Tag: news in bengali

news in bengali

  • India China Border: হাসিমারা থেকে ২৯০ কিমি দূরে ‘স্টেলথ’ যুদ্ধবিমান মোতায়েন চিনের! কী প্রস্তুতি ভারতের?

    India China Border: হাসিমারা থেকে ২৯০ কিমি দূরে ‘স্টেলথ’ যুদ্ধবিমান মোতায়েন চিনের! কী প্রস্তুতি ভারতের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের হাসিমারা (Hasimara Airbase) থেকে প্রায় ২৯০ কিলোমিটার এবং সিকিম থেকে মাত্র ১৫০ কিলোমিটার দূরে তিব্বতের শিগাৎসে বিমানবন্দরে নিজেদের অত্যাধুনিক জে-২০ যুদ্ধবিমান (J-20 Stealth Fighter Jet) মোতায়েন করেছে চিন (India China Border)। 

    উপগ্রহ চিত্রে ধরা পড়ল কোন ছবি

    ‘অল সোর্স অ্যানালিসিস’ (All Source Analysis) নামক একটি সংস্থা সম্প্রতি নিজেদের এক্স (সাবেক ট্যুইটার) হ্যান্ডলে একটি উপগ্রহ চিত্র প্রকাশ করেছে। ২৭ মে তোলা ওই ছবিতে দেখা যাচ্ছে, একটি বিমানবন্দরে সারি সারি দাঁড়িয়ে রয়েছে অনেক যুদ্ধবিমান। প্রকাশিত ছবিতে চিহ্নিত করে দেখিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, বাঁদিকে একটু বড় আকারের ৬টি যুদ্ধবিমান সারি দিয়ে রয়েছে। তার পাশেই তুলনামূলকভাবে ছোট আকারে আরও ৮টি যুদ্ধবিমান রয়েছে। ছবির ডানদিকে, একটি বড় আকারের সামরিক নজরদারি বিমানও দেখা গিয়েছে।

    কে এই ‘অল সোর্স অ্যানালিসিস’?

    ‘অল সোর্স অ্যানালিসিস’ জানিয়েছে, ছবিটি ভারতের সীমান্ত ঘেঁষা (India China Border) চিন-পরিচালিত তিব্বতের শিগাৎসে বিমানবন্দরের। সংস্থার দাবি, প্রকাশিত ছবির বাঁদিকে রাখা ৬টি হল চিনা বায়ুসেনার (পিএলএএএফ) অত্যাধুনিক জে-২০ যুদ্ধবিমান (J-20 Stealth Fighter Jet)। পাশে রয়েছে ৮টি জে-১০ যুদ্ধবিমান। একেবারে ডানদিকে রয়েছে চিনা বায়ুসেনার কেজে-৫০০ অ্যাওয়াক্স নজরদারি বিমান। এখানে বলে রাখা প্রয়োজন, ‘অল সোর্স অ্যানালিসিস’ হল একটি ভূ-মহাকাশীয় নজরদারি (Geo-spatial intelligence) সংস্থা। পৃথিবীর কক্ষপথে মোতায়েন কৃত্রিম উপগ্রহের তোলা ছবি ব্যবহার করে ভূ-মহাকাশীয় পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করাই এই সংস্থার কাজ। দীর্ঘদিন ধরে তারা এই কাজ করে চলেছে। ফলে ধরে নেওয়া যেতেই পারে, এই সংস্থার প্রকাশিত ছবি ও তথ্য সত্যি ও নির্ভরযোগ্য।

    জে-২০ যুদ্ধবিমান মোতায়েন তাৎপর্যপূর্ণ

    শিগাৎসে হল তিব্বতের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর। ১২,৪০৮ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত এই বিমানবন্দরটি বিশ্বের উচ্চতম বিমানবন্দরগুলির মধ্যে একটি। একাধারে অসামরিক ও সামরিক ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় এই বিমানবন্দর (Shigatse Airbase)। সাধারণত, এই বিমানবন্দরে সারা বছর জে-১০ এবং কেজে-৫০০ মোতায়েন থাকে। এতে নতুনত্বের কিছু নেই। কিন্তু, এখন ৬টি ‘স্টেলথ’ (চিনের দাবি তেমনটাই) জে-২০ যুদ্ধবিমান (J-20 Stealth Fighter Jet) মোতায়েন হওয়ার বিষয়টি তাৎপর্যপূর্ণ বটে। কারণ, সাধারণত চিন তাদের সবচেয়ে আধুনিক এই বিমানগুলিকে পূর্ব সীমান্তে, তথা পূর্ব চিন সাগরের দিকে মোতায়েন করে রাখে। সেখান থেকে ভারতের সীমান্ত (India China Border) ঘেঁষে তিব্বতে এই বিমানগুলিকে কেন চিন এখন মোতায়েন করেছে, সেই নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মনে প্রশ্ন উঠছে। 

    রাফাল রয়েছে, তাই চিন্তিত নয় ভারত

    এই নিয়ে সরাসরি কোনও মন্তব্যে নারাজ ভারতীয় বায়ুসেনা। তবে, সূত্রের খবর, ভারত এই নিয়ে বেশি চিন্তিত নয়। কারণ, হাসিমারায় ডগ-ফাইটে পারদর্শী অত্যাধুনিক ১৮টি ফরাসি রাফাল যুদ্ধবিমানের একটি গোটা স্কোয়াড্রন মোতায়েন করে রেখেছে ভারত। ফলে, চিন কোনও কিছু হঠকারিতা করলে, তার সমুচিত জবাব দিতে তৈরি ভারত ও ভারতীয় বায়ুসেনা। ফ্রান্স থেকে ৩৬টি রাফাল যুদ্ধবিমান কিনেছে ভারত। এর মধ্যে একটি স্কোয়াড্রন বিশিষ্ট ১৮টি যুদ্ধবিমান রয়েছে পাক-সীমান্ত লাগোয়া আম্বালা বায়ু-ঘাঁটিতে। বাকি ১৮টিকে নিয়ে গঠিত দ্বিতীয় স্কোয়াড্রন রয়েছে হাসিমারা বেসে। তবে, বর্তমানে দুই বেস থেকে চারটি করে বিমান রয়েছে আলাস্কায়। সেখানে মার্কিন বায়ুসেনার সঙ্গে যৌথ মহড়া চলছে।

