Tag: news in bengali

news in bengali

  • Justice Abhijit Ganguly: ‘‘কেন ইম্পিচমেন্টের প্রক্রিয়া শুরু হবে না?’’ বিচারপতি সেনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

    Justice Abhijit Ganguly: ‘‘কেন ইম্পিচমেন্টের প্রক্রিয়া শুরু হবে না?’’ বিচারপতি সেনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি দুর্নীতি মামলাকে ঘিরে তুলকালাম দুই বিচারপতির মধ্যে। এই মামলায় অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের সিঙ্গল বেঞ্চের দেওয়া নির্দেশর ওপর গতকাল মৌখিকভাবে স্থগিতাদেশ দেন বিচারপতি সৌমেন সেন ও বিচারপতি উদয় কুমারের ডিভিশন বেঞ্চ। বৃহস্পতিবার এই মামলা নিয়ে শুনানির সময় এজলাসেই বিচারপতি সৌমেন সেনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

    বিস্ফোরক বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

    বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের দাবি, বড়দিনের ছুটির আগে বিচারপতি অমৃতা সিনহাকে নিজের চেম্বারে ডেকেছিলেন বিচারপতি সৌমেন সেন। সেখানে বিচারপতি অমৃতা সিনহাকে ডেকে রাজনৈতিক নেতার মত নির্দেশ দিয়েছিলেন। প্রথমে বলেছিলেন, অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের একটা রাজনৈতিক ভবিষ্যত আছে, তাকে বিরক্ত করা যাবে না। দ্বিতীয়ত, বিচারপতির অমৃতা সিনহার এজলাসে শুনানির লাইভ স্ট্রিমিং বন্ধ করতে হবে। তৃতীয়ত, প্রাথমিকের দুটি মামলা খারিজ করতে হবে বিচারপতি সিনহাকে। 

    বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় জানান, তিনি ওই ‘তথ্য’ জেনেছেন কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিংহের কাছ থেকেই। বলেন, ‘‘আমি বিচারপতি সিনহার কাছ থেকে এটা জানতে পেরেছি।’’ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় যোগ করেন, বিচারপতি অমৃতা সিনহাকে যা যা বলেছেন বিচারপতি সৌমেন সেন, সেই গোটা বিষয়টা কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে জানান বিচারপতি অমৃতা সিনহা। প্রধান বিচারপতি আবার তা সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে জানিয়েছেন।

    ‘‘অন্য কেউ গেলে এটা করবেন তো?’’

    মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি দুর্নীতি মামলায় নিজের নির্দেশনামায় বিচারপতি সৌমেন সেনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ এনেছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁর মতে, ‘‘বিচারপতির সৌমেন সেন স্পষ্টতই একটি রাজনৈতিক দলের হয়ে কাজ করছেন। তাই সুপ্রিম কোর্টের উচিত তাঁর (বিচারপতি সেনের) সমস্ত নির্দেশ খারিজ করা। তিনি আরও উল্লেখ করেন, সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশনামা এবং আবেদনপত্রের কপি ছাড়াই সিঙ্গেল বেঞ্চের নির্দেশের ওপর স্থগিতাদেশ দিচ্ছেন বিচারপতি সেন। অন্য কেউ গেলে এটা করবেন তো? ভুল বার্তা পাঠাচ্ছেন বিচারপতি সেন।’’

    ‘‘কেন দু’বছর ধরে তাঁর বদলি হচ্ছে না?’’

    এখানেই থেমে থাকেননি বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। নির্দেশনামায় তিনি এও উল্লেখ করেন, ‘‘এই মামলায় রাজনৈতিক স্বার্থ জড়িত থাকা ব্যক্তির মত আচরণ করছেন বিচারপতি সেন। কিছু রাজনৈতিক ব্যক্তিকে বাঁচানোর চেষ্টা করছেন বিচারপতি সেন।’’ একইসঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘‘কেন তাঁর বিরুদ্ধে ইম্পিচমেন্টের প্রক্রিয়া শুরু হবে না? কেন সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও দু’বছর ধরে তাঁর বদলি হচ্ছে না? অন্য বিচারপতিদের তো হয়ে গিয়েছে। কে তাঁকে (বিচারপতি সেন) বাঁচাচ্ছে?’’ তিনি যোগ করেন, ‘‘আমি দেশের প্রধান বিচারপতিকে এটা দেখার জন্য অনুরোধ করব।’’

    ‘‘এফআইআর খারিজের নির্দেশ বৈধ নয়’’

    এদিন সকালে, সিবিআইয়ের এফআইআর খারিজ করার নির্দেশ দেয় বিচারপতি সৌমেন সেনের ডিভিশন বেঞ্চ। এই প্রতিক্রিয়ায় বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় তাঁর নির্দেশনামায় জানান, এফআইআর খারিজের যে নির্দেশ বিচারপতি সেন দিয়েছেন সেটা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে দিয়েছেন, ফলে সেটা বৈধ নয়। সিবিআইয়ের উচিত তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। সিবিআইকে ২ মাসের মধ্যে তদন্তের অগ্রগতি রিপোর্ট পেশ করার নির্দেশ দিয়ে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়ে দেন যে এই নির্দেশের কপি অবিলম্বে কলকাতা হাইকোর্ট এবং দেশের প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Case: নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় সিবিআই দফতরে হাজিরা তৃণমূলের দেবরাজ-বাপ্পাদিত্যের

    Recruitment Case: নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় সিবিআই দফতরে হাজিরা তৃণমূলের দেবরাজ-বাপ্পাদিত্যের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় (Recruitment Case) পেয়েছিলেন সিবিআইয়ের সমন। সেই মতো আজ, বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা নাগাদ নিজাম প্যালেসে হাজির হলেন তৃণমূল নেতা দেবরাজ চক্রবর্তী। তিনি বিধাননগর পুরসভার কাউন্সিলর। তাঁর আরও একটি পরিচয় রয়েছে। তিনি কীর্তন শিল্পী তথা তৃণমূল বিধায়িকা অদিতি মুন্সীর স্বামী। দেবরাজের পাশাপাশি তলব করা হয়েছিল তৃণমূলের আর এক নেতা কলকাতা পুরসভার ১০১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্তকেও। হাজিরা দিয়েছেন তিনিও। দুই তৃণমূল নেতাকেই এদিন কলকাতার সিবিআই দফতর নিজাম প্যালেসে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    সিবিআই দফতরে দেবরাজ-বাপ্পাদিত্য

