Tag: news in bengali

news in bengali

  • Allowance of Imam: চুপিসারে বেড়েছে ইমাম ভাতা! রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ বিজেপির

    Allowance of Imam: চুপিসারে বেড়েছে ইমাম ভাতা! রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের আগে কোনওরকম ঘোষণা ছাড়া কাউকে না জানিয়ে চুপিসারে বেড়েছে ইমাম ভাতা (Allowance of Imam)। রাজ্যে এখন দু দফার ভোট বাকি। আর এই আবহেই রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে একেবারে সরকারি তথ্য সহ বড় অভিযোগ আনল বিজেপি (BJP on Imam Bhata)। বৃহস্পতিবার এক সাংবাদিক বৈঠকে বিজেপি নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় দাবি করেন, তৃণমূল সরকারের ১২ বছরের শাসনে রাজ্যে মসজিদের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় আড়াই গুণ। একই সঙ্গে করদাতাদের টাকায় কেন ইমাম – মোয়াজ্জেমদের ভাতা দেওয়া হচ্ছে সেই প্রশ্ন তোলেন তিনি। এমনকী, এই ভাতা দিয়ে কী লাভ হচ্ছে তা সমীক্ষা করে দেখার দাবিও জানান তিনি।

    জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের দাবি

    এদিন বিজেপি নেতা বলেন, “রাজ্য সরকার চুপিসারে গত ২ মাস আগে থেকে রাজ্যের প্রায় ৭০ হাজার ইমাম মোয়াজ্জমের ভাতা বাড়িয়ে দিয়েছে। আর এর জন্য রাজ্য সরকারের এ বছর খরচ হতে চলেছে ২০০ কোটি টাকা। এই ভাতা (Allowance of Imam) বাড়ানোর জন্য বাজেটে কোনও প্রভিশন ছিল না। কোনওরকম ঘোষণা ছাড়া কাউকে না জানিয়ে ভোটের ঠিক আগে আগে এই ভাতা বাড়িয়েছে। ভোটের আগে তিনি ঘুষ দিচ্ছেন। ইমাম, মোয়াজ্জেমদের পকেটে টাকা গুঁজে দিয়ে তাদের রাজনীতির ময়দানে নামাচ্ছেন।” একইসঙ্গে তিনি জানান, প্রায় ৪০ হাজার ইমাম মাসে ৩ হাজার টাকা ও ২৭ হাজার মোয়াজ্জেম ১,৫০০ টাকা ভাতা (Allowance of Imam) পাচ্ছেন। ইমাম-মোয়াজ্জেমদের ভাতা দিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০১৫ সাল থেকে এখনও পর্যন্ত প্রায় ১৪০০ কোটি টাকা খরচ করেছেন।  
    যখন ইমাম ভাতা চালু হয়, তখন ১৬ হাজার ইমাম ভাতা পেতেন। একটি মসজিদে একজনই ইমাম ইমামতি করতেন। আর আজকের দিনে দাঁড়িয়ে মসজিদের সংখ্যা সরকারি হিসাবে ৪০ হাজার। অর্থাৎ ১২ বছরে পশ্চিমবঙ্গে মোট ২৪ হাজার মসজিদ তৈরি হয়েছে। যে রাজ্যে পুলিশ রামনবমীর মিছিলকে অনুমতি দেয় না, নতুন দুর্গাপুজোর অনুমতি দেয় না সেখানে রাজ্য সরকারের মসজিদ তৈরির অনুমতি দেওয়ার নীতি কী? এই প্রশ্নও এদিন তিনি তুলেছেন। 

    আরও পড়ুন: সিজোফ্রেনিয়া আসলে কী? জেনে নিন এই রোগের অজানা কিছু তথ্য

    ধর্ম নিয়ে রাজনীতি 

    এদিন সাংবাদিক বৈঠকে জগন্নাথবাবু বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ওবিসি এ শ্রেণিতে ১০ শতাংশ সংরক্ষণ দিয়েছিলেন। আর ওবিসি বি শ্রেণিতে ৭ শতাংশ সংরক্ষণ ছিল সনাতনী ওবিসিদের জন্য। তবে মুসলিমরাও তার সুযোগ পেতেন। কালকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হাইকোর্টের আদেশকে বিজেপির আদেশ বলে দাবি করে বলেন, এই আদেশ তিনি মানেন না। তিনি মুসলিমদের সংরক্ষণ দেবেন। অবাক করার বিষয়, ওবিসি বি শ্রেণিতে সনাতনী ওবিসিদের জন্য যে ৭ শতাংশ সংরক্ষণ ছিল তা নিয়ে তিনি একটি কথাও বললেন না। হাইকোর্টের রায়ে মুসলিমদের সংরক্ষণ বাতিল হয়ে যাওয়ায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ব্যথিত। একই সঙ্গে নির্দ্বিধায় তিনি হিন্দু সন্ন্যাসীদের ওপর আক্রমণ চালাচ্ছেন। ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করার অভিযোগ করলেও আসলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করছেন।”  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nandigram: নন্দীগ্রামে মহিলা বিজেপি কর্মীকে খুনের মামলায় নাম জড়াল একাধিক তৃণমূল নেতার

    Nandigram: নন্দীগ্রামে মহিলা বিজেপি কর্মীকে খুনের মামলায় নাম জড়াল একাধিক তৃণমূল নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নন্দীগ্রাম (Nandigram) খুনের মামালায় নাম জড়াল বেশকিছু তৃণমূল নেতার নাম। ষষ্ঠ দফা লোকসভা ভোটের আগে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে এলাকা। রাজনৈতিক সংঘর্ষে এলাকা ছাড়া হয়ে রয়েছে বেশ কিছু লোকজন। বিজেপির অভিযোগে তৃণমূল বেশ কোনঠাসা হয়ে পড়েছে। শাসক দল যে অনেকটাই চাপের মুখে তা রাজনীতির একাংশের মানুষও মনে করছেন। আগামীকাল শনিবার ভোট গ্রহণ এলাকায়।

    পিটিয়ে খুন করা হয় (Nandigram)!

