Tag: PM Modi

PM Modi

  • PM Modi On Vande Mataram: ‘বন্দে মাতরম বহু প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করেছে, ঐক্যের মন্ত্র এই স্লোগান’, সংসদে বললেন মোদি

    PM Modi On Vande Mataram: ‘বন্দে মাতরম বহু প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করেছে, ঐক্যের মন্ত্র এই স্লোগান’, সংসদে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার ‘বন্দে মাতরম’ নিয়ে সংসদে শুরু হয়েছে বিশেষ আলোচনা। আর সেখানে বক্তব্যের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi On Vande Mataram) বক্তব্যে উঠে এল বাংলা এবং বাঙালির কথা। তাঁর বক্তব্যে একদিকে যেমন বঙ্গভঙ্গের সময় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অবদানের কথা উঠে এল, একইসঙ্গে জায়গা পেল মাস্টারদা সূর্য সেন, ক্ষুদিরাম বোস-সহ একাধিক বিপ্লবীর কথাও। তিনি বলেন, “ইংরেজদের হাতিয়ার ছিল বাংলা। আর এই বাংলা থেকেই প্রথম বিভাজনের রাজনীতি শুরু করেছিল ওরা। কিন্তু ইংরেজদের ইটের জবাব বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় পাথরে দিয়েছিলেন।” সোমবার সংসদ অধিবেশনের শুরুতে ‘বন্দে মাতরম’-এর উপর বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই গানের ইতিহাস তুলে ধরার পাশাপাশি স্বাধীনতা আন্দোলনে এই গীতের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

    ‘বন্দে মাতরম’ ছিল স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রাণ

    লোকসভার অধিবেশনে এদিন জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম’ রচনার ১৫০ বছর পূর্তি সংক্রান্ত বিতর্কের সূচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। বিজেপির অভিযোগ, ১৮৭৫ সালে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা ‘বন্দে মাতরম’-এর গুরুত্বপূর্ণ কিছু অংশ বাদ দিয়ে দেয় তৎকালীন কংগ্রেস সরকার। সেই নিয়েই আজ, সোমবার লোকসভায় আলোচনা শুরু হয়েছে। এই আলোচনার জন্য ১০ ঘণ্টা সময় নির্দিষ্ট করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম’ ছিল স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রাণ, মূল মন্ত্র। আমাদের স্বাধীনতার মন্ত্র ছিল, বলিদানের মন্ত্র ছিল বন্দে মাতরম। এটা ত্যাগের মন্ত্র, সঙ্কট মোকাবিলার মন্ত্র।” বন্দেমাতরমের আবেগ ও বাংলার স্বাধীনতা আন্দোলনের গৌরবময় অধ্যায়কে স্মরণ করিয়ে মোদি বলেন, “১৯০৫ সালে হরিপুরের গ্রামে শিশুরা বন্দে মাতরম স্লোগান দিচ্ছিল। ইংরেজরা তাদের বেধড়ক মারধর করেছিল। কি অসংখ্য মানুষ বন্দে মাতরম স্লোগান দিয়ে ফাঁসিকে বরণ করেছিলেন। মাস্টারদা সূর্যসেনকে ১৯৩৪-এ ফাঁসি দেওয়া হয়েছিল। সেই সময় সূর্যসেন চিঠি লিখেছিলেন, তাতে একটাই শব্দ ছিল বন্দে মাতরম।”

    বাংলার বৌদ্ধিক শক্তি দেশকে পরিচালনা করেছিল

    মোদি বলেন, “ব্রিটিশরা বুঝতে পেরেছিল যে ১৮৫৭ সালের পর ভারতকে নিয়ন্ত্রণ করা তাদের পক্ষে কঠিন। তারা জানত, ভারত ভাগ করে জনগণকে একে অপরের সঙ্গে লড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করা কঠিন। তাই তারা দেশ ভাগ করে শাসন করার সিদ্ধান্ত নেয়, বাংলাকে তাদের পরীক্ষামূলক কেন্দ্র করে তোলে। সেই দিনগুলিতে বাংলার বৌদ্ধিক শক্তি দেশকে পরিচালনা করেছিল। তারা জানত যদি তারা বাংলাকে ভেঙে দিতে পারে, তাহলে তারা দেশ ভেঙে যাবে। কিন্তু সেই সময়ে, এই রাজ্য থেকে উদ্ভূত বন্দে মাতরম ধ্বনি তাদের কাছে চ্যালেঞ্জ হয়ে ওঠে। বঙ্গভঙ্গের সময়ে প্রতিদিন বন্দে মাতরম স্লোগান দিয়ে প্রভাত ফেরি বের হতো। বাংলার অলিতে গলিতে এই গান গাওয়া হতো। ঐক্যের শক্তি জুগিয়েছিল এই গান।”

    ‘বন্দে মাতরম’ কে টুকরো করেছিল কংগ্রেস

    মোদি কংগ্রেসকে আক্রমণ শানিয়ে বলেন, “বঙ্কিমচন্দ্র যে বন্দে মাতরম লিখেছেন, সেটা অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়েছে। ১৯০৫ সালে মহাত্মা গান্ধী বন্দে মাতরমকে জাতীয় স্লোগান হিসেবে দেখেছিলেন। ইতিহাস সাক্ষী, মুসলিম লিগের সামনে আত্মসমর্পণ করে কংগ্রেস। কংগ্রেসের তুষ্টিকরণের রাজনীতির এটা একটা কৌশল ছিল।” বন্দে মাতরম প্রসঙ্গে দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুকেও আক্রমণ করেছেন মোদি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জিন্নাহর বন্দে মাতরমের বিরোধিতার পর সুভাষ চন্দ্র বসুকে একটি চিঠি লিখেছিলেন পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু। যেখানে তিনি বলেছিলেন যে, তিনি বন্দে মাতরমের পটভূমি পড়েছেন এবং ভেবেছিলেন এটি মুসলমানদের উত্তেজিত এবং বিরক্ত করতে পারে। বাংলায় প্রথম বঙ্কিমচন্দ্রের বন্দে মাতরম স্লোগান ব্যবহার করে তার প্রতিক্রিয়া দেখতে চেয়েছিলেন।’ নেহরুর এই বয়ান আদতে বন্দে মাতরমের আত্মার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা বলে অভিহিত করেন প্রধানমন্ত্রী। মোদির বক্তব্য, নেহরুর এমন বয়ান বন্দে মাতরমের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা।”

    ‘বন্দে মাতরম’ এর গৌরব পুনরায় স্থাপন করতে হবে

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ বন্দে মাতরম-এর গৌরব পুনরায় স্থাপন করার সময় এসেছে। কংগ্রেস এখনও বন্দে মাতরমকে অপমান করছে।” একই সঙ্গে তাঁর বক্তব্য, প্রথমে বন্দে মাতরমকে ভাঙা হয়েছে। আর তার পরেই ভারত ভেঙেছে। নাম না করে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীকেও আক্রমণ করেছেন মোদি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “১৯৭৫ সালে বন্দে মাতরমের ১oo বছর পূর্তিতে সংবিধানকে রুদ্ধ করা হয়েছিল।” মোদি জানান, তাঁদের সরকার বন্দে মাতরমের মাহাত্ম্যকে পুনরুদ্ধার করতে চায়। তাঁর কথায়, “ ১৯৪৭ সালে স্বাধীন হওয়ার পর দেশের সামনে চ্যালেঞ্জ বেড়েছে। কিন্তু স্বাধীনতার পরও বন্দে মাতরম সঙ্কটের সময় প্রেরণা যুগিয়েছে। বন্দে মাতরম বহু প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করেছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকেও অনুপ্রাণিত করবে।”

  • Zelenskyy’s India Visit: পুতিনের পর ভারতে আসছেন জেলেনস্কি! কূটনৈতিক ভারসাম্য রক্ষায় সক্রিয় দিল্লি

