Tag: news in bengali

news in bengali

  • Lok Sabha Polls: ফের ভাঙন ‘ইন্ডি’ জোটে, বিজেপিতে যোগ বিহারের তিন বিধায়কের

    Lok Sabha Polls: ফের ভাঙন ‘ইন্ডি’ জোটে, বিজেপিতে যোগ বিহারের তিন বিধায়কের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও ভাঙন ‘ইন্ডি’ জোটে। মঙ্গলবার কংগ্রেসের দুই ও আরজেডির এক বিধায়ক ঘোষণা করলেন বিজেপিতে যোগ দেওয়ার কথা (Lok Sabha Polls)। মহাগটবন্ধনের মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে বিজেপি শিবিরে ফিরেছেন নীতীশ কুমার। তার পর থেকে বিহারে ভাঙছে ‘ইন্ডি’ জোট। এদিন বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরীর উপস্থিতিতে তাঁরা যোগ দেন বিজেপিতে।

    কারা যোগ দিলেন বিজেপিতে?

    এদিন যাঁরা বিজেপিতে যোগ দিলেন, তাঁরা হলেন কংগ্রেসের মুরারী গৌতম ও সিদ্ধার্থ সৌরভ। আরজেডির বিধায়ক সঙ্গীতা দেবীও হাতে তুলে নিয়েছেন গেরুয়া ঝান্ডা। মহাগটবন্ধন সরকারে মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন নীতীশ। সেই সরকারের মন্ত্রী ছিলেন মুরারী। আর পাটনা জেলার বিক্রম বিধানসভা কেন্দ্রের দু বারের বিধায়ক সিদ্ধার্থ। মোহানিয়া কেন্দ্রের সঙ্গীতা আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদবের ঘনিষ্ঠ অনুগামী হিসেবে পরিচিত ছিলেন (Lok Sabha Polls)।

    ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা ব্যর্থ

    চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে বিজেপি শিবিরে ভিড়েছিলেন নীতীশ। তখনই জল্পনা ছড়িয়েছিল, কংগ্রেসের ১৯ জন বিধায়কের মধ্যে অন্তত ১০ জন হাত-সঙ্গ ছাড়তে চলেছেন। ভাঙন ঠেকাতে তড়িঘড়ি কংগ্রেস শাসিত তেলঙ্গনার একটি রিসর্টে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল বিধায়কদের। তার পরেও অবশ্য এড়ানো গেল না ভাঙন। লোকসভা নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসবে, ভাঙন তত বাড়বে বই কমবে না বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের। বিহার বিধানসভার আসন সংখ্যা ২৪৩ জন। এর মধ্যে বিজেপি, জেডি(ইউ) এবং পূর্বতন মুখ্যমন্ত্রী জিতন রাম মাঝির দল এইচএএমের জোটের দখলে রয়েছে ১২৮টি আসন।

    আরও পড়ুুন: “মমতা ভোটের রাজনীতি করছেন”, সন্দেশখালিকাণ্ডে তোপ ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রীর

    লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিকে পরাস্ত করতে জোট বেঁছেছিল বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দল। জোটের নাম হয়েছিল ইন্ডি। জন্মলগ্ন থেকেই অশান্তির চোরা স্রোত বইছে ইন্ডির অন্দরে। কখনও প্রধানমন্ত্রী মুখ কে হবেন তা নিয়ে, কখনও আবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে জোটের কোনও এক নেতার মঞ্চ শেয়ার করা নিয়ে অশান্তি লেগেই রয়েছে। এরই মাঝে পদ্মার ভাঙনের মতো নিত্য ভাঙছে জোট। রাজনৈতিক মহলের মতে, নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসবে, ততই বাড়তে থাকবে ভাঙন। তাই বিজেপিকে মাত দিতে গিয়ে জন্ম হয়েছিল যে জোটের, নির্বাচনের আগে সেই জোট আদৌ টেকে কিনা, তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন (Lok Sabha Polls)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali Case: “মমতা ভোটের রাজনীতি করছেন”, সন্দেশখালিকাণ্ডে তোপ ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রীর

    Sandeshkhali Case: “মমতা ভোটের রাজনীতি করছেন”, সন্দেশখালিকাণ্ডে তোপ ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভোটের রাজনীতি করছেন। রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে মানবতার সঙ্গে বিষয়গুলি দেখা উচিত।” সন্দেশখালিকাণ্ডে (Sandeshkhali Case) বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে এমনই ‘জ্ঞান’ দিলেন ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণুদেও সাই। এক্স হ্যান্ডেলে চিঠিটি শেয়ার করেছেন সাই। সন্দেশখালির বিক্ষোভের কয়েকটি ছবিও পোস্ট করেছেন তিনি।

    কী লিখেছেন মুখ্যমন্ত্রী?

