Tag: PM Narendra Modi

PM Narendra Modi

  • PM Narendra Modi: জি৭ সম্মেলনে যোগ দিতে ফের ফ্রান্সে পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী, যোগ দেবেন একাধিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে

    PM Narendra Modi: জি৭ সম্মেলনে যোগ দিতে ফের ফ্রান্সে পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী, যোগ দেবেন একাধিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জি৭ সম্মেলনে (G7 Summit) অংশ নিতে মঙ্গলবার ফ্রান্সের এভিয়াঁয় পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “জি৭ সম্মেলনে অংশ নিতে ফ্রান্সের এভিয়াঁয় পৌঁছেছি। বিশ্বের নেতাদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক ইস্যু নিয়ে মতবিনিময়ের অপেক্ষায় রয়েছি। আরও টেকসই ও সমৃদ্ধ পৃথিবী গড়তে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ভারত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

    ‘ভারত ইনোভেটস’ কনক্লেভের উদ্বোধন (PM Narendra Modi)

    ইউরোপ সফরের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী প্রথমে ফ্রান্সের নিস শহরে গিয়ে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁর সঙ্গে যৌথভাবে ‘ভারত ইনোভেটস’ কনক্লেভের উদ্বোধন করেন। পরে তিনি সরকারি সফরে যান স্লোভাকিয়ায়। সেখানে স্লোভাক প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকোর সঙ্গে প্রতিনিধি পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেন। এই সফরে ভারত ও স্লোভাকিয়া একাধিক মউ (MoU) স্বাক্ষর করে, এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে ‘কমপ্রিহেনসিভ পার্টনারশিপে’ উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেয়। স্লোভাকিয়া ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে সে দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মান ‘অর্ডার অব দ্য হোয়াইট ডবল ক্রস (ফার্স্ট ক্লাস)’ দেয়।

    মোদিকে স্বাগত জেনেভার প্রেসিডেন্টের 

    এর আগে মঙ্গলবার সকালে প্রধানমন্ত্রী সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় পৌঁছালে তাঁকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানান সে দেশের প্রেসিডেন্ট গাই পারমেলিন। ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, দুই নেতা উষ্ণ শুভেচ্ছা বিনিময়ের পাশাপাশি ভারত-সুইজারল্যান্ড দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন। এভিয়াঁয় অনুষ্ঠিত শীর্ষ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী মোদি জি৭ সদস্য দেশগুলির নেতা, আমন্ত্রিত অংশীদার রাষ্ট্র এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নেবেন। এসব বৈঠকে নতুন অংশীদারিত্ব গঠন, আন্তর্জাতিক সংহতি পুনর্গঠন, ভারসাম্যপূর্ণ ও টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং নিরাপদ ও দ্রুত এআই (AI) বাস্তবায়ন-সহ বিভিন্ন বৈশ্বিক বিষয়ে আলোচনা হবে (PM Narendra Modi)।

    একাধিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের সম্ভাবনা 

    সম্মেলনের ফাঁকে বিশ্বের বিভিন্ন নেতার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও করবেন প্রধানমন্ত্রী। বুধবার, ১৭ জুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হতে পারে। এভিয়াঁর কর্মসূচি শেষে বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী যাবেন প্যারিসে। সেখানে তিনি দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পাশাপাশি ইউরোপের বৃহত্তম (G7 Summit) প্রযুক্তি ও স্টার্টআপ সম্মেলন ‘ভিভাটেক সামিটে’ যোগ দেবেন। প্যারিসে প্রবাসী ভারতীয় সম্প্রদায়ের সদস্যদের উদ্দেশেও ভাষণ দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে তাঁর (PM Narendra Modi)।

     

  • India-Slovakia Relation: ভারত-স্লোভাকিয়া সম্পর্ক ‘পূর্ণাঙ্গ অংশীদারিত্ব’-এ উন্নীত, স্বাক্ষরিত ১১টি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি

    India-Slovakia Relation: ভারত-স্লোভাকিয়া সম্পর্ক ‘পূর্ণাঙ্গ অংশীদারিত্ব’-এ উন্নীত, স্বাক্ষরিত ১১টি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির স্লোভাকিয়া (PM Modi in Slovakia) সফরে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছল। সোমবার স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকোর সঙ্গে বৈঠকের পর ভারত ও স্লোভাকিয়া (India-Slovakia Relation) তাদের সম্পর্ককে ‘কমপ্রিহেনসিভ পার্টনারশিপ’ বা পূর্ণাঙ্গ অংশীদারিত্বে উন্নীত করার কথা ঘোষণা করেছে। পাশাপাশি শ্রম অভিবাসন, প্রতিরক্ষা, ডিজিটাল প্রযুক্তি, উচ্চশিক্ষা ও কোয়ান্টাম যোগাযোগ-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়াতে ১১টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেছে দুই দেশ। সোমবার স্লোভাকিয়ার রাষ্ট্রপতি পিটার পেলেগ্রিনির সঙ্গেও দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

    অভিন্ন বিশ্বাস, অগ্রাধিকার এবং ভবিষ্যতের প্রতীক

    ইউরোপ সফরের অংশ হিসেবে ব্রাতিস্লাভায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। এটি স্লোভাকিয়ায় কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রথম সফর। স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকোর সঙ্গে যৌথ সাংবাদিক বৈঠকে মোদি বলেন, “আমরা আমাদের সম্পর্ককে কমপ্রিহেনসিভ পার্টনারশিপের মর্যাদা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এটি আমাদের অভিন্ন বিশ্বাস, অগ্রাধিকার এবং ভবিষ্যতের প্রতীক।” ভারত-ইউরোপীয় ইউনিয়ন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্তকরণে সহায়তার জন্য প্রধানমন্ত্রী মোদি ফিকো-রও প্রশংসা করেন। দুদিনের এই সফরে স্লোভাকিয়ার প্রেসিডেন্ট পিটার পেলেগ্রিনি (President Peter Pellegrini) এবং প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকোর (Prime Minister Robert Fico) সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসেন নরেন্দ্র মোদি। পাশাপাশি শিল্প ও বাণিজ্য জগতের শীর্ষ প্রতিনিধিদের সঙ্গেও তাঁর আলোচনা হয়। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অটোমোবাইল শিল্প, রেল উৎপাদন, অত্যাধুনিক প্রযুক্তি, কৃত্রিম মেধা ও উদ্ভাবনের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

    ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির দ্রুত বাস্তবায়নে জোর

    দুই নেতার বৈঠকে ভারত-ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA)-র দ্রুত বাস্তবায়নের বিষয়েও আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী মোদি জানান, এই চুক্তি কার্যকর হলে দুই দেশের শিল্প, স্টার্টআপ ও ব্যবসায়ীরা উল্লেখযোগ্যভাবে উপকৃত হবে। স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকোও এই চুক্তিকে বিশ্বের অন্যতম উচ্চাকাঙ্ক্ষী বাণিজ্য চুক্তি হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এর বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করবে তাঁর দেশ।

