Tag: railways

railways

  • Indian Railways: ‘দশ বছরে ৩১ হাজার কিলোমিটার রেলপথ তৈরি হয়েছে’, দাবি রেলমন্ত্রীর

    Indian Railways: ‘দশ বছরে ৩১ হাজার কিলোমিটার রেলপথ তৈরি হয়েছে’, দাবি রেলমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যপাট মাত্র দশ বছরের। তার মধ্যেই দেশের ৩১ হাজার কিলোমিটার রেলপথ তৈরি করে ফেলেছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। অঙ্কের হিসেবে দেখলে, মোদি জমানায় যে রেলপথ পাতা হয়েছে, তা গোটা জার্মানির সমান। এই তথ্য জানিয়েছেন রেলওয়েজ, কমিউনিকেশনস এবং আইটি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Indian Railways)। কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকারের আমলে রেল উপেক্ষিত ছিল বলেও দাবি করেন মন্ত্রী।

    কংগ্রেস জমানায় রেল ছিল উপেক্ষিতই (Indian Railways) 

    মুম্বইয়ে বিকশিত ভারত অ্যাম্বাসাডর ইভেন্টে যোগ দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। সেখানেই তিনি অভিযোগ করেন, ভারতীয় রেল ‘দুগ্ধবতী গাভি’ হলেও, পূর্বতন কংগ্রেস জমানায় উপেক্ষিতই ছিল। রেলের উন্নতি যা কিছু হয়েছে, তা মোদির আমলে। রীতিমতো পরিসংখ্যান দিয়ে মন্ত্রী দেখিয়ে দেন, নরেন্দ্র মোদির সরকারের আমলে কত নয়া রেলপথ পাতা হয়েছে, কত কিলোমিটার রেলপথে হয়েছে বৈদ্যুতিকরণের কাজ, দেশের অর্থনীতিরই বা কী উন্নতি হয়েছে। বিকশিত ভারত অ্যাম্বাসাডরদের মন্ত্রী (Indian Railways) বলেন, “আজ দেশে প্রতিদিন চার কিলোমিটার করে রেলপথ নির্মাণ হচ্ছে। কেবল গত অর্থনৈতিক বর্ষেই আমরা ৫ হাজার ৩০০ কিমি রেল নেটওয়ার্ক নির্মাণ করেছি। এটা সুইজারল্যান্ডের গোটা ট্রেন নেটওয়ার্কের সমান।”

    নয়া রেলপথ কত হয়েছে জানেন?

    এর পরেই তিনি বলেন, “গত দশ বছরে ৩১ হাজার কিলোমিটার রেলওয়ে ট্র্যাক তৈরি হয়েছে। এটা জার্মানির পুরো নেটওয়ার্কের সমান।” মোদি জমানায় যে রেলে বৈদ্যুতিকরণও বেশি হয়েছে, সেই পরিসংখ্যানও দেন রেলমন্ত্রী। তিনি বলেন, “মোদি জমানার দশ বছরে ৪৪ হাজার কিলোমিটার রেলপথে বৈদ্যুতিকরণ করা হয়েছে। আর গত ৬০ বছরে কংগ্রেসের জমানায় বৈদ্যুতিকরণের কাজ হয়েছিল মাত্র ২০ হাজার কিলোমিটার।” তিনি বলেন, “আজ আমরা ভারতীয় রেলপথের একশো শতাংশই বৈদ্যুতিকরণের পথে এগোচ্ছি।”

    আর পড়ুন: “মমতার শেষ দেখে ছাড়ব”, জেলমুক্ত হয়েই হুঙ্কার সন্দেশখালির মাম্পির

    তিনি জানান, ভারতে গণপরিবহণের প্রধান মাধ্যম রেল। অথচ আগের সরকার একে উপেক্ষা করেছিল। পাঁচ-ছয়ের দশকে মিটার গেজ থেকে ব্রড গেজে করা উচিত ছিল রেলপথকে। এই কাজটাই হয়েছে এনডিএ সরকারের আমলে। মোদি জমানায় যে রেলের স্টেশনগুলির সংস্কার হচ্ছে, দেশেই অত্যাধুনিক ট্রেন তৈরি হচ্ছে, তাও মনে করিয়ে দেন রেলমন্ত্রী (Indian Railways)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • IRCTC Swiggy: চলন্ত ট্রেনে এবার সুইগির মাধ্যমেও মিলবে পছন্দের হোটেল-রেস্তরাঁর খাবার!

