Tag: news in bengali

news in bengali

  • PM Modi: প্রত্যাশাকেও ছাপিয়ে গেল দেশের আর্থিক বৃদ্ধির হার, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    PM Modi: প্রত্যাশাকেও ছাপিয়ে গেল দেশের আর্থিক বৃদ্ধির হার, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রত্যাশাকেও ছাপিয়ে গেল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) দেশের অর্থনীতি (Economic Growth)। ভারতের রিজার্ভ ব্যাঙ্কের পূর্বাভাস ছিল ৭ শতাংশ। সেই প্রত্যাশা ছাড়িয়ে গিয়েছে দেশের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকের আর্থিক বৃদ্ধি। শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী বলেন, “২০২৫-’২৬ অর্থবর্ষের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে ৮.২ শতাংশ জিডিপি বৃদ্ধির হার খুবই উৎসাহজনক এবং সরকার সংস্কার আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে এবং প্রতিটি নাগরিকের অনায়াস জীবনযাপনকে আরও শক্তিশালী করতে কাজ চালিয়ে যাবে।” জানা গিয়েছে, শিল্পে উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। এর পাশাপাশি জিএসটির হার হ্রাসের ফলে সাধারণ মানুষ বেশি কেনাকাটা করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মূলত এই দু’টি কারণেই আর্থিক বৃদ্ধি হয়েছে বলে মনে হচ্ছে।

    জিডিপির এই বৃদ্ধি (PM Modi)

    বিগত ছ’টি ত্রৈমাসিকে জিডিপির এই বৃদ্ধি দেখা যায়নি। এর ঠিক আগের ত্রৈমাসিকে ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার ছিল ৭.৮ শতাংশ। অথচ এক বছর আগেও এই সময় বৃদ্ধি হয়েছিল ৫.৬ শতাংশ। এই বৃদ্ধিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এর আগে ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে চতুর্থ ত্রৈমাসিকে বৃদ্ধি হয়েছিল ৮.৪ শতাংশ (PM Modi)।  এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লেখেন, “২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে জিডিপির বৃদ্ধি হয়েছে ৮.২ শতাংশ। আমাদের উন্নয়নমূখী নীতি এবং স্কংস্কারকেই প্রতিফলিত করছে এই ফল। এটি দেশবাসীর কঠিন পরিশ্রমেরও প্রমাণ। তাঁদের উদ্যোগকেও প্রতিফলিত করে।” তিনি বলেন, “এটি আমাদের সরকার সংস্কারকে আরও এগিয়ে নিতে এবং প্রতিটি নাগরিকের জীবন-যাপনের মানোন্নয়ন নিশ্চিত (Economic Growth) করতে কাজ চালিয়ে যাবে। আমাদের সরকার সংস্কারের কাজ চালিয়ে যাবে। শক্তিশালী করবে প্রত্যেক নাগরিকের জীবনযাত্রার মান (PM Modi)।”

    কী বললেন অর্থমন্ত্রী সীতারামন

    জিডিপির বৃদ্ধি ৮.২ শতাংশ হওয়ায় কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন বলেন, “আজ প্রকাশিত জিডিপি অনুমানগুলি ভারতের শক্তিশালী অর্থনৈতিক বৃদ্ধি এবং অর্থনীতির গতিশীলতা প্রদর্শন করে।” এর পরেই তিনি বলেন, “ভারত বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল প্রধান অর্থনীতির দেশ।” সীতারামন বলেন, “২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) প্রকৃত জিডিপি বৃদ্ধির হার ৮.২ শতাংশ, যা ভারতের অবস্থানকে বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল প্রধান অর্থনীতির দেশ হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। বর্তমান অর্থবর্ষে প্রথম ছ’মাসে (এপ্রিল-সেপ্টেম্বর) প্রকৃত জিডিপি বৃদ্ধির হার নথিবদ্ধ হয়েছিল ৮ শতাংশ।” তিনি বলেন, “এই প্রবৃদ্ধি এসেছে ধারাবাহিক আর্থিক সংযম, লক্ষ্যমাত্রা ভিত্তিক সরকারি বিনিয়োগ এবং বিভিন্ন সংস্কারমূলক পদক্ষেপের মাধ্যমে। এটি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করেছে এবং অনায়াস করেছে ব্যবসা করার প্রক্রিয়া (PM Modi)।” এক্স হ্যান্ডেলে করা একটি পোস্টে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী লেখেন, “বিভিন্ন উচ্চ-ফ্রিকোয়েন্সি সূচকও ধারাবাহিক অর্থনৈতিক গতিশীলতা এবং বিস্তৃতভিত্তিক ভোগ বৃদ্ধির দিকে নির্দেশ করে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার এই প্রবৃদ্ধির ধারাকে অব্যাহত রাখতে এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে সাহায্য করে এমন সংস্কার এগিয়ে নিয়ে যেতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ (Economic Growth)।”

    কী বললেন বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল

    বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল বলেন, “জিডিপির এই পরিসংখ্যান নীতিগত ধারাবাহিকতা এবং স্থায়িত্বের ফল। এটি সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বে।” এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, “এই অসাধারণ ফল নীতিগত ধারাবাহিকতা এবং স্থায়িত্বের প্রতিফলন, যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজির নেতৃত্বে দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা ও প্রবৃদ্ধিকে শক্তিশালী করছে।”  সরকারি তথ্য বলছে, চলতি অর্থবর্ষে ২০২৫-’২৬ এর জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে ভারতের বাস্তব জিডিপি ৮.২ শতাংশ বেড়েছে, যেখানে গত অর্থবর্ষের একই প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৫.৬ শতাংশ (PM Modi)।

