Tag: news in bengali

news in bengali

  • India Srilanka Relation: “বন্ধু ভারতের ক্ষতি কাউকে করতে দেব না”, পরোক্ষে চিনকে হুঁশিয়ারি শ্রীলঙ্কার?

    India Srilanka Relation: “বন্ধু ভারতের ক্ষতি কাউকে করতে দেব না”, পরোক্ষে চিনকে হুঁশিয়ারি শ্রীলঙ্কার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমরা কাউকে ভারতের ক্ষতি করতে দেব না।” এই মন্তব্য দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কার বিদেশমন্ত্রী আলি সাবরির (India Srilanka Relation)। তিনি বলেন, “ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ শ্রীলঙ্কা। দায়িত্বশীল প্রতিবেশী হিসেবে কেউ যাতে ভারতের নিরাপত্তার ক্ষতি করতে না পারে তাও নিশ্চিত করব আমরা।”

    কী বললেন বিদেশমন্ত্রী?

    সাবরি বলেন, “শ্রীলঙ্কা যে কোনও দেশের সঙ্গে স্বচ্ছভাবে কাজ করতে চায়। তবে সেজন্য অন্য কারও ক্ষতি যাতে না হয়, সেদিকেও নজর থাকবে আমাদের।” সংবাদ সংস্থাকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে শ্রীলঙ্কার বিদেশমন্ত্রী (India Srilanka Relation) বলেন, “আমরা খুব স্পষ্টভাবে বলেছি যে আমরা সমস্ত দেশের সঙ্গে কাজ করতে চাই। তবে ভারতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত যে কোনও যুক্তিসঙ্গত উদ্বেগকে বিবেচনা করে দেখা হবে। আমরা ভারতের নিরাপত্তার ক্ষতি করতে দেব না।” তিনি বলেন, “দায়িত্বশীল প্রতিবেশী ও সভ্যতার অংশীদার হিসেবে আমরা এমন কিছু করব না যা ভারতের নিরাপত্তার ক্ষতি করবে।”

    চিনা চর জাহাজ

    গত বছর শ্রীলঙ্কার হাম্বানটোটা বন্দরে নোঙর করেছিল চিনা চর জাহাজ ইউয়ান ওয়াং ৫। তাতে প্রবল আপত্তি জানিয়েছিল ভারত। ওই বছরেরই অগাস্ট মাসে শ্রীলঙ্কায় নোঙর করেছিল হাই ইয়াং ২৪ হাও নামের আরও একটি গুপ্তচর জাহাজ। এবারও উদ্বেগ প্রকাশ করে ভারত। যদিও চিনের দাবি, গবেষাণার উদ্দেশে ওই বন্দরে ভিড়েছিল তাদের জাহাজ। অবশ্য ভারত দাবি করেছিল, দু’টিই চিনের গুপ্তচর জাহাজ। ভারতের পরমাণু ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির ওপর নজরদারি করতে বারংবার শ্রীলঙ্কার বন্দরে ভিড়ছে চিনা চর জাহাজ। এই বিষয়ে শ্রীলঙ্কাকে সাবধান করেছিল আমেরিকাও।

    আর পড়ুন: “ক্যান্সারের চেয়েও দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত ইন্ডি ব্লক”, তোপ মোদির

    পরে অবশ্য হাম্বানটোটা থেকে চর জাহাজ সরিয়ে নিয়েছিল বেজিং। আন্তর্জাতিক মহলের মতে, সেকথা মাথায় রেখেই শ্রীলঙ্কার বিদেশমন্ত্রীর মুখে ভারতের ক্ষতি করতে না দেওয়ার অঙ্গীকার। ভারতে চলছে লোকসভা নির্বাচন। সে প্রসঙ্গে এই দ্বীপরাষ্ট্রের বিদেশমন্ত্রী বলেন, “ভারতে গণতন্ত্রের উদযাপন হচ্ছে। ফল যাই হোক না কেন, ভারতের সঙ্গে কাজ করবে শ্রীলঙ্কা।” তিনি বলেন, “ভারত বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ। ভারতীয় জনগণ শিক্ষিত। ভারতীয় জনগণ জানবেন, তাঁদের জন্য কী ভালো। জনগণকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে (India Srilanka Relation)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Bankura: ভোটের জন্য বন্ধ রাখা হল ছাতনার ৩০০ বছরের ঐতিহাসিক ‘রানীর গাজন’

    Bankura: ভোটের জন্য বন্ধ রাখা হল ছাতনার ৩০০ বছরের ঐতিহাসিক ‘রানীর গাজন’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিবছর বাঁকুড়ায় (Bankura) পালিত হয় ঐতিহাসিক রানীর গাজন। এই উৎসব প্রত্যেকবার বাংলায় ১১ জ্যৈষ্ঠ ছাতনা রাজবাড়ি প্রাঙ্গণে আয়োজন হয়ে থাকে। অত্যন্ত প্রাচীন এবং মর্যাদাপূর্ণ উৎসব হিসাবে মান্যতা দেওয়া হয়। কিন্তু এই বছর ওই দিন পড়েছে ২৫ মে। আবার ওই দিনই হল ষষ্ঠ দফার ভোট গ্রহণের দিন। প্রশাসনের অনুরোধে ওই দিনে গাজন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। 