    নভেম্বর মাসে দেবরাজের বাড়িতে (Recruitment Case) তল্লাশি চালিয়েছিল সিবিআই। তাঁর স্ত্রী বিধায়িকা-কীর্তনশিল্পী অদিতির গানের স্কুলেও তল্লাশি চালানো হয়। উদ্ধার হয় টেটের কয়েকটি মার্কশিট ও বদলির আবেদনপত্র। বাপ্পাদিত্যের বাড়িতেও মিলেছিল নিয়োগ সংক্রান্ত নথি। সিবিআই সূত্রে খবর, দেবরাজ ও বাপ্পাদিত্যের ঠিকানায় চালানো তল্লাশিতে যেসব নথি উদ্ধার হয়েছিল, সেগুলি বিশ্লেষণ করার পরেই তলব করা হয়েছে তৃণমূলের এই দুই নেতাকে। এই নথি ধরেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে তাঁদের। দেবরাজ বলেন, “বুধবার নোটিশ দিয়ে বৃহস্পতিবার ডাকা হয়েছে। ২৪ ঘণ্টাও সময় দেওয়া হয়নি। তবে আমি তদন্তে সহযোগিতা করব।”

    নিয়োগের এজেন্ট ছিলেন এই তৃণমূল নেতারা!

    সিবিআই সূত্রে খবর, শিক্ষক নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় সিবিআই কলকাতা হাইকোর্টে যে রিপোর্ট জমা দিয়েছে, তাতে নাম রয়েছে দেবরাজ ও বাপ্পাদিত্যের। রিপোর্টে এঁদের নিয়োগ কেলেঙ্কারির এজেন্ট হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এজেন্ট হিসেবে নাম রয়েছে মহিদুল আনসারি, জফিকুল ইসলাম, সজল কর ও সৌরভ ঘোষের। তৃণমূলে দেবরাজের উত্থান রকেটের গতিতে। এক সময় কংগ্রেস করতেন। পরে প্রাক্তন মন্ত্রী তৃণমূলের পূর্ণেন্দু বসুর আপ্ত সহায়ক হিসেবে কাজ করতেন। পূর্ণেন্দুর সুপারিশে বিধাননগর পুরসভা নির্বাচনে প্রার্থী হন তিনি। পরে মেয়র পারিষদের সদস্য করা হয় তাঁকে।

    আরও পড়ুুন: ‘‘ভারতই মিত্র দেশ’’, যৌথ বিবৃতি জারি মলদ্বীপের দুই প্রধান দলের

    বাপ্পাদিত্য পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ। পার্থ যে সংস্থায় চাকরি করতেন, সেখানেই কাজ করতেন বাপ্পাদিত্যও। পার্থর হাত ধরেই রাজনীতিতে এসেছিলেন তিনি। সিবিআই সূত্রে খবর, রাজনৈতিক সম্পর্ক ছাড়াও বাপ্পাদিত্যের সঙ্গে পার্থর আর্থিক লেনদেনের সম্পর্কও ছিল (Recruitment Case)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Maldives: ‘‘ভারতই মিত্র দেশ’’, যৌথ বিবৃতি জারি মলদ্বীপের দুই প্রধান দলের

    Maldives: ‘‘ভারতই মিত্র দেশ’’, যৌথ বিবৃতি জারি মলদ্বীপের দুই প্রধান দলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘদিন ধরে ভারত ছিল তাদের ‘‘পরম মিত্র’’ দেশ। চিনপন্থী নেতা মহম্মদ মুইজ্জু ক্ষমতায় আসার পর তলানিতে ঠেকে ভারত-মলদ্বীপ (Maldives) সম্পর্ক। পুরানো বন্ধু-দেশের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে এবার সুর চড়াল দ্বীপরাষ্ট্রের প্রধান দুই রাজনৈতিক দল মলদ্বিভিয়ান ডেমক্রেটিক পার্টি ও ডেমোক্র্যাটস। যৌথ বিবৃতিতে এই দুই বিরোধী দলের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ভারত মলদ্বীপের দীর্ঘদিনের পরম মিত্র।

    পরম মিত্র ভারত

    ভারত-মলদ্বীপের সম্পর্ক আক্ষরিক অর্থেই ছিল পরম মিত্রের মতো। গত নির্বাচনে মলদ্বীপের ক্ষমতায় আসে মুইজ্জু সরকার। তার পর থেকেই চড়তে থাকে মলদ্বীপ-চিনের সখ্যের পারা। প্রত্যাশিতভাবেই আলগা হতে থাকে ভারত-মলদ্বীপ সম্পর্কের বাঁধন। এই বাঁধন ছিন্ন হয়ে যায় সম্প্রতি একটি ঘটনাকে ঘিরে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতি অবমাননাকর মন্তব্য করেন মলদ্বীপের তিন মন্ত্রী। ঘরে-বাইরে চাপের মুখে পড়ে সাসপেন্ড করা হয় ওই মন্ত্রীদের। তার পরেও অবশ্য উন্নতি হয়নি নয়াদিল্লি-মালের সম্পর্কের।

    চিনা চর জাহাজকে স্বাগত

    সম্পর্কের এই আবহে ঘৃতাহুতি দেয় চিনা চর জাহাজকে মুইজ্জু সরকারের (Maldives) স্বাগত জানানোকে কেন্দ্র করে। ভারত মহাসাগরে নোঙর করবে জাহাজটি। এরই কিছুদিন আগে চিন সফরে গিয়ে বেজিংকে বন্ধু বলে ঘোষণা করেছিলেন মুইজ্জু স্বয়ং। চিনপন্থী মুইজ্জু সরকারের ভারত-বিরোধী এহেন অবস্থান মেনে নেয়নি মলদ্বীপের বিরোধী দলগুলি। দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দল ভারতকেই পুরানো বন্ধু বলে উল্লেখ করে যৌথ বিবৃতি দেয়। মুইজ্জু সরকার চিনা গুপ্তচর জাহাজকে স্বাগত জানানোয়ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ওই দুই রাজনৈতিক দল।