    Zelenskyy’s India Visit: পুতিনের পর ভারতে আসছেন জেলেনস্কি! কূটনৈতিক ভারসাম্য রক্ষায় সক্রিয় দিল্লি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের পর এবার ভারত সফরে আসছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি (Zelenskyy’s India Visit)। কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারসাম্য রক্ষার বার্তা দিতেই এই মাষ্টারস্ট্রোক নয়াদিল্লির। ২০২৬ সালের জানুয়ারিতেই দিল্লি সফরে আসতে পারেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট। যদিও দিল্লির তরফে দিন তারিখ এখনও স্পষ্ট করা হয়নি। রাশিয়া ও ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে ভারত দুই দেশের মধ্যেই ভারসাম্য বজায় রেখেছে। প্রধানমন্ত্রী মোদি যুদ্ধের মাঝখানেই ইউক্রেন এবং রাশিয়া উভয় দেশ সফর করেছেন। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট উভয়ই বলেছেন, এই যুদ্ধ বন্ধে ভারত ভূমিকা রাখতে পারে।

    দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে

    এক সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, নয়াদিল্লির তরফে বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরেই ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের নয়াদিল্লি সফরের আগে থেকেই এই চেষ্টা চলছে বলে সূত্রের দাবি। ভারতীয় ও ইউক্রেনীয় আধিকারিকদের মধ্যে সফরের বিষয় নিয়ে বেশ কয়েক দফা আলোচনাও হয়েছে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে, রাজনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার পরে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট এখন পর্যন্ত মাত্র তিনবার ভারত সফর করেছেন। তাও কমপক্ষে ১৩ বছর আগে। ১৯৯২, ২০০২ এবং সবশেষে ২০১২ সালে কোনও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভারত সফর করেছিলেন। সেই দিক থেকে এই সফর বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

    ভারসাম্যবজায় রাখছে ভারত

    জেলেনস্কির এই সফর রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতের আবহে উভয় পক্ষের সঙ্গেই ভারতের ভারসাম্যকে আরও জোরদার করবে। লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, কূটনৈতিক রাস্তায় বেশ কয়েক মাস ধরে এই নীতি অনুসরণ করছে নয়াদিল্লি। যেমন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০২৪-এর জুলাই মাসে মস্কো সফর করে পুতিনের সঙ্গে দেখা করেন। কিন্তু এরপরেই মাত্র এক মাস পরে আগস্টে ইউক্রেন সফর করেন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির প্রস্তাবিত সফরের সময় নির্ভর করবে বেশ কয়েকটি বিষয়ের উপর। এক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনা কীভাবে এগিয়ে যায় এবং রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধে কী ঘটে তার উপর। এছাড়াও, ইউক্রেনের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি, বিশেষ করে জেলেনস্কির সরকার বর্তমানে একটি বড় দুর্নীতি কেলেঙ্কারির কারণে চাপের মধ্যে রয়েছে। এগুলিও প্রস্তাবিত সফরের উপর প্রভাব ফেলতে পারে।

    জেলেনস্কির ভারত সফর তাৎপর্যপূর্ণ

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ চলছে প্রায় ৪ বছর ধরে। এই আবহে ভারত ধারাবাহিকভাবে শান্তির বার্তা দিয়ে গিয়েছে। সংলাপ ও সার্বভৌমত্বকে সম্মান জানানোর অঙ্গীকার করেছে ভারত। প্রেসিডেন্ট পুতিনের সামনে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেছিলেন যে ভারত এই যুদ্ধে নিরপেক্ষ নয়, বরং শান্তির পক্ষে দাঁড়িয়েছে। পুতিনের সঙ্গে বৈঠকের পর মোদি বলেন, ‘মস্কো আমাদের সবকিছু সম্পর্কে অবহিত করেছে এবং আমাদের উপর আস্থা দেখিয়েছে। আমি বিশ্বাস করি সাম্প্রতিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টা বিশ্বকে ফের শান্তির পথে ফিরিয়ে আনবে।’ পুতিন বলেন, ‘ইউক্রেন পরিস্থিতি নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-সহ বহু দেশের সঙ্গেই আলোচনা চলছে। শান্তি প্রস্তাব তৈরির প্রচেষ্টাও অব্যাহত। প্রধানমন্ত্রী মোদি যেভাবে পরিস্থিতির দিকে নজর রেখেছেন, সেটি সত্যিই প্রশংসনীয়।’ এই আবহে ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট জেলনস্কির ভারত সফর বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ভারত পুতিন এবং জেলেনস্কি উভয়ের সঙ্গেই যোগাযোগ রেখেছে। মোদি কমপক্ষে ৮ বার জেলেনস্কির সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন এবং দুই রাষ্ট্রনেতা বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে কমপক্ষে চারবার দেখাও করেছেন। ফলে জেলেনস্কির ভারত সফর মোটেই অসম্ভবও নয়।

  • PM Modi: “ভারতের প্রগতি এবং আর্থিক বৃদ্ধির হারের সঙ্গে হিন্দু ধর্মের গভীর যোগ”, বললেন মোদি

    PM Modi: “ভারতের প্রগতি এবং আর্থিক বৃদ্ধির হারের সঙ্গে হিন্দু ধর্মের গভীর যোগ”, বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দুস্তান টাইমস লিডারশিপ সামিটের ২৩তম সম্মেলনে বক্তৃতা দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ভারতের প্রগতি এবং আর্থিক বৃদ্ধির হারের (India’s rate of growth) সঙ্গে হিন্দু ধর্মের যোগসূত্রের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “কয়েক দশক আগে বিশ্ব যখন আর্থিক মন্দার শিকার হয়েছিল সেই সময় ভারত নিজের উন্নয়ন এবং বৃদ্ধির ধারাকে অব্যাহত রেখে এগিয়ে গিয়েছে। বিশ্ব যখন বিশ্বাস এবং আস্থার সংকটের মুখোমুখি হয়েছিল সেই সময় ভারতই হয়ে উঠেছিল বিশ্বের আস্থা স্তম্ভের ভরকেন্দ্র। বিশ্ব যখন খণ্ডিত, তখন ভারত সেতুবন্ধনকারী হিসেবে অবিচলভাবে দাঁড়িয়ে রয়েছে।”

    এক সন্ধিক্ষণে আছি

    সম্মলেনে ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “আমরা এমন এক সন্ধিক্ষণে আছি যেখানে একবিংশ শতাব্দীর এক-চতুর্থাংশ পেরিয়ে গিয়েছে (India’s rate of growth), এবং বিশ্ব অনেক উত্থান-পতন দেখেছে। আর্থিক সংকট, বিশ্বব্যাপী মহামারী, পূর্ব-পশ্চিমে যুদ্ধ সহ একাধিক ঘটনার সাক্ষী হয়েছে গোটা বিশ্ব। এই পরিস্থিতিগুলি কোনও না কোনওভাবে বিশ্বকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে। বিশ্বাস, আস্থা এবং বোধের মূলে চরম আঘাত করেছে। আজ বিশ্ব অনিশ্চয়তায় ভরা, কিন্তু এর মধ্যে আমাদের ভারত একটি ভিন্ন স্তরে উপস্থিত হতে চলেছে। ভারত আত্মবিশ্বাসে পূর্ণ, আগামীদিনে বিশ্বের সকল ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দেবে ভারতীয় যুব সমাজ।”

    ঔপনিবেশিক মানসিকতা থেকে মুক্ত

    প্রধানমন্ত্রী মোদি পূর্ববর্তী কংগ্রেস এবং ইউপিএ জোট সরকারকে কটাক্ষ করে বলেন, “কংগ্রেসের শাসনে ব্যবস্থাগুলি এমন নিস্তেজ হয়ে পড়েছিল। সরকার ব্যবস্থার ওপর নিজের নাগরিক সমাজের বিশ্বাস ভেঙে পড়েছিল। আমাদের সরকার সেই কাজ করার পদ্ধতিগুলিকে সম্পূর্ণভাবে ভেঙে দিয়েছে। একজন নাগরিকের স্ব-প্রত্যয়িত নথিই তার সত্যতা প্রমাণের জন্য যথেষ্ট। একটি সরকারের সবচেয়ে বড় দিক তার দেশের নাগরিকদের প্রতি আস্থা এবং বিশ্বাস। আমাদের দেশকে প্রতিটি কোণ থেকে ঔপনিবেশিক মানসিকতা থেকে মুক্ত করতে হবে। আমি আগামী ১০ বছরের জন্য নাগরিকদের দৃষ্টিভঙ্গিকেই (India’s rate of growth) সামনে রেখে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।

