Tag: post poll violence

post poll violence

  • Post Poll Violence: “মমতা ও তাঁর দলের জন্মগত স্বভাব হল ভোটপরবর্তী হিংসা”, মন্তব্য বিজেপি কেন্দ্রীয় টিমের

    Post Poll Violence: “মমতা ও তাঁর দলের জন্মগত স্বভাব হল ভোটপরবর্তী হিংসা”, মন্তব্য বিজেপি কেন্দ্রীয় টিমের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ভোট-পরবর্তী হিংসা (Post Poll Violence) নিয়ে বিজেপির কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মমতার সরকারে বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যে চার সদস্যের একটি দল রবিবার কলকাতায় এসে মাহেশ্বরী ভবনে আক্রান্তদের কাছ থেকে তৃণমূল দুষ্কৃতীদের অত্যাচারের বিবরণ শোনেন। এরপর সোমবার কলকাতা বিমানবন্দর থেকে বাগডোগরা হয়ে কোচবিহারে গিয়েছেন। সেখানকার নিপীড়িত মানুষের বক্তব্য শুনেছেন।

    একই ভাবে গতকাল প্রায় শতাধিক আক্রান্ত মানুষকে নিয়ে রাজভবনে রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে হিংসা কবলিত এলাকা পরিদর্শনের জন্য অনুরোধ করেন তিনি।

    কী বলল বিজেপির কেন্দ্রীয় দল (Post Poll Violence)?

    ভোট-পরবর্তী (Post Poll Violence) হিংসার প্রভাব বাংলায় কতটা পড়েছে তা নিয়ে পরিদর্শনে এসেছে বিজেপির কেন্দ্রীয় টিম। এই দলের পক্ষে ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা রাজ্যসভার সাংসদ বিপ্লব দেব বলেছেন, “মমতা এবং তাঁর দলের জন্মগত স্বভাব হল ভোট-পরবর্তী হিংসা। এই স্বভাবের দ্রুত বদল ঘটানো উচিত, তাতে তাঁর যেমন ভালো ঠিক তেমনি দলের জন্যও ভালো। এই আচরণে খুব একটা লাভ হবে না তৃণমূলের। এই রাজ্যের মানুষ তো তাঁরই মানুষ। দায়িত্ব সবার আগে তাঁর।”

    আরও পড়ুনঃ খড়্গপুর আইআইটি হস্টেলের ছাদে উদ্ধার ছাত্রীর ঝুলন্ত দেহ! চাঞ্চল্য

    কী বললেন অগ্নিমিত্রা পল

    রাজ্যে আসা কেন্দ্রীয় দলের সঙ্গে হিংসা (Post Poll Violence) কবলিত স্থান পরিদর্শনে যান রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক তথা আসানসোল দক্ষিণের বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল। তিনি এদিন বলেন, “২০২১ সালে বিজেপি ব্যাপক ভাবে ভোট পাওয়ায় মমতা ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন। সেই সময় ভোট-পরবর্তী হিংসাকে মান্যতা দিতে চাননি। এইবার লোকসভায় বিজেপি রাজ্যে আগের থেকে বেশি ভোট পেয়েছে, তাই মুখ্যমন্ত্রী ভয় পাচ্ছেন। রাজ্যে ভোটের পর হিংসার চিত্র যেন একটা পরম্পরায় পরিণত হয়েছে। আমাদের কেন্দ্রীয় টিম সব জায়গায় পরিদর্শন করছেন। গতকাল কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় ঘুরেছি। আজ কোচবিহারেও আমরা বক্তব্য শুনেছি। ফিরে আরেকবার কলকাতায় বসব।”

    ইতিমধ্যে কোচবিহার থেকে ডায়মন্ড হারবার সব জায়াগায় তৃণমূল দুষ্কৃতীদের দ্বারা আক্রান্ত হয়ে ঘর ছাড়া হয়ে আছেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। গতকাল বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বারুইপুরে ঘরছাড়া কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের ঘরে ফেরানোর আশ্বাস দেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: বহরমপুরে বিজেপি কর্মীদের লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি-বোমাবাজি! কাঠগড়ায় তৃণমূল

    Murshidabad: বহরমপুরে বিজেপি কর্মীদের লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি-বোমাবাজি! কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের বোমাবাজিতে উত্তপ্ত বহরমপুরের (Murshidabad) গোয়ালজান এলাকা। ভোট-পরবর্তী সময়ে চাপা উত্তেজনা ছিলই, গতকাল রাত্রি বেলায় ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা বিজেপি কর্মী-সমর্থক এবং বাড়ির মহিলাদের ব্যাপক মারধর করে। আবার এই পঞ্চায়েত এলাকা, আগে থেকেই বিজেপির দখলে ছিল, এইবার লোকসভাতে এগিয়ে রয়েছে পদ্মশিবির। ফলে তৃণমূল রাজনৈতিক হিংসার বহিঃপ্রকাশ ঘটায় এদিন। উল্লেখ্য, মুর্শিদাবাদ জেলার তিনটি লোকসভায় জয়ী হয়েছে তৃণমূল, দ্বিতীয়স্থানে উঠে এসেছে বিজেপি। একই ভাবে লোকসভা ভোটের ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই কোচবিহার থেকে ডায়মন্ড হারবার সর্বত্র অশান্তির খবর উঠে আসছে।

    ঘটনা কিভাবে ঘটল (Murshidabad)?