    আরও পড়ুুন: বকেয়া ডিএ, চলছে আমরণ অনশন, রাজ্যপালকে হস্তক্ষেপের আর্জি শুভেন্দুর

    দ্বীপরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের একটি প্রথা ছিল, যিনি প্রেসিডেন্ট পদে জয়ী হবেন, তিনি প্রথমে সফর করবেন পরম মিত্র দেশ ভারতে। সেই প্রথা ভেঙে মুইজ্জু সফর করেন তুরস্কে। এনিয়েও ক্ষুব্ধ বিরোধীরা। যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বর্তমান প্রশাসন ভারত-বিরোধী অবস্থান নিচ্ছে। তবে এমডিপি এবং দ্য ডেমোক্র্যাটস বিশ্বাস করে, দেশের দীর্ঘমেয়াদি উন্নতিতে দীর্ঘ পুরানো মিত্র দেশ ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতিতে। নয়াদিল্লি-মালে সম্পর্কের উন্নতিতে এদিন বারংবার জোর দিয়েছেন এমডিপির চেয়ারপার্সন ফৈয়জ ইসমাইল, পার্লামেন্টের ডেপুটি স্পিকার আহমেদ সালিম, ডেমক্র্যাটস পার্টির প্রেসিডেন্ট হাসান লতিফ এবং পার্লামেন্টারি গ্রুপ লিডার আলি আজিম (Maldives)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Republic Day 2024: ফোকাস নারী ক্ষমতায়ন, ৭৫ তম প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে ঘটবে অনেক ‘প্রথম’

    Republic Day 2024: ফোকাস নারী ক্ষমতায়ন, ৭৫ তম প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে ঘটবে অনেক ‘প্রথম’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঐতিহাসিক হতে চলেছে ৭৫ তম প্রজাতন্ত্র দিবসের (Republic Day 2024) কুচকাওয়াজ। ঐতিহাসিক এই কারণে যে, এবছর কুচকাওয়াজে অনেক কিছু প্রথমবার ঘটতে চলেছে। দেশবাসী এমন কিছু প্রত্যক্ষ করতে চলেছেন এবছর দিল্লির কুচকাওয়াজে, যা আগে কখনও কেউ দেখেননি।

    মূল ফোকাস হল নারী ক্ষমতায়ন

    এবছর ৭৫ তম প্রজাতন্ত্র দিবসের (Republic Day 2024) মূল ফোকাস হল নারী ক্ষমতায়ন। তবে, এ বছর দিল্লির কর্তব্য পথের কুচকাওয়াজে মহিলা অংশগ্রহণ থেকে শুরু করে মহিলা সশক্তিকরণের (Women Empowerment) প্রদর্শন— অতীতের সব রেকর্ডকে ছাপিয়ে যাবে। সর্বত্র নারী ক্ষমতায়নকেই তুলে ধরা হবে। সে কথাই জানালেন ভারতীয় সেনার মেজর জেনারেল সুমিত মেহতা। তিনি বলেন, ‘‘এবছরের কুচকাওয়াজ নারী-কেন্দ্রিক। থিম হল— ‘বিকশিত ভারত’ এবং ‘গণতন্ত্রের পীঠস্থান ভারত’।’’ 

    ইতিহাস হতে চলেছে কুচকাওয়াজে

    তিনি জানান, ইতিহাস ঘটতে চলেছে এবারের কুচকাওয়াজে। প্রথমবার, মহিলাদের একটি ট্রাই-সার্ভিস কন্টিনজেন্ট কুচকাওয়াজে অংশগ্রহণ করতে চলেছে। অর্থাৎ, সামরিক বাহিনীর তিন বাহু— স্থল, নৌ ও বায়ুসেনার সম্মিলিত ১৪৮ জন মহিলা অফিসার ও জওয়ানকে নিয়ে তৈরি ওই কন্টিনজেন্ট কর্তব্যপথ দিয়ে মার্চ-পাস্ট করবে। কন্টিনজেন্টের নেতৃত্বে থাকবেন মিলিটারি পুলিশের ক্যাপ্টেন সন্ধ্যা। এই মার্চ-পাস্টের মধ্য দিয়ে নারী ক্ষমতায়নকে (Women Empowerment) তুলে ধরা হবে। এবছর কর্তব্য পথের মার্চ-পাস্টে দেখা যাবে ‘অগ্নি-কন্যা’-দেরও। তিন বাহিনীতে নিযুক্ত ‘অগ্নি-কন্যা’-রা সমন্বয়ে প্যারেডে অংশ নেবেন।

    সেনা ক্যাপ্টেন সন্ধ্যা। ছবি-সংগৃহীত।

    মেকানাইজড কলামের নেতৃত্বে মহিলা

    শুধু এই একটিই প্রথম নয়। এবারের কুচকাওয়াজে (Republic Day 2024) প্রথমবার সেনার আর্টিলারি রেজিমেন্টের মহিলা অফিসাররা মেকানাইজড কলামে চেপে কর্তব্য পথ ধরে এগিয়ে যাবেন। মেকানাইজড কলাম সাধারণত দেশীয় সামরাস্ত্র বিশ্বের সামনে মেলে ধরার একটি পন্থা। আর্টিলারির দুটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার— পিনাকা মাল্টি-ব্যারেল রকেট লঞ্চার ও স্বাতী ক্ষেপণাস্ত্র অনুসন্থানকারী রেডার— এই দুটিতেই ৪ মহিলা অফিসার নেতৃত্বে থাকবেন। 

    সেনার মেকানাইজড রেজিমেন্টের মহিলা অফিসাররা। ছবি-সংগৃহীত।

    এর পাশাপাশি, আরও চার মেকানাইজড কলাম— দেশীয় ড্রোন জ্যামিং সিস্টেম, অত্যাধুনিক রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি মনিটরিং সিস্টেম, কোর অফ ইঞ্জিনিয়ার্সদের সর্বত্র ব্রিজিং সিস্টেম এবং মাঝারি পাল্লার ভূমি থেকে আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র সিস্টেমের নেতৃত্বেও থাকবেন মহিলা অফিসাররা। ফলত, এর মাধ্যমে নারী ক্ষমতায়েনের (Women Empowerment) আরেকটি উদাহরণ তুলে ধরার পাশাপাশি প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আত্মনির্ভর ভারত-এর নীতিও প্রস্ফুটিত হবে। গত বছরের এপ্রিল ও সেপ্টেম্বর মাসে আর্টি-রেজিমেন্টে মহিলা অফিসারদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত এই রেজিমেন্টে ১০ মহিলা অফিসার রয়েছেন।

