Tag: pakistan news

pakistan news

  • Ishaq Dar Grandson Arrested: পাক উপপ্রধানমন্ত্রী ইশাক দারের নাতি গ্রেফতার! দুই বিদেশিনীকে অপহরণ, গণধর্ষণ ও ১৫ লক্ষ ডলার মুক্তিপণ দাবির অভিযোগ

    Ishaq Dar Grandson Arrested: পাক উপপ্রধানমন্ত্রী ইশাক দারের নাতি গ্রেফতার! দুই বিদেশিনীকে অপহরণ, গণধর্ষণ ও ১৫ লক্ষ ডলার মুক্তিপণ দাবির অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও বিদেশমন্ত্রী ইশাক দারের নাতি মুহাম্মদ রেজা দারকে গ্রেফতার করেছে লাহোর পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, আরও চার সহযোগীকে সঙ্গে নিয়ে দুই বিদেশি নারীকে অপহরণ, গণধর্ষণ, শারীরিক নির্যাতন এবং ১৫ লক্ষ মার্কিন ডলার মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পাকিস্তানে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    কী অভিযোগ উঠেছে?

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২৯ জুন লাহোরে নেদারল্যান্ডস এবং ভেনেজুয়েলার দুই তরুণীকে অপহরণ করা হয়। অভিযোগ, অভিযুক্তরা তাঁদের একটি বাড়িতে আটকে রেখে একাধিকবার যৌন নির্যাতন করে। শুধু তাই নয়, তাঁদের ওপর নির্মম শারীরিক নির্যাতন চালানো হয় এবং মুক্তির জন্য ১৫ লক্ষ মার্কিন ডলার দাবি করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, টাকা না দিলে দুই নারীকে হত্যা করা হবে এবং তাঁদের শরীরের অঙ্গ বিক্রি করে দেওয়ারও হুমকি দেওয়া হয়।

    কীভাবে উদ্ধার হলেন দুই বিদেশিনী?

    পুলিশের দাবি, বন্দিদশায় থাকা অবস্থায় এক নারী কোনওভাবে তাঁর বাবার সঙ্গে যোগাযোগ করতে সক্ষম হন। ওই ব্যক্তি নেদারল্যান্ডস থেকে জরুরি ভিত্তিতে লাহোর পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে দুই বিদেশিনীকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়ার পর নির্যাতিতারা অভিযোগ করেন, লাহোরে পৌঁছানোর পরই রেজা দার ও তাঁর সহযোগীরা তাঁদের অপহরণ করে একটি বাড়িতে নিয়ে যায়, যেখানে তাঁদের ওপর গণধর্ষণ চালানো হয় এবং মুক্তিপণ দাবি করা হয়।

    গ্রেফতার চার, পলাতক এক

    এই ঘটনায় লাহোর পুলিশ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। অভিযুক্তদের মধ্যে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁরা হলেন— মহম্মদ রেজা দার, হাসান রেজা, সিকান্দার খান, ও সাজিদ আলি। অন্য এক অভিযুক্ত এখনও পলাতক। তাকে ধরতে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে। আদালত ধৃত চার অভিযুক্তকে পাঁচ দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠিয়েছে।

    কীভাবে পরিচয় হয়েছিল?

    নির্যাতিতাদের বয়ান অনুযায়ী, ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে সিঙ্গাপুরে তাঁদের সঙ্গে রেজা দারের পরিচয় হয়। তাঁরা একটি ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবসায়িক উদ্যোগে অংশীদার ছিলেন। পরে রেজা দার তাঁদের পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণ জানান। সেই আমন্ত্রণেই তাঁরা লাহোরে যান বলে অভিযোগ।

    গোপনে ভিডিও করে ব্ল্যাকমেলের অভিযোগ

    দুই বিদেশিনী আরও অভিযোগ করেছেন, নির্যাতনের সময় তাঁদের গোপনে ভিডিও করা হয়। পরে সেই ভিডিও প্রকাশের হুমকি দিয়ে তাঁদের ব্ল্যাকমেল করা হচ্ছিল। আদালত সূত্রের দাবি, ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে অভিযুক্তদের হাজির করা হলে নির্যাতিতারা সরাসরি রেজা দারকেই এই ঘটনার মূল অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করেন।

    সংবেদনশীল মামলায় পুলিশের বক্তব্য

    এক পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, যেহেতু পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ইশাক দারের ঘনিষ্ঠ আত্মীয় এই মামলায় অভিযুক্ত, তাই বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল। সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে তদন্ত চালানো হচ্ছে।

    নাটকীয় মোড়, থানার ওসি-সহ তিন পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

    এদিকে, ঘটনার একদিন পর মামলাটি নতুন মোড় নেয়। অভিযোগ, এই মামলার তদন্ত ও প্রাথমিক এফআইআর নথিভুক্ত করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে লাহোরের ডিফেন্স সি থানার স্টেশন হাউস অফিসার (এসএইচও) ফারিয়াদ আশরাফ-কে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, তাঁকে আরও দুই পুলিশকর্মীর সঙ্গে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমের দাবি, এই পদক্ষেপের নির্দেশ পাঞ্জাব পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেলের দফতর থেকে জারি করা হয় এবং এর পেছনে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী মরিয়ম নওয়াজের কার্যালয়ের নির্দেশও ছিল বলে প্রশাসনিক সূত্রের দাবি। তবে এই পুলিশি পদক্ষেপের কারণ সম্পর্কে এখনও সরকারিভাবে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। ফলে ঘটনাটি ঘিরে পাকিস্তানের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

  • Pakistan: বালোচ মানবাধিকার নেত্রী মাহরাং বালোচকে যাবজ্জীবন, পাকিস্তানের আওড়ানো অসার মানবাধিকার বুলি নিয়ে নয়া বিতর্ক

