Tag: s jaishankar

s jaishankar

  • S Jaishankar: “প্রধানমন্ত্রীর আমেরিকা সফরে মিলবে তাৎপর্যপূর্ণ ফল”, বললেন জয়শঙ্কর

    S Jaishankar: “প্রধানমন্ত্রীর আমেরিকা সফরে মিলবে তাৎপর্যপূর্ণ ফল”, বললেন জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি মাসেই তিনদিনের আমেরিকা সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর এই সফরে তাৎপর্যপূর্ণ ফল মিলবে বলে শনিবার জানান বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। এদিন সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে বিদেশমন্ত্রী বলেন, “এটাই প্রথমবার যে ভারতের একজন প্রধানমন্ত্রী মার্কিন কংগ্রেসে বক্তৃতা দেবেন দুবার।” মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও ফার্স্ট লেডি জিল বাইডেনের ডাকে আমেরিকা সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। ২২ জুন প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে রাষ্ট্রীয় নৈশভোজে। ওই দিনই মার্কিন কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

    ‘সম্পর্ক সে সমর্থন’

    জয়শঙ্কর বলেন, “রাষ্ট্রীয় সফরে আমেরিকা যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। এটা সর্বোচ্চ সম্মান। সুতরাং, যে সম্মান তিনি পাবেন, এ পর্যন্ত খুব কম রাষ্ট্রপ্রধানই তা পেয়েছেন।” প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারের ন’ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত ‘সম্পর্ক সে সমর্থন’ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন জয়শঙ্কর। অনুষ্ঠান হয়েছিল দক্ষিণ দিল্লির বাদাপুর এলাকায়। সেখানেই মোদির আসন্ন মার্কিন সফর নিয়ে আশা প্রকাশ করেন বিদেশমন্ত্রী। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী মার্কিন কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে ভাষণ দেবেন। কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী এখানে দুবার ভাষণ দেননি। তাই এটাই হবে প্রথম। তামাম বিশ্বের অল্প কিছু রাষ্ট্রপ্রধান এই সুযোগ পেয়েছেন…উইনস্টন চার্চিল, নেলসন ম্যান্ডেলা।”

    মোদির সফরসূচি

    জানা গিয়েছে, ২০ জুন আমেরিকা পৌঁছবেন প্রধানমন্ত্রী। পরের দিন রাষ্ট্রসংঘের সদর দফতরে নেতৃত্ব দেবেন নবম ইন্টারন্যাশনাল যোগা ডে-র অনুষ্ঠানের। পরে তিনি যাবেন ওয়াশিংটন ডিসিতে। সেখানে ২২ তারিখ তাঁকে স্বাগত জানাবেন প্রেসিডেন্ট বাইডেন এবং মার্কিন ফার্স্ট লেডি। ২৪ তারিখ পর্যন্ত আমেরিকায়ই থাকবেন মোদি।

    আরও পড়ুুন: ‘বিপর্যয়’-ধ্বস্ত গুজরাট ঘুরে দেখলেন শাহ, দুর্গতদের দিলেন সাহায্যের আশ্বাস

    এদিকে, প্রধানমন্ত্রীর আমেরিকা সফরের আগে গ্রিন কার্ড বিলির নিয়ম শিথিল করল বাইডেন প্রশাসন। আমেরিকায় যাঁরা কাজ করতে চান, তাঁদের গ্রিন কার্ড হোল্ডার হতে হয়। এতদিন এই নিয়ম যথেষ্ট কঠোর ছিল। প্রধানমন্ত্রীর সফরের আগেই শিথিল করা হল তা। প্রসঙ্গত, আমেরিকায় পাকাপাকিভাবে থাকতে গেলেও গ্রিনকার্ডের প্রয়োজন হয়। ভারতের বহু নাগরিক হন্যে হচ্ছেন গ্রিনকার্ডের জন্য। নিয়ম শিথিল হওয়ায় এবার আর দীর্ঘদিন তাঁদের অপেক্ষা করতে হবে না গ্রিনকার্ডের জন্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • S Jaishankar: “ন্যাটোয় যোগ দেওয়ার কোনও ভাবনা ভারতের নেই”, সাফ জানালেন জয়শঙ্কর

    S Jaishankar: “ন্যাটোয় যোগ দেওয়ার কোনও ভাবনা ভারতের নেই”, সাফ জানালেন জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ন্যাটোয় (NATO) যোগ দেওয়ার কোনও ভাবনা ভারতের (India) নেই। সাফ জানিয়ে দিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। তিনি জানান, পশ্চিমি বিশ্বের ওই জোটে যোগ দিলে ভারতের খুব একটা উপকার হবে না। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর গঠিত হয় নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন। পথ চলা শুরু হয় ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল। সদস্য দেশগুলিতে শান্তি রক্ষাই ন্যাটোর উদ্দেশ্য।