    তিব্বতে বিপুল পরিকাঠামো তৈরি করছে চিন

    এমন এই প্রথম নয় যে চিন তিব্বতে জে-২০ যুদ্ধবিমান (J-20 Stealth Fighter Jet) মোতায়েন করল। এর আগেও করেছিল, তবে সংখ্যায় কম। অল সোর্স অ্যানালিসিস-এর আরও দাবি, গত ৫ বছর ধরে ভারত-সীমান্ত (India China Border) লাগোয়া তিব্বতে প্রতিনিয়ত বায়ুসেনার ক্ষমতা বৃদ্ধি করে চলেছে চিন। নতুন নতুন বায়ু ঘাঁটি নির্মাণ থেকে শুরু করে বর্তমান ঘাঁটিগুলির পরিকাঠামো বৃদ্ধি করছে বেজিং। পাশাপাশি, এই সব ঘাঁটিগুলিতে জে-২০ ফাইটার এবং এইচ-৬ বোমারু বিমান এখন মোতায়েন করা শুরু করেছে। 

    জে ২০-র জবাবে এস-৪০০ রয়েছে ভারতের

    তবে, পিছিয়ে নেই ভারতও। ড্রাগনের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চিন-সীমান্তে নিজেদের সামরিক পরিকাঠামো কয়েকগুণ বাড়িয়ে নিয়েছে ভারত। বিমান ঘাঁটিগুলিকে আরও মজবুত ও সুরক্ষিত করা হয়েছে। বিমান সুরক্ষিত রাখার জন্য শক্তিশালী শেল্টার নির্মাণ, ঘাঁটির নিরাপত্তায় চারদিকে ভূমি থেকে আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র (Surface-To-Air Missile) মোতায়েন করা হয়েছে। চিন লাগোয়া পূর্ব সীমান্তের বিভিন্ন জায়গায় রুশ নির্মিত এই মুহূর্তে বিশ্বের সেরা দূরপাল্লার সারফেস-টু-এয়ার এস-৪০০ মিসাইল মোতায়েন রয়েছে। এই মিসাইল যে কোনও স্টেলথ বিমানকে ট্র্যাক করে ধ্বংস করতে পারদর্শী। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় (India China Border) চিন জে-২০ (J-20 Stealth Fighter Jet) নিয়ে আগ্রাসী হলেই ভারত সঙ্গে সঙ্গে এস-৪০০ (S-400) নিক্ষেপ করে জবাব দিতে প্রস্তুত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CAA: নিউ বারাকপুরের হিন্দু শরণার্থী সিএএ-তে নাগরিকত্ব পেয়ে ধন্যবাদ জানালেন প্রধানমন্ত্রীকে

    CAA: নিউ বারাকপুরের হিন্দু শরণার্থী সিএএ-তে নাগরিকত্ব পেয়ে ধন্যবাদ জানালেন প্রধানমন্ত্রীকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে ২০১৯ সালে দ্বিতীয়বার বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর উদ্বাস্তু বাংলাদেশী হিন্দুদের জন্য নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA) পাশ হয়। এরপর ২০২৪ সালে এই আইনের বাস্তবায়ন শুরু হয়। লোকসভা ভোটের মধ্যেই পাকিস্তান এবং আফগানিস্তান থেকে আসা শরণার্থীদের ভারত সরকার সিএএতে নাগরিকত্ব প্রদান করা শুরু করেছে। একই ভাবে পশ্চিমবঙ্গে বাংলাদেশ থেকে আসা হিন্দু শরণার্থী উদ্বাস্তুদের মধ্যে বেশ কিছু মানুষকে নাগরিকত্ব দেওয়া হয়। এবার নাগরিকত্ব পেলেন নিউ বারাকপুরের বাসিন্দা।

    কেন বাংলাদেশ থেকে আসতে হয়েছিল (CAA)?

    নাগরিকত্ব পেয়ে হিন্দু যুবক বলেন, “আমি দেবপ্রসাদ গাইন, নিউ বারাকপুর লেনিনগড়ে থাকি। ২০০৫ সালে আমি বাংলাদেশ থেকে ভারতে পালিয়ে চলে এসেছিলাম। ২০০৪ সালে তৎকালীন বাংলাদেশে বিএনপির নেতৃত্বে একটি সরকার ক্ষমতায় আসে। এই সরকার এসে দেশে ব্যাপক হিংসা শুরু করে। নির্বিচারে শুরু হয় হিন্দু নিধন। মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে হিন্দুদেরকে ফাঁসিয়ে অত্যাচার করা হত। নিজের জন্ম ভিটায় ছিল না নিজের ধর্মপালনের অধিকার। হিন্দুদের ওপর অত্যাচারের বিরুদ্ধে আমরা প্রতিবাদ করলে আমাদের চরমপন্থী হিসাবে চিহ্নিত করে মেরে ফেলার ষড়যন্ত্র করা হত। তাই আমি দেশ ছেড়ে পালিয়ে ভারতে আসতে বাধ্য হয়েছি। কিন্তু পালিয়ে আসার পরও আমাদের সুখ ছিল না। সবসময় মনে হতো এই বুঝি ভারতের পুলিশ আমাদের ধরে নিয়ে চলে যাবে। এই বুঝি আবার বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে। এই রকম দিনের পর দিন ২০ বছর ধরে আমরা আতঙ্কের মধ্যে ছিলাম। কিন্তু দেশের প্রধানমন্ত্রী-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমাদের জন্য নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের (CAA) মাধ্যমে আমাদের সম্মানের সঙ্গে বেঁচে থাকার অধিকার দিয়েছেন। আমি ধন্যবাদ জানাই।”

