Tag: Rajasthan

Rajasthan

  • Jodhpur Violence: সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষে উত্তপ্ত যোধপুর, ধৃত ৯৭, জারি কারফিউ, বন্ধ ইন্টারনেট

    Jodhpur Violence: সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষে উত্তপ্ত যোধপুর, ধৃত ৯৭, জারি কারফিউ, বন্ধ ইন্টারনেট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইদ (Eid) ও অক্ষয় তৃতীয়ার (Akshay Tritiya) আগের দিন দুই সম্প্রদায়ের সংঘর্ষে (communal clash) অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে রাজস্থানের (Rajasthan) যোধপুর (Jodhpur)। সংঘর্ষের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৯৭ জনকে গ্রেফতার করেছে রাজস্থান পুলিশ। পতাকা উত্তোলনকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যোধপুরের জালোরি গেট (Jalori gate) এলাকা। দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে পাথর ছোঁড়ার ঘটনায় আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন পুলিশকর্মী। একই সঙ্গে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে পাথরের আঘাতে আহত হয়েছেন বেশ কিছু সাংবাদিকও।     

    রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট (Ashok Gehlot) এই ঘটনায় পুলিশকে ইতিমধ্যেই কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে তিনি বলেন, “ধর্ম, বর্ণ বা শ্রেণি নির্বিশেষে ঘটনায় জড়িতদের রেয়াত করা হবে না।” আর তার বক্তব্যের ২৪ ঘণ্টা পার হতে না হতেই ৯৭ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পাশাপাশি সংঘর্ষের ঘটনায় ইন্ধন দেওয়ার জন্য বিজেপিকেও আক্রমণ শানিয়েছেন তিনি।    

    পুলিশের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, সোমবার সকালে ঘটনার সূত্রপাত হয়। বেলা বাড়তেই এলাকা অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিশাল পুলিশ বাহিনী নামাতে হয়। ঘটনা প্রসঙ্গে যোধপুর পুলিশের এডিজি (আইন শৃঙ্খলা) এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, “ইদের অনুষ্ঠান উপলক্ষে পতাকা উত্তোলন নিয়ে দুই সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। এই ঘটনায় বেশ কয়েক জন পুলিশকর্মী আহত হয়েছেন। পরে বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকায় শান্তি বজার রাখার জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা। ১০টি পুলিশ থানা এলাকায় কারফিউ জারি রয়েছে। আপাতত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অঞ্চলের সমস্ত স্কুল বন্ধ রাখা হয়েছে।”   

    রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট এক টুইট বার্তায় লিখেছেন, “যোধপুরের জালোরি গেট এলাকার ঘটনা দুর্ভাগ্যজনক। পুলিশ প্রশাসনকে পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।” পাশাপাশি এলাকার শান্তি বজায় রাখার জন্য তিনি সকল সম্প্রদায়ের মানুষের কাছে আবেদন জানিয়েছেন।  

    অন্যদিকে, এই ঘটনার জন্য বর্তমান কংগ্রেস শাসিত প্রশাসনের দিকেই আঙুল তুলেছে বিজেপি। রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বসুন্ধরা রাজে সিন্ধিয়া (Vasundhara Raje Scindia)। তিনি বলেন, কংগ্রেসের তোষণের নীতির ফলেই এই ঘটনা ঘটেছে। ইতিমধ্যেই বিজেপি (BJP) রাজস্থানের রাজ্য সভাপতি সতীশ পুনিয়া (Satish Poonia) এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের আর্জি জানিয়ে রাজ্যপাল কালরাজ মিশ্রকে (Kalraj Mishra) চিঠি লিখেছেন। 

    [tw]


    [/tw]

     

  • Alwar Temple Demolition: রাজস্থানে ভাঙা পড়ল ৩০০ বছরের প্রাচীন শিব মন্দির, ‘তালিবান’ রাজ চালাচ্ছে কংগ্রেস দাবি বিজেপির

    Alwar Temple Demolition: রাজস্থানে ভাঙা পড়ল ৩০০ বছরের প্রাচীন শিব মন্দির, ‘তালিবান’ রাজ চালাচ্ছে কংগ্রেস দাবি বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজস্থানের আলোয়ারে (Alwar)একটি ৩০০ বছরের প্রাচীন শিব মন্দির ভাঙাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়াল। অভিযোগ, বুলডোজার দিয়ে ভেঙে ফেলা হয় মন্দিরের ছাদ ও পিলার। এমনকী মন্দিরের ভেতরে থাকা শিবলিঙ্গটিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে অভিযোগ।

    এই ঘটনায় রাজস্থানের কংগ্রেস সরকারকে কাঠগড়ায় তুলেছে বিজেপি। রাজস্থানে কংগ্রেস একপ্রকার তালিবান রাজ চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন বিজেপি নেতা রাজ্যবর্ধন সিং রাঠৌর। ঘটনার পিছনে থাকা সত্য জানতে শনিবার আলোয়ারের রাজগড়ে পৌঁছেছে বিজেপির পাঁচ সদস্যের একটি তথ্য অনুসন্ধাকারী দল। তাদের দাবি মন্দিরের পাশে একটি গোশালাও ছিল। সেটাও ভেঙে ফেলা হয়েছে। এই ঘটনায় রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রীকে সকলের সামনে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়েছে বিজেপি। মন্দির পুনরায় গড়ে দিতে বলা হয়েছে এবং ক্ষতিপূরণও চাওয়া হয়েছে।