    নন্দীগ্রামের (Nandigram) বিজেপি মহিলা কর্মী রথিবালা আড়িকে পিটিয়ে খুন করে জনা ২৫ তৃণমূল দুষ্কৃতী। এই মর্মে মৃতা বিজেপির কর্মীর মেয়ে মঞ্জু আড়ি থানায় এফআইআর দায়ের করেছেন। এই এফআইআরে নাম রয়েছে শেখ সুফিয়ান, নন্দীগ্রাম-১ পঞ্চায়েত সমিতির বিরোধী দলনেতা তথা ব্লক তৃণমূল সহসভাপতি শেখ আল্লারাজি সহ আরও কিছু স্থানীয় তৃণমূল নেতা। গতবুধবার গভীর রাতে সোনাচূড়া, গড়চক্রবেড়িয়া এলাকা উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল। মনসাবাজার এলাকার কাছে হামলার নেতৃত্বে ছিলেন তৃণমূল নেতা দেবু রায়। হামলা করে মারা হয় রথিবালা রায়কে। খুনের সঙ্গে আরও প্রত্যক্ষ ভাবে যুক্ত ছিলেন খোকন সীট, শেখ শামসুল ইসলাম। উল্লেখ্য ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনে ভোট পরবর্তী হিংসায় দেবব্রত মাইতি নামে এক বিজেপি কর্মীকে খুন করা হয়েছিল। আদালতের নির্দেশে অভিযুক্ত ১১ জন এখনও জেলার বাইরে।

    শুভেন্দুর বক্তব্য

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলকে আক্রমণ করে বলেন, “দেবু রায়, খোকন সীটেরা গড়চক্রবেড়িয়া থেকে লোক নিয়ে গিয়ে খুন করিয়েছে। এফআইআর দায়েরর পরেও অভিযুক্ত আল্লারাজি নন্দীগ্রাম থানায় গিয়ে আইসির সঙ্গে বৈঠক করেছেন। খুনের মামলায় সিবিআই তদন্ত চাই।”

    আরও পড়ুনঃ মাঝরাতে ছেলেকে বাঁচাতে দৌড়ে গিয়েছিলেন মা, তারপরই খুন! জানা গেল পরিবারের বয়ানে

    তৃণমূলের বক্তব্য

    নন্দীগ্রামের (Nandigram) তৃণমূল নেতা তথা সভাপতি দেবু রায় বলেছেন, “বুধবার রাতের আমাদের এক কর্মী পলাশের টোটো ভাঙচুর করে বিজেপির কর্মীরা। আমরা ২৮৪ নম্বর বুথ পাহারা দিচ্ছিলাম। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। এরপর ২০ মিনিটের মাথায় জানতে পারি বিজেপির এক মহিলা কর্মী অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। যেহেতু আমি দল চালাই তাই আমাকে খুনের মামলায় ফাঁসনো হচ্ছে।” আবার তৃণমূল নেতা শেখ আল্লারাজি বলেছেন, “আমার বাড়ি থেকে ওই এলাকা অনেক দূরে। আমাদের যাতায়েত নেই। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে হলদিয়ায় ডেকে আমাকে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছিল। আমি রাজি হইনি। তাই ফাঁসানো হচ্ছে।” আবার সুফিয়ান বলেন, “তৃণমূলের কেউ এই ঘটনা জড়িত নন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • World Schizophrenia Day: সিজোফ্রেনিয়া আসলে কী? জেনে নিন এই রোগের অজানা কিছু তথ্য

    World Schizophrenia Day: সিজোফ্রেনিয়া আসলে কী? জেনে নিন এই রোগের অজানা কিছু তথ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শারীরিক রোগ নিয়ে আমাদের দেশের মানুষ যতটা খোলামেলা, ঠিক তার উল্টোটা হয় মানসিক সমস্যার ক্ষেত্রে। আমারা কেবল বাইরে থেকেই নিজেদের উন্নত করেছি। কিন্তু মন এখনও পড়ে পুরনো যুগে। তাইতো মানসিক রোগ নিয়ে আমাদের এখনও ট্যাবু কাটেনি। পরিবারের কেউ মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত হলে চিকিৎসা করানোর আগে সমস্যা লুকোতেই ব্যস্ত হয়ে পড়ি আমরা। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই মানসিক সমস্যাকে সাধারণত কেউ তেমন গুরুত্ব দিতে চান না। যে কারণে মানসিক রোগের চিকিৎসা শুরু হয় একেবারে শেষ মুহূর্তে। আর তখন পরিস্থিতি প্রায় নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। এমনই এক ভয়ানক মানসিক রোগ হল সিজোফ্রেনিয়া। বর্তমানে গোটা বিশ্বে শুধুমাত্র সিজোফ্রেনিয়াতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ২ কোটির বেশি যার বেশীরভাগই মূলত অবহেলার শিকার। তাই সিজোফ্রেনিয়া সম্পর্কে সচেতনতা গড়ে তুলতে প্রতি বছর ২৪ মে বিশ্ব সিজোফ্রেনিয়া দিবস (World Schizophrenia Day) পালন করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

    কাদের হয় এই রোগ? (World Schizophrenia Day) 

    সম্প্রতি এক সমিক্ষায় জানা গিয়েছে, ভারতের মোট জনসংখ্যার প্রায় ১৪ শতাংশ মানুষ সিজোফ্রেনিয়াতে আক্রান্ত। সাধারণ মানুষের গড় আয়ুর তুলনায় সিজোফ্রেনিয়াতে আক্রান্ত রোগীর আয়ু প্রায় ১৫-২০ বছর কমে যায়। অর্থাৎ, সিজোফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত হলে রোগীর মৃত্যু সাধারণ মানুষের তুলনায় অনেকটাই আগে হয়। ২০-৪৫ বছর বয়েসি কিশোর-কিশোরী, পুরুষ-মহিলা, যে কেউ এই রোগে আক্রান্ত হতে পারেন।

    কী কারনে হয় সিজোফ্রেনিয়া? 

