Tag: PM

PM

  • PM Modi: “বাংলায় রাজনৈতিক হিংসায় অনেক জীবন নষ্ট হয়েছে, তাই বদলা নয়, বদল”, বঙ্গজয়ের পর বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “বাংলায় রাজনৈতিক হিংসায় অনেক জীবন নষ্ট হয়েছে, তাই বদলা নয়, বদল”, বঙ্গজয়ের পর বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বাংলায় রাজনৈতিক হিংসায় অনেক জীবন নষ্ট হয়েছে। তাই এবার বদলা নয়, বদল।” দিল্লিতে বিজেপির (BJP) সদর দফতরে ভাষণ দিতে গিয়ে কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। রীতিমতো বাঙালি পোশাক (ধুতি-পাঞ্জাবি) পরে দফতরে পৌঁছন প্রধানমন্ত্রী। সোমবার বঙ্গ-ভোটের ফল পরিষ্কার হতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লিখেছিলেন, ‘‘২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। জনগণের শক্তির জয় হয়েছে, আর জয়ী হয়েছে বিজেপির সুশাসনের রাজনীতি। আমি পশ্চিমবঙ্গের প্রত্যেক ব্যক্তিকে প্রণাম জানাই।’’

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য (PM Modi)

    সমাজমাধ্যমে তিনি আরও লেখেন, ‘‘জনগণ বিজেপির পক্ষে অভূতপূর্ব রায় দিয়েছেন এবং আমি তাঁদের আশ্বাস দিচ্ছি যে, আমাদের দল পশ্চিমবঙ্গের মানুষের স্বপ্ন এবং আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য সম্ভাব্য সব কিছু করবে। আমরা এমন একটি সরকার দেব, যা সমাজের সকল স্তরের মানুষের সুযোগ এবং মর্যাদা নিশ্চিত করবে।’’ এদিন বক্তৃতা দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিহার, ওড়িশার মতো পশ্চিমবঙ্গের মানুষও এনডিএর ওপর ভরসা রেখেছেন।” এর আগেই তিনি বলেন, “বাংলায় রাজনৈতিক হিংসায় অনেক জীবন নষ্ট হয়েছে, এ বার বদলা নয়, বদল।” তিনি জানান, পশ্চিমবঙ্গে এই প্রথম বার ভয় নয়, লোকতন্ত্র জিতল। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাংলায় পরিবর্তন হয়ে গিয়েছে। আজ থেকে বাংলা ভয়মুক্ত হল। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়ের পর শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আত্মা শান্তি পেল।”

    গণতন্ত্রের জয়, সংবিধানের জয়

    পশ্চিমবঙ্গে এবার ভোটদানের হার ৯৩ শতাংশ। একে ঐতিহাসিক বলে অভিহিত করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। তিনি বলেন, “গণতন্ত্রে জয়-পরাজয় স্বাভাবিক। এটা গণতন্ত্রের জয়, সংবিধানের জয়। গঙ্গোত্রী থেকে গঙ্গাসাগর, সর্বত্রই পদ্ম ফুটেছে।” প্রধানমন্ত্রী জানান, বিহারে ভোটের ফলের দিনই তিনি বলেছিলেন যে, গঙ্গা বিহার হয়ে গঙ্গাসাগরে যায়। বিজেপির কোটি কোটি কর্মীকে ধন্যবাদও জানান প্রধানমন্ত্রী। এদিন প্রধানমন্ত্রীর আসার আগেই সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বঙ্গ জয়ের (BJP) জন্য দলীয় কর্মী-সমর্থকদের ধন্যবাদ জানান বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। বিজেপিকে ভোট দেওয়ার জন্য পশ্চিমবঙ্গ-সহ চার রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত পুদুচেরির ভোটারদের ধন্যবাদ জানালেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন।

    ‘কোটি কোটি প্রণাম’

    পশ্চিমবঙ্গবাসীকে ‘কোটি কোটি প্রণাম’ জানিয়েছেন বিজেপির হেভিওয়েট নেতা অমিত শাহও। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লিখেছেন, ‘‘এই বিপুল জনাদেশ ভয়, তোষণ এবং অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষকদের বিরুদ্ধে বাংলার মানুষের জোরালো জবাব।’’ তাঁর দাবি, বিজেপির এই জয় তৃণমূলের ভয়ের ঊর্ধ্বে প্রধানমন্ত্রী মোদীর প্রতি ভরসার জয় (PM Modi)। তিনি লিখেছেন, ‘‘আমার মতো প্রতিটি বিজেপি কর্মীর জন্য এটি গর্বের মুহূর্ত। যে গঙ্গোত্রীতে মা গঙ্গার উৎস, সেখান থেকে শুরু করে গঙ্গাসাগর পর্যন্ত আজ সর্বত্র বিজেপির গেরুয়া পতাকা গর্বের সঙ্গে উড়ছে।’’

    ‘সোনার বাংলা’

    তিনি লিখেছেন, ‘‘বাংলায় বিজেপির এই ঐতিহাসিক জয় আমাদের অসংখ্য কর্মীর ত্যাগ, সংগ্রাম এবং আত্মবলিদানের ফল। সেই সমস্ত পরিবারের ধৈর্যের জয়, যারা হিংসা সহ্য করেও গেরুয়া পতাকা ছাড়েনি। শূন্য থেকে আজ বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতায় পৌঁছোনোর এই কঠিন যাত্রায় যে কর্মীরা নিজেদের প্রাণ উৎসর্গ করেছেন, হিংসার শিকার হয়েছেন, নির্যাতন সহ্য করেছেন, তবুও আদর্শের পথ থেকে একচুলও সরেননি, সেই সকল কর্মী ও তাঁদের পরিবারকে প্রণাম জানাই। বাংলার মানুষ এই বিপুল জনসমর্থনের মাধ্যমে বিজেপির সেই সকল শহিদ কর্মীর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন (BJP)।’’ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘চৈতন্য মহাপ্রভু, স্বামী বিবেকানন্দ, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু এবং ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মতো মহাপুরুষের পবিত্রভূমি বাংলার হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনা এবং ‘সোনার বাংলা’র স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করতে বিজেপি দিন-রাত এক করে দেবে (PM Modi)।’’

     

  • Nepal PM: নেপালের নয়া প্রধানমন্ত্রীকে হুমকি, কারণ কী জানেন?

