Tag: news in bengali

news in bengali

  • Enforcement Directorate: ‘হাজিরা দিতে এসেছি’! ইডি দফতরে শিল্পপতি হর্ষ নেওটিয়া, কোন মামলায়?

    Enforcement Directorate: ‘হাজিরা দিতে এসেছি’! ইডি দফতরে শিল্পপতি হর্ষ নেওটিয়া, কোন মামলায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিল্পপতি হর্ষ নেওটিয়াকে তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। মঙ্গলবার, সকালে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সের সামনে থামে তাঁর গাড়ি। নেমেই ইডি দফতরে প্রবেশ করেন হর্ষ (Harsh Neotia)। সূত্রের খবর, সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ তাঁকে হাজিরা দিতে বলা হয়েছিল। তার আগেই তিনি পৌঁছে যান ইডির দফতরে। ঢোকার মুখে সংবাদমাধ্যম তাঁকে ঘিরে ধরলে, তিনি জানান, তাঁকে ডাকা হয়েছে, তাই তিনি হাজিরা দিতে এসেছেন। যদিও, কোন মামলা বা ঠিক কী কারণে তলব, সেই বিষয়ে মুখ খোলেননি শিল্পপতি। শুধু জানান, বেরিয়ে সব বলবেন। 

     

    আরও পড়ুন: ভোটে ব্যবহৃত গাড়িতে জিপিএস ট্র্যাকিং, আরও চার আয়-ব্যয় পর্যবেক্ষক নিয়োগ কমিশনের

    আর্থিক লেনদেনে তলব শিল্পপতিকে?

    একটা বিষয় পরিষ্কার। তা হল, ইডি (Enforcement Directorate) ডেকেছে যখন, তখন কোনও আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত তদন্তের প্রক্ষিতে তলব করা হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে রাজ্যে নিয়োগ দুর্নীতি সহ একাধিক মামলায় বিভিন্ন নির্মাণ সংস্থার নাম প্রকাশ্যে এসেছিল। উল্লেখ্য, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারীদের দেওয়া চার্জশিটে একাধিক নির্মাণকারী সংস্থার নাম উঠে এসেছে। নিয়োগের কালো টাকা এই সংস্থাগুলির মাধ্যমে সাদা করা হত বলেও অভিযোগ ওঠে। সেই সূত্রেই হর্ষ নেওটিয়াকে (Harsh Neotia) তলব করা হয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে।

    ২০১৫ সালেও তলব করেছিল ইডি

    এই প্রথম নয়। এর আগেও একবার হর্ষবর্ধন নেওটিয়াকে তলব করেছিল ইডি (Enforcement Directorate)। সেটা ছিল ২০১৫ সালে। সেবার সারদা মামলায় সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিয়েছিলেন হর্ষ (Harsh Neotia)। তবে, এবার তাঁর হাজিরা বাংলার শিল্পমহলে আলোড়নের সৃষ্টি করেছে। কারণ, কলকাতা তথা বাংলার শিল্পমহলে যথেষ্ট জনপ্রিয় তিনি। অম্বুজা নেওটিয়া গ্রুপের কর্ণধার হর্ষ মূলত নির্মাণ ব্যবসার সঙ্গেই জড়িত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024: “কংগ্রেস গরিবদের উপোসে রেখে জঙ্গিদের খাওয়াত বিরিয়ানি”, তোপ যোগীর

    Lok Sabha Elections 2024: “কংগ্রেস গরিবদের উপোসে রেখে জঙ্গিদের খাওয়াত বিরিয়ানি”, তোপ যোগীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কংগ্রেস গরিবদের উপোস করিয়ে রাখত, আর জঙ্গিদের খাওয়াত বিরিয়ানি।” লোকসভা নির্বাচনের (Lok Sabha Elections 2024) প্রচারে বেরিয়ে কংগ্রেসকে এই ভাষায়ই আক্রমণ শানালেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা যোগী আদিত্যনাথ।

    ‘জঙ্গিদের বিরিয়ানি খাওয়াত’ (Lok Sabha Elections 2024)

    দ্য গার্ডিয়ানের একটি রিপোর্টের কথা তুলে ধরে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “একদিকে গার্ডিয়ানের রিপোর্ট দেখুন, যেখানে বলা হচ্ছে, পাকিস্তানে ঢুকে জঙ্গিদের বেছে বেছে নিকেশ করা হচ্ছে। অন্যদিকে কংগ্রেস তাদের সরকারের আমলে জঙ্গিদের বিরিয়ানি খাওয়াত।” তার পরেই তিনি বলেন, “কংগ্রেস গরিবদের উপোস করিয়ে রাখত, আর জঙ্গিদের খাওয়াত বিরিয়ানি।” প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমলে (Lok Sabha Elections 2024) যে ভারত আবার জগৎ সভায় শ্রেষ্ঠ আসন নিতে যাচ্ছে, এদিন তাও মনে করিয়ে দেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী।

    ‘ভারতের সম্মান বেড়েছে’