    Pakistan: বালোচ মানবাধিকার নেত্রী মাহরাং বালোচকে যাবজ্জীবন, পাকিস্তানের আওড়ানো অসার মানবাধিকার বুলি নিয়ে নয়া বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খসে পড়ল পাকিস্তানের (Pakistan) ভন্ডামির মুখোশ! মানবাধিকার নিয়ে ভারতের সমালোচনা করার কয়েক দিনের মধ্যেই যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হল পাকিস্তানে বালোচ অধিকার আন্দোলনের অন্যতম মুখ মাহরাং বালোচ (Mahrang Baloch) এবং বালোচ ইয়াকজেহতি কমিটি (বিওয়াইসি)-র নেতা সিবঘাতুল্লাহ শাহকে। পাকিস্তানের একটি সন্ত্রাসবিরোধী আদালত এই সাজা দিয়েছে। ২০২৪ সালে বালোচিস্তানের গওয়াদরে একটি বিক্ষোভ কর্মসূচির সময় আধাসামরিক বাহিনীর এক সদস্য নিহত হন। ওই ঘটনায় মাহরাংদের দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।

    পাক আদালতের রায় (Pakistan)

    পাক আদালতের এই রায় প্রকাশ্যে আসতেই সে দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে। কয়েকদিন আগেই পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি ভারতে সংখ্যালঘুদের অধিকার ও ঐতিহাসিক মুসলিম কাঠামো রক্ষার প্রসঙ্গ তুলে সমালোচনা করেছিলেন। তার পরপরই বালোচ মানবাধিকার কর্মীদের বিরুদ্ধে কঠোর সাজা পাকিস্তানের অবস্থানকে প্রশ্নের মুখে ফেলল বলেই মত পর্যবেক্ষকের। মামলার তদন্তে নেমে পাক কর্তৃপক্ষের দাবি, বিওয়াইসির বিক্ষোভ কর্মসূচি থেকে উত্তেজিত জনতা নিরাপত্তা বাহিনীর একটি গাড়িতে হামলা চালায়। পরে ওই বাহিনীর সদস্য শাব্বির বালোচকে গাড়ি থেকে নামিয়ে পিটিয়ে মেরে ফেলা হয়। তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, জনতাকে সংগঠিত করতে সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছিলেন মাহরাং ও সিবঘাতুল্লাহ।

    বালোচ জনগণের অধিকারের দাবির কণ্ঠরোধ!

    যদিও, শুরু থেকেই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন এই দুই বালোচ নেতা। তাঁদের সমর্থক ও মানবাধিকার সংগঠনগুলির দাবি, রাজনৈতিক মতপ্রকাশ এবং (Pakistan) বালোচ জনগণের অধিকারের দাবির কণ্ঠরোধ করতেই এই মামলা ব্যবহার করা হয়েছে। যদিও বালোচিস্তান প্রাদেশিক সরকারের মুখপাত্র শাহিদ রিন্দ জানান, এটি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বা মতপ্রকাশের স্বাধীনতার মামলা নয়, একজন নিরাপত্তা কর্মীর হত্যাকাণ্ডের বিচার। জানা গিয়েছে, প্রথমে গওয়াদরে বিচার প্রক্রিয়া শুরু হলেও, নিরাপত্তার ‘অজুহাত’ দেখিয়ে মামলাটিকে স্থানান্তরিত করা হয় কোয়েটার একটি কারাগারে। সেখানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অভিযুক্ত ও সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।

    বালোচ লিবারেশন আর্মি

    পাকিস্তান সরকারের অভিযোগ, বালোচ ইয়াকজেহতি কমিটি নিষিদ্ধ ঘোষিত বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন বালোচ লিবারেশন আর্মি (বিএলএ)-র ঘনিষ্ঠ বা তাদের ঢাল হিসেবে কাজ করে। বিওয়াইসি অবশ্য বারবার সেই অভিযোগ খারিজ করে নিজেদের শান্তিপূর্ণ অধিকার আন্দোলনের সংগঠন বলে দাবি করেছে। উল্লেখ্য, প্রাকৃতিক গ্যাস, খনিজ ও জ্বালানি সম্পদে সমৃদ্ধ বালোচিস্তান পাকিস্তানের বৃহত্তম প্রদেশ। বহু দশক ধরে সেখানে বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে (Mahrang Baloch) সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে আসছে। স্থানীয়দের একাংশ দীর্ঘদিন ধরে স্বাধীনতা এবং সম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণের দাবি (Pakistan) জানিয়ে আসছে।

     

  • Illegal Bangladeshi: ভারতে থাকা অবৈধ বাংলাদেশিদের ফেরত নিতে ঢাকাকে ফের বলল দিল্লি

    Illegal Bangladeshi: ভারতে থাকা অবৈধ বাংলাদেশিদের ফেরত নিতে ঢাকাকে ফের বলল দিল্লি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে যে বিপুলসংখ্যক অবৈধ বাংলাদেশি (Illegal Bangladeshi) রয়েছে, তাদের ফেরত পাঠানোর সুবিধার্থে নাগরিকত্বের পরিচয় যাচাই প্রক্রিয়া যেন দ্রুত শুরু করা হয়। বৃহস্পতিবার ঢাকাকে এই কথা জানিয়েছে নয়াদিল্লি। সাংবাদিক সম্মেলনে বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণদীপ জয়সওয়াল বলেন, ‘‘যে সমস্ত ব্যক্তি অবৈধভাবে ভারতে বসবাস করছে, তারা বাংলাদেশি নাগরিক হোক বা অন্য কোনও দেশের, আইন অনুসারে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘ভারতে প্রচুর সংখ্যক বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছে, যাদের ফেরত পাঠানো প্রয়োজন। আমরা বাংলাদেশের সরকারকে ইতিমধ্যে তাদের জাতীয় নাগরিকত্ব যাচাই করতে বলেছি।’’ রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, বর্তমানে ভারতের কাছে ২৩৬০ জনেরও বেশি অবৈধ বাংলাদেশি নাগরিকের তালিকা রয়েছে। যাদের ফেরত পাঠানো প্রয়োজন। জানা গিয়েছে এই বিপুল সংখ্যার মধ্যে অনেকেই বর্তমানে জেলেও রয়েছে।

    অবৈধ বাংলাদেশিরা গোপনে এবং সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশ করে