    Nepal PM: নেপালের নয়া প্রধানমন্ত্রীকে হুমকি, কারণ কী জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেপালের নয়া প্রধানমন্ত্রী (Nepal PM) বালেন শাহকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ভারতের পড়শি এই দেশে। রবিবার, ২৬শে এপ্রিল, নেপালের বালেন শাহ নেতৃত্বাধীন সরকার ভক্তপুরের মনোহরা বসতিতে অবৈধ (Christian Activists) ঘরবাড়ি ও অন্যান্য কাঠামো সরাচ্ছিল। উচ্ছেদ অভিযানের সময় একটি গির্জাও ভেঙে ফেলা হয়। এর ফলে খ্রিস্টান গোষ্ঠীগুলির মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

    শাহকে হুমকি (Nepal PM)

    তারা এক বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী শাহকে হুমকি দিয়ে বলেছে, যদি গির্জার জন্য অন্য কোনও জায়গা না দেওয়া হয়, তাহলে এটি তাঁর জন্য অশুভ হবে। প্রসঙ্গত, “…আমরা মেনে নিয়েছি যে যেখানে গির্জাটি ছিল, সেই জমি দখলকৃত ছিল, এবং সরকারকে তা খালি করতেই হত। সেই কারণেই জিনিসপত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে গির্জা কোনও ব্যক্তি নয়। এটি একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। দেশের লাখ লাখ মানুষ এই ধর্মের অনুসারী। এটি খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ওপর আক্রমণ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ যদি পাপ ও ধর্ম নিয়ে চিন্তা করেন, তবে তিনি যেন অবিলম্বে আমাদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলির যথাযথ ব্যবস্থা করেন। অন্যথায়, এটি তাঁর পক্ষে অশুভ হবে বলেই বিবৃতিতে বলা হয়েছে (Nepal PM)।

    মুক্তিরাজ রাইয়ের দাবি

    মনোহর ভজন মণ্ডল (গির্জা)-এর সম্পাদক মুক্তিরাজ রাইয়ের দাবি, খ্রিস্টানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করা হয়েছে। তিনি বলেন, “গির্জা ভাঙার পর কোথায় যাওয়া হবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত ছিল (Christian Activists)।” তাঁর দাবি, মনোহরা বসতির ৪৫ শতাংশ বাসিন্দা খ্রিস্টান। তাঁদের প্রশ্ন, ভেঙে দেওয়ার পর (Christian Activists) ৩০০ খ্রিস্টান কোথায় যাবেন উপাসনা করতে (Nepal PM)?

     

  • PM Modi: দীর্ঘতম সময় ধরে সরকারের প্রধান, দেশের ইতিহাসে নয়া নজির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির

    PM Modi: দীর্ঘতম সময় ধরে সরকারের প্রধান, দেশের ইতিহাসে নয়া নজির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার দেশের ইতিহাসে নয়া নজির গড়লেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি দেশের ইতিহাসে দীর্ঘতম সময় ধরে সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তি। এদিন তিনি সিকিমের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পবন কুমার চামলিংকে (Pawan Kumar Chamling) ছাপিয়ে গিয়েছেন। প্রথমে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী এবং পরে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মোট ৮,৯৩১ দিন দায়িত্ব পালন করে মোদি ভেঙে দিয়েছেন চামলিংয়ের ৮,৯৩০ দিনের রেকর্ড। এই মাইলফলক ভারতের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত, যা দীর্ঘদিনের ধারাবাহিক জনসেবা ও নেতৃত্বের প্রতিফলন। মোদি এর আগেও গুজরাটের দীর্ঘতম মেয়াদের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন এবং তিনি এমন এক প্রধানমন্ত্রী, যাঁর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে।

    মোদির রেকর্ড (PM Modi)

    তিনি স্বাধীনতার পর জন্ম নেওয়া প্রথম প্রধানমন্ত্রী যিনি ২০১৪, ২০১৯ ও ২০২৪- পরপর তিনটি লোকসভা নির্বাচনে নিজের দলকে জয়ী করেছেন। গত বছরের অক্টোবরে, সরকারের প্রধান হিসেবে ২৫তম বর্ষে পদার্পণের সময় প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) ভারতের জনগণকে ধন্যবাদ জানান। ২০০১ সালে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর থেকে নিজের যাত্রার কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, “মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা এবং জাতীয় অগ্রগতিতে অবদান রাখা আমার নিরন্তর প্রচেষ্টা। আমি অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতিতে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলাম—যখন গুজরাট ভয়াবহ ভূমিকম্প, সুপার সাইক্লোন, ধারাবাহিক খরা এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রভাবে বিপর্যস্ত হয়ে গিয়েছিল।”

    রাজ্যকে পুনর্গঠনের দৃঢ় সংকল্প

    মোদি জানান, এই চ্যালেঞ্জগুলিই তাঁকে নতুন উদ্যম ও আশায় রাজ্যকে পুনর্গঠনের দৃঢ় সংকল্প দিয়েছে। একটি ব্যক্তিগত স্মৃতি তুলে ধরে তিনি জানান, তাঁর মা তাঁকে সবসময় গরিব মানুষের জন্য কাজ করতে এবং কখনও ঘুষ না নিতে পরামর্শ দিয়েছিলেন, যা তাঁর জীবনের পথপ্রদর্শক হয়ে রয়েছে (PM Modi)। তিনি তাঁর আমলে গুজরাটের রূপান্তরের কথাও তুলে ধরেন, যেখানে খরাপ্রবণ ও অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল একটি রাজ্য থেকে “সুশাসনের শক্তিকেন্দ্রে” পরিণত হয়েছে। উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে কৃষি, শিল্প ও পরিকাঠামো ক্ষেত্রে।

    বিকশিত ভারত গড়ার প্রতিশ্রুতি

    ২০১৩ সালে তাঁকে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে মনোনীত করা হয়, যাকে তিনি “বিশ্বাস ও শাসনের সংকটে”র সময় হিসেবে উল্লেখ করেন। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে তাঁর দলকে নিরঙ্কুশ সমর্থন করার কৃতিত্ব তিনি দেন দেশবাসীকে। তিনি জানান, গত ১১ বছরে ২৫ কোটিরও বেশি মানুষ দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে এসেছেন এবং বিশ্ব অর্থনীতির মধ্যে ভারত একটি উজ্জ্বল অবস্থানে পৌঁছেছে (Pawan Kumar Chamling)। ক্ষমতায়নের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, বিভিন্ন উদ্যোগ নারী শক্তি, যুব  শক্তি এবং কৃষকদের উপকার করেছে। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, দেশের সেবা করা তাঁর কাছে সর্বোচ্চ সম্মানের বিষয় এবং সংবিধানের মূল্যবোধ দ্বারা পরিচালিত “বিকশিত ভারত” গড়ার প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি (PM Modi)।

     

  • PM Modi: “বাংলায় মহাজঙ্গলরাজ শেষ হবে”, ব্রিগেড থেকে বঙ্গবাসীকে কী কী গ্যারান্টি দিয়ে গেলেন মোদি?

    PM Modi: “বাংলায় মহাজঙ্গলরাজ শেষ হবে”, ব্রিগেড থেকে বঙ্গবাসীকে কী কী গ্যারান্টি দিয়ে গেলেন মোদি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমার প্রিয় পশ্চিমবঙ্গবাসী ভাই ও বোনেরা আমার অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে সশ্রদ্ধ প্রণাম। বাংলার ঐতিহাসিক মাটি, এই ব্রিগেড প্যারেড (Brigade Rally) গ্রাউন্ড আর বাংলার মানুষের ঐতিহাসিক জমায়েত। যত দূর আমার চোখ যাচ্ছে, শুধুই লোক আর লোক দেখা যাচ্ছে। একটা অদ্ভুত দৃশ্য। আপনাদের এই উৎসাহ দেখেই বোঝা যাচ্ছে, বাংলার মানুষের মনে কী চলছে। যাঁরা দেখার, তাঁরা এই ছবিটা দেখুন।” শনিবার ব্রিগেডে নাগাড়ে কথাগুলি বলে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

