌচালয় থেকে নির্গত নেতিবাচক শক্তির প্রভাব অনেকখানি কম করা যাবে। পূর্ব দিক ধর্মীয় অনুষ্ঠানের জন্য শুভ মনে করা হয়। তাই বাথরুমের মুখোমুখি ঠাকুরঘর বানাতে নিষেধ করছেন বাস্তুবিদরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jyotiraditya Scindia: ২০২৭ সালের মধ্যেই ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশে উন্নীত হবে, বললেন জ্যোতিরাদিত্য

    Jyotiraditya Scindia: ২০২৭ সালের মধ্যেই ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশে উন্নীত হবে, বললেন জ্যোতিরাদিত্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বে ২০২৭ সালের মধ্যেই ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির (Largest Economy) দেশে উন্নীত হবে। ভারত ও জার্মানি-দুই দেশের বন্ধনকে আরও নিবিড় করতে স্টুটগার্ট শহরে আয়োজিত হয়ে হয়েছিল বিশেষ অনুষ্ঠান। এই অনুষ্ঠানের প্রথম দিনে ভারত-জার্মানির দৃঢ় বন্ধনের কথা তুলে ধরেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া (Jyotiraditya Scindia)।

    ঠিক কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (Largest Economy)?

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া (Jyotiraditya Scindia) এদিন মোদি সরকারের কাজের কথা তুলে ধরে বলেন, “গত দশ বছরে এক বিরাট পরিবর্তন (Largest Economy) এসেছে দেশ জুড়ে। ভারত এক অদ্ভূত পরিবর্তনের দিকে এগিয়ে গিয়েছে। গোটা বিশ্ব এখন সেই স্বীকৃতি দিতে বাধ্য হয়েছে। এই রূপান্তর ভারতের চাহিদার অন্যতম কারণ হিসেবে বলা যায়। মোদির নির্দেশনায় ভারত এক নতুন উচ্চতা শিখরে পৌঁছে গিয়েছে। দেশ যে কেবল নিজের পরিবর্তনের জন্য এগিয়ে গিয়েছে তা নয়, উন্নয়নের নিরিখে ১৮০ ডিগ্রি রূপান্তর ঘটেছে ভারতের। উন্নয়ন কেবলমাত্র সংখ্যাতত্ত্বের বিচার নয়। আদতে লক্ষ্য এমন হওয়া উচিত যেখানে প্রকল্প, সুবিধা, পরিষেবাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। দেশকে দিশা দেখাতে এই ভাবনার একান্ত প্রয়োজন।”

    আর কি বললেন?

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া (Jyotiraditya Scindia) আরও বলেন, “গত ১০ বছরে আমরা ১০ মিলিয়ন বাড়ি তৈরি করেছি। একই সময়ে সারা দেশে ১২০ মিলিয়নেরও বেশি শৌচালয় তৈরি করা হয়েছে, এই উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলোকে একটি ডিজিটাল সিস্টেমে স্থানান্তরিত করাও হয়েছে। আজ ভারতীয় কোম্পানি, ভারতের নামীদামি বহুজাতিক সংস্থাগুলো নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আর তার ফল চেইন সিস্টেমে বিস্তৃত হচ্ছে দেশে। দেশের বাজার এবং বহিঃদেশীয় বাজারে বিরাট প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে ভারত। খুব দ্রুত চতুর্থ অর্থনীতির (Largest Economy) দেশে পরিণত হবে ভারত এবং আগামী ২০২৭ সালের মধ্যে বিশ্বের তৃতীয় অর্থনীতির দেশে পরিণত হবে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Maharashtra: উদ্ধব বা রাজ নয়! বালাসাহেবের রাজনৈতিক ‘উত্তরাধিকার’ রইল শিন্ডের হাতে

