Tag: Palestine

Palestine

  • Saudi Arabia: হুথি হামলায় সৌদির তেল রফতানি চাপে, ইজরায়েলের গোপন পাইপলাইনই কি হতে পারে নতুন ভরসা?

    Saudi Arabia: হুথি হামলায় সৌদির তেল রফতানি চাপে, ইজরায়েলের গোপন পাইপলাইনই কি হতে পারে নতুন ভরসা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথিদের ধারাবাহিক হামলায় সৌদি আরবের (Saudi Arabia) তেল পরিকাঠামো ও জাহাজ চলাচল ক্রমশ ঝুঁকির মুখে পড়েছে। এর ফলে রিয়াধের অপরিশোধিত তেল (Hormuz Crisis) রফতানি নেটওয়ার্কে বড় ধরনের দুর্বলতা প্রকাশ্যে এসেছে, যা সৌদি নেতৃত্বের কাছে নতুন উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে। সম্প্রতি ইরান-সমর্থিত হুথিরা দাবি করেছে, তারা সৌদি আরামকোর জাজান ও ইয়ানবু অঞ্চলের একাধিক প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে সৌদি আরব জানিয়েছে, তাদের তেল শোধনাগার লক্ষ্য করে পাঠানো একাধিক ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। এমন সময় এই হামলা হয়েছে, যখন লোহিত সাগর দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠছে। তেলবাহী জাহাজগুলিকে দীর্ঘ পথ ঘুরে যেতে হচ্ছে এবং ইউরোপে অপরিশোধিত তেল পাঠাতে রফতানিকারীদের খরচও বেড়ে যাচ্ছে।

    হুথিদের হামলার জের (Saudi Arabia)

    সংবাদ সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৭ জুলাই হুথিদের হামলার পর দৈনিক চার লাখ ব্যারেল পরিশোধন ক্ষমতাসম্পন্ন জাজান শোধনাগার বন্ধ করে দেয় সৌদি আরামকো। হামলায় শোধনাগারের সমন্বিত গ্যাসীকরণ ও যৌথ বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র এবং তেল সংরক্ষণাগার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অগাস্টের মাঝামাঝি পর্যন্ত মেরামতের কাজ চলতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। হরমুজ প্রণালী এড়িয়ে পূর্বাঞ্চল থেকে ইয়ানবু পর্যন্ত তেল পরিবহণের জন্য সৌদি আরব যে পূর্ব-পশ্চিম পাইপলাইন তৈরি করেছিল, সেটিও এখন আর পুরো সমস্যার সমাধান করতে পারছে না। কারণ ইয়ানবুতে পৌঁছনোর পরও তেলবাহী জাহাজকে বাব-আল-মান্দেব প্রণালী পেরোতে হয়। হরমুজের মতো এই জলপথও এখন হুথিদের হামলার কারণে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ফলে বিকল্প রুটের সন্ধানে সৌদি আরবকে ভাবতে হতে পারে। আর সেই বিকল্প বহু বছর ধরেই রয়েছে, যদিও এতদিন তা কার্যত আড়ালেই ছিল। ইজরায়েলের লোহিত সাগরের উপকূলবর্তী এলাত থেকে ভূমধ্যসাগরের তীরবর্তী আশকেলন পর্যন্ত ২৫৪ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি পাইপলাইন রয়েছে। প্রায় ছ’দশক আগে ইরানের অর্থায়ন ও ইজরায়েলের প্রযুক্তিগত দক্ষতায় গোপনে এটি নির্মিত হয়েছিল। তখনও ইসলামী বিপ্লবের মাধ্যমে ইরান ও ইজরায়েলের সম্পর্ক বৈরিতার রূপ নেয়নি। এই পাইপলাইনের উদ্দেশ্য ছিল এলাতে আসা ইরানি অপরিশোধিত তেল পাইপলাইনের মাধ্যমে আশকেলনে পৌঁছে সেখান থেকে ইউরোপে পাঠানো। এর ফলে সুয়েজ খাল এড়িয়ে দ্রুত তেল পরিবহণ সম্ভব হত। মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হলেও সবচেয়ে কম আলোচিত জ্বালানি পরিকাঠামো হিসেবে এটি পরিচিত। বর্তমানে হরমুজ ও বাব-আল-মান্দেব—দুই গুরুত্বপূর্ণ জলপথই সংঘাতের কারণে ঝুঁকিতে পড়ায় ইজরায়েলি কর্মকর্তারা প্রকাশ্যেই বলছেন, একই পাইপলাইন সৌদি আরবের জন্য হতে পারে ইউরোপমুখী নয়া রফতানি পথ।

    সিআইএর নজরেও ছিল প্রকল্পটি

    মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর নথি অনুযায়ী, প্রকল্পটিকে এতটাই কৌশলগত গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল যে তা মার্কিন প্রেসিডেন্টের দৈনিক গোয়েন্দা প্রতিবেদনের অংশ ছিল। সেই মূল্যায়নে বলা হয়েছিল, বিশাল তেলবাহী জাহাজে ইরানি তেল এলাতে নামানো হবে, তারপর ৪২ ইঞ্চি ব্যাসের পাইপলাইনের মাধ্যমে তা আশকেলনে পৌঁছে ছোট জাহাজে ইউরোপে পাঠানো হবে। প্রথম ধাপে বছরে প্রায় দুই কোটি টন এবং পরবর্তীতে ছয় কোটি টন পর্যন্ত তেল পরিবহণের সক্ষমতা অর্জনের পরিকল্পনা ছিল। একই সঙ্গে সুয়েজ খাল বা আফ্রিকার উত্তমাশা অন্তরীপ ঘুরে যাওয়ার তুলনায় এই পথে খরচ কম হবে বলেও সিআইএ মনে করেছিল। পরে এই পরিকাঠামোর পরিচালনাকারী সংস্থার নাম হয় ইউরোপ-এশিয়া পাইপলাইন কোম্পানি (Saudi Arabia)। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর তেহরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন হলে পুরো প্রকল্পের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় ইজরায়েল। পরবর্তীকালে সুইজারল্যান্ডের একটি সালিশি ট্রাইব্যুনাল ইরানকে একশো দশ কোটি মার্কিন ডলার দেওয়ার নির্দেশ দিলেও, শত্রুর সঙ্গে বাণিজ্য আইন দেখিয়ে সেই রায় মানতে অস্বীকার করে ইজরায়েল। আজও এই সংস্থা ইজরায়েলের অন্যতম গোপন রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত।

    কীভাবে কাজ করবে এই রুট?

