Tag: post poll violence

post poll violence

  • Suvendu Adhikari: ঘরছাড়াদের রাজভবনে ঢুকতে বাধা, অনড় শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ঘরছাড়াদের রাজভবনে ঢুকতে বাধা, অনড় শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট পরবর্তী হিংসায় শাসক দলের কর্মীদের হাতে আক্রান্তদের নিয়ে রাজভবনে ছুটলেন রাজ্যের বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) । বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টে নাগাদ রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সঙ্গে দেখা করার কথা ছিল তাঁদের। রাজভবনে (Rajbhawan) গিয়ে রাজ্যপালের কাছে তাঁরা অভিযোগ জানাবেন বলে ঠিক ছিল। কিন্তু বাধ সাধল পুলিশ। রাজভবন চত্বরে ১৪৪ ধারা জারি আছে এই অজুহাতে পুলিশ তাঁদের আটকে দেয়। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর দাবি কেন তাঁদের আটকানো হয়েছে তা পুলিশ জানায় নি।

    রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে বাধা (Suvendu Adhikari)

    এদিন রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে রাজ্যপালের হস্তক্ষেপও দাবি করতে যাওয়ার কথা ছিল শুভেন্দুর। এদিন দুপুর থেকেই রাজভবনের সামনের রাস্তা ঘিরে রেখেছিল পুলিশ। এমনিতেই ওই এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি থাকে। জমায়েত আটকাতে ‘ব্যারিকেড’ করে রেখেছিল পুলিশ। শুভেন্দু চেয়েছিলেন আক্রান্তদের কথা শুনুন রাজ্যপাল। সেইকারণেই তাঁদের রাজভবনে নিয়ে আসার সিদ্ধান্ত। অথচ পুলিশ তাঁদের কয়েকজন প্রতিনিধিকেও ভিতরে নিয়ে যেতে দিতে চায়নি বলে অভিযোগ। সেই কারণেই রাজভবনের সামনে নিজের গাড়িতে দীর্ঘক্ষণ বসে ছিলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) । বিজেপির অভিযোগ, লোকসভা ভোট মিটতেই রাজ্যে হিংসার শিকার হচ্ছেন তাঁদের কর্মী-সমর্থকেরা। ঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন বহু জন। ‘আক্রান্ত’দের সঙ্গে দেখা করতে ইতিমধ্যে ডায়মন্ড হারবার, পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া, উলুবেড়িয়া গিয়েছেন শুভেন্দু। যাঁরা ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসে ‘ঘরছাড়া’, তাঁদের নিয়ে বৃহস্পতিবার রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছেন তিনি। বিজেপি ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসে ‘আক্রান্ত’দের বিষয়ে বার বার সরব হয়েছে। ‘ঘরছাড়া’ মানুষজনের জন্য উত্তর কলকাতায় বিজেপির উদ্যোগে ধর্মশালা ভাড়া নেওয়া হয়েছে। সেখানে দেখা করতে গিয়েছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। তিনিও ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে সরব হয়েছেন। দাবি করেছেন, ‘তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী’রাই এ সব করেছেন।

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে শুভেন্দুর হুঁশিয়ারি

    প্রসঙ্গত রাজভবনে প্রবেশের তিনটি গেটই এদিন দুপুর থেকেই ঘিরে ফেলে পুলিশ। শুধু শুভেন্দু অধিকারীই নন তাঁর সহায়ককেও এদিন রাজভবনে ঢুকতে বাধা দেয় পুলিশ এমনটাই অভিযোগ। কিন্তু ঘরছাড়াদের রাজভবনে (Rajbhawan) ঢুকতে বাধা কেন এনিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এক্ষেত্রে বলে রাখা ভাল ১৪৪ ধারা থাকাকালিনই ১০০ দিনের বকেয়ার দাবিতে দুদিন ধরনা ও কয়েক হাজার কর্মী রাজভবনে জমায়েত হয়েছিলেন তখন পুলিশের এই তৎপরতা চোখে পড়েনি। কাউকে সেবেলায় আটকায় নি পুলিশ এমনকি গোটা ধর্না মঞ্চের আশেপাশে সুরক্ষা দিয়েছিল পুলিশ।

    আরও পড়ুন: বিজেপিতে যোগ দেওয়া এক ক্রিকেটারের ওপর হামলা, অভিযুক্ত তৃণমূল কাউন্সিলর

    আক্রান্তদের কণ্ঠরোধ করতে পুলিশের ততপরতা নিয়ে সমালোচনা করেন শুভেন্দু। এদিন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, মমতা ব্যানার্জী আমাদের ডেপুটেশন দিতে দিলেন না। স্বাধীনতার পর এমন কখনও হয়নি। এভাবে পুলিশকে ব্যবহার করা যায় না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ায়ের নিষ্ঠুর ভাবমূর্তি জনগণ আজ দেখতে পেল। আমি ১৮ তারিখ প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে বিষয়টি তুলে ধরব।”   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: বুথে হেরেছে তৃণমূল, বিজেপি কর্মীকে মারধর করে গাড়ি ভাঙচুর