    তিনি বলেন, “মোদিজির নেতৃত্বে গোটা বিশ্বের কাছে ভারতের সম্মান বেড়েছে। এখন ভারতে কেউ সন্ত্রাসবাদ, নকশালবাদকে প্রশ্রয় দিতে পারবে না। অন্যদিকে কংগ্রেসের লোকজন চুপচাপ বসে থাকতেন, কিছুই করতে পারতেন না।” আদিত্যনাথ বলেন, “এটাই হল নয়া ভারত। আজকের দিনে যে কোনও ভারতীয় বিশ্বের যে কোনও প্রান্তে গেলে যোগ্য সম্মান পান। দেশের সীমানা এখন সুরক্ষিত। নকশালবাদ, উগ্রবাদের দিন শেষ হয়েছে।” মোদি জমানায় গত চার বছর ধরে দেশের আশি কোটি মানুষকে যে নিখরচায় রেশন সামগ্রী দেওয়া হচ্ছে, এদিন তারও উল্লেখ করেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। এই পরিষেবা আরও পাঁচ বছর মিলবে বলেও আশ্বাস দেন আদিত্যনাথ।

    আরও পড়ুুন: পদ্মকাননে মাধবীলতা! কে এই মহীয়সী, যাঁর প্রশংসায় পঞ্চমুখ খোদ মোদি?

    কংগ্রেসকে নিশানা করতে গিয়ে বিজেপির এই তারকা প্রচারক বলেন, “কংগ্রেস সরকারের আমলে কোনও নীতি ছিল না, নেতা ছিলেন না, সিদ্ধান্তও ছিল না। কিন্তু মোদি সরকারের আমলে দেশে গরিবদের জন্য প্রকল্পের কোনও অভাব নেই।” কংগ্রেসই যে দেশের ‘বড় সমস্যা’ সেকথা মনে করিয়ে দেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, “কংগ্রেসের ডিএনএতে রয়েছে কারফিউ জারি করা।” রাম মন্দিরের প্রসঙ্গ টেনে আদিত্যনাথ বলেন, “কংগ্রেস কোনও কালে অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণ করতে পারত না। তারা বলত রামের কোনও অস্তিত্বই নেই। ভরতপুরের পর রয়েছে মথুরা, বৃন্দাবল, গোকুল, বর্ষণা, নন্দগাঁও এবং গোবর্ধন। তার পরেও কংগ্রেস বলছে ভগবান কৃষ্ণ বলে কেউ ছিলেন না। কংগ্রেস আমাদের ইতিহাস এবং ঐতিহ্যকে নিয়েই প্রশ্ন তুলেছে (Lok Sabha Elections 2024)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024: পদ্মকাননে মাধবীলতা! কে এই মহীয়সী, যাঁর প্রশংসায় পঞ্চমুখ খোদ মোদি?

    Lok Sabha Elections 2024: পদ্মকাননে মাধবীলতা! কে এই মহীয়সী, যাঁর প্রশংসায় পঞ্চমুখ খোদ মোদি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হায়দরাবাদে বিজেপির প্রার্থী কম্পেল্লা মাধবীলতা। খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁর (Lok Sabha Elections 2024) প্রশংসায় পঞ্চমুখ। এই কেন্দ্রে মাধবীলতা যাঁর বিরুদ্ধে লড়ছেন, তিনি আসাদউদ্দিন ওয়াইসি, অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন সুপ্রিমো। একটি টিভি চ্যানেলে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন মাধবীলতা। সেটি ভালো লাগে প্রধানমন্ত্রীর। তার পরেই এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “মাধবীলতাজি, আপনার আপ কি আদালত এপিসোড ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠান। আপনি ঠিকঠাক পয়েন্ট ধরেছেন, আবেগ এবং যুক্তি দিয়ে মোকাবিলা করেছেন। আপনার প্রতি আমার শুভেচ্ছা রইল।” বিজেপির এই (Lok Sabha Elections 2024) প্রার্থীকে কেন্দ্রের তরফে দেওয়া হয়েছে ওয়াই প্লাস ক্যাটেগরির নিরাপত্তা।

    ওয়াইসি পরিবারের খাসতালুকে প্রার্থী হতেই চর্চায় (Lok Sabha Elections 2024)

    বছর ঊনপঞ্চাশের মাধবীলতাকে ২ মার্চের আগে কেউ চিনতেন না। কিন্তু ওয়াইসি পরিবারের চার দশকের খাসতালুকে প্রার্থী হতেই চর্চায় উঠে আসেন মাধবীলতা। পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে বিএ পাশ করার পর মাস্টার্স করেন পলিটিক্যাল সায়েন্সে। তিন তালাকের পক্ষে ব্যাপক প্রচার করেন তিনি। তিনি উদ্যোগপতিও। এনসিসি ক্যাডেট। প্রোফেশনাল ভারতনাট্যম নৃত্যশিল্পী। গত দু’দশক ধরে সমাজসেবামূলক কাজের সঙ্গেও জড়িত মাধবীলতা। তার জেরেই এবার পদ্ম পার্টির টিকিট-প্রাপ্তি।