    গ্যারান্টি-মুক্ত ঋণের রূপান্তর

    প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) বলেন, “কম সময়ে নাগরিকদের ক্ষমতায়নকে যাতে আরও বেশি বেশি করে করা যায়, সেই লক্ষ্যে কাজ করছে আমাদের সরকার। সকলেরই প্রয়োজন বিশেষ বিশেষ কাজের জন্য সবরকমভাবে প্রস্তুত হওয়া। সমস্ত কাজ এবং সংস্কারগুলি জনবিশ্বাস, শক্তি এবং বিধানের অংশ। সাধারণ মানুষের ওপর বোঝা কম এবং ছোটখাটো সম্মতিগুলিকে অপরাধমুক্তকরণের পক্ষেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। একইভাবে গ্যারান্টি-মুক্ত ঋণের রূপান্তরমূলক প্রভাবকে জনমুখী করা হয়েছে। ছোট বিক্রেতা, ফেরিওয়ালা এবং অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল শ্রেণীর মানুষের মধ্যে ইতিমধ্যেই ৩৭ লাখ কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছে। যারা মাত্র ১,০০০ টাকা দাবি করে তারাও গ্যারান্টি ছাড়াই ঋণ পাচ্ছে। আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে প্রশাসনের মনোযোগ বিশেষভাবে রয়েছে।”

    বিরাট বিনিয়োগকে সহযোগিতা

    দাবিহীন তহবিলের প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) চমকপ্রদ পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “ব্যাংকগুলিতে ৭৮,০০০ কোটি টাকা, বীমা কোম্পানিগুলিতে ১৪,০০০ কোটি টাকা, মিউচুয়াল ফান্ডে ৩,০০০ কোটি টাকা এবং লভ্যাংশে ৯,০০০ কোটি টাকা পর্যন্ত বিরাট বিনিয়োগকে সহযোগিতা করেছে সরকার। সরকার নাগরিকদের ন্যায্য উপার্জন পুনরুদ্ধারে সহায়তা করার জন্য বিশেষ জেলা-স্তরের শিবিরও চালু করেছে। এখন এই বিনিয়োগের টাকার হাজার হাজার কোটি টাকা ইতিমধ্যেই ফিরেও এসেছে। এই সবটাই দেশের নাগরিকদের কষ্টার্জিত অর্থ। জনসাধারণের বিশ্বাস পুনরুদ্ধার (India’s rate of growth) করা সরকারের সবচেয়ে বড় মূলধন।”

    ম্যাকোলের দাসত্বের মানসিকতাকে ত্যাগ

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) গভীরভাবে ব্যক্তিগত স্তরে আবেদন করে বলেন, “নাগরিকদের ২০৩৫ সালের মধ্যে লর্ড ম্যাকোলের দাসত্বের মানসিকতাকে ত্যাগ করতে হবে। আগামী দশ বছরের জন্য ঔপনিবেশিক উত্তরাধিকারকে কাটিয়ে উঠতে হবে। এই জন্য দেশকে পরিচালিত করতে বিশেষ লক্ষ্য নির্ধারণ করতে হবে। তবে দেশের জনগণের সমর্থন ছাড়া আমি এটা করতে পারব না। আমাদের একে অন্যের পদাঙ্ককে অনুসরণ করতে হবে। আমাদের লাইন আরও বড় করতে হবে। সকল প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে, আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।”

  • Assam Tea: ‘বন্ধু’ পুতিনকে গুচ্ছ উপহার মোদির, কী কী দিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী?

    Assam Tea: ‘বন্ধু’ পুতিনকে গুচ্ছ উপহার মোদির, কী কী দিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসমের সুস্বাদু ব্ল্যাক টি (Assam Tea), কাশ্মীরি জাফরান, হাতে তৈরি রূপোর ঘোড়ার মূর্তি, নকশাদার টি-সেট এবং ভগবদ্‌ গীতার রুশ ভাষার সংস্করণ – এইসব উপহার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ‘বন্ধু’ ভ্লাদিমির পুতিনের হাতে তুলে দিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    পুতিনকে উপহার (Assam Tea)

    শ্রীমদ্‌ ভগবদ্‌ গীতা হল এমন একটি গ্রন্থ, যেখানে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের সময় অর্জুনকে তাঁর কর্তব্য, চিরন্তন আত্মা এবং আত্মিক মুক্তি সম্পর্কে উপদেশ দেন। এর চিরন্তন জ্ঞান নৈতিক জীবনযাপন, মন নিয়ন্ত্রণ এবং অন্তরের শান্তি অর্জনে সহায়তা করে। বিভিন্ন অনুবাদের মাধ্যমে এটি আজ বিশ্বের আধুনিক পাঠকদের কাছেও সহজলভ্য হয়েছে (PM Modi)। উর্বর ব্রহ্মপুত্র সমভূমিতে উৎপাদিত অসম ব্ল্যাক টি তার শক্তিশালী মাল্টি স্বাদ, উজ্জ্বল রঙ এবং ‘অসমিকা’ জাতের ঐতিহ্যবাহী প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য বিশেষভাবে প্রসিদ্ধ। ২০০৭ সালে জিআই ট্যাগ প্রাপ্ত, এটি ভূমি, জলবায়ু ও কারুশিল্পের দ্বারা গঠিত সমৃদ্ধ ঐতিহ্যের প্রতীক।

    সমৃদ্ধ শিল্পকলা

    জটিল নকশা ও খোদাই করে নির্মিত মুর্শিদাবাদের সুসজ্জিত রুপোর চা-সেট পশ্চিমবঙ্গের সমৃদ্ধ শিল্পকলা এবং ভারত ও রাশিয়ার চা সংস্কৃতির গভীর গুরুত্বকে প্রতিফলিত করে। আধিকারিকরা জানান, ভালোবাসা ও স্নেহের নিদর্শন হিসেবে উপহার দেওয়া এই সেট ভারত-রাশিয়া বন্ধুত্বের স্থায়িত্ব ও চায়ের চিরন্তন অনুষঙ্গকে উদযাপন করে। সূক্ষ্ম শিল্পকৌশলে সজ্জিত মহারাষ্ট্রের হাতে তৈরি রৌপ্য ঘোড়াটি ভারতের ধাতু কারুশিল্পের উৎকর্ষতা প্রমাণ করে। হাতে তৈরি ঘোড়ার ঠাঁট-ঠমকপূর্ণ, সামনের দিকে এগিয়ে চলার ভঙ্গি ভারত-রাশিয়া সম্পর্কের স্থায়িত্ব এবং নিরন্তর অগ্রগতির রূপক। আগ্রায় হাতে তৈরি মার্বেল পাথরের দাবা সেট সূক্ষ্ম কারুশিল্প ও ব্যবহারিক সৌন্দর্যের সমন্বয়, যা ‘ওয়ান ডিস্ট্রিক্ট ওয়ান প্রোডাক্ট’ (ODOP) উদ্যোগের অধীনে এ অঞ্চলের পাথরের শিল্পঐতিহ্যকে তুলে ধরে (Assam Tea)।

    কাশ্মীরি জাফরান, স্থানীয়ভাবে ‘কোং’ বা ‘জাফরান’ নামে পরিচিত, কাশ্মীরের উঁচু পার্বত্য অঞ্চলে উৎপাদিত হয়। রঙ, সুগন্ধ ও স্বাদের জন্য এটি বিখ্যাত (PM Modi)। গভীর সাংস্কৃতিক ও রন্ধনপ্রণালীগত গুরুত্বও বহন করে কাশ্মীরি জাফরান।

  • Vladimir Putin: “চাপের কাছে নতি স্বীকার করার মানুষ নন”, প্রধানমন্ত্রী মোদির ভূয়সী প্রশংসা করলেন পুতিন

