Tag: news in bengali

news in bengali

  • Maharashtra: মহারাষ্ট্রে বিজেপির প্রথম প্রার্থী তালিকা প্রকাশ, রয়েছেন হেভিওয়েট প্রার্থী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ

    Maharashtra: মহারাষ্ট্রে বিজেপির প্রথম প্রার্থী তালিকা প্রকাশ, রয়েছেন হেভিওয়েট প্রার্থী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ২০ নভেম্বর মহারাষ্ট্র বিধানসভার নির্বাচন। তার জন্য বিজেপি প্রার্থীদের প্রথম তালিকায় হেভিওয়েট নামগুলির মধ্যে উপ-মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ (Devendra Fadnavis) রয়েছেন৷ রবিবার বিকেলে ঘোষণা করা তালিকায় মোট ৯৯ জনের নাম রয়েছে। মহারাষ্ট্র (Maharashtra) বিধানসভায় ২৮৮টি আসন রয়েছে। তার মধ্যে বিজেপি ১৫১টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে বলে জানা গিয়েছে। বাকি আসনগুলিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে শিন্ডের নেতৃত্বাধীন শিবসেনা এবং অজিত পাওয়ারের নেতৃত্বাধীন এনসিপি জোট।

    ২০০৯ সাল থেকে লড়ছেন ফড়নবিশ (Maharashtra)

    দেবেন্দ্র ফড়নবিশ (Devendra Fadnavis) নাগপুর (Maharashtra) পশ্চিম বিধানসভা আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বলে জানা গিয়েছে। উল্লেখ্য, তিনি ২০০৯ সাল থেকে এই আসনে লড়াই করছেন। নাগপুর হল বিজেপির শক্ত ঘাঁটি এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিন গড়করির সংসদীয় ক্ষেত্র। এই লোকসভা কেন্দ্রের ছয়টি বিধানসভা অংশের মধ্যে চারটির দখলে বিজেপি। এছাড়া অন্যান্য হেভিওয়েটদের মধ্যে রয়েছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতিও, তিনি চন্দ্রশেখর বাওয়ানকুলে নাগপুর জেলার কামথি ​​থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। বর্তমান রাজ্য প্রতিমন্ত্রী সুধীর মুনগান্টিওয়ারকে বল্লারপুর আসন থেকে প্রার্থী করা হয়েছে। আবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাওসাহেব দানভের ছেলে সন্তোষ ভোকারদানেও বিজেপির টিকিটে নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন।

    আরও পড়ুনঃ দিল্লি বিস্ফোরণে ঘনাচ্ছে রহস্য, উদ্ধার হওয়া সাদা পাউডার ভাবাচ্ছে তদন্তকারীদের

    জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসী বিজেপি

    ভোকারে থেকে মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অশোক চৌহানের কন্যা শ্রীজয়া চৌহানকে প্রার্থী করেছে বিজেপি। উল্লেখ্য তিনি লোকসভা নির্বাচনের আগে কংগ্রেস থেকে বিজেপিতে যোগদান করেছিলেন। বর্তমানে তিনি রাজ্যসভার সদস্য৷ মুলুন্ডের বর্তমান বিধায়ক মিহির কোটেচাকে পুনরায় প্রার্থী করা হয়েছে এবং তিনবারের বিধায়ক রাম কদম আবারও মুম্বইয়ের ঘাটকোপার পশ্চিম আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। বিজেপির মুম্বই মহানগরের সভাপতি আশিস শেলার, ভান্দ্রে পশ্চিম থেকে এবং রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রকান্ত পাটিল কোথরুদ থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। একই ভাবে সুভাষ দেশমুখ সোলাপুর থেকে এবং প্রবীণ নেতা তথা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নারায়ণ রাণের ছেলে নীতেশ রানে কনকাভলিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি জয় নিয়ে ফের একবার আত্মবিশ্বাসী।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Junior Doctors Protest: “আপনাদের কণ্ঠই আমাদের শক্তি”, এবার ‘চিৎকার সমাবেশ’-এর ডাক জুনিয়র ডাক্তারদের

    Junior Doctors Protest: “আপনাদের কণ্ঠই আমাদের শক্তি”, এবার ‘চিৎকার সমাবেশ’-এর ডাক জুনিয়র ডাক্তারদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার ধর্মতলায় ‘চিৎকার সমাবেশ’(Shout Rally)-এর ডাক দিলেন জুনিয়র ডাক্তাররা (Junior Doctors Protest)। আন্দোলনে সাধারণ মানুষকে যোগদানের জন্য অনশনমঞ্চের সামনে আহ্বান জানালেন আন্দোলনকারীরা। এদিন বিকেল ৪টে থেকে সমাবেশ হওয়ার কথা। একই ভাবে মুখ্যসচিবের করা ইমেলের জবাব কী দেবেন ডাক্তাররা, সেই দিকেও নজর রেখেছেন সাধারণ মানুষ।

    অনশনমঞ্চে গিয়েছিলেন মুখ্যসচিব (Junior Doctors Protest)

    শনিবার ধর্মতলার অনশনমঞ্চে জুনিয়র ডাক্তারদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ, স্বরাষ্ট্রসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী, ডিসি সেন্ট্রাল ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় এবং আরও অনেক সরকারি আধিকারিক। তাঁদের মাধ্যমে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফোনে আন্দোলনরত জুনিয়র ডাক্তারদের সঙ্গে কথা বলেন। এরপর মুখ্যসচিব সোমবার বিকেল ৫টায় নবান্নে বৈঠকে বসার কথা বলেন। কিন্তু তার আগে অনশন তুলে নেওয়ার কথাও বলেন মুখ্যসচিব। মোট ১০ জন সদস্যকে ৪৫ মিনিটের জন্য বৈঠকে ডাকা হবে। ইতিমধ্যে সোমবারের আগে রবিবার ধর্মতলায় অভিনব প্রতিবাদ কর্মসূচি ঘোষণার কথা জানান আন্দোলনকারীরা।