    ন্যাটোর সদস্য

    ন্যাটোয় এখনও পর্যন্ত ৩১টি দেশ যুক্ত হয়েছে। এই দেশগুলির মধ্যে রয়েছে আমেরিকা, ব্রিটেন, জার্মানি এবং ইটালির মতো দেশ। তবে ন্যাটোয় নেই ভারত। যদিও চলতি বছর এপ্রিলেই নর্থ আটলান্টিক মিলিটারি অ্যালায়েন্সে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী প্রতিনিধি জুলিয়ানে স্মিথ এক বার্তায় বলেছিলেন, ভারতের সংযুক্ত হওয়ার জন্য ন্যাটোর দরজা খোলা রয়েছে। ন্যাটোয় অন্তর্ভুক্ত হতে ভারত কতটা আগ্রহী, সেটাও জানতে চেয়েছিল ওয়াশিংটন। আমেরিকা চাইলেও, ভারত এ ব্যাপারে খুব একটা আগ্রহ দেখায়নি।

    ন্যাটো (NATO) নিয়ে ভারতের অবস্থান

    জয়শঙ্কর (S Jaishankar) তো জানিয়েই দিলেন, ন্যাটোয় যোগ দেওয়ার কোনও ভাবনা ভারতের নেই। অথচ ভারত সহ আরও ৬টি দেশকে ন্যাটো প্লাসে যোগ দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। এই দেশগুলি হল, অস্ট্রেলিয়া, জাপান, নিউজিল্যান্ড, ইজরায়েল এবং দক্ষিণ কোরিয়া। বিশ্ব নিরাপত্তা শক্তপোক্ত করতেই ন্যাটের শক্তি বাড়ানো প্রয়োজন বলেই মনে করেছিলেন ন্যাটোর কর্তাব্যক্তিরা।

    আরও পড়ুুন: ঠাকুরনগরে তুমুল বিক্ষোভ মতুয়াদের, অভিষেককে গো-ব্যাক স্লোগান

    তবে ভারত যে ন্যাটোয় যোগ দেবেই না, তা জানাই ছিল। কারণ আমেরিকার সঙ্গে বন্ধুত্ব পাতানোর পাশাপাশি রাশিয়ার সঙ্গে থাকা পুরানো সম্পর্ক নষ্ট করতে চাইছে না ভারত (S Jaishankar)। বিশ্ব রাজনীতিতে ভারত বরাবরই ভারসাম্যের নীতি নিয়েছে। ন্যাটোয় যোগ দিলে রাশিয়ার বিরাগভাজন হতে হবে ভারতকে। তাই ন্যাটোয় যোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্তই নিয়েছে নয়াদিল্লি।

    যদিও আমেরিকা বিশ্বাস করে চিনকে ঠেকানো এবং ভারত-প্রশান্ত মহাসাগর অঞ্চলে চিনা আগ্রাসন রুখতে ভারতের ন্যাটোয় যোগ দেওয়া প্রয়োজন। তবে ভারত যে চিনা আগ্রাসনের মোকাবিলা করতে সক্ষম, তা জানিয়ে দিয়েছে নয়াদিল্লি। তাই ন্যাটোয় যোগ দিচ্ছে না ভারত।

    এখন দেখার, ভারত-মার্কিন সম্পর্কের জল কোনদিকে গড়ায়!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • S Jaishankar: ট্যাবলোয় ইন্দিরা হত্যার দৃশ্য, “কানাডার জন্যও ভাল নয়”, বললেন জয়শঙ্কর

    S Jaishankar: ট্যাবলোয় ইন্দিরা হত্যার দৃশ্য, “কানাডার জন্যও ভাল নয়”, বললেন জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত (India) ও কানাডার (Canada) সম্পর্কের জন্য এই দৃশ্য মোটেই ভাল নয়। কানাডার ঘটনায় এভাবেই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। কানাডায় খালিস্থানপন্থীদের বাড়বাড়ন্ত নিয়েও মুখ খোলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী। ৬ জুন ছিল অপারেশন ব্লু-স্টারের ৩৯তম বার্ষীকি। এই উপলক্ষে কানাডার ব্র্যাম্পটন শহরে শোভাযাত্রা বের করেছিলেন খালিস্থানপন্থীরা। শোভাযাত্রায় একটি ট্যাবলোর মাধ্যমে দেখানো হয়েছিল প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর হত্যা দৃশ্য। সেই শোভাযাত্রার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। সে সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে কানাডায় খালিস্থানপন্থীদের বাড়বাড়ন্তের বিষয়ে মুখ খোলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী (S Jaishankar)।

    জয়শঙ্করের প্রতিক্রিয়া

    ভাইরাল হওয়া ভিডিওয় দেখা গিয়েছে, ভারতীয় সেনার পোশাকে বন্দুক হাতে দাঁড়িয়ে দুই শিখ জওয়ান। সাদা শাড়ি পরিহিত এক মহিলা রক্তাক্ত অবস্থায় দাঁড়িয়ে। সেই ট্যাবলোর পিছনে খালিস্থানি পতাকা হাতে হেঁটে চলেছেন বেশ কয়েকজন। এ প্রসঙ্গে জয়শঙ্কর বলেন, আমি মনে করি এই বিষয়টির সঙ্গে আরও বড় সমস্যা জড়িত…সত্যি কথা বলতে কী, ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতি ছাড়া অন্য কোনও কারণে কেউ এমন করতে পারে বলে আমি মনে করি না। আমার মতে, সে দেশে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের বাড়বাড়ন্ত বৃহত্তর অন্তর্নিহিত সমস্যা। চরমপন্থীরা সহিংসতার পক্ষে। আমি মনে করি, এটি আমাদের দুই দেশের সম্পর্কের জন্য ভাল নয়। কানাডার জন্যও এটা ভাল নয়।