    আরও পড়ুনঃ “নাগরিকত্বের কাগজ হাতে পেয়ে খুব ভালো লাগছে, মাথা উঁচু করে বাঁচব”, বললেন নদিয়ার বিকাশ

    নাগরিকত্ব পাওয়ার পর কী বললেন?

    নাগরিকত্ব পেয়ে এই হিন্দু যুবক আরও বলেন, “ভারত সরকার আমাদের জন্য একটা সুন্দর ব্যবস্থা চালু করেছে। এই ব্যবস্থা হল সিএএ (CAA)। এর মাধ্যমে হিন্দু, বৌদ্ধ, শিখ, জৈন, খ্রিস্টান, পার্সিদের জন্য নাগরিকত্বের বিশেষ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। এই পাঁচটি ধর্মের মানুষ, যাঁরা কেবলমাত্র ইসলাম ধর্মপ্রধান দেশ বাংলদেশ, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তান থেকে নিজেদের অস্তিত্বের সঙ্কটের জন্য ভারতে এসেছেন, তাঁদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। আমরা ধর্মীয় অত্যাচারের শিকার হয়েছি। রাতের অন্ধকারে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে নদীতে সাঁতার কেটে সীমান্ত পার হয়ে এই পশ্চিমবঙ্গে এসেছি। সেই দিন কিছুটা মুক্তি পেলেও আজ নাগরিকত্ব পেয়ে সম্মান ফিরে পেলাম। তবে অনেকে বিভ্রান্তি তৈরি করছেন। আদতে কোনও ব্যক্তির নাগরিকত্ব বাতিল হবে না। সিএএতে আমি আবেদন করেছি কিন্তু আমার ভোটার কার্ড, আধার কার্ড, প্যান কার্ড বাতিল হয়নি। আমরা এবার সরকারি মান্যতায় নাগরিকত্ব পেয়েছি। সব কাগজপত্র ঠিক থাকবে, শুধু অতিরিক্ত নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের আওতায় সনদপত্র পাওয়া যাবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chhota Rajan: হোটেল মালিককে খুনের মামলায় অবশেষে দোষী সাব্যস্ত মাফিয়া ছোটা রাজন

    Chhota Rajan: হোটেল মালিককে খুনের মামলায় অবশেষে দোষী সাব্যস্ত মাফিয়া ছোটা রাজন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০০১ সালে মুম্বাইয়ে ব্যবসায়ী জয়া শেট্টি খুনের মামলায় বৃহস্পতিবার গ্যাংস্টার ছোটা রাজন (Chhota Rajan) ওরফে রাজেন্দ্র সদাশিব নিকালজিকে ‘দোষী’ ঘোষণা করল আদালত। অর্থাৎ প্রায় আড়াই দশকের পুরনো খুনের মামলায় ছোটা রাজনকে দোষী সাব্যস্ত করেছে মুম্বইয়ের (Mumbai) আদালত। তবে এই মামলায় তার কী শাস্তি হতে চলেছে তা অবশ্য এখনও যায়নি। জানা গিয়েছে, আগামিকাল অর্থাৎ শুক্রবার এই মামলায় সাজা ঘোষণা করবে আদালত। 

    কে এই জয়া শেট্টি? 

    জয়া শেট্টি ছিলেন সেন্ট্রাল মুম্বইয়ের (Mumbai) গোল্ডেন ক্রাউন হোটেলের মালিক। ২০০১ সালে ৪ মে নিজের হোটেলের মধ্যে ঢুকে তাঁকে গুলি করে খুন করে দুই দুষ্কৃতী। তদন্তে জানা যায়, ছোটা রাজনকে (Chhota Rajan) টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় তাঁকে খুন করা হয়। পুলিশ জানতে পারে, মাফিয়াদের তরফে হুমকি মেলার পর পুলিশি নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল জয়াকে। তবে খুন হওয়ার ২ মাস আগে তাঁর নিরাপত্তা তুলে নেওয়া হয়েছিল। সেই মামলার তদন্তে নেমে মুম্বই পুলিশ জানতে পারে এই হত্যা মামলায় সরাসরি যোগ রয়েছে রাজনের। 
    যদিও এর আগে এই মামলার শুনানিতে রাজনের (Chhota Rajan) এক সহযোগীকে বেকসুর খালাস করেছিল আদালত। তদন্তে জানা যায়, রাজনের নির্দেশে ৩ জনকে সঙ্গে নিয়ে জয়া শেট্টিকে খুন করে সমীর অশোক মালিক। এই মামলায় অজয় মোহিতে, প্রমোদ ধোন্ডে এবং রাহুল পানসারেকে আগেই দোষী সাব্যস্ত করেছিল আদালত। আর এবার দোষী সাব্যস্ত হল ছোটা রাজন।

    আরও পড়ুন: জুনের শুরুতেই ভিজবে রাজ্য! উত্তরবঙ্গে জারি কমলা সতর্কতা, দক্ষিণে কী পূর্বাভাস?