    পরিকল্পনা অনুযায়ী, সৌদি অপরিশোধিত তেল প্রথমে পূর্ব-পশ্চিম পাইপলাইনে ইয়ানবু পৌঁছাবে। সেখান থেকে জাহাজে করে লোহিত সাগর পেরিয়ে আকাবা উপসাগরের এলাত বন্দরে আনা হবে। এরপর পাইপলাইনের মাধ্যমে আশকেলনে নিয়ে গিয়ে ভূমধ্যসাগর হয়ে ইউরোপে পাঠানো হবে। বর্তমানে উত্তরমুখী এই পাইপলাইনের দৈনিক পরিবহণ ক্ষমতা প্রায় বারো লাখ ব্যারেল (Hormuz Crisis)। তবে সৌদি আরবের দৈনিক ছয় থেকে সাড়ে সাত মিলিয়ন ব্যারেল তেল রফতানির তুলনায় এটি মাত্র পাঁচ থেকে পনেরো শতাংশ বহন করতে পারবে। ফলে এটি মূল রফতানি পথের বিকল্প নয়, বরং একটি সহায়ক রুট হিসেবেই কার্যকর হতে পারে।

    ইজরায়েলের প্রস্তাব কতটা গুরুত্ব পাচ্ছে?

    মার্কিন বংশোদ্ভূত, ইজরায়েল-ভিত্তিক উন্মুক্ত উৎস গোয়েন্দা বিশ্লেষক এবং ওএসআইএনটি সিক্স ওয়ান থ্রির প্রতিষ্ঠাতা জে লেটনি সংবাদ সংস্থাকে বলেন, “বিষয়টি নিয়ে ইজরায়েলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা হচ্ছে। চলতি বছরের জুলাইয়ের শুরুতে জ্বালানিমন্ত্রী এলি কোহেন ওয়াশিংটনের কাছে সৌদি আরব থেকে এলাত পর্যন্ত প্রায় সাতশো কিলোমিটার পাইপলাইন নির্মাণের প্রস্তাব দেন। ২০২০ সালে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির সঙ্গে ব্যর্থ সমঝোতার পর এটিই ইজরায়েল সরকারের সবচেয়ে জোরালো উদ্যোগ। তবে এর বাস্তবায়ন পুরোপুরি সৌদি আরবের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।” তিনি আরও বলেন, “উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল ইজরায়েল হয়ে ইউরোপে গেলে হরমুজের ওপর নির্ভরতা কমবে এবং ইউরোপের জ্বালানি নিরাপত্তায় ইজরায়েলের পরিকাঠামো কৌশলগত গুরুত্ব পাবে।”

    পরিকাঠামো এখনও বড় বাধা

    লেটনির মতে, এলাত বন্দরের বর্তমান পরিকাঠামো সৌদি আরবের মতো বড় রফতানি সামলানোর উপযুক্ত নয়। তাঁর কথায়, “হুথিদের হামলার কারণে এলাত বন্দরের কার্যক্রম নব্বই শতাংশেরও বেশি কমে গিয়েছে। ২০২৫ সালের মাঝামাঝি আর্থিক সংকটের কারণে কার্যত বন্দরটি বন্ধ হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়। সৌদি আরবের পরিমাণের তেল পরিবহণের জন্য গভীর নৌপথ, অতিবৃহৎ তেলবাহী জাহাজ ভেড়ানোর ব্যবস্থা, নতুন সংরক্ষণাগার এবং শক্তিশালী নিরাপত্তা ব্যবস্থা-সহ কয়েকশো কোটি ডলারের বিনিয়োগ প্রয়োজন হবে (Saudi Arabia)।” তিনি আরও জানান, গত পাঁচ বছরে পাইপলাইনে অন্তত ১১টি যান্ত্রিক ত্রুটি এবং ন’টি নাশকতা বা মানবসৃষ্ট দুর্ঘটনা ঘটেছে। ২০২১ সালে রকেট হামলাও হয়েছিল। ২০২৫ সালের জুনে ইরানের হামলায় ইজরায়েলের বাজান জ্বালানি প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং কয়েকটি গ্যাসক্ষেত্রের উৎপাদন সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হয়।

    সবচেয়ে বড় বাধা রাজনীতি

    সৌদি আরব এখনও স্পষ্টভাবে জানিয়ে আসছে, স্বাধীন প্যালেস্তাইন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বাস্তব অগ্রগতি ছাড়া ইজরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা সম্ভব নয়। গাজায় ইজরায়েলের সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার আলোচনা কার্যত থমকে যায়। সম্প্রতি ইজরায়েলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ সৌদি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “সৌদি আরব ও ইজরায়েলের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা আমার স্বপ্ন।” তবে সৌদি কর্তৃপক্ষ বারবার জানিয়েছে, প্যালেস্তাইন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বাস্তব পথ না থাকলে ইজরায়েলকে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না (Hormuz Crisis)। লেটনির মতে, “আব্রাহাম চুক্তি মানসিক বাধা ভেঙে দিয়েছে। ইজরায়েলের অনেক নীতিনির্ধারক এখন মনে করেন, সৌদির সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়া শুধু সময়ের অপেক্ষা। কিন্তু বাস্তবে রিয়াধ বারবার বলেছে, প্যালেস্তাইন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অগ্রগতি ছাড়া তা সম্ভব নয়। এই পাইপলাইন প্রস্তাবের মাধ্যমে ইজরায়েল যৌথ পরিকাঠামো, গোয়েন্দা সহযোগিতা ও অর্থনৈতিক সংযোগের মাধ্যমে সেই রাজনৈতিক শর্তকে পাশ কাটানোর চেষ্টা করছে।”

    গোপনে কি সম্ভব এই সহযোগিতা?

    ইউরোপ-এশিয়া পাইপলাইন কোম্পানির দীর্ঘদিনের গোপনীয়তার ইতিহাস থাকলেও, বর্তমান প্রযুক্তির যুগে (Saudi Arabia) এত বড় প্রকল্প গোপন রাখা কঠিন বলে মনে করেন লেটনি। তাঁর ভাষায়, “সীমিত পরিসরে কিছুদিন গোপন রাখা সম্ভব হলেও, উপগ্রহ চিত্র ও আন্তর্জাতিক পণ্য পরিবহণ বিশ্লেষণের মাধ্যমে খুব দ্রুতই বিষয়টি প্রকাশ্যে চলে আসবে। ইরান এটিকে সৌদি-ইজরায়েল জোট হিসেবে তুলে ধরবে এবং হুথিরাও নিজেদের অবস্থানকে আরও জোরালোভাবে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করবে।”

    আমেরিকা ও ইরানের অবস্থান কী হতে পারে?

    লেটনির মতে, ইরান এমন কোনও চুক্তিকে অত্যন্ত আক্রমণাত্মকভাবে দেখবে এবং তাদের মিত্র গোষ্ঠীগুলির মাধ্যমে পরিকাঠামো লক্ষ্য করে চাপ বাড়ানোর চেষ্টা করবে। এদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ এই প্রকল্পের সঙ্গে অনেকটাই সামঞ্জস্যপূর্ণ। কারণ এতে হরমুজ প্রণালীর ওপর নির্ভরতা কমবে, সৌদি আরব ও ইজরায়েলের সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হবে, গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে মার্কিন নৌবাহিনীর দীর্ঘমেয়াদি উপস্থিতির প্রয়োজন কমবে এবং ইউরোপ রাশিয়া বা মিশরের বিকল্প জ্বালানি পরিবহণ পথ পাবে (Saudi Arabia)। লেটনির ভাষায়, “ওয়াশিংটন প্রকাশ্যে সামনে না এলেও, পর্দার আড়াল থেকে এই ধরনের উদ্যোগের পথে বাধা দূর করতে আগ্রহী হতে পারে (Hormuz Crisis)।”

     

  • Bangladesh: বাংলাদেশজুড়ে কালেমাখচিত কালো-সাদা পতাকার দাপাদাপি, কারা ওড়াচ্ছে এসব ঝান্ডা?