    আসাদউদ্দিনকে নিশানা মাধবীলতার

    গত রবিবার এই মাধবীলতাই নিশানা করেন আসাদউদ্দিনকে, দেগে দেন ‘আইএসআইএসের বন্ধু’ বলে। তিনি বলেন, “কে তাঁকে (আসাদউদ্দিনকে) মৃত্যু হুমকি দিচ্ছে? তাঁর বন্ধুত্বের লেভেলটা দেখুন। আইএসআইএসের লোকজনের সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব রয়েছে। তিনি বলছেন যে, এখানে তাঁর সংগঠন মজবুত, তার পরেও বলছেন তাঁকে খুনের হুমকি দেওয়া হচ্ছে!” প্রসঙ্গত, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় গ্যাংস্টার মুখতার আনসারির। গ্যাংস্টার থেকে রাজনীতিক বনে যাওয়া আনসারির শেষযাত্রায় অংশ নিয়েছিলেন আসাদউদ্দিন। আনসারির পরিবারের সঙ্গে দেখাও করেছিলেন। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, আসাদউদ্দিনকে এই খোঁচাই দেন পদ্মবনের মাধবীলতা।

    আরও পড়ুুন: “এই ধরনের রিপোর্ট লেখার সাহস ওসি পেলেন কী করে?”, ভূপতিনগরকাণ্ডে প্রশ্ন আদালতের

    তিন সন্তানের মা মাধবীলতা যখন জানতে পারলেন, তাঁকে বিজেপি প্রার্থী করেছে, তখন খানিকটা বিস্মিতই হয়েছিলেন। মাধবীলতা সুবক্তা। তিনি বলেন, “গত কুড়ি বছর ধরে যে সমাজসেবামূলক কাজ করছি, তার ফল স্বরূপ এই টিকিট। বিজেপি প্রকৃত মানুষ চিনতে ভুল করে না।” বিজেপির এক নেতাও বলছেন, “উনি জনপ্রিয় কার্যকর্তা নন। তাই ওঁকে কেন টিকিট দেওয়া হল, তা স্পষ্ট নয়। তবে হতে পারে উনি মহিলা, হতে পারে উনি সুবক্তা, মুসলিম মহিলাদের নিয়ে কাজ করছেন, সেটাও হতে পারে। অবশ্য দল ওঁর পাশে রয়েছে। আমরা এবার শক্তপোক্ত লড়াই দেব (Lok Sabha Elections 2024)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Bhupatinagar: ভূপতিনগরকাণ্ডে এনআইএ-র ওপর আক্রমণে গ্রেফতারি নেই, চাপে পড়েই কি পুলিশ অফিসার বদল?

    Bhupatinagar: ভূপতিনগরকাণ্ডে এনআইএ-র ওপর আক্রমণে গ্রেফতারি নেই, চাপে পড়েই কি পুলিশ অফিসার বদল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের সংবাদ শিরোনামে ভূপতিনগর বিস্ফোরণকাণ্ড (Bhupatinagar)। সম্প্রতি এই এলাকায় বিস্ফোরণকাণ্ডকে কেন্দ্র করে তুঙ্গে কেন্দ্র-রাজ্য তরজা। আর এরই মধ্যেই ঘটনায় তদন্তকারী অফিসারকে (investigating officer ) বদল করা হল। ভূপতিনগরের সার্কেল ইন্সপেক্টর শ্যামল চক্রবর্তীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এই মামলার তদন্তভার। প্রথমে এই মামলায় থানার এক সাব ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার আধিকারিক দায়িত্বে ছিলেন। কিন্তু তাঁকে বদল করে এবার ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার আধিকারিকের হাতে দায়িত্ব দেওয়া হল। কিন্তু কেন এই বদল? এনআইএ -র ওপর আক্রমণে গ্রেফতারি নেই, চাপে পড়েই কি পুলিশ অফিসার বদল? এই ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    গ্রেফতার তৃণমূল নেতা

    প্রসঙ্গত, দেড় বছরের পুরনো এই বিস্ফোরণের মামলায় (Bhupatinagar blast incident) এনআইএ (NIA) অভিযান চালায় এবং দুই তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করলে তা নিয়ে তুলকালাম বাধে রাজ্য রাজনীতিতে। রাজ্যের সীমা ছাড়িয়ে সেই প্রভাব পড়ে দিল্লিতে। ইতিমধ্যে দায়ের হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে মামলা, নির্বাচন কমিশনেও জমা পড়েছে অভিযোগ। গত শনিবার বলাইচরণ মাইতি এবং মনোব্রত জানা নামে দু’জন অভিযুক্ত তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করেছিল এনআইএ (NIA)। তবে এই অভিযুক্তদের গাড়িতে তুলে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যাওয়ার সময় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার গাড়ি ঘিরে ধরে দুষ্কৃতীরা। এরপর তারা অভিযুক্তদের গাড়ি থেকে নামিয়ে দেওয়ার দাবি করতে থাকে। এর পরেই এনআইএ-র ওপর হামলা চালিয়ে গাড়ির কাচ ভেঙে দেওয়া হয়। এতে এক এনআইএ আধিকারিক আহত হন। কিন্তু ঘটনার দুদিন পরেও হামলার ঘটনায় পুলিশ কাউকেই গ্রেফতার করেনি। তাই প্রশাসন চাপে পড়ে এনআইএ-র তল্লাশি অভিযান সংক্রান্ত দুটি মামলায় তদন্তকারী অফিসার (investigating officer) বদল করেছে। নতুন তদন্তকারী অফিসার শ্যামল চক্রবর্তী এই হামলা সংক্রান্ত মামলা দুটির তদন্ত করবেন বলে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ সন্দেশখালির ছায়া বীরভূমে, বউ সুন্দরী না হলে মিলবে না প্রকল্পের সুবিধা!