    বিকেল ৪ টেয় ধর্মতলায় সমাবেশ

    পশ্চিমবঙ্গে জুনিয়র ডক্টরস ফ্রন্টের (Junior Doctors Protest) তরফে সামজিক মাধ্যমে চিৎকার সমাবেশের ডাক দিয়ে বলা হয়, “আমাদের দাবির কথা ছড়িয়ে পড়ুক চিৎকারের মাধ্যমে। দেখা হবে বিকেল ৪ টেয় ধর্মতলার অনশনমঞ্চে।” যদিও গত শুক্রবার আগেই অনশনমঞ্চ থেকে সাংবাদিক সম্মেলন করে প্রতিবাদ কর্মসূচির (Shout Rally) কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু সেই সময় নাম দেওয়া হয়নি। ওইদিন সাংবাদিক সম্মেলনে জুনিয়র ডাক্তারদের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন, স্নিগ্ধা হাজরা, সায়ন্তনী ঘোষ হাজরা, রুমেলিকা কুমার প্রমুখ। তাঁরা বলেছিলেন, “রবিবার আপনারা এখানে আসুন। আমাদের পাশে একটু দাঁড়ান। আমাদের আশীর্বাদ করুন। আমরা না খেয়ে আছি। আমাদের কণ্ঠ দুর্বল হয়ে পড়েছে। আপনাদের কণ্ঠই আমাদের শক্তি।”

    আরও পড়ুনঃ ১৩ নভেম্বর রাজ্যে উপনির্বাচন, প্রথম দল হিসেবে ৬ কেন্দ্রেই প্রার্থী ঘোষণা করে দিল বিজেপি

    সোমবার নবান্নে বৈঠক?

    একইভাবে জুনিয়র ডাক্তাররা (Junior Doctors Protest) ঘোষণা করেছিলেন, ১০ দফা দাবি পূরণ না করলে মঙ্গলবার সারা রাজ্য জুড়ে ধর্মঘট ডাকা হবে। জুনিয়র, সিনিয়র সকল ডাক্তার এই ধর্মঘটে অংশগ্রহণ করবেন। সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালেও এর প্রভাব পড়বে। কোনও রোগীর কিছু হলে দায় নিতে হবে মুখ্যমন্ত্রীকেই। এরপর শনিবার মুখ্যসচিব উপস্থিত হন ধর্মতলায়। তারপর সোমবার নবান্নে বৈঠকের প্রস্তাব দেন। বিকেল চারটের মধ্যে নবান্নে পৌঁছানোর কথা বলেন। কোন কোন আন্দোলনকারীরা (Shout Rally) যাবেন, তাঁদের নাম আগেই জানাতে বলা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu and Kashmir: উপত্যকায় পরপর গ্রেনেড হামলায় জড়িত দুই মূলচক্রী গ্রেফতার, অর্থ দিত পাকিস্তান!

    Jammu and Kashmir: উপত্যকায় পরপর গ্রেনেড হামলায় জড়িত দুই মূলচক্রী গ্রেফতার, অর্থ দিত পাকিস্তান!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu and Kashmir) পরপর গ্রেনেড হামলায় জড়িত দুই মূলচক্রীকে গ্রেফতার করল নিরাপত্তা বাহিনী। ধৃতদের জেরায় জানা গিয়েছে, টাকা আসত সরাসরি পাকিস্তান (Pakistan) থেকে। সীমান্তে হামলা চালানোর একটি ছকও করা হয়েছিল। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে একাধিক অস্ত্র এবং গোলাবারুদও। সম্প্রতি এই কেন্দ্রশাসিত রাজ্যের বিধানসভায় নির্বাচন শেষ হয়েছে। ন্যাশনাল কনফারেন্স এবং কংগ্রেস জোট সরকার গঠন করেছে। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন ওমর আব্দুল্লা। ফলে গ্রেনেড হামলা ও গ্রেফতারের ব্যাপারে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে রাজ্যে।

    বাড়ি থেকে গ্রেনেড উদ্ধার (Jammu and Kashmir)

    জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu and Kashmir) অতিরিক্ত ডিরেক্টর জেনারেল অফ পুলিশ আনন্দ জৈন বলেন, “পুঞ্চ জেলায় অভিযান চালানো হয়েছিল। সেই অভিযানে আব্দুল আজিজ এবং মানওয়ার হুসেন নামে দুই সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দু’জনেই হরি গ্রামের বাসিন্দা। বড়সড় ষড়যন্ত্র রোধে সাফল্য এসেছে।”

    অপর দিকে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ৩৭ রাষ্ট্রীয় রাইফেলস এবং সিআরপিএফ যৌথ অভিযান চালিয়ে শুক্রবার প্রথমে আব্দুলকে গ্রেফতার করে। এই ব্যক্তির বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে দুটি গ্রেনেড উদ্ধার করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদের পর উঠে আসে মানওয়ারের নাম। তিনি আব্দুলের সহযোগী হিসেবে পরিচিত বলে জানা গিয়েছে। তার বাড়ি থেকেও একটি গ্রেনেড উদ্ধার হয়েছে। একইভাবে একটি পিস্তল এবং নয় রাউন্ড গুলি পাওয়া গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ ওড়িশার আদিবাসী রমণী মোদিকে দিলেন ১০০ টাকা! প্রধানমন্ত্রী বললেন, ‘নারী শক্তির আশীর্বাদ’