    অপারেশন ব্লু-স্টার

    প্রসঙ্গত, খালিস্থানপন্থী জঙ্গি ভিন্দ্রেওয়ালাকে খতম করতে ১৯৮৪ সালে পঞ্জাবের অমৃতসরের স্বর্ণ মন্দিরে অভিযান চালায় ভারতীয় সেনা। তার জেরে ওই বছরেরই ৩১ অক্টোবর শিখ দেহরক্ষীর গুলিতে নিহত হন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। সম্প্রতি ফের মাথাচাড়া দিয়েছে খালিস্থানপন্থীদের আন্দোলন। গ্রেফতার করা হয়েছে আন্দোলনের নেতা অমৃতপালকে। 

    সেই ঘটনার প্রেক্ষিতে নানা সময় কানাডায় আন্দোলন করেছেন খালিস্থানপন্থীরা। সম্প্রতি যে শোভাযাত্রা হয়েছিল, সেখানেও ছিলেন তাঁরাই। সেই ঘটনার জেরেই কড়া প্রতিক্রিয়া জয়শঙ্করের (S Jaishankar)।

    আরও পড়ুুন: “শুভেন্দুকে চটি দিয়ে মারতাম”, তৃণমূলের সৌগতর মন্তব্যে স্তম্ভিত রাজ্য

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • New Parliament: বিরোধিতা কাম্য নয়! সকলকে সংসদের উদ্বোধনে আসার আহ্বান রাজনাথ, জয়শঙ্করের

    New Parliament: বিরোধিতা কাম্য নয়! সকলকে সংসদের উদ্বোধনে আসার আহ্বান রাজনাথ, জয়শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন সংসদ ভবন (New Parliament Building) নিয়ে রাজনীতি করা উচিত নয় বলে জানিয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। নতুন সংসদ ভবন উদ্বোধন বয়কট নিয়ে বিরোধীদের নিশানা করলেন  বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও। সরকারের তরফে বলা হয়েছে এটি দেশের ঐতিহ্য। তাই বিরোধিতার পথ ছেড়ে সকলকে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সামিল হওয়ার আবেদন জানানো হচ্ছে।

    রাজনাথের মত

    আগামী ২৮ মে, রবিবার নতুন সংসদ ভবনের (New Parliament Building) উদ্বোধন। নতুন ভবনের উদ্বোধন রাষ্ট্রপতিকে দিয়ে না করানোয়, কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেছে ১৯টি বিরোধী দল। যৌথ বিবৃতি দিয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বয়কটের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে তারা। বিরোধীদের এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং জানিয়েছেন, নরেন্দ্র মোদির নতুন ভবনের উদ্বোধনের মধ্যে দিয়ে আগামী রবিবার ভারতীয় গণতন্ত্রের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে। ভারতীয় গণতন্ত্রে এই বিরল মুহূর্ত আগামী ২১ শতকে আর আসবে না বলে জানান রাজনাথ। প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও বলেন যে নতুন সংসদ ভবনের উদ্বোধন কোনও পাবলিক অনুষ্ঠান নয়। এই ব্যাপারে পার্থক্য বোঝা উচিত। রাজনৈতিক বিরোধিতার অনেক সুযোগ থাকবে বলে বিরোধীদের প্রতি বার্তা দেন তিনি। 

    জয়শঙ্করের যুক্তি

    বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের মতে, নতুন সংসদ ভবনের (New Parliament Building) উদ্বোধন ভারতীয় গণতন্ত্রের উৎসব। উদ্বোধন বয়কটের মাধ্যমে বিরোধীরা একে সংঘাতের ইস্যু করে তুলেছে। যে কোনও বিষয় নিয়ে রাজনীতি করার একটি সীমা আছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এসপি সিং বাঘেল বয়কটের সিদ্ধান্তের নিন্দা করেন। শুক্রবার ডেমোক্রেটিক প্রগ্রেসিভ আজাদ পার্টির (ডিপিএপি) প্রধান গোলাম নবী আজাদ বলেছেন, নতুন সংসদ ভবন নির্মাণকে সকল সংসদ সদস্যদের স্বাগত জানানো উচিত।

    আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতিকে দিয়ে নয়া সংসদ ভবন উদ্বোধনের আর্জি খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

    কঠোর নিরাপত্তা

    প্রসঙ্গত, সারা ভারত থেকে প্রাপ্ত সামগ্রী দিয়ে নয়াদিল্লিতে তৈরি হয়েছে নতুন সংসদ ভবন (New Parliament Building)। এর উদ্বোধনকে সামনে রেখে রাজধানীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কঠোর করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে দিল্লিতে জারি করা ট্র্যাফিক অ্যাডভাইজরি অনুসারে, এদিন নয়াদিল্লিকে একটি নিয়ন্ত্রিত এলাকা হিসাবে বিবেচনা করা হবে। শুধুমাত্র পাবলিক ট্রান্সপোর্ট যানবাহন, প্রকৃত বাসিন্দা, লেবেলযুক্ত যানবাহন এবং জরুরী যানবাহনকে নয়াদিল্লি এলাকায় চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে।  নতুন সংসদ ভবনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানের জন্য নতুন সংসদ ভবনের চারপাশে দিল্লি পুলিশের প্রায় ৭০ জন পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এসিপি পদমর্যাদার কর্মকর্তারা সিসিটিভির মাধ্যমে মনিটরিং করছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • S Jaishankar: ‘‘জেগে উঠুন, কফির ঘ্রাণ নিন, ৩৭০ ধারা ইতিহাস’’! বিলাওয়ালকে জয়শঙ্কর