    আধা-সামরিক বাহিনীর মহিলা ব্রিগেডের মার্চ-পাস্ট

    শুধু সামরিক নয়, দেশের আধা-সামরিক বাহিনীও মহিলা ক্ষমতায়েনে সামিল হবে। এবছর প্রথম বিএসএফ, সিআরপিএফ সহ দেশের বিভিন্ন আধা-সামরিক বাহিনীর মহিলা ব্রিগেডের মার্চ-পাস্ট প্রত্যক্ষ করবেন মানুষ। দেশের প্রতিরক্ষা গবেষণা ক্ষেত্রে অন্যতম সফল সংস্থা হচ্ছে ডিআরডিও। এই সংস্থার ট্যাবলোর ফোকাস হতে চলেছে নারী ক্ষমতায়েন। ডিআরডিও-র ট্যাবলোকে নেতৃত্ব দেবেন অন্যতম প্রতিথযশা বিজ্ঞানী সুনীতা দেবী জেনা। তিনি হবেন কন্টিনজেন্ট কমান্ডার। ট্যাবলোয় থাকবে— ম্যান-পোর্টবল ট্যাঙ্ক-বিধ্বংসী গাইডেড মিসাইল, অ্যান্টি-স্যাটেলাইট মিসাইল, অগ্নি-৫ ক্ষেপণাস্ত্র, ভূমি-থেকে-ভূমি ক্ষেপণাস্ত্র, ভেরি শর্ট রেঞ্জ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম, নেভাল শর্ট রেঞ্জ অ্যান্টি-শিপ মিসাইল, হেলিনা ট্যাঙ্ক-বিধ্বংসী মিসাইল, ভূমি থেকে আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র, তেজস বিমান, উত্তর রেডার, শক্তি ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম সহ সাইবার সিকিউরিটি ও কমান্ড-কন্ট্রোল সিস্টেম।

    রাজ্যের ট্যাবলোতেও ফোকাস নারী ক্ষমতায়ন

    শুধু দেশের সামরিক বাহিনীতে নয়, অসামরিক ক্ষেত্রেও নারী ক্ষমতায়নের (Women Empowerment) উদাহরণ প্রথমবার বৃহৎ আকারে মেলে ধরা হবে এবছরের কুচকাওয়াজে (Republic Day 2024)। যে কারণে, বিভিন্ন রাজ্যের ট্যাবলোতে মহিলা সশক্তিকরণের ছাপ স্পষ্ট থাকবে। মণিপুরের ট্যাবলোয়ে দেখা যাবে পদ্মের ডাঁটি থেকে চরকায় সুতো তৈরি করছেন মহিলারা। মধ্যপ্রদেশ তুলে ধরবে দেশের প্রথম মহিলা ফাইটার পাইলট ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট অবনী চতুর্বেদীকে। রাজস্থান তুলে ধরবে সেরাজ্যের মহিলাদের হস্তশিল্প। আবার হরিয়ানার ট্যাবলোয় দেখা যাবে মহিলারা কেমন ডিজিটাল ইন্ডিয়ার সুবিধা নিচ্ছেন।

    নতুন প্রজন্মের সাঁজোয়া গাড়ির প্রদর্শন

    এখানেই শেষ নয়। আরও ‘প্রথমে’র চমক আছে ৭৫তম প্রজাতন্ত্র দিবসের (Republic Day 2024) কুচকাওয়াজে। এবছর আত্মনির্ভর ভারতকে মাথায় রেখে দেশে তৈরি একাধিক আধুনিক ও নতুন ঘরানার স্থলযুদ্ধজান ও সাঁজোয়া গাড়ি ২৬ তারিখ প্রদর্শিত হবে কর্তব্য পথে। এই তালিকায় রয়েছে— নতুন প্রজন্মের টেরেইন ভেহিকল, লাইট স্পেশালিস্ট ভেহিকল, স্পেশাল মোবিলিটি ভেহিকল এবং ক্যুইক রিয়্যাকশন ভেহিকল এবং ভেহিকল-মাউন্টেড ইন্ডিয়ান মর্টার সিস্টেম। এই সবকিছুই প্রথমবার প্রদর্শিত হতে চলেছে প্রজাতন্ত্র দিবসে। 

    কুচকাওয়াজে ১৫টি বিমানের চালক মহিলা

    এছাড়া, আত্মনির্ভর ভারতের বিষয়টিকে প্রাধান্য দিয়ে দেশীয় নাগ মিসাইল সিস্টেম, বিএমপি-২ সাঁজোয়া গাড়ির পাশাপাশি সেনার অ্যাডভান্সড লাইট হেলিকপ্টার ধ্রুব-রুদ্র এবং লাইট কমব্যাট হেলিকপ্টার প্রচণ্ড— এই দুটিই কর্তব্য পথের ওপর দিয়ে উড়ে যাবে। সেনার পাশাপাশি, বায়ুসেনাও জোরকদমে অংশ নিচ্ছে এবারের কুচকাওয়াজে। জানা গিয়েছে, তেজস, রাফাল, সুখোই-৩০ সহ বায়ুসেনার ২৯টি যুদ্ধবিমান, ৭টি পণ্যবাহী বিমান, ৯টি হেলিকপ্টার এবং একটি হেরিটেজ বিমান এবারের কুচকাওয়াজে অংশ নেবে। এর মধ্যে ১৫টি বিমানের পাইলট হিসেবে থাকবেন মহিলা অফিসাররা। 

    ছাব্বিশের কুচকাওয়াজে অংশগ্রহণকারী ভারতীয় বায়ুসেনার মহিলা অফিসাররা। ছবি সংগৃহীত।