    ভারতের নামমাত্র জিডিপি

    পরিসংখ্যান ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন মন্ত্রকের অধীনে থাকা জাতীয় পরিসংখ্যান দফতর (NSO) জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকের মোট জিডিপি ত্রৈমাসিক অনুমান প্রকাশ করেছে। তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে ভারতের নামমাত্র জিডিপি ৮.৭ শতাংশ হারে বেড়েছে। দ্বিতীয় ও তৃতীয় ক্ষেত্র ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের দ্বিতীয় প্রান্তিকে বাস্তব জিডিপি বৃদ্ধির হারকে ৮.০ শতাংশের ওপরে উঠতে সাহায্য করেছে। দ্বিতীয় ক্ষেত্রে উৎপাদন ৯.১ শতাংশ এবং নির্মাণ ৭.২ শতাংশ বৃদ্ধি অর্জন করেছে। এই প্রান্তিকে স্থির মূল্যে ৭.০ শতাংশের ওপরে প্রবৃদ্ধি নথিভুক্ত হয়েছে। তৃতীয় ক্ষেত্রে আর্থিক, রিয়েল এস্টেট ও পেশাগত পরিষেবা ১০.২ শতাংশ বৃদ্ধির হার ধরে রেখে ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের দ্বিতীয় ক্ষেত্রে স্থির মূল্যে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি বজায় রেখেছে (Economic Growth)। কৃষি ও সংশ্লিষ্ট খাত এবং বিদ্যুৎ, গ্যাস, জল সরবরাহ ও অন্যান্য ইউটিলিটি পরিষেবা খাত ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের দ্বিতীয় ক্ষেত্রে মাঝারি মাত্রার বাস্তব প্রবৃদ্ধি দেখেছে (PM Modi)।

    বাস্তব জিডিপি

    বাস্তব জিডিপি ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের প্রথমার্ধে (এপ্রিল-সেপ্টেম্বর) ৮.০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। এটি ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষের প্রথমার্ধের ৬.১ শতাংশ বৃদ্ধির তুলনায় বেশি। এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে ভারতের বাস্তব জিডিপি ৭.৮ শতাংশ বেড়েছে, যা আগের অর্থবর্ষের একই সময়ের ৬.৫ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই প্রান্তিকে ভারতের নামমাত্র জিডিপি বৃদ্ধির হার ছিল ৮.৮ শতাংশ। প্রসঙ্গত, ‘বিকশিত ভারতে’র লক্ষ্য অর্থাৎ ২০৪৭ সালের মধ্যে উন্নত ভারতের স্বপ্ন পূরণ করতে হলে, ভারতের প্রায় দশ থেকে বিশ বছর ধরে গড়ে ৮ শতাংশের মতো স্থির মূল্যে প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে হবে (PM Modi)।

  • Suvendu Adhikari: ডাক পেয়েও নবান্নে লোকায়ুক্তের বৈঠকে যোগ দেবেন না শুভেন্দু, কারণটাও জানালেন বিরোধী দলনেতা

    Suvendu Adhikari: ডাক পেয়েও নবান্নে লোকায়ুক্তের বৈঠকে যোগ দেবেন না শুভেন্দু, কারণটাও জানালেন বিরোধী দলনেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন লোকায়ুক্ত চূড়ান্ত করার বৈঠকে, উপস্থিত থাকবেন না বিরোধী দলনেতা। ডাক পেলেও নবান্নে যাবেন না বলে জানিয়ে দিলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। লোকায়ুক্তের পরবর্তী বৈঠক (Lokayukta Meeting) হবে আগামী সোমবার, ১ ডিসেম্বর৷ নবান্নে ওই বৈঠক হতে চলেছে৷ সেখানে উপস্থিত থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ নিয়ম অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়েরও থাকার কথা ওই বৈঠকে৷ নিয়ম মেনেই বিরোধী দলনেতা হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীকে ওই বৈঠকে উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণ করা হয়েছে৷

    কেন যাবেন না শুভেন্দু

    শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘প্রথমত মুখ্যমন্ত্রী লোকায়ুক্তের রিপোর্ট বিধানসভায় পেশ করেননি। মুখ্যমন্ত্রীর মন্ত্রিসভার সদস্য পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক-সহ একাধিক নির্বাচিত বিধায়কদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলায় চার্জশিট জমা করা হয়েছে। চার্জশিট হওয়া নির্বাচিত সদস্যের বিরুদ্ধে বিধানসভায় রিপোর্ট দিতে হয়। সেই রিপোর্ট উনি কোনও দিন দেননি। এখানে কোনও রিপোর্ট কোনওদিন পেশ করা হয় না। সবটাই আসলে লোক দেখানো। এরকম লোক দেখানো কোন বৈঠকে আমি যাব না।’’ লোকায়ুক্তের পরবর্তী কমিশনার কে হবেন, সেই ইঙ্গিতও দেন শুভেন্দু অধিকারী৷ বিরোধী দলনেতা বলেন, ‘‘মনোজ পন্থ যদি এক্সটেনশন না-পান, দেখা যাবে হয়তো তাঁকেই লোকায়ুক্তের কমিশনার করে দেওয়া হবে। সংবিধানকে যিনি মানেন না, সেই মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকে বিরোধী দলনেতা যান না।’’

    মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কোন মিটিং নয়

    ২০১৮ সালে লোকায়ুক্ত নিযুক্ত করার বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না শুভেন্দু অধিকারী। পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান লোকায়ুক্ত হলেন হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি অসীমকুমার রায়। তিনি প্রথমবার নিযুক্ত হন নভেম্বর ২০১৮-তে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘আমাকে স্বরাষ্ট্র সচিব চিঠি পাঠিয়েছেন। কিন্তু আমি যাব না। যেভাবে আমার দলের সাংসদকে মারা হয়েছে তারপর মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কোন মিটিংয়ে যাওয়ার আর প্রশ্নই ওঠে না।’’ উত্তরবঙ্গে মালদা উত্তরের সাংসদ বিজেপির খগেন মুর্মুর উপর হামলার ঘটনাও টেনে আনেন শুভেন্দু অধিকারী৷ তিনি বলেন, ‘‘সম্প্রতি খগেন মুর্মুর রক্ত দেখার পরে কোনও সুস্থ চেতনা সম্পন্ন মানুষ এই অত্যাচারী মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দাঁড়িয়ে ছবি তুলতে পারেন না।’’

    বিজেপি কীভাবে কাজ করবে

    তৃণমূল কংগ্রেস এখন সর্বভারতীয় সরিয়ে পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল কংগ্রেস লিখছে বলে জানা গিয়েছে। এই বিষয়ে এদিন শুভেন্দু অধিকারী জানান যে গোয়া-নাগাল্যান্ড-মেঘালয় আর ত্রিপুরার নির্বাচনের পর তৃণমূল কংগ্রেসের যে সর্বভারতীয় তকমাটা ছিল, সেটা তারা হারিয়েছে। কারণ, জাতীয় পার্টি হওয়ার জন্য যত সংখ্যক ভোটের প্রয়োজন, সেটা তারা পায়নি বলেই তারা সেই তকমা হারিয়েছে। এটা নির্বাচন কমিশনের নিয়ম। তিনি আরও বলেন, ‘‘আর তিন চার মাস পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন মুখ্যমন্ত্রী থাকবেন না, তখন বিজেপি ক্ষমতায় আসবে এবং তখন প্রতি বছর এই রিপোর্ট বিধানসভায় পেশ করা হবে। লোকায়যুক্তকে মামলা করার জন্য সরকার সম্মতি জানাবে।’’

  • SIR in Bengal: এখনও প্রায় ২৮ লক্ষের মতো ফর্ম আন কালেক্টড! স্পেশাল রোল অবজার্ভার নিয়োগ, কী জানাল কমিশন?