    Bangladesh: বাংলাদেশজুড়ে কালেমাখচিত কালো-সাদা পতাকার দাপাদাপি, কারা ওড়াচ্ছে এসব ঝান্ডা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশজুড়ে (Bangladesh) ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনার মধ্যেই নতুন করে চর্চায় এসেছে কালেমাখচিত কালো-সাদা পতাকার (Kalema Flags) দাপাদাপি। রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ফরিদপুর, মিরপুর-সহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় এই সব পতাকা টাঙানো এবং মিছিল-সমাবেশে বহন করার ঘটনা নিরাপত্তা সংস্থাগুলির উদ্বেগ বাড়িয়ে দিয়েছে এক লপ্তে অনেকখানি। কারণ, একই ধরনের পতাকা অতীতে আল-কায়েদা, ইসলামিক স্টেট (আইএস) এবং নিষিদ্ধ সংগঠন হিজবুত তাহরীরের মতো জঙ্গি সংগঠনের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হত।

    কালেমাখচিত পতাকা (Bangladesh)

    জানা গিয়েছে, গত ১৭ জুন ঢাকার একটি ফ্লাইওভারে প্রথম কালেমাখচিত পতাকা দেখা যায়। এরপর অল্প সময়ের মধ্যেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে দেখা যায় এই ঝান্ডার রমরমা। সড়ক, আবাসিক এলাকা মায় সোশ্যাল মিডিয়ায়ও এই জাতীয় পতাকাকে পতপত করে উড়তে দেখা গিয়েছে। শুধু তাই নয়, মোটরসাইকেলে শোভাযাত্রা এবং ধর্মীয় সমাবেশেও একই ধরনের পতাকা বহন করা হচ্ছে। সেই ভিডিও-ও ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে সুকৌশলে। এমনই ছবি নজরে এসেছে বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর।

    দু’ধরনের পতাকা

    মূলত দু’ধরনের পতাকা বেশি দেখা যাচ্ছে। একটি সাদার পটভূমিতে কালো অক্ষরে লেখা, আর, অন্যটিতে কালোর পটভূমিতে সাদা অক্ষরে আরবি ভাষায় ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বা ইসলামের কালেমা লেখা রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সাদা-কালো নকশার এই পতাকাগুলির একটির সঙ্গে তালিবানের, এবং অন্যটির সঙ্গে আল-কায়েদা, আইএস এবং হিজবুত তাহরীরের ঝান্ডার মিল রয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত এসব নিশান ওড়ানোর সঙ্গে নির্দিষ্ট কোনও জঙ্গি সংগঠনের সরাসরি যোগাযোগের প্রমাণ মেলেনি (Kalema Flags)। কিছু মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের ‘তাওহিদী জনতা’ নামে পরিচয় দিয়েছেন। গত কয়েক সপ্তাহে এই ব্যানারে দেশের বিভিন্ন জায়গায় একাধিক সমাবেশ হয়েছে। একটি শোভাযাত্রায় প্যালেস্তাইনের পতাকাও দেখা গিয়েছে। গত বছর ‘তাওহিদী জনতা’ ঘনিষ্ঠ কিছু গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে মাজার, সুফি প্রতিষ্ঠান এবং বাউল সমাবেশে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছিল (Bangladesh)।

    হিজবুত তাহরীরের তৎপরতা

    এদিকে, হিজবুত তাহরীরের সাম্প্রতিক তৎপরতাও নতুন করে আলোচনার বিষয় হয়েছে। ২০০৯ সালে শেখ হাসিনা সরকারের সময় সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলেও, ২০২৪ সালের রাজনৈতিক ডামাডোলের পর তাদের কার্যকলাপ বাড়ার অভিযোগ রয়েছে। গত বছর ঢাকার জাতীয় মসজিদের সামনে ‘মার্চ ফর খিলাফত’ কর্মসূচিতে দু’হাজারেরও বেশি মানুষের অংশগ্রহণ দেশটির নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের উদ্বেগ বাড়িয়ে দিয়েছিল। যদিও বর্তমানে ঝান্ডা প্রদর্শনের ঘটনায় হিজবুত তাহরীরের যোগের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।সম্প্রতি ভারতে নিযুক্ত ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূত রিউভেন আজার বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানে হামাসের ক্রমবর্ধমান তৎপরতা নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তাঁর মতে, প্যালেস্তাইনের প্রতি জনসমর্থন থাকা স্বাভাবিক হলেও, বিদেশি জিহাদি মতাদর্শের পক্ষ্মবিস্তার নিরাপত্তার পক্ষে উদ্বেগজনক হতে পারে (Bangladesh)।

    কী বলছেন উদ্যোক্তারা?

    এদিকে, দিনাজপুরে আয়োজিত একটি শোভাযাত্রার উদ্যোক্তাদের দাবি, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মুসলিমদের ওপর নির্যাতনের প্রতিবাদ এবং ইসলামের বাণী মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়াই তাদের উদ্দেশ্য। আয়োজকদের একজন মুফতি আবু বকর সিদ্দিক। তিনি জানান (Kalema Flags), তারা মানুষের হৃদয়ে কালেমার বার্তা পৌঁছে দিতে চান। ফুটবল বিশ্বকাপকে ঘিরে অতিরিক্ত উন্মাদনা থেকে মানুষকে বিরত থাকার আহ্বানও জানান তাঁরা। বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ায়ও কালেমাখচিত পতাকার প্রচার বেড়েছে। বিভিন্ন ধর্মভিত্তিক ফেসবুক পেজ এবং অনলাইন মার্কেটপ্লেসে এসব পতাকা বিক্রি ও প্রচারের তথ্য সামনে এসেছে। একই সঙ্গে হেফাজতে ইসলাম-সংশ্লিষ্ট নেতা মুফতি হারুন ইজহারের একটি পুরোনো ভিডিওও ভাইরাল হয়েছে, যেখানে তিনি তরুণদের বিভিন্ন স্থানে কালেমার পতাকা টাঙানোর আহ্বান জানিয়েছেন। ভিডিওতে তিনি বলেন, “যদি এসব পতাকাকে জঙ্গিবাদের প্রতীক বলা হয়, তবে আর্জেন্টিনা এবং ব্রাজিলের পতাকাও নামিয়ে ফেলতে হবে।”

    উগ্রপন্থীদের ‘রিহার্সাল’! 