    এনআইএকে চিঠি পুলিশের

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, যে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী আধিকারিক আহত হয়েছিলেন, তাঁর মেডিক্যাল রিপোর্ট (medical report) চেয়ে পাঠিয়েছে ভূপতিনগর থানার পুলিশ। হামলার ফলে এনআইএ এবং গ্রেফতার হওয়া তৃণমূল নেতার বাড়ির লোকেরা একে অন্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগ দায়ের করেছেন। আবার আক্রান্ত এনআইএ আধিকারিকদের বিরুদ্ধেই শ্লীলতাহানির অভিযোগ দায়ের করেছে রাজ্য পুলিশ (state police)। যদিও এই অভিযোগ নস্যাৎ করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তবে জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এনআইএ-এর বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে, তা নোটিশ (notice) আকারে পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bomb Threat: বোমা মেরে স্কুল উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি মেইল, নেপথ্যে কারা জানেন?

    Bomb Threat: বোমা মেরে স্কুল উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি মেইল, নেপথ্যে কারা জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন স্কুল বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে এবার এল মেইল (Bomb Threat)। স্কুল কর্তৃপক্ষকে এই হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। মেইলগুলির সত্যতা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। মেইলে লেখা হয়েছে, ‘এই বার্তা সবার জন্য। শ্রেণিকক্ষের বাইরে বোমা রাখা আছে। আগামিকাল সকালে যখন স্কুলে বাচ্চারা থাকবে, তখন বোমাগুলি ফাটবে। আমাদের লক্ষ্য বেশি সংখ্যক মানুষকে রক্তস্রোতে ভাসিয়ে দেওয়া।’ বার্তার শেষে লেখা হয়েছে, ‘ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে দুই সন্ত্রাসবাদী চিং ও ডল।’

    হুমকি মেইল (Bomb Threat)

    পুলিশের তরফে অবশ্য এ (Bomb Threat) ব্যাপারে কিছু জানানো হয়নি। তবে ভাইরাল হওয়া এক স্ক্রিনশটে দেখা গিয়েছে, ‘হ্যাপিহটডগ১০১’ নামের মেইল আইডি থেকে ওই হুমকি মেইল পাঠানো হয়েছে। মাধ্যম অবশ্য স্ক্রিনশটটির সত্যতা যাচাই করেনি। তবে কোন কোন স্কুল এই হুমকি মেইল পেয়েছে, তা এখনও পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। কলকাতার পাশাপাশি শিলিগুড়ির কয়েকটি স্কুলও, এই হুমকি মেইল পেয়েছে বলে খবর। কলকাতার একটি স্কুলের প্রিন্সিপ্যাল মেইল প্রাপ্তির বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, বোমা মেরে স্কুলটি উড়িয়ে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

    কড়া নিরাপত্তার মধ্যেই হুমকি মেইল!

    লোকসভার নির্বাচন দোরগোড়ায়। প্রথম দফার নির্বাচন হবে ১৯ এপ্রিল। গোটা দেশের কয়েকটি কেন্দ্রের সঙ্গে সঙ্গে এ রাজ্যেরও তিনটি আসনে ভোটগ্রহণ হবে এদিন। তার জেরে আঁটসাঁট নিরাপত্তার বলয়ে মুড়ে ফেলা হয়েছে গোটা রাজ্য। নিরাপত্তা ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করতে বিভিন্ন জায়গায় চলছে নাকা চেকিং। তার মধ্যেই বিভিন্ন স্কুলে পাঠানো হয়েছে হুমকি মেইল।

    আরও পড়ুুন: “এই ধরনের রিপোর্ট লেখার সাহস ওসি পেলেন কী করে?”, ভূপতিনগরকাণ্ডে প্রশ্ন আদালতের

    প্রসঙ্গত, বাংলায় এনআরসি হলে মতুয়াদের ঠাকুরবাড়ি উড়িয়ে দেওয়া হবে বলে এদিনই হুমকি চিঠি পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ, চিঠিটি পাঠিয়েছে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন লক্সর-ই-তৈবা। সোমবার দুপুর দুটো নাগাদ পোস্টঅফিসের মাধ্যমে তাঁদের কাছে চিঠিটি এসেছে বলে দাবি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের। এ নিয়ে শাসক দল তৃণমূলকে আক্রমণ (Bomb Threat) শানিয়েছেন ঠাকুরবাড়ির এই বিজেপি নেতা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: সন্দেশখালির ছায়া বীরভূমে, বউ সুন্দরী না হলে মিলবে না প্রকল্পের সুবিধা!

    Birbhum: সন্দেশখালির ছায়া বীরভূমে, বউ সুন্দরী না হলে মিলবে না প্রকল্পের সুবিধা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ যেন আরেকটা সন্দেশখালি (Sandeshkhali)! এবার বীরভূমে (Birbhum) বউ সুন্দরী না হলে রাজ্য সরকারের প্রকল্প (Govt Schemes) থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ তুললেন গ্রামবাসীরা। তাই নির্বাচনী প্রচারে বিক্ষোভের মুখে পড়লেন বীরভূমের তৃণমূল প্রার্থী (TMC Candidate) শতাব্দী রায় (Satabdi Ray)। তিনবারের এই তৃণমূল সাংসদের গাড়ি থামিয়ে বিক্ষোভ দেখালেন স্থানীয় জনতা। কোথাও পানীয় জল নেই, কোথাও রাস্তা খারাপ, আবার কোথাও তৃণমূল না করায় মেলেনি বাড়িও। ভোটের আগে ফের আরেকবার তোপের মুখে শতাব্দী।

    বীরভূমের কোথায় তোপের মুখে শতাব্দী (Birbhum)?