    ঠিক কী কারণে কেউ সিজোফ্রেনিয়ায় (World Schizophrenia Day) আক্রান্ত হন তার কোনও নির্দিষ্ট কারণ এখনও খুঁজে পাননি বিজ্ঞানীরা। তবে কোনও অভিজ্ঞতার ফলে অত্যধিক মানসিক চাপ থেকে এই রোগের সৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়াও বংশগত কারণ, মস্তিষ্কে রাসায়নিকের ভারসাম্যের অভাব, অনেক সময় ভয়াবহ ভাইরাল ইনফেকশন থেকেও হতে পারে সিজোফ্রেনিয়া। 

    সিজোফ্রেনিয়ার লক্ষণ

    সিজোফ্রেনিয়া (World Schizophrenia Day) রোগের প্রধান লক্ষণগুলি মূলত ৩ ভাবে প্রকাশ পায়—১)চিন্তার মধ্যে অসংলগ্নতা, ২)আচরনগত সমস্যা, ৩)অনুভূতি বিষয়ক সমস্যা। অর্থাৎ কোনও অবাঞ্ছিত বিষয় নিয়ে মনে অযথা সন্দেহ,ভুল জিনিসকে সত্যি ভেবে তার ওপর দৃঢ় বিশ্বাস কিংবা হটাৎ করেই জোরে হেঁসে ওঠা, আবার কোনও কারণ ছাড়াই কেঁদে ফেলা, হঠাত করেই খুব বেশি রেগে যাওয়া বা উত্তেজিত হয়ে ওঠা,কোনও কারণ ছাড়াই এক জায়গায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাড়িয়ে থাকা,আগে একেবারেই যা করতেন না, সে ধরনের আচরণ করতে থাকা। বিশেষ কোনও কিছুর গন্ধ পেতে থাকা, যদিও সেই গন্ধ অন্যেরা কেউই পাচ্ছেন না অথবা কেউ তার সঙ্গে কথা না বললেও, মনে হতে পারে কেউ যেন তার সঙ্গেই কথা-বার্তা বলছে। সিজফ্রেনিয়ার রোগীরা এ ভাবেই পশুপাখির ডাকও শুনতে পান।

    আরও পড়ুন: ৪০০ পেলেই কাশী-মথুরায় বিতর্কিত জমিতে মন্দির নির্মাণ, ফের হুঁশিয়ারি হিমন্তের

    এই রোগের প্রভাব 

    উপরে উল্লেখিত লক্ষণগুলি যদি কারও মধ্যে ৬ মাসের বেশি সময় দেখতে পাওয়া যায় তাহলে তিনি সিজোফ্রেনিয়াতে আক্রান্ত হতে পারেন। প্রাথমিক পর্যায়ে সিজোফ্রেনিয়ার চিকিৎসা না করানো হলে তা ক্রমেই বড় সমস্যা হয়ে উঠতে পারে। আমাদের দেশে মানসিক রোগ সম্পর্কে ধারণায় স্বচ্ছতার অভাব থাকায় অধিকাংশ ক্ষেত্রেই চরম অবস্থায় পৌঁছে যায় সিজোফ্রেনিয়া (World Schizophrenia Day)। এই রোগে আক্রান্তের ভাবনা-চিন্তা, অনুভূতি, কাজের উপর প্রভাব ফেলে। তাই প্রাথমিক লক্ষণ দেখার সঙ্গে সঙ্গেই মনরোগ বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। সামান্য অবহেলাও মৃত্যু ডেকে আনতে পারে। তবে সময় মত চিকিৎসা করালে অনেক ক্ষেত্রেই রোগী সুস্থ হয়ে ওঠেন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “আইসি মিটিং করেছেন খুনিদের সঙ্গে! মজা দেখাব”, নন্দীগ্রাম থানার পুলিশকে হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “আইসি মিটিং করেছেন খুনিদের সঙ্গে! মজা দেখাব”, নন্দীগ্রাম থানার পুলিশকে হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নন্দীগ্রামে থানায় ঢুকে পুলিশকে বিজেপির মহিলা কর্মী খুনের বিরুদ্ধে চরম হুঁশিয়ারি দিলেন বিজেপি নেতা তথা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “আইসি মিটিং করেছেন খুনিদের সঙ্গে! মজা দেখাব”-ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চাল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো অভিষেকের উস্কানি মূলক ভাষণের জন্যই খুনের ঘটনা ঘটেছে, এই অভিযোগ করেন শুভেন্দু। এদিন তৃণমূলের দুষ্কৃতী বাহিনীকে উদ্দেশে করে খুনের বদলা নেওয়া হবে বলে তোপ দাগেন তিনি।

    উল্লেখ্য সকাল থেকেই বিজেপির ক্ষোভের আগুনে অশান্ত হয়ে ওঠে নন্দীগ্রামের মনসা বাজার এলাকা। রাস্তায় গাছ ফেলে আগুন লাগিয়ে বিক্ষোভ দেখায় উত্তেজিত জনতা। পরে পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে।

