Tag: PM Modi

PM Modi

  • Modi in Assam: “দেশকে নিরাপত্তা ও সংহতির ক্ষেত্রে ভারী মূল্য দিতে হয়েছে”  অসমে কংগ্রেসকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী

    Modi in Assam: “দেশকে নিরাপত্তা ও সংহতির ক্ষেত্রে ভারী মূল্য দিতে হয়েছে” অসমে কংগ্রেসকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুপ্রবেশ ইস্যুতে ফের কংগ্রেসকে আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi in Assam)। গুয়াহাটিতে কংগ্রেসকে নিশানা করে প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগ, নির্বাচন কমিশন এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু করেছে, যাতে বেআইনি অনুপ্রবেশকারীদের হাত থেকে ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া যায়। কিন্তু, কিছু ‘দেশবিরোধী’ শক্তি সেই উদ্যোগ বানচাল করে ও দেশের স্বার্থবিরোধী কাজ করে সারা দেশে অনুপ্রবেশকারীদের সুরক্ষা দিতে চেষ্টা চালাচ্ছে। মোদির দু’দিনের অসম সফর দিয়েই বিধানসভা ভোটে বিজেপির প্রচার পর্ব শুরু হল।

    দেশের জমি ও বন অন্যদের দিয়ে দেবে কংগ্রেস

    রবিবার নামরুপে জনসভায় মোদি কংগ্রেসকে (PM Attacks Congress) তিনটি বিষয়ে নিশানা করেন—উন্নয়ন, কল্যাণ ও অনুপ্রবেশ রোধ। আগামী বছরের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে এগুলিই বিজেপির মূল প্রচার-ইস্যু হবে বলে ইঙ্গিত দেন তিনি। মোদি দাবি করেন, “কংগ্রেস কখনওই অসমের স্বার্থ রক্ষা করবে না, বরং অসমের জমি ও বন অন্যদের দখলে দিয়ে দেবে।” তিনি কংগ্রেস নেতা তথা রাজ্যের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী গোপীনাথ বরদলৈয়ের মূর্তি উদ্বোধন করে বলেন, “কংগ্রেস অসমের পরিচয় ধ্বংস করার চেষ্টা স্বাধীনতার আগে থেকে করছে। ইংরেজ ও মুসলিম লীগের সঙ্গে হাত মিলিয়ে তারা অসমকে পূর্ববঙ্গের অংশ করতে চেয়েছিল। তখন গোপীনাথ বরদলৈ নিজের দলের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে তা রোখেন। বরদলৈ কখনও অসমের স্বার্থ ও পরিচয়ের সঙ্গে আপস করেননি। এখন অসমবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কংগ্রেসের ‘ষড়যন্ত্র’ প্রতিহত করতে হবে।”

    অবাধ অনুপ্রবেশকে মদত দেয় কংগ্রেস

    নামরুপে ডিব্রুগড় জেলার অসম ভ্যালি ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি লিমিটেডের ₹১০,৬০০ কোটি টাকার অ্যামোনিয়া-ইউরিয়া সার প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে মোদি (Modi in Assam) কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ‘দেশবিরোধী চিন্তাধারা’ প্রচারের অভিযোগ তোলেন। প্রধানমন্ত্রীর (PM Attacks Congress) দাবি, “বাংলা ও অসমে ভোটব্যাঙ্ক বাড়াতে কংগ্রেস অবাধ অনুপ্রবেশকে মদত দিয়েছে। অনুপ্রবেশকারীরা এখানকার জনচরিত্র বদলে দিয়েছে। জঙ্গল ও জমি দখল করে নিয়েছে। হিমন্তের সরকার এখন অসমের সম্পদকে এই সব বেআইনি ও দেশবিরোধী শক্তি থেকে মুক্ত করছে।” তিনি আরও বলেন, অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বসতি স্থাপন ও রক্ষার কাজ কংগ্রেসই করেছে, তাই ভোটার তালিকা সংশোধনের বিরোধিতা করছে তারা। ‘তুষ্টিকরণের রাজনীতি’র বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে মোদি বলেন, অসমের পরিচয় ও সম্মান রক্ষায় বিজেপি ‘ইস্পাতের মতো দৃঢ়’।

    কংগ্রেসের ভুলে মূল্য চোকাতে হয় সমগ্র দেশকে

    দেশদ্রোহীরা চেষ্টা করছে অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করতে। কিন্তু, এসআইআর তা হতে দেবে না। কংগ্রেস যতই অনুপ্রবেশকারীদের বাঁচানোর চেষ্টা করুক, বিশেষ ভোটার তালিকা সংশোধনীতে তাদের দেশ থেকে বের করে দেওয়া হবেই। বিজেপি শাসিত অসমের মাটিতে দাঁড়িয়ে কংগ্রেস সহ বিরোধী ইন্ডিয়া ব্লকের পার্টিগুলিকে হুঁশিয়ারি দেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সঙ্গে অনুপ্রবেশকারীদের যারা বাঁচানোর চেষ্টা করছে, তাদের দেশদ্রোহী আখ্যা দেন মোদি (Modi in Assam)। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন অনুপ্রবেশকারীদের ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার কাজ চালাচ্ছে। কিন্তু, দেশদ্রোহীরা তাদের রক্ষা করার চেষ্টা করছে। পূর্বতন কংগ্রেস সরকারকে বিঁধে প্রধানমন্ত্রী বলেন,“অসম ও উত্তর-পূর্ব ভারতকে উন্নয়নের আড়ালে রেখে ওরা যে অপরাধ করেছে, তার মূল্য চোকাতে হয় সমগ্র দেশকে। দেশকে একতা, নিরাপত্তা ও সংহতির ক্ষেত্রে ভারী মূল্য দিতে হয়েছে কংগ্রেসের ভুলে। কংগ্রেসের আমলেই দশকের পর দশক ধরে এই অঞ্চলে হিংসা বজায় ছিল। আর আমরা ১০-১১ বছর ক্ষমতায় এসেই সেই উগ্রবাদকে শেষ করেছি। একদিন যে জেলাগুলি হিংসা উপদ্রুত ছিল, আজ সেখানেই উন্নয়ন চলছে।”

