Tag: news in bengali

news in bengali

  • Hemant Soren: বিদ্রোহ হেমন্তের পরিবারে, কল্পনাকে মুখ্যমন্ত্রী চান না জেএমএমের সিংহভাগ বিধায়ক!

    Hemant Soren: বিদ্রোহ হেমন্তের পরিবারে, কল্পনাকে মুখ্যমন্ত্রী চান না জেএমএমের সিংহভাগ বিধায়ক!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইডির প্রশ্নবাণের মুখে ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন (Hemant Soren)। রাঁচিতে জমি কেনাবেচায় আর্থিক অনিয়ম ও নথি জালিয়াতি সংক্রান্ত মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সপ্তমবারের জন্য তলব করা হয়েছিল হেমন্তকে। এর আগে ছ’ বার সমন পেয়েও হাজিরা এড়িয়েছেন তিনি। বুধবার দিলেন হাজিরা।

    সাদা কাগজে সই!

    ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী গ্রেফতার হয়ে যেতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন তাঁর দল ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার বিধায়করা। যদি হেমন্তকে গ্রেফতার করা হয়, তাহলে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসবেন তাঁর স্ত্রী কল্পনা। তিনি গ্রেফতার হওয়ার পরে মুখ্যমন্ত্রী পদে বসতে তাঁর স্ত্রীকে যাতে বিদ্রোহের মুখে পড়তে না হয়, সেজন্য দলীয় বিধায়কদের সাদা কাগজে সই করিয়ে নেওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর, স্ত্রী কল্পনা এবং মন্ত্রী চম্পাই সোরেনের মধ্যে কোনও একজন যাতে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসতে পারেন, তাই এই ব্যবস্থা।

    বিজেপি সাংসদের দাবি

    তবে হেমন্তের (Hemant Soren) পরে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে কল্পনার বসাটা নিছক কেক ওয়াক হবে না বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের। বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবের দাবি, কল্পনা মুখ্যমন্ত্রী পদে বসার খবর ছড়িয়ে পড়তেই বিদ্রোহ শুরু হয়েছে হেমন্তের দলের অন্দরে। তিনি জানান, ২৯ জন বিধায়কের মধ্যে ১৮ জনই চান না মুখ্যমন্ত্রীর তখতে বসুন কল্পনা। তিনি বলেন, “জেএমএমের ১৮ জন বিধায়ক বসন্ত সোরেনকে মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে দেখতে চান।” দুমকার বিধায়ক বসন্ত হেমন্তের ভাই। ঝাড়খণ্ডে মুখ্যমন্ত্রী পদের দাবিদার আরও একজন। তিনি হলেন হেমন্তের বড় দাদা প্রয়াত দুর্গা সোরেনের স্ত্রী সীতা।

    আরও পড়ুুন: জ্ঞানবাপী মসজিদের বেসমেন্ট চত্বরে হিন্দুদের পুজোর অনুমতি এলাহাবাদ হাইকোর্টের

    ঝাড়খণ্ড বিধানসভার সদস্য সংখ্যা ৮১। শাসক জোটের পক্ষে রয়েছেন ৪৯ জন। এর মধ্যে হেমন্তের দলের বিধায়কের সংখ্যা ২৯। বাকি কুড়িজনের মধ্যে রয়েছে কংগ্রেস, এনসিপি, বাম এবং আরজেডির বিধায়ক। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার হেমন্তের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ৩৫ জন। বাকিরা সীতার পাশে রয়েছেন বলে খবর। সীতা বলেন, “আমি সোরেন পরিবারের বড় বউমা। আমার প্রয়াত স্বামী দীর্ঘদিন ধরে ঝাড়খণ্ডকে পৃথক রাজ্যের মর্যাদা দেওয়ার দাবিতে আন্দোলন করেছিলেন। আমি হেমন্তকে তাঁর উত্তরাধিকার বলে মনে করি, অন্য কিছু নয়।” তিনি বলেন, “গুরুজি (শিবু সোরেন) এবং আমার স্বামীর জল-জঙ্গল-জমিনের স্বপ্ন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।”