    SIR in Bengal: এখনও প্রায় ২৮ লক্ষের মতো ফর্ম আন কালেক্টড! স্পেশাল রোল অবজার্ভার নিয়োগ, কী জানাল কমিশন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী সপ্তাহেই এনুমারেশন ফর্ম (SIR in Bengal) জমা দেওয়ার শেষ দিন। এর মধ্যে নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার পর্যন্ত ২৭ লক্ষ ৭১ হাজার ফর্ম আন কালেকটেড। এর মধ্যে মৃত ১৫ লক্ষ ৫৩ হাজার মৃত। খুঁজে পাওয়া যায়নি ২ লক্ষ ৬১ হাজার ভোটারকে। স্থানান্তরিত হয়েছেন ৮ লক্ষ ৮৮ হাজার। ডুপ্লিকেট বা ডবল এন্ট্রি রয়েছে ৫৮ হাজার ১৬৪ ভোটারের নাম। তাঁদের নাম খসড়ায় আসবে না। তাঁদের আলাদা তালিকা বের করবে কমিশন। শুক্রবার পর্যন্ত ডিজিটাইজড হয়েছে ৬ কোটি ৭৩ লক্ষ। আগামী ৯ ডিসেম্বর খসড়া তালিকার পর এটা প্রকাশিত হবে। একই সঙ্গে রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ করতে রোল অবজার্ভার নিয়োগ করেছে কমিশন।

    আলাদা আলাদা করে প্রকাশিত হবে তালিকা

    কমিশনের (Election Commission) তরফ থেকে জানানো হয়েছে, যাঁরা ফর্ম জমা দিয়েছেন, সবার নামই থাকবে খসড়া তালিকায়। কমিশনের ওয়েবসাইট ও সংশ্লিষ্ট বুথে তালিকা বেরোবে। মৃত বা অন্য কারণে বাদ পড়াদের তালিকা আলাদাভাবে প্রকাশ করা হবে। মৃত ভোটারদের জন্য আলাদা তালিকা প্রকাশ করবে কমিশন। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম ছিল, কিন্তু বাড়ি গিয়ে ফর্ম দিতে গিয়ে যখন বিএলও-রা দেখতে পাবেন, সেই ব্যক্তি মৃত, সেটা মার্ক করে ডিলিট করা যাবে। ২০২৫-এর তালিকায় নাম রয়েছে, অথচ নির্দিষ্ট ঠিকানায় বাড়ি গিয়ে তাঁকে খুঁজে পাওয়া গেল না, তাঁদের নাম বাদ যাবে। যাঁদের ‘ডবল এন্ট্রি’ রয়েছে, অর্থাৎ একই কেন্দ্রে বা আলাদা কেন্দ্রে নাম রয়েছে ভোটারের, সেই নাম বাদ যাবে।

    বহুতলেও হতে পারে কেন্দ্র

    একই সঙ্গে কমিশন (Election Commission) সূত্রে খবর, আরও বেশি সংখ্যক ভোট গ্রহণ কেন্দ্র তৈরির ক্ষেত্রে নতুন ভাবনা-চিন্তা শুরু করা হয়েছে। বহুতলেও হতে পারে কেন্দ্র। ভোটের পার্সেন্টেজ বাড়ানোর জন্য এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। গোটা দেশের মতো পশ্চিমবঙ্গেও বস্তি এলাকা, উঁচু বহুতল আসান, আর গেটেড কমপ্লেক্সে নতুন ভোটকেন্দ্র তৈরি করতে হবে। আর পুরো কাজ করতে হবে কমিশনের নির্দেশ মেনেই। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে ইতিমধ্যেই সেই চিঠি এসেছে। সেই চিঠিতেই কমিশন জানিয়েছে, বিশেষ নিবিড় সংশোধনের মধ্যে ভোটার সংখ্যা বৃদ্ধি হলে সেই অনুযায়ী করতে হবে পদক্ষেপ। বাস্তবতা মাথা রেখেই বহুতল আবাসন, বস্তি, নতুন টাউনশিপের জন্য নতুন ভোটকেন্দ্র তৈরি করতে হবে। বর্তমানে রাজ্যে বুথের সংখ্যা ৮০ হাজারের সামান্য বেশি। এবার প্রায় আরও ১৪ হাজার বুথ বাড়তে চলেছে বলে খবর। সেই ক্ষেত্রের রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা আসনে বুথের সংখ্যা হতে পারে ৯৪ হাজারের বেশি।

    রোল অবজার্ভার নিয়োগ

    রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া (SIR in Bengal) আরও স্বচ্ছ ও ত্রুটিমুক্ত করতে কমিশন পশ্চিমবঙ্গের জন্য একজন স্পেশাল রোল অবজার্ভার নিয়োগ করেছে। ১৯৯০ ব্যাচের রাজ্য ক্যাডারের আইএএস সুব্রত গুপ্তকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। নির্দেশও জারি হয়েছে। এবার রাজ্যের প্রতিটি জেলায় আলাদা করে নির্বাচনী রোল অবজার্ভারও নিয়োগ করেছে কমিশন। ১২টি বড় জেলার জন্য ১২ জন অভিজ্ঞ আইএএস অফিসারকে রোল অবজার্ভার পদে নিযুক্ত করা হচ্ছে। তাদের কাজ হবে-জেলা স্তরে ডিইও অর্থাৎ জেলা শাসক এবং ইআরও-দের কাজ পর্যালোচনা করা। কোথাও ভুল হলে ধরিয়ে দেওয়া এবং এসআইআরের প্রতিটি ধাপ যেন কমিশনের নির্দেশ মতো হয়, তা নিশ্চিত করা। পাশাপাশি কোনও রাজনৈতিক দলকে সিইওর সঙ্গে দেখা করতে হলে আগাম সময় চেয়ে নিতে হবে বলে বিজ্ঞপ্তিও জারি হয়।