    North 24 Parganas: বুথে হেরেছে তৃণমূল, বিজেপি কর্মীকে মারধর করে গাড়ি ভাঙচুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভায় বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছেন তৃণমূল প্রার্থী। তারপরও বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলা অব্যাহত। অপরাধ, বুথে লিড পেয়েছে বিজেপি। আর তার জেরেই এক বিজেপি কর্মীকে মারধর করার পাশাপাশি তাঁর গাড়িতে ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) বারাসতে। আক্রান্ত বিজেপি কর্মী থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (North 24 Parganas)

    বারাসতের (North 24 Parganas) ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সূর্যসেন পল্লি এলাকাতে বুধবার রাতে  বিজেপি কর্মীকে মারধর করার পাশাপাশি তাঁর গাড়ি ভাঙচুর করার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এছাড়াও একাধিক জায়গায় বিজেপির ফ্লেক্স, ফেস্টুন ছিঁড়ে দেওয়া হয়েছে। বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মীকে লাগাতার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। কারও কারও কাছ থেকে টাকা চাওয়া হচ্ছে। স্থানীয় এক বিজেপি নেতা বলেন, বারাসতের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে লোকসভা নির্বাচনে ২০১ ভোটে বিজেপি লিড পেয়েছে। আসলে তৃণমূল কংগ্রেস গোটা লোকসভাতে জয়লাভ করলেও, এই এলাকাতে হেরে যাওয়ার কারণেই বিজেপি কর্মীদের ওপর এই তাণ্ডব চালাচ্ছে। স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলর অরুণ ভৌমিকের নেতৃত্বে মদ্যপ যুবকরা এসব করছে। আমরা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি।

    আরও পড়ুন: কুয়েতে মৃত ভারতীয়দের পরিবারকে ২ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ, সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর

    তৃণমূল নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    যদিও বারাসত পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান তাপস দাশগুপ্ত বলেন, সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা। নিজেদের মধ্যে গন্ডগোল। সেটা তৃণমূল কংগ্রেসের ওপরে চাপিয়ে খবরের শিরোনামে আসার চেষ্টা করছে বিজেপি।

    অশোকনগরে বিজেপি কর্মীর দোকান ভাঙচুর

    উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) অশোকনগরে বিজেপি কর্মীর দোকান ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ভোটের আগে থেকে বিজেপির হয়ে কাজ না করার জন্য হুমকি দিয়েছিলেন তৃণমূল কর্মীরা। কিন্তু, বিজেপি কর্মী তা না শুনেই দলের হয়ে কাজ করেছিলেন। বুধবার রাতে বিজেপি কর্মীর দোকানে ভাঙচুর চালানো হয় বলে অভিযোগ। বিজেপি কর্মীর পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Post Poll Violence: “মিছিল থেকেই বাড়িতে চড়াও হয়ে ভাঙচুর করল তৃণমূল”, বললেন আক্রান্ত বিজেপি কর্মী

    Post Poll Violence: “মিছিল থেকেই বাড়িতে চড়াও হয়ে ভাঙচুর করল তৃণমূল”, বললেন আক্রান্ত বিজেপি কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকেই একের পর এক হিংসার (Post Poll Violence) ছবি উঠে এসেছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বহু বিজেপি কর্মী ঘরছাড়া রয়েছেন। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সোমবারই জেলায় এসে আক্রান্তদের সঙ্গে দেখা করে যান। তারপরই ফের আরও এক বিজেপি কর্মীর বাড়ি ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপ এলাকায়। আক্রান্ত বিজেপি কর্মী থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Post Poll Violence)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কাকদ্বীপের শ্রীনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের  মধুসূদনপুর গ্রামে তৃণমূলের পক্ষ থেকে মিছিল বের করা হয়। সেই মিছিল থেকে বিজেপি কর্মী রাজারাম প্রধানের বাড়িতে হামলা (Post Poll Violence) চালানো হয় বলে অভিযোগ। বিজেপি কর্মী রাজারাম প্রধান বলেন, “আমি বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলাম। সেই সময় তৃণমূলের মিছিল আমার বাড়ির সামনে দিয়ে যাচ্ছিল। মিছিল থেকে কয়েকজন আমার দিকে তেড়ে যাই। আমি ছুটে বাড়ির মধ্যে ঢুকে দরজা লাগিয়ে দিই। এরপরই বাঁশ, লাঠি দিয়ে আমার বাড়ি ভাঙচুর করে ওরা। এমনকী বাড়ির সামনে থাকা সিসি ক্যামেরা ওরা ভেঙে দিয়েছে। আমরা খুবই আতঙ্কিত। মূলত স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মনোরমা মিদ্দা পন্ডিত ও তাঁর স্বামী পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালিয়েছে।” তবে, বিজেপি কর্মীর বাড়ির আশপাশে থাকা সিসিটিভি ফুটেছে পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে, একদল দুষ্কৃতী ওই বিজেপি কর্মীর বাড়িতে হামলা চালাচ্ছে। ওই বিজেপি কর্মী পুলিশের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগও তুলেছেন। এই বিষয়ে ওই বিজেপি কর্মী স্থানীয় থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    আরও পড়ুন: মন্ত্রক বদলাল না শান্তনুর, মোদি মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েই জোড়া দায়িত্ব সুকান্তর

    অভিযুক্ত তৃণমূলের প্রধান কী সাফাই দিলেন?