    সীতার বক্তব্যের নির্যাস, মুখ্যমন্ত্রীর (Hemant Soren) পদের দাবিদার তিনিই। আর যদি তা হয়, তাহলে বনবাসে যেতে হবে সীতাকে নয়, কল্পনাকে! এদিকে, বাংলার মতো ঝাড়খণ্ডেও ইডির বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছে সে রাজ্যের পুলিশ। রাঁচির পুলিশ সুপার চন্দন সিনহা বলেন, ইডি আধিকারিকরা মুখ্যমন্ত্রীর ভাবমূর্তি কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করছে বলে দাবি মুখ্যমন্ত্রীর। তাই দায়ের হয়েছে এফআইআর।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Gyanvapi Mosque: জ্ঞানবাপী মসজিদের বেসমেন্ট চত্বরে হিন্দুদের পুজোর অনুমতি এলাহাবাদ হাইকোর্টের

    Gyanvapi Mosque: জ্ঞানবাপী মসজিদের বেসমেন্ট চত্বরে হিন্দুদের পুজোর অনুমতি এলাহাবাদ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্ঞানবাপী মসজিদের (Gyanvapi Mosque) অন্দরে সিল করা বেসমেন্ট চত্বরে হিন্দুদের পুজো করার অনুমতি দিল এলাহাবাদ হাইকোর্ট। বুধবার এই অনুমতি দিয়েছে আদালত। সিল করা বেসমন্টকে বলা হচ্ছে ব্যস কা তয়খানা।

    পুজোর অনুমতি

    হিন্দু পক্ষের আইনজীবী বিষ্ণু শঙ্কর জৈন বলেন, “আগামী সাত দিনের মধ্যে জ্ঞানবাপী মসজিদের বেসমেন্টে পুজো শুরু হবে। সব হিন্দুরাই সেখানে পুজোর অনুমতি পাবেন।” হিন্দুরা যাতে নির্বিঘ্নে এই চত্বরে পুজো করতে পারেন, সেজন্য স্থানীয় প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় বন্দোবস্ত করার নির্দেশও দিয়েছে আদালত। শ্রী কাশী বিশ্বনাথ মন্দির ট্রাস্টকে জ্ঞানবাপী মসজিদের ওই অংশে পুজোর জন্য একজন পূজারির নামও সুপারিশ করতে বলা হয়েছে। ব্যারিকেড সরানো থেকে পুজোর স্থান পরিষ্কার সহ যাবতীয় ব্যবস্থা করতেও বলা হয়েছে প্রশাসনকে।

    হিন্দু পক্ষের দাবি

    ৩১ জানুয়ারি কর্মজীবনের শেষ দিন ছিল বিচারপতি কৃষ্ণমোহন পাণ্ডের। তিনিই মসজিদের সিল করা ওই বেসমেন্ট পুজোর অনুমতি দেন হিন্দুদের। প্রসঙ্গত, ১৯৮৩ সালে অযোধ্যার রাম মন্দিরের তালা খোলা ও সেখানে পুজোর অনুমতি দিয়েছিলেন বিচারপতি পাণ্ডেই। এএসআইয়ের বৈজ্ঞানিক সমীক্ষার রিপোর্ট তুলে (Gyanvapi Mosque) ধরে এদিন আদালতে সওয়াল করেন আইনজীবী জৈন। তাঁর দাবি, জ্ঞানবাপী মসজিদের নীচে হিন্দু মন্দিরের অস্তিত্ব মিলেছে। মন্দিরের কাঠামো পরিবর্তন করে ও তার ওপর প্লাস্টার করে মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছিল। মসজিদের দেওয়ালে হিন্দু মন্দিরের চিহ্নও পাওয়া গিয়েছে। মিলেছে ৩৪টি শিলালিপিও।

    আরও পড়ুুন: ‘নিখোঁজ’, ‘বেপাত্তা’ শাহজাহানের আগাম জামিনের আবেদন এবার বারাসত আদালতে!

    এএসআইয়ের সার্ভে রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার পরেই মসজিদের এই অংশ হিন্দুদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানায় বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। এর পরেই পুজোর অনুমতি চেয়ে এলাহাবাদ হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় হিন্দু পক্ষ। মসজিদের ওজুখানা খোলা ও ফের এএসআই সার্ভের দাবিও জানানো হয় সুপ্রিম কোর্টে। মসজিদের সিল করা বেসমেন্টে পুজোর অনুমতি চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বেদব্যাস পীঠের আচার্য শৈলেন্দ্র কুমার পাঠক। তিনি চেয়েছিলেন হিন্দুরা যাতে মসজিদের সিল করা বেসমেন্ট চত্বরে শৃঙ্গার গৌরীর সুযোগ পায়। সেই মামলার প্রেক্ষিতেই পুজোর (Gyanvapi Mosque) অনুমতি দিল এলাহাবাদ হাইকোর্ট।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Interim budget 2024: লক্ষ্মীবারে অন্তর্বর্তীকালীন বাজেট, কী আশা করবেন, কী করবেন না