    IRCTC Swiggy: চলন্ত ট্রেনে এবার সুইগির মাধ্যমেও মিলবে পছন্দের হোটেল-রেস্তরাঁর খাবার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দূরপাল্লার ট্রেনে মিলবে নিজের পছন্দসই যে কোনও হোটেল-রেস্তরাঁর খাবার। ভারতীয় রেলের তরফে এমনই ঘোষণা করা হয়েছে। সেই অনুযায়ী, আইআরসিটিসি সুইগির (IRCTC Swiggy) সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ট্রেনযাত্রীদের কাছে খাবার পৌঁছে দেবে বলে জানা গিয়েছে। অর্থাৎ এক ক্লিকে এবার সরাসরি ট্রেনে নিজের মনপসন্দ হোটেল-রেস্তরাঁর খাবার।

    ভারতে প্রতিদিন ট্রেনে প্রচুর মানুষ যাতায়াত করেন। দেশের এক প্রান্ত থেকে আর এক প্রান্তে খুব সহজেই পৌঁছে যাওয়া যায় রেলের মাধ্যমে। অনেক ক্ষেত্রে দীর্ঘ দূরত্বের যাত্রাপথে খাবারের বিষয় নিয়ে অনেক প্রশ্ন থাকে। অনেক সময় পছন্দসই খাবার পেতে সমস্যা হয় যাত্রীদের। বর্তমানে দূরপাল্লার ট্রেনে ই ক্যাটারিং চালু থাকলেও যাত্রীরা নিজের পছন্দের হোটেল বা রেস্তরাঁর খাবার পান না। আইআরসিটিসির নির্দিষ্ট করে দেওয়া জায়গা থেকেই খাবার কিনতে হয়। সুইগির সঙ্গে জোট বাঁধার পর সেই সমস্যার অনেকটাই সমাধান হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    চারটি স্টেশন দিয়ে শুরু (IRCTC Swiggy) 

    বর্তমানে এই খাবার পৌঁছানোর সুবিধা শুধুমাত্র চারটি স্টেশনে শুরু হবে। সেগুলি হল বেঙ্গালুরু, ভুবনেশ্বর, বিজয়ওয়াড়া এবং বিশাখাপত্তনম। এই পরিষেবা আগামী দিনে আরও অনেক স্টেশনে চালু হবে বলে জানা গিয়েছে। তবে আইআরসিটিসি (IRCTC Swiggy) এই ধরনের নামী সংস্থার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে এই প্রথম ট্রেনের যাত্রীদের খাবার সরবরাহের কাজ শুরু করেছে, এমন নয়। আইআরসিটিসি গত বছরের অক্টোবর মাস থেকে জোম্যাটোর সঙ্গে পার্টনারশিপে কাজ শুরু করেছে। ভারতের অনেক স্টেশনে এই কোম্পানি খাবার পরিষেবা দিয়ে থাকে।

    কীভাবে করবেন অর্ডার?

