Tag: PM Modi

PM Modi

  • PM Modi: ‘‘এলপিজি পরিস্থিতি নিয়ে অযথা আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা চলছে’’, তোপ প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: ‘‘এলপিজি পরিস্থিতি নিয়ে অযথা আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা চলছে’’, তোপ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে এলপিজি (LPG) পরিস্থিতি নিয়ে যারা অযথা আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা করছেন, বৃহস্পতিবার তাদের একহাত নিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি বলেন, “এই ধরনের কাজের মাধ্যমে তারা শুধু জনগণের সামনে নিজেদের স্বরূপ উন্মোচিতই করছে না, দেশেরও ক্ষতি করছে।”

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী? (PM Modi)

    নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত এনএক্সটি সামিটে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান সঙ্কট থেকে কোনও দেশই রেহাই পায়নি। তাছাড়া ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা রক্ষায় সরকার সব রকম পদক্ষেপ করছে।” তিনি জানান, বর্তমান পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে কিছু মানুষ কিছু পণ্যের কালোবাজারি করার চেষ্টা করছে। এই ধরনের অসাধু ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কিছু মানুষ এলপিজি নিয়ে আতঙ্ক ছড়ানোর চেষ্টা করছে। রাজনৈতিক মন্তব্য না করেই বলছি, তারা শুধু নিজেদের স্বরূপ জনগণের সামনে উন্মোচিত করছে না, দেশেরও ক্ষতি করছে।”

    সঙ্কট মোকাবিলায় প্রত্যেকেরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে

    তিনি এও বলেন, “পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত থেকে তৈরি হওয়া বর্তমান সঙ্কট মোকাবিলায় প্রত্যেকেরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে, তা সে রাজনৈতিক দল, গণমাধ্যম, যুবসমাজ, শহর কিংবা গ্রাম যাই হোক না কেন। বহু বৈশ্বিক সঙ্কট থাকা সত্ত্বেও বিশ্বনেতা ও বিশেষজ্ঞরা ভারতের দিকে অনেক আশা নিয়ে তাকিয়ে রয়েছেন (PM Modi)। এর ফলে ভারতের দায়িত্বও আরও বেড়ে যাচ্ছে।” তিনি বলেন, “আজ পুরো বিশ্ব জানে, ভবিষ্যতের অংশ হতে চাইলে ভারতের সঙ্গে যুক্ত হতে হবে এবং ভারতে উপস্থিত থাকতে হবে (LPG)।”

    প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের একটি লক্ষ্য, একটি গন্তব্য-উন্নত ভারত। ভারত শুধু এগোচ্ছে না, বরং পরবর্তী স্তরে পৌঁছনোর পথে এগিয়ে যাচ্ছে।” তিনি বলেন, “বিশ্ব বর্তমানে একটি কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু ভারত দ্রুত ও স্থিতিশীল গতিতে এগিয়ে চলেছে।” প্রধানমন্ত্রী এও বলেন, “অনেক বিশ্বনেতা বলছেন যে ভারত এখন (LPG) পুরো বিশ্বের জন্য এক ধরনের ‘সেন্টার অফ গ্র্যাভিটি’ হয়ে উঠছে (PM Modi)।”

  • Modi Pezeshkian Discussion: ‘জ্বালানির অবাধ যাতায়াত নিশ্চিতই ভারতের প্রধান অগ্রাধিকার’ ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা মোদির

    Modi Pezeshkian Discussion: ‘জ্বালানির অবাধ যাতায়াত নিশ্চিতই ভারতের প্রধান অগ্রাধিকার’ ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শান্তির বার্তা নিয়ে ইরানের প্রেসিডেন্ট ডক্টর মাসুদ পেজেশকিয়ানের (Masoud Pezeshkian) সঙ্গে কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। মধ্যপ্রাচ্য যখন কার্যত বারুদের স্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে, ঠিক সেই সময়েই গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিলেন মোদি (Modi Pezeshkian Discussion)। একই সঙ্গে জানিয়ে দিলেন ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা, সেইসঙ্গে পণ্য ও জ্বালানির অবাধ যাতায়াত নিশ্চিত করাই এখন ভারতের প্রধান অগ্রাধিকার। ১২ মার্চ অনুষ্ঠিত এই আলোচনায় ওই অঞ্চলে বাড়তে থাকা সংঘাত, সাধারণ মানুষের প্রাণহানি এবং গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন মোদি। দুই রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে বর্তমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে দীর্ঘক্ষণ কথা হয়। পরে প্রধানমন্ত্রী নিজেই সোশ্যাল হ্য়ান্ডেলে সেই আলোচনার কথা তুলে ধরলেন।

    আন্তর্জাতিক মহলকে উদ্যোগী হওয়ার বার্তা

    সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে প্রধানমন্ত্রী জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে মানবিক দিকটি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখা জরুরি এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য আন্তর্জাতিক মহলকে উদ্যোগী হতে হবে। মোদি বলেন, “ওই অঞ্চলের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে ইরানের প্রেসিডেন্ট ডক্টর মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে আলোচনা করেছি।” পশ্চিম এশিয়ায় যেভাবে যুদ্ধের পরিবেশ তৈরি হচ্ছে, যেভাবে একের পর এক হামলায় সাধারণ মানুষের মৃত্যু হচ্ছে, তা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। স্পষ্ট ভাষায় লেখেন, “ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আলোচনায় যেভাবে উত্তেজনার আবহে সাধারণ মানুষের প্রাণহানি হচ্ছে, প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে সে বিষয়েও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছি।”

    ভারতীয়দের নিরাপত্তা ও বাণিজ্যিক স্বার্থে জোর

    আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী মোদি স্পষ্ট করে জানান, উপসাগরীয় অঞ্চলে বসবাসকারী ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা ভারতের কাছে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। পাশাপাশি দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সরবরাহ এবং পণ্য পরিবহণ যাতে নির্বিঘ্নে চলতে পারে, সেই বিষয়টিও তিনি গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরেন। মোদি নিজেই তাঁর পোস্টে জানান, যুদ্ধের আবহে ভারতের স্বার্থ রক্ষার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে কর্মরত কয়েক লক্ষ ভারতীয়র সুরক্ষাকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি।