    লিখেছেন, “এই অপরাধে জড়িত অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আমি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একটি চিঠি পাঠাচ্ছি। আশা করি, মমতাজি এই চিঠির বিষয়টি গুরুত্ব দেবেন এবং পশ্চিমবঙ্গের ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি ন্যায় বিচার করবেন।” চিঠিতে ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, “পশ্চিমবঙ্গে মহিলাদের প্রতি অবিচারের সাম্প্রতিক ঘটনাগুলি হৃদয় বিদারক এবং গভীরভাবে বিরক্তিকর। উপজাতি সম্প্রদায়ের ৫০ জনেরও বেশি মহিলার ওপর নৃশংসতা, হাজার হাজার আদিবাসীদের জমি দখল, পাশাপাশি আপনার রাজ্যের সন্দেশখালি এলাকায় এমজিএনআরইজিএ মজুরির জন্য নির্ধারিত তহবিলের অপব্যবহারের মতো মমলাগুলি আমাদের মানবতার বোধকে কলঙ্কিত করেছে। জাতীয় তফশিলি উপজাতি কমিশনের দেওয়া প্রতিবেদনগুলি ভয়াবহ ও ভয়ঙ্কর।”

    ‘সভ্য সমাজের পক্ষে অসহনীয়’

    তিনি লিখেছেন, “স্বামী বিবেকানন্দ, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু এবং ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মতো সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের আশীর্বাদপ্রাপ্ত বাংলা, যাঁর উত্তরাধিকার বিশ্বকে সমৃদ্ধ করেছে। এই ধরনের সচেতন রাজ্যে সমাজের প্রান্তিক অংশের ওপর যে অত্যাচার করা হচ্ছে, তা সভ্য সমাজের পক্ষে অসহনীয়। আপনার নেতৃত্বে এই ধরনের পরিস্থিতি অত্যন্ত নিন্দনীয়। তোষণ ও ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতির জন্য আদিবাসীদের জীবনকে শোষণ করা, তাঁদের মর্যাদার সঙ্গে আপোস করা ও তাঁদের জীবন ও সম্পত্তি বিপন্ন করা মেনে নেওয়া যায় না।”

    আরও পড়ুুন: প্রধানমন্ত্রীর বঙ্গ সফরের কর্মসূচি প্রকাশ কেন্দ্রের, রাত্রিবাস রাজভবনে, করবেন জোড়া সভা

    চিঠিতে লেখা হয়েছে, “পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ায় এটা আশা করা যায় যে আপনি পরিস্থিতি সামলাতে দৃঢ়ভাবে হস্তক্ষেপ করবেন ও অবিলম্বে শাহজাহান ও সিরাজউদ্দিনের মতো দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেবেন, কঠোর শাস্তি দেবেন। দোষীদের রাজনৈতিক রক্ষকরাও অপরাধী, আশা করব, তাঁদের বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া আপনি এখন রাজনৈতিক বিবেচনার ঊর্ধ্বে উঠে মানবতার স্বার্থ সম্পর্কিত এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • PM Modi:  তিন মাস বন্ধ থাকবে প্রধানমন্ত্রীর ‘মন কি বাত’, কেন জানেন?

    PM Modi:  তিন মাস বন্ধ থাকবে প্রধানমন্ত্রীর ‘মন কি বাত’, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাজতে চলেছে লোকসভা নির্বাচনের বাদ্যি। তাই আগামী তিন মাস আর শোনা যাবে না প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) রেডিও অনুষ্ঠান মন কি বাত। রবিবার সম্প্রচারিত হল মন কি বাত অনুষ্ঠানের ১১০তম পর্ব। এদিনই প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেন আপাতত তিন মাস আর সম্প্রচারিত হবে না মন কি বাতের অনুষ্ঠান।

    মন কি বাত

    তিনি বলেন, “সামনেই লোকসভা নির্বাচন। তাই নির্বাচনী আচরণ বিধি মেনে আগামী তিন মাস আর সম্প্রচারিত হবে না মন কি বাতের অনুষ্ঠান।” নয়া ভোটারদের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার অনুরোধও জানান প্রধানমন্ত্রী। প্রসঙ্গত, আগামী মাসেই ঘোষণা হতে চলেছে লোকসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট। তিনি বলেন, “মন কি বাতের ১১১তম অনুষ্ঠানটি ফের সম্প্রচারিত হবে লোকসভা নির্বাচন-পর্ব মিটে যাওয়ার পর।” সংখ্যাটির শুভত্বও মনে করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী।

    হ্যাসট্যাগ মন কি বাত

    তিনি (PM Modi) বলেন, “আগামী তিন মাসের জন্য বন্ধ থাকতে পারে মন কি বাতের অনুষ্ঠান। তবে এই সময় দেশের গতি রুদ্ধ হবে না।” সোশ্যাল মিডিয়ায় হ্যাসট্যাগ মন কি বাত সম্পর্কে জানা যাবে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। মন কি বাতের ইউটিউব এপিসোডগুলিও শোনার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

    আরও পড়ুুন: ফের ঝাঁটা হাতে রাস্তায় মহিলারা, তাড়া খেয়ে তৃণমূল নেতা আশ্রয় নিলেন অন্যের বাড়িতে

