Tag: news in bengali

news in bengali

  • Assam Divas: মহা সমারোহে পালিত হল অসম দিবস, জানেন দিনটির গুরুত্ব?

    Assam Divas: মহা সমারোহে পালিত হল অসম দিবস, জানেন দিনটির গুরুত্ব?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার মর্যাদা সহকারে পালিত হল অসম দিবস (Assam Divas)। অহোম রাজা সুকাফা-র সম্মানে ফি বছর ২ ডিসেম্বর মর্যাদা সহকারে পালিত হয় দিনটি। অসম দিবস উপলক্ষে রাজ্যবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। শ্রদ্ধা জানিয়েছেন গ্রেটার অসমের রূপকার সুকাফা-কে। অসম দিবস সুকাফা নামেও পরিচিত। ১৯৯৬ সালে এই উৎসবের সূচনা করেন অসমিয়ারা। তাঁদের কাছে আজও সুকাফা ঈশ্বরের দূত হিসেবে বিবেচিত হন।

    গ্রেটার অসমের প্রতিষ্ঠাতা

    এক্স হ্যান্ডেলে মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, “মহান সারগাদেও চাওলুঙ্গ সুকাফা গ্রেটার অসমের প্রতিষ্ঠাতা। তিনি ঐক্যের আদর্শ, সুশাসন এবং ঐক্যের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন গ্রেটার অসম। এই যুগনায়কের দেখানো পথেই যেন আমরা প্রত্যেকেই বৃহত্তর অসমের বন্ধনকে আরও শক্ত করতে পারি।” সুকাফা কেবল রাজাই ছিলেন না, তিনি সাম্রাজ্যের স্থপতিও (Assam Divas) ছিলেন। ১২২৮ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন তিনি। চুকাফা পাটকাই পর্বত পেরিয়ে অসমে প্রবেশ করে অহোম সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর সাম্রাজ্যে যে কেবল রাজনৈতিক স্থায়িত্ব ছিল তাই নয়, হয়েছিল সাংস্কৃতিক আত্তীকরণও। যা এই অঞ্চলের বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলেছিল।

    গুরুত্বপূর্ণ অবদান

    অহোম সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর টিকেছিল প্রায় ছ’শো বছর। অসমের বিভিন্ন সম্প্রদায়কে এক ছাতার তলায় নিয়ে আসতে এই সাম্রাজ্যের অবদান গুরুত্বপূর্ণ। ঐক্য এবং ন্যায়বিচারের ওপর দাঁড়িয়েছিল সুকাফার সুশাসন। ‘দ্য অহোম’ গ্রন্থের লেখক অরূপ দত্তের মতে, সুকাপা ছিলেন অহোমদের নেতা। তিনি ত্রয়োদশ শতাব্দিতে আপার বর্মা থেকে ৯ হাজার অনুগামীকে সঙ্গে নিয়ে অসমের ব্রহ্মপুত্র উপত্যকায় পৌঁছন। বর্তমানে অহোমদের সংখ্যা ৪০ থেকে ৫০ লক্ষ। তাঁর গ্রন্থ থেকেই জানা যায়, সুকপা এখানকার জনজাতিদের সঙ্গে বিশেষত, সুটিয়া, মোরান ও কাচারি সম্প্রদায়ের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন। অন্তর্বিবাহের প্রক্রিয়াও এঁদের মিশে যেতে সাহায্য করেছিল।

    আরও পড়ুুন: দুবাইয়ে মোদি-মুইজ্জু বৈঠক, কী কী বিষয়ে আলোচনা হল জানেন?

    ১৯৯৬ সাল থেকে অহোম দিবস পালন শুরু হয়। সে বছর থেকেই বিভিন্ন ক্ষেত্রে কৃতীদের এই পুরস্কার দেওয় হয়। চলতি বছর এই পুরস্কার পাচ্ছেন বর্ষীয়ান সাংবাদিক ধীরেন্দ্রনাথ বেজবরুয়া। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আজ অসম দিবস। আমি অহোম সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতাকে শ্রদ্ধা জানাই। অসমবাসীকেও শুভেচ্ছা জানাই। তাঁর মহান আদর্শ আমাদের সুন্দর ও সমৃদ্ধশালী অসম গড়তে প্রাণিত করবে।” জোরহাটকে সুকাফা ক্ষেত্র বলে গণ্য করেন অসমিয়ারা। এদিন দিনভর সেখানে (Assam Divas) হয়েছে নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: দুবাইয়ে মোদি-মুইজ্জু বৈঠক, কী কী বিষয়ে আলোচনা হল জানেন?

    PM Modi: দুবাইয়ে মোদি-মুইজ্জু বৈঠক, কী কী বিষয়ে আলোচনা হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-মালদ্বীপ সম্পর্কের বন্ধন আরও দৃঢ় করতে শুক্রবার সম্মত হলেন দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা। দুবাইতে হয়েছে রাষ্ট্রসংঘের জলবায়ু সম্মেলন। এই সম্মেলনেই মুখোমুখি হয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ও মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহামেদ মুইজ্জু। সেখানেই দুই রাষ্ট্রপ্রধানের বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয়। কোর গ্রুপ গঠন নিয়েও হয়েছে আলোচনা।

    মুইজ্জুকে অভিনন্দন-বার্তা

    প্রসঙ্গত, মাস কয়েক আগে মালদ্বীপের ক্ষমতায় আসেন মুইজ্জু। তার পরেই তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। অভিনন্দন-বার্তায় তিনি (PM Modi) লিখেছিলেন, “মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার জন্য মুইজ্জুকে অভিনন্দন জানাই। ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের সার্বিক সহযোগিতা বৃদ্ধি ও ভারত-মালদ্বীপের দীর্ঘদিনের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ ও সুদৃঢ় করার জন্য ভারত অঙ্গীকারবদ্ধ।”

    কী লিখলেন প্রধানমন্ত্রী?

    মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক শেষে এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “প্রেসিডেন্ট মুইজ্জু এবং আমি আজ একটি ফলপ্রসূ বৈঠক করেছি। বিভিন্ন ক্ষেত্রে কীভাবে ভারত-মালদ্বীপের বন্ধুত্ব আরও সমৃদ্ধ করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমাদের দেশের লোকের স্বার্থেই কীভাবে এক সঙ্গে কাজ করা যায়, সেদিকেই আমরা তাকিয়ে রয়েছি।” প্রধানমন্ত্রী অফিসের তরফেও জানানো হয়েছে, অর্থনৈতিক সম্পর্ক, পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানো ও দুই দেশের বাসিন্দাদের বন্ধন আরও দৃঢ় করতে ভারত-মালদ্বীপের সম্পর্ক শক্তপোক্ত করতে আলোচনায় বসেছিলেন (PM Modi) দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা।

    মুইজ্জুরের আগে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ছিলেন আবদুল্লা ইয়ামিন। তিনি ছিলেন চিনের ঘনিষ্ঠ। ২০১৩ সাল থেকে তাঁর পাঁচ বছরের জমানায় চিন-মালদ্বীপ সম্পর্ক বেশ গাঢ় হয়। পরে প্রেসিডেন্ট হন ইব্রাহিম মোহম্মদ সোলিহ। তাঁর আমলে ভারত-মালদ্বীপ সম্পর্কের উন্নতি হয়। গত সেপ্টেম্বরে পালাবদল ঘটে মালদ্বীপে। ক্ষমতায় আসেন মুইজ্জু। তার পর ফের এই দ্বীপরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নত করতে উদ্যোগী হয় ভারত।

    আরও পড়ুুন: “৭-৮টা সন্তান দিন রাশিয়ার মহিলারা”! কেন এরকম আর্জি রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের?

    ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, দুই রাষ্ট্র প্রধানের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক, জলবায়ু পরিবর্তন, ক্রীড়া, দুই দেশের নাগরিকদের মধ্যে সম্পর্ক, উন্নয়ন নিয়ে পারস্পরিক সহযোগিতা ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। কীভাবে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও গাঢ় করা যায়, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। তাই দুই রাষ্ট্রপ্রধান চেয়েছেন একটি কোর গ্রুত গঠন (PM Modi) করতে। প্রসঙ্গত, এর ঠিক আগের দিনই মালদ্বীপ থেকে ৭৭ জন সৈনিককে ফেরত নিয়ে ভারতকে অনুরোধ করেছিল মালদ্বীপ সরকার।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • Mizoram Assembly Polls: রাত পোহালেই ভোট গণনা চার রাজ্যে, পিছল মিজোরামের ফল ঘোষণার দিন  

    Mizoram Assembly Polls: রাত পোহালেই ভোট গণনা চার রাজ্যে, পিছল মিজোরামের ফল ঘোষণার দিন  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণা হওয়ার কথা ছিল। হ্যাঁ, ছিল। তবে এখন আর তা হচ্ছে না। এতে অবশ্য হতাশ হওয়ার কিছু নেই। পূর্ব নির্ধারিত সূচি মেনে রবিবার ভোট গণনা হবে রাজস্থান সহ চার রাজ্যের। বাদ থাকবে উত্তর-পূর্বের পাহাড়ি রাজ্য মিজোরাম (Mizoram Assembly Polls)। এ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফল গণনা হবে সোমবার। আজ, শুক্রবার বিবৃতি দিয়ে এ কথা জানাল নির্বাচন কমিশন। রবিবারের পরিবর্তে সোমবার ফল ঘোষণার আবেদন জানিয়েছিল মিজোরামের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন। তাদের সেই আর্জি মেনেই এ রাজ্যের ভোট গণনা হবে ৪ ডিসেম্বর, সোমবার।

    মিজো নাগরিক সংগঠনের দাবি

    প্রসঙ্গত, নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পরেই মিজোরামের বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও গির্জাগুলির যৌথমঞ্চ দাবি জানিয়েছিল, রবিবার যেন সেখানে ভোট গণনা না হয়। এ নিয়ে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিল মিজো নাগরিক সংগঠন। কমিশনের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিভিন্ন পক্ষ থেকে গণনার দিন ৩ ডিসেম্বর, রবিবারের (Mizoram Assembly Polls) পরিবর্তে অন্য দিন করার অনুরোধ জানানো হয়েছিল। কারণ রবিবার মিজোরামবাসীর কাছে বিশেষ দিন। এই অনুরোধ বিবেচনা করে কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, মিজোরামে বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনার দিন ৩ ডিসেম্বর, রবিবারের পরিবর্তে হবে ৪ ডিসেম্বর, সোমবার।

    পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন

    চলতি মাসেই শেষ হয়েছে রাজস্থান, ছত্তিশগড়, মধ্যপ্রদেশ, তেলঙ্গনা ও মিজোরাম বিধানসভার নির্বাচন। ফল ঘোষণা হওয়ার কথা ছিল ৩ ডিসেম্বর। কিন্তু মিজো নাগরিক সংগঠনের আর্জি মেনেই বদল হয়েছে ফল ঘোষণার দিন। সংগঠনের দাবি, মিজোরামের ৮৮ শতাংশ মানুষই খ্রিস্টান। রবিবার গির্জায় প্রার্থনা করতে যান তাঁরা। তাই এদিন ভোট গণনা হলে, সমস্যায় পড়বেন তাঁরা। মিজোরামের ১৫টি গির্জার যৌথ মঞ্চও এ ব্যাপারে আলাদা করে বার্তা দিয়েছিল কমিশনকে। কমিশনকে করা আবেদন যাতে মঞ্জুর হয়, সেজন্য গত রবিবার বিশেষ প্রার্থনাও হয়েছে মিজোরামের (Mizoram Assembly Polls) বিভিন্ন গির্জায়। প্রসঙ্গত, ২৩ নভেম্বর নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল রাজস্থানে। সেদিন ওই রাজ্যে প্রচুর বিয়ে ও সামাজিক অনুষ্ঠান থাকায় দিন পরিবর্তনের দাবি ওঠে বিভিন্ন মহলে। তার জেরেই ২৩ তারিখের পরিবর্তে রাজস্থানে নির্বাচন হয় ২৫ নভেম্বর।

    আরও পড়ুুন: মোদির সঙ্গে সেলফি তুলে উচ্ছ্বসিত ইতালির প্রধানমন্ত্রী, ভাইরাল ‘মেলোডি’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: মোদির সঙ্গে সেলফি তুলে উচ্ছ্বসিত ইতালির প্রধানমন্ত্রী, ভাইরাল ‘মেলোডি’

    PM Modi: মোদির সঙ্গে সেলফি তুলে উচ্ছ্বসিত ইতালির প্রধানমন্ত্রী, ভাইরাল ‘মেলোডি’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ব নেতাদের মধ্যে তাঁর তুঙ্গ জনপ্রিয়তার কথা সুবিদিত। এটা যে নিছক সংবাদ মাধ্যমের গালগল্প নয়, শুক্রবার ফের তা একবার দেখল তামাম বিশ্ব।  দুবাইতে চলছে রাষ্ট্রসংঘের জলবায়ু সম্মেলন। শুক্রবার এই সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাষ্ট্র ও সরকারের প্রধানদের জন্য উচ্চস্তরের সেগমেন্টে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এদিন রাতেই দেশে ফিরেছেন তিনি। মোদি ছাড়াও এদিনের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন বিশ্বের একাধিক রাষ্ট্রপ্রধান।

    মোদির সঙ্গে সেলফি

    এই সম্মেলনের ফাঁকেই মুখোমুখি চলে আসেন মোদি আর ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি। ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে ফোন বের করে তাঁর সঙ্গে সেলফি তুলে নেন মেলোনি। ইনস্টাগ্রামে ছবিটি দিয়ে হ্যাশট্যাগে ইতালির প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “মেলোডি”। ‘মোদি’ ও ‘মেলোনি’ শব্দ যোগ করে তিনি বানিয়ে ফেলেছেন ‘মেলোডি’। যা নিয়ে বিস্তর হইচই নেট মাধ্যমে। মোদি-মেলোনির এই যুগলবন্দি (‘মেলোডি’র ছবি) ইতিমধ্যেই ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে। ‘মেলোডি’ পোস্ট করে ইনস্টাগ্রামে ইতালির প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “সিওপি ২৮ এ ভাল বন্ধুরা # মেলোডি।” 

    এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী যা লিখলেন

    এদিকে, এক্স হ্যান্ডেলে ভারতের প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “সিওপি ২৮ সামিটের ফাঁকে ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির সঙ্গে সাক্ষাৎ হল। মজবুত ভবিষ্যৎ ও সমৃদ্ধি পেতে ইতালি ও ভারতের যৌথ উদ্যোগে আমি বিশ্বাস করি।” দুবাইয়ের এই সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছে ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লসেরও। ব্রিটেনের রাজার সঙ্গে তাঁর কী কী বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে, তাও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ কণ্ঠস্বর তিনি (রাজা তৃতীয় চার্লস)।

    এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “দুবাইয়ে আজ আমার একটি সুযোগ হয়েছিল রাজা চার্লসের সঙ্গে কথপোকথনের। তিনি সব সময়ই জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে আলোচনায় আগ্রহী ছিলেন। কীভাবে এই পরিস্থিতির উন্নতি ঘটানো যায়, তা নিয়েও। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ কণ্ঠস্বর তিনি।” প্রসঙ্গত, এ নিয়ে তৃতীয়বার মোদি যোগ দিলেন ‘ওয়ার্ল্ড ক্লাইমেট অ্যাকশান সামিটে’। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মোদি প্রথম এই সম্মেলনে যোগ দেন ২০১৫ সালে। ২০২১ সালে গ্লাসগো সম্মেলনেও যোগ দিয়েছিলেন তিনি (PM Modi)। এবার যোগ দিলেন দুবাই সম্মেলনে।