    ভারত শান্তি এবং সুস্থিতির পক্ষে

    ভারত সরকার এই সংকট সমাধানে কূটনৈতিক সংলাপ ও আলোচনার পথেই জোর দিচ্ছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সব পক্ষকে সংযম ও আলোচনার পথে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে। ভারত যে কোনওভাবেই যুদ্ধ চায় না, বরং আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান খোঁজার পক্ষপাতী, তা আবারও বিশ্বমঞ্চে মনে করিয়ে দিয়েছেন মোদি। তিনি তাঁর পোস্টে লেখেন, “শান্তি ও স্থিতিশীলতার প্রতি ভারতের অঙ্গীকারের কথা আবারও ওনাকে বলেছি। আলোচনা ও কূটনীতির পথে হাঁটার আহ্বান জানিয়েছি।” প্রধানমন্ত্রী মোদির এই বার্তা আবার প্রমাণ করেছে ভারত শান্তি এবং সুস্থিতির পক্ষে।

    মোদিকে বার্তা পেজেশকিয়ানের

    মোদিকে পেজেশকিয়ান বলেন, ইরান যুদ্ধকে দীর্ঘায়িত করতে চায় না। তবে তারা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই এবং ইরানের স্কুল ছাত্রীদের মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে বদ্ধপরিকর। এদিকে এই অঞ্চলে শান্তি বজায় রাখতে ব্রিকস গোষ্ঠীর ভূমিকার তাৎপর্য তুলে ধরেন পেজেশকিয়ান। এর আগে ১১ মার্চ রুশ এবং পাক নেতাদের সঙ্গে আলোচনার পরে পেজেশকিয়ান জানিয়েছিলেন, তিন শর্তে ইরান যুদ্ধ বন্ধে রাজি হবে- আন্তর্জাতিক স্তরে ইরানের ন্যায্য অধিকার মেনে নিতে হবে। সাম্প্রতিক হামলায় ইরানের যে ক্ষতি হয়েছে, তার জন্য ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। এবং ভবিষ্যতে যাতে আর কোনও হামলা না ঘটে সে বিষয়ে নিশ্চয়তা দিতে হবে।

    উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক যোগাযোগ

    বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar) ইতিমধ্যেই ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির (Abbas Araghchi) সঙ্গে একাধিকবার কথা বলেছেন। এই আলোচনায় বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা এবং ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। বিশেষ করে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী দিয়ে ভারতীয় তেলবাহী জাহাজের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

    ইরানে থাকা ভারতীয়দের সহায়তা

    বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, বর্তমানে ইরানে প্রায় ৯ হাজার ভারতীয় নাগরিক রয়েছেন, যাদের মধ্যে ছাত্র ও তীর্থযাত্রীরা আছেন। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারত সরকার সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। সংকটের সময় অনেক ভারতীয়কে ইতিমধ্যেই দূতাবাসের সহায়তায় দেশে ফেরানো হয়েছে এবং প্রয়োজনে আরও সহায়তার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ওই অঞ্চলে থাকা ভারতীয়দের নিরাপদ এলাকায় স্থানান্তর করার কাজও চলছে। সামগ্রিকভাবে ইরানে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানিয়েছে বিদেশ মন্ত্রক। তেহরানে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস যারা দেশ ছাড়তে চান তাদের জন্য বিশেষ সহায়তা দিচ্ছে। প্রয়োজনে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের স্থলপথ ব্যবহার করে সেখান থেকে বাণিজ্যিক বিমানে ভারতে ফেরার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। দূতাবাস ভিসা প্রক্রিয়া, সীমান্ত পারাপার এবং যাত্রাপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও সক্রিয়ভাবে সাহায্য করছে।

    ‘হরমুজ প্রণালী’

    এদিকে হরমুজ প্রণালী নিয়ে এই সংকটের আবহে বৃহস্পতিবার সংবাদসংস্থা রয়টার্স প্রথমে ভারতীয় সূত্রকে উদ্ধৃত করে দাবি করে, ভারত এবং ইরান, দুই দেশের বিদেশমন্ত্রীদের মধ্য়ে কথা হওয়ার পর, ভারতের জাহাজগুলিকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে আসার অনুমতি দিয়েছে ইরান। কিন্তু পরে সংবাদসংস্থা রয়টার্স-ই ইরানের একটি সূত্রকে উদ্ধৃত করে জানায় যে, ভারতের সঙ্গে ইরানের এরকম কোনও চুক্তি হয়নি। ভারতীয় বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “ভারতের বিদেশমন্ত্রী ও ইরানের বিদেশমন্ত্রীর মধ্যে সম্প্রতি ৩ বার কথোপকথন হয়েছে। শেষ কথা হয়েছে জাহাজ পরিবহণের নিরাপত্তা এবং ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে। এর বেশি আমার পক্ষে বলা সম্ভব নয়।” তবে বুধবারই হরমুজ পার করে আসা একটি জাহাজ মুম্বইতে পৌঁছেছে। এর আগে অবশ্য গোটা বিশ্বের উদ্বেগ বাড়িয়ে ইরানের সদ্য় মনোনীত সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনেই হুঙ্কারের সুরে জানিয়ে দিয়েছেন, কোনওভাবেই ‘হরমুজ প্রণালী’ (Strait of Hormuz) খোলা হবে না। এটাকে আমেরিকা ও ইজরায়েলকে চাপে রাখার কৌশল হিসাবে ব্যবহার করা হবে। তাঁর আরও হুঁশিয়ারি, “শহিদদের মৃত্যুর বদলা আমরা নেবই। কারণ, তাঁরা আমাদের সর্বোচ্চ নেতার জন্য জীবন দিয়েছেন।”

    মোদির বার্তা, ভারত-ইরান যোগ কূটনৈতিক উদ্যোগ

    আমেরিকা-ইজরায়েলের সঙ্গে ইরানের (US-Iran Conflict) অবিরাম যুদ্ধ চলছে। কেউ কাউকে ছেড়ে কথা বলছে না। একের পর এক প্রাণহানি হচ্ছে। এদিকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ যেতে না দিয়ে ইজরায়েল-আমেরিকার পাশাপাশি কার্যত গোটা বিশ্বের মাথাব্য়াথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ইরান। কারণ এই রুট দিয়েই তেলবহনকারী জাহাজগুলি যাতায়াত করে। একমাত্র রাশিয়া ও চিনকে ‘হরমুজ প্রণালী’ দিয়ে জাহাজ চলাচল করার অনুমতি দিয়েছে ইরান। এই পরিস্থিতিতে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। গতমাসে পশ্চিম এশিয়ায় সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর এই প্রথম তাঁদের কথা হল। যা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, আমেরিকা-ইজরায়েল তো বটেই এবং ইরানের সঙ্গেও ভারতের সুসম্পর্ক রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভারসাম্য বজায় রেখে প্রধানমন্ত্রী যেভাবে শান্তি ও কূটনীতির বার্তা দিলেন, তা বিশ্বমঞ্চে ভারতের কূটনৈতিক অবস্থানের দৃঢ়তাই আরও স্পষ্ট করছে।

