Tag: news in bengali

news in bengali

  • Ramakrishna 42: “ঠাকুর প্রকৃতিস্থ হইলেন, দীর্ঘনিঃশ্বাস ফেলিয়া আবার সহাস্যে কথা কহিতেছেন”

    Ramakrishna 42: “ঠাকুর প্রকৃতিস্থ হইলেন, দীর্ঘনিঃশ্বাস ফেলিয়া আবার সহাস্যে কথা কহিতেছেন”

    ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ

    ঈশ্বরকে ভালবাসা জীবনের উদ্দেশ্য—The End of life

    ঠাকুর সমাধি মন্দিরে

    গান গাইতে গাইতে ঠাকুর সমাধিস্থ হইয়াছেন! হাত অঞ্জলিবদ্ধ! দেহ উন্নত ও স্থির! নেত্রদ্বয় স্পন্দনহীন! সেই বেঞ্চের উপর পশ্চিমাস্য হইয়া পা ঝুলাইয়া বসিয়া আছেন। সকলে উদগ্রীব হইয়া এই অদ্ভুত অবস্থা দেখিতেছেন। পণ্ডিত বিদ্যাসাগরও নিস্তব্ধ হইয়া একদৃষ্টে দেখিতেছেন।

    ঠাকুর (Ramakrishna) প্রকৃতিস্থ হইলেন। দীর্ঘনিঃশ্বাস ফেলিয়া আবার সহাস্যে কথা কহিতেছেন।–ভাব ভক্তি, এর মানে-তাঁকে ভালবাসা। যিনিই ব্রহ্ম তাঁকেই মা বলে ডাকছে।

    প্রসাদ বলে মাতৃভাবে আমি তত্ত্ব করি যাঁরে।

    সেটা চাতরে কি ভাঙব হাঁড়ি, বোঝ না রে মন ঠারে ঠারে।।

    রামপ্রসাদ (Ramakrishna) মনকে বলছে—ঠারে ঠারে বুঝতে। এই বুঝতে বলছে যে, বেদে যাঁকে ব্রহ্ম বলেছে—তাঁকেই আমি মা বলে ডাকছি। যিনিই নির্গুণ, তিনিই সগুণ, যিনি ব্রহ্ম, তিনি শক্তি। যখন নিস্ক্রিয় বলে বোধ হয়, তখন তাঁকে ব্রহ্ম বলি। যখন ভাবি সৃষ্টি, স্থিতি, প্রলয় করছেন, তখন তাঁকে আদ্যাশক্তি বলি, কালী বলি।

    ব্রহ্ম আর শক্তি অভেদ। যেমন অগ্নি আর দাহিকাশক্তি, অগ্নি বললেই দাহিকাশক্তি বুঝা যায়; দাহিকাশক্তি বললেই অগ্নি বুঝা যায়; একটিকে মানলেই আর একটিকে মানা হয়ে যায়।

    তাঁকেই মা বলে ডাকা হচ্ছে। মা বড় ভালবাসার জিনিস কিনা। ঈশ্বরকে (Ramakrishna)  ভালবাসতে পারলেই তাঁকে পাওয়া যায়। ভাব, ভক্তি, ভালবাসা আর বিশ্বাস। আর একটা গান শোনঃ

    উপায়-আগে বিশ্বাস-তারপর ভক্তি

    ভাবিলে ভাবের উদয় হয়।

    (ও সে) যেমন ভাব, তেমনি লাভ, মূল সে প্রত্যয়।।

    কালীপদ-সুধাহ্রদে, চিত্ত যদি রয় (যদি চিত্ত ডুবে রয়)।

    তবে পূজা, হোম, যাগযজ্ঞ, কিছুই কিছু নয়।।

    আরও পড়ুনঃ “কাপড়ের খুঁটটি খুলে দেখে যে শুধু রাম নাম লেখা একটি পাতা রয়েছে”

    আরও পড়ুনঃ “দু-চারটা মাছ এমন সেয়ানা যে, কখনও জালে পড়ে না”

    আরও পড়ুনঃ“বেঙাচির ল্যাজ খসলে জলেও থাকতে পারে, আবার ডাঙাতেও থাকতে পারে”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bajaj Chetak: বাজারে সস্তার ইলেক্ট্রিক স্কুটার নিয়ে এল বাজাজ! কী বৈশিষ্ট্য, দাম কত জানেন?

    Bajaj Chetak: বাজারে সস্তার ইলেক্ট্রিক স্কুটার নিয়ে এল বাজাজ! কী বৈশিষ্ট্য, দাম কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘বুলন্দ্ ভারত কী বুলন্দ্ তসবীর…’’! বাজাজ চেতক (Bajaj Chetak) একটা নস্টালজিয়া। একসময় রাস্তায় দাপিয়ে বেড়াত বাজাজ স্কুটার। সেই নস্টালজিয়াই ফিরল আবার। একটা সময় মধ্যবিত্তের কাছে বেশ জনপ্রিয় ছিল এই স্কুটার। তবে পেট্রল স্কুটির উৎপাদন ও বিক্রি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়েছিল এটি। কিন্তু বর্তমানে এবার ইলেকট্রিক অবতার (Electric Scooter) বাজারে স্কুটার ছেড়েছে কোম্পানি। সম্প্রতি সেই স্কুটারের তিনটে ভ্যারিয়েন্ট লঞ্চ হয়ে গেল।