    ইতিমধ্যেই এই সংক্রান্ত একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে নেটদুনিয়ায়, যেটিকে হাতিয়ার করে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছে রাজস্থান বিজেপি। তাদের দাবি, কংগ্রেস যে কতখানি ধর্মনিরপেক্ষ তা এর থেকেই বোঝা যাচ্ছে। কারাউলি বা জাহাঙ্গিরপুরীর হিংসার ঘটনায় যে দল দুঃখ প্রকাশ করে, তাদের সরকার থাকাকালীনই রাজস্থানে হিন্দুদের মন্দির ধ্বংস হচ্ছে। আগুনে ঘি ঢালে এক স্থানীয় বিধায়কের বিবৃতি। ভাইরাল ভিডিওতে তাঁকে বলতে শোনা যায় যে, কংগ্রেস শাসিত পুরসভা চাইলে এই কাজ আটকাতে পারত। রাজস্থান বিজেপির দাবি, জাহাঙ্গিরপুরীর ঘটনার বদলা নিতেই এই কাণ্ড ঘটিয়েছে গেহলট সরকার।
     একই সঙ্গে রাজগড়ে রাস্তা সম্প্রসারণের কাজের জন্য বেশ কিছু ঘরও ভাঙা পড়েছে। গৃহহীন বহু মানুষ। বিজেপির অভিযোগ,আগাম নোটিশ না দিয়েই এই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে। এই অভিযোগের জবাব দিয়ে রাজস্থানের মন্ত্রী প্রতাপ সিং খাচরিয়াবাস জানিয়েছেন, বিজেপির দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যে। তাঁর দাবি, ‘রাজগড় আরবান বডিস বোর্ড’-এর চেয়ারম্যান নিজে বিজেপির সদস্য। যে কর্মসূচির দরুন মন্দির এবং ঘর ভাঙা পড়েছে, তাতে সম্মতি দিয়েছিলেন চেয়ারম্যান। বরং কংগ্রেসের বিধায়কই এতে আপত্তি জানিয়েছিলেন। মন্ত্রী জানান, যদি আইনি কোনও অসুবিধা না থাকে তবে এই মন্দির পুনরায় গড়ে তোলা হবে।

     

  • Rajasthan Political Crisis: রাজস্থানে ৮২ জন কংগ্রেস বিধায়কের ইস্তফা! আজ কি সনিয়ার সঙ্গে বৈঠক অশোক, সচিনের?

    Rajasthan Political Crisis: রাজস্থানে ৮২ জন কংগ্রেস বিধায়কের ইস্তফা! আজ কি সনিয়ার সঙ্গে বৈঠক অশোক, সচিনের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মরুরাজ্যের ‘পাইলট’কে হবেন সচিন (Sachin Pilot)? নাকি রাজস্থানের রাশ থাকবে গেহলটের (Ashok Gehlot)হাতে? এই দুই প্রশ্নে দ্বিধাবিভক্ত রাজস্থান কংগ্রেস (Rajasthan Congress)। ইতিমধ্যেই অশোক গেহলটের অনুগামী হিসেবে পরিচিত ৮২জন কংগ্রেস বিধায়ক স্পিকারের কাছে ইস্তফাপত্র জমা দিয়েছেন। দলীয় সূত্রে খবর, সচিন পাইলটকে রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে মানতে নারাজ তাঁরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে মাঠে নামতে হচ্ছে কংগ্রেস হাইকমান্ড সনিয়া গান্ধীকে (Sonia Gandhi)। আজ, সোমবারই দিল্লিতে তাঁর সঙ্গে দেখা করার কথা অশোক গেহলট ও সচিন পাইলটের।

    আরও পড়ুন: মিলল সোনিয়ার সম্মতি, কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট পদে অশোক-শশী লড়াই?

    রাজস্থান বিধানসভায় ২০০জন বিধায়কের মধ্যে ১০৮ জন কংগ্রেসের। তাঁদের মধ্যে অনেকেই মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলটের অনুগামী। কংগ্রেস সূত্রে খবর, দলে গণতন্ত্র রক্ষার জন্যই কংগ্রেস শীর্ষ নেতৃত্ব এখনও রাজস্থানের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রীর নাম ঘোষণা করেনি। বদলে বিধায়কদের বৈঠকে পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রীর নাম ঠিক হবে বলেই জানিয়েছে। এই ব্যাপারে দলীয় বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক করতে রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে ও রাজস্থানের ইনচার্জ অজয় মাকেনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। যদিও রাজস্থান কংগ্রেসের বিধায়কদের বিশ্বাস, হাইকমান্ড ইতিমধ্যেই সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছে। তাঁদের কাজ শুধু হাইকমান্ডের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করা। 

    আরও পড়ুন: গোয়া ভোটে তৃণমূলের খরচ ৪৭ কোটি টাকা, বিজেপির প্রায় ৩ গুণ!

    দলের অন্দরে বিরোধ আটাকাতে সনিয়া প্রতিটি বিরোধী নেতার সঙ্গে আলাদা আলাদা করে কথা বলার নির্দেশ দিয়েছেন অজয় মাকেন ও মল্লিকার্জুন খাড়গেকে। আজই তাঁদের বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। ৭১ বছর বয়সী অশোক গেহলটের সঙ্গে রাজ্যের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী সচিন পাইলটের বিরোধের কথা সকলেরই জানা। ২০২০ সালে চরমে উঠেছিল ক্ষমতা নিয়ে সেই বিবাদ। উপমুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেন সচিন। হুমকি দিয়েছিলেন দল ছেড়ে চলে যাওয়ারও। দলের অন্দরে খবর, বিরোধী বিধায়কদের ইস্তফার কথা শুনে মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলটকে ফোন করেন দলের পর্যবেক্ষক অজয় মাকেন ও সাংসদ কেসি বেণুগোপাল। জবাবে গেহলট বলেন, “আমি তো নিমিত্ত মাত্র! আমার হাতে কিছুই নেই।” যদিও পরে এই ফোনের কথা অস্বীকার করে কংগ্রেস।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share