    রাজবাড়ির বিজ্ঞাপন (Bankura)

    জানা গিয়েছে, ভোটের দিনেই ছাতনার রানির গাজনের (Bankura) অনুষ্ঠান পড়ায় এবার তা বন্ধ রাখা হবে। রাজবাড়ির বর্তমান প্রতিনিধি প্রদীপ সিংহদেও বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এই সংবাদ সকলকে জানিয়েছেন। তবে ধর্মীয়রীতি, পরম্পরা, লোকাচার অক্ষুণ্ণ থাকবে। জান গিয়েছে, রানী আনন্দকুমারী এই অনুষ্ঠানের প্রবর্তন করেছিলেন।

    রাজবাড়ির বক্তব্য

    ছাতনা (Bankura) রাজবাড়ির বর্তমান রাজা প্রদীপ সিংহদেও বলেন, “আনুমানিক ৩০০ বছর পুরানো এই গাজন। নির্জন থাকার কারণে অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। তবে রীতি মেনেই ২৪ তারিখ সমস্ত কাজ করা হবে।” বাঁকুড়ার নানাবিধ লোকসংস্কৃতির উপাদানের মধ্যে গাজন হল একটি গুরুত্বপূর্ণ লোক উৎসব। এই গাজনকে উপভোগ করার জন্য আবার পরের বছরের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

    আরও পড়ুনঃ বিজেপি কর্মী খুনের প্রতিবাদে রণক্ষেত্র নন্দীগ্রাম! জ্বলল বাড়ি-দোকান, পালিত হল বন্‌ধ

    তিনশ বছরের পুরাতন এই গাজন

    আজকের দিনে রাজতন্ত্র না থাকলেও রাজার প্রবর্তিত ধর্মীয় লোকাচার এখনও অক্ষত। বাঁকুড়া (Bankura) জেলার পশ্চিম সীমান্তে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান হল ছাতনা। সবুজ বনে ঘেরা ছাতনা রাজবাড়ির মা মৃন্ময়ীর দুর্গামন্দির। একসময় সামন্তভূমের রাজধানী আজ থেকে প্রায় তিনশো বছর আগে এই মন্দির তৈরি করেছিলেন তৎকালীন রানি আনন্দ কুমারী। রানির হাত ধরে শুরু হয়েছিল গাজন। প্রতি বছর এই গাজনে ভিড় জমান হাজার হাজার মানুষ। কিন্তু ষষ্ঠ দফার নির্বাচন থাকায় এই বছর গাজন অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। এলাকার মানুষ এই নিয়ে মনে বিষাদের ছায়া। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Blood Transfusion Scandal: ২ দশক ধরে চলা ব্রিটেনের স্বাস্থ্য কেলেঙ্কারির আসল সত্য প্রকাশ্যে! কী ঘটেছিল?

    Blood Transfusion Scandal: ২ দশক ধরে চলা ব্রিটেনের স্বাস্থ্য কেলেঙ্কারির আসল সত্য প্রকাশ্যে! কী ঘটেছিল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  পাঁচ দশক আগের কেলেঙ্কারি। ছ’বছর ধরে চলা তদন্ত। অবশেষে সামনে এল সত্য। সম্প্রতি শেষ হওয়া তদন্তে জানা গিয়েছে ব্রিটেনে ১৯৭০ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত কয়েক হাজার মানুষ এইচআইভি এবং হেপাটাইটিস সি দ্বারা সংক্রামিত হয়েছিল। কিন্তু এই রোগের চিকিৎসা করাতে এলে সে দেশের স্বাস্থ্যক্ষেত্রের গাফিলতিতে (Blood Transfusion Scandal) মারা যায় প্রায় ৩০০০ মানুষ। কিন্তু এত বড় ঘটনাটি এতদিন সম্পূর্ণভাবে লুকিয়ে গেছিল সে দেশের সরকার। কিন্তু সত্য কখনো চাপা থাকেনা। সত্যি সামনে আসতেই এবার ক্ষতিপুরণ ঘোষনা করলেন প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনক। 

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Blood Transfusion Scandal) 

    জানা গিয়েছে সরকারি স্বাস্থ্যক্ষেত্র এনএইচএসের গাফিলতিতে ১৯৭০ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত ব্রিটেনে ৩০ হাজারেরও বেশি মানুষ এইচআইভি এবং হেপাটাইটিস সি দ্বারা সংক্রামিত হয়েছিল দূষিত রক্তের পণ্য এবং ট্রান্সফিউশন দ্বারা। অনেক হিমোফিলিয়া আক্রান্ত তাদের চিকিৎসার জন্য সংক্রামিত রক্তের নমুনা দিয়েছিলেন। এরপর সেই স্বাস্থ্যক্ষেত্রে অযত্ন ও অবহেলার ফলে শুদ্ধ ও দূষিত রক্তের নমুনা মিশে যায়। আর সেই রক্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত করা হলে তাদের রক্তও সংক্রমিত হয়ে যায়। ফলে দূষিত রক্তের প্রভাবে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ায় মারা যায় প্রায় ৩০০০ মানুষ। 