    বিশেষ বৈশিষ্ট ও দাম (Bajaj Chetak) 

    বিক্রি বাড়ানোর জন্য চেতকের একটি নতুন বেস ভেরিয়েন্ট সাশ্রয়ী মূল্যের চেতক ২৯০১ লঞ্চ করা হয়েছে। যেটি একবার চার্জ দিলে দৌড়বে ১২৩ কিলোমিটার। তবে এই মাইলেজ পেতে আর একগাদা টাকা খরচ করতে হবে না। কারণ ১ লাখ টাকারও কম দামে দুরন্ত ইলেকট্রিক স্কুটি (Electric Scooter) লঞ্চ করেছে বাজাজ অটো। বর্তমানে এর দাম ৯৫,৯৯৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আপাতত লাল, সাদা, কালো, হলুদ এবং আকাশী নীল এই ৫টি রঙের অপশনে পাওয়া যাচ্ছে। ভারত জুড়ে ৫০০ টিরও বেশি শোরুমে পাওয়া যাবে এই ইলেকট্রিক স্কুটি। নতুন এই মডেলে মডার্ন রেট্রো ডিজাইনের সঙ্গে আধুনিক ফিচার্স যোগ করা হয়েছে। সর্বোচ্চ ৬৩ কিমি প্রতি ঘণ্টা গতিতে দৌড়তে পারে এই স্কুটার। ফুল চার্জ হতে সময় নেয় ৬ ঘণ্টা।  

    আরও পড়ুন: নেই কোনও নিরক্ষর সাংসদ! ১৮তম লোকসভায় ৮০ শতাংশ সাংসদ স্নাতক পাশ

    মেটাল বডি ইলেকট্রিক স্কুটার (Bajaj Chetak) 

    কমদামে লঞ্চ হওয়া সত্ত্বেও এই বৈদ্যুতিক স্কুটারটিতে ডিজিটাল ইন্সট্রুমেন্ট ক্লাস্টার ও ব্লুটুথ সংযোগের মত বৈশিষ্ট রয়েছে। জানা গিয়েছে, নতুন এই ইলেকট্রিক স্কুটারটি (Bajaj Chetak) কোম্পানির অফিসিয়াল ওয়েবসাইট এবং অনুমোদিত ডিলারশিপ থেকে বুক করা যাবে। এই মেটাল বডি ইলেকট্রিক স্কুটারটির ডিজাইন, স্পেসিফিকেশন এবং দাম পেট্রোল স্কুটারগুলির চেয়ে ভালো। একইসঙ্গে আরোহীর আরাম এবং সুবিধার জন্য ডিজাইন করা বেশ কয়েকটি বৈশিষ্ট্যের মধ্যে টিপ্যাক প্যাকেজও রয়েছে। এছাড়াও রিভার্স, স্পোর্ট এবং ইকোনমি মোড, কল এবং মিউজিক কন্ট্রোল, ফলো মি হোম লাইট এবং উন্নত ব্লুটুথ অ্যাপ কানেক্টিভিটির মত উন্নত ফিচার রয়েছে।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Debangshu Bhattacharya: “তমলুকের জন্য ১০১ শতাংশ পরিশ্রম করেছি”, মমতার বিরুদ্ধে ক্ষোভ দেবাংশুর

    Debangshu Bhattacharya: “তমলুকের জন্য ১০১ শতাংশ পরিশ্রম করেছি”, মমতার বিরুদ্ধে ক্ষোভ দেবাংশুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস ২৯টি আসনে জয়লাভ করেছে। এই জয় ২০১৯ সালের তুলনায় অনেক বেশি। এই জয়ের পর গত শনিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের কালীঘাটের বাড়িতে নবনির্বাচিত সাংসদদের নিয়ে বৈঠক করেন। সেখানে তমলুক লোকসভা নিয়ে আলোচনা হয়। মুখ্যমন্ত্রী দেবাংশু ভট্টাচার্যকে (Debangshu Bhattacharya) আরও সক্রিয় হওয়ার কথা বলেছেন। তৃণমূল কর্মীদের একাংশের দাবি ছিল, দুপুর ১২ টার আগে দেবাংশুকে পাওয়া যায়নি এলাকায়। এরপর রবিবার পাল্টা দেবাংশু ফেসবুকে বিস্ফোরক পোস্ট করেন। ফলে দলের মধ্যে কোন্দলের চিত্র ফের একবার প্রকাশ্যে।

    মমতা কী বলেছিলেন (Debangshu Bhattacharya)?

    তমলুকে দলের হারের বিশ্লেষণ করতে গিয়ে মমতা, দেবাংশুর (Debangshu Bhattacharya) উদ্দেশ্যে বলেন, “তোমার বয়সে আমি যখন যাদবপুরে দাঁড়িয়ে ছিলাম। সকাল ৭ থেকে প্রচারে থাকতাম, বাড়ি বাড়ি যেতাম। তুমি বেলা ১২টায় বেরিয়েছ। আরও সক্রিয়তা দরকার ছিল।”

    কী লিখলেন দেবাংশু?

    বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের কাছে ভোটে হেরে তৃণমূল প্রার্থী দেবাংশু (Debangshu Bhattacharya) ফেসবুকে লেখেন, “তমলুকের জন্য ১০১ শতাংশ পরিশ্রম করেছি। সকাল ৮ থেকে দুপুর ১ পর্যন্ত প্রচার করতাম, তারপর দুপুর ৩টেয় বেরিয়ে যেতাম। রাত পর্যন্ত মিটিং, মিছিল, প্রচার করেছি। বিরোধী প্রার্থী আধবেলা প্রচার না করেও জিতে গিয়েছেন। আমি পাগলের মতো বুথে বুথে ঘুরেও জিততে পারিনি। নির্বাচনী ক্ষেত্রে নেমে সাংগঠনিক পরিস্থিতি দেখে চমকে গিয়েছিলাম। মনে হয়েছিল হঠাৎ অগ্নিকুণ্ডে এসে পড়েছি।”

    আরও পড়ুনঃ ভোট পরবর্তী হিংসা জেলায় জেলায় অব্যাহত, মুর্শিদাবাদে খুন এক দুধ ব্যবসায়ী

    আর কী বললেন?

    এই প্রসঙ্গে দেবাংশু (Debangshu Bhattacharya) আরও লেখেন, “অনেক মানুষ চেনা, অনেক রকমারি অভিজ্ঞতাকে কেন্দ্র করে শেষ আড়াই মাস ভিমড়ি খেয়েছি প্রচুর, প্রকাশ্যে সবটা লিখতে কিংবা বলতে চাই না। মার্চে ওজন ছিল ৮৩ কিলো। যা আজ কমে ৭৭ কিলো, সৌজন্যে শেষ আড়াই মাস। এই ৬ কিলো ওজনের বিনিময়ে ৬ লক্ষ ৮৭ হাজার মানুষের ভালোবাসা পেয়েছি, আশীর্বাদ পেয়েছি। সেটাই আমার কাছে এই নির্বাচনের নির্যাস। আগামী দিনে এই রাজনৈতিক নদী পথ আমায় কোন মোহনায় নিয়ে গিয়ে ফেলবে জানি না। শুধু এটুকু জানি, আমার নৌকো খোয়া গিয়েছে, কেবল নিজেকে ভাসিয়ে, বাঁচিয়ে রেখেছি এই অগাধ জলরাশির পৃষ্ঠদেশে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • 18th Lok Sabha: নেই কোনও নিরক্ষর সাংসদ! ১৮তম লোকসভায় ৮০ শতাংশ সদস্যই স্নাতক

    18th Lok Sabha: নেই কোনও নিরক্ষর সাংসদ! ১৮তম লোকসভায় ৮০ শতাংশ সদস্যই স্নাতক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি গঠিত হল দেশের নতুন সরকার। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি নেতৃত্বাধীন জাতীয় উন্নয়ন জোট এনডিএ-এর ২৯৩ জন সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন। বিভিন্ন এক্সিট পোল যা পূর্বাভাস দিয়েছিল তার চেয়ে ভাল পারফরম্যান্স করেছে। বিরোধী জোটের ২৩২ জন সাংসদ ১৮তম লোকসভার (18th Lok Sabha) অংশ হতে চলেছেন। তবে লোকসভায় নির্বাচিত এই নতুন সাংসদদের শিক্ষাগত মান (MPs Educational Qualification) কত? জানা গিয়েছে নবনির্বাচিত ১৮তম লোকসভায় কোনও নিরক্ষর সাংসদ তো নেই-ই, উপরন্তু প্রায় ৮০ শতাংশ সাংসদের শিক্ষাগত মান স্নাতক এবং কেউ কেউ স্নাতকোত্তর।  

    নতুন লোকসভায় শিক্ষাগত যোগ্যের তালিকা 

    নব-নির্বাচিত ৫৪৩ জন সাংসদের মধ্যে সিংহভাগই উচ্চ-শিক্ষিত। নির্বাচিত সাংসদদের শিক্ষাগত বিভিন্ন ডিগ্রি রয়েছে। একটি রিপোর্ট অনুযায়ী জানা গিয়েছে যে, বিজয়ী প্রার্থীদের মধ্যে প্রায় ১৯ শতাংশ প্রার্থীর  শিক্ষাগত যোগ্যতা পঞ্চম শ্রেণী থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর মধ্যে। বাকি সকলেই উচ্চশিক্ষিত। ১৮তম লোকসভার (18th Lok Sabha) ৫ শতাংশ সাংসদের ডক্টরেট ডিগ্রি রয়েছে, যার মধ্যে তিনজন মহিলা সাংসদ রয়েছে। 

    শিক্ষাগত যোগ্যতার দল-ভিত্তিক বিশ্লেষণ 

    লোকসভায় নবনির্বাচিত (18th Lok Sabha) সাংসদের শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুযায়ী ভারতীয় জনতা পার্টির (BJP) ২৪০ জন সাংসদের মধ্যে ৬৪ জন স্নাতক এবং ৪৯ জন স্নাতকোত্তর। কংগ্রেসের  ৯৯ জন সাংসদের মধ্যে ২৪ জন স্নাতক ও ২৭ জন স্নাতকোত্তর। এছাড়াও ২১ জন সাংসদের স্নাতক ডিগ্রি রয়েছে। অন্যদিকে ১০৫ জন সাংসদ সদস্যের শিক্ষাগত যোগ্যতা (MPs Educational Qualification) পঞ্চম থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত রয়েছে। তবে এটাও উল্লেখ করা দরকার যে, পুরনো দলের কোনো সাংসদের শিক্ষাগত যোগ্যতা দশম শ্রেণি পাশের নিচে নেই। এই গোষ্ঠীতে বিভিন্ন দলের সদস্যও রয়েছে যেমন সমাজবাদী পার্টির (SP) ৬জন সাংসদ সহ আরও অনেকে।  

    আরও পড়ুন: জমকালো অনুষ্ঠানে ফের প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ মোদির, মন্ত্রিসভায় কারা?