    আরও পড়ুুন: “ধনী দেশগুলির উচিত কার্বন নির্গমন পুরোপুরি কমানো”, দুবাইতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: “ধনী দেশগুলির উচিত কার্বন নির্গমন পুরোপুরি কমানো”, দুবাইতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “ধনী দেশগুলির উচিত কার্বন নির্গমন পুরোপুরি কমানো”, দুবাইতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ধনী দেশগুলির উচিত ২০৫০ সালের আগে কার্বন নির্গমন পুরোপুরি কমানো।” শুক্রবার দুবাইয়ের মাটিতে দাঁড়িয়ে কথাগুলি বললেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ২০২৮ সালে ভারতে রাষ্ট্রসংঘের জলবায়ু সম্মেলন আয়োজনের প্রস্তাবও দেন তিনি। জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে কার্বন সিঙ্ক তৈরির ওপর জোর দিয়ে গ্রিন ক্রেডিট ইনিশিয়েটিভ চালুও করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    দুবাইতে চলছে রাষ্ট্রসংঘের জলবায়ু সম্মেলন। এই সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাষ্ট্র ও সরকারের প্রধানদের জন্য উচ্চস্তরের সেগমেন্টে ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারত বিশ্বের কাছে উন্নয়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার একটি দুর্দান্ত উদাহরণ উপস্থাপন করেছে। ভারত বিশ্বের মাত্র কয়েকটি দেশের মধ্যে অন্যতম যারা জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের অবনতি এড়াতে বিশ্ব উষ্ণায়নকে ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমাবদ্ধ করার জাতীয় পরিকল্পনা বা ন্যাশনালি ডিটারমাইন্ড কন্ট্রিবিউশনের পথে সঠিকভাবে কাজ করছে।”

    প্রযুক্তি হস্তান্তরের আহ্বান

    প্রধানমন্ত্রী জানান, নিউ কালেকটিভ কোয়ানটিফায়েড গোলের ক্ষেত্রে একেবারে শক্তপোক্ত পা ফেলতে চায় ভারত। এর পরেই তিনি বলেন, “ধনী দেশগুলির উচিত ২০৫০ সালের আগে কার্বন নির্গমন পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সারা বিশ্বে শক্তির স্থানান্তর অবশ্যই ন্যায্য ও অন্তর্ভুক্তিমূলক হতে হবে।” বদলে যাওয়া জলবায়ুর মোকাবিলায় উন্নয়নশীল দেশগুলিকে সহায়তা করতে প্রযুক্তি হস্তান্তরের আহ্বানও জানান ধনী দেশগুলিকে (PM Modi)।

    আরও পড়ুুন: মতুয়ারা তৃণমূলকে ভোট দেবেন না, কেন বললেন শুভেন্দু?

    প্রসঙ্গত, জলবায়ু পরিবর্তনের মোকাবিলা করতে ২০০৯ সালে ধনী দেশগুলি শপথ নিয়েছিল ২০২০ সাল পর্যন্ত প্রতি বছর তারা ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার তুলে রাখবে গরিব দেশগুলির জন্য। এদিনের বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী লাইফস্টাইল ফর এনভায়রনমেন্টের প্রসঙ্গেরও অবতারণা করেন। বিশ্ববাসীকে গ্রহ-বান্ধব জীবনযাপনে অভ্যস্ত হওয়া ও ভোগবাদী আচরণ থেকে দূরে থাকার আহ্বানও জানান তিনি। ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সির একটি গবেষণার উদ্ধৃতি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই পদ্ধতির ফলে ২ বিলিয়ন টন কার্বন নিঃসরণ কমানো সম্ভব।” তিনি (PM Modi) বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সকলের অংশগ্রহণ প্রয়োজন। সকলেরই স্বার্থ রক্ষা করতে হবে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • 2000 Rupees Note: এখনও ‘বৈধ’ ২০০০ টাকার নোট, ঘোষণা রিজার্ভ ব্যাঙ্কের, জমা পড়েছে কত?

    2000 Rupees Note: এখনও ‘বৈধ’ ২০০০ টাকার নোট, ঘোষণা রিজার্ভ ব্যাঙ্কের, জমা পড়েছে কত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০০০ টাকার নোট (2000 Rupees Note) নিয়ে বড় ঘোষণা করল ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। শুক্রবার বিশেষ বিজ্ঞপ্তি জারি করে শীর্ষ ব্যাঙ্ক জানিয়ে দিল, ২০০০ টাকার নোট এখনও ‘বৈধ’। তবে, তা বাজারে চলবে না। স্রেফ নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আরবিআই-তে জমা নেওয়া হবে। একইসঙ্গে কত পরিমাণ ২০০০ টাকার নোট ব্যাঙ্কে ফেরত এসেছে এবং কত পরিমাণ এখনও বাজারে রয়েছে, তাও এদিন সংখ্যা পেশ করে জানিয়েছে আরবিআই (RBI)।

    ৯,৭৬০ কোটি মূল্যের নোট এখনও বাজারে

    চলতি বছরের ১৯ মে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক ঘোষণা করেছিল, এ বছরের ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ২০০০ টাকার নোট (2000 Rupees Note) ব্যাঙ্কে জমা দেওয়া যাবে। পরে সেই সময়সীমা বাড়িয়ে ৭ অক্টোবর করা হয়। ঘোষণার সময় বাজারে চালু থাকা বৈধ নোটের মোট অর্থমূল্য ছিল ৩ লক্ষ ৫৬ হাজার কোটি টাকা। এদিন আরবিআই (RBI) জানিয়েছে, ঘোষণার দিন থেকে এখনও পর্যন্ত ২০০০ টাকার নোটের ৯৭.২৬ শতাংশ রিজার্ভ ব্যাঙ্কে জমা পড়েছে। আরবিআই জানিয়েছে, ৩০ নভেম্বরের হিসেব অনুযায়ী, ৯,৭৬০ কোটি অর্থমূল্যের ২০০০ টাকার নোট বাজারে রয়েছে।