    অসমের মাটির সঙ্গে একাত্ম প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী মোদির (PM Attacks Congress) এই বক্তব্য রাজ্যে বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকারের জুলাই থেকে শুরু হওয়া কড়াকড়ির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা জানিয়েছেন, সরকারি ও বনভূমি থেকে উচ্ছেদ অভিযান চলবে। চলমান উচ্ছেদে প্রভাবিতদের বড় অংশই মিয়া সম্প্রদায়ের—বাংলাভাষী মুসলমান, যাদের অনেকের শিকড় তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান, বর্তমান বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত। গুয়াহাটিতে মোদি বলেন, রাজ্য সরকার ‘অবৈধ ও দেশবিরোধী দখল’ থেকে সম্পদ মুক্ত করতে কাজ করছে এবং কংগ্রেস ও ইন্ডি জোট অনুপ্রবেশকারীদের পক্ষে আইনি হস্তক্ষেপসহ নানা ভাবে সুরক্ষা দিচ্ছে। রবিবার তিনি স্পষ্ট করে বলেন, অনুপ্রবেশকারীরা বাংলাদেশি। প্রধানমন্ত্রী অসম আন্দোলনের ৮৬০ শহিদের স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানান এবং ব্রহ্মপুত্রের উপর একটি ক্রুজে ২১ জন পড়ুয়ার সঙ্গে ‘পরীক্ষা পে চর্চা’য় অংশ নেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “অসমের মাটির সঙ্গে আমার আত্মা মিশে আছে। ভালবাসা ও এখানকার মানুষের আবেগ জড়িয়ে আছে। বিশেষ করে অসম ও উত্তর-পূর্ব ভারতের মা-বোনেদের ভালবাসা আমাকে উৎসাহিত করে, অনুপ্রেরণা জোগায়।”

  • PM Modi:  “বিজেপিকে শুধু একবার সুযোগ দিন, দেখুন কত দ্রুত উন্নয়ন হয়”, বললেন মোদি

    PM Modi:  “বিজেপিকে শুধু একবার সুযোগ দিন, দেখুন কত দ্রুত উন্নয়ন হয়”, বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘন কুয়াশার জেরে শনিবার নদিয়ার তাহেরপুরের জনসভায় সশরীরে যোগ দিতে পারলেন না প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। শেষমেশ কলকাতা থেকে ভার্চুয়ালি ওই জনসভায় ভাষণ দেন তিনি। এই ভাষণের মাধ্যমেই (BJP) প্রধানমন্ত্রী বাংলায় জঙ্গলরাজের মুক্তি ও ডাবল ইঞ্জিন সরকারের উন্নয়নের স্বপ্ন দেখান। ছাব্বিশের রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের স্লোগানের আগে প্রচারের সুরও বেঁধে দেন তিনি। বলেন, এবার “আমাদের স্লোগান হল বাঁচতে চাই, বিজেপি তাই।”

    ঘন কুয়াশার জের (PM Modi)

    এদিন, তাহেরপুরের আকাশে বেশ কয়েকবার চক্কর কেটেও নদিয়ার মাটিতে অবতরণ করতে পারেনি প্রধানমন্ত্রীর হেলিকপ্টার। ঘন কুয়াশার জেরে দৃশ্যমানতা কম থাকায় কলকাতায় ফিরে যান প্রধানমন্ত্রী। তার পরেই ভাষণ দেন অডিও মাধ্যমে। বেশ কয়েকটি প্রকল্পের উদ্বোধন এবং শিলান্যাসও করেন প্রধানমন্ত্রী। তার পরেই জানিয়ে দেন, বাংলাকে নিয়ে তাঁর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা। তিনি বলেন, “মোদি আপনাদের জন্য অনেক কিছু করতে চায়। পয়সা, ইচ্ছে আর যোজনা, কোনওটাই কমতি নেই। বিজেপিকে শুধু একবার সুযোগ দিয়ে দেখুন। দেখুন আমরা কত দ্রুত উন্নয়ন করি।”

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য

    ত্রিপুরার কথা মনে করিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “বামেরা ত্রিপুরাকে তিন দশক ধরে বরবাদ করে দিয়েছিল। কিন্তু ওখানকার মানুষ বিজেপিকে একবার সুযোগ দিতেই ছবিটা বদলে গিয়েছে। ডাবল ইঞ্জিনের সরকার সেখানে উন্নয়নের জোয়ার নিয়ে এসেছে।” তিনি বলেন, “বাংলায়ও বামেদের সরিয়ে মানুষ অনেক আশা নিয়ে তৃণমূলকে ক্ষমতায় নিয়ে এসেছিল। কিন্তু তাঁদের সেই আশা ভঙ্গ হয়েছে (BJP)।” প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগ, বামেরা যাওয়ার পর আশা ছিল ভালো কিছু হবে। কিন্তু দুর্ভাগ্য তৃণমূল কংগ্রেস বামেদের যাবতীয় খারাপ গুণগুলিকে আত্মস্থ করে নিয়েছে। ফলে অন্যায়-অবিচার আগের থেকেও কয়েক গুণ বেড়ে গিয়েছে। এবার তৃণমূলের সরকারকে সরিয়ে ডবল ইঞ্জিন সরকারকে সুযোগ দিলে দ্রুত গতিতে বাংলার বিকাশ হবে।

    বিধানসভা নির্বাচনের প্রসঙ্গ

    ত্রিপুরার পর বিহার বিধানসভা নির্বাচনের প্রসঙ্গও টানেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে বিজেপির বিপুল জয়ের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “গত মাসে বিহারে এনডিএ সরকার বিরাট জনাদেশ পেয়েছে। তার পরে বলেছিলাম, গঙ্গাজি বিহার থেকে প্রবাহিত হয়ে বাংলায় পৌঁছয়। গঙ্গা বাংলায়ও বিজেপির জয়ের রাস্তা তৈরি করেছে। বিহারে এক সময়ে জঙ্গলরাজ ছিল। বিজেপি তা উপড়ে দিয়েছে (PM Modi)। পশ্চিমবঙ্গে যে মহাজঙ্গলরাজ চলছে, তার থেকে আমাদের মুক্তি চাই। তাই পশ্চিমবঙ্গের সব গ্রাম, শহর, সব গলি ও পাড়া বলছে, বাঁচতে চাই, বিজেপি তাই (BJP)।”