    কী বলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    গতকাল রাতপাহারা দিতে গিয়ে গোলমালের মধ্যে খুন হন বিজেপি মহিলা কর্মী রথীবালা আড়ি। একই ভাবে গুরুতর জখম হন ছেলে সঞ্জয়। আজ বৃহস্পতিবার থানায় ঢুকে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। নন্দীগ্রাম থানায় কর্তব্যরত পুলিশ অফিসার বলেন, “খুনিরা থানায় এসেছিল। যারা খুন করেছে মাকেই খুন করছে। রথীবালা আড়ি শুধু সঞ্জয় আড়ির মা নন। তিনি আমারও মা। খুনিদের ডেকে কেন মিটিং করা হয়েছে? আইসিকে মজা দেখাব।” এই প্রসঙ্গে তিনি অভিষেককে নিশানা করে আরও বলেন, “আগের দিন বেশ কিছু জায়গায় ভাইপো সভা করে উস্কানি মূলক ভাষণ দিয়ে গিয়েছেন। এই খুনের পিছনে ভাইপোর মদত রয়েছে। একজন তপশিলি সম্প্রদায়ের মহিলাকে খুন করা হয়েছে। এসসি সমাজের মানুষের জীবনের মূল্য এত কম? আমরাও বদলা নেবো। নন্দীগ্রামও সন্দেশখালিতে পরিণত হয়েছে। সিবিআই তদন্তের দাবি করব।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    ঘটনায় নন্দীগ্রামের তৃণমূল নেতা শেখ সুফিয়ানের দাবি, “বিজেপিতে নব্য এবং আদি তৃণমূলের মধ্যে ব্যাপক লড়াই হয়েছে। সেই সংঘর্ষে মারা গিয়েছেন রথীবালা।” কিন্তু বিজেপির দাবি তৃণমূল খুন করেছে। এরপর নন্দীগ্রাম থানায় ঢুকে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) পুলিশকে হুঁশিয়ারি দেন। 

    আরও পড়ুনঃ রামকৃষ্ণ মিশনে হামলাকারীর ছবিতে মিলল পুলিশকর্তা-তৃণমূল নেতার যোগ!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: নন্দীগ্রামে বিজেপি কর্মী খুন, জেলাশাসকের থেকে রিপোর্ট চাইল কমিশন

    Lok Sabha Election 2024: নন্দীগ্রামে বিজেপি কর্মী খুন, জেলাশাসকের থেকে রিপোর্ট চাইল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ষষ্ঠ দফায় আগামী ২৫ মে তমলুকে ভোটগ্রহণ (Lok Sabha Election 2024)। আর তার আগে নন্দীগ্রামে বিজেপি কর্মী খুনের ঘটনায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। ঘটনায় ইতিমধ্যেই জেলা প্রশাসনের কাছে রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। বিজেপির মহিলা কর্মীকে কুপিয়ে খুনের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কী পদক্ষেপ-জানতে চাইল নির্বাচন কমিশন। কী কারণে মৃত্যু? সে বিষয়েও পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসককে দ্রুত রিপোর্ট পাঠানোর নির্দেশ দিল কমিশন। একইসঙ্গে অশান্তি প্রবণ অঞ্চলে রুট মার্চ করানোরও নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।

    ঠিক কী ঘটেছিল? 

    ভোটের আবহে (Lok Sabha Election 2024) বুধবার রাতে নন্দীগ্রামের সোনাচূড়া এলাকায় একটি হামলার ঘটনা ঘটে। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা রাতে এলাকায় হামলা চালায়। এক মহিলা কর্মীকে কুপিয়ে খুন করা হয়। রথীবালা আড়ি নামে ওই বিজেপি (BJP) কর্মীকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি কোপ চালাতে থাকে দুষ্কৃতীরা। রক্তাক্ত হয়ে রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন তিনি। মাকে বাঁচাতে গিয়ে গুরুতর জখম হন রথীবালার পুত্র সঞ্জয় আড়িও। চিৎকার শুনে গ্রামবাসীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছলে দুষ্কৃতীরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। জখমদের তৎক্ষণাৎ নিয়ে যাওয়া হয় নন্দীগ্রাম (Nandigram) সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে উত্তপ্ত নন্দীগ্রাম। এখনও পর্যন্ত ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি বলেই পুলিশ সূত্রে খবর। নন্দীগ্রামের পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে এসপিকে ঘটনাস্থলে যেতে বলা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ভোটব্যাঙ্ক! তৃণমূল জমানায় ওবিসি হয়েছিল যারা, খারিজ করেছে হাইকোর্ট, দেখুন তালিকা

    রিপোর্ট তলব কমিশনের 

    যদিও এই হামলার দায় অস্বীকার করেছে তৃণমূল। তাঁদের অভিযোগ, এলাকায় বিজেপির গোষ্ঠীকোন্দলের কারণেই এই খুন। উল্লেখ্য, নন্দীগ্রাম (Nandigram) এলাকায় প্রচারের শেষ দিন বৃহস্পতিবারই। আর ভোটের (Lok Sabha Election 2024) আগে প্রচারের শেষ দিনে এই অশান্তির ঘটনায় এবার রিপোর্ট চেয়ে পাঠাল কমিশন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramkrisha Mission: রামকৃষ্ণ মিশনে হামলাকারীর ছবিতে মিলল পুলিশকর্তা-তৃণমূল নেতার যোগ!

    Ramkrisha Mission: রামকৃষ্ণ মিশনে হামলাকারীর ছবিতে মিলল পুলিশকর্তা-তৃণমূল নেতার যোগ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলিগুড়ি রামকৃষ্ণ মিশনে (Ramkrisha Mission) হামলার ঘটনায় যুক্ত প্রধান অভিযুক্তদের মধ্যে শুভম মাহাতোর সঙ্গে ভক্তিনগর থানার প্রাক্তন আইসির ছবি ভাইরালের ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। আবার এই শুভেমের সঙ্গে এলাকার তৃণমূল নেতা, ডেপুটি মেয়রের ছবি সমানে এসেছে। ছবিকে ঘিরে বিতর্ক শুরু হয়েছে। তাহলে কি এই হামলার ঘটনায় তৃণমূলের যোগ স্পষ্ট হল? এই প্রশ্ন এখন মানুষের মুখে ঘোরাফেরা করছে।

    পুলিশের সঙ্গে মাফিয়াদের যোগ (Ramkrisha Mission)?

