Tag: news in bengali

news in bengali

  • PM Modi: এবার লক্ষ্য বঙ্গ, ডিসেম্বরেই নির্বাচনী প্রচারে রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: এবার লক্ষ্য বঙ্গ, ডিসেম্বরেই নির্বাচনী প্রচারে রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অঙ্গ জয় হয়ে গিয়েছিল। জয় হয়ে গিয়েছে কলিঙ্গও। এবার বিজেপির শ্যেনদৃষ্টি পশ্চিমবঙ্গে (West Bengal)। সেই কারণেই শুরু হয়ে গিয়েছে জমি তৈরির কাজ। আগামী বছর রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন (PM Modi)। তবে কবে ভোট ঘোষণা হবে, সে পর্যন্ত অপেক্ষা করতে রাজি নয় পদ্ম শিবির। তার ঢের আগেই রাজ্যে নির্বাচনী প্রচার-অভিযান শুরু করে দিচ্ছেন দলের কান্ডারি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই ডিসেম্বর মাস থেকেই বস্তুত বাংলা চষে বেড়াবেন প্রধানমন্ত্রী। এই মাসেই কয়েকটি জনসভা করবেন তিনি। তবে কেবল প্রধানমন্ত্রী কিংবা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের মতো হেভিওয়েটদের দিয়ে জনসভাই নয়, জনসংযোগের জন্য দলের পরম্পরাগত কর্মসূচি রথযাত্রাও করতে চলেছে বিজেপি। রাজ্যের পাঁচটি প্রান্ত থেকে সূচনা হবে পাঁচটি রথযাত্রার।

    ১৪ থেকে ১৫টি জনসভা (PM Modi)

    সংসদের শীতকালীন অধিবেশন শুরু হতে চলেছে ১ ডিসেম্বর থেকে। চলবে ওই মাসেরই ১৯ তারিখ পর্যন্ত। এই অধিবেশন চলাকালীনই কোনও শনিবার কিংবা রবিবার বঙ্গ সফরে আসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, ডিসেম্বর মাস থেকে শুরু করে নির্বাচনের প্রচার বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত এ রাজ্যে ১৪ থেকে ১৫টি জনসভা করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। পদ্মশিবির সূত্রে খবর, সম্ভাবনাময় এলাকা বেছে বেছে সভার আয়োজন করা হবে। বিজেপির এক নেতা বলেন, “সম্ভাবনাময় আসন মানে আমাদের জেতা এলাকাগুলির কথা বলা হচ্ছে, এমন নয়। যেসব এলাকায় আমরা পাশাপাশি একাধিক আসনে অল্প ভোটে হেরেছি বা পিছিয়ে থেকেছি, যেসব এলাকায় কর্মী-সমর্থকদের মনোবল বাড়াতে পারলে ভোটের ফল ঘুরে যাবে, সেগুলিকেই সম্ভাবনাময় হিসেবে ধরা হচ্ছে। সেই সব এলাকা বেছে বেছে পাঁচ বা তার চেয়েও বেশি বিধানসভা আসনের জন্য এক একটি জনসভা বরাদ্দ করা হতে পারে (West Bengal)।”

    প্রথম জনসভা কোথায়

    প্রধানমন্ত্রীর জনসভা কোথায় হবে, তা এখনও ঠিক হয়নি। তবে নদিয়া জেলার কোনও অংশে হতে পারে এই দফার প্রথম জনসভাটি। মে এবং অগাস্ট মাসে এ রাজ্যে তিনটি জনসভা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রথমটি উত্তরবঙ্গের আলিপুরদুয়ারে, দ্বিতীয়টি রাঢ়বঙ্গের দুর্গাপুরে। আর তৃতীয়টি দমদমে। তখনই একপ্রকার স্থির হয়ে গিয়েছিল, পরের সভাটি হবে রানাঘাট বা পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে। যদিও, বিজেপি সূত্রে খবর, প্রধানমন্ত্রীর সভার তারিখ এবং জায়গা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। ডিসেম্বরের শেষ থেকে বঙ্গ সফর শুরু করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও (PM Modi)।

    অকাল রথযাত্রা

    যেমন চূড়ান্ত হয়নি বঙ্গে রথযাত্রার কর্মসূচির নির্ঘণ্টও। তবে আগামী দু’-এক দিনের মধ্যে দিল্লিতে সর্বভারতীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক হওয়ার কথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের। সেই বৈঠকেই রথযাত্রা কর্মসূচি নিয়ে কথা হতে পারে। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির পাঁচটি সাংগঠনিক জোনের প্রতিটি থেকে একটি করে রথযাত্রা হবে (West Bengal)। রথাযাত্রার সূচনা হবে উত্তরবঙ্গ, রাঢ়বঙ্গ, নবদ্বীপ, কলকাতা এবং হাওড়া-হুগলি-মেদিনীপুর – এই পাঁচটি অঞ্চল থেকে। প্রতিটি যাত্রার সূচনায়ই থাকতে পারেন একজন করে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। বাংলায় এর আগেও ভোটের মুখে রথাযাত্রা বের করেছিল বিজেপি। এবার যে পাঁচটি অঞ্চল থেকে রথ বের করার কথা ভাবা হচ্ছে, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগেও ওই এলাকাগুলি থেকেই বের হয়েছিল রথ। সেই মতোই এবারও পথে নামবে পদ্ম-রথ (PM Modi)। বিজেপির একটি সূত্রের খবর, আগামী মাসের ১৩ বা ১৪ তারিখ হবে শনি ও রবিবার। তাই এই দু’টি দিনের কোনও একটিতে বঙ্গ সফর করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। বিজেপির একটি সূত্রের খবর, আরামবাগে হতে পারে প্রথম জনসভাটি। এজন্য অনুমতি চাওয়া হয়েছে স্থানীয় প্রশাসনের। প্রধানমন্ত্রীর দফতর নিশ্চিত করলে তবেই ওই দু’দিনের মধ্যে একদিন বাংলায় জনসভা করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী (West Bengal)।

    আগামী মাসেই নয়া রাজ্য কমিটি

    এদিকে, বিধানসভা নির্বাচনের ঢের আগেই নয়া রাজ্য কমিটি ঘোষণা করতে চলেছে বিজেপি। দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে আগামী মাসেই তা ঘোষণা হতে পারে বলে বিজেপির একটি সূত্রের খবর। ১৯ ডিসেম্বর সংসদের শীতকালীন অধিবেশন শেষ হওয়ার পর কলকাতায় আসতে পারেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁর উপস্থিতিতেই নয়া রাজ্য কমিটির সদস্যদের নিয়ে বর্ধিত বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। এই বৈঠকেই বিধানসভা নির্বাচনের রণকৌশল নিয়ে দলীয় নেতৃত্বকে পরামর্শ দিতে পারেন শাহ (PM Modi)।