    জেলে বন্দি রাজনকে আবারও খুনের মামলায় দোষী সাব্যস্ত করল বিচারপতি 

    প্রসঙ্গত, কয়েক মাস আগেই নেটফ্লিক্সে একটি ওয়েব সিরিজ মুক্তি পেয়েছিল যার বিরুদ্ধে বম্বে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজন। হনসল মেহতা পরিচালিত ‘স্কুপ’ সিরিজ সাংবাদিক জ্যোতির্ময় দে খুনের ঘটনা নিয়ে তৈরি। সিরিজে তার ছবি এবং গলার স্বর ব্যবহারের বিরোধিতা করেছিল ছোটা রাজন। এই খুনের মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত ছিলেন আরেক সাংবাদিক জিগনা ভোরা। ২০১৮ সালে তিনি বেকসুর খালাস পান তবে, ছোটা রাজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়। আর এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার তিহাড় জেলে বন্দি রাজনকে (Chhota Rajan) আবারও একটি খুনের মামলায় দোষী সাব্যস্ত করল বিচারপতি এ এম পাতিল।  

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh MP Murder: মাংসপিণ্ড কার? জানতে ডিএনএ টেস্ট, বাংলাদেশের সাংসদ খুনে নেপাল রওনা সিআইডি-র

    Bangladesh MP Murder: মাংসপিণ্ড কার? জানতে ডিএনএ টেস্ট, বাংলাদেশের সাংসদ খুনে নেপাল রওনা সিআইডি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিউটাউনের ফ্ল্যাট থাকা সঞ্জীবা আবাসনের ফ্ল্যাটের সেপটিক ট্যাংক থেকে উদ্ধার হওয়া মাংসের দলা ও চুল সংসদ আনোয়ারুল আজিম আনোয়ারের কি না তা নিশ্চিত করতে ডিএনএ টেস্ট (DNA Test) করা হবে। এর জন্য সংসদের মেয়ে ও ভাই আসছেন কলকাতায় এমনটাই গোয়েন্দা সূত্রে খবর। বাংলাদেশের সাংসদ আনোয়ারুল আজিম আনোয়ারের দেহের খোঁজ করছে পুলিশ। টুকরো করা যে মাংস উদ্ধার হয়েছে তা সাংসদের (Bangladesh MP Murder Case) হলেও দেহের বাকি অংশ কোথায় তা জানতে চান গোয়েন্দারা।

    নেপালে রওনা দিচ্ছে সিআইডি

    এদিকে বাংলাদেশের সাংসদ খুনের ঘটনায় এবার নেপালে রওনা দিচ্ছে সিআইডির একটি বিশেষ প্রতিনিধি দল। চলতি সপ্তাহেই ওই দল নেপালের উদ্দেশ্যে রওনা দেবে বলে ভবানী ভবন সূত্রের খবর। এই খুনের ঘটনায় সিয়াম নামে এক ব্যক্তির খোঁজ চালাচ্ছে গোয়েন্দারা।

    আরও পড়ুন: কলকাতায় বাংলাদেশি সাংসদ হত্যাকাণ্ডে নেওয়া হবে ইন্টারপোলের সাহায্য

    বিধাননগর কমিশনারেটের গোয়েন্দা বিভাগের হাত থেকে ইতিমধ্যেই আধিকারিকভাবে সিআইডি তদন্তভার গ্রহণ করেছে। বাংলাদেশের গোয়েন্দা বিভাগও এই ঘটনায় তদন্ত চালাচ্ছে। জানা গিয়েছে খুনের ঘটনায় জিহাদকে সাহায্য করেছিল সিয়াম নামে ওই অভিযুক্ত। ঘটনার পর থেকে সেই নেপালে গা ঢাকা দিয়েছে বলে সিআইডির অনুমান।

    মাংসপিণ্ডের ডিএনএ পরীক্ষা করা হবে

    সাংসদ খুনের ঘটনায় বাংলাদেশ পুলিশের ডিবি প্রধান হারুন ওর রশিদের নেতৃত্বে সে দেশের গোয়েন্দারা এ শহরে এসেছেন। অভিযুক্তকে জেরা করে তদন্তকারীরা (Bangladesh MP Murder Case) জানতে পেরেছেন নিউটাউনের ফ্ল্যাট সংলগ্ন সেপটিক ট্যাংকে কিছু দেহাংশ থাকলেও থাকতে পারে।  এর পরেই সেই রাতে সেখানে তদন্ত চালিয়ে প্রায় চার কেজি মাংস এবং সঙ্গে কিছু চুল উদ্ধার হয়। সেগুলি ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠিয়েছে সিআইডি। পরীক্ষা সম্পন্ন হলে ডিএনএ পরীক্ষা করা হবে সেই অংশের। ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্ট মেলানোর জন্য সাংসদদের কন্যা ও তাঁর ভাই আসছেন কলকাতায়। ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্ট সামনে এলেই জানা যাবে উদ্ধার হওয়া মাংস সাংসদের দেহের কি না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “তৃণমূল চোর আর হাজি নুরুল দাঙ্গাবাজ”, সপ্তম দফার ভোটপ্রচারে আক্রমণ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “তৃণমূল চোর আর হাজি নুরুল দাঙ্গাবাজ”, সপ্তম দফার ভোটপ্রচারে আক্রমণ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে সপ্তদফার নির্বাচনে ভোট গ্রহণের আগে বসিরহাটে নির্বাচনী প্রচার সভা করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রাজ্যের তৃণমূল শাসনে ভোট লুট, দুর্নীতি, নারী নির্যাতন সহ একাধিক বিষয়ে মমতার সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেন তিনি। শুভেন্দু বলেন, “তৃণমূল চোর আর হাজি নুরুল দাঙ্গাবাজ”। লোকসভার আগে থেকেই তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে সন্দেশখালি ক্ষোভের আগুনে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল। দেশের প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একাধিক ইস্যুতে তৃণমূল সরকারের নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে নিশানা করেছেন।