    এছাড়াও উচ্চ শিক্ষার জন্য, ১৪৭ জন সাংসদ স্নাতক ডিগ্রিধারী এবং আরও ১৪৭ জনের স্নাতকোত্তর যোগ্যতা রয়েছে। উপরন্তু, স্নাতক এবং ডিপ্লোমা যোগ্যতা সহ ৯৮ জন সাংসদ রয়েছেন। ফলে এই গোটা বিষয়টি সংসদের মধ্যে শিক্ষাগত (MPs Educational Qualification) বৈচিত্র্যকে আরও জোরদার করেছে। নতুন লোকসভায় কলেজে পড়া সাংসদের সংখ্যাও বেড়েছে। সর্বোপরি লক্ষ্য করলে দেখা যাবে বর্তমানে লোকসভায় ধীরে ধীরে নিরক্ষর সাংসদের তালিকা কমছে। স্নাতক নন এমন সাংসদের তালিকা ১৭ তম লোকসভার ২৭ শতাংশ থেকে ১৮তম লোকসভায় (18th Lok Sabha) ২২ শতাংশে নেমে এসেছে। এই লোকসভার ৭৮ শতাংশ সাংসদ কমপক্ষে স্নাতক শিক্ষা সম্পন্ন করেছেন।  নবনির্বাচিত নারী সংসদ সদস্যদের ক্ষেত্রেও এই অনুপাত একই। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: ভোট পরবর্তী হিংসা জেলায় জেলায় অব্যাহত, মুর্শিদাবাদে খুন এক দুধ ব্যবসায়ী

    Murshidabad: ভোট পরবর্তী হিংসা জেলায় জেলায় অব্যাহত, মুর্শিদাবাদে খুন এক দুধ ব্যবসায়ী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচন শেষ হয়েছে। দেশে তৃতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। এই রাজ্যের তৃণমূল বিপুল সংখ্যায় ভোট নিয়ে ২৯টি আসনে জয় লাভ করেছে। কিন্তু ফল ঘোষণার পর থেকেই জেলায় জেলায় ভোট পরবর্তী হিংসা অব্যাহত। কখনও বিরোধী দলের কর্মীদের টার্গেট করছে শাসক দল, আবার কখনও শাসক দলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে আক্রান্ত হচ্ছেন মানুষ। রবিবার দলীয় কোন্দলে মুর্শিদাবাদে (Murshidabad) গুলিবিদ্ধ হয়ে প্রাণ গেল একজন ব্যক্তির। পরিবারের দাবি, খুনিদের পরিচয় না জানা গেলেও তৃণমূলের দলীয় কোন্দলে খুনের ঘটনা ঘটেছে।

    কীভাবে খুনের ঘটনা ঘটল (Murshidabad)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) হরিহরপাড়ায় গজনীপুর এলাকায় খুন হওয়া ব্যক্তির নাম সনাতন ঘোষ। এই ব্যক্তি এলাকায় তৃণমূল করতেন। পেশায় তিনি ছিলেন একজন দুধ ব্যবসায়ী। গতকাল রবিবার রাত ১২ টায় গজনীপুর থেকে নিজের বাড়িতে বাইকে করে আরও একজনকে সঙ্গে নিয়ে ফিরছিলেন তিনি। কিন্তু গজনীপুর ও শ্রীপুরের মধ্যবর্তী মাঠ এলাকায় কয়েকজন দুষ্কৃতী তাঁদের বাইক থামিয়ে খুব কাছ থেকে গুলি করে।

    পুলিশের বক্তব্য

    মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) পুলিশ সূত্রে খবর, সনাতনের দেহের একাধিক জায়গায় গুলি লেগেছে। গুলির শব্দ এবং চিৎকার শুনে আশেপাশের মানুষ ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন সনাতন। তাঁকে উদ্ধার করে দ্রুত স্থানীয় হরিহরপাড়া ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর পুলিশ তাঁকে মুর্শিদবাদ মেডিক্যাল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে জানান।

    আরও পড়ুনঃ সুকান্ত মন্ত্রী হতেই বাজি ফাটিয়ে মিছিল করে উৎসবে মাতলেন বালুরঘাটবাসী

    পরিবারেরে বক্তব্য

    মৃত সনাতনের পরিবারের (Murshidabad) পক্ষ থেকে এক মাসি বলেছেন, “রাতের বেলায় পার্টির মিটিং করে বাইকে করে ফিরছিলেন সনাতন। কিন্তু পেছন থেকে একটি গাড়ি এসে, রাস্তায় তাঁদের বাইক দাঁড় করিয়ে দুষ্কৃতীরা ৬ রাউন্ড গুলি করে। এই গুলি সনাতনের কানে, বুকে, পেটে লাগে। যারা গুলি করেছে তাদের পরিচয় জানা না গেলেও দলীয় কোন্দলের কারণে খুনের ঘটনা ঘটেছে। এর আগেও রাজনৈতিক কারণে তাঁকে বার বার হুমকি দেওয়া হচ্ছিল।” যদিও তৃণমূলের অভিযোগ বিজেপির দিকে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।  

  • PM Modi Cabinet: জমকালো অনুষ্ঠানে ফের প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ মোদির, মন্ত্রিসভায় কারা?