    প্রসঙ্গত, একুশের বিধানসভা নির্বাচনে এ রাজ্যে তুলনায় ভালো ফল করেছিল বিজেপি। পদ্ম চিহ্নে জয়ী হয়ে বিধানসভায় গিয়েছিলেন ৭৭ জন। পরে তাঁদের মধ্যে বেশ কয়েকজন জনাদেশ অবজ্ঞা করে জার্সি বদলে ভিড়ে যান তৃণমূলের শিবিরে। বিরোধীদের একাংশের দাবি, শাসক দলে থাকলে ‘কামানো’র সুযোগ থাকে। তাই এক দলের (West Bengal) টিকিটে জিতে অন্য দলে যোগ দিয়েছে হাওয়া মোরগের দল (PM Modi)!

  • IAF Tejas Crash: হৃদয়-বিদারক পোস্ট মার্কিন পাইলটের, দুবাইয়ে ভেঙে পড়া তেজসের উইং কমান্ডারকে শ্রদ্ধা রাশিয়ার

    IAF Tejas Crash: হৃদয়-বিদারক পোস্ট মার্কিন পাইলটের, দুবাইয়ে ভেঙে পড়া তেজসের উইং কমান্ডারকে শ্রদ্ধা রাশিয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুবাইয়ের এয়ার শো-তে ভেঙে পড়েছে ভারতীয় যুদ্ধবিমান তেজস (IAF Tejas Crash)। মৃত্যু হয়েছে পাইলট উইং কমান্ডার নমাংশ স্যালের। কিন্তু তার পরেও সে দিনের অনুষ্ঠান বাতিল করে দেওয়া হয়নি। এয়ার শো যেমন চলার তেমনই চলেছে। দর্শকদের উৎসাহেও ভাটা পড়েনি। দেখে অবাক মার্কিন বায়ুসেনাদল। প্রতিবাদে তারা সে দিনের চূড়ান্ত পারফরম্যান্স বাতিল করে দেয়। ভারতীয় পাইলটের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সমাজমাধ্যমে একটি বিবৃতিও দিয়েছেন মার্কিন বায়ুসেনার পাইলট মেজর টেলর হিয়েস্টার।

    বন্ধুর জন্য শ্রদ্ধা মার্কিন পাইলটের

    মেজর হিয়েস্টার জানিয়েছেন, এয়ার শো-র উদ্যোক্তাদের সিদ্ধান্তে তিনি হতবাক। সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, ‘‘ঘটনার এক থেকে দু’ঘণ্টা পরে আমি অনুষ্ঠানস্থলে গিয়েছিলাম। ভেবেছিলাম, হয়তো জায়গাটা খালি থাকবে। কিন্তু তা ছিল না!’’ এর পরে তিনি লেখেন, ‘‘দুবাই এয়ার শো-র শেষ দিনে যুদ্ধবিমান প্রদর্শনীর সময় দুর্ঘটনায় ভারতীয় বায়ুসেনার উইং কমান্ডার নমাংশ স্যালের মৃত্যু হয়েছে। আমাদের দল সেই সময় নিজস্ব প্রদর্শনীর জন্য তৈরি হচ্ছিল। উদ্যোক্তারা নির্ধারিত সূচি অনুযায়ীই অনুষ্ঠান চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। ভারতীয় পাইলট, তাঁর সহকর্মী এবং পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আমাদের দল শেষ পারফরম্যান্স বাতিল করে দেয়।’’ মার্কিন পাইলটের অভিযোগ, এয়ার শো-র সঞ্চালক এমন একটা ঘটনার পরেও উৎসাহী ছিলেন। দর্শকদের মধ্যেও উত্তেজনায় খামতি ছিল না কোথাও। এমনকি, সমান উৎসাহে আয়োজক ও প্রদর্শনকারীদের অভিনন্দন জানিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়েছে। তাঁর কথায়, ‘‘সবসময় বলা হয়, ‘দ্য শো মাস্ট গো অন’। তা কখনও থেমে থাকবে না। তা ঠিকও। কিন্তু একটা কথা মনে রাখা দরকার, আপনি চলে যাওয়ার পরেও কেউ না কেউ একই কথা বলবেন।’’

    বিশেষ শ্রদ্ধা রাশিয়ারও

    ভারতীয় বায়ুসেনার বীর পাইলটের প্রতি বিশেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করল রাশিয়ান নাইটস অ্যারোবেটিক টিম। দুবাইয়ে মর্মান্তিক ঘটনা প্রসঙ্গে রাশিয়ান নাইটসের একজন সদস্য বলেন, দুর্ঘটনার পরের মুহূর্তগুলি ‘বর্ণনা করা অসম্ভব।’ উইং কমান্ডার নমাংশ স্যালকে শ্রদ্ধা জানাতে এদিন আকাশে যুদ্ধবিমান নিয়ে বিশেষ প্রদর্শনী করে রুশ নাইটস অ্যারোবেটিক টিম। ভারতীয় বায়ুসেনাও এক্স হ্যান্ডলে নমাংশকে শ্রদ্ধা জানিয়ে একটি পোস্ট করেছে। সেখানে তারা জানিয়েছে, নমাংশ ছিলেন একজন দক্ষ এবং সম্পূর্ণ পেশাদার পাইলট। তিনি তাঁর কাজ খুব নিষ্ঠা সহকারে পালন করে এসেছেন। সাহসের সঙ্গে তিনি দেশের সেবা করেছেন। ভালো ব্যবহার এবং ব্যক্তিত্বের জন্য তিনি সবার কাছ থেকে বিপুল সম্মান অর্জন করেছেন।