    ফরাসি ফ্লাই-বাইয়ের নেতৃত্বেও মহিলা

    এবারের কুচকাওয়াজের (Republic Day 2024) অন্যতম আকর্ষণ হতে চলেছে ফরাসি বাহিনীর কুচকাওয়াজ ও ফরাসি বিমানবাহিনীর ফ্লাই-বাই। এবছর প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হয়ে আসছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁ। সেই প্রেক্ষিতে, এবারের কুচকাওয়াজে অংশ নিচ্ছে ফরাসি বিশেষ বাহিনী ও বায়ুসেনা। জানা গিয়েছে, ৯৫ সদস্য বিশিষ্ট ফরাসি ফরেন লিজিয়ন (ফরাসি ভাষায় লেজিওঁ এত্রঁজ্যের ফ্রঁসেজ) কোরের একটি কনটিনজেন্ট ছাব্বিশের মার্চপাস্টে অংশ নেবে। এটি হল ফ্রান্সের অত্যন্ত সম্মানীয় ইউনিট। ওই দলে থাকবেন ৬ জন করে ভারতীয় ও নেপালি বংশোদ্ভূত জওয়ান। এছাড়া, এঁদের সঙ্গে হাঁটবেন ৩৫ জন ফরাসি সামরিক ব্যান্ডের সদস্যও। ঠিক সেই সময় মাথার ওপর দিয়ে ফ্লাই-বাই করবে ফরাসি বায়ুসেনার এয়ারবাস-৩৩০ মাল্টি রোল-ট্যাঙ্কার সাপোর্ট ও এক জোড়া রাফাল। ওই ফ্লাই-বাইয়ের নেতৃত্বে থাকবে ট্যাঙ্কারটি, যার পাইলট হচ্ছেন এক মহিলা (Women Empowerment)।

     

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • International Day Of Education: আজ আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবস, কেন পালন করা হয় দিনটি জানেন?

    International Day Of Education: আজ আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবস, কেন পালন করা হয় দিনটি জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ ২৪ জানুয়ারি, বুধবার। আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবস (International Day Of Education)। এ বছরের থিম, ‘শান্তি বজায় রাখার জন্য শিক্ষা’। গত ছ’ বছর ধরে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়ে আসছে আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবস। তামাম বিশ্বের ২০০ কোটি মানুষ বাস করেন দাঙ্গা দীর্ণ এলাকায়। বিশেষত তাঁদের জন্যই এবার বেছে নেওয়া হয়েছে এই থিম।

    ‘সেভ দ্য চিলড্রেন’

    দাঙ্গা কিংবা অন্য কোনও কারণে যেসব শিশু শিক্ষার পথ মাড়ায়নি কিংবা মাড়ানোর সুযোগ পায়নি, তাদের জন্য কাজ করে ‘সেভ দ্য চিলড্রেন’। কত শিশু তাদের নিজেদের পরিচয় জানে না। কত শিশুর নেই স্থায়ী ঠিকানা। এই সব শিশুরাও বঞ্চিত শিক্ষার অমৃতমধুর স্বাদ থেকে। সারা বিশ্বেই শিক্ষার অধিকার একটি মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত। শিক্ষাকে যাতে প্রত্যেকে কাছে পৌঁছে দেওয়া যায়, তার চেষ্টা করা উচিত আমাদের সবারই। বিশেষজ্ঞদের মতে, শিক্ষা (International Day Of Education) একটি টুল, যার সাহায্যে পৃথিবীর অনেক সমস্যারই সমাধান করা যায়। দূর করা যায় দারিদ্র, অসাম্যের মতো জ্বলন্ত সমস্যাও। শিক্ষার গুরুত্ব বোঝাতেই ফি বছর বিশ্বজুড়ে পালন করা হয় আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবস।

    আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবস

    শিক্ষার গুরুত্ব উপলব্ধি করে ২০১৮ সালে ২৪ জানুয়ারি দিনটিকে আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে রাষ্ট্রসংঘ। শিক্ষার গুরুত্ব অনুধাবন করেছিল যে ৫৯টি দেশ, তাদের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে কেবল শিক্ষার জন্য আস্ত একটা দিন বেছে নেয় রাষ্ট্রসংঘ। তার পরেই ২৪ জানুয়ারিকে আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবস হিসেবে পালনের কথা ঘোষণা করে রাষ্ট্রসংঘ। তার পর থেকে গোটা বিশ্বেই পালিত হচ্ছে দিনটি। এদিন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবসের চলতি বছরের থিমের ওপর হচ্ছে আলোচনা। নিউইয়র্কে রাষ্ট্রসংঘের সদর দফতরেও বসেছে আলোচনা সভা। আলোচনার বিষয়বস্তু, ‘নিজের, অন্যের এবং এই গ্রহের ওপর খেয়াল রাখার জন্যই শিক্ষা’।

    আরও পড়ুুন: ২৫ জানুয়ারি উত্তরপ্রদেশ থেকে লোকসভা ভোটের প্রচার শুরু করছেন মোদি

    কেন বেছে নেওয়া হল ‘শান্তি বজায় রাখার জন্য শিক্ষা’র মতো থিম? জানা গিয়েছে, বর্তমান বিশ্ব জর্জরিত নানা দ্বন্দ্বে, বৈষম্য-ঘৃণা ভাষণে। এই দ্বন্দ্ব-বৈষম্য-ঘৃণা ভাষণ দূর করতে প্রয়োজন শিক্ষার। একমাত্র শিক্ষাই দেখাতে পারে স্থায়ী শান্তির পথ। সেই কারণেই বেছে নেওয়া হয়েছে এমন একটি থিম (International Day Of Education)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     

     

  • Donald Trump: প্রেসিডেন্ট পদের দৌড়ে ফের জয়, আরও একধাপ এগোলেন ট্রাম্প

    Donald Trump: প্রেসিডেন্ট পদের দৌড়ে ফের জয়, আরও একধাপ এগোলেন ট্রাম্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি নেমে পড়েছেন প্রেসিডেন্ট পদের দৌড়ে। এগিয়েও গেলেন এক ধাপ। মঙ্গলবার নিউ হ্যাম্পশায়ারের রিপাবলিকান প্রেসিডেন্টের প্রাথমিক নির্বাচনে জয়ী হলেন প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। এই একই আসনে ডেমোক্র্যাটদের তরফে জয়ী হয়েছেন আমেরিকার বর্তমান জো বাইডেন।

    জয়ী ট্রাম্প

    নিউ হ্যাম্পশায়ার আসনটি গুরুত্বপূর্ণ। ট্রাম্প যেহেতু এই আসনে জয়ী হয়েছেন, তাই প্রেসিডেন্ট পদে মনোনয়ন পেতে বাইডেনের প্রতিদ্বন্দ্বী হওয়ার দৌড়ে তিনি এগিয়ে গেলেন বলে অভিমত মার্কিন মুলুকের রাজনীতির কারবারিদের। ট্রাম্পকে লড়তে হচ্ছে আরও একজনের সঙ্গে। তিনি তাঁরই অধস্তন নিকি হ্যালি। তবে সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, ১৪ শতাংশ ভোট গণনা করার পর জানা গিয়েছে, হ্যালির চেয়ে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছেন প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প (Donald Trump)।