    তৃণমূল কংগ্রেসকে নিশানা

    অনুপ্রবেশকারী প্রশ্নে এদিন আরও একবার তৃণমূল কংগ্রেসকে নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “বাংলায় শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস অনুপ্রবেশকারীদের বাঁচানোর জন্যই এসআইআরের বিরোধিতা করছে। তাঁর কথায়, গো ব্যাক অনুপ্রবেশকারী বলা উচিত। কিন্তু ওরা গো ব্যাক মোদি বলে। অনুপ্রবেশকারীদের গো ব্যাক বলে না। ওদের ক্ষেত্রে চুপ করে থাকে।” তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগও তোলেন প্রধানমন্ত্রী। টেনে আনেন কাটমানির প্রসঙ্গও। বলেন, “রাজ্যকে সাহায্য করার সদিচ্ছা বা প্রয়োজনীয় অর্থের কোনও অভাব নেই কেন্দ্রের। কিন্তু রাজ্যে এমন এক সরকার চলছে, যারা ‘কাট’ আর ‘কমিশন’ ছাড়া এক পা-ও এগোতে চায় না। এই কমিশন-রাজ বা কাটমানি কালচারের জেরে কেন্দ্রের পাঠানো হাজার হাজার কোটি টাকার প্রজেক্ট ফাইলবন্দি হয়ে পড়ে রয়েছে।” তাঁর অভিযোগ, এই দুর্নীতির কারণেই সাধারণ মানুষ উন্নয়নের সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তিনি বলেন, “বাংলার প্রকৃত উন্নয়ন তখনই সম্ভব, যখন শুধু রাজ্যে ডাবল ইঞ্জিন সরকার আসবে। কেন্দ্র ও রাজ্যে একই সরকারের সমন্বয় থাকলেই রাজ্যের অগ্রগতি নিশ্চিত করা যাবে।” তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে একবার বিজেপির ডাবল ইঞ্জিন সরকার বানিয়ে দেখুন। অনুপ্রবেশকারীরা তৃণমূলের স্নেহধন্য। বহু অনুপ্রবেশকারীকে বাঁচাতেই পশ্চিমবঙ্গে (PM Modi) এসআইআরের (SIR) বিরোধিতা করছে তৃণমূল।”

    ‘বন্দে মাতরম’

    প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল ভাষণে স্বাভাবিকভাবেই উঠে এসেছে ‘বন্দে মাতরম’ নিয়ে বিতর্কের প্রসঙ্গ। সে সম্পর্কে তিনি বলেন, সম্প্রতি বন্দেমাতরমের গুণগান করা হয়েছে সংসদে। এই বাংলায়ই জন্মেছেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। যখন দেশ পরাধীন, বঙ্কিমবাবু তখন স্বাধীনতার মন্ত্র দিয়েছিলেন বন্দে মাতরম। আর এখন বিকশিত ভারতের মন্ত্রও হয়ে উঠেছে এই বন্দে মাতরম। উল্লেখ্য যে, এদিন তাহেরপুরে যেতে না পারার কারণে প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “জয় নিতাই, বড়রা প্রণাম নেবেন (BJP)। সকলকে শুভেচ্ছা। আবহাওয়া খারাপ থাকায় পৌঁছতে পারিনি। এজন্য ক্ষমাপ্রার্থী (PM Modi)।”

  • PM Modi: এসআইআর আবহে শনিবার মতুয়া গড়ে আসছেন মোদি, কী কী কর্মসূচি রয়েছে?

    PM Modi: এসআইআর আবহে শনিবার মতুয়া গড়ে আসছেন মোদি, কী কী কর্মসূচি রয়েছে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআর আবহে শনিবার রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এদিন নদিয়ার রানাঘাটের তাহেরপুরের মাঠে জনসভা করবেন। তাহেরপুরের এই জনসভা অপারেশন সিঁদুরের পর আলিপুরদুয়ার, দুর্গাপুর এবং দমদমের সভার পর চতুর্থ সভা হতে চলেছে। এই সভা থেকে বেশ কিছু সরকারি প্রকল্পের ঘোষণা করতে পারেন বলে জানা গিয়েছে। রাজ্যজুড়ে এসআইআরের আবহ। তার ওপর বছর ঘুরলেই বিধানসভা নির্বাচন। তাই মতুয়া সমাজের ভোটকে বিজেপির খাতায় সম্পূর্ণ ভাবে আনতে এদিনের সভা গুরুত্বপূ্র্ণ হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে দলের তরফে সভাকে ঘিরে দেওয়া হয়েছে সফর সূচি।

    একাধিক উদ্বোধন এবং শিলান্যাস করবেন

    ঘোষিত সময় সূচি অনুযায়ী জানা গিয়েছে, সকালে দিল্লি থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র (PM Modi) মোদি বায়ুসেনার বিশেষ বিমানে যাত্রা শুরু করবেন। সকাল ১০টায় কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছে যাবেন। এরপর সেখান থেকে হেলিকপ্টারে করে ১১টা ০৫ মিনিটে রানাঘাটের (Nadia) হ্যালিপ্যাডে নামবেন। এরপর সড়ক পথে সভাস্থলে পৌঁছে যাবেন। সেখানে ১১টা ১৫ মিনিট থেকে ১১টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত একটি সরকারি অনুষ্ঠানে যোগদান করবেন। এই অনুষ্ঠানে উন্নয়নমূলক প্রকল্পের একাধিক উদ্বোধন এবং শিলান্যাস করবেন। এরপর সড়ক পথে সভাস্থলে পৌঁছাবেন। ১১টা ৫৫ মিনিট থেকে ১২টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত জনসভায় বক্তৃতা দেবেন। সভা শেষ করে আবার হ্যালিপ্যাডে পৌঁছাবেন এবং এরপর হেলিকপ্টারে করে কলকাতা বিমান বন্দরে পৌঁছাবেন। এরপর বায়ুসেনার বিমানে করেই তিনি রওনা দেবেন অসমের গুয়াহাটির উদ্দেশে।

    এসআইআর ইস্যুতে আলোচনা হতে পারে

    তবে রাজ্য বিজেপি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) সমানে রেখে নির্বাচনী কৌশল ঠিক করছে। নদিয়া এবং উত্তর ২৪ পরগনা (Nadia) বাংলাদেশ থেকে আগত উদ্বাস্তু নাগরিকদের নাগরিকত্ব এবং ভোটাধিকার নিয়ে দিতে পারেন সদর্থক বার্তা। তাই এসআইআর, সিএএ, অনুপ্রবেশ, হিন্দু সুরক্ষা, জনবিন্যাস পরিবর্তন বিষয়ে প্রধান চুম্বক থাকার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে।

  • PM Modi: প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ওমানের সর্বোচ্চ সম্মান দিলেন সুলতান হাইথাম বিন তারিক

    PM Modi: প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ওমানের সর্বোচ্চ সম্মান দিলেন সুলতান হাইথাম বিন তারিক

    মাধ্য্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-ওমান (Oman) দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও জোরদার করতে বৃহস্পতিবার সুলতান হাইথাম বিন তারিক প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) ওমানের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান অর্ডার অফ ওমানে ভূষিত করলেন। জর্ডান এবং ইথিওপিয়া সহ তিন দেশে সফরের শেষ পর্যায়ে মোদি বৃহস্পতিবার ওমান পৌঁছেছেন। সেখানে ওমানের প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী বাদ্য সঙ্গীত পরিবেশন করে বরণ করা হয় তাঁকে। সেই সঙ্গে দেওয়া হয় উষ্ণ অভ্যর্থনা এবং গার্ড অফ অনার। আন্তর্জাতিক ভাবে বিভিন্ন দেশের সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত পুরষ্কারের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ২৯। ওমানে এদিন সন্ধ্যায় ভারতীয়দের একটি সভায় বিশেষ ভাষণও রাখেন।

