Tag: PMO

PMO

  • PMO Job Announcement: আগামী দেড় বছরেই ১০ লক্ষ নতুন কেন্দ্রীয় চাকরি! টার্গেট বেঁধে দিলেন মোদি

    PMO Job Announcement: আগামী দেড় বছরেই ১০ লক্ষ নতুন কেন্দ্রীয় চাকরি! টার্গেট বেঁধে দিলেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আপনি কী সরকারি চাকরি করতে ইচ্ছুক? কিন্তু চাকরির অভাবে ব্যাগভর্তি ডিগ্রী থাকা সত্ত্বেও বাড়িতে বেকার হয়ে বসে আছেন? ভাবছেন কবে শিকে ছিড়বে? তাহলে আপনার জন্যে সুবর্ণ সুযোগ। কেন্দ্র সরকারের ১০ লক্ষ লোভনীয় চাকরি (Job Vacancy) অপেক্ষা করছে আপনার জন্যে। এখনই শুরু করে দিন প্রস্তুতি। 

    ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনের আগে বড় ঘোষণা মোদি (Modi) সরকারের। আগামী দেড় বছরে ১০ লক্ষ সরকারি পদে নিয়োগের ঘোষণা করল প্রধানমন্ত্রীর দফতর (Prime Minister Office)। জানা গিয়েছে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) সব বিভাগ এবং মন্ত্রকের কর্মসংস্থান পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। দেড় বছরের মধ্যে ১০ লক্ষ পদে নিয়োগের প্রক্রিয়া সেরে ফেলতে নির্দেশ দিয়েছেন বিভিন্ন দফতরকে। একটি ট্যুইট করে পুরো বিষয়টি জানিয়েছে পিএমও। 

    আরও পড়ুন: ১৩০ শূন্যপদে চাকরির বিজ্ঞপ্তি জারি কেন্দ্রের, কীভাবে আবেদন করবেন?

    পিএমও-র ট্যুইটে জানানো হয়েছে, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজে কেন্দ্রীয় সরকারের সব দফতর এবং মন্ত্রকের মানব সম্পদের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার পর আগামী দেড় বছরের মধ্যে দ্রুততার সঙ্গে দশ লক্ষ নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছেন৷”

    [tw]


    [/tw]

    সম্প্রতি একাধিকবার নরেন্দ্র মোদি সরকারের আমলে দেশের বেকারত্বের হার বৃদ্ধি নিয়ে সবর হয়েছে বিরোধীরা। পিএমও-র এই ট্যুইট বিরোধীদের প্রশ্নের যোগ্য জবাব বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। 

    আরও পড়ুন: রাজ্যে আইন মেনে হচ্ছে না ১০০ দিনের কাজ

    কর্মসংস্থান বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা পালন করে রেলমন্ত্রক। অনেকেই মনে করছেন আগামী দিনে প্রচুর পরিমাণে নিয়োগ হতে পারে রেলে। রেল ছাড়াও ডাক বিভাগ, পিএসইউ এবং কেন্দ্র সরকারের অন্যান্য বিভাগেও কর্মসংস্থান প্রচুর পরিমাণে বাড়বে, পিএমও-র ঘোষণা থেকে তা স্পষ্ট। 

     

  • Agnipath Scheme: অগ্নিবীরদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত নয়! রয়েছে নানা সুযোগ