    এদিকে, ২০২৪ সালের গণআন্দোলনের অন্যতম নেতা তথা সাংসদ হাসনাত আবদুল্লাকে আল-কায়েদার মতো দেখতে একটি পতাকার সঙ্গে দেখা যাওয়ার ঘটনা নিয়েও বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। যদিও এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনও মন্তব্য এখনও মেলেনি (Bangladesh)। বাংলাদেশের সন্ত্রাসবিরোধী ইউনিটের এক কর্তা সংবাদমাধ্যমে জানান, একটি গোষ্ঠী সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষের আবেগকে ব্যবহার করে বিদেশি উগ্রবাদী সংস্কৃতিকে মূলধারায় আনার চেষ্টা করছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতে উগ্রবাদী সংগঠনের উপস্থিতি জানান দেওয়ার একটি ‘রিহার্সাল’-ও হতে পারে। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রায় ৪ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। তাই বিষয়টি নয়াদিল্লির কাছেও গুরুত্বপূর্ণ। সীমান্ত নিরাপত্তা, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং কূটনৈতিক সম্পর্কের ওপর এর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে দুই দেশেই দেখা দিয়েছে উদ্বেগ। যদিও, এখনও পর্যন্ত সরকার বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী কোনও নির্দিষ্ট সংগঠনকে দায়ী করেনি। তদন্ত শেষ না (Kalema Flags) হওয়া পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে সতর্ক অবস্থানেই রয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ (Bangladesh)।

  • Pakistan’s Gaza Troop: গাজায় সেনা পাঠাবে পাকিস্তান! ইসলামাবাদের প্যালেস্টাইন নীতি প্রশ্নের মুখে

    Pakistan’s Gaza Troop: গাজায় সেনা পাঠাবে পাকিস্তান! ইসলামাবাদের প্যালেস্টাইন নীতি প্রশ্নের মুখে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গাজায় যুদ্ধ-পরবর্তী পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক “স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স”-এ (ISF) পাকিস্তানি সেনা পাঠানোর সম্ভাবনা দেশটির ভেতরে ও মুসলিম বিশ্বে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় আলোচিত এই পরিকল্পনায় যুদ্ধ থামার পর গাজার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বজায় রাখা, সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ, মানবিক সহায়তা ও পুনর্গঠন তদারকির কথা বলা হয়েছে। তবে সমালোচকদের মতে, এর বাস্তব প্রভাব হবে হামাসকে নিরস্ত্রীকরণ ও ইজরায়েলের নিরাপত্তা স্বার্থের অনুকূলে গাজাকে “শান্ত” রাখা—যা পাকিস্তানের দীর্ঘদিনের প্যালেস্টাইন-সমর্থক অবস্থানের সঙ্গে একেবারেই বেমানান।

    ফের বিশ্বাসভঙ্গ করল পাকিস্তান!

    পাকিস্তান আনুষ্ঠানিকভাবে কখনও ইজরায়েলকে স্বীকৃতি দেয়নি। এমনকি পাকিস্তানের পাসপোর্টে ইজরায়েলে ভ্রমণ নিষিদ্ধ। পাক সংসদও সম্প্রতি গাজায় ইজরায়েলের সামরিক অভিযানের নিন্দা জানিয়ে প্যালেস্টাইনের প্রতি “ঐতিহাসিক ও অটল সমর্থন” পুনর্ব্যক্ত করেছে। এই প্রেক্ষাপটে গোপনে “স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স”-এ (ISF) যোগ দেওয়ার আলোচনা পাকিস্তানের নীতিগত অবস্থানে বড় ধরনের পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে। দেশের ভেতরে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ক্ষোভ দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই আশঙ্কা করছেন, ইজরায়েলের সঙ্গে সমন্বয় করে হামাস নিরস্ত্রীকরণে ভূমিকা রাখা হলে তা শান্তিরক্ষার চেয়ে ইজরায়েলের কৌশলগত লক্ষ্য বাস্তবায়নে সহায়তা হিসেবে বিবেচিত হবে। জনমত পাকিস্তানে ব্যাপকভাবে প্যালেস্টাইনপন্থী ও ইজরায়েল-বিরোধী হওয়ায় এই উদ্যোগকে “বিশ্বাসভঙ্গ” বলেও আখ্যা দেওয়া হচ্ছে।

    পাক রাজনীতিতে তীব্র প্রতিক্রিয়া

    আঞ্চলিক প্রতিক্রিয়াও নেতিবাচক। ইরান, তুরস্ক ও কাতারসহ কয়েকটি প্রভাবশালী মুসলিম দেশের নীতিনির্ধারকেরা পাকিস্তানের এই সিদ্ধান্তে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সমালোচকদের মতে, এই সিদ্ধান্ত পাকিস্তানকে মুসলিম বিশ্বের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করতে পারে। দেশীয় রাজনীতিতে প্রতিক্রিয়া আরও তীব্র। ইসলামি দলগুলো সরকারের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে। তেহরিক-ই-লাব্বাইক পাকিস্তান (টিএলপি) যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত পরিকল্পনাকে “প্যালেস্টাইনকে অধীনস্থ করার ষড়যন্ত্র” বলে অভিহিত করে প্রতিবাদে নেমেছে। সরকারি কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার মুখে সংঘর্ষের খবরও আসে; পরবর্তীতে ব্যাপক ধরপাকড়, গ্রেফতার ও নানা নিষেধাজ্ঞার অভিযোগ উঠেছে। জামায়াতে ইসলামী সংসদে এই পরিকল্পনার বিরোধিতা করে যে কোনো সমঝোতা প্যালেস্টাইনের অধিকার ক্ষুণ্ণ করবে বলে সতর্ক করেছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সাংবাদিক ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা সংসদীয় আলোচনা ছাড়া সিদ্ধান্ত নেওয়াকে অগ্রহণযোগ্য বলেছেন।

    রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সংকট

    সমালোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল সৈয়দ আসিম মুনির। সমালোচকরা দাবি করছেন, অর্থনৈতিক সহায়তা ও আন্তর্জাতিক সুবিধার বিনিময়ে এই পরিকল্পনায় এগোনোর চেষ্টা করা হচ্ছে। কিছু প্রতিবেদনে সেনা মোতায়েনের জন্য অর্থনৈতিক দরকষাকষির অভিযোগও তোলা হয়েছে, যদিও এসব দাবি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত নয়। আরও বলা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলোর কাছ থেকে ঋণ-সহজীকরণ বা নতুন তহবিলের আশ্বাস এই পদক্ষেপের পিছনে রয়েছে। সরকারের বক্তব্য অনুযায়ী, এটি একটি শান্তিরক্ষামূলক অবদান। তবে বিরোধীদের চোখে, এই পদক্ষেপ পাকিস্তানের প্যালেস্টাইন নীতিকে দুর্বল করবে, অভ্যন্তরীণ ঐক্যে ফাটল ধরাবে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত করবে। গাজায় সেনা পাঠানোর প্রশ্নটি এখন পাকিস্তানের জন্য এক বড় রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সংকট হিসেবে দেখা দিচ্ছে।