     

     

     

     

     

  • India Defence: জরুরি ভিত্তিতে রাশিয়া থেকে ৩০০টি এস-৪০০ মিসাইল কিনছে ভারত, অনুমোদন প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের

    India Defence: জরুরি ভিত্তিতে রাশিয়া থেকে ৩০০টি এস-৪০০ মিসাইল কিনছে ভারত, অনুমোদন প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের আকাশসীমা প্রতিরক্ষাকে আরও মজবুত করতে রাশিয়া থেকে আরও ৩০০টি এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র কেনার প্রস্তুতি নিচ্ছে কেন্দ্র। সূত্রের খবর, খুব শিগগিরই রাষ্ট্রায়ত্ত রুশ সংস্থা রসোবোনএক্সপোর্ট-কে এই মিসাইল কেনার জন্য রিকোয়েস্ট ফর প্রপোজাল পাঠাতে চলেছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। পাশাপাশি, পুতিনের আসন্ন ভারত সফরের সময় আরও ৫টি অতিরিক্তি এস-৪০০ সিস্টেম কেনার বিষয়ে আলোচনা হতে পারে বলেও জানা যাচ্ছে।

    মিসাইলের স্টক পূর্ণ করতে পদক্ষেপ

    ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর সময় পাক গোলার মোকাবিলায় ভারতে দাপট দেখিয়েছিল রাশিয়ার তৈরি এস-৪০০ ‘সুদর্শন চক্র’। এস-৪০০ সিস্টেম পাকিস্তানের জে-১০ সহ অন্যান্য বিমান ধ্বংস করেছিল। পাক সেনার ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র রুখতে বহু ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করতে হয়েছিল। পাকিস্তানের যুদ্ধবিমান, আর্লি ওয়ার্নিং প্ল্যাটফর্ম, নজরদারি বিমান ও সশস্ত্র ড্রোন নামাতে এই সিস্টেম ব্যাপকভাবে কাজে লাগে। সেই জায়গা ফের ভরাট করতে নতুন অস্ত্রসম্ভার মজুত করতে হবে। হাতে থাকা এস-৪০০ সিস্টেমগুলির কার্যকারিতা যাতে ১০০ শতাংশ থাকে, তার জন্যই এখন অতিরিক্ত ৩০০ মিসাইল কেনা প্রয়োজন ভারতের। এই এস-৪০০ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের ক্ষেপণাস্ত্রের স্টক পুনরায় পরিপূর্ণ করতেই এই পদক্ষেপ।

    রিপোর্ট বলছে, ১০ হাজার কোটি মূল্যেরও বেশি খরচের এই অধিগ্রহণ পর্ব আপাতত দ্রুততার সঙ্গে এগোচ্ছে। সূত্রের খবর, ‘ফাস্ট ট্র্যাক’ প্রক্রিয়ায় কেনাকাটা এগোচ্ছে এবং চলতি অর্থবর্ষের মধ্যেই খরচ আলোচনাকারী কমিটি (CNC) এবং মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা বিষয়ক কমিটি (CCS)-র ছাড়পত্র পেলেই অনুমোদন মিলবে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বাধীন প্রতিরক্ষা অধিগ্রহণ কাউন্সিল (DAC) ইতিমধ্যেই এই কেনাকাটায় সিলমোহর দিয়েছে এবং ‘অ্যাকসেপটেন্স অফ নিড’ও অনুমোদিত হয়েছে।

    আরও পাঁচটি এস-৪০০ ইউনিট কেনার ভাবনা

    এদিকে, দেশের আকাশসীমা শত্রু দেশের রকেট, মিসাইল ও বিমান থেকে রক্ষা করতে রাশিয়া থেকে আরও পাঁচটি এস-৪০০ সিস্টেম কেনার কথাও বিবেচনায় রয়েছে। একই সঙ্গে সশস্ত্র ও ‘কামিকাজে’ ড্রোন মোকাবিলায় রুশ ‘পান্টসির’ মিসাইল সিস্টেম কেনার দিকেও নজর রয়েছে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর। সীমান্তের ওপার থেকে নিক্ষেপ করা স্বল্প এবং মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রকে এস-৪০০ এবং পান্টসির একটি দ্বৈত-স্তর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে মজবুত করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এদিকে, পঞ্চম প্রজন্মের সুখোই-৫৭ যুদ্ধবিমানের একটি প্রস্তাব ভারতের কাছে রেখেছে রাশিয়া। এর প্রযুক্তিকে কেন্দ্র করেও একটি বাণিজ্যিক প্রস্তাব দিল্লির কাছে রেখেছে মস্কো। তবে তা নিয়ে সেভাবে এখনও অবস্থান জানায়নি ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার।

  • Daily Horoscope 29 November 2025: কর্মক্ষেত্রে সম্মান পাবেন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 29 November 2025: কর্মক্ষেত্রে সম্মান পাবেন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) স্ত্রীর কথায় বিশেষ ভাবে মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন।

    ২) খেলাধুলায় নাম করার ভালো সুযোগ হাতছাড়া হতে পারে।

    ৩) পুরনো বন্ধুর সঙ্গে দেখা হতে পারে।

    বৃষ

    ১) ভ্রমণের সুযোগ হাতছাড়া হতে পারে।

    ২) নিজের অজান্তেই কোনও কাজের সুবাদে সকলের প্রীতিলাভ করবেন।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    মিথুন

    ১) কর্মক্ষেত্রে সম্মান পাবেন।

    ২) একাধিক পথে আয় বাড়তে পারে।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    কর্কট

    ১) বন্ধুদের জন্য অশান্তি বাড়তে পারে।

    ২) আগুন থেকে বিপদের আশঙ্কা।

    ৩) ধৈর্য ধরতে হবে।

    সিংহ

    ১) অশান্তি থেকে সাবধান থাকা দরকার।

    ২) ব্যবসায় বাড়তি লাভ হতে পারে।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    কন্যা

    ১) ব্যবসায় কাজের দায়িত্ব বাড়তে পারে।

    ২) নেশার প্রতি আসক্তি বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ৩) দুশ্চিন্তা বাড়বে।

    তুলা

    ১) লোকে দুর্বলতার সুযোগ নিতে পারে।

    ২) ব্যবসায় সমস্যা বাড়তে পারে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    বৃশ্চিক

    ১) দাম্পত্য জীবনে অশান্তির সময়।

    ২) ব্যবসায় চাপ বাড়তে পারে।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    ধনু