    এক্ষেত্রে উল্লেখ করা দরকার, অবৈধ বাংলাদেশিরা (Illegal Bangladeshi) গোপনে এবং সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশ করে। কোনও রকমের বৈধ নথি ছাড়া। যার ফলে এ দেশে বসবাসকারী বাংলাদেশিদের চিহ্নিত করা খুব কঠিন কাজ হয়ে পড়ে। মঙ্গলবার, ১২১ অবৈধ বাংলাদেশিকে আটক করে দিল্লি পুলিশ। তাদেরকে ফেরত পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, এরা সকলে ৮৩১ জনের একটি গোষ্ঠীর অংশ, যারা সাম্প্রতিককালে ভারতে অবৈধভাবে প্রবেশ করেছে। এদেরকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এবার ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।  এর আগে,  মে মাসে শুরুতেই উত্তর-পূর্ব ভারতের অসমের দক্ষিণ সালমারা জেলায় অবৈধ অনুপ্রবেশের কারণে কমপক্ষে পাঁচ জন বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়। পরে পুলিশ প্রশাসন তাদেরকে আবার বাংলাদেশ ফেরত পাঠায়।

    দেশজুড়ে অবৈধ বাংলাদেশিদের বিরুদ্ধে অভিযান

    এপ্রসঙ্গে অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘প্রতিবেশী দেশে তাঁত শিল্পের পতনের কারণে বিগত কয়েক মাস ধরে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ ভারতে প্রচুর পরিমাণে বেড়ে গিয়েছে। হিমন্ত বিশ্ব শর্মা সাংবাদিকদের আরও বলেন, ‘‘বিগত কয়েক মাসে আমরা এক হাজার বাংলাদেশিকে গ্রেফতার করেছি। অসমে গ্রেফতার করার পরেই তাদেরকে আবার পুনরায় দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।’’ তিনি জানিয়েছেন, রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণেই বাংলাদেশের অর্থনীতি ভেঙে পড়েছে। অন্যদিকে অবৈধভাবে ভারতে থাকার অভিযোগে দিল্লিতে ও পুলিশ প্রশাসন অভিযানে নামে এবং রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে ছয় জন বাংলাদেশি (Illegal Bangladeshi) মহিলাকে আটক করা হয়। এছাড়া গুজরাটেও একই ধরনের অভিযান চালানো হয় এবং সেখানে ১০০০ জনেরও বেশি বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেফতার করে পুলিশ।

  • Pakistan: এবার পাকিস্তানে জল বন্ধ করতে চলেছে আফগানিস্তান? বিপুল ক্ষতির মুখে ইসলামাবাদ

    Pakistan: এবার পাকিস্তানে জল বন্ধ করতে চলেছে আফগানিস্তান? বিপুল ক্ষতির মুখে ইসলামাবাদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার নদীর ওপর বাঁধ তৈরি করে পাকিস্তানে জল যাওয়া বন্ধ করতে চাইছে আফগানিস্তানের (Afghanistan) তালিবান সরকার। এই জল বন্ধ হলে পাকিস্তানকে (Pakistan) অতিরিক্ত ২২৫০ কোটি টাকা বহন করতে হবে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। প্রসঙ্গত, পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার পর থেকে সিন্ধু জলবণ্টন চুক্তি স্থগিত রেখেছে নয়াদিল্লি। এক্ষেত্রে উল্লেখ করা দরকার, আফগানিস্তানের সঙ্গে নদীর জলবণ্টন নিয়ে ইসলামাবাদের কোনও চুক্তি নেই। এর ফলে যে কোনও নদীর ওপর ইচ্ছামতো বাঁধ নির্মাণ করতেই পারে তালিবান সরকার। কোনও চুক্তি না থাকায় এ ক্ষেত্রে কাবুলের উপর আন্তর্জাতিক চাপও পাকিস্তান করতে পারবে না বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    কোন কোন নদীর জলপ্রবাহ বন্ধ হতে পারে পাকিস্তানে?

    ১. কাবুল নদী – এই নদীটি হিন্দুকুশ থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে, এর প্রধান উপনদীটি পাকিস্তানের পেশোয়ার এবং নওশেরা অঞ্চলে প্রবাহিত হয়।

    ২. কুনার নদী – আফগানিস্তানের (Afghanistan) এই নদীটি পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়ার অঞ্চলেক কৃষির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। প্রসঙ্গত, আফগানিস্তানের অন্যতম বড় নদী হল কুনার। ৪৮০ কিলোমিটার লম্বা এই নদীটির জন্ম হিন্দুকুশের চিয়ানতার হিমবাহ থেকে। কুনার নদী মিশেছে কাবুল নদীতে। এই কুনার নদীর ওপর বাঁধ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে তালিবানের।

    ৩. অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নদী যেগুলির জলপ্রবাহ বন্ধ হতে পারে সেগুলি হল – গোমাল, পিশিন-লোরা, কান্দাহার-কান্দ।

    সেনাপ্রধান জেনারেল মুবিন খানের কুনার পরিদর্শন

    সূত্রের খবর সম্প্রতি পূর্ব আফগানিস্তানের কুনার প্রদেশের বিশেষ একটি এলাকা পরিদর্শনে যান সেদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল মুবিন খান। এর পরই জেনারেল মুবিন সম্ভাব্য বাঁধ নির্মাণের এলাকা ঘুরে দেখেন বলে জানা গিয়েছে। এই আবহে বালোচ আন্দোলনকারী তথা লেখন মীর ইয়াব বালোচের এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি লেখেন, ‘‘পাকিস্তানের শেষের শুরু হল। ভারতের পর এ বার জল বন্ধ করার প্রস্তুতি নিচ্ছে আফগানিস্তান।’’

    জল বন্ধ হলে প্রভাব পড়বে কোন কোন ক্ষেত্রে?

    কৃষিতে জল সরবরাহের ঘাটতি দেখা দেবে।

    শহরগুলিতে (Pakistan) জল সংকট তৈরি হবে। কাবুল নদীর ওপর নির্ভরশীলগ গোটা পেশোয়ার এবং নওশেরার মতো শহর।

    তারবেলা বাঁধের মতো প্রকল্পগুলিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

    পাক অর্থনীতিও (Pakistan) ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

  • ATS: দেশের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচার, পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেফতার আরও ২

    ATS: দেশের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচার, পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেফতার আরও ২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের (Pakistan) হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে আরও দু’জনকে গ্রেফতার করল উত্তরপ্রদেশের সন্ত্রাস দমন শাখা (ATS)। দিল্লির সিলামপুর থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে মহম্মদ হারুনকে। অন্যদিকে, বারাণসী থেকে তুফায়েল নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছেন তদন্তকারীরা। দুজনের বিরুদ্ধেই ভারতীয় ন্যায় সংহিতার বিভিন্ন ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। ভারতের সার্বভৌমত্ব, ঐক্য এবং অখণ্ডতাতে আঘাত হানা, দেশদ্রোহিতা সহ একাধিক ধারায় মামলা রজ্জু করা হয়েছে।