    S Jaishankar: ‘‘জেগে উঠুন, কফির ঘ্রাণ নিন, ৩৭০ ধারা ইতিহাস’’! বিলাওয়ালকে জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাশ্মীর নিয়ে পাক বিদেশমন্ত্রী বিলাওয়াল ভুট্টোর মন্তব্যের কড়া জবাব দিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। তিনি বলেন, পাকিস্তানের (Pakistan) সঙ্গে যদি কথা বলতে হয় তাহলে অধিকৃত কাশ্মীর (Occupied Kashmir) তারা কবে খালি করছে (vacate) শুধুমাত্র তা নিয়েই কথা হবে। পাশাপাশি পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি যা বলছেন তাতে কোনও গুরুত্ব না দেওয়ারও পরামর্শ দেন তিনি।

    জয়শঙ্করের জবাব

    জয়শঙ্কর শুক্রবার বলেন, ‘‘আমি বলতে চাই, জি২০-র সঙ্গে তাদের (পাকিস্তানের) কোনও সম্পর্ক নেই। সেই সঙ্গে আমি বলব যে শ্রীনগরের সঙ্গেও তাদের কোন সম্পর্ক নেই। কাশ্মীর নিয়ে আলোচনা করার জন্য শুধুমাত্র একটি ইস্যু আছে তা হল, পাকিস্তান কখন অধিকৃত কাশ্মীরের অবৈধ দখলদারি ছেড়ে দেবে।’’ সাংহাই কো-অপারেশনের বৈঠকে যোগ দিতে গোয়ায় এসে পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি বলেছিলেন, ‘‘ভারত যদি ২০১৯ সালের ৫ অগাস্ট নেওয়া পদক্ষেপ (৩৭০ ধারা বাতিল) পর্যালোচনা না করে, পাকিস্তান তা হলে ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বজায় রাখতে পারবে না।’’ 

    ৩৭০ এখন ইতিহাস

    ভারতের মাটিতে দাঁড়িয়ে ভূস্বর্গকে ‘অধিকৃত কাশ্মীর’ বলেও উল্লেখ করেন পাক বিদেশমন্ত্রী। পাশাপাশি টেনে আনেন কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বিলোপের প্রসঙ্গও। এরপরই ৩৭০ ধারা নিয়ে পাক (Pakistan) বিদেশমন্ত্রী (Foreign Minister) ভুট্টোর উদ্দেশে কড়া বার্তা ভারতের বিদেশমন্ত্রীর। জয়শঙ্কর বলেন, ‘‘জেগে উঠুন এবার, কফির ঘ্রাণ নিন, ৩৭০ এখন ইতিহাস।’’ এদিন তিনি আরও বলেন, “যাঁরা জঙ্গি হামলায় শিকার, তাঁরা কখনই সন্ত্রাসবাদের অপরাধীদের সঙ্গে এক টেবিলে আলোচনায় বসতে পারে না। যাঁরা সন্ত্রাসবাদের শিকার, তাঁরা সর্বদাই নিজেদের রক্ষা করতে ব্যস্ত থাকে। সন্ত্রাসবাদকে ঠেকাতে নানা রকমের পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। কিন্তু যাঁরা সন্ত্রাসবাদকে বৈধতা দেন, তাঁরা এখানে বসে মিথ্যা কথা প্রচার করছেন। আমরা একই নৌকায় রয়েছি, এটা জোর করে প্রমাণ করার চেষ্টা করছেন।”

    আরও পড়ুন: ‘পাসওয়ার্ড’ নয়! গুগল অ্যাকাউন্টে লগ-ইন করতে এবার লাগবে ‘পাস কি’

    উল্লেখ্য, এদিন গোয়ায় এসসিও-র বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক চলাকালীন ফের রক্তাক্ত হয় কাশ্মীর। শুক্রবার রাজৌরির জঙ্গলে জঙ্গি দমন অভিযানে নেমেছিল সেনা। সেখানে সন্ত্রাসবাদীদের আইইডি বিস্ফোরণে শহিদ হন পাঁচজন। বিলাওয়ালের সফরের মধ্যেই জম্মু কাশ্মীরে জঙ্গি হামলা হচ্ছে। আজ ভোর থেকেই জম্মুর দুটি জায়গায় সেনা-জঙ্গি এনকাউন্টার হচ্ছে। সেখানে এক জঙ্গি খতম হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • S Jaishankar: হ্যান্ডশেক নয়, দূর থেকে নমস্কার! বিলাওয়াল ভুট্টোর সামনেই সন্ত্রাস নিয়ে কড়া বার্তা জয়শঙ্করের