    ১) অর্শের যন্ত্রণা বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ২) কর্মক্ষেত্রে সুনাম বাড়তে পারে।

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    মকর

    ১) ব্যবসায় অশান্তি বাড়তে পারে।

    ২) চাকরির স্থানে উন্নতির সুযোগ পেতে পারেন।

    ৩) আধ্যাত্মিকতায় মনোনিবেশ করুন।

    কুম্ভ

    ১) শারীরিক সমস্যার জন্য ব্যবসায় সময় দিতে পারবেন না।

    ২) দাম্পত্য সম্পর্কে উন্নতির সময়।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    মীন

    ১) চিকিৎসার জন্য খরচ বৃদ্ধি।

    ২) কোনও বন্ধুর সঙ্গে বিবাদের যোগ রয়েছে।

    ৩) ভেবেচিন্তে কথা বলুন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 520: “রথের রজ্জু ধরিয়া একটু টানিলেন—তৎপরে রথাগ্রে ভক্তসঙ্গে নৃত্য ও কীর্তন করিতেছেন”

    Ramakrishna 520: “রথের রজ্জু ধরিয়া একটু টানিলেন—তৎপরে রথাগ্রে ভক্তসঙ্গে নৃত্য ও কীর্তন করিতেছেন”

    ৪৯ শ্রীশ্রীরথযাত্রা বলরাম-মন্দিরে

    পঞ্চম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১৪ই জুলাই
    বলরামের রথযাত্রা—নরেন্দ্রাদি ভক্তসঙ্গে সংকীর্তনানন্দে

     

    ভক্তেরা বাটী হইতে আহারাদি করিয়া ক্রমে ক্রমে আসিতেছেন।

    মহেন্দ্র মুখুজ্জেকে দূর হইতে প্রণাম করিতে দেখিয়া ঠাকুর তাঁহাকে প্রণাম করিতেছেন — আবার সেলাম করিতেছেন। কাছের রকটি ছোকরা ভক্তকে বলিতেছেন, ওকে বল্‌না ‘সেলাম করলে’,—ও বড় অলকট্‌ অলকট্‌ করে। (সকলের হাস্য) গৃহস্থ ভক্তেরা অনেকে নিজেদের বাটীর পরিবারদের আনিয়াছেন;—তাঁহারা শ্রীশ্রীঠাকুরকে দর্শন করিবেন ও রথের সম্মুখে কীর্তনানন্দ দেখিবেন (Kathamrita)। রাম, গিরিশ প্রভৃতি ভক্তেরা ক্রমে ক্রমে আসিয়াছেন। ছোকরা ভক্তেরা অনেকে আসিয়াছেন।

    এইবার নরেন্দ্র গান (Ramakrishna) গাইতেছেন:

    (১)     কত দিনে হবে সে প্রেম সঞ্চার।
    হয়ে পূর্ণকাম বলব হরিনাম,
    নয়নে বহিবে প্রেম-অশ্রুধার ॥

    (২)     নিবিড় আঁধারে মা তোর চমকে ও রূপরাশি।
    তাই যোগী ধ্যান ধরে হয়ে গিরিগুহাবাসী ॥

    বলরাম আজ কীর্তনের বন্দোবস্ত করিয়াছেন,—বৈষ্ণবচরণ ও বেনোয়ারীর কীর্তন। এইবার বৈষ্ণবচরণ গাহিতেছেন—শ্রীদুর্গানাম জপ সদা রসনা আমার। দুর্গমে শ্রীদুর্গা বিনে (Kathamrita) কে করে নিস্তার।

    গান একটু শুনিতে শুনিতে ঠাকুর সমাধিস্থ! দাঁড়াইয়া সমাধিস্থ!—ছোট নরেন ধরিয়া আছেন। সহাস্যবদন। ক্রমে সব স্থির! একঘর ভক্তেরা অবাক্‌ হইয়া দেখিতেছেন। মেয়ে ভক্তেরা চিকের মধ্য হইতে দেখিতেছেন। সাক্ষাৎ নারায়ণ বুঝি দেহধারণ করিয়া ভক্তের জন্য আসিয়াছেন। কি করে ঈশ্বরকে ভালবাসতে হয়, তাই বুঝি শিখাতে এসেছেন!

    নাম করিতে করিতে অনেকক্ষণ পরে সমাধিভঙ্গ হইল। ঠাকুর আসন গ্রহণ করিলে বৈষ্ণবচরণ আবার গান ধরিলেন:

    (১)     হরি হরি বল রে বীণে!

    (২)     বিফলে দিন যায় রে বীণে, শ্রীহরির সাধন বিনে।

    এইবার আর এক কীর্তনীয়া, বেনোয়ারী, রূপ গাহিতেছেন। কিন্তু সদাই গান গাহিতে ‘আহা! আহা!’ বলিয়া ভূমিষ্ঠ হইয়া প্রণাম করেন। তাহাতে শ্রোতারা কেহ হাসে, কেহ বিরক্ত হয়।

    অপরাহ্ন হইয়াছে। ইতিমধ্যে বারান্দায় শ্রীশ্রীজগন্নাথের সেই ছোট রথখানি ধ্বজা পতাকা দিয়া সুসজ্জিত করিয়া আনা হইয়াছে। শ্রীশ্রীজগন্নাথ, সুভদ্রা ও বলরাম চন্দনচর্চিত ও বসন-ভূষণ ও পুষ্পমালা দ্বারা সুশোভিত হইয়াছেন। ঠাকুর বেনোয়ারীর কীর্তন ফেলিয়া বারান্দায় রথাগ্রে গমন করিলেন,—ভক্তেরাও সঙ্গে সঙ্গে চলিলেন। রথের রজ্জু ধরিয়া একটু টানিলেন—তৎপরে রথাগ্রে ভক্তসঙ্গে নৃত্য ও কীর্তন করিতেছেন। অন্যান্য গানের সঙ্গে ঠাকুর পদ ধরিলেন:

    যাদের হরি বলতে নয়ন ঝরে, তারা তারা দুভাই এসেছে রে!
    যারা মার খেয়ে প্রেম যাচে, তারা তারা দুভাই এসেছে রে!
    আবার — নদে টলমল টলমল করে, গৌরপ্রেমে হিল্লোলে রে।