  • India Nepal Relation: “ভারত ও নেপালের সম্পর্ককে নয়া উচ্চতায় পৌঁছবে” প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ধন্যবাদ জানালেন বলেন্দ্র শাহ

    India Nepal Relation: “ভারত ও নেপালের সম্পর্ককে নয়া উচ্চতায় পৌঁছবে” প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ধন্যবাদ জানালেন বলেন্দ্র শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেপালে নতুন সূর্যোদয়। এতদিন ধরে ক্ষমতার রাশ ধরে থাকা রাজনৈতিক দলগুলিকে কার্যত ধুয়ে মুছে দিয়েছে নেপালের (India Nepal Relation) নয়া রাজনৈতিক দল রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি (আরএসপি)। প্রায় দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসছেন নেপালের জেন-জি মুখ বালেন শাহ (Balen Shah To PM Modi)। নেপালের প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন ৩৫ বছরের বলেন্দ্র। তাঁর জয় কার্যত নিশ্চিত হওয়ার পর সোমবার বলেন্দ্রকে ফোন করে অভিনন্দন জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মঙ্গলবার নেপালের রাষ্ট্রীয় স্বাধীন পার্টির নেতা, বলেন্দ্র প্রধানমন্ত্রী মোদিকে তার শুভেচ্ছার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন। পুরুষদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের জন্য শাহ ভারত ক্রিকেট দলকেও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

    ভারতকে অভিনন্দন বালেন শাহ-র

    প্রধানমন্ত্রী মোদির অভিনন্দন জানিয়ে লেখা পোস্টের জবাবে শাহ লিখেছেন, “শুভেচ্ছার জন্য ধন্যবাদ। আমি আমার আস্থা প্রকাশ করছি যে আমরা আগামী দিনে নেপাল ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান ঐতিহাসিক, ঘনিষ্ঠ এবং বহুমাত্রিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী, গভীর এবং আরও ফলাফলমুখী করার জন্য একসঙ্গে কাজ করব।” টি-২০ বিশ্বকাপ জয়ের জন্য ভারতকে অভিনন্দন জানিয়ে শাহ বলেন, টানা দুইবার সফলভাবে বিশ্বকাপ শিরোপা জয়ের জন্য ভারত সরকার এবং ভারতীয় জনগণকে আন্তরিক অভিনন্দন। এর আগে, সোমবার প্রধানমন্ত্রী মোদি বালেনের পাশাপাশি আরএসপির চেয়ারম্যান রবি লামিছানের সঙ্গেও কথা বলেন। সেই ফোনালাপের কথা এক্স হ্যান্ডেলে শেয়ার করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। লেখেন, “আরএসপির চেয়ারম্যান রবি লামিছানে এবং অন্যতম নেতা বলেন্দ্র শাহের সঙ্গে কথা হয়েছে। জয়ের জন্য দু’জনকেই অভিনন্দন জানিয়েছি। নতুন সরকারকে শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি আমরা দুই দেশের পারস্পরিক সমৃদ্ধি, অগ্রগতি এবং কল্যাণের জন্য একসঙ্গে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমি নিশ্চিত আমাদের যৌথ প্রচেষ্টা আগামী বছরগুলিতে ভারত ও নেপালের সম্পর্ককে নয়া উচ্চতায় পৌঁছে দেবে।”

    নেপালের জেন-জি মুখ বালেন শাহ

    উল্লেখ্য, গত বছরের সেপ্টেম্বরে জেন জি আন্দোলনের জেরে ওলি প্রধানমন্ত্রীর পদ ছেড়ে পালিয়ে যান। এরপর দেশের সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি সুশীলা কারকি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন। বিভিন্ন স্তরে আলাপ-আলোচনা শেষে সে দেশের নির্বাচন কমিশন ৫ মার্চ পার্লামেন্ট নির্বাচনের দিন ঘোষণা করে। সেইমতো বৃহস্পতিবার নেপালে ১৬৫টি আসনে ভোট গ্রহণ হয়। লড়াইয়ে ছিল ৬৫টি রাজনৈতিক দল। রাজনৈতিক বিশ্লেষক মহলে এবারের নির্বাচনে কোনও দলের একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সন্দেহ ছিল। কেউ ভাবতে পারেননি প্রাক্তন র‍্যাপার বালেন শাহের নেতৃত্বে নবগঠিত রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি (আরএসপি) সংসদীয় নির্বাচনে প্রথম সারির প্রার্থী হিসেবে আবির্ভূত হবে। কিন্তু সেটাই হতে চলেছে। কারণ, নেপালের জেন জি-র বড় অংশের পছন্দ ছিলেন বালেন শাহ। কমিশনের রিপোর্ট বলছে, ১৬৫ আসনের মধ্যে ১২৫ আসনে জয় পেয়েছে আরএসপি। ওলির দল কমিউনিস্ট পার্টি অফ নেপাল ৮টি আসন জয়ের পথে। নেপালি কংগ্রেসও দুই অঙ্ক পার করতে পারেনি।

  • President Murmu: “মাঠে ৫ লাখ মানুষের জায়গা হতে পারত”, সাঁওতাল সম্মেলনে রাষ্ট্রপতিকে সহযোগিতা করেননি মমতা!

    President Murmu: “মাঠে ৫ লাখ মানুষের জায়গা হতে পারত”, সাঁওতাল সম্মেলনে রাষ্ট্রপতিকে সহযোগিতা করেননি মমতা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার, ৭ মার্চ শিলিগুড়িতে নবম আন্তর্জাতিক সাঁওতাল সম্মেলনে যোগ দিতে এসে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অব্যবস্থাপনা এবং প্রটোকল লঙ্ঘন নিয়ে নজিরবিহীনভাবে ক্ষোভ প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (President Murmu)। অনুষ্ঠানের স্থান শেষ মুহূর্তে পরিবর্তন করা এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপস্থিতি নিয়ে তিনি সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন। এই ঘটনায় সরাসরি আক্রমণ করে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) বলেন, “লজ্জাজনক ঘটনা।”

    সারা দেশের মানুষকে দুঃখ দিয়েছে (President Murmu)

    রাষ্ট্রপতির (President Murmu) সমালোচনায় পশ্চিমবঙ্গ সরকারের এই অনুষ্ঠান পরিচালনার তীব্র সমালোচনা করেছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এই ঘটনাকে “লজ্জাজনক এবং নজিরবিহীন” বলে বর্ণনা করেছেন। এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্টে মোদি বলেন, “গণতন্ত্র এবং উপজাতি সম্প্রদায়ের ক্ষমতায়নে বিশ্বাসী লোকেরা রাষ্ট্রপতির সফরকে ঘিরে ঘটে যাওয়া ঘটনাবলী দেখে গভীরভাবে হতাশ হবেন। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, যিনি নিজেও একটি উপজাতি সম্প্রদায় থেকে এসেছেন, যে বেদনা প্রকাশ করেছেন, তা সারা দেশের মানুষকে দুঃখ দিয়েছে।”