    পহেলগাঁও হামলার সময় পাকিস্তানেই ছিল হারুন

    দিল্লির সিলামপুর থেকে গ্রেফতার হওয়া হারুন পাকিস্তান দূতাবাসের এক আধিকারিক মোজাম্মেল হোসেনের নির্দেশে গুপ্তচরবৃত্তি করত বলে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যে ওই দূতাবাসের আধিকারিক মোজাম্মেল হোসেনকে অবঞ্ছিত ঘোষণা করে দেশ ছাড়তে বলেছে ভারত। জানা গিয়েছে, গুপ্তচর হারুন মোজাম্মেল হোসেনকে ভারতের অভ্যন্তরীণ সুরক্ষার সঙ্গে জড়িত অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচার করেছে (ATS)।

    পাক দূতাবাসের কর্মীর নির্দেশে টাকা তুলত হারুন

    সূত্রের খবর, মোজাম্মেল হোসেনের নির্দেশেই পাকিস্তানের ভিসা পাইয়ে দেওয়ার নাম করে টাকা তুলত হারুন। হারুনের কথায় অনেক লোকই মোজাম্মেলের অ্যাকাউন্টে টাকা জমা করেছে বলে খবর। এই টাকা ভারত বিরোধী কাজে সেইসব টাকা ব্যবহার হত বলে জানা গিয়েছে। আরও চাঞ্চল্য়কর তথ্য হল, হারুনের দু’জন স্ত্রী রয়েছে। একজন থাকে পাকিস্তানে। তার সঙ্গে দেখা করতে প্রায়ই পাকিস্তানে যেত হারুন। পহেলগাঁওয় হামলার সময় সে পাকিস্তানেই ছিল। গোয়েন্দারা জানাচ্ছেন (ATS), ৫ এপ্রিল পাকিস্তানে যায় হারুন, সে ফেরে ২৫ তারিখ।

    ৬০০-এর বেশি পাকিস্তানের নম্বরের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল তুফায়েলের

    অন্যদিকে বারাণসী থেকে গ্রেফতার হওয়া তুফায়েল ভারতের অভ্যন্তরীণ সুরক্ষার সঙ্গে জড়িত অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্যই পাকিস্তানে পাচার করেছে। উত্তরপ্রদেশের সন্ত্রাস দমন (ATS) শাখা বলছে, রাজঘাট, জ্ঞানবাপী মসজিদ, লাল কেল্লা ও দেশের একাধিক রেল স্টেশনের ছবি তুলে পাকিস্তানের নম্বরে পাঠিয়েছে তুফায়েল। শুধু তাই নয়, ৬০০টিরও বেশি পাকিস্তানি নম্বরের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল তুফায়েলের। ফেসবুকে এক পাক সেনাকর্তার স্ত্রীর সঙ্গেও পরিচয় ছিল তুফায়েলের। এর পাশাপাশি, পাকিস্তানের (Pakistan) সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের প্রচারেও যুক্ত ছিল তুফায়েল।

  • Pakistan: ফিরছে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি, স্বাধীন রাষ্ট্রের দাবিতে উত্তাল পাকিস্তানের চার প্রদেশ

    Pakistan: ফিরছে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি, স্বাধীন রাষ্ট্রের দাবিতে উত্তাল পাকিস্তানের চার প্রদেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তীব্র আর্থিক সংকটে ভুগছে পাকিস্তান (Pakistan)। এই আবহে সেদেশে বিচ্ছিন্নতাবাদও ব্যাপকভাবে মাথাচাড়া দিয়েছে। পাকিস্তানের সেনা এবং সরকারের পক্ষে এই প্রবণতা দমন করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ছে। প্রসঙ্গত, পাকিস্তানের সিন্ধ প্রদেশ, বালোচিস্তান, গিলগিট-বালটিস্তান, পশতুন প্রভৃতি এলাকাগুলিতে দীর্ঘদিন ধরেই স্থানীয় বাসিন্দারা পাকিস্তানের কাছ থেকে স্বাধীনতা দাবি করছে। পাকিস্তানি সেনা তাদের ওপর নির্মম অত্য়াচার চালাচ্ছে বলেও অভিযোগ। পাক সরকার এই অঞ্চলগুলিতে কোনওভাবেই উন্নয়ন করেনি বলে অভিযোগ। এই আন্দোলনগুলি পাকিস্তান সরকারকে কোণঠাসা করে ফেলেছে। পাকিস্তানজুড়ে যেভাবে বিচ্ছিন্নতাবাদ মাথাচাড়া দিচ্ছে তাতে অনেকেই ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ছায়া দেখছে। সেই সময় যেমন স্বাধীন বাংলাদেশ গঠিত হয়েছিল, পাকিস্তানের অন্দরের এমন বিচ্ছিন্নতাবাদ দেখে মনে হচ্ছে সেই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হতে চলেছে।

    ভারত-পাক যুদ্ধের আবহে গতি পেয়েছে এই বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন

    ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে সাম্প্রতিক যে যুদ্ধ আবহে তীব্র হয়েছে এই বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন ও বিদ্রোহ। সম্প্রতি, বালোচিস্তান লিবারেশন আর্মি পাকিস্তান সরকার ও তার সেনার ওপরে ব্যাপক আঘাতে হেনেছে। এই আবহে তারা নিজেদের স্বাধীনতাও ঘোষণা করে দিয়েছে। বালোচিস্তান তার স্বাধীনতা ঘোষণার পরেই সিন্ধু প্রদেশ থেকে একইভাবে বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন শুরু হয়ে সিন্ধ প্রদেশে। এই সময় সিন্ধু প্রদেশকে পাকিস্তান থেকে মুক্ত করার দাবি ওঠে এবং পৃথক রাষ্ট্র গঠনের জন্য বিভিন্ন সেখানকার রাজনৈতিক দলগুলি আন্দোলন শুরু করে। পাকিস্তান সরকার এই আন্দোলনগুলিকে দমন করতে হিমশিম খেয়ে যায়। অন্যদিকে, খাইবার পাখতুনখোয়া এবং উত্তর বালোচিস্তানের বেশ কিছু অংশ জুড়ে রয়েছে পশতুনদের আবাসভূমি। এই অঞ্চলগুলির বাসিন্দারা নিজেদের জন্য পশতুনস্তানের দাবি জানিয়েছে।এই প্রতিবেদনে আলোচনা করা হল পাকিস্তানের বিভিন্ন প্রদেশের স্বাধীনতা আন্দোলন নিয়ে।