    ক্ষতিপূরণ ঘোষণা সরকারের 

    অন্যদিকে ভোটের আগে এই কেলেঙ্কারি (Blood Transfusion Scandal) ফাঁস হওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনক সকলের কাছে ক্ষমাপ্রার্থনা করে ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছেন। জানা গিয়েছে সরাসরিভাবে ক্ষতিগ্রস্ত প্রত্যেককে ২০ লক্ষ পাউন্ড দেওয়া হবে। আর যাদের হেপাটাইটিস সংক্রমণের ফলে লিভারের ক্ষতি হয়েছে তারা প্রায় ১০ লক্ষ পাউন্ড পাবে। 

    আরও পড়ুন: ভোট মিটে গেলেও রাজ্যে থাকবে ৩২০ কোম্পানি বাহিনী, জানাল কমিশন

    এই ক্ষতিপূরণের টাকা ধাপে ধাপে দেওয়া হবে। আপাতত চলতি মরসুমে দুলক্ষ পাউন্ড দেওয়া হবে, বছরের শেষে মিলবে মোটা অঙ্কের কিস্তি। সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত (Blood Transfusion Scandal) চার হাজার মানুষকে চিহ্নিত করা গিয়েছে। দ্বিতীয় দফায় সরাসরি ক্ষতিগ্রস্তদের অবর্তমানে তাদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। এ প্রসঙ্গে তদন্তের দায়িত্বে থাকা কমিটি জানিয়েছে, এই ভয়ানক কেলেঙ্কারির (Blood Transfusion Scandal) কথা গত পঞ্চাশ বছর ধরে বেমালুম চেপে রাখা হয়েছে। সংক্রামিত রক্তের এই তদন্তকে এনএইচএস এর ইতিহাসে সবচেয়ে খারাপ চিকিৎসা বিপর্যয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024: “ক্যান্সারের চেয়েও দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত ইন্ডি ব্লক”, তোপ মোদির

    Lok Sabha Elections 2024: “ক্যান্সারের চেয়েও দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত ইন্ডি ব্লক”, তোপ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ক্যান্সারের চেয়েও দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত ইন্ডি ব্লক।” উত্তরপ্রদেশের শ্রাবস্তীর এক জনসভায় কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Lok Sabha Elections 2024)। এদিনের জনসভায় আগাগোড়াই তিনি আক্রমণ শানিয়েছেন বিজেপি বিরোধী জোটকে। বলেন, “তারা (ইন্ডি) যদি ছড়িয়ে পড়ে, তবে গোটা ভারতকে ধ্বংস করে দেবে। ক্যান্সারের চেয়েও তিনটি রোগ দেশের পক্ষে মারাত্মক। এই রোগগুলি হল, এই লোকগুলো দারুণভাবে সাম্প্রদায়িক, এরা ভীষণভাবে বর্ণবাদী, এরা ভয়ঙ্করভাবে পরিবারবাদী।”

    বন্ধ করে দেবে জনধন অ্যাকাউন্ট! (Lok Sabha Elections 2024)

    প্রসঙ্গত, অষ্টাদশতম লোকসভা নির্বাচন হবে সাত দফায়। ইতিমধ্যেই শেষ হয়ে গিয়েছে পঞ্চম দফার নির্বাচন। ষষ্ঠ দফার নির্বাচন হবে ২৫ মে, শনিবার। দেশের ৫৪৩টি আসনের মধ্যে নির্বাচন হয়ে গিয়েছে ৪৩০টি আসনে (Lok Sabha Elections 2024)। শ্রাবস্তীর ঐতিহাসিক গুরুত্বের কথাও স্মরণ করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “শ্রাবস্তীর একটি সমৃদ্ধশালী এবং পৌরাণিক আখ্যান রয়েছে। সারা বিশ্বের পর্যটকরা এই জায়গা দর্শন করতে আসেন। তা সত্ত্বেও পূর্বতন সমাজবাদী পার্টি, বহুজন সমাজবাদী পার্টি এবং কংগ্রেস কখনও এখানকার উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দেয়নি।” জনধন প্রকল্পে দেশে ৫০ কোটি অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে। বিরোধীরা ক্ষমতায় এলে তা বন্ধ করে দেওয়া হবে বলেও দাবি প্রধানমন্ত্রীর। বলেন, “মোদি ৫০ কোটিরও বেশি দরিদ্র মানুষকে খুলে দিয়েছে জনধন অ্যাকাউন্ট। তারা (বিরোধীরা) আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেবে। আপনার টাকা ছিনিয়ে নেবে।”