    জ্বালানি, প্রতিরক্ষা ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা

    দুই দেশের মধ্যে জ্বালানি নিরাপত্তা, স্থায়িত্ব ও স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিশেষ করে পারমাণবিক শক্তি ও ভূ-তাপীয় শক্তি ক্ষেত্রে যৌথ উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, “অটোমোবাইল, রেলওয়ে, উন্নত উৎপাদন প্রযুক্তি এবং সবুজ প্রযুক্তি আমাদের সহযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র।” প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার করতে দুই দেশ একটি লেটার অফ ইনটেন্ট (LOI) চূড়ান্ত করেছে। মোদির মতে, এটি দুই দেশের প্রতিরক্ষা শিল্পের মধ্যে সহযোগিতায় নতুন গতি আনবে এবং পারস্পরিক আস্থা আরও সুদৃঢ় করবে।

    ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে সহযোগিতা বাড়ানোর অঙ্গীকার

    যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের ক্রমবর্ধমান ভূ-রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত গুরুত্বের কথা বিবেচনা করে ভারত ও স্লোভাকিয়া আঞ্চলিক সংযোগ, মুক্ত আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা এবং বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধানে একসঙ্গে কাজ করবে।

    দক্ষ কর্মীদের চলাচল সহজ করতে সমঝোতা

    দুই দেশ দক্ষ পেশাজীবীদের নিরাপদ ও বৈধ চলাচলকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে শ্রম অভিবাসন সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষর করেছে। পাশাপাশি কর্মরত পেশাজীবীদের সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে দ্রুত একটি সোশ্যাল সিকিউরিটি অ্যাগ্রিমেন্ট চূড়ান্ত করার বিষয়েও একমত হয়েছে উভয় পক্ষ।

    রাষ্ট্রসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ভারতের স্থায়ী সদস্যপদের সমর্থন

    বহুপাক্ষিক প্রতিষ্ঠানগুলির সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়ে দুই নেতা রাষ্ট্রসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কারকে সমর্থন করেছেন। এই প্রেক্ষিতে, সংস্কারিত ও সম্প্রসারিত নিরাপত্তা পরিষদে ভারতের স্থায়ী সদস্যপদের দাবিতে স্লোভাকিয়ার ধারাবাহিক সমর্থনের জন্য ভারত কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে।

    সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যৌথ অবস্থান

    মোদি ও ফিকো সব ধরনের সন্ত্রাসবাদের, বিশেষ করে সীমান্তপারের সন্ত্রাসবাদের তীব্র নিন্দা করেন। পহেলগাঁও জঙ্গি হামলারও কড়া নিন্দা জানান ফিকো। সন্ত্রাস দমনে সহযোগিতা বাড়াতে দুই দেশ একটি যৌথ সন্ত্রাসবিরোধী কর্মগোষ্ঠী (Joint Working Group on Counter-Terrorism) গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি রাষ্ট্রসংঘের কাঠামোর আওতায় সন্ত্রাসবিরোধী সহযোগিতা আরও জোরদার করার অঙ্গীকার করেছে দুই দেশ। দুই নেতা সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনাকারী, অর্থদাতা ও মদতদাতাদের জবাবদিহির আওতায় আনার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

    ভারত-স্লোভাকিয়া সম্পর্ক

    ভারত-স্লোভাকিয়া বৈঠকের এই সিদ্ধান্তগুলি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে নতুন মাত্রা দেওয়ার পাশাপাশি ইউরোপে ভারতের কৌশলগত ও অর্থনৈতিক উপস্থিতি আরও শক্তিশালী করবে বলে মনে করছেন কূটনৈতিক মহল। বিদেশ মন্ত্রকের (Ministry of External Affairs) মতে, গত কয়েক বছরে দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ যে নতুন গতি পেয়েছে, মোদির এই সফর সেই সম্পর্ককে আরও গভীর ও সুসংহত করার দিকেই বড় পদক্ষেপ। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর (President Droupadi Murmu) স্লোভাকিয়া সফর এবং এবছর স্লোভাকিয়ার রাষ্ট্রপতি পেলেগ্রিনির ভারত সফরের পর মোদির এই সফর দুই দেশের ক্রমবর্ধমান কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে এক নতুন মাত্রা যোগ করল। ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল সহ শীর্ষস্থানীয় প্রতিনিধিরা এই সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গী হয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর এই সফর ভারত ও স্লোভাকিয়ার সম্পর্কের (India-Slovakia relations) ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।

  • International Yoga Day 2026: পালাবদলের জন্য বাংলাকে বড় ‘উপহার’ কেন্দ্রের! এবছর আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের মূল অনুষ্ঠান কলকাতায়, থাকবেন প্রধানমন্ত্রী

    International Yoga Day 2026: পালাবদলের জন্য বাংলাকে বড় ‘উপহার’ কেন্দ্রের! এবছর আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের মূল অনুষ্ঠান কলকাতায়, থাকবেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে পালাবদলের পর কেন্দ্রের তরফ থেকে সম্ভবত সবথেকে বড় উপহার পেল পশ্চিমবঙ্গ ও পশ্চিমবঙ্গবাসী। ২১ জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস ২০২৬-এর মূল অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে কলকাতায়। এই ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় আয়ুষ প্রতিমন্ত্রী (স্বতন্ত্র দায়িত্বপ্রাপ্ত) প্রতাপরাও যাদব। সম্প্রতি নবান্নে যোগবিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেই তিনি কলকাতায় মূল অনুষ্ঠান আয়োজনের ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছিলেন। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, রাজ্যের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তকে এক ধরনের ইতিবাচক বার্তা হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

    যোগ দিবসের কাউন্টডাউন শুরু

    মধ্যপ্রদেশের খাজুরাহোর পশ্চিম মন্দির প্রাঙ্গণে আয়োজিত ‘যোগ মহোৎসব ২০২৬’-এ এই ঐতিহাসিক ঘোষণাটি করেন কেন্দ্রীয় আয়ুষ প্রতিমন্ত্রী (Ayush Ministry) প্রতাপরাও যাদব। আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের ২৫ দিনের কাউন্টডাউন কর্মসূচির সূচনা করে তিনি জানান, ভারতের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের পীঠস্থান কলকাতাই এবার যোগ দিবসের মূল অনুষ্ঠানের আয়োজক। কেন্দ্রীয় আয়ুষ মন্ত্রকের অধীনস্থ মোরারজি দেশাই ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ যোগ (MDNIY)-এর উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে হাজার হাজার যোগপ্রেমী অংশ নেন এবং একযোগে ‘কমন যোগ প্রোটোকল’-এর প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ করেন। একইসঙ্গে প্রতাপরাও যাদব এ বছরের আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের থিম হিসেবে ঘোষণা করেন — “Yoga for Healthy Ageing”। বয়স বাড়ার সঙ্গে সুস্থ জীবনযাপন, মানসিক স্থিতি এবং সামগ্রিক সুস্বাস্থ্যে যোগব্যায়ামের গুরুত্বকে সামনে রেখেই এই থিম নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

    সংস্কৃতি ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের শহর কলকাতায় যোগ দিবসের আসর