  • Hamas: ইজরায়েলের সহযোগী সন্দেহে গাজার ৮ বাসিন্দাকে গুলি করে হত্যা হামাসের

    Hamas: ইজরায়েলের সহযোগী সন্দেহে গাজার ৮ বাসিন্দাকে গুলি করে হত্যা হামাসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হামাস গোষ্ঠীকে নিরস্ত্র করার অঙ্গীকার করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। এহেন আবহে গাজার ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ কায়েম করতে হামাস (Hamas) প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করেছে গাজারই ৮জনকে। চমকে ওঠার মতো সেই ঘটনার ছবিও ভাইরাল হয়েছে। প্রসঙ্গত, মার্কিন মধ্যস্থতায় ইজরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি হয়েছে হামাসের। এই সুযোগে প্যালেস্তাইনের দখল নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে হামাস। এতদিন তারা দখল করে রেখেছিল গাজা। এবার তারা নিতে চলেছে পুরো প্যালেস্তাইনের রাশ। আর তা করতে গিয়েই ৮ গাজাবাসীকে হত্যা করেছে হামাস।

    হাড়হিম করা ছবি (Hamas)

    ভাইরাল হওয়া ভিডিও ফুটেজে দেখা গিয়েছে, প্রথমে তাঁদের বেধড়ক মারধর করা হয়েছে। পরে চোখ বেঁধে হাঁটু গেড়ে তাঁদের বসিয়ে দেওয়া হয় রাস্তায়। এরপর হামাসের হেডব্যান্ড পরা বন্দুকধারীরা একে একে গুলি করে হত্যা করে তাদের। সেই সময় উপস্থিত জনতা চিৎকার করতে থাকে ‘আল্লাহু আকবর’ বলে। কোনও প্রমাণ না দিয়েই হামাসের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নিহতরা ছিল অপরাধী এবং ইজরায়েলের সহযোগী। জানা গিয়েছে, যুদ্ধবিরতি শুরু হতেই ইজরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীকে প্রত্যাহার করে তেল আভিভ (ইজরায়েলের রাজধানী)। এর পরেই দ্রুত গাজায় ফের নিজেদের নিয়ন্ত্রণ পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে কোমর বেঁধে নামে হামাস। তাদের টার্গেট, ক্ল্যান বা পারিবারিক ভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলি। ইজরায়েলের সঙ্গে হামাসের সংঘর্ষ চলার সময় যথেষ্ট শক্তি অর্জন করেছিল এই ক্ল্যানগুলি।

    হামাস বিরোধী দল

    হামাস পরিচালিত পুলিশ বাহিনী ১৮ বছর আগে গাজায় ক্ষমতা দখলের পর থেকে জননিরাপত্তা বজায় রাখতে উচ্চমানের ভূমিকা রেখেছিল। যদিও তারা ভিন্নমত দমনে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে। সম্প্রতি ইজরায়েলি বাহিনী গাজার বড় বড় এলাকা দখল করে এবং হামাসের নিরাপত্তা বাহিনীকে বিমান হামলায় টার্গেট করার পর এই বাহিনীর উপস্থিতি অনেকটাই বিলীন হয়ে গিয়েছে (Hamas)। স্থানীয় প্রভাবশালী পরিবার এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলি, যাদের মধ্যে ইজরায়েল সমর্থিত কিছু হামাস বিরোধী দলও রয়েছে, সেই শূন্যস্থান পূরণে এগিয়ে আসে। তাদের অনেকের বিরুদ্ধেই অভিযোগ, তারা মানবিক সাহায্য ছিনতাই করে মুনাফার জন্য বিক্রি করছে। যার জেরে গাজার তীব্র খাদ্যসংকট আরও বেড়েছে (Donald Trump)। গাজার বেসরকারি ট্রাক মালিক সমিতির প্রধান নাহেদ শেহাইবার বলেন, “হামাস ইজরায়েলি নিয়ন্ত্রিত এলাকায় মানুষের মধ্যে সন্ত্রাস ছড়ানো গ্যাংগুলির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে (Hamas)।”

  • Israel: প্যালেস্টাইনমুখী নৌকাকে আটক করল ইজরায়েল,কেন জানেন?

    Israel: প্যালেস্টাইনমুখী নৌকাকে আটক করল ইজরায়েল,কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আন্তর্জাতিক জলসীমায় ইজরায়েলি (Israel) বাহিনী সোমবার ভোররাতে প্যালেস্টাইনমুখী একটি নৌকাকে আটক করে। নৌকাটিতে ছিলেন সুইডিশ জলবায়ু আন্দোলনকর্মী গ্রেটা থুনবার্গ এবং ফরাসি ইউরোপীয় সংসদ সদস্য রিমা হাসানসহ আরও ১২ জন। ‘ম্যাডলিন’ নামের ব্রিটিশ পতাকাবাহী নৌকাটি ৬ জুন সিসিলি থেকে রওনা হয় এবং প্যালেস্টাইনের গাজা উপত্যকার দিকে যাচ্ছিল।

    কেন আটক

    ইজরায়েলের বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, নৌকাটিতে থাকা সদস্যদের উদ্ধার করে নিরাপদে রাখা হয়েছে এবং তাঁদের পানীয় জল ও খাদ্য সরবরাহ করা হয়েছে। ইজরায়েলি নৌবাহিনী প্রথমে ম্যাডলিনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল। জাহাজটিকে গতিপথ পরিবর্তন করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল। ইজরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, গাজা ভূখণ্ডে হামাস যাতে অস্ত্র আমদানি না করতে পারে, তার জন্য নৌ অবরোধ চলছে। সেই অবরোধ ভাঙতে কাউকে অনুমতি দেবে না ইজরায়েল। এদিকে সেই অবরোধ ভেঙে গাজায় মানবিক ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার মিশন নিয়ে ইতালির সিসিলি থেকে যাত্রা শুরু করেছিল গ্রেটা থুনবার্গের জাহাজ। গাজা ভূখণ্ডে ক্রমবর্ধমান মানবিক সংকট সম্পর্কে বিশ্বকে সচেতন করাও এই যাত্রার অন্যতম লক্ষ্য ছিল। ইজরায়েল পুরো উদ্যোগটিকে “মিডিয়া প্ররোচনা” হিসেবে বর্ণনা করেছে। ইজরায়েলি বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়, যে পরিমাণ ত্রাণ ওই নৌকায় ছিল, তা দিয়ে একটা ট্রাকও ভরত না। তাদের স্পষ্ট কথা, ত্রাণ পৌঁছতে হলে ইজরায়েলের নির্ধারিত রুট দিয়েই পাঠাতে হবে।