    স্থানীয় সূত্র খবর, বেশ কিছুদিন আগে এই এলাকায় এক ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছিল। কিন্তু গতকাল রবিবার রাতে তাকে ঘিরে সামজিক মাধ্যমে পোস্ট করা হয়। পোস্টে দেখা যায় সেখানে অভিযুক্তকে ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে পুলিশের হাতে। এরপরেই তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা রাতে গোয়ালজান (Murshidabad) এলাকার জলকালী ক্লাব পাড়ায় বিজেপির কর্মীদের উপর আক্রমণ করে। চলে ইটবৃষ্টি ও বোমাবাজি। একই সঙ্গে একাধিক বাড়ি ও বেশ কিছু বাইক ভাঙচুর করা হয়। পুলিশকে খবর দিলে গাড়িকে লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি করা হয়। রাস্তায় এখনও লেগে রয়েছে বোমার দাগ। আবার পরের দিন সোমবার এই এলাকায় গঙ্গাপুজো ছিল। তাকে ঘিরে মন্দিরের আশেপাশে চালানো হয় ব্যাপক ভাঙচুর। যদিও ভোটের আগে থেকে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা হুমকি দিচ্ছিল বলে অভিযোগ। ইতিমধ্যে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী টহল দিচ্ছে। এই ঘটনায় বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে বহরমপুর থানার পুলিশ। পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

    বিজেপির বক্তব্য

    অন্যদিকে বিজেপি সমর্থকদের বক্তব্য, “এই এলাকায় গত লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি বিপুল পরিমাণের লিড পেয়েছে। আর তাই তৃণমূল দুষ্কৃতীরা তাণ্ডব চালিয়েছে। গঙ্গাপুজো উপলক্ষে রিফিউজি ফেরিঘাটের (Murshidabad) পাশে প্রতিবছর একটি বড় পুজোর আয়োজন করা হয়ে থাকে। কিন্তু এই পুজোকে বানচাল করতে তৃণমূলের গুন্ডারা বিভিন্ন রকমভাবে আক্রমণ করে। জলকালী ক্লাবের সামনে বিজেপি সমর্থকরা যেতেই তৃণমূলের লোকেরা বোমাবাজি করে। পুলিশকে খবর দিলে উল্টে তৃণমূলের হয়ে বিজেপি কর্মীদেরই ব্যাপক মারধর করে।”

    আরও পড়ুনঃ সন্দেশখালিতে তৃণমূলের হিংসা অব্যাহত, বিজেপি কর্মীদের টোটো ও দোকান বন্ধের অভিযোগ

    তৃণমূলের বক্তব্য

    বিজেপির অভিযোগকে অস্বীকার করে জেলা (Murshidabad) তৃণমূলের পক্ষ থেকে বলা হয় বিজেপি তৃণমূলকে বদনাম করতে এই ধরনের কথা বলছে। তৃণমূলের কোনও কর্মী এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত নয়। বিজেপির অন্দরে নিজেদের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের বহিঃপ্রকাশ ছাড়া আর কিছুই না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে তৃণমূলের হিংসা অব্যাহত, বিজেপি কর্মীদের টোটো ও দোকান বন্ধের অভিযোগ

    Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে তৃণমূলের হিংসা অব্যাহত, বিজেপি কর্মীদের টোটো ও দোকান বন্ধের অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল একক ভাবে ২৯টি আসনে জয়লাভ করেছে। কিন্তু ইতিমধ্যে ফল প্রকাশের পর থেকেই জেলায় জেলায় ভোট-পরবর্তী হিংসার কথা উঠে আসছে। বিজেপির অভিযোগ মূলত তৃণমূলের দিকেই। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের দ্বারা হিংসায় সন্দেশখালি (Sandeshkhali) ১ নম্বর ব্লকের বয়ারমারী অঞ্চলের বেশ কিছু সক্রিয় বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের টোটো ও দোকান বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    বিজেপি ফল ভালো করায় কি আক্রমণ (Sandeshkhali)?