    কেন বিক্ষোভ করছেন? জিজ্ঞেস করায় গ্রামবাসীদের যা অভিযোগ, তা শুনলে যে কোনও সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের রক্ত মাথায় উঠে যাবে। “বউ সুন্দরী হলে তবেই মিলবে সরকারি প্রকল্পের টাকা।” শতাব্দীকে সামনে পেয়ে এমনই অভিযোগ করলেন মোহাম্মদ বাজার (Birbhum) ব্লকের লাউজোড়া গ্রামের বাসিন্দারা। জানা গিয়েছে, এদিন এই এলাকায় প্রচারে এসেছিলেন বীরভূমের তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ শতাব্দী রায়। সাংসদকে হাতের নাগালে পেয়ে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ ওঠে। সেই সঙ্গে এলাকার এক মহিলা বলেন, “যাঁদের বউ দেখতে ভালো তাঁরা সরকারি টাকা পাচ্ছে। আর যাঁদের বউ দেখতে ভালো নয়, তাঁদের সরকারি টাকা দেওয়া হচ্ছে না।” গ্রামবাসীদের এই ভয়ঙ্কর অভিযোগ শুনে শতাব্দী রায়ের মুখের চিত্রটা বদলে যায়। এমনকী স্থানীয় অপর আরেক মহিলা অভিযোগ করে বলেন, “সাংসদকে ভোটের পর আর দেখা যায় না। তাই আগে প্রকল্পের সুবিধা, তারপর ভোট।”

    কী বললেন শতাব্দী?

    বীরভূমে (Birbhum) নির্বাচনী প্রচারে বিক্ষোভের মুখে পড়ে শতাব্দী রায় বলেন, “যদি কেউ বলে ভোট দেব টাকা নেব, তাহলে এই মন্তব্যের আমি কী আর বলব? কয়েকজন গ্রামবাসী কোনও প্রকল্প পায়নি শুনেছি। স্থানীয় পঞ্চায়েত থেকে সেগুলো যাতে তাঁরা পান তার ব্যবস্থা করব।” অভিযোগ আরও উঠেছে যারা তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত তারাই টাকা পাচ্ছে। অথচ সাধারণ মানুষ যারা কোনও দলের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নয় তারা সুবিধা পাচ্ছে না। অনেকে আবার তৃণমূলে যোগ না দেওয়ায় কেন্দ্র সরকারের প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার ঘরবাড়ি ও পায়নি বলে অভিযোগও উঠছে।

    আরও পড়ুনঃ ভূপতিনগরকাণ্ডে এনআইএ-র ওপর আক্রমণে গ্রেফতারি নেই, চাপে পড়েই কি পুলিশ অফিসার বদল?

     

    বিজেপি প্রতিক্রিয়া

    সম্প্রতি সন্দেশখালিতে মহিলাদের উপর নির্যাতনের অভিযোগে সারা দেশে রাজনৈতিক ঝড় উঠেছিল। শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণের অভিযোগ ছিল প্রচুর। এছাড়াও রাত্রিবেলা পিঠে বানানোর নামে মহিলাদের তুলে নিয়ে রাতভর চলত তৃণমূল পার্টি অফিসে যৌন নির্যাতন। শাহজাহানেরা চাষের জমিতে নোনা জল ঢুকিয়ে ভেড়ি বানিয়ে করত জমি দখল। সেই পথেই কি তাহলে বীরভূম পা বাড়িয়েছে? শাসক দলের তৃণমূল নেতাদের আচরণ ঘিরে মানুষের যা অভিযোগ, তাতে এই প্রশ্ন এখন ঘোরাফেরা করছে সর্বত্র। তৃণমূল সন্দেশখালি ইস্যুতে আগে থেকেই কোণঠাসা। তবে নির্বাচনের প্রাক্কালে শাসক দলের নেতার চোখে চোখ রেখে অভিযোগ তুলে ধরার ঘটনা খুবই বিরল। তৃণমূলের বিরুদ্ধে ওঠা এই মারাত্মক অভিযোগ নিয়ে সরব হয়েছে বিজেপি। বিজেপি সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য বলেছেন, “বাংলার প্রতিটি কোণে কোণে এরকম সন্দেশখালি তৈরি হয়েছে। তার মধ্যে বীরভূম (Birbhum) জেলাও রয়েছে। মানুষের এখন দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছে। তাই এখন তাঁরা আর ভয় পাচ্ছেন না। নির্বাচনে তৃণমূলকে মানুষ বয়কট করবেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • HC On Bhupatinagar: “এই ধরনের রিপোর্ট লেখার সাহস ওসি পেলেন কী করে?”, ভূপতিনগরকাণ্ডে প্রশ্ন আদালতের