    ছবিতে দেখা গিয়েছে শুভমের সঙ্গে রয়েছেন তৃণমূলের একাধিক নেতা, ডেপুটি মেয়র রঞ্জন সরকার এবং ভক্তি নগর থানার আইসি অমরেন্দ্র সিং। জমি বেচাকেন এবং জবর দখলের কাজ কি একটি যৌথ প্রয়াস? রাজনীতির একাংশের মানুষের মধ্যে এমন প্রশ্ন উঠছে। পুলিশ হলেন সমাজে আইনের রক্ষক। আবার জমি দখলকারী মাফিয়াদের সঙ্গে যদি পুলিশ আধিকারিকের ছবি দেখা যায়, তাহলে আইন রক্ষকদের দায়িত্ববোধ এবং কর্তব্যবোধ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। রামকৃষ্ণ মিশনে (Ramkrisha Mission) হামলাকারীদের মধ্যে ধৃত ৫ জনের মধ্যে একজন শুভম। আবার ভাইরাল হওয়া ছবির মধ্যে স্থানীয় তৃণমূল নেতা এবং পুলিশ অফিসারের উপাস্থিতে প্রশ্ন উঠছে তাহলে কি প্রশাসন-শাসকদলের পরোক্ষ মদত এই হামলার পিছনে রয়েছে? এলাকার মানুষের মনে ঠিক এমনই প্রশ্ন উঠছে। তবে ডেপুটি মেয়র রঞ্জন সরকারের দাবি, “নেতাদের সঙ্গে বহু মানুষ এসে ছবি তোলেন। কিন্তু দলের সঙ্গে শুভমের কোনও যোগ নেই।”

    আরও পড়ুনঃ “গরু পাচারের টাকা ঢুকেছে দেবের অ্যাকাউন্টে”, বিস্ফোরক দাবি শুভেন্দুর

    একাধিক প্রশ্ন পুলিশের বিরুদ্ধে

    প্রাক্তন আইসির সঙ্গে শুভমের ছবির কোনও ব্যাখ্যা পুলিশ দেয়নি। আবার রামকৃষ্ণ মিশনে (Ramkrisha Mission) হামলার সঙ্গে যুক্ত প্রধান অভিযুক্ত প্রদীপ রায়কে এখনও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। কেন তার বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দেওয়া হয়নি কেসে? উল্টে প্রদীপ রায় মিশন থেকে চলে যাওয়া এক সন্ন্যাসীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছে। এই সব প্রশ্নের উত্তর পুলিশ ঠিক করে দিতে পারেনি। আবার পুলিশ নিজেই তদন্ত করে জানিয়েছে, জমির প্রকৃত মালিক মিশন। প্রদীপ জমির মালিক নয়। ফলে তারপরে কেন এখনও অধরা মূল অভিযুক্ত? এই প্রশ্ন আরও জোরাল হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: রাম মন্দির উদ্বোধনের পরেই বিরোধীরা হার স্বীকার করে নিয়েছে, দাবি পিকে-র

    Lok Sabha Election 2024: রাম মন্দির উদ্বোধনের পরেই বিরোধীরা হার স্বীকার করে নিয়েছে, দাবি পিকে-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দির উদ্বোধনের পরেই বিরোধীরা হার স্বীকার করে নিয়েছে (Lok Sabha Election 2024)। অন্তত এমনই দাবি করলেন ভোট কুশলী তথা ‘জন সুরাজ পার্টি’র প্রধান প্রশান্ত কিশোর (পিকে)। কেবল তাই নয়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকারের বিরুদ্ধে দেশে যে কোনও ক্ষোভ নেই, তা আরও একবার মনে করিয়ে দিয়েছেন পিকে।

    কী বলছেন পিকে? (Lok Sabha Election 2024)

    দিন দুই আগেই সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়েও একই কথা বলেছিলেন পিকে। তিনি এও বলেছিলেন, “বিজেপি যে জিতবে, তা আমি গত পাঁচ মাস ধরে বলে আসছি।” সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে এই ভোট কুশলী বলেন, “রাহুল গান্ধী ক্ষমতায় এলে সোনা ফলবে, এমন কথা আমরা শুনিনি। তাঁর সমর্থকরা তা বলতে পারেন, কিন্তু আমি বলছি বৃহত্তর পরিসর সম্পর্কে। দেশের প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কোনও ক্ষোভ নেই, নেই তাঁর প্রতিস্পর্ধীকে নিয়ে বিরাট কিছু মাতামাতিও।” প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে কাউকে তুলে ধরতে না পারায় বিজেপি-বিরোধী দলের জোটের সমালোচনাও করেন পিকে।

    বিরোধীদের প্রধানমন্ত্রী কে?