    Vladimir Putin: “চাপের কাছে নতি স্বীকার করার মানুষ নন”, প্রধানমন্ত্রী মোদির ভূয়সী প্রশংসা করলেন পুতিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “চাপের কাছে নতি স্বীকার করার মানুষ নন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।” সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে এমনই মন্তব্য করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (Vladimir Putin)। আমেরিকার চড়া শুল্কনীতি প্রয়োগ করে ভারতের নীতি প্রভাবিত করার চেষ্টা সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে ওই মন্তব্য করেন রুশ প্রেসিডেন্ট। বৃহস্পতিবার দু’দিনের ভারত সফরে নয়াদিল্লিতে আসছেন পুতিন। তার আগে দেওয়া এক্সক্লুসিভ ওই সাক্ষাৎকারে বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর মতামত ব্যক্ত করেন রুশ প্রেসিডেন্ট। এগুলির মধ্যে ছিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্পর্কে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি, দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার অভিজ্ঞতা এবং ভবিষ্যতে ভারত–রাশিয়া সম্পর্কের দিকনির্দেশনাও।

    পুতিনের মুখে মোদি-স্তুতি (Vladimir Putin)

    ওই সাক্ষাৎকারে পুতিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, “তামাম বিশ্ব আজ ভারতের দৃঢ় এবং অবিচল অবস্থান প্রত্যক্ষ করছে। আন্তর্জাতিক চাপে দৃঢ়তার সঙ্গে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা এবং নেতৃত্বের সাহসের জন্য ভারত গর্ব করতেই পারে।” রাশিয়া এবং ভারতের শক্তিশালী সম্পর্ক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “দুই দেশের মধ্যে ৯০ শতাংশেরও বেশি দ্বিপাক্ষিক লেনদেন সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।” প্রসঙ্গত, মোদি ও পুতিনের সভাপতিত্বে ২৩তম ভারত-রাশিয়া বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলন হওয়ার কথা শুক্রবার। তার আগে বৃহস্পতিবারই ভারতে আসছেন রুশ রাষ্ট্র প্রধান। তাঁর ভারত সফর এমন একটা সময়ে হচ্ছে, যখন রাশিয়ান তেল কেনার বিষয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারতের ওপর কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক চাপ দিচ্ছে, কড়া নজর রাখা হচ্ছে পুতিনের নয়াদিল্লি সফরের ওপরও (PM Modi)। পুতিনের সফরের আগে ভারতের বিদেশমন্ত্রক এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভবন জানিয়েছে, উভয় দেশের জন্য অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক বিষয়গুলি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে। পুতিন (Vladimir Putin) মন্ত্রিসভার সব অর্থমন্ত্রীরাও প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আসছেন নয়াদিল্লিতে।

    রুশ প্রেসিডেন্টের প্রথম ভারত সফর

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এটিই হবে রুশ প্রেসিডেন্টের প্রথম ভারত সফর। এই সফরের আগেই তিনি দিয়েছেন বিশেষ সাক্ষাৎকার। ওই সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “ভারত একটি শক্তিশালী দেশ, যারা কারও চাপের কাছে মাথা নত করে না।” পুতিন বলেন, “আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে আমি আমার বন্ধু প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে কথা বলতে যাচ্ছি। আমরা অনেক আগেই ভারতে এই বৈঠকের বিষয়ে একমত হয়েছিলাম। আমাদের আলোচনা করার মতো অনেক কিছুই আছে। কারণ ভারতের সঙ্গে আমাদের অংশীদারিত্ব বিশাল।”

    মেক ইন ইন্ডিয়া নীতির প্রতি মুগ্ধতা

    প্রসঙ্গত, এর আগেও বিভিন্ন সময় পুতিনের মুখে শোনা গিয়েছে মোদি-স্তুতি। ঠিক এক বছর আগে মস্কোয় একটি বিনিয়োগ শীর্ষ সম্মেলনে বক্তৃতা দেওয়ার সময় পুতিন বলেছিলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মেক ইন ইন্ডিয়া উদ্যোগ যেভাবে বিশ্বব্যাপী ভারতের অবস্থানকে শক্তিশালী করছে, তা দেখে তিনি মুগ্ধ। মেক ইন ইন্ডিয়া নীতির প্রতি মুগ্ধতা প্রকাশ করে রুশ প্রেসিডেন্ট বলেছিলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মেক ইন ইন্ডিয়া নামে একটি কর্মসূচি রয়েছে। আমরা ভারতে আমাদের উৎপাদন কার্যক্রম স্থাপন করতেও প্রস্তুত। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ভারত সরকার ভারতকে প্রথমে রাখার নীতি দ্বারা চালিত স্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করে চলেছে (PM Modi)। আমরা বিশ্বাস করি, ভারতে বিনিয়োগ লাভজনক।” রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট (Vladimir Putin) সেদিন এও মনে করিয়ে দিয়েছিলেন যে, রাশিয়ান কোম্পানি রোসনেফ্ট ভারতে তখনই ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করেছিল।

  • Mohan Bhagwat: “মোদির কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন বিশ্বনেতারা”, বললেন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: “মোদির কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন বিশ্বনেতারা”, বললেন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারতের শক্তি এখন প্রকাশ পাচ্ছে, দেশ খুঁজে পাচ্ছে তার যোগ্য জায়গা। তাই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) যখন কথা বলেন, তখন বিশ্বের নেতারা তাঁর কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন।” পুণেতে আরএসএসের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কথাগুলি বললেন সরসংঘচালক মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। তিনি বলেন, “কেউ যেন জয়ন্তী বা শতবার্ষিকীর মতো মাইলস্টোন উদযাপনের অপেক্ষায় না থাকে, বরং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই অর্পিত কাজ সম্পন্ন করার লক্ষ্যে অবিচল থাকে।”

    ভাগবতের বক্তব্য (Mohan Bhagwat)

    ভাগবত বলেন, “সংঘ সেই কাজটাই করে আসছে। সংঘ শতবর্ষ পূরণ করেছে, নানা চ্যালেঞ্জ এবং ঝড়ঝাপটা অতিক্রম করেছে, কিন্তু এখন আত্মসমালোচনার সময়। তবে সমগ্র সমাজকে একত্রিত করার কাজ করতে এত দীর্ঘ সময় কেন লাগল?” তাঁর মতে, সাধারণভাবে বিশ্বাস করা হয় যে ভারত যখন উঠে দাঁড়ায়, তখন বিশ্বের নানা সমস্যার সমাধান হয়, সংঘাত কমে যায়, প্রতিষ্ঠিত হয় কাঙ্খিত শান্তি। সরসংঘ চালক বলেন,  “ইতিহাসে এই ঘটনা লেখা রয়েছে। আমাদের তা পুনরায় প্রতিষ্ঠা করতে হবে। বর্তমান সময়ে এটিই সবচেয়ে জরুরি। বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে তামাম বিশ্ব ভারতের কাছ থেকে এই প্রত্যাশাই করে। আর সেই কারণেই সংঘের স্বয়ংসেবকরা প্রথম দিন থেকেই এই সংকল্প নিয়ে কাজ করে আসছেন।”

    মোদির কথা কেন বিশ্ব এত মনোযোগ দিয়ে শোনে

    ভারতের ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক মর্যাদা তুলে ধরে ভাগবত বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কথা কেন বিশ্ব এত মনোযোগ দিয়ে শোনে, জানেন? তাঁর কথা এখন শোনা হচ্ছে কারণ ভারতের শক্তি এখন সেই সব জায়গায় প্রকাশ পেতে শুরু করেছে, যেখানে তার থাকা উচিত। আর এই কারণেই বিশ্ব ভারতের দিকে নজর দিচ্ছে (Mohan Bhagwat)।” এদিনের অনুষ্ঠানে তিনি স্মরণ করেন আরএসএসের প্রতিষ্ঠাতা ডক্টর কেশব বালিরাম হেডগেওয়ারের ত্যাগ ও অবদানের কথা। তিনি বলেন, “১৯২৫ সালে নাগপুরে হিন্দুত্ববাদী এই সংগঠন প্রতিষ্ঠা করার পর সংঘের স্বয়ংসেবকরা বহু প্রতিকূলতা ও চ্যালেঞ্জের মধ্যেও তাঁদের দায়িত্ব পালনের যাত্রা শুরু করেছিলেন।” ভাগবত জানান, তাঁদের কাজ ইতিবাচক ফল দেবে, এ ব্যাপারে কোনও নিশ্চয়তা ছিল না। বলেন, “সংঘ স্বয়ংসেবকরা সাফল্যের বীজ বপন করেছিলেন এবং নিজেদের জীবন উৎসর্গ করে পরিবর্তনের পথ তৈরি করেছিলেন। তাঁদের প্রতি আমাদের সর্বদা কৃতজ্ঞ থাকা উচিত (PM Modi)।”