    Agnipath Scheme: অগ্নিবীরদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত নয়! রয়েছে নানা সুযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অগ্নিবীরেরা কর্মরত অবস্থায় দক্ষতা সংক্রান্ত যে প্রশিক্ষণ পাবেন, সেই বিষয়গুলিকে আগামী দিনে তিন বছরের স্নাতক স্তরে প্রবর্তন করা হবে। এ নিয়ে একটি বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে শিক্ষা মন্ত্রক। ইন্দিরা গান্ধী ন্যাশনাল ওপেন ইউনিভার্সিটি (IGNOU) এর মাধ্যমে এই ডিগ্রি দেওয়া হবে। ইগনু এ নিয়ে নানা পরিকল্পনাও শুরু করেছে। শীঘ্রই চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে বলেও শিক্ষামন্ত্রক সূত্রে খবর। অগ্নিবীররা কর্মরত অবস্থায় তাঁদের কাজের দক্ষতার উপর ভিত্তি করে এই কোর্সের ৫০ শতাংশ নম্বর পাবেন। বাকি ৫০ শতাংশ নম্বর দেওয়া হবে  বিষয়ভিত্তিকভাবে। ভাষা, অর্থনীতি, ইতিহাস, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, গণিত, সমাজবিজ্ঞান  প্রভৃতি বিষয় থাকবে। ইউজিসি (UGCএবং জাতীয় শিক্ষানীতি অনুসারে স্নাতকস্তরে এই নয়া কোর্স শুরু করা হবে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য ভারতীয় সেনাবাহিনীর তিনটি বিভাগের সঙ্গেই আলোচনা করা হবে।

    আরও পড়ুন: ভবিষ্যতে ভারতীয় সেনার অর্ধেক হবে অগ্নিবীর! দাবি সেনা উপপ্রধানের

    অগ্নিপথ প্রকল্পে চার বছরের জন্য সেনায় নিয়োগের পরবর্তী সময়ে অগ্নিবীররা কী করবেন তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে নানা মহলে। কিন্তু সরকারের তরফে এ বিষয়ে আশ্বাস দিয়ে বলা হয়েছে, অগ্নিবীরদের ভবিষ্যৎ সুনিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধ পরিকর। অবসর নেওয়া অগ্নিবীরদের সমস্ত আধাসামরিক বাহিনী ও আসাম রাইফেলসে যোগদানের প্রশ্নে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। অগ্নিপথ প্রকল্পে সুযোগ পাওয়া অগ্নিবীরদের পুলিশ ও সহযোগী বাহিনীতে নিয়োগে অগ্রাধিকার (priority) দেওয়া হবে বলে টুইট করেছেন উত্তর প্রদেশের (uttar pradesh) মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথও (Yogi Adityanath)। টুইটে যোগী আদিত্যনাথ বলেছেন,অগ্নিপথ প্রকল্প যুবকদের দেশ ও সমাজের সেবার জন্য তৈরি করে দেবে। তাদের জন্য গর্বিত ভবিষ্যতের সুযোগ দেবে বলেও মন্তব্য করেছেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী।

    প্রধানমন্ত্রীর দফতর সূত্রে খবর, ইতিমধ্যে বেসরকারি নিরাপত্তা সংস্থাগুলির সর্বোচ্চ সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি দিয়ে বলা হয়েছে, অগ্নিবীর সেনাদের অবসর-পরবর্তী চাকরির বন্দোবস্ত করার বিষয়টি নিয়ে তারা সরকারের সহযোগী হতে আগ্রহী। তাদের প্রস্তাব, কর্পোরেট নিরাপত্তার একটি ছোট কোর্সের কথা ভাবা যেতে পারে, যার মাধ্যমে পরবর্তী সময়ে অগ্নিবীরদের উপযুক্ত চাকরি দেওয়া সম্ভব হবে।

  • India curb rice exports: গম, চিনির পর এবার চাল রফতানিও নিয়ন্ত্রিত করবে কেন্দ্র?

    India curb rice exports: গম, চিনির পর এবার চাল রফতানিও নিয়ন্ত্রিত করবে কেন্দ্র?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিদিন দেশে খাদ্যদ্রব্যের দাম বাড়ছে। অতিরিক্ত লাভের আশায় বিদেশে খাদ্যশস্য রফতানিতে জোর দিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। যার জেরে দেশের খাদ্যপণ্যের দাম বেড়েই চলেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ইতিমধ্যেই কেন্দ্র সরকার গম রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। চিনির রফতানিতে আংশিক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এবার চালের বিদেশে রফতানিতে আংশিক বা সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। যদিও এখনই এবিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক। চাল রফতানি নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, এই বিষয়ে ভারতীয়দের এখনই চিন্তার কোনও কারণ নেই। সূত্রের খবর, দেশে এখন পর্যাপ্ত চাল মজুদ রয়েছে। পাশাপাশি চালের দামও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সরকারের বেঁধে দেওয়া মাত্রা থেকে নীচেই রয়েছে চালের দাম। তাই এখনই দেশের মানুষের কোনও সমস্যা হওয়ার কথা নয়। 