    বয়ারমারী (Sandeshkhali) এক নম্বর অঞ্চলের বেশ কিছু বুথে বিজেপি ভালো ফলাফল করেছে। যে সমস্ত বুথে বিজেপি ভালো ফলাফল করেছে সেই সমস্ত বুথের সক্রিয় বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের বেছে বেছে টোটো চালানোর উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে তৃণমূল। একই ভাবে বিজেপিকর্মীদের দোকান বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠল স্থানীয় তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে। গত এক সপ্তাহ ধরে দোকান ও টোটো চলাচল বন্ধ থাকার ফলে সমস্যায় পড়েছেন এলাকার মানুষ। এই এলাকার মানুষের জীবন-জীবীকার প্রধান আশ্রয় এই দোকান এবং টোটো। অসহায় গরীব মানুষগুলি কোনও রকমে দিনে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা রোজগার দিয়ে সংসার চালান। গত কয়েকদিন ধরে এই রোজগার বন্ধ থাকায় তাঁরা প্রায় অনাহারে দিন কাটাচ্ছেন বলে দাবি বিজেপি কর্মীদের। তাই দোকান ও টোটো চালানোর দাবিতে রবিবার ন্যাজাট থানার অন্তর্গত রাজবাড়ী আউটপোস্টে এসে বিজেপির পক্ষ থেকে ডেপুটেশন জমা দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুনঃ ‘ঘরছাড়া’ দলীয় কর্মীদের দেখতে বারুইপুর গেলেন সুকান্ত, দিলেন ঘরে ফেরানোর আশ্বাস

    বিজেপি কর্মীদের বক্তব্য

    স্থানীয় (Sandeshkhali) বিজেপি কর্মী জয়দেব মণ্ডল বলেছেন, “সকালে উঠে দোকান খুলতে গেলে তৃণমূল প্রধানের অনুগামীরা বলেন, দোকান খোলা যাবেনা। কারণ জানতে চাইলে হুমকি দিয়ে বলেন, তোরা সবাই বিজেপিকে ভোট দিয়েছিস, তাই দোকান বন্ধ থাকবে। তোদের ছেলেপেলেদের নিয়ে পার্টি অফিসে দেখা কর। ক্ষমা চাইতে হবে, এলাকায় বিজেপি করা যাবে না। সেই সঙ্গে দোকান বন্ধ করে তালা মেরে দেয় তৃণমূলের লোকজন।” আরেক টোটো চালক উৎপল দত্ত বলেছেন, “তৃণমূল প্রধান আমাদের বেশকিছু টোটো বন্ধ করে দিয়েছে। পার্টি অফিসে দেখা করার নিদান দিয়েছেন। এলাকায় বিজেপি ভালো ফল করার আমাদের জীবন-জীবীকার উপর সঙ্কট তৈরি করেছে তৃণমূল। আমরা সব কিছু স্বাভাবিক চাই। তাই, আজ থানায় ডেপুটেশন দিলাম।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Post Poll Violence: “পলিটিক্যাল ট্যুরিজম নয়, মমতাকে জাগাতে এসেছি”, বলেন বিপ্লব দেব

    Post Poll Violence: “পলিটিক্যাল ট্যুরিজম নয়, মমতাকে জাগাতে এসেছি”, বলেন বিপ্লব দেব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনোত্তর হিংসায় আক্রান্তদের নিয়ে রাজভবনে গিয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। রবিবার তিনি যখন রাজভবনে, তখন হিংসার (Post Poll Violence) অভিযোগ খতিয়ে দেখতে রাজ্যে এল বিজেপির কেন্দ্রীয় দল। মাহেশ্বরী সদনে ঘরছাড়া কর্মী-সমর্থকদের অভিযোগ শোনেন কেন্দ্রীয় দলের প্রতিনিধিরা। বিজেপির কেন্দ্রীয় দলের কাছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে নালিশ করেন কয়েকজন ঘরছাড়া।

    কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল (Post Poll Violence)

    কেন্দ্রীয় এই দলটি তৈরি করে দিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। এই দলে রয়েছেন ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি সাংসদ বিপ্লব দেব, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী তথা বিজেপি সাংসদ রবিশঙ্কর প্রসাদ, উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন ডিজিপি তথা রাজ্যসভার সাংসদ ব্রিজলাল এবং বিজেপি সাংসদ কবিতা পতিদার। বিমানবন্দর থেকে (Post Poll Violence) তাঁরা সটান চলে আসেন মাহেশ্বরী সদনে। কেন্দ্রীয় টিমের সঙ্গে সমন্বয়কারী হিসেবে রাজ্য নেতৃত্বের তরফে ছিলেন অগ্নিমিত্রা পাল, তমোঘ্ন ঘোষ। কেন্দ্রীয় দলের সদস্যরা ঘরছাড়াদের জানান, শিশু থেকে মহিলা কাউকে ছাড়ছে না তৃণমূলের গুন্ডারা।

    নির্বাচনোত্তর হিংসা

    নির্বাচনোত্তর হিংসা নিয়ে তৃণমূলকে নিশানা করেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি সাংসদ রবিশঙ্কর প্রসাদ। তিনি বলেন, “মমতাদি আপনার রাজ্যে কী চলছে যে মানুষ ভোট দেওয়ার পর ঘরে যেতে পারছেন না? আমাদের এক কার্যকর্তার ভাইকে খুন করে ফেলেছে। এখন তাঁকেও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অনেক কর্মীরা রয়েছেন, তাঁরা ইদ পালন করতে যেতে পারছেন না। মমতাদি আপনার রাজ্যে কী চলছে?”