    কী বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    বসিরহাটে লোকসভার ভোট প্রচারের মঞ্চ থেকে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “ভাইপো হেলিকপ্টারে এসে সভা করে গিয়েছেন এই মাঠে, তাই আর কেউ সভা করতে পারবে না। মামার বাড়ির আবদার! রাজা প্রতাপাতিদ্যের বংশধর মনে করছিলেন নিজেকে। এমনটা ভেবে ছিলেন কিন্তু বাস্তবে হয়নি। শেষ পর্যন্ত বিজেপির সভা হয়েছে। অর্জুনের লক্ষ্য ভেদ করতে হবে। সকলে ভোট দিতে পারবেন। তৃণমূলের দিন শেষ। দেগঙ্গায় অশান্তির মূলের হাজি নুরুল। এই এলাকার এক নেতা জেলের ভিতরে আছেন। পুলিশের গাড়িতে কান্না করছিলেন। হাজার হাজার মানুষকে কাঁদিয়েছেন। তিনি আবার বলেছিলেন বসিরহাট জেতার জন্য নাকি তাঁকে জেলে ঢোকানো হয়েছে। নদীর ওপারে আছেন আরেক ছোট ভাই। শওকত মোল্লা, তিনিও ব্যাগ গোছাচ্ছেন যাবেন জেলে। মাঠে কেউ নেই, আছে মাত্র পুলিশ। আজ রাতে যদি কোনও গ্রামে রাতে পুলিশ ঢুকলে, শঙ্খ বাজাবেন মায়েরা। যুবকরা বাঁশি বাজাবেন। তৃণমূল মুখে আওয়াজ করবে কিন্তু টাচ্‌ করতে পারবে না।”

    আরও পড়ুনঃ মহিলাদের ফোন নম্বর ও ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নিচ্ছে তৃণমূল, বিস্ফোরক সুকান্ত

    আর কী বললেন?

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) ভোট প্রচারে বলেন, “আগে ভোট দিয়ে তারপর ভোট প্রদান করবেন। বুথে বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকবে। আমার নম্বর দেওয়া আছে। হোয়াটস্যাপে কল করবেন। ছবি ভিডিও পাঠাবেন। বুথ নম্বর, থানা উল্লেখ করে নাম ফোন নম্বর দিয়ে আমাকে মেসেজ করবেন। সকলকে একসঙ্গে একত্রিত হয়ে লড়াই করতে হবে। পোলিং এজেন্টের বিকল্প ব্যবস্থা রাখতে হবে। সকাল সাড়ে দশটার মধ্যে ভোট দিতে হবে। বিশ্বাসযোগ্য লোক ছাড়া কেউ যেন নাম জানতে না পারেন। আইপ্যাকের চোরেরা টাকার অফার করতে পারে। আবার পুলিশ জোর করে তুলে নিয়ে গিয়ে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বসিয়ে রাখতে পারে। তাই সকলকে সাবধানে থাকতে হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: জুনের শুরুতেই ভিজবে রাজ্য! উত্তরবঙ্গে জারি কমলা সতর্কতা, দক্ষিণে কী পূর্বাভাস?

    Weather Update: জুনের শুরুতেই ভিজবে রাজ্য! উত্তরবঙ্গে জারি কমলা সতর্কতা, দক্ষিণে কী পূর্বাভাস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাসের শুরুতেই বৃষ্টির পূর্বাভাস। এবার ধীরে ধীরে বঙ্গে (West Bengal) প্রবেশ করবে বর্ষা। জুন মাসের প্রথম চারদিন দক্ষিণবঙ্গের কিছু কিছু জেলাতে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি (Weather Update) হবে। সঙ্গে ৩০-৪০ কিলোমিটার, কোথাও ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবার হলুদ সতর্কতা দিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরের পাঁচ জেলাতেও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। 

    উত্তরবঙ্গে জারি কমলা সতর্কতা

    বৃহস্পতিবার থেকে আগামী শনিবার পর্যন্ত দার্জিলিং, কালিম্পং, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির জন্য কমলা সতর্কতা জারি থাকছে। ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবেই উত্তরবঙ্গে এই বৃষ্টি। এমনটাই জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। উত্তরের এই ৫ জেলার পাশাপাশি আগামী ১ এবং ২ জুন উত্তর দিনাজপুর ও মালদা জেলাতেও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস (Weather Update)  রয়েছে। ভারী বৃষ্টির প্রভাবে নদীগুলিতে জলস্তর বাড়তে পারে। পাশাপাশি ভূমিধস নিয়েও উত্তরের জেলাগুলিকে সতর্ক করেছে আবহাওয়া দফতর।

    দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া (Weather Update) 

    উত্তরবঙ্গের মত দক্ষিণে অবশ্য ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস নেই। তবে আগামী শনিবার এবং রবিবার দক্ষিণবঙ্গের সর্বত্র বৃষ্টি হতে পারে। কলকাতা, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব মেদিনীপুর, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া এবং হুগলিতে ওই দুদিনই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে শনিবারের আগে পর্যন্ত বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা বেশি থাকার কারণে বহাল থাকবে অস্বস্তিকর আবহাওয়া। ফলে বৃষ্টিতে না ভিজলেও ঘামে নাকাল হতে হবে সাধারণ মানুষকে।

    আরও পড়ুন: বিশ্বকাপে ভারত-পাক ম্যাচে জঙ্গি হামলার আশঙ্কা! কড়া নিরাপত্তা নিউ ইয়র্কে

    রাজ্যে বর্ষা প্রবেশ করছে কবে? 