    ট্রাম্প জিতেছেন আইওয়া প্রদেশেও

    নিউ হ্যাম্পশায়ার কেন্দ্রটির আগে ট্রাম্প জিতেছেন আইওয়া প্রদেশেও। এখানেও রিপাবলিকান পার্টির প্রাথমিক নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীদের পরাস্ত করেছেন প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। নিউ হ্যাম্পশায়ারের গণনার সর্ব শেষ খবর, ট্রাম্প পেয়েছেন ৫২.৩ শতাংশ ভোট। আর হ্যালির ঝুলিতে পড়েছে ৪৬.৩ শতাংশ ভোট। ট্রাম্পের কাছে হার স্বীকার করে নিয়ে হ্যালি বলেন, “আমি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। তবে আমার লড়াই জারি থাকবে। এই দৌড় এখনও শেষ হয়নি। গন্তব্যের এখনও অনেক পথ বাকি রয়েছে।”

    আরও পড়ুুন: ১১ ফেব্রুয়ারি অযোধ্যা যাচ্ছেন শুভেন্দু, রাম দর্শনে বাংলার বিজেপি বিধায়করাও

    ট্রাম্প যে রিপাবলিকানদের মধ্যে জনপ্রিয়তম প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হিসেবে উঠে আসবেন, তার ইঙ্গিত মিলেছিল একাধিক সমীক্ষায়। সেই সমীক্ষার ইঙ্গিতগুলি যে নিছক ইঙ্গিত নয়, তার প্রমাণ মিলল এই দুই প্রদেশে ট্রাম্পের জয়ে। তবে শেষতক ট্রাম্পের হোয়াইট হাউসে ঢোকা হবে কিনা, তা বলবে সময়। কারণ, প্রাক্তন এই মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক মামলা। অভিযোগও রয়েছে বিস্তর।

    চলতি বছরের শেষের দিকে হওয়ার কথা মার্কিন সেনেট নির্বাচন। গত নির্বাচনে রিপাবলিকান ট্রাম্পকে হারিয়ে জয়ী হন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী বাইডেন। তবে হেরে গিয়েও বেশ কিছুদিন হোয়াইট হাউসের ক্ষমতা বাইডেনের হাতে তুলে দেননি ট্রাম্প। তাঁর সমর্থকরাও ভাঙচুর চালিয়েছিল। সব মিলিয়ে বেশ খানিকটা বেকায়দায় ট্রাম্প (Donald Trump)। তবে সাদা বাড়ির অন্দরে ঠাঁই হবে কার, সে বিষয়ে শেষ কথা বলবে মার্কিন জনতা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Budget 2024: বাজেটে আয়করে ছাড়ের কথা ঘোষণা করতে পারে কেন্দ্র, কত ছাড় জানেন?

    Budget 2024: বাজেটে আয়করে ছাড়ের কথা ঘোষণা করতে পারে কেন্দ্র, কত ছাড় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোরগোড়ায় বাজেট (Budget 2024) অধিবেশন। ১ ফেব্রুয়ারি বাজেট পেশ করবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ। বাজেটে আয়করে ছাড়ের কথা ঘোষণা করতে পারে কেন্দ্রীয় সরকার। বর্তমান কর কাঠামোয় ২.৫ লক্ষ টাকা আয়ের ওপর থেকে সর্বনিম্ন হারে আয়কর প্রযোজ্য হয়। সূত্রের খবর, সেটা বাড়িয়ে তিন লক্ষ টাকা করা হতে পারে। ৫.৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ে কর দিতে হবে না। নতুন কিংবা পুরানো দুই কর কাঠামোয়ই স্ট্যান্ডার্ড ডিডাকশনের পরিমাণ ৫০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৬০ হাজার টাকা করা হতে পারে।

    ভোট অন অ্যাকাউন্ট

    চলতি বছর রয়েছে লোকসভা নির্বাচন। তাই পূর্ণাঙ্গ বাজেট নয়, পেশ হবে ভোট অন অ্যাকাউন্ট। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছেন, অন্তর্বর্তী বাজেটে বড় কোনও ঘোষণা হবে না। তবে গত লোকসভা নির্বাচনের আগে অন্তর্বর্তী বাজেটে ঘোষণা করা হয়েছিল ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ে কাউকেই কর দিতে হবে না। আসন্ন বাজেটে (Budget 2024) আগামী অর্থবর্ষের জন্য কৃষি ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ২ থেকে ৫ লক্ষ কোটি টাকা বাড়িয়ে ২২-২৫ লক্ষ কোটি টাকা ঘোষণা করা হতে পারে। চলতি অর্থবর্ষে কৃষি ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২০ লক্ষ কোটি টাকা। সময়ে যাঁরা ঋণ শোধ করে দেবেন, সেই সব কৃষকদের সুদের ওপর তিন শতাংশ অতিরিক্ত ছাড় দেওয়া হতে পারে। কৃষকরা দীর্ঘমেয়াদি ঋণ নিলে, সেক্ষেত্রে সুদের হার হবে বাজারের হারের মতো।

    মোদি সরকারের কর্মসূচি

    প্রসঙ্গত, কৃষক সহ সমাজের প্রান্তিক মানুষের জন্য নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। যোগ্য কৃষকরা যাতে সহজে ঋণ পেতে পারে, সেজন্যও উদ্যোগী হয়েছে তাঁর সরকার। কৃষকদের ঋণ দিতে কৃষি মন্ত্রণালয় একটি আলাদা বিভাগও তৈরি করেছে। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে মোট কৃষি ঋণ দেওয়া হয়েছিল ২১.৫৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিষান ক্রেডিট কার্ড নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ঋণ পেয়েছে ৭.৩৪ কোটি টাকা (Budget 2024)।

    আরও পড়ুুন: ১১ ফেব্রুয়ারি অযোধ্যা যাচ্ছেন শুভেন্দু, রাম দর্শনে বাংলার বিজেপি বিধায়করাও

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Assam: অস্ত্রসমর্পণের কথা ঘোষণা আলফার, কবে সরকারকে ফেরাবে অস্ত্র?