    আরও পড়ুন: “মুখ্যমন্ত্রীর জন্য রাজভবনের দরজা বন্ধ, বলেছেন রাজ্যপাল”, দাবি শুভেন্দুর

    এদিকে, বিজেপির এই কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদল যাবে দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। ডায়মন্ড হারবার ও জয়নগরে যাওয়ার কথা তাদের। মঙ্গলবার ওই দলের সদস্যরা যাবেন কোচবিহারে। দিল্লি ফিরে তাঁরা রিপোর্ট দেবেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতিকে। বিপ্লব বলেন, “পলিটিক্যাল ট্যুরিজম নয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জাগাতে এসেছি।” তিনি বলেন, “গত ১২-১৩ বছর ধরে তাঁর ঘুমই ভাঙছে না।” ত্রিপুরার প্রাক্তন এই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “বিজেপির লিগ্যাল সেল ঘরছাড়াদের পাশে থাকবে। তবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার বিষয়টি রাজ্য সরকারের এক্তিয়ারভুক্ত।” তিনি বলেন, “রাজ্য সরকার যদি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব ঠিকঠাক পালন করে, তাহলে দিল্লি থেকে বিজেপির প্রতিনিধিদলের বাংলায় আসার প্রয়োজন হয় না (Post Poll Violence)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Sukanta Majumdar: ‘ঘরছাড়া’ দলীয় কর্মীদের দেখতে বারুইপুর গেলেন সুকান্ত, দিলেন ঘরে ফেরানোর আশ্বাস

    Sukanta Majumdar: ‘ঘরছাড়া’ দলীয় কর্মীদের দেখতে বারুইপুর গেলেন সুকান্ত, দিলেন ঘরে ফেরানোর আশ্বাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর তৃণমূলের অত্যাচারে অনেক কর্মী-সমর্থক ঘরছাড়া হয়ে রয়েছেন। যাদবপুর সাংগঠনিক জেলার অন্তর্গত বারুইপুর পার্টি অফিসে ঘরছাড়া দলীয় কর্মীদের সাথে দেখা করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। এখানেই ‘আশ্রয় শিবির’ তৈরি করেছে বিজেপি। ঘরছাড়াদের ঘরে ফেরাতে রাজ্য প্রশাসনের সর্বস্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন বলে জানান তিনি। অনেক জায়গায় পুলিশই হামলার সাথে যুক্ত বলে অভিযোগ করেন তিনি। বারুইপুরের পাশাপাশি ক্যানিং ও কুলতলিতেও যাবেন আজ। আক্রান্ত এবং ঘরছাড়াদের মধ্যে যেমন মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীরা রয়েছে, তেমনি আরও সাধারণ খেটে খাওয়া পুরুষ-মহিলা কর্মী-সমর্থকরাও রয়েছেন। আজ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

    কর্মীদের ঘরে ফেরাতে আশ্বাস সুকান্তর (Sukanta Majumdar)

    দলীয় কর্মীদের ঘরে ফেরানোর প্রসঙ্গ নিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, “আমরা চাই দলীয় কর্মীরা যাতে দ্রুত তাঁদের নিজেদের বাড়িতে ফিরে যেতে পারেন। এবিষয়ে রাজ্য প্রশাসনের সর্বস্তরে আবেদন জানানো হয়েছে। দলের জেলা সভাপতি সহ জেলা নেতৃত্বরা এই বিষয়ে উপযুক্ত পদক্ষেপ নিচ্ছেন। যদিও রাজ্যের এই প্রশাসনের উপর কোনও ভরসা নেই আমার। অনেক জায়গাতেই বিজেপি কর্মীদের উপর হামলার ঘটনায় পুলিশ সরাসরি যুক্ত ছিল। প্রয়োজনে আমরা কোর্টে যাবো। আমি, রাজ্যের মা মাটি সরকারের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অনুরোধ করব এসে দেখে যান, আপনার গুন্ডাবাহিনীর অত্যাচারে মানুষের জীবন কতটা বিপর্যস্ত। ক্যানিংয়ে শওকত মোল্লার নেতৃত্বে হামলা চলছে বিজেপি কর্মীদের উপর।” তবে তাঁর এই জেলা সফরের পর কর্মীদের মনোবল অনেকটাই চাঙ্গা হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি। এর পাশাপাশি তিনি দলীয় কর্মীদের সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। শুধু তাই নয় দলীয় কর্মীরা যাতে নিজেদের অধিকার নিজেরা বুঝে নেন সেই বার্তাও দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।

    আরও পড়ুনঃআঙুলের পর আইসক্রিমে বিষাক্ত বিছে! ঢাকনা খুলতেই কিলবিল করে উঠল

    উপনির্বাচন নিয়ে কী বললেন?