    পাকিস্তান থেকে অর্থ সরবরাহ হয়েছে

    আবার পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এলাকায় (Jammu and Kashmir) দুই ধৃতই একাধিক সন্ত্রাসমূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত। হামলায় অর্থ জোগান দেওয়া, দেশবিরোধী কার্যকলাপ, অস্ত্রগুলির চোরাকারবারের সঙ্গে যুক্ত ছিল তারা। ধৃতরা আরও কোনও ষড়যন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত কিনা তা নিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। তবে এখনও পর্যন্ত জানা গিয়েছে, পাকিস্তান থেকে অবৈধ কাজের জন্য অর্থ সরবরাহ করা হয়। এমনকী তাঁদের অস্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণ পর্যন্ত দেওয়া হয় সীমান্তের ওপার (Pakistan) থেকে। গত কয়েক মাস ধরে সীমান্তবর্তী এলাকায় পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি কার্যকলাপে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে কাশ্মীর উপত্যকা।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ESI: বড় ঘোষণা কেন্দ্রের, আয়ুষ্মান ভারতের সঙ্গে জুড়ে যাচ্ছে ইএসআই প্রকল্প, বাড়ল সুবিধা

    ESI: বড় ঘোষণা কেন্দ্রের, আয়ুষ্মান ভারতের সঙ্গে জুড়ে যাচ্ছে ইএসআই প্রকল্প, বাড়ল সুবিধা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইএসআই (ESI) নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার বড় সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে। এবার থেকে আর্থিকভাবে দুর্বল চাকরিজীবী ও তাঁদের পরিবারের চিকিৎসা পাওয়া আরও সহজ হবে বলে জানা গিয়েছে। কেন্দ্রের তরফে এমপ্লয়িজ স্টেট ইনসিওরেন্সের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনাকে (Ayushman Bharat) একত্রিত করার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে স্বাস্থ্যে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা আরও বাড়ল এবং এবার থেকে চিকিৎসায় ভর্তির ঝঞ্ঝাটে আর পড়তে হবে না।

    রাজ্য বিমা প্রকল্পের একত্রীকরণ (ESI)

    শুক্রবার এমপ্লয়িজ স্টেট ইনসিওরেন্স কর্পোরেশনের মেডিক্যাল বেনিফিট কাউন্সিলের তরফে ইএসআই উপভোক্তাদের আরও স্বাস্থ্য পরিষেবার সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার জন্য আয়ুষ্মান ভারত (Ayushman Bharat) পিএম-জন আরোগ্য যোজনার সঙ্গে কর্মচারীদের রাজ্য বিমা প্রকল্পের একত্রীকরণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ইএসআই-এর (ESI) উপভোক্তাদের এক ছাতার নীচে আনতে কাউন্সিলের তরফে রাজ্যগুলির জন্য কমন সাপোর্ট মিশন বাস্তবায়নের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে লাইফস্টাইল ডিসঅর্ডার প্রাথমিক নির্ণয়ের এবং বিমাকারী ব্যক্তি, মহিলা, ট্রান্সজেন্ডারদের পুষ্টির ঘাটতি শনাক্তকরণের জন্য বার্ষিক প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং সচেতনতা শিবির শুরু করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী-জন আরোগ্য যোজনার অধীনে ১২,৬৯৬টি বেসরকারি হাসপাতাল সহ মোট ২৯,৬৪৮টি হাসপাতালে এই প্রকল্পের অধীনে নিখরচায় বা অল্প খরচে চিকিৎসা পরিষেবা পাওয়া যাবে।

    আরও পড়ুনঃ ওয়েনাড়ে প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর বিরুদ্ধে বিজেপির বাজি নব্যা হরিদাস, ৬৬ আসনে প্রার্থী ঘোষণা ঝাড়খণ্ডেও

    শ্রম মন্ত্রকের বক্তব্য

    এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় শ্রম মন্ত্রকের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, “এবার থেকে ইএসএই (ESI) প্রকল্পকে আয়ুষ্মান ভারত (Ayushman Bharat) প্রকল্পের সঙ্গে একত্রিত করে দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে কেন্দ্রীয় সরকারের দুই প্রকল্পের সুবিধা উপভোক্তারা পাবেন। প্রধানমন্ত্রী জন-আরোগ্য প্রকল্পের যে বিশাল নেটওয়ার্ক রয়েছে তাঁর অধীনে ইএসআই প্রকল্পের উপভোক্তারাও চিকিৎসা করানোর সুবিধা পবেন। বিশেষ ভাবে হাসপাতালে ভর্তির ক্ষেত্রে সুবিধা পাওয়া যাবে।” এই আয়ুষ্মান ভারতের প্রধানমন্ত্রী আরোগ্য যোজনা হল বিশ্বের বৃহত্তম স্বাস্থ্য প্রকল্প। এই প্রকল্পের অধীনে ১২ কোটি মানুষ রয়েছেন। মোট উপভোক্তা হলেন ৫৫ কোটির কাছাকাছি। প্রতিবছর ৫ লক্ষ টাকা স্বাস্থ্যবিমা প্রদান করা হয় এই প্রকল্পের মাধ্যমে।

        

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 169: “যতনে হৃদয়ে রেখো আদরিণী শ্যামা মাকে… আর যেন কেউ নাহি দেখে”

    Ramakrishna 169: “যতনে হৃদয়ে রেখো আদরিণী শ্যামা মাকে… আর যেন কেউ নাহি দেখে”

    শ্রীরামকৃষ্ণ ভক্তসঙ্গে দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ও বলরাম-মন্দিরে

    ত্রয়োদশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৩, ৭ই এপ্রিল

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ নরেন্দ্রাদি ভক্তসঙ্গে কীর্তনানন্দে

    গান—বিশ্বভুবনরঞ্জন ব্রহ্ম পরম জ্যোতিঃ ৷
    অনাদিদেব জগৎপতি প্রাণের প্রাণ ॥

    গান—ওহে রাজরাজেশ্বর, দেখা দাও।
    চরণে উৎসর্গ দান, করিতেছি এই প্রাণ,
    সংসার-অনলকুণ্ডে ঝলসি গিয়াছে তাও।
    কলুষ-কলঙ্কে তাহে আবরিত এ-হৃদয়;
    মোহে মুগ্ধ মৃতপায়, হয়ে আছি আমি দয়াময়,
    মৃতসঞ্জীবনী দৃষ্টে, শোধন করিয়ে লও।