    Interim budget 2024: লক্ষ্মীবারে অন্তর্বর্তীকালীন বাজেট, কী আশা করবেন, কী করবেন না

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবারই শুরু হয়ে গিয়েছে বাজেট অধিবেশন। আজ, বৃহস্পতিবার লোকসভায় বাজেট পেশ করবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। মধ্য এপ্রিলে লোকসভা নির্বাচন হওয়ার কথা। তাই পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ হবে না। পেশ হবে ভোট অন অ্যাকাউন্ট বা অন্তর্বর্তীকালীন বাজেট (Interim budget 2024)।

    অধীর আগ্রহে অপেক্ষা

    বাজেটে সাধারণ বিভিন্ন বিষয়ে ঘোষণা করা হয়। তাই কেন্দ্রীয় বাজেট নিয়ে প্রত্যাশার পারদ চড়তে থাকে আমজনতার মধ্যেও। অন্তর্বর্তীকালীন বাজেটে অবশ্য সে সুযোগ থাকে না। তা সত্ত্বেও এবার ভোট অন অ্যাকাউন্ট নিয়ে প্রত্যাশার খামতি নেই সাধারণ মানুষের মধ্যে। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি কর্পোরেট হাউসগুলিও অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে সরকার কী কী বিষয়ে কী ঘোষণা করে, সে দিকে। এবছর এমন একটা সময়ে বাজেট (Interim budget 2024) পেশ হতে চলেছে, যখন বিশ্ব অর্থনীতির নানা চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে হচ্ছে ভারতীয় অর্থনীতিকে। আত্মমর্যাদা ও আত্মনির্ভর অর্থনীতির লক্ষ্যে এগোচ্ছে দেশীয় অর্থনীতি। অন্তর্বর্তীকালীন বাজেটে নির্বাচন-পর্ব পর্যন্ত অর্থনীতির একটি প্রাথমিক রোডম্যাপ তৈরি করা হয়।

    ইমিডিয়েট এক্সপেন্ডিচারের রূপরেখা

    নয়া সরকার গঠিত হলে, নতুন করে বাজেট পেশ করবে সেই সরকারের অর্থমন্ত্রী। আসন্ন বাজেটে বিরাট কিছু আশা না করার পরামর্শ দিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। এই বাজেটে দীর্ঘ মেয়াদি অর্থনৈতিক স্ট্র্যাটেজির বদলে ইমিডিয়েট এক্সপেন্ডিচারের রূপরেখা মিলবে। কর ছাড়ের বিষয়েও সিদ্ধান্ত ঘোষণা হতে পারে। তবে সেজন্যও দেশবাসীকে অপেক্ষা করতে হবে নির্বাচন পর্ব মেটা পর্যন্ত। বড় কোনও জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের কথাও অন্তর্বর্তীকালীন বাজেটে থাকবে না। নির্বাচনের পর নতুন সরকার গঠিত হলে তখনই এ বিষয়ে বড় কোনও সিদ্ধান্ত ঘোষণা করতে পারে সরকার।

    আরও পড়ুুন: ‘‘মন্দির কোনও পিকনিক স্পট নয়’’, প্রবেশ নিষেধ অহিন্দুদের, জানাল মাদ্রাজ হাইকোর্ট

    যদিও ঘাটতি শূন্য বাজেট পেশ করাই লক্ষ্য সরকারের, তবে তা হবে না অন্তর্বর্তীকালীন বাজেটে (Interim budget 2024)। সেজন্যও অপেক্ষা করতে হবে পূর্ণাঙ্গ বাজেট পর্যন্ত। ফিনান্সিয়াল রেগুলেশনে পরিবর্তনের ছাপও পড়বে না অন্তর্বর্তী বাজেটে। এজন্যও অপেক্ষা করতে হবে পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ হওয়া পর্যন্ত। জানা গিয়েছে, পিএম কিষান খাতে বরাদ্দ বাড়ানো হতে পারে। আয়ুষ্মান ভারত প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনায় বরাদ্দ ৫ লাখ থেকে বাড়িয়ে করা হতে পারে ১০ লাখ (Interim budget 2024)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Budget Session 2024: “৩৭০ ধারা নিয়ে শঙ্কা এখন ইতিহাস”, বাজেট ভাষণে বললেন রাষ্ট্রপতি