    PM Modi Cabinet: জমকালো অনুষ্ঠানে ফের প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ মোদির, মন্ত্রিসভায় কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবি-সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতি ভবনে জমকালো অনুষ্ঠানে তৃতীয়বারের জন্য শপথ নিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi Cabinet)। প্রধানমন্ত্রীকে শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। এদিন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শপথ নেন আরও ৭২জন পূর্ণমন্ত্রী। বাংলা থেকে মন্ত্রিসভায় ঠাঁই হয়েছে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও শান্তনু ঠাকুরের।

    মোদির মন্ত্রিসভা (PM Modi Cabinet)

    এবার দেখে নেওয়া যাক মোদির মন্ত্রিসভায় কাদের জায়গা হল। এদিন যাঁরা শপথ নিয়েছেন, তাঁরা হলেন রাজনাথ সিংহ, অমিত শাহ, নীতীন গডকরি, জেপি নাড্ডা, শিবরাজ সিংহ চৌহান, নির্মলা সীতারামণ, এস জয়শঙ্কর, মনোহরলাল খট্টর, এইচডি কুমারস্বামী, পীযূষ গোয়েল, ধর্মেন্দ্র প্রধান, জিতন রাম মাঝি, লালন সিংহ, সর্বানন্দ সোনোয়াল, বীরেন্দ্র কুমার, কিঞ্জারাপু রামমোহন নায়ডু, প্রহ্লাদ জোশী, জুয়েল ওঁরাও, গিরিরাজ সিংহ, অশ্বিনী বৈষ্ণব, জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া, ভূপেন্দ্র যাদব, গজেন্দ্র সিংহ শেখাওয়াত, অন্নপূর্ণা দেবী, কিরণ রিজিজু, হরদীপ সিংহ পুরী, মনসুখ মাণ্ডব্য, গঙ্গাপূরম কিষান রেড্ডি, চিরাগ পাশোয়ান, সিআর পাতিল, ইন্দ্রিজিৎ সিংহ, জিতেন্দ্র সিংহ, অর্জুনরাম মেঘওয়াল, প্রতাপরাও গণপতরাও জাধব, জয়ন্ত চৌধুরী, জিতিন প্রসাদ, শ্রীপদ ইয়েসোনায়েক, পঙ্কজ চৌধুরী, কৃষ্ণপাল গুর্জর, রামদাস আঠাওয়ালে, রামনাথ ঠাকুর, নিত্যানন্দ রাই।

    জায়গা পেলেন আর কারা 

    শপথ নিলেন অনুপ্রিয়া প্যাটেল, ভি সোমান্না, চন্দ্রশেখর পেম্মাসানি, এসপি সিংহ বাঘেল, শোভা করন্দ লাজে, কীর্তি বর্ধন সিংহ, বিএল বর্মা, শান্তনু ঠাকুর, সুরেশ গোপী, এল মুরুগান, অজয় টামটা, সঞ্জয় কুমার, কমলেশ পাশোয়ান, ভগীরথ চৌধুরী, সতীশচন্দ্র দুবে, সঞ্জয় শেঠ, রবনীত সিংহ বিটু, দুর্গাদাস উইকে, রক্ষা নিখিল খাড়সে, সুকান্ত মজুমদার, সাবিত্রী ঠাকুর, তোখন সাহু, রাজভূষণ চৌধুরী, ভূপতি রাজু শ্রীনিবাসন বর্মা, হর্ষ মালহোত্র, মুরলীধর মোহল এবং জর্জ কুরিয়েন। এদিন শপথ নিয়েছেন ৩৬ জন প্রতিমন্ত্রী এবং পাঁচজন স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীও। তবে এবার বাদ পড়লেন পুরানো মন্ত্রিসভার কয়েকজন সদস্য। এঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন স্মৃতি ইরানি, অনুরাগ ঠাকুর, রাজীব চন্দ্রশেখর এবং নারায়ণ রানে। 

    আর পড়ুন: পদ্মের কাছে হার বিজেডির, রাজনীতি ছাড়লেন নবীন-ঘনিষ্ঠ প্রাক্তন আমলা

    নিয়ম হল, লোকসভার মোট সদস্য সংখ্যার ১৫ শতাংশের মধ্যে থাকতে হবে মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা। অষ্টাদশ লোকসভার ৫৪৩টি আসনে নির্বাচন হয়েছে। সেই হিসেবে মন্ত্রী হতে পারেন সর্বোচ্চ ৮১ জন।প্রসঙ্গত, মোদির নয়া মন্ত্রিসভায় (PM Modi Cabinet) ঠাঁই পেয়েছেন জম্মু-কাশ্মীরের একজনও। তিনি হলেন জিতেন্দ্র সিংহ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • VK Pandian: পদ্মের কাছে হার বিজেডির, রাজনীতি ছাড়লেন নবীন-ঘনিষ্ঠ প্রাক্তন আমলা