    আর পড়ুন: স্বাতীর পাশে নির্ভয়ার মা, আপকে নিশানা ‘নির্যাতিতা’ সাংসদের

    দুই ছেলের জুটি

    তিনি যে সামান্য একটি পরিবার থেকে উঠে এসেছেন, এদিন তাও মনে করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “মোদি কোনও রাজ পরিবার থেকে আসেনি। আমি এই মায়েদের মতো এক গরিব মায়ের সন্তান। আমি কারও জন্য কিছু অর্জন করতে চাই না। তবে আমি দেশকে এমন শক্তিশালী করতে চাই যে বংশবাদী দলগুলি যেন আর দেশকে ধ্বংস করতে না পারে। এজন্য আপনাদের আশীর্বাদ চাই।” কংগ্রেস-সমাজবাদী দলের জোটকে নিশানা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ইউপিতে ফের চালু হয়েছে দুই ছেলের (রাহুল গান্ধী ও অখিলেশ যাদব) জুটি। একই পুরানো ফ্লপ ছবি, একই পুরানো চরিত্র, একই পুরানো সংলাপ। পুরো নির্বাচন শেষ হতে চলেছে, কিন্তু আপনি কী এই লোকদের কাছ থেকে একটিও নতুন কথা শুনেছেন (Lok Sabha Elections 2024)?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Nandigram: বিজেপি কর্মী খুনের প্রতিবাদে রণক্ষেত্র নন্দীগ্রাম! জ্বলল বাড়ি-দোকান, পালিত হল বন্‌ধ

    Nandigram: বিজেপি কর্মী খুনের প্রতিবাদে রণক্ষেত্র নন্দীগ্রাম! জ্বলল বাড়ি-দোকান, পালিত হল বন্‌ধ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ষষ্ঠ দফা ভোটের আগে রণক্ষেত্র নন্দীগ্রাম (Nandigram)। জ্বালিয়ে দেওয়া হল বাড়ি-ঘর দোকান, ভাঙচুর-বিক্ষোভের আঁচে উত্তপ্ত এলাকা। পরিস্থিতি হাতের বাইরে যাতে না যায় তাই নন্দীগ্রাম থানা থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনী পৌঁছে গিয়েছে এলাকায়। একই সঙ্গে রয়েছে পুলিশ। আজ সোনাচূড়া, মনসা বাজার এলাকয় বিজেপির পক্ষ থেকে বন্‌ধ পালিত হয়। অপর দিকে বিকেল পাঁচটায় সভা করবেন শুভেন্দু অধিকারী।

    সকাল থেকেই উত্তপ্ত নন্দীগ্রাম (Nandigram)

    ২৫ মে শনিবার ভোট, আজই নন্দীগ্রামে (Nandigram) নির্বাচনী প্রচারের শেষ দিন। কিন্তু ইতিমধ্যে এক বিজেপি কর্মী মহিলাকে খুনের ঘটনায় বিজেপি ব্যাপক বিক্ষোভ প্রদর্শন শুরু করেছে এলাকায়। মূল অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে। খুনের ঘটনায় সাধারণ মানুষের ক্ষোভের আচ ছড়িয়ে পড়েছে গোটা নন্দীগ্রাম জুড়ে। আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়া হল বাড়ি-ঘর, দোকান। রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে ১০০ কোম্পানির উপর বাহিনীকে এলাকায় মজুত করা হয়েছে। আরও ফোর্স নামানো হবে বলে জানা গিয়েছে। সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার রাতে ব্যানার লাগাতে গিয়ে তৃণমূল-বিজেপি কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক ঝামেলা হয়। এরপর বিজেপি সমর্থিত মহিলাকে খুন করা হয়। তবে এই খুনের পিছনে তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উস্কানি মূলক ভাষণকেই বিজেপি দায়ী করেছে। এরপর বিজেপি আজ প্রতিবাদে বন্‌ধ ডাকা হয়।

    কী বললেন শুভেন্দু?

    শুভেন্দু ঘটনায় প্রতিক্রিয়া দিয়ে বলেছেন, “একজন মহিলাকে নন্দীগ্রামে (Nandigram) খুন করা হয়েছে। আমি গুন্ডাদের কীভাবে সোজা করতে হয় তা আমি জানি। কেষ্ট, শাহজাহানরা কোথায়? সব কিছুর বদল হবে। একজন মাঝ বয়সী মহিলাকে মেরে দিলে বদলা অবশ্যই হবে।” নিজের এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি।

    আরও পড়ুনঃ“নথি চেয়ে যোগ্য-অযোগ্য শিক্ষকদের গুলিয়ে দিতে চাইছেন মমতা”, তোপ সুকান্তর

    কী বলেছিলেন অভিষেক?

    তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের এক প্রচার সভায় বলেছিলেন, “নন্দীগ্রাম (Nandigram) ১ নম্বর ব্লকে সোনাচূড়া, হরিপুর, গোকুলনগর, ভেকুটিয়া আর আর দু’নম্বর ব্লকের বয়ালনগর ১, বয়াল ২ এই জায়গায় যাঁরা মানুষকে ভোট দিতে দেয়নি তাঁদের তালিকা আমার কাছে রয়েছে। এর পরিণতি খুব খারাপ হবে সতর্ক করলাম। কোনও বাবা বাঁচাবে না। কেউ বাঁচাবে না।” আবার তৃণমূল নেতা শেখ সুফিয়ান বলেন, “অভিষেক কোনও প্ররোচনা দেননি। আক্রমণের কথা তিনি বলেননি। বিজেপির পতাকা বাঁধার লোক নেই ওই এলাকায়।”   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: “নথি চেয়ে যোগ্য-অযোগ্য শিক্ষকদের গুলিয়ে দিতে চাইছেন মমতা”, তোপ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: “নথি চেয়ে যোগ্য-অযোগ্য শিক্ষকদের গুলিয়ে দিতে চাইছেন মমতা”, তোপ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাকরি বৈধতার নথি জমা দিতে বলে রাজ্যের শিক্ষকদের হেয় প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাংবাদিক বৈঠক করে ঠিক এমনটাই দাবি করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। গতকাল বুধবার তিনি বলেন, “নথি চেয়ে যোগ্য-অযোগ্য শিক্ষকদেরদের গুলিয়ে দিতে চাইছেন মমতা। যোগ্যদের ঘাড়ে বন্দুক রেখে অযোগ্য শিক্ষকদেরদের বাঁচাতে চাইছে তৃণমূল।”

    কী বললেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)?

    বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) রাজ্যের মমতার সরকারকে তোপ দেগে বলেন, “শিক্ষকদেরকে এখন ২ শ্রেণীতে ভাগে ভাগ করা হচ্ছে। আমাদের বর্তমান শিক্ষামন্ত্রীর কথা অনুসারে শিক্ষক ও ব্যতিক্রমী শিক্ষক। এসএসসি আদালতে গিয়ে বলেছে প্রায় ৮ হাজার অযোগ্য শিক্ষক রয়েছে। এই অযোগ্যদের বাঁচাতে গিয়ে গোটা রাজ্যের ১ লক্ষ ৩০ হাজার শিক্ষককে হেনস্থা করা হচ্ছে। তাঁদের কাছ থেকে নথি চাওয়া হচ্ছে। সেই জন্য নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। এই নির্দেশিকা অনুসারে আগামী ২৭ মের মধ্যে চাকরি সংক্রান্ত নথি জেলা স্কুল পরিদর্শকের কাছে দেওয়া দিতে হবে। যাঁরা আজ থেকে ৩০-৩৫ বছর আগে চাকরি পেয়ছেন তাঁদের কাছ থেকে নথি চাওয়ার মানে কী? এমন কী কিছু শিক্ষক, যাঁরা কয়েক বছরের মধ্যে অবসর নেবেন তাঁদের কাছেও তথ্য চাওয়া হচ্ছে। যোগ্যদের ঘাড়ে বন্দুক রেখে অযোগ্যদের বাঁচাতে চাইছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।”

    ভোট পরবর্তী হিংসা হাওড়ায়! বিজেপির কর্মীর বাড়িতে পড়ল পর পর বোমা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    আর কী বললেন?

    এদিন সাংবাদিক সম্মেলন করে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, “আমার প্রশ্ন হচ্ছে শিক্ষা দফতরের কাছে এই তথ্য তো থাকা উচিত। এসএসসি-র সুপারিশ পত্র চাওয়া উচিত। ত্রিশ বছর আগে এসএসসি ছিল না। সেই সময় কমিটির মাধ্যামে চাকরি হত। কমিটি চিঠি পাঠাত। সেই চিঠি এখন খুঁজে বের করতে বলা হয়েছে। অযোগ্যদের বিরুদ্ধে তদন্ত হোক। বার বার সকল শিক্ষকদের হেয় এবং অপমান করা হচ্ছে। তৃণমূল নোংরা রাজনীতি করছে। সিপিএম যদি চাকরি দেওয়া নিয়ে দুর্নীতি করে থাকে সেগুলিকে বার করুক। সিপিএম ধোয়া তুলসি পাতা নয়। সিপিএমের লোকগুলি এখন তৃণমূলের গিয়েছে।”    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: ভোট মিটে গেলেও রাজ্যে থাকবে ৩২০ কোম্পানি বাহিনী, জানাল কমিশন

    Lok Sabha Election 2024: ভোট মিটে গেলেও রাজ্যে থাকবে ৩২০ কোম্পানি বাহিনী, জানাল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ বছর লোকসভা ভোট (Lok Sabha Election 2024) এখনও পর্যন্ত নির্বিঘ্নেই কাটছে। ছোটখাটো কিছু বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া তেমন কোনও গণ্ডগোলের খবর সামনে আসেনি। সাত দফার মধ্যে বাকি রয়েছে আর দু দফা। তারপরেই এবারের মত শেষ হবে লোকসভা নির্বাচন। কিন্তু ভোট মটে গেলেও হিংসার আশঙ্কা রয়েছে। তাই ভোটের পরেও রাজ্যে থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force)। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রের খবর আগামী ৪ জুন লোকসভা ভোটের ফল ঘোষণার পরেও রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকবে। 

    কমিশনের সিদ্ধান্ত 

    ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে লোকসভা ভোটের (Lok Sabha Election 2024) ফল ঘোষণার পরেও আরও প্রায় ১৫ দিন এ রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকবে। সিআইএসএফ, সিআরপিএফ, বিএসএফ এবং এসএসবি মিলিয়ে ৩২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যের বাছাই করা কিছু এলাকায় মোতায়ন রাখা হবে বলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে সিআইএসএফ-এর কর্তা বলেন, ‘‘পরিস্থিতি অনুযায়ী ১৫ দিনের বেশিও রাখা হতে পারে বাহিনী (Central Force)। তা-ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।’’

    আরও পড়ুন: এ দেশেই রয়েছে ২১০০ বছর পুরনো বিশ্বের চতুর্থ প্রাচীনতম চালু বাঁধ, জানেন কি?