    Maharashtra: উদ্ধব বা রাজ নয়! বালাসাহেবের রাজনৈতিক ‘উত্তরাধিকার’ রইল শিন্ডের হাতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত বালাসাহেব ঠাকরের ‘উত্তরাধিকার’ রইল না ঠাকরে পরিবারের হাতে। ২০২৪ সালের বিধানসভা ভোটের ফলাফল স্পষ্ট করে দিল গুরু বালাসাহের ‘রাজনৈতিক উত্তরসূরি’ এখন একনাথ শিন্ডে। মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) মুখ্যমন্ত্রিত্ব, অবিভক্ত শিবসেনার নির্বাচনী প্রতীক ‘তির-ধনুক’ থেকে নাম সবটাই ঠাকরে পরিবারের হাত থেকে নিয়ে নিয়েছিলেন একনাথ শিন্ডে। এবার মারাঠি ভোটব্যাঙ্কও গেল শিন্ডের কাছেই। ২৮৮ আসনের মহারাষ্ট্র বিধানসভায় বিজেপির নেতৃত্বাধীন জোট এনডিএ-র সহযোগী হিসাবে ৮১টি আসনে লড়ে ৫৬টিতে জিততে চলছে শিন্ডেসেনা। তাদের ঝুলিতে গিয়েছে প্রায় ১৩ শতাংশ ভোট। অন্য দিকে, কংগ্রেসের সহযোগী উদ্ধবসেনা ২০-র বেশি আসনে জিততে পারেনি। অন্যদিকে রাজ ঠাকরের দল একটিও আসন পায়নি। বালাসাহেবের ব্যাটন তাই এখন শিন্ডের হাতে বলাই যায়।

    পরাস্ত উদ্ধব ঘনিষ্ঠরা

    উদ্ধব-পুত্র আদিত্য জিতেছেন মুম্বইয়ের ওরলিতে এবং তাঁর তুতো তাই বরুণ সরদেশাই বান্দ্রা পূর্ব আসনে জিতেছেন। তবে বাদবাকি সব হেভিওয়েটই ধরাশায়ী হয়েছেন মারাঠাভূমে (Maharashtra)। রাজন বিচারে, সুনীল প্রভুর মতো ঠাকরে পরিবারের বিশ্বস্ত সহযোগীরা হেরেছেন। শিন্ডে নিজে ঠাণে জেলায় তাঁর আসন কোপরি-পাচপাখাড়িতে হারিয়েছেন নিজের রাজনৈতিক গুরু প্রয়াত আনন্দ দিঘের ভাইপো কেদারকে। দীপক কেশরকর (সাওয়ন্তওয়াড়ি), উদয় সাওয়ন্ত (রত্নগিরি), সঞ্জয় রাঠৌরের (দিগরস) মতো একনাথ শিন্ডের ঘনিষ্ঠেরাও জিতেছেন। কংগ্রেস ছেড়ে আসা সঞ্জয় নিরুপম জিতেছেন দিন্দোসি কেন্দ্র থেকে।

    শিন্ডের উত্থানকাহিনি (Maharashtra)

    মহারাষ্ট্রে ২০১৯ সালে শেষ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ও অবিভক্ত শিবসেনা জোট করেই লড়েছিল। শিবসেনা-বিজেপি জোট ভাঙে ভোটের পরে। বিজেপির সঙ্গ ছেড়ে ভিন্ন মতাদর্শের শরদ পাওয়ারের এনসিপি এবং কংগ্রেসের সঙ্গে হাত মেলান উদ্ধব। এরপর এনসিপি বিধায়ক এবং শরদ পাওয়ারের ভাইপো অজিত পওয়ারের সমর্থনে মুখ্যমন্ত্রী হন বিজেপির দেবেন্দ্র ফড়ণবীস। তবে সরকার পড়ে যায় দুদিন পরেই। এর পরে শিবসেনা, এনসিপি এবং কংগ্রেসের জোট সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হন উদ্ধব ঠাকরে। শিন্ডে হন (Eknath Shinde) নগরোন্নয়ন ও পূর্ত দফতরের মন্ত্রী।

    শিন্ডে কীভাবে হলেন মুখ্যমন্ত্রী?