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ ভারতের নারীশক্তি প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে উন্নতির নয়া উচ্চতা স্পর্শ করছে। আজ গ্রামে গ্রামে ড্রোন দিদির আলোচনা হচ্ছে। নমো ড্রোন দিদি এখন সবার মুখে মুখে ফিরছে। এই নমো ড্রোন দিদি হয়ে উঠছে দেশের কৃষিকে আধুনিক করার বড় মাধ্যম। রাসায়নিক পদার্থের জেরে আমাদের মাতৃভূমি যে দুর্ভোগ, যে যন্ত্রণা ভোগ করছে, তাকে বাঁচাতে বড় ভূমিকা পালন করছে দেশের মাতৃশক্তি।” তিনি বলেন, “পর্যটন, সামাজিক নানা বিষয় থেকে শুরু করে জনসংযোগের কনটেন্ট প্রশংসার যোগ্য। আমি অত্যন্ত খুশি হয়েছি, কারণ সম্প্রতি নির্বাচন কমিশন একটি নয়া অভিযান শুরু করেছে। মেরা পহেলা ভোট – দেশকে লিয়ে শীর্ষক কর্মসূচিতে বিশেষভাবে ফার্স্ট টাইম ভোটারদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের জন্য অনুপ্রাণিত করা হচ্ছে (PM Modi)।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Aadhaar Card: ‘‘রাতের মধ্যেই ফের সক্রিয় হবে নিষ্ক্রিয় হওয়া আধার’’, রাজ্যবাসীকে আশ্বাস সুকান্তর

    Aadhaar Card: ‘‘রাতের মধ্যেই ফের সক্রিয় হবে নিষ্ক্রিয় হওয়া আধার’’, রাজ্যবাসীকে আশ্বাস সুকান্তর

     

     

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে একাধিক ব্যক্তির আধার (Aadhaar Card) নিষ্ক্রিয় হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া বিভ্রান্তি সমাধানে সক্রিয় গেরুয়া শিবির। সোমবার, রাজ্য বিজেপির তরফে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে যে যাদের আধার নিষ্ক্রিয় হয়েছে, তা মঙ্গলবারের মধ্যেই পুনরায় সক্রিয় হয়ে উঠবে। বঙ্গ বিজেপি নেতাদের দাবি, পরিকল্পনামাফিক ষড়যন্ত্র করে ভোটের ঠিক আগে এই ঘটনা ঘটিয়েছে। এর নেপথ্যে কারা রয়েছে, তদন্ত করে তার বের করা প্রয়োজন বলেও মনে করছে বঙ্গ বিজেপি।

    গত কয়েকদিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের বহু মানুষের কাছে আধার-নিষ্ক্রিয় (Aadhaar Card) হওয়ার চিঠি ও বার্তা আসতে শুরু করেছে। এই নিয়ে তীব্র আশঙ্কা দেখা দিয়েছে ভোটের মুখে। সমস্যা যে গুরুতর হতে চলেছে, তা আগাম আঁচ করে তড়িঘড়ি আসরে নামেন বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব। যোগাযোগ করা হয় কেন্দ্রের সঙ্গে। গোটা বিষয়টি বিস্তারিতভাবে পেশ করা হয়। এর পরই, কেন্দ্রের তরফে আশ্বাস পেয়ে রাজ্য বিজেপি সভাপতি এদিন রাজ্যবাসীকে অভয় দেন। 

    ‘‘২৪-ঘণ্টার মধ্যে সক্রিয় হবে কার্ড’’

    এদিন সাংবাদিক বৈঠক করে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, ‘‘আধার কার্ড (Aadhaar Card) নিয়ে বেশ কিছু জেলায় বেশ কিছু সমস্যা হয়েছে। তাকে হাতিয়ার করে মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর সাঙ্গপাঙ্গরা সন্দেশখালি থেকে নজর ঘোরানোর চেষ্টা করছে, ভয় পাওয়ানোর চেষ্টা করছে। আমি রাজ্য বিজেপি সভাপতি হিসাবে পশ্চিমবঙ্গবাসীকে আশ্বস্ত করতে চাই, আমি রেলমন্ত্রী, তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী ও আধারের দায়িত্বে থাকা কেন্দ্রীয় সচিবের সঙ্গে কথা বলেছি। কারও বিন্দুমাত্র ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। আজ রাতের মধ্যে সমস্ত তথাকথিত ডিঅ্যাক্টিভেটেড আধার কার্ড আবার চালু হয়ে যাবে। কোনও আধার কার্ড বাতিল হবে না।’’

    ‘‘অভিযোগ জানানোর প্রয়োজন নেই’’

    রাজ্যের বাসিন্দাদের কারও আধার (Aadhaar Card) নিষ্ক্রিয় হলে যাতে তারা অভিযোগ জানাতে পারে, তার জন্য একটি পোর্টাল তৈরির ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। এই মর্মে তিনি মুখ্যসচিবকে নির্দেশ দেন। সেই প্রেক্ষিতে এদিন সুকান্ত (Sukanta Majumdar) জানিয়ে দেন, কোনও প্রয়োজন নেই কোথাও অভিযোগ করার। সোমবার রাতের মধ্যেই সব আধার সক্রিয় হয়ে যাবে। তিনি বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী একটা পোর্টাল খুলেছেন বলে শুনতে পাচ্ছি। কোনও পোর্টালে কোনও অভিযোগ জানানোর দরকার নেই। যদি আজ রাতের পরে কারও আধার কার্ড ডিঅ্যাক্টিভেটেড থাকে, বিজেপি পার্টি অফিসে যোগাযোগ করুন। আমরা দায়িত্ব নিচ্ছি, আমরা দায়িত্ব নিয়ে আপনাদের আধার কার্ড অ্যাক্টিভেট করে দেব। আমরা আঞ্চলিক আধার অফিসের সঙ্গে আপনাদের যোগাযোগ করিয়ে দেব। আজ রাতের মধ্যে সবার সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।’’

    কেন্দ্রের অগোচরে এমন কাজ?