    আসন্ন বিধানসভার উপনির্বাচন নিয়ে রাজ্য বিজেপির সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, “দু-একদিনের মধ্যেই প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হবে। উপনির্বাচনের তিনটি আসন বিজেপিরই ছিল, অন্যটিতেও আমরা জয় লাভের ব্যাপারে আশাবাদী।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari Rajbhavan: আক্রান্তদের নিয়ে আজ সন্ধ্যায় ফের রাজভবনে যাচ্ছেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari Rajbhavan: আক্রান্তদের নিয়ে আজ সন্ধ্যায় ফের রাজভবনে যাচ্ছেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট-পরবর্তী হিংসায় আক্রান্তদের নিয়ে রবিবার পুনরায় রাজভবনে (Suvendu Adhikari Rajbhavan) যাচ্ছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সঙ্গে যাবেন ভোট-পরবর্তী হিংসায় শাসক দলের হাতে আক্রান্ত ব্যক্তিদের একাংশ। শনিবার বিরোধী দলনেতার দফতর সূত্রে রবিবারের কর্মসূচি সম্পর্কে জানানো হয়েছিল। দ্বিতীয় বারের কর্মসূচিতে পুলিশের ভূমিকা কী থাকে সেদিকে নজর থাকবে সকলের।  

    ফের রাজভবনে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari Rajbhavan)

    এর আগে শুক্রবার ভোট পরবর্তী হিংসায় আক্রান্তদের নিয়ে রাজভবনে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন বিরোধী দলনেতা। রাজভবনের সামনে পুলিশের অতি সক্রিয়তার শিকার হন তিনি। রাজভবন অনুমতি দিলেও পুলিশের অনুমতি মেলেনি। যে রাজভবনের গেটে শাসক দলের রাজভবন ঘেরাও কর্মসূচিতে পুলিশ বাধা দেয় না, সেই পুলিশকেই দেখা গেল (Suvendu Adhikari Rajbhavan) রাজভবনের অনুমোদিত কর্মসূচিতেই বাধা দিতে। এরপরে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন বিরোধী দলনেতা। বিচারপতি অমৃতা সিনহা জানিয়ে দেন, রাজভবন অনুমতি দিলে যেতে পারবেন শুভেন্দু অধিকারী।

    আক্রান্তদের সঙ্গে দেখা করার আগহ প্রকাশ রাজ্যপালের  

    শুক্রবার পুলিশের বাধার মুখে পড়েন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari Rajbhavan) এই খবর পৌঁছেছিল রাজ্যপালের কাছেও। খানিক রাতের দিকে রাজ্যপালের (C.V. Anand Bose) তরফে প্রতিক্রিয়া মেলে। তিনি গোটা বিষয়টিতে আশ্চর্য হয়ে যান। শুধু তাই নয় শাসক দলের তরফে রাজ্যজুড়ে যে অত্যাচার চলছে, সে কথা তিনি জানেন বলে স্বীকার করে নেন। সময় পেলে পুনরায় আক্রান্তদের সঙ্গে দেখা করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। হিংসার জন্য পুলিশের কাছ থেকে ‘অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট’ চেয়ে পাঠাবেন বলে জানান। যদিও রাজ্যপালের পদক্ষেপ যথেষ্ট নয় বলে মত বিজেপি শিবিরের।

    আরও পড়ুন: উত্তরবঙ্গে তৃণমূলের ভরাডুবি! সরকারি পদ গেল সৌরভের, ঘুম ছুটেছে নেতাদের

    তাঁদের মতে, রাজ্যপালের কাছে এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য যথেষ্ট ক্ষমতা রয়েছে। তবু রাজ্যপাল আগের তুলনায় নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছেন, একথা মেনে নিচ্ছে বিজেপি শিবির। বিজেপির নেতাদের মন্তব্যে তা পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে। রাজ্যপালও কোনও কারণে হয়ত চাপে রয়েছেন বলে মনে করছে গেরুয়া শিবির।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘বিজেপি কর্মীরা মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে আত্মহত্যা করবে’, কেন এমন বললেন সুকান্ত?