    স্বাধীন রাষ্ট্রের দাবি বালোচিস্তানের (Pakistan)

    ভারত ও পাকিস্তানের (Pakistan News) যুদ্ধ আবহে বালোচিস্তান লিবারেশন আর্মি পাকিস্তান থেকে নিজেদের স্বাধীনতা ঘোষণা করে।রাষ্ট্রসংঘের কাছে তারা আবেদন জানায় তাদেরকে যেন গণতান্ত্রিক একটি দেশের স্বীকৃতি দেওয়া হয়। প্রসঙ্গত প্রাকৃতিক ও খনিজ সম্পদে ভরপুর হল পাকিস্তানের এই প্রদেশ। দীর্ঘদিন ধরেই এই প্রদেশকে বঞ্চিত করেছে পাকিস্তান সরকার, এমনটাই অভিযোগ। বালোচিস্তান একটি স্বাধীন রাজ্য ছিল কিন্তু ১৯৪৮ সালের মার্চ মাসে জোর করে পাকিস্তান এই বালোচিস্তানকে দখল করে বলে অভিযোগ। বালোচিস্তানের শাসক ছিলেন কালাত খান। কালাত খান চাপের মুখে পড়ে এবং বালোচিস্তানের জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে পাকিস্তানে যোগদান করেন। এরপর থেকে এই পাঁচটি বড় বিদ্রোহ দেখা দেয় বালোচিস্তানে। ১৯৪৮, ১৯৫৮, ১৯৬২, ১৯৭৩ থেকে ৭৭, ২০০০ সালের গোড়ার দিকে ব্যাপক সংঘাত শুরু হয় পাকিস্তান ও বালোচিস্তানের মধ্যে। এই সময় বালোচিস্তানের সাধারণ নাগরিকদের ওপরে হামলা শুরু করে পাকিস্তানের (Pakistan) সেনা। অপহরণ , লুট, হত্যা এই সমস্ত কিছুই ঘটতে থাকে।

    সিন্ধু রাজ্যের পৃথক দাবি

    পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশকে, সিন্ধু দেশ নামে একটি পৃথক রাষ্ট্র গঠনের কথা বলে আসছে সেখানকার জনগণ। তাদের দীর্ঘদিনের দাবি, একটি স্বাধীন সিন্ধু রাষ্ট্রের। এই অঞ্চলের বাসিন্দাদের অভিযোগ, পাকিস্তান ইসলামিক রাষ্ট্র। তারা জোর করে তাদের ওপরে উর্দু ভাষা চাপিয়ে দিয়েছে। শুধুমাত্র তাই নয়, সেখানকার জমি দখল করে সাধারণ মানুষের ওপর নির্যাতন চালাচ্ছে পাকিস্তান সরকার। তাদের স্থানীয় সংস্কৃতিকে মুছে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বছরের পর বছর ধরে। পাকিস্তানের সেনা বেশ কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যা করেছে বলেও অভিযোগ।

    পশতুন তাহাফুজ আন্দোলন

    প্রসঙ্গত, পাঞ্জাবিদের পরে পাকিস্তানের (Pakistan) দ্বিতীয় বৃহত্তম জনগোষ্ঠী হল পশতুনরা। তারা পাকিস্তানের মোট জনসংখ্যার ১৫ শতাংশ, তাদেরও নানারকম অভিযোগ রয়েছে যে পাকিস্তান তাদের ওপর বৈষম্য এবং নিপীড়ন চালিয়েছে। এই আবহে তারাও একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের দাবি জানিয়েছে। পাকিস্তান এবং আফগানিস্তানের পশতুনরা ১৮৯৩ সালে যে ডুরান্ড লাইন- এর মাধ্যমে সীমা নির্ধারণ করা হয়, তার বিরোধিতা করে আসছে। সাম্প্রতিক সময়ে পশতুন সম্প্রদায়ের মধ্যে আন্দোলন ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। এই আন্দোলনের নাম পশতুন তাহাফুজ আন্দোলন।

    গিলগিট-বালটিস্তানের বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন

    একই চিত্র দেখা গিয়েছে গিলগিট-বালটিস্তানেও। সেখানেও পাকিস্তানের সেনা তথা সরকারকে প্রতিরোধের মুখে পড়তে হচ্ছে। এই গিলগিট-বালটিস্তান হল পাক অধিকৃত কাশ্মীরের অংশ। প্রাকৃতিকভাবে অত্যন্ত সৌন্দর্য এবং সমৃদ্ধশালী অঞ্চলটিকে পাকিস্তান সরকার দীর্ঘদিন ধরেই অনুন্নত রেখেছে। উত্তরে রয়েছে আফগানিস্তানের সীমা, উত্তর-পশ্চিমে চীনের সীমা, পূর্বে রয়েছে লাদাখ এবং দক্ষিণ দিকটি কাশ্মীর দ্বারা বেষ্টিত। পাকিস্তান সরকারের দীর্ঘ অবহেলার কারণে এই অঞ্চলের মানুষজন পাকিস্তান (Pakistan News) সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেমেছেন। এই অঞ্চলের সাধারণ মানুষের জমি জোর করে দখল করার অভিযোগ উঠেছে পাক সেনার বিরুদ্ধে।

  • Wheat import scam: পাকিস্তানে ফাঁস বিরাট গম আমদানি দুর্নীতি! শুরু কৃষক বিদ্রোহ

    Wheat import scam: পাকিস্তানে ফাঁস বিরাট গম আমদানি দুর্নীতি! শুরু কৃষক বিদ্রোহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে আবার জেরবার পাকিস্তান। বর্তমানে মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে লড়াই করছে পাকিস্তান। সে দেশে গত কয়েক মাসে মূল্যবৃদ্ধির হার ৩৮ শতাংশ, যা দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বোচ্চ। খাদ্যদ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে ৪৮ শতাংশ। ফলে ভারতের প্রতিবেশী দেশটির (Pakistan) অর্থনৈতিক অবস্থার আবারও অবনতি শুরু হয়েছে। আকাশ ছুঁয়েছে জিনিসপত্রের দাম। সব থেকে বেশি প্রভাব পড়েছে খাদ্যদ্রব্যের মূল্যের ওপর। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে, আটা-রুটির মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী  কিনতে নাভিশ্বাস উঠেছে সাধারণ মানুষের। তার মধ্যেই সে দেশে উঠেছে গম আমদানি সংক্রান্ত দুর্নীতির (Wheat import scam) অভিযোগ।