    ভোট পরবর্তী হিংসার আশঙ্কা

    গত বিধানসভা ভোটের পরে রাজ্য জুড়ে ভোট-পরবর্তী হিংসায় বিরোধী দলের দশ জনের বেশি সমর্থক-কর্মীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। আহত হন অনেকে। সে সময় অভিযোগের আঙুল উঠেছিল শাসকদল তৃণমূলের দিকে। মূলত সেই ঘটনাকে সামনে রেখেই তৈরি হয়েছে আশঙ্কা। পাশাপাশি বিভিন্ন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্টে এ বার লোকসভা নির্বাচনের (Lok Sabha Election 2024) পরে এ রাজ্য সন্ত্রাসের ছবি ফিরে আসার আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। আশঙ্কা, কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্য থেকে চলে গেলেই শুরু হতে পারে সংঘর্ষ। তাই সেই আশঙ্কা থেকেই ভোটের ফল ঘোষণার পরেও রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force) মোতায়েন রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 25: “দক্ষিণেশ্বরের পরমহংস সামান্য নহেন, এক্ষণে পৃথিবীর মধ্যে এত বড় লোক কেহ নাই”

    Ramakrishna 25: “দক্ষিণেশ্বরের পরমহংস সামান্য নহেন, এক্ষণে পৃথিবীর মধ্যে এত বড় লোক কেহ নাই”

    তৃতীয় পরিচ্ছেদ

    শ্রীযুক্ত কেশবের হিন্দুধর্মের উপর উত্তরোত্তর শ্রদ্ধা

    ১৮৯৭, ২৯ শে অক্টোবর বুধবার (১৩ই কার্তিক, ১২৮৬), কোজাগর পূর্ণিমায় বেলা ১ টার সময় কেশব আবার ভক্তসঙ্গে শ্রীরামকৃষ্ণকে দক্ষিণেশ্বরে দর্শন করতে যান। স্টীমারের সঙ্গে একখানি বজরা, ছয়খানি নৌকা, দুইখানি ডিঙ্গি, প্রায় ৮০ জন ভক্ত। সঙ্গে পতাকা পুষ্পপল্লব খোল করতাল ভেরী। হৃদয় অভ্যর্থনা করিয়া কেশবকে স্টীমার হইতে আনেন—গান গাইতে গাইতে সুরধনীর তীরে হরি বলে কে, বুঝি প্রেমদতা নিতাই এসেছে। ব্রাহ্মভক্তগণও পঞ্চবটী হইতে কীর্তন করিতে করিতে তাঁহার সঙ্গে আসিতে লাগিলেন; সচ্চিদানন্দ বিগ্রহ রূপানন্দ ঘন! তাহাদের মধ্যে ঠাকুর মাঝে মাঝে সমাধিস্থ। এই দিনে সন্ধ্যার পর বাঁধঘাটে পূর্ণচন্দ্রের আলোকে কেশব উপাসনা করিয়াছিলেন।    

    উপাসনার পর ঠাকুর বলিতেছিলেন, তোমরা বল “ব্রহ্ম আত্মা ভগবান” “ব্রহ্ম মায়া জীব জগৎ” “ভগবত ভক্ত ভগবান”। কেশবাদি ব্রাহ্মভক্তগণ সেই চন্দ্রালোকে ভাগীরথীতীরে সমস্বরে শ্রীরামকৃষ্ণের সঙ্গে সঙ্গে ওই সকল মন্ত্র ভক্তিভরে উচ্চারণ করিতে লাগিলেন। শ্রীরামকৃষ্ণ আবার যখন বলিলেন, “বল গুরু কৃষ্ণ বৈষ্ণব”। তখন কেশব আনন্দে হাসিতে হাসিতে বলিতেছেন, মহাশয়, এখন অতদূর নয়; “গুরু কৃষ্ণ বৈষ্ণব” আমরা যদি বলি লোকে বলিবে গোঁড়া! শ্রীরামকৃষ্ণও হাসিতে লাগিলেন ও বলিলেন, বেশ তোমরা (ব্রাহ্মরা) যতদূর পার তাহাই বল।

    কিছু দিন পরে ১৩ই নভেম্বর (২৮ শে কার্তিক), ১৮৭৯ কালীপূজার পরে রাম, মনোমোহন, গোপাল মিত্র দক্ষিণেশ্বরে শ্রীরামকৃষ্ণকে প্রথম দর্শন করেন।

    ১৮৮০ খ্রিষ্টাব্দে একদিন গ্রীষ্মকালে রাম ও মনোমোহন কমলকুটিরে কেশবের সহিত দেখা করিতে আসিয়াছিলেন। তাঁহাদের ভারী জানিতে ইচ্ছা, কেশববাবু ঠাকুরকে কিরূপ মনে করেন। তাঁহারা বলিয়াছেন, কেশববাবুকে জিজ্ঞাসা করাতে বলিলেন, “দক্ষিণেশ্বরের পরমহংস সামান্য নহেন, এক্ষণে পৃথিবীর মধ্যে এত বড় লোক কেহ নাই। ইনি এত সুন্দর, এত সাধারণ ব্যক্তি, ইঁহাকে অতি সাবধানে সন্তর্পণে রাখতে হয়; অযত্ন করলে এঁর দেহ থাকবে না; যেমন সুন্দর মূল্যবান জিনিস গ্লাসকেসে রাখতে হয়।