    আরও পড়ুন: গমের পর চিনি রফতানিতে রাশ টানল সরকার

    ভারতীয় খাদ্যভাসে চাল ও গম একে অপরের পরিপূরক। কেন্দ্র রেশনের মাধ্যমে চাল ও গম দুটিই দেয়। তবে চলতি বছরে গমের ফলন কম হওয়ায় কেন্দ্রের তরফে রেশনের মাধ্যমে গমের বদলে চাল দেওয়া হতে পারে। তাই ভাঁড়ারে পর্যাপ্ত চাল মজুত রাখতে সচেষ্ট কেন্দ্র। সেজন্যই বিধিনিষেধ আরোপের কথা ভাবা হচ্ছে। সূত্রের খবর, প্রধানমন্ত্রীর দফতরের নিয়োগ করা একটি কমিটি এখন প্রত্যেকটি অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের দাম যাচাই করছে। যে পণ্যের মূল্যই সাধারণের সাধ্যের বাইরে বলে মনে হবে, তার দাম কমানোর জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

    বিশেষজ্ঞদের অভিমত, ভারত যদি চালের রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে, তার প্রভাব পড়বে বিশ্বজুড়ে। ভারত গম রফতানি বন্ধ করার পরই উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল আন্তর্জাতিক মনিটারি ফান্ড (IMF)। আইএমএফের প্রধান ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা কেন্দ্র সরকারের কাছে গম রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার জন্য আবেদন করেছেন। চাল রফতানিকারী দেশের তালিকায় একেবারে ওপরদিকে রয়েছে ভারত। বিশ্বের বেশিরভাগ দেশে চাল ও গম অত্যন্ত প্রয়োজনীয় খাদ্যশস্য, তাই চাল রফতানি বন্ধ হলে এর প্রভাব হবে মারাত্মক, এমনটাই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।

  • Modi Utkarsh Samaroh: “বাবার জন্য চিকিৎসক হতে চাই”, কিশোরীর কথা শুনে বাকরুদ্ধ আবেগতাড়িত মোদি

    Modi Utkarsh Samaroh: “বাবার জন্য চিকিৎসক হতে চাই”, কিশোরীর কথা শুনে বাকরুদ্ধ আবেগতাড়িত মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশ ও দেশবাসীর দায়িত্ব তাঁর কাঁধে। দেশের ভালোর জন্য অনেক সময়েই তাঁকে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়। কিন্তু যে কোনও কঠিন সিদ্ধান্তই তিনি সব সময় চোয়াল শক্ত করে নেন। তাঁকে আবেগপ্রবণ হতে কজন দেখেছেন! কিন্তু প্রধানমন্ত্রী হলেও তিনি আদ্যন্ত রাজনীতিবিদ। সর্বোপরি মানুষ। ফলে সময়ে-অসময়ে তিনিও আবেগতাড়িত হন। বৃহস্পতিবার গুজরাতে উৎকর্ষ সমারোহের অনুষ্ঠান চলাকালীন আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)। তিনি আয়ুব প্যাটেল নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলছিলেন। যিনি চোখে দেখতে পান না। গুজরাত সরকারে উন্নয়ন প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছেন। এই প্রকল্পের জন্য প্রথমেই মোদিকে ধন্যবাদ জানান তিনি। বার্তালাপের সময় আয়ুব বলেন, তাঁর তিন মেয়ে রয়েছে। তাঁদেরই একজন চিকিৎসক হতে চায়। এই কথা শুনে প্রধানমন্ত্রী ওই ব্যক্তির কন্যাকে প্রশ্ন করেন, কেন তিনি চিকিসক হতে চান? প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নের উত্তরে মেয়েটি জানান, তাঁর বাবাকে সুস্থ করার জন্য ও সাহায্য করার জন্য তিনি চিকিসক হতে চান। এই উত্তরে  আবেগতাড়িত হয়ে পড়েন প্রধানমন্ত্রী।  কিছুক্ষণ চুপ করে থাকেন তিনি। ওই মেয়ের মনের জোর এবং জেদের প্রশংসা করেন মোদি। তিনি জানান, অনেক ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার থেকে অভিজ্ঞতার শক্তি বেশি। নিজেদের জীবন এবং লড়াই থেকেই অনেক কিছু শেখা যায়। পাশে থাকার কথা জানিয়ে ওই ব্যক্তিকে মোদি বলেন, “আপনার মেয়ের স্বপ্নপূরণে কোনও সাহায্যের প্রয়োজন হলে আমাকে জানান।” 