    কিন্তু কী এই গম আমদানি দুর্নীতি? (Wheat import scam)

    ২০২৩ সালে পাকিস্তানের (Pakistan) তৎকালীন সরকার বেসরকারি ব্যবসায়িক সংস্থাগুলিকে গম আমদানি শুরু করার অনুমতি দিয়েছিল। অভিযোগ, দেশের অভ্যন্তরে কতটা গম উৎপাদন হচ্ছে তা বিবেচনা না করেই সেই অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। জানা গিয়েছে ২০২৩ সালের অগাস্ট থেকে ২০২৪ সালের মার্চ অবধি বেসরকারি সংস্থাগুলিকে ৩,৩০,০০০ কোটি পাকিস্তানি টাকার গম আমদানির (Wheat import scam) অনুমতি দিয়েছিল তৎকালীন পাক সরকার। ফলে এর পর থেকেই আন্তর্জাতিক বাজারে গমের দাম পড়তে শুরু করেছে।   

    কৃষক আন্দোলন

    ইতিমধ্যেই পাকিস্তানের কৃষক সংগঠন ‘কিসান ইত্তেহাদ পাকিস্তান’ গম নিয়ে তৈরি হওয়া এই সঙ্কটের (Wheat import scam) বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে রাস্তায় নেমেছে। দেশ জুড়ে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন পাকিস্তানের হাজার হাজার কৃষক। শুক্রবার মুলতান থেকে মিছিল শুরু করে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা।  

    কেন এই প্রতিবাদ? 

    জানা গিয়েছে গম আমদানি সংক্রান্ত দুর্নীতির (Wheat import scam) জন্য পাকিস্তানের বাজারে গমের দাম কমেছে। বর্তমানে সে দেশে ৪০ কেজি গমের ন্যূনতম সহায়ক পাকিস্তানি মুদ্রামূল্য অনুযায়ী ৩৯০০ টাকা। যা ভারতীয় মুদ্রায় ১,১৭২ টাকা। কিন্তু পাকিস্তানের বাজারে গমের দাম এতটাই কমেছে যে, ন্যূনতম সহায়ক মূল্যের থেকেও কমে গম বিক্রি করে দিতে বাধ্য হচ্ছেন গমচাষিরা। আর এই ঘটনার প্রতিবাদেই বিক্ষোভে সামিল হন হাজার হাজার কৃষক। 

    প্রভাব  

    অভিযোগ করা হয়েছিল যে পাকিস্তানে (Pakistan) যে গম আমদানি হয় তা অত্যন্ত নিম্নমানের যা ব্যবহারের যোগ্য নয়। শুধু তাই নয় বেসরকারি সংস্থাগুলি অত্যন্ত কম দামে সেই পণ্য আমদানি করে বাজারে চড়া দামে বিক্রি (Wheat import scam) করে বিপুল পরিমাণে মুনাফা অর্জন করে। অন্যদিকে, এ বছর পাকিস্তানে গমের ফলন ভাল হয়েছে। কিন্তু বিদেশ থেকে বিপুল পরিমাণ গম আমদানির কারণে দেশের কৃষকদের থেকে গম কেনার পরিমাণ প্রায় ৫০ শতাংশ কমিয়েছে সরকার। ফলে ক্ষতির মুখে পড়েছেন কৃষকেরা। 

    আরও পড়ুন: বসিরহাট নিয়ে বাড়তি সতর্কতা কমিশনের! ভোটে রেকর্ড সংখ্যক বাহিনী থাকার সম্ভাবনা

    অভিযোগ, পাকিস্তানের বাজারে অতিরিক্ত পরিমাণ বিদেশি গম (Wheat import scam) আসার কারণে গমের ন্যূনতম সহায়ক মূল্যও পাচ্ছেন না কৃষকেরা। কৃষকদের দামের সঙ্গে টক্কর দিতে বেসরকারি সংস্থাগুলিও গমের দাম উল্লেখযোগ্য ভাবে কমিয়ে দিয়েছে। ফলে আরও দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকেরা। ফলে পরিস্থিতি এতটাই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছে যে, কৃষকরা বাধ্য হয়ে বিক্ষোভে সামিল হয়েছেন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Shehbaz Sharif: পাকিস্তানে ক্ষমতায় আসছে জোট, প্রধানমন্ত্রী পদে শেহবাজ, রাষ্ট্রপতি জারদারি

    Shehbaz Sharif: পাকিস্তানে ক্ষমতায় আসছে জোট, প্রধানমন্ত্রী পদে শেহবাজ, রাষ্ট্রপতি জারদারি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানে সরকার গঠন ও প্রধানমন্ত্রীত্ব নিয়ে পেন্ডুলামের খেলা অব্যাহত। ফের একবার ক্ষমতা দখলের ইঁদুর-দৌড়ে এগিয়ে গেল নওয়াজ শরিফ ও বিলাবল ভুট্টো জারদারির জোট।মঙ্গলবারই সাংবাদিক বৈঠক করেন বিলাবল ভুট্টো, তখনই একপ্রকার চূড়ান্ত হয়ে যায় যে পাকিস্তানে ক্ষমতায় আসছে জোট সরকারই। পিপিপি চেয়ারম্যান বিলাবল ভুট্টো জারদারি ইতিমধ্যে ঘোষণা করেছেন, পাকিস্তানের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন শেহবাজ শরিফ (Shehbaz Sharif)। রাষ্ট্রপতি হবেন বিলাবলের বাবা আসিফ আলি জারদারি। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের ধারণা, জোট সরকারের ক্ষমতায় আসা এক প্রকার নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে পাকিস্তানে। নওয়াজ শরিফের পিএমএল-এনের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে জোট সরকার গড়তে চলেছে বিলাবল ও জারদারির পিপিপি। পরিবারতান্ত্রিক রাজনীতিই ফের একবার পাকিস্তানের মসনদে।

    কী বললেন বিলাবল?

