Tag: PM

PM

  • ESTIC 2025: ‘ইমার্জিং সায়েন্স, টেকনোলজি অ্যান্ড ইনোভেশন কনক্লেভ  ২০২৫’ এর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    ESTIC 2025: ‘ইমার্জিং সায়েন্স, টেকনোলজি অ্যান্ড ইনোভেশন কনক্লেভ  ২০২৫’ এর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়াদিল্লির ভারত মন্ডপমে ‘ইমার্জিং সায়েন্স, টেকনোলজি অ্যান্ড ইনোভেশন কনক্লেভ  ২০২৫’-এর (ESTIC 2025) উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোমবার ওই অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি ভারতের গবেষণা ও উদ্ভাবন-ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার প্রতি সরকারের বিশেষ গুরুত্বের কথা তুলে ধরেন।

    ১ লাখ কোটি টাকার ফান্ড (ESTIC 2025)

    দেশের গবেষণা ও উদ্ভাবন পরিকাঠামোয় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) ১ লাখ কোটি টাকার রিসার্চ ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ইনোভেশন (আরডিআই) স্কিম ফান্ডেরও উদ্বোধন করেন। এই তহবিলের লক্ষ্যই হল ভারতকে একটি বেসরকারি খাত–নির্ভর গবেষণা ও উন্নয়ন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সাহায্য করা। চলতি বছরের ৩ থেকে ৫ নভেম্বর আয়োজিত তিন দিনের এই কনক্লেভে শিক্ষাঙ্গন, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, শিল্পক্ষেত্র ও সরকারি সংস্থাগুলির ৩ হাজারেরও বেশি প্রতিনিধি যোগ দিয়েছিলেন। এদের মধ্যে নোবেল বিজয়ী, বিশিষ্ট বিজ্ঞানী, উদ্ভাবক এবং নীতি–নির্ধারকরাও উপস্থিত ছিলেন। বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারত এখন জ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের যুগে প্রবেশ করেছে। এই তহবিল তরুণ গবেষক ও উদ্ভাবকদের নয়া স্বপ্ন পূরণের মঞ্চ করে তুলবে। এই প্রকল্পের আওতায় উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্টার্টআপ, শিল্পখাত এবং গবেষণা সংস্থাগুলিকে আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে, যাতে তারা বিশ্বমানের প্রযুক্তি উদ্ভাবনে সক্ষম হয়।”

    যেসব ক্ষেত্রে গুরুত্ব

    ‘ইমার্জিং সায়েন্স, টেকনোলজি অ্যান্ড ইনোভেশন কনক্লেভ ২০২৫’-এ প্রধানত যে ১১টি বিষয়ের ওপর আলোচনা হয়েছে, সেগুলি হল উন্নত (ESTIC 2025) উপকরণ ও উৎপাদন প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, বায়ো–ম্যানুফ্যাকচারিং, ব্লু ইকোনমি, ডিজিটাল যোগাযোগ, ইলেকট্রনিক্স ও সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদন, উদীয়মান কৃষি প্রযুক্তি, জ্বালানি, পরিবেশ ও জলবায়ু, স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা প্রযুক্তি, কোয়ান্টাম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং মহাকাশ প্রযুক্তি। এই কনক্লেভে শীর্ষস্থানীয় বিজ্ঞানীদের বক্তব্য, প্যানেল ডিসকাসন, উপস্থাপনা এবং প্রযুক্তি প্রদর্শনীও হয়েছে। গবেষক, শিল্প-নেতা এবং তরুণ উদ্ভাবকদের মধ্যে সহযোগিতার একটি মঞ্চ হিসেবেও কাজ করছে এটি, যা ভারতের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি পরিবেশ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে সহায়তা করবে বলেই (ESTIC 2025) ধারণা সংশ্লিষ্ট মহলের (PM Modi)।