    রাষ্ট্রপতির এই মন্তব্যের পর রাজনৈতিক অঙ্গনে তোলপাড় শুরু হয়েছে। অন্যদিকে, বিজেপি নেতা অমিত মালব্য বলেছেন, “এটি বাংলার সাংবিধানিক কাঠামোর সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ার প্রমাণ।” তবে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, নির্বাচন কমিশনের বিধিনিষেধ এবং মুখ্যমন্ত্রীর পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচির কারণে তিনি উপস্থিত থাকতে পারেননি।

    স্থান পরিবর্তন নিয়ে অসন্তোষ

    আন্তর্জাতিক সাঁওতাল এই সম্মেলনটি প্রথমে ফাঁসিদেওয়ার বিধাননগরে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে ওই জায়গাটি অত্যন্ত ‘জনাকীর্ণ’ (congested) এবং সেখানে নিরাপত্তা বা যাতায়াতে সমস্যা হতে পারে। এরপর অনুষ্ঠানটি বাগডোগরা বিমানবন্দরের কাছে গোঁসাইপুরে একটি ছোট মাঠে সরিয়ে নেওয়া হয়।

    রাষ্ট্রপতির সরেজমিনে তদন্ত

    নির্ধারিত অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার পর রাষ্ট্রপতি (President Murmu) নিজেই বিধাননগরের সেই পুরনো জায়গাটি পরিদর্শন করতে যান। সেখানে গিয়ে তিনি দেখেন মাঠটি বিশাল এবং যাতায়াতে কোনও সমস্যা নেই। তিনি বলেন, “আমাকে বলা হয়েছিল এই জায়গাটি জনাকীর্ণ। কিন্তু আমি খুব সহজেই এখানে আসতে পারলাম। আমার মনে হয়, এখানে অন্তত ৫ লাখ মানুষের সমাগম হতে পারত। আমি জানি না প্রশাসনের মাথায় কী ছিল যে তারা সাঁওতাল ভাই-বোনদের জন্য এমন এক জায়গায় অনুষ্ঠান ঠিক করল যেখানে অনেকেই পৌঁছতে পারেননি।”

    আমিও বাংলার মেয়ে!

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপস্থিতি নিয়ে রাষ্ট্রপতি (President Murmu) বলেন, “মমতা দিদি আমার ছোট বোনের মতো। আমিও বাংলার মেয়ে। কিন্তু আমি জানি না কেন আমাকে এখানে আসতে (আসল ভেন্যুতে) বাধা দেওয়া হল। তিনি কি আমার ওপর কোনও কারণে রেগে আছেন? সেই কারণেই কি ভেন্যু বদলে দেওয়া হল? যাই হোক, তাতে কিছু যায় আসে না। আপনারা সবাই ভালো থাকুন।”

    চায় না সাঁওতালরা ঐক্যবদ্ধ হোক

    রাষ্ট্রপতি (President Murmu) ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, “সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি যখন কোনও রাজ্যে যান, তখন মুখ্যমন্ত্রী বা রাজ্যের মন্ত্রীদের উপস্থিত থাকা বাঞ্ছনীয়। কিন্তু সেখানে রাজ্য সরকারের তরফে কোনও বড় মন্ত্রী বা মুখ্যমন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন না।” তাঁর আক্ষেপ, “কিছু মানুষ চায় না সাঁওতালরা ঐক্যবদ্ধ হোক বা শক্তিশালী হোক। আজ অনেক সাঁওতাল ভাই বাইরে দাঁড়িয়ে আছেন, তাঁদের ভেতরে ঢুকতে বাধা দেওয়া হচ্ছে বলে আমার মনে হচ্ছে।”

    অসহযোগিতার অভিযোগ

    রাষ্ট্রপতির (President Murmu) অভিযোগ, রাজ্য প্রশাসন ইচ্ছাকৃতভাবে একটি ছোট জায়গায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল যাতে সাধারণ মানুষ এবং সাঁওতাল সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা সেখানে বড় সংখ্যায় উপস্থিত হতে না পারেন। তিনি এই পুরো বিষয়টিকে সাঁওতাল সংস্কৃতি এবং রাষ্ট্রপতির পদের প্রতি অসম্মান হিসেবেই ইঙ্গিত করেছেন।

  • PM Modi: চরম সহযোগিতা ও অসৌজন্য! ‘লজ্জাজনক-নজিরবিহীন’, রাষ্ট্রপতির মন্তব্যের পর মমতাকে আক্রমণ প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: চরম সহযোগিতা ও অসৌজন্য! ‘লজ্জাজনক-নজিরবিহীন’, রাষ্ট্রপতির মন্তব্যের পর মমতাকে আক্রমণ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলিগুড়িতে আন্তর্জাতিক সাঁওতাল সম্মেলনে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর প্রতি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আচরণের তীব্র সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রাষ্ট্রপতি যখন রাজ্য প্রশাসনের অব্যবস্থা এবং তাঁকে ‘বাধা’ দেওয়ার অভিযোগ তোলেন, তার পরেই প্রধানমন্ত্রী মোদি এক্স হ্যান্ডেলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের বিরুদ্ধে সরব হন। মোদির (PM Modi) সাফ কথা, “রাষ্ট্রপতি (President Murmu) জি, যিনি নিজেও একটি উপজাতি সম্প্রদায়ের, যে বেদনা ও যন্ত্রণা প্রকাশ করেছেন, তা ভারতের জনগণের মনে প্রচণ্ড দুঃখের সঞ্চার করেছে।”

    প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভ (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)  এই ঘটনাকে ভারতের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে “লজ্জাজনক এবং নজিরবিহীন” বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গ সরকার যেভাবে দেশের প্রথম আদিবাসী মহিলা রাষ্ট্রপতির অবমাননা করেছে, তা কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ে আঘাত দিয়েছে। একজন রাষ্ট্রপতি (President Murmu) যখন প্রকাশ্যে অভিযোগ করেন যে তাঁকে কাজে বাধা দেওয়া হচ্ছে এবং অনুষ্ঠানের স্থান সংকুচিত করা হচ্ছে, তখন বোঝা যায় রাজ্যে গণতন্ত্রের কী করুণ দশা! গণতন্ত্র এবং উপজাতি সম্প্রদায়ের ক্ষমতায়নে বিশ্বাসী সকলেই হতাশ।”