    এদিকে, আচমকা রাজ্যবাসীর আধার-কার্ড নিষ্ক্রিয় হওয়ার ঘটনার নেপথ্যে বৃহত্তর ষড়যন্ত্র হয়ে থাকতে পারে বলে ইঙ্গিত দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শুভেন্দুর দাবি, সমস্যা তৈরি হয়েছে আধার কার্ডের রাঁচি আঞ্চলিক দফতর থেকে। এদিন এক্স হ্যান্ডলে শুভেন্দু লেখেন, ‘‘এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গে কথা বলেছি। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিষ্ক্রিয় হওয়া আধার কার্ড সক্রিয় হয়ে যাবে।’’ শুভেন্দু আরও বলেন, ‘‘রাঁচির আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে যে এরকমটা করা হয়েছে, তা উচ্চপর্যায়ের আধিকারিক এবং মন্ত্রকের কেউ জানতেন না।’’

    ভোটের আগে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র?

    এই কাণ্ড ঘটিয়ে ভোটের আগে বিজেপিকে কালিমালিপ্ত করার ষড়যন্ত্র করা হয়েছে বলেও মনে করছেন রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। কারণ, যাঁদের আধার কার্ড (Aadhaar Card) নিষ্ক্রিয় হয়েছে, তাঁদের মধ্যে অনেকেই মতুয়া-সম্প্রদায়ভুক্ত। বিজেপির দাবি, ভোটের আগে সিএএ-এনআরসি জুজু দেখিয়ে মতুয়া ভোটব্যাঙ্ককে বিজেপি-বিরোধী করার একটা অপচেষ্টা করা হয়েছে। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, ‘‘সত্যটা কী, তা জানতে একটা তদন্ত করা হবে এবং এটাও খতিয়ে দেখা হবে যে ভোটের আগে কোনও ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে কিনা।’’ এই প্রসঙ্গে শীর্ষস্তরে এই বিষয়টি নিয়ে কথা বলার জন্য শুভেন্দু জাহাজমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের পদক্ষেপের প্রশংসা করেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Gyanvapi Case: সিল খোলা হোক জ্ঞানবাপীর ওজুখানার, উঠল এএসআই সমীক্ষার দাবিও

    Gyanvapi Case: সিল খোলা হোক জ্ঞানবাপীর ওজুখানার, উঠল এএসআই সমীক্ষার দাবিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্মাণ হয়েছে অযোধ্যার রাম মন্দির। প্রাণপ্রতিষ্ঠাও হয়েছে বিগ্রহের। এবার ফের জ্ঞানবাপী মসজিদের (Gyanvapi Case) ওজুখানার সিল খুলে দেওয়ার দাবি হিন্দু পক্ষের। সোমবার এই দাবিতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে তারা।

    ওজুখানায় ‘শিবলিঙ্গ’

    ওজুখানায় ‘শিবলিঙ্গে’র অস্তিত্ব মেলার পর ২০২২ সালে সেটি সিল করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল বারাণসীর নিম্ন আদালত। সেই সিলই ফের খুলে দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে হিন্দু পক্ষের তরফে। ওজুখানার সিল খুলে দেওয়ার পাশাপাশি এএসআইকে সেখানে সমীক্ষা চালানোর অনুমতি দেওয়ার দাবিও জানিয়েছে হিন্দু পক্ষ। হিন্দু পক্ষের দাবি, বারাণসীর জ্ঞানবাপী মসজিদের (Gyanvapi Case) কাঠামোর নীচে বড় হিন্দু মন্দিরের অস্তিত্ব ছিল। বারাণসী জেলা আদালতে জমা দেওয়া এএসআই রিপোর্টে এমনই দাবি করা হয়েছে বলে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের দাবি।

    এএসআইয়ের রিপোর্ট!

    এএসআইয়ের রিপোর্ট উদ্ধৃত করে হিন্দু পক্ষের আরও দাবি, আওরঙ্গজেব ১৬১৯ সালের ২ নভেম্বর মন্দির ভেঙে জ্ঞানবাপী মসজিদ নির্মাণের নির্দেশ দিয়েছিলেন। হিন্দু পক্ষের আইনজীবী বিষ্ণুশঙ্কর জৈন জানান, এএসআইয়ের রিপোর্টে হিন্দু মন্দিরের অস্তিত্ব সম্পর্কে এ ধরনের মোট ৩২টি প্রামাণ মিলেছে। তিনি বলেন, “এএসআইয়ের রিপোর্ট বলছে, মসজিদ তৈরির সময় কাঠামোয় কিছু বদল আনা হয়েছিল। সামান্য বদল এনে মন্দিরের স্তম্ভ এবং অন্যান্য অংশ ব্যবহার করা হয়েছে। নতুন কাঠামো তৈরি করতে হিন্দু মন্দিরের পিলারের চরিত্রে সামান্য বদল আনা হয়েছিল।” আইনজীবীর এহেন দাবির পরে পরেই ওজুখানার সিল খুলে দেওয়ার দাবি জানাল হিন্দু পক্ষ। জানানো হল এএসআইয়ের সমীক্ষার দাবিও।