    আরবিআই-তে গিয়ে জমা করতে হবে নোট

    সেই সঙ্গে আরবিআই জানিয়ে দিয়েছে, ২০০০ টাকার নোট (2000 Rupees Note) এখনও ‘বৈধ’ থাকবে। ৭ অক্টোবরের পর থেকে ২০০০ টাকার নোট জমা নেওয়ার প্রক্রিয়া রিজার্ভ ব্যাঙ্কে চালু রয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরবিআই জানিয়েছে, সেই কাজ এখনও চলবে। যার কাছে যত সংখ্যক ২০০০ টাকার নোট রয়েছে সে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের (RBI) অফিসে গিয়ে নির্দিষ্ট ফর্ম ফিল আপ করে নোটগুলির নম্বর দিয়ে তা জমা দিতে পারবে। সেই পরিমাণ টাকা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেবে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। তবে সেই ব্যক্তি অন্য কোনও অ্যাকাউন্টে ওই টাকা পাঠাতে পারবে না। শুধু ব্যক্তি বিশেষ নয়, একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে যে কোনও, সংস্থার ক্ষেত্রেও। টাকা সংশ্লিষ্ট সংস্থার অ্যাকাউন্টেই জমা পড়বে। অন্য কোনও সংস্থাকে ওই টাকা দেওয়া (ট্রান্সফার) যাবে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Justice Ahijit Ganguly: শিক্ষা দফতরের গালে ফের থাপ্পড়! এবার প্রধান শিক্ষক নিয়োগেও স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের

    Justice Ahijit Ganguly: শিক্ষা দফতরের গালে ফের থাপ্পড়! এবার প্রধান শিক্ষক নিয়োগেও স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষা দফতরের গালে ফের থাপ্পড়! এবার প্রধান শিক্ষক নিয়োগেও স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। কাউন্সেলিং ছাড়াই প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ হয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার কয়েকটি স্কুলে। চলতি বছরই বেশ কয়েকজনকে প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ করা হয়েছে কাউন্সেলিং ছাড়াই। এমন অভিযোগের ভিত্তিতেই হয়েছিল মামলা। এই মামলার শুনানিতে রায় দিতে গিয়ে স্থগিতাদেশ দেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Ahijit Ganguly)। আদালতের নির্দেশ ছাড়া আপাতত এই জেলায় কোনও নতুন প্রধান শিক্ষক নিয়োগ নয় বলেও সাফ জানিয়ে দিয়েছে আদালত। আগামী ২০ ডিসেম্বর ফের শুনানি হবে এই মামলার।

    লেজেগোবরে দশা শিক্ষা দফতরের

    নিয়োগ সংক্রান্ত নানা মামলায় কার্যত লেজেগোবরে দশা শিক্ষা দফতরের। এমতাবস্থায় আদালতের এই স্থগিতাদেশে আরও একবার বেআব্রু হয়ে গেল দফতরের কেলেঙ্কারি। নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে অনিয়মের জেরে গ্রেফতার হয়েছেন তৃণমূলের একাধিক নেতা। প্রকাশ্যে এসেছে একের পর এক দুর্নীতি। কাউন্সেলিং কিংবা ইন্টারভিউয়ের তোয়াক্কা না করেই নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে অনেককেই। যেসব ক্ষেত্রে অভিযোগ উঠেছে, সেসব ক্ষেত্রেই তদন্ত করছে সিবিআই এবং ইডি। যা নিয়ে (Justice Ahijit Ganguly) নিরন্তর চলছে শাসক-বিরোধী তরজা। এহেন আবহে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় শিক্ষক নিয়োগে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিল আদালত।

    রাজ্যের বক্তব্য

    এদিন আদালতে রাজ্যের তরফে জানানো হয়, কেবল বয়স ও অভিজ্ঞতার নিরিখেই প্রধান শিক্ষক নিয়োগ করা হয়। জেলা স্কুল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের নিয়ম মেনেই এই নিয়োগ হয়। রাজ্যের বক্তব্য যে আদতে ধোপে টেকেনি, আদালতের নির্দেশই তার প্রমাণ। প্রসঙ্গত, নিয়োগ কেলেঙ্কারির জাল যে কতদূর বিস্তৃত, তার প্রমাণ মিলেছিল মাস দেড়েক আগেই। কৌশিক মাজি নামে বেসরকারি সংস্থার এক কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার জন্য ওএমআর শিট তৈরির দায়িত্বে ছিল এস বসু রায় অ্যান্ড কোম্পানি নামে একটি সংস্থা। এই সংস্থার আর এক কর্তা পার্থ সেনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল আগেই। ধৃতকে জেরা করে কৌশিকের নাগাল পান সিবিআই আধিকারিকরা (Justice Ahijit Ganguly)।

    আরও পড়ুুন: তৃণমূল বিধায়কের শৌচাগারেও কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা, যন্ত্র দিয়ে চলছে গোনা

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Assembly Election 2023: দুই রাজ্যে এগিয়ে বিজেপি, হাড্ডাহাড্ডি অন্যত্র, ত্রিশঙ্কু হচ্ছে মিজোরাম!