    ছোট বারান্দাতে রথের সঙ্গে সঙ্গে কীর্তন ও নৃত্য হইতেছে। উচ্চ সংকীর্তন ও খোলের শব্দ শুনিয়া বাহিরের লোক অনেকে বারান্দা মধ্যে আসিয়া পড়িয়াছে। ঠাকুর হরিপ্রেমে মাতোয়ারা (Ramakrishna) । ভক্তেরাও সঙ্গে সঙ্গে প্রেমোন্মত্ত হইয়া নাচিতেছেন।

  • PM Modi Ram Statue: গোয়া পর্যটনে নয়া তিলক, বিশ্বের সর্বোচ্চ রামমূর্তি উদ্বোধন মোদির

    PM Modi Ram Statue: গোয়া পর্যটনে নয়া তিলক, বিশ্বের সর্বোচ্চ রামমূর্তি উদ্বোধন মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যার পর গোয়া। রাম মন্দিরে ধ্বজা উত্তোলনের পরে বিশ্বের উচ্চতম রামের মূর্তি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার গোয়ার ক্যানাকোনায় ৭৭ ফুট লম্বা রামের মূর্তি উন্মোচন করে তিনি। গোকর্ণ জীবোত্তম মঠের ৫৫০ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে এই মূর্তি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। গোয়ায় রামের ব্রোঞ্জের মূর্তিটি তৈরি করেছেন শিল্পী রাম সুতার। তাঁর হাতেই রূপ পেয়েছিল গুজরাটের স্ট্যাচু অফ ইউনিটি। বিশ্বের উচ্চতম রামের মূর্তির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্ত, রাজ্যপাল অশোক গজপতি রাজু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

    পীঠের তূণীরে তির, মুখে স্নিগ্ধ হাসি

    উচ্চতম এই রাম মূর্তি পূর্ণাবয়ব। রামের বাঁ হাতে ধনুক। ডান হাতে অভয় মুদ্রা। পীঠের তূণীরে তির। মুখে স্নিগ্ধ হাসি। এ দিন মূর্তি উন্মোচনের পরে মঠ সংলগ্ন মন্দিরে পুজোও দেন প্রধানমন্ত্রী। ভারতের সবচেয়ে প্রাচীন মঠগুলির মধ্যে গোকর্ণ জীবত্তোম মঠ অন্যতম। আধ্যাত্মিক তো বটেই, সাংস্কৃতিক এবং সামাজিক ক্ষেত্রেও মঠের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রয়েছে। গৌড়ীয় সারস্বত ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়ের প্রথম মঠ এটাই। ফলে এর গুরুত্বও অপরিসীম। মঠের ৫৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ২৭ নভেম্বর থেকে ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত একাধিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়েছে। জীবোত্তম মঠে তৈরি করা হয়েছে রামায়ণ থিম পার্ক।

    ঐতিহ্যের সঙ্গে আধুনিকতার মেলবন্ধন

    এদিনের অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “শ্রী সংস্থান গোকর্ণ জীবোত্তম মঠ দীর্ঘ বছর ধরে মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে এসেছে, ঐতিহ্যকে আধুনিকতার সঙ্গে সংযুক্ত করে আসছে এই মঠ।” একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “একটি জাতির অগ্রগতি সম্মিলিত শক্তির উপর নির্ভর করে। ফলে বিকশিত ভারতের পথ সেই ঐক্যের মধ্য দিয়েই যায়।” বিশ্বের সবচেয়ে বড় রামমন্দির উদ্বোধনের পাশাপাশি মঠের ৫৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে একটি ডাক টিকিট ও স্মারক মুদ্রা প্রকাশ করা হয়েছে সরকারের তরফে। এছাড়া এই মঠে মিউজিয়াম ও আধুনিক থ্রিডি থিয়েটার চালু করার ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

  • Vladimir Putin: আগামী সপ্তাহেই ভারতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন, প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে কী নিয়ে আলোচনা?

    Vladimir Putin: আগামী সপ্তাহেই ভারতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন, প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে কী নিয়ে আলোচনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ভারত সফরের তারিখ ঘোষণা করা হল। ক্রেমলিনকে উদ্ধৃত করে রাশিয়ার সরকারি সংবাদসংস্থা জানিয়েছে, আগামী ৪ ডিসেম্বর ভারতে আসবেন পুতিন। ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত এ দেশে তাঁর কর্মসূচি রয়েছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও করবেন রুশ প্রেসিডেন্ট। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকও এক সরকারি বিবৃতিতে পুতিনের সফর নিশ্চিত করেছে। সফরকালে পুতিন নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসবেন। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু রাশিয়ার রাষ্ট্রপতিকে অভ্যর্থনা জানাবেন এবং তাঁর সম্মানে রাষ্ট্রপতি ভবনে একটি বিশেষ ভোজের আয়োজন করা হবে।

    কী কী নিয়ে আলোচনা

    বিদেশ মন্ত্রকের মতে, এই সফর দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের ‘বিশেষ ও সুবিধাপ্রাপ্ত কৌশলগত অংশীদারিত্ব’ আরও মজবুত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। নেতারা ভারত-রাশিয়া সম্পর্কের অগ্রগতি পর্যালোচনা করবেন এবং আগামী বছরের জন্য সহযোগিতার নতুন দিশা নির্ধারণ করবেন। পাশাপাশি, আঞ্চলিক নিরাপত্তা, বৈশ্বিক পরিস্থিতি এবং দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক বিষয়গুলোতেও আলোচনা হবে। ২৩তম ভারত–রাশিয়া বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলনের অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হতে চলা এই বৈঠকে প্রতিরক্ষা, জ্বালানি, বাণিজ্য, মহাকাশ, বিজ্ঞানসহ একাধিক ক্ষেত্রের সহযোগিতাও গুরুত্ব পাবে বলে সরকারি মহলে আশা করা হচ্ছে।

    কৌশলগত সহযোগিতার বন্ধন

    মোদি ও পুতিনের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক, কৌশলগত সহযোগিতার বন্ধন আরও দৃঢ় হবে বলে আশাবাদী নয়াদিল্লি। এছাড়া, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সমস্যা নিয়েও দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে কথা হতে পারে। রাশিয়ার কাছ থেকে খনিজ তেল কেনার কারণে ভারতের পণ্যে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে আমেরিকা। ফলে মার্কিন-ভারত বাণিজ্য ধাক্কা খেয়েছে। তবে আমেরিকার এই পদক্ষেপ সত্ত্বেও রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্যনীতিতে পরিবর্তন করেনি নয়াদিল্লি। এর ফলে দুই দেশের ঘনিষ্ঠতা বেড়েছে। আমেরিকার বিরুদ্ধে ভারতের হয়ে সরব হয়েছে ক্রেমলিনও। এই পরিস্থিতিতে পুতিনের সফরকে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