    Budget Session 2024: “৩৭০ ধারা নিয়ে শঙ্কা এখন ইতিহাস”, বাজেট ভাষণে বললেন রাষ্ট্রপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, ৩১ জানুয়ারি, বুধবার শুরু হয়েছে বাজেট অধিবেশন (Budget Session 2024)। চলবে ফেব্রুয়ারির ৯ তারিখ পর্যন্ত। এই অধিবেশনেই ভোট অন অ্যাকাউন্ট পেশ করবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। দ্বিতীয় মেয়াদে এটাই মোদি সরকারের শেষ বাজেট অধিবেশন। প্রথা মেনে এদিন সংসদের উভয় কক্ষেই ভাষণ দেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তাঁর বক্তৃতায় শোনা গিয়েছে মোদি সরকারের ভূয়সী প্রশংসা।

    গরিবি হটাও স্লোগান

    রাষ্ট্রপতি বলেন, “আজ আমরা যে অর্জনগুলি দেখতে পাচ্ছি, তা গত দশ বছরের অনুশীলনের সম্প্রসারণ। আমরা ছোটবেলা থেকেই গরিবি হটাও স্লোগান শুনে এসেছি। আজ, আমাদের জীবনে প্রথমবারের মতো আমরা দারিদ্র দূরীকরণ দেখছি।” তিনি বলেন, “এশিয়ান গেমসে ভারত ১০০টিরও বেশি পদক জিতেছে। দেশজুড়ে ৫জি পরিষেবা চালু করা হয়েছে। আরটিআই ফাইল করা মানুষের সংখ্যা ৩.২৫ কোটি বেড়ে হয়েছে ৮ কোটিরও বেশি। এই অর্জনগুলি দেশের দশ বছরের কঠোর পরিশ্রমের ফল।” রাষ্ট্রপতি বলেন, “৩৭০ ধারা নিয়ে শঙ্কা এখন ইতিহাস হয়ে গিয়েছে। বর্তমানে দেশে রয়েছে এক লাখেরও বেশি স্টার্টআপ। জিএসটি দিচ্ছেন এ কোটি ৪০ লক্ষ মানুষ।”

    ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থা এখন ইতিহাস

    তিনি (Budget Session 2024) বলেন, “বিশ্বে গুরুতর আর্থিক সঙ্কট থাকা সত্ত্বেও দ্রুত উন্নতি করছে ভারত। আমার সরকার অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিলও এনেছে। এগুলি এমন আইন, যা একটি উন্নত ভারতের অর্জনের জন্য শক্তিশালী উদ্যোগ। ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থা এখন ইতিহাস।” রাষ্ট্রপতি বলেন, “গত বছর ছিল ভারতের জন্য ঐতিহাসিক অর্জনে ভরপুর। চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে ভারত সফলভাবে অবতরণ করেছে। জি২০-র সাফল্য সমগ্র বিশ্বে ভারতের ভূমিকাকে শক্তিশালী করেছে। সরকার লাখ লাখ যুবককে সরকারি চাকরি দিয়েছে। নারী শক্তি আইন লোকসভা, রাজ্যসভায় মহিলাদের অংশগ্রহণ বাড়াবে। বহু বছর ধরে রাম মন্দির নির্মাণের প্রতীক্ষা ছিল। কিন্তু এখন তা সম্পূর্ণ হয়েছে।”

    আরও পড়ুুন: সুজিত-ঘনিষ্ঠ নিতাইকে তলব ইডির, সিবিআই দফতরে হাজিরা দেবরাজের

    রাষ্ট্রপতি বলেন, “২৫ কোটি ভারতীয় দারিদ্রসীমা থেকে বেরিয়ে এসেছে। তিন তালাকের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রণয়ন করেছে সরকার। উজ্জ্বলা প্রকল্পে ২.৫ কোটি টাকা ব্যয় করেছে। দরিদ্রদের সস্তায় রেশন দিতে ২০ লক্ষ কোটি টাকা খরচ করা হয়েছে। আয়ুষ্মান যোজনায় বিনামূল্যে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। কিডনির রোগীদের জন্য  ডায়ালিসিসের সুবিধা দেওয়া হয়েছে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Budget 2024: ষষ্ঠতম বাজেট পেশ করবেন নির্মলা সীতারামন, কোথায় শুনবেন তাঁর ভাষণ