  • PM Modi: “ভারতের সামুদ্রিক শিল্পের মাইলফলক বছর ২০২৫”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “ভারতের সামুদ্রিক শিল্পের মাইলফলক বছর ২০২৫”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “২০২৫ সাল ভারতের সামুদ্রিক শিল্পের জন্য একটি মাইলফলক বছর হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।” বুধবার মুম্বইয়ে গ্লোবাল মেরিটাইম লিডার্স কনক্লেভে ভাষণ দিতে গিয়ে কথাগুলি বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ‘ইন্ডিয়া মেরিটাইম উইক ২০২৫’-এর (India Maritime Week 2025) তৃতীয় দিন ছিল বুধবার। এদিন ওই অনুষ্ঠানে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী। উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি, নৌবাহিনীর ক্যাডেট এবং শিল্পক্ষেত্রের শীর্ষ ব্যক্তিরাও। প্রধানমন্ত্রী এই অনুষ্ঠানকে ভারতের সামুদ্রিক যাত্রার এক গৌরবময় মুহূর্ত হিসেবে উল্লেখ করেন। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে সামুদ্রিক শিল্পে ভারত যে ব্যাপক উন্নতি করেছে, এদিন বক্তৃতা দিতে গিয়ে তারও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

    দেশীয় সবুজ হাইড্রোজেন উৎপাদন কেন্দ্র (PM Modi)

    তিনি বলেন, “২০২৪–২৫ অর্থবর্ষে ভারতের প্রধান বন্দরগুলি আমাদের ইতিহাসে সর্বাধিক পরিমাণ পণ্য পরিবহণ করেছে। শুধু তাই নয়, কাণ্ডলা বন্দরই দেশের প্রথম বন্দর যেখানে মেগাওয়াট-স্কেলের দেশীয় সবুজ হাইড্রোজেন উৎপাদন কেন্দ্র চালু হয়েছে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই অনুষ্ঠানটি ২০১৬ সালে শুরু হয়েছিল। আজ এটি একটি সত্যিকারের বৈশ্বিক সম্মেলনে পরিণত হয়েছে।”  তিনি বলেন, “৮৫টিরও বেশি দেশের অংশগ্রহণ ভারতের ক্রমবর্ধমান সামুদ্রিক শক্তি সম্পর্কে বিশ্বের কাছে একটি শক্তিশালী বার্তা পাঠাচ্ছে।” প্রধানমন্ত্রী নৌপরিবহণ খাতে একাধিক বৃহৎ প্রকল্পের উদ্বোধন এবং কোটি কোটি টাকার সমমূল্যের মউ স্বাক্ষর করার কথাও ঘোষণা করেন। উপস্থিত দর্শকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “এই অনুষ্ঠানে আপনাদের উপস্থিতি ভারতের সামুদ্রিক সক্ষমতার প্রতি বিশ্বের আস্থার প্রতিফলন।”

     কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    এদিন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু বন্দর কর্তৃপক্ষের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন সম্পর্কের প্রসঙ্গও টানেন (PM Modi)। এখানে ভারত মুম্বই কন্টেইনার টার্মিনালের দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই সম্প্রসারণের ফলে বন্দরের পণ্য পরিচালনার ক্ষমতা দ্বিগুণ হয়েছে, যা একে ভারতের সবচেয়ে বড় কন্টেইনার বন্দর হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে (India Maritime Week 2025)।” তিনি জানান, এই সাফল্য এসেছে ভারতের বন্দর পরিকাঠামো খাতে এ পর্যন্ত হওয়া সবচেয়ে বড় বৈদেশিক প্রত্যক্ষ বিনিয়োগের (FDI) মাধ্যমে। প্রধানমন্ত্রী এই প্রকল্পে অংশীদারিত্বের জন্য সিঙ্গাপুরকে ধন্যবাদ জানান। তিনি জানান, পুরানো, ঔপনিবেশিক যুগের জাহাজ চলাচল সম্পর্কিত আইনগুলি পরিবর্তন করে আধুনিক ও ভবিষ্যতমুখী আইন প্রণয়ন করা হয়েছে। এটি একবিংশ শতাব্দীর প্রয়োজন অনুযায়ী সাজানো হয়েছে। তিনি বলেন, “এই নতুন আইনগুলি রাজ্য সামুদ্রিক বোর্ডগুলিকে ক্ষমতা দিয়েছে, অগ্রাধিকার দিচ্ছে নিরাপত্তা ও মজবুত উন্নয়নকে, উৎসাহিত করছে বন্দর ব্যবস্থাপনায় ডিজিটাল প্রযুক্তির সমন্বয়কে।”