    অভিযোগ অস্বীকার করেছেন গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মনোরমা মিদ্দা পন্ডিত। তিনি বলেন, “এটা ওদের পারিবারিক বিষয়। এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূল কোনওভাবেই জড়িত নই। দুই ভাইয়ের গন্ডগোল। এরসঙ্গে তৃণমূলের নাম জড়িতে রাজনৈতিক ফয়দা তোলার চেষ্টা করছে। তৃণমূল এই ধরনের নোংরা রাজনীতি করে না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Post Poll Violence: ঘরছাড়া কর্মীদের নিরাপত্তা চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ শুভেন্দু অধিকারী

    Post Poll Violence: ঘরছাড়া কর্মীদের নিরাপত্তা চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ শুভেন্দু অধিকারী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২১-এর ভয়ানক রাজনৈতিক রোগ ফিরে এসেছে ২০২৪-এ। ভোট মিটতেই শাসকদলের অত্যাচারে (Post Poll Violence) ঘরছাড়া হয়েছেন বিরোধী রাজনৈতিক দলের হাজার হাজার কর্মী। আক্রান্তদের মধ্যে বেশিরভাগ বিজেপির সদস্য। এবার লোকসভা ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক হিংসায় ঘর ছাড়াদের নিরাপত্তা চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন শুভেন্দু অধিকারী। বিচারপতি প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং হিরন্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বুধবার আদালতে এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

    হাইকোর্টে বিজেপি কর্মীদের নিরাপত্তা চেয়ে মামলা

    প্রসঙ্গত এর আগে কলকাতা হাইকোর্টের গ্রীষ্মকালীন বেঞ্চের বিচারপতি কৌশিক চন্দ্র এবং অপূর্ব সিনহার ডিভিশন বেঞ্চ ৬ই জুন ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে রাজ্যের তীব্র সমালোচনা করেছিল। একটি জনস্বার্থ মামলার প্রেক্ষিতে সেদিন শুনানি হয়। শুনানি চলাকালীন ডিভিশন বেঞ্চ রাজ্যকে অবিলম্বে যাতে (Post Poll Violence) হিংসা বন্ধ হয় তার জন্য প্রশাসনকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেয়। সেদিন হাইকোর্টে রাজ্য পুলিশ অক্ষম হলে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করার হুঁশিয়ারি দেয়। অভিযোগ উঠছে ভোট পরবর্তী হিংসায় ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। ঘর ছাড়া হয়েছেন কয়েক হাজার। ইতিমধ্যেই কলকাতার মাহেশ্বরী ভবনে ঠাঁই দাওয়া হয়েছে বহু বিজেপি কর্মীদের। তাঁরা কবে বাড়ি ফিরতে পারবেন তার জন্য দিন গুনছেন। রাজ্যে সাত দফায় ভোট হয়েছে। অন্য বারের তুলনায় শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হয়েছে। কিন্তু ভোট শেষ হতেই কেন্দ্রীয় বাহিনী নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছে। এরপরই শুরু হয়েছে শাসক দলের অত্যাচার। খুন, জখম, মারধরের পাশাপাশি বিজেপি কর্মীদের দোকান ভাঙচুর করা হয়েছে। তাঁদের বাড়িঘর ঘিরে হামলা করা হচ্ছে। অনেকেই এর জেরে ঘরছাড়া হয়েছেন। তাই আক্রান্তদের নিরাপত্তা চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    ফিরে এল ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস (Post Poll Violence)

    প্রসঙ্গত ২০২১ সালেও ভোটের পর রাজনৈতিক হিংসার (Post Poll Violence) ঘটনা ঘটেছিল। বিজেপির কয়েক হাজার কর্মী এক বছরের বেশি সময় ঘরছাড়া ছিলেন। যারা ঘরে ফিরেছিলেন তাঁরাও নিজের ভিটে মাটিতে উঠতে পেরেছিলেন কয়েক মাস পর। অনেকে কোন রাজনৈতিক দল না করার মুচলেকা লিখে বাড়ি ফিরেছিলেন। এবারও ধীরে ধীরে পরিস্থিতি সেদিকেই যাচ্ছে বলে অভিযোগ রাজ্য বিজেপির নেতাদের। সেবার ভোটের পর বিভিন্ন কমিশন রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় ঘোরার পর প্রশাসন ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছিল।