    ২০২২ সালের ২০ জুন একদল শিবসেনা বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে নিখোঁজ হন শিন্ডে। গুজরাত-অসম-গোয়ায় তিনি বিক্ষুব্ধ বিধায়কদের নিয়ে ঘুরতে থাকেন। বোঝা যায়, শিবসেনার (Maharashtra) অধিকাংশ বিধায়কই শিন্ডের সঙ্গে রয়েছেন। এরপরে নিরুপায় উদ্ধব ঠাকরে ইস্তফা দেন। ৩০ জুন বিজেপিকে সঙ্গে নিয়ে নতুন সরকার গড়েন শিন্ডে। উপমুখ্যমন্ত্রী হন বিজেপির ফডণবীস। এর পরে ২০২৩ সালের জুলাই মাসে এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ারের ভাইপো অজিতও কাকার দলের অধিকাংশ বিধায়ককে নিয়ে এনডিএ-তে শামিল হন। পান উপমুখ্যমন্ত্রী পদ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: দেশজুড়ে উপনির্বাচনে গেরুয়া ঝড়, শক্তি বাড়াল বিজেপি, হতাশাব্যঞ্জক ফল কংগ্রেস জোটের

    BJP: দেশজুড়ে উপনির্বাচনে গেরুয়া ঝড়, শক্তি বাড়াল বিজেপি, হতাশাব্যঞ্জক ফল কংগ্রেস জোটের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুধু মহারাষ্ট্র নয়, দেশের ৪৮টি বিধানসভা উপনির্বাচনে দূর্দান্ত ফল করল বিজেপি (BJP)। একইসঙ্গে কংগ্রেস তথা বিরোধী জোট ইন্ডিয়ার ফল যথেষ্ঠ হতাশাব্যঞ্জক। বিধায়করা লোকসভা নির্বাচনে জয়ী হওয়ায় দেশের বেশ কয়েকটি আসনে বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন (By Elections) অনুষ্ঠিত হয়। কিছু আসনে অবশ্য বিধায়কদের মৃত্যু কিংবা দলবদলের কারণেও এই ভোটগ্রহণ হয়। কংগ্রেস এবং বিরোধী জোট ইন্ডিয়াকে একেবারে কোণঠাসা করে কিস্তিমাত করল নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি। দেশজুড়ে বহু আসনে, জেতা সিট মাঝপথে খুইয়ে চাপে পড়ল কংগ্রেস, এসপি, আরজেডির মতো বিরোধী শিবিরের দলগুলি।

    যোগী রাজ্যে বিপুল জয় বিজেপির (BJP)

    যোগী রাজ্যে সবচেয়ে বেশি ৯টি আসনে বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন হয়েছিল। নয় আসনের মধ্যে ছ’টিতে জিতল বিজেপি (BJP)। একটিতে বিজেপির জোটসঙ্গী দল আরএলডি জিতেছে। মাত্র দু’টিতে জিততে সক্ষম হয়েছে অখিলেশের এসপি। উল্টে এসপি-র হাতে থাকা দু’টি আসন ছিনিয়ে নিতে সক্ষম হয়েছে বিজেপি। শনিবার যোগী আদিত্যনাথ নিজের এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, ‘‘উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা উপনির্বাচনে বিজেপি-এনডিএ-এর এই জয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফল নেতৃত্ব ও নির্দেশনার প্রতি মানুষের অটল বিশ্বাসের প্রমাণ।’’ যোগী আদিত্যনাথ আরও লিখেছেন, ‘‘এই জয় ডাবল ইঞ্জিন সরকারের সুরক্ষা, সুশাসন ও জনকল্যাণমূলক নীতি এবং নিবেদিতপ্রাণ কর্মীদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফল। আমি উত্তর প্রদেশের ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি, যারা উত্তর প্রদেশের সুশাসন ও উন্নয়নের জন্য ভোট দিয়েছেন এবং সমস্ত জয়ী প্রার্থীদের আন্তরিক অভিনন্দন জানাই! বাটেঙ্গে তো কাটেঙ্গে। এক রেহেঙ্গে-সেফ রেহেঙ্গে।’’