    যে সব যাত্রী আইআরসিটিসির (IRCTC Swiggy) মাধ্যমে অনলাইনে টিকিট বুক করে থাকেন, তাঁরা খুব সহজেই ট্রেনে ভ্রমণের সময় তাঁদের ই ক্যাটারিং পোর্টালে পিএনআর নম্বর দিয়ে খাবার বুক করতে পারেন। অর্ডারের সময়ে যাত্রীরা অ্যাপে রেস্টুরেন্টের নাম, খাবারের নাম, এমনকী পছন্দের যে কোনও রেস্টুরেন্ট থেকে খাবারের অর্ডার করে থাকেন। অনলাইনে খাবার নেওয়ার ক্ষেত্রে ক্যাশ ছাড়াও অনলাইনেও পেমেন্ট করা যায়। ফের নতুন এই ধরনের পরিষেবায় প্রচুর যাত্রী উপকৃত হবেন বলে মনে করা হচ্ছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Railways: শেষ হল ইস্টার্ন ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডরের কাজ, জানুন বিশদে  

    Indian Railways: শেষ হল ইস্টার্ন ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডরের কাজ, জানুন বিশদে  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় রেলের (Indian Railways) মাথায় নয়া তাজ। তৈরি হয়ে গেল ইস্টার্ন ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডর। স্বাভাবিকভাই এই করিডর চালু হয়ে গেলে আয় বাড়বে ভারতীয় রেলের। পণ্য পরিবহণ করে সব চেয়ে বেশি আয় করে ভারতীয় রেল। তবে লাইনে জটের জেরে মালগাড়ি গন্তব্যে পৌঁছায় দেরিতে। এতে ক্ষতি হয় দু’তরফেই। একদিকে যেমন ট্রিপ কমে যায় গাড়ির, তেমনি অন্যদিকে ক্ষতিগ্রস্ত হন তাঁরা, যাঁরা পণ্য আমদানি-রফতানি করেন। তার জেরে পণ্য পরিবহণ বাবদ আয় কমে গিয়েছে রেলের। সেই কারণেই ইস্টার্ন ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডর তৈরির সিদ্ধান্ত নেয় ভারতীয় রেল। সেই কাজই শেষ হয়েছে।

    দুই করিডর

    রেল (Indian Railways) সূত্রে খবর, দুটি করিডর তৈরি হবে। একটি ইস্টার্ন ফ্রেট করিডর, অন্যটি ওয়েস্টার্ন ফ্রেট করিডর। এই দুই করিডর ক্রস করবে একটি জায়গায়। পঞ্জাবের লুধিয়ানা থেকে পশ্চিমবঙ্গে সন্নাগর পর্যন্ত যে করিডর, সেটি হল ইস্টার্ন করিডর। আর উত্তরপ্রদেশের রেওয়ারি থেকে মুম্বইয়ের জওহরলাল নেহরু বিমানবন্দর পর্যন্ত যে করিডর, সেটি ওয়েস্টার্ন করিডর। রেওয়ারি থেকে দাদরি পর্যন্তও ট্রেন নিয়ে যাওয়া যাবে এই করিডরের মাধ্যমে। কাজ শেষ হয়েছে এই ইস্টার্ন করিডরের। এই করিডরের দৈর্ঘ ১ হাজার ৩৩৭ কিমি। ওয়েস্টার্ন করিডরের দৈর্ঘ ১ হাজার ৫০৬ কিমি। রেল সূত্রে খবর, এই করিডরের কাজ শেষ হয়েছে ৭৮ শতাংশ।

    গতিশক্তি কার্গো টার্মিনাল

    এর পাশাপাশি গতিশক্তি কার্গো টার্মিনালের বিকাশেও নয়া নীতি নির্ধারণ করেছে রেলমন্ত্রক। এর ফলে রেলের মাধ্যমে রেলের পাশাপাশি সড়ক এবং জলপথেও পণ্য নিয়ে যাওয়া যাবে এক স্থান থেকে অন্যত্র। ইতিমধ্যেই ১৫টি গতিশক্তি কার্গো টার্মিনাল গড়ে উঠেছে। গতিশক্তি কার্গো টার্মিনাল গড়ে তুলতে আরও ৯৬টি জায়গা চিহ্নিত করা হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: চার রাজ্যে পিএলএফআইয়ের ডেরায় হানা এনআইএ-র, কী ছক কষেছিল জঙ্গিরা?