    Budget 2024: ষষ্ঠতম বাজেট পেশ করবেন নির্মলা সীতারামন, কোথায় শুনবেন তাঁর ভাষণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৩১ জানুয়ারি, বুধবার শুরু হচ্ছে বাজেট অধিবেশন। চলবে ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। ১ ফেব্রুয়ারি বাজেট (Budget 2024) পেশ হবে। লোকসভা নির্বাচন থাকায় পূর্ণাঙ্গ বাজেট নয়, পেশ হবে ভোট অন অ্যাকাউন্ট। নির্বাচনের পর নয়া সরকার গঠিত হলে পেশ হবে পূর্ণাঙ্গ বাজেট।

    বাজেট অধিবেশন

    বুধবার রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর ভাষণ দিয়ে শুরু হবে অধিবেশন। পরের দিন বাজেট পেশ করবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। এটি তাঁর ষষ্ঠতম বাজেট। অন্তর্বর্তীকালীন বাজেটে সচরাচর বড় কোনও ঘোষণা করে না কোনও সরকারই। তবে আয়করে ছাড়ের কথা ঘোষণা হতে পারে। তাই বাজেট বক্তৃতায় কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী কী বলেন, সেদিকেই তাকিয়ে তামাম ভারত। বৃহস্পতিবার লোকসভায় বাজেট (Budget 2024) পেশ করবেন নির্মলা। তাঁর বক্তৃতা শুরু হবে বেলা ১১টায়।

    কোথায় দেখবেন?

    সম্প্রচারিত হবে সংসদ টিভি এবং দূরদর্শন নিউজে। অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেল এবং ওয়েবসাইটে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর বাজেট বক্তৃতা শেয়ার করবে পিআইবি। এনডিটিভি এবং এর সমস্ত নেটওয়ার্ক চ্যানেলেও সম্প্রচারিত হবে নির্মলার বাজেট ভাষণ। এনডিটিভির অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলেও সম্প্রচারিত হবে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর ভাষণ। বাজেট বক্তৃতা শেষে কেন্দ্রীয় বাজেটের সব নথি মিলবে অফিসিয়াল ওয়েবসইট এবং মোবাইল অ্যাপে। অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহারকারীরা গুগল প্লে থেকে অ্যাপ ডাউনলোড করতে পারবেন। যাঁরা আইওএস ব্যবহার করেন, তাঁরা এটি দেখতে পাবেন অ্যাপ স্টোরে।

    আরও পড়ুুন: সিল খোলা হোক জ্ঞানবাপীর ওজুখানার, উঠল এএসআই সমীক্ষার দাবিও

    চাকরিজীবীদের পাশাপাশি আসন্ন অন্তর্বর্তীকালীন বাজেটে সুখবর পেতে পারেন কৃষকরা। দ্বিগুণ করা হতে পারে পিএম কিষান সম্মান নিধি প্রকল্পে কেন্দ্রীয় অর্থ সাহায্য। মহিলাদের নিয়ে একাধিক বড় ঘোষণাও করা হতে পারে আসন্ন ভোট অন অ্যাকাউন্টে। কমানো হতে পারে পেট্রোল-ডিজেলের দাম।

    ইতিমধ্যেই কনফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ার ইন্ডাস্ট্রিজ নিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ, পেট্রোলিয়াম, বিদ্যুৎ ও আবাসন খাতকে জিএসটির পরিকাঠামোর অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব সহ বেশ কয়েকটি বিষয় সুপারিশ করেছে। ক্যাপেক্স ২০ শতাংশ বাড়িয়ে ১২ লক্ষ কোটি টাকা করার পাশাপাশি একটি পূর্ণাঙ্গ মিনিস্ট্রি অফ ইনভেস্টমেন্ট তৈরি করার বিষয়েও সুপারিশ করা হয়েছে (Budget 2024)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Jammu and Kashmir: কাটল খরা, তুষারের চাদরে ঢাকল কাশ্মীর, বন্ধ যান চলাচল