    প্রসঙ্গত, ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট ‘ইন্ডি’ যে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে কাউকে তুলে ধরতে ব্যর্থ, সেকথা নানা জনসভায় বলতে শোনা গিয়েছে বিজেপি নেতাদের। শাসক দলের বিরুদ্ধে জোরালো কোনও ইস্যু কিংবা বিশ্বস্ত প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে কাউকে তুলে ধরতে না পারাটা বিরোধীদের দুর্বলতা বলেও মনে করেন ‘জন সুরাজ পার্টি’ সুপ্রিমো। তিনি বলেন (Lok Sabha Election 2024), “ভোটারদের একটা অংশের চাহিদা পূরণ করতে পারেনি মোদি সরকার। তাই তাঁদের মধ্যে হতাশা ছিল। সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি বিরোধীরা। নানা সময় আসা সুযোগগুলো কাজে লাগালে অতীতে দুর্বল করে দেওয়া যেত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে, নড়বড়ে করে দেওয়া যেত বিজেপির অবস্থানকে।”

    আর পড়ুন: “ক্যান্সারের চেয়েও দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত ইন্ডি ব্লক”, তোপ মোদির

    পিকে বলেন, “গত জানুয়ারিতে অযোধ্যায় রাম মন্দির উদ্বোধন অনুষ্ঠানের সময়ই কার্যত বিরোধীরা হাতের অস্ত্র ফেলে দিয়েছিল। ফেব্রুয়ারি মাসে যখন তারা গা ঝাড়া দিয়ে উঠল, তখন অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে। তার আগেই বিজেপি তার হারানো জমি পুনরুদ্ধার করে নিয়েছে (Lok Sabha Election 2024)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • OBC status in WB: ভোটব্যাঙ্ক! তৃণমূল জমানায় ওবিসি হয়েছিল যারা, খারিজ করেছে হাইকোর্ট, দেখুন তালিকা

    OBC status in WB: ভোটব্যাঙ্ক! তৃণমূল জমানায় ওবিসি হয়েছিল যারা, খারিজ করেছে হাইকোর্ট, দেখুন তালিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাইকোর্টে বড় ধাক্কা রাজ্য সরকারের। ২০১০ সাল থেকে জারি করা সমস্ত ওবিসি (OBC status in WB) সার্টিফিকেট বাতিল বলে সম্প্রতি নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট৷ বুধবার কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court) রায় দিয়ে জানিয়েছে, ‘এই আদালত মনে করছে যে মুসলিমদের ৭৭টি শ্রেণিকে অনগ্রসর বলে চিহ্নিত করার বিষয়টি সার্বিকভাবে পুরো সম্প্রদায়ের জন্য অপমানজনক। রাজনৈতিক স্বার্থে ওই সম্প্রদায়গুলিকে যে পণ্য হিসেবে ব্যবহার করা হয়নি, তা নিয়ে আদালত যে সন্দেহ-মুক্ত, তা নয়। যে যে ঘটনার রেশ ধরে (ওই) ৭৭টি শ্রেণিকে ওবিসি তকমা দেওয়ার হয়েছিল, তা দেখে এটা স্পষ্ট যে (ওই শ্রেণিগুলিকে) ভোটব্যাঙ্ক হিসেবে গণ্য করা হয়েছিল।’

    পশ্চিমবঙ্গে মোট কতগুলি সম্প্রদায় ওবিসি তালিকাভুক্ত?

    পশ্চিমবঙ্গে ওবিসির (OBC status in WB) তালিকায় ১৭৯টি সম্প্রদায়কে রাখা হয়েছে। তাদের আবার দুটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে ক্যাটেগরি এ হল— অতি অনগ্রসর এবং ক্যাটেগরি বি হল অনগ্রসর। ক্যাটেগরি এতে রয়েছে ৮৩টি জাতি, যাদের মধ্যে আবার ৭৩টি জাতি মুসলিম। যেমন বৈদ্য মুসলিম, ব্যাপারী মুসলিম, মুসলিম ছুতোর মিস্ত্রি, মুসলিম দফাদার, গায়েন মুসলিম, মুসলিম জমাদার, মুসলিম কালান্দার, মুসলিম কসাই, মুসলিম মাঝি, খানসামা ইত্যাদি। অন্যদিকে ক্যাটেগরি বি তালিকায় থাকা ৯৮টি জাতির মধ্যে ৪৫টি মুসলিম। এই তালিকায় যারা রয়েছেন তারা হলেন বৈশ্য কাপালি, বংশী বর্মণ, বারুজীবী, চিত্রকর, দেওয়ান, কর্মকার, কুর্মি, মালাকার, ময়রা, গোয়ালা, তেলি ইত্যাদি।

    কী কী সুবিধা মেলে?

    যে সকল নাগরিকদের ওবিসি (OBC status in WB)  সার্টিফিকেট রয়েছে তারা সরকারি চাকরি থেকে শুরু করে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনার জন্য সংরক্ষণের সুবিধা পেয়ে থাকেন। সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে মোট ১৭ শতাংশ ওবিসি সংরক্ষণ রয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। যাদের মধ্যে ১০% ক্যাটাগরি এ এবং ৭% ক্যাটাগরি বি-র। সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে সংরক্ষণের পাশাপাশি উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রেও অনেক সুবিধা পাওয়া যায়। শুধু তাই নয়, এর পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের ক্ষেত্রেও যাদের ওবিসি সার্টিফিকেট রয়েছে তারা অতিরিক্ত সুবিধা পান। উদাহরণ দিয়ে বলা যেতে পারে, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে ওবিসি সম্প্রদায়ের মহিলারা বেশি টাকা পান, এছাড়াও কেন্দ্র সরকারের উজ্জ্বলা যোজনা সহ বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা পাওয়া যায়। 

    হাইকোর্টের রায়ে কোন কোন শ্রেণির উল্লেখ রয়েছে?