    আরও পড়ুন: মানিকতলা সহ রাজ্যের চার বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন, তারিখ জানাল কমিশন

    এবার পরিস্থিতি আরো বিপজ্জনক বলে দাবি করা হচ্ছে বিজেপির তরফ থেকে। বিজেপির অভিযোগ এলাকায় এতটাই সন্ত্রাস (Post Poll Violence) যে বিষয়গুলো সামনে সামনে আনাও কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়াচ্ছে। বহু ক্ষেত্রে বিষয়টি সংবাদ মাধ্যমের সামনে আসছে না এতটাই সন্ত্রাস রয়েছে ওই সমস্ত গ্রামীণ এলাকায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: ভোট পরবর্তী হিংসা জেলায় জেলায় অব্যাহত, মুর্শিদাবাদে খুন এক দুধ ব্যবসায়ী

    Murshidabad: ভোট পরবর্তী হিংসা জেলায় জেলায় অব্যাহত, মুর্শিদাবাদে খুন এক দুধ ব্যবসায়ী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচন শেষ হয়েছে। দেশে তৃতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। এই রাজ্যের তৃণমূল বিপুল সংখ্যায় ভোট নিয়ে ২৯টি আসনে জয় লাভ করেছে। কিন্তু ফল ঘোষণার পর থেকেই জেলায় জেলায় ভোট পরবর্তী হিংসা অব্যাহত। কখনও বিরোধী দলের কর্মীদের টার্গেট করছে শাসক দল, আবার কখনও শাসক দলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে আক্রান্ত হচ্ছেন মানুষ। রবিবার দলীয় কোন্দলে মুর্শিদাবাদে (Murshidabad) গুলিবিদ্ধ হয়ে প্রাণ গেল একজন ব্যক্তির। পরিবারের দাবি, খুনিদের পরিচয় না জানা গেলেও তৃণমূলের দলীয় কোন্দলে খুনের ঘটনা ঘটেছে।

    কীভাবে খুনের ঘটনা ঘটল (Murshidabad)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) হরিহরপাড়ায় গজনীপুর এলাকায় খুন হওয়া ব্যক্তির নাম সনাতন ঘোষ। এই ব্যক্তি এলাকায় তৃণমূল করতেন। পেশায় তিনি ছিলেন একজন দুধ ব্যবসায়ী। গতকাল রবিবার রাত ১২ টায় গজনীপুর থেকে নিজের বাড়িতে বাইকে করে আরও একজনকে সঙ্গে নিয়ে ফিরছিলেন তিনি। কিন্তু গজনীপুর ও শ্রীপুরের মধ্যবর্তী মাঠ এলাকায় কয়েকজন দুষ্কৃতী তাঁদের বাইক থামিয়ে খুব কাছ থেকে গুলি করে।

    পুলিশের বক্তব্য

    মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) পুলিশ সূত্রে খবর, সনাতনের দেহের একাধিক জায়গায় গুলি লেগেছে। গুলির শব্দ এবং চিৎকার শুনে আশেপাশের মানুষ ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন সনাতন। তাঁকে উদ্ধার করে দ্রুত স্থানীয় হরিহরপাড়া ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর পুলিশ তাঁকে মুর্শিদবাদ মেডিক্যাল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে জানান।

    আরও পড়ুনঃ সুকান্ত মন্ত্রী হতেই বাজি ফাটিয়ে মিছিল করে উৎসবে মাতলেন বালুরঘাটবাসী

    পরিবারেরে বক্তব্য

    মৃত সনাতনের পরিবারের (Murshidabad) পক্ষ থেকে এক মাসি বলেছেন, “রাতের বেলায় পার্টির মিটিং করে বাইকে করে ফিরছিলেন সনাতন। কিন্তু পেছন থেকে একটি গাড়ি এসে, রাস্তায় তাঁদের বাইক দাঁড় করিয়ে দুষ্কৃতীরা ৬ রাউন্ড গুলি করে। এই গুলি সনাতনের কানে, বুকে, পেটে লাগে। যারা গুলি করেছে তাদের পরিচয় জানা না গেলেও দলীয় কোন্দলের কারণে খুনের ঘটনা ঘটেছে। এর আগেও রাজনৈতিক কারণে তাঁকে বার বার হুমকি দেওয়া হচ্ছিল।” যদিও তৃণমূলের অভিযোগ বিজেপির দিকে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।  

  • Election Result 2024: পূর্ব মেদিনীপুরের মুসলিম অধ্যষিত অঞ্চলেও লিড দিয়ে বাজিমাত বিজেপির