    তেজস দুর্ঘটনার সঠিক কারণের খোঁজে

    গত ১৭ নভেম্বর থেকে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত দুবাইয়ে আয়োজিত হয়েছিল আন্তর্জাতিক এয়ার শো। যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ১০০টির বেশি বায়ুসেনার বিমান অংশগ্রহণ করে। এই তালিকায় ছিল হিন্দুস্থান অ্যারোনটিক্স লিমিটেডের তৈরি তেজস যুদ্ধবিমানও। উইং কমান্ডারের শেষ বিদায়ের সময়ে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর কর্তা, তাঁর বন্ধু-সহকর্মীরা ও ভারতীয় দূতাবাসের কর্তারা উপস্থিত ছিলেন। রবিবার দুবাই থেকে উড়িয়ে প্রথমে তাঁর দেহাবশেষ আনা হয় তামিলনাড়ুর সুলুর বায়ুসেনা ঘাঁটিতে সেখানে তাঁর উদ্দেশে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন দক্ষিণ এয়ার কমান্ডের আধিকারিকেরা। তার পর দেহাবশেষ হিমাচল প্রদেশে নিয়ে যাওয়া হয়। দুর্ঘটনার সঠিক কারণ জানতে ভারতীয় বায়ুসেনার পক্ষ থেকে উচ্চ পর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

  • SIR: রাজ্যের ৪৪টি জায়গায় ভোটার তালিকা ‘মায়া’ময়! এসআইআর ফর্মের কিউআর কোড স্ক্যানে পর্দা ফাঁস

    SIR: রাজ্যের ৪৪টি জায়গায় ভোটার তালিকা ‘মায়া’ময়! এসআইআর ফর্মের কিউআর কোড স্ক্যানে পর্দা ফাঁস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্থান ভেদে পদবি আলাদা, রাজ্যের ৪৪টি জায়গায় ভোটার তালিকা ‘মায়া’ময়। হাওড়ায় তিনি মায়ারানি রায়, বাঁকুড়ায় মায়ারানি মুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনার মন্দিরবাজারে মায়ারানি প্রামাণিক, দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলপিতে মায়ারানি নাইয়া! আবার উত্তর ২৪ পরগনায় তিনিই মায়ারানি মণ্ডল, বর্ধমানে মায়ারানি কোঙার। এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়ায় একটিমাত্র এনুমারেশন ফর্মের কিউআর কোড স্ক্যান করতেই দেখা যায়, একই মহিলার নাম একসঙ্গে ৪৪টি ভিন্ন বিধানসভায় ভোটার তালিকায় যুক্ত রয়েছে। রয়েছে তাঁর স্বামীর নামও। কিন্তু সবক’টির পদবি আলাদা। পশ্চিম বর্ধমান জেলার পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভার ৪৭ নম্বর বুথে সামনে এসেছে এমনই ভোটার কার্ডে জালিয়াতির ঘটনা। পশ্চিম বর্ধমানের জেলাশাসক পোন্নাম্লম এসের সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়া, ‘‘অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’’

    কোনও ভয় নেই মায়ারানির

    পেশায় রাঁধুনি মধ্যবয়স্কা মায়ারানিকে নিয়ে শোরগোল পশ্চিম বর্ধমানে। বিজেপির অভিযোগ, এই ভাবে রাজ্য জুড়ে ভোটার তালিকায় ভুয়ো নাম ঢুকিয়েছে তৃণমূল। তদন্ত শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। বিধবা মায়ারানি গোস্বামীর বাড়ি পশ্চিম বর্ধমান জেলার পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভার ডিভিসি পাড়ায়। ৪৭ নম্বর বুথের ভোটার তিনি। তাঁর এনুমারেশন ফর্মে কোড স্ক্যান করতে গিয়ে রাজ্যের ৪৪ জায়গায় ভোটার হিসেবে তাঁর নাম পেয়েছেন বিএলও। এমন অভাবনীয় ঘটনায় মায়ারানি অবশ্য বিস্মিত নন। বস্তুত, তিনি এর গুরুত্ব কী তা-ই জানেন না। বাড়ি বাড়ি রান্নার কাজ করে কোনও ক্রমে দিন চলে ওই মহিলার। থাকেন সরকারি প্রকল্পে পাওয়া বাড়িতে। তাঁর কথায়, ‘‘বাবারা, আমি তো কিছুই জানি না। শুরু থেকে আমি বৈদ্যনাথপুর স্কুলে ভোট দিই। র আগের সরকারের সময়কালে বৈদ্যনাথপুরে নাম তুলেছিলাম৷ সেই সময় আগের ভোটার লিস্ট থেকে আমার নাম বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছিল। আমি শুধুমাত্র এটুকুই জানি। লোকের বাড়িতে রান্না করে আমি পেট চালাই। আমি কী করব বুঝতে পারছি না৷ এসআইআরের (SIR) ফর্ম পাড়ার সবাই পূরণ করেছে। আমিও করেছি। তার পর জনে জনে আমাকে এসে প্রশ্ন করছেন। তবে অনেকেই বলেছেন, আমার কোনও ভয় নেই।’’

    সুপরিকল্পিত জালিয়াতি চক্রের কাজ

    বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারির দাবি, এসআইআর-এর (SIR) জন্য সত্য সামনে এল৷ এসআইআর চেক না হলে এমন ঘটনা ধরা পড়তই না। কত অসহায় মানুষের নাম ব্যবহার হয়েছে তা ভাবলে শিউরে উঠতে হয়, তাই বড়সড় তদন্ত হওয়া জরুরি। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিধবা মায়ারানি গোস্বামী খুব অসহায়৷ লোকের বাড়িতে রান্নার কাজ করে দিন গুজরান করেন৷ অভিযোগ, তাঁর এসআইআর ফর্মের কিউআর কোড স্ক্যান করতেই দেখা যায়, উত্তর দিনাজপুর থেকে শুরু করে দক্ষিণ ২৪ পরগনার গোসাবা পর্যন্ত বিভিন্ন জেলায় তাঁর নাম তোলা হয়েছে ভোটার হিসেবে। তবে প্রতিটি তালিকায় নাম ‘মায়ারানি’ রাখা হলেও বারবার বদলে দেওয়া হয়েছে পদবি। কোথাও তিনি মণ্ডল, কোথাও রায়, আবার কোথাও ঘোষ বা নাইয়া। এইভাবে তাঁর পরিচয় ঘুরিয়ে ফিরিয়ে ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, ভোটার হিসাবে তাঁর বয়সও বিভিন্ন জায়গায় কমিয়ে দেখানো হয়েছে। ঘটনার খবর মিলতেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের একাংশ বলছেন, একটি ফর্ম স্ক্যান করতেই ৪৪টি ভুয়ো পরিচয় উঠে আসা কোনও সাধারণ ভুল হতে পারে না। এটি যে একটি সুপরিকল্পিত জালিয়াতি চক্রের কাজ, তা স্পষ্ট।

  • Pancreatic Cancer: ভারতে বাড়ছে অগ্নাশয়ের ক্যান্সার! কাদের জন্য বাড়তি ঝুঁকি রয়েছে?