    ১৮ হাজার ৮৬০ কোটি টাকার প্রকল্প (PM Modi)

    প্রথমে ব্রিগেডের সরকারি মঞ্চ থেকে বাংলার জন্য ১৮ হাজার ৮৬০ কোটি টাকার প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। বাংলার জন্য একাধিক প্রকল্পের উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ কলকাতার মাটি থেকে পশ্চিমবঙ্গ ও পূর্ব ভারতের বিকাশের নয়া অধ্যায় শুরু হচ্ছে। সড়ক, রেলওয়ে এবং বন্দর পরিকাঠামোর সঙ্গে যুক্ত ১৮ হাজার কোটি টাকারও বেশি প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন হল। বাংলার উন্নয়নে নয়া দিশা দেখাবে এই প্রকল্পগুলি। লাখ লাখ মানুষের জীবন সহজ ও সুন্দর হবে। নয়া সুযোগ মিলবে। খড়্গপুর-মৌরিগ্রাম এক্সপ্রেসওয়ে সম্পূর্ণ হলে রাজ্যের অনেকাংশে আর্থিক উন্নতি হবে। দুবরাজপুর বাইপাস, কংসাবতী, শিলাবতী নদীর ওপর যে সেতু তৈরি হবে, তাতে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হবে। পশ্চিমবঙ্গ-সহ পূর্ব ভারতের জনগণকে শুভেচ্ছা।” ৬টি অমৃত ভারত স্টেশনের উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ কামাখ্যাগুড়ি, আনারা, তমলুক, হলদিয়া, বীরভূম এবং সিউড়ি- এই ছয় স্টেশন অমৃত স্টেশন করা হচ্ছে। হলদিয়া ডক ও কলকাতা ডকের সংস্কার করা হচ্ছে। খিদিরপুর ডকেও কার্গো হ্যান্ডেলিং বাড়ানোর ওপর নজর দেওয়া হচ্ছে। এই প্রকল্পগুলির ফলে পূর্ব ভারতে লজিস্টিক সিস্টেমের আরও উন্নতি হবে।”

    বাংলা থেকে মহাজঙ্গলরাজ শেষ হবে

    প্রশাসনিক সভা শেষে হয় রাজনৈতিক সভা। সেখানে ভাষণ দিতে গিয়ে রাজ্য সরকারকে নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “বাংলা থেকে নির্মম সরকারের বিদায় হবে। বাংলায় মহাজঙ্গলরাজ শেষ হবে। বাংলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আওয়াজ উঠছে, চাই বিজেপি সরকার, চাই বিজেপি সরকার।” তিনি বলেন, “আজ এই সভা আটকানোর জন্য নির্মম সরকার সব হাতিয়ার ব্যবহার করতে চেয়েছে। ব্রিজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, গাড়ির ওপর হামলা করা হয়েছে, ট্রাফিক জ্যাম করেছে, পোস্টার ছিঁড়ে দিয়েছে। এত কিছু করেও নির্মম সরকার জনপ্লাবণ আটকাতে পারেনি। বাংলায় মহাজঙ্গলরাজের পতনের কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে।”

    তৃণমূল সরকারের আমলে নিয়োগ দুর্নীতি হচ্ছে

    তিনি বলেন, “এক সময় বাংলা গোটা ভারতের বিকাশে সাহায্য করত। শিল্প-বাণিজ্যে সবার আগে ছিল বাংলা। কিন্তু এখন (PM Modi) বাংলার যুবরা ডিগ্রি নিতে পারছে না। রোজগার হচ্ছে না। চাকরি নেই। কাজের জন্য অন্য রাজ্যে পালাতে হচ্ছে। প্রথমে কংগ্রেস, পরে কমিউনিস্ট এবং এখন তৃণমূল – এরা বাংলায় এসেছে, শুধু পকেট ভরেছে। আর বাংলা ক্রমশ পিছিয়ে যাচ্ছে (Brigade Rally)। তৃণমূল সরকারের আমলে নিয়োগ দুর্নীতি হচ্ছে। খোলা বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে চাকরি। এখন সময় এসেছে বদলানোর। যুবরা যাতে বাংলার উন্নতিতে নেতৃত্ব দেয়, এই স্বপ্ন আপনার। আর এই স্বপ্ন পূরণ করাই মোদির গ্যারেন্টি।” তিনি বলেন, “রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর থেকে শুরু করে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, রানি রাসমণিদের মতো মহান ব্যক্তিরা যে বাংলার পরিকল্পনা করেছিলেন, বিজেপি সেই বাংলাই নতুন করে নির্মাণ করবে। বাংলার উন্নতি সঠিক নীতিতে হবে। বাংলায় এখন আমাদের সরকার নেই। কিন্তু তাও কেন্দ্রীয় সরকারের সাহায্যে বিজেপি বাংলার উন্নতির চেষ্টা করে চলেছে।”

    বাংলার উন্নয়নে ব্রেক কষে রেখেছে সরকার

    রাজ্য সরকারকে নিশানা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “নির্মম সরকার বাংলার উন্নয়নে ব্রেক কষে রেখেছে। কেন্দ্রের সূর্যঘর প্রকল্প চালু করতে দিচ্ছে না। তৃণমূল চায় না, বাংলার মানুষের বিদ্যুৎ বিল শূন্য হোক। চা শ্রমিকরাও প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন না। আয়ুষ্মান প্রকল্পে ৫ লাখ করে টাকা পাচ্ছেন দেশের কোটি কোটি মানুষ। কিন্তু সেই প্রকল্প থেকে বাংলার মানুষকে বঞ্চিত করে রাখা হচ্ছে। তৃণমূল সরকারের পতন হলেই গরিবদের জন্য পাকা ঘর তৈরি শুরু হবে। এটা মোদির গ্যারান্টি। বাড়ি বাড়ি জল পৌঁছে যাবে, বিনামূল্যে দেওয়া হবে চিকিৎসা। বাংলায় সুশাসন আসবে।” রাজ্য সরকারকে আক্রমণ শানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “নির্মম সরকার ধর্ষকদের আশ্রয় দেয়। অপরাধীদের বাঁচানোর চেষ্টা করে। সন্দেশখালি, আরজিকরের ঘটনা ভোলেননি বাংলার মানুষ। অপরাধীদের আড়াল করা হচ্ছে।”

    অনুপ্রবেশকারীরা বাংলাকে লুটে নিচ্ছে

    অনুপ্রবেশ প্রসঙ্গ টেনে তিনি (PM Modi) বলেন, “অনুপ্রবেশকারীরা বাংলাকে লুটে নিচ্ছে। জনবিন্যাস বদলে দিয়েছে। আর বাঙালি হিন্দুদের সংখ্যালঘু করে দেওয়া হচ্ছে। ওরা হিন্দুদের নিজের ভোটব্যাঙ্ক মনে করে না। বাংলাকে এখন অসুরক্ষিত বানিয়ে ফেলেছে। কোটি কোটি বাঙালিকে শেষ করার চেষ্টা করছে।” রাষ্ট্রপতি ইস্যুতে তিনি বলেন, “আদিবাসী মহিলা রাষ্ট্রপতি জনজাতিদের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসেছিলেন (Brigade Rally)। কিন্তু অহঙ্কারে ডুবে থাকা সরকার রাষ্ট্রপতিকে অপমান পর্যন্ত করেছে। তৃণমূলের মনে রাখার দরকার ওরা শুধু রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে অপমান করেনি, ওরা দেশের সংবিধান, বাবা সাহেব আম্বেদকর, দেশের হাজার লাখ জনজাতি মানুষকে অপমান করেছে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “একদিকে আমরা সবকা সাথ, সবকা বিকাশের মন্ত্র নিয়ে চলব। আর একদিকে সবকা হিসাব লিয়া যায়গা। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা হবে। অপরাধীদের জায়গা হবে জেলে (PM Modi)।”