    প্রতাপরাও যাদব বলেন, “সংস্কৃতি ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ কলকাতা এবার আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের মূল আয়োজক শহর হতে চলেছে। যোগ শুধুমাত্র শরীরচর্চা নয়, এটি একটি সামগ্রিক জীবনদর্শন, যা বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সুস্থ ও ভারসাম্যপূর্ণ জীবন বজায় রাখতে সাহায্য করে।” তিনি আরও বলেন, যোগ ভারতের প্রাচীন জ্ঞান ও ঐতিহ্যের প্রতীক এবং প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যব্যবস্থার ক্ষেত্রে এর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সুষম জীবনযাপন, মানসিক শান্তি এবং দৈনন্দিন শৃঙ্খলাবদ্ধ জীবনধারার মাধ্যমে যোগ মানুষের সামগ্রিক উন্নতিতে সাহায্য করে। খাজুরাহোকে ভারতের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও সুস্থতা চর্চার এক অনন্য প্রতীক বলে উল্লেখ করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, এই শহরের বিশ্বব্যাপী যোগ ও ওয়েলনেস কেন্দ্র হিসেবে গড়ে ওঠার বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে আয়ুষ মন্ত্রক দেশের প্রত্যন্ত গ্রাম, স্কুল, অফিস এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে যোগচর্চা পৌঁছে দিতে ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে বলেও জানান যাদব। তিনি বলেন, “যোগ এবং ‘আয়ুষ আহার’-এর মতো উদ্যোগ মানুষের মধ্যে সুষম খাদ্যাভ্যাস, শৃঙ্খলাপূর্ণ জীবনযাপন এবং সামগ্রিক সুস্থতার বার্তা পৌঁছে দিচ্ছে।”

    শহরের যোগপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ

    কলকাতায় আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের মূল অনুষ্ঠান আয়োজন এবং তাতে প্রধানমন্ত্রী মোদির উপস্থিতির ঘোষণা ঘিরে শহরের যোগপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি নবান্নে যোগবিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এই আয়োজনের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। সেই বৈঠকের পর থেকেই প্রশাসনিক স্তরে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। ক্রীড়াভারতীর প্রদেশ সম্পাদক বিভাস মজুমদার জানান, “অনেকদিন ধরেই আমরা কলকাতায় মূল অনুষ্ঠান আয়োজনের দাবি জানিয়ে আসছিলাম। নানা রাজনৈতিক কারণে তা সম্ভব হয়নি। এবার সেই সুযোগ বাস্তবায়িত হতে চলেছে।” অন্যদিকে, যোগ দিবস উদযাপন কমিটির সম্পাদক ডক্টর অভিজিৎ ঘোষের মতে, আগামী ২১ জুন কলকাতার ইতিহাসে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ দিন হয়ে উঠবে।

    কেন্দ্রীয় স্তরে প্রস্তুতি শুরু

    ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় স্তরে এই নিয়ে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য সফর ঘিরে প্রশাসনিক মহলেও তৎপরতা বেড়েছে। এই আবহে খুব শীঘ্রই নিরাপত্তা আধিকারিকদের একটি দল ব্রিগেড পরিদর্শনে যেতে পারে বলেও দাবি করা হয়েছে রিপোর্টে। প্রতাপরাও যাদব ‘যোগ সঙ্গম পোর্টাল’-এর নতুন সংস্করণ চালু করেন। এই পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইনে নাম নথিভুক্ত করা আরও সহজ হবে এবং সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি চালু হয়েছে ‘যোগ পার্ক পোর্টাল’, যার উদ্দেশ্য বিভিন্ন রাজ্য ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্থায়ী যোগচর্চার পরিকাঠামো গড়ে তোলা। অনুষ্ঠানে নতুন ডিজাইনের যোগ টি-শার্টও প্রকাশ করা হয়। এছাড়া ‘যোগ ৩৬৫ অভিযান’-এর আওতায় ১০০ দিনের বিনামূল্যের যোগ প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে ইতিমধ্যেই দুই লক্ষের বেশি মানুষ অংশ নিয়ে ‘যোগ মিত্র’ শংসাপত্র অর্জন করেছেন।

  • PM Modi Sweden Visit: বিশ্বকবির ঐতিহ্যকে সম্মান জানিয়ে বিশেষ উপহার বিনিময় মোদি-ক্রিস্টারসনের, সামনে এল ১০০ বছরের ইতিহাস

    PM Modi Sweden Visit: বিশ্বকবির ঐতিহ্যকে সম্মান জানিয়ে বিশেষ উপহার বিনিময় মোদি-ক্রিস্টারসনের, সামনে এল ১০০ বছরের ইতিহাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও সুইডেনের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও গভীর করতে এবং বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ঐতিহ্যকে সম্মান জানাতে বিশেষ উপহার বিনিময় করলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী উলফ ক্রিস্টারসন। রবিবার সুইডেনে পৌঁছনোর পর দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে এই প্রতীকী উপহার বিনিময় বিশেষ তাৎপর্য বহন করে, কারণ এ বছর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ঐতিহাসিক সুইডেন সফরের শতবর্ষও উদযাপিত হচ্ছে।

    কী উপহার পেলেন নরেন্দ্র মোদি?

    সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী উলফ ক্রিস্টারসন প্রধানমন্ত্রী মোদিকে উপহার দেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের হাতে লেখা দুটি এপিগ্রামের (সংক্ষিপ্ত কাব্যপংক্তি) প্রতিলিপি। এর সঙ্গে ছিল একটি ব্যাখ্যামূলক নোট এবং ১৯২১ সালে রবীন্দ্রনাথের উপসালা বিশ্ববিদ্যালয় সফরের সময় তোলা একটি ঐতিহাসিক আলোকচিত্র। সরকারি বিবৃতি অনুযায়ী, এই মূল নথিগুলি সম্প্রতি সুইডিশ ন্যাশনাল আর্কাইভস থেকে আবিষ্কৃত হয়েছে। এগুলি রবীন্দ্রনাথের ১৯২১ এবং ১৯২৬ সালের সুইডেন সফরের সময় রচিত।

    কী উপহার দিলেন নরেন্দ্র মোদি?

    অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সুইডেনের প্রধানমন্ত্রীকে উপহার দেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনাবলীর একটি বিশেষ সংকলন। সঙ্গে ছিল শান্তিনিকেতনের শিল্পীদের হাতে তৈরি একটি কারুকার্যখচিত ব্যাগ, যার নকশায় ব্যবহার করা হয়েছে সেইসব মোটিফ যা রবীন্দ্রনাথ নিজে স্থানীয় কারিগরদের ক্ষমতায়নের উদ্দেশ্যে বেছে নিয়েছিলেন।

    কবিগুরুর সুইডেন সফর…

    সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই ব্যাগটি রবীন্দ্রনাথের সেই দর্শনের প্রতীক, যেখানে শিল্পকে শুধুমাত্র গ্যালারির মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে যুক্ত করার কথা বলা হয়েছে। অর্থাৎ, বুদ্ধিবৃত্তিক শিল্পচর্চা এবং ব্যবহারিক জীবনের মধ্যে সেতুবন্ধনই ছিল তাঁর ভাবনার মূল ভিত্তি। উল্লেখযোগ্যভাবে, ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করলেও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ব্যক্তিগত কারণে সুইডেনে গিয়ে পুরস্কার গ্রহণ করতে পারেননি। পরবর্তীতে ১৯২১ সালে সুইডেন সফরকালে তাঁকে রাজা পঞ্চম গুস্তাভ অভ্যর্থনা জানান। সেই সফরই ভারত-সুইডেন সাংস্কৃতিক সম্পর্কের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