    Assam: অস্ত্রসমর্পণের কথা ঘোষণা আলফার, কবে সরকারকে ফেরাবে অস্ত্র?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতীকী অস্ত্রসমর্পণের কথা ঘোষণা করলেন অসমের জঙ্গিগোষ্ঠী আলফার (Assam) অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা অরবিন্দ রাজখোয়া। মঙ্গলবার সংগঠনের বিলুপ্তির কথাও ঘোষণা করেন তিনি। তবে আলফার আলোচনাপন্থী শিবির এই পদক্ষেপ করলেও, সংগঠনের অন্য অংশের নেতা পরেশ বরুয়ার শিবির এখনও বদ্ধপরিকর ভারতের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যেতে। প্রসঙ্গত, দিন পঁচিশেক আগেই কেন্দ্র ও অসম সরকারের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর হয় আলফার। সেই মতো পদক্ষেপ করল সংগঠনের আলোচনাপন্থী শিবির।

    আলফার জন্ম

    স্বাধীন অসমের দাবিতে ১৯৭৯ সালের এপ্রিল মাসে জন্ম হয় আলফার। তার পর থেকে এ পর্যন্ত নানা রক্তক্ষয়ী ঘটনা ঘটিয়েছে এই সংগঠন। গত ২৯ ডিসেম্বরে অসম ও কেন্দ্র সরকারের সঙ্গে শান্তিচুক্তিতে স্বাক্ষর করেন সংগঠনের আলোচনাপন্থীরা। সেই মতো এদিন লুপ্ত করে দেওয়া হল সংগঠনের অস্তিত্ব। রাজধানী গুয়াহাটি থেকে পঞ্চান্ন কিলোমিটার দূরে সিপাঝাড়ে সংগঠনের চূড়ান্ত সাধারণ সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তার পরেই তা ঘোষণা করা হয়। রাজখোয়া বলেন, “দিল্লিতে স্বাক্ষরিত চুক্তি অনুসারে আজকের বৈঠকে সংগঠন ভেঙে দেওয়ার ও লুপ্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী, সংগঠনের ওপর রাষ্ট্রদ্রোহের সমস্ত মামলা তুলে নেওয়া হবে।”

    চুক্তির শর্ত

    আলফার (Assam) মোট সদস্য সংখ্যা ৭০০। এর মধ্যে আলোচনাপন্থী শিবিরে রয়েছেন ৫০০ জন। চুক্তির শর্তে বলাই ছিল, হিংসার পথ ছাড়বে আলফা। সমর্পণ করবে সব অস্ত্রশস্ত্র-গোলাবারুদ। এক মাসের মধ্যে ভেঙে দেওয়া হবে সশস্ত্র সংগঠনটি। ২০১১ সালে আলোচনা শুরুর পর যে ৯টি শিবিরে আলফা কর্মী ও তাঁদের পরিবার অবস্থান করছিলেন, সেগুলিও খালি করতে বলা হয়েছে সংগঠনটিকে। আলোচনাপন্থীদের তরফে জানানো হয়েছে, চলতি মাসের শেষের দিকে একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাদের জিম্মায় থাকা অস্ত্রশস্ত্র তুলে দেওয়া হবে রাজ্য সরকারের হাতে। রাজখোয়া বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি যে মীমাংসায় উল্লিখিত বিষয়গুলি এবং কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার যেসব প্রতিশ্রুতি আমাদের দিয়েছে, তা পূরণ করা হবে।”

    আরও পড়ুুন: সন্দেশখালির সেই তৃণমূল নেতার বাড়িতে ইডির হানা, শাহজাহান কোথায়?

    উল্লেখ্য, রাজখোয়া, অনুপ চেতিয়া, শশধর চৌধুরীর মতো নেতা শান্তি প্রক্রিয়ায় শামিল হলেও, এখনও ধরা-ছোঁওয়ার বাইরে পরেশ। শান্তিচুক্তির বিরোধিতা করে জারি করে চলেছে বিবৃতি। মায়ানমারে ঘাঁটি গেড়ে ভারতে চালিয়ে যাচ্ছে (Assam) নাশকতা। চিন তাকে মদত জোগাচ্ছে বলে অভিযোগ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Maldives: চিনা চর জাহাজকে স্বাগত জানাল মলদ্বীপ, ভারতকে চাপে রাখার কৌশল বেজিংয়ের!

    Maldives: চিনা চর জাহাজকে স্বাগত জানাল মলদ্বীপ, ভারতকে চাপে রাখার কৌশল বেজিংয়ের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ভারতকে চাপে রাখার কৌশল চিনের! এবার অবশ্য শ্রীলঙ্কা নয়, চিনা গুপ্তচর জাহাজ ঘাঁটি গাড়তে চলছে নয়া বন্ধু মলদ্বীপের (Maldives) রাজধানী মালেতে। ‘শিয়াং ইয়াং হং ৩’ নামের ওই গুপ্তচর জাহাজটি ইতিমধ্যেই দক্ষিণ চিন সাগর থেকে মলাক্কা প্রণালী পেরিয়ে ইন্দোনেশিয়ার জাভা ও সুমাত্রা দ্বীপপুঞ্জের মধ্যবর্তী সুন্দা প্রণালীতে পৌঁছে গিয়েছে।

    ভারত মহাসাগরে আসছে চিনা চর জাহাজ

    ৮ ফেব্রুয়ারি সেটি মলদ্বীপের রাজধানী মালেতে পৌঁছবে বলে সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর। তবে চিনা চর জাহাজটি যে সামরিক উদ্দেশ্যে ভারত মহাসাগরে নোঙর করতে চলেছে, তা নিশ্চিত করা হয়েছে মলদ্বীপের চিনপন্থী মহম্মদ মুইজ্জু সরকারের তরফে। দ্বীপরাষ্ট্রের তরফে জানানো হয়েছে, চিনা গুপ্তচর জাহাজটি মলদ্বীপের জলভাগে কোনও গবেষণা করবে না। এর আগে শ্রীলঙ্কার হাম্বানটোটা বন্দরে ঘাঁটি গেড়েছিল চিনা চর জাহাজ ‘ইউয়ান ওয়াং ৫’। এ নিয়ে ভারত-শ্রীলঙ্কা মন কষাকষি হয়। তার পরেই চিনা গুপ্তচর জাহাজটিকে বন্দর ছেড়ে চলে যেতে বলা হয়। ‘শিয়াং ইয়াং হং ৩’-ও হাম্বানটোটায় নোঙর করতে চেয়েছিল।