     

  • Sukanta Majumdar: “তৃণমূল নামক জঞ্জালকে সরিয়ে দিন”, প্রধানমন্ত্রীর সভায় আবেদন সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: “তৃণমূল নামক জঞ্জালকে সরিয়ে দিন”, প্রধানমন্ত্রীর সভায় আবেদন সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আপনাদের হাতে আর হয়তো ৪০ দিন সময় আছে, তার মধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেস নামক জঞ্জালকে সরিয়ে দিন।” ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi Rally) জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে কথাগুলি বললেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)।

    মোদির জন্য হৃদয়ভরা ভালোবাসা (Sukanta Majumdar)

    তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আজকের সভাই  আগামীর পথ দেখাবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের এই অপশাসন কীভাবে দূর হবে। তার আগে মুখ্যমন্ত্রী কলকাতাজুড়ে গো ব্যাক পোস্টার লাগিয়েছেন। দিদি আপনি যতই পোস্টার লাগান, বাংলার মানুষ আপনাকে গো-ব্যাক জানাচ্ছেন। নরেন্দ্র মোদির জন্য হৃদয়ভরা ভালোবাসা রয়েছে এখানকার মানুষের।” ধর্মতলার ধর্না মঞ্চে প্ররোচনামূলক বক্তব্য রখায় এদিন মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িকতার বিষ ছড়ানোর অভিযোগ করেন সুকান্ত। তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী এক বিশেষ সম্প্রদায়কে উসকানি দিয়ে জানিয়েছিলেন যে সবাই এক হলে হিন্দুদের ধূলিসাৎ করে দেওয়া হবে। ছিঃ মুখ্যমন্ত্রী, আপনি তো সবাইকে ছাপিয়ে গেলেন! আমি আপনাকে জানাচ্ছি যে আমরা আপনার মতো সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে হাজার হাজার বছর ধরে লড়াই করছি। তাই আমরা টিকে আছি। এই লড়াই চলবেই।” এর পরেই তিনি বলেন, “আপনাদের হাতে আর হয়তো ৪০ দিন সময় আছে, তার মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেস নামক জঞ্জালকে সরিয়ে দিন (Sukanta Majumdar)।”

    সুকান্তর নিশানায় তৃণমূল

    কৃষি ইস্যুতেও রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে আক্রমণ শানান সুকান্ত। তিনি বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকারের কৃষক সম্মান নিধি প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ১৩ হাজার কোটি টাকা সরাসরি পৌঁছে দেওয়া হয়েছে কৃষকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে। কিন্তু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সেই উদ্যোগকে গুরুত্ব দেননি।” এদিন সুকান্তের বক্তৃতায় অনিবার্যভাবেই এসে পড়েছে আলুচাষিদের কথা। তিনি বলেন, “রাজ্যে আলুর দাম কমে যাওয়ায় কৃষকরা বড় সঙ্কটে পড়েছেন।” তাঁর দাবি, বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এলে আলুর জন্য সহায়ক মূল্য নির্ধারণ করা হবে। কৃষকরা যাতে ফসলের ন্যায্য দাম পান (PM Modi Rally), তাই। পশ্চিমবঙ্গের ভবিষ্যৎ রক্ষায় রাজনৈতিক পরিবর্তন যে জরুরি, এদিন তাও মনে করিয়ে দিয়েছেন বিজেপির এই নেতা। তিনি (Sukanta Majumdar) বলেন, “পশ্চিমবঙ্গকে পশ্চিম বাংলাদেশে পরিণত হতে দিতে চাই না। তাই বাংলায় বিজেপি সরকার গড়তে হবে।”

  • PM Modi: বঙ্গে আসন্ন নির্বাচন, রাজ্যবাসীকে বাংলায় খোলা চিঠি প্রধানমন্ত্রীর, দিলেন ‘বিকশিত পশ্চিমবঙ্গ’ গড়ার ডাক

    PM Modi: বঙ্গে আসন্ন নির্বাচন, রাজ্যবাসীকে বাংলায় খোলা চিঠি প্রধানমন্ত্রীর, দিলেন ‘বিকশিত পশ্চিমবঙ্গ’ গড়ার ডাক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুয়ারে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার নির্বাচন। তার আগে রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রে ‘পরিবর্তন যাত্রা’ করবে বিজেপি। এরপর ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) জনসভা থেকে বিধানসভা ভোটের ভেরি বাজাতে চাইছে গেরুয়া শিবির। পরিবর্তন যাত্রার সূচনা করতে মার্চের প্রথম সপ্তাহেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন, রাজনাথ সিং, দেবেন্দ্র ফড়ণবীশ, শিবরাজ সিং চৌহান, নিতিন গড়করি, স্মৃতি ইরানির মতো হেভিওয়েটরা রাজ্যে আসবেন (Assembly Polls)। এহেন আবহেই বঙ্গবাসীর উদ্দেশে খোলা চিঠি লিখলেন প্রধানমন্ত্রী। ওই চিঠিতে রাজ্যের উন্নয়ন, আইন-শৃঙ্খলা এবং কল্যাণমূলক প্রকল্পের বিষয়গুলি তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী। হিন্দি এবং বাংলা ভাষায় লেখা চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন যে ‘সোনার বাংলার’ স্বপ্ন দেখেন এমন প্রত্যেকেই কষ্ট পাচ্ছেন।

    রাজ্যের ভবিষ্যৎ (PM Modi)

    চিঠিতে তিনি বলেছেন, আগামী মাসগুলিতে রাজ্যের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে এবং এই সিদ্ধান্ত জনগণের ওপর নির্ভর করে। রাজ্যকে উন্নত ও সমৃদ্ধ করতে তাঁর সংকল্পের কথা ফের একবার মনে করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। রাজ্যবাসীকে উন্নয়ন যাত্রায় অংশগ্রহণের জন্য আবেদন করেছেন। প্রধানমন্ত্রী তাঁর চিঠিটি মা কালীর প্রশংসা দিয়ে শুরু করেছেন। তিনি লিখেছেন যে পশ্চিমবঙ্গের ভূমি দেশকে অনেক মহান ব্যক্তিত্ব দিয়েছে। ওই চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, গত ১১ বছরে কেন্দ্রীয় সরকার জনকল্যাণ ও সামগ্রিক উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে। কৃষক, যুবক, মহিলা এবং দরিদ্রদের জন্য চালু করা প্রকল্পগুলি ইতিবাচক ফল দিয়েছে। তাঁর দাবি, রাজ্য সরকারের অসহযোগিতা সত্ত্বেও, কেন্দ্রীয় সরকারের বেশ কয়েকটি প্রকল্পের সুবিধা পশ্চিমবঙ্গের লাখ লাখ মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে। জন-ধন-যোজনার আওতায় লাখ লাখ মানুষ ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন (Assembly Polls)। তিনি বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকার ক্ষুদ্র ব্যবসা এবং শিল্পকে ঋণের সুবিধা দিয়েছে, সুযোগ বৃদ্ধি করেছে কর্মসংস্থানের (PM Modi)।”