    কূটনৈতিক সম্পর্কের ৭০তম বার্ষিকী পূরণ (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী মোদির (PM Modi) ২৯টিরও বেশি সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরষ্কারের তালিকার সর্বশেষ সংযোজন হয়েছে ওমানের (Oman) এই পুরস্কার। এই সূচিতে রয়েছে ইথিওপিয়ার গ্রেট অনার নিশান অফ ইথিওপিয়া এবং কুয়েতের অর্ডার অফ মুবারক আল-কবীরের মতো সাম্প্রতিক সম্মাননা। মোদির মাস্কাট সফর ছিল বিদেশনীতির জন্য ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ সফর। ভারত ও ওমানের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের ৭০তম বার্ষিকী পূরণ হয়ছে। দুই দেশ উভয় পক্ষই বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি, প্রতিরক্ষা এবং সংস্কৃতিতে কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও গভীর এবং সুরক্ষিত করার দিকে বিশেষ জোর দিয়েছে। তবে মুসলিম বিশ্বে ভারতের কাছে ওমানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এই মুহূর্তে ভীষণ তাৎপর্যপূর্ণ।

    ১৪০ কোটি দেশবাসীর পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা

    মঙ্গলবার, ভারত-ইথিওপিয়া অংশীদারিত্বকে শক্তিশালী করার উদ্দেশ্যে সেই দেশ সফরে গিয়েছিলেন মোদি। ব্যতিক্রমী অবদান এবং একজন বিশ্বব্যাপী রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ, আদ্দিস আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ইথিওপিয়ার সর্বোচ্চ পুরস্কার, “ইথিওপিয়ার মহান সম্মান নিশান” প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) বলেন, “বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন সভ্যতার কাছ থেকে এই পুরস্কার গ্রহণ করা সম্মানের।” প্রধানমন্ত্রী এই পুরস্কারটি ভারতীয় এবং ইথিওপীয় উভয়কেই উৎসর্গ করেছেন, যারা বছরের পর বছর ধরে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে বয়ে নিয়ে চলেছেন তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপণ করেছেন। ১৪০ কোটি ভারতীয়ের পক্ষ থেকে মোদি আন্তরিক কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেছেন।

  • S Jaishankar: ভারত-ইজরায়েল দুই দেশই সন্ত্রাসবাদের প্রশ্নে জিরো টলারেন্স নীতিতে বিশ্বাসী, জেরুজালেমে জয়শঙ্কর

    S Jaishankar: ভারত-ইজরায়েল দুই দেশই সন্ত্রাসবাদের প্রশ্নে জিরো টলারেন্স নীতিতে বিশ্বাসী, জেরুজালেমে জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আগেই ইজরায়েলের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতির জন্য ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর (Netanyahu) সঙ্গে টেলিফোনে কথাও হয়েছিল ভারতের প্রধানমন্ত্রীর। মোদির পরে এবার ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। বার্তা দিলেন, দুই দেশের মধ্যে সংযোগ ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও গভীর করার।

    নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক (S Jaishankar)

    মঙ্গলবার সন্ধেয় জেরুজালেমে নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী। সেখানেই আলোচনা হয় প্রযুক্তি, অর্থনীতি, দক্ষতা ও প্রতিভা, সংযোগ এবং নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও গভীর করার বিষয়ে। নেতানিয়াহু-জয়শঙ্করের এই বৈঠকের পর দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে বলে আত্মবিশ্বাসী ভারতের প্রধানমন্ত্রী। আঞ্চলিক রাজনীতি এবং গাজা-সহ একাধিক বিষয় নিয়েও কথা হয়েছে ভারত ও ইজরায়েলের এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে (S Jaishankar)।

    বিদেশমন্ত্রী গিডিয়ন সারের সঙ্গেও আলাদাভাবে বৈঠক

    নেতানিয়াহুর পাশাপাশি দু’দিনের এই ইজরায়েল সফরে সে দেশের বিদেশমন্ত্রী গিডিয়ন সারের সঙ্গেও আলাদাভাবে বৈঠক করেন জয়শঙ্কর। সেখানে অস্ট্রেলিয়ার জনপ্রিয় বন্ডি বিচে চলা ইহুদিদের হানুকা উৎসবে গুলি বর্ষণ এবং তার জেরে মৃত্যুর ঘটনার তীব্র নিন্দেও করেছেন জয়শঙ্কর। তিনি এও জানিয়ে দিয়েছেন, ভারত এবং ইজরায়েল দুই দেশই সন্ত্রাসবাদের প্রশ্নে জিরো টলারেন্স নীতিতে বিশ্বাস করে। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে এক জোট হয়ে লড়াই করবে দুই দেশই। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে শীঘ্রই ভারতে আসতে পারেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী। দু’দিনের এই ইজরায়েল সফরে জয়শঙ্কর দেখা করবেন ইজরায়েলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হার্জোগর সঙ্গেও। উল্লেখ্য, দিন কয়েক আগেই ভারত সফর করে গিয়েছেন (Netanyahu) রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

    জয়শঙ্করের বক্তব্য

    এদিনের বৈঠকের পর জয়শঙ্কর বলেন, “সন্ত্রাসবাদকে কোনওভাবেই সমর্থন করে না ভারত। এ বিষয়ে ভারত ও ইজরায়েল দুই দেশই জিরো টলারেন্স নীতি মেনে চলে। বন্ডি বিচে হানুকা উৎসব চলাকালীন যে জঙ্গি হামলা হয়েছে, তা নিয়ে গভীরভাবে শোকাহত ভারত। আমরা এই হামলার তীব্র নিন্দে করি।” মনে রাখতে হবে, অস্ট্রেলিয়ার বন্ডি বিচে যে নরসংহার চলেছে, তাতে মৃত্যু হয়েছে ১৫ জন ইহুদির। হামলা চালিয়েছিল দুই বন্দুকবাজ (S Jaishankar)। এদের একজন আবার জন্মসূত্রে ভারতীয়। তার নাম সাজিদ আক্রম। আর এক আততায়ী নবিদ আক্রম তারই ছেলে। সে অবশ্য অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক। বাবা-ছেলের এই কীর্তিতে অবাক হায়দরাবাদে থাকা সাজিদের আত্মীয়-পরিজনেরা।