    Assembly Election 2023: দুই রাজ্যে এগিয়ে বিজেপি, হাড্ডাহাড্ডি অন্যত্র, ত্রিশঙ্কু হচ্ছে মিজোরাম!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন। তার আগে ‘ওয়ার্মআপ ম্যাচ’ হয়ে গেল চলতি মাসে। দেশের পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন হয়েছে এ মাসেই। আজ, বৃহস্পতিবার ছিল তেলঙ্গনা বিধানসভার নির্বাচন (Assembly Election 2023)। পাঁচ রাজ্যেরই ফল ঘোষণা হবে ৩ ডিসেম্বর। এই রাজ্যগুলির ফল থেকে কেন্দ্র কার দখলে যাবে, তার একটা আভাস মিলতে পারে বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। যদিও পাঁচ রাজ্যের ফল কোনওভাবেই গোটা দেশের ছবি হতে পারে না। আসুন, দেখে নেওয়া যাক, পাঁচ রাজ্যের ফলের গতিপ্রকৃতি।

    প্রথমেই দেখা যাক ছত্তিশগড়ের সম্ভাব্য ফল। এ রাজ্যে কংগ্রেস ও বিজেপির হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হতে চলেছে। এ রাজ্যে বিধানসভার আসন ৯০। ম্যাজিক ফিগার ৪৬। এবিপি নিউজ-সি ভোটারের সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, বিজেপি পেতে পারে ৩৬-৪৮টি আসন। কংগ্রেসের ঝুলিতে যেতে পারে ৪১-৫৩টি আসন। ইন্ডিয়া টুডে-এক্সিস-মাই ইন্ডিয়ার এক্সিট পোলে বলা হয়েছে, বিজেপি পেতে পারে ৩৬-৪৬টি আসন। কংগ্রেস পেতে পারে ৪০-৫০টি আসন। দৈনিক ভাস্করের সমীক্ষা বলছে, বিজেপি পাবে ৩৫-৪৫টি আসন। কংগ্রেসের দখলে যেতে পারে ৪৬-৫৫টি আসন।

    মধ্যপ্রদেশে ক্ষমতায় আসতে পারে বিজেপি। এ রাজ্যে আসন রয়েছে ২৩০টি। সরকার গড়তে হলে পেতে হবে ১১৬টি আসন। দৈনিক ভাস্করের সমীক্ষা (Assembly Election 2023) বলছে, বিজেপি পেতে পারে ৯৫-১১৫টি আসন। কংগ্রেস ১০৫-১২০টি আসন। রিপাবলিক টিভি-মাত্রিজের সমীক্ষা অনুযায়ী, গেরুয়া ঝুলিতে যেতে পারে ১১৮-১৩০টি আসন। কংগ্রেস পেতে পারে ৯৭-১০৭টি আসন। পোল অফ পোলের সমীক্ষায়ও এ রাজ্যে পাল্লা ভারী বিজেপির দিকেই। জন-কী-বাতের সমীক্ষা অনুযায়ী, বিজেপি পেতে পারে ১০০-১২৩টি আসন। কংগ্রেসের ঝুলিতে যেতে পারে ১০২-১২৫টি আসন।

    রাজস্থান বিধানসভার আসন সংখ্যা ২০০। কংগ্রেস প্রার্থীর মৃত্যুতে নির্বাচন হয়নি একটি কেন্দ্রে। ভোট হয়েছে ১৯৯টি আসনে। ম্যাজিক ফিগার ১০১। তবে আপাতত প্রয়োজন ১০০টি আসন। পোল অফ পোলের সমীক্ষা বলছে, বিজেপি পেতে পারে ১১১টি আসন। আর কংগ্রেস ৭৪টি। অন্যরা পেতে পারে ১৪টি। ইন্ডিয়া টুডে-অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়া বিজেপি পেতে পারে ৮০-১০০টি আসন। বিজেপি পাবে ৮০-১০০টি আসন। অন্যরা পেতে পারে ৯-১৮টি আসন। দৈনিক ভাস্করের সমীক্ষা অনুযায়ী, বিজেপি পাবে ৯৮-১০৫টি আসন। কংগ্রেস ৮৫-৯৫টি আসন। অন্যরা পেতে পারে ১০-১৫।

    পোল অফ পোলসের সমীক্ষা বলছে, তেলঙ্গনায় বিআরএস পেতে পারে ৪৮টি আসন। কংগ্রেসের ঝুলিতে যেতে পারে ৫৬টি। ৫-১০টি আসন পেতে পারে বিজেপি। ৬-৮টি আসন পেতে পারে অন্যান্য রাজনৈতিক দল। জন কী বাত আবার এ রাজ্যে এগিয়ে রেখেছে কংগ্রেসকে। কংগ্রেস পেতে পারে ৪৮-৬৪টি আসন। বিআরএস পেতে পারে ৪০-৫৫টি আসন। বিজেপি পেতে পারে ৭-১৩টি আসন এআইএমআইএম পেতে পারে ৪-৭টি আসন।

    ত্রিশঙ্কু হতে পারে মিজোরাম বিধানসভা। এবিপি নিউজ-সি ভোটার সমীক্ষা অনুযায়ী, উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যটিতে এমএনএফ পেতে পারে ১৫-২১টি আসন। কংগ্রেস পেতে পারে ২-৮টি আসন। জেডপিএম পেতে পারে ১২-১৮টি আসন। অন্যরা পেতে পারে ০-৫টি আসন (Assembly Election 2023)।

    আরও পড়ুুন: তৃণমূল বিধায়কের শৌচাগারেও কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা, যন্ত্র দিয়ে চলছে গোনা

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Tata IPO: লক্ষ্মীবারে বিপুল লক্ষ্মীলাভ! ডেবিউ-র দিনই মাল্টিব্যাগার স্টকে পরিণত টাটা টেকের শেয়ার!