    সরসংঘ চালক বলেন, “আমাদের ভিত্তি বৈচিত্রের মধ্য দিয়ে ঐক্যে নিহিত। তাই আমাদের এক সঙ্গে চলতে হবে। আর তার জন্য ধর্ম অপরিহার্য। ভারতের সব দার্শনিক মতবাদ একটি উৎস থেকেই উদ্ভূত। কারণ সব কিছুই পরস্পর সংযুক্ত। আমাদের সামঞ্জস্য বজায় রেখে এগোতে হবে (Mohan Bhagwat)।”

  • Khaleda Zia: “ভারত সহায়তা দিতে প্রস্তুত”, এবার প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ধন্যবাদ জানাল বাংলাদেশের বিএনপি

    Khaleda Zia: “ভারত সহায়তা দিতে প্রস্তুত”, এবার প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ধন্যবাদ জানাল বাংলাদেশের বিএনপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছিলেন বাংলাদেশের পদচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র মার্কিন প্রবাসী সজিব ওয়াজেদ। তাঁর মাকে আশ্রয় দেওয়ার জন্য মোদিকে ধন্যবাদও জানিয়েছিলেন তিনি। আওয়ামি লিগের পর এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করলেন বাংলাদেশের আর একটি রাজনৈতিক দল বিএনপি। সম্প্রতি বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার (Khaleda Zia) দ্রুত আরোগ্য কামনা করে বার্তা পাঠিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার পরেই মঙ্গলবার বিএনপির তরফে ধন্যবাদ জানানো হয় প্রধানমন্ত্রীকে।

    প্রধানমন্ত্রীর বার্তা (Khaleda Zia)

    বর্তমানে সংকটাপন্ন অবস্থায় চিকিৎসাধীন খালেদা। বাংলাদেশের বছর আশির এই প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর দ্রুত আরোগ্য কামনা করে এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অবনতি সম্পর্কে জানতে পেরে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের জনজীবনে অবদান রেখে এসেছেন। তাঁর দ্রুত আরোগ্যের জন্য আমাদের আন্তরিক প্রার্থনা এবং শুভকামনা। আমরা যেভাবে পারি, ভারত সকল ধরনের সম্ভাব্য সহায়তা দিতে প্রস্তুত।” প্রসঙ্গত, শারীরিক অসুস্থতার কারণে খালেদা ভর্তি রয়েছেন এভারকেয়ার হাসপাতালে।

    বিএনপির প্রতিক্রিয়া

    প্রত্যুত্তরে, অফিসিয়াল অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বিএনপি বলেছে, তাদের নেতার শারীরিক অবস্থার হঠাৎ অবনতি হওয়ার সময়ে সদিচ্ছাপূর্ণ উদ্যোগের জন্য তাঁরা প্রধানমন্ত্রী মোদিকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছে। এক্স হ্যান্ডেলে তারা লিখেছে, “বিএনপি এই সদিচ্ছার উদ্যোগ এবং সাহায্য দেওয়ার প্রস্তুতি প্রকাশের খবর গভীরভাবে মূল্যায়ন করে (PM Modi)।” বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ইতিহাসে নাম তুলে নিয়েছেন খালেদা। সম্প্রতি ফুসফুসের সংক্রমণের কারণে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল তাঁকে। পরে অবস্থা আরও খারাপ হওয়ায় চিকিৎসকরা তাঁকে হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে স্থানান্তর করেন। বিএনপি নেতারা জানান, তাঁকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছে। বিদেশি বিশেষজ্ঞ-সহ একটি মেডিক্যাল টিমের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন তিনি (Khaleda Zia)। হৃদযন্ত্র ও ফুসফুস সংক্রান্ত জটিলতা হঠাৎ করে তীব্র হয়ে ওঠায় ২৩ নভেম্বর তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    কী বলছে বিএনপি

    বিএনপি নেতারা বলেছেন, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কোনও উন্নতি হয়নি। দলের ভাইস-চেয়ারম্যান আহমেদ আযম খান জানান, চিকিৎসকরা প্রায় সব ধরনের চিকিৎসার পথ ব্যবহার করে দেখেছেন। তিনি বলেন, “তিনি অত্যন্ত সংকটাপন্ন অবস্থায় রয়েছেন। সারা জাতির কাছে আবেদন দোয়া চাওয়া ছাড়া আর করার কিছুই করার নেই।” মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগিরও একই ধরনের মন্তব্য করেছেন। তিনি জানান, দেশি ও বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা দিন-রাত কাজ করে চলেছেন। তিনি বলেন, “তিনি (খালেদা) গুরুতর অসুস্থ। তাঁরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন।” সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভি জানান, রবিবার পর্যন্ত তাঁর অবস্থার কোনও পরিবর্তন হয়নি।উল্লেখ্য, খালেদা (Khaleda Zia) দীর্ঘদিন ধরে লিভার ও কিডনির জটিলতা, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস এবং চোখের সমস্যা-সহ বেশ কয়েকটি দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই করে আসছেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য চার মাস লন্ডনে থাকার পর গত ৬ মে ঢাকায় ফিরে আসেন তিনি।

    শারীরিক অবস্থার উন্নতি

    বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, খালেদার শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে। সোমবার তিনি সামান্য নড়াচড়া করেছেন। হাসপাতাল সূত্রে খবর, আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে কথাবার্তায় সাড়াও দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা। খালেদার চিকিৎসা করছে চিকিৎসকদের যে টিম, তাদের বক্তব্য, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার সামান্য উন্নতি হলেও, তিনি এখনও ঝুঁকি মুক্ত নন। লিভারজনিত জটিলতা, কিডনির কর্মক্ষমতা কমে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট-সহ একাধিক সমস্যা সামলে তাঁর চিকিৎসা করতে হচ্ছে বিশেষ সতর্কতায়। পরে ফের অবস্থার অবনতি হওয়ায় খালেদাকে রাখা হয়েছে আইসিইউ সমমানের হাই ডিপেনডেন্সি ইউনিটে (এইচডিইউ)। মেডিক্যাল বোর্ডের সদস্য এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানান, খালেদা জিয়া চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন। তবে বিদেশযাত্রার মতো স্থিতিশীলতা এখনও আসেনি। চিকিৎসকদের লক্ষ্য, তাঁকে ধীরে ধীরে এমন পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া, যেখানে বিমানযাত্রা করতে কোনও কষ্ট না হয় তাঁর (PM Modi)।

    চিন থেকে এল চিকিৎসক দল

    এদিকে, সোমবারই চিন থেকে বাংলাদেশে গিয়েছেন একদল চিকিৎসক (Khaleda Zia)। সন্ধ্যায়ই তাঁরা খালেদার চিকিৎসার দায়িত্বে থাকা মেডিক্যাল বোর্ডের সদস্যদের সঙ্গে প্রয়োজনীয় আলোচনাও সেরে নিয়েছেন। এই মেডিক্যাল বোর্ডে বাংলাদেশের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা ছাড়াও রয়েছেন আমেরিকার জন হপকিনস হাসপাতালের এক চিকিৎসক এবং লন্ডনের এক চিকিৎসক। এর পরেও সাহায্য নেওয়া হচ্ছে চিনা বিশেষজ্ঞদের। অন্যদিকে, ভারত ছাড়াও খালেদার শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আরও কয়েকটি দেশও। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত তুরস্ক ও রাশিয়ার দূতাবাস থেকেও তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করা হয়েছে (PM Modi)। দিন কয়েক আগে খালেদার আরোগ্য কামনা করে বার্তা পাঠিয়েছিলেন পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফও (Khaleda Zia)।

  • CAA: বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে আসা ১২ শরণার্থীকে নাগরিকত্ব দিল মোদি সরকার