    S Jaishankar: হ্যান্ডশেক নয়, দূর থেকে নমস্কার! বিলাওয়াল ভুট্টোর সামনেই সন্ত্রাস নিয়ে কড়া বার্তা জয়শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত (India) হাসিমুখে একদিকে যেমন অতিথি আপ্যায়ন করতে জানে, তেমন ভাবেই কঠোর চোয়ালে মুখের ওপর জবাব দিতে জানে। গোয়ায় এসে এই কথাটা হয়ত ভালো ভাবেই টের পেলেন বিলাওয়াল ভুট্টো (Bilawal Bhutto Zardari)। পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রীর (Pakistan Foreign Minister) সামনেই সীমান্তপার সন্ত্রাস ইস্যুতে নাম না করে পাকিস্তানকে (Pakistan) কড়া কথা শুনিয়ে দিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)।

    গোয়ায় দুদিনের সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন বা সংক্ষেপে এসসিও (SCO Meet) গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলির বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক চলছে। এই বৈঠকে যোগ দিতে সদস্য দেশের বিদেশমন্ত্রীরা গতকালই গোয়ায় উপস্থিত হয়েছেন। গতকালই ভারতে এসেছেন পাক বিদেশমন্ত্রী বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি, যিনি বেনজির ভুট্টোর ছেলে ও জুলফিকার আলি ভুট্টোর নাতিও বটে। প্রায় এক যুগ পর ভারতে এসেছেন কোনও পাক বিদেশমন্ত্রীও। ভারতীয় ঐতিহ্য অনুযায়ী ‘নমস্তে’ বলে বিলাওয়ালকে অভিবাদন জানান জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। পাল্টা প্রতি-নমস্কার করেন বিলাবলও।

    আজ এই বৈঠকের দ্বিতীয় তথা শেষ দিন। এদিন বক্তব্য পেশ করতে গিয়ে পাক বিদেশমন্ত্রীর উপস্থিতিতেই সন্ত্রাসবাদ নিয়ে কড়া বার্তা দিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। সন্ত্রাসবাদের তীব্র বিরোধিতা করে ভারতের বিদেশমন্ত্রী জানান, সন্ত্রাস যেকোনও উপায়ে বন্ধ করতে হবে। জয়শঙ্কর বলেন, ‘‘সীমান্ত সন্ত্রাস একটি বড় সমস্যা। একে যে কোনও পদ্ধতিতে বন্ধ করা উচিত।’’ তিনি বলেন, ‘‘গোটা বিশ্ব যখন কোভিড এবং এর প্রভাব মোকাবিলায় ব্যস্ত ছিল, তখনও সন্ত্রাসবাদের হুমকি নিরবচ্ছিন্নভাবে অব্যাহত রয়েছে। এই হুমকি থেকে আমাদের চোখ সরিয়ে নেওয়া আমাদের নিরাপত্তার স্বার্থের জন্য ক্ষতিকর হবে।’’

    আরও পড়ুন: লাদেনের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন মোদিকে, ভারত সফরে এলেন সেই বিলাওয়াল

    জয়শঙ্কর (S Jaishankar) আরও বলেন, ‘‘আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি সন্ত্রাসবাদের কোনও যৌক্তিকতা থাকতে পারে না। আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদ সহ সব ধরনের বিবাদই বন্ধ করা উচিত। সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে আর্থিক অনুদান জোগানোর চ্যানলগুলিকেও বন্ধ করতে হবে। সদস্যদের মনে করিয়ে দিতে হবে না যে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করা এসসিও-র মূল নির্দেশগুলির মধ্যে একটি।’’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • S Jaishankar: রাষ্ট্রসংঘের সর্বোচ্চ স্ট্যাটিসটিক্যাল বডিতে নির্বাচিত ভারত, জানালেন জয়শঙ্কর

    S Jaishankar: রাষ্ট্রসংঘের সর্বোচ্চ স্ট্যাটিসটিক্যাল বডিতে নির্বাচিত ভারত, জানালেন জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আন্তর্জাতিক মঞ্চে বিরাট জয় ভারতের (India)! রাষ্ট্রসংঘের (UN) সর্বোচ্চ স্ট্যাটিসটিক্যাল বডিতে চার বছরের জন্য নির্বাচিত হল ভারত। বুধবার একথা জানান বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। ট্যুইট-বার্তায় ভারতের বিদেশমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রসংঘের সর্বোচ্চ স্ট্যাটিসটিক্যাল বডিতে চার বছরের জন্য নির্বাচিত হয়েছে ভারত। ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ওই মেয়াদ শুরু হবে। নিউইয়র্কে নিরাপত্তা পরিষদের ভারতীয় দলকে শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন জয়শঙ্কর।

    এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar) জানান…

    বিদেশমন্ত্রী জানান, স্ট্যাটিসটিক্স এবং ডেমোগ্রাফির ক্ষেত্রে ভারতের দক্ষতার জেরে রাষ্ট্রসংঘের স্ট্যাটিসটিক্যাল কমিশনে জায়গা হয়েছে ভারতের। সব মিলিয়ে ৫৩টি ভোটের মধ্যে ভারত পেয়েছে ৪৬টি। ভারতের ঢের পিছনে রয়েছে চিন, আরব আমিরাত। সূত্রের খবর, মাত্র দুটি আসনের জন্য লড়াইয়ের ময়দানে ছিলেন চারজন প্রার্থী। তবে শেষ হাসি হেসেছে ভারত (S Jaishankar)। ১৯৪৭ সালে গঠিত হয় ইউনাইটেড নেশনস স্ট্যাটিসটিক্যাল কমিশন। তামাম বিশ্বের স্ট্যাটিসটিক্যাল সিস্টেমের মধ্যে এটাই সর্বোচ্চ। রাষ্ট্রসংঘের সদস্য দেশগুলির মধ্যে থেকে নির্বাচিত হন এই কমিশনের সদস্যরা। আন্তর্জাতিক স্ট্যাটিসটিক্যাল কাজকর্মের ক্ষেত্রে এরাই সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রতিষ্ঠান। স্ট্যাটিসটিক্যাল স্ট্যান্ডার্ডও তৈরি করে এই প্রতিষ্ঠান।

    জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে এগুলিকে কার্যকরও করে এই সংস্থা। রাষ্ট্রসংঘের এই স্ট্যাটিসটিক্যাল কমিশনের সদস্য সংখ্যা ২৪। রাষ্ট্রসংঘের সদস্য দেশগুলির মধ্যে থেকে এই সদস্যদের নির্বাচিত করা হয়। নির্বাচিত করে ইউনাইটেড নেশনস ইকনোমিক ও সোশ্যাল কাউন্সিল। এই কমিশনে (S Jaishankar) পাঁচজন সদস্য আফ্রিকান দেশগুলি থেকে, চারজন এশিয়া পেসিফিক দেশগুলি থেকে, ইস্টার্ন ইউরোপের দেশগুলি থেকে চারজন, লাতিন আমেরিকার দেশগুলি থেকে চারজন এবং ক্যারিবিয়ান দেশগুলি থেকে চারজন, ওয়েস্টার্ন ইউরোপীয়ান এবং অন্য দেশগুলি থেকে সাতজন সদস্য নির্বাচিত হন। বর্তমানে এশিয়া প্যাসিফিক দেশগুলির মধ্যে রয়েছে জাপান, সামোয়া, কুয়েত এবং সাউথ কোরিয়া। এই দেশগুলির মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে চলতি বছরই।

    আরও পড়ুুন: মহাকাশ অর্থনীতিতে চিনকে টেক্কা দিচ্ছে মোদির ভারত, জানেন কীভাবে?

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • S Jaishankar: ‘অন্য দেশের বিষয়ে নাক গলানোর বদভ্যাস রয়েছে’, পশ্চিমকে নিশানা জয়শঙ্করের

    S Jaishankar: ‘অন্য দেশের বিষয়ে নাক গলানোর বদভ্যাস রয়েছে’, পশ্চিমকে নিশানা জয়শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমি (West) বিশ্বের একটা বদভ্যাস আছে। তারা মনে করে অন্যদের বিষয়ে মন্তব্য করার ক্ষেত্রে তাদের ঈশ্বরপ্রদত্ত অধিকার রয়েছে। নাম না করে এই ভাষায়ই ইউরোপ ও আমেরিকার (America) সমালোচনা করলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। মোদি (Modi) পদবি নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করার দায়ে দু বছরের কারাদণ্ড হয় কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধীর। গুজরাটের সুরাট আদালত ওই সাজা দেয় রাহুলকে। সঙ্গে করা হয়েছে জরিমানাও। রাহুল যাতে উচ্চ আদালতে যেতে পারেন, সেজন্য তাঁকে ৩০ দিন সময়ও দেওয়া হয়েছে।

    জয়শঙ্কর (S Jaishankar) উবাচ…

    কারাদণ্ড হওয়ায় লোকসভার সদস্যপদ খারিজ হয়ে যায় রাহুলের। এর পরেই ইউরোপের কয়েকটি দেশ এবং আমেরিকা এনিয়ে প্রশ্ন তোলে। সেই প্রসঙ্গে জয়শঙ্কর (S Jaishankar) বলেন, সত্যি কথা বললে বলতে হয়, পশ্চিমি বিশ্বের একটা বদভ্যাস আছে। তারা মনে করে অন্যদের বিষয়ে মন্তব্য করার ক্ষেত্রে তাদের ঈশ্বরপ্রদত্ত অধিকার রয়েছে। তিনি বলেন, অন্য দেশের বিষয়ে নাক গলালেও, নিজেদের দেশ সম্পর্কে অন্য কেউ মন্তব্য করুক, সেটা পশ্চিমি বিশ্ব ভালভাবে নেয় না।

    রবিবার কর্নাটকের বেঙ্গালুরুতে বিজেপি সাংসদ তেজস্বী সূর্য ও সাংসদ পিসি মোহনের উদ্যোগে আয়োজিত সাক্ষাৎ ও আলোচনা শীর্ষক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন বিদেশমন্ত্রী। সেখানেই পশ্চিমি বিশ্ব সম্পর্কে কটাক্ষ করেন জয়শঙ্কর। তিনি বলেন, নিজেদের মধ্যে তর্কে আপনি অন্যদের মন্তব্য করার জন্য আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন। এতে আরও আরও মানুষ মন্তব্য করতে উৎসাহিত হবে। আমাদের বিশ্বকে খোলা আমন্ত্রণ জানানো বন্ধ করতে হবে যে ভারতে সমস্যা রয়েছে, আমেরিকা ও অন্যান্য দেশ কেন চুপ করে রয়েছে? কিছু করছে না কেন? তিনি (S Jaishankar) বলেন, যদি কেউ একথা বলেন, তাহলে তাঁরাও স্বাভাবিকভাবেই মন্তব্য করবেন। তাই সমস্যার কিছুটা অংশ তারা, আর কিছুটা অংশ আমরাও। দু পক্ষকেই নিজেদের সংশোধন করতে হবে।