    চাসাট্টি (চাষা), বেলদার মুসলিম, খোট্টা (মুসলিম), সর্দার (মুসলিম), নিকারি, মহলদার, ঢুকরে (মুসলিম), বসনি (মুসলিম),  আবদাল (মুসলিম), কান (মুসলিম), টুটিয়া (মুসলিম), গায়েন (মুসলিম), ভাটিয়া মুসলিম, মিদ্যে (মুসলিম), মল্লিক (মুসলিম),  কালান্দর (মুসলিম), লস্কর (মুসলিম),বৈদ্য (মুসলিম), জমাদার (মুসলিম), ছুতোর মিস্ত্রি (মুসলিম), দফাদার (মুসলিম), মাল (মুসলিম), পাটনি/মাজি (মুসলিম), মুচি-চামার (মুসলিম), নেহারিয়া, মুসলিম হালদার, শিউলি (মুসলিম), মুসলিম মণ্ডল, মুসলিম সাঁপুই, মুসলিম বিশ্বাস, মুসলিম মালি, ঘোসি, দর্জি/ওস্তাগর/ইদ্রিসি, রাজমিস্ত্রি, ভাতিয়ারা, মোল্লা, ঢালি (মুসলিম), তালপাখা বেনিয়া, মুসলিম পিয়াদা, মুসলিম বারুজীবী/বারুই, ব্যাপারি মুসলিম, পেঞ্চি, ভাঙ্গি (মুসলিম), ধাত্রী/দাই (মুসলিম), ঘরামি (মুসলিম), ঘোরখান (মুসলিম), গোলদার (মুসলিম), হালসানা (মুসলিম), কয়াল (মুসলিম), নাইয়া (মুসলিম), শিকারি (মুসলিম), আদলদার (মুসলিম), আখান/আকান/আকুঞ্জি (মুসলিম), বাগ (মুসলিম), চাপরাশি (মুসলিম), চুরিহার (মুসলিম), দপতরি (মুসলিম), দেওয়ান (মুসলিম), ধবক (মুসলিম), গাজি (মুসলিম), খান (মুসলিম), কোলু (মুসলিম), মাজি (হিন্দু), মালিতা/মালিতা/মালিত্য (মুসলিম), মিস্ত্রি (মুসলিম), পাইক (মুসলিম), পৈলান (মুসলিম), পুরকাইত (মুসলিম), সানা (মুসলিম), সারাং (মুসলিম), সরকার (মুসলিম),  শাহ (ফকির), শাহ, শা (মুসলিম), সাহাজি (মুসলিম), ফকির, তরফদার (মুসলিম), গাভারা, মৌলি (মুসলিম), সেপাই (মুসলিম)। 

    আরও পড়ুন: ২ দশক ধরে চলা ব্রিটেনের স্বাস্থ্য কেলেঙ্কারির আসল সত্য প্রকাশ্যে! কী ঘটেছিল?

    ২০১০ সাল থেকে আর কোন কোন শ্রেণিকে ‘ওবিসি’ ঘোষণা করা হয়েছিল?

    শেখ, বায়েন (মুসলিম), ভুঁইয়া (মুসলিম), বোরা (মুসলিম), গোরে (মুসলিম), হাতি (মুসলিম), জাটুয়া (মুসলিম), খন্দেকার বা খঙ্কর (মুসলিম), পাহার (মুসলিম), রাফতান (মুসলিম), বরাদি (মুসলিম), দালাল (মুসলিম), হোসেন গোয়ালা (মুসলিম), খালাসি (মুসলিম), কিচনি (মুসলিম), মুক্তি/মুফতি (মুসলিম), কালাল/ইরাকি, কালোয়ার, আট্ট (মুসলিম), খানসামা, সরলা/সারওয়ালা (মুসলিম), বাগানি (মুসলিম), ভাণ্ডারী (মুসলিম), হাওয়াইকার (মুসলিম), খাজনক্রিয়া / খাজনক্রিয়া (মুসলিম), কাথা (মুসলিম), মুদি/মেহদি (মুসলিম), সাহানা (মুসলিম), কাজি (মুসলিম), কোতল (মুসলিম), গুরুং, হাজারি (মুসলিম), লায়েক (মুসলিম), খাস, শিকদার (মুসলিম), চৌধুরী (মুসলিম), বৈরাগী/বৈষ্ণব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Srilanka Relation: “বন্ধু ভারতের ক্ষতি কাউকে করতে দেব না”, পরোক্ষে চিনকে হুঁশিয়ারি শ্রীলঙ্কার?

    India Srilanka Relation: “বন্ধু ভারতের ক্ষতি কাউকে করতে দেব না”, পরোক্ষে চিনকে হুঁশিয়ারি শ্রীলঙ্কার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমরা কাউকে ভারতের ক্ষতি করতে দেব না।” এই মন্তব্য দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কার বিদেশমন্ত্রী আলি সাবরির (India Srilanka Relation)। তিনি বলেন, “ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ শ্রীলঙ্কা। দায়িত্বশীল প্রতিবেশী হিসেবে কেউ যাতে ভারতের নিরাপত্তার ক্ষতি করতে না পারে তাও নিশ্চিত করব আমরা।”

    কী বললেন বিদেশমন্ত্রী?

    সাবরি বলেন, “শ্রীলঙ্কা যে কোনও দেশের সঙ্গে স্বচ্ছভাবে কাজ করতে চায়। তবে সেজন্য অন্য কারও ক্ষতি যাতে না হয়, সেদিকেও নজর থাকবে আমাদের।” সংবাদ সংস্থাকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে শ্রীলঙ্কার বিদেশমন্ত্রী (India Srilanka Relation) বলেন, “আমরা খুব স্পষ্টভাবে বলেছি যে আমরা সমস্ত দেশের সঙ্গে কাজ করতে চাই। তবে ভারতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত যে কোনও যুক্তিসঙ্গত উদ্বেগকে বিবেচনা করে দেখা হবে। আমরা ভারতের নিরাপত্তার ক্ষতি করতে দেব না।” তিনি বলেন, “দায়িত্বশীল প্রতিবেশী ও সভ্যতার অংশীদার হিসেবে আমরা এমন কিছু করব না যা ভারতের নিরাপত্তার ক্ষতি করবে।”