    ভারত-সুইডেন দ্বিপাক্ষিক আলোচনা

    উপহার বিনিময়ের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সুইডেন সফর কূটনৈতিকভাবেও গুরুত্বপূর্ণ। দুই দিনের সফরে তিনি সুইডেনের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মানগুলির অন্যতম ‘রয়্যাল অর্ডার অফ দ্য পোলার স্টার, ডিগ্রি কমান্ডার গ্র্যান্ড ক্রস’-এ ভূষিত হন। ভারত-সুইডেন সম্পর্ক উন্নয়নে অসামান্য অবদান এবং দূরদর্শী নেতৃত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে এই সম্মান দেওয়া হয়েছে। দুই দেশের প্রতিনিধিদল-স্তরের বৈঠকে বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা, মহাকাশ, জলবায়ু পরিবর্তন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), উদীয়মান প্রযুক্তি, স্টার্টআপ, গ্রিন ট্রানজিশন এবং স্থিতিশীল সরবরাহ শৃঙ্খল নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়। ২০২৫ সালে ভারত-সুইডেন দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ৭.৭৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে, যা ভবিষ্যতে আরও বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে বলে দুই পক্ষই আশাবাদী।

    রবীন্দ্রনাথকে ঘিরে ভারত-সুইডেন সাংস্কৃতিক কূটনীতি

    বিশেষজ্ঞদের মতে, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে কেন্দ্র করে এই সাংস্কৃতিক কূটনীতি শুধুমাত্র ঐতিহাসিক সম্পর্কের পুনরুজ্জীবন নয়, বরং ভারত-সুইডেন সম্পর্ককে মানবিক ও সাংস্কৃতিক ভিত্তিতেও আরও শক্তিশালী করার একটি কৌশলগত পদক্ষেপ। মোদির এই সফর প্রমাণ করল, কূটনীতির ভাষা শুধু বাণিজ্য বা প্রতিরক্ষা নয়—সংস্কৃতি, ইতিহাস এবং সাহিত্যও আন্তর্জাতিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারে।

  • Modi 31st International Award: ৩১তম আন্তর্জাতিক সম্মান মোদির ঝুলিতে, সুইডেনের ঐতিহাসিক ‘পোলার স্টার’ সম্মান হাতে প্রধানমন্ত্রী

    Modi 31st International Award: ৩১তম আন্তর্জাতিক সম্মান মোদির ঝুলিতে, সুইডেনের ঐতিহাসিক ‘পোলার স্টার’ সম্মান হাতে প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-সুইডেন কূটনৈতিক সম্পর্ককে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সুইডেনের অন্যতম সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান ‘রয়্যাল অর্ডার অফ দ্য পোলার স্টার, কমান্ডার গ্র্যান্ড ক্রস’ প্রদান করল সুইডেন সরকার। সোমবার সুইডেন সফরে গোথেনবার্গে পৌঁছনোর পর এক বিশেষ অনুষ্ঠানে এই সম্মান তুলে দেন সুইডেনের ক্রাউন প্রিন্সেস ভিক্টোরিয়া। এই পুরস্কার আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, রাষ্ট্রনেতৃত্ব এবং বিশ্বব্যাপী সহযোগিতায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দেওয়া হয়। সুইডেনের পাঁচ দেশের সফরের গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে এই সম্মান প্রাপ্তি ভারত-সুইডেন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের গভীরতা এবং কৌশলগত গুরুত্বকে নতুন মাত্রা দিল বলে মনে করছেন কূটনৈতিক মহল।

    কী এই ‘রয়্যাল অর্ডার অফ দ্য পোলার স্টার’?

    ‘রয়্যাল অর্ডার অফ দ্য পোলার স্টার’ (Kungliga Nordstjärneorden) সুইডেনের একটি ঐতিহ্যবাহী সম্মাননা, যা ১৭৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। মূলত নাগরিক সেবা, বিজ্ঞান, সাহিত্য, জনকল্যাণ এবং আন্তর্জাতিক সদ্ভাব বৃদ্ধিতে অসামান্য অবদানের জন্য এই পুরস্কার দেওয়া হয়। এর ‘কমান্ডার গ্র্যান্ড ক্রস’ গ্রেডটি সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ স্তরগুলির মধ্যে অন্যতম। সাধারণত রাষ্ট্রপ্রধান, শীর্ষ কূটনীতিক এবং আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখা ব্যক্তিদের এই সম্মান দেওয়া হয়।

    সম্মান গ্রহণ করে কী বললেন মোদি?

    সম্মান গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, “এই সম্মান শুধু আমার ব্যক্তিগত প্রাপ্তি নয়, এটি ১৪০ কোটি ভারতবাসীর সম্মান। আমি এই পুরস্কার ভারত ও সুইডেনের দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্ব এবং দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক বিশ্বাস ও সৌহার্দ্যের উদ্দেশে উৎসর্গ করছি।” তিনি আরও বলেন, সুইডেনের এই সম্মান দুই দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্ক, সাংস্কৃতিক যোগাযোগ এবং আধুনিক কৌশলগত অংশীদারিত্বেরই প্রতিফলন। মোদির কথায়, “ভারত ও সুইডেন শুধু অর্থনৈতিক অংশীদার নয়, উদ্ভাবন, টেকসই উন্নয়ন এবং ভবিষ্যতের প্রযুক্তিনির্ভর সহযোগিতার ক্ষেত্রেও একে অপরের গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী।”

    মোদির ৩১তম আন্তর্জাতিক সম্মান

    বিদেশি সরকারের তরফে প্রধানমন্ত্রী মোদির প্রাপ্ত আন্তর্জাতিক সম্মানের সংখ্যা এবার দাঁড়াল একত্রিশে। গত কয়েক বছরে বিশ্বের একাধিক দেশ মোদিকে তাদের সর্বোচ্চ বা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সম্মানে ভূষিত করেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ধারাবাহিক সম্মান ভারতের ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক প্রভাব, কৌশলগত অবস্থান এবং মোদি সরকারের সক্রিয় কূটনৈতিক নীতির প্রতিফলন। বিশেষ করে বহুপাক্ষিক সহযোগিতা, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, গ্লোবাল সাউথ-এর স্বার্থরক্ষা এবং টেকসই উন্নয়নের পক্ষে ভারতের অবস্থান আন্তর্জাতিক স্তরে প্রশংসিত হয়েছে।

    কেন গুরুত্বপূর্ণ এই সম্মান?

    সুইডিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বে ভারত-সুইডেন সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় ৭.৭৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার-এ পৌঁছেছে।

    দুই দেশের সহযোগিতার মূল ক্ষেত্রগুলির মধ্যে রয়েছে—

    • ● প্রতিরক্ষা সহযোগিতা
    • ● সবুজ শক্তি ও দুষণমুক্ত জ্বালানি প্রযুক্তি
    • ● কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI)
    • ● উদ্ভাবন ও স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম
    • ● টেকসই নগর উন্নয়ন

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ইউরোপে ভারতের কৌশলগত উপস্থিতি জোরদার করতে সুইডেন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। একই সঙ্গে নর্ডিক অঞ্চলে ভারতের প্রভাব বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও এই সফর তাৎপর্যপূর্ণ।

    ভারত-সুইডেন সম্পর্কের নতুন অধ্যায়

    প্রধানমন্ত্রী মোদির এই সফরে বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা, উদ্ভাবন, সবুজ প্রযুক্তি এবং কৌশলগত অংশীদারিত্ব নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। ফলে শুধু একটি সম্মাননা নয়, এই সফরকে ভারত-সুইডেন সম্পর্কের নতুন অধ্যায় হিসেবেও দেখা হচ্ছে। কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সুইডেনের এই সম্মান বিশ্বমঞ্চে ভারতের ক্রমবর্ধমান অবস্থান এবং প্রধানমন্ত্রী মোদির আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতার আরেকটি প্রতীক হয়ে থাকল।

  • BRICS Meet 2026:  দিল্লিতে মোদি-লাভরভ-আরাঘচি সাক্ষাৎ, যুদ্ধের আবহে ব্রিকস মঞ্চে বাড়ছে ভারতের গুরুত্ব

    BRICS Meet 2026: দিল্লিতে মোদি-লাভরভ-আরাঘচি সাক্ষাৎ, যুদ্ধের আবহে ব্রিকস মঞ্চে বাড়ছে ভারতের গুরুত্ব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকা-ইরান সংঘাতের আবহেই দিল্লিতে শুরু হলো ব্রিকস (BRICS Meet 2026) গোষ্ঠীভুক্ত রাষ্ট্রগুলির দুই দিনের বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক। তবে সব ছাপিয়ে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে হয়ে উঠল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Narendra Modi) সঙ্গে রুশ বিদেশমন্ত্রী সের্গেই লেভরভ এবং ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির হাই-প্রোফাইল সাক্ষাৎ (PM Modi meets Araghchi and Lavrov)। ইরান যুদ্ধ শুরুর পর এই প্রথম দুই শক্তিশালী বন্ধু দেশের শীর্ষ প্রতিনিধিদের সঙ্গে মোদির এই বৈঠক আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতিতে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে, এই দুই দেশের সঙ্গেই ‘আদায়-কাঁচকলায়’ সম্পর্ক আমেরিকার।

    লাভরভের সঙ্গে পৃথক বৈঠক মোদির

    চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ব্রিকসের (BRICS Meet 2026)  সভাপতিত্ব গ্রহণ করেছে ভারত। এর আগে ২০১২, ২০১৬ এবং ২০২১ সালে ভারত ব্রিকসের নেতৃত্ব দিয়েছিল। ২০২৬ সালের ব্রিকস সভাপতিত্বের রূপরেখা তৈরি এবং সম্প্রসারিত ব্রিকস গোষ্ঠীর মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদার করতেই এই বৈঠককে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রী সের্গেই লাভরভের সঙ্গেও পৃথক বৈঠক করেন। বৈঠকে ইউক্রেন যুদ্ধ এবং পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয় বলে জানা গিয়েছে। বৈঠকের পরে এক্স হ্যান্ডলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের “বিশেষ ও কৌশলগত অংশীদারিত্ব”-এর বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি ইউক্রেন এবং পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় হয়েছে। শান্তিপূর্ণ উপায়ে সংঘাতের সমাধানের পক্ষে ভারতের অবস্থানও তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।

    ইরান-সহ অন্যান্য দেশের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত

    ইরানের বিদেশমন্ত্রী বুধবার গভীর রাতে দিল্লি পৌঁছানোর পর বৃহস্পতিবার মোদির সঙ্গে দেখা করেন। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এটাই ভারতের সঙ্গে প্রথম উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক বৈঠক ইরানের।চলতি বছর ব্রিকস গোষ্ঠীর সভাপতিত্ব করছে ভারত। ১৪ ও ১৫ মে নয়া দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ব্রিকস দেশগুলির বিদেশমন্ত্রীদের সম্মেলন। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই মেগা ইভেন্টে যোগ দিতেই রাশিয়া, ইরান, দক্ষিণ আফ্রিকা, ব্রাজিল এবং ইন্দোনেশিয়ার বিদেশমন্ত্রীরা ভারতে এসেছেন। এদিন রুশ ও ইরান ছাড়াও অন্য দেশগুলির বিদেশমন্ত্রীদের সঙ্গে সমবেতভাবে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি ব্রিকস সদস্য ও অংশীদার দেশগুলির প্রতিনিধিদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক ‘ব্রিকস ফ্যামিলি ফোটো’-তেও অংশ নেন।

    আমেরিকার বিরুদ্ধে কার্যত যুদ্ধ ঘোষণা

    বৃহস্পতিবার সম্মেলনের (BRICS Meet 2026) প্রথম দিনেই নিজের ভাষণে আমেরিকার বিরুদ্ধে কার্যত যুদ্ধ ঘোষণা করেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। আন্তর্জাতিক মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি মার্কিন নীতিকে ‘গুন্ডামি’ বলে অভিহিত করেন। আরাঘচি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “মার্কিন আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আমাদের প্রতিরোধ বিশ্ববাসীর অজানা নয়। এই কক্ষে উপস্থিত অনেকেই একইভাবে ঘৃণ্য জবরদস্তির শিকার হয়েছেন।” অন্যান্য দেশের প্রতি তাঁর আহ্বান, একজোট হয়ে মার্কিন আগ্রাসনের যোগ্য জবাব দেওয়ার সময় এসেছে। আরাঘচির কথায়, “এখনই সময় আমাদের একসঙ্গে এগিয়ে এসে স্পষ্ট বার্তা দেওয়ার যে, এই ধরনের নীতি ইতিহাসের আবর্জনার স্তূপেই জায়গা পাবে।” পশ্চিম এশিয়ায় বাড়তে থাকা অস্থিরতা নিয়েও সতর্কবার্তা দেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী। তিনি বলেন, কিছু দেশ হয়ত মনে করে বেপরোয়া সামরিক বা রাজনৈতিক পদক্ষেপ তাদের ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থকে এগিয়ে নিয়ে যায়। কিন্তু বাস্তবে আঞ্চলিক অস্থিরতা শেষ পর্যন্ত সকল পক্ষের জন্যই ক্ষতিকর।

    আঞ্চলিক অস্থিরতা সবার জন্যই ক্ষতির

    আরাঘচি বলেন, “যাঁরা বেপরোয়া অভিযানে নামছেন, তাঁরা হয়তো ভাবছেন এতে তাঁদের ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষা হচ্ছে। কিন্তু বিশ্বজুড়ে সাধারণ মানুষ এবং সরকারগুলি এখন বুঝতে পারছে যে, আঞ্চলিক অস্থিরতা সবার জন্যই ক্ষতির— এমনকি আগ্রাসনকারীদের জন্যও।”আরও এক তীব্র মন্তব্যে তিনি বলেন, ইতিহাস দেখিয়েছে পতনের মুখে থাকা সাম্রাজ্যগুলি নিজেদের প্রভাব ধরে রাখতে মরিয়া হয়ে ওঠে। তাঁর ভাষায়, “ইতিহাস সাক্ষী, পতনশীল সাম্রাজ্য নিজেদের অনিবার্য পরিণতি ঠেকাতে সবকিছু করতে পারে। আহত পশু যেমন শেষ মুহূর্তে মরিয়া হয়ে থাবা মারে ও গর্জন করে, তেমনই আচরণ করে তারা।” যদিও ব্রিকস এখনও এই যুদ্ধ নিয়ে সরাসরি কোনও কড়া বার্তা দেয়নি, তবে তেহরান চাইছে এই জোট যেন পশ্চিমী আধিপত্যের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান নেয়।