    কী বলছে ইজরায়েল

    মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, এই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য ছিল গাজায় চলমান মানবিক সংকটের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করা। এর আগেও প্যালেস্তাইনমুখী একটি নৌকা আন্তর্জাতিক জলসীমায় ড্রোন হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল, যার জন্য ইজরায়েলকে দায়ী করেছে সংগঠনটি। ২০০৭ সালে হামাস গাজার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর থেকেই ইজরায়েল ও মিশর অঞ্চলটিতে কঠোর অবরোধ আরোপ করে রেখেছে, যা এখনো অব্যাহত রয়েছে। ইজরায়েলের বিদেশ মন্ত্রক বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, ‘‘ধীরে ধীরে ওই নৌকা ইজরায়েলের দিকে এগোচ্ছিল। নৌকায় থাকা সকলেই সুস্থ রয়েছেন। তাঁদের শীঘ্রই নিজেদের দেশে ফেরানো হবে। আপাতত ওঁদের অনুষ্ঠান এখানেই শেষ!’’ ওই নৌকায় থাকা সকলকে শুকনো খাবার এবং জলও দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ইজরায়েলের বিদেশ মন্ত্রক।

  • Mahmud Abbas: এবার গাজা রক্ষায় হামাসকে অনুরোধ প্যালেস্তাইনের প্রেসিডেন্টের

    Mahmud Abbas: এবার গাজা রক্ষায় হামাসকে অনুরোধ প্যালেস্তাইনের প্রেসিডেন্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার গাজা রক্ষায় হামাসকে (Hamas) অনুরোধ প্যালেস্তাইনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের (Mahmud Abbas)। শনিবার আব্বাসের ফাতাহ আন্দোলন তাদের ইসলামিস্ট প্রতিদ্বন্দ্বী হামাসকে গাজা উপত্যকায় প্যালেস্তাইনিদের অস্তিত্ব রক্ষায় ক্ষমতা ছেড়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। ফাতাহ মুখপাত্র মুনথের আল-হায়েক গাজা থেকে এক বার্তায় বলেন, “হামাসকে গাজা, এর শিশু, নারী ও পুরুষদের প্রতি সহানুভূতি দেখাতে হবে।”

    ফাতাহ মুখপাত্রের অনুরোধ (Mahmud Abbas)

    তিনি হামাসকে শাসন থেকে সরে দাঁড়াতে এবং সম্পূর্ণভাবে স্বীকার করতে বলেছেন যে যদি তারা গাজায় ক্ষমতায় থাকে তাহলে আগামী লড়াইয়ে প্যালেস্তাইনিদের অস্তিত্বের অবসান ঘটবে। প্রসঙ্গত, ২০০৭ সালে হামাস ফাতাহ-নিয়ন্ত্রিত প্যালেস্তাইন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে গাজার ক্ষমতা দখল করে। পরবর্তী কালে একাধিকবার সমঝোতার চেষ্টা হলেও, তা ব্যর্থ হয়।

    প্রতিশোধ নিতে গাজায় হামলা

    ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাস ও অন্যান্য প্যালেস্তাইনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামলা চালায় ইজরায়েলে। এরই প্রতিশোধ হিসেবে গাজায় হামাসের ডেরায় হামলা চালায় ইজরায়েলি সেনা। তার জেরে বিধ্বস্ত হয়েছে গাজা উপত্যকা। হামাস বারবার বলেছে, যুদ্ধ শেষ হলে তারা গাজায় ক্ষমতা ছেড়ে দিতে প্রস্তুত। যদিও অস্ত্র ত্যাগ করতে রাজি নয় তারা (Mahmud Abbas)।

    হামাস মুখপাত্র আব্দুল লতিফ আল-কানু শনিবার এক বিবৃতিতে বলেন, “আমরা যুদ্ধ-পরবর্তী গাজা প্রশাসন সংক্রান্ত যে কোনও চুক্তি মেনে নিতে প্রস্তুত, যদিও চুক্তিতে অংশগ্রহণ করতে আগ্রহী নই।” তিনি বলেন, “জাতীয় ঐক্যই আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।” তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, হামাস যুদ্ধ-পরবর্তী গাজা পরিচালনা ও পুনর্গঠন তদারকির জন্য পেশাদার ও প্রযুক্তিবিদদের একটি স্বাধীন কমিটি গঠনে মিশরের প্রস্তাবকে সমর্থন করেছে।

    আব্বাস বলেন, ওই কমিটিকে রামাল্লাভিত্তিক প্যালেস্তাইন অথরিটিকে রিপোর্ট করতে হবে, যা তাঁর মতে গাজা শাসনের একমাত্র বৈধ সত্তা, কিন্তু ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সরকার এটি প্রত্যাখ্যান করেছে। উল্লেখ্য যে, গাজা যুদ্ধে ১৯ জানুয়ারির যুদ্ধবিরতি পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে মতবিরোধের পর, ইজরায়েল মঙ্গলবার ফের বিমান হানা শুরু (Hamas) করে। তার পরের দিন শুরু হয় স্থল অভিযান (Mahmud Abbas)।

  • Israel Palestine Conflict: সংঘর্ষবিরতি শেষ হতেই গাজায় নতুন করে হামলা ইজরায়েলের! মৃত অন্তত ২০০

    Israel Palestine Conflict: সংঘর্ষবিরতি শেষ হতেই গাজায় নতুন করে হামলা ইজরায়েলের! মৃত অন্তত ২০০

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গাজায় ফের হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু ইজরায়েলের (Israel Palestine Conflict)। ২ মাসের যুদ্ধবিরতি চুক্তি শেষ হতেই গাজা ভূখণ্ডে নতুন করে হামলা চালাল ইজরায়েলি বাহিনী। সংবাদ সংস্থা রয়টার্স সূত্রে খবর, ইজরায়েলি হানায় শতাধিক প্যালেস্তাইনি নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে রয়েছে শিশু এবং মহিলাও। গাজার প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে গিয়েছে। মঙ্গলবার গাজার মাটিতে বেলাগাম বিমান হামলা চালায় ইজরায়েল।

    হত হামাসের নিরাপত্তা আধিকারিক

    ট্রাম্পের উদ্যোগে গত জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময়ে হামাসের সঙ্গে সংঘর্ষবিরতি চুক্তি করে ইজরায়েল (Israel Palestine Conflict)। কথা ছিল, এই যুদ্ধবিরতির বিনিময়ে বন্দি নাগরিকদের মুক্তি দেবে হামাস। সেইমতো বহু পণবন্দিকে মুক্তিও দেওয়া হয়। তবে ইজরায়েলের অভিযোগ সকল পণবন্দিকে মুক্তি দেওয়া হয়নি। শুধু তাই নয় মার্কিন প্রস্তাবও প্রত্যাখ্যান করেছে হামাস। যার জেরেই এই হামলা। মঙ্গলবার কাকভোরে গাজায় বিমান হামলায় শতাধিক জনের মৃত্যু হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ইজরায়েলের অবশ্য দাবি, গাজায় হামাসের ঘাঁটি লক্ষ্য করেই এই হামলা চালানো হয়েছে। প্যালেস্টাইনপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের সঙ্গে ইজরায়েলের প্রথম দফার যুদ্ধবিরতির পর থেকে এটিই গাজায় সবচেয়ে বড় হামলা বলে মনে করা হচ্ছে। জানা যাচ্ছে, এই হামলায় হামাসের নিরাপত্তা আধিকারিক মেহমুদ আবু ওয়াতফার মৃত্যু হয়েছে।