    Sukanta Majumdar: ‘বিজেপি কর্মীরা মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে আত্মহত্যা করবে’, কেন এমন বললেন সুকান্ত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের ফল প্রকাশ পেয়েছে প্রায় ১০ দিন হয়ে গেল। কিন্তু জেলায় জেলায় ভোট পরবর্তী হিংসা (Post Poll Violence) থামার নাম নেই। বসিরহাট লোকসভার হাড়োয়াতে বিজেপি কর্মীকে বাইক থেকে নামিয়ে মারধর, গলায় দড়ি বেঁধে টেনে নিয়ে নদীতে ফেলে দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের নিয়ে রাজ্য়পালের সঙ্গে দেখা করতে চেয়েও দেখা করতে পারেননি শুভেন্দু অধিকারী। এবার আক্রান্ত কর্মীদের হয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে প্রশ্ন করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)।

    সুকান্তর প্রশ্ন

    পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি কর্মীরা আত্মহত্যা করুন, সেটাই কি চান মুখ্যমন্ত্রী? দিল্লিতে দাঁড়িয়ে এই প্রশ্ন তুললেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। আক্রান্তদের রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করতে বাধা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী গণতন্ত্রের মাথা হেঁট করে দিয়েছেন বলেও এদিন দাবি করেন সুকান্ত। তিনি বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী কী চান বিজেপি কর্মীরা ডুবে মরুক, আত্মহত্যা করুক?  মুখ্যমন্ত্রী বলে দিন বিজেপি কর্মীরা ওঁর বাড়ির সামনে গিয়ে আত্মহত্যা করবে। আক্রান্ত বিজেপি কর্মীরা রাজ্যপালের কাছেও যেতে পারছে না। রাজ্যপালকে গিয়ে দেখা করতে হচ্ছে আক্রান্তদের সঙ্গে। গণতন্ত্রের পক্ষে এটা লজ্জার। মাননীয় রাজ্যপাল সঠিক প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন। পশ্চিমবঙ্গে আক্রান্তদের রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হচ্ছে না। রাজ্যপালকে রাজভবন থেকে বেরিয়ে তাদের সঙ্গে দেখা করতে যেতে হচ্ছে। গণতন্ত্রের মাথা লজ্জায় হেঁট হয়ে গিয়েছে। গণতন্ত্রে সংবিধানকে সংরক্ষণের দায়িত্ব রাজ্যপালের। সেখানেও যদি আক্রান্তরা পৌঁছতে না পারেন তাহলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চানটা কী?’ 

    আরও পড়ুন: ছত্তিশগড়ের জঙ্গলে যৌথবাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াই, নিহত ৮ মাওবাদী, শহিদ ১ জওয়ান

    রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় দল

    উল্লেখ্য, এর আগে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে ভোট পরবর্তী হিংসায় আক্রান্তরা রাজভবনে রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করতে যান। রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাতের আগাম অনুমতি ছিল আক্রান্তদের কাছে। তার পরও ব্যারিকেড করে তাদের আটকায় পুলিশ। প্রায় ১ ঘণ্টা অপেক্ষার পর ফিরে আসেন শুভেন্দু-সহ আক্রান্তরা। এরপর কলকাতা পুলিশের বিরুদ্ধে অতিসক্রিয়তার অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন শুভেন্দু। এরই  মধ্যে  রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসা (Post Poll Violence) পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে আসছে বিজেপির কেন্দ্রীয় টিম। হিংসা পরিস্থিতি পর্যালোচনায় কেন্দ্রীয় টিম গঠন করেছেন বিজেপি সভাপতি জে পি নাড্ডা। টিমে আছেন ৪ সাংসদ বিপ্লব কুমার দেব, রবিশঙ্কর প্রসাদ, ব্রিজলাল এবং কবিতা পতিদার। পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া অন্য কোনও রাজ্যে, ভোট পরবর্তী হিংসার খবর নেই বলে দাবি বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বর। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Durgapur: পার্টি অফিসে তুলে নিয়ে গিয়ে বিজেপি কর্মীকে মারধর, তৃণমূলের ঝান্ডা ধরার হুমকি