    VK Pandian: পদ্মের কাছে হার বিজেডির, রাজনীতি ছাড়লেন নবীন-ঘনিষ্ঠ প্রাক্তন আমলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার পর সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির কাছে পর্যুদস্ত হয়েছেন বিজেপি সুপ্রিমো তথা ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েক। এই নির্বাচনে তাঁর দল জিতলে তিনি ভেঙে ফেলতেন সিকিমের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পবন চামলিংয়ের রেকর্ড। টানা আড়াই দশক ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী পদে থাকার পর এবার পদ্ম-পার্টির কাছে নবীন খুইয়েছেন কুর্সি। তাঁর পরাজয়ে হতাশ প্রাক্তন আমলা ভিকে পান্ডিয়ান (VK Pandian)।

    কাঠগড়ায় পান্ডিয়ান (VK Pandian)

    বিজেডির পরাজয়ের জন্য পান্ডিয়ানই দায়ী বলে অভিযোগ বিরোধীদের। তার জেরেই শেষমেশ সক্রিয় রাজনীতি থেকে অবসর নেওয়ার কথা ঘোষণা করলেন নবীনের ব্যক্তিগত সচিব থেকে ঘনিষ্ঠ সহযোগী হয়ে ওঠা পান্ডিয়ান। রবিবার এক ভিডিওবার্তায় পান্ডিয়ান (VK Pandian) বলেন, “নবীনবাবুকে সাহায্য করতে আমি সক্রিয় রাজনীতিতে যোগ দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু এখন সচেতনভাবেই নিজেকে সক্রিয় রাজনীতি থেকে সরিয়ে নিচ্ছি।” বিজেডির পরাজয়ের জন্য দলীয় কর্মী-সমর্থকদের কাছেও ক্ষমা চেয়ে নিয়েছেন পান্ডিয়ান। বলেন, “আমার এই যাত্রায় যদি আমি কাউকে আঘাত দিয়ে থাকি, তবে দুঃখিত। আমার বিরুদ্ধে যে প্রচার চালানো হয়েছিল, তা যদি বিজেডির পরাজয়ের কারণ হয়, সেজন্যও আমি দুঃখিত।”

    পর্যুদস্ত নবীনের দল

    পান্ডিয়ান দক্ষ আইএএস। গত নভেম্বরে চাকরি ছেড়ে যোগ দেন সক্রিয় রাজনীতিতে। বিধানসভা নির্বাচনের ফল বের হলে দেখা যায় পদ্ম-পার্টির কাছে পর্যুদস্ত হয়েছে নবীনের দল বিজেডি। রাজ্যের ১৪৭টি বিধানসভা আসনের মধ্যে মাত্র ৫১টিতে জিতেছে বিজেডি। বিজেপি জয়ী হয়েছে ৭৮টি আসনে। লোকসভা নির্বাচনের ফল আরও করুণ। রাজ্যের ২১টি আসনের মধ্যে একটিতেও জয়ী হয়নি নবীনের দল। বিজেপি সরকার গড়ার দাবিদার হওয়ায় পদত্যাগ করেন নবীন। বিজেডির অভিযোগ, পান্ডিয়ান দলের প্রবীণ নেতাদের কোণঠাসা করে দিয়েছিলেন। তার জেরে তাঁদের অনেকেই দলত্যাগ করেন। বিজেডির হারের পরেই সমালোচনার তিরে বিদ্ধ হন পান্ডিয়ান। এহেন পরিস্থিতিতে সক্রিয় রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করেন এই প্রাক্তন আমলা।

    আর পড়ুন: “২ কোটি ৩৫ লাখ লোক বিজেপিকে সমর্থন করেছেন, আমাদের বিরাট দায়িত্ব”, মন্তব্য শুভেন্দুর

    পান্ডিয়ান বলেন, “যে অভিজ্ঞতা এবং শিক্ষা আমি অর্জন করেছি, তা আমার সারা জীবনের পাথেয় হয়ে থাকবে। তাঁর আশীর্বাদ, নেতৃত্ব, নীতিবোধ এবং সর্বোপরি, ওড়িশাবাসীর প্রতি তাঁর ভালোবাসা আমায় সব সময় প্রেরণা জুগিয়েছে। ওড়িশাবাসীর কল্যাণ কামনাই তাঁর ধ্যান-জ্ঞান ছিল। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দারিদ্র দূরীকরণ, নারীর ক্ষমতায়ন-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আমরা মাইলস্টোন ছুঁয়েছি (VK Pandian)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rekha Patra: “গণনাকেন্দ্র হয়ে উঠেছিল তৃণমূলের পার্টি অফিস”, হারের পর তোপ রেখা পাত্রের