    আরও পড়ুুন: “দয়া করে পাকিস্তানে চলে যান”, বললেন ফতোয়া পাওয়া সেই ইমাম

    প্রসঙ্গত, কিছু দিন আগেই ওজুখানার ‘শিবলিঙ্গ’ পুজোর অধিকার চেয়েছিল হিন্দু পক্ষ। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের আন্তর্জাতিক কার্যনির্বাহী সভাপতি অলোক কুমার বলেন, “এএসআই কর্তৃক সংগ্রহীত প্রমাণ ও অনুসন্ধানগুলি প্রমাণ করে যে, এই উপাসনালয়ের ধর্মীয় চরিত্রটি ১৯৪৭ সালের ১৫ অগাস্ট বিদ্যমান ছিল। বর্তমানে এটি একটি হিন্দু মন্দিরের আকারে রয়েছে। তাই উপাসনা স্থান আইন অনুসারে কাঠামোটিকে হিন্দু মন্দির ঘোষণা করা (Gyanvapi Case) উচিত।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • DY Chandrachud: “বিচারকদের উচিত সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত হওয়া”, বললেন চন্দ্রচূড়

    DY Chandrachud: “বিচারকদের উচিত সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত হওয়া”, বললেন চন্দ্রচূড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার ছিল সুপ্রিম কোর্টের ৭৫তম জন্মদিন। ১৯৫০ সালের ২৮ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠা হয় দেশের শীর্ষ আদালতের। এই উপলক্ষেই আয়োজন করা হয়েছিল মনোজ্ঞ অনুষ্ঠানের। উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় (DY Chandrachud) প্রমুখ।

    কী বললেন প্রধান বিচারপতি?

    প্রধান বিচারপতি বলেন, “বিচারকদের উচিত সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রভাব মুক্ত হওয়া।” সুপ্রিম কোর্টের ডায়মন্ড জুবিলির অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি বলেন, “স্বাধীন বিচারব্যবস্থা মানে কেবল এই নয় যে এক্সিকিউটিভ এবং লেজিসলেটিভ বেঞ্চের প্রভাবমুক্ত হওয়া, এর অর্থ বিচারকদের স্বাধীনভাবে কাজ করাও।” এর পরেই শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি বলেন, “বিচারশৈলীকে অবশ্যই সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত হতে হবে। মানুষের যেমন কোনও একটা দিকে ঝোঁক থাকে, বিচারকদের তেমন না থাকাই বাঞ্ছনীয়। বিচারকদের অবচেতন মনে যা রয়েছে, সেই দৃষ্টিভঙ্গীর পরিচয়ও প্রকাশ্যে না আসাই উচিত। রায় দানের সময় বিচারকদের লিঙ্গ, জাতি, ধর্মের কথা মাথায় না রাখাই ভালো।”

    সেরিমোনিয়াল বেঞ্চ

    সেরিমোনিয়াল বেঞ্চে ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের ৩৪ জন বিচারপতি। নেতৃত্বে ছিলেন প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড় (DY Chandrachud)। দেশের সব হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিরাও ছিলেন এই বেঞ্চে। অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রীও। পেন্ডিং মামলা নিয়েও এদিন মন্তব্য করেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, “যেহেতু মামলার পাহাড় জমে যাচ্ছে, তাই বিচারব্যবস্থা সম্পর্কে জনগণের আস্থা চলে যেতে পারে। তাই আমাদের নিজেদেরই নিজেদের প্রশ্ন করা প্রয়োজন যে, আমাদের কী করা প্রয়োজন।”

    আরও পড়ুুন: মলদ্বীপে মৌষল-পর্ব, সংসদের অন্দরে ‘মল্লযুদ্ধ’, ভাইরাল ভিডিও

    তিনি জানান, সুপ্রিম কোর্টে এখনই জমে রয়েছে ৬৫ হাজার ৯১৫টি নথিভুক্ত মামলা। তিনি জানান, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে পেন্ডিং মামলার সংখ্যা কমাতে উদ্যোগী হয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। রীতিমতো পরিসংখ্যান দিয়ে চন্দ্রচূড় জানান, ২০২৩ সালে ৪৯ হাজার ৮১৮টি মামলা নথিভুক্ত হয়েছিল। তার মধ্যে শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করা হয়েছিল ৪১ হাজার ৫৯৪টি মামলা। বৈদ্যুতিন মাধ্যমে দায়ের করা মামলার সংখ্যাও কমেছে। প্রধান বিচারপতি (DY Chandrachud) বলেন, “আমরা প্রযুক্তি সমৃদ্ধ একটি ওয়াররুম খুলতে চলেছি। গোটা দেশের রিয়েল টাইম জুডিশিয়াল ডাটার ওপর নজর রাখতেই এটা করা হচ্ছে। সুস্বাগতম ব্যবহার করে ১.২৩ লাখ পাস তৈরি করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট সমস্ত ফাইলকে নিরাপদ পরিকাঠামোয় তুলে রাখা হবে প্রযুক্তি ব্যবহার করে।” এদিনের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন দেশের তো বটেই, বিদেশেরও অনেক বিচারক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালির সেই তৃণমূল নেতার বাড়িতে ইডির হানা, শাহজাহান কোথায়?