    Election Result 2024: পূর্ব মেদিনীপুরের মুসলিম অধ্যষিত অঞ্চলেও লিড দিয়ে বাজিমাত বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব মেদিনীপুরের ২টি লোকসভা কেন্দ্র কাঁথি এবং তমলুকে ভোটের ফলাফলে (Election Result 2024) ১৬টি বিধানসভার মধ্যে ১৫টিতে এগিয়ে গিয়েছে বিজেপি। একই ভাবে নন্দীগ্রামে এগিয়ে গিয়েছে বিজেপি। ফলে ২০২১ সালে তৃণমূলের জয়ী হওয়া বিধানসভাগুলিতে ধরাশায়ী হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। কার্যত শুভেন্দু ম্যাজিকে বাজিমাত করেছে বিজেপি।

    ৩০ শতাংশ মুসলমান এলাকায় এগিয়ে বিজেপি (Election Result 2024)

    ২০২১ সালে তৃতীয় বারের জন্য বিপুল আসন নিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল তৃণমূল। কিন্তু পূর্ব মেদিনীপুরের দুটি লোকসভা কেন্দ্রে এই নির্বাচনে জয় ধরে রেখে ব্যাপক ভাবে সম্মান বাঁচানোর চেষ্টা করেছিল তৃণমূল। কিন্তু দুটিতে হারের মুখ দেখতে হয়েছে তৃণমূলকে। তমলুকে বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় জয়ী হয়েছেন প্রায় ৭৮ হাজার ভোটে। আবার কাঁথিতে বিজেপি প্রার্থী সৌমেন্দু অধিকারী তৃণমূলকে হারিয়ে জয়ী হয়েছেন প্রায় ৪৮ হাজার ভোটে। একই ভাবে মুসলমান অধ্যষিত বিধানসভাগুলিতে লিড পেয়েছে বিজেপি। কোলাঘাটে ৩০ শতাংশ মুসলমান রয়েছে, সেখানেও এবার বিজেপি ২৭১১ ভোটে এগিয়ে (Election Result 2024) গিয়েছে।

    বিজেপির বক্তব্য

    বিজেপির পক্ষ থেকে বলা হয়, মুসলিম এলাকাগুলিতেও শুভেন্দু অধিকারীর বেশ জনপ্রিয়তা রয়েছে। তিনি বিজেপিতে যোগদান করার পর থেকে বরাবর তাঁর উপর আস্থা রেখেছেন জনসাধারণ। মুসলমান সমাজের উন্নয়ন নিয়ে মমতা সরকারের দুর্নীতির কথাকে স্পষ্ট করে তুলে ধরেছিলেন তিনি। একই ভাবে মসজিদের ইমাম ও মুসলমান সমাজের মুরুব্বিদের সঙ্গে কথা বলেন। রাজ্যকে এগিয়ে নিতে গেলে বিজেপিকে কেন গ্রহণ (Election Result 2024) করা উচিত, সেই দিকগুলি নিয়ে আলোচনা করেছিলেন তিনি।

    আরও পড়ুনঃবিজেপি নেতার বাবা-ভাইকে মারধরে যুক্ত ৮ তৃণমূল দুষ্কৃতীকে ১৪ দিনের জেল হেফাজত

    তৃণমূলের বক্তব্য

    কোলাঘাটের তৃণমূল বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী বিপ্লব রায় চৌধুরী নিজের বুথে হেরেছেন। তিনি বলেছেন, “গোটা জেলাতেই তৃণমূলের ফল (Election Result 2024) অত্যন্ত খারাপ হয়েছে। কেন এই রকম ফলাফল হল তা খতিয়ে দেখতে হবে। আমি নিশ্চিত আমাদের সাংগঠনিক ভাবে দুর্বলতা ছিল। কিছু লোক বিজেপির হয়ে কাজ করেছে নির্বাচনে। আমরা পর্যালোচনা করে জানাবো।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Post Poll Violence: বিজেপি নেতার বাবা-ভাইকে মারধরে যুক্ত ৮ তৃণমূল দুষ্কৃতীকে ১৪ দিনের জেল হেফাজত

    Post Poll Violence: বিজেপি নেতার বাবা-ভাইকে মারধরে যুক্ত ৮ তৃণমূল দুষ্কৃতীকে ১৪ দিনের জেল হেফাজত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি নেতার বাবা-ভাইকে মারধরের (Post Poll Violence) ঘটনায় ৮ তৃণমূল দুষ্কৃতীকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে সিউড়ি আদালত। গত বৃহস্পতিবার, তৃণমূলের বিজয় মিছিল থেকে এক বিজেপি নেতার বাড়িতে হামলা চালায় তৃণমূলের গুন্ডারা। হামলার সঙ্গে চলে ব্যাপক ভাবে বাড়ি ভাঙচুর। সেই সঙ্গে বিজেপি নেতার পরিবারের লোকজনের উপর করা হয় অত্যাচার। ঘটনা ঘটেছিল বীরভূমের সদাইপুরের সাহাপুরে।

    বিজেপির বক্তব্য (Post Poll Violence)