    চিনা চর জাহাজ

    গত বছর শ্রীলঙ্কার হাম্বানটোটা বন্দরে নোঙর করেছিল চিনা চর জাহাজ ইউয়ান ওয়াং ৫। তাতে প্রবল আপত্তি জানিয়েছিল ভারত। ওই বছরেরই অগাস্ট মাসে শ্রীলঙ্কায় নোঙর করেছিল হাই ইয়াং ২৪ হাও নামের আরও একটি গুপ্তচর জাহাজ। এবারও উদ্বেগ প্রকাশ করে ভারত। যদিও চিনের দাবি, গবেষাণার উদ্দেশে ওই বন্দরে ভিড়েছিল তাদের জাহাজ। অবশ্য ভারত দাবি করেছিল, দু’টিই চিনের গুপ্তচর জাহাজ। ভারতের পরমাণু ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির ওপর নজরদারি করতে বারংবার শ্রীলঙ্কার বন্দরে ভিড়ছে চিনা চর জাহাজ। এই বিষয়ে শ্রীলঙ্কাকে সাবধান করেছিল আমেরিকাও।

    আর পড়ুন: “ক্যান্সারের চেয়েও দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত ইন্ডি ব্লক”, তোপ মোদির

    পরে অবশ্য হাম্বানটোটা থেকে চর জাহাজ সরিয়ে নিয়েছিল বেজিং। আন্তর্জাতিক মহলের মতে, সেকথা মাথায় রেখেই শ্রীলঙ্কার বিদেশমন্ত্রীর মুখে ভারতের ক্ষতি করতে না দেওয়ার অঙ্গীকার। ভারতে চলছে লোকসভা নির্বাচন। সে প্রসঙ্গে এই দ্বীপরাষ্ট্রের বিদেশমন্ত্রী বলেন, “ভারতে গণতন্ত্রের উদযাপন হচ্ছে। ফল যাই হোক না কেন, ভারতের সঙ্গে কাজ করবে শ্রীলঙ্কা।” তিনি বলেন, “ভারত বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ। ভারতীয় জনগণ শিক্ষিত। ভারতীয় জনগণ জানবেন, তাঁদের জন্য কী ভালো। জনগণকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে (India Srilanka Relation)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Bankura: ভোটের জন্য বন্ধ রাখা হল ছাতনার ৩০০ বছরের ঐতিহাসিক ‘রানীর গাজন’

    Bankura: ভোটের জন্য বন্ধ রাখা হল ছাতনার ৩০০ বছরের ঐতিহাসিক ‘রানীর গাজন’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিবছর বাঁকুড়ায় (Bankura) পালিত হয় ঐতিহাসিক রানীর গাজন। এই উৎসব প্রত্যেকবার বাংলায় ১১ জ্যৈষ্ঠ ছাতনা রাজবাড়ি প্রাঙ্গণে আয়োজন হয়ে থাকে। অত্যন্ত প্রাচীন এবং মর্যাদাপূর্ণ উৎসব হিসাবে মান্যতা দেওয়া হয়। কিন্তু এই বছর ওই দিন পড়েছে ২৫ মে। আবার ওই দিনই হল ষষ্ঠ দফার ভোট গ্রহণের দিন। প্রশাসনের অনুরোধে ওই দিনে গাজন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। 

    রাজবাড়ির বিজ্ঞাপন (Bankura)

    জানা গিয়েছে, ভোটের দিনেই ছাতনার রানির গাজনের (Bankura) অনুষ্ঠান পড়ায় এবার তা বন্ধ রাখা হবে। রাজবাড়ির বর্তমান প্রতিনিধি প্রদীপ সিংহদেও বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এই সংবাদ সকলকে জানিয়েছেন। তবে ধর্মীয়রীতি, পরম্পরা, লোকাচার অক্ষুণ্ণ থাকবে। জান গিয়েছে, রানী আনন্দকুমারী এই অনুষ্ঠানের প্রবর্তন করেছিলেন।

    রাজবাড়ির বক্তব্য

    ছাতনা (Bankura) রাজবাড়ির বর্তমান রাজা প্রদীপ সিংহদেও বলেন, “আনুমানিক ৩০০ বছর পুরানো এই গাজন। নির্জন থাকার কারণে অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। তবে রীতি মেনেই ২৪ তারিখ সমস্ত কাজ করা হবে।” বাঁকুড়ার নানাবিধ লোকসংস্কৃতির উপাদানের মধ্যে গাজন হল একটি গুরুত্বপূর্ণ লোক উৎসব। এই গাজনকে উপভোগ করার জন্য আবার পরের বছরের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

    আরও পড়ুনঃ বিজেপি কর্মী খুনের প্রতিবাদে রণক্ষেত্র নন্দীগ্রাম! জ্বলল বাড়ি-দোকান, পালিত হল বন্‌ধ

    তিনশ বছরের পুরাতন এই গাজন

    আজকের দিনে রাজতন্ত্র না থাকলেও রাজার প্রবর্তিত ধর্মীয় লোকাচার এখনও অক্ষত। বাঁকুড়া (Bankura) জেলার পশ্চিম সীমান্তে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান হল ছাতনা। সবুজ বনে ঘেরা ছাতনা রাজবাড়ির মা মৃন্ময়ীর দুর্গামন্দির। একসময় সামন্তভূমের রাজধানী আজ থেকে প্রায় তিনশো বছর আগে এই মন্দির তৈরি করেছিলেন তৎকালীন রানি আনন্দ কুমারী। রানির হাত ধরে শুরু হয়েছিল গাজন। প্রতি বছর এই গাজনে ভিড় জমান হাজার হাজার মানুষ। কিন্তু ষষ্ঠ দফার নির্বাচন থাকায় এই বছর গাজন অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। এলাকার মানুষ এই নিয়ে মনে বিষাদের ছায়া। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share