    Pancreatic Cancer: ভারতে বাড়ছে অগ্নাশয়ের ক্যান্সার! কাদের জন্য বাড়তি ঝুঁকি রয়েছে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ভারতে বাড়ছে ক্যান্সারের ঝুঁকি। প্রত্যেক বছরেই ক্যান্সার আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। ক্যান্সার বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, গত এক দশকে জীবন যাপনের ধারার জেরে ক্যান্সার আক্রান্তের সংখ্যা আরও বেড়েছে। অগ্নাশয়ের ক্যান্সার কিংবা প্যানক্রিয়াটিক ক্যান্সার তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অস্বাস্থ্যকর জীবন‌ যাপন এই সমস্যা আরও বাড়াচ্ছে।

    ভারতীয়দের জন্য কতখানি বিপজ্জনক?

    ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ক্যান্সার আক্রান্ত ভারতীয়দের মৃত্যুর তালিকায় সপ্তম স্থানে রয়েছে অগ্নাশয়ের ক্যান্সার। এই ক্যান্সারের প্রকোপ বৃদ্ধি ক্রমশ উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রে অগ্নাশয়ের ক্যান্সারের চিকিৎসা দেরিতে শুরু হয়। রোগ সম্পর্কে অসচেতনতার জেরেই এই চিকিৎসা দেরিতে শুরু হয়। তাই মৃত্যুর ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। ভারতে অগ্নাশয়ে ক্যান্সারে সুস্থ হয়ে ওঠার হারও কম। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই রোগ সম্পর্কে সতর্কতা বাড়লে তবেই পরিস্থিতির পরিবর্তন সম্ভব।

    কেন ভারতে অগ্নাশয়ের ক্যান্সার বাড়ছে?

    মদ্যপানের অভ্যাস বাড়ছে!

    ক্যান্সার বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অগ্নাশয়ের ক্যান্সার বেড়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ মদ্যপান। তাঁরা জানাচ্ছেন, গত কয়েক বছরে ভারতীয়দের মধ্যে মদ্যপানের অভ্যাস বেড়েছে। বিশেষত কম বয়সী ছেলেমেয়েদের মধ্যে এই অভ্যাস বেশি দেখা যাচ্ছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, যেকোনও উৎসবেই মদ্যপান উদযাপনের রেওয়াজ হয়ে উঠছে। নিয়মিত মদ্যপানের অভ্যাস অন্ত্র এবং লিভারের জন্য ক্ষতিকারক। তাই নিয়মিত মদ্যপান করলে অগ্নাশয়ে ক্যান্সারে ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

    ধূমপান ঝুঁকি বাড়াচ্ছে!

    ধূমপানের অভ্যাস অগ্নাশয়ের ক্যান্সারের অন্যতম কারণ বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, তামাক শরীরের জন্য খুবই বিপজ্জনক। তামাক সেবনে অভ্যস্ত হলে শরীরের একাধিক অঙ্গের ক্ষতি হয়। শ্বাসনালী, ফুসফুসের পাশপাশি অগ্নাশয়ের উপরেও ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে‌। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, স্কুল পড়ুয়াদের মধ্যেও ধূমপানের প্রবণতা দেখা দিচ্ছে। কিশোর বয়স থেকেই এই অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস নানান রোগের কারণ হয়ে উঠছে। অগ্নাশয়ের ক্যান্সার তার মধ্যে অন্যতম।

    ওবেসিটি বিপজ্জনক!

    অতিরিক্ত ওজন কিংবা ওবেসিটিকে অগ্নাশয়ের ক্যান্সারের অন্যতম কারণ বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ভারতে ওবেসিটি বাড়ছে। শিশুদের মধ্যেও এই রোগের প্রকোপ বাড়ছে। যার প্রভাব সুদূরপ্রসারী। হৃদরোগ, হরমোনের ভারসাম্যের অভাব, বন্ধ্যাত্বের পাশপাশি ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয় এই অতিরিক্ত ওজনের সমস্যা। অস্বাস্থ্যকর খাবারের জেরেই এই ওবেসিটির সমস্যা দেখা দিচ্ছে। নিয়মিত অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাট জাতীয় খাবার খাওয়ার অভ্যাস, প্রক্রিয়াজাত খাবারে অভ্যস্ত হয়ে পড়ার জেরেই এই ধরনের সমস্যা তৈরি হচ্ছে। তার ফলে অগ্নাশয়ের ক্যান্সারের ঝুঁকিও বাড়ছে।

    ডায়াবেটিস আক্রান্তের জন্য বাড়তি বিপদ!

    ভারতকে ডায়াবেটিসের ‘ক্যাপিটাল’ বলা হয়। ভারতীয়দের মধ্যে ডায়াবেটিস উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। বিশেষত শিশুদের মধ্যেও টাইপ টু ডায়াবেটিসের প্রকোপ বাড়ছে। মূলত খাদ্যাভাস এবং জীবন যাপনের জন্য এই ধরনের ডায়াবেটিস হয়। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ডায়াবেটিস অগ্নাশয়ের ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। রক্তে শর্করার পরিমাণ বেশি থাকলে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে তার গভীর প্রভাব পড়ে। তাই ডায়াবেটিস অগ্নাশয়ের উপরেও ক্ষতিকারক প্রভাব ফেলে। তার জেরেই অগ্নাশয়ের ক্যান্সারের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

    কীভাবে সুস্থ থাকবেন?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, সুস্থ থাকার অন্যতম শর্ত স্বাস্থ্যকর জীবন যাপন। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত শারীরিক কসরত করা, স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার অভ্যাস সুস্থ থাকতে বিশেষ সাহায্য করে‌। দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে। তাই অগ্নাশয়ের ক্যান্সারের মতো রোগের ঝুঁকিও কমিয়ে দেয়। পাশপাশি মদ্যপান ও ধূমপানের অভ্যাসকেও সম্পূর্ণ বর্জন করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, এগুলো শরীরে একাধিক রোগের ঝুঁকি তৈরি করে। তাই সুস্থভাবে দীর্ঘ জীবন যাপনের জন্য এই ধরনের অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস এড়িয়ে যেতে হবে।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Daily Horoscope 24 November 2025: নিজের প্রতিভা দেখানোর সুযোগ পাবেন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 24 November 2025: নিজের প্রতিভা দেখানোর সুযোগ পাবেন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

     

     

    মেষ

    ১) সংসারে খুব সংযত থাকতে হবে। সন্তানদের নিয়ে একটু চিন্তা থাকবে।

    ২) সন্তানদের নিয়ে একটু চিন্তা থাকবে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    বৃষ