    রাজ্যে (West Bengal) বর্ষা প্রবেশ নিয়েও এদিন আশার কথা শুনিয়েছে আবহাওয়া দফতর। আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কেরলে মৌসুমী বায়ু প্রবেশের অনুকূল পরিবেশ। আর সেই অনুযায়ী জুন মাসের ১০ তারিখের মধ্যে দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা (Weather Update) প্রবেশের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সবটাই নির্ভর করছে কেরলে কবে বর্ষা ঢুকবে তার উপর।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • S Jaishankar: “মোদির বিদেশনীতিই ভারতকে খ্যাতি এনে দিয়েছে”, বললেন জয়শঙ্কর

    S Jaishankar: “মোদির বিদেশনীতিই ভারতকে খ্যাতি এনে দিয়েছে”, বললেন জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার মোদি-স্তুতি শোনা গেল বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের (S Jaishankar) গলায়। তিনি জানালেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে যে বিদেশনীতি নিয়েছে ভারত, তা দেশকে খ্যাতি দিয়েছে। এই বিদেশনীতির কারণেই তামাম বিশ্বে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে নয়াদিল্লি। শিমলায় বুদ্ধিজীবীদের সঙ্গে আলাপচারিতার একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন জয়শঙ্কর। সেখানেই তিনি মোদির উচ্চকিত প্রশংসা করেন।

    মোদির বিদেশনীতি (S Jaishankar)

    বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে যে বিদেশনীতি ভারত গ্রহণ করেছে, তা আমাদের দেশকে সম্মান দিয়েছে। অদূর ভবিষ্যতে ভারত বিশ্বগুরুর ভূমিকা পালন করবে।” গত কয়েক বছর ধরে ভারত-চিন সীমান্ত নিয়ে যে কিছু সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে, এদিনের অনুষ্ঠানে তা মেনে নিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী। তবে সীমান্তের নিরাপত্তার বেষ্টনী যে আগের চেয়ে অনেক আঁটসাঁট, অত্যাধুনিক পরিকাঠামোয় সুসজ্জিত, তাও মনে করিয়ে দেন বিদেশমন্ত্রী।

    কী বললেন জয়শঙ্কর?

    তিনি বলেন, “মোদি সরকার চিন সীমান্তের পরিকাঠামোর উন্নয়ন খাতে বাজেট বরাদ্দ বাড়িয়ে দিয়েছে আগের চেয়ে অনেক বেশি। ৩ হাজার কোটি টাকা থেকে এটা বেড়ে হয়েছে ১৫ হাজার কোটি টাকা। চিন সীমান্তে থাকা সমস্ত রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় চওড়া এবং অল-ওয়েদার রাস্তা এবং সুড়ঙ্গ বানিয়েছি। দ্রুত যাতে সীমান্তে পৌঁছানো যায়, তাই এই ব্যবস্থা করা হয়েছে।” বিদেশমন্ত্রী (S Jaishankar) বলেন, “ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের সময় যখন ভারত রাশিয়া থেকে সস্তায় অপরিশোধিত জ্বালানি কেনার সিদ্ধান্ত নেয়, তখন বিশ্বের নানা অংশের চাপ আমাদের ওপর ছিল। কিন্তু আমরা সেগুলোর তোয়াক্কা করিনি। আমরা যখন কোয়াড গোষ্ঠীতে যোগ দিলাম, তখনও একই চাপ আসছিল চিনের কাছ থেকে। কিন্তু আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম আমাদের দেশের স্বার্থের কথা ভেবে। তাতে আমরা সফলও হয়েছি।” এর পরেই তিনি বলেন, “এসবই হয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে।”

    সন্ত্রাসবাদ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমরা সন্ত্রাসবাদের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছি। তাই দেশবাসীর দায় একটা স্থায়ী সরকার নির্বাচন করার। এভাবে বিশ্ববাসীকে একটা বার্তা দিতে হবে।” দশ বছর আগের ভারতের সঙ্গে ‘বিকশিত ভারতে’র তুলনাও টেনেছেন বিদেশমন্ত্রী। বলেন, “দশ বছর আগে আমার মতো যাঁরা বিদেশ যেতেন, তাঁদের অনেক কথা শুনতে হত। আর আজ, বিশ্ববাসীর কাছে আমাদের একটা নয়া ইমেজ তৈরি হয়েছে। উন্নয়নের নিরিখেই এই ইমেজ তৈরি হয়েছে। ‘বিকশিত ভারতে’র জন্যই এই ইমেজ আমাদের তৈরি হয়েছে (S Jaishankar)।”

    আর পড়ুন: ‘পিছিয়ে পড়া শ্রেণির কোটা গিলে খেয়েছে কংগ্রেস’, দাবি বিজেপির বিজ্ঞাপনী ভিডিওয়

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: মহিলাদের ফোন নম্বর ও ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নিচ্ছে তৃণমূল, বিস্ফোরক সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: মহিলাদের ফোন নম্বর ও ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নিচ্ছে তৃণমূল, বিস্ফোরক সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহিলাদের ফোন নম্বর জোগাড় করতে সরকারি প্রকল্পে ফর্ম ফিলআপ করাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। এরপর সেই নম্বর দিয়ে দেওয়া হচ্ছে আইপ্যাকের কাছে। রাজ্যে সপ্তম দফা নির্বাচনের আগে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। ইতিমধ্যে রাজ্যে সন্দেশখালি প্রসঙ্গে নারী নির্যাতন নিয়ে তৃণমূল সরকার চাপের মধ্যে রয়েছে। বিজেপি নেতার এই অভিযোগে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    কী বললেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)?