    Sandeshkhali: সন্দেশখালির সেই তৃণমূল নেতার বাড়িতে ইডির হানা, শাহজাহান কোথায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাকভোরে তৃণমূল নেতার বাড়িতে হানা ইডির। বুধবার কেন্দ্রীয় বাহিনীর শতাধিক জওয়ানকে নিয়ে সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) যান ইডির তদন্তকারী আধিকারিকরা। সেখানকার তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের বাড়ির তালা ভেঙে ঢুকে পড়েন তদন্তকারীরা। এর আগের দিন ইডির তদন্তে বাধা দিয়েছিল যারা, তৃণমূলের সেই বীরপুঙ্গবরা এদিন যেন উধাও হয়ে গিয়েছে কর্পূরের মতো। ইডি কর্তারা নির্বিঘ্নেই তল্লাশি চালাচ্ছেন শাহজাহানের বাড়িতে। সন্দেশখালিকাণ্ডের পর থেকে অবশ্য গা ঢাকা দিয়েছেন তৃণমূলের এই নেতা। দলীয় নেতৃত্বই তাঁকে পালক চাপা দিয়ে রেখেছেন, নাকি পগার পেরিয়ে বাংলাদেশে গিয়ে জনতার ভিড়ে মিশে গিয়েছেন, তা জানা যায়নি।

    ইডির ওপর হামলা

    রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিকাণ্ডের তদন্তে গত ৫ জানুয়ারি সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) শাহজাহানের বাড়িতে যান ইডির তদন্তকারীরা। শাহজাহানের মোবাইলের টাওয়ার জানান দিচ্ছিল তৃণমূলের এই নেতা ছিলেন বাড়িতেই। যদিও দরজার তালা না খোলায় ঘরে ঢুকতে পারেননি ইডির আধিকারিকরা। এই সময় তৃণমূল আশ্রিত কিছু দুষ্কৃতী (এরা শাহজাহানের অনুগামী বলে এলাকায় পরিচিত) হামলা চালায় ইডির ওপর। দুষ্কৃতীদের ছোড়া ইটের ঘায়ে ইডির দুই কর্তার পাশাপাশি জখম হন কেন্দ্রীয় বাহিনীর দুই জওয়ানও। আধিকারিকদের কাছ থেকে কেড়ে নেওয়া হয় ল্যাপটপ, মোবাইল, নগদ টাকা।

    আটঘাট বেঁধে তদন্তে ইডি

    সেই ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে এদিন ২৫টি গাড়িতে করে ১২৫ জনেরও বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান নিয়ে ইডির আধিকারিকরা পৌঁছান শাহজাহানের বাড়িতে। হেলমেট, হাতে গার্ড নিয়ে পজিশন নিয়ে নেন জওয়ানরা। এদিনও যথারীতি শাহজাহানের বাড়ির তালা খুলতে অস্বীকার করেন বাড়িতে থাকা একজন। পরে তালা ভেঙেই তৃণমূল নেতার বাড়িতে ঢোকেন তদন্তকারীরা।

    আরও পড়ুুন: “নেতাজির চিন্তার সঙ্গে আমাদের ভাবনার কোনও পার্থক্য নেই”, সাফ জানালেন ভাগবত

    এবার আটঘাট বেঁধেই শাহজাহানের বাড়িতে হানা দিয়েছে ইডি। ইডির তরফে নিয়ে আসা হয়েছে তিনজন সাক্ষী। সাক্ষী হিসেবে রাখা হয়েছে স্থানীয় দুজনকেও। এই পাঁচ সাক্ষীর উপস্থিতিতেই চলছে তল্লাশি। তল্লাশির পুরো পর্বটি ভিডিওগ্রাফি করে (Sandeshkhali) রাখছেন ইডির নিয়ে আসা ভিডিওগ্রাফাররা।  

    প্রসঙ্গত, রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা উত্তর ২৪ পরগনার তৃণমূল নেতা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। গ্রেফতার করা হয়েছে বনগাঁ পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান শঙ্কর আঢ্যকেও। তৃণমূল নেতা শাহজাহান এই দুজনেরই অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। তাই তাঁর বাড়িতে তল্লাশি করতে যায় ইডি। তখনই হামলা হয় ইডির ওপর। ইডি পিছু হঠলে, প্রায় বুদবুদের মতো মিলিয়ে যান তৃণমূলের শাহজাহান। এখনও পর্যন্ত টিকি পর্যন্ত দেখা যায়নি তাঁর।   

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ayodhya Ram Mandir: ভোর ৩টে থেকে ভক্তদের লম্বা লাইন! জনসাধারণের জন্য খুলে গেল রাম মন্দির

    Ayodhya Ram Mandir: ভোর ৩টে থেকে ভক্তদের লম্বা লাইন! জনসাধারণের জন্য খুলে গেল রাম মন্দির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাণ প্রতিষ্ঠার পরদিন থেকেই জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হল অযোধ্যার রাম মন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir) দরজা। আজ, মঙ্গলবার থেকেই রামলালাকে দর্শন (Ramlala Darshan) করতে পারবেন ভক্তরা। এই প্রেক্ষিতে, মন্দিরে পুজো দেওয়ার সময় ও দর্শনের নিয়ম নিয়ে বেশ কিছু নির্দেশিকা জারি করেছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। 

    সোমবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে সম্পন্ন হয় রামলালার প্রাণ-প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠান। দুপুর ১২টা ২৯ মিনিটে ‘অভিজিৎ মুহূর্তে’ রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয়। একাধিক ধর্মীয় নিয়মবিধি মেনে গর্ভগৃহে রামলালার পুজো করেন ‘প্রধান যজমান’ নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (আরএসএস) প্রধান মোহন ভাগবত এবং উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।