    HC On Bhupatinagar: “এই ধরনের রিপোর্ট লেখার সাহস ওসি পেলেন কী করে?”, ভূপতিনগরকাণ্ডে প্রশ্ন আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এই ধরনের রিপোর্ট লেখার সাহস ওসি পেলেন কী করে?” পূর্ব মেদিনীপুরের ভূপতিনগর থানার ওসিকে এই ভাষায়ই প্রশ্ন করলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত (HC On Bhupatinagar)। সোমবার বিচারপতি সেনগুপ্তের সিঙ্গল বেঞ্চে চলছিল ভূপতিনগরকাণ্ড মামলার শুনানি। সেখানে ‘আদালতের রক্ষাকবচের ফলে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করতে পারে অভিযুক্তরা’, এই মর্মে রিপোর্ট দেওয়া হয় ভূপতিনগর থানার তরফে।

    ক্ষুব্ধ বিচারপতির প্রশ্ন (HC On Bhupatinagar)

    র পরেই ক্ষুব্ধ বিচারপতি সেনগুপ্ত প্রশ্ন করেন, “ওসিকে বলতে হবে আদালতের রক্ষাকবচের ফলে কবে, কোথায় বানচাল হয়েছে নির্বাচন?” আগামী চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে ওসিকে এই রিপোর্টের ব্যাখ্যা দিতে হবে বলেও নির্দেশ দেয় আদালত। এর পরেই ওসির সাহস নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি সেনগুপ্ত। ভূপতিনগর থানার (HC On Bhupatinagar) ওসিকে সশরীরে হাজিরার নির্দেশও দিয়েছে আদালত। আগামিকাল মঙ্গলবার ফের হবে এই মামলার শুনানি। এদিন পর্যন্ত মামলাকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশ কোনও কড়া আইনি পদক্ষেপ করতে পারবে না বলেও মৌখিক নির্দেশ দেন বিচারপতি সেনগুপ্ত।

    বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে মামলা!

    তপন মিদ্দে নামে বিজেপির এক স্থানীয় নেতার বিরুদ্ধে গত তিন বছরে ২৬টি ফৌজদারি মামলা দায়ের করেছে ভূপতিনগর থানার পুলিশ। এর মধ্যে ১৫টিতে ইতিমধ্যেই দাখিল করা হয়েছে চার্জশিট। মামলাকারীর দাবি, তাঁর নামে কোনও এফআইআর নেই। কোন কোন মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে, তা নিয়ে আদালতের নির্দেশে এদিন রিপোর্ট দেওয়া হয় ভূপতিনগর থানার তরফে। প্রসঙ্গত, ভূপতিনগর বিস্ফোরণকাণ্ডে সব মিলিয়ে মোট ২০ জন বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে পুলিশ মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে, এই অভিযোগে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন সংশ্লিষ্ট বিজেপি নেতারা।

    আরও পড়ুুন: ভারতের জাতীয় পতাকাকে অপমান মলদ্বীপের সাসপেন্ডেড মন্ত্রীর!

    প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের ২ ডিসেম্বর ভূপতিনগরের এক তৃণমূল নেতার বাড়িতে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের অভিঘাতে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তৃণমূলের এক নেতা ও তাঁর ভাই-সহ মোট তিনজনের। একজনের ছিন্নভিন্ন দেহ উদ্ধার হয়। তবে তাঁর পরিচয় জানা যায়নি। বিরোধীদের অভিযোগ, ঘটনায় আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে রয়েছে তৃণমূলের নাম। সেদিক থেকে দৃষ্টি ঘোরাতেই বিজেপি কর্মীদের নামে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেছে (HC On Bhupatinagar) পুলিশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • India Maldives Relationship: ভারতের জাতীয় পতাকাকে অপমান মলদ্বীপের সাসপেন্ডেড মন্ত্রীর!

    India Maldives Relationship: ভারতের জাতীয় পতাকাকে অপমান মলদ্বীপের সাসপেন্ডেড মন্ত্রীর!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতি অবমাননাকর মন্তব্য করেছিলেন মলদ্বীপের তিন জুনিয়র মন্ত্রী। যার ফলস্বরূপ, প্রবল চাপে সাসপেন্ড করা হয় তিনজনকে। তার পর কোটি কোটি ঢেউ ভেঙেছে ভারত মহাসাগরের বুকে। ক্রমেই তলানিতে ঠেকেছে ভারত-মলদ্বীপ সম্পর্ক (India Maldives Relationship)। মলদ্বীপের চিনপন্থী মুইজ্জু সরকারের অনুরোধে ইদের ‘তোফা’ পাঠিয়েছে ভারত। তার জেরে দুই দেশের ভাঙা সম্পর্ক যখন জোড়া লাগতে চলেছে, তখন ফের ভারতের জাতীয় পতাকাকে অসম্মান করার অভিযোগ উঠল সাসপেনসনে থাকা এক মন্ত্রীর বিরুদ্ধে। পরে অবশ্য ক্ষমাও চেয়ে নিয়েছেন মারিয়ম শিউনা নামে ওই মন্ত্রী। তাতে অবশ্য নেভেনি বিতর্কের আগুন (India Maldives Relationship)।

    মারিয়মের কীর্তি! (India Maldives Relationship)