    Jammu and Kashmir: কাটল খরা, তুষারের চাদরে ঢাকল কাশ্মীর, বন্ধ যান চলাচল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ খরা কাটিয়ে তুষারপাত ভূস্বর্গে (Jammu and Kashmir)। বরফের চাদরে ঢাকল উত্তর-কাশ্মীরের বিস্তীর্ণ এলাকা। রাস্তা ঢেকে গিয়েছে মোটা পুরু বরফের চাদরে। বন্ধ হয়ে গিয়েছে যান চলাচল। যেসব রাস্তায় কোনওক্রমে চলছে যানবাহন, সেখানেও গাড়ির গথ এতই শ্লথ যে, যানজট হচ্ছে যত্রতত্র।

    কাশ্মীরে তুষারপাত

    শুক্রবার থেকে তুষারপাত শুরু হয়েছে কাশ্মীরে। গুর্জ এলাকায় ঘরবাড়ি-গাছপালার রং হয়েছে সাদা। গুর্জের পাশাপাশি প্রবল তুষারপাত হয়েছে তুলাইল ও দাওয়ার এলাকায়। চলতি শীতে কাশ্মীরে এটাই প্রথম তুষারপাত। তুষারপাত দেখতে কাশ্মীরে গিয়ে হতাশ হয়েছেন পর্যটকরা। কাশ্মীরে তুষারপাত হচ্ছে না, খবর ছড়িয়ে পড়তেই বহু পর্যটক কাশ্মীর না গিয়ে বেড়াতে চলে যান অন্যত্র। প্রত্যাশিতভাবেই মার খেয়েছে ভূস্বর্গের পর্যটন শিল্প। পর্যটনের ভরা মরশুমেই পর্যটকের আকাল দেখা দেওয়ায় হা-হুতাশ করতে দেখা যায় উপত্যকার পর্যটন শিল্পের সঙ্গে জড়িত মানুষদের।

    ভারী তুষারপাত হতে পারে কাশ্মীরে

    শুক্রবার কাটল (Jammu and Kashmir) সেই খরা। উত্তর কাশ্মীর প্রশাসনের পক্ষে থেকে জানোনো হয়েছে, তুষারপাতের পরিমাণ খুব বেশি নয়। তবে তুষারপাত হয়েছে বিস্তীর্ণ এলাকায়। বরফ জমে যাওয়ায় বিপজ্জনক হয়ে পড়েছে গুর্জ রোডের প্রায় ৮৫ কিলোমিটার এলাকা। বরফ সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করতে ইতিমধ্যেই পথে নেমে পড়েছেন প্রশাসনিক কর্তারা। কয়েকদিনের মধ্যেই ভারী তুষারপাত হতে পারে বলে খবর। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, গুলমার্গে চার ইঞ্চি উঁচু বরফ জমে রয়েছে। উপত্যকার যেসব শহরে তুষারপাত হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে পহেলগাঁও, সোনমার্গ, মাচ্ছিল এবং সোপিয়ানও।

    আরও পড়ুুন: “দয়া করে পাকিস্তানে চলে যান”, বললেন ফতোয়া পাওয়া সেই ইমাম

    কাশ্মীরে প্রচণ্ড ঠান্ডা পড়ে ৪০ দিন। এই সময়টাকে চিল্লাই কালান বলে। মূলত এই সময়টাই প্রবল তুষারপাত ও বৃষ্টিপাত হয় কাশ্মীরে। এ বছর এই সময়ের সিংহভাগ সময়টাই হা-তুষার দশা ছিল কাশ্মীরে। শেষতক তুষারপাত হওয়ায় পর্যটকদের পাশাপাশি খুশি কাশ্মীরের বাসিন্দারাও। কাশ্মীরে তুষারপাত না হওয়ায় দিন কয়েক আগেই কাশ্মীরের আবহাওয়া দফতরের ডিরেক্টর মুখতার আহমেদ বলেছিলেন, “শীতের এই সময়টায় বৃষ্টি হয় কাশ্মীরে। তার পরেই তাপমাত্রা নামতে থাকে হিমাঙ্কের নীচে। শুরু হয় চিল্লাই কালান। তুষারপাত দেখতে পর্যটকরা ভূস্বর্গে ভিড় করেন এই (Jammu and Kashmir) সময়টায়।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Ram Mandir: “দয়া করে পাকিস্তানে চলে যান”, বললেন ফতোয়া পাওয়া সেই ইমাম