    আজ থেকে সাধারণ দর্শনের জন্য খুলল মন্দির

    সোমবার অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর অভ্যাগত অতিথি ও বিশিষ্টজনেরা রামলালার দর্শন করে একে একে চলে যান। তার পর থেকেই অযোধ্যায় (Ayodhya Ram Mandir) কার্যত মানুষের ঢল নামে। সকলের গন্তব্য রামলালা দর্শন (Ramlala Darshan)। যদিও, গতকাল অতিথিদের ছাড়া, কাউকে প্রবেশাধিকার দেওয়া হয়নি। মন্দির কর্তৃপক্ষের ঘোষণা অনুযায়ী, আজ ভোর ৭টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত খোলা থাকবে মন্দিরের দরজা। রামলালাকে ভোগ নিবেদনের পরে আবার বেলা ২টো থেকে খুলবে মন্দির। সন্ধে ৭টা অবধি দর্শন করা যাবে। দুপুর ১টা নাগাদ ভোগ দেওয়ার পরে বিশ্রাম নেবেন রামলালা। আবার ২টো থেকে দর্শন করতে পারবেন ভক্তরা। সন্ধে ৭টা নাগাদ আরতি হবে মন্দিরে।

    ভোর ৩টে থেকেই ভক্তদের লাইন

    তবে, রামলালা দর্শন (Ramlala Darshan) নিয়ে জনমানসে এতটাই উন্মাদনা রয়েছে যে, ভোররাত ৩টে থেকেই লম্বা লাইন পড়ে যায়। ভিড় সামাল দিতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে নিরাপত্তা আধিকারিকদের। মন্দির (Ayodhya Ram Mandir) কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভিড়ের কথা মাথায় রেখেই অনেক আগে থেকে রামলালা দর্শনের এই সময় ঘোষিত হয়েছে। পরবর্তীকালে, পরিস্থিতি অনুযায়ী সময় বদল হতে পারে। দর্শনের সময়ের পাশাপাশি, পুজোর নিয়ম নিয়েও বিধি জারি করেছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। রীতি অনুযায়ী, সকালে ঘুম থেকে তোলার পর রামলালাকে লাল চন্দন আর মধুতে স্নান করানো হবে। দুপুরে বিশ্রাম, সন্ধ্যার ভোগ ও আরতির পর শয়ন দেওয়ার আগে ১৬ মন্ত্র প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে। দিনে পাঁচবার আরতি হবে। প্রতিদিন নিয়ম মেনে হবে মন্ত্রপাঠ, শাস্ত্র আলোচনা। রাম ভজন হবে রোজই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ED Raid: ছেলে সমুদ্রকে সঙ্গে নিয়ে সুজিতের দফতরে হানা ইডির, কী বললেন মন্ত্রী-পুত্র?

    ED Raid: ছেলে সমুদ্রকে সঙ্গে নিয়ে সুজিতের দফতরে হানা ইডির, কী বললেন মন্ত্রী-পুত্র?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মন্ত্রীর বাড়িতে তল্লাশি চালাতে চালাতেই এবার উল্টোদিকে সুজিত বসুর (Sujit Bose) দফতরেও হানা দিল ইডি (ED Raid)। মন্ত্রী-মুত্রকে নিয়ে উল্টোদিকের ফ্ল্যাটে থাকা দফতরে পৌঁছে গেল ইডি। সেখানও চলে তল্লাশি।

    ১১ ঘণ্টা পার, এখনও চলছে তল্লাশি

    ১১ ঘণ্টা পার হতে চলল। এখনও রাজ্যের দমকল মন্ত্রী সুজিত বসুর (Sujit Bose) বাড়িতে চলছে ইডি-র ম্যারাথন তল্লাশি (ED Raid)। সঙ্গে চলছে জিজ্ঞাসাবাদও। সেই সকাল থেকেই মন্ত্রীমশাইয়ের বাড়ির মধ্যেই রয়েছেন ইডি আধিকারিকরা। তবে, তার মধ্যেই, একবার দেখা মিলেছিল বিকেলে। এদিন বিকেল সওয়া ৪টে নাগাদ সুজিত বসুর ছেলে সমুদ্রকে নিয়ে মন্ত্রীর পুরনো বাড়ি থেকে বের হয় ইডির কয়েকজন আধিকারিক। গন্তব্য ২০০ মিটার দূরে শ্রীভূমি ক্লাবের উল্টোদিকে একটি বহুতল। জানা যায়, ওই বহুতলের একটি ফ্ল্যাটে সুজিত বসুর দফতর রয়েছে। সেখানে তিনি মাঝেমধ্যে বসেন। 

    আরও পড়ুন: ‘‘ব্যাগ গোছাতে শুরু করুন’’, ইডি হানায় খোঁচা শুভেন্দুর, ‘‘খেলা শুরু হয়েছে’’, কটাক্ষ দিলীপের

    কী বললেন মন্ত্রী-পুত্র?