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) তৃণমূলকে আক্রমণ করে বলেন, “মহিলাদের তৃণমূল কুপ্রস্তাব যে দেবে না তার কী নিশ্চয়তা? দুয়ারে সরকারের ক্যাম্পে সরকারি প্রকল্পে ফর্ম ফিলাপের নামে মহিলাদের ফোন নম্বর এবং ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার কাজ করছে তৃণমূল। এই তথ্য এরপর তুলে দেওয়া হবে আইপ্যাকের কাছে। এই নম্বর এবং তথ্যকে কাজে লাগিয়ে ভোটারদের জনমতকে প্রভাবিত করবে তৃণমূল। তথ্যপাচারের মতো ঘটনা ঘটাচ্ছে তৃণমূল।”

    আর কী বললেন?

    সুকান্ত (Sukanta Majumdar) একই ভাবে তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, “এই ভাবে এলাকায় এলাকায় মহিলাদের নম্বর নিয়ে তাঁদের সঙ্গে অভব্য আচরণের কাজে লিপ্ত হবে না তো তৃণমূল? সন্দেশখালিতে যেমন মহিলাদের নির্যাতন করা হয়েছিল, এমন ঘটনা ঘটবে নাতো? আমার মনে হয় এইরকম ঘটনার ছক করছে তৃণমূল। আমাদের বসিরহাট কেন্দ্রের প্রার্থী রেখা পাত্রের ব্যক্তিগত তথ্য তৃণমূলের চোরেরা প্রকাশ করে সম্ভ্রমহানির মতো ঘটনা ঘটিয়েছে। তৃণমূল নেতা দেবাশু এই কাজের নেতৃত্ব দিয়েছে। এখন প্রশ্ন হল সরকারের তথ্য তৃণমূল নেতার কাছে কীভাবে পৌঁছাল।

    প্রধানমন্ত্রী নিশান করেছেন তৃণমূলকে

    রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী একজন নারী কিন্তু তারপরেও জেলায় জেলায় নারী দর্শন, খুন, ধর্ষণ, হত্যার ঘটনায় বিজেপি বার বার সরব হয়েছে। সন্দেশখালির মহিলাদের বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে রাতভর পার্টি অফিসে যৌন নির্যাতন করা হয়েছে। এই অভিযোগে শাহজাহানের বিরুদ্ধে ব্যাপক আন্দোলন হয়েছে একাধিক সময়ে। রাজ্যে মা-বোনদের নিরাপত্তা সুরক্ষা নিয়ে বুধবার কাকদ্বীপের এক সভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও নিশানা করেছেন তৃণমূল সরকারকে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • T20 World Cup 2024: বিশ্বকাপে ভারত-পাক ম্যাচে জঙ্গি হামলার আশঙ্কা! কড়া নিরাপত্তা নিউ ইয়র্কে

    T20 World Cup 2024: বিশ্বকাপে ভারত-পাক ম্যাচে জঙ্গি হামলার আশঙ্কা! কড়া নিরাপত্তা নিউ ইয়র্কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনেই টি-২০ বিশ্বকাপ। আগামী ৯ জুন মুখোমুখি হবে ভারত-পাকিস্তান। কিন্তু ম্যাচের (T20 World Cup 2024) আগেই এল জঙ্গি হানার হুমকি। নিউ ইয়র্কের নাসাউ স্টেডিয়ামে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের এই ম্যাচে হামলার হুমকি দিয়েছে আইএসএস-কে জঙ্গি সংগঠন। ফলে দুই দেশের প্লেয়ারদের জীবনহানির (India vs Pakistan Security) প্রশ্ন উঠতেই কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে স্টেডিয়াম। মোতায়েন করা হয়েছে বাড়তি ১০০ পুলিশকর্মী।

    হুমকির ভিডিও প্রকাশ্যে 

    সম্প্রতি জঙ্গি সংগঠনের পক্ষ থেকে একটি ভিডিয়ো প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে (T20 World Cup 2024) হামলা করার জন্য আহ্বান করা হয়েছে। এই হামলার নাম দেওয়া হয়েছে ‘লোন উলফ’। ভিডিয়োয় বলা হয়েছে, যে কেউ এই হামলা করতে পারে। এই ‘লোন উলফ অ্যাটাক’ হচ্ছে একটা গণহত্যা। যেটা প্রকাশ্যে কোনও এক ব্যক্তি করে। 

    সতর্ক নিউ ইয়র্ক প্রশাসন

    নাসাউ কাউন্টির পুলিশ কমিশনার প্যাট্রিক রাইডার এই হুমকির কথা জানিয়ে বলেছেন, গত এপ্রিল থেকেই জঙ্গি সংগঠন আইএস-খোরাসান এ রকম হামলার হুমকি দিচ্ছে। কিন্তু এ বারের হুমকি একেবারে নির্দিষ্ট করে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের (T20 World Cup 2024) জন্য দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি নাসাউ স্টেডিয়ামের উপর একটি ড্রোন দেখা গিয়েছে। তাতে ম্যাচের তারিখ ‘৯/৬/২০২৪’ লেখা। এর পরেই নড়চড়ে বসেছে নিউ ইয়র্ক প্রশাসন।  তিনি বলেন, “একটি ভিডিয়ো বার্তায় জঙ্গি সংগঠনের পক্ষ থেকে ‘লোন উলফ’ হামলার হুমকি দেওয়া হয়েছে। যেখানে এত বড় একটা ম্যাচ এবং প্রচুর দর্শক আসবেন, সেখানে কোনও কিছুই উড়িয়ে দেওয়া যায় না। সব রকম নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হবে।” 