    Rekha Patra: “গণনাকেন্দ্র হয়ে উঠেছিল তৃণমূলের পার্টি অফিস”, হারের পর তোপ রেখা পাত্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির প্রতিবাদী মুখ রেখা পাত্রকে (Rekha Patra) লোকসভার ভোটে প্রার্থী করে বিরাট চমক দিয়েছিল বিজেপি। কিন্তু তৃণমূলের প্রার্থী হাজি নুরুলের কাছে ৩ লক্ষের বেশি ভোটে হারতে হয়েছে। রেখার নির্বাচনী প্রচার ছিল বিরাট জমজমাট। দেশের প্রধানমন্ত্রী-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁর সমর্থনে একাধিক সভায় সন্দেশখালিতে অত্যাচারের কথা তুলে ধরেছিলেন। একই সঙ্গে তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের অত্যাচারের বিরুদ্ধে বিজেপি তীব্র আক্রমণ করেছিল। কিন্তু তবুও বিজেপি জয়ী হতে পারেনি বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রে। তাহলে পরাজয়ের কারণ কী ছিল? বিজেপি নেত্রী রেখা পাত্র বলেছেন, “এই ফলাফলে বিরাট চক্রান্ত করা হয়েছে। আমাদের কাউন্টিং এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছিল। গণনাকেন্দ্র হয়ে উঠেছিল তৃণমূলের পার্টি অফিস। আমরা এই নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হব।”

    কী বললেন রেখা পাত্র (Rekha Patra)?

    সন্দেশখালির বিজেপি নেত্রী রেখা পাত্র (Rekha Patra) বলেছেন, “আমি পালিয়ে যাইনি। একটা সমস্যা হয়েছিল সেই জন্য ১০ মিনিটের জন্য বাইরে বেরিয়েছিলাম। সেটাকে তৃণমূল, রেখা পাত্র পালিয়েছে বলে মিথ্যা প্রচার করেছে। তৃণমূল কারচুপি করেছে। মিথ্যা খেলায় বুক বেঁধেছে ওরা। ২০২১ সাল থেকে রাজ্যে বিজেপিকে হারাতে এই অপচেষ্টা করছে তৃণমূল। প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলনেতাকে ছোট করার জন্য প্ল্যানিং করে হারানো হয়েছে। এই হার, পরাজয় হিসাবে মানছি না। যত‌ই মিথ্যা আশায় বুক বাঁধুন। বেশিদিন বুক বেঁধে থাকতে পারবেন না।”

    আরও পড়ুনঃ লোকসভার নিরিখে বিধানসভায় বিজেপির আসন সংখ্যা কত দাঁড়াল জানেন?

    আর কী বললেন রেখা?

    এলাকায় রেখা নেই বলে তৃণমূল অপপ্রচার করলে, মুখের উপর জবাব দিয়ে রেখা (Rekha Patra) বলেন, “আমি চোর নই যে লুকিয়ে থাকব। সময় হলেই আমি যাবো সন্দেশখালি। এই লড়াইকে শক্তিশালী করতে আমি মানুষের পাশে দাঁড়াব। তৃণমূল আমার যে কর্মীদের উপর ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস চালাচ্ছে, তাঁদের পাশে আমি দাঁড়িয়েছি। অনেক কর্মী ঘর ছাড়া হয়েও বিজেপি করছেন, তাঁদের আমি কৃতজ্ঞতা জানাই। যেখানে যেখানে অত্যাচার হবে আমি সেখানে সেখানে যাব। একটা বড় প্ল্যানিং করে আমাকে হারানো হয়েছে। রাজনীতিতে যখন এসেছি, আমি রাজনীতিতে থাকব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh MP Murder Case: বাগজোলা খাল থেকে উদ্ধার হাড়গোড়! বাংলাদেশের সাংসদ খুনে নয়া মোড়?

    Bangladesh MP Murder Case: বাগজোলা খাল থেকে উদ্ধার হাড়গোড়! বাংলাদেশের সাংসদ খুনে নয়া মোড়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের সাংসদ আনোয়ারুল আজিম খুনের (Bangladesh MP Murder Case) তদন্তে এবার চাঞ্চল্যকর মোড়। এই খুনের ঘটনায় ধৃত মহম্মদ সিয়াম হোসেনকে জেরা করে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এবার বাগজোলা খাল (Bagjola Canal) থেকে হাড়গোড় উদ্ধার করল সিআইডি। নিউটাউনে বাংলাদেশের সাংসদ খুনে ধৃত সিয়ামকে নিয়ে সিআইডি ভাঙড়ের সাতুলিয়া এলাকায় বাগজোলা খালে তল্লাশি শুরু করে সিআইডি। সঙ্গে ছিল নৌসেনা এবং কলকাতা পুলিশের ডিএমজি টিম। ডুবুরি নামিয়ে চলছিল তল্লাশি। সেখানেই উদ্ধার হয় বেশ কিছু হাড়। 

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Bangladesh MP Murder Case) 

    রবিবার সকালে সিয়ামকে নিয়ে ভাঙড় এলাকায় পৌঁছে বাগজোলা খালের (Bagjola Canal) কাছে আসেন সিআইডি আধিকারিকেরা। এলাকা শনাক্তকরণের পরেই ডুবুরি নামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। সূত্রের খবর, তল্লাশির পর একটি ঝোপের পাশ থেকে হাড়গোড়গুলি উদ্ধার করা হয়। হাড়গুলি প্রাথমিক ভাবে দেখে অনুমান, সেগুলি মানুষেরই। তবে, সেই হাড় বাংলাদেশের সাংসদেরই কি না তা এখনও স্পষ্ট নয়। ফরেন্সিক পরীক্ষার পরেই  তা জানা যাবে। অর্থাৎ বাংলাদেশের সাংসদ খুনে এবার আরও এক বড় সূত্র পেতে চলেছে সিআইডি।
    এর আগে এই ঘটনার (Bangladesh MP Murder Case) তদন্তে নেমে কিছু মাংসের টুকরো উদ্ধার করেছিলেন তদন্তকারীরা। এবার উদ্ধার হল কিছু হাড়। এই হাড় এবং মাংসপিণ্ড বাংলাদেশের সাংসদের কিনা তা জানার জন্য তলব করা হয়েছে তাঁর মেয়েকে। তিনি এসে ডিএনএ স্যাম্পেল দিলে তা পরীক্ষা করে দেখা হবে।