    [tw]


    [/tw]

    প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে জানানো হয়েছে এই উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ১২ হাজার ৮৫৪ জন রয়েছেন। যাঁদের অভাবের সময় সাহায্য করা হয়। গুজরাত সরকারের চারটি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবে একশো শতাংশ প্রয়োগ করা হচ্ছে কি না তা খতিয়ে দেখেন প্রধানমন্ত্রী তথা গুজরাতের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, “প্রকল্পগুলি কখনও খাতায় কলমে থেকে যায়, কখনও বা ভুল লোকের হাতে চলে যায়। কিন্তু আমি আপনাদের সঙ্গে আছি। সবকা সাথ, সবকা বিকাশ এই ভাবনা নিয়েই কাজ করি আমি। এটাই ঠিক পথ বলে আমার বিশ্বাস।” গুজরাতবাসীকে অভিনন্দন জানিয়ে মোদি বলেন, তিনি আজ দেশের প্রধানমন্ত্রী তাঁকে এই জায়গায় পৌঁছতে সাহায্য করেছে গুজরাতের সাধারণ মানুষ।

    এদিন অন্য এক মঞ্চে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির থাকার কথা। বাইডেনের সভাপতিত্বে আয়োজিত গ্লোবাল করোনা সামিটে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। আজ ভার্চুয়াল এই সামিটে বক্তব্য রাখার কথা রয়েছে তাঁর। করোনা মহামারী পরিস্থিতিতে টিকাকরণে ভারতের ভূমিকা নিয়েই বার্তা দেওয়ার কথা প্রধানমন্ত্রী মোদির এমনই জানিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী।

  • Modi in UP: “সব স্বচ্ছ নীতির প্রতিফলন…!” যোগী-রাজ্যে গিয়ে কী বললেন মোদি?

    Modi in UP: “সব স্বচ্ছ নীতির প্রতিফলন…!” যোগী-রাজ্যে গিয়ে কী বললেন মোদি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ উত্তরপ্রদেশ (Uttar Pradesh) সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)। উত্তরপ্রদেশে বিনিয়োগকারীদের শীর্ষ সম্মেলনে (3rd Uttar Pradesh Investors Summit) যোগ দেন তিনি। শিলান্যাস করলেন একাধিক প্রকল্প। প্রধানমন্ত্রীর দফতর (PMO) সূত্রে জানা গিয়েছে, আজ ১,৪০৬ টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন মোদি। যাতে বরাদ্দ প্রায় ৮০ হাজার কোটি টাকা।
     
    প্রকল্পগুলি মূলত কৃষি, তথ্যপ্রযুক্তি, ইলেক্ট্রনিক্স, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প, উৎপাদন, পুনর্ব্যবহারযোগ্য শক্তি, ওষুধ, পর্যটন, প্রতিরক্ষা, বিমান পরিবহণ, তাঁত এবং বস্ত্র শিল্পের সঙ্গে জড়িত। উত্তরপ্রদেশে বিনিয়োগকারীদের শীর্ষ সম্মেলন প্রথম অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৮ সালের ২১-২২ ফেব্রুয়ারি। ওই বছরই ২৯ জুলাই ৬১,৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৮১টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়েছিল। দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলন হয় ২০১৯ সালের ২৮ জুলাই। সেবছর ৬৭,০০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ২৯০টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়। এবছর এক লাফে বিনিয়োগ বেড়ে ৮০,০০০ কোটি টাকা। 