    Ram Mandir: “দয়া করে পাকিস্তানে চলে যান”, বললেন ফতোয়া পাওয়া সেই ইমাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁর অপরাধ মুসলমান হয়েও যোগ দিয়েছিলেন অযোধ্যায় রাম মন্দির (Ram Mandir) উদ্বোধনের অনুষ্ঠানে। তাই ফতোয়া জারি করা হল অল ইন্ডিয়া ইমাম অর্গানাইজেশনের প্রধান উমর আহমেদ ইলিয়াসির বিরুদ্ধে। ফতোয়ায় তাঁকে ‘কাফের’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ফতোয়া জারি করেছে মুফতি সাবির হুসেইনির নেতৃত্বাধীন মুফতি ক্লাসেস নামে একটি দল।

    লাগাতার হুমকি ফোন

    ইলয়াসির অভিযোগ, রবিবার থেকে তাঁর ওপর এই ফতোয়া জারি করা হয়েছে। রাম মন্দির উদ্বোধন অনু্ষ্ঠানে যোগ দেওয়ার পর থেকে লাগাতার হুমকি ফোনও তিনি পাচ্ছেন। দেওয়া হচ্ছে প্রাণনাশের হুমকি। বিষয়টি জানিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে চিঠি লিখেছেন ইমাম। দিল্লির পুলিশ কমিশনারকে বিষয়টি জানানোর পাশাপাশি দায়ের করেছেন এফআইআরও। ইমাম বলেন, “যাঁরা (Ram Mandir) আমায় ভালোবাসেন, দেশকে ভালোবাসেন, তাঁরা অবশ্যই আমায় সমর্থন করবেন। আর যাঁরা রাম মন্দিরের ইভেন্টে অংশ নেওয়ার জন্য আমায় ঘৃণা করছেন, তাঁরা দয়া করে পাকিস্তানে চলে যান।”

    ‘মনুষ্যত্বই আমাদের এক করে’

    ইমাম বলেন, “রাম মন্দির ট্রাস্টের পক্ষ থেকে আমন্ত্রণ পাওয়ার পর আমি দু’ দিন বিষয়টি নিয়ে ভাবনাচিন্তা করি। তারপর অযোধ্যা যাওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিই। এটা আমার জীবনের সব চেয়ে বড় সিদ্ধান্ত ছিল। দেশের সম্প্রীতি রক্ষার্থে আমি সেখানে গিয়েছিলাম। অল ইন্ডিয়া ইমাম অর্গানাইজেশনের প্রধান ইমাম হিসেবে আমাকে রাম মন্দিরের (Ram Mandir) প্রাণপ্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। সেখানে উষ্ণ অভ্যর্থনায় স্বাগত জানানো হয় আমাকে। সেদিন অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার পর আমার মনে হয়েছিল, দুটি ধর্মের বিশ্বাস আলাদা হতে পারে, কিন্তু মনুষ্যত্বই আমাদের এক করে।”

    আরও পড়ুুন: চিনপন্থী মুইজ্জুকে গদিচ্যুত করতে ইমপিচমেন্ট প্রক্রিয়া শুরু মলদ্বীপে!

    ইলিয়াসি বলেন, “আমায় এবং আমার পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই, ভারত ইসলামিক দেশ নয়। ফলে এই সব ফতোয়া এখানে চলবে না। আমি যে ভালোবাসা ও সৌভ্রাতৃত্বের বার্তা দিচ্ছি, তা কারও পছন্দ না হলে সে পাকিস্তানে চলে যেতে পারে। আমি কোনও ভুল করিনি। প্রাণপ্রতিষ্ঠা উৎসবে অংশ নেওয়ার জন্য আমি ক্ষমা চাইব না। পদ থেকেও ইস্তফা দেব না।” প্রসঙ্গত, ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন হয় রাম মন্দিরের। এদিনই প্রাণপ্রতিষ্ঠা হয় বালক রামের মূর্তির। উৎসবে (Ram Mandir) উপস্থিত ছিলেন দেশ-বিদেশের বহু মানুষ। ছিলেন এই ইমামও।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

      

  • Maldives: চিনপন্থী মুইজ্জুকে গদিচ্যুত করতে ইমপিচমেন্ট প্রক্রিয়া শুরু মলদ্বীপে!