    দিল্লি মস্কো ও তেহরানের মধ্যে সুপ্রাচীন সম্পর্ক

    ব্রিকসের (BRICS Summit 2026) মূল অনুষ্ঠানের ফাঁকে মোদি, রুশ ও ইরানি প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলাদাভাবে আলোচনা করেন। ভারতের এই সক্রিয় কূটনৈতিক ভূমিকা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, পশ্চিমী চাপ থাকা সত্ত্বেও দিল্লি মস্কো ও তেহরানের সঙ্গে তার সুপ্রাচীন সম্পর্ক রক্ষায় অনড়। যুদ্ধের অস্থিরতার মাঝে দিল্লিতে এই মেগা বৈঠক প্রমাণ করে দিচ্ছে যে, বিশ্ব রাজনীতিতে ভারতের মধ্যস্থতাকারী ভূমিকা আরও জোরালো হচ্ছে। একদিকে আমেরিকার সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারিত্ব, অন্যদিকে ইরান-রাশিয়ার সঙ্গে বন্ধুত্ব— এই দুইয়ের ভারসাম্যে ভারত নিজের জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করে চলাই শ্রেয় বলে মনে করছে, অভিমত কূটনীতিকদের। ব্রিকস বৈঠকে সদস্য দেশগুলির শীর্ষ কূটনীতিকরা আঞ্চলিক নিরাপত্তা, আন্তর্জাতিক উত্তেজনা এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করছেন।

  • PM Modi: ১২,০০০ কোটি টাকারও বেশি ব্যয়ে ২১৩ কিলোমিটার দীর্ঘ ছয় লেনের দিল্লি-দেরাদুন ইকোনমিক করিডোর উদ্বোধন মোদির

    PM Modi: ১২,০০০ কোটি টাকারও বেশি ব্যয়ে ২১৩ কিলোমিটার দীর্ঘ ছয় লেনের দিল্লি-দেরাদুন ইকোনমিক করিডোর উদ্বোধন মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আজ মঙ্গলবার উত্তরাখণ্ড ও উত্তরপ্রদেশ সফর করবেন। এই সফরে তিনি দেরাদুন-দিল্লি ইকোনমিক করিডোর (Delhi-Dehradun Economic Corridor) জাতির উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করবেন। দুপুর নাগাদ দেরাদুনে একটি জনসভায় প্রধানমন্ত্রী দিল্লি-দেরাদুন ইকোনমিক করিডোরের উদ্বোধন করবেন এবং উপস্থিত জনগণের উদ্দেশ্যে ভাষণ দেবেন।

    সাহারানপুরে পৌঁছাবেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় (PMO) সূত্রে জানা গেছে, আজ বেলা ১১টা ১৫ মিনিট নাগাদ প্রধানমন্ত্রী উত্তরপ্রদেশের সাহারানপুরে পৌঁছাবেন। সেখানে তিনি দিল্লি-দেরাদুন ইকোনমিক করিডোরের এলিভেটেড সেকশনে নির্মিত ‘ওয়াইল্ডলাইফ করিডোর’ বা বন্যপ্রাণী করিডোরটি পরিদর্শন করবেন। এরপর তিনি দেরাদুনের নিকটবর্তী মা ডাট কালী মন্দিরে পূজা ও দর্শন সারবেন।

    প্রকল্পের সুবিধা

    খরচ ও দৈর্ঘ্য: ২১৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এই ছয় লেনের ইকোনমিক করিডোরটি তৈরি করতে ১২,০০০ কোটি টাকারও বেশি ব্যয় হয়েছে।

    সময় সাশ্রয়: এই করিডোরটি দিল্লি, উত্তরপ্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ডের মধ্য দিয়ে বিস্তৃত। এর ফলে দিল্লি থেকে দেরাদুন যাওয়ার সময় বর্তমানের ৬ ঘণ্টা থেকে কমে মাত্র আড়াই ঘণ্টায় নেমে আসবে।

    উন্নত পরিকাঠামো: এই প্রকল্পে ১০টি ইন্টারচেঞ্জ, ৩টি রেলওয়ে ওভার ব্রিজ (ROB), ৪টি বড় সেতু এবং যাত্রীদের সুবিধার জন্য ১২টি ‘ওয়েসাইড অ্যামেনিটি’ তৈরি করা হয়েছে। যাতায়াত আরও নিরাপদ করতে এখানে অ্যাডভান্সড ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (ATMS) ব্যবহার করা হয়েছে।

    ওয়াইল্ডলাইফ করিডোর

    পরিবেশের ভারসাম্য ও বন্যপ্রাণীদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে এই করিডোরে বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এখানে ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি এলিভেটেড ওয়াইল্ডলাইফ করিডোর তৈরি করা হয়েছে, যা এশিয়ার অন্যতম দীর্ঘ। এ ছাড়াও প্রাণীদের চলাচলের জন্য ৮টি অ্যানিম্যাল পাস, হাতির চলাচলের জন্য ২টি আন্ডারপাস এবং ডাট কালী মন্দিরের কাছে ৩৭০ মিটার দীর্ঘ একটি টানেল তৈরি করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এই ইকোনমিক করিডোরটি আঞ্চলিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করবে এবং পর্যটন ও বাণিজ্যের ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

  • PM Modi Meeting: রাজ্যগুলির মধ্যে সমন্বয় ও যৌথ উদ্যোগ জরুরি, পশ্চিম এশিয়ার অস্থির পরিস্থিতিতে আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi Meeting: রাজ্যগুলির মধ্যে সমন্বয় ও যৌথ উদ্যোগ জরুরি, পশ্চিম এশিয়ার অস্থির পরিস্থিতিতে আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ায় চলমান সংঘাতের জেরে উদ্ভূত পরিস্থিতি সামাল দিতে কেন্দ্র সরকার একটি উচ্চপর্যায়ের ইন্টার-মিনিস্টেরিয়াল গ্রুপ (IGM) গঠন করল। এই কমিটির নেতৃত্বে রয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। কমিটিতে রয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন এবং পেট্রোলিয়ামমন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী। পশ্চিম এশিয়ার (West Asia) অস্থির পরিস্থিতি নিয়ে দেশের সার্বিক অবস্থা পর্যালোচনা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নির্ধারণে শুক্রবার সন্ধ্যায় ভার্চুয়াল বৈঠকে (Virtual Meeting) বসেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ( PM Modi Meeting)। এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে একাধিক রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা অংশ নেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে কীভাবে কেন্দ্র ও রাজ্য যৌথভাবে কাজ করবে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