    আরও পড়ুনঃ “ঈশ্বরলাভ না করলে তাঁর আদেশ পাওয়া যায় না”

    “বেঙাচির ল্যাজ খসলে জলেও থাকতে পারে, আবার ডাঙাতেও থাকতে পারে”

    আরও পড়ুনঃ “দু-চারটা মাছ এমন সেয়ানা যে, কখনও জালে পড়ে না”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Oldest Operational Dam: এ দেশেই রয়েছে ২১০০ বছর পুরনো বিশ্বের চতুর্থ প্রাচীনতম চালু বাঁধ, জানেন কি?

    Oldest Operational Dam: এ দেশেই রয়েছে ২১০০ বছর পুরনো বিশ্বের চতুর্থ প্রাচীনতম চালু বাঁধ, জানেন কি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতবর্ষ ইতিহাসের দেশ। এমন কত ঐতিহাসিক স্থাপত্য আজও জমা রয়েছে ভারতবর্ষের (India) বুকেই। তেমনি এক ঐতিহাসিক নিদর্শন হল কাল্লানাই বাঁধ। ভারতের দক্ষিণে অবস্থিত তামিলনাড়ু শুধুমাত্র তার প্রাচীন প্রকৌশল কিংবা প্রাচীন মন্দিরের জন্য বিখ্যাত নয় বরং এইখানে রয়েছে এমন এক স্থাপত্য যার জন্য সারা ভারত তথা বিশ্বের মধ্যে বিখ্যাত এ রাজ্য। তামিলনাড়ুর তাঞ্জাভুর জেলায় ১৫০ খ্রিস্টাব্দে নির্মিত একটি বাঁধ রয়েছে। যা ভারতের প্রাচীনতম বাঁধ (Oldest Operational Dam) এবং বিশ্বের চতুর্থ প্রাচীনতম জল নিয়ন্ত্রক কাঠামো হিসেবে বিবেচিত হয়।  কাবেরী নদীর উপর নির্মিত এই কাল্লানাই বাঁধ চোল রাজবংশের রাজা কারিকালা চোলের রাজত্বকালে নির্মিত হয়। রাজা কারিকালা প্রাচীন তামিলনাড়ুতে শাসনকারী সর্বশ্রেষ্ঠ সম্রাটদের মধ্যে একজন ছিলেন। 

    কেন তৈরি হয়েছিল এই বাঁধ? (Oldest Operational Dam)

    জানা গিয়েছে, এই বাঁধ নির্মাণের পেছনে প্রধান কারণ ছিল নদীর জলকে  ধরে রেখে তা কৃষি কাজে ব্যবহার করা এবং পরোক্ষ ভাবে বন্যা নিয়ন্ত্রণ করা। কারিকালা চোল বুঝতে পেরেছিলেন যে কাবেরী ঘন ঘন প্লাবিত হয়। ফলে প্রতি বছর ওই এলাকার বাসিন্দাদের বন্যার মুখোমুখি হতে হয়। তাই প্রজাদের রক্ষা করতে তিনি কাবেরীর উপর এই বিশাল বাঁধ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেন।     

    এই বাঁধের বিশেষত্ব 

    প্রতি সেকেন্ডে দুই লক্ষ ঘনফুট জল প্রবাহিত কাবেরীর উপর নির্মিত এই বাঁধটি ২১০০ বছর ধরে একইরকম ভাবে দাঁড়িয়ে থাকার প্রধান কারণ হল প্রাচীন তামিলদের প্রযুক্তিগত জ্ঞান। সে সময় বাঁধ (Oldest Operational Dam) নির্মাণের জন্য প্রথমে নদীতে বড় বড় পাথর বসানো হয়েছিল। কিন্তু জলের স্রোতে ক্ষয়ের কারণে পাথরগুলো ভেঙে মাটিতে মিশে গিয়েছিল। এরপর ওই পাথরের স্তরগুলির উপর স্থাপন করা হয়েছিল এক ধরনের কাদামাটির মিশ্রণ যা জলে দ্রবণীয় ছিল না। বরং সেই মিশ্রণ একটি আঠালো পদার্থে পরিণত হয়েছিল যাতে পাথরগুলি একে অপরের সাথে সংযুক্ত রয়েছে বছরের পর বছর ধরে।   