    Durgapur: পার্টি অফিসে তুলে নিয়ে গিয়ে বিজেপি কর্মীকে মারধর, তৃণমূলের ঝান্ডা ধরার হুমকি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পার্টি অফিসে তুলে নিয়ে গিয়ে বিজেপি কর্মীকে মারধর করার অভিযোগ উঠল তৃণমূল নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে। ভোট পরিবর্তী হিংসার ঘটনাটি ঘটেছে দুর্গাপুরের (Durgapur) নিউ টাউনশিপ থানায় ভ্যাম্বে কলোনি এলাকায়। আক্রান্ত বিজেপি কর্মীর নাম রঞ্জিত অধিকারী। তিনি বিজেপির পোলিং এজেন্ট ছিলেন। ইতিমধ্যেই থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    তৃণমূলের ঝান্ডা ধর, নাহলে এলাকা ছাড় (Durgapur)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিজেপির ওই পোলিং এজেন্টকে তৃণমূল কার্যালয়ে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে দলীয় দুই কর্মী অভিজিৎ ঘোষ, শতদল রায়ের বিরুদ্ধে। সেখানেই তৃণমূল করার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হয়। পাশাপাশি বিজেপি কর্মীকে মারধর করে বলে অভিযোগ। তৃণমূলের দুই কর্মী অভিজিৎ ঘোষ, শতদল রায় সহ বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে দুর্গাপুরের (Durgapur) নিউ টাউনশিপ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন আক্রান্ত বিজেপি কর্মী। আক্রান্ত বিজেপি কর্মী রঞ্জিত অধিকারী বলেন,” নির্বাচনের ফলাফলের পর থেকেই আমাদের বাড়িতে এসে হুমকি দিয়ে যেত তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে আমাকে যাওয়ার জন্যও বলা হত। আমি না যাওয়াই বাড়ি থেকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে তুলে নিয়ে যায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। দলীয় কার্যালয়ে বলা হয়, তৃণমূলের ঝান্ডা ধরতে হবে, নাহলে এলাকা ছাড়তে হবে। সেখানে মারধরও করা হয়।”

    আরও পড়ুন: শনি সকালেও ঘামছে শহরবাসী, আজ বিকেল থেকে বৃষ্টি! কী বলছে হাওয়া অফিস?

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বর্ধমান-দুর্গাপুর (Durgapur) বিজেপির সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক অভিজিৎ দত্ত বলেন,”দিকে দিকে আমাদের কর্মীরা ঘরছাড়া এবং আক্রান্ত। রঞ্জিতকেও পার্টি অফিসে তুলে নিয়ে গিয়ে মারধর করা হয়। পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।” এদিকে পশ্চিম বর্ধমান জেলা তৃণমূলের সহ সভাপতি উত্তম মুখোপাধ্যায় বলেন,”এইসব বিজেপির নাটক। বাংলা থেকে বিদায় হয়ে গিয়েছে ওরা। তাই, তৃণমূলের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ঘরছাড়াদের রাজভবনে ঢুকতে বাধা, অনড় শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ঘরছাড়াদের রাজভবনে ঢুকতে বাধা, অনড় শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট পরবর্তী হিংসায় শাসক দলের কর্মীদের হাতে আক্রান্তদের নিয়ে রাজভবনে ছুটলেন রাজ্যের বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) । বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টে নাগাদ রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সঙ্গে দেখা করার কথা ছিল তাঁদের। রাজভবনে (Rajbhawan) গিয়ে রাজ্যপালের কাছে তাঁরা অভিযোগ জানাবেন বলে ঠিক ছিল। কিন্তু বাধ সাধল পুলিশ। রাজভবন চত্বরে ১৪৪ ধারা জারি আছে এই অজুহাতে পুলিশ তাঁদের আটকে দেয়। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর দাবি কেন তাঁদের আটকানো হয়েছে তা পুলিশ জানায় নি।

    রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে বাধা (Suvendu Adhikari)

    এদিন রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে রাজ্যপালের হস্তক্ষেপও দাবি করতে যাওয়ার কথা ছিল শুভেন্দুর। এদিন দুপুর থেকেই রাজভবনের সামনের রাস্তা ঘিরে রেখেছিল পুলিশ। এমনিতেই ওই এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি থাকে। জমায়েত আটকাতে ‘ব্যারিকেড’ করে রেখেছিল পুলিশ। শুভেন্দু চেয়েছিলেন আক্রান্তদের কথা শুনুন রাজ্যপাল। সেইকারণেই তাঁদের রাজভবনে নিয়ে আসার সিদ্ধান্ত। অথচ পুলিশ তাঁদের কয়েকজন প্রতিনিধিকেও ভিতরে নিয়ে যেতে দিতে চায়নি বলে অভিযোগ। সেই কারণেই রাজভবনের সামনে নিজের গাড়িতে দীর্ঘক্ষণ বসে ছিলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) । বিজেপির অভিযোগ, লোকসভা ভোট মিটতেই রাজ্যে হিংসার শিকার হচ্ছেন তাঁদের কর্মী-সমর্থকেরা। ঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন বহু জন। ‘আক্রান্ত’দের সঙ্গে দেখা করতে ইতিমধ্যে ডায়মন্ড হারবার, পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া, উলুবেড়িয়া গিয়েছেন শুভেন্দু। যাঁরা ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসে ‘ঘরছাড়া’, তাঁদের নিয়ে বৃহস্পতিবার রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছেন তিনি। বিজেপি ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসে ‘আক্রান্ত’দের বিষয়ে বার বার সরব হয়েছে। ‘ঘরছাড়া’ মানুষজনের জন্য উত্তর কলকাতায় বিজেপির উদ্যোগে ধর্মশালা ভাড়া নেওয়া হয়েছে। সেখানে দেখা করতে গিয়েছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। তিনিও ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে সরব হয়েছেন। দাবি করেছেন, ‘তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী’রাই এ সব করেছেন।