    অসম থেকে বিহার সর্বত্র বিজেপির জয়জয়কার

    অসমে পাঁচটি বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে বিজেপি তিনটি আসন নিজেদের দখলে রাখতে পেরেছে। একটি আসন কংগ্রেসের হাত থেকে ছিনিয়ে নিতে পেরেছে গেরুয়া শিবির (BJP)। রাজস্থানেও অব্যাহত বিজেপির ঝড় ও কংগ্রেসের শক্তিক্ষয়। সেখানে সাতটি বিধানসভা আসনের মধ্যে পাঁচটি নিজেদের দখলে রেখেছে বিজেপি। বিহারে চারটি বিধানসভা আসনে উপনির্বাচন হয়েছিল। চারে চার দখল করেছে এনডিএ জোট। চারটি আসনের মধ্যে বিজেপি জয়লাভ করেছে দুটি আসন। অন্যদিকে বাকি দুটি আসনের মধ্যে একটি পেয়েছে নীতীশ কুমারের জনতা দল ইউনাইটেড (জেডিইউ)। আরেকটি জিতন রাম মাঞ্জির হিন্দুস্তানি আওয়ামি মোর্চা (হাম)।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Post: ‘লজিস্টিক পোস্ট’ ও ‘মোবাইল পার্সেল ভ্যান’ পরিষেবা চালু করল ভারতীয় ডাকঘর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় ডাকঘরের (India Post) হাতে এখন নতুন দুই প্রকল্প। এক দিকে ‘লজিস্টিক পোস্ট’ (Logistic Post) এবং অপর দিকে ‘মোবাইল পার্সেল ভ্যান’-এই দুই পরিষেবা দেবে ডাকঘর। ফলে এখন থেকে গ্রাহকেরা দেশের মধ্যে যে কোনও জায়গায় এবং পাশপাশি বিদেশেও পণ্য পাঠাতে পারবেন। দুই ক্ষেত্রেই গ্রাহকের বাড়ি থেকে দ্রব্য তুলে নিয়ে গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়া হবে। অনেকই ভাবছেন, এতে উপকৃত হবেন অনেক দর্শক।

    ৩৫ কেজি পণ্য পৌঁছে দেবে(India Post)

    ভারতীয় ডাক বিভাগ (India Post) সূত্রে খবর, ৩৫ কেজি পর্যন্ত ওজনের পণ্য পৌঁছে দেবে মোবাইল পার্সেল ভ্যান পরিষেবায়। তারপর তিন টন পর্যন্ত ওজন হলে লজিস্টিক পোস্ট। এই মাসের প্রথমেই বীরভূমের সিউড়ি থেকে দিঘা পর্যন্ত পরিষেবা দেওয়া হয়েছে। তবে এই পরিষেবা কেবল মাত্র ব্যবসায়িক পণ্য পরিবহণের কাজে লাগবে। ব্যক্তিগত পণ্য পাঠানোর সুবিধা দেবে মোবাইল পার্সেল ভ্যান (Logistic Post)। পশ্চিমবঙ্গ সার্কলের চিফ পোস্টমাস্টার জেনারেল নীরজ কুমার বলেন, “৩২টি রুটে প্রধান ডাকঘরগুলিকে কেন্দ্র করে আপাতত মোবাইল পার্সেল ভ্যান পরিচালিত হচ্ছে। অনেক মানুষ এই পরিষেবা উপভোগ করছেন। প্রচুর জিনিসপত্র আদানপ্রদান করছেন। একই ভাবে সুবিধা নিচ্ছেন শিল্প সংস্থাগুলিও।”