    গান—গগনের থালে রবিচন্দ্র দীপক জ্বলে।
    তারকামণ্ডল চমকে মোতি রে।
    ধূপ মলয়ানিল, পবন চামর করে,
    সকল বনরাজি ফুটন্ত জ্যোতিঃ রে।
    কেমন আরতি হে ভবখণ্ডন তব আরতি,
    অনাহত শব্দ বাজন্ত ভেরী রে।

    গান—চিদাকাশে হল পূর্ণ প্রেমচন্দ্রোদয় হে।

    নরেন্দ্রের গান (Kathamrita) সমাপ্ত হইল। ঠাকুর (Ramakrishna) ভবনাথকে গান গাহিতে বলিতেছেন। ভবনাথ গাহিতেছেন:

    দয়াঘন তোমা হেন কে হিতকারী!
    সুখে-দুঃখে সব, বন্ধু এমন কে, পাপ-তাপ-ভয়হারী।

    নরেন্দ্র (সহাস্যে)—এ (ভবনাথ) পান-মাছ ত্যাগ করেছে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (ভবনাথের প্রতি, সহাস্যে)—সে কি রে! পান-মাছে কি হয়েছে? ওতে কিছু দোষ হয় না! কামিনী-কাঞ্চন ত্যাগই ত্যাগ। রাখাল কোথায়?

    একজন ভক্ত—আজ্ঞা, রাখাল ঘুমুচ্ছেন।

    ঠাকুর (সহাস্যে)—একজন মাদুর বগলে করে যাত্রা শুনতে এসেছিল। যাত্রার দেরি দেখে মাদুরটি পেতে ঘুমিয়ে পড়ল। যখন উঠল তখন সব শেষ হয়ে গেছে! (সকলের হাস্য)

    তখন মাদুর বগলে করে বাড়ি ফিরে গেল। (হাস্য)

    রামদয়াল বড় পীড়িত। আর এক ঘরে শয্যাগত। ঠাকুর সেই ঘরের সম্মুখে গিয়া, কেমন আছেন জিজ্ঞাসা করিলেন।

    পঞ্চদশী, বেদান্ত শাস্ত্র ও শ্রীরামকৃষ্ণ—সংসারী ও শাস্ত্রার্থ 

    বেলা ৪টা হইবে। বৈঠকখানাঘরে নরেন্দ্র, রাখাল, মাস্টার, ভবনাথ প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে ঠাকুর বসিয়া আছেন। কয়েকজন ব্রাহ্মভক্ত আসিয়াছেন। তাঁহাদের সঙ্গে কথা (Kathamrita) হইতেছে।

    ব্রাহ্মভক্ত—মহাশয়ের পঞ্চদশী দেখা আছে?

    শ্রীরামকৃষ্ণ(Ramakrishna)—ও-সব একবার প্রথম প্রথম শুনতে হয়,—প্রথম প্রথম একবার বিচার করে নিতে হয়। তারপর—

    “যতনে হৃদয়ে রেখো আদরিণী শ্যামা মাকে,
    মন তুই দেখ আর আমি দেখি, আর যেন কেউ নাহি দেখে।

    সাধনাবস্থায় ও-সব শুনতে হয়। তাঁকে লাভের পর জ্ঞানের অভাব থাকে না। মা রাশ ঠেলে দেন।

    সোনা গলাবার সময় খুব উঠে পড়ে লাগতে হয়। একহাতে হাপর—একহাতে পাখা—মুখে চোঙ্গ—যতক্ষণ না সোনা গলে। গলার পর, যাই গড়নেতে ঢালা হল—অমনি নিশ্চিন্ত।

    শাস্ত্র শুধু পড়লে হয় না। কামিনী-কাঞ্চনের মধ্যে থাকলে শাস্ত্রের মর্ম বুঝতে দেয় না। সংসারের আসক্তিতে জ্ঞান লোপ হয়ে যায়।

    সাধ করে শিখেছিলাম কাব্যরস যত ৷
    কালার পিরীতে পড়ে সব হইল হত ॥(সকলের হাস্য)

    ঠাকুর ব্রাহ্মভক্তদের সহিত শ্রীযুক্ত কেশবের কথা বলিতেছেন:

    “কেশবের যোগ ভোগ। সংসারে থেকে ঈশ্বরের (Ramakrishna) দিকে মন আছে।”

    একজন ভক্ত কন্‌ভোকেসন্‌ (বিশ্ববিদ্যালয়ের পণ্ডিতদের বাৎসরিক সভা) সম্বন্ধে বলিতেছেন —দেখলাম লোকে লোকারণ্য!

    শ্রীরামকৃষ্ণ—অনেক লোক একসঙ্গে দেখলে ঈশ্বরের উদ্দীপন (Kathamrita) হয়। আমি দেখলে বিহ্বল হয়ে যেতাম।

     

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “পঞ্চবার আঠার ষোল, যুগে যুগে এলাম ভাল…শেষে কচে বারো পড়ে মাগো, পঞ্জা-ছক্কায় বন্দী হলাম”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu Kashmir: মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে সই উপরাজ্যপালের, ভূস্বর্গ পাচ্ছে রাজ্যের মর্যাদা!