    স্থানীয় বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, লোকসভা ভোটের ফলাফল ঘোষণার পরেই শুরু হয় ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস (Post Poll Violence)। বীরভূম বিজেপি নেতা দেবব্রত ঘোষের বাবা এবং ভাইকে বেধড়ক মারধর করে তৃণমূলের গুন্ডারা। দুই জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। একই ভাবে বাড়ি লক্ষ্য করে ইট-পাথর ছুঁড়ে মারা হয়। ঘটনায় মোট আটজন তৃণমূল দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। গতকাল শুক্রবার তাদের আদালতে তোলা হলে, ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন সিউড়ি আদালতের বিচারক। এই হামলা এবং মারধরের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৫০ জনের নামে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে সদাইপুর পুলিশের কাছে।

    আরও পড়ুনঃভোটে বাঁকুড়া পুরসভার ২৪টি ওয়ার্ডের মধ্যে ২০টিতেই এগিয়ে বিজেপি, ধরাশায়ী তৃণমূল

    ফলাফল ঘোষণার পর থেকে শুরু সন্ত্রাস

    অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনের পর থেকে রাজ্যজুড়ে শুরু হয়ে গিয়েছে ভোট পরবর্তী হিংসা (Post Poll Violence)। কোচবিহার থেকে কলকাতা সর্বত্র জেলায় জেলায় বিজেপি কর্মীদের টার্গেট করে হামলা করা হচ্ছে। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা বাড়িঘর ভাঙচুর করছে, প্রয়োজনীয় আসবাব পত্র লুটপাট করেছে। প্রাণের ভয়ে বাড়ি ছাড়া হয়ে অন্যত্রে আশ্রয় নিয়েছে অনেক কর্মী-সমর্থকরা। রাজ্যের সন্ত্রাস আটকানো নিয়ে কলকাতা হাইকোর্ট তীব্র ভর্ৎসনা করেছে রাজ্য সরকারকে। প্রয়োজন হলে পাঁচ বছর রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে এমন মন্তব্যও করেছে কোর্ট। কিন্তু তাতেও মমতার হেলদোল নেই।

    উল্লেখ্য একুশের বিধানসভা নির্বাচন, পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর ব্যাপক ভাবে সন্ত্রাস চালানোর অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। রাজ্যের জেলায় জেলায় প্রচুর পরিমাণে অভিযোগপত্র জমা পড়েছিল। খুন, ধর্ষণ, লুটপাট হয়েছিল ব্যাপক। মামলা কলকাতা হাইকোর্টে গেলে তদন্তের দায়িত্ব কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে দেওয়া হয়। সেই মামলা এখনও চলছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Election Result 2024: পশ্চিম মেদিনীপুরের বিরোধীশূন্য পুরসভায়ও ধরাশায়ী তৃণমূল, এগিয়ে বিজেপি

    Election Result 2024: পশ্চিম মেদিনীপুরের বিরোধীশূন্য পুরসভায়ও ধরাশায়ী তৃণমূল, এগিয়ে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের বিরোধীশূন্য পুরসভা অঞ্চলে অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছে তৃণমূল। আবার একই সঙ্গে শহর অঞ্চল বা ব্লকেগুলিতে তৃণমূল থেকে অনেক বেশি ভোটে এগিয়ে গিয়েছে বিজেপি। লোকসভার ফলাফলে (Election Result 2024) তৃণমূলের বিপক্ষে এই জনমত বিজেপির জন্য আশার আলো দেখা যাচ্ছে। পশ্চিম মেদিনীপুরের একাধিক পুরসভায় বাজিমাত করেছে বিজেপি। অপর দিকে হিরণ, ঘাটালে ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস বন্ধ করতে নাম না করে দেবের কাছে আবেদন করলেন সামজিক মাধ্যমে।

    তৃণমূল থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে জনতা (Election Result 2024)

    রাজ্যের ২০২১ সালের পুরসভা নির্বাচনে পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটাল মহকুমার পাঁচটি পুরসভাতেই বিপুল সংখ্যক ভোট পেয়েছিল তৃণমূল। এইবারের অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনে শহরের জনতা মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন তৃণমূলের কাছ থেকে। ভোটের ফলাফলে (Election Result 2024) দেখা যাচ্ছে পাঁচটি পুরসভার মধ্যে চারটি পুরসভা অঞ্চলে বিজেপিকে ভোট দিয়েছেন অনেক বেশি পরিমাণে। গত দুই বছরের তৃণমূলের শাসনে দুর্নীতি একটি বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মনে করছেন রাজনীতির একাংশের মানুষ। তৃণমূল কথিত পুরসভার উন্নয়নমুখী কাজ কি দুর্নীতি ইস্যুর সামনে একটা বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে? এই প্রশ্ন এখন সব জায়গায় ঘুরপাক খাচ্ছে।

    কোন কোন পুরসভায় এগিয়ে বিজেপি?