    ওয়েবসাইটে বুকিং করতে হবে

    ডাক বিভাগ (India Post) সূত্রে জানা গিয়েছে, এই বিভাগের ওয়েবসাইটে গিয়ে বুকিং করতে হবে। এরপর একটা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পার্সেল ভ্যান যাবে বাড়িতে। সেখান থেকে পণ্য তুলে অন্য গন্তব্যে নিয়ে যাবে। ঠিক যেমন বড় ক্যুরিয়র সংস্থা পরিষেবা দেয়, সেই ভাবেই কাজ হবে। তবে এই পরিষেবার খরচ বেসরকারি সংস্থাগুলি থেকে প্রায় অর্ধেক। ডাক বিভাগ সূত্রে জানা গিয়েছে, শান্তিপুরের শাড়ি এবং শান্তিনিকেতনের হস্তশিল্পের নানা উপাদান খুব দ্রুত দেশের এক স্থান থেকে অন্যস্থানে পাড়ি (Logistic Post) দেবে। এই পরিষেবায় পণ্য পাঠাতে কিলোমিটারে খরচ ২ টাকা থেকে শুরু। সর্বাধিক ২৯.৩৬ টাকা। এই খরচে আর কেউ পণ্য বহন করে না। লজিস্টিক পোস্টে পণ্যের বিমাও করাবে ডাক বিভাগ। ফলে কোনও ক্ষতি হলে ক্ষতিপূরণও দেওয়া হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bihar by poll: বিহারের উপনির্বাচনে ভোটকুশলী পিকের কৌশলই ব্যর্থ! চার আসনেই ক্লিন বোল্ড

    Bihar by poll: বিহারের উপনির্বাচনে ভোটকুশলী পিকের কৌশলই ব্যর্থ! চার আসনেই ক্লিন বোল্ড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহারে (Bihar by poll) ভোটকুশলী পিকের (Prashant Kishor) কৌশল খাটল না। চার আসনে লড়ে চারটি আসনেই জামানত জব্দ তাঁর নতুন দলের। বিহারের ইমামগঞ্জে জিতেন্দ্র পাসোয়ান, বেলাগঞ্জে মহম্মদ আমজাদ, রামগড়ে সুশীলকুমার সিং-কে প্রার্থী করেছিল ‘জন সুরাজ’। তাহলে কি ভোট কারবারির কোনও কৌশল খাটল না? প্রথম ম্যাচেই ফেল?

    নিতীশকে চ্যালেঞ্জ (Bihar by poll)!

    গত ২ অক্টোবর পিকের জন সুরাজ দলের আত্মপ্রকাশ হয়েছিল বিহারে (Bihar by poll)। ওই দিন তিনি দাবি করেছিলেন জন সুরাজ ভোটের ময়দানে নামলে নীতীশ কুমারের জনতা দল ইউনাইটেড বা জেডিইউ ২০টির বেশি আসন পাবে না। প্রশান্ত কিশোর (Prashant Kishor) অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী ছিলেন। তিনি এটাও বলেছিলেন, অন্যকে জেতাতে পারা গেলেও নিজে জেতাটা খুব মুশকিল। এখন উপনির্বাচনের ফলাফলের পর দেখা গিয়েছে চারটি কেন্দ্রে ফলাফল ঘোষণার পর অত্যন্ত খারাপ ভাবে হারের শিকার হয়েছেন পিকে। একটি আসনেও দ্বিতীয়স্থানে আসতে পারেননি।

    প্রথম ম্যাচে পিকে ক্লিন বোল্ড

    বিহারের (Bihar by poll) বেলাগঞ্জে মহম্মদ আজাদ পেয়েছেন ১৭,২৮৫ ভোট। এই আসনে জয়ী জেডিইউ প্রার্থী মনোরমা দেবী পেয়েছেন ৭৩,৩৩৪ ভোট। ইমামগঞ্জে জিতেন্দ্রকে প্রার্থী করেছিলেন প্রশান্ত। তিনি ৩৭,১০৩ ভোট পেয়ে তৃতীয় হয়েছেন। এই আসনে জয়ী হয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতনরাম মাঝির পুত্রবধূ দীপা মাঝি। তিনি ভোট পেয়েছেন ৫৩,৪৩৫। রামগড়ে জন সুরাজের সুশীলকুমার ৬,৫১৩ ভোট পেয়ে চতুর্থ হয়েছেন। বিজেপির অশোককুমার সিংহ ৬২,২৫৭ ভোট পেয়েছেন এই আসনে। আবার তারারি আসনে জন সুরাজের কিরণ পেয়েছেন ৫,৫৯২ ভোট। এই আসনে বিজেপির বিশাল প্রশান্ত ৭৮,৫৬৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। ফলে প্রথম ম্যাচে পিকে ক্লিন বোল্ড।