    আরও পড়ুন: এবার থেকে ওয়েটিং লিস্টের ঝামেলা থেকে মুক্তি! ট্রেনের টিকিটে বড় বদল

    উল্লেখ্য, বিশ্বের যেই প্রান্তেই ভারত পাকিস্তান ম্যাচ (T20 World Cup 2024) হোক না কেন, সবসময় নিরাপত্তা (India vs Pakistan Security) নিয়ে প্রশ্ন থাকে। যেই দেশই আয়োজনক করুক তাদের বাড়তি সতর্ক হতে হয়। আর এবার নিউ ইয়র্কে দুই দল নামার আগে এই হুমকির হুঁশিয়ারিতে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে সেই দেশের সাধারণ মানুষ। তবে নিউ ইয়র্কের গর্ভনর অফিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে তারা এমন কোনও হুমকি পায়নি যাতে সাধারণ মানুষদের আশঙ্কা থাকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: ‘পিছিয়ে পড়া শ্রেণির কোটা গিলে খেয়েছে কংগ্রেস’, দাবি বিজেপির বিজ্ঞাপনী ভিডিওয়

    BJP: ‘পিছিয়ে পড়া শ্রেণির কোটা গিলে খেয়েছে কংগ্রেস’, দাবি বিজেপির বিজ্ঞাপনী ভিডিওয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সপ্তম দফার লোকসভা নির্বাচন হওয়ার কথা পয়লা জুন। তার আগেও বিজেপিকে পরাস্ত করতে কংগ্রেসের হাতিয়ার সেই সংরক্ষণ। ‘ইন্ডি’ জোটের সব চেয়ে বড় দল কংগ্রেসকে এনিয়ে ফের নিশানা করল বিজেপি (BJP)। বুধবার “মেরা ভোট মেরা অধিকার, হোয়্যারইন ইট অ্যাটেম্পটড টু এক্সপোজ দ্য কংগ্রেস” শীর্ষক একটি ভিডিও বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে বিজেপি। এই ভিডিওতেই পদ্ম-পার্টির তরফে দেখানো হয়েছে কীভাবে দলিত, এসসি-এসটি, পিছিয়ে পড়া শ্রেণি এবং অতি পিছিয়ে পড়া শ্রেণির সংরক্ষণের কোটা খেয়ে ফেলে তালিকায় ঢোকানো হয়েছে সংখ্যালঘু (পড়ুন, মুসলমান) সম্প্রদায়কে।

    কংগ্রেসকে তোপ (BJP)

    ভিডিওটি মাত্র আটচল্লিশ সেকেন্ডের। সেখানে বিজেপি (BJP) তুলে ধরেছে, কীভাবে কংগ্রেস ভুয়ো খবর ছড়াচ্ছে। এসসি-এসটি-ওবিসি সংরক্ষণ নিয়ে প্রান্তিক সম্প্রদায়ের মধ্যে গণ-হিস্টিরিয়া ছড়াচ্ছে। কংগ্রেস কীভাবে এসসি-এসটি-ওবিসিদের ওই তালিকা থেকে বের করে দিয়ে গিলে ফেলছে ওবিসিদের কোটা। ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, কংগ্রেস কীভাবে ব্যাকওয়ার্ড শ্রেণির সংরক্ষণের বিরোধিতা করে আসছে, তা নিয়ে আলোচনা করছেন তরুণ প্রজন্মের কয়েকজন।

    বাবা সাহেবের কথা অমান্য!

    তাঁরা বলছেন, কংগ্রেস কীভাবে বাবা সাহেব আম্বেডকরের কথা অমান্য করেছে। তারা কখনওই উপজাতিদের ন্যায়বিচার দেয়নি। কংগ্রেসই একমাত্র রাজনৈতিক দল যারা সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জামিয়া মিলিয়া এবং আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ে এসসি-এসটি-ওবিসিদের সংরক্ষণ অনুমোদন করেনি। এই বিষয়েও আলোকপাত করেছেন ওই তরুণরা। বিজ্ঞাপনে থাকা তরুণদের এও বলতে শোনা গিয়েছে, কীভাবে ২০০৯ সালের নির্বাচনী ইস্তাহারে কংগ্রেস সরকারি চাকরি এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সংরক্ষণ চালু করেছে কেরল, কর্নাটক এবং অন্ধ্রপ্রদেশে।

    এই ভিডিওতেই মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে কীভাবে কংগ্রেস ২০০৪ সালে ক্ষমতায় এসেছিল। অন্ধ্রপ্রদেশের এসসি-এসটির কোটার বদলে তারা মুসলমানদের সংরক্ষণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। যদিও সেবার তা করতে ব্যর্থ হয়েছিল তারা। তবে ২০১১ সালে গোটা দেশে এটা লাগু করার চেষ্টাও করেছিল গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টি। ভোট ব্যাঙ্ক ধরে রাখতে কংগ্রেস পিছিয়ে পড়া শ্রেণির কোটার ভাগ থেকে কিছুটা অংশ মুসলমানদের দিতে চাইছে বলেও দাবি করা হয়েছে ভিডিওতে। শেষে নাগরিকদের বিচার-বিবেচনা করে ভোট দেওয়ার আর্জি জানিয়েছে গেরুয়া পার্টি।

    আর পড়ুন: বিরোধীদের ‘ব্রহ্মাস্ত্রে’ই তাঁদের ঘায়েল করলেন প্রধানমন্ত্রী, কীভাবে জানেন?

    এদিকে, বিরোধীরা ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ করতে চাইছে বলেও অভিযোগ বিজেপির। দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, “সংবিধানে স্পষ্ট লেখা রয়েছে, ধর্মের ভিত্তিতে কোনও সংরক্ষণ হবে না (BJP)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share