    প্রটোকল ভঙ্গের অভিযোগ

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)  অভিযোগ করেন যে, সাংবিধানিক প্রটোকল অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির সফরের সময় মুখ্যমন্ত্রী বা রাজ্যের শীর্ষ মন্ত্রীদের উপস্থিত থাকা বাধ্যতামূলক। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা তাঁর সরকারের কোনও প্রতিনিধি সেখানে ছিলেন না। মোদি বলেন, “মমতা দিদি সবসময় সংবিধান রক্ষার কথা বলেন, কিন্তু আজ তিনি নিজেই সংবিধানকে পদদলিত করেছেন।”

    আদিবাসী আবেগ ও রাজনীতি

    প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে আরও যোগ করে বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেস সরকার ভয় পেয়েছে। তারা চায় না সাঁওতাল এবং অন্যান্য আদিবাসী সম্প্রদায় রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সরাসরি কথা বলুক। এই কারণেই শেষ মুহূর্তে অনুষ্ঠানের ভেন্যু পরিবর্তন করে সেটিকে একটি ছোট মাঠে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু রাষ্ট্রপতি নিজেই সেই আসল ভেন্যুতে গিয়ে প্রমাণ করে দিয়েছেন যে রাজ্য সরকার মিথ্যে বলেছিল।”

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি প্রশ্ন

    রাষ্ট্রপতি (President Murmu) যে প্রশ্ন তুলে বলেছিলেন— “মমতা কি আমার ওপর রেগে আছেন?”— সেই প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)  বলেন, “একজন রাষ্ট্রপতির মুখে এই ধরনের কথা শোনা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। রাজ্য সরকার আদিবাসী উন্নয়ন নয়, বরং বিভাজনের রাজনীতি করছে।” প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করে দিয়ে আরও বলেন, “এই ইস্যুটিকে বিজেপি জাতীয় স্তরে নিয়ে যাবে। বাংলা আজ দেখল কীভাবে একজন মহান নেত্রীকে এবং আমাদের রাষ্ট্রপতিকে হেনস্থা করা হল। বাংলার মানুষ এর যোগ্য জবাব দেবে।”

    তৃণমূলের পাল্টা যুক্তি

    তৃণমূল কংগ্রেস এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। দলের মুখপাত্ররা জানিয়েছেন, নির্বাচনী বিধির কারণে বা প্রশাসনিক কোনও ত্রুটির কারণে সমস্যা হয়ে থাকতে পারে, কিন্তু রাষ্ট্রপতির প্রতি অসম্মান করার কোনও উদ্দেশ্য ছিল না। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন উপস্থিত ছিলেন না, তা দফতর থেকে জানানো হয়েছে যে তাঁর কিছু পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি ছিল।

    শিলিগুড়ির সাঁওতাল সম্মেলনকে কেন্দ্র করে রাষ্ট্রপতি এবং রাজ্য সরকারের মধ্যে যে সংঘাত তৈরি হয়েছে, তাকে কেন্দ্র করে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারকে সরাসরি আক্রমণ করেছেন এবং একে রাষ্ট্রপতির পদের অবমাননা হিসেবে চিহ্নিত করেছে। যা নিয়ে রাজনীতির আঙ্গিনায় এখন ব্যাপক শোরগোল।

  • Finnish President: ৪ দিনের সফরে ভারতে ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে কোন কোন বিষয়ে হবে আলোচনা?

    Finnish President: ৪ দিনের সফরে ভারতে ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে কোন কোন বিষয়ে হবে আলোচনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের (India) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে বুধবার চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে নয়াদিল্লিতে এসে পৌঁছেছেন ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট (Finnish President) আলেকজান্ডার স্টাব। বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানান বিদেশ প্রতিমন্ত্রী কীর্তিবর্ধন সিং। বিমানবন্দরেই গার্ড অব অনার দেওয়া হয় তাঁকে। এক্স হ্যান্ডেলে বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, “ভারতে আন্তরিক স্বাগতম! ফিনল্যান্ড প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার স্টাব রাষ্ট্রীয় সফরে নয়াদিল্লিতে পৌঁছেছেন। বিমানবন্দরে তাঁকে আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা ও গার্ড অব অনার দেওয়া হয় এবং বিদেশ প্রতিমন্ত্রী কীর্তিবর্ধন সিং তাঁকে স্বাগত জানান।”

    প্রেসিডেন্ট স্টাব (Finnish President)

    প্রেসিডেন্ট স্টাব ৭ মার্চ পর্যন্ত ভারতে থাকবেন। তাঁর সঙ্গে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল রয়েছে, যাতে মন্ত্রী, শীর্ষ সরকারি আধিকারিক, এবং বিশিষ্ট শিল্পপতিরা রয়েছেন। তিনদিনের এই সফরে নয়াদিল্লিতে আয়োজিত একাদশতম ‘রাইসিনা ডায়ালগে’ অংশ নেবেন তিনি। সেখানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। প্রধান বক্তাও তিনিই। প্রসঙ্গত, দায়িত্ব নেওয়ার পর এটাই প্রেসিডেন্ট স্টাবের প্রথম ভারত সফর। বিদেশমন্ত্রকের মতে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার স্টাব দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদার করার লক্ষ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিস্তৃত আলোচনা করবেন। আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যু, বিশেষ করে বহুপাক্ষিক ফোরামে সহযোগিতা নিয়ে মতবিনিময় হওয়ার (Finnish President) সম্ভাবনা রয়েছে। প্রেসিডেন্টের সম্মানে মধ্যাহ্নভোজের আয়োজনও করবেন প্রধানমন্ত্রী।

    স্টাবের সফরসূচি

    ভারত সফরে প্রেসিডেন্ট স্টাব রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। বৈঠক করবেন উপরাষ্ট্রপতি সিপি রাধাকৃষ্ণনের সঙ্গে। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করবেন। নয়াদিল্লিতে বিভিন্ন কর্মসূচি শেষ করে প্রেসিডেন্ট স্টাব যাবেন মুম্বই সফরে। সেখানে তিনি মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল আচার্য দেবব্রত এবং মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীশের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। মুম্বইয়ে তিনি ভারতীয় শিল্পপতিদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন এবং ভারত-ফিনল্যান্ড ব্যবসায়িক অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। মুম্বই বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার কথাও রয়েছে তাঁর। বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, ভারত ও ফিনল্যান্ডের মধ্যে উষ্ণ, বন্ধুত্বপূর্ণ এবং বহুমাত্রিক সম্পর্ক রয়েছে, যা অভিন্ন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে (India)। ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং নর্ডিক অঞ্চলের প্রেক্ষাপটে ফিনল্যান্ডকে ভারতের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করা হয় (Finnish President)।