    সাজিদ বৃত্তান্ত

    সাজিদ জন্মসূত্রে ভারতীয়। তবে কাজের খোঁজে বছর আঠাশ আগে সে গিয়েছিল অস্ট্রেলিয়ায়। তেলঙ্গনা পুলিশ জানিয়েছে, সাজিদ যখন ভারতে ছিল, তখন তার বিরুদ্ধে অপরাধের কোনও অভিযোগ ওঠেনি। ভারত থেকেই বিকম পাশ করার পর ১৯৯৮ সালে পড়ুয়া ভিসা নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় চলে যায়  (Netanyahu)সে। সেখানেই বিয়ে করে পাকাপাকিভাবে থাকতে শুরু করে সাজিদ। তার এক ছেলে ও এক মেয়ে। এই ছেলেও ছিল ওই দুই বন্দুকবাজের তালিকায়। সূত্রের খবর, অস্ট্রেলিয়ায় যাওয়ার পর থেকে ভারতের সঙ্গে ক্রমশ যোগাযোগ কমতে থাকে সাজিদের। দূরত্ব তৈরি হয় তার পরিবারের সঙ্গেও। ২০১৭ সালে বাবার মৃত্যুর পর শেষকৃত্যেও যোগ দেয়নি সাজিদ কিংবা তার ছেলে-মেয়ে-স্ত্রী। ২০২২ সালে কোনও এক বিশেষ প্রয়োজনে একবার ভারতে এসেছিল সাজিদ। তার পর আর ভারতমুখো হয়নি সে কিংবা তার পরিবার। তবে সাজিদের কাছে ছিল ভারতীয় পাসপোর্ট। যদিও তার ছেলে অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক। সম্প্রতি পিতা-পুত্র ফিলিপিন্স ঘুরে এসেছিল বলেও খবর (S Jaishankar)।

    জয়শঙ্করের ইজরায়েল সফর

    এহেন আবহে জয়শঙ্করের ইজরায়েল সফর এবং পরে সে দেশের প্রধানমন্ত্রী ও বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর বৈঠক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। বৈঠক শেষে ভারতের বিদেশমন্ত্রী জানান, তাঁর ইজরায়েল সফরে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক অংশীদারিত্ব নিয়েও আলোচনা হয়েছে। গাজা শান্তি পরিকল্পনার প্রতি ভারতের যে সমর্থন রয়েছে, তাও আরও একবার জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। এর আগেও একাধিকবার ইজরায়েল সফর করেছেন জয়শঙ্কর। সেই সময় তিনি বলেছিলেন, “আমাদের অভিবাসন-সংক্রান্ত বোঝাপড়ার ফলে আজ ইজরায়েলে ভারতীয় কর্মীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। তাঁদের কিছু সমস্যা আছে, যেগুলির প্রতি নজর দেওয়া প্রয়োজন। আশা করি, আমরা আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের এই দিকটিকেও আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে পারব।” বৃহত্তর কৌশলগত আলোচনা প্রসঙ্গেও সেই সময় জয়শঙ্কর বলেছিলেন, “আমাদের কৌশলগত সহযোগিতার কথা বিবেচনা করলেও, আঞ্চলিক এবং বৈশ্বিক (Netanyahu) বিষয়গুলিতে মতবিনিময় অত্যন্ত মূল্যবান। এমন কিছু বহুপাক্ষিক উদ্যোগ রয়েছে, যেগুলিতে আমাদের উভয় দেশেরই গভীর আগ্রহ রয়েছে (S Jaishankar)।”

  • PM Modi: “একেবারে ঘরের মতো অনুভব করছি”, ইথিওপিয়ার সংসদে বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    PM Modi: “একেবারে ঘরের মতো অনুভব করছি”, ইথিওপিয়ার সংসদে বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আজ আপনাদের সামনে দাঁড়াতে পারা আমার জন্য এক বিরাট সম্মানের মুহূর্ত। সিংহের দেশ ইথিওপিয়ায় এসে সত্যিই ভালো লাগছে। আমি এখানে নিজেকে একেবারে ঘরের মতো অনুভব করছি। কারণ ভারতে আমার নিজ রাজ্য গুজরাটও সিংহের আবাসভূমি।” এক নাগাড়ে কথাগুলি বলে চললেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বুধবার ইথিওপিয়ার সংসদের (Ethiopia Parliament) যৌথ অধিবেশনে ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন। উল্লেখ্য যে, এটি ছিল বিশ্বের ১৮তম সংসদ যেখানে ভাষণ দিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এর পরেই তিনি বলেন, “আমি ইথিওপিয়ায় নিজেকে ঘরের মতো অনুভব করছি। কারণ ইথিওপিয়া এবং আমার নিজের রাজ্য গুজরাট দুই জায়গায়ই সিংহের আবাসভূমি।”

    ইথিওপিয়ার গণতান্ত্রিক যাত্রার প্রশংসা (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী মোদি ইথিওপিয়ার গণতান্ত্রিক যাত্রার প্রশংসা করেন এবং ভারতের জনগণের পক্ষ থেকে বন্ধুত্বের শুভেচ্ছা জানান। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে ভারতের জাতীয় সংগীত ও ইথিওপিয়ার জাতীয় সঙ্গীত—উভয়ই মানুষকে তাদের মাতৃভূমি নিয়ে গর্ব করতে প্রাণিত করে। তিনি বলেন, “আপনাদের সংসদ, আপনাদের জনগণ এবং আপনাদের গণতান্ত্রিক যাত্রার প্রতি আমার গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। ভারতের ১৪০ কোটি মানুষের পক্ষ থেকে আমি বন্ধুত্ব, সদ্ভাবনা ও ভ্রাতৃত্বের শুভেচ্ছা নিয়ে আপনাদের কাছে এসেছি।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারতের জাতীয় সংগীত ‘বন্দে মাতরম’ এবং ইথিওপিয়ার জাতীয় সঙ্গীত—উভয়েই আমাদের ভূমিকে ‘মা’ হিসেবে উল্লেখ করে। এগুলি আমাদের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সৌন্দর্যের প্রতি গর্ববোধ জাগায় এবং মাতৃভূমিকে রক্ষা করতে প্রাণিত করে।”

    ইথিওপিয়ার সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান

    এদিন ইথিওপিয়ার সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ‘দ্য গ্রেট অনার নিশান অফ ইথিওপিয়া’ গ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আমি বিনীতভাবে এবং করজোড়ে ভারতের জনগণের পক্ষ থেকে এই সম্মান গ্রহণ করছি।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “গতকাল আমিও ‘গ্রেট অনার নিশান অব ইথিওপিয়া’ গ্রহণ করে সম্মানিত হয়েছি। ভারতের জনগণের পক্ষ থেকে করজোড়ে এবং বিনয়ের সঙ্গে আমি এই পুরস্কার গ্রহণ করছি (PM Modi)।” ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই ২৮তম আন্তর্জাতিক সম্মান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতি বিশ্বের আস্থার প্রতিফলন এবং বিশ্বমঞ্চে ভারতের ক্রমবর্ধমান মর্যাদাকে তুলে (Ethiopia Parliament) ধরে। একই সঙ্গে এটি ভারত ও ইথিওপিয়ার দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্ব ও ক্রমবর্ধমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের এক শক্তিশালী প্রতীক।