    প্রতিরক্ষা সহযোগিতাই আলোচনার কেন্দ্রে

    সূত্র জানিয়েছে, পাঁচটি অতিরিক্ত এস-৪০০ ট্রায়াম্ফ এয়ার-ডিফেন্স স্কোয়াড্রন ক্রয়ের ভারতীয় প্রস্তাব—যা ‘অপারেশন সিনদূর’-এ অত্যন্ত কার্যকর প্রমাণিত—এই বৈঠকের অন্যতম প্রধান আলোচ্য বিষয় হবে। পাশাপাশি, ইতিমধ্যেই কার্যকর এস-৪০০ সিস্টেমগুলোর জন্য অতিরিক্ত ক্ষেপণাস্ত্র সংগ্রহের বিষয়টিও আলোচনায় থাকতে পারে। এছাড়া রাশিয়ার পঞ্চম প্রজন্মের সু-৫৭ যুদ্ধবিমান কেনার সিদ্ধান্ত এখনও চূড়ান্ত করেনি ভারত। মস্কো এই বিমানকে আমেরিকান এফ-৩৫-এর সম্ভাব্য বিকল্প হিসেবে জোরালোভাবে তুলে ধরছে বলে জানা গিয়েছে।

    ইউক্রেন যুদ্ধও থাকবে আলোচনায়

    রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত নিয়েও দু’পক্ষের মধ্যে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। একাধিকবার শান্তির পক্ষে অবস্থান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। সম্প্রতি বিদেশমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর ইউক্রেনের বিদেশমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহার সঙ্গে ফোনে আলাপ করে ইউক্রেন পরিস্থিতির সর্বশেষ অবস্থা নিয়ে আলোচনা করেছেন। ইউক্রেন সংঘাতের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে তাঁরা কথা বলেছেন। যুদ্ধের দ্রুত অবসান ও টেকসই শান্তির প্রতি ভারতের সমর্থনের কথাও জানিয়েছেন জয়শঙ্কর। উল্লেখ্য, পুতিন শেষবার ২০২১ সালে নয়াদিল্লি সফর করেছিলেন, এবং প্রধানমন্ত্রী মোদি গত বছর জুলাই মাসে বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে মস্কো গিয়েছিলেন। দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের এই ধারাবাহিক উচ্চস্তরের যোগাযোগই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের দৃঢ়তার প্রমাণ বলে মনে করছেন কূটনীতিকরা।

  • UAE Visas Ban: ভিক্ষাবৃত্তি, অপরাধমূলক কাজকর্ম! পাকিস্তানিদের ভিসা নয়, জানাল আরব আমিরশাহি

    UAE Visas Ban: ভিক্ষাবৃত্তি, অপরাধমূলক কাজকর্ম! পাকিস্তানিদের ভিসা নয়, জানাল আরব আমিরশাহি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানিরা এসে অপরাধমূলক কাজকর্ম করছে। এই অভিযোগে এবার পাকিস্তানি নাগরিকদের ভিসা দেওয়া বন্ধ করল সংযুক্ত আরব আমিরশাহি। পাকিস্তানি সংবাদপত্র জানাচ্ছে, পাকিস্তানের অতিরিক্ত স্বরাষ্ট্র সচিব সলমন চৌধুরি মানবাধিকার বিষয়ক সেনেট কার্যকরী কমিটির বৈঠকে এই বিষয়টি জানিয়েছেন। চৌধুরি জানিয়েছেন, একবার নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলে, তা অপসারণ করা কঠিন। সংযুক্ত আরব আমিরশাহি বর্তমানে কেবল নীল এবং কূটনৈতিক পাসপোর্টধারীদের ভিসা দিচ্ছে। উপসাগরীয় দেশগুলিতে ভ্রমণ করে পাকিস্তানি নাগরিকরা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ার কারণেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি।

    কেন ভিসা বন্ধ

    প্রতি বছর মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলিতে প্রায় আট লক্ষ পাকিস্তানি ভিসা চেয়ে আবেদন করেন। মূলত, কর্মসংস্থান এবং উন্নত অর্থনৈতিক সুযোগের জন্য এই আবেদন করা হয়। তবে সম্প্রতি প্রচুর পাকিস্তানি নাগরিক সেখানে গিয়ে বেআইনি ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে বলে জানাচ্ছে আরব আমিরশাহি প্রশাসন। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে, সংযুক্ত আরব আমিরাশাহি, সৌদি আরব এবং আরও বেশ কয়েকটি উপসাগরীয় দেশ পাকিস্তানের কমপক্ষে ৩০টি বিভিন্ন শহরের বাসিন্দাদের ভিসা দেওয়ার উপরে অনির্দিষ্টকালের জন্য নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। পাকিস্তানি নাগরিকদের ওই সব দেশে ভিক্ষা করতে গিয়ে বা বিদেশে চোরাচালান, মাদকপাচার, মানবপাচার এবং অন্যান্য অপরাধমূলক অপরাধে জড়িত থাকার ঘটনা সামনে আসার পরেই ওই সিদ্ধান্ত বলে জানা গিয়েছে।

    পাকিস্তানের হতশ্রী দশা প্রকট

    মক্কা এবং মদিনায় হজ চলাকালীন ভিক্ষা করতে গিয়ে ধরা পড়েছেন প্রায় ৪ হাজার পাকিস্তানি নাগরিক। এছাড়াও মাদক পাচার, চোরাচালান-সহ একাধিক অপরাধমূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে পাকিস্তানি নাগরিকরা বলে দাবি। নয়া সিদ্ধান্তে পাকিস্তানি নাগরিকদের জন্য পর্যটন, ভ্রমণ বা কাজের জন্য ভিসা-সহ সকল ধরনের ভিসা পাওয়ার বিষয়টিকে প্রভাবিত হবে। যাদের ভিসা রয়েছে, তার মেয়াদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত বৈধ থাকবে। তবে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির দূতাবাসগুলিতে বা অনুমোদিত ভিসা কেন্দ্রগুলির মাধ্যমে কোনও নতুন আবেদন নেওয়া হচ্ছে না। বেশ কিছু প্রতিবেদন অনুসারে, গত বছরের ডিসেম্বর থেকে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি ও আরও বেশ কয়েকটি উপসাগরীয় দেশে পাকিস্তানি ভ্রমণকারীদের পুলিশ ভেরিফিকেশন প্রসেস বাধ্যতামূলক করেছে। আরব আমিরশাহির এই সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের ‘ক্ষয়িষ্ণু’ পাসপোর্টের উপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে। টানা তিন বছর ধরে বিশ্বের সবথেকে খারাপ র‌্যাঙ্কের পাসপোর্ট-এর তালিকায় তৃতীয় নম্বরে রয়েছে পাকিস্তান।