    আরও পড়ুন: অযোধ্যায় রাম মন্দির গর্ভগৃহের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন যোগী আদিত্যনাথের

    এদিন সকালে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী (Yogi) আদিত্যনাথ একটি ট্যুইটে লেখেন, “প্রধানমন্ত্রীর অভিভাবকত্বে নতুন ভারত গড়ার লক্ষ্যে নতুন রূপে উত্তরপ্রদেশ। দেশে বিনিয়োগের সবচেয়ে ভালো ঠিকানা উত্তরপ্রদেশ। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে বিনিয়োগকারীদের উন্মাদনা তারই প্রমাণ। নতুন উত্তরপ্রদেশকে এক নতুন উড়ান দেবে এই অনুষ্ঠান।” 

    [tw]


    [/tw]

    এদিন ভিত্তিপ্রস্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দেশের তাবড় তাবড় শিল্পপতিরা। তালিকায় রয়েছে গৌতম আদানি, কুমার মঙ্গলম বিড়লা, সজ্জন জিন্দাল, মুকেশ আম্বানির ছেলে অনন্ত আম্বানির মতো বড় বড় নাম।  উত্তরপ্রদেশে ৭০,০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করার ঘোষণা করেছে আদানি গ্রুপ। 

    আরও পড়ুন: “বাংলার দিদি এসেছিলেন…”, ভোট-পরবর্তী হিংসা নিয়ে মমতাকে কটাক্ষ যোগীর, কী বললেন তিনি?

    উত্তরপ্রদেশে বিনিয়োগকারীদের শীর্ষ সম্মেলনে মোদি এদিন বলেন, “আমরা একসঙ্গে কাজ করে দেশকে শক্তিশালী করতে চাই। এক দেশ- এক কর, এক দেশ- এক বিদ্যুৎ শক্তি, এক দেশ- এক মোবিলিটি কার্ড, এক দেশ- এক রেশন কার্ড। এই সব কিছুই আমাদের স্বচ্ছ নীতির প্রতিফলন।” 

    নরেন্দ্র মোদি আরও বলেন, “রাজ্যের দ্রুত উন্নতির জন্যে যৌথভাবে কাজ করছে ‘ডবল-ইঞ্জিন সরকার’। এই বছরের বাজেটে এই রাজ্যে ৭.৫ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। ভারত বিশ্বের দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতি। গ্লোবাল রিটেল ইনডেক্সের নিরিখে দ্বিতীয় স্থানে আছে ভারত। আগামী দিনে উত্তরপ্রদেশে কর্মসংস্থান আরও বাড়বে।” 

    [tw]


    [/tw]

    ভিত্তিপ্রস্তর অনুষ্ঠান শেষে দুপুর ১.৪৫ নাগাদ প্রধানমন্ত্রী কানপুরের পারাউঙ্খ গ্রামে যান। রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ (Ramnath Kovind) এবং প্রধানমন্ত্রী সেখানে একসঙ্গে পাথরি মাতা মন্দির দর্শন করেন। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী দুপুর ২টোয় ডঃ বি আর আম্বেদকর ভবন যান। সেখান থেকে ২.১৫ মিনিট নাগাদ যান মিলন কেন্দ্রে। মিলন কেন্দ্র হল, জনসাধারণের জন্য দান করা রাষ্ট্রপতির পূর্বপুরুষের একটি বাড়ি। এখন সেই বাড়িকে একটি সামাজিক কেন্দ্রে রূপান্তরিত করা হয়েছে। এরপর ২.৩০ নাগাদ তাঁরা পারাউঙ্খ গ্রামে একটি জনসভায় যোগ দেন। 

        

LinkedIn
Share