    Jammu Kashmir: মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে সই উপরাজ্যপালের, ভূস্বর্গ পাচ্ছে রাজ্যের মর্যাদা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ রাজ্যের মর্যাদা ফিরে পাচ্ছে জম্মু-কাশ্মীর (Jammu Kashmir)। জম্মু-কাশ্মীরকে পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব পাশ করেছিল (Statehood Resolution) ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা ওমর আবদুল্লার মন্ত্রিসভা। পরে তা অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয় উপরাজ্যপাল মনোজ সিনহার কাছে। বর্তমানে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে রয়েছে জম্মু-কাশ্মীর। এবার তোড়জোড় চলছে রাজ্যের মর্যাদা ফিরে পাওয়ার।

    রাজ্যের মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব (Jammu Kashmir)

    বৃহস্পতিবারই প্রথম বৈঠকে বসে ওমর মন্ত্রিসভা। এদিনের বৈঠকে পাশ হয় জম্মু-কাশ্মীরকে পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব। মুখ্যমন্ত্রী ওমর ছাড়াও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তাঁর ডেপুটি সুরিন্দর চৌধুরী, মন্ত্রী সাকিনা মাসুদ ইতু, জাভেদ আহমেদ রানা, জাভেদ আহমেদ দার ও সতীশ শর্মা। মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে উপরাজ্যপাল স্বাক্ষর করার পরে সেটি পাঠানো হবে দিল্লিতে। আগামী সপ্তাহেই দিল্লি যাওয়ার কথা ওমরের। সেখানেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা করে আনুষ্ঠানিকভাবে মন্ত্রিসভার বৈঠকে গৃহীত প্রস্তাব তুলে দেবেন ওমর। আর্জি জানানো হবে জম্মু-কাশ্মীরকে পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়ার।

    সরকারি আধিকারিকের বক্তব্য

    জম্মু-কাশ্মীরের এক সরকারি আধিকারিক জানান, মন্ত্রিসভার পাশ করা প্রস্তাবে বাড়তি কিছু যোগ করেননি উপরাজ্যপাল। মন্ত্রিসভায় গৃহীত প্রস্তাব তাঁর কাছে আসতেই তিনি তাতে স্বাক্ষর করে দেন। তিনি বলেন, “এই প্রস্তাবের মাধ্যমে জম্মু-কাশ্মীরের বাসিন্দারা ফিরে পাবেন তাঁদের পরিচিতি ও সাংবিধানিক অধিকার।” ওমর সরকারের এই সিদ্ধান্তে খুশির হাওয়া উপত্যকায়। তবে সরকারের এই পদক্ষেপের নিন্দা করেছে বিরোধী পিডিপি-সহ একাধিক দল। তাদের দাবি, ন্যাশনাল কনফারেন্স ৩৭০ ধারা ও বিশেষ রাজ্যের মর্যাদা ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। ক্ষমতায় আসতে ন্যাশনাল কনফারেন্স ৩৭০ ধারা নিয়ে কোনও উচ্চবাচ্য করছে না বলেও অভিযোগ বিরোধীদের।

    আরও পড়ুন: মণিপুরে ফের অশান্তির আগুন, দফায় দফায় গুলির লড়াই

    ২০১৯ সালে জম্মু-কাশ্মীরে রদ করা হয় ৩৭০ ধারা। তার পরেই ভূস্বর্গকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ২০২৩ সালে সুপ্রিম কোর্ট জানায়, জম্মু-কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা রদের সিদ্ধান্ত অসাংবিধানিক নয়। যদিও সঠিক সময়ে জম্মু-কাশ্মীরকে রাজ্যের মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়া হবে বলে (Statehood Resolution) আশ্বাস দেয় কেন্দ্র (Jammu Kashmir)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Manipur Violence: মণিপুরে ফের অশান্তির আগুন, দফায় দফায় গুলির লড়াই

    Manipur Violence: মণিপুরে ফের অশান্তির আগুন, দফায় দফায় গুলির লড়াই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের অশান্তি ছড়াল মণিপুরে (Manipur Violence)। মাসখানেকের বিরতির পর শনিবার ভোর থেকে দফায় দফায় গুলির লড়াই হয় (Militants Attack) জিরিবাম জেলায়। মেইতেই ও কুকি সশস্ত্র বাহিনীর লড়াইয়ের জেরে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে রাজ্যে। হামলা হয়েছে বরোবেকেরা থানায়ও।

    কুকি জঙ্গিদের হামলা (Manipur Violence)

    জানা গিয়েছে, জিরিবামের জেলা সদর থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে বরোবেকেরায় হামলা চালায় কুকি জঙ্গিরা। এলাকাটি পাহাড়-জঙ্গল ঘেরা। কুকি জঙ্গিদের রুখতে প্রতিরোধ গড়ে তোলে মেইতেই সশস্ত্র বাহিনী আরাম্বাই টেঙ্গলের যোদ্ধারা। দুপক্ষে দফায় দফায় গুলি বিনিময় হয়। এই সময় কুকিদের একাংশ হামলা চালায় বরোবেকেরা থানায়। মাসখানেক আগেও একবার জিরিবাম জেলায় গুলির লড়াই হয়েছিল কুকি এবং মেইতেইদের। দুপক্ষের সেই লড়াইয়ে হত হয়েছিলেন পাঁচজন। সেই ঘটনার রেশ মিলিয়ে যাওয়ার আগেই ফের অশান্তির আগুন ছড়াল চিত্রাঙ্গদার দেশে।

    গোড়ার কথা

    মণিপুরে অশান্তির (Manipur Violence) সূত্রপাত ২০২৩ সালের ৩ মে। সেদিন জনজাতি ছাত্র সংগঠন অল ট্রাইবাল স্টুডেন্টস ইউনিয়ন অফ মণিপুরের মিছিল ছিল। মেইতেইদের তফশিলি জাতির মর্যাদা দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করার নির্দেশ রাজ্য সরকারকে দিয়েছিল মণিপুর হাইকোর্ট। হাইকোর্টের এই নির্দেশের বিরোধিতায় পথে নেমেছিল জনজাতি ছাত্র সংগঠন অল ট্রাইবাল স্টুডেন্টস ইউনিয়ন অফ মণিপুর। সংঘাতের শুরু সেখানেই। মণিপুরের আদি বাসিন্দা মেইতেইরা হিন্দু। অন্যদিকে, তাদের বিরুদ্ধে যারা লড়ছে, সেই কুকি, জো-সহ বিভিন্ন জনগোষ্ঠী। এদের সিংহভাগই খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী। দুপক্ষের এই লড়াইয়ে এ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ২০০ জনের। আহত হয়েছেন প্রচুর মানুষ। আতঙ্কে ঘর ছেড়েছেন হাজার ষাটেক মানুষ।