    কোথায় কোথায় হামলা চালাল ইজরায়েল

    ইজরায়েলের (Israel Palestine Conflict) প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, গাজা ভূখণ্ডে হামাস গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে থাকা অঞ্চলগুলিতে তারা হামলা চালাচ্ছে। রাজনৈতিক নেতৃত্বের অনুমোদনেই এই হামলা শুরু হয়েছে বলে দাবি ইজরায়েলি বাহিনীর। বস্তুত, গত ১৫ জানুয়ারি কাতার, আমেরিকা এবং মিশরের উদ্যোগে ইজরায়েল এবং হামাস সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে তা কার্যকর হয়। প্রথম দফার যুদ্ধবিরতির মেয়াদ ফুরিয়েছে ১ মার্চ। দ্বিতীয় দফার যুদ্ধবিরতি নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও আলোচনা হয়নি দুই পক্ষের। তার আগেই গাজার মাটিতে হামলা চালিয়ে বসল ইজরায়েল। মঙ্গলবার ভোরে আকাশপথে গাজায় হামলা চালায় ইজরায়েল। কয়েকঘণ্টায় প্রাণ গিয়েছে বহু। ধ্বংস হয়েছে বহু ঘরবাড়ি। গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা জানিয়েছে, উত্তর গাজা, গাজা সিটি এবং মধ্য ও দক্ষিণ গাজা উপত্যকার দেইর আল-বালাহ, খান ইউনিস এবং রাফাহ সহ একাধিক স্থানে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায় ভোররাতে। মুহুর্মুহু গোলাবারুদ বর্ষণের শব্দে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন গাজার সাধারণ মানুষেরা। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

  • Donald Trump: “শনিবার দুপুরের মধ্যেই বন্দিদের মুক্তি দিন, না হলে…,”হামাসকে হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

    Donald Trump: “শনিবার দুপুরের মধ্যেই বন্দিদের মুক্তি দিন, না হলে…,”হামাসকে হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গাজার জঙ্গি গোষ্ঠী হামাসকে (Hamas) চরম হুঁশিয়ারি ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump)। সাফ জানিয়ে দিলেন, শনিবার দুপুর ১২টার মধ্যে সমস্ত বন্দিকে মুক্তি দিতে হবে। যদি তা না হয়, তাহলে সব কিছু ভেঙে পড়বে।

    হামাসের অত্যাচার! (Donald Trump)

    ইহুদি রাষ্ট্র ইজায়েলের সঙ্গে ১৫ মাস ধরে যুদ্ধ চলেছে গাজার মুসলিম জঙ্গি গোষ্ঠী হামাসের। সম্প্রতি ৪২ দিনের যুদ্ধ বিরতি স্বাক্ষরিত হয়েছে ইজরায়েল এবং হামাসের মধ্যে। এই যুদ্ধবিরতি পর্বে অল্প অল্প করে হামাস মুক্তি দিচ্ছে বন্দিদের। যাঁদের এই জঙ্গি গোষ্ঠী মুক্তি দিচ্ছে, তাঁরা যে নিদারুণ অত্যাচারের শিকার হয়েছেন বন্দিদশা পর্বে, তা জানিয়েছেন মুক্তিপ্রাপ্তরা। এহেন আবহে এল মার্কিন প্রেসিডেন্টেরে হুঁশিয়ারি।

    চরম হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

    সোমবার ট্রাম্প বলেন, “আমার দৃষ্টিকোণ থেকে বলছি, যদি শনিবার দুপুর ১২টার মধ্যে সমস্ত বন্দিকে মুক্তি না দেওয়া হয়—আমি মনে করি এটি একটি উপযুক্ত সময়—তাহলে আমি বলব, যুদ্ধবিরতি বাতিল করুন এবং সমস্ত কিছু ভেঙে পড়ুক।” খানিক থেমে তিনি বলেন, “তবে আমি আমার নিজস্ব মতামত দিচ্ছি। ইজরায়েল এটি অগ্রাহ্য করতে পারে।”  ট্রাম্প (Donald Trump) বলেন, “আমি গাজা কেনার এবং মালিকানা নেওয়ার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

    সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, “আমাদের এটি পুনর্গঠনের বিষয়ে, আমরা হয়তো মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশকে এর কিছু অংশ গড়ে তোলার দায়িত্ব দিতে পারি। অন্যরা আমাদের তত্ত্বাবধানে এটি করতে পারে। কিন্তু আমরা এর মালিকানা নেওয়া, এটি দখলে রাখা এবং নিশ্চিত করা যে হামাস যাতে ফিরে আসতে না পারে, এ ব্যাপারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ফিরে আসার মতো কিছুই নেই। এটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। অবশিষ্ট অংশও ভেঙে ফেলা হবে।”

    প্রসঙ্গত, হামাসের সামরিক শাখা ইজ্জেদিন আল-কাসসাম ব্রিগেডের এক মুখপাত্র সোমবারই এক বিবৃতি জারি করে বলেছেন, পরবর্তী বন্দিমুক্তির প্রক্রিয়া, যা আগামী শনিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫-এ নির্ধারিত ছিল, তা পরবর্তী ঘোষণা না করা পর্যন্ত স্থগিত থাকবে। হামাস জানিয়েছে, বন্দিবিনিময় পুনরায় (Hamas) শুরু করা ইজরায়েলি দখলদার বাহিনীর প্রতিশ্রুতি মেনে চলা এবং বিগত কয়েক সপ্তাহের দায়বদ্ধতা পূরণের ওপর নির্ভর করছে (Donald Trump)।

  • Thai Captives: ঘুঁচল বন্দিদশা, হামাসের হাত থেকে ছাড়া পেয়ে দেশে ফিরলেন ৫ থাই নাগরিক

    Thai Captives: ঘুঁচল বন্দিদশা, হামাসের হাত থেকে ছাড়া পেয়ে দেশে ফিরলেন ৫ থাই নাগরিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হামাসের হাতে বন্দি (Thai Captives) ছিলেন এক বছরেরও বেশি সময়। শেষমেশ ঘুঁচল বন্দিদশা। রবিবার গাজা (Gaza) থেকে দেশে ফিরলেন পাঁচ থাই নাগরিক। এদিন সকালে ব্যাংককের সুবর্ণভূমি বিমানবন্দরে অবতরণের পর ওয়াচারা শ্রীয়াউন, পংসাক থায়েন্না, সাথিয়ান সুওয়ান্নাখাম, সারুসাক রুমনাও এবং বান্নাওয়াত সায়েথাওকে তাঁদের স্বাগত জানান পরিবারের সদস্যরা।