    ১) ব্যবসায় ভালো লাভ হতে পারে।

    ২) নিজের প্রতিভা দেখানোর সুযোগ পাবেন।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    মিথুন

    ১) উচ্চপদস্থ কোনও ব্যক্তির অনুগত থাকলে লাভ হতে পারে।

    ২) প্রতিবেশীর ঝামেলায় বেশি কথা না বলাই শ্রেয়।

    ৩) বিরোধীদের থেকে সাবধান থাকুন।

     

     

    কর্কট

    ১) প্রতিযোগিতামূলক কাজে সাফল্যের যোগ।

    ২) কুচক্রে পড়ে নিজের ক্ষতি হতে পারে।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    সিংহ

    ১) কোনও যন্ত্র খারাপ হওয়ায় প্রচুর খরচ হতে পারে।

    ২) কর্মে অন্যের সাহায্যের প্রয়োজন হতে পারে।

    ৩) ধর্মস্থানে যেতে পারেন।

    কন্যা

    ১) ভালো কোনও সুযোগ হাতছাড়া হওয়ায় ক্ষোভ বাড়তে পারে।

    ২) কারও কাছ থেকে বড় কোনও উপকার পেতে পারেন।

    ৩) গুরুজনদের পরামর্শ মেনে চলুন।

    তুলা

    ১) কোনও ধর্মীয় স্থানে দান করায় শান্তিলাভ।

    ২) কাজের জন্য বাড়ির কেউ বাইরে যাওয়ায় মনঃকষ্ট।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    বৃশ্চিক

    ১) সুন্দর কথা বলায় সুনাম পেতে পারেন।

    ২) প্রেমের ব্যাপারে খুব সতর্ক থাকতে হবে, প্রতারিত হওয়ার যোগ রয়েছে।

    ৩) দিনটি ভালোই কাটবে।

    ধনু

     

     

    ১) পড়াশোনার ব্যাপারে ভালো সুযোগ আসতে পারে।

    ২) মা-বাবার সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় থাকবে।

    ৩) ধৈর্য ধরুন।

    মকর

    ১) কোনও ভুল কাজ করার জন্য শান্তি পাবেন না।

    ২) সারা দিন ব্যবসা ভালো চললেও পরে জটিলতা আসতে পারে।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    কুম্ভ

    ১) কর্মক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন নিয়ে সমস্যা হতে পারে।

    ২) নিজের চিকিৎসায় বহু অর্থ ব্যয় হতে পারে।

    ৩) ভেবে চিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।

    মীন

    ১) কর্মক্ষেত্রে বৈরী মনোভাব ত্যাগ করাই ভালো।

    ২) কোনও মামলায় জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) ধৈর্য্য ধরতে হবে আরও বেশি।

  • Ramakrishna 516: “মেয়েভক্তদের গোপাল ভাব—‘বাৎসল্য ভাব’ বেশি ভাল নয়, ওই ‘বাৎসল্য’ থেকেই আবার একদিন ‘তাচ্ছল্য’ হয়”

    Ramakrishna 516: “মেয়েভক্তদের গোপাল ভাব—‘বাৎসল্য ভাব’ বেশি ভাল নয়, ওই ‘বাৎসল্য’ থেকেই আবার একদিন ‘তাচ্ছল্য’ হয়”

    ৪৯ শ্রীশ্রীরথযাত্রা বলরাম-মন্দিরে

    চতুর্থ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১৪ই জুলাই
    পূর্বকথা—৺কাশীধামে শিব ও সোনার অন্নপূর্ণাদর্শন—
    অদ্য ব্রহ্মাণ্ডকে শালগ্রাম রূপে দর্শন

    শ্রীরামকৃষ্ণ (সারদার প্রতি)—দক্ষিণেশ্বরে যাস না কেন? কলিকাতায় যখন আসি, তখন আসিস না কেন?

    সারদা—আমি খবর পাই না।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Kathamrita) — এইবার তোকে খবর দিব। (মাস্টারকে সহাস্যে) একখানা ফর্দ করো তো—ছোকরাদের। (মাস্টার ও ভক্তদের হাস্য)

    পূর্ণের সংবাদ—নরেন্দ্রদর্শনে ঠাকুরের আনন্দ

    সারদা—বাড়িতে বিয়ে দিতে চায়। ইনি (মাস্টার) বিয়ের কথায় আমাদের কতবার বকেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—এখন বিয়ে কেন? (মাস্টারের প্রতি) সারদার বেশ অবস্থা হয়েছে। আগে সঙ্কোচ ভাব ছিল। যেন ছিপের ফাতা টেনে নিত। এখন মুখে আনন্দ এসেছে।

    ঠাকুর একজন ভক্তকে বলিতেছেন, “তুমি একবার পূর্ণর জন্য যাবে?”

    এইবার নরেন্দ্র আসিয়াছেন। ঠাকুর নরেন্দ্রকে জল খাওয়াইতে বলিলেন। নরেন্দ্রকে দেখিয়া বড়ই আনন্দিত হইয়াছেন। নরেন্দ্রকে খাওয়াইয়া যেন সাক্ষাৎ নারায়ণের সেবা করিতেছেন। গায়ে হাত বুলাইয়া আদর করিতেছেন, যেন সূক্ষ্মভাবে হাত-পা টিপিতেছেন! গোপালের মা (‘কামারহাটির বামনী’) ঘরের মধ্যে আসিলেন। ঠাকুর বলরামকে কামারহাটিতে লোক পাঠাইয়া গোপালের মাকে আনিতে বলিয়াছিলেন। তাই তিনি আসিয়াছেন। গোপালের মা ঘরের মধ্যে আসিয়াই বলিতেছেন, “আমার আনন্দে চক্ষে জল পড়ছে।” এই বলিয়া ঠাকুরকে ভূমিষ্ঠ হইয়া নমস্কার করিলেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — সে কি গো। এই তুমি আমাকে গোপাল বল—আবার নমস্কার!

    “যাও, বাড়ির ভিতর গিয়ে একটি বেন্নন রাঁধ গে-খুব ফোড়ন দিও — যেন এখানে পর্যন্ত গন্ধ আসে।” (সকলের হাস্য)

    গোপালের মা—এঁরা (বাড়ির লোকেরা) কি মনে করবে?

    গোপালের মা কি ভাবিতেছেন যে, এখানে নূতন এসেছি,—যদি আলাদা রাঁধব বলে বাড়ির লোকেরা কিছু মনে করে!