    জানা গিয়েছে, ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডর ও গতিশক্তি কার্গো টার্মিনালের লক্ষ্যই হল লজিস্টিক সেক্টরে ভারতে গ্লোবাল লিডার হিসেবে গড়ে তোলা। এতে একই সঙ্গে বৃদ্ধি এবং বিকাশ হবে ভারতীয় অর্থনীতির। এর পাশাপাশি (Indian Railways) বাড়বে কাজের সুযোগও। বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিনিয়োগও বাড়বে। উৎপাদন, কৃষি এবং খনির মতো ক্ষেতেই মূলত বাড়বে বিনিয়োগ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Railway Board DA Hike: দশেরাতেই দীপাবলি উপহার! ৪ শতাংশ ডিএ বাড়াল রেল, কর্মীদের মুখে হাসি

    Railway Board DA Hike: দশেরাতেই দীপাবলি উপহার! ৪ শতাংশ ডিএ বাড়াল রেল, কর্মীদের মুখে হাসি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দশেরাতেই দীপাবলির উপহার পেলেন রেলকর্মীরা! দশেরা ও দীপাবলি উপলক্ষে কর্মচারীদের জন্য সুখবর আনল ভারতীয় রেল। লক্ষাধিক কর্মচারীকে অতিরিক্ত ৪ শতাংশ মহার্ঘভাতা বৃদ্ধি (Railway Board DA Hike) ঘোষণা করেছে ভারতীয় রেল বোর্ড। এই ঘোষণার ফলে, রেল কর্মচারীদের ডিএ বর্তমানের ৪২ শতাংশ থেকে বেড়ে ৪৬ শতাংশ হল। রেল বোর্ডের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, নতুন হার ২০২৩ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে। 

    ডিএ বৃদ্ধিতে খুশি কর্মচারীরা

    এই প্রেক্ষিতে অল ইন্ডিয়া রেলওয়েমেন’স ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক শিব গোপাল মিশ্র জানান, জুলাই থেকে কর্মচারীদের ডিএ বৃদ্ধি আটকে ছিল। এমতাবস্থায় এটা পাওয়া ছিল কর্মচারীদের অধিকার। অবশেষে সেই কর্মচারীরা তাঁদের অধিকার পাচ্ছেন। এদিকে, রেল বোর্ডের এই ঘোষণাকে (Railway Board DA Hike) স্বাগত জানিয়েছে রেলের কর্মচারী ইউনিয়নগুলি। ন্যাশনাল ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান রেলওয়েম্যানের সাধারণ সম্পাদক এম রাঘভাইয়া জানিয়েছেন, এই সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র মুদ্রাস্ফীতির হারের ভিত্তিতে নেওয়া হয়েছে। মুদ্রাস্ফীতির কোনও প্রভাব যাতে কর্মীদের ওপর না পড়ে তাই এই সিদ্ধান্ত।

    আরও পড়ুন: রেল দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের অঙ্ক ১০ গুণ বাড়াল মোদি সরকার

    গ্রুপ-সি ও গ্রুপ-ডি কর্মীদেরও বোনাস

    এর আগে, রেলের নন-গ্যাজেটেড অফিসার বা গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি স্তরের কর্মীদের জন্য দীপাবলি বোনাসের ঘোষণা করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। এর ফলে ১১ লাখের বেশি রেলওয়ে কর্মী ৭৮ দিনের অতিরিক্ত বেতন পাচ্ছেন। ষষ্ঠ বেতন কমিশনের ন্যূনতম বেতন বা বেসিক পে-র ওপর ভিত্তি করে এই বোনাস হিসেব করা হয়—যার ঊর্ধ্বসীমা ছিল ৭ হাজার টাকা। সেই হিসেব অনুযায়ী, ৭৮ দিনের হিসেবে এরফলে প্রায় ১৮ হাজার টাকা বোনাস (Railway Board DA Hike) পাবেন রেলওয়ে কর্মচারীরা। এই বোনাসের জন্য মোট ১৫ হাজার কোটি টাকা অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • BJP: পুজোর পরেই ময়দানে নামছে বঙ্গ বিজেপি, লোকসভার প্রচারে হাতিয়ার রেল!  