    বিদেশি বিনিয়োগকারী

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ইথিওপিয়ায় বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ভারতীয় সংস্থাগুলি অন্যতম বৃহৎ। উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে ভারত ও ইথিওপিয়া—উভয়েরই একে অপরের কাছ থেকে শেখার এবং একে অপরকে দেওয়ার মতো অনেক কিছু রয়েছে।” তিনি বলেন, “ইথিওপিয়ায় ভারতীয় সংস্থাগুলি অন্যতম বৃহৎ বিনিয়োগকারী। তারা বিভিন্ন খাতে ৫ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি বিনিয়োগ করেছে এবং ৭৫ হাজারেরও বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে। আমরা ভারত–ইথিওপিয়া দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে একটি কৌশলগত অংশীদারিত্বে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।” প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভারত ও ইথিওপিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিনের সম্পর্কের কথা স্বীকার করে বলেন, দুই দেশের বন্ধন কেবল বাণিজ্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। তিনি ইথিওপিয়ার (PM Modi) মুক্তি আন্দোলনে ভারতীয় সৈন্যদের অংশগ্রহণের কথাও তুলে ধরেন।

    মনন ও চেতনায়ও একে অপরের সঙ্গে উষ্ণতা ভাগ করে নেয়

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারত ও ইথিওপিয়া শুধু জলবায়ুতেই নয়, মনন ও চেতনায়ও একে অপরের সঙ্গে উষ্ণতা ভাগ করে নেয়। প্রায় ২ হাজার বছর আগে আমাদের পূর্বপুরুষরা বিশাল সমুদ্র পেরিয়ে একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করেছিলেন। ভারত মহাসাগর পেরিয়ে ব্যবসায়ীরা মশলা ও সোনা নিয়ে যাত্রা করতেন, কিন্তু তাঁরা শুধু পণ্য নয়—ভাবনা ও জীবনযাপনের ধরণও আদান-প্রদান করতেন। আদ্দিস ও ধোলেরা মতো বন্দরগুলি কেবল বাণিজ্যকেন্দ্রই ছিল না, বরং (Ethiopia Parliament) সভ্যতার মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করেছিল। আধুনিক যুগে আমাদের সম্পর্ক এক নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে, যখন ১৯৪১ সালে ইথিওপিয়ার মুক্তির সংগ্রামে ভারতীয় সৈন্যরা ইথিওপিয়ানদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করেছিলেন (PM Modi)।”

    প্রসঙ্গত, ভারত সফরে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন যখন এসেছিলেন, তখন প্রোটোকল ভেঙে তিনি নিজের গাড়িতেই তাঁকে সঙ্গে নিয়ে রওনা দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এবার সেই রকমই ছবি দেখা গেল ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরে। জর্ডনের রাজার পর এদিন ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ আলিও প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে এসেছিলেন ভারতে। তার পরেই (Ethiopia Parliament) মোদিকে নিজের গাড়িতে তুলে নিয়ে রওনা দেন হোটেলের উদ্দেশে (PM Modi)।

  • PM Modi: দুই দেশের বন্ধুত্বের মাইল ফলক! ইথিওপিয়ার সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত নরেন্দ্র মোদি

    PM Modi: দুই দেশের বন্ধুত্বের মাইল ফলক! ইথিওপিয়ার সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত নরেন্দ্র মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইথিওপিয়ার (Ethiopia) সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত হলেন নরেন্দ্র মোদি। সেদেশের রাজধানী আদিস আবাবায় সর্বোচ্চ অসামরিক পুরস্কার পেলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। এই সম্মানিত পুরস্কারের নাম “দ্য গ্রেট অনার নিশান অফ ইথিওপিয়া”। নরেন্দ্র মোদি হলেন প্রথম ভিনদেশি রাষ্ট্রনেতা যিনি এই পুরস্কার পেলেন। মোদির এই সম্মান প্রাপ্তিকে অভিনন্দন জানিয়ে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, “এটা হল ভারত এবং ইথিওপিয়ার মধ্যে বন্ধুত্বের একটি মাইল ফলক সম্মান।”

    কূটনৈতিক সম্পর্কের সাফল্যের (PM Modi)

    ত্রিদেশীয় সফরের দ্বিতীয় পর্যায়ে ইথিওপিয়ায় রয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। মঙ্গলবার ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে নিজের দেশের সর্বোচ্চ সম্মান প্রদান করেন ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ আলি। ইথিওপিয়ার সম্মান ধরে এখনও পর্যন্ত ২৮টি দেশের সর্বোচ্চ সম্মানের প্রাপক হলেন নরেন্দ্র মোদি। এই সম্মানে ভূষিত হওয়ায় মোদিকে অভিনন্দন জানিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, “ইথিওপিয়ার সর্বোচ্চ পুরস্কার হল ইথিওপিয়ার মহাসম্মানের প্রতীক। এই সম্মানে ভূষিত হওয়ার জন্য তাঁকে অনেক অনেক অভিন্দন জানাই। এই সম্মান নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) দ্বারা বিদেশি সম্মানের বিশ্ব নেতৃত্বের বিশেষ সম্মান। ভারতের আন্তর্জাতিক বিশ্বে লাগাতার কূটনৈতিক সম্পর্কের মাত্রাকে সাফল্যের বড় পদক্ষেপ হিসেবে ভাবা হয় এই পুরস্কারকে।”

    মোদির এই সম্মানকে বিশেষ ভাবে অভিনন্দন জানিয়েছেন, ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তিনি বলেন, “ইথিওপিয়ার এই সম্মান ওই দেশের সবথেকে বড় পুরস্কার। বিশ্ব জুড়ে ভারতীয়দের কাছে এটি অত্যন্ত গর্বের বিষয়। গ্লোবাল সাউথের প্রতি এই সম্মান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গ্লোবাল সাউথের প্রতি অটল প্রতিশ্রুতি এবং বন্ধুত্বের প্রতীক। বিশ্ব মঞ্চে এই সম্মান অত্যন্ত গর্বের প্রতীক। এই সম্মান ১৪০ কোটি ভারতীয়দের জন্য অত্যন্ত গর্বের।”

    প্রত্যেক দেশবাসীর উদ্দেশে এই সম্মান

    সম্মান (Ethiopia) পেয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) বলেন, “এই মাত্র আমাকে দেশের সর্বোচ্চ সম্মান দেওয়া হয়েছে। বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন এবং সমৃদ্ধশালী সভ্যতার দেশ থেকে এই সম্মান পাওয়া আমার কাছে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। সমস্ত ভারতীয়দের হয়ে আমি এই সম্মান গ্রহণ করছি। এই সম্মানের সঠিক উত্তরসূরী অসংখ্য ভারতীয়। আমি প্রত্যেক দেশবাসীর উদ্দেশে এই সম্মান অর্পণ করলাম। এই সম্মানের জন্য আমার বন্ধু প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ আলির প্রতিও আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। গত মাসে দক্ষিণ আফ্রিকায় আমরা জি২০ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেছিলাম। তখন আপনি আমাকে অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। তাই আপনার আমন্ত্রণকে স্বীকার করেছি। প্রথম সুযোগেই এই সুযোগ আমি হাতছাড়া করতে পারিনি।”