    মঙ্গলবার রাতে বিলাবলের সাংবাদিক বৈঠকে এক পাশে ছিলেন নওয়াজের ভাই শেহবাজ (Shehbaz Sharif) এবং অন্য পাশে বাবা আসিফ জারদারি। ওই বৈঠকেই পিএমএল-এনকে সমর্থনের কথা জানিয়ে দেন পিপিপি-র চেয়ারম্যান বিলাবল। সেখানেই ঘোষণা করা হয়, প্রধানমন্ত্রী হবেন শেহবাজ শরিফ আর রাষ্ট্রপতি আসিফ জারদারি। শেহবাজের (Shehbaz Sharif) দল, আসিফ জারদারিকে রাষ্ট্রপতি পদে সেখানেই সমর্থন জানিয়ে দেন। ঠিক একইভাবে বিলাবল শেহবাজকে প্রধানমন্ত্রী মেনে নেন। বিলাবল বলেন, ‘‘পিপিপি এবং পিএমএল-এন প্রয়োজনীয় সংখ্যা জোগাড় করে ফেলেছে। এখন আমরা সরকার তৈরির জায়গায় পৌঁছে গিয়েছি।’’ এ কথা সমর্থন করেন শেহবাজও। পাকিস্তানের আগামী প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, ইমরানের পিটিআই এবং সুন্নি ইত্তেহাদ কাউন্সিল সরকার গড়ার জায়গায় নেই।

    ভোটের পরে নানা সমীকরণ তৈরি হয়

    প্রসঙ্গত, গত ৮ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানে ভোটের ফল সামনে আসে। তাতে দেখা যায়, পিএমএল-এন জিতেছে ৭৫টি আসন, পিপিপি পেয়েছে ৫৪টি আসন। ভোটের ফলে দেখা যায় ইমরানের দল পিটিআই সমর্থিত নির্দল প্রার্থীরা সব থেকে বেশি আসনে জিতেছে। তাঁরা জিতেছিলেন মোট ৯৩টি আসনে। এই পরিস্থিতি পাকিস্তানে কোনও দলই একক ভাবে সরকার গড়ার জায়গায় ছিল না। দীর্ঘ টালবাহানা, নানা নতুন সমীকরণের পরে মঙ্গলবার রাতে পরিষ্কার হয়ে যায়, পিপিপি এবং পিএমএল-এন জোট বেধে সরকার গড়তে চলেছে। মুত্তাহিদা কওমি মুভমেন্ট পাকিস্তান (এমকিউএম-পি) নামের এই দল ১৭টি আসন জিতেছে। তারাও জোটকে সমর্থনের কথা জানিয়ে দিয়েছে। ফলে ১৪৬ জন জয়ী সদস্যের সমর্থন নিয়ে পাকিস্তানের ক্ষমতায় আসতে চলেছেন শেহবাজ (Shehbaz Sharif)। যাদু সংখ্যা যেখানে ১৩৩।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Pakistan Terror Attack: এবার জঙ্গি হানা খোদ পাকিস্তানের বায়ুসেনা ঘাঁটিতেই, বিস্ফোরণে ধ্বংস একাধিক যুদ্ধবিমান

    Pakistan Terror Attack: এবার জঙ্গি হানা খোদ পাকিস্তানের বায়ুসেনা ঘাঁটিতেই, বিস্ফোরণে ধ্বংস একাধিক যুদ্ধবিমান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত নয়। এবার জঙ্গিহানার কবলে খোদ পাকিস্তানের বায়ুসেনা ঘাঁটি। শনিবার ভোররাতে, পাক পঞ্জাব প্রদেশের মিয়াঁওয়ালি বায়ুসেনা ঘাঁটিতে (Mianwali Airbase) আত্মঘাতী হামলা চালায় জঙ্গিরা। পর পর সেখানে বিস্ফোরণ ঘটে। পাক বায়ুসেনার একাধিক যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। পাল্টা প্রতিরোধে ৩ জঙ্গি খতম হয়েছে বলেও শেষ খবর। হামলার দায় স্বীকার করে নিয়েছে তেহরিক-ই-জিহাদ পাকিস্তান (Pakistan Terror Attack)। 

    ভোররাতে বায়ুসেনা ঘাঁটিতে জঙ্গি হামলা

    পাক সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ভোররাতে মিয়াঁওয়ালি বায়ুসেনা (Mianwali Airbase) ঘাঁটিতে ঢুকে পড়ে বেশ কয়েকজন জঙ্গি। কমপক্ষে পাঁচ থেকে ছয়জন সশস্ত্র জঙ্গি এ দিন ভোরে বায়ুসেনার ঘাঁটিতে চড়াও হয়। বিভিন্ন জায়গায় আত্মঘাতী বিস্ফোরণ ঘটায় তারা (Pakistan Terror Attack)। ওই হামলায় এয়ারবেসে দাঁড়িয়ে থাকা তিনটি যুদ্ধবিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি, বায়ুসেনা ঘাঁটির বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে তারা। কর্তব্যরত নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে গুলির লড়াই হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।

    জঙ্গি হামলায় ধ্বংস একাধিক যুদ্ধবিমান

    পাক বায়ুসেনার তরফে জানানো হয়, এদিনের হামলায় বড়সড় ক্ষতি হয়েছে। এয়ারবেসে বেশ কয়েকটি যুদ্ধ বিমান ছিল। তবে জঙ্গিদের হামলায় সেগুলো একেবারে ধ্বংস হয়ে গিয়েছে (Pakistan Terror Attack)। সূত্রের খবর, অন্তত ৬টি যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়েছে। হামলার প্রাথমিক ধাক্কা কাটিয়ে পাল্টা প্রতিরোধ গড়েন পাক কমান্ডোরা। দুপক্ষের মধ্যে তীব্র গুলি বিনিময় হয়। এখনও পর্যন্ত মেলা খবরে, সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াইয়ে তিন জঙ্গি খতম হয়েছে। বাকি তিনজন ভেতরেই রয়েছে। তাদের সঙ্গে গুলি বিনিময় হচ্ছে।