    আরও পড়ুুন: ‘মহরমের শোভাযাত্রায় অস্ত্র থাকলে প্ররোচনা ছড়ায় না তো?’, হাওড়াকাণ্ডে মন্তব্য সুকান্তর

    প্রসঙ্গত, ব্রিটেনের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী ব্যাপক সমালোচনা করেছিলেন মোদি সরকারের। গত রবিবার তা নিয়ে নাম না করে রাহুলের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। সংসদের চলতি অধিবেশনও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে রাহুল ইস্যুতে। রাহুলের বিরুদ্ধে দেশবিরোধী আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও তোলেন বিজেপি সাংসদ গিরিরাজ সিংহ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • S Jaishankar: ভারতীয় দূতাবাসে খালিস্তানপন্থীদের হামলা, মুখ খুললেন জয়শঙ্কর

    S Jaishankar: ভারতীয় দূতাবাসে খালিস্তানপন্থীদের হামলা, মুখ খুললেন জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার লন্ডনে (London) ভারতীয় দূতাবাসে হামলা চালিয়েছিল খালিস্তানপন্থীরা। দূতাবাস থেকে নামিয়ে দিয়েছিল ভারতের (India) তেরঙ্গা পতাকা। এবার সেই ইস্যুতে মুখ খুললেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। তিনি বলেন, দূতাবাসের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা দেশগুলির দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে তার প্রতিফলন ধরা পড়ছে না। লন্ডনের ঘটনাকে ভারত যে হালকাভাবে নিচ্ছে না, তা ধরা পড়েছে জয়শঙ্করের কথায়ই। তিনি বলেন, এই বিষয়ে (খালিস্তানপন্থীদের হামলার বিষয়ে) আমরা ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে কথা বলেছি।

    খালিস্তানপন্থী নেতা অমৃতপাল…

    প্রসঙ্গত, রবিবার খালিস্তানপন্থী নেতা অমৃতপাল সিংহের নামে স্লোগান দিয়ে বেশ কয়েকজন হামলা চালায় লন্ডনে ভারতীয় দূতাবাসে। দূতাবাস থেকে টেনে নামিয়ে দেওয়া হয় ভারতের জাতীয় পতাকা। লন্ডনের ওই ঘটনার পরে পরেই ভারতে নিযুক্ত ব্রিটিশ দূতকে জরুরি তলব করা হয়। চাওয়া হয় ব্যাখ্যাও। ব্রিটিশ প্রশাসনের তরফেও জানানো হয়, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত পদক্ষেপ করা হবে। ঘটনার জেরে শুক্রবারই বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি বলেছিলেন, ভারত আশ্বাস চায় না, চায় উপযুক্ত পদক্ষেপ। তারপর এদিন ভারতের তরফে প্রতিক্রিয়া দিলেন বিদেশমন্ত্রীও।

    লন্ডনে ভারতীয় দূতাবাসে হামলার ঘটনার পরে পরেই যানজটের (S Jaishankar) কারণ দেখিয়ে ভারতের ব্রিটিশ দূতাবাসের সামনে থেকে ব্যারিকেড সরিয়ে নেওয়া হয়। তার পর তড়িঘড়ি আঁটসাঁট করা হয় লন্ডনে ভারতীয় দূতাবাসের সামনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। কেবল লন্ডন নয়, চলতি সপ্তাহেই খালিস্তানপন্থীরা হামলা চালিয়েছিল আমেরিকার সান ফ্রন্সিসকোয় অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসেও। ওই ঘটনার জেরে শুক্রবার ভারত ও আমেরিকার তরফে শান্তি মিছিল করা হয় সান ফ্রান্সিসকোয়, ভারতীয় দূতাবাসের সামনে। বহু মানুষ যোগ দিয়েছিলেন এদিনের শান্তি মিছিলে। তাঁদের হাতে ছিল ভারতের তিরঙ্গা পতাকা।

    আরও পড়ুুন: শুভেন্দুর তোপ, মমতার আক্ষেপ! বগটুই নিয়ে সরগরম রাজ্য-রাজনীতি

    প্রসঙ্গত, গত রবিবারই খালিস্তানপন্থী একদল লোক সান ফ্রান্সিসকোয় ভারতীয় দূতাবাসে হামলা চালায়। খালিস্তানের পক্ষে স্লোগানও দিতে (S Jaishankar) থাকেন তাঁরা। কল্পিত খালিস্তানের দুটি পতাকাও তাঁরা টাঙিয়ে দেন দূতাবাসের সামনে। পরে অবশ্য ওই পতাকা দ্রুত সরিয়ে দেন দূতাবাসের দুই কর্মী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • S Jaishankar: ‘সম্পর্ক স্বাভাবিক নেই…শান্তিই মূল লক্ষ্য’, চিনা বিদেশমন্ত্রীকে কড়া বার্তা জয়শঙ্করের