    Tata IPO: লক্ষ্মীবারে বিপুল লক্ষ্মীলাভ! ডেবিউ-র দিনই মাল্টিব্যাগার স্টকে পরিণত টাটা টেকের শেয়ার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রত্যাশা ছিলই। হলও তাই। বৃহস্পতিবার লক্ষ্মীবারে দুর্দান্ত রিটার্ন দিয়ে শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্ত হল টাটা গোষ্ঠীর শেয়ার (Tata IPO)। টাটা টেকনোলজিস শুরুই করল ১৪০ শতাংশ লাভ নিয়ে। স্বাভাবিকভাবই লক্ষ্মীবারে বেশ ভালই লক্ষ্মীলাভ হল বিনিয়োগকারীদের। 

    টাটার আইপিওতে সাবস্ক্রাইব ৫০০ টাকায়

    এদিন সকাল ১০টা নাগাদ টাটা গোষ্ঠীর এই শেয়ার এনএসইতে ১২০০ টাকা ও বিএসইতি ১১৯৯.৯৫ টাকায় লিস্টিং হয়। অর্থাৎ শুরুতেই শেয়ারের প্রতি স্ক্রিপ বা ইউনিটে ৭০০ টাকার মুনাফা। টাটা টেকনোলজিসের এই আইপিওতে লট সাইজের আকার ছিল ৩০। তাই এই ছ’ দিনেই বিনিয়োগকারীরা শুরুতেই মুনাফা লুটলেন ২১ হাজার টাকা। তার পর দিন যত এগিয়েছে উপরে উঠতে থেকেছে গ্রাফ। একটা সময় ১৪০০ টাকায় পৌঁছে যায় এই শেয়ারের দর। অর্থাৎ, প্রিমিয়াম বা মুনাফার পরিমাণ ১৮০ শতাংশ। সেখানে থেকে কিছুটা নেমে এদিন বাজার বন্ধের সময় এই শেয়ারের দর দাঁড়ায় ১৩১৩ টাকায়। অর্থাৎ ১৬২ শতাংশ প্রিমিয়ামে। 

    বিনিয়োগকারীরা টাটা গোষ্ঠীর এই আইপিওতে সাবস্ক্রাইব করেছিলেন ৫০০ টাকায়। আইপিও-র মাধ্যমে এই সংস্থা ২২০০ কোটি টাকার শেয়ার ছেড়েছিল। কিন্তু, বিড বা আগাম বুকিংয়ের পরিমাণ ছিল ১.৫৬ লক্ষ কোটি টাকার। অর্থাৎ, প্রায় ৭০ গুণ ওভার-বুকিং হয়েছিল। ফলত, যাঁরা আবেদন করেছিলেন, তাঁদের সকলে অ্যালটমেন্ট পাননি। কিন্তু, এই ওভার-বুকিং থেকেই আভাস মিলেছিল যে, এই স্টক বাজারে ধামাল করবে। আর ঠিক সেটাই হলো। 

    মাত্র ছ’দিনে এই আইপিও-র মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের অর্থ দ্বিগুণের বেশি হয়ে গেল। বৃহস্পতিবার বাজার বন্ধের সময় এক-একটি স্ক্রিপে লাভের পরিমাণ ৮১৩ টাকা। টাটা টেকের এই শেয়ার যে ভালই লাভ দেবে, তা আশা করেছিলেন শেয়ারবাজারের কারবারিরা। টাটা গোষ্ঠী যে তাঁদের নিরাশ করেনি, এদিনের বাজারের ছবিই তা-ই বলে দিচ্ছে। এখনও সপ্তাহও পার হয়নি বাজারে এসেছে এই শেয়ার। তার মধ্যেই টাটা টেকের শেয়ার পরিণত হল মাল্টিব্যাগার স্টকে।

    টিসিএসের পর এবার টাটা টেক

    প্রায় দু’ দশক পরে শেয়ার বাজারে এল টাটা গোষ্ঠীর কোনও আইপিও (Tata IPO)। এর আগে এই গোষ্ঠীর স্টক এসেছিল ২০০৪ সালে। সেবার তালিকাভুক্ত হয়েছিল টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেস (টিসিএস) এর শেয়ার। সেবারও ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল টাটার ওই শেয়ার। ফুলেফেঁপে উঠেছিলেন বিনিয়োগকারীরা। এবারও বাজারে পা রেখেই টাটা টেকের রেকর্ড গড়ে ফেলল রেকর্ড। এলআইসির আইপিও-র রেকর্ড ভেঙে দেশের বৃহত্তম আইপিওতে পরিণত হয়েছে টাটা টেকের শেয়ার। আইপিও খোলার প্রথম দিনই মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যেই ইস্যুটি সাবস্ক্রাইব হয়ে গিয়েছিল একশো শতাংশ।

    আরও পড়ুুন: “জ্যোতিপ্রিয় জেলে, তাঁকে কেন বরখাস্ত করছেন না?” প্রশ্ন তুলে ওয়াক আউট বিজেপির