  • PM Modi: মোদির জর্ডন সফরে সাফল্য, একাধিক মউ স্বাক্ষর করল ভারত-জর্ডন

    PM Modi: মোদির জর্ডন সফরে সাফল্য, একাধিক মউ স্বাক্ষর করল ভারত-জর্ডন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একাধিক মউ স্বাক্ষর করল ভারত ও জর্ডন। সোমবার স্বাক্ষরিত হয়েছে ওই চুক্তি। এর প্রধান লক্ষ্য হল নবায়নযোগ্য শক্তি, জলসম্পদ, ডিজিটাল রূপান্তর এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও বাড়ানো (PM Modi)। এই উদ্যোগ এমন একটা সময়ে নেওয়া হয়েছে, যখন আম্মান আন্তর্জাতিক সৌর জোটের মতো শক্তিও ভারত-নেতৃত্বাধীন বড় বৈশ্বিক উদ্যোগে যোগ দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এই চুক্তিগুলি জর্ডন সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দু’দিনের সরকারি সফরের সময় চূড়ান্ত হয়।

    বিদেশমন্ত্রকের বক্তব্য (PM Modi)

    বিদেশমন্ত্রকের তরফে প্রকাশিত ফলের তালিকা অনুযায়ী, এই মউগুলির মধ্যে রয়েছে নতুন ও নবায়নযোগ্য শক্তি ক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত সহযোগিতা, জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়নে যৌথ কাজ, পেট্রা ও ইলোরার মধ্যে ‘টুইনিং’ চুক্তি, ২০২৫–২০২৯ সময়কালের জন্য সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচির নবায়ন, এবং ডিজিটাল রূপান্তরের লক্ষ্যে বৃহৎ জনসংখ্যাভিত্তিক ডিজিটাল সমাধান ভাগাভাগি সংক্রান্ত একটি ইচ্ছেপত্র।

    জর্ডনের ইচ্ছে

    আন্তর্জাতিক সৌর জোট, গ্লোবাল বায়োফুয়েল অ্যালায়েন্স এবং দুর্যোগ-সহনশীল পরিকাঠামো জোটে যোগদানের ইচ্ছে প্রকাশ করেছে জর্ডন। অন্যদিকে, ভারত আম্মানের আল হুসেইন টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটিতে স্থাপিত ইন্ডিয়া–জর্ডন সেন্টার অব এক্সেলেন্সকে সমর্থন করার কথা ঘোষণা করেছে। এখানে তিন বছরের মধ্যে ১০ জন মাস্টার ট্রেনারকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে জর্ডনের রাজা আবদুল্লাহ দ্বিতীয়ের বৈঠকের সময়ই এই অগ্রগতির কথা সামনে আসে। বৈঠকে দুই নেতা একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা করেন। আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে বলে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, বাণিজ্য, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ এবং পরমাণু সহযোগিতা-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার করতে তিনি একটি আট দফা দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন (PM Modi)।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি?

    এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া একটি পোস্টে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ওই আট দফা দৃষ্টিভঙ্গির কথা জানান। এতে বাণিজ্য ও অর্থনীতি, সার ও কৃষি, তথ্যপ্রযুক্তি, স্বাস্থ্যসেবা, পরিকাঠামো, গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত খনিজ, অসামরিক পরমাণু সহযোগিতা এবং মানুষে মানুষে যোগাযোগ—এই ক্ষেত্রগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক্স হ্যান্ডেলে জর্ডনের রাজা আবদুল্লাহ দ্বিতীয়ের সঙ্গে তাঁর বৈঠকের ছবি শেয়ার করে লেখেন, “আম্মানে মহামান্য রাজা আবদুল্লাহ দ্বিতীয়ের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। প্রাণবন্ত ভারত–জর্ডন সম্পর্ক গড়ে তুলতে তাঁর ব্যক্তিগত অঙ্গীকার বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এ বছর আমরা আমাদের দ্বিপাক্ষিক কূটনৈতিক সম্পর্কের ৭৫তম বার্ষিকী উদ্‌যাপন করছি। এই গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক ভবিষ্যতের দিনে নতুন উদ্যমে এগিয়ে যেতে আমাদের অনুপ্রাণিত করবে (PM Modi)।”

    বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এক্স হ্যান্ডেলে এই ফলাফলগুলির তালিকা শেয়ার করেন। তার জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই ফলাফলগুলি ভারত-জর্ডন অংশীদারিত্বের এক অর্থবহ সম্প্রসারণের প্রতীক। নতুন ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে আমাদের সহযোগিতা পরিচ্ছন্ন প্রবৃদ্ধি, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং জলবায়ু দায়বদ্ধতার প্রতি উভয় দেশের যৌথ অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করে। পেট্রা ও ইলোরার মধ্যে টুইনিং চুক্তি ঐতিহ্য সংরক্ষণ, পর্যটন এবং শিক্ষাক্ষেত্রে আদান-প্রদানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে। আমাদের ডিজিটাল উদ্ভাবন ভাগ করে নেওয়া জর্ডনের ডিজিটাল রূপান্তরকে সাহায্য করবে এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসনব্যবস্থাকে উৎসাহিত করবে (PM Modi)।”

  • PM Modi: লৌহ মানবের ৭৫তম মৃত্যুবার্ষিকী, শ্রদ্ধা জানালেন নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ

    PM Modi: লৌহ মানবের ৭৫তম মৃত্যুবার্ষিকী, শ্রদ্ধা জানালেন নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের ৭৫তম মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁকে শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি ভারতের লৌহমানব সর্দার প্যাটেলকে এমন এক মহান নেতা হিসেবে অভিহিত করেন, যাঁর অতুলনীয় জাতি-গঠনের অবদান কৃতজ্ঞ জাতি কখনওই ভুলবে না।

    প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তব্য (PM Modi)