    উন্নত বাংলার প্রতিশ্রুতি

    প্রধানমন্ত্রী জানান, তিনি বাংলাকে উন্নত ও সমৃদ্ধ করার প্রতিশ্রুতি নিয়েছেন। বাংলার মা ও বোনেরা নিরাপদ নন। অবৈধ অভিবাসন এবং মহিলাদের বিরুদ্ধে হিংসা রাজ্যকে কলঙ্কিত করেছে। সংকীর্ণ ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতি, হিংসা এবং অরাজকতার মধ্যে জড়িয়ে পড়েছে রাজ্য। ভুয়ো ভোটাররা আস্তানা গেড়েছে। এই অবৈধ অভিবাসন থেকে নিজেদের মুক্ত করতে হবে আমাদের, অনুসরণ করতে হবে সুশাসন। ওই চিঠিতেই প্রধানমন্ত্রী আরও লিখেছেন, স্বাধীনতার পরে পশ্চিমবঙ্গ শিল্প উন্নয়নে শীর্ষস্থান দখল করেছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক দশকগুলিতে পিছিয়ে পড়েছে। রাজনৈতিক হিংসা, দুর্নীতি এবং তোষণমূলক রাজনীতি রাজ্যের অগ্রগতির পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। যুবসমাজের অভিবাসন এবং বিনিয়োগের অভাব নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)।

    মহান ব্যক্তিত্বদের প্রসঙ্গ

    ওই চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কথাও উল্লেখ করেছেন। তিনি লিখেছেন, মহান ব্যক্তিত্বদের আশীর্বাদপ্রাপ্ত বাংলার ভূমির একটি নতুন দিকনির্দেশনা প্রয়োজন। তিনি রাজ্যের উন্নয়নের জন্য তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের কথাও স্মরণ করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আয়ুষ্মান ভারতের মতো কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্পগুলি স্বাস্থ্যসেবা, দরিদ্রদের জন্য আবাসন এবং মহিলাদের সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। তিনি নাগরিকত্ব সংশোধন আইনের মাধ্যমে শরণার্থীদের নাগরিকত্ব প্রদানের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন (Assembly Polls)।

    ‘বিকশিত পশ্চিমবঙ্গ’

    চিঠির শেষে প্রধানমন্ত্রী জনগণকে ‘বিকশিত পশ্চিমবঙ্গ’ গড়ে তোলার জন্য এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “২০২৬ সালের মধ্যে রাজ্যকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়াই লক্ষ্য।” প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “আমার স্বপ্নের সোনার বাংলার নারী, পুরুষ ও শিশুরা চরম বঞ্চনার শিকার। তাঁদের কষ্ট, যন্ত্রণা, বঞ্চনা আমার হৃদয়কে ভারাক্রান্ত করছে।” তিনি জানান, অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে তিনি পশ্চিমবঙ্গকে সমৃদ্ধ ও উন্নত রাজ্যে রূপান্তরিত করার শপথ নিয়েছেন। তাঁর বার্তা, “উন্নয়ন ও পরিবর্তনের পথে রাজ্যকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে (PM Modi)।”

    বিকশিত বাংলা গড়ার অঙ্গীকার

    চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী বিকশিত বাংলা গড়ার অঙ্গীকারও করেন। বলেন, রাজ্যে নতুন কর্মসংস্থান ও জনজীবন উন্নয়নে তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আসন্ন নির্বাচনে বিজেপিকে সমর্থন করার আহ্বানও জানান প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য, পশ্চিমবঙ্গের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে রাজ্যের মানুষের সিদ্ধান্তের ওপরেই। তাঁর অভিযোগ, সীমান্তবর্তী রাজ্য হিসেবে পশ্চিমবঙ্গে অনুপ্রবেশের সমস্যা গুরুতর আকার নিয়েছে। শুধু তাই নয়, এই সমস্যা রাজ্যের নিরাপত্তা ও জনজীবনে প্রভাব ফেলছে। তিনি বলেন, “নারী-সুরক্ষা নিশ্চিত করা বিজেপির অন্যতম প্রধান প্রতিশ্রুতি (Assembly Polls)। আগামী প্রজন্মের ভবিষ্যৎ কোন পথে এগোবে, তা নির্ভর করছে মানুষের বিবেচনাপ্রসূত সিদ্ধান্তের ওপর (PM Modi)।”

     

  • Yogi Adityanath: লগ্নি টানতে সিঙ্গাপুর-জাপানের উদ্দেশে রওনা যোগী আদিত্যনাথের

    Yogi Adityanath: লগ্নি টানতে সিঙ্গাপুর-জাপানের উদ্দেশে রওনা যোগী আদিত্যনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাঁচ দিনের সফরে রবিবার সিঙ্গাপুর ও জাপানের উদ্দেশে রওনা দিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath)। এই সফরের লক্ষ্য হল বৈশ্বিক বিনিয়োগ আকর্ষণ করা, আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব আরও জোরদার (PM Modi) করা এবং উত্তরপ্রদেশকে দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনৈতিক শক্তিকেন্দ্র হিসেবে উপস্থাপন করা। একই সঙ্গে এই সফরকে সাংস্কৃতিক কূটনীতির এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবেও দেখা হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীর লক্ষ্য ২০২৭ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে উত্তরপ্রদেশকে ১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করা। গত আট বছরে রাজ্যে এক্সপ্রেসওয়ে, বিমানবন্দর, ডিফেন্স করিডর ও শিল্পকেন্দ্র-সহ দ্রুত পরিকাঠামো উন্নয়ন হয়েছে। এখন লক্ষ্য হল, আরও বেশি করে বিদেশি সংস্থা ও উন্নত প্রযুক্তি আনা, যাতে উন্নয়নের গতি বাড়ানো যায়।

    কী বলছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা (Yogi Adityanath)

    রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই উদ্যোগ অনেকের কাছে মনে করিয়ে দেয় ২০০১ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদির কৌশলের কথা। বৈশ্বিক সফর ও ভাইব্র্যান্ট গুজরাট সম্মেলনের মাধ্যমে মোদি আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের আমন্ত্রণ জানান এবং গুজরাটে বিদেশি বিভিন্ন সংস্থাকে আকৃষ্ট করেন। সুজুকি, হোন্ডা ও টয়োটার মতো জাপানি অটোমোবাইল সংস্থাগুলি সেই সময় গুজরাটে লগ্নি করে। সিঙ্গাপুরের নগর পরিকল্পনার ধারণাও অধ্যয়ন ও প্রয়োগ করা হয়। মোদি একবার বলেছিলেন, তিনি গুজরাটের মুখ হয়ে বিদেশে গিয়ে বিনিয়োগ ফিরিয়ে আনতেন। যোগী আদিত্যনাথও উত্তরপ্রদেশের জন্য একই ধরনের কৌশল প্রয়োগ করছেন—সরাসরি বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে রাজ্যকে উৎপাদন, প্রযুক্তি ও পরিকাঠামোর জন্য প্রস্তুত গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরছেন (Yogi Adityanath)।