  • Waqf Amendment Act: নতিস্বীকার মমতার! রাজ্যকে মানতেই হল কেন্দ্রের নতুন ওয়াক্‌ফ আইন, চুপিসাড়ে নির্দেশ নবান্নর

    Waqf Amendment Act: নতিস্বীকার মমতার! রাজ্যকে মানতেই হল কেন্দ্রের নতুন ওয়াক্‌ফ আইন, চুপিসাড়ে নির্দেশ নবান্নর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রে নরেন্দ্র মোদি সরকার ওয়াক্‌ফ সংশোধন বিল পাশ করানোর পর বাংলায় প্রতিবাদ বিক্ষোভ হয়েছিল। সেই সময়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রকাশ্যে জানিয়েছিলেন— তিনি পশ্চিমবঙ্গে নতুন ওয়াক্‌ফ সংশোধন আইন (Waqf Amendment Act) কার্যকর হতে দেবেন না। মাস সাতেক পর অবশেষে নতিস্বীকার করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। মেনে নিতে বাধ্য হলেন কেন্দ্রের নতুন আইনকে। তথ্যাভিজ্ঞ মহলের দাবি, মানতেই হত, এ ছাড়া আর কোনও উপায়ও ছিল না রাজ্যের কাছে।

    চুপিসাড়ে নির্দেশ নবান্নর

    চুপিসাড়ে রাজ্যের ওয়াক্‌ফ সম্পত্তি সংক্রান্ত সব তথ্য সেন্ট্রাল পোর্টালে আপলোড করতে সব জেলাশাসককে নির্দেশ দিল নবান্ন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সংখ্যালঘু ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের সচিব ড. পিবি সালিম এই সংক্রান্ত চিঠি পাঠান। সেখানে বলা হয়েছে, ‘umeedminority.gov.in’ পোর্টালে প্রতিটি জেলার ওয়াক্‌ফ সম্পত্তির খতিয়ান আপলোড করতে হবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে। আইন অনুযায়ী, দেশের সব নিবন্ধিত ওয়াক্‌ফ সম্পত্তির তথ্য ছয় মাসের মধ্যে পোর্টালে তুলতে হবে। এই সময়সীমা শেষ হচ্ছে ৫ ডিসেম্বর ২০২৫।

    চিঠিতে আরও জানানো হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে ৮২ হাজারের বেশি ওয়াক্‌ফ সম্পত্তি রয়েছে। এগুলি ৮ হাজারের বেশি ওয়াক্‌ফ এস্টেটের অধীনে। এসব সম্পত্তির তথ্য আপলোড করবেন সংশ্লিষ্ট মুতাওয়াল্লিরা। জেলাশাসকদের চারটি দিকনির্দেশও দেওয়া হয়েছে। সেগুলি হল–
    মুতাওয়াল্লি, ইমাম, মোয়াজ্জিন ও মাদ্রাসা শিক্ষকদের নিয়ে বৈঠক করে আপলোডের নিয়ম বুঝিয়ে দিতে হবে।
    শুধু অ-বিতর্কিত সম্পত্তির তথ্য আপলোড করতে হবে।
    প্রয়োজন হলে প্রযুক্তিগত সাহায্যের জন্য সহায়ক কেন্দ্র খুলতে হবে।
    সংখ্যালঘু দফতরের রাজ্যস্তরের অফিসারদের জেলায় পাঠানো হয়েছে কাজ তদারকির জন্য।

    রাজনৈতিক ভাবে তাৎপর্যপূর্ণ

    রাজনৈতিক ভাবেও এই সিদ্ধান্ত তাৎপর্যপূর্ণ। চলতি বছরের এপ্রিলের শুরুতে ওয়াক্‌ফ সংশোধনী বিল পাশ হয় সংসদের দুই কক্ষে। এরপর রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু সেই বিলে স্বাক্ষর করেন। দেশজুড়ে ওয়াক্‌ফ সংশোধনী আইন (Waqf Amendment Act) লাগু হয়। সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) বলেছিলেন, রাজ্যে লাগু হবে না এই আইন। গত ৯ এপ্রিল একটি জৈন সম্প্রদায়ের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, “বাংলায় ওয়াক্‌ফ অ্যামেন্ডমেন্ট অ্যাক্ট কার্যকর হতে দেব না। মুসলমানদের ‘ডিভাইড অ্যান্ড রুল’ আমি চলতে দেব না।” তিনি আরও বলেছিলেন, “আমাদের এখানে ৩৩ শতাংশ মুসলিম আছেন। তাঁরা শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এখানে থাকছেন। তাঁদের সুরক্ষা দেওয়া আমার কর্তব্য।”

    মানতেই হবে সব রাজ্যকে

    সুপ্রিম কোর্টে ওয়াক্‌ফ সংশোধনী আইনের (Waqf Amendment Act) বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়। রাজ্য এই আইনের বিরুদ্ধে আদালতে গেলেও আশানুরূপ ফল পায়নি। সংশোধিত ওয়াক্‌ফ আইনের উপর সম্পূর্ণ স্থগিতাদেশ জারি করেনি শীর্ষ আদালত। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শীর্ষ আদালত ওয়াক্‌ফ সংশোধনী আইনে স্থগিতাদেশ না দেওয়ায় এই আইন মানতে হবে সব রাজ্যকে। এ ছাড়া আর কোনও উপায়ও নেই রাজ্যের কাছে। দেশের সব নিবন্ধিত ওয়াক্‌ফ সম্পত্তির তথ্য ৬ মাসের মধ্যে কেন্দ্রীয় পোর্টালে আপলোড করতে হত। এই সময়সীমা শেষ হচ্ছে আগামী ৫ ডিসেম্বর। তাই, তড়িঘড়ি রাজ্য সরকারের তরফে সব তথ্য কেন্দ্রীয় পোর্টালে আপলোড করতে বলা হল।

LinkedIn
Share