    CAA: বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে আসা ১২ শরণার্থীকে নাগরিকত্ব দিল মোদি সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুসলমানদের অত্যাচারের হাত থেকে বাঁচতে কোনও মতে এক কাপড়ে বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে এসে আশ্রয় নিয়েছিলেন অনেক হিন্দু। এমনই ১২ জন হিন্দু শরণার্থীকে ভারতীয় নাগরিকত্ব (Indian Citizenship) দিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার। পশ্চিমবঙ্গে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA) -এর অধীনে তাঁদের নাগরিকত্বের শংসাপত্র দিয়েছে সরকার। ভারতীয় নাগরিকত্বের প্রমাণ হাতে পেয়ে তাঁরা যেন হাতে চাঁদ পেয়েছেন। যার জেরে অবসান ঘটল বহু দশকের অনিশ্চয়তার। সেই সঙ্গে সূচনা হল এক নিরাপদ ও স্থিতিশীল ভবিষ্যতের। দীর্ঘদিন বাংলাদেশে থাকলেও, নিরন্তর অত্যাচারের কারণে ভারতকেই তাঁরা তাঁদের মাতৃভূমি হিসেবে শ্রদ্ধা করতেন। শেষমেশ সেই দেশেই চিরকালের জন্য ঠাঁই জুটল সহায়-সম্বলহীন এই ১২জন হিন্দু শরণার্থীর।

    বাংলাদেশ থেকে ভারতে যাত্রা (CAA)

    এই হিন্দু পরিবারগুলির বাংলাদেশ থেকে ভারতে যাত্রাটি ছিল যথেষ্ট বেদনাদায়ক। তাঁদের অনেকেই পূর্ব বাংলা ছেড়ে আসেন কেবল পরণের পোশাকটি সম্বল করে। ধর্ম, সংস্কৃতি ও পরিচয়ের কারণে তাঁদের জোর করে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল বাংলাদেশ থেকে। তাঁরা পশ্চিমবঙ্গে পৌঁছেছিলেন শুধু এই বিশ্বাস নিয়েই যে ভারত তাঁদের রক্ষা করবে। ভারতে বসবাস করলেও বস্তত তাঁরা ছিলেন রাষ্ট্রহীন। নাগরিকত্ব না থাকায় তাঁরা নিয়মিত চাকরির জন্য আবেদন করতে পারতেন না, পাসপোর্ট পেতেন না, কিংবা অন্যান্য মৌলিক সুবিধা থেকেও বঞ্চিত ছিলেন। কোনও নথির প্রয়োজন হলেই তাঁদের বলা হত ১৯৭১ সালের আগের কাগজপত্র দেখাতে। কার্যত এটি ছিল তাঁদের পক্ষে অসম্ভব। কারণ নিরন্তর হিংসার মধ্যে তাঁরা এ দেশে চলে এসেছিলেন কোনওক্রমে।

    লড়াই চলেছে দশকের পর দশক ধরে

    শরণার্থী এই হিন্দুদের লড়াই চলেছে দশকের পর দশক ধরে। কারণ পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক মতপার্থক্যের কারণে তাঁদের নাগরিকত্ব পেতে দেরি হয়েছে। তৃণমূল তো বটেই, সিপিএম এবং কংগ্রেসের বহু নেতাও তাঁদের প্রয়োজনীয় নথি দেওয়ার বিরোধিতা করেছিলেন। যার ফলে এই দেশের হাজার হাজার হিন্দু শরণার্থী দিন কাটিয়েছেন ভয়ে ভয়ে। এই ভয় পাছে কখনও ফের বাংলাদেশে ফিরতে হয়, সেই ভেবে, কখনও বা কাজ হারানোর ভয়ে, এবং যে দেশকে তারা নিজেদের ঘর মনে করত, সেখান থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার ভয় (CAA)।

    সিএএ

    শরণার্থী পরিবারগুলির জন্য স্বস্থির হাওয়া বয়ে নিয়ে এসেছে সিএএ। মোদি সরকার এই সিএএ-এর বিধি জারি করে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু করার পর পরিবর্তন হতে থাকে তাঁদের পরিস্থিতির। এই সপ্তাহে পশ্চিমবঙ্গে যে অগ্রগতি হয়েছে তাকে একটি মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে, বিশেষ করে মতুয়া এবং অন্যান্য হিন্দু সম্প্রদায়দের জন্য যাঁরা দেশভাগের সময় ও পরবর্তী কালে ভারতে এসেছেন। অথচ, এই সিএএ-রই প্রবল বিরোধিতা করেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর দলবল (Indian Citizenship)।মতুয়া সম্প্রদায়ই রাজ্যের অন্যতম বৃহৎ শরণার্থী গোষ্ঠী। তাঁরা মোদি সরকারের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। বহু দশক ধরে ঠাকুরবাড়ি ও আশপাশের এলাকায় বহু পরিবার কাগজপত্র ছাড়াই বসবাস করতেন। তাঁরা সব সময় আশঙ্কায় থাকতেন যে তাঁদের দেশ থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হতে পারে। এখন, নাগরিকত্বের শংসাপত্র হাতে পাওয়ার পর তাঁরা বলছেন, এখন তাঁরা নির্ভয়ে স্বাধীনভাবে বাঁচতে পারবেন।

    বিজেপির অবদান

    এই অগ্রগতির একটি বড় অংশই সম্ভব হয়েছে মাস দুয়েক ধরে সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে বিজেপির খোলা সহায়তা কেন্দ্র এবং ক্যাম্পগুলির জন্য। নদিয়া, কোচবিহার এবং অন্যান্য অঞ্চলের ক্যাম্পগুলি হাজার হাজার শরণার্থীকে সিএএর ফর্ম পূরণ, তথ্য যাচাই এবং কাগজপত্র ঠিকঠাক করতে সাহায্য করেছে। যাঁরা একসময় মনে করতেন তাঁরা কখনওই বৈধ নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি পাবেন না ভারতে, তাঁরাই এখন উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন (CAA)।

    কী বলছেন নাগরিকত্ব পাওয়া ভারতীয়রা

    সম্প্রতি ভারতীয় নাগরিকত্ব পেয়েছেন উত্তর ২৪ পরগনার এক ব্যক্তি। নরেন্দ্র মোদি সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, “বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে নিপীড়নের শিকার হয়ে সংখ্যালঘু মানুষ, বিশেষ করে হিন্দুরা ভারতে এসেছিলেন। আমার অভিজ্ঞতায়, যখন আমরা ভারতে এসেছিলাম, তখন রেলওয়ে স্টেশনে জিআরপি আমাদের আটক করে বারাসত ও শিয়ালদহে নিয়ে গিয়েছিল। তখন (Indian Citizenship) আমরা খুব ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। পাসপোর্ট অফিসে যেতে গিয়েও নানা রকম হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। আমাদের সন্তানদের পরীক্ষায় বসা বা ভর্তি হতেও বহু নথিপত্র জমা দিতে হয়েছে। এখন সরকারের প্রণীত আইনের আওতায় নাগরিকত্ব পাওয়ার ফলে উদ্বাস্তু মানুষরা অনেক উপকৃত হয়েছে। উদ্বাস্তুদের পক্ষ থেকে আমরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে ধন্যবাদ জানাই (CAA)।”

  • PM Modi: প্রত্যাশাকেও ছাপিয়ে গেল দেশের আর্থিক বৃদ্ধির হার, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    PM Modi: প্রত্যাশাকেও ছাপিয়ে গেল দেশের আর্থিক বৃদ্ধির হার, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রত্যাশাকেও ছাপিয়ে গেল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) দেশের অর্থনীতি (Economic Growth)। ভারতের রিজার্ভ ব্যাঙ্কের পূর্বাভাস ছিল ৭ শতাংশ। সেই প্রত্যাশা ছাড়িয়ে গিয়েছে দেশের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকের আর্থিক বৃদ্ধি। শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী বলেন, “২০২৫-’২৬ অর্থবর্ষের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে ৮.২ শতাংশ জিডিপি বৃদ্ধির হার খুবই উৎসাহজনক এবং সরকার সংস্কার আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে এবং প্রতিটি নাগরিকের অনায়াস জীবনযাপনকে আরও শক্তিশালী করতে কাজ চালিয়ে যাবে।” জানা গিয়েছে, শিল্পে উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। এর পাশাপাশি জিএসটির হার হ্রাসের ফলে সাধারণ মানুষ বেশি কেনাকাটা করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মূলত এই দু’টি কারণেই আর্থিক বৃদ্ধি হয়েছে বলে মনে হচ্ছে।