    আরও পড়ুন: কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পেলেন কার্তিক মহারাজ! ভারত সেবাশ্রমের সন্ন্যাসীর নিরাপত্তায় ৪ জওয়ান

    কলকাতায় চিকিৎসা করাতে এসে গত ১৩ মে বাংলাদেশের সাংসদ রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিলেন। এরপর তদন্তে নেমে একের পর এক তথ্য সামনে উঠে আসে। এখনও পর্যন্ত সিআইডি সূত্রে যা জানা গিয়েছে, তাতে ঝিনাইদহের সাংসদকে নিউটাউনের ফ্ল্যাটে খুনের (Bangladesh MP Murder Case) পর হাড়-মাংস আলাদা করা হয়। তারপর প্যাকেটবন্দি করে সেগুলি নিয়ে যাওয়া হয়েছিল ভাঙড়ের উত্তর কাশীপুর থানা এলাকায়। পরে, প্যাকেট থেকে বের করে হাড়-মাংস ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল বাগজোলা খালে (Bagjola Canal)। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kartik Maharaj: কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পেলেন কার্তিক মহারাজ! ভারত সেবাশ্রমের সন্ন্যাসীর নিরাপত্তায় ৪ জওয়ান

    Kartik Maharaj: কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পেলেন কার্তিক মহারাজ! ভারত সেবাশ্রমের সন্ন্যাসীর নিরাপত্তায় ৪ জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের মাঝেই আচমকা চর্চায় উঠে এসেছিল মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) কার্তিক মহারাজ (Kartik Maharaj) ওরফে স্বামী প্রদীপ্তানন্দের নাম। তাঁর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটের আবহ মিটতেই এবার সেই কার্তিক মহারাজ কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পেতে চলেছেন। সূত্রের খবর, এ বার থেকে তাঁর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর চার জওয়ান।  

    মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ

    লোকসভা ভোটের মধ্যে গত ১৮ মে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরামবাগের সভা থেকে সরাসরি কার্তিক মহারাজের (Kartik Maharaj) নাম উল্লেখ করে বলেছিলেন, “আমি ভারত সেবাশ্রম সংঘকে অনেক সম্মান করতাম, কিন্তু যে লোকটা তৃণমূলের এজেন্টকে বসতে দেন না তাঁকে আমি সাধু বলে মনে করি না।  তার কারণ, সে ‘ডাইরেক্ট পলিটিক্স’ করে দেশটার সর্বনাশ করছে।” মমতা এও বলেন, “সব সজ্জন সমান হয় না। সব সাধুও সমান নয়। আমাদের মধ্যেই কি সবাই সমান আছেন? আমি আইডেনটিফাই করেছি বলেই বলছি।”

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Kartik Maharaj) 

    এর পরেই বিষয়টি নিয়ে সরব হন মহারাজ। বিতর্কিত মন্তব্যের অভিযোগে মুখ্যমন্ত্রীকে আইনি চিঠিও পাঠিয়েছিলেন। তাঁর দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের কোনও সারবত্তা নেই। ওই বক্তব্যে তাঁর ‘মানহানি’ হয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করেছিলেন কার্তিক মহারাজ। সম্মানহানির চেষ্টায় মুখ্যমন্ত্রী ‘অসত্য’ এবং ‘বিভ্রান্তিকর’ মন্তব্য করেছেন বলেও অভিযোগ করেছিলেন ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের ওই সন্ন্যাসী।
    এরপর মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে বিতর্কের আবহে কলকাতা হাই কোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হয়ে নিরাপত্তা চেয়েছিলেন কার্তিক মহারাজ (Kartik Maharaj)। তিনি দাবি করেছিলেন, ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের আশ্রমে হামলা হতে পারে। আশ্রম ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে বলে একটি হুমকি-চিঠিও তিনি পেয়েছেন বলে আদালতে জানিয়েছিলেন কার্তিক মহারাজ। তাই ভোট মিটতেই তাঁর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হল। 

    কার্তিক মহারাজের মন্তব্য (Kartik Maharaj) 

    এ প্রসঙ্গে, কার্তিক মহারাজ বলেন, ‘‘আমার আশ্রমে দুহাজারেরও বেশি ছাত্রছাত্রী রয়েছে। অভিভাবকেরা এই পরিবেশে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলেন। আমি তাঁদের কথা ভেবে নিরাপত্তার আবেদন করেছিলাম। আবেদন মঞ্জুর হওয়ায় অভিভাবকেরা খুব খুশি। আমিও খানিকটা আশ্বস্ত। তবে সন্ন্যাসী মানুষ হিসাবে আমার নিরাপত্তাহীনতা কিংবা বাড়তি নিরাপত্তার কোন লালসা নেই।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share