    BJP: পুজোর পরেই ময়দানে নামছে বঙ্গ বিজেপি, লোকসভার প্রচারে হাতিয়ার রেল!  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন। বিজেপিকে মাত দিতে আস্তিন গোটাচ্ছে পদ্ম-বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট ‘ইন্ডি’। আগামী বছরের এই মহারণে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদির সাফল্যকেই ক্যাশ করবে বঙ্গ বিজেপি (BJP)। মোদির আমলে দেশজুড়ে যে আক্ষরিক অর্থেই উন্নয়নের জোয়ার এসেছে, তা তুলে ধরবে বিজেপি।

    রেলের উন্নয়ন

    তবে সব চেয়ে বেশি হাইলাইট করা হবে রেলের গতি আনয়ন। রেলের উন্নয়নে বাংলার প্রতি যে কেন্দ্র বিশেষ নজর দিয়েছে, তুলে ধরা হবে তাও। ‘অমৃত ভারত’ প্রকল্পের আওতায় রাজ্যের ৩৭টি রেলস্টেশনকে ঢেলে সাজাচ্ছে রেলমন্ত্রক। পেয়েছে পাঁচটি ‘বন্দে ভারত’ এক্সপ্রেস। নতুন করে নন্দীগ্রামে রেল প্রকল্পের দাবি মেনে নিয়েছেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। বালুরঘাট-হিলি রেলপ্রকল্পের জন্য বরাদ্দ হয়েছে ১৯০ কোটি টাকা। রাজ্য সহযোগিতার হাত বাড়ালে রেল প্রকল্পের আরও কাজ হতে পারত বলেও দাবি বঙ্গ বিজেপির (BJP)। এই বিষয়টিকেও তুলে ধরা হবে লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে।

    কী বললেন বিজেপির মুখপাত্র?

    বঙ্গ বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “বিজেপি এ রাজ্যে যেটা বলে, সেটা করে। বাংলায় রেলকে আরও গতিশীল করতে, যাত্রী সুরক্ষার স্বার্থে কেন্দ্রীয় সরকার প্রথম থেকেই সচেষ্ট ছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেলমন্ত্রী থাকাকালীন রেলের যে যে ঘোষণা করেছিলেন, তার ৯৫ শতাংশও বাস্তবায়িত হয়নি। কেবল ঘোষণার জন্য ঘোষণা ছিল। কিন্তু বিজেপি কাজ করে দেখিয়েছে। মানুষ এখন বুঝতে পারছেন প্রকৃত উন্নয়ন কে করছে, আর কারা বাধা দিচ্ছে।”

    আরও পড়ুুন: টেট পাশের নথি দেখাতে পারেননি! ৯৪ জন শিক্ষকের চাকরি বাতিলের নির্দেশ হাইকোর্টের

    রেলের উন্নয়নের পাশাপাশি তুলে ধরা হবে তৃণমূলের নানা কেলেঙ্কারির কথাও। বিজেপি সূত্রে খবর, উৎসবের মরশুম শেষ হলেই কোমর কষে নামবেন বিজেপি নেতানেত্রীরা। রাজ্যের প্রতিটি বিধানসভায় গিয়ে ফলাও করে বলা হবে তৃণমূলের একের পর এক কেলেঙ্কারির কথা। জনসভার পাশাপাশি হবে প্রচারপত্র বিলি। বিজেপি (BJP) ভোটারদের বোঝানোর চেষ্টা করবে, রাজনৈতিক রং দেখে সরকারি প্রকল্পের সুবিধা দেওয়ায় কীভাবে বঞ্চিত হয়েছেন মানুষ। বিভিন্ন কেন্দ্রীয় প্রকল্পে তৃণমূলের পাহাড়-প্রমাণ দুর্নীতির কারণেই যে কেন্দ্র টাকা দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে, তাও বোঝানোর চেষ্টা করা হবে গেরুয়া শিবিরের তরফে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
LinkedIn
Share