    মোটা অঙ্কের বিনিয়োগ

    প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে উঠে এসেছে সামুদ্রিক শিল্পে মোটা অঙ্কের বিনিয়োগের কথাও। তিনি জানান, প্রায় ২৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (২.২ লাখ কোটি টাকা) মূল্যের নয়া বিনিয়োগ হতে চলেছে। এটি ভারতের সামুদ্রিক সক্ষমতায় এক বিশাল উত্থানের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেও জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণ শুরু করেন এই বলে যে, তিরুবনন্তপুরমে অবস্থিত ভিঝিঞ্জাম আন্তর্জাতিক সমুদ্রবন্দর, যা ভারতের প্রথম গভীর সমুদ্র ট্রানশিপমেন্ট হাব, এ বছর সম্পূর্ণরূপে কাজ শুরু করেছে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় কনটেইনার জাহাজ এমএসসি-ইরিনা সেখানে নোঙরও করেছে।

    ভারত কনটেইনার শিপিং লাইন

    তিনি জানান, শিপিং কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া ২০৪৭ সালের মধ্যে তাদের বহরে ২১৬টি জাহাজ যুক্ত করবে। এর মধ্যে থাকবে বাল্ক ক্যারিয়ার, ট্যাঙ্কার এবং অফশোর ভেসেলসও। প্রধানমন্ত্রী এদিন উদ্বোধন করেন ভারতের নিজস্ব ভারত কন্টেইনার শিপিং লাইন, যার বহরে থাকবে ৫১টি কন্টেইনার জাহাজ। এই খাতে বিনিয়োগ করা হবে ৬০ হাজার কোটি টাকা। তেল ও গ্যাস খাতের সরকারি সংস্থাগুলি ৪৭ হাজার ৮০০ কোটি টাকার ৫৯টি নতুন জাহাজ কেনার অর্ডারও দিয়েছে। একটি নতুন গ্রিন টাগ প্রোগ্রামও চালু করা হয়েছে (India Maritime Week 2025)। এই প্রোগ্রামে ১২ হাজার কোটি টাকায় ১০০টি পরিবেশবান্ধব টাগবোট কেনা হবে। ভারতের বন্দরগুলি আরও মজবুত করতেই এই ব্যবস্থা। ড্রেজিং কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া ৩ হাজার ৭৭৫ কোটি টাকায় ১১টি ড্রেজারও কিনবে (PM Modi)।

    এদিনের অনুষ্ঠানে বন্দর, জাহাজ ও জলপথ বিষয়ক মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোওয়াল প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিভঙ্গির প্রশংসা করে বলেন, “এই সম্মেলন হল দৃষ্টি, শিক্ষা, নীতি ও উদ্ভাবনের এক মিলনক্ষেত্র।” মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীসও ভাষণ দেন এদিন। তিনি বলেন, “ইন্ডিয়া মেরিটাইম উইক এখন এমন এক মঞ্চে পরিণত হয়েছে, যেখানে বিশ্বের নবীন উদ্ভাবনগুলি ভারতের বন্দর ও জলপথের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে।” প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ (India Maritime Week 2025) জানিয়ে তিনি বলেন, “ভারতের সামুদ্রিক ক্ষেত্রকে নতুনভাবে কল্পনা করে তিনি এক অভূতপূর্ব পরিবর্তনের সূচনা করেছেন (PM Modi)।”

  • RTI: আরটিআই নিয়ে অভিযোগ, কংগ্রেসের ‘মিথ্যের মুখোশ’ খুলে দিল মোদি সরকার, কীভাবে জানেন?