    আরও পড়ুন: কোটার মধ্যে কোটা ব্যবস্থা, দেশে প্রথম চালু হতে চলেছে হরিয়ানায়

    মণিপুর পুলিশের ডিজি রাজীব সিং বলেন, “ আজও জিরিবাম জেলা সহ কিছু এলাকায় বিক্ষিপ্ত গোলাগুলি চলছে। তবে নিরাপত্তা বাহিনীর চেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে  এসেছে। অশান্তির আগুন (Militants Attack) যাতে অন্যত্র ছড়িয়ে না পড়ে, তাই মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী (Manipur Violence)।” মণিপুরে শান্তি ফেরাতে চেষ্টার কসুর করছে না কেন্দ্র। শান্তি ফেরাতে বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর বিধায়কদের নিয়ে দিল্লিতে বৈঠকে বসতে চলেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। এই বৈঠক হওয়ার কথা চলতি সপ্তাহে। এরই মধ্যে নতুন করে অশান্তির আগুন লাগল উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে (Manipur Violence)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Ramakrishna 168: “নিজে পাপ করাও ভাল না—পাপের অভিনয় করাও ভাল না”

    Ramakrishna 168: “নিজে পাপ করাও ভাল না—পাপের অভিনয় করাও ভাল না”

    শ্রীরামকৃষ্ণ ভক্তসঙ্গে দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ও বলরাম-মন্দিরে

    ত্রয়োদশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৩, ৭ই এপ্রিল

    নরেন্দ্র, রাখাল প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে বলরাম-মন্দিরে

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ নরেন্দ্রাদি ভক্তসঙ্গে কীর্তনানন্দে

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) বলরামের বাড়িতে ভক্তসঙ্গে বসিয়া আছেন (Kathamrita)—বৈঠকখানার উত্তর-পূর্বের ঘরে। বেলা একটা হইবে। নরেন্দ্র, ভবনাথ, রাখাল, বলরাম, মাস্টার ঘরে তাঁহার সঙ্গে বসিয়া আছেন।

    আজ অমাবস্যা। শনিবার, ৭ই এপ্রিল, ১৮৮৩, ২৫শে চৈত্র। ঠাকুর সকালে বলরামের বাড়ি আসিয়া মধ্যাহ্নে সেবা করিয়াছেন। নরেন্দ্র, ভবনাথ, রাখাল ও আরও দু-একটি ভক্তকে নিমন্ত্রণ করিতে বলিয়াছিলেন। তাঁহারাও এখানে আহার করিয়াছেন। ঠাকুর বলরামকে বলিতেন—এদের খাইও, তাহলে অনেক সাধুদের খাওয়ানো হবে।

    কয়েকদিন হইল ঠাকুর শ্রীযুক্ত কেশবের বাটীতে নববৃন্দাবন নাটক দেখিতে গিয়াছিলেন। সঙ্গে নরেন্দ্র ও রাখাল ছিলেন। নরেন্দ্র অভিনয়ে যোগ দিয়াছিলেন। কেশব পওহারী বাবা সাজিয়াছিলেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (নরেন্দ্রাদি ভক্তের প্রতি)—কেশব (সেন) সাধু সেজে শান্তিজল ছড়াতে লাগল। আমার কিন্তু ভাল লাগল না। অভিনয় করে শান্তি জল!

    আর-একজন (কু-বাবু) পাপ পুরুষ সেজেছিল। ওরকম সাজাও ভাল না। নিজে পাপ করাও ভাল না—পাপের অভিনয় (Kathamrita) করাও ভাল না।

    নরেন্দ্রের শরীর তত সুস্থ নয়, কিন্তু তাঁহার গান শুনিতে ঠাকুরের (Ramakrishna) ভারী ইচ্ছা। তিনি বলিতেছেন, “নরেন্দ্র, এরা বলছে একটু গা না।”

    নরেন্দ্র তানপুরা লইয়া গাইতেছেন:

    আমার প্রাণপিঞ্জরের পাখি, গাও না রে।
    ব্রহ্মকল্পতরুপরে বসে রে পাখি, বিভুগুণ গাও দেখি,
    (গাও, গাও) ধর্ম অর্থ কাম মোক্ষ,
    সুপক্ক ফল খাও না রে।
    বল বল আত্মারাম, পড় প্রাণারাম,
    হৃদয়-মাঝে প্রাণ-বিহঙ্গ ডাক অবিরাম,
    ডাক তৃষিত চাতকের মতো,
    পাখি অলস থেক না রে।

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “বিবেক, বৈরাগ্যরূপ হলুদ মাখলে তারা আর তোমাকে ছোঁবে না”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “পঞ্চবার আঠার ষোল, যুগে যুগে এলাম ভাল…শেষে কচে বারো পড়ে মাগো, পঞ্জা-ছক্কায় বন্দী হলাম”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Internship Scheme: পিএম ইন্টার্নশিপ আবেদনে বিরাট সাড়া, সর্বাধিক আবেদন এই দুই সংস্থায়

    PM Internship Scheme: পিএম ইন্টার্নশিপ আবেদনে বিরাট সাড়া, সর্বাধিক আবেদন এই দুই সংস্থায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী ইন্টার্নশিপ স্কিমে (PM Internship Scheme) এবার ২১ থেকে ২৪ বছর বয়সি যুবক-যুবতীদের বিভিন্ন কাজের প্রশিক্ষণ দেওয়ার যোজনা করা হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় মোট ১.২৫ লক্ষ যুবাদের নাম নথিভুক্ত করা হয়েছে। এই প্রক্রিয়া চলবে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত। কর্মসংস্থান এবং স্বনির্ভর করার জন্য এই প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রকল্পের সুবিধা নিতে বিভিন্ন দেশীয় সংস্থা এগিয়ে এসেছে। বহু সংস্থায় নাম নথিভুক্ত করছেন দেশের তরুণ-তরুণীরা। তবে, আবেদনকারীদের মধ্যে সবচেয়ে উৎসাহ দেখা গিয়েছে মারুতি ও ওএনজিসিতে (Maruti-ONGC) প্রশিক্ষণ নেওয়ার ক্ষেত্রে।