    বিডিংয়ের ক্ষেত্রেও চমক দিয়েছিল টাটা টেক। খুচরো বিনিয়োগকারীদের বিভাগে ১৬ বার এবং কোয়ালিফায়েড ইনস্টিটিউশনাল বিনিয়োগকারীদের ক্ষেত্রে ২০৩ বার ও নন ইনস্টিটিউশনাল ইনভেস্টরদের বিভাগে ৬২ গুণ সাবস্ক্রিপশন দেখা গিয়েছে। প্রসঙ্গত, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত এই কোম্পানির মোট আয়ের পরিমাণ প্রায় ৩৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ২ হাজার ৫৮৭ কোটি টাকা। কর বাদে সংস্থাটির মুনাফা ৩৬ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫২ কোটি টাকায় (Tata IPO)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Assembly Winter Session: “জ্যোতিপ্রিয় জেলে, তাঁকে কেন বরখাস্ত করছেন না?” প্রশ্ন তুলে ওয়াক আউট বিজেপির  

    Assembly Winter Session: “জ্যোতিপ্রিয় জেলে, তাঁকে কেন বরখাস্ত করছেন না?” প্রশ্ন তুলে ওয়াক আউট বিজেপির  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবারের বারবেলায়ও উত্তপ্ত হল বিধানসভা। রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে যাওয়ায় জেলে রয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। মাসখানেক ধরে তিনি জেলে রইলেও, মন্ত্রিত্ব খোয়া যায়নি তাঁর। বৃহস্পতিবার এনিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিধায়ক বিজেপির (Assembly Winter Session) শঙ্কর ঘোষ। তিনি বলেন, “জেলে থাকা অবস্থায় কীভাবে রাজ্যের মন্ত্রিসভায় রয়েছেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক?” এনিয়ে শাসক-বিরোধী ব্যাপক হট্টগোল হয় সভায়। জ্যোতিপ্রিয়কে বরখাস্ত করার দাবি জানাতে থাকেন বিজেপি বিধায়করা। এই দাবিতেই বিধানসভা থেকে ওয়াকআউট করেন তাঁরা।

    ‘সরকার পুরোটাই দুর্নীতিগ্রস্ত’

    শঙ্কর বলেন, “একজন অভিযুক্ত মন্ত্রী কতখানি প্রভাবশালী যে জেলের ভেতরে থেকেও মন্ত্রিসভায় রয়েছেন। এ নিয়ে বিধানসভার অন্দরে প্রশ্ন করতে গেলে কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা হচ্ছে। এ থেকেই তো স্পষ্ট, এই সরকার পুরোটাই দুর্নীতিগ্রস্ত।” বিরোধীদের বক্তব্য ছিল, জ্যোতিপ্রিয় জেলবন্দি। এর পরেও তাঁকে মন্ত্রী বলা হবে? তিনি কীভাবে বিধানসভায় উপস্থিত থাকবেন? এসব প্রশ্ন তুলে এদিন পয়েন্ট অফ অর্ডার দাখিল করতে চান বিরোধীরা। এনিয়ে সভায় (Assembly Winter Session) শুরু হয় হট্টগোল। সেই সময় স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, পয়েন্ট অফ অর্ডার আনতে হলে, তা আনতে হবে নির্দিষ্ট বিধি মেনে। এর পরেই স্লোগান দিতে দিতে ওয়াক আউট করেন পদ্ম-বিধায়করা।

    জ্যোতিপ্রিয়র বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ

    বিজেপি বিধায়কদের বক্তব্য, জ্যোতিপ্রিয়র বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। তাই তাঁকে গ্রেফতার করেছে ইডি। এই বিষয়টি নিয়ে বিধানসভার অন্দরে আলোচনার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। শঙ্কর বলেন, “যদি এমনটাই ধরে নেওয়া যায় যে তিনি এখনও পর্যন্ত আদালতে দোষী সাব্যস্ত হননি, কেবল অভিযুক্ত রয়েছেন, তাহলেও স্পিকার এই বক্তব্যের বিরুদ্ধাচরণ না করে বলতেই পারতেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক অভিযুক্ত হয়ে গ্রেফতার হয়েছেন। তাই তাঁকে এখনই রাজ্যের মন্ত্রিসভা থেকে সরানো হবে না। তা না করে স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিষয়টি নিয়ে বক্তব্য বন্ধ করে দেন।” প্রসঙ্গত, এদিন পয়েন্ট অফ অর্ডারে জ্যোতিপ্রিয়কে বরখাস্ত করার বিষয়টি নিয়ে বক্তব্য রাখছিলেন শঙ্করই।

    আরও পড়ুুন: জেল খাটা থেকে দলবদল! জানুন অদিতি মুন্সীর স্বামী, অভিষেক-ঘনিষ্ঠ দেবরাজের উত্থান

    প্রসঙ্গত, বুধবার ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে বিজেপির জনসভায় খোদ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ প্রশ্ন তুলেছিলেন, “তৃণমূল কংগ্রেস যদি দুর্নীতিমুক্ত হয়, তাহলে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, অনুব্রত মণ্ডল, পার্থ চট্টোপাধ্যায়দের সাসপেন্ড করে দেখাক।” তার ঠিক চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যেই জ্যোতিপ্রিয়কে বরখাস্ত করার দাবিতে ওয়াক আউট করলেন বিজেপি বিধায়করা (Assembly Winter Session)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share