    টাকা নিয়ে কৌশল দিয়েছেন

    প্রশান্ত কিশোর ১০ দশ বছর ধরে একাধিক রাজ্যের একাধিক রাজনৈতিক দলের ভোট জয়ের নানা কৌশল দিয়েছেন টাকার বিনিময়ে। গত দুই বছর ধরে বিহারে (Bihar by poll) নানা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন তিনি। ২০২২ সালের গান্ধী জন্ম জয়ন্তী থেকে শুরু হয়েছিল জন সুরাজের প্রাথমিক পর্যায়ের যাত্রা। রাজনৈতিক কুশলীরা যে এভাবে পরাজিত হতে পারেন সেই দৃষ্টান্ত এই উপনির্বাচনে আরও একবার প্রমাণিত হল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: মহারাষ্ট্রে গেরুয়া ঝড়, শাহ বললেন, ‘‘উন্নয়নের রাজনীতির জয়’’

    Amit Shah: মহারাষ্ট্রে গেরুয়া ঝড়, শাহ বললেন, ‘‘উন্নয়নের রাজনীতির জয়’’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্র-ঝাড়খণ্ড নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে শনিবারই। এনডিএ শিবিরের নেতা-কর্মীদের শুভেচ্ছা জানালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। প্রসঙ্গত মহারাষ্ট্রে বিপুল জয় পেয়েছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট। সেখানে পরপর তিনটি নির্বাচনে জিতল তারা। অন্যদিকে, ঝাড়খণ্ডে সর্বোচ্চ শতাংশ ভোট পেয়েছে বিজেপি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) এনিয়ে বলেন, ‘‘মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) ফলাফল সামনে আনল জনগণের বিশ্বাসকেই। জনগণ বিশ্বাস করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ডাবল ইঞ্জিন সরকারই উন্নয়ন ঘটাতে পারবে।’’ অমিত শাহ আরও জানিয়েছেন যে মহারাষ্ট্রে মহাযুতি জোটের এই জয় আসলে উন্নয়নের জয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ডবল ইঞ্জিন সরকারের জয়।

    ঝাড়খণ্ডে সব চেয়ে বেশি ভোট পেয়েছে বিজেপি, সংখ্যায় ৫৯ লাখ ২০ হাজার

    নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, ‘‘ঝাড়খণ্ডে শতাংশের বিচারে সব চেয়ে বেশি মানুষ আমাদেরকে ভোট দিয়েছেন। এজন্য আমরা ওই প্রদেশের সমস্ত মানুষের কাছে কৃতজ্ঞ। ঝাড়খণ্ডের সমস্ত বিজেপি কর্মী নিরলস পরিশ্রম করেছেন। এজন্য তাঁদেরকে শুভকামনা জানাই।’’ প্রসঙ্গত, ঝাড়খণ্ডে ৩৩ শতাংশ ভোট পেয়েছে বিজেপি। সংখ্যার বিচারে যেটা ৫৯ লাখ ২০ হাজার। অন্যদিকে সরকার গড়লেও ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার প্রাপ্ত ভোটের হার ২৩ শতাংশ। বিজেপির থেকে প্রায় ১০ শতাংশ ভোট কম পেয়েছে তারা।

    মোদির ওপর ভরসা রেখেছেন দেশের মানুষ

    একইসঙ্গে নিজের এক্স হ্যান্ডলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah) দেশের বিভিন্ন রাজ্যের এনডিএ প্রার্থীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি লেখেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে সারা দেশ এক উন্নয়নের যুগের মধ্যে দিয়ে চলেছে। এর ওপরে ভরসা করছেন সাধারণ মানুষ। লোকসভা নির্বাচন হোক অথবা হরিয়ানা ও মহারাষ্ট্রের বিধানসভা নির্বাচন, সর্বত্রই বিজেপির জয়জয়কার।’’ প্রসঙ্গত, ২৮৮ আসন-বিশিষ্ট মহারাষ্ট্র বিধানসভায় বিজেপি, একনাথ শিন্ডের শিবসেনা ও অজিত পাওয়ারের এনসিপি ২৩০টি আসন ছিনিয়ে নিল। সেখানে ৪৬টি আসন পেয়েছে কংগ্রেস জোট।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share