    ২৫০টি কোম্পানিতে আবেদন (PM Internship Scheme)

    শুক্রবার রাত পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী ইন্টার্নশিপ স্কিম পোর্টালে (PM Internship Scheme) ২৫০টি কোম্পানিতে আবেদনে সাড়া ফেলেছে। সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত সর্বাধিক আবেদন এসেছে নিম্নলিখিত সেক্টরগুলিতে। এই সেক্টর হল-তেল, গ্যাস, জ্বালানি, অটোমোটিভ, ভ্রমণ-হাসপাতাল, ব্যাঙ্ক-অর্থনীতি, ধাতু-খনি। সরকারি সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যসূত্রে দেখা গিয়েছে, শুক্রবার পর্যন্ত মারুতিতে (Maruti-ONGC) ১০ হাজার ৯৬০টি আবেদন ইন্টার্নশিপের জন্য পাওয়া গিয়েছে। তারপরে আইশার মোটর্সে ৪২৬০টি, হিরো মোটোকর্পে ১৭৪৪টি, মাহিন্দ্রা অ্যান্ড মাহিন্দ্রায় ১০টি, টাটা মোটর্সে ৮৩৮টি করে আবেদন জমা পড়েছে। তেল এবং প্রাকৃতিক গ্যাস সেক্টরে পাবলিক সেক্টরের উদ্যোগে ওএনজিসিতে ৬০০০টি আবেদন জমা পড়েছে। তারপরেই পাওয়ার গ্রিড হিসেবে ৪০০৪টি, এনটিপিসি ৩৫৭০টি, ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশনে ২৯৯১টি এবং আরইসি লিমিটেডে ১৭০০টি আবেদন জমা পড়েছে।

    আরও পড়ুনঃ আপনি কি পিএম ইন্টার্নশিপ স্কিমে প্রশিক্ষণ নিতে চান? আজই আবেদন করুন

    কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সরঞ্জাম ব্যবহারেও স্কিম

    এই স্কিমে (PM Internship Scheme) কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সরঞ্জাম ব্যবহার করার মতো প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও থাকবে বলে জানা গিয়েছে। এই প্রকল্প বা যোজনাগুলি ২ ডিসেম্বর থেকে চালু করা হবে। ১২ মাসের প্রশিক্ষণের জন্য ইন্টার্নদের ৫০০০ টাকা করে মাসিক সহায়তা প্রদান করা হবে। প্রতি মাসে কোম্পানি তার সিএসআর তহবিল থেকে প্রতিটি ইন্টার্নকে ৫০০ করে টাকা দেবে।  কোম্পানি প্রথমে ওই অর্থপ্রদান করলে, সরকারও ইন্টার্নদের আধার সংযুক্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি আরও ৪৫০০ টাকা প্রদান করবে। এই স্কিমে আবেদন করতে হলে নিম্নলিখিত যোগ্যতা একান্ত প্রয়োজন। যথা- প্রার্থীরা হাইস্কুল, উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেছেন। এছাড়াও আইটিআই থেকে একটি শংসাপত্র আছে, পলিটেকনিক থেকে ডিপ্লোমা করেছেন বা বিএ, বিএসসি, বিসিএ, বিবিএ, বি ফার্মা ইত্যাদি সহ স্নাতকরাও আবেদন করতে পারবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Haryana: কোটার মধ্যে কোটা ব্যবস্থা, দেশে প্রথম চালু হতে চলেছে হরিয়ানায়

    Haryana: কোটার মধ্যে কোটা ব্যবস্থা, দেশে প্রথম চালু হতে চলেছে হরিয়ানায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবারই দ্বিতীয়বারের জন্য হরিয়ানার (Haryana) মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন বিজেপির নয়াব সিং সাইনি। তার পরেই যুগান্তকারী একটি সিদ্ধান্ত নিতে চলেছেন বছর চুয়ান্নর সাইনি। কোটার মধ্যে কোটা (Quota Within Quota) চালু করতে চলেছে সাইনি সরকার। এটা চালু হলে, হরিয়ানায়ই হবে প্রথম রাজ্য যারা এই ঐতিহাসিক পদক্ষেপ করতে চলেছে। এর আগে বিজেপিরই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খট্টর সরকার রাজ্যের যুবক-যুবতীদের চাকরির সুযোগ দিতে নয়া আইন প্রণয়নে উদ্যোগী হয়েছিল। ওই আইনের প্রস্তাবে বলা হয়েছিল, এ বার থেকে বেসরকারি ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলকভাবে চাকরি সংরক্ষিত রাখা হবে স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য। খট্টরের পর রাজ্যের ক্ষমতায় আসে সাইনি সরকার। তারা চালু করতে চলেছে কোটার মধ্যে কোটা ব্যবস্থা।

    কোটার মধ্যে কোটা

    বৃহস্পতিবার শপথ নেওয়ার পরে শুক্রবার প্রথম বৈঠকে বসে সাইনি সরকার (Haryana)। সেখানেই তফসিলি জাতি ও উপজাতি সংরক্ষণের উপ-শ্রেণিকরণ সম্পর্কিত সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে মেনে নেওয়ার ও অবিলম্বে তা কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকারের দাবি, এই সিদ্ধান্ত বিদ্যমান সংরক্ষণ ব্যবস্থার মধ্যে নিশ্চিত করবে সুষ্ঠু বণ্টন। বর্তমানে হরিয়ানায় তফশিলি জাতির জন্য ১৫ শতাংশ এবং তফশিলি উপজাতির জন্য সাড়ে ৭ শতাংশ সংরক্ষণ রয়েছে। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে হরিয়ানা এই সাড়ে ২২ শতাংশ সংরক্ষণের নির্দিষ্ট কোটা বরাদ্দ করতে পারবে তফশিলি জাতি-উপজাতির মধ্যের সেই উপ-গোষ্ঠীগুলির জন্য, যাদের কর্মসংস্থান ও শিক্ষায় কম প্রতিনিধিত্ব রয়েছে। প্রসঙ্গত, গত ১ অগাস্টই সুপ্রিম কোর্ট রায় দিয়েছে, ইতিবাচক পদক্ষেপের সুবিধা দেওয়ার জন্য সংরক্ষিত বিভাগ গোষ্ঠীর মধ্যে একটি উপ-শ্রেণিবিভাগ অনুমোদিত হবে। শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বে সাত বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চ এই রায় দিয়েছে। তার পর দেশের মধ্যে এই প্রথম তা কার্যকর করতে চলেছে হরিয়ানা (Haryana) সরকার।