    RTI: আরটিআই নিয়ে অভিযোগ, কংগ্রেসের ‘মিথ্যের মুখোশ’ খুলে দিল মোদি সরকার, কীভাবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় গণতন্ত্রের মেরুদণ্ড হল তথ্য জানার অধিকার আইন, সংক্ষেপে আরটিআই (RTI)। চলতি মাসে ২০ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন করছে এই আইন। এই সময়ই আইনটিকে ঘিরে সৃষ্টি হয়েছে বিতর্ক। কংগ্রেসের অভিযোগ, নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সরকার আরটিআইকে দুর্বল করে দিচ্ছে, গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করছে এবং স্বচ্ছতাকে ফেলছে হুমকির মুখে। রাহুলের এহেন মন্তব্যের জোরালো জবাব দিয়েছে সরকার। বিভিন্ন সরকারি প্রতিবেদন তুলে ধরে তারা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে, আরটিআই এখন আগের যে কোনও সময়ের চেয়ে আরও শক্তিশালী, দ্রুত ও স্বচ্ছ হয়েছে। বর্তমানে প্রায় ৯৫ শতাংশ মামলারই নিষ্পত্তি হচ্ছে। এটি একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য।

    কংগ্রেসের অভিযোগ (RTI)

    কংগ্রেসের সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, “মোদি সরকার ধীরে ধীরে আরটিআই আইনকে ফাঁপা করে দিচ্ছে।” তাঁর অভিযোগ, নয়া আইনগুলি, যেমন ডেটা প্রোটেকশন আইন, সাধারণ মানুষের কাছে তথ্য প্রকাশে বাধা হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা জয়রাম রমেশের দাবি, সরকার আরটিআইয়ের মাধ্যমে স্বচ্ছতা এড়িয়ে যাচ্ছে। এই মামলাগুলির মধ্যে রয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর ডিগ্রির বিস্তারিত তথ্যের দাবি, ভুয়ো রেশন কার্ড সংক্রান্ত অভিযোগ, রাফাল যুদ্ধবিমান চুক্তি, নোটবন্দি নীতি এবং বাতিল হওয়া ইলেক্টোরাল বন্ড প্রকল্প। তাঁর বক্তব্য, সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে তথ্য গোপন করছে এবং আরটিআই ব্যবস্থাকে দুর্বল করছে। কংগ্রেসের বক্তব্য হল, সরকার এই বিষয়গুলিতে কঠিন প্রশ্নের মুখোমুখি হয়ে ভয় পেয়ে ২০১৯ সালে আরটিআইয়ে একটি সংশোধনী পাশ করে। এই সংশোধনীর মাধ্যমে কেন্দ্রীয় তথ্য কমিশনকে দুর্বল করা হয়েছে। কারণ এতে সরকারকে কমিশনারদের বেতন ও মেয়াদের ওপর বেশি নিয়ন্ত্রণ দেওয়া হয়েছে, যা কমিশনের স্বাধীনতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

    ‘মিথ্যের মুখোশ’ খুলল কেন্দ্র

    কংগ্রেসের এহেন ‘মিথ্যের মুখোশ’ খুলে দিয়েছে কেন্দ্রের মোদি সরকার। কেন্দ্রীয় তথ্য কমিশনের প্রতিবেদন এবং সংসদে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংয়ের দেওয়া তথ্য কংগ্রেসের দাবির উল্টো ছবিই তুলে ধরেছে। এই সংখ্যাগুলি কেন্দ্রীয় পর্যায়ে আরটিআই ব্যবস্থার কার্যকারিতায় নাটকীয় উন্নতি নির্দেশ করছে। উদাহরণস্বরূপ, মামলার নিষ্পত্তির হার আগের ইউপিএ সরকারের সময় ছিল ৮১ শতাংশ। সেটা এখন হয়েছে ৯৪ শতাংশেরও বেশি। এই উচ্চ হার বজায় ছিল কোভিড-১৯ অতিমারির কঠিন সময়েও (RTI)।

    চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল মোদি সরকার

    এহ বাহ্য। আবেদনকারীদের জন্য সবচেয়ে বড় হতাশার কারণ হিসেবে বিবেচিত হয় মুলতবি মামলার জট। বর্তমানে এই জট উল্লেখযোগ্যভাবে কমে প্রায় অর্ধেক (PM Modi) হয়েছে। ২০২০-২১ সালে সিআইসিতে মুলতবি মামলার সংখ্যা ছিল ৩৮ হাজার ১১৬টি। ২০২৩-২৪ সালে এটাই কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ১৯ হাজার ২৩৩টিতে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, ব্যবস্থাটির প্রতি জনসাধারণের আস্থা এখন পৌঁছেছে সর্বকালের সর্বোচ্চ পর্যায়ে। জানা গিয়েছে, ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে ১৭.৫ লাখেরও বেশি আরটিআই আবেদন দাখিল করা হয়েছে। এটি এক দশক আগের সংখ্যার দ্বিগুণ। এ থেকে একটি বিষয় স্পষ্ট, আরও বেশি নাগরিক এখন মনে করছেন আরটিআই একটি কার্যকরী হাতিয়ার এবং তাঁরা আত্মবিশ্বাসী যে এর মাধ্যমে তাঁরা সঠিক উত্তর পাবেন (RTI)।

    চোখধাঁধানো সাফল্যের সূত্র

    প্রশ্ন হল, কীভাবে মিলল এহেন চোখধাঁধানো সাফল্য? সরকারি সূত্রে খবর, সব চেয়ে বড় পরিবর্তন এসেছে একটি নির্দিষ্ট অনলাইন পোর্টাল চালুর মাধ্যমে। এখন দেশের যে কোনও প্রান্ত থেকে নাগরিকরা ২৪ ঘণ্টা আরটিআই আবেদন জমা দিতে পারেন। এতে একদিকে যেমন কাগজপত্রের ঝামেলা দূর হয়েছে, তেমনি অন্যদিকে প্রক্রিয়াটি হয়েছে অত্যন্ত সহজ। অনলাইন ব্যবস্থা এতটাই শক্তিশালী যে, অতিমারির সময় দেশজুড়ে পূর্ণ লকডাউন থাকা সত্ত্বেও কেন্দ্রীয় তথ্য কমিশনের কাজ একদিনের জন্যও বন্ধ হয়নি। দ্বিতীয়ত, সিআইসি চালু করেছে হাইব্রিড শুনানির ব্যবস্থা (PM Modi)। এর মাধ্যমে আবেদনকারী ও সরকারি আধিকারিকরা অডিও এবং ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সংযুক্ত হতে পারেন (RTI)। ফলে কমিশন প্রতিদিন আগের তুলনায় অনেক বেশি সংখ্যক মামলার শুনানি ও নিষ্পত্তি করতে পারছে। তৃতীয়ত, সরকার আরটিআই প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপে কঠোর সময়সীমা নির্ধারণ করেছে। প্রথম আপিলের জন্য ৩০ দিনের এবং দ্বিতীয় আপিলের জন্য ৪৫ দিনের সীমা নির্ধারিত রয়েছে। কোনও আধিকারিক তথ্য দিতে দেরি করলে তাঁর জরিমানা হতে পারে।

    সর্বোপরি রয়েছে সিআইসির বাজেট বৃদ্ধি। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে এটি পৌঁছেছে ১২০ কোটি টাকায়। সরকার সময় মতো কমিশনারদের শূন্যপদ পূরণের দিকেও সচেষ্ট রয়েছে, যাতে প্রতিষ্ঠানটি সর্বদা পূর্ণ শক্তি নিয়ে দ্রুত কাজ করতে পারে। আরটিআইয়ের ধরন বিশ্লেষণ করতে এবং ভুয়ো বা পুনরাবৃত্তি হওয়া আবেদন (PM Modi) দ্রুত বাছাই করতে সিআইসি এখন এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারও শুরু করেছে। সব মিলিয়েই এসেছে সাফল্য (RTI)।

LinkedIn
Share