    ছিল না ভোটমুখী পাঁচ রাজ্য

    ভোটমুখী পাঁচ রাজ্য অসম (Assam),কেরালা (Kerala),তামিলনাড়ু (Tamilnadu),পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal) এবং কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল পুদুচেরির (Puducherry) মুখ্যমন্ত্রীরা এই বৈঠকে অংশ নেননি। নির্বাচন আচরণবিধি বা মডেল কোড অফ কন্ডাক্ট কার্যকর থাকায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর। জানা গিয়েছে, এই পাঁচ রাজ্যের মুখ্যসচিবদের সঙ্গে আলাদা করে বৈঠক করবেন কেন্দ্রের মন্ত্রিপরিষদ সচিবালয়, যাতে প্রশাসনিক স্তরে সমন্বয় বজায় রাখা যায়। মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকের আগে প্রধানমন্ত্রী মোদি রাজ্যগুলির প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা খতিয়ে দেখেন। সীমান্ত, উপকূল, সাইবার স্পেস এবং গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামোতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলেও তিনি জানান। গুজব ও মজুতদারি রুখতে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি দেশের ঐক্য বজায় রাখার ওপর জোর দেন। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, একের পর এক বৈশ্বিক সংকটের মধ্যেও ভারত তার অগ্রগতির ধারা বজায় রেখেছে, যা সম্ভব হয়েছে সম্মিলিত জাতীয় প্রচেষ্টা এবং সক্রিয় প্রশাসনের মাধ্যমে।

    জ্বালানি সরবরাহ ও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় বৈঠক

    এই ভার্চুয়াল বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের শীর্ষ আধিকারিকরা। পাশাপাশি বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরাও যোগ দেন। বৈঠকে দেশের নিরাপত্তা, জ্বালানি সরবরাহ ও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা চলছে বলে খবর। সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, এই বৈঠকে ‘টিম ইন্ডিয়া’-র ভাবনায় রাজ্যগুলির মধ্যে সমন্বয় ও যৌথ উদ্যোগ নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। উল্লেখ্য, পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর এই ধরনের বৈঠক এই প্রথম। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের যৌথভাবে ইরানের ওপর হামলা চালানোর পর থেকেই এই সংঘাতের সূচনা হয়। এরপর ইরান পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইজরায়েল ও একাধিক উপসাগরীয় দেশে।

  • West Bengal Elections 2026: “বাংলার চেয়ে অন্যান্য রাজ্যে বদলি হয়েছে বেশি”, হাইকোর্টে জানাল নির্বাচন কমিশন

    West Bengal Elections 2026: “বাংলার চেয়ে অন্যান্য রাজ্যে বদলি হয়েছে বেশি”, হাইকোর্টে জানাল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Elections 2026) কেন্দ্র করে প্রশাসনিক রদবদল বা আইএএস-আইপিএস অফিসারদের বদলি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেশ করল ভারতের নির্বাচন কমিশন (ECI)। কমিশনের দাবি, নির্বাচনের (Election Commission India) সময় কেবল পশ্চিমবঙ্গেই নয়, অন্যান্য রাজ্যগুলোতেও প্রশাসনিক স্বচ্ছতা বজায় রাখতে একই হারে বা তার চেয়েও বেশি সংখ্যক উচ্চপদস্থ আধিকারিককে বদলি করা হয়েছে।

    আদালতে কমিশনের যুক্তি (West Bengal Elections 2026)

    শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টে এই সংক্রান্ত একটি মামলার শুনানিতে কমিশনের (Election Commission India) আইনজীবী জানান যে, নির্দিষ্ট সময় অন্তর এবং নির্বাচনের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে অফিসারদের বদলি করা একটি স্বাভাবিক সাংবিধানিক প্রক্রিয়া। এই কাজ সবসময়েই করা হয়ে থাকে। কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায় জানা গিয়েছে, গত কয়েকটি নির্বাচনে (West Bengal Elections 2026)  উত্তরপ্রদেশ, বিহার বা তামিলনাড়ুর মতো রাজ্যগুলোতে নির্বাচনের আগে পশ্চিমবঙ্গ অপেক্ষা বেশি সংখ্যক পুলিশ ও প্রশাসনিক কর্তাকে বদলি করা হয়েছে। ফলে পশ্চিমবঙ্গে কোনও অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটছে না।

    স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ

    নির্বাচন কমিশন (Election Commission India) স্পষ্ট করেছে যে, কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নয়, বরং অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। নির্বাচনকে ভয়মুক্ত এবং শান্তিপূর্ণ করতে কমিশনের এই পদক্ষেপ। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে আদালত কমিশনের এই যুক্তি খতিয়ে দেখছে। রাজ্যের প্রশাসনিক কাঠামোয় এই আকস্মিক রদবদল (West Bengal Elections 2026) নিয়ে এর আগে সরব হয়েছিল শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। তাদের অভিযোগ ছিল, কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলিকে ব্যবহার করে রাজ্য প্রশাসনকে দুর্বল করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে কমিশনের এই পরিসংখ্যান সেই অভিযোগের পাল্টা জবাব হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

    রাজনৈতিক গুরুত্ব

    ২০২৬-এর নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) আগে আইএএস ও আইপিএস অফিসারদের দায়িত্ব পরিবর্তন অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি বিষয়। বিশেষ করে জেলাশাসক (DM) এবং পুলিশ সুপার (SP) পদমর্যাদার অফিসারদের বদলি নির্বাচনের ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা (Election Commission)। আদালত এই বিষয়ে চূড়ান্ত কী নির্দেশ দেয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজ্যের রাজনৈতিক মহল।

  • West Bengal Elections 2026: তৃণমূল সরকারের ‘১৪টি ব্যর্থতা’ নিয়ে চার্জশিট প্রকাশ শনিবার, শুক্র-রাতেই শহরে অমিত শাহ

    West Bengal Elections 2026: তৃণমূল সরকারের ‘১৪টি ব্যর্থতা’ নিয়ে চার্জশিট প্রকাশ শনিবার, শুক্র-রাতেই শহরে অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) রণকৌশল স্থির করতে কোমর বেঁধে নামছে ভারতীয় জনতা পার্টি। শনিবার কলকাতায় এক বিশেষ কর্মসূচির মাধ্যমে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে একটি ‘চার্জশিট’ বা অভিযোগপত্র প্রকাশ করতে চলেছে গেরুয়া শিবির। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) নিজেই এই কর্মসূচি থেকে গত কয়েক বছরে রাজ্য সরকারের ১৪টি প্রধান ‘ব্যর্থতা’র খতিয়ান তুলে ধরবেন। মমতার বিরুদ্ধে ‘চার্জশিট’ দিতে শুক্রবার রাতেই কলকাতায় পৌঁছচ্ছেন অমিত শাহ। শনিবার নিউ টাউনের হোটেলে শ্বেতপত্র ও ইস্তাহার প্রকাশের পর ফিরে যাবেন দুপুরেই।

    ৩৫-৪০ পাতার একটি চার্জশিট (West Bengal Elections 2026)!