    ‘বঞ্চিত তফশিলি জাতি’

    এর আগে রাজ্যের উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে তফশিলি জাতির জন্য নির্দিষ্ট যে কোটা, তাকে দুভাগে ভাগ (Quota Within Quota) করতে বিল পাশ করা হয়েছিল। নাম দেওয়া হয়েছে, বঞ্চিত তফশিলি জাতি। এই বিভাগে রয়েছে বাল্মীকি, বাজিগর, দেহা, সানসি, ধানক এবং সাপেরা-সহ ৩৬টি সম্প্রদায়। ওই বিলে বলা হয়েছিল, যে কোনও সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য এসসিদের জন্য সংরক্ষিত ২০ আসনের পঞ্চাশ শতাংশ আলাদা করে রাখা হবে বঞ্চিত তফশিলি জাতির জন্য। হরিয়ানায় (Haryana) অন্যান্য তফশিলি জাতির জনসংখ্যা রাজ্যের মোট জনসংখ্যার প্রায় ১১ শতাংশ। কিন্তু হরিয়ানার সরকারি পরিষেবাগুলিতে প্রতিনিধিত্বের ক্ষেত্রে তাদের অংশগ্রহণ গ্রুপ এ, বি এবং সিতে যথাক্রমে ১১ শতাংশ, ১১.৩১ শতাংশ এবং ১১.৮ শতাংশ। তফশিলি জাতির উপশ্রেণির মধ্যে সব মিলিয়ে যেমন ৩৬টি সম্প্রদায় রয়েছে, তেমনি ওবিসি গ্রুপে রয়েছে চামার, জাতিয়া চামার, রেঘার, রায়গর, রামদাসী, রবিদাসী এবং জাঠ। এ রাজ্যে এই জাঠেদের আর্থ-সামাজিক প্রতিনিধিত্ব ওবিসি গ্রুপের অন্যান্য সম্প্রদায়ের চেয়ে ঢের ভালো।

    উপশ্রেণিকরণ

    সাইনি ঘোষণা করেন, রাজ্য মন্ত্রিসভা (Haryana) উপশ্রেণিকরণের প্রস্তাবটি অনুমোদন করেছে। তিনি বলেন, “মন্ত্রিসভায় আজ সিদ্ধান্ত হয়েছে তফশিলিদের দুটি গোষ্ঠীতে ভাগ করা হবে। সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত মেনেই এটা করা হচ্ছে। এই উপশ্রণিকরণের সিদ্ধান্তটি প্রযোজ্য হবে আজ থেকেই।” সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, “রাজ্যে তফশিলি জাতির জন্য যে ২০ শতাংশ কোটা রয়েছে, সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে তার মধ্যে ৫০ শতাংশ সংক্ষরিত থাকবে বঞ্চিত তফশিলি জাতির জন্য। শীঘ্রই এ ব্যাপারে নোটিফিকেশন জারি করবে রাজ্যের মুখ্যসচিব।” সাইনি সরকারের এহেন সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন হরিয়ানার বাসিন্দারা। এই সিদ্ধান্তের রাজনৈতিক প্রভাবও বেশ গভীর। 

    আরও পড়ুন: দুষ্কৃতীদের স্বর্গরাজ্য কানাডা! কীভাবে ভারত-বিরোধী কার্যকলাপের আঁতুড়ঘর হয়ে উঠল?

    হরিয়ানাবাসীকে উপহার বিজেপির

    সম্প্রতি হরিয়ানা (Haryana) বিধানসভা নির্বাচনের সময় বিজেপি উপশ্রেণিকরণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। তফশিলি জাতি ভোটের সিংহভাগই যাতে গেরুয়া ঝুলিতে পড়ে, তাই এই ব্যবস্থা। তৃতীয়বারের জন্য হরিয়ানার কুর্সিতে বসেছে বিজেপি। সাইনির ক্ষেত্রে এটা হল দ্বিতীয়বার শপথ নেওয়ার অনুষ্ঠান। ৯০ আসন বিশিষ্ট বিধানসভার হরিয়ানায় নির্বাচনোত্তর বিভিন্ন বুথ ফেরত সমীক্ষায় বিজেপির পরাজয়ের ইঙ্গিত উঠে এসেছিল। কিন্তু, সব সমীক্ষাকে ভুল প্রমাণিত করে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতায় হরিয়ানায় (Haryana)  ক্ষমতা দখল করে বিজেপি। এ রাজ্যে তফশিলি জাতির জন্য সংরক্ষিত আসন রয়েছে ১৭টি। তার মধ্যে বিজেপি একাই জয়ী হয়েছে ৮টিতে। উনিশের বিধানসভা নির্বাচনে সব মিলিয়ে বিজেপি জিতেছিল এ রাজ্যের ৫টি তফশিলি সংরক্ষিত আসনে। সেটাই এবার বেড়ে হয়েছে ৮। তাই এই সম্প্রদায়কে কিছু দেওয়ার ছিল বিজেপির। গেরুয়া-পার্টির হয়ে যে উপহারটা (Quota Within Quota) দিয়ে দিলেন দ্বিতীয় বার মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসা সাইনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share