     

  • Israel: মোদি তেল আভিভ ছাড়ার পরেই ইরানে হানার ছক কষা হয়, সাফ জানালেন ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূত

    Israel: মোদি তেল আভিভ ছাড়ার পরেই ইরানে হানার ছক কষা হয়, সাফ জানালেন ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরানে কাজে লাগানো হয়েছে “অপারেশনাল সুযোগ”। অন্তত ইজরায়েলের (Israel) তরফে এমনই দাবি করা হয়েছে সংবাদ মাধ্যমে। সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র–ইজরায়েল যৌথ হামলা চালায় ইরানে। ইজরায়েলি আধিকারিকরা একেই অপারেশনাল সুযোগ বলে বিবৃতি দিয়েছেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই সুযোগটি তৈরি হয় কেবলমাত্র প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) তেল আভিভ সফর শেষ হওয়ার পর। ভারতে ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূত রিউভেন আজার সংবাদ মাধ্যমে জানান, মোদির সফরের সময় তেহরানের বিরুদ্ধে আসন্ন সামরিক অভিযানের কোনও পূর্বাভাস ছিল না। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, তাই মোদি থাকার সময় ইজরায়েলের ইরান হানার ছক কষা হয়েছিল বলে যে দাবি কংগ্রেস করছে, সেটা খারিজ করে দিলেন ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূত। প্রসঙ্গত, গত দু’দিন ধরে কংগ্রেস এ নিয়ে আক্রমণ করেছে মোদিকে।

    অপারেশনাল সুযোগ (Israel)

    তিনি বলেন, “এটি ছিল একটি অপারেশনাল সুযোগ, যা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি চলে যাওয়ার পর সৃষ্টি হয়। তাঁর সঙ্গে আলোচনায় আমরা আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেছিলাম, কিন্তু যে বিষয়টি তখনও আমরা জানতাম না, তা শেয়ার করা সম্ভব হয়নি।” আজার আরও জানান, মোদির সফর শেষ হওয়ার পর প্রায় দু’দিন সময় লাগে সিদ্ধান্তটি চূড়ান্ত রূপ নিতে। ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে ইজরায়েলের নিরাপত্তা মন্ত্রিসভার তরফে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। আমেরিকা ও ইজরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে যৌথ সামরিক অভিযান চালায়। হামলা করা হয় রাজধানী তেহরান-সহ একাধিক শহরে। “অপারেশন এপিক ফিউরি” নামে পরিচিত এই অভিযানটি স্থগিত হয়ে থাকা পারমাণবিক আলোচনার প্রেক্ষাপটে এবং তেহরান তার পারমাণবিক কর্মসূচির কিছু অংশ পুনরায় শুরু করেছে—এমন অভিযোগের পর পরিচালিত হয়। হামলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইরান ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে পাল্টা আঘাত হানে। এর কয়েকটি উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত হেনেছে, যার মধ্যে রয়েছে দুবাই, আবুধাবি, কাতার ও বাহরাইন (Israel)।

    ট্রাম্পের সতর্কবার্তা

    তেহরান তাদের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেইনির হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার করলে আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পায়। এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, “যুদ্ধ এড়াতে আলোচনার চেষ্টা করার জন্য ইরানের অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে।” আজার জানান, ইরানকে কেন্দ্র করে গোয়েন্দা ও সামরিক সক্ষমতা গড়ে তুলতে ইজরায়েল বহু বছর ধরে বিপুল বিনিয়োগ করেছে। তিনি বলেন, “আমাদের এমন গোয়েন্দা সক্ষমতা তৈরি (PM Modi) করতে হয়েছে যাতে আমরা ইরানের শাসনব্যবস্থা ও তাদের সামরিক কাঠামোকে বুঝতে পারি—তারা পরবর্তী পদক্ষেপ কী নিতে পারে, কে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, তারা কোথায় অবস্থান করছে এবং কোন সক্ষমতাগুলি ইজরায়েলের জন্য হুমকির সৃষ্টি করছে।” তিনি আরও বলেন, “ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করার প্রযুক্তি উন্নয়নে এবং ক্ষেপণাস্ত্র ও রকেট হামলার বিরুদ্ধে নিজেদের প্রতিরক্ষা ঢাল শক্তিশালী করতে ইজরায়েল বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে। এই হুমকি শুধু ইরান থেকেই নয়, বরং তেহরান-সমর্থিত আঞ্চলিক প্রক্সি গোষ্ঠীগুলির কাছ থেকেও আসে (Israel)।” দু’দিনের ইজরায়েল সফরে প্রধানমন্ত্রী মোদি দুই দেশের সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সম্পর্ককে বিশেষ কৌশলগত অংশীদারিত্বে উন্নীত করেন এবং দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি দ্রুত সম্পন্ন করতে রাজি হন (PM Modi)।

     

  • PM Modi: মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা প্রশমনে উদ্যোগী মোদি, কথা বললেন ৮ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে

    PM Modi: মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা প্রশমনে উদ্যোগী মোদি, কথা বললেন ৮ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ৪৮ ঘণ্টায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) কথা বলেছেন সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, ইজরায়েল, সৌদি আরব, জর্ডন, বাহরাইন, ওমান, কুয়েত এবং কাতারের নেতাদের সঙ্গে (Peace Stability Security)। এই অঞ্চলে দ্রুত পরিবর্তনশীল উত্তপ্ত পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে এই কূটনৈতিক যোগাযোগ গুরুত্বপূর্ণ বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানে ইরানের বিরুদ্ধে হামলা এবং ইরান ও ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলির পক্ষ থেকে ইজরায়েল, উপসাগরীয় বিভিন্ন দেশ, এবং ওই অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক টার্গেটে হামলার জেরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

    কাতারের আমিরের সঙ্গে কথা (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির সঙ্গে কথা বলেন। তিনি কাতারের ওপর হামলার নিন্দে করেন এবং কাতারে বসবাসকারী ভারতীয় সম্প্রদায়ের প্রতি সমর্থন ও যত্নের জন্য আমিরকে ধন্যবাদও জানান। এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া এক পোস্টে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমার ভাই, মহামান্য শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি, কাতারের আমিরের সঙ্গে কথা বলেছি। আমরা কাতারের সঙ্গে দৃঢ় সংহতি প্রকাশ করছি এবং তার (Peace Stability Security) সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার যে কোনও লঙ্ঘনের তীব্র নিন্দে করি। সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে দ্রুত অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার প্রয়োজনীয়তার ওপর আমরা জোর দিয়েছি। এই কঠিন সময়ে কাতারে ভারতীয় সম্প্রদায়ের প্রতি তাঁর অব্যাহত সমর্থন ও যত্নের জন্য আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছি।”