    ঘটনার সূত্রপাত দিন কয়েক আগে। নির্বাচনী প্রচার সূত্রে সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করেছিলেন মারিয়ম। সে দেশের বিরোধী দলগুলিকে আক্রমণ শানাতে গিয়ে পোস্টটিতে তিনি ভারতের পতাকার ছবি দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ। পরে অবশ্য পোস্টটি মুছে দেওয়া হয়। তবে ততক্ষণে ভাইরাল হয়ে গিয়েছে তাঁর ওই পোস্টের স্ক্রিনশট। তার পরেই দেশে তো বটেই, ভারতেও সমালোচনার মুখে পড়েছেন মলদ্বীপের প্রেডিডেন্ট মহম্মদ মুইজ্জুর সরকারের ওই সাসপেন্ডেড মহিলা মন্ত্রী। পরে এক্স হ্যান্ডেলে মারিয়ম লেখেন, “আমার সাম্প্রতিক একটি পোস্টের বিষয়বস্তু নিয়ে যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে, তার জন্য ক্ষমা চাইছি। আমি শুনলাম, এমডিপিকে নিয়ে আমার পোস্টে ব্যবহৃত ছবির সঙ্গে ভারতের জাতীয় পতাকার মিল রয়েছে। আমি এটুকু পরিষ্কার করে দিতে চাই যে, এটি সম্পূর্ণ অনিচ্ছাকৃত। এ থেকে যে ভুল বোঝাবুঝির পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, সেজন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থী।”

    ভারতের অপমান!

    এক্স হ্যান্ডেলে ক্ষমা চাইলেও, সমস্যা মেটেনি। কারণ, বিরোধীদের খোঁচা দিতে গিয়ে মারিয়ম যে ছবিটি পোস্ট করেছিলেন, অভিযোগ, সেখানে দলীয় প্রতীকের পরিবর্তে বসিয়েছিলেন ভারতের জাতীয় পতাকার অশোকচক্রের ছবি। সঙ্গে মলদ্বীপের মন্ত্রী লিখেছিলেন, “এমডিপি (মলদ্বীপের বিরোধী দল) একটা বড়সড় পতনের দিকে এগোচ্ছ। মলদ্বীপের জনগণ তাদের সঙ্গে পতনের দিকে এগোতে চায় না।” ঘটনাচক্রে এমডিপি ভারতপন্থী দল হিসেবেই পরিচিত। প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগেই মলদ্বীপের অনুরোধে সে দেশে চাল, গম, চিনি, পেঁয়াজ, ডিমের মতো কিছু অতি প্রয়োজনীয় জিনিস রফতানিতে ছাড়পত্র দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার (India Maldives Relationship)।

    আরও পড়ুুন: ‘ইন্ডি’ জোটে ফাটল! অনন্তনাগ-রাজৌরিতে এবার ফুটবে পদ্ম?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • TMC attacks on BJP: বীরভূমে বিজেপি কর্মীকে বাঁশ দিয়ে বেধড়ক মারধর তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের

    TMC attacks on BJP: বীরভূমে বিজেপি কর্মীকে বাঁশ দিয়ে বেধড়ক মারধর তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনেই লোকসভা ভোট, হাতে গুনে আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। ইতিমধ্যেই ভোট প্রচারের মাধ্যমে সাধারণ ভোটারদের মন জয় করার প্রস্তুতি নিচ্ছে সব দলের প্রার্থীরাই। আর এরই মধ্যে আবারও মারধরের অভিযোগ উঠল রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। রাতের অন্ধকারে বিজেপির (TMC attacks on BJP) তিন জন কর্মীকে আক্রমণ করা হয়। ঘটনা ঘটেছে বীরভূম জেলায়।

    ঘটনা বীরভূমের কোথায় ঘটেছে (TMC attacks on BJP)?

    ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার রাতে বীরভূমের (birbhum) মহম্মদ বাজার এলাকায়। মহম্মদ বাজারের (mohammad bazar) কপিস্টার গ্রাম পঞ্চায়েতের ভারকাটা গ্রাম থেকে দলীয় বৈঠক করে বাড়ি ফেরার সময় তিন বিজেপি কর্মীকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ঘটনার পরেই রবিবার রাতে আহত বিজেপি কর্মীদের ভর্তি করা হয়েছে সিউড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। আহতদের দেখতে গিয়েছেন জেলা বিজেপির নেতারা। তবে ঘটনায় তৃণমূলের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    আরও পড়ুনঃ ভোটে বাংলায় এক নম্বর দল হতে চলেছে বিজেপি, অনুমান পিকে-র

    বাঁশ ও রড দিয়ে মারের অভিযোগ

    ঘটনায় বিজেপির অভিযোগ হল, অন্ধকার রাস্তায় বাইক নিয়ে আসার সময় কয়েকজন তৃণমূলের (TMC) আশ্রিত দুস্কৃতীরা আচমকা হামলা করে। প্রথমে পথ আটকায়, এরপর বাঁশ ও রড দিয়ে মারধর (TMC attacks on BJP) করা হয়। এরপর কোনক্রমে সেখান থেকে আহত বিজেপি কর্মীরা পালিয়ে আসে মহম্মদ বাজারে। পরে তাদের আহত অবস্থায় ভর্তি করা হয় সিউরি হাসপাতালে।