    এদিকে, সমুদ্র বাড়ি থেকে বের হতেই তাঁকে ছেঁকে ধরেন সাংবাদিকরা। প্রথমে কিছু বলতে না চাইলেও, পরে তিনি প্রশ্নের উত্তরে সংক্ষিপ্তভাবে বলেন, “এ ব্যাপারে কিছু এখন বলা যাবে না। ওনারা তদন্ত করছেন। তদন্ত চলতে দিন। তারপর যা সামনে আসার আসবে। আমাদের তরফে পূর্ণ সহযোগিতা করা হচ্ছে।” সমুদ্র বাড়ি থেকে বেরোতেই সুজিতের অনুগামীরাও আশপাশে ভিড় করেন। তাঁদের সবাইকে শান্ত থাকতে বলেন সুজিত বসুর ছেলে। তার পর ইডি অফিসারদের সঙ্গে বাবার (Sujit Bose) অফিসে ঢুকে যান।

    দিকে দিকে তল্লাশি ইডির

    পুর নিয়োগ কেলেঙ্কারি তদন্তে এদিন একসঙ্গে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে ইডি (ED Raid)। এদিন সকাল ৭টা নাগাদ, লেকটাউনের শ্রীভূমি ক্লাবের পাশে থাকা সুজিত বসুর (Sujit Bose) জোড়া ফ্ল্যাটে হানা দেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দল। দুটি ফ্ল্যাটে হানা দেয় দুটি পৃথক দল। সুজিত বসু ছিলেন নতুন বাড়িতে। মন্ত্রীর বাড়ি বাইরে থেকে ঘিরে ফেলে বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী। সন্দেশখালিকাণ্ডের পর থেকে সতর্ক বাহিনীও। জটলা দেখলেই সরিয়ে দিচ্ছেন জওয়ানরা। 

    সুজিত বসুর (Sujit Bose) বাড়ি ছাড়াও আরও ২ জায়াগায় এদিন একসঙ্গে তল্লাশি অভিযান শুরু করে ইডি (ED Raid)। বরানগরের বিধায়ক তথা তৃণমূল নেতা তাপস রায়ের বউবাজারের বাড়িতে হানা দেয় ইডি। উত্তর দমদম পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান তথা ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর সুবোধ চক্রবর্তীর বাড়িতে হানা দিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এই ২ জায়গাতেও তল্লাশি চলছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Elections 2024: ঐতিহাসিক জয়ে হাসিনাকে শুভেচ্ছা মোদির, আর কী বললেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী?

    Bangladesh Elections 2024: ঐতিহাসিক জয়ে হাসিনাকে শুভেচ্ছা মোদির, আর কী বললেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবারই বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা সাক্ষাৎ করেছিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হয়ে জানিয়েছিলেন শুভেচ্ছা। আর সোমবার হাসিনাকে (Bangladesh Elections 2024) ফোন করে শুভেচ্ছা জানালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং।

    হাসিনাকে শুভেচ্ছা মোদির

    এ নিয়ে টানা চতুর্থবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে বসতে চলেছেন নিহত বঙ্গবন্ধু মুজিবুর রহমানের কন্যা হাসিনা। সে দেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাঁর দল জয়ী হয়েছে ২২৫টি আসনে। হাসিনা নিজেও জিতেছেন বিপুল ভোটে। তাঁর এবং তাঁর দল আওয়ামি লীগের ঐতিহাসিক জয়ের জন্য এদিন তাঁকে ফোন করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। জয়ের জন্য হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে মোদি বলেন (Bangladesh Elections 2024), “ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রীকে স্থায়ী করতে ও দু’ দেশের জন-অংশীদারিত্ব শক্তিশালী করতে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ।” এক্স হ্যান্ডেলে লেখা হয়েছে, “শেখ হাসিনার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী কথা বলেছেন ও সংসদ নির্বাচনে ঐতিহাসিক চতুর্থবারের মতো বিজয়ের জন্য তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।”

    ঐতিহাসিক জয় হাসিনার 

    বাংলাদেশে দ্বাদশতম জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয় রবিবার। ভোট গ্রহণ-পর্ব শেষে ওই দিনই শুরু হয় ফল গণনা। গণনা শুরু হওয়ার পর থেকেই দেখা যায় একের পর এক আসনে তরতর করে এগিয়ে যাচ্ছে হাসিনার দল আওয়ামি লীগ। গণনা পুরোপুরি শেষ হতেই জানা যায় হাসিনার দল জয়ী হয়েছে ২২৫টি আসনে। জাতীয় সংসদের আসন সংখ্যা ৩০০। নির্বাচন হয়েছিল ২৯৮টিতে। একটি আসনে প্রার্থীর মৃত্যু ও অন্য একটিতে মনোনয়নপত্র বাতিল হয়ে যাওয়ায় নির্বাচন হয়নি। যে ২৯৮টি আসনে নির্বাচন হয়েছে, তার মধ্যে আওয়ামি লীগ পেয়েছে ২২৫টি। জাতীয় পার্টি (এরশাদ) প্রার্থী দিয়েছিল ২৬টি আসনে। তারা পেয়েছে ১১টি আসন।

    আরও পড়ুুন: পাকিস্তান নয়, রত্নগর্ভা লাক্ষাদ্বীপ এল ভারতেই, লৌহমানবের কীর্তিতে অবাক বিশ্ব

    নির্দল ও অন্যরা জয়ী হয়েছেন ৬২টি কেন্দ্রে। বাংলাদেশে এবারই প্রথম প্রার্থী দিয়েছিল সে দেশের তৃণমূল। সবকটি আসনেই গোহারা হেরেছে তারা। ভোট বয়কট করেছিল খালেদা জিয়ার বিএনপি। হাসিনার জয়ের ফলে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের আরও উন্নতি হবে বলেই আশা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের। হাসিনার সঙ্গে বৈঠকের পর ভার্মাও জানিয়েছিলেন, হাসিনার জয়ের জেরে আরও মজবুত হবে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক (Bangladesh Elections 2024)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

      

LinkedIn
Share