    বাড়ির ভিতর যাইবার আগে তিনি নরেন্দ্রকে সম্বোধন করিয়া কাতরস্বরে বলিতেছেন (kathamrit), “বাবা! আমার কি হয়েছে; না বাকী আছে?”

    আজ রথযাত্রা—শ্রীশ্রীজগন্নাথের ভোগরাগাদি হইতে একটু দেরি হইয়াছে। এইবার ঠাকুর সেবা হইবে। অন্তঃপুরে যাইতেছেন। মেয়ে ভক্তেরা ব্যাকুল হইয়া আছেন,—তাঁহাকে দর্শন ও প্রণাম করিবেন।

    ঠাকুরের অনেক স্ত্রীলোক ভক্ত ছিলেন। কিন্তু তিনি তাঁহাদের কথা পুরুষ ভক্তদের কাছে বেশী বলিতেন না। কেহ মেয়ে ভক্তদের কাছে যাতায়াত করিলে, বলিতেন, ‘বেশী যাস নাই; পড়ে যাবি!’ কখন কখন বলিতেন, ‘যদি স্ত্রীলোক ভক্তিতে গড়াগড়ি যায়, তবুও তার কাছে যাতায়াত করবে না।’ মেয়েভক্তেরা আলাদা থাকবে—পুরুষ-ভক্তেরা আলাদা থাকবে। তবেই উভয়ের মঙ্গল। আবার বলিতেন, “মেয়েভক্তদের গোপাল ভাব—‘বাৎসল্য ভাব’ বেশি ভাল নয়। ওই ‘বাৎসল্য’ থেকেই আবার একদিন ‘তাচ্ছল্য’ হয়।”

  • Pakistan: ‘মিথ্যে দাবি করছে পাক সেনা’, অপারেশন সিঁদুর নিয়ে বড় মন্তব্য ফ্রান্সের

    Pakistan: ‘মিথ্যে দাবি করছে পাক সেনা’, অপারেশন সিঁদুর নিয়ে বড় মন্তব্য ফ্রান্সের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ফুটো হয়ে গেল পাকিস্তানের (Pakistan) প্রচারের বেলুন। ভারতের সামরিক বাহিনীর চেয়ে নিজেদের বাহিনীকে শ্রেষ্ঠ দেখানোর মরিয়া চেষ্টায়, পাকিস্তানের সংবাদ মাধ্যম ভুয়ো খবর ছড়াতে পিছপা হয়নি। তারা দাবি করেছিল, মে মাসের সংঘাতে (ভারতের তরফে চালানো অপারেশন সিঁদুরে) তাদের বিমান বাহিনী ভারতীয় বাহিনীর ওপর আধিপত্য দেখিয়েছে। কিন্তু ফরাসি নৌবাহিনী তাদের এই প্রতিবেদন মিথ্যে প্রমাণ করে দিয়েছে। যার জেরে ফের একবার বিশ্বের দরবারে চুনকালি পড়ল ইসলামাবাদের মুখে।

    ফরাসি নৌ-কমান্ডারকে ভুলভাবে উদ্ধৃত (Pakistan)

    বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে পাকিস্তানের জিও টিভির একটি প্রতিবেদন। সেখানে তারা ফরাসি নৌ-কমান্ডারকে ভুলভাবে উদ্ধৃত করে দাবি করেছিল যে ‘অপারেশন সিঁদুরে’র সময় ভারতীয় রাফালে যুদ্ধবিমান ভূপতিত হয়েছিল। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ল্যান্ডিভিসিয়ু নৌবাহিনীর বিমানঘাঁটির কমান্ডার ক্যাপ্টেন ‘জ্যাক’ লনেকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছিল যে ওই পরিস্থিতি সামলানোর জন্য পাকিস্তানই নাকি কৃতিত্ব পাওয়ার যোগ্য। মিথ্যেয় ভরা সেই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছিল যে মন্তব্যটি করা হয়েছিল একটি আন্তর্জাতিক ইন্দো-প্যাসিফিক সম্মেলনে (French Navy)।

    মিথ্যে দাবি খণ্ডন

    কিন্তু এই দাবিগুলি সম্পূর্ণ তথ্য-অজ্ঞতার প্রমাণ হয়ে দাঁড়ায়। ফরাসি সামরিক বাহিনীর নৌ-শাখা ‘মারিন ন্যাশনালে’র পক্ষ থেকে দ্রুতই এসব মিথ্যে দাবি খণ্ডন করা হয় (Pakistan)। তারা স্ক্রিনশটটি শেয়ার করে একে ‘ফেকনিউজ’ বলে দাগিয়ে দিয়েছে। ফরাসি নৌবাহিনীর দাবি, “প্রবন্ধটিতে ব্যাপক ভ্রান্ত ও ভুল তথ্য রয়েছে।” তারা এও জানিয়েছে, ক্যাপ্টেন লোনে তাঁর নামে প্রকাশিত বিবৃতির জন্য কোনও ধরনের অনুমতি দেননি। ফরাসি নৌবাহিনী জানিয়েছে, “প্রবন্ধে যেমন দাবি করা হয়েছে, তার দায়িত্ব তেমন নয়। তাঁর দায়িত্ব সীমিত ফরাসি রাফাল মেরিন বিমানগুলি যে নৌবিমান ঘাঁটিতে অবস্থান করে, সেই জৈবিক নৌবিমান স্টেশনটির কমান্ড দেওয়ার মধ্যেই।”

    প্রসঙ্গত, পহেলগাঁওকাণ্ডের জেরে পাকিস্তানে অপারেশন সিঁদুর ছিল ভারতের বৃহৎ সামরিক অভিযান। ওই অভিযানে, সীমান্ত ও নিয়ন্ত্রণরেখার ওপারে শতাধিক জঙ্গিকে খতম করা হয়। ভারতীয় সেনা জানায় (French Navy), এই অভিযান সফল ছিল। পাকিস্তানি কমান্ডাররা অপ্রত্যাশিত ক্ষতির মুখে পড়ে যুদ্ধবিরতির অনুরোধ জানায়। ওই সময় বিমানযুদ্ধে পাকিস্তানের মোট ছ’টি বিমান বাহিনী ভূপতিত করেছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় বিমানবাহিনী (Pakistan)।