    পশ্চিম মেদিনীপুর এলাকার ঘাটাল মহকুমার মধ্যে একমাত্র চন্দ্রকোনা পুরসভায় জয়কে অব্যাহত রাখতে পেড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। অপর দিকে ঘাটাল, খড়ার, ক্ষীরপাই এবং রামজীবনপুর পুরসভায় এগিয়ে গিয়েছে বিজেপি। গতবারের পুর নির্বাচনে বিরোধীশূন্য ছিল এই পুরসভাগুলি। এবার এই এলাকাগুলিতে বাজিমাত করেছে বিজেপি। সামগ্রিক ভাবে এগিয়ে থাকা পুর এলাকাগুলির মধ্যে কোথাও এক হাজার আবার কোথাও দেড় হাজার ভোটে এগিয়ে (Election Result 2024) রয়েছে বিজেপি।

    আরও পড়ুনঃ বিধানসভার নিরিখে জ্যোতিপ্রিয়-জীবনকৃষ্ণ ধরাশায়ী, বাজিমাত বিজেপির

    ফেসবুকে সন্ত্রাস বন্ধের আবেদন হিরণের

    ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রে ভোট পরবর্তী হিংসা (Election Result 2024) নিয়ে তৃণমূলের সন্ত্রাস বন্ধ করতে সামজিক মাধ্যমে নিজের আবেদন রেখেছেন হিরণ। তিনি নাম না করে দেবের কাছে আবেদন করে বলেন, “আমি হেরে গিয়েছি। আমি হার স্বীকার করেছি। আমাকে প্রয়োজনে শাস্তি দিন। কিন্তু আমার কর্মীদের অত্যাচার করবেন না। গরিব অসহায় মানুষের উপর অত্যাচার বন্ধ করেদিন। রাজনৈতিক অধিকারকে রক্ষা করে বেঁচে থাকার অধিকারে দয়া করুন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: “দোকান ঘর থেকে বের করে বেধড়ক মারধর করল তৃণমূলের ছেলেরা”, বললেন আক্রান্ত ব্যবসায়ী

    Balurghat: “দোকান ঘর থেকে বের করে বেধড়ক মারধর করল তৃণমূলের ছেলেরা”, বললেন আক্রান্ত ব্যবসায়ী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট পরবর্তী হিংসায় তৃণমূল প্রার্থী বিপ্লব মিত্রর বাড়ি সংলগ্ন এলাকায় বিজেপিকে ভোট দেওয়ার অপরাধে বিজেপির এক বুথ সভাপতির দাদার দোকান সহ আরও দুটি দোকান ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে বালুরঘাট (Balurghat) লোকভার গঙ্গারামপুর থানার নিউমার্কেট এলাকায়। ইতিমধ্যেই এই নিয়ে গঙ্গারামপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Balurghat)

    আক্রান্ত চশমা ব্যবসায়ী সৌম্যকান্তি আঢ্য গঙ্গারামপুর (Balurghat) থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তাঁর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে জানা গিয়েছে, চার-পাঁচ জন তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী দোকানে এসে হামলা চালায়। সৌম্যকান্তি আঢ্য বলেন, আমার চশমা এবং অন্যান্য দামি জিনিসপত্র ভাঙচুর করে। দোকানের সিসিটিভিও ভেঙ্গে দেয়। দুষ্কৃতকারীরা আমাকে দোকান ঘর থেকে টেনে এনে বেধড়ক মারধর করে। লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিকে ভোট দেওয়ার জন্য এমন ঘটনা বলে জানান তিনি। ওই চশমার দোকানদার সৌম্য কান্তি আঢ্য এর মামাতো ভাই এলাকার বিজেপি বুথ সভাপতি জ্যোতির্ময় সাহা। অভিযোগ, লোকসভা ভোটে গঙ্গারামপুর এলাকা থেকে তৃণমূল কম ভোট পাওয়ায় এবং ভাই বিজেপির বুথ সভাপতি হওয়ায় তার দোকানে এসে হামলা চালায় তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় বিজেপির বিধায়ক সত্যেন রায় সহ বিজেপির কর্মীরা। এদিন আক্রান্ত ব্যক্তিকে নিয়ে গঙ্গারামপুর থানায় যান তাঁরা। অভিযোগ পেয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: “লক্ষ্মীর ভান্ডার নয়, অনুপ্রবেশকারীদের ভোটেই জিতেছে তৃণমূল”, বিস্ফোরক রাজু বিস্তা