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে শুভেন্দুর হুঁশিয়ারি

    প্রসঙ্গত রাজভবনে প্রবেশের তিনটি গেটই এদিন দুপুর থেকেই ঘিরে ফেলে পুলিশ। শুধু শুভেন্দু অধিকারীই নন তাঁর সহায়ককেও এদিন রাজভবনে ঢুকতে বাধা দেয় পুলিশ এমনটাই অভিযোগ। কিন্তু ঘরছাড়াদের রাজভবনে (Rajbhawan) ঢুকতে বাধা কেন এনিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এক্ষেত্রে বলে রাখা ভাল ১৪৪ ধারা থাকাকালিনই ১০০ দিনের বকেয়ার দাবিতে দুদিন ধরনা ও কয়েক হাজার কর্মী রাজভবনে জমায়েত হয়েছিলেন তখন পুলিশের এই তৎপরতা চোখে পড়েনি। কাউকে সেবেলায় আটকায় নি পুলিশ এমনকি গোটা ধর্না মঞ্চের আশেপাশে সুরক্ষা দিয়েছিল পুলিশ।

    আরও পড়ুন: বিজেপিতে যোগ দেওয়া এক ক্রিকেটারের ওপর হামলা, অভিযুক্ত তৃণমূল কাউন্সিলর

    আক্রান্তদের কণ্ঠরোধ করতে পুলিশের ততপরতা নিয়ে সমালোচনা করেন শুভেন্দু। এদিন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, মমতা ব্যানার্জী আমাদের ডেপুটেশন দিতে দিলেন না। স্বাধীনতার পর এমন কখনও হয়নি। এভাবে পুলিশকে ব্যবহার করা যায় না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ায়ের নিষ্ঠুর ভাবমূর্তি জনগণ আজ দেখতে পেল। আমি ১৮ তারিখ প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে বিষয়টি তুলে ধরব।”   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: বুথে হেরেছে তৃণমূল, বিজেপি কর্মীকে মারধর করে গাড়ি ভাঙচুর

    North 24 Parganas: বুথে হেরেছে তৃণমূল, বিজেপি কর্মীকে মারধর করে গাড়ি ভাঙচুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভায় বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছেন তৃণমূল প্রার্থী। তারপরও বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলা অব্যাহত। অপরাধ, বুথে লিড পেয়েছে বিজেপি। আর তার জেরেই এক বিজেপি কর্মীকে মারধর করার পাশাপাশি তাঁর গাড়িতে ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) বারাসতে। আক্রান্ত বিজেপি কর্মী থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (North 24 Parganas)

    বারাসতের (North 24 Parganas) ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সূর্যসেন পল্লি এলাকাতে বুধবার রাতে  বিজেপি কর্মীকে মারধর করার পাশাপাশি তাঁর গাড়ি ভাঙচুর করার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এছাড়াও একাধিক জায়গায় বিজেপির ফ্লেক্স, ফেস্টুন ছিঁড়ে দেওয়া হয়েছে। বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মীকে লাগাতার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। কারও কারও কাছ থেকে টাকা চাওয়া হচ্ছে। স্থানীয় এক বিজেপি নেতা বলেন, বারাসতের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে লোকসভা নির্বাচনে ২০১ ভোটে বিজেপি লিড পেয়েছে। আসলে তৃণমূল কংগ্রেস গোটা লোকসভাতে জয়লাভ করলেও, এই এলাকাতে হেরে যাওয়ার কারণেই বিজেপি কর্মীদের ওপর এই তাণ্ডব চালাচ্ছে। স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলর অরুণ ভৌমিকের নেতৃত্বে মদ্যপ যুবকরা এসব করছে। আমরা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি।

    আরও পড়ুন: কুয়েতে মৃত ভারতীয়দের পরিবারকে ২ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ, সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর

    তৃণমূল নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    যদিও বারাসত পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান তাপস দাশগুপ্ত বলেন, সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা। নিজেদের মধ্যে গন্ডগোল। সেটা তৃণমূল কংগ্রেসের ওপরে চাপিয়ে খবরের শিরোনামে আসার চেষ্টা করছে বিজেপি।

    অশোকনগরে বিজেপি কর্মীর দোকান ভাঙচুর

    উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) অশোকনগরে বিজেপি কর্মীর দোকান ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ভোটের আগে থেকে বিজেপির হয়ে কাজ না করার জন্য হুমকি দিয়েছিলেন তৃণমূল কর্মীরা। কিন্তু, বিজেপি কর্মী তা না শুনেই দলের হয়ে কাজ করেছিলেন। বুধবার রাতে বিজেপি কর্মীর দোকানে ভাঙচুর চালানো হয় বলে অভিযোগ। বিজেপি কর্মীর পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share