    আরও পড়ুন: “ইন্ডি জোটকে বড় থাপ্পড় কলকাতা হাইকোর্টের”, ওবিসি রায় প্রসঙ্গে মোদি

    আজও সমান সচল এই বাঁধ

    জানা গিয়েছে, এরপর ১৯ শতকে ব্রিটিশরা এই বাঁধটির সংস্কার করে। ১৮০৪ সালে, ব্রিটিশ ক্যাপ্টেন ক্যাল্ডওয়েল, একজন সামরিক প্রকৌশলীকে কাবেরী নদী এবং ব-দ্বীপ অঞ্চল সংলগ্ন এলাকায় সেচ ব্যবস্থার উন্নতি করার দায়িত্ব দেয়। সেই সময় ক্যাল্ডওয়েল বাঁধটিকে (Oldest Operational Dam) উঁচু করার পরামর্শ দেন এবং তিনি বাঁধের পাথর ৬৯ সেন্টিমিটার বাড়িয়ে দেন, যার ফলে বাঁধের জল ধারণ ক্ষমতা আগের তুলনায় আরও বৃদ্ধি পায়। সবচেয়ে আশ্চর্যজনক বিষয় হল এই ২১০০ বছরের পুরনো বাঁধটি (Oldest Operational Dam) এখনও সফলভাবে কাবেরীর জল ধরে রেখে বন্যা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে চলেছে। তাই সারা বিশ্ব থেকে বহু পর্যটক এই বাঁধ দেখতে হাজির হন তামিলনাড়ুতে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • OBC Reservation Case: “অনেক জাতিকেই নিয়ম বিরুদ্ধভাবে ওবিসির অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে”, তোপ কমিশনের

    OBC Reservation Case: “অনেক জাতিকেই নিয়ম বিরুদ্ধভাবে ওবিসির অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে”, তোপ কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পশ্চিমবঙ্গে এক বছরে অনেক জাতিকে ওবিসির অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা নিয়ম বিরুদ্ধ।” বুধবার সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে কথাগুলি বললেন জাতীয় ওবিসি কমিশনের চেয়ারম্যান হংসরাজ গঙ্গারাম আহির (OBC Reservation Case)।

    বিস্ফোরক দাবি জাতীয় ওবিসি কমিশনের (OBC Reservation Case)

    তিনি বলেন, “ওবিসি তালিকায় কোনও জাতিকে জুড়তে গেলে যে যে নিয়ম মানতে হয়, যেভাবে রিপোর্ট তৈরি করতে হয়, তার কোনও কিছুই করা হয়নি। সেটাই এখন সামনে এসেছে। হাইকোর্ট মেনে নিয়েছে। কোনও জাতিকে ওবিসি তালিকায় আনতে গেলে তার একটা সার্ভে করতে হয়, রিপোর্ট তৈরি করতে হয়।” ওবিসি কমিশনের (OBC Reservation Case) চেয়ারম্যান বলেন, “এই কাজটা করে কালচারাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট। কিন্তু ওরা ঠিকভাবে কাজ করে না। এদিকে, ওদের রিপোর্ট এখানকার ওবিসি কমিশন মানে, সেটাই আবার এখানকার সরকার মানে। এটা ঠিক নয়।” তিনি বলেন, “আমরা ১০ থেকে ১২ বার রিপোর্ট দিতে দিল্লিতে ডেকে পাঠিয়েছিলাম। এক বছর হয়ে গেল, রিপোর্ট দেয়নি। কেউ আসেনি দেখা করতে। আমরা দ্রুত অ্যাকশন নেব।”

    নিশানা মুখ্য সচিবকেও

    এদিন রাজ্যের মুখ্য সচিবকেও নিশানা করেছেন হংসরাজ। বলেন, “এখানকার মুখ্যসচিব কোনও সহযোগিতা করেন না। আমরা রাজ্যের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করব। কতবার রিপোর্ট চেয়েছি, পাইনি। এরা অসম্মান করে।” তিনি বলেন, “একশোর বেশি মুসলিম জাতি আর ৬১টি হিন্দু জাতির মানুষ এখানকার ওবিসির তালিকায়। এখানকার কালচারাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট একদম খারাপ সার্ভে করে। কতবার রিপোর্ট চেয়েছি, দেয়নি।”

    আর পড়ুন: “ইন্ডি জোটকে বড় থাপ্পড় কলকাতা হাইকোর্টের”, ওবিসি রায় প্রসঙ্গে মোদি

    প্রসঙ্গত, বুধবার ২০১০ সালের পরে রাজ্যে তৈরি হওয়া ওবিসি তালিকা বাতিল করার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, ওয়েস্ট বেঙ্গল ব্যাকওয়ার্ড ক্লাস কমিশন অ্যাক্ট, ১৯৯৩ অনুযায়ী নতুন করে তালিকা তৈরি করে বিধানসভায় পেশ করে চূড়ান্ত অনুমোদন নিতে হবে।

    এদিকে, আদালতের নির্দেশের জেরে বাতিল হতে চলেছে প্রায় ৫ লাখ ওবিসি সার্টিফিকেট। শুধু ৫ লাখ সার্টিফিকেট নয়, ৩৭টি শ্রেণির ওবিসি সংরক্ষণও বাতিল করেছে আদালত। হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে মুসলমানদের ৭৭টি শ্রেণিকে ওবিসি সংরক্ষণ দেওয়া গোটা মুসলিম সমাজ ও গণতন্ত্রের অপমান। তবে হাইকোর্টের রায় মানবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দমদম লোকসভা কেন্দ্রের খড়দহের এক নির্বাচনী জনসভায় তিনি বলেন, “কাউকে দিয়ে একটা অর্ডার করিয়েছে। তাঁর রায় আমি মানি না। এটা বিজেপির রায়। আমরা মানব না (OBC Reservation Case)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share