    Maldives: চিনপন্থী মুইজ্জুকে গদিচ্যুত করতে ইমপিচমেন্ট প্রক্রিয়া শুরু মলদ্বীপে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমেই ঘোরালো হচ্ছে মলদ্বীপের (Maldives) রাজনৈতিক পরিস্থিতি। চিনপন্থী প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মুইজ্জুর বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রক্রিয়া শুরু করতে চলেছেন দ্বীপরাষ্ট্রের বিরোধীরা। মলদ্বীপের সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ মলদ্বীভিয়ান ডেমোক্রেটিক পার্টি। ইমপিচমেন্ট আনতে প্রয়োজনীয় স্বাক্ষর সংগ্রহ করছেন এই দলের নেতারা।

    মুইজ্জুর চিন-প্রেম

    মুইজ্জুর চিন-প্রেমকে ভালো চোখে দেখেননি সে দেশের বিরোধীরা। ভারতের বিরুদ্ধে যে অবস্থান নিয়েছে মুইজ্জু প্রশাসন, তাকেও বিষনজরে দেখছেন তাঁরা। এহেন আবহে চিনা চর জাহাজকে রাজধানী মালের বন্দরে স্বাগত জানানোয় মুইজ্জুর ওপর বেজায় চটেছেন বিরোধীরা। তার পরেই শুরু হয়েছে মুইজ্জুকে ইমপিচমেন্ট করার প্রক্রিয়া। গত নির্বাচনে মলদ্বীপের (Maldives) ক্ষমতায় আসে চিনপন্থী নেতা মুইজ্জু। তার পর থেকে ভারত-মলদ্বীপের সম্পর্ক গিয়ে ঠেকেছে তলানিতে।

    মলদ্বীপের রাজনৈতিক হাওয়া

    মলদ্বীপের রাজনৈতিক মহলও ভাগ হয়ে গিয়েছে দু’ ভাগে। একদল মুইজ্জুপন্থী। আর অন্য দল ভারতপন্থী। মলদ্বীপের ভারতপন্থী নেতারা মুইজ্জু সরকারের চিন-প্রেমে যারপরনাই ক্ষুব্ধ। ‘পরম মিত্র’ দেশ ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক নষ্টের জন্য তাঁরা দুষছেন মুইজ্জু প্রশাসনকে। সম্প্রতি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্য করেন মুইজ্জু সরকারের তিন মন্ত্রী। চাপে পড়ে তাঁদের সাসপেন্ড করা হলেও, উন্নতি ঘটেনি ভারত-মলদ্বীপ সম্পর্কের। এহেন আবহে রবিবার দ্বীপরাষ্ট্রের (অ)সংসদীয়কাণ্ডের ছবি ভাইরাল। এদিন সংসদের ভেতরে সাংসদদের মধ্যেই চলল লাথি, ঘুষি, চড়-থাপ্পড়, চুল ধরে টানা, বাঁশি বাজিয়ে অধ্যক্ষের কণ্ঠ স্তব্ধ করে দেওয়া সবই। হাতাহাতির জেরে জখম হন বেশ কয়েকজন সাংসদ।

    আরও পড়ুুন: ক্ষমতায় ফিরছে এনডিএ, ভবিষ্যদ্বাণী প্রশান্ত কিশোরের

    রবিবারের এই ঘটনার পর মুইজ্জু সরকারকে হঠাতে কোমর বেঁধে নেমে পড়ছেন বিরোধীরা। চিন নয়, ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে চলার পক্ষপাতী মলদ্বীপের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ইব্রাহিম মহম্মদ সোলিহের দল এমডিপি। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন দ্বীপরাষ্ট্রের আরও কয়েকটি দল। তারা চাইছে, ফের চাঙা হোক ভারত-মলদ্বীপ সম্পর্ক।

    মলদ্বীপে শিক্ষা সহ নানা ক্ষেত্রে ভারতের অবদান প্রচুর। তাই সে দেশে ভারতপন্থী মানুষের অভাব নেই। গত বছরের শেষের দিকে মলদ্বীপের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর ভারতকে দূরে ঠেলে চিনের সঙ্গে বন্ধুত্ব পাতাতে উদ্যোগী হন মুইজ্জু। নির্বাচিত হওয়ার পর মলদ্বীপের রাষ্ট্রপতিরা প্রথমে আসেন ভারত সফরে। দীর্ঘদিনের এই প্রথা ভেঙে মুইজ্জু গিয়েছিলেন চিনে। ভারতের বদলে চিনকে তিনি মিত্র দেশ বলে ঘোষণা করেন। তার পর থেকে দ্বীপরাষ্ট্রের জনমত ঘুরে গিয়েছিল মুইজ্জুর (Maldives) দিক থেকে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share