    রোডশোর আয়োজন

    মুখ্যমন্ত্রী ২২ ফেব্রুয়ারির সন্ধ্যায় সিঙ্গাপুরে পৌঁছবেন এবং ২৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সেখানে থাকবেন। এই পর্যায়ে স্মার্ট সিটি উন্নয়ন, নগর পরিবহণ ব্যবস্থা, জল ব্যবস্থাপনা এবং দক্ষতা উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। বিনিয়োগকারী রোডশোর আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে উত্তরপ্রদেশকে বিনিয়োগবান্ধব রাজ্য হিসেবে তুলে ধরা হবে। সিঙ্গাপুর চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (SICCI) এবং ভারতের ফিকি (FICCI)-র মতো ব্যবসায়িক সংগঠনের সঙ্গে বৈঠক হতে পারে (PM Modi)। পরিকাঠামো, লজিস্টিকস, আবাসন ও ডিজিটাল পরিষেবা ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়াতে মউ (MoU) স্বাক্ষরিত হতে পারে (Yogi Adityanath)। প্রধানমন্ত্রী সিঙ্গাপুরে বসবাসকারী ভারতীয় সম্প্রদায়ের সদস্যদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন, বিশেষত যাঁদের শেকড় উত্তরপ্রদেশে। আধিকারিকরা মনে করেন, প্রবাসী ভারতীয়রা বৈশ্বিক সংস্থা ও দেশের সুযোগের মধ্যে সেতুবন্ধন গড়ে তুলতে পারেন। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন শহর, আধুনিক আবাসন ও দক্ষ জনপরিষেবার জন্য সিঙ্গাপুর সুপরিচিত—এই মডেল থেকে শিক্ষা নিতে চায় উত্তরপ্রদেশ।

    সফর করবেন জাপানও

    ২৪ থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত যোগী আদিত্যনাথ জাপানের টোকিও, ইয়ামানাশি, ওসাকা ও কিয়োটো সফর করবেন। টোকিওর ইম্পেরিয়াল হোটেলে অনুষ্ঠিত হবে “জাপান-উত্তরপ্রদেশ পার্টনারশিপ ফর ম্যানুফ্যাকচারিং, মবিলিটি, অ্যান্ড টেকনোলজি” শীর্ষক এক বড় ব্যবসায়িক সম্মেলন। অটোমোবাইল, বৈদ্যুতিক যান, ইলেকট্রনিক্স, রেল, রাসায়নিক ও লজিস্টিকস খাতের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন (Yogi Adityanath)। জাপান ভারতের অন্যতম প্রধান উন্নয়ন সহযোগী। উত্তরপ্রদেশের ইতিমধ্যে ইয়ামানাশি প্রিফেকচারের সঙ্গে একটি সমঝোতা রয়েছে। শিল্প সহযোগিতা, প্রযুক্তি হস্তান্তর, বৌদ্ধ পর্যটন, যোগ ও আয়ুর্বেদ নিয়ে আলোচনা হতে পারে (PM Modi)। সবচেয়ে আলোচিত অংশগুলির একটি হল জাপানের উচ্চগতির ম্যাগলেভ ট্রেনে মুখ্যমন্ত্রীর ১০০ কিলোমিটারের পরীক্ষামূলক যাত্রা। এই ট্রেন চৌম্বকীয় লেভিটেশন প্রযুক্তিতে ঘণ্টায় প্রায় ৬০০ কিলোমিটার বেগে চলে এবং রেললাইনের স্পর্শ ছাড়াই চলাচল করে। উত্তরপ্রদেশ যেহেতু উন্নত পরিবহণ ব্যবস্থা নিয়ে ভাবছে, এই অভিজ্ঞতা উচ্চগতির রেল সম্ভাবনা বুঝতে সহায়ক হবে (Yogi Adityanath)।

    বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টি হতে পারে

    যোগীর এই সফরের একটি গুরুত্বপূর্ণ ফল হতে পারে গ্রেটার নয়ডায় যমুনা এক্সপ্রেসওয়ে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট অথরিটির (YEIDA) অধীনে ‘জাপান সিটি’ ও ‘সিঙ্গাপুর সিটি’ গড়ে তোলার অগ্রগতি। জাপান সিটি ৫০০ একর জমিতে সেক্টর ৫এ-তে এবং সিঙ্গাপুর সিটি ৫০০ একর জমিতে সেক্টর ৭-এ গড়ে তোলা হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ৭০ শতাংশ জমি শিল্পের জন্য, ১২ শতাংশ আবাসনের জন্য, ১৩ শতাংশ বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য এবং ৫ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক কাজে ব্যবহৃত হবে। এই প্রকল্পগুলি ইপিসি মডেলে বাস্তবায়িত হবে। জাপান ও সিঙ্গাপুরের পরিকল্পনা মানদণ্ড অনুসরণ করা হবে। দুই দেশের সংস্থাগুলিকে কারখানা ও অফিস তৈরির জন্য জমি দেওয়া হতে পারে। সফল হলে বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও শিল্পোৎপাদন বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে (Yogi Adityanath)। এই সফরে যোগী আদিত্যনাথ তাঁর ঐতিহ্যবাহী গেরুয়া কুর্তা-চোলা পরিধান করবেন। নাথ সম্প্রদায়ের প্রধান পুরোহিত হিসেবে গেরুয়া তাঁর নিয়মিত পোশাক। তবে এই প্রথম কোনও ভারতীয় সাংবিধানিক পদাধিকারী সরকারি সফরে গেরুয়া পোশাকে বিদেশ সফর করবেন (PM Modi)।

    গেরুয়া ত্যাগ ও আধ্যাত্মিকতার প্রতীক

    সমর্থকদের মতে, এটি ভারতের সাংস্কৃতিক আত্মবিশ্বাসের প্রতিফলন। ভারতীয় ঐতিহ্যে গেরুয়া ত্যাগ ও আধ্যাত্মিকতার প্রতীক। জাপান, যা বৌদ্ধ মন্দির ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের জন্য পরিচিত, ভারতের সঙ্গে ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক শেয়ার করে। উত্তরপ্রদেশে সারনাথ ও কুশীনগরের মতো গুরুত্বপূর্ণ বৌদ্ধ তীর্থস্থান রয়েছে। দুই দেশের মধ্যে বৌদ্ধ পর্যটন বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হতে পারে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুখ্যমন্ত্রী টোকিও থেকে প্রায় ৪৫ কিলোমিটার দূরের একটি শান্ত মন্দিরেও যেতে পারেন। অনেকে মনে করেন, অর্থনৈতিক সম্পর্কের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক বন্ধনও এতে দৃঢ় হবে। যোগী সরকার জানিয়েছে, পরিকাঠামো ও ব্যবসার সুবিধার ক্ষেত্রে উত্তরপ্রদেশ ইতিমধ্যেই উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে। তবে প্রায় ২৩ কোটি জনসংখ্যার এই রাজ্যে দ্রুত শিল্পোন্নয়ন অপরিহার্য (Yogi Adityanath)।