    বিজেপির বক্তব্য

    ঘটনার খবর পৌঁছাতেই আহতদের দেখতে রাতেই হাসপাতালে পৌঁছান বীরভূম বিজেপির জেলা সভাপতি ধ্রুব সাহা (Dhruba saha)। তবে কেবল জেলা সভাপতি নয়, সোমবার সকাল হতেই আহতদের সঙ্গে দেখা করতে আসেন বিজেপি প্রার্থী দেবাশিষ ধরও (Debashis dhar)। এই প্রসঙ্গে বিজেপির জেলা সভাপতি ধ্রুব সাহা বলেন, “জেলার সাধারণ সম্পাদক নরেন মিস্ত্রী, তিনি মিটিং করে ফিরছিলেন, সেই সময় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা আক্রমণ (TMC attacks on BJP) করে। আমাদের সভাপতি প্রসেনজিৎ দত্ত ও আমদের যুব নেতাও আক্রান্ত হয়েছেন। আমরা থানায় অভিযোগ করেছি। অভিযুক্তদের কালকের মধ্যে যদি গ্রেফতার (arrest) না করা হয়, ভারতীয় জনতা পার্টির পক্ষ থেকে বৃহত্তর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হব।” অপর দিকে বিজেপি প্রার্থী দেবাশিষ ধর বলেন, “তৃণমূল হারার ভয়ে এই আচরণ করছে। আমরা নির্বাচন কমিশনের কাছে যাবো। কর্মীদের পাশে সব সময় রয়েছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: মোদির সমর্থনে ‘বিজেপির বন্ধু’দের মিছিল আমেরিকার ১৬টি শহরে

    PM Modi: মোদির সমর্থনে ‘বিজেপির বন্ধু’দের মিছিল আমেরিকার ১৬টি শহরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁর (PM Modi) ক্ষমতায় ফেরাটা স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। বলছে প্রাক-নির্বাচনী নানা সমীক্ষা। তবে তিনি কেন্দ্রে ফিরুন, তা যেমন চাইছেন সিংহভাগ ভারতবাসী, তেমনি চাইছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বিজেপির বন্ধুরাও। যার হাতে গরম প্রমাণ মিলল রবিবাসরীয় সকালে। এদিন আমেরিকার ১৬টি শহরে নরেন্দ্র মোদির সমর্থনে মিছিল করলেন বিজেপির সমুদ্রপারের বন্ধুরা। শোভাযাত্রার নাম ছিল ‘মোদি কা পরিবার মার্চ’।

    ‘ওভারসিজ ফ্রেন্ডস অফ বিজেপি’ (PM Modi)

    আমেরিকায় ‘ওভারসিজ ফ্রেন্ডস অফ বিজেপি’ (PM Modi) নামে একটি সংগঠন রয়েছে। সে দেশে বসবাসরত প্রবাসী ভারতীয়দের মধ্যে বিজেপির নীতি নিয়ে প্রচার করে এই সংগঠন। এদিন সকালে আমেরিকার রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে নারী, পুরুষ ও শিশুরা জড়ো হন ক্যাপিটল হিলে। তাঁদের গায়ে ছিল ‘মোদি কা পরিবার মার্চ’ লেখা টি-শার্ট। বিজেপির পাশাপাশি তাঁদের হাতে ছিল আমেরিকা ও ভারতের জাতীয় পতাকা। এদিন ওয়াশিংটন মনুমেন্টের সামনেও জড়ো হয়েছিলেন মোদির অনেক সমর্থক। তাঁদের হাতে ধরা প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল প্রধানমন্ত্রীরই তৈরি স্লোগান – “আব কি বার ৪০০ পার”, “মোদি ৩.০” এবং “শিখ আমেরিকানস ফর মোদি”।

    ‘মোদি কা পরিবার মার্চ’

    “মোদি গ্যারান্টি”, “ইন্ডিয়া’জ থার্ড লার্জেস্ট ইকনোমি” লেখা পোস্টারও ছিল তাঁদের হাতে ধরা। সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রেস রিলিজে বলা হয়েছে, ‘ঐক্য ও সমর্থন, সান ফ্রান্সিসকো বে এরিয়ার আইকনিক গোল্ডেন গেট ব্রিজে ৭ এপ্রিল সকাল ১১টায় হয়েছে মোদি কা পরিবার মার্চ।’ এঁদের হাতেও ছিল “আব কি বার ৪০০ পার” লেখা পোস্টার। এখানকার জমায়েতেও উপস্থিত ছিলেন শিশু থেকে বৃদ্ধ-সহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ। মিছিলে যাঁরা হেঁটেছিলেন তাঁদের অনেকের গায়েই ছিল গেরুয়া পোশাক, বিজেপির ঝান্ডা, ব্যানার এবং প্ল্যাকার্ড। যাঁরা এদিনের মিছিলে যোগ দিয়েছিলেন ‘বিজেপি-ইউএসএ ওভারসিজ ফ্রেন্ডস অফ বিজেপি ইউএসএ’-র তরফে তাঁদের আন্তরিক ধন্যবাদও জানানো হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: ‘ইন্ডি’ জোটে ফাটল! অনন্তনাগ-রাজৌরিতে এবার ফুটবে পদ্ম?

    আয়োজকদের তরফে জানানো হয়েছে, “মোদি কা পরিবার মার্চ” কেবল যে মোদি ফের ক্ষমতায় ফিরুন চাইছে তা নয়, কর্মসূত্রে প্রবাসে বাস করলেও, স্বদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ভবিষ্যতে অংশও নিতে পারেন তাঁরা (PM Modi)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share