    আগামী নির্বাচন উপলক্ষে (West Bengal Elections 2026) বিজেপি ৩৫-৪০ পাতার একটি চার্জশিট প্রকাশ করবে। ভোটমুখী বাংলায় মমতা জমানার একগুচ্ছ সমস্যা, অবনতি, অবক্ষয়ের কথা তুলে ধরছে গেরুয়া শিবির। সূত্রের খবর, বিশেষজ্ঞ দল তৈরি করেছে ওই চার্জশিট। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) এটি শনিবার প্রকাশ করবেন বলে দলের তরফে জানানো হয়েছে। চার্জশিটের মলাটেই অশান্ত বাংলার ছবি তুলে ধরেছে বিজেপি। বিজেপি সূত্রে খবর, আগে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ‘চার্জশিট’ প্রকাশ করা হবে। মমতার সরকারের বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ প্রকাশ্যে আনতে চলেছে চার্জশিটে। তার পর প্রকাশিত হবে বিজেপির সংকল্পপত্র। রাজ্যে ক্ষমতায় এলে আগামিদিনে বিজেপি কী কী করবে, তা বিস্তারিত বলা থাকবে সেখানে।

    জেলায় জেলায় স্থানীয় মানুষের সমস্যা এবং আঞ্চলিক পরিস্থিতি তুলে ধরে বিধানসভা কেন্দ্রভিত্তিক ‘চার্জশিট’ আগেই যদিও প্রকাশ করা হয়েছে। এবার গত ১৫ বছরে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে যে সমস্ত দুর্নীতির অভিযোগ, নারী নির্যাতন, বঞ্চনা, বেকারত্ব, গণতন্ত্র হরণ সহ ইত্যাদি নানা বিষয়কে তুলে ধরা হচ্ছে চার্জশিটে। শিক্ষা থেকে স্বাস্থ্য এবং কাটমানি থেকে সিন্ডিকেট সহ একাধিক বিষয়ে রাজ্যে চলা দুর্নীতি ও কেলেঙ্কারিগুলিকে তুলে হবে চার্জশিটে। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার অবনতির বেআইনি কার্যকলাপ, অনুপ্রবেশ, জঙ্গি-জেহাদির মুক্তাঞ্চল সম্পর্কে বলা একাধিক বিষয় উপস্থাপন করা হয়েছে।

    ১৭৫২০ কোটি টাকার রোজভ্যালি চিটফান্ডকাণ্ড

    বিশেষ করে কয়লা পাচার, বালি পাচার, নিয়োগ কেলেঙ্কারি সংক্রান্ত দুর্নীতির মতো বিষয়গুলিতে একাধিক প্রভাবশালী নেতাদের নাম থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। ২৫ লক্ষ ভুয়ো জবকার্ড, মিড ডে মিলের ১০০ কোটি টাকা লুট, ১৭৫২০ কোটি টাকার রোজভ্যালি চিটফান্ড দুর্নীতির উল্লেখ থাকার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। সেইসঙ্গে চার্জশিটে সরকারি কর্মচারীদের ডিএ সংক্রান্ত বঞ্চনার বিষয়টিও গুরুত্ব সহকারে উল্লেখ করা হবে। চার্জশিটে (West Bengal Elections 2026) আনন্দপুর কাণ্ডে, এসআইআর প্রক্রিয়ায় বাধা দান, সীমান্ত কাঁটাতার না বসানো, জেলায় জেলায় বোমা তৈরির কারখানারও উল্লেখও থাকতে পারে। সম্পূর্ণ বিষয় প্রকাশ করবেন অমিত শাহ (Amit Shah)।

    অভিযোগপত্রের মূল বিষয়গুলি

    বিজেপি রাজ্য নেতৃত্বের একাংশের দাবি, শাসকদলের দুর্নীতির পর্দা ফাঁস করাই আমাদের প্রথম লক্ষ্য। মানুষ জানুক গত দেড় দশকে তাঁদের অধিকার কীভাবে হরণ করা হয়েছে। ফলে বিজেপি সূত্রে খবর, এই চার্জশিটে মূলত ১৪টি বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, যা তৃণমূল সরকারের প্রশাসনিক ব্যর্থতা হিসেবে দাবি করছে। এইগুলি হল—

    • ১>দুর্নীতি এবং কেলেঙ্কারি
    • ২>প্রশাসনিক নৈরাজ্য এবং অপশাসন
    • ৩>আইনশৃঙ্খলার ধ্বংসস্তূপ
    • ৪>নারীর নিরাপত্তাহীনতা
    • ৫>গণতন্ত্রের উপরে হামলা
    • ৬>শিল্পের ধ্বংসস্তূপ পশ্চিমবঙ্গ
    • ৭>শিক্ষার সর্বনাশ
    • ৮>স্বাস্থ্যের সঙ্কট
    • ৯>কৃষকের দুর্দশা
    • ১০>বঙ্গ সংস্কৃতির ধ্বংস
    • ১১>উত্তরবঙ্গের বঞ্চনা
    • ১২>চা বাগান শ্রমিকদের বঞ্চনা
    • ১৩>কলকাতার বেহাল অবস্থা
    • ১৪>রাঢ়বঙ্গজুড়ে সিন্ডিকেট রাজ

    এগুলি ছাড়াও রয়েছে–

    আইন-শৃঙ্খলার অবনতি: উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ—রাজ্যের সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন।

    দুর্নীতি ও নিয়োগ কেলেঙ্কারি: শিক্ষা ও অন্যান্য ক্ষেত্রে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম।

    নারী নিরাপত্তা: আরজি কর কাণ্ড-সহ সাম্প্রতিক একাধিক নারী নিগ্রহের ঘটনা।

    কেন্দ্রীয় প্রকল্পের বঞ্চনা: কেন্দ্রীয় সরকারি প্রকল্পের সুবিধা সাধারণ মানুষের কাছে না পৌঁছানো।

    অনুপ্রবেশ ও জাতীয় সুরক্ষা: সীমান্ত অঞ্চলে নিরাপত্তা ও জনবিন্যাসের পরিবর্তন।

    ডিএ বকেয়া ও কর্মসংস্থান: সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা এবং রাজ্যে কর্মসংস্থানের অভাব।

    বিজেপির রণকৌশল

    বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীনের উপস্থিতিতে হওয়া সাম্প্রতিক বৈঠকগুলোতে স্থির হয়েছে যে, এই চার্জশিট কেবল শহরকেন্দ্রিক থাকবে না। প্রতিটি বুথ স্তরে এই অভিযোগপত্র (West Bengal Elections 2026) পৌঁছে দেওয়া হবে। এছাড়া, প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রের স্থানীয় সমস্যাগুলো নিয়ে আলাদাভাবে ‘লোকাল চার্জশিট’ তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে।

    কেন এই পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ?

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৬-এর নির্বাচনে বিজেপি কেবল হিন্দুত্ব বা জাতীয়তাবাদ নয়, বরং তৃণমূলের ‘প্রশাসনিক ব্যর্থতা’ ও ‘দুর্নীতি’-কে প্রধান হাতিয়ার করতে চাইছে। অমিত শাহের এই সফরের মাধ্যমে দলের নীচুতলার কর্মীদের চাঙ্গা করা এবং সংগঠনের ফাঁকফোকরগুলো ভরাট করাই এখন প্রধান লক্ষ্য। তৃণমূলের বিরুদ্ধে জনমতকে আরও প্রবল ভাবে বাস্তবায়ন করতে বিজেপির নেতা কর্মীদের (West Bengal Elections 2026) উৎসাহ করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

    তৃণমূলের প্রতিক্রিয়া

    বিজেপির এই পদক্ষেপকে (West Bengal Elections 2026) গুরুত্ব দিতে নারাজ তৃণমূল কংগ্রেস। শাসক দলের দাবি, নির্বাচনের আগে দিল্লির নেতারা এসে কুৎসা ছড়ানো ছাড়া আর কিছুই করতে পারবেন না। বাংলার মানুষ উন্নয়নের পক্ষেই রায় দেবেন এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর তাঁদের আস্থা অটুট রয়েছে। তবে এইবারের নির্বাচন যে মমতার জন্য খুব একটা সহজ হবে না তা অনেক রাজনীতিবিদ মনে করছেন।

LinkedIn
Share