    পাঁচিলে মই লাগিয়ে ঢোকে জঙ্গিরা

    পাক সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বায়ুসেনা ঘাঁটির (Mianwali Airbase) পাঁচিলে মই লাগিয়ে সেই চত্বরে ঢোকে জঙ্গিরা। এই জঙ্গিদের কাছে অত্যাধুনিক অস্ত্র ছিল বলে জানা গিয়েছে। এয়ারবেসের হ্যাঙার এবং রানওয়ের কাছে দাঁড়িয়ে থাকা একাধিক যুদ্ধবিমানে হামলা চালায় জঙ্গিরা। একাধিক যুদ্ধবিমান ধ্বংস হলেও, এখনও পর্যন্ত কোনও পাক বায়ুসেনা কর্মীর মৃত্যুর খবর সামনে আসেনি। তবে, দুপক্ষের লড়াই এখনও চলছে।  

    জঙ্গি-তোষণের ফল ভুগছে পাকিস্তান

    গত কয়েকদিন ধরেই জঙ্গি হামলায় জর্জরিত পাকিস্তান। গতকালই ইরান সীমান্ত লাগোয়া বালোচিস্তানে পসনি নামক একটি গ্রামের কাছে জঙ্গিরা হামলা চালায় পাক সেনার দুটি ট্রাকে (Pakistan Terror Attack)। ওই হামলায় মৃত্যু হয় ট্রাকে থাকা ১৪ জন পাক সেনা জওয়ানের। আর আজ ভোররাতে পাকিস্তানের মিঞাঁওয়ালি এয়ারবেসে হামলা চালায় জঙ্গিরা। এতদিন ধরে যে জঙ্গিদের লালন-পালন করে এসেছে পাক প্রশাসন, তারাই এখন নখ-দাঁত বের করে পাকিস্তানেই হামলা চালাচ্ছে। এবার ফল হাতেনাতে পাচ্ছে পাকিস্তান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Hafiz Saeed: জঙ্গি-নেতা হাফিজ সইদের সন্ত্রাসী ছেলেকে অপহরণ করে হত্যা! তোলপাড় পাকিস্তানে

    Hafiz Saeed: জঙ্গি-নেতা হাফিজ সইদের সন্ত্রাসী ছেলেকে অপহরণ করে হত্যা! তোলপাড় পাকিস্তানে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবার (LeT) প্রতিষ্ঠাতা তথা ভারতে ২৬/১১ হামলার মাস্টারমাইন্ড হাফিজ সইদের (Hafiz Saeed) ছেলে তথা সন্ত্রাসী কামালউদ্দিন ইব্রাহিম সইদের অপহরণ ও সম্ভাব্য হত্যা নিয়ে গত তিনদিন ধরে সরগরম পাকিস্তান। খবরে প্রকাশ, কয়েকদিন আগে জঙ্গি নেতা হাফিজের ছেলেকে কে বা কারা পেশওয়ারের রাস্তা থেকে অপহরণ করে বলে অভিযোগ। শুক্রবার, সোশ্যাল মিডিয়ায় (Social Media News) একাধিক দাবি করা হয় যে, হাফিজের ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে। তার দেহও নাকি উদ্ধার করা হয়েছে। যদিও এই ঘটনার সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। তবে, এই খবর নিয়ে এখন জোর চর্চা নেট-পাড়ায়। যদিও, পাকিস্তানের প্রশাসনিক স্তরে অপহরণ বা হত্যা নিয়ে কোনও মন্তব্য করা হয়নি।

    তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া

    সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে এখন কামালউদ্দিনের খবর (Social Media News) ছড়িয়ে রয়েছে। ট্যুইটার (অধুনা এক্স) হ্যান্ডলে কয়েকজন দাবি করেছেন, জঙ্গি-নেতার ছেলের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁর শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাঁদের দাবি, কামালউদ্দিনকে হয়ত হত্যার আগে অত্যাচার করা হয়েছে। হাফিজের (Hafiz Saeed) ছেলের দেহ কোথায় উদ্ধার হয়েছে, সেই তথ্যও তাঁরা তুলে ধরেছেন। একজন লিখেছেন, খাইবার-পাখতুনখোয়া অঞ্চলের জাব্বা উপত্যকায় উদ্ধার হয়েছে কামালউদ্দিনের দেহ। কারও কারও দাবি, ইতিমধ্যে দেহটি নিঃশব্দে সৎকারও করে দিয়েছে পাক গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই। আবার কেউ এমনও লিখেছেন যে, এই ঘটনার পর থেকেই আতঙ্কে ভুগছে আইএসআই।

     

    অপহরণের খবর প্রকাশ্যে আসে ২৭ তারিখ

    গত ২৭ তারিখ, কামালউদ্দিনের উধাও হওয়ার খবর পাকিস্তানের একাধিক সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়। দাবি করা হয়, পেশোয়ারের রাস্তা থেকে জঙ্গি-নেতার (Hafiz Saeed) ছেলেকে অপহরণ করে নিয়ে যায় কয়েকজন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি। খবরে, এও দাবি করা হয়, কামালউদ্দিন কোথায় আছেন, তা খুঁজে পায়নি আইএসআই। ২ দিন পর, শুক্রবার থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় কামালউদ্দিনের হত্যা ও দেহ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে (Social Media News)। এসবের মধ্যে মুখ কুলুপ এঁটেছে পাকিস্তান সরকার। প্রশাসনের তরফে কোনও মন্তব্য করা হয়নি এখনও পর্যন্ত। ২০২০ সালে কামালউদ্দিনকে জঙ্গি ঘোষণা করেছিল ভারত।

     

    আতঙ্ক গ্রাস করেছে আইএসআই-তে

    এদিকে, কামালউদ্দিনের আচমকা অপহরণ হতেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থার শীর্ষস্তরে। তন্নতন্ন করে খোঁজ শুরু হয়। যদিও, বিফলে যায় সব কিছু। নিজেদের মুখ রক্ষায় চুপিসাড়ে কামালউদ্দিনের সৎকার করে দেয় তারা। এই ঘটনায়, আতঙ্ক শুরু হয়েছে বিভিন্ন পাক জঙ্গিগোষ্ঠীগুলোতে। যেভাবে পাকিস্তানে সাম্প্রতিককালে একের পর এক জঙ্গি-নেতা অপহরণ ও নিধনের ঘটনা ঘটে চলেছে, তাতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে এতদিন তাদের সুরক্ষা দিয়ে আসা আইএসআই ও পাক প্রশাসন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share