  • Hindus Under Attack: হিন্দু ধর্মকে শেষ করার চেষ্টা! দেখে নিন দেশ-বিদেশের ছবিটা

    Hindus Under Attack: হিন্দু ধর্মকে শেষ করার চেষ্টা! দেখে নিন দেশ-বিদেশের ছবিটা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও বিদেশে হিন্দু এবং হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ (Hindus Under Attack) চলছেই। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে এই নিপীড়ন ধীরে ধীরে এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে। দশকের পর দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণগুলির গভীরতা ও ব্যাপ্তিকে উপেক্ষা করেছে (Roundup Week)। কারণ এর পেছনে রয়েছে ভয়াবহ হিন্দু-বিদ্বেষমূলক মানসিকতা। জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, ধর্মীয় উৎসবের ওপর আক্রমণ, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, বিদ্বেষমূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত সব ক্ষেত্রেই হিন্দুরা এখন তাদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ ও অভূতপূর্ব হিন্দু-বিদ্বেষের মুখোমুখি। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক গত ১৬ থেকে ২২ নভেম্বর পর্যন্ত কী কী ঘটনা ঘটেছে দেশ এবং বিদেশে।

    ভারতের ছবি (Hindus Under Attack)

    প্রথমেই দেখে নেওয়া যাক ভারতের ছবিটা। শিবমোগ্গার মারনামি বাইল এলাকায় ঘটেছে ভয়ঙ্কর সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনা। অভিযোগ, যেখানে হরিশকে ইসলামিক সম্প্রদায়ের কয়েকজন যুবক নৃশংসভাবে মারধর করে। জানা গিয়েছে, তিনি যখন রাতে কাজ সেরে বাড়ি ফিরছিলেন, তখন তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয় তুমি হিন্দু না মুসলিম? হরিশ যখন জানান তিনি হিন্দু, তখনই তাঁকে আক্রমণ করা হয়। এলাকায় থাকা সিসিটিভির ফুটেজে হামলার কিছু অংশ দেখা গিয়েছে। পরিবারের দাবি, হরিশকে শুধুমাত্র তাঁর ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে টার্গেট করা হয়েছিল। সেই কারণেই তাঁর ওপর হয়েছে নৃশংস হামলা। এদিকে, পুনে থেকেও একটি উদ্বেগজনক ঘটনার খবর সামনে এসেছে। সেখানকার একটি নামী কলেজের নাবালিকা ছাত্রী নিখোঁজ রয়েছে গত কয়েকদিন ধরে। অভিযোগ, ইয়রওয়াদার বছর সতেরোর এক ইসলামিক যুবক, মতিন শেখ তাকে অপহরণ করেছে। এফআইআরের নথি থেকে জানা গিয়েছে, কোরেগাঁও পার্ক থানায় নাবালিকা অপহরণের উপযুক্ত ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মেয়েটির পরিবারের দাবি, তাকে প্রলোভন দেখিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। শেখের এক আত্মীয়ের ভূমিকাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ওই নাবালিকার খোঁজে শুরু হয়েছে তল্লাশি।

    হিন্দু ছাত্রদের পৈতে খুলতে হল!

    কর্নাটকের মিয়্যারের মোরারজি দেশাই আবাসিক স্কুলে শুরু হয়েছে ব্যাপক বিতর্ক। অভিযোগ, এক মুসলিম শিক্ষক হিন্দু ছাত্রদের পৈতে এবং হাতে থাকা পবিত্র সুতো খুলে ফেলতে বাধ্য করেছেন। ঘটনার প্রতিবাদে স্কুলে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখান অভিভাবকরা। তার পরেই কালাবুরগির মাদারসা এস মাকন্দর নামের ওই শিক্ষককে বরখাস্ত করা হয় (Roundup Week)। উদ্বেগজনক একটি ঘটনা ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের দেওরিয়া জেলায়। অভিযোগ, সেখানে এক কাশ্মীরি মুসলিম যুবক প্রেমের প্রলোভনে এক হিন্দু কলেজছাত্রীকে অপহরণ করে। ভাট্টনি এলাকার ওই ছাত্রী বিকম দ্বিতীয়বর্ষের ছাত্রী। পরীক্ষা দিতে বাড়ি থেকে বেরিয়ে গিয়ে সে আর ফেরেনি।

    ধর্ষণের শিকার হিন্দু মহিলা

    এদিকে, মুম্ব্রার তথাকথিত (Hindus Under Attack) ‘নারিয়াল ওয়ালা ফকির’ ইমরান শেখের ঘটনাটি সমাজের বিবেককে নাড়া দেওয়া এক জঘন্য অপরাধ। ভুক্তভোগীর এফআইআর থেকে জানা গিয়েছে, এটি শুধু ধর্ষণের ঘটনা নয়, বরং এক সুচিন্তিত, মানসিকভাবে প্রভাবিত করার মতো, সাংস্কৃতিকভাবে লক্ষ্য করে পরিচালিত হামলা, যার শিকার একজন হিন্দু মহিলা। এটি কুসংস্কার, ভয় দেখানো ও প্রতারণার মাধ্যমে শিকারকে নিয়ন্ত্রণ করার এক আদর্শ উদাহরণ।

    বাংলাদেশের ছবি

    পড়শি বাংলাদেশের ছবিটাও কম ভয়ঙ্কর নয়। বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর অবিরাম হামলা চলেছে এবং এগুলি এমনভাবে পরিচালিত হচ্ছে যাতে দ্রুত এই ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের দেশ থেকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া যায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের একটি গবেষণা থেকে জানা গিয়েছে, ধারাবাহিক ও প্রাতিষ্ঠানিক নির্যাতনের কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে কোনও হিন্দুই অবশিষ্ট থাকবে না (Roundup Week)। মন্দির ভাঙচুর, ভূমি দখল, মিথ্যা ধর্ম অবমাননার অভিযোগে গণআক্রমণ, ধর্ষণ বা জোরপূর্বক ধর্মান্তর, এবং ঘৃণাসূচক বক্তব্য – এসবই হিন্দুদের ভয় দেখানো ও দেশছাড়া করার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে (Hindus Under Attack)।