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    এই বিষয়ে গঙ্গারামপুরের (Balurghat) বিজেপির বিধায়ক সত্যেন রায় বলেন, ভোটের পরে এইখানে আবহাওয়া ভালো ছিল। আবহাওয়া খারাপ করার জন্য তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা গঙ্গারামপুরের ৩ টি দোকান ভাঙচুর করে। একটি চশমার দোকানের মালিক কে মারধর করে। কারণ তারা বিজেপিতে ভোট দিয়েছে। গঙ্গারামপুরের মানুষের একটাই দোষ যে তারা বিপ্লব মিত্রর বিরুদ্ধে সাড়ে চার হাজার ভোট বেশি দিয়ে সুকান্ত মজুমদারকে জিতিয়েছেন। সেই কারণে আমাদের কর্মীর উপর অত্যাচার করা হচ্ছে। আমরা এই বিষয়টি থানায় জানিয়েছি। এই বিষয়ে তৃণমূলের জেলা সহ সভাপতি সুভাষ চাকি বলেন, এইটা তাঁদের নিজেদের মধ্যে ঝামেলা নিয়ে হতে পারে। এইটার মধ্যে তৃণমূলের কোনও হাত নেই। নির্বাচনে জেলায় তৃণমূল কোনও গন্ডগোল করেনি, বিজেপি গন্ডগোল করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Post Poll Violence: বারুইপুরে আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের জন্য খোলা হল ‘আশ্রয় শিবির’

    Post Poll Violence: বারুইপুরে আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের জন্য খোলা হল ‘আশ্রয় শিবির’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর যেমন ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস (Post Poll Violence) সৃষ্টি হয়েছিল, ঠিক তেমনই এইবারের লোকসভা নির্বাচনের পরও সন্ত্রাসের চিত্র অব্যাহত রয়েছে। গত মঙ্গলবার, ফল প্রকাশের পর থেকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিং, বাসন্তী, বারুইপুর সহ একাধিক এলাকায় তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা সন্ত্রাস চালিয়েছে। মানুষ অত্যাচারের শিকার হয়ে নিজেদের ঘরছাড়া হয়ে গিয়েছেন। বিজেপির পক্ষ থেকে জেলা নেতৃত্ব এবং রাজ্য নেতৃত্ব বার বার তৃণমূলের অত্যাচারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে। এবার আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের আশ্রয় দিতে বারুইপুর জেলা অফিসে খোলা হয়েছে ‘আশ্রয় কেন্দ্র’।

    আশ্রয় কেন্দ্রে দেওয়া হয়েছে আইনি সহযোগিতা (Post Poll Violence) 

    ফল প্রকাশের পর থেকেই বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের টার্গেট করেছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিং, বাসন্তীতে তৃণমূল রীতিমতো তাণ্ডব (Post Poll Violence) চালিয়েছে। কোথাও রড, কোথাও বাঁশ, আবার কোথাও আসবাবপত্র ফেলে মারধর করেছে তৃণমূলের দুষ্কৃতী বাহিনী। নিজের প্রাণকে হাতে নিয়ে কোনও ক্রমে পালিয়ে প্রাণে বেঁচে আছেন অন্যত্র আশ্রয় নিয়ে। এই আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের আশ্রয় দিতে বারুইপুর জেলা বিজেপির কার্যালয়ের খোলা হয়েছে অফিস। এই আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় দিয়ে করা হচ্ছে কর্মীদের চিকিৎসা। সেই সঙ্গে দেওয়া হচ্ছে প্রয়োজনীয় খাবার। বাড়ি ছাড়াদের বাড়িতে ফেরাতে প্রশাসনের একাধিক স্তরে কথা বলা হচ্ছে। সেই সঙ্গে দেওয়া হচ্ছে আইনি সহযোগিতা। জেলার বিজেপির নেতৃত্ব এবং রাজ্য নেতৃত্বের পক্ষ থেকে সব রকম সহযোগিতা করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৭০-৮০ জন বিজেপি কর্মীকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে এই জেলা কেন্দ্রে।

    আরও পড়ুনঃ “বিজেপি চুপ করে থাকবে না”, সন্ত্রাস নিয়ে হুঁশিয়ারি সুকান্তর, রাজ্যপালকে চিঠি শুভেন্দুর

    ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে সরব বিজেপি

    মঙ্গলবার রাতে ক্যানিং থানার দিঘিরপাড় পঞ্চায়েতের কাঠপোল এলাকায় তৃণমূল দুষ্কৃতীরা বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে আক্রমণ (Post Poll Violence) করেছিল। গুরুতর জখম হয়েছেন বিজেপি নেত্রীর স্বামী এবং মা। হামলার পর বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছেন এই বিজেপি পরিবার। বিজেপি নেত্রী বলেছিলেন, “রাত নটার পর অস্ত্র হাতে হামলা চালায় ওরা। হাতে আগ্নেয়াস্ত্রও ছিল। এর আগেও হামলা হয়েছে। আমি নির্বাচন কমিশনকে জানিয়েও রেখেছিলাম। আমি সে সময় বাড়িতে ছিলাম না, তখনই হামলা হয় আমার মা ও স্বামীর ওপর। ইতিমধ্যে পুলিশকে অভিযোগ জানিয়েছি।” আবার আজ বিজেপির পক্ষ থেকে রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে শুধরে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। আবার শুভেন্দু রাজ্যপালকে চিঠি লিখে হিংসায় নিপীড়িত মানুষের জন্য পদক্ষেপ গ্রহণের আবেদন করেছেন।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share