    জাপান থেকে বৈদ্যুতিক যান, সেমিকন্ডাক্টর, উন্নত উৎপাদন ও উচ্চগতির রেল ব্যবস্থায় বিনিয়োগ আকর্ষণের আশা করা হচ্ছে। সিঙ্গাপুর থেকে স্মার্ট সিটি, জল পরিশোধন ও লজিস্টিক পার্কে দক্ষতা আনার লক্ষ্য রয়েছে (PM Modi)। এই বিদেশ সফর শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নজর থাকবে স্বাক্ষরিত চুক্তি ও বিনিয়োগ প্রতিশ্রুতির ওপর। সফল হলে এটি ১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের লক্ষ্যের পথে বড় পদক্ষেপ হতে পারে। একই সঙ্গে গেরুয়া পোশাক পরিহিত এক মুখ্যমন্ত্রীর বৈশ্বিক নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ভারতের উন্নয়নের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক শেকড়ে দৃঢ় থাকার বার্তাও বহন করতে পারে (Yogi Adityanath)।

     

  • PM Modi: “কেন্দ্রীয় বাজেট ও সংস্কারের ওপরই মনোনিবেশ করুন”, সাংসদদের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: “কেন্দ্রীয় বাজেট ও সংস্কারের ওপরই মনোনিবেশ করুন”, সাংসদদের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সাংসদরা যেন কেন্দ্রীয় বাজেট ও সংস্কারের ওপরই মনোনিবেশ করেন”, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি এমনই আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি রাষ্ট্রপতির ভাষণকে জাতীয় আত্মবিশ্বাসের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরেন এবং ভারতের প্রবৃদ্ধি-লক্ষ্যমাত্রাকে ভারত এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির সঙ্গে যুক্ত করেন, যাকে তিনি সবচেয়ে (Budget Session) বড় চুক্তি বা সব চুক্তির জননী বলে অভিহিত করেন। নয়াদিল্লিতে বাজেট অধিবেশনের সূচনায় ভাষণ দিতে গিয়ে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের একটি ঐতিহাসিক মাইলফলকের কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। ১ ফেব্রুয়ারি তিনি ২০২৬–২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করতে চলেছেন, যা হবে তাঁর টানা নবম বাজেট পেশ।

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য (PM Modi)

    রাষ্ট্রপতির ভাষণ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “রাষ্ট্রপতির ভাষণ ১৪০ কোটি নাগরিকের আত্মবিশ্বাসের প্রকাশ এবং যুবসমাজের আকাঙ্ক্ষার রূপরেখা তুলে ধরে।” সংস্কার ও সংসদের ভূমিকা নিয়ে তিনি বলেন, “সংসদ সদস্যদের উচিত সংস্কারের গতিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে অবদান রাখা এবং তা সমর্থন করা।” ভারতের সংস্কারযাত্রা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দীর্ঘদিনের সমস্যার যুগ থেকে বেরিয়ে এসে আমরা এখন দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের পথে এগোচ্ছি।” প্রযুক্তি ও শাসনব্যবস্থা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমাদের প্রযুক্তিগত সংস্কার মানুষের প্রয়োজনকে কেন্দ্র করে গড়ে তোলা দরকার।” বিশ্বে ভারতের অবস্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “ভারতের গণতন্ত্র ও জনসংখ্যাগত শক্তি বিশ্বশক্তির বড় স্তম্ভ।” ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আগামী দিনে আমরা পরবর্তী প্রজন্মের সংস্কারের পথে এগিয়ে যাব।” ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে তিনি বলেন, “ভারত-ইইউ এফটিএ একটি আত্মবিশ্বাসী ও প্রতিযোগিতামূলক ভারতের দিকে বড় পদক্ষেপ (PM Modi)।”

    সবচেয়ে বড় চুক্তি

    উৎপাদন ও রফতানি প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে এই চুক্তিকে ‘সবচেয়ে বড় চুক্তি’ বলে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এটি ভারতীয় উৎপাদকদের জন্য একটি বিশাল বাজার খুলে দেবে।” একই সঙ্গে তিনি পণ্যের গুণগত মানের ওপরও জোর দেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ইউরোপীয় ইউনিয়নে যেন সর্বোচ্চ মানের পণ্যই যায়, তা নিশ্চিত করতে হবে। গুণগত মানই আগামী কয়েক দশক ধরে স্থায়ী প্রভাব ফেলবে এবং ইউরোপে ‘ইন্ডিয়া ব্র্যান্ড’ প্রতিষ্ঠা করবে।” বাজেট অধিবেশনের প্রধান লক্ষ্য কী, এদিন তাও জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। বলেন, “দেশের জন্য বাজেটের ওপর মনোযোগ দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংস্কার, কার্যকর করা বা বাস্তবায়ন ও রূপান্তর—এই তিনটি লক্ষ্যই আমাদের প্রধান উদ্দেশ্য (Budget Session)।” এদিনই অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সংসদে অর্থনৈতিক সমীক্ষা পেশ করার কথা। এতে ২০২৬–২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেটের আগে ভারতের অর্থনীতির বিস্তারিত মূল্যায়ন তুলে ধরা হবে। ১ ফেব্রুয়ারি পেশ হবে বাজেট। প্রসঙ্গত, এই বাজেটটি হবে নির্মলা সীতারামনের টানা নবম কেন্দ্রীয় বাজেট। এর মাধ্যমে (Budget Session) তিনি দেশের প্রথম অর্থমন্ত্রী এবং প্রথম মহিলা হিসেবে এই নজির তৈরি করতে চলেছেন (PM Modi)।

     

  • Canada PM: আমেরিকার নাগপাশ কাটাতে মার্চে ভারত সফরে আসছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী, একাধিক চুক্তির সম্ভাবনা

    Canada PM: আমেরিকার নাগপাশ কাটাতে মার্চে ভারত সফরে আসছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী, একাধিক চুক্তির সম্ভাবনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত সফরে আসতে পারেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী (Canada PM) মার্ক কার্নি। মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহে ভারত সফরে আসার কথা তাঁর। জ্বালানি, খনিজ সম্পদ, পারমাণবিক সহযোগিতা এবং উদীয়মান প্রযুক্তি খাতে একাধিক চুক্তি সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন কানাডায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ পট্টনায়েক (Trump Tariffs)। এই সফর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে বাণিজ্য ও কৌশলগত অংশীদারিত্ব বৈচিত্র্যময় করার ক্ষেত্রে কানাডার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। উল্লেখ্য, আমেরিকা বর্তমানে কানাডার সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার।

    ভারতের হাইকমিশনারের বক্তব্য (Canada PM)

    পট্টনায়েক জানান, সফরকালে মার্ক কার্নি ভারতের সঙ্গে ইউরেনিয়াম সরবরাহ, তেল ও গ্যাস, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, এআই, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, শিক্ষা এবং সাংস্কৃতিক সহযোগিতা সংক্রান্ত একাধিক চুক্তিতে সই করতে পারেন। প্রস্তাবিত চুক্তিগুলির মধ্যে প্রায় ২.৮ বিলিয়ন কানাডিয়ান ডলার মূল্যের ১০ বছরের একটি ইউরেনিয়াম সরবরাহ চুক্তিও অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। এদিকে, চলতি সপ্তাহে ভারত সফররত কানাডার জ্বালানিমন্ত্রী টিম হজসন বলেন, “ভারত-কানাডার পারমাণবিক চুক্তির আওতায় পারমাণবিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হবে, তবে আন্তর্জাতিক সুরক্ষা বিধি মেনে চলার শর্তে।” তিনি আরও জানান, জ্বালানি ও খনি খাত হবে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার অন্যতম প্রধান ক্ষেত্র, যার মধ্যে অপরিশোধিত তেল ও তরল প্রাকৃতিক গ্যাস লেনদেনের সম্ভাবনাও রয়েছে।