    কথা আরও ৭ বিশ্বনেতার সঙ্গেও

    মঙ্গলবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রী উপসাগরীয় অঞ্চলের আরও (PM Modi) দুই গুরুত্বপূর্ণ নেতার সঙ্গেও কথা বলেন। তিনি ওমানের সুলতান হাইথাম বিন তারিকের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন, পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন কুয়েতের যুবরাজ সাবাহ আল-খালেদ আল-হামাদ আল-মুবারক আল-সাবাহ-এর সঙ্গেও। দুটি ক্ষেত্রেই আলোচনায় সংশ্লিষ্ট দেশগুলিতে হামলার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী এবং সেখানে বসবাসরত ভারতীয়দের নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিয়ে আলোচনা করেন। এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া পোস্টে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “মহামান্য সুলতান হাইথাম বিন তারিকের সঙ্গে কথা বলেছি এবং পশ্চিম এশিয়ার সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় করেছি। ওমানের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা লঙ্ঘনের নিন্দে করেছি। আমরা একমত হয়েছি যে, টেকসই কূটনৈতিক সম্পৃক্ততাই দ্রুত আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য অপরিহার্য। ওমানে ভারতীয় সম্প্রদায়ের প্রতি অব্যাহত সমর্থনের জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা জানিয়েছি (PM Modi)।”

    হামলার তীব্র নিন্দে

    এদিনই প্রধানমন্ত্রী জর্ডনের বাদশাহ দ্বিতীয় আবদুল্লাহের সঙ্গেও কথা (Peace Stability Security) বলেন এবং জর্ডনের জনগণের শান্তি, নিরাপত্তা ও কল্যাণের প্রতি ভারতের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। পশ্চিম এশিয়ার পরিবর্তনশীল পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগও প্রকাশ করেন তিনি এবং এই কঠিন সময়ে জর্ডনে প্রবাসী ভারতীয়দের দেখভাল করার জন্য ধন্যবাদ জানান বাদশাহকে। এর আগে আজ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান আল সৌদ এবং বাহরাইনের বাদশাহ হামাদ বিন ঈসা আল খলিফার সঙ্গেও আলাদা করে কথা বলেন টেলিফোনে। আলোচনায় তিনি সৌদি আরব ও বাহরাইনের ওপর সাম্প্রতিক হামলার তীব্র নিন্দে করেন। পাশাপাশি ওই দেশগুলিতে বসবাসরত বিপুল সংখ্যক ভারতীয় সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও সুস্থতা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। আঞ্চলিক অস্থিরতার মধ্যে প্রবাসী ভারতীয়দের সুরক্ষা নিশ্চিত করাকে ভারতের অগ্রাধিকার হিসেবে তুলে ধরা হয় (PM Modi)।

    শান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠার আহ্বান

    প্রসঙ্গত, এই ফোনালাপগুলি হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইজরায়েল ও ইরানকে ঘিরে শুরু হওয়া সংঘাতের পর থেকে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর কূটনৈতিক তৎপরতার অংশ। ১ মার্চ, রবিবার তিনি ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন এবং দ্রুত সব ধরনের শত্রুতার অবসান ঘটিয়ে অঞ্চলে শান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান (Peace Stability Security)। ভারতের এই কূটনৈতিক উদ্যোগ আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমষ্টিগত নিরাপত্তার প্রতি দেশের অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করে এবং সর্বোপরি নিরীহ অসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষার বিষয়টিকেই গুরুত্ব দেয় বলে দাবি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের (PM Modi)।

  • India And Canada: “ভারত ও কানাডা অংশীদারিত্বের এক নতুন যুগে প্রবেশ করছে”, মোদির সঙ্গে বৈঠকের পর বললেন কার্নি

    India And Canada: “ভারত ও কানাডা অংশীদারিত্বের এক নতুন যুগে প্রবেশ করছে”, মোদির সঙ্গে বৈঠকের পর বললেন কার্নি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারত ও কানাডা (India And Canada) অংশীদারিত্বের এক নতুন যুগে প্রবেশ করছে।” সোমবার কথাগুলি বললেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি (Mark Carney)। এদিন তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন।

    দ্বিপাক্ষিক বৈঠক (India And Canada)

    নয়াদিল্লির হায়দরাবাদ হাউসে মোদি ও কার্নির মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকটি হয়।  সেখানে দুই দেশের অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করার বিষয়টি নিয়ে কথা হয়। বৈঠকের ভিডিও শেয়ার করে এক্স হ্যান্ডেলে করা পোস্টে কার্নি লেখেন, “ভারত ও কানাডা অংশীদারিত্বের এক নতুন যুগে প্রবেশ করছে।” দুই নেতা ভারত-কানাডা কৌশলগত অংশীদারিত্বের বিভিন্ন ক্ষেত্রে এখনও পর্যন্ত অর্জিত অগ্রগতির বিভিন্ন বিষয়ও পর্যালোচনা করেন। পাশাপাশি বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জ্বালানি, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, কৃষি, শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক-সহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার অবস্থাও খতিয়ে দেখেন। আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় করেন তাঁরা।

    ইন্ডিয়া-কানাডা সিইও ফোরাম

    দুই দেশের দুই প্রধানমন্ত্রী মোদি ও কার্নি এদিন বিকেলে ইন্ডিয়া-কানাডা সিইও ফোরামেও অংশ নেবেন। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত-কানাডা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে হচ্ছে কার্নির এই সফর (Mark Carney)। এর আগে দুই প্রধানমন্ত্রী পারস্পরিক উদ্বেগ ও সংবেদনশীলতার প্রতি সম্মান, জনগণ-স্তরের দৃঢ় সম্পর্ক এবং ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক পরিপূরকতার ভিত্তিতে একটি গঠনমূলক ও ভারসাম্যপূর্ণ অংশীদারিত্ব এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছিলেন (India And Canada)। এদিন দিনের শুরুতে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন, মোদি-কার্নি বৈঠকের আগে। বৈঠকের পর জয়শঙ্কর বলেন, “আজ সকালে নয়াদিল্লিতে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আনন্দিত। ভবিষ্যতমুখী অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার তাঁর অঙ্গীকারের প্রশংসা করছি (Mark Carney)।”