    হিন্দু কৃষকের পাকা ধানে আগুন

    এদিকে, চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি এলাকা থেকে মিলেছে চাঞ্চল্যকর একটি খবর। অভিযোগ, সেখানে ইসলামপন্থীরা এক হিন্দু কৃষকের ধানখেতে আগুন লাগিয়ে দেয়। ফলে মরশুমের প্রায় পুরো ফসলই নষ্ট হয়ে গিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, গভীর রাতে একদল উগ্রপন্থী মুসলমান গভীর রাতে ইচ্ছাকৃতভাবে খেতে আগুন লাগিয়ে দেয়। গ্রামবাসীরা আগুন দেখতে পেয়ে ছুটে গেলেও, আগুনের লেলিহান শিখায় পুড়ে খাক হয়ে গিয়েছে পুরো খেত। বর্তমানে ধান পাকার মুখে। সেই সময় পুড়িয়ে ছাই করে দেওয়া হল (Roundup Week) ওই হিন্দু কৃষকের মাঠের ফসল। সংখ্যালঘু এই পরিবারটির এখন আয়ের আর কোনও সুযোগই নেই। অসহায় অবস্থায় কোনওক্রমে দিন কাটাচ্ছে তারা (Hindus Under Attack)।

  • G20 Summit: জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে বৈশ্বিক উন্নয়নকে কেন্দ্র করে ছ’টি নয়া উদ্যোগের প্রস্তাব মোদীর

    G20 Summit: জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে বৈশ্বিক উন্নয়নকে কেন্দ্র করে ছ’টি নয়া উদ্যোগের প্রস্তাব মোদীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত জি২০ (G20 Summit) নেতাদের শীর্ষ সম্মেলনে বৈশ্বিক উন্নয়নকে কেন্দ্র করে ছ’টি নয়া উদ্যোগ প্রস্তাব করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Modi)। এগুলির মধ্যে রয়েছে, গ্লোবাল ট্র্যাডিশনাল নলেজ রিপোজিটরি, আফ্রিকা স্কিলস মাল্টিপ্লায়ার ইনিশিয়েটিভ, গ্লোবাল হেলথকেয়ার রেসপন্স টিম, ড্রাগ–টেরর নেক্সাস মোকাবিলা উদ্যোগ, ওপেন স্যাটেলাইট ডেটা পার্টনারশিপ এবং ক্রিটিক্যাল মিনারেলস সার্কুলারিটি ইনিশিয়েটিভ। তিনি বলেন, “এই উদ্যোগগুলি সর্বাঙ্গীণ উন্নয়নে সহায়তা করবে।” তিনি এও জানান, ভারতের সভ্যতাগত মূল্যবোধ ভবিষ্যতের পথ নির্দেশ করতে পারে।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী (G20 Summit)

    জি২০ গ্লোবাল ট্র্যাডিশনাল নলেজ রিপোজিটরি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ঐতিহ্যগত জ্ঞান যা সুদীর্ঘকাল ধরে টেকসই জীবনযাপনের পরীক্ষিত মডেল উপস্থাপন করে, তা নথিভুক্ত করা হবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।” তিনি বলেন, “ভারতের এই ক্ষেত্রে সমৃদ্ধ ইতিহাস রয়েছে। এটি আমাদের সম্মিলিত জ্ঞানকে আরও সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল অর্জনের জন্য ভবিষ্যতে পৌঁছে দিতে সাহায্য করবে।” তিন দিনের সফরে দক্ষিণ আফ্রিকায় গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। যোগ দিয়েছেন জি২০ (G20 Summit) শীর্ষ সম্মেলনে। সেখানেই তিনি বলেন, “আফ্রিকার উন্নয়ন বৈশ্বিক অগ্রগতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং ভারত সব সময়ই আফ্রিকার পাশে থেকেছে। আফ্রিকা স্কিলস মাল্টিপ্লায়ার ইনিশিয়েটিভে একটি ট্রেইন–দ্য–ট্রেইনার মডেল গ্রহণ করা হবে, যার লক্ষ্য আগামী দশকে আফ্রিকায় এক মিলিয়ন প্রশিক্ষিত ও শংসাপত্রপ্রাপ্ত ট্রেইনার তৈরি (PM Modi) করা।”

    যৌথ লক্ষ্য

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের যৌথ লক্ষ্য হল আগামী দশ বছরে আফ্রিকায় দশ লক্ষ প্রশিক্ষণ-প্রাপ্ত প্রশিক্ষক তৈরি করা। এই প্রশিক্ষকরাই পরে লাখ লাখ যুবককে প্রশিক্ষণ দেবেন। এই উদ্যোগ একটি ব্যাপক প্রভাব ফেলবে। এটি স্থানীয় সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে এবং আফ্রিকার দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নকে আরও শক্তিশালী করবে।”  জি২০ গ্লোবাল হেলথকেয়ার রেসপন্স টিম গঠনেরও প্রস্তাব দেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর মতে, এটি স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থার সময় শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া দিতে সাহায্য করবে। তিনি বলেন, “স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থায় এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখে আমরা এক সঙ্গে কাজ করলে আরও শক্তিশালী হই। আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত জি২০ সদস্য দেশের প্রশিক্ষিত চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি দল গঠন করা, যারা যে কোনও বৈশ্বিক স্বাস্থ্য সঙ্কট বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় দ্রুত মোতায়েন হতে প্রস্তুত থাকবে।” মাদক পাচার রোধ এবং ফেন্টানিলের মতো বিপজ্জনক পদার্থের বিস্তার বন্ধ করতে ড্রাগ-টেরর নেক্সাস মোকাবিলায় একটি জি-২০ (G20 Summit) উদ্যোগ গঠনেরও পরামর্শ দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।

    মোদির পরামর্শ

    তিনি বলেন, “এই উদ্যোগের আওতায় আমরা অর্থনীতি, শাসনব্যবস্থা এবং নিরাপত্তা সম্পর্কিত বিভিন্ন সরঞ্জামকে একত্র করতে পারি। তবেই মাদক-সন্ত্রাস অর্থনীতিকে দুর্বল করা সম্ভব।” জি২০ ওপেন স্যাটেলাইট ডেটা পার্টনারশিপের প্রস্তাব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জি২০ মহাকাশ সংস্থাগুলির স্যাটেলাইট তথ্য উন্নয়নশীল দেশগুলির জন্য কৃষি, মৎস্য এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মতো কাজের ক্ষেত্রে উন্মুক্ত করা যেতে পারে।” তিনি ক্রিটিক্যাল মিনারেলস সার্কুলারিটি ইনিশিয়েটিভ গঠনের প্রস্তাবও দেন, যা পুনর্ব্যবহার, আরবান মাইনিং, সেকেন্ড-লাইফ ব্যাটারি প্রকল্প এবং অন্যান্য উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করবে (PM Modi)। এই উদ্যোগের লক্ষ্যই হল সরবরাহ শৃঙ্খলা নিরাপত্তা শক্তিশালী করা এবং পরিবেশবান্ধব উন্নয়নের পথ তৈরি করা (G20)।

LinkedIn
Share