    থাই নাগরিকদের প্রত্যাবর্তন (Thai Captives)

    এক বছরেরও বেশি সময় পরে দেশে ফেরায় প্রিয়জনকে কাছে পেয়ে আনন্দাশ্রু ফেলতেও দেখা গিয়েছে কয়েকজনকে। দেশের মাটিতে পা রাখার পর পংসাক বলেন, “জন্মস্থানে ফিরতে পেরে আমরা সকলেই গভীরভাবে মুগ্ধ। আমি আর কী বলব জানি না। আমরা সবাই সত্যিই কৃতজ্ঞ।” ছেলেকে আর বাড়ি থেকে দূরে রাখতে চান না সোমবুন। উত্তর থাইল্যান্ডের নান প্রদেশের এই প্রৌঢ় বলেন, “আমি আর আমার ছেলেকে বাড়ি থেকে দূরে কোথাও পাঠাব না।”

    বন্দিদশা ঘুঁচল

    গত মাসে গাজার দক্ষিণাঞ্চলের খান ইউনিসে মুক্তি পান থাইল্যান্ডের এই পাঁচজন। টানা ১৫ মাস ধরে চলেছে ইহুদি রাষ্ট্র ইজারায়েলের সঙ্গে গাজার মুসলিম সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের যুদ্ধ। পরে স্বাক্ষরিত হয় যুদ্ধবিরতি চুক্তি। সেই চুক্তির কারণেই বন্দিদশা ঘুঁচল হামাসের হাতে বন্দি থাকা এই পাঁচ থাই নাগরিকেরও। থাইল্যান্ডের বিদেশমন্ত্রী মারিস সাংগিয়াম্পোংসা বন্দিদের ফিরিয়ে এনেছেন ইজরায়েল থেকে। নাগরিকরা দেশে ফিরে আসায় স্বস্তির শ্বাস ফেলেছেন তিনি। বলেন, “এটি একটি আবেগঘন মুহূর্ত … তাঁরা তাঁদের পরিবারে ফিরে এসেছেন। আমরা কখনও হাল ছাড়িনি। এটি (Thai Captives) তারই ফল।”

    প্রধানমন্ত্রী পায়োংটার্ন সিনাওয়াত্রা বলেন, “দেশের পাঁচ নাগরিক মুক্তি পাওয়ায় আমরা উল্লসিত। ধন্যবাদ ইজরায়েল, কাতার, মিশর, ইরান, তুরস্ক এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে। তাদের জন্যই আমাদের দেশের নাগরিকদের বন্দিদশা ঘুঁচল।” জানা গিয়েছে, থাইল্যান্ডে ফেরা পাঁচ নাগরিকই শারীরিকভাবে সুস্থ রয়েছেন। সরকার আগামী কয়েক মাস ধরে তাঁদের ওপর নজর রাখবে। তাঁরা যাতে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেন, তাই এই নজরদারি।

    ইজরায়েলে কাজের খোঁজে গিয়ে হামাসের হাতে বন্দি হন সব মিলিয়ে মোট ৩১জন থাই নাগরিক। ২০২৩ সালের অক্টোবরে তাঁদের বন্দি করা হয়। এঁদের মধ্যে ২৩ জনকে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল ২০২৩ সালেই। গত মে মাসে বন্দি দশায়ই মৃত্যু হয় দুজনের (Gaza)। পাঁচজন ফিরলেন দেশে। থাই প্রশাসনের আশা, বাকিদেরও দ্রুত দেশে ফেরানো হবে (Thai Captives)।

  • Wikipedia: ইসলামিক জঙ্গি সংগঠনগুলির সমর্থনে ব্যবহার করা হচ্ছে উইকিপিডিয়াকে, দাবি মার্কিন সংস্থার

    Wikipedia: ইসলামিক জঙ্গি সংগঠনগুলির সমর্থনে ব্যবহার করা হচ্ছে উইকিপিডিয়াকে, দাবি মার্কিন সংস্থার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইসলামিক জঙ্গি সংগঠনগুলির সমর্থনের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে উইকিপিডিয়াকে (Wikipedia), এমনই গুরুতর অভিযোগ আনল মার্কিন দেশের একটি সংবাদ সংস্থা পাইরেট ওয়্যারস। মার্কিন দেশের ঐ সংস্থার দাবি হামাসপন্থী এবং হিজবুল্লাপন্থী সাংবাদিকদের ব্যবহার করা হচ্ছে প্যালেস্তাইন-ইজরায়েল যুদ্ধকে বিকৃত করে উপস্থাপন করার কাজে। শুধু তাই নয়, ইহুদিদের বিরুদ্ধে লাগাতার ঘৃণার প্রচারও চালাচ্ছে ওই সাংবাদিকরা। পাইরেট ওয়্যারসের (Pirate Wires) আরও দাবি, অন্তত ৪০ জন হামাস ও হিজবুল্লাপন্থী সাংবাদিককে এভাবেই ব্যবহার করা হচ্ছে উইকিপিডিয়াতে তথ্য বিকৃত করার কাজে।

    ইহুদি বিদ্বেষ ছড়ানো হচ্ছে (Wikipedia) 

    গত বছরের সাত অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধ সম্পর্কে জনসাধারণের মধ্যে থাকা ধারণাকে (Wikipedia) পরিবর্তন  করতেই তারা এই কাজ করছে। অত্যন্ত সুক্ষ্মভাবে তারা হামাস ও হিজবুল্লাকে হিরো বানিয়ে, ইজরায়েলকে ভিলেন বানাতে চাইছে। অনলাইন যুদ্ধে এভাবেই তারা ইহুদি বিরোধী একটা মহল তৈরি করতে চাইছে।

    ২০ লক্ষ বার সম্পাদনা (Wikipedia) করা হয়েছে বিভিন্ন আর্টিকেল 

    পাইরেট ওয়্যারস (Pirate Wires) আরও জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত দশ হাজারেরও বেশি বিভিন্ন ধরনের প্রবন্ধে প্রায় কুড়ি লক্ষবার সম্পাদনা করা হয়েছে এবং প্রতিক্ষেত্রেই হামাস এবং হিজবুল্লার সমর্থনে কথা বলা হয়েছে। প্রতিবারই ইহুদিদের বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। আরও তথ্য উঠে এসেছে, টেক ফর প্যালেস্টাইন নামের একটি ৮,০০০ সদস্যের ডিসকর্ড গ্রুপ এভাবেই অনলাইন যুদ্ধ চালাচ্ছে। পাইরেট ওয়্যারসের মতে, ‘নাবলেজি’ নামে একজন টিএফপি সদস্য হিজবুল্লার সমর্থক বলেই নিজের পরিচয় দেন। তিনি অসংখ্যবার হামাস-হিজবুল্লা বিরোধী লেখা মুছে সেখানে ইহুদি বিদ্বেষ ছড়িয়েছেন বলে অভিযোগ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share