    S Jaishankar: ‘সম্পর্ক স্বাভাবিক নেই…শান্তিই মূল লক্ষ্য’, চিনা বিদেশমন্ত্রীকে কড়া বার্তা জয়শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-চিন সম্পর্ক এখনও স্বাভাবিক নয়। ফলে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক যাতে স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরে, সেজন্য দুই দেশকে ‘প্রকৃত সমস্যা’-র সমাধান করতে হবে। নয়াদিল্লিতে চিনের বিদেশমন্ত্রী কিন গ্যাংকে এমনটাই বার্তা দিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। জি-২০ বৈঠকের ব্যস্ত সূচির মধ্যেই চিনের বিদেশমন্ত্রী কিন গাংয়ের সঙ্গে সীমান্ত ইস্যুতে আলোচনা করেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তিনি প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বা এলএসি নিয়ে আলোচনা করেন। ভারত-চিন দ্বিপাক্ষিক আলোচনা মূলত জি-২০ বৈঠকের ফাঁকেই হয়েছে। ২০১৯ সালের পরে ফের কোনও চিনা বিদেশমন্ত্রী ভারত সফরে এলেন। উল্লেখ্য, ভারত সফরের আগে দু’দেশের মধ্যে সম্পর্কের উন্নতির পক্ষে সওয়াল করেছিলেন গ্যাং।

    কী বললেন বিদেশমন্ত্রী (S Jaishankar)?

    গতকাল সোশ্যাল মিডিয়ায় এস জয়শঙ্কর ট্যুইট করে জানান “আজ বিকেলে জি-২০ বৈঠকের ফাঁকে চিনের বিদেশমন্ত্রী কিন গ্যাং-এর সঙ্গে দেখা হয়েছিল। সীমান্ত এলাকায় শান্তি প্রশান্তির পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে বর্তমানে যেসব চ্যালেঞ্জগুলি রয়েছে তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলা নিয়েও কথা হয়েছে।” এদিন সাংবাদিক বৈঠকে জয়শঙ্কর বলেন, “চিনা মন্ত্রী দায়িত্ব নেওয়ার পরে এটাই ছিল তাঁর সঙ্গে আমার প্রথম বৈঠক। আমরা সম্ভবত প্রায় ৪৫ মিনিট একে অপরের সঙ্গে কথা বলেছি। আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বর্তমান পরিস্থিতিই ছিল আজকের বৈঠকের প্রধান অংশ। জানানো হয়েছে, দু’দেশের মধ্যে আসল সমস্যা নিয়ে খোলাখুলি ভাবে, কোনও জড়তা ছাড়াই আলোচনা করতে হবে। তা না-হলে সম্পর্কে স্বাভাবিকতা ফিরবে না। আমাদের কথাবার্তার মূল লক্ষ্য সীমান্তে শান্তি ফেরানো।” উল্লেখ্য, ডিসেম্বরে চিনের বিদেশ মন্ত্রকের দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন কিন গ্যাং। তারপর এটাই জয়শঙ্করের (S Jaishankar) সঙ্গে তাঁর প্রথম বৈঠক।

    আরও পড়ুন: প্রয়াত হলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি সাংসদ সত্যব্রত মুখোপাধ্যায়

    ভারত ও চিন সম্পর্ক

    বার বার শান্তির কথা বলা হলেও ভারত এবং চিনের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা সংলগ্ন অঞ্চলে গেড়ে বসেছে চিনা ফৌজ। গত আড়াই বছর ধরে ভারতের টহলদারির এলাকাও তারা দখল করে রেখেছে বলে অভিযোগ। ফলে এবারে সীমান্তে শান্তি ফেরানো নিয়ে তিনি গ্যাংয়ের উপরে চাপ তৈরি করেছেন বলে বিদেশমন্ত্রী (S Jaishankar) জানিয়েছেন। প্রসঙ্গত, ২০২০ সাল থেকেই ভারত ও চিন সীমান্তে অস্থিরতা দেখা গেছে। চিনা সেনার লাদাখ ও অরুণাচপ্রদেশ সীমান্ত এলাকায় আগ্রাসনের কারণে গালওয়ানের সংঘর্ষও ঘটেছে। মৃত্যু হয়েছিল ভারতীয় সেনার ২০ জন জওয়ানের। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দুই দেশই একাধিক বৈঠক করেছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত সমাধান সূত্র অধরাই রয়ে গেছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই চলতি বছরে অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াং অঞ্চলে ফের চিনা আগ্রাসনের ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে চিনের কড়া সমালোচনা করেছিল নয়াদিল্লি। এই পরিস্থিতিতে দুই বিদেশমন্ত্রীর বৈঠক যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ।

    ২০২০ সালের পর অরুণাচল প্রদেশে চিনা আগ্রাসনে পর ভারত-চিন সম্পর্কের অবস্থা স্বাভাবিক নেই, ফলে এবারে বৈঠকে চিনের বিদেশমন্ত্রীকে কড়া বার্তা দিয়ে জয়শঙ্কর (S Jaishankar) জানিয়ে দিয়েছেন যে, সীমান্তে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কও স্বাভাবিক ছন্দে ফিরবে না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

LinkedIn
Share