    জিডিপির এই বৃদ্ধি (PM Modi)

    বিগত ছ’টি ত্রৈমাসিকে জিডিপির এই বৃদ্ধি দেখা যায়নি। এর ঠিক আগের ত্রৈমাসিকে ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার ছিল ৭.৮ শতাংশ। অথচ এক বছর আগেও এই সময় বৃদ্ধি হয়েছিল ৫.৬ শতাংশ। এই বৃদ্ধিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এর আগে ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে চতুর্থ ত্রৈমাসিকে বৃদ্ধি হয়েছিল ৮.৪ শতাংশ (PM Modi)।  এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লেখেন, “২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে জিডিপির বৃদ্ধি হয়েছে ৮.২ শতাংশ। আমাদের উন্নয়নমূখী নীতি এবং স্কংস্কারকেই প্রতিফলিত করছে এই ফল। এটি দেশবাসীর কঠিন পরিশ্রমেরও প্রমাণ। তাঁদের উদ্যোগকেও প্রতিফলিত করে।” তিনি বলেন, “এটি আমাদের সরকার সংস্কারকে আরও এগিয়ে নিতে এবং প্রতিটি নাগরিকের জীবন-যাপনের মানোন্নয়ন নিশ্চিত (Economic Growth) করতে কাজ চালিয়ে যাবে। আমাদের সরকার সংস্কারের কাজ চালিয়ে যাবে। শক্তিশালী করবে প্রত্যেক নাগরিকের জীবনযাত্রার মান (PM Modi)।”

    কী বললেন অর্থমন্ত্রী সীতারামন

    জিডিপির বৃদ্ধি ৮.২ শতাংশ হওয়ায় কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন বলেন, “আজ প্রকাশিত জিডিপি অনুমানগুলি ভারতের শক্তিশালী অর্থনৈতিক বৃদ্ধি এবং অর্থনীতির গতিশীলতা প্রদর্শন করে।” এর পরেই তিনি বলেন, “ভারত বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল প্রধান অর্থনীতির দেশ।” সীতারামন বলেন, “২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) প্রকৃত জিডিপি বৃদ্ধির হার ৮.২ শতাংশ, যা ভারতের অবস্থানকে বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল প্রধান অর্থনীতির দেশ হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। বর্তমান অর্থবর্ষে প্রথম ছ’মাসে (এপ্রিল-সেপ্টেম্বর) প্রকৃত জিডিপি বৃদ্ধির হার নথিবদ্ধ হয়েছিল ৮ শতাংশ।” তিনি বলেন, “এই প্রবৃদ্ধি এসেছে ধারাবাহিক আর্থিক সংযম, লক্ষ্যমাত্রা ভিত্তিক সরকারি বিনিয়োগ এবং বিভিন্ন সংস্কারমূলক পদক্ষেপের মাধ্যমে। এটি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করেছে এবং অনায়াস করেছে ব্যবসা করার প্রক্রিয়া (PM Modi)।” এক্স হ্যান্ডেলে করা একটি পোস্টে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী লেখেন, “বিভিন্ন উচ্চ-ফ্রিকোয়েন্সি সূচকও ধারাবাহিক অর্থনৈতিক গতিশীলতা এবং বিস্তৃতভিত্তিক ভোগ বৃদ্ধির দিকে নির্দেশ করে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার এই প্রবৃদ্ধির ধারাকে অব্যাহত রাখতে এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে সাহায্য করে এমন সংস্কার এগিয়ে নিয়ে যেতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ (Economic Growth)।”

    কী বললেন বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল

    বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল বলেন, “জিডিপির এই পরিসংখ্যান নীতিগত ধারাবাহিকতা এবং স্থায়িত্বের ফল। এটি সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বে।” এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, “এই অসাধারণ ফল নীতিগত ধারাবাহিকতা এবং স্থায়িত্বের প্রতিফলন, যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজির নেতৃত্বে দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা ও প্রবৃদ্ধিকে শক্তিশালী করছে।”  সরকারি তথ্য বলছে, চলতি অর্থবর্ষে ২০২৫-’২৬ এর জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে ভারতের বাস্তব জিডিপি ৮.২ শতাংশ বেড়েছে, যেখানে গত অর্থবর্ষের একই প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৫.৬ শতাংশ (PM Modi)।

    ভারতের নামমাত্র জিডিপি

    পরিসংখ্যান ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন মন্ত্রকের অধীনে থাকা জাতীয় পরিসংখ্যান দফতর (NSO) জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকের মোট জিডিপি ত্রৈমাসিক অনুমান প্রকাশ করেছে। তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে ভারতের নামমাত্র জিডিপি ৮.৭ শতাংশ হারে বেড়েছে। দ্বিতীয় ও তৃতীয় ক্ষেত্র ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের দ্বিতীয় প্রান্তিকে বাস্তব জিডিপি বৃদ্ধির হারকে ৮.০ শতাংশের ওপরে উঠতে সাহায্য করেছে। দ্বিতীয় ক্ষেত্রে উৎপাদন ৯.১ শতাংশ এবং নির্মাণ ৭.২ শতাংশ বৃদ্ধি অর্জন করেছে। এই প্রান্তিকে স্থির মূল্যে ৭.০ শতাংশের ওপরে প্রবৃদ্ধি নথিভুক্ত হয়েছে। তৃতীয় ক্ষেত্রে আর্থিক, রিয়েল এস্টেট ও পেশাগত পরিষেবা ১০.২ শতাংশ বৃদ্ধির হার ধরে রেখে ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের দ্বিতীয় ক্ষেত্রে স্থির মূল্যে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি বজায় রেখেছে (Economic Growth)। কৃষি ও সংশ্লিষ্ট খাত এবং বিদ্যুৎ, গ্যাস, জল সরবরাহ ও অন্যান্য ইউটিলিটি পরিষেবা খাত ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের দ্বিতীয় ক্ষেত্রে মাঝারি মাত্রার বাস্তব প্রবৃদ্ধি দেখেছে (PM Modi)।

    বাস্তব জিডিপি

    বাস্তব জিডিপি ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের প্রথমার্ধে (এপ্রিল-সেপ্টেম্বর) ৮.০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। এটি ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষের প্রথমার্ধের ৬.১ শতাংশ বৃদ্ধির তুলনায় বেশি। এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে ভারতের বাস্তব জিডিপি ৭.৮ শতাংশ বেড়েছে, যা আগের অর্থবর্ষের একই সময়ের ৬.৫ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই প্রান্তিকে ভারতের নামমাত্র জিডিপি বৃদ্ধির হার ছিল ৮.৮ শতাংশ। প্রসঙ্গত, ‘বিকশিত ভারতে’র লক্ষ্য অর্থাৎ ২০৪৭ সালের মধ্যে উন্নত ভারতের স্বপ্ন পূরণ করতে হলে, ভারতের প্রায় দশ থেকে বিশ বছর ধরে গড়ে ৮ শতাংশের মতো স্থির মূল্যে প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে হবে (PM Modi)।

  • PM Modi on Vikram-1: দুই তরুণ নিজেদের সংস্থায় তৈরি করছে রকেট! ‘‘ভারত বড় স্বপ্ন দেখে’’, ‘বিক্রম-১’-এর উন্মোচন প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi on Vikram-1: দুই তরুণ নিজেদের সংস্থায় তৈরি করছে রকেট! ‘‘ভারত বড় স্বপ্ন দেখে’’, ‘বিক্রম-১’-এর উন্মোচন প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে মহাকাশ চর্চার ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা। বৃহস্পতিবার হায়দরাবাদে স্কাইরুট ইনফিনিটি ক্যাম্পাসের সূচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ৷ বৃহস্পতিবার একটি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ওই ক্য়াম্পাসের উদ্বোধন করেন তিনি ৷ এটি মূলত একটি বেসরকারি মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ৷ যার মালিকানা রয়েছে পবন চন্দনা এবং নাগা ভরত ডাকার হাতে ৷ তাঁরা দুজনেই ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজির প্রাক্তনী ছিলেন ৷ ইসরোতে দীর্ঘ সময় ধরে চাকরি করেছেন তাঁরা ৷ এরপর দুজন মিলে স্কাইরুট কোম্পানির জন্ম দেন৷ বৃহস্পতিবার ‘স্কাইরুট অ্যারোস্পেস’ সংস্থার তৈরি প্রথম অরবিটাল রকেট ‘বিক্রম-১’-এরও উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    মোদি সরকারের মেক-ইন ইন্ডিয়া প্রকল্পের ফসল