    এক্স হ্যান্ডেলে লেখা একটি পোস্টে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারতের লৌহমানব সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের ৭৫তম মৃত্যুবার্ষিকীতে আমি তাঁকে আমার সশ্রদ্ধ প্রণাম জানাই। তিনি দেশকে ঐক্যবদ্ধ করার লক্ষ্যে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। ঐক্যবদ্ধ ও শক্তিশালী ভারত গঠনে তাঁর অতুলনীয় অবদান কৃতজ্ঞ জাতি কখনও ভুলবে না।” হ্যা১৮৭৫ সালের ৩১ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেছিলেন সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল। স্বাধীন ভারতের প্রথম উপ-প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তিনি। ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও। তিনি ভারতের জাতীয় ঐক্যের স্থপতি হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয়। ভারতীয় প্রশাসনিক পরিষেবা-সহ আধুনিক সিভিল সার্ভিস গঠনের নেপথ্যের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি ছিলেন তিনিই।

    প্যাটেলকে শ্রদ্ধা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরও

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও সর্দার প্যাটেলকে শ্রদ্ধা জানান। এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, “জাতীয় ঐক্যের প্রতীক, শক্তিশালী ভারতের স্থপতি, লৌহমানব সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলজিকে তাঁর মৃত্যুবার্ষিকীতে আমি শ্রদ্ধা জানাই।” তিনি এও বলেন (PM Modi), “অসংখ্য প্রতিকূল পরিস্থিতি সত্ত্বেও সর্দার সাহেব একটি বিভক্ত স্বাধীন ভারতকে ঐক্যবদ্ধ করে একটি শক্তিশালী রাষ্ট্রে পরিণত করেছিলেন। দেশের প্রথম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে মাতৃভূমির সুরক্ষা, অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠাকেই তিনি জীবনের লক্ষ্য করেছিলেন। সমবায় আন্দোলনের পুনরুজ্জীবন এবং নারী ও কৃষকদের স্বনির্ভরতার মাধ্যমে আত্মনির্ভর ভারতের ভিত্তি স্থাপন করে সর্দার সাহেব ‘জাতিই প্রথম’ নীতির পথে আমাদের সকলকে ধ্রুবতারা হয়ে পথ দেখিয়ে যাবেন।”

    মহাত্মা গান্ধীর ঘনিষ্ঠ সহযোগী সর্দার প্যাটেল স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় খেড়া সত্যাগ্রহ, ‘ভারত ছাড়ো’ আন্দোলন-সহ একাধিক গণআন্দোলনের নেতৃত্ব দেন। তিনি তাঁর বলিষ্ঠ বক্তৃতা ও অসাধারণ সাংগঠনিক ক্ষমতার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত ছিলেন। সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের জন্মদিনটি প্রতিবছর রাষ্ট্রীয় একতা দিবস হিসেবে পালিত হয়। এবার তাঁরই ১৫০তম জন্মবার্ষিকী। সেকথা মাথায় রেখেই এবার কেন্দ্রীয় সরকার বছরব্যাপী নানা কর্মসূচির কথা ঘোষণা করেছে (PM Modi)।

  • Bondi Beach Terror Attack: সিডনির সৈকতে জঙ্গি হামলার তীব্র নিন্দা মোদির, দিলেন সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’-এর বার্তা

    Bondi Beach Terror Attack: সিডনির সৈকতে জঙ্গি হামলার তীব্র নিন্দা মোদির, দিলেন সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’-এর বার্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইহুদিদের উৎসব চলাকালীন অস্ট্রেলিয়ার সিডনির বিখ্যাত বন্ডি সৈকতে জঙ্গি হামলার তীব্র নিন্দা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ওই নারকীয় হামলায় গভীর শোকপ্রকাশের পাশাপাশি, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা দিয়ে ‘সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স’ নীতি অবলম্বনের কথা মনে করিয়ে দিলেন।

    শোকপ্রকাশের পাশাপাশি কড়া বার্তা মোদির

    রবিবার এক্স হ্যান্ডলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “বন্ডি বিচে হানুক্কার প্রথম দিনের অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া নিরীহ মানুষের উপর চালানো এই ঘৃণ্য সন্ত্রাসবাদী হামলার তীব্র নিন্দা জানাই।” নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান তিনি এবং এই কঠিন সময়ে অস্ট্রেলিয়ার মানুষের পাশে থাকার বার্তা দেন। মোদি বলেন, “এই হামলার ফলে স্বজন হারানো পরিবারগুলোর প্রতি আমি ভারতের জনগণের পক্ষ থেকে, আন্তরিক সমবেদনা জানাই। দুঃখের এই মুহূর্তে আমরা অস্ট্রেলিয়ার জনগণের পাশে আছি।” একইসহ্গে প্রধানমন্ত্রী আরও স্পষ্ট করেন, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের নীতি ‘জিরো টলারেন্স’। তাঁর কথায়, “সন্ত্রাসবাদের প্রতি ভারতের জিরো টলারেন্স রয়েছে, আমরা যে কোনও রূপে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইকে সমর্থন করি।” প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও এই সন্ত্রাসবাদী হামলার নিন্দা করেছেন এবং প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “অস্ট্রেলিয়ার বন্ডি বিচে হানুক্কা উদযাপনে সন্ত্রাসবাদী হামলার তীব্র নিন্দা জানাই। আমাদের সমবেদনা হতাহত এবং তাদের পরিবারের প্রতি রয়েছে।”

    রবিবার ঠিক কী ঘটেছিল?

    রবিবার ইহুদি ধর্মীয় উৎসব হানুক্কার প্রথম দিনের উদ্‌যাপন চলাকালীন বন্ডি সৈকতে দুই বন্দুকবাজ এলোপাথারি গুলি চালায়। ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ১৬ জন। দুই পুলিশ কর্মকর্তাসহ আরও ২৯ জন আহত হয়েছেন। অস্ট্রিলিয়া প্রশাসন এই হামলাকে জঙ্গি হামলা হিসেবে উল্লেখ করেছে। হামলাকারীদের মধ্যে একজন নিহত এবং অপরজনকে গুরুতর অবস্থায় হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ২ আততায়ী পাকিস্তানি নাগরিক বলে জানা গিয়েছে। দুজনে সম্পর্কে বাবা-ছেলে। এই হামলা মূলত ইহুদিদেরই টার্গেট করা হয়েছিল বলে স্পষ্ট ধারণা পুলিশের। অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ এই হামলাকে ‘ভয়ঙ্কর’ ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন, “বন্ডির দৃশ্যগুলি খুবই ভয়ঙ্কর এবং কষ্টদায়ক। পুলিশ এবং জরুরি সেবাকর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে জীবন বাঁচানোর চেষ্টা করছেন। আমি আক্রান্তদের পাশে আছি।” তিনি আরও বলেন, “আনন্দের উৎসব হানুকার প্রথম দিনে ইহুদি-অস্ট্রেলিয়ানদের ওপর এটি একটি লক্ষ্যবস্তু-হামলা। আমাদের দেশে এই ঘৃণা, সহিংসতা ও সন্ত্রাসবাদের কোনও স্থান নেই।”

LinkedIn
Share