    ভারত সফরে সস্ত্রীক কানাডার প্রধানমন্ত্রী

    প্রসঙ্গত, কার্নি, তাঁর স্ত্রী ডায়ানা ফক্স কার্নিকে সঙ্গে নিয়ে ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ২ মার্চ পর্যন্ত ভারতের প্রথম সরকারি সফরে শুক্রবার মুম্বই পৌঁছেছিলেন। সোমবার তিনি নয়াদিল্লিতে আসেন। এর পর এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে তিনি লেখেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে নয়াদিল্লিতে পৌঁছেছি। কানাডা ও ভারত দুই আত্মবিশ্বাসী এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষী দেশ, যারা একসঙ্গে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যেতে চায়। আমাদের জনগণের জন্য আরও নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে আমরা জ্বালানি, প্রতিভা, উদ্ভাবন ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় নতুন অংশীদারিত্ব গড়ে তুলছি (India And Canada)।”

    মুম্বইয়ে কার্নি ব্যবসায়িক বৈঠকে অংশ নেন এবং ভারতীয় ও কানাডীয় সিইও, শিল্প ও আর্থিক বিশেষজ্ঞ, উদ্ভাবক, শিক্ষাবিদ এবং ভারতে অবস্থিত কানাডিয়ান পেনশন ফান্ডের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতামত বিনিময় করেন (Mark Carney)। শুক্রবার মুম্বই পৌঁছানোর পর কার্নি ভারতকে বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল প্রধান অর্থনীতি বলে অভিহিত করেছিলেন। কানাডীয় কর্মী ও ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টিকারী অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার প্রস্তুতির কথাও জানিয়েছিলেন তিনি (India And Canada)। নভেম্বর ২০২৫-এ জোহানেসবার্গে জি২০ সম্মেলনের পার্শ্ব বৈঠকে সর্বশেষ মোদি-কার্নি সাক্ষাৎ হয়েছিল। সেখানে মোদি জানিয়েছিলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে ভারত (Mark Carney)।

     

  • PM Modi: “ভারতে ১০টি নয়া সেমিকন্ডাক্টর প্রকল্প উৎপাদনে এসেছে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “ভারতে ১০টি নয়া সেমিকন্ডাক্টর প্রকল্প উৎপাদনে এসেছে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারতে ১০টি নতুন সেমিকন্ডাক্টর প্রকল্প উৎপাদনে আসার ফলে এর বহুগুণ প্রভাব ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প, স্টার্টআপ এবং ইলেকট্রনিক শিল্পের পুরো ভ্যালু চেইনে পৌঁছে যাবে (Micron Plant Inauguration)।” মাইক্রনের সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদন কেন্দ্রের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। আন্তর্জাতিক বাজারে ভারতের অবস্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “বিশ্বের কাছে বার্তা পৌঁছে গিয়েছে—ভারত সক্ষম, প্রতিযোগিতামূলক এবং প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমি বিশ্বব্যাপী বিনিয়োগকারী ও ভারতের অংশীদারদের আশ্বস্ত করছি যে কেন্দ্রীয় সরকার ও রাজ্য সরকার—উভয়ই আপনাদের পাশে রয়েছে।”

    দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব (PM Modi)

    বর্তমান প্রযুক্তিগত দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব সম্পর্কে তিনি বলেন, “এই দশক ভারতের প্রযুক্তি ভবিষ্যতের জন্য এক মোড় পরিবর্তনের সময় হিসেবে প্রমাণিত হবে।” বিশ্ব প্রযুক্তি শক্তির পরিবর্তন প্রসঙ্গে মোদি বলেন, “এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) বিপ্লবের শতাব্দী। সেমিকন্ডাক্টর এই বিপ্লবের একটি প্রধান সেতুবন্ধন। গত শতাব্দীতে যেমন তেল ছিল নিয়ন্ত্রক শক্তি, এই শতাব্দীতে মাইক্রোচিপ হবে নিয়ন্ত্রক।” তিনি আরও বলেন, “যখন বিশ্ব কোভিড মহামারির সঙ্গে লড়াই করছিল, তখনই ভারত সেমিকন্ডাক্টর প্রকল্প ঘোষণা করেছিল। মহামারির সময় সবকিছু ভেঙে পড়ছে বলে মনে হচ্ছিল। কিন্তু আমরা যে দৃঢ় বিশ্বাস নিয়ে বীজ বপন করেছিলাম, তা এখন অঙ্কুরিত হয়ে ফল দিচ্ছে (PM Modi)।” দেশে ইলেকট্রনিক পণ্যের চাহিদা ও উৎপাদন বৃদ্ধির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “ভারতের বিশাল জনসংখ্যার একটি বড় অংশ এখন (Micron Plant Inauguration) গ্যাজেটের বড় ভোক্তা হয়ে উঠছে এবং দেশে চাহিদা বাড়ছে। ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ পূর্ণ গতিতে এগিয়ে চলছে। গত ১১ বছরে ইলেকট্রনিক উৎপাদন ও রফতানি বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।”

    বিশ্বব্যাপী গ্রাহকদের সেবা

    সানন্দে নির্মিত এই উৎপাদন কেন্দ্রটি পূর্ণ সক্ষমতায় চালু হলে প্রায় ৫ লাখ বর্গফুট ক্লিনরুম স্পেস থাকবে, যা বিশ্বের বৃহত্তম রেইজড-ফ্লোর ক্লিনরুমগুলোর একটি হবে। এই কেন্দ্রটি বিশ্বব্যাপী গ্রাহকদের সেবা দেবে এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটিংয়ের দ্রুত অগ্রগতির ফলে মেমোরি ও স্টোরেজ সমাধানের যে বাড়তি বৈশ্বিক চাহিদা তৈরি হয়েছে, তা পূরণে সহায়তা করবে (PM Modi)। মোট ২২,৫০০ কোটিরও বেশি রুপি বিনিয়োগে এই প্রকল্পের নির্মাণকাজ অনুমোদনের পরপরই শুরু হয়, যা দেশে কৌশলগত সেমিকন্ডাক্টর বিনিয়োগ দ্রুত বাস্তবায়নে সরকারের অঙ্গীকারের প্রতিফলন। এই উৎপাদন কেন্দ্রের স্থাপন ও কার্যক্রম শুরু হওয়া প্রমাণ করে যে ভারত এখন সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনের ক্ষেত্রে একটি বিশ্বস্ত ও প্রতিযোগিতামূলক গন্তব্য হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। এটি (Micron Plant Inauguration) দেশে একটি স্থিতিশীল ও আত্মনির্ভর প্রযুক্তি ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার প্রধানমন্ত্রীর ভিশনের সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ (PM Modi)।

     

LinkedIn
Share