    সম্পূর্ণ বেসরকারি ভাবে তৈরি ‘বিক্রম-১’ রকেট ভারতের মহাকাশ চর্চায় এক বড় অগ্রগতি বলে মনে করা হচ্ছে। মহাকাশবিজ্ঞানীদের মতে, এই ঘটনা আগামী দিনে ভারতকে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ জগতের নেতার আসনে বসাতে পারে। বিক্রম-১ ভারতের মহাকাশ খাতের নীতিগত পরিবর্তনের এক জ্বলন্ত প্রমাণ। তিন বছর আগে মহাকাশ খাতে বেসরকারি উদ্যোগ, বিশেষ করে স্টার্ট-আপগুলিকে উন্মুক্ত করেছিল মোদি সরকার। এই রকেট সেই সিদ্ধান্তেরই সাফল্য। বৃহস্পতিবার স্কাইরুটের উদ্বোধন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘ভারত বড় স্বপ্ন দেখে, অনেক বড় কিছু করে এবং সবথেকে ভালো জিনিস ডেলিভার করে৷’’ সেই কারণে বিভিন্ন বিনিয়োগকারীকে ভারতে বিনিয়োগ করার জন্য আহ্বান জানান তিনি ৷

    বিক্রম-১ রকেটের বৈশিষ্ট্য

    ভারতের মহাকাশ কর্মসূচির জনক, বিক্রম সারাভাইয়ের নামে নামকরণ করা হয়েছে এই রকেটের। স্কাইরুটের দাবি, ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে যে কোনও উৎক্ষেপণ স্থানে তাদের এই রকেট অ্যাসেম্বল করা যাবে এবং তারপরে উৎক্ষেপণ করা যাবে। অর্থাৎ, এটিকে টুকরো টুকরো অংশ ভাগ করে বিশ্বের যে কোনও জায়গায় উড়িয়ে নিয়ে গিয়ে মহাকাশে উৎক্ষেপণ করা যেতে পারে। ফলে, বিক্রম-১-এর মাধ্যমে যে সমস্ত গ্রাহক মহাকাশে স্যাটেলাইট পাঠাতে চাইবেন, তাদের ভারতেই আসতে হবে, তার কোনও মানে নেই। শুধু তাই নয়, বিক্রম-১ রকেটটির বডি অর্থাৎ কাঠামো সম্পূর্ণ কার্বন-ফাইবার দিয়ে তৈরি। এর ফলে ইসরোর পিএসএলভি (PSLV) রকেটের তুলনায় এটি অত্যন্ত হালকা ওজনের। তবে হালকা বলে পলকা নয়। এই রকেট অত্যন্ত মজবুত।

    ইসরোর আধিপত্যে থাবা

    এতদিন ভারতের মহাকাশ চর্চায় একচেটিয়া আধিপত্য ছিল ইসরোর। বিভিন্ন দেশ ও সংস্থা তাদের স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের জন্য ইসরোর পিএসএলভি (PSLV) রকেটের উপরে নির্ভর করত। এর অন্যতম কারণ, মহাকাশ চর্চায় অগ্রগামী অন্যান্য দেশের তুলনায় ইসরোর রকেট উৎক্ষেপণের খরচ অনেক কম ছিল। এ বার সেই আধিপত্যে থাবা বসালো স্কাইরুট। বিক্রম-১ পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে ৩০০ কেজি পর্যন্ত পেলোড পৌঁছে দিতে পারে। একাধিক স্যাটেলাইটকে একসঙ্গে কক্ষপথে স্থাপন করার ক্ষমতাও রয়েছে এই রকেটের। এছাড়াও, এতে ব্যবহার করা হয়েছে থ্রিডি-প্রিন্টেড লিকুইড ইঞ্জিন। এই প্রযুক্তি উৎক্ষেপণের খরচ এবং সময় উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমিয়ে দেবে বলে দাবি স্কাইরুটের। এটা গ্রাহকদের কাছে আকর্ষণীয় হতে পারে। বিক্রম-১ চলে আসায় এখন ভারতের মহাকাশ খাতে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগের মধ্যে প্রতিযোগিতা হবে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে এই প্রতিযোগিতা অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর বলে দাবি ভারতীয় মহাকাশ বিজ্ঞানীদের। প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, ‘‘সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে সামগ্রিক ভাবে মহাকাশ চর্চায় অনেকটা এগিয়ে যাবে ভারত। স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ পরিষেবা দানকারী থেকে মহাকাশ খাতে বিশ্বের সেরা শক্তিকেন্দ্র হিসেবে আবির্ভূত হওয়ার জায়গায় পৌঁছে যাবে দেশ।’’

    তরুণ প্রজন্মের হাতে এগোচ্ছে দেশ

    এর পাশাপাশি, বিক্রম-১ রকেট আরও এক কারণে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বর্তমান বিশ্বে ভারতের যুবশক্তি সম্পর্কে একটা কথা অত্যন্ত প্রচলিত, ভারত ইঞ্জিনিযার তৈরি করে, উদ্ভাবকের অভাব রয়েছে। উদ্ভাবনী ভাবনার অভাব রয়েছে। পবন চন্দন এবং নাগা ভরত ডাকা— আইআইটি-র দুই প্রাক্তনীর নেতৃত্বে তৈরি এই রকেট এই সমালোচনারও জবাব বলে মনে করা হচ্ছে। বিক্রম-১ ভারতের তরুণ প্রজন্মের উদ্ভাবনী ক্ষমতা এবং ঝুঁকি নেওয়ার সাহসকে বিশ্ব মঞ্চে তুলে ধরল। প্রমাণ করল এটাই নতুন ভারত। স্কাইরুটের ওই ক্যাম্পাসে স্টেট অফ আর্ট ফেসিলিটি দেওয়া হয়েছে ৷ যেখানে মহাকাশ গবেষণার যাবতীয় সুবিধা রয়েছে৷ বিভিন্ন লঞ্চ ভেহিক্যালের জন্য ডিজাইন, ডেভেলপমেন্ট, ইন্টিগ্রেটিং এবং টেস্টিং সহ একাধিক সুবিধা রয়েছে সেখানে৷ দীর্ঘদিন ধরেই মহাকাশযান নিয়ে গবেষণা করছে স্কাইরুট ইনফিনিটি ৷ ২০২২ সালে স্কাইরুট সর্বপ্রথম সাব- অর্বিটাল রকেট বিক্রম-এস লঞ্চ করে৷

    অ্য়াভিয়েশন সেক্টর প্রভূত উন্নতি

    এর আগে বুধবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি উদ্বোধন করেন সাফরান এয়ারক্রাফ্ট ইঞ্জিন সার্ভিসের (Safran Aircraft Engine Service) নতুন মেনটেন্যান্স, রিপেয়ার এবং ওভারহাউল (MRO) ফেসিলিটি৷ সাফরান এয়ারক্রাফ্ট ইঞ্জিন সার্ভিসের নতুন মেনটেন্যান্স হাব উদ্বোধন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন,‘‘ জিএমআর এয়ারোস্পেসে স্যাফরন এয়ারক্রাফ্ট ইঞ্জিন সার্ভিসের যে হাব উদ্বোধন হল তা আগামী দিনে গোটা বিশ্বের কাছে ভারতের স্থান অনেক উঁচুতে নিয়ে যাবে৷ বিগত কয়েক বছর ধরে ভারত অ্য়াভিয়েশন সেক্টর প্রভূত উন্নতি করেছে ৷ বর্তমানে ভারত হচ্ছে গোটা বিশ্বের মধ্যে দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়া ডোমেস্টিক অ্য়াভিয়েশন মার্কেট ৷’’

LinkedIn
Share