    শ্রীলঙ্কায়ও নোঙর করেছিল চিনা গুপ্তচর

    শ্রীলঙ্কার আপত্তিতে (Maldives) জাহাজটি ভিড়তে পারেনি হাম্বানটোটা বন্দরে। তবে ‘হাই ইয়াং ২৪ হাও’ এবং ‘শি ইয়ান ৬’ চিনের এই দুটি গুপ্তচর জাহাজ নোঙর করেছিল হাম্বানটোটায়। পরবর্তীকালে ভারতের পাশে দাঁড়িয়ে চিনা গুপ্তচর জাহাজকে সে দেশের বন্দরে পা রাখতে দেয়নি শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমসিংহের সরকার। মলদ্বীপের প্রশাসনের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই জাহাজটি এলে মলদ্বীপের সঙ্গে তার সঙ্গী দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক মজবুত হবে। বন্ধু দেশ থেকে আসা জাহাজকে স্বাগত জানানোটা এ দেশের শতাব্দী-প্রাচীন একটি ঐতিহ্য।

    আরও পড়ুুন: সন্দেশখালির সেই তৃণমূল নেতার বাড়িতে ইডির হানা, শাহজাহান কোথায়?

    দীর্ঘদিন ধরে ভারত ছিল মলদ্বীপের পরম মিত্র দেশ। গত নির্বাচনে দেশের রশি যায় চিনপন্থী মুইজ্জুর হাতে। তার পর থেকে তিনি একের পর এক ভারত-বিরোধী পদক্ষেপ করছেন বলে অভিযোগ। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতি অবমাননাকর মন্তব্য করেন মুইজ্জু সরকারের তিন মন্ত্রী। এ নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়ে সরকার। ঘরে-বাইরে চাপের মুখে পড়ে শেষমেশ সাসপেন্ড করা হয় ওই তিনজনকে। তাতে অবশ্য উন্নতি হয়নি নয়াদিল্লি-মালে (Maldives) সম্পর্কের। কারণ সেই চিনপন্থী মুইজ্জু। তাঁর এই চিন-প্রেমে যারপরনাই ক্ষুব্ধ ভারত। এহেন আবহে চিনা চর জাহাজকে স্বাগত জানাল মুইজ্জু সরকার (Maldives)। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতকে চাপে রাখতে মলদ্বীপকে দিয়ে চর জাহাজকে স্বাগত জানানোর কৌশল আসলে বেজিংয়েরই ব্রেন চাইল্ড।   

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Mohan Bhagwat: ২ দিনের সফরে ফের বঙ্গে এলেন মোহন ভাগবত, রয়েছে কী কী কর্মসূচি?

    Mohan Bhagwat: ২ দিনের সফরে ফের বঙ্গে এলেন মোহন ভাগবত, রয়েছে কী কী কর্মসূচি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২ দিনের কর্মসূচি নিয়ে ফের বঙ্গ সফরে এলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। সোমবার, অযোধ্যায় রাম মন্দিরের উদ্বোধনে অংশ নিয়েছিলেন সরসঙ্ঘচালক। গর্ভগৃহে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার পুজোয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পাশেই দেখা গিয়েছিল তাঁকে। সঙ্গে ছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথও। সেখান থেকেই সরাসরি রাতের বিমান ধরে কলকাতায় আসেন সঙ্ঘ প্রধান। জানা গিয়েছে, ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত থাকবেন তিনি।

    ২ দিনের সফরে কলকাতায় মোহন ভাগবত

    সোমবার রাতে কলকাতায় আসেন মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। রাত্রিবাস করেন কেশব ভবনে। জানা গিয়েছে, আজ ও আগামিকাল— বঙ্গে তাঁর একাধিক কর্মসূচি রয়েছে। যদিও, সূত্রের খবর, তাঁর এই সফর সাংগঠনিক নয়, ব্যক্তিগত। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার, উত্তর কলকাতায় শোভাবাজার এলাকায় এক সঙ্ঘকর্তার (RSS) মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তিনি। এর পাশাপাশি, এদিনই বারাসাতে ‘নেতাজি লহ প্রণাম’ সংক্রান্ত একটি কর্মসূচিতে তিনি যোগ দেবেন। এদিন তিনি কলকাতায় সঙ্ঘের দফতর কেশব ভবনে থাকবেন। আগামিকাল তিনি ফিরে যাবেন।

    ২ মাসে ২ বার রাজ্যে এলেন মোহন ভাগবত

    ২ মাসে ২ বার রাজ্যে এলেন আরএসএস (RSS) প্রধান। এর আগে, ডিসেম্বরের গোড়ায় তিনি এসেছিলেন মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। সেবার তিনি দেখা করেন প্রাক্তন সিবিআই কর্তা উপেন বিশ্বাসের সঙ্গে। এছাড়া, প্রবীণ অভিনেতা ভিক্টর বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যান তিনি। সেখান থেকে বিশিষ্ট তবলা বাদক বিক্রম ঘোষ ও তাঁর স্ত্রী জয়া শীলের বাড়িতে যান। শেষে বিজেপি নেতা কল্যাণ চৌবের বাড়িতেও গিয়েছিলেন তিনি। সঙ্ঘ প্রধানের বঙ্গ সফর নিয়ে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ জানিয়েছিলেন, উনি বছরে বেশ কয়েকবারই এ রাজ্যে আসেন। আরএসএসের কাজের কিছু ধরন রয়েছে। প্রচারে আসে না বলে অনেকে তা জানতে পারেন না।

    রাম মন্দিরের অনুষ্ঠানে কী বলেছেন ভাগবত?

    সোমবার, রাম মন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য পেশ করতে গিয়ে সরসঙ্ঘচালক (RSS) বলেন, “আজ ৫০০ বছর পরে, রামলালা এখানে ফিরে এসেছেন এবং তাঁর প্রচেষ্টার ফলে আমরা আজ এই সোনালী দিন দেখতে পাচ্ছি, আমরা তাঁকে আমাদের অশেষ শ্রদ্ধা জানাই। এই যুগের ইতিহাসে এতই শক্তি আছে যে, যেই রামলালার গল্প শুনবে তাঁর সব দুঃখ-বেদনা মুছে যাবে।” ভাগবত (Mohan Bhagwat) আরও বলেন, “আজকের অনুষ্ঠান এক নতুন ভারতের প্রতীক। যা সমগ্র বিশ্বকে সাহায্য করবে। সর্বত্র রাম আছেন জেনে আমাদের নিজেদের মধ্যে সমন্বয় সাধন করতে হবে। একত্রে থাকাই ধর্মের যথার্থ অনুশীলন।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share