    ভারত-কানাডা সম্পর্কের অবনতি

    জাস্টিন ট্রুডোর আমলে ভারত-কানাডা সম্পর্কের অবনতি হওয়ার পর কার্নি দুই দেশের সম্পর্ক পুনর্গঠনের উদ্যোগ নিয়েছেন। ট্রুডো ২০২৩ সালে শিখ বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা হারদীপ সিং নিজ্জর হত্যাকাণ্ডে ভারত সরকারের জড়িত থাকার অভিযোগ করেছিলেন, যা ভারত অস্বীকার করেছিল (Trump Tariffs)। পট্টনায়েক জানান, ভারত ও কানাডার মধ্যে একটি বিস্তৃত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (সিইপিএ) নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা মার্চ মাসে শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রায় দু’বছর ধরে স্থগিত থাকা এই বাণিজ্য আলোচনা গত নভেম্বরে পুনরুজ্জীবিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তাঁর মতে, আলোচনা শুরু হওয়ার এক বছরের মধ্যেই সিইপিএ চূড়ান্ত করা সম্ভব (Canada PM)।

    বৈশ্বিক নিয়মভিত্তিক ব্যবস্থা

    কার্নি কানাডার বাণিজ্যিক সম্পর্ক বৈচিত্র্যময় করাকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন। তাঁর যুক্তি, বৈশ্বিক নিয়মভিত্তিক ব্যবস্থা আর কার্যকর নেই। গত সপ্তাহে সুইৎজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে তিনি মধ্যম শক্তিধর দেশগুলির প্রতি নতুন জোট গঠনের আহ্বান জানান, যাতে আরও স্থিতিশীল বৈশ্বিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা যায়। এই উদ্যোগ এমন একটা সময়ে নেওয়া হচ্ছে, যখন বৈশ্বিক বাণিজ্য অনিশ্চয়তা বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “কানাডা যদি চিনের সঙ্গে চুক্তি করে, তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কঠোর শুল্ক আরোপ করতে পারে।” এ প্রসঙ্গে পট্টনায়েক বলেন, “বৈশ্বিক বাণিজ্য বিঘ্নের প্রেক্ষাপটে ভারত ও কানাডা দ্রুত নতুন অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে তৎপর হয়েছে।”

    তিনি জানান, আগামী মাসে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল ওটাওয়া সফর করতে পারেন। সফরকালে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান এবং নিরাপত্তা সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল এবং অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনেরও শীঘ্রই কানাডা সফরের সম্ভাবনা রয়েছে। নিজ্জর হত্যা মামলা প্রসঙ্গে পট্টনায়েক বলেন, “কানাডায় চার অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা চলছে।” তিনি জানান, যদি তদন্তে কোনও ভারতীয় নাগরিকের জড়িত থাকার (Trump Tariffs) প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে ভারত যথাযথ ব্যবস্থা নেবে (Canada PM)।

  • PM Modi: আরব আমিরশাহির প্রেসিডেন্টকে স্বাগত জানাতে দিল্লি বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: আরব আমিরশাহির প্রেসিডেন্টকে স্বাগত জানাতে দিল্লি বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংযুক্ত আরব আমিরশাহির (ইউএই) (UAE) প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানকে দিল্লি বিমানবন্দরে স্বাগত জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সোমবারের এই সাক্ষাৎ দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্বের গুরুত্বকে আরও একবার তুলে ধরল বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    আমার ভাই (PM Modi)

    পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা যখন চরমে, ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে টানাপোড়েন যখন তুঙ্গে, গাজায় অস্থিরতা এবং সৌদি আরব এবং ইউএই জড়িত ইয়েমেন সঙ্কট এখনও অমীমাংসিত, ঠিক সেই সময়েই ভারত সফরে এলেন সংযুক্ত আরব আমিরশাহির (ইউএই) প্রেসিডেন্ট। সরকারি সূত্রের খবর, বৈঠকে আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হতে পারে এবং একাধিক মউ (MoU) স্বাক্ষরিত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, “আমার ভাই, সংযুক্ত আরব আমিরশাহির প্রেসিডেন্ট মহামান্য শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে গিয়েছিলাম। তাঁর এই সফর ভারত-ইউএই দৃঢ় বন্ধুত্বের প্রতি তাঁর গুরুত্ব আরোপেরই প্রমাণ। আমাদের আলোচনার জন্য মুখিয়ে রয়েছি।”

    শেখ মহম্মদকে আতিথ্য গ্রহণের আমন্ত্রণ

    এদিন সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী তাঁর সরকারি বাসভবন, ৭ লোক কল্যাণ মার্গে শেখ মহম্মদকে আতিথ্য গ্রহণের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। ইউএই প্রেসিডেন্ট এই গুরুত্বপূর্ণ সফরের জন্য মাত্র কয়েক ঘণ্টার জন্যই ভারতে থাকবেন এবং সোমবারই ভারত ছেড়ে যাবেন। দুই নেতার মধ্যে এই বৈঠকটি প্রথমে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে চূড়ান্ত হয়েছিল, তবে পরে তা পিছিয়ে দেওয়া হয় (PM Modi)। বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগ, খাদ্য নিরাপত্তা এবং পারমাণবিক সহযোগিতা সংক্রান্ত একাধিক চুক্তিতে দুই নেতা স্বাক্ষর করতে পারেন বলে আশা করা হচ্ছে। পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতিও ভারতীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব পেতে পারে।

    প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি শেখ মহম্মদের তৃতীয় সরকারি ভারত সফর এবং গত এক দশকে তাঁর পঞ্চম ভারত সফর। সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে প্রতিরক্ষা চুক্তির প্রেক্ষাপটে ভারত ও ইউএইর মধ্যে সম্ভাব্য প্রতিরক্ষা চুক্তির দিকেও নজর থাকবে সবার। ২০২২ সালে ব্যাপক অর্থনৈতিক (UAE) অংশীদারিত্ব চুক্তি (সিইপিএ) স্বাক্ষরের পর থেকে ভারত ও ইউএইর মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য এবং জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এই চুক্তি দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে সহায়ক হয়েছে।

    বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, এই সফর সাম্প্রতিক উচ্চপর্যায়ের আদান-প্রদানের ধারাবাহিকতা। এর মধ্যে রয়েছে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে আবুধাবির যুবরাজ শেখ খালেদ বিন মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের ভারত সফর এবং গত বছরের এপ্রিলে ইউএইর উপপ্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী শেখ হামদান বিন মহম্মদ বিন রাশিদ আল মাকতুমের ভারত (PM Modi) সফর।

LinkedIn
Share